Tag: Siliguri

Siliguri

  • Siliguri: শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটে ২৪ ঘণ্টা বনধ ডাকলেন ব্যবসায়ীরা, আন্দোলনের পাশে বিজেপি

    Siliguri: শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটে ২৪ ঘণ্টা বনধ ডাকলেন ব্যবসায়ীরা, আন্দোলনের পাশে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোকানের মালিকানার দাবিতে বুধবার সকাল থেকে শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধান মার্কেটে শুরু হয়েছে ২৪ ঘণ্টার ব্যবসা বনধ। এখানেই রয়েছে হংকং মার্কেট। পাহাড়, জঙ্গল ঘুরতে এসে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা একবারের জন্য হলেও হংকং মার্কেটে আসেন বিদেশি পণ্য কেনার জন্য। কিন্তু এদিন হঠাৎ করে বাজার বন্ধ থাকায় অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরে যান। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনের পরও দোকানের মালিকানা না পেয়ে এদিন ব্যবসা বনধ ডাকার পাশাপাশি প্রতিবাদ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এই মিছিলে পা মেলান সমস্ত ব্যাবসায়ী ও কর্মচারীরা। সুবিশাল মিছিল বিধান মার্কেট থেকে শুরু হয়ে শহরের মূল রাস্তা পরিক্রমা করে।

    কেন এই ব্যবসা বনধ?

    দেশভাগের পর উদ্বাস্তু হয়ে আসা মানুষের পুনর্বাসনের জন্য শিলিগুড়িতে (Siliguri) এই বাজার তৈরি করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়। সেই মতো এই বাজারের নামকরণ করা হয় বিধান মার্কেট। কিন্তু, এতদিন পরেও বংশানুক্রমে ব্যবসা করে আসা ১৬২০ জন ব্যবসায়ী দোকানের মালিকানা তথা জমির সত্ত্ব পাননি। দোকানের মালিকানার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছেন বিধান মার্কেটের ব্যাবসায়ীরা। রাজ্যের শাসক দল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে তা বাস্তবায়িত হয়নি। শিলিগুড়ি- জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’র (এস জে ডি) সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেও ব্যবসায়ীরা দোকানের মালিকানা পাননি। অবশেষে ধর্মঘটের পথে হাঁটেন ব্যাবসায়ীরা। বিধান মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির সম্পাদক বাপি সাহা বলেন, এরপরেও এসজেডিএ যদি আমাদের দাবি পূরণ না করে তাহলে আমরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

    ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের পাশে বিজেপি

    এদিকে শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা ও তাঁর দল। দোকানের মালিকানা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোথায় সমস্যা হচ্ছে সেবিষয়ে তিনি বিধান মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সবরকমভাবে ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে রাজু বিস্তা রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে  প্রশ্ন তোলেন, পশ্চিমবঙ্গে যদি রোহিঙ্গাদের পাট্টা দেওয়া হয়, তাদের ভারতের পরিচয়পত্র দেওয়া হয়, তাহলে বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কেন দোকানের পাট্টা দেওয়া হবে না?

    কী বলছে এসজেডিএ?

    এসজেডিএ-র চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, এদিনই বিধান মার্কেটের ব্যবসায়ীদের আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে। তারা এলে আলোচনা করে গোটা বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: টোটো জনজাতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে উদ্যোগ শিলিগুড়ি ডাক বিভাগের, কী করা হচ্ছে?

    Siliguri: টোটো জনজাতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে উদ্যোগ শিলিগুড়ি ডাক বিভাগের, কী করা হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলুপ্ত প্রায় টোটো জনজাতি ও তাঁদের সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে  তুলে ধরতে এগিয়ে এল ভারতীয় ডাক বিভাগ। তাঁরা টোটোদের ইতিহাস ও জীবনযাত্রা নিয়ে প্রকাশ করল স্পেশাল কোস্টাল কভার। শুক্রবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধান ডাকঘরে এটি প্রকাশ করেন উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের পোস্ট মাস্টার জেনারেল অখিলেশ কুমার পাণ্ডে। উপস্থিত ছিলেন টোটো সম্প্রদায়ের সমাজ কর্মী ধনিরাম টোটো। এই স্মরণীয় মুহুর্তের সাক্ষী থাকতে আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট ব্লকের ছোট্ট গ্রাম থেকে টোটো সম্প্রদায়ের অনেকে এসেছিলেন।

    কেন শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধান ডাকঘরের উদ্যোগে স্পেশাল কোস্টা কভার?

    শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার জেনারেল বলেন, ডাক টিকিট সংগ্রহ করার মতো এই কোস্টাল কভারও সংগ্রহ করা হয়। এর আন্তর্জাতিক চাহিদা রয়েছে। সেকারণেই টোটো জনজাতিকে নিয়ে এই কভার করা হয়েছে যাতে বিশ্বের দরবারে বিলুপ্তপ্রায় এই জনজাতি পৌঁছে যেতে পারে। এর মধ্য দিয়ে টোটো সংস্কৃতির ব্যাপক পরিচিতি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নও ঘটবে। এই স্পেশাল কভারে টোটো জনজাতির ছবি, তাঁদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রা তুলে ধরা  রয়েছে।

    কেমন আছে টোটোপাড়া?

    আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট ব্লকের এই দূর্গম এলাকায় টোটোপাড়া। মোট ৪১০ টি পরিবার রয়েছে। মোট জনসংখ্যা ১৬৪০।  এর মধ্যে ৮৪০জন পুরুষ। ধনিরাম টোটো বলেন, অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও টোটোপাড়ার মূল সমস্যার সমাধান হয়নি। রাস্তাঘাট নেই। টোটো জনজাতির ইতিহাস সংরক্ষণেরও কোনও উদ্যোগ নেই। এজন্য টোটো জনজাতি নিয়ে একটা মিউজিয়াম তৈরি করাটা খুব জরুরি। স্কুলেরও প্রয়োজন রয়েছে।

     ভারতীয় ডাক বিভাগের এই উদ্যোগ নিয়ে কী বলছে টোটোপাড়া?

    ধনিরাম টোটো বলেন, এটা আমাদের অত্যন্ত গর্বের বিষয়। শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধান ডাকবিভাগের এই উদ্যোগে টোটোপাড়া ও আমাদের সম্পর্কে গোটা বিশ্বের মানুষ আরও  ব্যাপকভাবে জানতে পারবে। কেননা সবাই আমাদের টোটোপাড়ায় যায় না। আমাদের সব থেকে বড় সমস্যা রাস্তাঘাট নেই। পাহাড়ের দুর্গম এলাকা দিয়ে আমাদের চলাফেরা করতে হয়। শিক্ষার ক্ষেত্রে স্কুলের সমস্যা রয়েছে। রাস্তা ও স্কুলের ব্যাপারে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। বড় সেতু তৈরি করে রাস্তা কেন্দ্রীয় সরকারই তৈরি করতে পারবে। টোটোপাড়ায় হিন্দি ও ইংরেজিতে একলব্য স্কুল করার জন্যও প্রস্তাব দিয়েছি। টোটো জনজাতির ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য একটি মিউজিয়াম তৈরির কথাও বলেছি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শিলিগুড়ির অবৈধ নির্মাণ নিয়ে সৌরভ চক্রবর্তী -গৌতম দেবের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    TMC: শিলিগুড়ির অবৈধ নির্মাণ নিয়ে সৌরভ চক্রবর্তী -গৌতম দেবের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবের সঙ্গে ফের সংঘাতে শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এসজেডিএ) চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী! তৃণমূল (TMC) পরিচালিত শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকায় বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে এসজেডিএ’র অভিযানে নামার সিদ্ধান্তে  এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    দীর্ঘদিনের ঠাণ্ডা লড়াই থেকে কি এই সংঘাত?

    অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে শিলিগুড়ি পুরসভার থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আর বিল্ডিং প্ল্যান পুরসভায় অনুমোদন করে। তাই সমান্তরালভাবে পুরসভা এলাকায় এসজেডিএ’র অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযানে নামার সিদ্ধান্তে গৌতম দেবের সঙ্গে সৌরভ চক্রবর্তীর দীর্ঘ দিনের ঠান্ডা লড়াই  দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। কেননা এই লড়াইয়ের কথা তৃণমূল (TMC) সহ রাজনৈতিক মহলে কমবেশি সকলেরই জানা। এই লড়াই চরমে ওঠে কয়েক মাস আগে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরকালে সৌরভ চক্রবর্তীকে সরিয়ে রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন দফতর থেকে গৌতম দেবকে এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান করার নির্দেশ জারি করেছিলেন। তার কয়েকদিন বাদে রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন দফতর সেই নির্দেশিকা সংশোধন করে সৌরভ চক্রবর্তীকে এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান পদে বহাল রেখে নতুন নির্দেশিকা জারি করে। উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেদিন সৌরভ চক্রবর্তীর নিজের শহর আলিপুরদুয়ারে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ছিলেন। সৌরভ সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিষেককে দিয়েই তার চেয়ারম্যান পদ রক্ষা করেছিলেন। এতে সৌরভ চক্রবর্তীর ধারণা হয়, গৌতম দেব প্রভাব খাটিয়ে তাঁকে সরিয়ে এসজেডিএর চেয়ারম্যান হতে চেয়েছিলেন। এই ঘটনায় এই দুই তৃণমূল নেতার মধ্যে পুরানো ঠান্ডা লড়াই আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

    কী বললেন এসজেডিএ -র চেয়ারম্যান?

    শিলিগুড়িতে এসজেডিএ দফতরে বসে সৌরভ চক্রবর্তী সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, শিলিগুড়ি পুরসভায় এলাকাতেও আমরা অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযানে নামব। শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকা থেকে আমাদের কাছে অবৈধ নির্মাণ নিয়ে অভিযোগ আসছে। যদিও সৌরভ চক্রবর্তী এতে লড়াইয়ের কিছু দেখছেন না। তিনি বলেন, পুরসভা বিল্ডিং প্ল্যান পাশ করে ঠিক কথা। কিন্তু ইউসি দেয় এসজেডিএ। তাই আমরা অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে অভিযানে নামতেই পারি।

    কী বললেন গৌতম দেব?

    গৌতম দেব প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, এসজেডিএ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমার জানা নেই। আর যদি এসজেডিএ এধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েও থাকে তাহলে তা আমাকে চিঠি দিয়ে বা মৌখিকভাবেও জানাইনি। কাজেই যে বিষয়টা এখনও কিছুই জানিনা তা নিয়ে আমি  মন্তব্য করব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ওটি থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হল রোগীকে, কাঠগড়ায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    Siliguri: ওটি থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হল রোগীকে, কাঠগড়ায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে দিতে না পারায় এক গরিব রোগীকে অপারেশন থিয়েটার থেকে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডেরও সুবিধা পাওয়া যায়নি। তৃণমূল নেতার অনুরোধেও কোনও কাজ হয়নি। বুধবার শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্তাব্যক্তিদের একাংশের মদতে দালালরাজ চলছে অর্থোপেডিক বিভাগে।

    কেন এই অভিযোগ?

    শিলিগুড়ির (Siliguri) শান্তিনগর বউবাজারের বাসিন্দা মন্তেশ্বর বর্মন ডান পায়ে আঘাত নিয়ে গত ২৪ জুলাই  উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর জামাই লিটন রায় বলেন, ভর্তির পরের দিন সিনিয়র ডাক্তার শ্বশুরমশাইকে দেখেন। তারপর ডাক্তার ও নার্স একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে বলেন, এই জিনিসগুলি কিনে আনতে হবে। কোথায় থেকে কিনবো তারজন্য একটি ফোন নম্বরও লিখে দেন তাঁরা। শুধু লিটন রায় নয়। এখানে ভর্তি প্রতিটি রোগীর আত্মীয়ের একই অভিজ্ঞতা। সকলেরই অভিযোগ, হাসপাতালের ঠিক করা ব্যক্তির কাছ থেকে চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে আনতে হয় মোটা টাকা দিয়ে। কোনও বিল পাওয়া যায় না। দামেও ছাড় মেলে না। জোরাজুরি করলে দুর্ব্যবহার করা হয়। লিটন রায় বলেন, হাসপাতালের থেকে দেওয়া ফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে এক ব্যক্তি  অগ্রিম ছ’হাজার টাকা জমা দিতে বলেন। তিনি জানান, আরও টাকা লাগবে। অস্ত্রোপচারের পর হিসেব করে তা দিতে হবে। আমাদের টাকা দেওয়ার সামর্থ্য নেই বলতেই ওই ব্যক্তি দুর্ব্যবহার করেন। তারপর তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের দ্বারস্থ হই। তৃণমূল নেতার সঙ্গে আলোচনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর অপারেশন করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে বিনা পয়সায় অপারেশন করার কথা বলা হয়েছিল। সেই মতো বুধবার ওটিতে শ্বশুরমশাইকে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুরের দিকে সরঞ্জাম কিনে দেওয়া হয়নি বলে ওটি থেকে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, ফোন করে দামে কিছুটা ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করায় ওই ব্যক্তিকে দুর্ব্যবহার করা হয়। চিকিৎসা সরঞ্জাম না দেওয়ার  হুমকি দেন তাঁরা। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অভিভাবকহীন অবস্থায় চলছে। এখানে অব্যবস্থা দেখার কেউ নেই।

    কী বললেন হাসপাতাল সুপার?

    হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, অর্থোপেডিক সার্জারির প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম অনেকদিন ধরে সরবরাহ নেই। আমাদের এখানে ফেয়ার প্রাইস শপেও এধরনের সরঞ্জাম বিক্রি করা হয় না। তাই রোগীদের শিলিগুড়ি (Siliguri) জেলা হাসপাতালের ফেয়ার প্রাইস শপ থেকে কিনে আনতে বলা হয়। এক্ষেত্রে ঠিক কী হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Governor: নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করাটা তাঁর কাছে চ্যালেঞ্জ, জানিয়ে দিলেন রাজ্যপাল

    Governor: নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করাটা তাঁর কাছে চ্যালেঞ্জ, জানিয়ে দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ মতো নির্বাচন কমিশন কাজ করছে কিনা, রাজ্যপাল (Governor) হিসাবে সেটা দেখতে আমি বাধ্য। কেননা এটা আমার ডিউটি (Duty)। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যা ঘটে চলেছে, তা অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার ক্ষেত্রে সমস্যার বলেও তিনি মনে করেন। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি স্টেট গেস্ট হাউসে বিজেপির নেতৃত্বে পাহাড়ের জোট শরিকদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

    পাহাড়ের জোট শরিকরা রাজ্যপালকে (Governor) কী জানাল?

    এদিন দার্জিলিংয়ের সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্তার নেতৃত্বে পাহাড়ের গোর্খা জোটের আট দলের প্রতিনিধিরা রাজ্যপালের (Governor) সঙ্গে দেখা করে পাহাড়ের পরিস্থিতি জানান। রাজু বিস্তা বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যে শাসক দল সন্ত্রাস চালাচ্ছে। রক্ত ঝরছে। দার্জিলিং, কালিম্পংয়েও একই পরিস্থিতি। আমাদের জোট প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা ও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দেখানো হচ্ছে টাকার প্রলোভন। এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমরা রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ চেয়েছি। 
    রাজু বিস্তা বলেন, এই বিষয়গুলি আমি জেলা প্রশাসন তথা রাজ্য নির্বাচন আধিকারিকদেরও জানিয়েছি। কিন্তু কোনও সাড়া পাইনি। এদিন আমাদের বক্তব্য শোনার পর রাজ্যপাল সন্তোষজনক সাড়া দিয়েছেন। নির্বাচন পরবর্তীকালে যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে, তার জন্য গোটা রাজ্যে নির্বাচনের পর ছয় সপ্তাহ আধা সামরিক বাহিনীর রেখে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছি রাজ্যপালের কাছে। কেননা ২০২১  সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর শাসক দল বিরোধীদের ওপর হামলা চালিয়েছে, খুন করেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আমাদের এই আবেদন।

    কী বললেন রাজ্যপাল (Governor) সিভি আনন্দ বোস?

    রাজ্যপাল (Governor) সিভি আনন্দ বোস বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ মতো পঞ্চায়েত নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতেই হবে। কিন্তু যা ঘটে চলেছে, তা এই লক্ষ্যপূরণের ক্ষেত্রে সমস্যার। তাই গ্রাউন্ড জিরো লেভেলে গিয়ে আমাকে গোটা পরিস্থিতি দেখতে হবে। আক্রান্তদের সঙ্গে আমাকে কথা বলতে হবে। কারণ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাটা সাংবিধানিক চ্যালেঞ্জ। এটা গণতন্ত্র এবং দেশবাসীর কাছেও চ্যালেঞ্জ। মানুষকে ভোটদানের অবাধ সাংবিধানিক অধিকার দিতে হবে। রাজ্যপাল হিসেবে এটা দেখা আমার ডিউটি (Duty)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ব্যবসায়ীকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে অপহরণ, জেলজুড়ে শোরগোল

    Siliguri: ব্যবসায়ীকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে অপহরণ, জেলজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার বাড়ির সামনে থেকে এক ব্যবসায়ীকে বন্দুক দেখিয়ে অপহরণ করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি (Siliguri) এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অপহৃত ব্যবসায়ীর নাম প্রভাকর সিং। বাড়ির কাছেই চম্পাসারি নিয়ন্ত্রিত বাজারে তাঁর লেবুর ব্যবসা রয়েছে।

    কীভাবে অপহরণ?

    অন্যান্য দিনের মতো,এদিনও সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ  বাড়ির কাছেই শিলিগুড়ির (Siliguri) চম্পাসারির নিয়ন্ত্রিত বাজারে নিজের দোকানে যাচ্ছিলেন প্রভাকর সিং নামে ওই ব্যবসায়ী। রাস্তা ফাঁকাই ছিল। রাস্তার ধারে এক মহিলা তাঁর চায়ের দোকান খুলেছিলেন। তিনি বলেন, ব্যবসায়ী বাড়ি থেকে কিছুটা দূর  যাওয়ার পর পিছন থেকে একটি চার চাকা গাড়ি তাঁর পাশ দিয়ে এগিয়ে গিয়ে থেমে পড়ে। গাড়ি থেকে জনা ছয়েক  দুষ্কৃতী নেমে  বন্দুক দেখিয়ে জোর করে ব্যবসায়ীকে গাড়িতে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।  সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি খবর দিই।

    কী বললেন ব্যবসায়ীর স্ত্রী?

    অপহৃত ব্যবসায়ীর স্ত্রী অঙ্কিতা কুমারি বলেন, শুক্রবার বিকেলে এক অচেনা ব্যক্তি আমার স্বামীর  পিছু নিয়েছিল। রাতে বাড়িতে ফিরে সেকথা জানিয়েও ছিল সে। ওর কোনও শত্রু ছিল না। কোনওদিন হুমকি দিয়ে কোনও ফোনও আসেনি। কে বা কারা, কেন অপহরণ করল সেটা বুঝে উঠতে পারছি না।

    এই ঘটনা নিয়ে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে যান শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন তিনি।  শঙ্কর ঘোষ বলেন, অখিলেশ চতুর্বেদী পুলিশ কমিশনার হয়ে আসার পর থেকে শিলিগুড়ির আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। শহর জুড়ে নানা ধরনের অপরাধ বেড়ে চলেছে। তিনি তাঁর পছন্দের বাইরে কারও ফোন ধরেন না। কোনও একটা অংশকে খুশি করতে তিনি ব্যস্ত। পুলিশ কমিশনারের ব্যর্থতার জন্যই ব্যবসায়ী অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।

    পুলিশ কী বলছে?

    পুলিশ জানিয়েছে, চম্পাসারি এলাকায় রাস্তা এবং আশপাশ বাড়ির  সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গিয়েছে যে গাড়িতে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেই গাড়িতে  নম্বর প্লেট ছিল না। শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনার আখিলেশ চতুর্বেদী বলেন, এদিন এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ! অনশনে তৃণমূল কাউন্সিলার

    Siliguri: দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ! অনশনে তৃণমূল কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) নিয়ন্ত্রিত বাজারের দখলদারি তথা তোলাবাজি নিয়ে তৃণমূলের কাজিয়া চরমে। আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং (সমতল) জেলা কমিটির বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও রাজ্য সরকারের প্রশাসনের বিরুদ্ধে অব্যবস্থার অভিযোগে অনশন বসেছেন তৃণমূলেরই নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পারিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন।

    কেন অনশনে তৃণমূল নেতা?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার মেয়র পারিষদ সদস্য দিলীপ বর্মনের অভিযোগ, শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত বাজারে ভিন রাজ্যের  শ্রমিক নিয়োগ করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলছেন আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি নির্জল দে ও তাঁর লোকজন। তাঁরা অন্যায়ভাবে পুরনো শ্রমিক ছাঁটাই করছেন। এর পাশাপাশি  বাজারে অবৈধ নির্মাণ ও চূড়ান্ত অব্যবস্থা চলছে। তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রিত বাজার কমিটি থেকে শুরু করে প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের জানিয়েও এখানকার অনিয়ম বন্ধ করা যায়নি। তাই এবার অনশনে বসেছি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে। বুধবার বিকেল থেকে আইএনটিটিইউসির ব্যানারে তিনি এই অনশন মঞ্চে বসেছেন।

    কী বলছে প্রশাসন?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) রেগুলেটেড মার্কেটের সরকারি কমিটির সচিব তমাল দাস বলেন, দিলীপ বর্মন ও তাঁর লোকেরা বাজারে অবৈধ নির্মাণ, স্টল বন্টনে অনিয়ম নিয়ে যে অভিযোগ করেছেন তার কোনওটাই ঠিক নয়। আর শ্রমিক নিয়োগ স্টল মালিকের ইচ্ছেতেই হবে। সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। আইএনটিটিইউসির দুই গোষ্ঠীর বিবাদ থেকেই এটা হচ্ছে। সরকারি জমিতে অনশন মঞ্চ করা হয়েছে। কিন্তু রেগুলেটেড মার্কেট কমিটির কোনও অনুমতি দিলীপ বর্মনদের কাছে নেই। অনশনে বসার ব্যাপারে তিনি আমাদের চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা কোনও অনুমতি দিইনি। এতে অভিযোগ উঠেছে, দিলীপ বর্মন নিজের মর্জি মতো তৃণমূলের প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে অনশন মঞ্চ করেছেন।

    কী বললেন আইএনটিটিইউসি নেতৃত্ব?

    আইএনটিটিইউসি-র দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি নির্জল দে বলেন, দিলীপ বর্মন আইএনটিটিইউসির কেউ নন। তিনি যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই বাজারের দখল নিতেই তিনি এসব করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে এক যুবককে গুলি করে খুন করা হল, অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা

    Siliguri: প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে এক যুবককে গুলি করে খুন করা হল, অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিকোণ প্রেম। প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে খুণ হতে হল এক যুবককে। প্রেমিকাকে পেতে এক প্রেমিককে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল অন্য এক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে শিলিগুড়ির (Siliguri) চম্পাসারির দেবীডাঙ্গার কোয়ার্টার লাইন এলাকা। ক্ষোভে এদিন সকালে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় মৃত যুবকের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।  অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃত যুবকের নাম অমৃত গোস্বামী।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    প্রতিবেশী ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির (Siliguri)  চম্পাসারি এলাকায় এক কিশোরীর সঙ্গে এলাকারই দুই যুবক অমৃত গোস্বামী ও অরুণ লোহারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই ত্রিকোণ প্রেমের জেরে ওই দুই যুবকের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই গণ্ডগোল চলছিল।  সোমবার গভীর রাতে অরুণ গণ্ডগোল মিটিয়ে নেওয়ার নাম করে  অমৃতকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই অমৃতকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। স্থানীয় বাসিন্দা সুশীল কুমার বলেন, ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার গভীর রাতে গুলি করে খুনের ঘটনা ঘটে।

    পুড়িয়ে দেওয়া হল অভিযুক্তের বাড়ি

    ঘটনার খবর পেয়ে এদিন সকালে মৃত অমৃতের পরিবারের লোকেরা এবং স্থানীয় এলাকাবাসীরা অরুণের বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রধাননগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দমকল ও পুলিশ  সময় মতো না পৌঁছলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেত। অপরাধীর কড়া শাস্তি হোক।”

    পুলিশের কী বক্তব্য?

    ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল অভিযুক্ত অরুণ লোহার ও তার পরিবারের লোকজন। পরে, শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধাননগর থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতকে জেরা করা হচ্ছে। আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল অভিযুক্ত যুবক তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: “হাসপাতালের অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রীর চোখ দিয়ে জল পড়বে”, কেন বললেন রাজু বিস্তা?

    BJP: “হাসপাতালের অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রীর চোখ দিয়ে জল পড়বে”, কেন বললেন রাজু বিস্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালের বেহাল অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও চোখ দিয়ে জল পড়বে।  উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে একথা বললেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি (BJP) সাংসদ রাজু বিস্তা। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি অন্তত এক ঘণ্টার জন্য এই হাসপাতাল পরিদর্শনে আসার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। আমি নিশ্চিত এখানকার করুণ পরিস্থিতি দেখার পর তাঁর চোখ দিয়ে জল পড়বে। জল না বেরলে  আমি আমার নাম বদলে দেব। এখানে কর্মীর অভাব রয়েছে। পরিকাঠামোর অনেক খামতি রয়েছে।  চারদিক নোংরা আবর্জনায় ভরে রয়েছে। এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে রয়েছেন এখানকার রোগীরা। প্রসঙ্গত, খুশি বর্মন নামে নকশালবাড়ির এক শিশুকে দেখতে সাংসদ রাজু বিস্তা ও নকশালবাড়ি – মাটিগাড়ার বিধায়ক আনন্দময় বর্মন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন। খুশি বর্মনের দু’টি কিডনি খারাপ। হাসপাতালে সংকটজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয়েছে।  রাজু বিস্তা বলেন, তার কিডনি প্রতিস্থাপন বা উন্নত কোনও চিকিৎসার  প্রয়োজন হলে আমি তার দায়িত্ব নিচ্ছি”।

    উত্তরবঙ্গবাসীর উন্নত চিকিৎসার সুযোগ কেড়ে নিয়েছে তৃণমূল, তোপ সাংসদের

    বিজেপি (BJP) সাংসদ বলেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছ থেকে বিনামূল্যে উন্নত অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ কেড়ে নিয়েছে তৃণমূল সরকার। উত্তরবঙ্গের জন্য এইমস অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ থেকে সেই এইমস সরিয়ে কল্যাণীতে নিয়ে গিয়েছেন। এখানে এইমস হাসপাতাল হলে আজ উত্তরবঙ্গের মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে এতটা নাজেহাল হতে হত না,  কাউকে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে হত না। রাজ্য সরকার যদি আমাকে লিখিতভাবে দায়িত্ব দেয় তাহলে এই হাসপাতালের ভোল বদলে দেব”।

     কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

     উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন,  “রাজু বিস্তার মুখে এধরনের শিশুসুলভ কথা মানায় না। বিজেপি (BJP) সাংসদের এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলার  কোনও অধিকার নেই। রাজ্য সরকারের চেষ্টায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবার মান অনেক উন্নত হয়েছে। তিনি না জেনে এসব বলছেন। এসব ভাবনা ছেড়ে আমি বলব, সুপার স্পেশালিটি ব্লক দ্রুত চালু করার জন্য তিনি বরং দিল্লিতে দরবার করুন”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri TMC: শিলিগুড়িতে কোন্দলে জেরবার তৃণমূল, জেলা সভানেত্রীকে সরাতে মরিয়া বিরোধী গোষ্ঠী

    Siliguri TMC: শিলিগুড়িতে কোন্দলে জেরবার তৃণমূল, জেলা সভানেত্রীকে সরাতে মরিয়া বিরোধী গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের (Siliguri TMC) গোষ্ঠী কোন্দল চরমে। দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ নিজেই বলছেন, আমাকে কালিমালিপ্ত করতে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আমার বিরুদ্ধে চারিত্রিক এবং অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ জানিয়েছে দলের স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশ। সম্প্রতি দলের জেলা কমিটির বৈঠকে সভানেত্রীর এই বক্তব্যে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও জটিল আকার নিয়েছে।

    গোষ্ঠী কোন্দলে হতাশ পাপিয়া স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি

    শিলিগুড়ি পুরসভা ও মহকুমা পরিষদ নির্বাচনের পর থেকেই পাপিয়া ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী জোটবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। পাপিয়া অনুগামীদের বক্তব্য, চেয়ারম্যান অলোক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ মঞ্চ তৈরি হয়। শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অমরনাথ দাস, ফাঁসিদেওয়া ব্লক সভাপতি আখতার আলি সহ আরও কিছু নেতার সঙ্গে পাপিয়া ঘোষের সংঘাত (Siliguri TMC) শুরু হয়। এর পিছনে অলোক চক্রবর্তীর মদত রয়েছে বলে মনে করছেন পাপিয়া অনুগামীরা।
    দল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ করার বদলে রাজ্যের কিছু নেতার ভূমিকায় হতাশ হয়ে পাপিয়া ঘোষ গত মাসে নিজেকে দলের সব রকম কর্মসূচি থেকে গুটিয়ে নিয়ে স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি হয়েছিলেন। ফোনও ধরেননি। সম্প্রতি শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোডের একটি হোটেলে জেলা কমিটির বৈঠকে পাপিয়া ঘোষ তাঁর বিরোধীদের বার্তা দিয়ে বলেন, কাউকে আমার প্রমাণ দেওয়ার কিছু নেই। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আগে আয়নায় আমি আমার মুখটা দেখি। রাতে বাড়ি ফিরেও দেখি। তাতে দেখেছি, আমি ঠিক আছি। আমি নিজের কাছে পরিষ্কার রয়েছি।সততার সঙ্গে দলকে এগিয়ে নিয়ে চলেছি। মাঝে কিছুদিনের জন্য কেন নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম, তার কারণ পরে বলব। দলের (Siliguri TMC) মিডিয়া হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে পাপিয়া ঘোষ নিজেই তাঁর এই বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট করেছেন। ওই ভিডিওতে পাপিয়াদেবীকে বলতে শোনা গিয়েছে, আমার বিরুদ্ধে চারিত্রিক ও অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়ে কেউ কেউ আমাকে এই পদ থেকে সরাতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি সততার সঙ্গে তৃণমূল করি। আমি এ ধরনের কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই।

    কে পাপিয়া, কেন সভানেত্রী

    ২০১১ সাল থেকে রাজ্যের সর্বত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝড়ে তৃণমূলের জয় জয়কার। তখন শিলিগুড়িতে (Siliguri TMC) একের পর এক নির্বাচনে পর্যুদস্ত হয়েছে তৃণমূল। দু’বার জেলা সভাপতি পরিবর্তন করেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। দু’বছর আগে আলোচনার বাইরে থাকা পঞ্চায়েত এলাকা থেকে পাপিয়া ঘোষকে দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের সভানেত্রী করে দলের রাজ্য নেতৃত্ব। চেয়ারম্যান করা হয় কংগ্রেসের আইএনটিইউসির প্রাক্তন জেলা সভাপতি অলোক চক্রবর্তীকে। প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী ও কোচবিহারের প্রাক্তন জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের মেয়ে পাপিয়াদেবী দায়িত্ব নিয়েই শিলিগুড়ি পুরসভা ও মহকুমা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলের বিপুল জয় এনে দেন। এই সাফল্যে তিনি রাজ্য নেতৃত্বের সুনজরে পড়ে যান।

    কেন কোন্দল, সংঘাত

    দল সূত্রে খবর, বিরোধী গোষ্ঠী পাপিয়ার এই সাফল্য মেনে নিতে পারেনি। তখন থেকেই শুরু হয় পাপিয়া দেবীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের চক্রান্ত। কেননা তিনি শিলিগুড়িতে তৃণমূলের (Siliguri TMC) গোষ্ঠী কোন্দল সরিয়ে নেতা-কর্মীদের এককাট্টা করে তোলেন। বসে যাওয়া পুরনো নেতা-কর্মীদের সম্মান দিয়ে দলের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনেন। যা দলের একটা অংশ মেনে নিতে পারেননি, তাদের একচেটিয়া দাপট খর্ব হওয়ার আশঙ্কায়। শিলিগুড়ির এক প্রবীণ তৃণমূল নেতা বলেন, তারপর থেকেই পাপিয়া ঘোষকে সরাতে পরিকল্পিত ভাবে ষড়যন্ত্র করছে দলের কিছু নেতা। তাদের মধ্যে সভাপতি পদের প্রত্যাশী রয়েছেন একাধিক নেতা। ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্যই সভাপতি হওয়ার এই নোংরা লড়াই। বিরোধীদের বক্তব্য, রাজ্য নেতৃত্ব সব জানে। তদন্ত হলে কে ঠিক প্রমাণ হয়ে যাবে।

    কী বলছেন অলোক চক্রবর্তী

    অলোক চক্রবর্তী  বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমার জানা নেই। পাপিয়া ঘোষ সম্প্রতি দলের (Siliguri TMC) জেলা কমিটির বৈঠকে যে অভিযোগ করেছেন, এ ব্যাপারে তিনি আমাদের জানাননি। জানালে আমরা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নিতাম। আমার বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ উঠলেও আমি বলব, পাপিয়া ঘোষ ভালো কাজ করছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share