Tag: Siliguri

Siliguri

  • Raju Bista: জিটিএ নির্বাচন অবৈধ, রুখবই! সাফ জানালেন রাজু বিস্ত

    Raju Bista: জিটিএ নির্বাচন অবৈধ, রুখবই! সাফ জানালেন রাজু বিস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিটিএ নির্বাচন (gta election) রুখবই। শুক্রবার জোর গলায় জানিয়ে দিলেন পাহাড়ের সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত (Raju Bista)। জিটিএ নির্বাচনকে অবৈধও ঘোষণা করেন রাজু। এদিনই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য সরকার (Bengal govt)। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এহেন মন্তব্য রাজুর।

    ২৬ জুন জিটিএ নির্বাচন হওয়ার কথা। জিটিএ ভোটের বিরোধিতায় পাহাড়ের সিংমারিতে অনশন করছেন মোর্চা নেতা বিমল গুরুং (Bimal Gurung)। বিমলের সুরে সুর মিলিয়ে জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতা করলেন এবার রাজুও। তিনি বলেন, জিটিএ নির্বাচন অবৈধ। কারণ হিসেবে রাজু বলেন, জিটিএ চুক্তি ছিল ত্রিপাক্ষিক। তাই কেন্দ্র এবং চুক্তির একটি পক্ষ মোর্চাকে এড়িয়ে এক তরফা নির্বাচন করা যাবে না।

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    এদিন শিলিগুড়ির নকশালবাড়িতে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন রাজু। সেখানেই জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। বিজেপি সাংসদ বলেন, আগে পাহাড় সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত। কয়েক দশক ধরে পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয় না। কার্শিয়াং ও কালিম্পং পুরসভার নির্বাচন এখনও বাকি। এমতাবস্থায় এসবে নজর না দিয়ে রাজ্য সরকার গায়ের জোরে জিটিএ নির্বাচন করিয়ে নিতে চাইছে। তাঁর অনুগামীদের পাহাড়ের মসনদে বসাতে চাইছেন। আমি এসব নিয়ে দিল্লিকে রিপোর্ট দিচ্ছি। সর্বশক্তি দিয়ে এই নির্বাচন রুখব। তাঁর মতে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিটিএ নির্বাচন করিয়ে একটি অবৈধ বিষয়কে টেনে তোলার চেষ্টা করছে রাজ্য। রাজ্য সরকারের এই চেষ্টা তৃণমূল সরকারের হতাশা এবং আমাদের অঞ্চল ও জনগণের প্রতি তাদের স্বৈরাচারী মনোভাব উভয়ই প্রদর্শন করে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার জোর করে জিটিএ চাপিয়ে দিতে চাইছে।

    আরও পড়ুন : ফের পরিবারতন্ত্রের প্রতি কটাক্ষ মোদির

    রাজু বলেন, গত ২০ বছর ধরে রাজ্য সরকার আমাদের অঞ্চলে ভোট করেনি। এভাবে জনগণকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। পঞ্চায়েত সম্পর্কিত উন্নয়ন তহবিল ও বিভিন্ন প্রকল্পে আমাদের অঞ্চলকে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত ভোট করেনি। এখন জিটিএ চাপিয়ে দিচ্ছে।

    পাহাড়ে গণতন্ত্র নেই বলেও অভিযোগ করেন সাংসদ। বলেন, এই অঞ্চলে গণতন্ত্র নেই। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভোট হয় না। রাজুর অভিযোগ, ভোট হয় তৃণমূলের ক্যাডারদের কাজে লাগিয়ে। বিজেপি সাংসদ বলেন, এটা সকলের কাছে স্পষ্ট যে, জিটিএ দার্জিলিং পাহাড়, তরাই এবং ডুয়ার্সের মানুষের সুবিধার জন্য নয়। এটি আমাদের অঞ্চলের মানুষের আকাঙ্খা পূরণ করতে পারে না। আমাদের অঞ্চলের উন্নয়নও করতে পারে না। তৃণমূলের শাসনে আমাদের এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি। বরং ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। আমরা বৈষম্যের শিকার। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আমাদের অঞ্চল ও মানুষের উন্নতির জন্য কখনও আন্তরিক নয়।

     

  • Panchayat Election: শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন ২৬ জুন, শুরু মনোনয়ন জমা নেওয়া

    Panchayat Election: শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন ২৬ জুন, শুরু মনোনয়ন জমা নেওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোটিশ জারি হয়ে গেল শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনের। ভোট হবে ২৬ জুন। আজ, শুক্রবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে মনোনয়ন পর্ব। বৃহস্পতিবার নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই সর্বদলীয় বৈঠক করেন জেলাশাসক এস পুন্নমবালম। তিনি জানান, নির্বাচন পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বুথ রয়েছে ৬৫৭টি। জেলাশাসক জানান, সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে বুথের সংখ্যা চূড়ান্ত করা হবে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    জানা গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির জন্য মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হবে ব্লক অফিসে। এসডিও অফিসে জমা নেওয়া হবে মহকুমা পরিষদের মনোনয়নপত্র। মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লক্ষ ২৭ হাজার ৯৩৮। জেলাশাসক জানান, মহকুমা পরিষদের আসন সংখ্যা ৯। চারটি পঞ্চায়েত সমিতির আসন সংখ্যা ৬৬। ২২টি গ্রাম পঞ্চায়েতে রয়েছে ৪৬২টি আসন। পোলিং স্টেশন রয়েছে ৬৫৭টি। শুক্রবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার কাজ। মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার শেষ তারিখ ২ জুন। মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করা হবে ৪ জুন। ওই মাসেরই ৭ তারিখ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সুযোগ থাকছে। ফল গণনার দিন জানানো হবে পরে। ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভোট কর্মীদের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ২, ৩ ও ৪ তারিখে। ৬ হাজার কেন্দ্রের জন্য নিযুক্ত হবেন ভোটকর্মীরা। যে কেন্দ্রে ভোট হবে, সেই কেন্দ্রের বাসিন্দারা সেই কেন্দ্রের ভোটকর্মী হতে পারবেন না। দার্জিলিং জেলা ছাড়াও লাগোয়া জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুর থেকেও কিছু ভোটকর্মী নেওয়া হবে। রবিবার বা অন্য কোনও সরকারি ছুটির দিন মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হবে না। ডিসিআরসি ও ভোট গণনা কেন্দ্রের মধ্যে মাটিগাড়ার ক্ষেত্রে নরসিংহ বিদ্যাপীঠ, নকশালবাড়ির ক্ষেত্রে হাতিঘিষা হাইস্কুল, ফাঁসি দেওয়ার জন্য ফাঁসিদেওয়া হাইস্কুল, খড়িবাড়ির জন্য খড়িবাড়ি হাইস্কুলকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ব্যালট নয়, এবারও ভোট হবে ইভিএমে।

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?     

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরে ব্যালটে ভোটের দাবিতে জোরালো সওয়াল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি যে ধোপে টিকল না, শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন ইভিএমে করার সিদ্ধান্তই তার বড় প্রমাণ।

     

  • Amit Shah in Bengal: “প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া সীমান্ত সুরক্ষা সম্ভব নয়”, বঙ্গ সফরে রাজ্যকে ‘শাহি’ তোপ

    Amit Shah in Bengal: “প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া সীমান্ত সুরক্ষা সম্ভব নয়”, বঙ্গ সফরে রাজ্যকে ‘শাহি’ তোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া সীমান্ত সুরক্ষা সম্ভব নয়। দু দিনের রাজ্য সফরে এসে বললেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ (Infiltration)-চোরাচালান (Smuggling) (বন্ধ করে সীমান্ত দুর্ভেদ্য (Border Security) করা বিএসএফের দায়িত্ব। কিন্তু সেটা কখনই সম্ভব নয় যদি না স্থানীয় প্রশাসন পাশে থাকে। নাম না করেই ইঙ্গিত স্পষ্ট। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রথমবার রাজ্যে এসেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তোপ রাজ্য সরকারকে। অমিত শাহের আশ্বাস, এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, এ রাজ্যেও বিএসএফ (BSF) প্রয়োজনীয় সাহায্য পাবে। মানুষের চাপের কারণেই বাধ্য হয়ে প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে প্রশাসন।

    [tw]


    [/tw]

    বিএসএফের নজরদারির পরিধি ১৫ কিলোমিটার থেকে ৫০ কিলোমিটার করার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে রাজ্য বিধানসভায় ইতিমধ্যেই বিল পাশ করেছে রাজ্য। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই সিদ্ধান্ত ভাল চোখে দেখছে না কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কারণ দিল্লির দাবি, রাজ্যে অনুপ্রবেশ বাড়ছে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চোরাচালান। শাসকদলের (TMC) স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও উঠছে নিয়মিত।   

    দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) সুন্দরবন (Sunderbans) অঞ্চলে নজরদারি জোরদার করতে ৬টি ভাসমান সীমান্তরক্ষা আউট-পোস্টের আনুষ্ঠানিক উদবোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয় ৬টি আউটপোস্ট। এর ফলে, সুন্দবনের দুর্গম খাঁড়ি এলাকাতে নজরদারি চালাতে সুবিধা হবে বিএসএফের। এরপর, হরিদাসপুর আউটপোস্টে ‘মৈত্রী সংগ্রহালয়’ একটি মিউজিয়ামের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। ভাসমান আউটপোস্ট ছাড়াও রাজ্যের সাহেবখালি থেকে বিহারের শামসেরনগর পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা বাড়াতে ৬টা নতুন ভাসমান অ্যাম্বুলেন্সের উদবোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Home Minister) দু’দিনের রাজ্য সফরে দক্ষিণের সঙ্গে জুড়েছেন উত্তরবঙ্গকেও (North Bengal)। আজই সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে, রেলওয়ে ইনস্টিটিউট স্পোর্টস গ্রাউন্ডে জনসভা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ৬ মে, শুক্রবার, সফরের দ্বিতীয়দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাবেন উত্তরবঙ্গে। কোচবিহারের (Coochbehar) তিনবিঘায় বিএসএফের ঝিকড়াবাড়ি আউটপোস্ট পরিদর্শন করবেন অমিত শাহ।

     

  • Trishakti corps: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    Trishakti corps: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক মহড়া চাক্ষুষ করলেন উত্তরবঙ্গের (North Bengal) আমজনতা। শিলিগুড়ির (Siliguri) কাছে তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে (Teesta field firing range) সম্প্রতি হয়ে গেল ওই মহড়া। ভারতীয় সেনার (Indian Army) ত্রিশক্তি কোরের (Trishakti corps) সঙ্গে ওই মহড়ায় যৌথভাবে অংশ নেয় কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF)। সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি ও সক্ষমতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল এই বিশেষ মহড়ার। যার পোশাকি নাম “কৃপাণ শক্তি” (EX KRIPAN SHAKTI)।

    যৌথবাহিনীর ওই মহড়ায় প্রথমে সক্ষমতা প্রদর্শন করে ত্রিশক্তি কোরের সদস্যরা। লক্ষ্যবস্তুতে তাঁরা কত দ্রুত আঘাত হানতে পারেন, তারই প্রমাণ দেন এই সেনা জওয়ানরা। লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষিপ্র গতিতে আঘাত হানতে পারার কারণেই এই বাহিনীর এত নামডাক। এদিন এই বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্নরকমের সামরিক হাতিয়ার ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে দেখান। বন্দুক, মর্টার, ইনফ্যান্ট্রি কমব্যাট ভেহিক্যালস, হেলিকপ্টার সহ বিভিন্ন সেনা-সরঞ্জাম। কেবল শব্দ শুনেই কীভাবে লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে হয় (sensor to shooter), এদিন মহড়া হয়েছে তারও।

    এদিনের এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Central Armed Police Forces) জওয়ানরাও। দক্ষতার প্রমাণ দেন এই জওয়ানরাও। বিপদ ঘনালে এই দুই বাহিনী যে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত, এদিন মূলত মহড়া হয়ে গেল তারই।

    মহড়া শেষে আয়োজন করা হয়েছিল অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শনের। আমজনতাও তিস্তা রেঞ্জে গিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন হাতিয়ার চাক্ষুষ করেন। মহড়ার সময় উপস্থিত ছিলেন সেনা লেফটেন্যান্ট জেনারেল তরুণ কুমার আইচ, ত্রিশক্তি কোরের জেনারেল কমান্ডিং অফিসার সহ দস্থ সেনাকর্তারা। কর্তাদের পাশাপাশি মহড়া চাক্ষুষ করেছেন বিএসএফ (BSF), সশস্ত্র সীমা বল (SSB), স্থানীয় সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের লোকজন। উপস্থিত ছিলেন স্কুল-কলেজের এনসিসি (NCC) ক্যাডেটরাও।

    সেনার এক মুখপাত্র জানান, মহড়ার মূল লক্ষ্য ছিল বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগের জওয়ানদের মনোবল বাড়ানো। বিদেশি যে কোনও শক্তির মোকাবিলা করতে আমাদের সেনা যে প্রস্তুত, সেই বার্তাও দেওয়া হয়।

     

LinkedIn
Share