Tag: Siliguri

Siliguri

  • NJP: শুরু হল এনজেপি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান, কবে থেকে চলবে এই ট্রেন?

    NJP: শুরু হল এনজেপি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান, কবে থেকে চলবে এই ট্রেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে খুশির খবর। তবে, শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, রাজ্যবাসীও এই খবর শুনে আনন্দিত হবে। কারণ, এনজেপি (NJP) – হাওড়ার পর এবার এনজেপি -গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হতে চলেছে।  আগামী ২৫মে  বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারই প্রস্তুতি হিসেবে রবিবার সকালে এনজেপি (NJP) – গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান হল। উল্লেখ্য রাজ্যের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এনজেপি -হাওড়ার চালু হওয়ার পর  দক্ষিণবঙ্গের তথা দেশের অন্যান্য প্রান্তে পর্যটকদের ঢল নেমেছে উত্তরবঙ্গে। এনজেপি- গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হলে পর্যটকদের ভিড় আরও বাড়বে।

    ট্রায়াল রানে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস গুয়াহাটি যেতে কতক্ষণ সময় নিল?

    ঘোষণা আগেই ছিল। এনজেপি (NJP) -হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালুর পরপরই এনজেপি- গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপারেস চালুর কথা জানিয়েছিল রেল দফতর। সম্প্রতি হাওড়া – পুরি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর এনজেপি- গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস শীঘ্রই চালু হওয়ার সম্ভাবনা জোরাল হয়ে ওঠে। এই ট্রেনটি চালু হতে যে আর বেশি দেরি নেই তা এদিন ট্রায়াল রানের মধ্য দিয়ে তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। এটি উত্তর- পূর্ব ভারতের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস হবে। এদিন সকাল ৬.১০ মিনিট নাগাদ এনজেপি থেকে গুয়াহাটির উদ্দেশ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান শুরু হয়। গুয়াহাটিতে এদিনই  সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ ট্রেনটি পৌঁছায়। সবমিলিয়ে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে। এনজেপি- হাওড়া, হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পরপরই এনজেপি গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে রেল দফতর সর্বত্র পর্যটনের বিকাশের ক্ষেত্রে  নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করে চলেছে বলে মনে করছেন ট্যুর অপারেটররা।

    কী বললেন এডিআরএম?

    এদিন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের এডিআরএম সঞ্জয় চিলওয়ারওয়ার বলেন, আমরা দেখে নেব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রেনটি গন্তব্যে পৌঁছচ্ছে  কি না। কোথাও গতি কম বা বেশি করতে হলে সে বিষয়টি ট্রায়ালের মধ্য দিয়েই ধরা পড়বে। এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে রেল দফতর থেকে যে নির্দেশিকা এসেছে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য তাতে আগামী ২৫ মে  এনজেপি (NJP)  – গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার কথা রয়েছে। আমরাও সবকিছু প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। কাজেই ২৫ মে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হতে আর সমস্যার কিছু নেই। এদিন ট্রায়াল রান দিয়েই আমরা চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে নেওয়া হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL: দোকানের আড়ালে চলছে আইপিএলের বেটিং চক্র! কারা জড়িত জানেন?

    IPL: দোকানের আড়ালে চলছে আইপিএলের বেটিং চক্র! কারা জড়িত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে ফের আইপিএল (IPL) বেটিং চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই যুবক। মুদিখানার, সোনার দোকানের পর এবার ধরা পড়লো  মাংসের দোকানের মালিক। এই দোকানের আড়ালে  অনলাইনে আইপিএল বেটিং চলত বলে অভিযোগ। পরপর এভাবে দোকানের আড়ালে বেটিং চালানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    জাল ছড়িয়েছে গোটা শহরে

    গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে ১৮ মে রাতে পুলিশ শিলিগুড়ি শহরের  বাগড়াকোট এলাকায় একটি মাংসের দোকানে অভিযান চালায়। সেখানে হাতেনাতে ধরা পড়ে দুই যুবক। পুলিশ জানিয়েছে,  ধৃতদের নাম মহম্মদ সরফরাজ ও মহম্মদ নাফিস আলম। দু’জনেরই বাড়ি বাগরাকোটে।  ধৃতদের  দুটি মোবাইল ফোন এবং নগদ কয়েক হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১২ মে রাতে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় সিটি সেন্টারে শপিংমলে একটি সোনার দোকানে হানা দিয়ে আইপিএল (IPL) বেটিং চালানোর অভিযোগে হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছিল। তারও দুদিন আগে শিলিগুড়ি পুরসভার ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের হায়দারপাড়া এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে আইপিএল বেটিং চালানোর অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সেই ব্যক্তি নিজের মুদিখানার দোকানের আড়ালে আইপিএল (IPL) বেটিং চক্র চালাচ্ছিল। তার কাছ থেকে নগদ ৬ হাজার ৯০০ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন পেয়েছিল পুলিশ।

    বেটিং চক্র নিয়ে কী বললেন পুলিশ আধিকারিক?

    আইপিএল (IPL) শুরু থেকেই  শিলিগুড়িতে বেটিং চক্রের সন্ধান মিলেছে। বিগত বছরগুলিতেও শিলিগুড়িতে রমরমিয়ে আইপিএল বেটিং চলেছে। পুলিশের জালে  অনেকে ধরাও পড়েছে। পুলিশের নজরকে ফাঁকি দিতে এবার  বেটিং চক্র নতুন পন্থা নিয়েছে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের এক পদস্থ অফিসার  বলেন, শিলিগুড়ি শহরে  মুদিখানা দোকান, মাংসের দোকান, সোনার দোকানের পাশাপাশি ছোট ছোট রেস্তোরাঁ, ক্যাফেতেও গোপনে বেটিং চক্র চলছে বলে আমাদের কাছে খবর রয়েছে। আমরা সে মতো ধারাবাহিক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত যারা ধরা পড়েছে তারা  এই বেটিং চক্রের এজেন্ট। এদের পিছনে আরও অনেক বড় মাথা রয়েছে। শুধু  শিলিগুড়ি বা উত্তরবঙ্গ নয়, এর বাইরেও এই বেটিং চক্রের জাল বিস্তৃত। ধৃত ব্যক্তিরা  মোবাইল অ্যাপের সাহায্যে বিভিন্ন আইডি তৈরি করে আইপিএল বেটিং চালাচ্ছিল। প্রাথমিক তদন্তে এই দিকটি উঠে এসেছে। শিলিগুড়িতে এরকম আরও অনেক এজেন্ট থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তা জানতে ধৃতদের লাগাতার জেরা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Rail: গাইসালে ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের বগির ব্রেকে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি

    Indian Rail: গাইসালে ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের বগির ব্রেকে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার দুপুরে আপ ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের (Indian Rail) একটি বগির ব্রেকে আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ট্রেন যাত্রীরা ধোঁয়া দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয় ট্রেন। প্রাণ বাঁচাতে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। রেলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কুড়ি মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পর ট্রেনটি গন্তব্যস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। এর পরই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    রেলকর্মী জ্যোতিষ পাসমান জানিয়েছেন, পাটনা-দানাপুর থেকে শিলিগুড়িগামী আপ ক্যাপিটাল এক্সপ্রেস (Indian Rail) গাইসালের কাছে পৌঁছলে আগুন দেখতে পাওয়া যায়। জানা গেছে, ব্রেক সু থেকেই আগুন লাগে। রেলকর্মীরা দ্রুতই আগুন নিভিয়ে ফেলেন। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই। বর্তমানে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন তিনি। এই ধরনের ঘটনার পিছনে গাফিলতি আছে বলে তিনি মনে করেন না। তাঁর মতে, ব্রেক গরম হয়ে এরকম হতেই পারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর যাত্রীরা স্বাভাবিক কারণেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তবে আগুনের ব্যাপকতা তেমন ছিল না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে! জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়িতে তৃণমূলের (TMC) দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল (TMC) নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন। জেলা সভানেত্রীও দলীয় ওই নেতার বিরুদ্ধে দলের কী অবস্থান, তা জানিয়ে দিলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    ঠিক কী হয়েছিল?

    গত মঙ্গলবার তৃণমূলের ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ ও অন্যান্য নেতৃত্ব। দিলীপ বর্মনকে দেখেই তিনি অন্য নেতাদের মাধ্যমে তাঁকে সেই অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যেতে বলেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারবার দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত অভিযোগ জমা পড়ায় জেলা নেতৃত্ব সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়, দিলীপ বর্মন দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। সেই নির্দেশ অমান্য করে ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় জেলা নেতৃত্ব মঙ্গলবার তাকে সেখান থেকে বের করে দেয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন শিলিগুড়ির পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য?

    এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দলের জেলা সভানেত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন দিলীপ বর্মন। তিনি যে জেলা সভানেত্রী তথা জেলা কমিটিকে মানেন না, সেকথাও বুধবার সাংবাদিকদের  জানিয়েছেন। এদিন তিনি বলেন, শিলিগুড়ি পুরভোটে আমাকে এখান থেকে কেউ টিকিট দেয়নি। কলকাতা থেকে আমার টিকিট এসেছে। আর ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন। কাজেই তৃণমূলের (TMC) এখানকার নেতানেত্রীরা আমাকে জেতাননি।  তাই, এখানে কে কী বলছেন, আমি সে নিয়ে ভাবতে রাজি নই। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের আমন্ত্রণেই আমি গিয়েছিলাম। আমি গোটা ঘটনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিতভাবে জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC)  জেলা সভানেত্রী?

    এদিকে দিলীপ বর্মনের এই চ্যালেঞ্জের জবাব দিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বারবার দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিতর্কিত অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছিল।  জেলা কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, দিলীপ বর্মন দলীয় কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারবেন না। সেইমতো মঙ্গলবার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি থেকে তাঁকে চলে যেতে বলা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন না। এটা আমাদের দলগত সিদ্ধান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বঞ্চনা করেছে তৃণমূল সরকার! কেন বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    BJP: উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বঞ্চনা করেছে তৃণমূল সরকার! কেন বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ উত্তরবঙ্গের ব্যাপক উন্নয়ন করার স্বপ্ন দেখিয়ে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে গঠন করে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। আর সেই সঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়। নতুন দপ্তর গঠন করে এই দপ্তর উত্তরবঙ্গের শহর থেকে গ্রাম, প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য কাজ করবে। ফলে, উত্তরবঙ্গের মানুষের আর কোনও অভাব, অভিযোগ থাকবে না। আর উন্নয়নের সেই স্বপ্নফেরি করে মা মাটি মানুষের সরকার গত এক যুগ ধরে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। কিন্তু,বাস্তবে মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণা মতো কাজ হয়নি। এমনকী  সেভাবে উন্নয়ন যে হয়নি তা এই ১২ বছরে উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন হারে হারে বুঝতে পারছেন। আর উত্তরবঙ্গের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের সীমাহীন এই বঞ্চনার অভিযোগে আন্দোলনে নামতে চলেছে বিজেপি। বিজেপি (BJP)  বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ শিলিগুড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই উত্তরবঙ্গের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের আন্তরিকতার উদ্যোগের কথা বলুন না কেন বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও মিল নেই। রাজ্যের তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষ প্রতি সীমাহীন বঞ্চনা করে চলেছে আর সেটা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাজেটেই প্রতিফলিত হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনঘন উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

    উত্তরবঙ্গকে বঞ্চনা নিয়ে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক? BJP  

     গত কয়েক বছরের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বাজেটের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP)   বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, ২০১৯- ২০ সালে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর ৬০৭ কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করেছিল। তাতে খরচ হয়েছে ৪৪৬ কোটি টাকা । তারপরের আর্থিক বছরে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বরাদ্দ ছিল ৭১০ কোটি টাকা। আর কাজ হয়েছে মাত্র ২৪৬ কোটি টাকা।  ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষে বরাদ্দ হয়েছিল ৭৫৯ কোটি টাকা। সেই আর্থিক বছরে কাজ হয়েছে ১৭০ কোটি টাকা।  ২০২২-২৩ আর্থিক বর্ষে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ ছিল ৭৮২ কোটি টাকা। আর কাজ হয়েছে ৩০৮ কোটি টাকার। বাজেটে যা বরাদ্দ  হচ্ছে তার ২২ থেকে ৪০ শতাংশ মাত্র কাজ হচ্ছে। 

    উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে কী করছে কেন্দ্রীয় সরকার? BJP

    উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার উন্নয়নের বাজেটে যে পরিমাণ  অর্থ বরাদ্দ করে, তার থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ এই উত্তরবঙ্গের জন্য কেন্দ্রের বিজেপি (BJP)   সরকার বরাদ্দ করে বলে শঙ্করবাবু দাবি করেন। তিনি বলেন, বালাসন থেকে শালুগাড়া পর্যন্ত রাস্তাটি তৈরি হতে চলেছে কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতায়। তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৩০০ কোটি টাকা।  তাহলে এরপরেও কি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে কৃতিত্ব দাবি করবেন। উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর আন্তরিকতার কথা বলবেন? উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP)    লাগাতার আন্দোলনে নামবে। উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বঞ্চনার পুরোটাই আমরা মানুষের সামনে তুলে ধরব।

    বঞ্চনা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

     বিজেপি বিধায়কের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছে তৃণমূল। তুণমূলের দার্জিলিং জেলার ( সমতল) মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ করে চলেছে। তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। আর উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাইরে অন্যান্য দপ্তর যেমন, পূর্ত, সেচ, স্বাস্থ্য সহ বিভিন্ন দপ্তর থেকে যে ব্যাপক কাজ হচ্ছে সেই হিসেব কেন তুলে ধরছেন না বিজেপি (BJP)  বিধায়ক?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    Narendra Modi: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শিলিগুড়ি থেকে উত্তরবঙ্গের জন্য চার হাজার পাঁচশো কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ লাগোয়া কাওয়াখালি ময়দানে প্রধানমন্ত্রী শিলিগুড়ি -রাধিকাপুর নতুন ডেমু ট্রেন চালু করার পাশাপাশি একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। সরকারি উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ছিল জনসভা। বিপুল জনসমাবেশের মাঝে একগুচ্ছ প্রকল্প উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে তিনি ফের উত্তরবঙ্গবাসীর মন জয় করে নিলেন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর কনভয় কাউখালির মাঠে পৌঁছতেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ তাঁকে স্বাগত জানান।

    কী কী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী? (Narendra Modi)

    নিউ জলপাইগুড়িতে রেলের ইলেক্ট্রনিক ইন্টারলকিং সহ আমবাড়ি ফালা- আলুয়াবাড়ে শাখায় স্বয়ংক্রিয় ব্লক সিগন্যাল ব্যবস্থা, বারসোই- রাধিকাপুর শাখার বৈদ্যুতিকরণ, রানিনগর, জলপাইগুড়ি – হলদিবাড়ি শাখার বৈদ্যুতিকরণ, শিলিগুড়ি – আলুয়াবাড়ি শাখা বৈদ্যুতিকরণ,শিলিগুড়ি- সেবক- আলিপুরদুয়ার, শামুকতলা শাখার বৈদ্যুতিকরণ ও মণিগ্রাম -নিমতিতা ডবল লাইন প্রকল্প উৎসর্গ করেন জাতির উদ্দেশ্যে। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন ২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর ঘোষপুকুর থেকে ধূপগুড়ি পর্যন্ত  চার লেন রাস্তা এবং ওই জাতীয় সড়কের ওপর ইসলামপুরে বাইপাসের।

     উজ্জীবিত উত্তরবঙ্গবাসী

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে এদিন প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) শুধু উত্তরবঙ্গের জন্য একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন বিজেপিকে বাড়তি শক্তি দেবে বলেই বিজেপি নেতৃত্বের দাবি। কেননা রাজ্যে তৃণমূল সরকার আসার পর থেকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও অবহেলা নিয়ে বিজেপি সরব হয়েছে। বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, রাজ্য সরকার বঞ্চনা করলেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে রাজ্যকে টাকা দিয়ে চলেছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে সুযোগ-সুবিধা থেকে উত্তরবঙ্গের মানুষকে বঞ্চিত করে  তৃণমূল সরকার কাটমানিতে সেই টাকা আত্মসাত করেছে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে রেল সহ কেন্দ্রের হাতে থাকা বিভিন্ন দফতরের মাধ্যমে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছে। এদিনের একগুচ্ছ প্রকল্প উদ্বোধন তারই অঙ্গ। শিলিগুড়ির এক বাসিন্দা মোনজ বর্মন বলেন, উত্তরবঙ্গবাসীর জন্য মোদি এত প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন তা ভাবা যায় না। আমরা উত্তরবঙ্গবাসী হিসেবে খুবই খুশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: হাসপাতালের বুড়ি ছুঁয়ে চুটিয়ে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস! ২২ ডাক্তারের বেতন বন্ধ

    Siliguri: হাসপাতালের বুড়ি ছুঁয়ে চুটিয়ে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস! ২২ ডাক্তারের বেতন বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে ডাক্তাররা থাকেন না, তাঁরা ব্যস্ত প্রাইভেট প্র্যাক্টিসে। অবশ্য এই অভিযোগ বার বার আগেও ব্যাপক ভাবে করা হয়েছিল। কিন্তু তেমন ভাবে রাশ টানা যায়নি। এবার এই একই অভিযোগকে সমানে রেখে ২২ জন প্রফেসর পর্যায়ের চিকিৎসকের বেতন আটকে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য রাজ্য জুড়ে কলকাতা থেকে বদলি হয়ে আসা অনেক ডাক্তার ঠিক মতো জেলার সরকারি হাসপাতালের ডিউটি করেন না। অধিকাংশ সময়ে ব্যক্তিগত নার্সিংহোম অথবা কলকাতায় নিজস্ব চেম্বারে রোগী দেখেন। এমন ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। জেলাবাসীর অভিযোগ, রাজ্যের জেলার প্রত্যেক মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালগুলিতে এমন ঘটনা প্রচুর ঘটে চলেছে। প্রশাসনকে জানিয়েও সব ক্ষেত্রে সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না।

    মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য (Siliguri)

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ (Siliguri) কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রিন্সিপাল ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেছেন, “কাউকেই ছাড়া হবে না। নিজের ডিউটি ঠিক মতো পালন না করে কর্তব্যে গাফিলতি করলে ব্যবস্থা হবেই। প্রতি মাসে এবার থেকে রিভিউ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাপ্য ছুটির বাইরে কেউ অনুপস্থিত থাকলে কাটা হবে বেতন। এর থেকে বেশি প্রকাশ্যে কিছু বলবো না।”

    মেডিক্যাল ডিনের বক্তব্য

    মেডিক্যাল কলেজের (Siliguri) ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, “একদল কাজ করছেন, আর এক দল কাজ করছেন না। ফলে যাঁরা কাজ করছেন তাঁদের মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। মেডিক্যাল কলেজের প্রতি আরও দায়বদ্ধ হতে হবে। মেডিক্যালের সঙ্গে যুক্ত থেকে সুবিধা নিয়ে কাজ না করা এবং নিজের ইচ্ছেমতো অনুপস্থিত থাকা চলবে না।”

    সুশ্রুত নাগরিক মঞ্চের বক্তব্য

    মেডিক্যাল কলেজে থাকা স্থানীয় (Siliguri) সুশ্রুত নাগরিক মঞ্চের পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক বলেন, “হাসপাতালে অনুপস্থিত থেকে অনেক ডাক্তার নিজেরা প্রাইভেটে রোগী দেখেন। এই সব দেখার কেউ নেই। কিন্তু বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। সকল রোগী পরিবারের মানুষ পরিষেবা চান। ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। এরপর বড় আন্দোলন করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তৃণমূল নেত্রীর গাড়িতে নীলবাতি! চলছে দিব্যি ঘোরাঘুরি, শহরজুড়ে ব্যাপক শোরগোল

    Siliguri: তৃণমূল নেত্রীর গাড়িতে নীলবাতি! চলছে দিব্যি ঘোরাঘুরি, শহরজুড়ে ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের গাড়িতে নীলবাতির আলো জ্বালিয়ে দিব্যি বুক চিতিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। এই তৃণমূল নেত্রী হলেন শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি। এই গাড়িতে করেই শিলিগুড়িতে নানান বৈঠক করছেন তিনি। কিন্তু এই ভাবে নীল আলো জ্বালিয়ে কি সহকারী সভাধিপতি গাড়ি করে ঘোরাঘুরি করতে পারেন? আর এই নিয়েও ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অবশ্য মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষের বক্তব্য “এই বিষয়ে কিছু জানা নেই।”

    নাম কী এই সহকারী সভাধিপতির (Siliguri)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে আদিবাসী সমাজ থেকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন অভিনেত্রী রোমা রেশমি এক্কা। এই মহকুমার বেশীর ভাগ এলাকায় আদিবাসী মানুষের বসবাস। তিনি আঞ্চলিক ভাষার সিনেমায় কাজ করেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে দলের টিকিট দিয়ে ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। কিন্তু এই ভাবে সহকারী সভাধিপতি কীভাবে নীল বাতি গাড়িতে ব্যবহার করতে পারেন, তাই নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও উঠেছে প্রশ্ন। রোমার অবশ্য বক্তব্য, “নীলবাতি লাগালে প্রশাসনিক কাজে ব্যাপক সুবিধা হয়। রাস্তায় যানজট থাকলে জরুরি বৈঠককে যেতে অসুবিধা হয়। ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা লোকজনের চোখে পড়ে না। ফলে নীলবাতি থাকলে সুবিধা হয়।”

    সরকারী নিয়ম কী?

    সরকারী নিয়মে বলা হয়েছে, যাঁরা মূলত আইন শৃঙ্খলার কাজ করেন তাঁদের মধ্যে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের গাড়িতে নীলবাতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি জরুরি বা আপৎকালীন পরিষেবা দিতে এমন গাড়ির ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু তৃণমূল নেত্রী এমন কোনও পরিধির মধ্যে নেই। কিন্তু তবুও নীলবাতি! বিরোধীদের অবশ্য অভিযোগ শাসক দলের নেতা-নেত্রীরাই সব থেকে বেশি বেআইনি কাজ করে থাকেন। অবশ্য দার্জিলিং (Siliguri) জেলা শাসক প্রীতি গয়াল বলেন, “বিষয়ে খোঁজ নিয়ে বলব”।

    বিজেপির বক্তব্য

    মহকুমার (Siliguri) বিজেপি কিসান মোর্চার সাধারণ সম্পাদক অনিল ঘোষের বক্তব্য,“অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা, ওঁর কোনও ধারণা নেই। কে লালবাতি আর কে নীলবাতি নিয়ে ঘুরতে পারে সেই সম্পর্কে বিন্দু মাত্র বোধ নেই। বিডিও, এসডিও, ডিএমের মতো উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা নীলবাতি লাগাতে পারেন। যিনি শুধু জন প্রতিনিধি তাঁর পক্ষে এই বাতি ব্যবহার করা নিয়মের বাইরে। আসলে মানুষের অভাব অভিযোগের কথা যাতে না শুনতে হয় তাই নীলবাতি লাগিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলের নেত্রী।” মহকুমার সভাধিপতি অরুণ ঘোষের বক্তব্য অবশ্য রোমার গাড়িতে এমন বাতি লাগানো আছে কিনা জানা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তৃণমূলের চক্রান্তে হচ্ছে না উড়ালপুল! আন্দোলনে বিজেপি বিধায়ক

    Siliguri: তৃণমূলের চক্রান্তে হচ্ছে না উড়ালপুল! আন্দোলনে বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির শিকার শিলিগুড়ির (Siliguri) এনজেপির কাছে ঠাকুরনগরে প্রস্তাবিত রেল উড়ালপুল। রাজ্য সরকার এনওসি না দেওয়ায় রেল সম্পূর্ণ নিজের খরচে এখানে উড়ালপুল তৈরি করতে পারছে না। ফলে, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগে নাজেহাল হচ্ছেন। রোগী নিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেলগেটে আটকে থাকছে অ্যাম্বুলেন্স। ঘটছে দুর্ঘটনাও। এই উড়ালপুল তৈরির জন্য এনওসির দাবিতে মঙ্গলবার ঠাকুরনগর রেলগেটের পাশে বিক্ষোভ-অবস্থানে বসেন এলাকার বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায়।

    ঠাকুরনগরে কেন রেল উড়ালপুল দরকার? (Siliguri)

    শিলিগুড়ির (Siliguri) ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই রেলগেটে এলাকার মানুষ নিত্যদিন নাকাল হন। এনজেপি দিয়ে দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ঘনঘন এই গেট বন্ধ হয়। দুপারে মানুষকে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাতে তীব্র যানজট তৈরি হয়। সাহুডাঙ্গি সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের সহজে শিলিগুড়ির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রেলগেটই ভরসা। এই রেলগেট দিয়ে পাঁচটি জেলার মানুষের শিলিগুড়িতে যাতায়াত। সেই সব মানুষদের সঙ্গে পর্যটকরাও এই রেলগেটে আটকে পড়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এই এলাকায় উড়ালপুলের দাবি দীর্ঘদিনের। আজও এখানে রেল উড়ালপুল না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ-বিক্ষোভ বাড়ছে।

    উড়ালপুল তৈরির উদ্যোগ নেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ

    সাংসদ হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে মানুষের এই দুর্ভোগ বন্ধ করতে  উদ্যোগ নেন বিজেপির ডাঃ জয়ন্ত রায়। বিষয়টি তিনি রেলমন্ত্রীর নজরে আনেন। সবকিছু বিবেচনা করে রেলের পক্ষ থেকে ঠাকুরনগরে সম্পূর্ণ নিজের খরচে উড়ালপুল তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় এক বছর আগে রেল মন্ত্রক থেকে এনওসি চেয়ে জলপাইগুড়ি জেলাশাসককে চিঠি দেওয়া হয়। অজানা কারণে জেলাশাসক তথা রাজ্য সরকার এনওসি দিচ্ছে না বলে জানান সাংসদ জয়ন্ত রায়।

    এনওসির দাবিতে বিজেপি বিধায়কের বিক্ষোভ অবস্থান

    ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় এনওসির দাবিতে মঙ্গলবার ঠাকুরনগর রেলগেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন। তিনি বলেন, জেলাশাসকের সঙ্গে আমরা একাধিকবার দেখা করেছি। রেলের চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করলেও তিনি এনওসি কেন দিচ্ছেন তা নিয়ে কোনও কথা বলেননি। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত। কেননা এখানকার সাংসদ, বিধায়ক ও পঞ্চায়েত সব বিজেপির। সেই রাগেই তৃণমূল উড়ালপুল তৈরি করতে দিতে চাইছে না। এবার এনওসি আদায়ের জন্য যতদূর যেতে হয় আমরা যাব। 

    কী বলছে তৃণমূল?

    স্থানীয় ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায়ও স্বীকার করেছেন, এখানে রেল উড়ালপুলের দরকার। তিনি বলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে। আমরাও এনজেপিতে রেল আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। জলপাইগুড়ি জেলাশাসক এনওসি দিচ্ছেন না, বিষয়টি আমার জানা নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির খুদে মৃগাঙ্ক, কী করেছে জানেন?

    Siliguri: ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির খুদে মৃগাঙ্ক, কী করেছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র দেড় বছর। এই ছোট্ট বয়সে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম তুলে চমক দিল শিলিগুড়ির (Siliguri) মৃগাঙ্ক শেঠ। এই বয়সে শিশুরা আদো আদো স্বরে দু’একটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। সেখানে মৃগাঙ্ক দেহের বিভিন্ন অঙ্গ,প্রতঙ্গ, নানা ধরনের ফুলফল, শাকসবজি, কীটপতঙ্গ ও পাখির নাম অবলীলায় বলে দিচ্ছে। এই বিস্ময়কর প্রতিভার কারণে মৃগাঙ্কের নাম ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে উঠেছে।

    ছোট্ট মৃগাঙ্কর প্রতিভা জানলে চমকে যাবেন (Siliguri)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির (Siliguri) দক্ষিণ দেশবন্ধু পাড়ার বাসিন্দা মৃণাল শেঠ ও মালবিকা শেঠের  সন্তান মৃগাঙ্ক। ছ’-সাত মাস বয়সেই সে কথা বলতে শেখে। একদিন পরিবারের সদস্যরা খেয়াল করেন, কিছু শব্দ ও কথা মৃগাঙ্ক নিজের মনে বলে চলেছে। তারপর নানাভাবে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে দেখা যায়, যে কোনও শব্দ একবার শুনলে  তা মনে রেখে পরে তা অনায়াসে বলছে। তারপর ওকে পাখি, ফুলফল, রঙ, বিভিন্ন জিনিসের নাম পড়ানো শুরু করা হয়। বেশ কিছুদিন পরে সেগুলি জিজ্ঞেস করলে নির্ভুলভাবে বলে দিচ্ছে। এভাবেই  মৃগাঙ্ক ১০টি পাখির নাম, একুশ রকমের জিনিস, চার রকমের পতঙ্গ, চার রকমের মাছ, সতেরো রকমের সবজি, ২১ টি প্রাণী, এগারো রকমের ফলের নাম এবং ১৬৯ টি শব্দ ইংরেজি থেকে বাংলায় তর্জমা করতে পারছে। ১ থেকে ১৫ বাংলা এবং ইংরেজিতে অবলীলায় বলে দিচ্ছে সে। 

    কীভাবে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে নাম তুলল সে?

    মৃগাঙ্কের বাবা মৃণালালবাবু বলেন, এত কম বয়সে ছেলের এই প্রতিভা দেখে আমরা বিস্মিত হয়ে যাই। প্রতিবেশিরাও ভিড় করতে থাকে তার এই প্রতিভা যাচাই করতে। একদিন ইন্টারনেট ঘাঁটতে ঘাঁটতে  ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখি সেখানে নাম তুলতে গেলে কী কী করতে হবে। সেই মতো আমি আমার ছেলের এই প্রতিভার নানা মুহূর্ত ভিডিও রেকর্ডিং করে  পাঠাই। তারপর সেখান থেকে আমার ছেলের এই প্রতিভা যাচাই করে তাঁরা স্বীকৃতি দিয়ে শংসাপত্র ও মেডেল পাঠিয়ে জানায় আমার ছেলের নাম ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে নাম উঠেছে। মৃনালবাবু ও তার স্ত্রী চান, সেই বিস্ময় প্রতিভা নিয়ে মৃগাঙ্ক স্বাভাবিক ছন্দে বেড়ে উঠুক। কোনও কিছুর চাপে যেন তাদের শিশু সন্তানের এই সহজাত প্রতিভা নষ্ট না হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share