Tag: Sergio Gor

  • Sergio Gor on Kashmir: ‘জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ’, প্রথমবার শ্রীনগর সফরে বার্তা মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের

    Sergio Gor on Kashmir: ‘জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ’, প্রথমবার শ্রীনগর সফরে বার্তা মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ—কাশ্মীরের মাটিতে দাঁড়িয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এই কথা জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর (Sergio Gor on Kashmir)। জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে এই প্রথম অবস্থান স্পষ্ট করল আমেরিকা। মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, ভারত সরকারের পাশেই দাঁড়াল ট্রাম্প সরকার। জম্মু-কাশ্মীর সফরে এসে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা দিলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বুধবার শ্রীনগরে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে সাক্ষাতের পর গোর বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।” ৩৭০ ধারা বাতিল এবং পহেলগাঁও হামলার পর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এটিই আমেরিকার কোনো শীর্ষ প্রতিনিধির প্রথম একক সফর। তাঁর এই মন্তব্যের ফলে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের অবস্থান আরও জোরাল হলো বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

    মার্কিন রাষ্ট্রদূত-এর সঙ্গে বৈঠক

    বুধবার নিজের প্রথম ভূস্বর্গ সফরে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এরপর সমাজমাধ্যম ‘এক্স’-এ গোর জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর আলোচনায় জম্মু-কাশ্মীরের অগ্রাধিকার এবং ভারত ও আমেরিকার মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়েছে। পর্যটন, উদ্যানপালন এবং নতুন অর্থনীতির ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান ওমর আবদুল্লা। সাক্ষাতের পর ওমর আবদুল্লা ‘এক্স’-এ লেখেন, গোরের সঙ্গে তাঁর “খুব ভালো আলোচনা” হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর ও আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর ও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ

    প্রায় ১৫ বছর পর কোনও দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের কোনও মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি বৈঠক হল। ২০১১ সালে তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত টিমোথি রোমার মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেনেথ জাস্টার কাশ্মীরে শেষবার পৃথক সফরে এসেছিলেন। ২০১৯ সালে কেন্দ্রের তরফে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর এবং পাহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর এই প্রথম কোনও দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কাশ্মীরে সফর করলেন। ওমর আবদুল্লার পাশে দাঁড়িয়ে গোর বলেন, “আমি ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং এটি ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই প্রথমবার এখানে এসে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি অবিশ্বাস্য রকম সুন্দর জায়গা।”

    কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

    গোরের সঙ্গে বৈঠকের আগে ওমর আবদুল্লা বলেন, তিনি কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি আমেরিকার কাছে কোনও অভিযোগ জানাবেন না বলেও স্পষ্ট করেন। ওমর বলেন, “আমাদের সমস্যার সমাধান ওয়াশিংটন থেকে আসবে না, এর সমাধান করতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকেই।” বিদেশি রাষ্ট্রদূতের কাছে নিজের দেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা তাঁর অভ্যাস নয় বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা অবশ্যই হবে, তবে তিনি কোনও অভিযোগ জানাবেন না বা আমেরিকার কাছ থেকে কোনও সমস্যার সমাধান চাইবেন না। গোরের সফরে জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি লাদাখ সফরও রয়েছে। বৃহস্পতিবার তিনি লাদাখে যাবেন। জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহার সঙ্গেও কথা বলেন গোর।

    বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে কাশ্মীর নিরাপদ

    গত কয়েক দশক ধরে সন্ত্রাসবাদের আশঙ্কার কারণে আমেরিকা কাশ্মীর উপত্যকায় মার্কিন নাগরিকদের জন্য ‘লেভেল ৪’ বা ‘ভ্রমণ না করার’ নির্দেশিকা বলবৎ রেখেছে। তবে গোরের সফরের আগে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিপি প্রধান মেহবুবা মুফতি আবেদন জানিয়েছিলেন, আমেরিকা যেন এই কঠোর ভ্রমণ সতর্কতা পুনর্বিবেচনা করে তুলে নেয়, কারণ উপত্যকার হাজার হাজার পরিবার পুরোপুরি পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। এই প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আশ্বাস দিয়ে বলেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে এলাকাটিকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে অসাধারণ সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাই হোয়াইট হাউসের সুপারিশক্রমে জারি হওয়া ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল করা উচিত কি না, সেই বিষয়টি আমেরিকা এবার পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীর করার এবং এমন সব সুযোগ সৃষ্টির উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি, যা আমাদের উভয় দেশের জন্যই পারস্পরিকভাবে লাভজনক হবে।’’ পূর্ব লাদাখ এবং লেহ্ অবশ্য এই নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন নয়।

    কাশ্মীরে ঘুরতে যেতে পারবেন মার্কিন নাগরিকরা!

    ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর (US Ambassador in Kashmir) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ভূস্বর্গ কাশ্মীরে দাঁড়িয়ে ভারত সরকার প্রসঙ্গে তাঁর এই মত যথেষ্ট গুরুপূর্ণ। কাশ্মীরকে ভারতের অঙ্গ বলে তাঁর ঘোষণা আন্তর্জাতিক মহলে তাৎপর্যবহ। বুধবার গোর জানিয়েছেন, কাশ্মীর নিয়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা খানিক শিথিল করতে পারে আমেরিকা। তার কারণ ব্যাখ্যা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ গোর জানান, ওই এলাকায় শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য কিছু পদক্ষেপ করা হয়েছে। সেই দিকটি মাথায় রেখেই কাশ্মীর ভ্রমণ নিয়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র যদি এই সতর্কতা শিথিল করে, তবে তা বিদেশি পর্যটকদের কাছে কাশ্মীরকে একটি নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই সফর

    ভারত ও আমেরিকার মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার সময়েই গোরের এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও গোরের আলোচনা হয়েছে। মার্কিন দূতের এই উচ্চপর্যায়ের সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন কেন্দ্র জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে এটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার সাত বছর পূর্ণ হয়েছে। ভারত বরাবরই বলে এসেছে, জম্মু ও কাশ্মীর দেশের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ। অন্যদিকে, পাকিস্তান বারবার এই অঞ্চলে উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করে এসেছে। বৃহস্পতিবার গোর লাদাখে যাবেন, যা হবে ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষ এবং চীনের সঙ্গে সীমান্ত অচলাবস্থার পর এই অঞ্চলে কোনো মার্কিন দূতের প্রথম সফর।

     

     

     

  • Donald Trump: ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় কড়া ভোটার-আইডি আইন চাইলেন ট্রাম্প

    Donald Trump: ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় কড়া ভোটার-আইডি আইন চাইলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রস্তাবিত ‘সেভ আমেরিকা আইন’ (America Act) পাশ করার দাবি তুললেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এ বার সেই দাবির স্বপক্ষে ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য, ভারতে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখানোর নিয়ম রয়েছে। সেই তুলনা টেনেই আমেরিকায় ভোটার পরিচয় যাচাই এবং নাগরিকত্বের প্রমাণ সংক্রান্ত নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে ট্রাম্পের দাবি, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সম্প্রতি তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র ছাড়া আমেরিকায় কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। ট্রাম্প লেখেন, “চলতি মাসের গোড়ায় ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আমাদের প্রশাসনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন—বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র ছাড়া আমেরিকায় কীভাবে নির্বাচন হতে পারে?”

    ট্রাম্পের মুখে ভারতের লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ (Donald Trump)

    ভারতের সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গও টেনে আনেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ভারতের শেষ নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ভোটার ভোট দিয়েছিলেন এবং ১ শতাংশেরও কম ভোট ডাকযোগে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, প্রত্যেক ভোটারকেই বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখাতে হয়েছিল। ট্রাম্প বলেন, “ভারতের শেষ নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ভোটার ছিল! ১ শতাংশেরও কম ভোট ডাকযোগে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রত্যেক ভোটারকেই বৈধ ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেখাতে হয়েছিল।” ভারতের উদাহরণ টেনে ট্রাম্প ফের তাঁর প্রস্তাবিত ‘সেভ আমেরিকা আইন’ পাশ করাতে ডাক দেন কংগ্রেসকে। তিনি লেখেন, “আমাদের এখনই সেভ আমেরিকা আইন পাশ করতে হবে!” ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরও। এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে ট্রাম্প “সম্পূর্ণ সঠিক” কথা বলেছেন। ভারতের শেষ নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ভোটারের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে গোর বলেন, প্রত্যেক ভোটারের পরিচয়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। একই সঙ্গে আমেরিকান কংগ্রেসকে সেভ আমেরিকা আইন পাশ করার আহ্বান জানান তিনি।

    ‘সেভ আমেরিকা আইন’

    আমেরিকায় নির্বাচনী নিয়ম আরও কঠোর করার ক্ষেত্রে এই প্রস্তাবিত আইনটি ট্রাম্পের (Donald Trump) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হয়ে উঠেছে। ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের পাশাপাশি ভোট দেওয়ার যোগ্যতা হিসেবে নাগরিকত্বের প্রমাণ দেওয়ার মতো বিষয়ও এই উদ্যোগের আওতায় রয়েছে। ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার সঙ্গে আমেরিকার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তুলনা করে ট্রাম্প মূলত আমেরিকায় ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে চাইছেন (America Act)। ভারতের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণ এবং পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থাকে সামনে রেখে তাঁর এই রাজনৈতিক প্রচার নতুন করে দুই দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার পার্থক্য নিয়েও জন্ম দিয়েছে গভীর চর্চার (Donald Trump)।

     

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

  • India US Trade Deal: সময়ের ফের! ভারতকে কটাক্ষ করা ট্রাম্প সহযোগী লুটনিক ‘লুকিয়ে’ এলেন নয়াদিল্লিতে, কেন জানেন?

    India US Trade Deal: সময়ের ফের! ভারতকে কটাক্ষ করা ট্রাম্প সহযোগী লুটনিক ‘লুকিয়ে’ এলেন নয়াদিল্লিতে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে সময়ের ফের! শুল্ক-যুদ্ধের সময় ভারতকে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই সহযোগী হাওয়ার্ড লুটনিক চুপিসারে এসেছেন ভারত সফরে। অথচ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য সচিব বড় মুখে দাবি করেছিলেন— “শেষ পর্যন্ত ভারত শুল্কের চাপে নতি স্বীকার করবে, দুঃখপ্রকাশ করবে এবং একটি চুক্তি করার চেষ্টা করবে।” সেই ছবিটাই বদলে গেল ২৬ ফেব্রুয়ারি। বৃহস্পতিবার লুটনিকই দিল্লিতে এসে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক করেন, ঠিক সেই সময় যখন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আরোপিত ব্যাপক বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে দেয় (India US Trade Deal)।

    লুটনিকের সফর (India US Trade Deal)

    এই গোপন বৈঠকটি যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত—কোনও পক্ষই প্রকাশ্যে ঘোষণা করেনি। আদালতের রায়ের পর প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি, যা আগামী মাসে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল, তা নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়েল টুইট না করা পর্যন্ত ভারতে লুটনিকের সফরের খবর জানা যায়নি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মার্কিন দূত সার্জিও গোর। গোয়েল টুইট করেন, “মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক ও সার্জিও গোরকে আতিথ্য জানালাম। আমাদের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।” তবে বৈঠকের বিস্তারিত তিনি জানাননি। কিন্তু “বাণিজ্য” ও “অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব” শব্দের উল্লেখ থেকেই স্পষ্ট যে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি। তিন নেতাই ছবির জন্য পোজ দেওয়ার সময় হাসিমুখে ছিলেন। গয়ালের হাসি যেন একটু বেশিই চওড়া ছিল। সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছিল যে আলোচনা শান্ত পরিবেশেই হয়েছে। গোরও বেশি কিছু জানাননি। তিনি টুইট করেন, “আমাদের দুই দেশের জন্য বহু সহযোগিতার ক্ষেত্র রয়েছে। হাওয়ার্ড লুটনিক ও পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ মধ্যাহ্নভোজ।”

    পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলেছে

    লুটনিকের সফরের সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। খুব বেশিদিন আগে নয়, এক পডকাস্টে তিনি দাবি করেছিলেন যে— ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি গত বছর বাস্তবায়িত হয়নি, কারণ প্রধানমন্ত্রী মোদি সরাসরি ট্রাম্পকে ফোন করতে অস্বীকার করেছিলেন। এখন পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলেছে, কারণ ট্রাম্পের প্রভাব কমেছে। শুল্ক সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করা বেশ কয়েকটি দেশ নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছে। কারণ ট্রাম্প এই পারস্পরিক শুল্ককে চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। এই অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারতও ওয়াশিংটনে নির্ধারিত তার বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর স্থগিত করেছে, যা চুক্তির শর্ত চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ছিল। ভারতের জন্য আদালতের এই আদেশ কার্যত নতুন করে দর-কষাকষির সুযোগ তৈরি করেছে এবং সম্ভবত আরও অনুকূল শর্ত আদায়ের পথ খুলে দিয়েছে (India US Trade Deal)।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    এই দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করেছে। বুধবার তিনি ভারত-সহ অন্যান্য দেশকে “খেলা” না করার এবং বাণিজ্য প্রতিশ্রুতি থেকে পিছিয়ে না আসার সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্প তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, “যে কোনও দেশ যদি এই সুপ্রিম কোর্টের হাস্যকর সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলা করতে চায়—বিশেষ করে যারা বছরের পর বছর, এমনকি দশকের পর দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়েছে—তাহলে তারা সম্প্রতি যে শুল্কে সম্মত হয়েছে তার চেয়েও অনেক বেশি শুল্ক এবং তার চেয়েও খারাপ পরিণতির সম্মুখীন হবে।” বর্তমানে ভারতীয় রফতানি পণ্যের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৩ শতাংশ শুল্ক আরোপিত রয়েছে। প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অধীনে ট্রাম্প ভারতের ওপর আরোপিত শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ  করেছিলেন। গুরুত্বপূর্ণভাবে, রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও তিনি তুলে নিয়েছিলেন (India US Trade Deal)। তবে ভারত ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তারা প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে আসবে না, বরং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। এই প্রেক্ষাপটেই লুটনিকের নীরব সফর। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের আগে কি ফের আলোচনা হবে? উত্তর দেবে সময়ই।

     

  • Donald Trump: ভারতে নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, কেন তাঁকেই বেছে নিলেন ট্রাম্প?

    Donald Trump: ভারতে নয়া মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, কেন তাঁকেই বেছে নিলেন ট্রাম্প?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) দীর্ঘদিনের সহযোগী সার্জিও গোরকে (Sergio Gor) ভারতে আমেরিকার নয়া রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হল। বর্তমানে তিনি হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্সিয়াল পার্সোনেল পদে রয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ঘোষণা, সার্জিও ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করবেন। সেই সঙ্গে তাঁকে বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ায়। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত হিসেবে কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের সঙ্গে বচসার পর মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক যখন হোয়াইট হাউসের পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখন তিনি সার্জিওকে ‘সাপ’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এহেন ‘সাপ’কেই ভারতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো হচ্ছে এমন একটা সময়ে, যখন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নজিরবিহীনভাবে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন এবং যার জেরে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে।

    সার্জিওর ভূয়সী প্রশংসা (Donald Trump)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সার্জিওর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ট্রাম্প। লিখেছেন, “সার্জিও দারুণ বন্ধু। বহু বছর ধরে উনি আমার পাশে রয়েছেন। আমার হয়ে নির্বাচনী প্রচারে ছিলেন। আমার বই প্রকাশ করেছেন, আমাদের আন্দোলনকে সমর্থন করে অনেক কাজ করেছেন। আমেরিকার জনগণের কাছ থেকে আমরা যে দায়িত্ব পেয়েছি, তা বাস্তবায়নে সার্জিওর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” প্রশ্ন হল, কেন গোরের মতো ভারত সম্পর্কে খুবই কম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজনকে নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রদূত করে পাঠালেন ট্রাম্প? ব্লুমবার্গের মতে, গোরের ভারত সম্পর্কে অভিজ্ঞতা খুবই কম। তবে এটি খুব কম ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রদূতের পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার কারণ হয়েছে। কারণ দুই দলের প্রেসিডেন্টরাই প্রায়ই রাজনৈতিক সমর্থক, বন্ধু (Sergio Gor) এবং তহবিল সংগ্রাহকদের এই ধরনের পদে নিয়োগ করে থাকেন। যেমনটা করেছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। তিনি ভারতের রাষ্ট্রদূত করে পাঠিয়েছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাক্তন মেয়র এরিক গারসেটিকে। এই গারসেটি ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারে বাইডেনের দলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন (Donald Trump)।

     গোরের নিয়োগে কোন বার্তা?

    পলিটিকো একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, গোরের নিয়োগ কোনও দ্বন্দ্ব প্রশমিত করা বা রাষ্ট্রপতির (Donald Trump) কর্মী অফিসের পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে নয়। “রাষ্ট্রপতি মোদি সরকারকে শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছেন এমন একজন দূত পাঠিয়ে, যিনি তাঁর খুবই ঘনিষ্ঠ।” তিনি উল্লেখ করেছেন, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির সম্পর্ক চাপের মুখে পড়েছে ট্রাম্পের চড়া শুল্ক হার ঘোষণা এবং রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনার কারণে আরোপিত শাস্তির ফলে। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, “সার্জিও একটি স্পষ্ট বার্তা। এখন আলোচনা সিরিয়াসলি নিতে হবে এবং সব বার্তা সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে আসবে।”

    প্রাক্তন হোয়াইট হাউস স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যানন বলেন, “তাঁর কি ভারতের নীতি–সংক্রান্ত বিষয়ে গভীর জ্ঞান আছে? নেই। কিন্তু এই লোকটা (Sergio Gor) খুব দ্রুত শিখে নিতে পারে। তাঁর শুধু প্রেসিডেন্টের কাছে পৌঁছানোর সুযোগই নেই, বরং তাঁর প্রতি এক বিশেষ আস্থা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) তাঁকে বিশ্বাস করেন। তিনি তাঁর সঙ্গে সরাসরি ও সৎভাবে কাজ করছেন।”

LinkedIn
Share