Tag: Supreme court

Supreme court

  • Suvendu Adhikari: ‘বেলডাঙার পুনরাবৃত্তি নয়’, মালদার মঞ্চ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, এনআইএ তদন্তে আপত্তি প্রত্যাহার

    Suvendu Adhikari: ‘বেলডাঙার পুনরাবৃত্তি নয়’, মালদার মঞ্চ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, এনআইএ তদন্তে আপত্তি প্রত্যাহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার অশান্তির (Beldanga Violence) ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের আইনি টানাপড়েনে নয়া মোড়। বেলডাঙা হিংসার ঘটনায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএর তদন্তের বিরুদ্ধে আগের রাজ্য সরকারের করা আপত্তি বর্তমান সরকার (Suvendu Adhikari) প্রত্যাহার করে নেওয়ায় মামলার তদন্তে এনআইএর রাস্তা আরও (Beldanga Violence) মসৃণ হল। একই সময়ে মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে আইন-শৃঙ্খলা, সীমান্ত নিরাপত্তা, সামাজিক প্রকল্প এবং উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ভবিষ্যতে সামশেরগঞ্জ, মোথাবাড়ি বা বেলডাঙার মতো অশান্তির পুনরাবৃত্তি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

    এনআইএকে দিয়ে তদন্ত (Suvendu Adhikari)

    বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় আদালত জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে এনআইএকে দিয়ে তদন্ত করাতে পারে এবং প্রয়োজনে রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত সাহায্যও চাইতে পারে। হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। কার্যত নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। শীর্ষ আদালত এনআইএ তদন্তের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি। পরে কেস ডায়েরি এবং ধৃত অভিযুক্তদের হস্তান্তর নিয়েও রাজ্য পুলিশ এবং এনআইএর মধ্যে টানাপড়েন শুরু হলে আদালতের নির্দেশে সমস্ত নথি ও অভিযুক্তদের তুলে দেওয়া হয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে।

    বেলডাঙাকাণ্ড

    ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিধানসভা ভোটের আগে বেলডাঙায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। ভাঙচুর, রেল অবরোধ, জাতীয় সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার মতো ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জও করতে হয়। তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে মামলার তদন্তভার নেয় এনআইএ।

    শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠক

    এদিকে, মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক (Suvendu Adhikari) থেকে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ভবিষ্যতে সামশেরগঞ্জ, মোথাবাড়ি বা বেলডাঙার মতো অশান্তির পুনরাবৃত্তি কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বিএসএফ এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি নিজেও বিএসএফের আউটপোস্ট পরিদর্শনে যাবেন (Beldanga Violence)।

    সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প

    প্রশাসনিক বৈঠকে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রায় ৫০ লাখ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পৌঁছতে শুরু (Beldanga Violence) করেছে। বার্ধক্য ভাতা এবং বিধবা ভাতাও পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় স্থানান্তরের বিষয়েও ফের আশ্বাস দেওয়া হয়, যাতে রাজ্যের বাইরে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিকরাও স্বাস্থ্য পরিষেবার সুবিধা পান।

    প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির তৃণমূলের বিধায়ক-সাংসদ

    উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চাঁচল ও গাজোলকে পুরসভার আওতায় আনার উদ্যোগের কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথাও উঠে এসেছে বৈঠকে (Suvendu Adhikari)। যদিও চলতি বর্ষায় কাজ শুরু করা সম্ভব না হলেও আগামী বর্ষার আগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে প্রশাসন কাজ করবে বলেও জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলেও এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং দুই দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে একাধিক তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদের উপস্থিতি নজর কেড়েছে। বিশেষ করে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদেরও প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো এবং অতিরিক্ত আড়ম্বর এড়িয়ে ছিমছাম সরকারি বৈঠকের আয়োজন রাজনৈতিক মহলে নতুন বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Beldanga Violence)। গত কয়েক (Beldanga Violence) বছরের তুলনায় প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে এই পরিবর্তন নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা (Suvendu Adhikari)।

     

  • Supreme Court SIR Verdict: দেশজুড়ে এসআইআর-কে বৈধ ঘোষণা, নাগরিকত্ব যাচাই করতেই পারে নির্বাচন কমিশন, স্পষ্ট জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court SIR Verdict: দেশজুড়ে এসআইআর-কে বৈধ ঘোষণা, নাগরিকত্ব যাচাই করতেই পারে নির্বাচন কমিশন, স্পষ্ট জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ঐতিহাসিক রায়ে নির্বাচন কমিশনের (ECI) ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ সংক্ষেপে এসআইআর (SIR) বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এই উদ্যোগ সংবিধানের “স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন” নিশ্চিত করার মূল উদ্দেশ্যকে শক্তিশালী করে এবং নির্বাচন কমিশন তার সাংবিধানিক ক্ষমতার মধ্যেই থেকে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেয়। ২০২৫ সালের জুন মাসে দায়ের হওয়া একাধিক রিট পিটিশনের শুনানির পর এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। মামলাগুলিতে বিহারে শুরু হওয়া প্রথম দফার এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল।

    কী ছিল মামলাকারীদের অভিযোগ?

    আবেদনকারীদের দাবি ছিল, নির্বাচন কমিশন এই বিশেষ পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে কার্যত নাগরিকত্ব নির্ধারণকারী সংস্থার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, যাঁরা ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, তাঁদের আবার নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বাধ্য করা আইনের পরিপন্থী। মামলাকারীদের আরও অভিযোগ ছিল, এই প্রক্রিয়া সাধারণ ভোটারদের উপর অতিরিক্ত নথিপত্রের চাপ তৈরি করছে এবং বহু মানুষের ভোটাধিকার ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তবে সুপ্রিম কোর্ট এই সমস্ত যুক্তি খারিজ করে দেয়।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    রায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০-এর জনপ্রতিনিধি আইনের (Representation of the People Act) ২১(৩) ধারার অধীনে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পুনর্বিবেচনা চালানোর পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। আদালত পর্যবেক্ষণ করে, আইন যখন কমিশনকে “যে কোনও সময় বিশেষ পুনর্বিবেচনা” করার অনুমতি দিয়েছে, তখন শুধুমাত্র নিয়মিত পুনর্বিবেচনার প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে সম্পূর্ণ মিল না থাকার কারণে এসআইআরকে অবৈধ বলা যায় না। বেঞ্চের মতে, এই এসআইআর (SIR) কোনওভাবেই বিদ্যমান আইনকে প্রতিস্থাপন করছে না, বরং সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের মূল উদ্দেশ্যকে কার্যকর করছে।

    “ভোটার তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতা জরুরি”

    সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানায়, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন শুধুমাত্র ভোটগ্রহণের ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে ভোটার তালিকার নির্ভুলতা, স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতার উপর। আদালতের মতে, এই পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকার শুদ্ধিকরণ একটি প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক পদক্ষেপ। আদালত উল্লেখ করে, নির্বাচন কমিশন যে কারণগুলি দেখিয়ে এসআইআর (SIR) চালু করেছে, তা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত। যেমন—

    • ● চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশে পূর্ণাঙ্গ নিবিড় সংশোধন হয়নি
    • ● বছরের পর বছর ব্যাপক হারে নাম সংযোজন ও বিয়োজন হয়েছে
    • ● দ্রুত নগরায়ন ও অভ্যন্তরীণ অভিবাসনের ফলে ডুপ্লিকেট বা ভুল এন্ট্রির সম্ভাবনা বেড়েছে

    নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ক্ষমতা রয়েছে কমিশনের

    রায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল নাগরিকত্ব যাচাই প্রসঙ্গে আদালতের অবস্থান। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভোটার তালিকা প্রস্তুতি বা সংশোধনের সময় নির্বাচন কমিশন নাগরিকত্ব-সংক্রান্ত প্রশ্ন পরীক্ষা করতে পারে। তবে আদালত একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছে, কমিশনের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব শুধুমাত্র ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি বা বাদ পড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। অর্থাৎ, কাউকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া মানেই তাঁর ভারতীয় নাগরিকত্ব চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়ে যাওয়া নয়। শীর্ষ আদালত জানায়, নাগরিকত্ব সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নাগরিকত্ব আইন (Citizenship Act) অনুযায়ী নির্ধারিত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের হাতেই থাকবে।

    ভোটারদের নথি চাওয়া বৈধ

    সুপ্রিম কোর্ট আরও বলে, ভোটারদের কাছ থেকে নথি চাওয়া মানেই তাঁদের নাগরিকত্বের পূর্বধারণাকে অস্বীকার করা নয়। আদালতের মতে, এটি কেবলমাত্র একটি যাচাইকরণ প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কমিশন বিদ্যমান তথ্য পুনরায় নিশ্চিত করতে বা প্রয়োজন হলে সংশোধন করতে পারে।

    যাঁদের নাম বাদ, তাঁদের তালিকা কেন্দ্রকে পাঠানোর নির্দেশ

    রায়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে, যাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহের ভিত্তিতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের নাম চার সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঠাতে হবে।

    ইতিমধ্যেই দুই দফা সম্পন্ন

    নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই দেশের বহু অংশে এসআইআর সম্পন্ন করেছে।

    প্রথম দফা

    বিহার (সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ শেষ)

    দ্বিতীয় দফা

    এপ্রিল ২০২৬-এ সম্পন্ন হয়েছে নিম্নলিখিত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে—

    • ● ছত্তিশগড়
    • ● গোয়া
    • ● গুজরাট
    • ● কেরলম
    • ● মধ্যপ্রদেশ
    • ● রাজস্থান
    • ● তামিলনাড়ু
    • ● উত্তরপ্রদেশ
    • ● পশ্চিমবঙ্গ

    এছাড়াও—

    • ● আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ
    • ● লাক্ষাদ্বীপ
    • ● পুদুচেরি

    তৃতীয় দফার প্রস্তুতি

    নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই তৃতীয় দফার ঘোষণা করেছে। আগামী মাসগুলিতে ১৬টি রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই প্রক্রিয়া চালানো হবে। এর মধ্যে রয়েছে—

    • ● অন্ধ্রপ্রদেশ
    • ● কর্নাটক
    • ● তেলঙ্গানা

    তৃতীয় দফা সম্পূর্ণ হলে হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ বাদে গোটা দেশেই এসআইআর (SIR) কার্যকর হয়ে যাবে।

    রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক গুরুত্ব

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতের নির্বাচনী ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। একদিকে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতা আরও স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হল, অন্যদিকে ভোটার তালিকা সংশোধন ও নাগরিকত্ব যাচাই নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট গুরুত্বপূর্ণ দিশা দেখাল। তবে বিরোধী দল ও নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলির একাংশ এখনও আশঙ্কা প্রকাশ করছে যে, বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে বহু প্রকৃত নাগরিক হয়রানির শিকার হতে পারেন। ফলে আগামী দিনে এসআইআর (SIR)-এর বাস্তব কার্যকারিতা এবং তার প্রশাসনিক প্রয়োগ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: ওবিসি তালিকায় ‘জল’ কিনা, খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: ওবিসি তালিকায় ‘জল’ কিনা, খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলেছে জমানা। বদলে গিয়েছে শাসকের চেহারাও! বদলানো হচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত সদ্য প্রাক্তন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের নেওয়া একের পর এক তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তও (OBC Quota Row)। তৃণমূল সুপ্রিমোকে তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেই গোহারা হারিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন বিজেপির তুর্কি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার পরেই বাতিল করে দেওয়া হয়েছে মমতার সরকারের ওবিসি-নীতি।

    ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের কথা ঘোষণা (Suvendu Adhikari)

    মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য চালু থাকা ওবিসি সংরক্ষণ বাতিলের কথা ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। এবার ওবিসি তালিকায় জল মেশানো হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বিধায়কদের বিশেষ নির্দেশ দিলেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার ২৬ জন বিধায়ককে নিয়ে নবান্নে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিলিগুড়ি, পুরুলিয়া, বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলার বিধায়কদের ডাকা হয়েছিল ওই বৈঠকে। সেখানেই তৃণমূল আমলের ওবিসি তালিকা পুনর্বিবেচনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অভয়ার মা তথা পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথও। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী ওই বৈঠকে সাফ জানিয়ে দেন, নতুন করে ওবিসি তালিকা তৈরি করতে হবে। আগের সরকার যেভাবে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের তালিকা তৈরি করেছিল, এবার আর তা হবে না। যেসব সম্প্রদায় প্রকৃতই এই তালিকায় থাকার দাবিদার, তারাই যেন জায়গা পায়। এই কাজে বিধায়কদের দেওয়া তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসরণ

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো আগের সরকারের তৈরি ওবিসি তালিকা বাতিল করে দিয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। তাই ২০১০ সালে যে ৬৬টি সম্প্রদায় ওবিসি তালিকাভুক্ত ছিল, আপাতত তারাই ওই সুবিধা পাবে। পালাবদলের সরকার (Suvendu Adhikari) নতুন করে ওবিসি তালিকা তৈরি করবে। সূত্রের খবর, এ নিয়ে সমীক্ষার কাজ চলবে চার মাস ধরে। কাজ সরকারিভাবে হলেও, তদারকি করবেন বিধায়করা। এদিনের (OBC Quota Row) বৈঠকে এই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

    ওবিসি তালিকায় ‘জল’!

    বাম জমানার শেষ পর্বে এবং তৃণমূল সরকারের প্রথম পর্বে ২০১০ সালের মার্চ থেকে ২০১২ এর মে মাসের মধ্যে রাজ্যে ৭৭টি সম্প্রদায়কে ওবিসির তালিকাভুক্ত করা হয়। বাম জমানায় ৪২টি মুসলিম সম্প্রদায়কে ঠাঁই দেওয়া হয়েছিল ওবিসি তালিকায়। এই সম্প্রদায়গুলিকে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে মামলা দায়ের হয়। তৃণমূল ক্ষমতায় এসে আরও ৩৫টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে। ২০২৩ সালে ওবিসি সংরক্ষণ আইন জারি করে এই ৭৭টি সম্প্রদায়কে তালিকাভুক্ত করা হয় (Suvendu Adhikari)। এর ফলে মোট ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত গোষ্ঠীর সংখ্যা গিয়ে পৌঁছয় ১৭৯-তে। ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ৬৬টি সম্প্রদায়কে রেখে ১১৩টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত (OBC Quota Row) করার সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেই সেই মামলা প্রত্যাহার করে। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয় ৭৭টি সম্প্রদায়কে (Suvendu Adhikari)।

     

  • Supreme Court: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া উচিত নয় রাজ্য সরকারের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া উচিত নয় রাজ্য সরকারের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দেওয়া নিজেদের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই নির্দেশে বলা হয়েছিল, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা ও সরকারি বা সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানের আশপাশ থেকে পথকুকুর সরাতে হবে। বিভিন্ন আবেদন সত্ত্বেও আদালত এই রায়ে কোনও শিথিলতা বা পরিবর্তন আনতে অস্বীকার করে। আদালত আরও জানায়, রাজ্য সরকারের উচিত (Euthanasia) নয় জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া।

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ (Supreme Court)

    বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, লোকালয়ে দুর্বল ও অসহায় মানুষদের যে বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা বিচারব্যবস্থা উপেক্ষা করতে পারে না। আদালতের মন্তব্যে “যোগ্যতমের বেঁচে থাকা” (Survival of the Fittest) তত্ত্বের উল্লেখ করে বলা হয়, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মানবজীবন ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানো জলাতঙ্কগ্রস্ত, আরোগ্যহীন বা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক কুকুরদের ক্ষেত্রে আইনসম্মত সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া, প্রয়োজন হলে মৃত্যুও দিতে হবে।

    আদালতের বক্তব্য

    আদালত জানায়, ছোট শিশুদের কুকুরে কামড়েছে, প্রবীণ নাগরিকদের ওপর হামলা হয়েছে, এমনকি বিদেশি পর্যটকরাও আক্রান্ত হয়েছেন। মনে হচ্ছে চার্লস ডারউইনের “যোগ্যতমের বেঁচে থাকা” তত্ত্ব বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে। সরকারি পদক্ষেপের অভাবে শিশু ও বয়স্কদের নিজেদের বাঁচার লড়াইয়ে একা ছেড়ে দেওয়া যায় না। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব (Supreme Court)।

    ডগ বাইটের পরিসংখ্যান

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশজুড়ে পথকুকুরে কামড়ানোর ঘটনা বাড়ছে। রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে তিন মাসে ১,৪৮৩টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, উদয়পুরে ২০২৬ সালে ১,৭০০-র বেশি ঘটনা ঘটেছে। তামিলনাড়ুতে এ বছর ২,৪০,০০০টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে মার্চ মাসেই ঘটে ছিল ৭১,০০০টি ঘটনা এবং ৩৪ জনের মৃত্যুও হয়েছে। এই সমস্যা এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল জায়গায়ও পৌঁছে গিয়েছে, যেমন ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যেখানে টার্মিনাল এবং রানওয়েতেও পথকুকুর দেখা গিয়েছে। এটি জননিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর ব্যর্থতার প্রমাণ।

    শীর্ষ আদালতের সাফ কথা

    রাষ্ট্র নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। আদালতও এই কঠোর বাস্তবতা থেকে চোখ ফিরিয়ে রাখতে পারে না, যেখানে শিশু, আন্তর্জাতিক পর্যটক এবং প্রবীণ মানুষ কুকুরের কামড়ের শিকার হচ্ছেন। সংবিধান এমন সমাজ কল্পনা করে না, যেখানে শিশু ও বয়স্ক মানুষদের কেবল শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হবে। এছাড়া, কর্মীদের প্রশিক্ষণ, পশুচিকিৎসা পরিষেবা বৃদ্ধি, আশ্রয়কেন্দ্র শক্তিশালী করা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলির সমন্বয়ে টিকাকরণ অভিযান-সহ বিস্তৃত সক্ষমতা বৃদ্ধির পদক্ষেপও করতে হবে। আদালতের নির্দেশ (Euthanasia) বাস্তবায়নের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া পদক্ষেপের ক্ষেত্রে কোনও আধিকারিক বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে এফআইআর বা ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে না (Supreme Court)।

     

  • NEET UG 2026: নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানুন বিশদে

    NEET UG 2026: নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ (NEET UG 2026)-এর কথিত প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৩ মে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) পরিচালিত এই পরীক্ষায় বসেছিলেন ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী। “লিক-প্রুফ” পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, এনটিএ এমন একটি “গেস পেপার” রুখতে পারেনি, যার সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্রের (Sikar Coaching Hub) অনেক মিল ছিল। পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই হোয়াটস অ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে বিক্রি হচ্ছিল ওই গেস পেপার।

    “গেস পেপারে”ই কারিকুরি! (NEET UG 2026)

    কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয় তখন, যখন একটি হাতে লেখা “গেস পেপারে”র সঙ্গে আসল প্রশ্নপত্রের বিশেষ করে বায়োলজি ও কেমিস্ট্রির অংশের উল্লেখযোগ্য মিল দেখা যায়। প্রায় ৪১০টি প্রশ্ন-সহ একটি নোট, যার মধ্যে ২৮১টি প্রশ্নের সেট ছিল, তা হোয়াটস অ্যাপ ও টেলিগ্রাম গ্রুপে এবং কোচিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে রাজস্থানের সিকার ও উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে। সিবিআই তদন্তভার নেওয়ার আগে রাজস্থান পুলিশের এসওজি (SOG) দেখতে পায়, আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে গেস পেপারের ১২০–১৪০টি প্রশ্ন হুবহু এক। প্রায় ১৩৫টি প্রশ্ন মিলে যাওয়ায় মোট ৭২০ নম্বরের মধ্যে প্রায় ৬০০ নম্বর নিশ্চিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারণ প্রতিটি প্রশ্নের মান ৪ নম্বর।

    কীভাবে ছড়াল প্রশ্নপত্র?

    প্রশ্ন হল, কীভাবে ছড়াল প্রশ্নপত্র? জানা গিয়েছে, “প্রাইভেট মাফিয়া” (Private Mafia) নামের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে সদস্যপদ পেতে ৫,০০০ টাকা নেওয়া হত (NEET UG 2026)। সদস্যদের প্রশ্নপত্র শেয়ার করতে না বলা হলেও, সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ভরকেন্দ্র হতে পারে মহারাষ্ট্রের নাসিক। পরে নাসিক পুলিশ শুবহম খৈরনার নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তাকে তুলে দেওয়া হয় সিবিআইয়ের হাতে। কে এই শুবহম খৈরনার? জানা গিয়েছে, সে ভোপালের এক বিএএমএসের ছাত্র। পুণে থেকে প্রশ্নপত্র জোগাড় করে হার্ড কপি থেকে হোয়াটসঅ্যাপে সফট কপি ছড়ায়। ১০ লাখে প্রশ্ন কিনে সে ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ। সে গুরগাঁও-সহ বিভিন্ন জায়গায় প্রশ্নপত্র পাঠায়। সেখান থেকেই তা ছড়িয়ে পড়ে রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে (NEET UG 2026)। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের সিকার (যা এখন “মিনি-কোটা” নামে পরিচিত) এই কাণ্ডের মূল কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এখানে অসংখ্য নিট/জেইই (NEET/JEE) কোচিং সেন্টার, পিজি ও হস্টেল রয়েছে।

    এনটিএর ডিরেক্টরের দাবি

    তদন্তে জানা গিয়েছে, এমবিবিএস কাউন্সেলর রাকেশ মাণ্ডাওয়ারিয়া প্রশ্নপত্র বিক্রি করতেন ৩০,০০০ টাকায়। বিভিন্ন কোচিং নেটওয়ার্ক ও দালালরা এতে জড়িত ছিল। ২০২৪ সালের নিটে রেজাল্টেও সন্দেহের (Sikar Coaching Hub) কেন্দ্রে ছিল সিকার। ২০২৪ সালে ৬৫০-এর বেশি নম্বর পাওয়া পড়ুয়ার মধ্যে বিপুল সংখ্যক ছিল সিকার থেকে। ১৪৯ জন পরীক্ষার্থী ৭০০-এর বেশি নম্বর পেয়েছিল। এক ছাত্র পেয়েছিল পুরোপুরি ৭২০ নম্বরই। ১২ মে এনটিএ নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা বাতিল করে। জানিয়ে দেয়, ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে (NEET UG 2026)।এনটিএর ডিরেক্টর অভিষেক সিং বলেন, “সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হয়নি।” তবে তিনি স্বীকার করেন যে কিছু প্রশ্ন আগে থেকেই সার্কুলেটিং গেস পেপারে ছিল, যা পরীক্ষার বৈধতাই নষ্ট করেছে।

    গুচ্ছের প্রশ্ন

    এর পরেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ফেডারেল অফ অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোশিয়েশন। তাদের দাবি, এটিএকে পুনর্গঠন করতে হবে বা বদলে দিতে হবে, বিচারপতির তত্ত্বাবধানে নিতে হবে ফের পরীক্ষা, চালু করতে হবে কম্পিউটার-বেসড টেস্ট এবং প্রয়োগ করতে হবে ডিজিটাল লকিং সিস্টেম (NEET UG 2026)। প্রশ্ন হল, কীভাবে বাইলে এল প্রশ্নপত্র? ভেতরের কেউ জড়িত ছিল কি? প্রিন্টিং পর্যায় থেকেই কি ফাঁস হয়? কেন এখনও সিবিটি চালু করা হয়নি? কবে বন্ধ হবে প্রশ্নফাঁস–বাতিল–পুনঃপরীক্ষার চক্র (Sikar Coaching Hub)?

     

  • TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগণনা কর্মী ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের (TMC)। সেই পোড়া মুখ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শনিবারই দেশের শীর্ষ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে হয় শুনানি। সেখানেও মমতার দলকে মুখ পোড়াতে হয় ফের এক দফা।

    মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট (TMC)

    প্রসঙ্গত, গণনায় কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার কর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে? কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিল তৃণমূল। কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। তারপরই সটান সুপ্রিম কোর্টে যায় ঘাসফুল শিবির। সেই মামলার শুনানির জন্যই তৈরি হয় বিশেষ বেঞ্চ। মামলা শোনে বিচারপতি পিএস নরসিং ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। তৃণমূলের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলার শুরুতেই চারটি বিষয় তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যেই তুলে ধরা হয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ইস্যুটিও। তিনি বলেন, “সার্কুলারে বলা হয়েছে একজন রাজ্য সরকারি অফিসার থাকবে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করা হচ্ছে না।”

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন (TMC)। অপশন যখন আছে তখন আমরা কীভাবে বলি যে এই পদক্ষেপ নির্দেশিকা-বিরোধী? সার্কুলার অনুযায়ী দুজনেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে পারেন।” তিনি (Supreme Court) বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হয় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী, নয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী। যদি তারা একটা পুল থেকে নেয় তাহলে কখনওই অন্যায় নয়। অন্তত একজনকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতেই হবে।” পাল্টা সিব্বল বলেন, “অর্থাৎ একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারী হতে হবে।”

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কেন্দ্রই হোক বা রাজ্য দুজনকেই সরকারি কর্মচারী হতে হবে। কিন্তু সমানুপাতিক কিছু বলা হয়নি।” নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “রিটার্নিং অফিসার এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অফিসার। তিনি রাজ্য সরকারের কর্মচারী। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট থাকবে (TMC)। স্বাভাবিকভাবেই এদের আশঙ্কা সম্পূর্ণ অমূলক।” সওয়াল জবাব শেষে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশন ১৩ এপ্রিল যে নির্দেশ দিয়েছে (Supreme Court), সেই নির্দেশই বহাল থাকবে। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের আবেদন। প্রসঙ্গত, কমিশনের তরফে এদিন আদালতে জানানো হয়, গত ১৩ এপ্রিল তারা যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে। তাই আদালত অতিরিক্ত আর কোনও নির্দেশ দেয়নি। আপাতত আর কোনও নির্দেশের প্রয়োজনও নেই বলেই মনে করেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা (TMC)।

     

  • Supreme Court on Abortions: ‘আইন বদলান’, ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলাদের স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের বিষয়ে কেন্দ্রকে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court on Abortions: ‘আইন বদলান’, ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলাদের স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের বিষয়ে কেন্দ্রকে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও নাবালিকাকে গর্ভপাত না-করানোর জন্য জোর করা যায় না— বৃহস্পতিবার এক মামলার শুনানিতে এমনটাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের মন্তব্য, কেন্দ্রের উচিত আইন সংশোধন করা, যাতে ধর্ষণের শিকার হওয়া মহিলারা গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পরেও (বিশেষ ক্ষেত্রে ২৪ সপ্তাহ পরে) স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করানোর অনুমতি পান। চলতি মাসেই শুরুর দিকে ৩০ সপ্তাহের গর্ভাবস্থায় ১৫ বছর বয়সি এক কিশোরীকে গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। একজন ১৫ বছরের কিশোরীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

    গর্ভাবস্থার শেষের দিকে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়

    একজন অপ্রাপ্তবয়স্কের শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা নিঃসন্দেহে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কিন্তু গর্ভধারণ যখন সাত মাসে পৌঁছে যায়, তখন বিষয়টি কেবল চিকিৎসাবিজ্ঞানের নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে জটিল নৈতিক প্রশ্নও। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট একটি ১৫ বছরের কিশোরীকে ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, তাকে এই গর্ভধারণ চালিয়ে যেতে বাধ্য করা হলে তার মর্যাদা ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুতর ক্ষতি হতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কিশোরী তীব্র মানসিক চাপে ছিল, এমনকী আত্মহত্যার চেষ্টার কথাও উঠে এসেছে। এই রায় সংশ্লিষ্ট পরিবারকে স্বস্তি দিলেও, একসঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে এমন এক বাস্তবতা, গর্ভাবস্থার শেষের দিকে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কখনওই সহজ নয়।

    মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছে!”

    আদালতের ওই নির্দেশের পুনর্বিবেচনা করার জন্য আর্জি জানিয়েছিল এমস। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। এমসের ওই আর্জি নিয়ে প্রশ্ন তোলে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। গর্ভপাতের অনুমতি না দিলে ওই শিশুকে সারাজীবন সেই মানসিক ক্ষত বয়ে যেতে হবে। সে ক্ষেত্রে নাবালিকা মায়ের কোনও শারীরিক অক্ষমতা না থাকলে গর্ভপাত করানো উচিত বলেই মনে করছে আদালত। এমসের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্ট বলে, কেউ না চাইলে তাঁর উপর জোর করে গর্ভাবস্থা চাপিয়ে দেওয়া যায় না। বেঞ্চের মন্তব্য, “এক বার ভেবে দেখুন, সে তো এখনও ছোট। এখন তার পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকার কথা। অথচ আমরা তাকে জোর করে মা বানাতে চাইছি। ভাবুন তো এই গোটা প্রক্রিয়ায় নাবালিকা কী পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছে!”

    আইনেও সংশোধনী আনা দরকার

    স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করানোর জন্য আইনেও সংশোধনী আনা দরকার বলে মনে করছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। কেন্দ্রের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “দয়া করে আপনারা আইনটি সংশোধন করুন। ধর্ষণ বা এই ধরনের ঘটনায় কেউ অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ করলে স্বেচ্ছায় গর্ভপাতের জন্য যেন কোনও সময়সীমা না থাকে।” আইনের আরও প্রগতিশীল হওয়া এবং সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা দরকার বলে মনে করছে আদালত। কেন্দ্রের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, আইনকে এমন ভাবে সংশোধন করতে হবে যাতে এই ধরনের আবেদনগুলির এক সপ্তাহের মধ্যেই বিচার হয়ে যায়। এমস-কে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে এবং সঠিক কাউন্সেলিং করে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে ওই নাবালিকারই হবে, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাত কঠিন

    চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ৩১ সপ্তাহে গর্ভপাত আর সাধারণ অ্যাবরশন নয়। এই সময়ে ভ্রূণ অনেকটাই পরিণত হয় এবং মায়ের শরীরের বাইরে বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও তৈরি হয়। ফলে প্রক্রিয়াটি অনেকটা আগাম প্রসব (প্রিটার্ম ডেলিভারি)-এর মতো হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত এই পর্যায়ে গর্ভপাত করতে হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, সংক্রমণ, এমনকী অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়তে পারে। শারীরিক ঝুঁকির পাশাপাশি মানসিক অভিঘাতও কম নয়। অন্যদিকে ২৮ সপ্তাহের পর গর্ভপাত করলে অনেক ক্ষেত্রেই জীবিত শিশুর জন্ম হতে পারে, যাকে নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা (এনআইসিইউ)-এর সাহায্যে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। এখানেই তৈরি হয় আরেকটি জটিলতা, একদিকে মায়ের অধিকার ও সুস্থতা, অন্যদিকে ভ্রূণের সম্ভাব্য জীবন। এই দ্বন্দ্বের সমাধান নেই।

    কিশোরী মায়েদের ঝুঁকি বেশি

    ১৫ বছর বয়সে শরীর পুরোপুরি গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত থাকে না। তাই এ সময় গর্ভধারণে রক্তাল্পতা, উচ্চ রক্তচাপ, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া বা প্রসবজনিত জটিলতার ঝুঁকি বেশি থাকে। গর্ভপাত করালেও এই ঝুঁকিগুলো পুরোপুরি এড়ানো যায় না, বরং প্রক্রিয়ার ধরন অনুযায়ী নতুন জটিলতা যোগ হতে পারে। ১৫ বছরে গর্ভধারণ শুধু শারীরিক নয়, গভীর মানসিক চাপও তৈরি করে। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে থাকে ভয়, লজ্জা, সামাজিক চাপ এবং কখনও কখনও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা। এই পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক সহায়তাও অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়, যেখানে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ একসঙ্গে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন। তারা মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, গর্ভাবস্থার সময়কাল এবং ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন।

  • Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    Sabarimala Case: ‘মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না’, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্দিরের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করি না, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিরও উচিত নয় সরাসরি রাষ্ট্রের দ্বারা পরিচালিত (Sabarimala Case) হওয়া। সুপ্রিম কোর্টকে (SC) এমনই জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন্দ্রের বক্তব্য (Sabarimala Case)

    কেন্দ্রীয় সরকারের এই বক্তব্যটি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা নয়-সদস্যের সংবিধান বেঞ্চের সামনে উপস্থাপন করেন। এই বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি সূ্র্য কান্ত। বেঞ্চটি সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারা এবং ২৬ নম্বরের অধীনে রাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমা পরীক্ষা করছে, যা শবরীমালা রিভিউ পিটিশনস থেকে উদ্ভূত।

    কী বললেন সলিসিটর জেনারেল

    কেন্দ্রের অবস্থান ধর্মীয় স্বায়ত্তশাসন এবং ধর্মনিরপেক্ষ সিস্টেমের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্যের ওপর জোর দেয়। সরকার সাফ  জানিয়ে দিয়েছে, তারা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সরাসরি সরকারি পরিচালনার পক্ষে নয়। যদিও অনুচ্ছেদ ২৫(২) রাষ্ট্রকে আর্থিক ও রাজনৈতিক মতো ধর্মনিরপেক্ষ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অনুমতি দেয়, সরকার যুক্তি দেয় যে এটি চিরকালের জন্য মন্দির দখলের অনুমতি দেয় না। সলিসিটর জেনারেল আরও বলেন, “সংবিধানের ব্যাখ্যা সব ধর্মের জন্য সমান হওয়া উচিত এবং কোনও একক ধর্মের প্রথার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত নয়।” কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, অনেক হিন্দু প্রথা স্বভাবতই বহুমাত্রিক, যেখানে কিছু মন্দিরে রীতিনীতির ভিত্তিতে প্রবেশ সীমাবদ্ধ থাকে, এবং এই বৈচিত্র্য উপেক্ষা করে একরূপ কাঠামো চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করে (Sabarimala Case)।

    পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

    যদিও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে কথা বলা হয়েছে, বেঞ্চ সম্পূর্ণ স্বাধীনতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালতের মন্তব্য, সম্পূর্ণ বর্জনের অধিকার সমাজকে (SC) বিভক্ত করতে পারে এবং হিন্দু ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ক্ষুণ্ণ করতে পারে। বিচারপতি বিভি নাগারাথনার মন্তব্য, “সবারই প্রতিটি মন্দির ও মঠে প্রবেশাধিকার থাকতে হবে”। সামাজিক সংস্কার ও বৈষম্য প্রতিরোধে রাষ্ট্র অনুচ্ছেদ ২৫(২)(খ)-এর অধীনে হস্তক্ষেপ করতে পারে। সংশ্লিষ্ট রায়গুলিতে আদালত ধারাবাহিকভাবে বলেছে যে মন্দিরের অর্থ “দেবতার সম্পত্তি” এবং তা শুধুমাত্র মন্দিরের স্বার্থেই ব্যবহার করা উচিত, অন্য কোনও সরকারি ব্যয় বা বাণিজ্যিক কাজে নয়।

    বিতর্কিত বিষয়

    এই বিষয়টি এখনও বিতর্কিত। অনেকেরই যুক্তি, হিন্দু মন্দিরগুলিই একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা সরকারি নিয়ন্ত্রণের অধীনে, যেখানে মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বারগুলি সাধারণত স্বশাসিত। ভক্তরা প্রায়ই আপত্তি করেন যে মন্দিরের আয় ধর্মীয় কার্যকলাপের ক্রমের বদলে অন্যান্য সরকারি প্রকল্পে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আশঙ্কা রয়েছে যে সরকার নিযুক্ত প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান বা ভক্তি নাও থাকতে পারে (Sabarimala Case)। সমালোচকদের মতে, এই নিয়ন্ত্রণ মন্দির বোর্ডগুলোকে ‘রাজনৈতিক পার্কিং লটে’ পরিণত করতে পারে, যেখানে নিয়োগগুলি যোগ্যতার পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় হয় (SC)।

    এই বিতর্ক ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মন্দির পরিচালনায় ব্যাপক সরকারি অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে চলছে। কেরলের বিভিন্ন দেবস্বম বোর্ড প্রায় ৩,০০০ মন্দির পরিচালনা করে। তামিলনাড়ুতে হিন্দু ধর্মীয় ও দাতব্য এনডাউমেন্টস বিভাগ ৩০,০০০-এরও বেশি মন্দির পরিচালনা করে। অন্ধ্রপ্রদেশে তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমস তিরুপতি বালাজি মন্দির পরিচালনা (Sabarimala Case) করে। কর্নাটক ও উত্তরাখণ্ড-সহ অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কাঠামো রয়েছে।

     

  • Assembly Election 2026: “পরিযায়ীদের ঢল, ঐতিহাসিক নির্বাচন” বাংলার ভোটে সন্তোষ প্রকাশ শীর্ষ আদালতের

    Assembly Election 2026: “পরিযায়ীদের ঢল, ঐতিহাসিক নির্বাচন” বাংলার ভোটে সন্তোষ প্রকাশ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় প্রথম দফা ভোট (Assembly Election 2026) হিংসামুক্ত, শান্তিপূর্ণভাবে হওয়ায় আনন্দিত দেশের শীর্ষ আদালত। শুক্রবার এসআইআর সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির আগে এনিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (CJI Surya Kant)। তিনি বলেন, “একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বাংলায় ভোটদানের বেশি হার দেখে আমি খুবই খুশি।” প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের আরেক বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও এনিয়ে আনন্দিত। বাংলার নির্বাচন পর্বের প্রশংসা করেছেন সলিসিটর জেনারেল তথা কমিশনের আইনজীবী তুষার মেহতাও।

    বাংলার ভোট দেখে খুশি শীর্ষ আদালত

    শুক্রবার শুনানি শুরু হতেই রাজ্যের প্রথম দফা ভোট (West Bengal Assembly Election) নিয়ে আলোচনা করেন সকলে। রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এবার ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকরা এসেও ভোট দিয়েছেন।” তাতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, “কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি।” এরপরই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “একজন ভারতীয় নাগরিক হিসাবে ভোটদানের বেশি হার দেখে আমি খুবই খুশি। মানুষ যখন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তখন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে।” প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ভোটাররা যদি নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের শক্তি উপলব্ধি করতে পারেন, তবে তাঁরা হিংসায় জড়ান না। প্রথম দফার ভোট প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচীও মন্তব্য করেন, কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। একই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেন, “রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।” কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বঙ্গে প্রথম দফার ভোট নিয়ে মন্তব্য করেন, ৯২ শতাংশ ভোট পড়া ঐতিহাসিক। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ। তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেন।

    ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আপত্তি

    শুনানির ফাঁকে এক হালকা মুহূর্তও তৈরি হয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ৪ মে কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুকে নিজের বাড়িতে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। এ নিয়ে রসিকতা করে বিচারপতি বাগচি বলেন, আগে হলে তিনি নিজেই এই দায়িত্ব নিতেন। এসআইআর মামলার শুনানিতে এদিন মূলত ট্রাইব্যুনালের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৭ লক্ষ মামলার মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে, যা অত্যন্ত ধীরগতি। তিনি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানান। এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, যাঁদের নাম ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কলকাতা হাইকোর্ট-এর প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হতে পারেন। তিনি বলেন, আগের নির্দেশে বেশ কিছু বিষয় পরিষ্কার করা হয়েছে, তবে প্রয়োজনে জরুরি শুনানির জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা যেতে পারে।

  • Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    Supreme Courts: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত হলেন পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার, ২২শে এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্ট ভর্ৎসনা করে। চলতি বছরের শুরুতে কলকাতার একটি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থায় ইডি (Supreme Courts) পরিচালিত তল্লাশি অভিযানে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরে ভর্ৎসিত হন তিনি। বিচারপতি পিকে মিশ্র এবং এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, একজন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের আচরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আদালত স্পষ্ট করে দেয়, এটি কেন্দ্র বনাম রাজ্যের বিরোধ নয়, বরং একজন সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তির কাজ। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এটি রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে কোনও বিরোধ নয়। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের মাঝখানে ঢুকে পড়তে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়…।” বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এই ধরনের আচরণ গোটা গণতন্ত্রকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।”

    বিচারপতিদের বক্তব্য (Supreme Courts)

    বিচারপতিরা আরও বলেন, “বিআর আম্বেদকর এবং এইচএম সীরভাইয়ের মতো সাংবিধানিক চিন্তাবিদরাও এমন পরিস্থিতি কল্পনা করতে পারেননি।” শুনানির সময় বেঞ্চের মন্তব্য, “আপনি আমাদের সীরভাই, আম্বেদকর সম্পর্কে বলছেন, কিন্তু তাঁদের কেউই ভাবতে পারেননি যে একদিন কোনও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একটি অফিসে ঢুকে পড়বেন…।” আদালত সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে ইডির দায়ের করা আবেদনে এই হস্তক্ষেপের অভিযোগে সিবিআই তদন্তের দাবি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী মেনেকা গুরুস্বামীর যুক্তি, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় (Mamata Banerjee)।

    সাধারণ ঘটনা নয়

    তিনি বলেন, “আমি গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বলছি… এখানে কোনও অপরাধমূলক কাজ বা ভয় দেখানো হয়নি। তাই এত গুরুতর হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। যদিও আদালত এই যুক্তির সঙ্গে একমত হয়নি। তাদের বক্তব্য, প্রতিটি আইনি প্রশ্ন বড় বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না। প্রতিটি প্রশ্নেই কিছু আইনি দিক থাকবে। তাই বলে প্রতিটি ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের আবেদন ৫ বিচারপতির বেঞ্চে যাবে না (Supreme Courts)।” বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করে এবং বলে এটি কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। তারা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির উল্লেখ করে, যেখানে আধিকারিকদের বাধা দেওয়া হয়েছে, এবং জানায় যে, আদালত এসব উপেক্ষা করতে পারে না। আদালত বলে, “আমরা বাস্তবতা থেকে চোখ বন্ধ করতে পারি না… এটি রাম ও শ্যামের মধ্যে মামলা নয়। এটি এক অসাধারণ পরিস্থিতি, যেখানে বিষয়ের পরিধি সম্পূর্ণ আলাদা।”

    তল্লাশিতে বাধা

    এই মন্তব্যগুলি এসেছে প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরার যুক্তির প্রতিক্রিয়ায়, যেখানে তিনি বলেন, ইডি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে পারত। এদিকে, ৮ই জানুয়ারি, ২০২৬-এ ইডি আই-প্যাকের অফিস এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাসভবনে তল্লাশি চালায়। এই অভিযানটি ২০২০ সালের কয়লা পাচার কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের তদন্তের অংশ ছিল, যেখানে ব্যবসায়ী অনুপ মাজির নাম জড়িত (Mamata Banerjee)। তল্লাশির সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, টিএমসি নেতৃবৃন্দ এবং রাজ্য পুলিশ-সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযানে বাধা দেন। তাঁরা আধিকারিকদের সঙ্গে তর্ক করেন এবং নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেমন একটি ল্যাপটপ এবং একটি আইফোন সরিয়ে নেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তিনি দলীয় তথ্য বিজেপির হাতে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এই কাজ করেছিলেন (Supreme Courts)।

     

LinkedIn
Share