Tag: South 24 Parganas

South 24 Parganas

  • South 24 Parganas: “বিজেপি করে বলেই পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূল”, দাবি পরিবারের

    South 24 Parganas: “বিজেপি করে বলেই পিটিয়ে খুন করেছে তৃণমূল”, দাবি পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মহেশতলায় বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম তাপস মণ্ডল। বয়স আনুমানিক ৩৬ বছর। তাঁর বাড়ি মহেশতলা পুরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাছারি বাগান এলাকায়। পরিবারের  দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে পিটিয়ে খুন করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের (South 24 Parganas) সামনে ওই বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় লোকজন তাঁর বাড়ির লোককে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ওই যুবকের পরিবারের সদস্যরা বেহালার বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিজেপি কর্মীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যরা বলেন, ২০২৩ সালে দোলের দিনেও তাপসকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বিজেপি (BJP) করে বলেই তৃণমূলের লোকজনরা তাকে মারধর করেছে। এই বিষয়ে থানায় তখন অভিযোগ করা হয়েছিল। তাতে পুলিশ পদক্ষেপ নেয়নি। এবারও তৃণমূলের লোকজনই তাঁকে পিটিয়ে খুন করেছে। ইতিমধ্যে পরিবারের পক্ষ থেকে মহেশতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মহেশতলা থানার তদন্তকারী আধিকারিকরাও তদন্ত শুরু করে মৃত্যুর সঠিক কারণের সন্ধানে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছেন। বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের বক্তব্য,  এর আগেও তৃণমূল ওর ওপর হামলা করেছিল। আমরা চাই, এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে পুলিশ দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুক।

    আরও পড়ুন: ‘অবৈধ বাংলাদেশিদের ঠাঁই দেওয়ার ভয়ংকর পরিকল্পনা’ মমতার মন্তব্যের বিরোধিতায় বিজেপি

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা হবে। ওই বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  •  South 24 Parganas: নামখানায় ভগ্নদশা আইসিডিএস সেন্টারের, ত্রিপল খাটিয়ে চলছে ক্লাস!

     South 24 Parganas: নামখানায় ভগ্নদশা আইসিডিএস সেন্টারের, ত্রিপল খাটিয়ে চলছে ক্লাস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমফানের পর থেকেই ভগ্নদশা আইসিডিএস সেন্টারের। প্রথমে স্থানীয় একটি মন্দিরে ক্লাস শুরু হলেও রান্নার অসুবিধার কারণে মাঠের একধারে ত্রিপল খাটিয়ে চলছে বাচ্চাদের ক্লাস। প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর হয়ে গেল, এই ভাবেই চলছে আইসিডিএস সেন্টার। পাশেই খোলা আকাশের নিচে চলছে মিড ডে মিলের রান্নার কাজ। এমনই ছবি ধরা পড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানা এলাকার পশ্চিম আমানাবতী এলাকায়। এই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ৪০ জন পড়ুয়া ক্লাস করে ত্রিপলের নিচে (South 24 Parganas)!

    ১৩৬ নম্বর ঠাকুরচাঁদ (South 24 Parganas) আইসিডিএস সেন্টারের আনুমানিক ছাত্রের সংখ্যা প্রায় ৪০ জন। কিন্তু আমফানের সময় স্থানীয় এক বাসিন্দার বাড়িতে অস্থায়ীভাবে স্কুলটি চললেও বাড়িটি ভেঙে যাওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে যায় স্কুলটি। তারপর স্থানীয় মন্দিরেই শুরু হয় স্কুল। কিন্তু সেখানেও রান্নাবান্নার অসুবিধার কারণে এলাকার মানুষজন অগত্যা মাঠের একধারে নিজেদের উদ্যোগে ত্রিপল খাটিয়ে শুরু করে স্কুলটি। রাজ্যে গত প্রায় ১৩ বছরের মা মাটি সরকারের উন্নয়নের প্রভাব কেন পড়ল না এই গ্রামে, এই প্রশ্নই এখন এলাকাবাসীর মনে।

    নিয়মিত শিক্ষকরা আসেন না

    তবে বেশিরভাগ দিনেই স্কুলের শিক্ষকরা উপস্থিত থাকেন না বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। বিষয়টি নিয়ে বারবার জানানো হয়েচে প্রশাসন (South 24 Parganas) থেকে শুরু করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও। কোনও লাভ হয়নি। অগত্যা মন্ত্রীর কাছে আবেদন করলেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা পরিদর্শনও করলেও আশ্বাসই সার কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। দিনের পর দিন এই ভাবেই ঝড়, বৃষ্টি, গরমকে উপেক্ষা করে ত্রিপল খাটিয়েই চলছে খোলা আকাশের নিচে স্কুল।

    আইসিডিএস কর্মীর বক্তব্য

    তবে এই অসুবিধার কথা ওই আইসিডিএস সেন্টারের (South 24 Parganas) এক কর্মী রানী স্বীকার করেছেন। রান্নার গুণগত মান নিয়েও এলাকার মানুষেরা অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, “রান্নার সামগ্রী যা আসে, তেমন ভাবেই রান্না হয়। প্রশাসনকে নজর দেওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুনঃ পূর্ণিমায় কোটালের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র! ফের দুর্যোগের সম্ভাবনা, জারি সতর্কতা

    বিজেপি-তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে স্থানীয় (South 24 Parganas) বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধান বলেছেন, “বিষয়টি নিয়ে বারে বারে জানানো হয়েছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে কিন্তু তাঁরা কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।” আবার নামখানা পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতি বলেছেন, “নির্দিষ্ট ওই আইসিডিএস সেন্টারটির জন্য একজন জায়গা দিচ্ছেন না, ফলে জায়গার অভাবে কিছু করা যাচ্ছে না। তবে আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সমাধান করার। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে আর কতদিন এইভাবে খোলা আকাশের নিচে পড়াশোনা করতে হবে ওই এই সমস্ত শিশুদের?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC 21 July: শহিদ দিবস! রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে ভোজপুরি গানে অশ্লীল নাচ তৃণমূল কর্মীদের

    TMC 21 July: শহিদ দিবস! রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে ভোজপুরি গানে অশ্লীল নাচ তৃণমূল কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই ২১ জুলাইয়ের (TMC 21 July) শহিদ দিবসকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা ধর্মতলার উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু, তার মধ্যে এক ভিন্ন ছবি ধরা পড়ল দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার ভাঙরের হাতিশালা এলাকায়। বাস থামিয়ে শহিদ দিবসে যাওয়ার পথে অশ্লীল নৃত্য তৃণমূল কর্মীদের। এই তৃণমূল কর্মীরা বাসে করে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে আসছিলেন বলে জানা গিয়েছে। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শহিদদেরকে সামনে রেখে তাঁদের মূর্তির নিচে মাল্যদান করছেন, শোক প্রকাশ করছেন, সেখানেই তাঁরই দলের কর্মী-সমর্থকদের এমন অশ্লীল নৃত্য, প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে দলকে।

    ভোজপুরি গানে অশ্লীল নাচ তৃণমূল কর্মীদের (TMC 21 July)

    উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া ব্লকের কুলটি এলাকা থেকে বাসে করে ধর্মতলায় শহিদ দিবসে যাওয়ার জন্য রওনা হন তৃণমূল কর্মীরা (TMC 21 July)। সঙ্গে ছিল সাউন্ড সিস্টেম ও নৃত্য শিল্পীরা। যাওয়ার পথে হাতিশালা সিক্সলেনের কাছে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ভোজপুরি গান চালিয়ে চলল অশ্লীল নাচ। সঙ্গ দিলেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। শহিদ দিবসের দিনেও আনন্দ করতে করতে যাচ্ছি, বললেন তৃণমূল নেতারা। মূলত, একুশে জুলাই শহিদদেরকে তর্পণ জানানো হয়। এটা অন্যতম একটি কষ্টের দিন হিসেবে চিহ্নিত। আর সেখানেই কিনা তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের সাউন্ড সিস্টেমের সঙ্গে নৃত্যশিল্পীদের গা দোলানো ও এই অশ্লীল নৃত্য কোনওভাবেই ভালো চোখে দেখছে না রাজনৈতিক মহল।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ সেনাকে! শনিবারও নিহত ৭

    ছবি ঘিরে নিন্দার ঝড়

    ইতিমধ্যেই এই ছবি ঘিরে নিন্দার ঝড় উঠতে শুরু করেছে সর্বত্র। এই বিষয় নিয়ে মথুরাপুর (South 24 Parganas) সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কনভেনার অরুণাভ দাস বলেন, একুশে জুলাইকে (TMC 21 July) সামনে রেখে চোরেদের মিটিং। এটা কে কত খাবে, কে কত সেটিং করবে, আর সেখানে এই ধরনের নৃত্যই তো কাম্য। তৃণমূলের থেকে এর থেকে আর বেশি কিছু আশা করা যায় না। অন্যদিকে সমাজের বিশিষ্টজনদের মতে এই ছবি শুধু নিন্দারই যোগ্য নয়, বরং আজকের এই বিশেষ দিনটিকেও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কালিমালিপ্ত করা হল। শহিদদের অপমান করা হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    South 24 Parganas: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সোনারপুরে জামালউদ্দিন সর্দারের গত চারদিন ধরে পুলিশ টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি। অবশেষে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। তবে, প্রশ্ন উঠেছে গত চারদিন ধরে পুলিশের চোখে ধূলো দিয়ে কোথায় ছিলেন জামাল? প্রসঙ্গত, বাড়িতে সালিশি সভা বসিয়ে তোলাবাজি, নৃশংস অত্যাচার করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর গ্রেফতারিতে নির্যাতিতারা বেজায় খুশি।

    গত চারদিন কোথায় ছিলেন জামাল? (South 24 Parganas)

    মঙ্গলবার ১৬ই জুলাই গ্রেফতারির আশঙ্কায় দুপুরের দিকে বাড়ি ছাড়েন (South 24 Parganas) জামাল। সন্ধ্যার দিকে পাঁচিল টপকে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান জামালের স্ত্রী ও ছেলে। ওইদিন ঘুটিয়ারি শরিফ এলাকায় শ্বশুরবাড়ির কাছে কোথাও থাকার পরিকল্পনা থাকলেও পুলিশের ঘোরাঘুরির কারণে জঙ্গলের মধ্যে রাত কাটান জামাল। দিনের আলো ফুটতেই মাস্ক মুখে দিয়ে ঘুটিয়ারি ষ্টেশন থেকে ট্রেন ধরে সোনারপুরের ওপর দিয়েই বিধাননগর ষ্টেশনে নেমে বিধাননগর কমিশনারেট এলাকায় এক পরিচিতের কাছে যান তিনি। সেদিনটা ওখানেই ছিলেন। এরইমধ্যে সংবাদমাধ্যমে তাঁর খবর সম্প্রচার হওয়া দেখে মত পরিবর্তন করেন তিনি। আত্মসমর্পণের কথাও ভেবেছিলেন জামাল। এই কারণে বৄহস্পতিবার সোনারপুর থানার কাছাকাছি মিলনপল্লি এলাকায় তিনি চলেও আসেন। কিন্তু, তাঁর আইনজীবী তাঁকে আত্মসমর্পণের বিষয়ে মানা করলে ফের এলাকা ছাড়েন জামাল। এরইমধ্যে নিজের ফোন পরিবর্তন করে নতুন সিম নেন। স্ত্রী ও সন্তানের জন্য চিন্তা হচ্ছিল তাঁর। তাঁদের কোথাও একটা নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার পরিকল্পনা করেন। এই কারণে শাশুড়িকে ফোন করেন। এরপরই পুলিশের ট্র্যাকে চলে আসেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর শ্যালককে তুলে আনে সোনারপুর থানার পুলিশ। নিজের কাছের লোককেও আর বিশ্বাস করতে পারছিলেন না জামাল। যদিও বৄহস্পতিবার রাতে ডানকুনি এলাকায় তাঁর এক পরিচিতের বাড়িতে ছিলেন তিনি।  শুক্রবার স্ত্রী ও সন্তানকে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার ব্যবস্থা করেন। তারপর আগামী ৬ মাসের জন্য তিনি আত্মগোপন করার পরিকল্পনা করে ফেলেন। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    কীভাবে গ্রেফতার জামাল?

    জামাল ফেরার হওয়ার পর থেকে তাঁর বিশাল বাড়ির সামনের গেটে ঝুলছিল বড় তালা। আগের দিনই তাঁর ৫০টি সিসি ক্যামেরার ঘেরাটোপে থাকা বাড়ির (Sonarpur) সুইমিং পুলে কচ্ছপ মেলে। যা নজরে আসতেই পদক্ষেপ করতে চায় বন দফতর। কিন্তু, বৃহস্পতিবার কচ্ছপ উদ্ধার করতে গিয়েও বাড়ির গেটে তালা দেখে খালি হাতে ফিরে যেতে হয় তাদের। পুলিশ জামালের মোবাইল লোকেশন ‘ট্র্যাক’ করতে শুরু করে। কিন্তু, মঙ্গলবার দুপুরের পর সেই মোবাইল ফোন ভাঙড়ের কাছে গিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। মাস্ক পরে থাকায় কাল হল জামালের। তাতেই পুলিশের সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাসন্তী হাইওয়ে থেকে সোনারপুর যাওয়ার রাস্তায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    জেলা পুলিশের এক কর্তা কী বললেন?

    জামালকে গ্রেফতার করতে পুলিশের একাধিক টিম তৈরি করা হয়েছিল। সোনারপুর থানার আইসি আশিস দাসের নেতৄত্বে একটি টিম শুক্রবার সারাদিন নানান জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায়। তারাই শেষ পর্যন্ত জামালকে গ্রেফতার করে। জামালের গ্রেফতারির পর বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালি বলেন, জামালকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হবে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sonarpur:  জামাল অট্টালিকায় থাকলেও মায়ের স্থান কুঁড়ে ঘরেই! অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও

    Sonarpur: জামাল অট্টালিকায় থাকলেও মায়ের স্থান কুঁড়ে ঘরেই! অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনারপুরে (Sonarpur) শিকলকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী জামালউদ্দিন সর্দার ওরফে জামাল (Jamal Sardar) এখনও অধরা। তিনি ভোট পরবর্তী হিংসায় একটি খুনের মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন ২০২১ সালে। তাঁর নির্মাণ করা প্রাসাদোপম বাড়ি এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। ছেলের অট্টালিকা থাকলেও ঠাই নেই মায়ের। একটি জীর্ণ কুঁড়েঘরেই দিন কাটাচ্ছেন, সেই সঙ্গে জামালের বাকি তিন ভাইয়ের আশ্রয়স্থল ঝুপড়িতেই। এই খবরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় অভিযুক্ত জামাল (Sonarpur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় সোনারপুরের (Sonarpur) একটি খুনের মামলায় জামালের নাম জড়িয়েছিল। সিবিআই তদন্ত করে যে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল তাঁদের মধ্যে তিনিও ছিলেন। কিন্তু উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে দুমাস পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরেও তাঁর দৌরাত্ম্য থেমে যায়নি। পুলিশ এদিন তাঁর এই বিরাট বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিল, কিন্তু বাড়ির গেট বন্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে এই প্রাসাদোপম বাড়ি তল্লাশি অভিযান করবে। এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, “সম্ভাব্য যে সমস্ত জায়গায় জামাল থাকতে পারে, সেখানেই তল্লাশি চলছে। আশা করছি খবু তাড়াতাড়ি ধরা পড়বে।”

    জোড়াতাপ্পি দেওয়া কুঁড়ে ঘরে দিন কাটছে মা!

    জামালের বাড়ির (Sonarpur) খানিক কাছেই বাঁশ বাগানের মধ্যে জোড়াতাপ্পি দেওয়া কুঁড়ে ঘরে দিন কাটছে মা শাহজাদি সর্দার। প্রতিমাসে যে বিধবা ভাটার হাজার টাকা করে পান, তা দিয়েই কোনও রকমে সংসার চলে। তিনি অবশ্য ছেলেকে দোষারোপ করেননি। তিনি বলেছেন, “আমাকে অনেক বার ওর বাড়িতে থাকার জন্য বলেছে। আমিই রাজি হইনি। ওর দিন ভালই কাটছে, তবে ভালো থাকে বলে শত্রু বেশি। কোনও অবৈধ কাজ করেনি।” আবার জামালের মেজদা থাকেন তাঁরই বাড়ির রাস্তার উল্টো দিকে। তবে কেন ছেলে এই ভাবে রাজপ্রাসদে থাকেন আর মা ও ভাইয়েরা ঝুপড়িতে থাকেন, তার উত্তর পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    দালালি পেশা

    জানা গিয়েছে জামালের (Jamal Sardar) আয়ের উৎস হল জমি কেনাবেচা, দলালি এবং টাকার বিনিময়ে সালিশি করে বিচার করা। তবে বিচারের নিদান না মানলে ধরে এনে বাড়িতে শিকল বেঁধে অত্যাচার করা তাঁর কাজেরই অঙ্গ। রুজিনা বিবি নামক এক মহিলকে অন্ধকার ঘরে শিকল দিয়ে বেঁধে অত্যাচারের ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। এরপর থেকেই পলাতক জামাল। এদিকে ঘটনায় মুজিদ খাঁ এবং অরবিন্দ সরকার নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বুধবার বারুইপুর (Sonarpur) আদালতে তোলা হয়েছিল। অপর দিকে জামাল এখনও পলাতক এলাকায়। পুলিশের কাছে ইতিমধ্যে ভূরি-ভূরি অভিযোগ জমা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পুলিশের নাকের ডগায় মাছের ভেড়িতে আত্মগোপনে সাদ্দাম, তিনদিন পর গ্রেফতার

    South 24 Parganas: পুলিশের নাকের ডগায় মাছের ভেড়িতে আত্মগোপনে সাদ্দাম, তিনদিন পর গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargansas) কুলতলির সোনা পাচার চক্রের মাথা সাদ্দাম সর্দার। গা ঢাকা দিয়েছিলেন একটি মাছের ভেড়িতে। পুলিশের নাকের ডগায় তিনি আত্মগোপন করে থাকলেও গত তিনদিন পুলিশ তাঁর হদিশ পায়নি। অবশেষে সাদ্দামকে পুলিশ গ্রেফতার করল। জানা গিয়েছে, কুলতলির ঝুপড়িঝাড়ার বানীরধল এলাকা থেকে গ্রেফতার হলেন সাদ্দাম। বুধবার রাতে একটি মাছের ভেড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সাদ্দামের পাশাপাশি ওই ভেড়ির মালিক তথা কুলতলির সিপিএম নেতা মান্নান খানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে মোট চার জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

    কীভাবে ধরা পড়লেন সাদ্দাম? (South 24 Pargansas)

    সাদ্দামের খোঁজে তল্লাশির সময় প্রথম তাঁর শোয়ার ঘরের নীচে একটি সুড়ঙ্গ আবিষ্কার করে পুলিশ। সেটি বাইরে একটি খালের সঙ্গে যুক্ত। কিছু দূর এগিয়েই এই খাল গিয়ে মিশেছে মাতলা নদীতে। ফলে কোনও রকম বেগতিক বুঝলে প্রতারণার কারবারে অভিযুক্তদের পক্ষে এই সুড়ঙ্গপথে পালানো অনেকটাই সহজ। সুড়ঙ্গ থেকে এক বার খালে নেমে এলেই, ডিঙি নৌকায় চেপে সবার অলক্ষে মাতলা নদী হয়ে পালিয়ে যাওয়া যেতে পারে। সেই পথে পালিয়েছিলেন সাদ্দাম। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে সিপিএম নেতা মান্নানের মাছের ভেড়িতে আশ্রয় নেন সাদ্দাম। সাদ্দাম পালিয়ে যাওয়ার পর আশপাশের থানাকে (South 24 Pargansas) জানানো হয়। চারিদিকে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। এরপর পুলিশ জানতে পারে, মাছের ভেড়িতে গা ঢাকা দিয়েছেন সাদ্দাম। বুধবার গভীর রাতে পুলিশের বিশাল বাহিনী সেখানে হানা দেয়। ভেড়ির আলাঘরেই ছিলেন তিনি। চারিদিক ঘিরে ধরে পুলিশ। পরে, সেখান থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তবে, সাদ্দামের ভাই সাইরুল এখনও অধরা।

    কে এই সাদ্দাম?

    কুলতলিতে  (Kultuli) Nপ্রতারণাচক্রের পান্ডার ডেরায় হানা দেওয়ার পর সাদ্দামকে নিয়ে কৌতূতল তৈরি হয় রাজ্যবাসীর। জানা গিয়েছে, সাদ্দাম সোনার ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। কিন্তু, তিনি আসল সোনার মূর্তির ছবি দেখিয়ে নকল মূর্তি বিক্রি করতেন। বিগত ১৫ বছর ধরে নকল সোনা বিক্রির ব্যবসা করতেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই মূলত নকল সোনার মূর্তি বিক্রির টোপ ফেলতেন। মূল টার্গেট ছিল ব্যবসায়ীরাই। নির্জন জায়গায় ডেকে, নকল মূর্তি দিয়ে বা স্রেফ ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন সাদ্দাম ও তাঁর শাগরেদরা। ১২ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে সাদ্দামের বিরুদ্ধে। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে  ডাকাতি, নানা কুকীর্তির অভিযোগ রয়েছে।

     আগেই গ্রেফতার সাদ্দামের স্ত্রী

    সোনার মূর্তি ও সোনা পাচার চক্রের খোঁজেই কুলতলির (Kultuli) পয়তারাহাটে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। সাদ্দামের বাড়ির কাছে পৌঁছতেই পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে গুলি। শুরু হয় ঝামেলা-হট্টগোল। এর পরেই বাড়ি এবং আশেপাশের মহিলারা পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সাদ্দামের ভাই সাইরুল পুলিশকে নিশানা করে গুলিও চালান বলে অভিযোগ। এই সুযোগে পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যান সাদ্দাম এবং সাইরুল। সাদ্দামের স্ত্রী রাবেয়া সর্দার এবং মাসুদা সর্দার নামে আরও এর মহিলাকে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কুলতলিতে পুলিশের নাকের ডগায় মাছের ভেড়িতে আত্মগোপনে সাদ্দাম, তিনদিন পর গ্রেফতার

    South 24 Parganas: কুলতলিতে পুলিশের নাকের ডগায় মাছের ভেড়িতে আত্মগোপনে সাদ্দাম, তিনদিন পর গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargansas) কুলতলির সোনা পাচার চক্রের মাথা সাদ্দাম সর্দার। গা ঢাকা দিয়েছিলেন একটি মাছের ভেড়িতে। পুলিশের নাকের ডগায় তিনি আত্মগোপন করে থাকলেও গত তিনদিন পুলিশ তাঁর হদিশ পায়নি। অবশেষে সাদ্দামকে পুলিশ গ্রেফতার করল। জানা গিয়েছে, কুলতলির ঝুপড়িঝাড়ার বানীরধল এলাকা থেকে গ্রেফতার হলেন সাদ্দাম। বুধবার রাতে একটি মাছের ভেড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সাদ্দামের পাশাপাশি ওই ভেড়ির মালিক তথা কুলতলির সিপিএম নেতা মান্নান খানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে মোট চার জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

    কীভাবে ধরা পড়লেন সাদ্দাম? (South 24 Pargansas)

    সাদ্দামের খোঁজে তল্লাশির সময় প্রথম তাঁর শোয়ার ঘরের নীচে একটি সুড়ঙ্গ আবিষ্কার করে পুলিশ। সেটি বাইরে একটি খালের সঙ্গে যুক্ত। কিছু দূর এগিয়েই এই খাল গিয়ে মিশেছে মাতলা নদীতে। ফলে কোনও রকম বেগতিক বুঝলে প্রতারণার কারবারে অভিযুক্তদের পক্ষে এই সুড়ঙ্গপথে পালানো অনেকটাই সহজ। সুড়ঙ্গ থেকে এক বার খালে নেমে এলেই, ডিঙি নৌকায় চেপে সবার অলক্ষে মাতলা নদী হয়ে পালিয়ে যাওয়া যেতে পারে। সেই পথে পালিয়েছিলেন সাদ্দাম। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে সিপিএম নেতা মান্নানের মাছের ভেড়িতে আশ্রয় নেন সাদ্দাম। সাদ্দাম পালিয়ে যাওয়ার পর আশপাশের থানাকে (South 24 Pargansas) জানানো হয়। চারিদিকে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। এরপর পুলিশ জানতে পারে, মাছের ভেড়িতে গা ঢাকা দিয়েছেন সাদ্দাম। বুধবার গভীর রাতে পুলিশের বিশাল বাহিনী সেখানে হানা দেয়। ভেড়ির আলাঘরেই ছিলেন তিনি। চারিদিক ঘিরে ধরে পুলিশ। পরে, সেখান থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তবে, সাদ্দামের ভাই সাইরুল এখনও অধরা।

    কে এই সাদ্দাম?

    কুলতলিতে  (Kultuli) Nপ্রতারণাচক্রের পান্ডার ডেরায় হানা দেওয়ার পর সাদ্দামকে নিয়ে কৌতূতল তৈরি হয় রাজ্যবাসীর। জানা গিয়েছে, সাদ্দাম সোনার ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। কিন্তু, তিনি আসল সোনার মূর্তির ছবি দেখিয়ে নকল মূর্তি বিক্রি করতেন। বিগত ১৫ বছর ধরে নকল সোনা বিক্রির ব্যবসা করতেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই মূলত নকল সোনার মূর্তি বিক্রির টোপ ফেলতেন। মূল টার্গেট ছিল ব্যবসায়ীরাই। নির্জন জায়গায় ডেকে, নকল মূর্তি দিয়ে বা স্রেফ ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন সাদ্দাম ও তাঁর শাগরেদরা। ১২ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে সাদ্দামের বিরুদ্ধে। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে  ডাকাতি, নানা কুকীর্তির অভিযোগ রয়েছে।

     আগেই গ্রেফতার সাদ্দামের স্ত্রী

    সোনার মূর্তি ও সোনা পাচার চক্রের খোঁজেই কুলতলির (Kultuli) পয়তারাহাটে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। সাদ্দামের বাড়ির কাছে পৌঁছতেই পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে গুলি। শুরু হয় ঝামেলা-হট্টগোল। এর পরেই বাড়ি এবং আশেপাশের মহিলারা পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সাদ্দামের ভাই সাইরুল পুলিশকে নিশানা করে গুলিও চালান বলে অভিযোগ। এই সুযোগে পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যান সাদ্দাম এবং সাইরুল। সাদ্দামের স্ত্রী রাবেয়া সর্দার এবং মাসুদা সর্দার নামে আরও এর মহিলাকে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: খাটের নীচেই মিলল গোপন সুড়ঙ্গ, কুলতলিতে সাদ্দামের পর্দাফাঁস

    South 24 Parganas: খাটের নীচেই মিলল গোপন সুড়ঙ্গ, কুলতলিতে সাদ্দামের পর্দাফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নকল সোনা বিক্রির চক্রের পান্ডা কুলতলির পয়তারহাটে সাদ্দাম সর্দারের ডেরায় হানা দিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। খাটের নীচে হদিশ মিলল বিশাল সুড়ঙ্গের। অতীতে রাজা বাদশাহ, সুলতানদের বাসভবনে এই ধরনের সুড়ঙ্গের কথা শোনা যেত। সেসব সুরঙ্গে আজও অনেকের কাছে কৌতুহল জাগায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) পয়তারহাটে বসেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নকল সোনার কারবার চালাচ্ছিল প্রতারক সাদ্দাম সর্দার, তার ভাই সায়রুল-সহ গোটা পরিবার। কিন্তু, শুধুই কি সোনা পাচার? নাকি তলায় তলায় চলত দুর্নীতির এক বিরাট চক্র ? উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশি তদন্তে উঠে আসছে জাল টাকার ব্যবসার আশঙ্কার কথাও।

    কেন সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল? (South 24 Parganas)

    পুলিশ সূত্রে খবর, নকল সোনা বিক্রির পাশাপাশি, জাল নোট চক্রের সঙ্গেও যুক্ত ছিল কুলতলির (South 24 Parganas) সাদ্দামরা। খাটের নীচেই তাই কাটা হয়েছিল সুড়ঙ্গ। যাতে লোকচক্ষুর আড়াল দিয়েই বেরিয়ে যাওয়া যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ বছর ধরে নকল সোনার মূর্তির কারবারে হাত পাকিয়ে ফেলেছিল তারা। ক্রেতাদের টোপ দিয়ে কুলতলির ডেরায় ডেকে মারধর করে টাকা লুট করায় সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেছিল এই পরিবার। ছিল জাল নোটের কারবারও। গ্রেফতারের পর এই সব তথ্য স্বীকার করেছে সাদ্দাম ও সায়রুলের স্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    কীভাবে খোঁজ মিলল এই সুড়ঙ্গের?

    সাদ্দামের বাড়িতে চড়াও হয় পুলিশ। বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালানো হয়। ঘরের ভিতরে খাট সরাতেই বেরিয়ে এল সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গের মুখটা খুব একটা বড় নয়। তবে, সেই সুরঙ্গের মুখে একটি গেটও রয়েছে। সেই সুরঙ্গ সোজা গিয়ে পড়েছে খালের জলে। আর সেই খালে রাখা থাকত ডিঙি নৌকা। পুলিশ তাড়া করলে সেই খাল পথেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল অভিযুক্তদের। সেই খালের সঙ্গে যোগ রয়েছে মাতলা নদীর। সেই পথে বাংলাদেশে বা অন্য দ্বীপে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এদিকে ঘরের মধ্যে এই সুরঙ্গ দেখে কার্যত হতবাক পুলিশ কর্তারাও। সূত্রের খবর, কুলতলিতে নকল সোনার কারবার চলছে বলে পুলিশ খবর পেয়েছিল। এরপরই পুলিশ তদন্তে নামে। পুলিশ ওই গ্রামে গেলে পুলিশের ওপর সাদ্দামের লোকজন চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশকে লক্ষ্য করে সাদ্দামের ভাই গুলি চালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। পরে, বিরাট পুলিশ বাহিনী এলাকায় যায়। ততক্ষণে বেপাত্তা সাদ্দাম ও তার সহযোগীরা। এরপর সাদ্দামের বাড়িতে যায় পুলিশ। আর সেখানে সাদ্দামের খাট সরাতেই বেরিয়ে এল সুড়ঙ্গ। কিন্তু, প্রশ্ন উঠছে সুড়ঙ্গ একদিনে তৈরি হয়েছে এমনটা নয়। দিনের পর দিন সময় লেগেছে কংক্রিটের সুড়ঙ্গ তৈরি করতে। কিন্তু, তারপরেও কেন জানতে পারল না পুলিশ? আর সেই সুড়ঙ্গে মুখটা খোলা রয়েছে। তারপরেও তা জানতে পারল না পুলিশ।

    সাদ্দামের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল যন্ত্র

    কুলতলির (Kultuli) সাদ্দামদের বাড়ি থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে একটি যন্ত্র। মনে করা হচ্ছে, এই যন্ত্র দিয়ে ধাতু গলানো হত। আসলে লোক ঠকানোর জন্য নানা পদ্ধতি নিত সাদ্দামরা। বড় টিম কাজ করত। সোনা বলে ভুল বুঝিয়ে মানুষকে সর্বস্বান্ত করত তারা। সোনার মূর্তি, সোনার কয়েনের নাম করে এরা সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিত। এরপর পুলিশ বিরাট বাহিনী নিয়ে কুলতলি (Kultuli) এলাকায় যায়। আর সেই অভিযানে মিলল সুড়ঙ্গ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি! আটক দুই মহিলা, শোরগোল কুলতলিতে

    South 24 Parganas: দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি! আটক দুই মহিলা, শোরগোল কুলতলিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি (Shooting) চালানোর ঘটনা ঘটেছে। দুজন মহিলাকে ইতিমধ্যে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কুলতুলি (South 24 Parganas) থানা এলাকার জালাবেড়িয়া ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পয়তারহাটে। এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    সোনার মূর্তি বিক্রির ফাঁদে চলত প্রতারণা (South 24 Parganas)!

    সোমবার সকালেই এই গুলিকাণ্ড ঘটেছে। উল্লেখ্য, কুলতলি (South 24 Parganas) এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই সোনার ঠাকুর বিক্রির নামে একাধিক প্রতারণার চক্র সক্রিয় ছিল। অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছিলেন দিনের পর দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রলোভন দেখিয়ে ঠাকুরের সোনার মূর্তি বিক্রির ফাঁদ পেতে চলত এই কাজ। ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে ক্রেতারা হাজির হলে, সেই টাকা লুঠ করে পালাতো দুষ্কৃতীরা। তবে নির্দিষ্ট জায়গায় প্রতিমা নেওয়ার জন্য ডাকা হতো ক্রেতাদের। এরপর ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব লুট করত প্রতারকরা। এরকম ভাবেই দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে লুটপাট চালাচ্ছিল একটি বড় দুষ্কৃতীদের দল। এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছিল। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুতি নিয়ে আজ অভিযানে নামে পুলিশ। এরপর ঘটে বিপত্তি।

    আরও পড়ুনঃ নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার এন্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    পুলিশের বক্তব্য(South 24 Parganas)

    বারুইপুর (South 24 Parganas) জেলার পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালি বলেছেন, “এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় এই ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। এই প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত সাদ্দাম লস্করকে গ্রেফতার করার জন্য গিয়েছিল পুলিশ। অনেকদিন ধরে সাদ্দাম সোনার ঠাকুর বিক্রি করার নামে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ ছিল। পুলিশ তদন্তে নেমে তল্লাশি অভিযানে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি (Shooting) করা হয়। এরপর ঘটনাস্থল থেকে ২ জন মহিলাকে আটক করা হয়েছে। ধৃত দুই মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে আরও অতিরিক্ত ফোর্স পাঠানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kakdwip: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    Kakdwip: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায় নাসার (NASA) গবেষণাগারে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে যোগ দিতে চলেছেন কাকদ্বীপের (Kakdwip) সুভাষনগরের বাসিন্দা ঋত্বিকা মাইতি। বর্তমান তিনি কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। রসায়নবিদ্যা নিয়ে স্নাতকস্তরে পড়ছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর আলোচনা সভাতেও ঋত্বিকা ডাক পেয়েছিলেন। সেখানে তাঁর মৌলিক ভাবনা তুলে ধরেছিলেন।

    প্রবন্ধ লিখে পাঠিয়ে ছিলেন মার্কিন সংস্থায় (Kakdwip)

    এবার নাসার (NASA) বিজ্ঞানীদের সামনে মহাকাশ গবেষণার সম্পর্কে ঋত্বিকা (Kakdwip) তাঁর মৌলিক ভাবনা তুলে ধরবেন। জানা গিয়েছে, মার্কিন সংস্থা এক্সা এ্যারোস্পেস আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নাসার বিজ্ঞানীরা মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কে তরুণ ছাত্রছাত্রীদের হাতে-কলমে শিক্ষাদান করবেন। পাশাপাশি মহাকাশ গবেষণার সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা তরুণ ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে মৌলিক ভাবনার কথাও শুনবেন। ইতিমধ্যেই ঋত্বিকা মহাকাশ গবেষণার বিষয় নিয়ে তাঁর মৌলিক ভাবনাকে তুলে ধরে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন। সেই প্রবন্ধ মার্কিন সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছিল। প্রবন্ধটি পড়ে মার্কিন সংস্থার বিজ্ঞানীরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁকে মনোনীত করেছেন। এরপরই মার্কিন সংস্থা এক্সা এ্যারোস্পেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা অনলাইনে ঋত্বিকার ইন্টারভিউ নেন। সেই ইন্টারভিউতেও তিনি সাফল্য লাভ করেন। এরপরই তাঁকে মার্কিন মুলুকে নাসার গবেষণা কেন্দ্রের ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।                  

    উচ্ছ্বসিত ঋত্বিকা

    এবিষয়ে ছাত্রী ঋত্বিকা মাইতি (Kakdwip) বলেছেন, “আমি খুব উচ্ছ্বসিত, এই বিষয়ে আমি পড়াশুনা করছি। দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব। ইন্টারনেট থেকে তথ্য নিয়ে নিজে নিজে যতটা পেরেছি কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে একটা সমস্যা হল আর্থিক সমস্যা। একসঙ্গে এত টাকা ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না। তবে সরকার বা কোনও সংস্থা সহযোগিতা করলে অ্যামেরিকা যেতে পারব। এটা যেমন বিরল সুযোগ, তেমনি যাতায়াতের খরচও অধিক। তাই আনন্দের মধ্যেও একটা বিষণ্ণতা রয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ছেঁড়া হল মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার!

    পরিবারের বক্তব্য

    তবে কীভাবে নাসার (NASA) এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ঋত্বিকা, তা নিয়ে চিন্তিত মাইতি পরিবারও (Kakdwip)। ঋত্বিকার বাবা বিশ্বজ্যোতি মাইতি বলেছেন, “এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে কমপক্ষে সাত লক্ষ টাকার প্রয়োজন রয়েছে। আমি পেশায় একজন শিক্ষক। মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষ থেকে এই খরচ বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য। জানিনা কীভাবে ঋত্বিকার স্বপ্ন পূরণ হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share