Tag: South 24 Parganas

South 24 Parganas

  • South 24 Parganas: স্কুলে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা, চলল ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিও! শোরগোল

    South 24 Parganas: স্কুলে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা, চলল ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিও! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা শতাধিক লোক নিয়ে স্কুলে ঢুকে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা! সেই সঙ্গে চালানো হয় ব্যাপক ভাঙচুর। উপস্থিত মহিলাদের মারধর করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে সুন্দরবনের (South 24 Parganas) ঝড়খালিতে। সোমবার রাতে এসপি অফিসে গিয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতারা। যদিও তৃণমূল নেতা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    জামা-কাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয় (South 24 Parganas)!

    সুন্দরবনের (South 24 Parganas) ঝড়খালি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পার্বতীপুরে এই ঘটনা ঘটেছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেখানে স্কুল পরিচালনা করত। অভিযোগ উঠেছে, স্কুলের ভবনটি দখল করতে চান স্থানীয় পঞ্চায়েতের তৃণমূল (TMC) উপপ্রধান। আর এই জন্য হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় নির্যাতিতা এক মহিলা বলেছেন, “আমাদের স্কুলের জন্য এই পঞ্চায়েত থেকে জমি দেওয়া হয়েছিল। অনুদানের টাকা দিয়ে আমরা স্কুল সংস্করণ শুরু করি। এই ভবনটি এবার তৃণমূলের লোকেরা দখল করতে চাইছে। রাতের বেলা একশ লোক নিয়ে দিলীপ মণ্ডল আক্রমণ করেন। তিনি এলাকার পঞ্চায়েত উপপ্রধান। স্কুলে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। আমাকে সিঁড়ি থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। আমার পরনে জামা-কাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। আমার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে।”

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বক্তব্য

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও এক নির্যাতিতা মহিলা বলেছেন, “স্কুলে (South 24 Parganas) যাতে কেউ পড়তে না আসে তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে সকলকে ভয় দেখানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে অভিভাবকরা স্কুলে বাচ্চাদের পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।”

    আরও পড়ুনঃ আরামবাগে তৃণমূলের দাদাগিরি! দলীয় কর্মীর রাস্তা তৈরি করতে পাঁচিল ভাঙলেন উপ-প্রধান

    তৃণমূল উপপ্রধানের বক্তব্য

    তৃণমূলের (TMC) উপপ্রধান (South 24 Parganas), তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছন, “ওই স্কুল থেকে সম্পত্তি নানা ভাবে পাচারের কাজ করা হতো। ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হত। তাই এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উপর মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিল। এলাকার শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা পালন করা হয়নি। সম্পূর্ণ ভাঁওতাবাজি চলছে। তাই এলাকার মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এদিন ঘটেছে।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: একদিকে হকার উচ্ছেদ, অন্যদিকে নয়নজুলি দখল করে চলছে অবৈধ নির্মাণ!

    South 24 Parganas: একদিকে হকার উচ্ছেদ, অন্যদিকে নয়নজুলি দখল করে চলছে অবৈধ নির্মাণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকটি দফতর থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোনও ভাবেই সরকারি জায়গা দখল করা যাবে না। যারা যারা দখল করেছে, তাদের উচ্ছেদ করতে হবে। আর সেই নির্দেশের পরেও উল্টো ছবি দেখা গেল কুলপি বিধানসভার (South 24 Parganas) বিভিন্ন জায়গায়। সেখানে নয়নজুলি দখল করে চলছে একের পর এক অবৈধ নির্মাণ। হেলদোল নেই প্রশাসনের।

    কোথায় চলছে এই বেপরোয়া কার্যকলাপ? (South 24 Parganas)

    কুলপি বিধানসভার নিশ্চিন্তপুর স্টেশন রোড সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক নয়নজুলি ও পিডব্লিউডি’র জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে একাধিক অবৈধ নির্মাণ। নিশ্চিন্তপুর এলাকায় রাস্তার পাশেই দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমের পার্টি অফিস ছিল। তার পাশে পিডব্লিউডি’র ফাঁকা জায়গা দীর্ঘদিন ধরেই সিপিএমের দখলে ছিল। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছিল জায়গাটি, যাতে নয়নজুলি থেকে জল ব্যবহার করতে পারেন তাঁরা। কিন্তু সেই জায়গাটিও রাতারাতি এলাকারই শাসকদল ঘনিষ্ঠ উমাপদ দাস নামে এক ব্যক্তি জোরপূর্বক দখল করে নেয় বলে অভিযোগ। এমনকী নয়নজুলি দখল করে চলে নির্মাণকাজও (Eviction)। এই বিষয় নিয়ে সিপিএমের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগও করা হয়।

    কে শুনছে কার কথা?

    শুধুমাত্র এই নিশ্চিন্তপুর এলাকাতেই নয়, কুলপি বিধানসভার বাগারিয়া এলাকাতেও (South 24 Parganas) নয়নজুলি দখল করে দিনে-দুপুরে চলছে এই অবৈধ নির্মাণের কাজ। তবে এই বিষয় নিয়ে বেলপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বর্ণালী মণ্ডলের দাবি, তাঁরা এই অবৈধ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও কার অনুমতিতে এই অবৈধ নির্মাণ হচ্ছে, তা তাঁদের কিছুই জানা নেই।অন্যদিকে কুলপি বিধানসভার বাগারিয়া এলাকা নিয়ে বিডিও, এসডিও, পুলিশ-প্রশাসন থেকে প্রত্যেকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে। কিন্তু তারপরেও কোনও ফল লাভ হয়নি। এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, এইভাবে একের পর এক নয়নজুলি দখল করে অবৈধ নির্মাণের ফলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জল নিকাশি ব্যবস্থা। আগামী দিনে চাষের কাজ একদিকে যেমন বন্ধ হয়ে যাবে, ঠিক তেমনি ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ মানুষকে। তবে এই অবৈধ দখলদারি নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কেউ কিছুই বলতে চাননি। কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুপ্রিয় হালদার জানান, ইতিমধ্যেই যে যে জায়গায় অবৈধ নির্মাণ হচ্ছিল, প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন বন্ধ করে দিয়েছে সেই নির্মাণ কাজ। 

    কটাক্ষ বিজেপি’র (South 24 Parganas)

    তবে এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কুলপি বিধানসভার শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক স্বপন হালদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ওই নির্দেশ শুধুমাত্রই ভাঁওতা ছাড়া অন্য কিছুই নয়। শাসকদলের মদত ছাড়া এবং প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এইভাবে নয়নজুলি দখল করে নির্মাণ কোনও দিনই করা যায় না। এই বিষয় নিয়ে বারে বারে তাঁদের পক্ষ থেকেও প্রশাসনকে জানিয়ে কোনও ফল লাভ হয়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে, এক দিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিচ্ছেন অবৈধ নির্মাণ বন্ধের জন্য, তখন কীভাবে গোটা কুলপি বিধানসভা জুড়ে দিনে-দুপুরে চলছে অবৈধ নির্মাণ (Eviction)? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, স্ত্রী-পুত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, স্ত্রী-পুত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পোলিং এজেন্টকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হামলার হাতে থেকে বাদ যাননি পোলিং এজেন্টের স্ত্রী এবং পুত্র। শনিবার ভোরে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সোনারপুরের চৌহাটি এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম গোবিন্দ অধিকারী। গোবিন্দের স্ত্রী নমিতা অধিকারী এবং পুত্র গৌরব অধিকারীও গুরুতর জখম হন। প্রথমে তিন জনকেই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এম আর বাঙুর হাসপাতালে। পরে, সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে কুকুর মারা নিয়ে বিজেপি কর্মী গোবিন্দ অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূল কর্মী সুভাষ দেবনাথের  ঝামেলা হয়েছিল। তারপর থেকেই তাঁদের মধ্যে তিক্ততা বৃদ্ধি পায়। শনিবারের রাজনীতির কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে, না এর সঙ্গে কুকুর নিয়ে ঝামেলার যোগ রয়েছে কি না পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। শনিবার ভোর ৩টের পর বিজেপি কর্মীর বাড়িতে (South 24 Parganas) দুষ্কৃতীরা চড়াও হয় বলে অভিযোগ। তাঁকে, তাঁর স্ত্রীকে এবং পুত্রকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। বাড়িতে গোবিন্দের কন্যাও ছিলেন। তবে তাঁর ওপর হামলা হয়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আটক করা হয়েছে আক্রান্তদের প্রতিবেশী সুভাষ দেবনাথ এবং তাঁর পুত্র সুমিত দেবনাথকে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    স্থানীয় বিজেপি (BJP) নেতা দেবনাথ চক্রবর্তী বলেন, “ভোটে গোবিন্দ আমাদের দলের পোলিং এজেন্ট হয়েছিলেন। আমাদের ওয়ার্ডে বিজেপি (BJP) এগিয়েও ছিল। যাঁরা গোবিন্দদের মেরেছেন, তাঁরা তৃণমূল করেন। সন্ত্রাস করতেই তৃণমূল হামলা চালিয়েছে।” অন্যদিকে,তৃণমূল কাউন্সিলর রাজীব পুরোহিত বলেন, “একটি কুকুর মারাকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছিল। সুভাষ দেবনাথের নামে গোবিন্দ অধিকারী মামলা করেছিল। সোনারপুর থানা বিষয়টি দেখেছে। শনিবার ভোরে আমার কাছে ফোন আসে গোবিন্দ এবং তাঁর পরিবারকে চপার দিয়ে কোপানো হয়েছে বলে শুনেছি। এরসঙ্গে রাজনীতির কোনও বিষয় নেই। দুই পরিবারের বিবাদ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কুলপিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে কাজিয়া!

    South 24 Parganas: কুলপিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে কাজিয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) একটি সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ফের প্রকাশ্যে এসেছে। কুলপিতে প্রকাশ্য সংবর্ধনা সভায় বিধায়ক ও ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির কাজিয়া প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং লোকসভা নির্বাচনের আগেও একাধিক বার মাদার বনাম যুব তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    দলের শৃঙ্খলা নিয়ে দ্বন্দ্ব (South 24 Parganas)!

    কুলপিতে মথুরাপুর (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদের সংবর্ধনা সভায় তৃণমূল বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বৃহস্পতিবার দিন কুলপির পথের সাথী গেস্ট হাউসে নবনির্বাচিত সাংসদ বাপি হালদারের সংবর্ধনা সভা আয়োজন করা হয়। একদিকে যখন বিধায়ক দলের শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে ব্লক সভাপতির নাম না করেই একাধিক বক্তব্য রাখলেন, ঠিক উল্টোদিকে ব্লক সভাপতিও বিধায়কের নাম না করে দলের শৃঙ্খলা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুললেন। ফলে উভয়ের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে।

    তৃণমূল বিধায়কর বক্তব্য

    কুলপি (South 24 Parganas) বিধানসভার বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার বলেছেন, “দলের মধ্যে থেকে কেউ কেউ আমার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার তকমা লাগাচ্ছে। আমি যদি সাম্প্রদায়িক হতাম তাহলে চারবারের বিধায়ক হতে পারতাম না। মানুষ সব জানে আমি তাঁদের জন্য কী করেছি। দল থাকলে তবেই কর্মীরা থাকবে, দলের মধ্যে থাকলে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে সকলকে।” কিন্তু সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বিধায়ক বলেন, “এখানে তৃণমূলের কোন গোষ্ঠীদ্বন্দ নেই, তবে সম্প্রদায়িকতার বিষয়ে কেউ কেউ অপপ্রচার করে করছেন।”

    তৃণমূল ব্লক সভাপতির বক্তব্য

    অন্যদিকে কুলপি (South 24 Parganas) বিধানসভার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি সুপ্রিয় হালদার, বিধায়কের নাম না করে দলের সাংসদের সামনেই বলেন, “দলের মধ্যে থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচন, বিধানসভা নির্বাচন ও লোকসভা নির্বাচনকে কেউ যদি আলাদা আলাদা করে গুরুত্ব দিয়ে দেখেন, তা হলে মানা হবে না। কোনও ব্যক্তির জন্য যদি অপর কোনও ব্যক্তির সম্মানহানি হয়, সেই বিষয়টিও বিধায়ক ও সাংসদকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি গঠন করা একান্ত প্রয়োজন।” দ্বন্দ্ব নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি আরও বলেন, “যাঁরা দলের মধ্যে থেকে ভুল কাজ করছে সেই বিষয়টি আমি বিধায়কের কাছে তুলে ধরতে চেয়েছি। অন্যদিকে দল যাঁকেই টিকিট দিক না কেন, দলের মধ্যে থেকে শৃঙ্খলা পরায়ণ হয়ে কাজ করা উচিত তাঁর।”

    তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য

    তবে এই বিষয়ে মথুরাপুর (South 24 Parganas) লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার বলেছেন, “দল বড় হলে তার মধ্যে সমস্যা থাকতে পারে, তবে তা নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নিতে হবে। অন্যদিকে যাঁরা দলের মধ্যে থেকে বিজেপির হয়ে ভোট করিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে দল।”

    আরও পড়ুনঃ চোপড়াকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে এই বিষয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কুলপি (South 24 Parganas) ব্লকের শ্রমিক ইউনিয়নের বিজেপি সভাপতি স্বপন হালদার বলেছেন, “বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির মধ্যে লেনদেনের ভাগ-বাটোয়ারা ঠিকঠাক না হওয়ার জন্যই এই ঘটনা ঘটছে। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সর্বোচ্চ তোলাবাজের দল। আর সেখানে বিধায়ক বেশি খাবে, নাকি ব্লক সভাপতি বেশি খাবে তা নিয়েই এই দ্বন্দ্ব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    Arabul Islam: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা ছিলেন আরাবুল ইসলাম। এই এলাকায় তৃণমূলের তিনিই ছিলেন শেষ কথা। এখন সেই নিজের খাসতালুকে ব্রাত্য আরাবুল (Arabul Islam) । বুধবার জামিন পাওয়ার পর দলের মধ্যে আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ায় ভাঙড় জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    সরানো হল আরাবুলের নেমপ্লেট (Arabul Islam)

    জানা গিয়েছে, অপরাধের মামলায় জামিন পেয়েছেন আরাবুল (Arabul Islam)। তাঁর জামিন নিয়ে নিরুত্তাপ ভাঙড়। কোথাও দলীয় কর্মীদের উচ্ছ্বাস বা বিজয় মিছিল নেই। তার মধ্যে পঞ্চায়েত সমিতি থেকে সরে গেল তাঁর নামফলক। বলা যেতে পারে, প্রায় ৬ বছর পর ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে ‘গৃহহীন’ হলেন আরাবুল। সভাপতির ঘরে এখন সহ-সভাপতি সোনালি বাছাড় এবং বিধায়ক শওকত মোল্লা-ঘনিষ্ঠ খইরুল ইসলামের নাম। গত সপ্তাহে প্রকাশ্য সভা থেকে আরাবুলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন তৃণমূলের ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক তথা ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তিনি বলেন, দলেরই এক পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে খুনের ষড়যন্ত্র করেছিলেন ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক। সে কথা খোদ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে জানিয়েছিলেন। শুধু তা-ই নয়, নিজের ছেলে হাকিমুলকে পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট পাইয়ে দেওয়া, প্রধান করানোর জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে আরাবুলের বিরুদ্ধে।

    আরাবুলহীন ভাঙড়ে ভাল লিড পেয়েছে তৃণমূল!

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড গঠন করে তৃণমূল। সভাপতি হন আমিনা বেগম বিশ্বাস। আরাবুল (Arabul Islam) তখন ভাঙড়ের বিধায়ক। তখন থেকে পঞ্চায়েত সমিতিতেই ছিল তাঁর অফিসঘর। বিধায়ক পদ খুইয়ে ২০১৩ সালে  ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হন আরাবুল। তখন আরাবুলের নামফলক লাগানো হয় ঘরের সামনে। আধুনিকীকরণ হয় ওই ঘরের। ২০১৮ সালে নিজে ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি হলেও ওই ঘর ছাড়েননি তৃণমূল নেতা। ২০২৩ সালে আবার সভাপতি হন আরাবুল। অফিস সেই একই ছিল। আরাবুল জেলে থাকার সময়ই ভাঙড়-২ ব্লক তৃণমূলের আহ্বায়ক পদ খুইয়েছেন। লোকসভা ভোটে আরাবুলহীন ভাঙড়ে শওকতের নেতৃত্বে তৃণমূল ভাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছে। তারপর গত ৯ জুন ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সোনালি বাছাড়কে কার্যকরী সভাপতি করা হয়। এখন থেকে সেই অফিসে বসছেন সহ-সভাপতি সোনালি। তিনি এখন আরাবুলের চেয়ারে বসছেন। তাঁর পাশে ওই ঘরে বসার বন্দোবস্ত হয়েছে পঞ্চায়েত সমিতি পরিচালনকারী এবং আরাবুল-বিরোধী বলে পরিচিত খইরুল ইসলামের। আরাবুলের নামফলক সরানো নিয়ে বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, “বিষয়টি জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখছি।” তৃণমূলে আরাবুলের রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি নিয়ে ভাঙড় জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। আর আরাবুল বলেন, এত সহজে আমাকে সরানো সহজ হবে না। আমি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সরকারি জমিতে তৃণমূলের মদতে বেআইনি নির্মাণ! কাজ বন্ধ করলেন মন্ত্রী

    South 24 Parganas: সরকারি জমিতে তৃণমূলের মদতে বেআইনি নির্মাণ! কাজ বন্ধ করলেন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ত দফতরের জমি দখল করেই চলছিল দোকান নির্মাণ। স্থানীয় পঞ্চায়েত উদ্যোগী হয়ে সেই কাজ করছিল। কিন্তু, নেওয়া হয়নি পূর্ত দফতরের অনুমতি। ফলে, বেআইনিভাবে গজিয়ে উঠছিল দোকান। মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জমি দখল নিয়ে কড়া নির্দেশ দেওয়ার পর হুঁশ ফিরল সকলের। বিষয়টি জানতে পেরে তড়িঘড়ি দোকান তৈরির কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গঙ্গাসাগরের কচুবেড়িয়া জেটিঘাটে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    বেশ কয়েক মাস আগে গঙ্গাসাগরের (South 24 Parganas) সৌন্দর্যায়ন ও রাস্তা চওড়া হওয়ার জন্য বেশ কিছু অস্থায়ী দোকানদারকে তুলে দেওয়া হয় কচুবেড়িয়া জেটিঘাটে এলাকা থেকে। দোকানদারদের পুনর্বাসনের জন্য মুড়িগঙ্গা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পূর্ত দফতরের জায়গায় অবৈধভাবে চলছিল এই নির্মাণ কাজ। দোকানদারদের থেকে কাটমানি নেওয়া হত বলে জানা গিয়েছে। তাতে, দোকান পিছু ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দর উঠেছিল। তৃণমূলের (Trinamool Congress) স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শিবশঙ্কর রক্ষিত বলেন, রাস্তা চওড়ার জন্য বহু ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করা হয়। তাই, তাদের পুনর্বাসন দেওয়ার জন্যই ওই স্টলগুলি তৈরি করা হচ্ছিল। এখন তা বন্ধ করে দেওয়া হল। পরে, বৈঠক করেই এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে, এই বিষয় নিয়ে গঙ্গাসাগর বকখালি সুন্দরবন অথরিটির চেয়ারম্যান সন্দীপ কুমার পাত্র বলেন, এই নির্মাণ কার্য আমরা আপাতত বন্ধ রাখতে বলেছি, প্রশাসনিক বৈঠকের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকার সাধারণ মানুষ বলেন, ভেসেল বন্ধ থাকলে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। ওই এলাকায়  সরকারিভাবে কোনও যাত্রীশেড নেই। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বারে বারে তৃণমূলের (Trinamool Congress) স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। আর দোকান বিক্রি করে শুধুমাত্র ব্যবসা করবে বলে নদী বাঁধ এলাকায় এই নির্মাণ কার্য চালাচ্ছে তারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    নদী বাঁধ এলাকায় এই কংক্রিটের নির্মাণ করা যায় কি না তা নিয়েও  প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এই বিষয় নিয়ে বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার কনভেনার অরুনাভ দাস বলেন, সর্বত্র এইভাবে শাসকদলের নেতা-কর্মীরা প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধ নির্মাণ করে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ আদতে নাটক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

    South 24 Parganas: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশ তোলা চেয়েছিল ১০০ টাকা। আর মাল বোঝাই পিকআপ ভ্যানের চালক ২০ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, নাছোড় পুলিশ তা মানতে চায়নি দেখে চালক গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। সামান্য ১০০ টাকার জন্য পুলিশও সরকারি তেল পুড়িয়ে পিকআপ ভ্যানের পিছনে ধাওয়া করে। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতেই এরপরই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে গাড়িটি। বুধবার ভোরে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড় থানা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাঁঠালদিয়া এলাকায় ভোর রাতে টহল দিচ্ছিলেন কাশিপুর থানার পুলিশ কর্মীরা। সেই সময় মুর্শিদাবাদ থেকে একটি কাঁঠাল বোঝাই গাড়ি আসছিল। গাড়িটিকে দাঁড় করান কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা। গাড়ির চালক তরুণ রুইদাস বলেন, “আমার কাছে একশো টাকা দাবি করেন পুলিশ কর্মীরা। আমি কুড়ি টাকা দিতে চাই। সামান্য ২০ টাকা নিতে রাজি হননি আধিকারিকরা। এরপরই গাড়ির চালিয়ে আমি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। আমার গাড়ির পিছনেই ধাওয়া করে উত্তর কাশিপুর থানার একটি গাড়ি। উত্তর কাশিপুর থানার বর্ডার পেরিয়ে  ভাঙড় থানার (South 24 Parganas) মধ্যে গিয়েও রেহাই পাইনি আমি। পুলিশের  ভ্যানটি এসে আমাকে একদিকে চেপে দেওয়ার চেষ্টা করে। এরপরই বিদ্যুতের খুঁটিতে গিয়ে ধাক্কা মারি। সামান্য টাকার জন্য পুলিশ যা করল তাতে আমি মৃত্যুর মুখ থেকে ঘুরে এলাম।” জানা গিয়েছে, দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় বাগানাইটের কাছে গাড়িটি রাস্তার পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা মারে। তারপরই পালিয়ে যায় পুলিশের গাড়িটি। গাড়ির ভিতরে থাকা এক ব্যক্তি জখম হন।

    পুলিশের আচরণে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

    এই ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ এলাকার সাধারণ মানুষজন। বুধবার সকালে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে দ্রুততার সঙ্গে গাড়িটি সরানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সামান্য টাকার জন্য পুলিশ যা করছে তা মেনে নেওয়া যায় না। এই তোলাবাজির ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের সন্ত্রাসে বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাট, আতঙ্কে পরিবার নিয়ে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মী

    South 24 Parganas: তৃণমূলের সন্ত্রাসে বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাট, আতঙ্কে পরিবার নিয়ে ঘরছাড়া বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) মথুরাপুরে। এই লোকসভার শ্রীধরনগরে শাসক দলের সন্ত্রাসে শম্ভু চরণ প্রধান নামে এক বিজেপি কর্মী পরিবার নিয়ে ঘরছাড়া। বর্তমানে জয়নগর এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে আছেন ওই বিজেপি কর্মী। এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিআইজি, সুন্দরবনের পুলিশ সুপার, কাকদ্বীপের এসডিপিওকে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন ওই বিজেপি কর্মী।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের ফল বের হওয়ার পরই ওই বিজেপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি কর্মী শম্ভুচরণবাবু বলেন,”এলাকায় নিজেদের দাপট দেখাতেই তৃণমূলের লোকজন আমাদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে। থানায় অভিযোগ জানানোর পর এফআইআর তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে আমার কাছে সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে আতঙ্কিত ওই পরিবার গ্রাম ছেড়েছি।” অভিযোগের তালিকায় নাম আছে গোবর্ধনপুর কোস্টাল থানার ওসি চন্দন পণ্ডিত ও সিভিক ভলান্টিয়ার তাপস মাইতির। তারা নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ। সুন্দরবন পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। 

    আরও পড়ুন: সমবায় ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী বিজেপি, তুলকালাম নন্দীগ্রাম

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    পাথরপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়ক সমীর জানা বলেন, এই ধরনের মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে তৃণমূলের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে। উল্টে লোকসভা ভোটের সময় বিজেপি কর্মীরা মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট দিতে দেয়নি। এখন ভোটে হেরে গিয়ে এই ধরনের মিথ্যে অভিযোগ করছে। এসব করে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাবমূর্তিকে কখনও নষ্ট করা যাবে না। অন্যদিকে, এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা করে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কনভেনার বিপ্লব নায়েক বলেন, শুধুমাত্র পাথরপ্রতিমা নয়, গোটা মথুরাপুর জুড়েই ভোটের পরে এই ভাবেই সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিছুদিন আগেও কাকদ্বীপে বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে মিথ্যে মামলা দেওয়া শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আইনের শাসন যাদের হাতে, সেই পুলিশ অফিসার এখন তৃণমূলের ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। তারা বিজেপি কর্মীদেরকে ভয় দেখাচ্ছে। তৃণমূলের কথা না শুনলেই মিথ্যে মামলা দিচ্ছে। এই ঘটনার তীব্র ধিক্কার জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: কোচবিহারে মহিলা বিজেপি কর্মীকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতীর ধর্ষণ! বিস্ফোরক বিপ্লব দেব

    Post Poll Violence: কোচবিহারে মহিলা বিজেপি কর্মীকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতীর ধর্ষণ! বিস্ফোরক বিপ্লব দেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট-পরবর্তী (Post Poll Violence) হিংসার চিত্র খতিয়ে দেখতে এসেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। বিজেপির দাবি, ভোটের ফল ঘোষণার পর উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন বিজেপির কর্মীরা। এই টিমের সদস্য ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেব বিস্ফোরক দাবি করেন। তিনি বলেছেন “কোচবিহারে এক বিজেপি মহিলাকে ২০ জন তৃণমূল দুষ্কৃতী ধর্ষণ করেছে।” তাঁর মন্তব্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    ঠিক কী বলেন বিপ্লব দেব (Post Poll Violence)?

    সোমবার কোচবিহারে তৃণমূলের হিংসা (Post Poll Violence) কবলিত এলাকায় মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। সেখানে গিয়ে শোনা যায়, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট এবং ঘরছাড়া করেছে কীভাবে? ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তৃণমূলের অত্যাচারের কথা বলতে গিয়ে বিপ্লব দেব বলেন, “বিজেপির এক মহিলা কর্মীকে ২০ জন তৃণমূলের দুষ্কৃতী মিলে ধর্ষণ করেছে। নির্যাতিতা মহিলা, পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে অভিযোগ নিচ্ছে না। নির্যাতিতাকে সুবিচার না দেওয়ায় ঈশ্বর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতন ঘটাবেন। গোপন জবানবন্দি নেওয়ার ব্যবস্থা করেনি প্রশাসন। পুলিশের উচিত ছিল স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে প্রতিবাদ করার কি লোক নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লজ্জা করা উচিত। বাংলার মাটিকে এই ভাবেই তিনি কলঙ্কিত করেছেন।”

    আরও পড়ুনঃতৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    আর কী বলেন?

    হিংসা (Post Poll Violence) কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিপ্লব দেব আরও বলেন, “রাজ্যের নির্লজ্জতার একটা সীমা থাকা উচিত। মমতা সবকিছুকে অতিক্রম করে গিয়েছেন। ক্ষমতায় অন্ধ হয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ক্রমস পতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। যখন পতন হবে, তখন মনে হবে সময় থাকতে কেন ব্যবস্থা নিলাম না। সিপিএমের যে ভাবে পতন ঘটেছে, তাঁরও ঠিক একইভাবে পতন হবে। তৃণমূলের হাল সিপিএমের থাকে খারাপ হবে। আমরা দিল্লিতে সব জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    Sandeshkhali: রেখা পাত্র ‘সন্দেশখালির বাঘিনী’, বিরাট ইঙ্গিত বিজেপির কেন্দ্রীয় টিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসা পরিদর্শন করতে সন্দেশখালিতে আসলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় টিম। মঙ্গলবার বিকেলে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সড়বেড়িয়া এলাকায় আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার তৈরি করা ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। এই দলের মধ্যে রয়েছেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, কেন্দ্রীয় প্রাক্তন আইন মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ, বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল সহ আরও চারজন। এদিন সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রের কাছ থেকে অত্যাচারের বিবরণ শোনেন প্রতিনিধি দল।

    এদিন তাঁরা সড়বেড়িয়ার আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট বিট পোলের ৪২, ৪৫ নম্বর বুথের বামন ঘেরি এলাকায় গিয়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন টিম। তাঁদের বর্তমান অবস্থার কথা জানার চেষ্টা করেন। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেন তাঁরা। তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

    প্রতিনিধি দলের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রিজপাল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে রেখা পাত্রকে বলেন, “রেখা পাত্র সন্দেশখালির বাঘিনী। রেখা যেভাবে লড়াই করেছে, তা বলার মতো। আমি বলে রাখলাম এই মেয়ে অনেক দূর যাবে। আমি এই নিয়ে বাংলায় মোট পাঁচবার এসেছি। এই সন্দেশখালিতে কেবল অত্যাচারই হয়েছে। আমি উর্দি পরেছি। কিন্তু এখানে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা দেখে দুঃখ পাই।” একই সঙ্গে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদও রেখার সাহসিকতার জন্য বাহবা দেন।

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল দুষ্কৃতীদের অত্যাচারে ডায়মন্ড হারবারে জনশূন্য গ্রাম! তোপ রবিশঙ্করের

    রেখা পাত্রের বক্তব্য

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) গদখালিতে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আর সেই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে থেকে রেখা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন শক্তিস্বরূপা। আজ প্রাক্তন পুলিশকর্তা বাঘিনী বললেন আমাকে, তবে আমার মনে হয়, এটা শুধু আমাকে বলা নয়, সন্দেশখালির প্রত্যেক মহিলাকে বলা হয়েছে। মানুষে তো বাড়িতেই ফিরতে পারেননি। কাউন্টিং এজেন্টরা এখনও ঘরছাড়া। গ্রামে ঢুকতে পারেননি। তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হল কীভাবে?”

    তৃণমূলের অত্যাচারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক গ্রাম জনশূন্যে পরিণত হয়েছে। এই টিম কলকাতা, কোচবিহার এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় নিপীড়িত বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছে। বিজেপির টিম রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এবং এলাকা পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেবেন সর্বভারতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডার কাছে। আজই তাঁদের রাতে দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share