Tag: s jaishankar

s jaishankar

  • S Jaishankar: “সন্ত্রাসে মদতদাতা প্রতিবেশীর হাত থেকে আত্মরক্ষার অধিকার ভারতের রয়েছে”, পাকিস্তানকে বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “সন্ত্রাসে মদতদাতা প্রতিবেশীর হাত থেকে আত্মরক্ষার অধিকার ভারতের রয়েছে”, পাকিস্তানকে বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মরক্ষার প্রশ্নে ভারত যা করবে, তার জন্য কারও কাছে জবাবদিহি করবে না। সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে ফের একবার পাকিস্তানকে (India-Pakistan) কাঠগড়ায় তুললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ করেছিল ভারত। সেই উদাহরণ টেনে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়েছেন, নিজের লোকদের রক্ষা করার অধিকার রয়েছে ভারতের। পাকিস্তানকে ‘খারাপ পড়শি’ বলেও তোপ দেগেছেন তিনি। তবে সরাসরি পাকিস্তানের নাম করেননি তিনি। জয়শঙ্কর বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশকেও। এ ক্ষেত্রেও সে দেশের নাম করেননি বিদেশমন্ত্রী।

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি, বাংলাদেশকে বার্তা

    শুক্রবার আইআইটি মাদ্রাজের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি জানান, নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থকে সুরক্ষিত রাখার অধিকার রয়েছে ভারতের। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়ে বাইরের কারও পরামর্শ নেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া বদ প্রতিবেশী যখন থাকে, তখন ভারতকে তার জনগণকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতেই হয়। আমরা কী ভাবে সেই পদক্ষেপ করব, তা কেউ ঠিক করে দিতে পারে না। আমাদের সুরক্ষার জন্যই আমরা যা করার করব।” একই সঙ্গে বাংলাদেশের নাম না-করেই ভারতের পূর্ব দিকের প্রতিবেশী দেশটিকে বার্তা দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “আপনাকে কেউ ভুল বুঝলে, কী ভাবে তা আটকাবেন?” নিজেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “আপনি যদি সততা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেন, তা হলে অন্য দেশ এবং সে দেশের মানুষেরাও সম্মান করবে।” এ ক্ষেত্রে কোনও দেশের উদাহরণ না-দিলেও মনে করা হচ্ছে জয়শঙ্কর বাংলাদেশের কথাই বলতে চেয়েছেন।

    সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি নিয়ে তোপ

    বৃহস্পতিবারই পাকিস্তানের (India-Pakistan) তরফে হুঁশিয়ারির সুরে বলা হয়েছিল, ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলবণ্টন (আইডব্লিউটি) চুক্তি ভেঙে ভারত পশ্চিমমুখী নদীগুলির জলের উপর দখলদারি কায়েম করতে চাইলে, কোনও অবস্থাতেই তা বরদাস্ত করা হবে না। শুক্রবার তারও জবাব দিয়েছেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, “আপনি আমাদের দেশে সন্ত্রাসবাদ ছড়াবেন, আবার জলবণ্টন করার আর্জিও জানাবেন— এটা হতে পারে না।” প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জলবণ্টন (আইডব্লিউটি) চুক্তি স্থগিত রেখেছে ভারত। জয়শঙ্কর আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের বিষয়টিকে জল-বণ্টন চুক্তি-সহ বৃহত্তর দ্বিপাক্ষিক বাধ্যবাধকতার সঙ্গেও যুক্ত করেন। ভারত কয়েক দশক আগে জল-বণ্টন চুক্তি করেছিল বলে উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, এই ধরনের সহযোগিতা সুসম্পর্কের পূর্বশর্ত। তিনি বলেন, “অনেক বছর আগে আমরা একটি জল-বণ্টন চুক্তিতে সম্মত হয়েছিলাম, কিন্তু যদি কয়েক দশক ধরে সন্ত্রাসবাদ চলে, তবে কোনও সুসম্পর্ক থাকে না। যদি সুসম্পর্ক না থাকে, তবে সেই সুসম্পর্কের সুবিধাগুলোও পাওয়া যায় না।”

  • S Jaishankar: ভারত-ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী, জেরুজালেমে জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: ভারত-ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী, জেরুজালেমে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আগেই ইজরায়েলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Netanyahu) সঙ্গে টেলিফোনে কথাও হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। মোদির পরে এবার ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বার্তা দিলেন, দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার।

    নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক (S Jaishankar)

    মঙ্গলবার সন্ধেয় জেরুজালেমে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই আলোচনা হয় প্রযুক্তি, অর্থনীতি, দক্ষতা ও প্রতিভা, সংযোগ এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে। নেতানিয়াহু-জয়শঙ্করের এই বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে আত্মবিশ্বাসী ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আঞ্চলিক রাজনীতি এবং গাজা-সহ একাধিক বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে ভারত ও ইজরায়েলের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে (S Jaishankar)।

    বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক

    নেতানিয়াহুর পাশাপাশি দু’দিনের এই ইজরায়েল সফরে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সারের সঙ্গেও আলাদাভাবে বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় বন্ডি বিচে চলা ইহুদিদের হানুকা উৎসবে গুলি বর্ষণ এবং তার জেরে মৃত্যুর ঘটনার তীব্র নিন্দেও করেছেন জয়শঙ্কর। তিনি এও জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত এবং ইজরায়েল দুই দেশই সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাস করে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এক জোট হয়ে লড়াই করবে দুই দেশই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে শীঘ্রই ভারতে আসতে পারেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। দু’দিনের এই ইজরায়েল সফরে জয়শঙ্কর দেখা করবেন ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগর সঙ্গেও। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই ভারত সফর করে গিয়েছেন (Netanyahu) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

    জয়শঙ্করের বক্তব্য

    এদিনের বৈঠকের পর জয়শঙ্কর বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই সমর্থন করে না ভারত। এ বিষয়ে ভারত ও ইজরায়েল দুই দেশই জিরো টলারেন্স নীতি মেনে চলে। বন্ডি বিচে হানুকা উৎসব চলাকালীন যে জঙ্গি হামলা হয়েছে, তা নিয়ে গভীরভাবে শোকাহত ভারত। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দে করি।” মনে রাখতে হবে, অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে যে নরসংহার চলেছে, তাতে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জন ইহুদির। হামলা চালিয়েছিল দুই বন্দুকবাজ (S Jaishankar)। এদের একজন আবার জন্মসূত্রে ভারতীয়। তার নাম সাজিদ আক্রম। আর এক আততায়ী নবিদ আক্রম তারই ছেলে। সে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। বাবা-ছেলের এই কীর্তিতে অবাক হায়দরাবাদে থাকা সাজিদের আত্মীয়-পরিজনেরা।

    সাজিদ বৃত্তান্ত

    সাজিদ জন্মসূত্রে ভারতীয়। তবে কাজের খোঁজে বছর আঠাশ আগে সে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ায়। তেলঙ্গনা পুলিশ জানিয়েছে, সাজিদ যখন ভারতে ছিল, তখন তার বিরুদ্ধে অপরাধের কোনও অভিযোগ ওঠেনি। ভারত থেকেই বিকম পাশ করার পর ১৯৯৮ সালে পড়ুয়া ভিসা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চলে যায়  (Netanyahu)সে। সেখানেই বিয়ে করে পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করে সাজিদ। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে। এই ছেলেও ছিল ওই দুই বন্দুকবাজের তালিকায়। সূত্রের খবর, অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পর থেকে ভারতের সঙ্গে ক্রমশ যোগাযোগ কমতে থাকে সাজিদের। দূরত্ব তৈরি হয় তার পরিবারের সঙ্গেও। ২০১৭ সালে বাবার মৃত্যুর পর শেষকৃত্যেও যোগ দেয়নি সাজিদ কিংবা তার ছেলে-মেয়ে-স্ত্রী। ২০২২ সালে কোনও এক বিশেষ প্রয়োজনে একবার ভারতে এসেছিল সাজিদ। তার পর আর ভারতমুখো হয়নি সে কিংবা তার পরিবার। তবে সাজিদের কাছে ছিল ভারতীয় পাসপোর্ট। যদিও তার ছেলে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। সম্প্রতি পিতা-পুত্র ফিলিপিন্স ঘুরে এসেছিল বলেও খবর (S Jaishankar)।

    জয়শঙ্করের ইজরায়েল সফর

    এহেন আবহে জয়শঙ্করের ইজরায়েল সফর এবং পরে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। বৈঠক শেষে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, তাঁর ইজরায়েল সফরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি ভারতের যে সমর্থন রয়েছে, তাও আরও একবার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এর আগেও একাধিকবার ইজরায়েল সফর করেছেন জয়শঙ্কর। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “আমাদের অভিবাসন-সংক্রান্ত বোঝাপড়ার ফলে আজ ইজরায়েলে ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। তাঁদের কিছু সমস্যা আছে, যেগুলির প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। আশা করি, আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই দিকটিকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।” বৃহত্তর কৌশলগত আলোচনা প্রসঙ্গেও সেই সময় জয়শঙ্কর বলেছিলেন, “আমাদের কৌশলগত সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলেও, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক (Netanyahu) বিষয়গুলিতে মতবিনিময় অত্যন্ত মূল্যবান। এমন কিছু বহুপাক্ষিক উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলিতে আমাদের উভয় দেশেরই গভীর আগ্রহ রয়েছে (S Jaishankar)।”

  • Bondi Beach Terror Attack: সিডনির সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা মোদির, দিলেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

    Bondi Beach Terror Attack: সিডনির সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা মোদির, দিলেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’-এর বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইহুদিদের উৎসব চলাকালীন অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি সৈকতে জঙ্গি হামলার তীব্র নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই নারকীয় হামলায় গভীর শোকপ্রকাশের পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়ে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বনের কথা মনে করিয়ে দিলেন।

    শোকপ্রকাশের পাশাপাশি কড়া বার্তা মোদির

    রবিবার এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বন্ডি বিচে হানুক্কার প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নিরীহ মানুষের উপর চালানো এই ঘৃণ্য সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।” নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি এবং এই কঠিন সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন। মোদি বলেন, “এই হামলার ফলে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি আমি ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে, আন্তরিক সমবেদনা জানাই। দুঃখের এই মুহূর্তে আমরা অস্ট্রেলিয়ার জনগণের পাশে আছি।” একইসহ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’। তাঁর কথায়, “সন্ত্রাসবাদের প্রতি ভারতের জিরো টলারেন্স রয়েছে, আমরা যে কোনও রূপে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে সমর্থন করি।” প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও এই সন্ত্রাসবাদী হামলার নিন্দা করেছেন এবং প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচে হানুক্কা উদযাপনে সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের সমবেদনা হতাহত এবং তাদের পরিবারের প্রতি রয়েছে।”

    রবিবার ঠিক কী ঘটেছিল?

    রবিবার ইহুদি ধর্মীয় উৎসব হানুক্কার প্রথম দিনের উদ্‌যাপন চলাকালীন বন্ডি সৈকতে দুই বন্দুকবাজ এলোপাথারি গুলি চালায়। ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ আরও ২৯ জন আহত হয়েছেন। অস্ট্রিলিয়া প্রশাসন এই হামলাকে জঙ্গি হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে। হামলাকারীদের মধ্যে একজন নিহত এবং অপরজনকে গুরুতর অবস্থায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ২ আততায়ী পাকিস্তানি নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। দুজনে সম্পর্কে বাবা-ছেলে। এই হামলা মূলত ইহুদিদেরই টার্গেট করা হয়েছিল বলে স্পষ্ট ধারণা পুলিশের। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই হামলাকে ‘ভয়ঙ্কর’ ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, “বন্ডির দৃশ্যগুলি খুবই ভয়ঙ্কর এবং কষ্টদায়ক। পুলিশ এবং জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। আমি আক্রান্তদের পাশে আছি।” তিনি আরও বলেন, “আনন্দের উৎসব হানুকার প্রথম দিনে ইহুদি-অস্ট্রেলিয়ানদের ওপর এটি একটি লক্ষ্যবস্তু-হামলা। আমাদের দেশে এই ঘৃণা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কোনও স্থান নেই।”

  • India Russia Relation: ভারতে আসছেন পুতিন, হবে ভারত-রাশিয়া গুচ্ছের চুক্তি সই! তার আগে গুরুদায়িত্বে জয়শঙ্কর-ডোভাল

    India Russia Relation: ভারতে আসছেন পুতিন, হবে ভারত-রাশিয়া গুচ্ছের চুক্তি সই! তার আগে গুরুদায়িত্বে জয়শঙ্কর-ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (India Russia Relation) সঙ্গে নয়া চুক্তি চূড়ান্ত করতে চলেছে নয়াদিল্লি। ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে ভারত সফরে আসার কথা রুশ প্রেসিডেন্টের। সেই সফরেই নয়াদিল্লি একগুচ্ছ নয়া চুক্তি ও উদ্যোগ চূড়ান্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    পুতিনের সফর (India Russia Relation)

    তিনি পুতিনের সফরকে কেন্দ্র করে ২৩তম বার্ষিক ভারত–রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মস্কোয় রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা করেন। জয়শঙ্কর বলেন, “এই বিশেষ উপলক্ষটি আমার কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা ২৩তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের জন্য প্রেসিডেন্ট পুতিনের ভারত সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।” তিনি জানান, উভয় পক্ষই বহু ক্ষেত্রে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, উদ্যোগ এবং প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমরা এগুলি আগামী দিনগুলিতে চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছি। এই সব পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে আমাদের বিশেষ এবং সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদৃঢ় করবে।” জানা গিয়েছে, ৫ ডিসেম্বরের আশপাশে ভারতে আসার কথা পুতিনের। এই সফরে তিনি বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও। গত বছর মোদি মস্কো সফর করেছিলেন বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে।

    বৃহত্তর বিশ্বের স্বার্থ পূরণ

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত শান্তি প্রতিষ্ঠার সাম্প্রতিক প্রচেষ্টাগুলিকে সমর্থন করে। আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষই এই লক্ষ্যকে গঠনমূলকভাবে নেবে। সংঘাতের দ্রুত অবসান এবং একটি স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বার্থেই।” তিনি বলেন, “ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীলতার একটি উপাদান হিসেবে কাজ করেছে এবং এই অংশীদারিত্বের বিকাশ দুই দেশ এবং বৃহত্তর বিশ্বের স্বার্থ পূরণ করে (India Russia Relation)।” দুই মন্ত্রী আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করব। এই খোলামেলা আলোচনা বরাবরই আমাদের সম্পর্ককে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেন সংঘাত, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফগানিস্তানের ঘটনাবলিও।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মস্কোয় জয়শঙ্করের এই সফরটি আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক একটি পদক্ষেপ, যেখানে কৌশলগত সহযোগিতা আরও মজবুত করতে উল্লেখযোগ্য ফলের সম্ভাবনা রয়েছে (S Jaishankar)।প্রসঙ্গত, ভারত ও রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনার জন্য ফি বছর একটি করে বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে। এখন পর্যন্ত এই ধরনের ২২টি সম্মেলন হয়েছে। রাশিয়া ভারতের দীর্ঘদিনের অংশীদার। এটি নয়াদিল্লির বিদেশনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।

    ডোভাল-নিকোলাই বৈঠক

    এদিকে, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সোমবার পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং রাশিয়ার মেরিটাইম বোর্ডের চেয়ারম্যান নিকোলাই পাত্রুশেভের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁদের আলোচনার মূল বিষয় ছিল সামুদ্রিক নিরাপত্তা। নয়াদিল্লিতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, ভারতের জাতীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা সমন্বয়ক ভাইস অ্যাডমিরাল বিশ্বজিৎ দাসগুপ্তও আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন (India Russia Relation)। দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়, “রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সহকারী ও রাশিয়ার মেরিটাইম বোর্ডের চেয়ারম্যান নিকোলাই পাত্রুশেভ ভারতে পৌঁছেছেন। তিনি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (S Jaishankar) অজিত ডোভাল এবং ভারতের জাতীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তা সমন্বয়ক ভাইস অ্যাডমিরাল বিশ্বজিৎ দাসগুপ্তের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।” উল্লেখ্য যে, পাত্রুশেভের এই সফরটি এমন একটি দিনে হল, যেদিন ভারতের বিদেশমন্ত্রী রুশ বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে নতুন করে বৈঠক করতে মস্কো পৌঁছেছেন।

    ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, আমেরিকার সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করছে ভারত। গত অগাস্ট মাসেই রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। গিয়েছিলেন ডোভালও। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছেন নয়াদিল্লির মোদি এবং মস্কোর পুতিন সরকার (India Russia Relation)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে অপরিশোধিত তেল কেনায় ভারতের ওপর রুষ্ট ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের হুমকি উপেক্ষা করেই রাশিয়ার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে রাজি হয়নি ভারত। ডোভাল, জয়শঙ্করের রাশিয়া সফর এবং (S Jaishankar) নরেন্দ্র মোদি-পুতিনের ফোনে কথা, ভারতের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের সমালোচনা, পুতিনের ভারতে আসার সম্ভাবনা, এমন নানা বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সেই সময় যে আলাপ-আলোচনা হয়েছিল, তা ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক আরও মজবুত করার ইঙ্গিত ছিল। সেই সম্পর্কই আরও মজবুত হবে পুতিনের আসন্ন ভারত সফরে (India Russia Relation)।

  • S Jaishankar: “ভারত-ইজরায়েলের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “ভারত-ইজরায়েলের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে উচ্চ মাত্রার বিশ্বাস এবং নির্ভরযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিদিয়ন সা’আর-এর সঙ্গে বৈঠকে গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রতি ভারতের সমর্থনের কথাও জানান তিনি।

    কী বললেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)

    এই প্রথম সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন সা’আর। তাঁকে স্বাগত জানিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “আপনাকে এবং আপনার প্রতিনিধিদলকে ভারতে স্বাগত জানাই। বিশেষ করে আপনাকে – কারণ আমি এখনই জানলাম এটি আপনার প্রথম ভারত সফর। তাই আন্তরিক ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।” দু’জনের আগের সাক্ষাতের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি এও বলেন, “আমাদের এর আগে মিউনিখে সাক্ষাৎ হয়েছে এবং আমরা টেলিফোনে যোগাযোগ রেখেছি। তবে আজ মুখোমুখি আলোচনার জন্য আমি সত্যিই আগ্রহী।” দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে এবং আমাদের ক্ষেত্রে এই শব্দটির প্রকৃত অর্থ আছে। কঠিন সময়ে আমরা একে অন্যের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা এমন একটি সম্পর্ক গড়ে তুলেছি যা উচ্চ মাত্রার বিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর প্রতিষ্ঠিত।”

    সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ

    বিশ্ব নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিন্ন উদ্বেগের ওপর জোর দিয়ে তিনি (S Jaishankar) বলেন, “সন্ত্রাসবাদ আমাদের দুই দেশের জন্যই একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাসবাদের সকল রূপ ও প্রকাশের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক পর্যায়ে জিরো-টলারেন্স (zero tolerance) নীতি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।” পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, “ভারত আপনাদের অঞ্চলের ঘটনাপ্রবাহ খুব ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।” তিনি বলেন, “আমরা বন্দিদের প্রত্যাবর্তন এবং যাঁরা দুর্ভাগ্যবশত প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের দেহাবশেষ ফেরত আসাকে স্বাগত জানাই। ভারত গাজা শান্তি–পরিকল্পনাকে সমর্থন করে এবং আশা করে যে এটি একটি স্থায়ী ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের পথ প্রশস্ত করবে।”

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পর্যালোচনা করার সুযোগ

    তিনি বলেন, “আপনার এই সফর আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা পর্যালোচনা করার সুযোগ এনে দিয়েছে। একে আরও গভীর করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা যাবে। আমাদের দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি সম্প্রতি স্বাক্ষরিত হওয়া এই দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এটিও লক্ষণীয় যে কৃষি, অর্থনীতি, পর্যটন ও অর্থ–বিষয়ক দায়িত্বে থাকা আপনার মন্ত্রিসভার সহকর্মীরা সম্প্রতি ভারত সফর করেছেন।” ভারতের উন্নয়ন–অগ্রগতির ফিরিস্তি দিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে ভারত বহু নতুন সক্ষমতা অর্জন করেছে, বিশেষ করে রেল, সড়ক ও বন্দর–পরিকাঠামো, পুনর্নবীকরণ জ্বালানি এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। আমাদের ব্যবসায়ী–সমাজ ইজরায়েলে বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজতে অত্যন্ত আগ্রহী, এবং আমরা অবশ্যই এই বিষয়ে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে চাই (S Jaishankar)।”

    আমাদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা

    জয়শঙ্কর বর্তমানে চলা সহযোগিতার সাফল্যের দিকটির ওপর জোর দিয়ে বলেন, “কৃষি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড তৈরি করেছি। এই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমাদের দুই দেশেরই স্বার্থেই।” তিনি বলেন, “সেমিকন্ডাক্টর ও সাইবার ক্ষেত্রেও আমাদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা রয়েছে। আজ এটি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। আমরা আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে ভারতে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের আয়োজন করছি। সেখানে ইজরায়েলের উপস্থিতির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।”

    ইজরায়েলে ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে

    ইজরায়েলে ভারতীয় শ্রমিকদের উপস্থিতি সম্পর্কে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমাদের অভিবাসন-সংক্রান্ত বোঝাপড়ার ফলে আজ ইজরায়েলে ভারতীয় কর্মীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। তাঁদের কিছু সমস্যা আছে, যেগুলির প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। আশা করি, আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই দিকটিকেও আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব (S Jaishankar)।” বৃহত্তর কৌশলগত আলোচনা প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর বলেন, “আমাদের কৌশলগত সহযোগিতার কথা বিবেচনা করলেও, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিষয়গুলিতে মতবিনিময় অত্যন্ত মূল্যবান। এমন কিছু বহুপাক্ষিক উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলিতে আমাদের উভয় দেশেরই গভীর আগ্রহ রয়েছে। আমাদের আলোচনার সেই অংশটির দিকেও আমি অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছি।”

    ‘গ্লোবাল সুপারপাওয়ার’

    এদিকে, ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সব চেয়ে মজবুত জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে দাবি করলেন ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি ভারতকে ‘গ্লোবাল সুপারপাওয়ার’ আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। ভারতের বন্ধুত্বের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।” সা’আর বলেন, “দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বাড়াতে শীঘ্রই একটি মউ সই হবে। প্রতিরক্ষা, কৃষি এবং অর্থনীতির ক্ষেত্রে আমরা ভালো অগ্রগতি করছি। তবে সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে আমাদের আগ্রহ আগের মতোই অটুট (S Jaishankar)।”

  • S Jaishankar: ভারত-আমেরিকা শুল্ক-যুদ্ধের আবহেই মালয়েশিয়ায় জয়শঙ্কর-রুবিও বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা হল?

    S Jaishankar: ভারত-আমেরিকা শুল্ক-যুদ্ধের আবহেই মালয়েশিয়ায় জয়শঙ্কর-রুবিও বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনের (ASEAN Summit) ফাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মালয়েশিয়ায় আয়োজিত এই সম্মেলনে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যে বাণিজ্য আলোচনা চলছে, তার প্রেক্ষিতেই হয় এই বৈঠক। এক্স হ্যান্ডেল একটি পোস্টে জয়শঙ্কর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক-সহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলি নিয়ে হওয়া আলোচনার প্রশংসা করেন।

    কোয়াত্রার বক্তব্য (S Jaishankar)

    এদিকে, রবিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন কোয়াত্রা মার্কিন সেনেটের বিদেশ সম্পর্ক কমিটির র‍্যাঙ্কিং সদস্য জিন শাহিনের সঙ্গে বৈঠকে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য চুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং তেল ও গ্যাস বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কোয়াত্রা লিখেছেন, “এসএফআরসিডেমস-এর সেনেট বিদেশ সম্পর্ক কমিটির র‌্যাঙ্কিং সদস্য সেনেটর শাহিনের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আমাদের আলোচনা মূলত পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য চুক্তি প্রতিষ্ঠা, ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং আমাদের অঞ্চলের অভিন্ন ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়েই কেন্দ্রীভূত ছিল।”

    নরেন্দ্র মোদির অবস্থান

    ভারতের রাষ্ট্রদূত রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবস্থানও তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত, এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় এমন একটা সময়, যখন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীয়ূষ গোয়েল সাফ জানিয়ে দেন, ভারত কোনও বাণিজ্য চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করে স্বাক্ষর করবে না এবং এমন কোনও শর্ত মেনে নেবে না যা অংশীদার দেশগুলি ভারতের বাণিজ্যিক স্বাধীনতাকে সীমিত করে। তিনি এও বলেন, “বাণিজ্য চুক্তি শুধুমাত্র শুল্ক বা কর সম্পর্কিত নয়, বরং এটি পারস্পরিক আস্থা গঠন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক স্থাপন এবং বৈশ্বিক ব্যবসায়িক সহযোগিতার জন্য একটি মজবুত কাঠামো তৈরির ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ (S Jaishankar)।”

    ওয়াশিংটনের সঙ্গে যে বাণিজ্য আলোচনা চলছে, তার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “অতি স্বল্পমেয়াদি প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আগামী ছ’মাসের মধ্যে কী ঘটবে তা নিয়ে নয়। এটি কেবল আমেরিকায় ইস্পাত বিক্রি করার ক্ষমতা নিয়েও নয়।” অন্যদিকে, বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল জানান, ভারতের সঙ্গে (ASEAN Summit) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। উভয় পক্ষই অধিকাংশ বিষয়ে একমত হওয়ার পথে। এ থেকে স্পষ্ট, শীঘ্রই একটি পারস্পরিকভাবে লাভজনক চুক্তি হতে যাচ্ছে (S Jaishankar)।

  • S Jaishankar: এভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না! আমেরিকা ও পাশ্চাত্যের ‘দ্বিচারিতা’ নিয়ে বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: এভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না! আমেরিকা ও পাশ্চাত্যের ‘দ্বিচারিতা’ নিয়ে বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিই উন্নয়নের ভিত্তি, কিন্তু উন্নয়নকে হুমকির মুখে ফেলে শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি কোনও দেশের জন্যই সহায়ক নয়। বর্তমানে রাষ্ট্রসঙ্ঘের বৈঠকে যোগ দিতে নিউইয়র্কে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। রাশিয়ার থেকে তেল কেনা ইস্যুতে ভারতের সমালোচনা করার বিষয়ে পশ্চিম বিশ্বের দ্বিচারিতার তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের নাম না করে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক উন্নয়নকে বিপন্ন করে আমরা আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারি না।’

    উন্নয়নের মাধ্যমেই শান্তি আসতে পারে

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জোর দিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে বিশ্বের পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এর ফলে গ্লোবাল সাউথ এবং সারা বিশ্ব প্রভাবিত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। নিউইয়র্কে জি২০ সদস্য দেশগুলির মধ্যে এক বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আমরা শান্তির মাধ্যমে উন্নয়ন আনতে পারি, কিন্তু উন্নয়নকে বিপন্ন করে আমরা বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারি না।’ শান্তি ও সংলাপের মাধ্যমেই যে কোনও সমস্যার সমাধান করার আহ্বান জানান জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, ‘উন্নয়নের মাধ্যমেই শান্তি আসতে পারে। জ্বালানি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাণিজ্যকে আরও অনিশ্চিত করে তোলা হলে কারও কোনও উপকার হবে না। ইতিমধ্যে একটি ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে রয়েছে জ্বালানি বাণিজ্য। তাই যেকোনও ইস্যু সংলাপ, কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। এতে জটিলতা যুক্ত করা ঠিক নয়।’

    আমেরিকাকে নিশানা

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে আছেন। এই সফরের সময় তিনি নিউ ইয়র্কে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করে। জয়শঙ্কর বলেন যে, বিশ্ব বর্তমানে অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে ৷ অনেক দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা, আলোচনা, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার জন্য ব্রিকসকে দৃঢ়ভাবে কাজ করতে হবে। তাঁর ভাষণে, তিনি ক্রমবর্ধমান সুরক্ষাবাদ, শুল্ক সংক্রান্ত অস্থিরতাতা এবং শুল্ক-ভিন্ন অন্যান্য বাধার কারণে বাণিজ্যের উপর প্রভাবের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, যে এই কারণগুলির আলোকে, বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে রক্ষা করার প্রয়োজন রয়েছে। সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর ব্রিকস দেশগুলির সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা তুলে ধরেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে বহুপাক্ষিকতাবাদ চাপের মধ্যে রয়েছে এবং গঠনমূলক পরিবর্তনের জন্য ব্রিকস দৃঢ়ভাবে একটি শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বিশ্বের অস্থির পরিবেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা, আলোচনা, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার নীতিগুলিকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। বিদেশমন্ত্রী এক বারও নির্দিষ্ট কোনও দেশ বা ঘটনার কথা উল্লেখ করেননি। তবে মনে করা হচ্ছে, আদতে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এইচ-১বি ভিসা নিয়ে আমেরিকার সাম্প্রতিক নির্দেশিকার দিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন তিনি।

  • India vs Pakistan: “নির্লজ্জভাবে সন্ত্রাস ছড়ায়, লাদেনকে আশ্রয় দেয়”, কাশ্মীর-মন্তব্যে শরিফকে কড়া জবাব ভারতের

    India vs Pakistan: “নির্লজ্জভাবে সন্ত্রাস ছড়ায়, লাদেনকে আশ্রয় দেয়”, কাশ্মীর-মন্তব্যে শরিফকে কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব রাষ্ট্রসংঘে চির পরিচিত। এবার কূটনীতিবিদ তথা রাষ্ট্রসংঘে ভারতের (India vs Pakistan) প্রতিনিধি পেটাল গেহলট শরিফের কাশ্মীর-মন্তব্যকে ‘অদ্ভুত নাটক’ বলে উল্লেখ করেছেন। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ এবং পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর পাকিস্তানের অবস্থান নিয়েও খোঁচা দিয়েছেন। রাষ্ট্রসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনে পেটাল গেহলট পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বক্তব্যকে তীব্র ভাষায় খণ্ডন করেন। এদিন শরিফের বক্তৃতায় ‘অপারেশন সিঁদুর’ এবং ভারতের সাতটি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি নিয়ে সরব হন গেহলট। তিনি বলেন, “পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এই সভায় যে নাটকীয়তা প্রদর্শন করেছেন, তা একেবারে অদ্ভুত। আবারও তিনি সেই সন্ত্রাসবাদের মহিমা কীর্তন করলেন, যা তাদের বিদেশনীতির মূল ভিত্তি।”

    কাশ্মীরে সন্ত্রাসের বীজ বপন পাকিস্তানের

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রাষ্ট্রসংঘের ভাষণে কাশ্মীর নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন, তার কড়া জবাব দিল ভারত। এ বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘের দৃষ্টি আকর্ষণ করে পেটাল গেহলট মনে করিয়ে দিয়েছেন ওসামা বিন লাদেনের কথাও। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় এর আগে ভাষণ দিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। সেখানে কাশ্মীর প্রসঙ্গে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। দাবি করেছিলেন, কাশ্মীরের মানুষের উপর ভারত অত্যাচার চালায়। পাকিস্তানের এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার ‘জবাব দেওয়ার অধিকার’ প্রয়োগ করে ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, ‘‘সকালে এই সভায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কিছু অদ্ভুত নাটক করেছেন। আরও এক বার তিনি সন্ত্রাসবাদকে মহান করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন, যা দেশটির বিদেশনীতির অন্যতম অঙ্গ। তবে কোনও নাটক বা কোনও মিথ্যাভাষণ সত্যকে ঢেকে রাখতে পারবে না।’’

    লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছে পাকিস্তান

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রসঙ্গ টেনে সে সময়ে পাকিস্তানের অবস্থান মনে করিয়ে দিয়েছেন নয়াদিল্লির প্রতিনিধি। বলেছেন, ‘‘এটাই সেই পাকিস্তান, যারা পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর গত ২৫ এপ্রিল রাষ্ট্রপুঞ্জে ‘রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ) নামের পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠীকে আড়াল করতে চেয়েছিল। এই দেশের সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়ার ইতিহাস অনেক পুরনো। ওদের কোনও লজ্জা নেই। বছরের পর বছর ধরে এই দেশেই আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল ওসামা বিন লাদেনকে, সে কথা ভুলে গেলে চলবে না।’’

    সন্ত্রাসীদের গৌরবময় ছবি প্রকাশ করেছে পাকিস্তান

    গেহলট জানান, ৭ মে পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী পরিকাঠামো ধ্বংস করে। তিনি বলেন, “বাহাওয়ালপুর ও মুরিদকেতে সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংসের পর বহু ছবি আমরা দেখেছি — সেইসব জঙ্গিদের যাদের পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী প্রকাশ্যে শহিদ ঘোষণা করে। ৯ মে পর্যন্ত পাকিস্তান আরও হামলার হুমকি দিচ্ছিল। কিন্তু ১০ মে তাদের সেনাবাহিনীই ভারতকে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।”
    তিনি আরও বলেন, “৯ মে পর্যন্ত পাকিস্তান আরও হামলার হুমকি দিচ্ছিল। কিন্তু ১০ মে তাদের সেনাবাহিনীই ভারতকে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।” গেহলট পাকিস্তান সরকারের দ্বিচারিতার কথাও তুলে ধরেন — “যে দেশ নিজেই স্বীকার করেছে যে তারা দশকের পর দশক ধরে জঙ্গি ক্যাম্প চালাচ্ছে, তাদের মুখে শান্তির কথা শুনে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই।”

  • Rubio Jaishankar Meet: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক,” বললেন আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী

    Rubio Jaishankar Meet: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক,” বললেন আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক।” সোমবার নিউ ইয়র্কে দ্বিপাক্ষিক ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকের পর কথাগুলি বলেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও। অস্থির অংশীদারিত্বকে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ওই বৈঠকে বসেছিলেন রুবিও এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (Rubio Jaishankar Meet)। এই বৈঠকেরই দিন কয়েক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নয়া এইচ-১বি ভিসার (H 1B Visa Row) জন্য ১ লাখ মার্কিন ডলারের ফি (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৮ লাখ টাকা) ঘোষণা করেছিলেন। তার পরেও রুবিও-র এহেন মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (Rubio Jaishankar Meet)

    রাষ্ট্রসংঘে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আয়োজিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ছিল ভারত ও আমেরিকার প্রথম মুখোমুখি আলোচনা। কারণ এই গ্রীষ্মের শুরুতে ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া হারে মার্কিন শুল্ক আরোপিত হওয়ায় বাণিজ্যিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছিল। এদিনের বৈঠকে দুই নেতাই আন্তরিকভাবে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান। উভয় দেশই ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক জটিলতার মধ্যেও সম্পর্কের ধারাবাহিকতার বার্তা তুলে ধরতে আগ্রহী ছিল।

    ভারত মার্কিন সম্পর্ক

    এদিন বৈঠক শেষে স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক রিপোর্ট থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে রুবিও বলেন, “ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক।” তিনি বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, ওষুধশিল্প এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে নয়াদিল্লির অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন। প্রতিশ্রুতি দেন, “কোয়াডের মাধ্যমেও একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তুলতে আমরা এক সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাব।” ফের একবার ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তার কথার উল্লেখ করে বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লেখেন, “আমাদের আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় (Rubio Jaishankar Meet) অন্তর্ভুক্ত ছিল। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলিতে অগ্রগতি আনতে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার গুরুত্ব নিয়ে আমরা একমত হয়েছি। আমরা যোগাযোগ বজায় রাখব।”

    ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা ঘোষণা

    শুক্রবার ভিসা ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। তার জেরে ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল তামাম বিশ্বে, বিশেষত ভারতে। কারণ এইচ-১বি ভিসার সব চেয়ে বড় ব্যবহারকারী দেশ ভারত। গত বছর যেখানে মোট অনুমোদনের ৭১ শতাংশ ভারত পেয়েছিল, সেখানে চিন পেয়েছিল ১২ শতাংশেরও নীচে। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া  এই ফি ভারতীয় আইটি পরিষেবা (H 1B Visa Row) দানকারীদের ব্যয় অত্যধিক বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ তারা এর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল (Rubio Jaishankar Meet)।

    শুল্ক বিবাদ

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ এই আঘাতটি দীর্ঘদিন ধরে চলা বাণিজ্য বিরোধের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করে। গত জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। এর ঠিক এক সপ্তাহ পরে আবারও অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। সব মিলিয়ে ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্কের হার দাঁড়ায় ৫০ শতাংশ। কারণ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীনও নয়াদিল্লি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে চলেছে। শুধু তাই নয়, সেই তেল বিক্রিও করছে ভারত। স্রেফ এই কারণ দর্শিয়েই চুপ করে যাননি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতকে তিনি এই মর্মে হুঁশিয়ারিও দেন  যে রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ না করলে মাশুল গুণতে হবে নয়াদিল্লিকে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই শুল্ক আরোপের ফলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তার ওপর প্রভাব পড়ে। যদিও সেপ্টেম্বর মাসে উভয় পক্ষই ফের আলোচনায় বসেছিল। ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে একে ইতিবাচক আলোচনা বলে বর্ণনা করা হয়েছে। তারা এও জানিয়েছে, এটি একটি চুক্তির লক্ষ্যে প্রচেষ্টা জোরদার করার অঙ্গীকারের কথা ব্যক্ত করে (H 1B Visa Row)।

    কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত

    নানান বাধাবিঘ্ন সত্ত্বেও ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখেছে। জুলাই মাসে রুবিও এবং জয়শঙ্কর জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কোয়াডের সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে শেষবারের মতো সাক্ষাৎ করেছিলেন। এঁরা প্রত্যেকেই চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। সোমবারের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক, যা শুল্কবিরোধ বাড়ার পর প্রথম, তার উদ্দেশ্যই ছিল এই বার্তা দেওয়া যে দুই দেশের সহযোগিতা এখনও অটুট রয়েছে (Rubio Jaishankar Meet)।

    প্রসঙ্গত, শুল্কবিতর্কে থমকে যাওয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ফের আলোচনা শুরু করেছে ভারত ও আমেরিকা দুই দেশই। দিন কয়েক আগেই বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে নয়াদিল্লি এসেছিল আমেরিকার বাণিজ্য সংক্রান্ত প্রতিনিধি দল। সোমবার ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল আমেরিকার গিয়েছেন (H 1B Visa Row)। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি যাতে দ্রুত সম্পন্ন হয়, সেই পথ আরও মসৃণ করতেই ফের ওয়াশিংটনে আলোচনায় বসছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা (Rubio Jaishankar Meet)।

  • S Jaishankar: ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত উচ্চ মার্কিন শুল্কের তীব্র বিরোধিতা শি জিনপিংয়ের

    S Jaishankar: ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত উচ্চ মার্কিন শুল্কের তীব্র বিরোধিতা শি জিনপিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্ব একটি সমষ্টি হিসেবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ খুঁজছে। তবে একই সময়ে এটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা যেন ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ হয় এবং সবার উপকারে লাগে।” ভার্চুয়াল ‘ব্রিকস’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে সোমবার কথাগুলি বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ভারত ও অন্য কয়েকটি দেশের পণ্যের ওপর চড়া হারে শুল্ক (US Tariffs) আরোপের কারণে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঠিক সেই সময় জয়শঙ্করের এই কথাগুলি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    জয়শঙ্করের বক্তব্য (S Jaishankar)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং অন্য রাষ্ট্রনেতারা। এই সম্মেলনেই জয়শঙ্কর বলেন, “ভারতের বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে খোলা, ন্যায়সঙ্গত, স্বচ্ছ এবং বৈষম্যহীন রেখে সংরক্ষণ করা উচিত হবে।” তিনি বলেন, “যখন একাধিক ব্যাঘাত ঘটে, তখন আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত এই ধরনের ঝুঁকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এর মানে হল আরও দৃঢ়, নির্ভরযোগ্য, অতিরিক্ত নিরাপত্তা-সহ এবং স্বল্প সরবরাহ শৃঙ্খলা তৈরি করা।”  প্রসঙ্গত, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ভার্চুয়াল ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন মার্কিন শুল্ক এবং বাণিজ্য নীতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য। কারণ এগুলিই বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে।জয়শঙ্কর বলেন, “গঠনমূলক ও সহযোগিতামূলক পন্থার মাধ্যমে বিশ্বকে একটি মজবুত বাণিজ্য ক্ষেত্রে উন্নীত করতে হবে। ব্যাঘাত সৃষ্টি করা এবং লেনদেন জটিল করা কোনও সাহায্য করবে না। বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে অ-বাণিজ্যিক বিষয়গুলির সঙ্গে যোগ করলেও সুবিধা হবে না।”

    ভারতের বক্তব্য

    জয়শঙ্কর ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে নিজেদের বাণিজ্য নীতি পুনঃপর্যালোচনা করে সদস্য দেশগুলির মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ভারতের প্রসঙ্গে বলতে গেলে আমাদের সবচেয়ে বড় ঘাটতি রয়েছে কিছু ব্রিকস অংশীদারের সঙ্গে। আমরা দ্রুত সমাধানের জন্য চাপ দিচ্ছি। আমরা আশা করি, আজকের সভা থেকে এই উপলব্ধিটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে সামনে আসবে।” ভারতের বিদেশমন্ত্রীর এই মন্তব্য (US Tariffs) ভারতের সঙ্গে চিনের বাড়তে থাকা বাণিজ্য ঘাটতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি (S Jaishankar) বলেন, “ভারত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে এটি সংরক্ষণ ও বিকাশ করা উচিত। শুধু তাই নয়, আজকের বিশ্ব পরিস্থিতি প্রকৃত উদ্বেগের কারণ।” কোভিড অতিমারি, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহে অস্থিরতা এবং চরম জলবায়ু ঘটনা, এসবই গত কয়েক বছরে বিশ্বের প্রধান চ্যালেঞ্জের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন জয়শঙ্কর। বলেন, “এই চ্যালেঞ্জগুলির মুখে বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা বিশ্বকে ব্যর্থ করতে দেখা যাচ্ছে। এতগুলি গুরুতর সমস্যা অবহেলিত থেকে যাওয়ায় বিশ্বব্যবস্থার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।”

    চিন-ভারত কাছাকাছি

    এদিকে, বৈরিতা ভুলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারতের আরও কাছাকাছি চলে এসেছে চিন। ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত উচ্চ মার্কিন শুল্কের তীব্র বিরোধিতা করেছে বেজিং। সোমবার চিনের রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের ভারতের ওপর আরোপিত ৫০ শতাংশ অন্যায় শুল্কের তীব্র বিরোধিতা করে চিন। তাই ভারত ও চিনের উচিত এই চ্যালেঞ্জ এক সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা (US Tariffs)।” দুই পড়শি দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে চিনা রাষ্ট্রদূত বলেন, “ভারত ও চিন উভয়ই সন্ত্রাসবাদের শিকার। এই (S Jaishankar) চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেজিং নয়াদিল্লি-সহ ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।” জাপানের বিরুদ্ধে চিনের বিজয়ের ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করার জন্য শুল্ককে এক ধরনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। দু’টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান অর্থনীতির দেশ ভারত ও চিনের এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় একে অন্যের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।”

    নীতি পরিবর্তন ভারতের

    ভারতীয় পণ্যের ওপর ট্রাম্প প্রশাসন উচ্চ শুল্কহার চড়ানোর পর নীতি পরিবর্তন করেছে ভারত। প্রতিবেশী দেশ চিনের সঙ্গে পুরানো তিক্ততা ভুলে এখন সম্পর্কের উন্নতি করতে উদ্যোগী হয়েছে নয়াদিল্লি। চিন অ্যাপ-সহ তার অনেক পণ্যের জন্য খোলা হচ্ছে ভারতের দুয়ার। এর পাশাপাশি রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ওপরও দ্রুত কাজ করা হচ্ছে (US Tariffs)। এক কথায়, ভারতীয় পণ্যের ওপর চড়া মার্কিন শুল্কের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, তা পূরণের জন্য এখন সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় সরকার (S Jaishankar)।

LinkedIn
Share