Tag: Strait of Hormuz

  • Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    Donald Trump: “পাকিস্তানে গিয়ে ইরানি কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন দূতেরা”, ঘোষণা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে ইরানের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্টের দূতেরা। অন্তত এমনই ঘোষণা করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইতিমধ্যেই দেশ ছেড়েছেন।

    ট্রাম্পের দাবি (Donald Trump)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারকে ইসলামাবাদে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আগেই দাবি করেছিলেন, দু’মাসের সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে ইরান একটি প্রস্তাব দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, “আমি বলেছি, ‘না, তোমরা সেখানে যাওয়ার জন্য ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নেবে না। আমাদের হাতে সব কার্ড আছে। তারা চাইলে যে কোনও সময় আমাদের ফোন করতে পারে। কিন্তু তোমরা আর ১৮ ঘণ্টার ফ্লাইট নিয়ে গিয়ে বসে বসে অর্থহীন আলোচনা করবে না।’”

    আরাঘচির বক্তব্য

    এদিকে, আরাঘচি ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ ছেড়ে গিয়েছেন। এটি ছিল তাঁর ত্রিদেশীয় সফরের প্রথম গন্তব্য। এরপর তাঁর যাওয়ার কথা, ওমান এবং রাশিয়ায়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি প্রেস টিভি জানিয়েছে, তিনি শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে আরাঘচি বলেন, তিনি পাকিস্তানি আধিকারিকদের সঙ্গে ইরানের অবস্থান তুলে ধরেছেন, যা যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার একটি কার্যকর কাঠামো হতে পারে। তিনি এও বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই কূটনীতিতে আন্তরিক কিনা, তা এখনও দেখা বাকি (Donald Trump)।”

    ট্রাম্পের ইঙ্গিত

    পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ওমান সফর শেষে এবং রাশিয়ায় যাওয়ার আগে আরাঘচি ফের পাকিস্তান সফর করতে পারেন (Pakistan)। বিদেশমন্ত্রকের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, তার প্রতিনিধিদলের একটি অংশ তেহরানে ফিরে গিয়েছে যুদ্ধ সমাপ্তি সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিতে। তারা রবিবার রাতে ফের ইসলামাবাদে ফিরবে। এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্পের ইঙ্গিত, ভবিষ্যতে যে কোনও আলোচনা ফোনের মাধ্যমে হতে পারে। তিনি লেখেন, “যদি তারা কথা বলতে চায়, তাহলে শুধু ফোন করলেই হবে!!!” তাঁর আরও দাবি, ইরানে কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা কেউ জানে না এবং সেখানে চরম অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিশৃঙ্খলা চলছে।

    হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা

    বিশ্লেষকদের মতে, “সব কার্ড আমাদের হাতে” কথাটি সম্ভবত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ এবং অঞ্চলে ৫০,০০০-এর বেশি সেনার উপস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে, যারা প্রয়োজনে ফের যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত (Donald Trump)। এদিকে, এই যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করতে চাপ বেড়েছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে যে অচলাবস্থা চলছে, তার কারণে। এই প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ইরানের শক্তিশালী ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস শনিবার জানিয়েছে, তারা এই জলপথে তাদের অবরোধ এখনই তুলে নিতে চায় না। যদিও এটি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে (Pakistan)। ট্রাম্প বলেন, “আমার দূতদের সফর বাতিল মানেই যুদ্ধ ফের শুরু হবে না। আমরা এখনও সেই বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করিনি।”

    ইরানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, আরাঘচি শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকটে পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি ওমানি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর তিনি রাশিয়ায় যাবেন, যেখানে যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করেছিল আমেরিকা ও ইজরায়েল (Donald Trump)।

     

  • Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    Strait of Hormuz: মাইন আতঙ্ক, গুলির হামলা! হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীর কাছে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে, পারস্য উপসাগরে থাকা ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলির জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপ থেকে দূরে থাকতে এবং শুধুমাত্র নৌবাহিনীর অনুমতি পেলে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz)অতিক্রম করতে বলা হয়েছে, যাতে ঝুঁকি কমানো যায়। গত ১৮ এপ্রিল ইরানি গার্ডরা দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি চালায়। এর পর ভারতীয় সেনা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করেছে। সূত্রের খবর, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় থাকা সমস্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ভারতীয় সেনা।

    নৌবাহিনীর নির্দেশ পেলে তবে যাত্রা

    ইরান ও আমেরিাকর মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইতিমধ্যেই ১১টি ভারতীয় জাহাজ হরমুজ প্রণালী পেরিয়েছে। শেষ ট্যাঙ্কার ‘দেশ গরিমা’ ১৮ এপ্রিল পার হয়। একই দিনে ‘জগ অর্ণব’ ও ‘সানমার হেরাল্ড’ নামের দুটি জাহাজ ইরানি গার্ডদের গুলির মুখে পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। হরমুজ পার হওয়ার পর ‘দেশ গরিমা’ এখন আরব সাগর-এ ভারতীয় নৌবাহিনীর সুরক্ষায় রয়েছে এবং ২২ এপ্রিল মুম্বই পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তে পারস্য উপসাগরে ১৪টি ভারতীয় জাহাজ প্রণালী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতীয় সেনা তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এগোতে বারণ করেছে। পাশাপাশি, পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি এলাকায় ভারতীয় নৌবাহিনীর ৭টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যারা হরমুজ পার হওয়ার পর ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    লারক দ্বীপ-এর গুরুত্ব

    লারক দ্বীপ প্রণালীর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশে অবস্থিত এবং এটি ইরানের তেল পরিকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ফলে এই অঞ্চলে কড়া নজরদারি চালানো হয়—রাডার ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হয়। লারক দ্বীপ হরমুজ প্রণালীর দক্ষিণে অবস্থিত এবং প্রণালীর প্রায় ৩৩ কিলোমিটার প্রশস্ত অংশ জুড়ে বিস্তৃত। ইরান-আমেরিকা উত্তেজনার আগে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবহণ এই পথ দিয়েই হতো। এলাকায় একাধিক ইরানি ঘাঁটি রয়েছে, যেখান থেকে দ্রুতগতির ছোট নৌযান ব্যবহার করে হামলা চালানো সম্ভব। বর্তমানে তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে হরমুজ ও লারক দ্বীপের মাঝের রুট ব্যবহার করা হলেও, ওমান উপকূলের কাছাকাছি দক্ষিণ দিকের পুরনো পথটি মাইন থাকার আশঙ্কায় এড়িয়ে চলা হচ্ছে। ভারতীয় জাহাজগুলিকে লারক দ্বীপের কাছাকাছি যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ফলে নৌবাহিনীর অনুমতি ছাড়া কোনও জাহাজের হরমুজ প্রণালী পার হওয়া এখন অনিশ্চিত।

  • India US Talks: ফোনে কথা মোদি-ট্রাম্পের, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা

    India US Talks: ফোনে কথা মোদি-ট্রাম্পের, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ এপ্রিল ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই কথোপকথনে, উভয় রাষ্ট্রনেতাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন। সমগ্র গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের অধীনে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে দু’তরফে। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে, প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে একটি ফোন পেয়েছি। আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করেছি। আমরা আমাদের সমগ্র গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপকে সব ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি এবং হরমুজ প্রণালী খোলা ও নিরাপদ রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছি।”

    গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা (India US Talks)

    প্রসঙ্গত, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা ফের হওয়ার কথা এ মাসে। গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ব্যবসায়িক উন্নয়নের অংশ হিসেবেই এই আলোচনা হবে। সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (BTA)-র জন্য আলোচনা ফের শুরু হবে। একটি ভারতীয় প্রতিনিধিদল ২০ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করবে। সেই সময়ই হওয়ার কথা আলোচনা।এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষের দিকে। তাঁর দাবি, ইরানি বন্দরগুলির অবরোধ এখন সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হয়েছে এবং তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে তেহরান খুব কঠিন আঘাত পেয়েছে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য

    হোয়াইট হাউসে একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকার প্রতিক্রিয়া শক্তিশালী। প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। আসলে এটা বেশ অবিশ্বাস্য হয়েছে… আমরা তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছি, ফল নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর। শেষ ফলটাই গুরুত্বপূর্ণ… এবং হয়তো সেটা খুব শীঘ্রই ঘটবে।” ট্রাম্প ফের বলেন, “ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই মূল লক্ষ্য। তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না। আর যদি তাদের নতুন পারমাণবিক অস্ত্র থাকে, তাহলে আমাদের কিছু সময় তাদের সঙ্গে থাকতে হবে। কিন্তু আমি জানি না তারা আর কতদিন টিকে থাকতে পারবে।”

     

  • Iran-US War: উত্তপ্ত হরমুজ! মার্কিন জাহাজে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের, আটক ইরানি জাহাজ নিয়ে সংঘাত তীব্র

    Iran-US War: উত্তপ্ত হরমুজ! মার্কিন জাহাজে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের, আটক ইরানি জাহাজ নিয়ে সংঘাত তীব্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী। জাহাজ বাজেয়াপ্ত করার পরেই বদলা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান (Iran)। রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিল, ‘এটা যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন। উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।’ তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমেরিকার (America) রণতরীতে ড্রোন হামলা চালাল ইরানের সেনা। এই ঘটনায় সংঘর্ষ বিরতি (Iran-US War) ভেঙে পশ্চিম এশিয়ায় (West Asia in War) ফের যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। চিন থেকে ইরানগামী একটি পণ্যবাহী জাহাজ গুলি চালিয়ে মার্কিন সেনা দখল করে নেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে (US Seizes Iranian Cargo Ship)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই সামাজিক মাধ্যমে জাহাজটি আটকের কথা নিশ্চিত করেছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান সাফ জানিয়েছে বদলা তারা নেবেই। ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালী পার করার সময় হামলার শিকার হয়েছে দুটি ভারতীয় জাহাজও (Indian-Flagged Vessels Attacked)।

    ইরানের পাল্টা

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে। ইরান দাবি করেছে, ওমান সাগর এলাকায় মার্কিন সামরিক জাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলা হয়েছে মার্কিন বাহিনীর ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালানো ও সেটি আটক করার ঘটনার পাল্টা হিসেবে। তবে হামলার পরিমাণ, কয়টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বা মার্কিন জাহাজের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না—এই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিম শুধু দাবি করেছে, গুলি চালিয়ে একটি বাণিজ্যিক জাহাজের দখল নিয়েছে আমেরিকান সেনা। তার পাল্টা হিসেবে ড্রোন হামলা করেছে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস।

    ইরানি জাহাজে মার্কিন হামলা

    রবিবার মাঝরাতে ‘টৌস্কা’ (TOUSKA) নামে একটি কার্গো জাহাজ আটক করে আমেরিকান সেনা। ইরানের দাবি, জাহাজটি চিন থেকে ইরানের দিকে যাচ্ছিল। হরমুজ প্রণালীর কাছে ওমান উপসাগরে তার উপরে হামলা চালানো হয়। প্রথমে গুলি করে জাহাজের ইঞ্জিন রুমে ফুটো করে দেয় আমেরিকান সেনা। তার পরে পুরো জাহাজের দখল নেয় তারা। এই ঘটনা যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জলজ্যান্ত উদাহরণ বলে দাবি করে ইরানের সামরিক কম্যান্ডের এক মুখপাত্র বলেন, ‘জলদস্যুর মতো আচরণ করেছে আমেরিকা। এটা যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের উদাহরণ।’ আমেরিকান সেনার গুলিতে জাহাজটির নেভিগেশন সিস্টেম বিকল হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি ইরানের। ফলে তারা থামতে বাধ্য হয়। ওই মুখপাত্রের কথায়, ‘এর পরেই আমেরিকান সেনা জাহাজে উঠে পড়ে। আমরা এর উপযুক্ত জবাব দেব।’

    মার্কিন অভিযানে ইরানি জাহাজ আটক

    মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন অবরোধ অমান্য করে জাহাজটি হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করেছিল। ইরানের পতাকা লাগানো জাহাজটি বান্দার আব্বাস বন্দরের দিকে যাওয়ার সময় মার্কিন সেনারা সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং নিয়ন্ত্রণে নেয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, জাহাজের ভেতরে কী ধরণের পণ্য রয়েছে তা বর্তমানে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাহাজ দখলের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে।

    প্রভাব পড়েছে কূটনৈতিক টেবিলে

    এই ঘটনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে কূটনৈতিক টেবিলে। ইরানের সাথে দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পৌঁছেছিল। কিন্তু তেহরান দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতিতে কোনো আলোচনায় বসবে না। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদসংস্থার দাবি, ওয়াশিংটন এমন কিছু অবাস্তব দাবি করছে যা ইরানের পক্ষে মেনে নেওয়া অসম্ভব।

    যুদ্ধবিরতি ভাঙছে

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি শর্ত না মানে, তবে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো—যেমন সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র—লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। এর জবাবে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তাদের অসামরিক পরিকাঠামোয় হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলির বিদ্যুৎ ও জল পরিশোধন কেন্দ্রেও পাল্টা আঘাত হানা হবে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্পের ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে এখনও দুই দিন বাকি ছিল। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই মেয়াদ থাকার কথা থাকলেও তার আগেই রণংদেহি মেজাজে দুই দেশ। ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মহম্মদরেজা আরেফ স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, “ইরানের তেল রফতানিতে বাধা দিয়ে অন্য কেউ নিরাপদে থাকবে, এমনটা ভাবা উচিত নয়। হয় সবার জন্য তেলের বাজার উন্মুক্ত থাকবে, নয়তো নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে সকলকে মূল্য দিতে হবে।”

    ভারতীয় জাহাজ লক্ষ্য করেও গুলি

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচে অশান্ত হরমুজ প্রণালীও। আমেরিকা শর্ত লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ তুলে ফের হরমুজ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালী পার করার সময় হামলার শিকার হয়েছে দুটি ভারতীয় জাহাজও (Indian-Flagged Vessels Attacked)। অভিযোগ, ইরানের নৌবাহিনী ভারতীয় জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এই নিয়ে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতালিকে তলব করে বিদেশমন্ত্রক। ভারতীয় জাহাদের উপর হামলার বিরোধিতা করে ইরানকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। জাহাজের উপর এই হামলা ওমানের কাছে ঘটেছে। ব্রিটেন দাবি করে, ইরানের নৌবাহিনী ভারতীয় জাহাজে গুলিবর্ষণ করে। তবে জাহাজ দুটির কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনায় কেউ হতাহতও হননি। তবে ফিরে যেতে হয় জাহাজ দুটিকে।

    যুদ্ধের কারণে বিভ্রান্তি

    এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বিদেশমন্ত্রক। মহম্মদ ফাতালির সঙ্গে বৈঠক করেন বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি। গুলি চালানোর তীব্র প্রতিবাদ করেন। ভারতমুখী জাহাজকে নিরাপদে পাঠানোর বার্তা দেন। দুই ভারতীয় জাহাজে প্রায় ২ মিলিয়ন ব্যারেল ইরাকি তেল রয়েছে। সূত্রের খবর, ইরান জানিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে হরমুজ প্রণালীতে। ইরানের বিভিন্ন বাহিনী ও ইউনিট একে অপরের সঙ্গে পুরোপুরি সমন্বয় করতে না পারায় এমনটা ঘটছে। এই যুদ্ধের সময় এর আগে আমেরিকাও ভুলবশত নিজেদের জাহাজ কিংবা তার সহযোগীদের উপর গুলি চালিয়েছে।

  • Iran Speaker: ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিল ইরান, হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী বললেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার?

    Iran Speaker: ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিল ইরান, হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী বললেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন দাবি উড়িয়ে দিলেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফ (Iran Speaker)। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তিনি মিথ্যে প্রচার করার অভিযোগে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, “ওয়াশিংটনের এই বয়ান দিয়ে না জেতা যাবে যুদ্ধ, না সফল হবে আলোচনা।” গালিবাফ এই মর্মে সতর্ক করে দেন যে বিশ্বের অন্যতম (Hormuz Strait) গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণের পথ হরমুজ প্রণালী খোলা থাকবে না, যদি আমেরিকা ইরানের বন্দরগুলিতে তাদের নৌ-অবরোধ চালিয়ে যায়। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, প্রণালীর মাধ্যমে যে কোনও চলাচল এখন সম্পূর্ণভাবে ইরানের অনুমতি ও নির্ধারিত রুটের ওপর নির্ভর করবে। এ থেকে একটি জিনিস স্পষ্ট, তা হল চাপ অব্যাহত থাকলে তেহরান নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করতে প্রস্তুত।

    ইরানের বক্তব্য (Iran Speaker)

    ইরানের তরফে এই সতর্কবার্তা এসেছে এমন একটি সময়ে, যখন তেহরান নিজেই কিছুটা পরস্পরবিরোধী সংকেত দিচ্ছে। গালিবাফের মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান ঘোষণা করেছিল, বর্তমানে যে যুদ্ধবিরতি চলছে, সেই সময় প্রণালীটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ খোলা। যদিও সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘিচি বিশ্ববাজারকে শান্ত করার চেষ্টা করে বলেন, “ইরানের পূর্ব-অনুমোদিত রুট ধরে জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।” এদিকে, ওয়াশিংটন তাদের অবস্থানে অনড়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি বৃহত্তর চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নৌ- অবরোধ চলবে। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, আলোচনা একেবারে শেষ পর্যায়ে (Iran Speaker)। ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফের বোমা ফেলা শুরু করতে পারে।”

    ভিত্তিহীন দাবি, বলল ইরান

    অন্যদিকে, তেহরান (ইরানের রাজধানী) ট্রাম্পের বেশ কয়েকটি বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশেষ করে, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে—এমন দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানি আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন, এই ধরনের কোনও প্রস্তাব কখনও আলোচনার অংশই ছিল না। প্রসঙ্গত, এহেন অচলাবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে হরমুজ প্রণালী—একটি সরু কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যার মাধ্যমে বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ করা হয়। যদিও ইরান এটি ফের খোলার কথা ঘোষণা করেছে, তা সত্ত্বেও রয়ে গিয়েছে অনিশ্চয়তা। নিরাপত্তা নিয়ে স্পষ্ট নিশ্চয়তা না মেলায় হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল করছে সতর্কতা অবলম্বন করে (Hormuz Strait)।

    বিশ্লেষকদের মতে, কৌশলগতভাবে হরমুজ প্রণালী এখন শুধু একটি বাণিজ্য পথ নয়, এটি কার্যত একটি চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার, প্রায় প্রতিরোধমূলক অস্ত্রের মতো, যার মাধ্যমে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ ছাড়াই ইরান বিশ্ব অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে যে চিত্রটি সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত ভঙ্গুর। যদিও বাস্তবে পারস্পরিক অবিশ্বাস, সামরিক চাপ এবং তীব্রভাবে ভিন্ন বয়ানের দ্বারা পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রিত (Iran Speaker)।

  • Strait of Hormuz: আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি! হরমুজ প্রণালী খুলল ইরান, শান্তির দিকে নিয়ে যায় এমন প্রতিটি পদক্ষেপকে স্বাগত জানাল ভারত

    Strait of Hormuz: আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি! হরমুজ প্রণালী খুলল ইরান, শান্তির দিকে নিয়ে যায় এমন প্রতিটি পদক্ষেপকে স্বাগত জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) খুলে দিল ইরান। বৃহস্পতিবার ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দশদিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তারপরই শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। তবে, ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তেহরানের ওপর সবরকম নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখা হবে বলে জানিয়েছন ট্রাম্প। অন্যদিকে, ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে সম্প্রতি কার্যকর হওয়া ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত। শান্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যায় এমন প্রতিটি পদক্ষেপকেই তারা স্বাগত বার্তা নয়াদিল্লির।

    ইরানের ঘোষণা

    শুক্রবার ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (Abbas Araghchi) বলেন, “লেবাননে যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী সকল বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করা হল। যা ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা কর্তৃক পূর্ব ঘোষিত পথ ধরেই চালিত হবে।” এর ফলে সব বাণিজ্যিক জাহাজ এখন আবার স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবে। লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত জানায় তেহরান। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের জেরে মাসাধিক কাল যাবৎ অবরুদ্ধ ছিল হরমুজ প্রণালী। জ্বালানি সংকটে ভুগেছে গোটা পৃথিবী। তবে ‘বন্ধু’ ভারতকে আলাদা ‘ছাড়পত্র’ দিয়েছে তেহরান। এখনও পর্যন্ত ভারতের পতাকাবাহী মোট ৮টি জাহাজ হরমুজ পেরিয়েছে।

    ট্রাম্পের বার্তা

    ইরানের এই ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) সোশ্যাল মিডিয়ায় তেহরানকে ধন্যবাদ জানান। ট্রাম্প তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখে জানান,“ইরান এই মুহূর্তে ঘোষণা করল যে, হরমুজ় প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে। এবার জাহাজ পারাপার করতে পারবে। ধন্যবাদ।” তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ আপাতত বহাল থাকবে। ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হলেও ইরানের ক্ষেত্রে মার্কিন নৌ অবরোধ “পূর্ণ শক্তিতে” চালু থাকবে, যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান চুক্তি সম্পূর্ণ হয়। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে মার্কিন অবরোধ জারি থাকায় পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে এখনও সময় লাগতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের মত।

    ইরানের হুঁশিয়ারি

    ট্রাম্পের এই শর্ত শুনেই ক্ষুব্ধ ইরান। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের কালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, হরমুজ তাঁরা ফের বন্ধ করে দিতে পারেন। কালিবাফ সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘মার্কিন অবরোধ চললে হরমুজ প্রণালীও খোলা হবে না।’’ শান্তির আলোচনা নিয়ে ট্রাম্প একের পর এক ভুয়ো দাবি করে চলেছেন বলেও অভিযোগ করেন কালিবাফ। অন্য দিকে, ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হয়েছে বটে, কিন্তু সেখান দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলিকে তাদের সঙ্গে আলোচনা এবং সহযোগিতা করতে হবে। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও জানিয়েছে, ‘শত্রু দেশের’ রণতরী বা অন্য কোনও জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেওয়া হবে না। তাদের জন্য জলপথ বন্ধই রাখা হয়েছে।

    শান্তির পথে সকলকে স্বাগত ভারতের

    যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বিশ্বে বারবারই শান্তির পক্ষে সওয়াল করেছে ভারত। এবারও একই পথে হাঁটল নয়াদিল্লি। শুক্রবার সাপ্তাহিক সংবাদিক সম্মেলনে বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানাই। শান্তির পথে প্রতিটি পদক্ষেপকে আমরা স্বাগত জানাই।” হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করার জন্য ইজরায়েলের অনুরোধ এবং হামাসকে নিরস্ত্র করার বিষয়ে ভারতের নীতি সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “আমাদের একটি প্রক্রিয়া রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়ার অধীনেই এই বিষয়গুলো সমাধান করা হয়।” উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধের মাঝেই ইজরায়েল ও লেবাননের মধ্যে শান্তি বৈঠকের ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৩৪ বছর পর হতে চলেছে দু’দেশের ঐতিহাসিক এই বৈঠক। তার আগেই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই পদক্ষেপকে শান্তি প্রক্রিয়ায় প্রথম ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। যদিও এই সংঘাতে সরাসরি জড়িত ইজরায়েল বা হেজবোল্লার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও বিবৃতি আসেনি।

    জ্বালানি সংকট রুখতে সাহায্য ভারতের

    জ্বালানি সংকট নিয়ে এদিন দিল্লির তরফে বলা হয়, ভারত তার প্রতিবেশী দেশগুলোর অনুরোধ অনুযায়ী তাদের জ্বালানির চাহিদা মেটাতেও সহায়তা প্রদান করছে। রণধীর বলেন, “আমাদের বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশের কাছ থেকে জ্বালানি সম্পদ সরবরাহের অনুরোধ এসেছে। আমরা ইতোমধ্যেই অনেক দেশকে জ্বালানি সম্পদ সরবরাহ করছি। তবে, এটি আমাদের নিজেদের প্রয়োজন এবং এখানে আমাদের সম্পদের প্রাপ্যতা মাথায় রেখেই করা হচ্ছে।” জয়সওয়াল জানান, “আমরা মার্চ মাসে বাংলাদেশকে ২২,০০০ মেট্রিক টন হাই-স্পিড ডিজেল সরবরাহ করেছি। শ্রীলঙ্কার বিষয়ে বলতে গেলে, আমরা গত মাসে তাদের কাছে ৩৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম পণ্য পাঠিয়েছি। এক সপ্তাহ আগে আমাদের বিদেশমন্ত্রী মরিশাস সফর করেছেন। সে সময় এই বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং আমরা বর্তমানে মরিশাসের জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি, তেল ও গ্যাস সরবরাহের জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি সরকারি-পর্যায়ের চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছি।” বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, নেপাল ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান চুক্তি রয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন এবং নেপালের মধ্যে। এই চুক্তিগুলোর অধীনে নেপালকে পেট্রোলিয়াম পণ্য তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে। জয়সওয়াল বলেন, “প্রতিবেশী প্রথম নীতিকে প্রাধান্য দিয়ে একইভাবে, ভুটানের সঙ্গেও আমাদের একটি বোঝাপড়া ও অংশীদারিত্ব রয়েছে। আমরা তাদের জ্বালানি পণ্যও সরবরাহ করছি।”

  • Iran: ৪৭তম দিনে পড়ল ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, ক্ষোভ

    Iran: ৪৭তম দিনে পড়ল ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে ইরান (Iran)। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকসের মতে, ইরানে ইন্টারনেটের প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট (Digital Blackout) এখন ৪৭তম দিনে পড়ল, যেখানে সাধারণ জনগণ ১,১০৪ ঘণ্টা ধরে আন্তর্জাতিক সংযোগ ছাড়াই রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতেই নতুন করে শুরু হওয়া দেশীয় বিক্ষোভের পর ডিজিটাল অ্যাক্সেস ভেঙে পড়তে শুরু করে। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞাগুলি আরও কঠোর ও তীব্র হয়ে ওঠে।

    বিশাল তথ্যশূন্যতা (Iran)

    পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলি জানিয়েছে, এই দীর্ঘস্থায়ী বিঘ্ন লাখ লাখ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে এবং একটি বিশাল তথ্যশূন্যতা তৈরি করেছে। যদিও অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক আংশিকভাবে চালু রয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের বাধা দেশটিকে একটি ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক সংঘাত ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সময় কার্যত বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধ অবস্থা সাম্প্রতিক ইতিহাসে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল সেন্সরশিপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, যেখানে ১,১০৪ ঘণ্টার মাইলফলক সংযোগ সঙ্কটের তীব্রতা নির্দেশ করছে। এই অভ্যন্তরীণ ডিজিটাল নীরবতা একই সঙ্গে একটি গভীরতর কূটনৈতিক ও সামরিক সংঘাতের সঙ্গে মিলে গিয়েছে। বুধবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বিদেশি চাপ ও সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “ইসলামিক রিপাবলিকের ওপর বলপ্রয়োগের যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে।” এহেন মন্তব্যটি এসেছে যখন একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত সম্পূর্ণ বন্ধ করার লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে (Iran)।

    ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবর

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ-এর মতে, পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, “ইরান গঠনমূলক আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও জোরজবরদস্তির কাছে নতি স্বীকার করবে না।” ইসলামাবাদে প্রাথমিক আলোচনার অচলাবস্থার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার খবরের প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্যটি আসে। তিনি বলেন, “আমরা গঠনমূলক আলোচনার ওপর জোর দিচ্ছি, কিন্তু আত্মসমর্পণে বাধ্য হব না। ইরানের ওপর নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার যে কোনও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং জনগণ কখনওই তা মেনে নেবে না। ইরান যুদ্ধ চায় না (Digital Blackout)।”

    তেহরান-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও খারাপ

    প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্য বর্তমান পরিস্থিতিতে বেড়ে যাওয়া উত্তেজনার প্রতিফলন, বিশেষ করে আমেরিকা কর্তৃক ইরানের বন্দরগুলি অবরোধের সিদ্ধান্তের পর, যা তেহরান ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ককে আরও খারাপ করেছে (Iran)। পেজেশকিয়ান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বৈধতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং অসামরিক পরিকাঠামোর ওপর হামলার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর প্রশ্ন, “কার অনুমতিতে এবং কোন অপরাধের জন্য আমাদের দেশের ওপর এই আক্রমণ চালানো হয়েছে?” তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নীতির আলোকে অসামরিক মানুষ, শিশু, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং স্কুল-হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে হামলার কোনও যৌক্তিকতাই নেই।” তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান শান্তি চায়, তবে তার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনও বাহ্যিক চাপ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করবে। ৪৭তম দিনে ইরানের ১,১০৪ ঘণ্টার ডিজিটাল ব্ল্যাকআউট (Digital Blackout) আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে আরও তীব্র হয়েছে (Iran)।

    ইরানের বন্দরগুলিতে সফল অবরোধ

    এই প্রতিরোধ এখন একটি বৃহৎ সামরিক মোতায়েনের মুখে পড়েছে। একই দিনে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করে, ইরানের বন্দরগুলিতে পূর্ণ অবরোধ সফলভাবে কার্যকর হয়েছে। মার্কিন বাহিনী কৌশলগত জলপথ, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা ডিজিটাল ব্ল্যাকআউটের সঙ্গে মিশে গিয়েছে। এক বিবৃতিতে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানান, মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন বাহিনী ইরানের সমুদ্রপথে সব ধরনের বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, “মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী সামুদ্রিক আধিপত্য বজায় রাখার ফলে ইরানের বন্দরগুলি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থনীতি সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। অবরোধ শুরুর ৩৬ ঘণ্টারও কম সময়ে সমুদ্রপথে সব অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।”

    আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার জানিয়েছেন, এই অভিযানে ১০,০০০-এর বেশি মার্কিন সেনা সদস্য, নাবিক, মেরিন ও বিমানসেনা অংশ নিয়েছে, পাশাপাশি এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও বহু বিমান (Digital Blackout) মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আঞ্চলিক সঙ্কট চলাকালীন অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর থাকে (Iran)।

     

  • LPG: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে শুরু কালোবাজারি! আসছে ভুতুড়ে ডেলিভারির এসএমএসও

    LPG: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে শুরু কালোবাজারি! আসছে ভুতুড়ে ডেলিভারির এসএমএসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে কালোবাজারি! ভুতুড়ে ডেলিভারির (Ghost Deliveries) এসএমএসও হচ্ছে। প্রত্যাশিতভাবেই উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন বিভিন্ন রাজ্যের এলপিজি গ্রাহকরা।

    ভুতুড়ে কাণ্ড (LPG)

    দক্ষিণ দিল্লির একটি কলোনিতে একই বাড়ি, একই গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর—কিন্তু দুই তলায় দু’রকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী স্থানীয়রা। এক ব্যক্তি মঙ্গলবার রাতে গ্যাস বুক করে, পরের দিন দুপুরের মধ্যেই সিলিন্ডার ডেলিভারিও হয়। অথচ, নীচেরতলায় থাকা বছর বাহাত্তরের এক বৃদ্ধা তখন উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছিলেন। কারণ তাঁর বুকিং ব্লক হয়ে গিয়েছিল। তাঁর নামে একটি ভুয়ো ডেলিভারিও দেখানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধা ১২ মার্চ রিফিল বুক করেছিলেন, ডেলিভারি হয় ১৪ মার্চ। কিন্তু ২৩ মার্চ একটি এসএমএস পান তিনি। তাতে লেখা, তাঁর সিলিন্ডার ডেলিভারি হয়ে গিয়েছে। যদিও তিনি নতুন করে বুকিং করেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, শেষ ডেলিভারির ২৫ দিনের আগে নতুন বুকিং করা যায় না। ১৪ মার্চের পর ২৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি সিলিন্ডার বুক করতে পারছেন না, কারণ সিস্টেম তাঁকে ব্লক করছে। তাই মাত্র একটি সিলিন্ডার দিয়ে কোনওক্রমে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।

    সিলিন্ডার নিয়েও কালোবাজারি

    এই সমস্যা শুধু দিল্লির নয়, দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ একই সমস্যায় ভুগছেন। জানা গিয়েছে, একটি বড় অবৈধ এলপিজি বাজার দীর্ঘদিন ধরে চলছে ভারতে। কম দামে পাওয়া গৃহস্থালির সিলিন্ডার অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে রেস্তোরাঁ, রাস্তার দোকান এবং ছোটখাটো ব্যবসায়। ৫ কেজির সিলিন্ডার নিয়েও কালোবাজারি হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং সরবরাহ ঘাটতি এই অবৈধ ব্যবস্থার মুখোশ খুলে দিয়েছে। যার জেরে বাজেয়াপ্ত হয়েছে হাজার হাজার অবৈধ সিলিন্ডার। জানা গিয়েছে, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এবং ডেলিভারি এজেন্টরাই সবচেয়ে দুর্বল লিংক। সরকার ডিএসি DAC (Delivery Authentication Code) চালু করলেও, সেটি ওটিপি স্পুফিংয়ের মাধ্যমে পাশ কাটানো হচ্ছে বলে অভিযোগ (LPG)। প্রাক্তন এক কর্মী জানান, অনেক পরিবার তাদের পুরো কোটার এলপিজি ব্যবহার করে না। এই অব্যবহৃত সিলিন্ডারই কালোবাজারে বিক্রি হয় চড়া দরে (Ghost Deliveries)।

    কালোবাজারে সিলিন্ডারের দাম

    বর্তমানে একটি ১৪ কেজি সিলিন্ডার, যার সরকারি দাম ৯১৪ টাকার কাছাকাছি, কালোবাজারে সেটাই বিক্রি হচ্ছে ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ পর্যন্ত টাকায়। ডেলিভারি এজেন্টদের লাভ আগে যেখানে ছিল ২০০ টাকা, সেটাই এখন হচ্ছে সিলিন্ডার প্রতি ৪,০০০ টাকা। ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, এটি সিস্টেম গ্লিচ। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্য থেকে একই ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করে, এটি একটি বড় স্ক্যাম। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, বুকিং না করেই ডেলিভারি দেখানো হচ্ছে, সিলিন্ডার না পেয়েও “ডেলিভার্ড” এসএমএস আসছে। অভিযোগ করলে দেরিতে ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে।ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ডিস্ট্রিবিউটরদের এক সঙ্গে অনেক সিলিন্ডার (যেমন ৩৬০টি) ডেলিভারি দেখাতে হয়। অনেক সময় তাঁরা সিস্টেমে “ডেলিভার্ড” দেখিয়ে সিলিন্ডার পাঠিয়ে দেয় কালোবাজারে। এর ফলেই সৃষ্টি হয়েছে হরেককিসিমের কালোবাজারি। গ্রাহক সিলিন্ডার পান না, যদিও সিস্টেমে ডেলিভারি দেখায়, নয়া বুকিং ব্লক হয়ে যায় (LPG)।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার সমাধান করতে হলে বাড়াতে হবে সরকারি নজরদারি, ডিস্ট্রিবিউটরদের বিরুদ্ধে নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা, গ্রাহকদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা সহজ করা, ছোট ব্যবসা ও শ্রমিকদের বৈধ এলপিজি ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা। তাঁদের মতে, এতেই রোখা যাবে কালোবাজারি (Ghost Deliveries)।

     

  • US Team in Pakistan: পাকিস্তানে নামল মার্কিন বিমান, অচিরেই যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা!

    US Team in Pakistan: পাকিস্তানে নামল মার্কিন বিমান, অচিরেই যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধের জেরে যখন কার্যত জ্বলছে এশিয়ার একাংশ, বিশ্ববাসী নজর রাখছেন (US Team in Pakistan) এই জটিল যুদ্ধবিরতি আলোচনা প্রক্রিয়ার দিকে, তখন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য একটি মার্কিন বিমান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবতরণ (Hormuz Strait) করেছে। ইরানের প্রতিনিধি দল মধ্যরাতের পর সেখানে পৌঁছয়। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন পার্লামেন্টের স্পিকার এমবি গালিবাফ। মার্কিন দলে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার।

    ইরানি দলের বিমানের অবতরণ (US Team in Pakistan)

    গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার পর, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল ৮ এপ্রিল জানিয়েছিল, আলোচনা সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই আলোচনাকে ‘সিদ্ধান্তমূলক’ বা ‘সবকিছু নির্ধারণকারী’ বলে উল্লেখ করেন।ইরানি দলের বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করলে, তাদের চারপাশে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়, যার মধ্যে ছিল এডাব্লুএসিএস নজরদারি বিমান, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ বিমান এবং এমন যুদ্ধবিমান, যা তাঁদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত পৌঁছে দেয় (Hormuz Strait)।

    প্রতিনিধি দলে কারা

    ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের ক্যালিবাফের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি পৌঁছয় ইসলামাবাদে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব আলি আকবর আহমাদিয়ান, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের প্রধান আব্দোলনাসের হেম্মাতি এবং আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতা (US Team in Pakistan)। তাঁদের স্বাগত জানান পাকিস্তানের চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস আসিম মুনির, বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি। এই উপলক্ষে ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকার (যেখানে পার্লামেন্ট ভবন, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, বিলাসবহুল হোটেল, দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার অফিস রয়েছে) সব রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয় নিরাপত্তার জন্য (Hormuz Strait)।

    ইরানের ১০ দফা দাবি

    এই আলোচনার মূল বিষয় হল ইরানের ১০ দফা দাবি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায় একটি চুক্তি করতে, হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে এবং ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে (US Team in Pakistan)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনাকে ‘কার্যকর’ বলে উল্লেখ করেন। যদিও ইরান আমেরিকার ১৫ দফা প্রস্তাবকে ‘অত্যধিক কঠোর’ বলে অভিহিত করেছে। তারা পাল্টা ১০ দফা দাবি করেছে। ইরানের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, আগ্রাসন না করা, হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অনুমোদন, সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত বাতিল, ক্ষতিপূরণ দেওয়া, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ করা (Hormuz Strait)।

    আমেরিকার ১৫ দফা প্রস্তাব

    অন্যদিকে, আমেরিকার ১৫ দফার প্রস্তাবে রয়েছে, ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে, বর্তমানে মজুত আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করবে, সমস্ত পারমাণবিক কেন্দ্র পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেবে, হরমুজ প্রণালী ফের খোলা হবে, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে (US Team in Pakistan)। এই প্রস্তাবগুলির ইংরেজি ও ফার্সি সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য থাকায় খানিক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্প জানান, শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রহণযোগ্য শর্তগুলিই গোপন আলোচনায় বিবেচনা করা হবে। এদিকে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, যুদ্ধবিরতিকে তাঁরা স্বাগত জানালেও, লেবাননে হামলা বন্ধ হবে না। শুধু তা-ই নয়, হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করার অভিযানও চলবে। প্রসঙ্গত, এর আগে, দক্ষিণ লেবাননের মায়ফাদাউন শহরে একটি আবাসিক ভবনে ইজরায়েলি বিমান (Hormuz Strait) হামলায় তিনজন নিহত হন, ধ্বংস হয় ভবনটিও (US Team in Pakistan)।

     

  • Iran: লেবাননে ইজরায়েলি হামলা, ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান

    Iran: লেবাননে ইজরায়েলি হামলা, ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পর দু’সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। তার পরেই খুলে দেওয়া হয়েছিল হরমুজ প্রণালী। যদিও ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যেই ফের জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হল ওই প্রণালীতে। ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে। তাদের দাবি, লেবাননে হিজবুল্লাদের টার্গেট করে ইজরায়েল ১০০টি বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। ইজরায়েলের ওই হামলায় ২৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হোয়াইট হাউস ইরানকে অবিলম্বে প্রণালী খুলে দিতে বলেছে। যদিও হরমুজ প্রণালী বন্ধের আগে দু’টি জাহাজকে প্রণালী পার হতে দেওয়া হয়েছিল।

    লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয় (Iran)

    ইজরায়েলের মতে, লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয়, যদিও ইরান তা অস্বীকার করেছে। তেহরান বলেছে, যুদ্ধবিরতির আওতায় ইজরায়েলের পক্ষ থেকে হিজবুল্লাহ ও অন্যান্য ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ওপর হামলা-সহ সব ধরনের সংঘাত বন্ধ করতে হবে। এক শীর্ষ ইরানি আধিকারিক লেবাননের বিরুদ্ধে নৃশংস ইহুদি আগ্রাসনের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধের দাবি জানান। তিনি বলেন, “যুদ্ধবিরতি সবার জন্যই প্রযোজ্য হওয়া উচিত।” ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা তথা বিদেশনীতি কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজেই এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “লেবাননের বিরুদ্ধে নৃশংস জায়নিস্ট আগ্রাসনের জবাবে এখনই হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে হবে… লেবাননের মানুষ আমাদের জন্য প্রাণ দিয়েছে, আমরা তাদের এক মুহূর্তও একা ছেড়ে দিতে পারি না। যুদ্ধবিরতি হয় সব ফ্রন্টে হবে, নয়তো কোথাও নয়।” এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী ইরানকে প্রণালী খুলতে হবে। তবে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নীতিগতভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ইরানের নিয়ন্ত্রণ মেনে নিয়েছে।

    ইরানি আধিকারিকের বক্তব্য

    প্রবীণ এক ইরানি আধিকারিক জানান, ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা হওয়ার আগে বৃহস্পতি বা শুক্রবারের মধ্যে ইরান অবরোধ কিছুটা শিথিল করতে পারে, যদিও জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানের অনুমতি লাগবে। হরমুজ প্রণালী ইরান এবং ওমান-সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মধ্যে অবস্থিত একটি সঙ্কীর্ণ জলপথ। এটি পারস্য উপসাগরকে আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং বিশ্বের দৈনিক তেল এবং এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই হয় এই প্রণালী-পথে। এসবই ঘটে যখন ইজরায়েল লেবাননে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় হামলা চালায় এদিন, যদিও হিজবুল্লাহ উত্তর ইজরায়েলে আক্রমণ সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছিল এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তির মধ্যেই ছিল ইজরায়েলি বাহিনীও।

    বেইরুটে শক্তিশালী বিস্ফোরণ

    এদিন বেইরুটে শক্তিশালী বিস্ফোরণের জেরে শহর কেঁপে ওঠে, চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়ার মেঘ। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, তারা সংঘাতের সবচেয়ে বড় যৌথ হামলা চালিয়েছে, যেখানে বেইরুট, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননে ১০০টিরও বেশি হিজবুল্লাহ ঘাঁটি টার্গেট করা হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মতে, অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ৮০০ জনেরও বেশি জখম হয়েছেন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, “ইরানের ক্ষেত্রে ছ’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবাননে প্রযোজ্য নয়। তাই হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।” উল্লেখ্য, এটি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। কারণ শরিফ বলেছিলেন লেবাননও যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ হামলা জনবহুল এলাকায় হয়েছে বলে জানিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী।

    বর্বর আগ্রাসন

    এদিকে, হিজবুল্লাহ এই হামলাকে বর্বর আগ্রাসন বলে নিন্দে করেছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেন, “বৃহত্তর আঞ্চলিক শান্তি কাঠামোর মধ্যে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাব।” ইরানের ইসলামিক রিভলুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলকে সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে হামলা চললে তার জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, হিজবুল্লাহর কারণে লেবানন যুদ্ধবিরতির অংশ নয়। তিনি একে আলাদা সংঘর্ষ হিসেবে বর্ণনা করেন। যদিও তিনি বলেন বিষয়টি সমাধান করা হবে। হোয়াইট হাউসের তরফেও একই অবস্থানের কথা জানানো হয়েছে। ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযানে ১,৫০০-র বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩০-এরও বেশি শিশু ও ১০০-এরও বেশি নারী রয়েছে। উল্লেখ্য যে, হিজবুল্লাহ ইরানের সমর্থনে ইজরায়েলের দিকে রকেট ছোড়া শুরু করেছে।

     

LinkedIn
Share