মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার শুরু হবে সংসদের বাজেট অধিবেশন। তার ঠিক আগের দিন মঙ্গলবার বিরোধীদের ভি বি-জি রাম জি আইন (VB-G RAM G Act) এবং এসআইআর (SIR) নিয়ে আলোচনার দাবি নাকচ করে দিল সরকার (All Party Meet)। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “এই দুই বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই সংসদের উভয় কক্ষে আলোচনা হয়েছে এবং এখন আর পিছিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই।” বাজেট অধিবেশনের প্রাক্কালে সরকারের তরফে ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকের পর এমন মন্তব্য করেন রিজিজু।
বিরোধীদের বক্তব্য (All Party Meet)
বৈঠকে কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ এবং সিপিআই(এম)-এর জন ব্রিটাস-সহ বিরোধী সদস্যরা অধিবেশনের জন্য সরকারের প্রস্তাবিত কাজের তালিকা এখনও বিলি না হওয়ায় আপত্তি জানান। মন্ত্রী বলেন, “যথাসময়ে তা বিতরণ করা হবে।” সূত্রের খবর, বিরোধীরা পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর, কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা সংক্রান্ত ভি বি-জি রাম জি আইন, যা এমজিএনরেগা প্রকল্পের পরিবর্তে আনা হয়েছে, ভারতীয় পণ্যের ওপর আমেরিকার আরোপিত শুল্ক, বিদেশনীতি, বায়ুদূষণ, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন। ভি বি-জি রাম জি আইন নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “একবার কোনও আইন জাতির সামনে এলে, তা মানতেই হবে। আমরা গিয়ার উল্টো করে আবার পিছনে যেতে পারি না।”
মন্ত্রীর বক্তব্য
তিনি বলেন, “বিরোধী সাংসদরা একাধিক বিষয় উত্থাপন করেছেন এবং সেগুলি রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় তোলা যেতে পারে। এটি বছরের প্রথম অধিবেশন। সাধারণত রাষ্ট্রপতির ভাষণের পরেই সরকারের কাজের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবুও আমি তা প্রকাশ করতে প্রস্তুত এবং আধিকারিকদের নির্দেশও দিয়েছি।” মন্ত্রী জানান, এটি কোনও বড় সমস্যা নয় এবং সংসদ নির্বিঘ্নে চালানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর নিয়ে আলাদা আলোচনা চাওয়ার দাবির জবাবে রিজিজু বলেন, “গত অধিবেশনে সংসদের উভয় কক্ষে নির্বাচন সংস্কার নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে এবং তখন বিরোধীরাই এই বিষয়টি তুলেছিলেন। আবার নতুন করে বিতর্কের দাবি তাই অপ্রয়োজনীয় (All Party Meet)।” তিনি সংসদ সদস্যদের আবেদন জানিয়ে বলেন, “সবাই যেন নিজেদের বিষয় তুলে ধরেন, তবে সংসদের কাজকর্মে যেন কোনও বিশৃঙ্খলা না হয় (SIR)।
সরকারের পক্ষ থেকে সমস্ত সম্মানীয় সদস্যদের কাছে আমার আন্তরিক আবেদন, আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি এবং জনগণের হয়ে কথা বলার দায়িত্ব আমাদের। কথা বলার অধিকার প্রয়োগের পাশাপাশি অন্য রাজনৈতিক দলের সদস্যদের কথাও শোনার দায়িত্বও আমাদের রয়েছে।” তিনি জানান, গত অধিবেশনে নির্বাচন সংস্কার নিয়ে আলোচনার সময় এসআইআর বিষয়টি নিয়ে ম্যারাথন আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “সব সদস্যকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল এবং রাজনৈতিক দলগুলি তাদের বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে তুলেও ধরেছিল (All Party Meet)।”








