Tag: Supreme court

Supreme court

  • Abhishek Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম নির্দেশে অস্বস্তিতে অভিষেক

    Abhishek Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম নির্দেশে অস্বস্তিতে অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অস্বস্তি বাড়ল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়েছে যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের যে কোনও নির্দেশে হস্তক্ষেপ করবে না শীর্ষ আদালত। এদিন শীর্ষ আদালত জানায়, বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চ ও বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করবে না শীর্ষ আদালত। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি এসভিএন ভাট্টির ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) করা একটি আবেদনের শুনানি ছিল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের করা আবেদন এদিন খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত।

    অভিষেকের দাবি ঠিক কী ছিল? 

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এক্ষেত্রে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দাবি ছিল, হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ-এর নির্দেশগুলিতে তাঁর পরিবারের উপরেও প্রভাব পড়ছে। কারণ কম সময়ের ব্যবধানে তাঁকে ১০ বছরের নথি চাওয়া হচ্ছে। আদালত ইডির তদন্তে তদারকি করছে বলেও অভিযোগ আনেন তৃণমূল সাংসদ।

    চাপ ও অস্বস্তি দুটোই বাড়ল অভিষেকের

    এই পরিপ্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ জানায় যে অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। এর পাশাপাশি সিঙ্গেল বেঞ্চ যে এক্তিয়ারের মধ্যে থেকেই কাজ করছে সে কথাও বলে ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল, ‘‘সিঙ্গল বেঞ্চ নিজের এক্তিয়ার লঙ্ঘন করেনি। অভিষেক ওই কোম্পানিতে (লিপস অ্যান্ড বাউন্স) দু’বছর ডিরেক্টর ছিলেন। বর্তমানে অভিষেক কোম্পানির সিইও। তিনি এক জন সাংসদও। ফলে তথ্য এবং নথি প্রকাশ করলে তাতে অসুবিধার কিছু হবে না বলে মনে করে আদালত।’’ ডিভিশন বেঞ্চে তাঁর আবেদন খারিজ হলে অভিষেক (Abhishek Banerjee) দ্বারস্থ হন শীর্ষ আদালতে। শুক্রবার অভিষেকের আইনজীবী জানান, আদালতের নজরদারিতে তদন্ত করছে ইডি। সুপ্রিম কোর্ট এদিন তা খারিজ করে দেয়। এরফলে চাপ ও অস্বস্তি দুটোই বাড়ল অভিষেকের, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Patanjali: রোগ নিরাময়ের বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না করলে পতঞ্জলিকে জরিমানা, জানাল শীর্ষ আদালত

    Patanjali: রোগ নিরাময়ের বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না করলে পতঞ্জলিকে জরিমানা, জানাল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, বিভ্রান্তিকর ওষুধের বিজ্ঞাপনী প্রচার বন্ধ না করলে রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলিকে (Patanjali) জরিমানার মুখে পড়তে হবে। আইন অনুযায়ী, রোগ নিরাময়ের জন্য কোনও রকমের ওষুধের বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় না। এর জন্য ১৯৫৪ সালেই পাশ হয়েছিল The Drugs and Magic Remedies Act (Objectionable Advertisement)। এই আইন অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা দাবি করতে পারবে না যে তাদের কোম্পানির ওষুধ ব্যবহার করলে নির্দিষ্ট রোগ নিরাময় হবে। অথবা যে কোনও রকমের কালাজাদুর মাধ্যমে রোগনিরাময় হবে, এমন দাবিও বেআইনি।

    ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের শুনানি 

    প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের একটি আবেদনের শুনানি ছিল মঙ্গলবার। এখানে বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লাহ এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে যে, এই ধরনের বিজ্ঞাপনী প্রচার বন্ধ না করলে পতঞ্জলির (Patanjali) প্রতিটি পণ্যের উপরে ১ কোটি টাকা করে জরিমানা করা হবে। প্রসঙ্গত লকডাউনের সময় করোনিল কিট বাজারে এনেছিল পতঞ্জলি। রামদেবের সংস্থার দাবি ছিল, এই কিট ব্যবহারে করোনা থেকে রেহাই মিলবে। তখনও পতঞ্জলির (Patanjali) বিরুদ্ধে মিথ্যা বিজ্ঞাপনী প্রচারের অভিযোগ এনেছিল আইএমএ। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের দায়ের করা ওই পিটিশনে অভিযোগ আনা হয় যে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসাকে টার্গেট করে এবং ছোট করে রোগ নিরাময়ের বিষয়ে মিথ্যা দাবি করে পতঞ্জলি।

    মামলার পরবর্তী শুনানি ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

    সুপ্রিম কোর্ট এদিন আরও জানিয়েছে, সংবাদপত্রে অথবা যে কোনও টিভি চ্যানেলে অপ্রমাণিত এই জাতীয় বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে পতঞ্জলিকে (Patanjali)। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। শীর্ষ আদালত এদিন তাদের পর্যবেক্ষণে আরও জানিয়েছে যে তাঁরা এই মামলাটিকে আয়ুর্বেদিক বনাম অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ করতে চান না। বরং যে বিষয়ে পিটিশন দাখিল হয়েছে সেটারই সমাধান করতে চান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    RSS: তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের বিরোধিতা সত্ত্বেও ব্যাপক সফল সঙ্ঘের র‌্যালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৯তম প্রতিষ্ঠা বর্ষ চলছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS)। ঠিক এই সময়ে সন্ত রামালিঙ্গ স্বামীগালের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বামী বিবেকানন্দ এবং বি আর আম্বেদকরের ভাবাদর্শকে প্রচার করতে গত ১৯ নভেম্বর তামিলনাড়ুতে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুটমার্চ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের তামিলনাড়ু শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৫৫টি স্থানে এই রুট মার্চ সম্পন্ন হয়।

    আইনি লড়াইয়ে সম্পন্ন হল সঙ্ঘের রুচ মার্চ (RSS) 

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) রুটমার্চে অনুমতি প্রদান করেনি তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকার। মামলার জল গড়ায় মাদ্রাজ হাইকোর্ট পর্যন্ত। উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল যে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের রুটমার্চ অক্টোবর মাসের ২২ এবং ২৯ তারিখ সম্পন্ন করতে হবে। তবে ডিএমকে সরকার উচ্চ আদালতের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির হয়। সুপ্রিম নির্দেশে সঙ্ঘের রুটমার্চের দিনক্ষণ স্থির হয় ১৯ নভেম্বর। এই দিন সারা রাজ্যজুড়ে সঙ্ঘের শান্তিপূর্ণ এই রুটমার্চ যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে।

    জেলায় জেলায় রুট মার্চ (RSS) 

    চেন্নাইতে হাজারেরও বেশি সংখ্যায় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) ইউনিফর্মে রাস্তায় নামেন এবং রুটমার্চে অংশগ্রহণ করেন। চেন্নাই মহানগরে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিক্রম করে এই রুটমার্চ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দু’পাশে মানুষ জড়ো হয়েছিলেন সঙ্ঘের র‌্যালি দেখতে। এর পাশাপাশি মহিলারা দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই রুট মার্চকে স্বাগত জানাতে এবং তাঁরা স্বয়ংসেবকদের উপর পুষ্প বৃষ্টি করেন। বাজনার ধ্বনিতে, গেরুয়া পতাকা সহযোগে চলতে থাকে রুট মার্চ। চেন্নাইতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির ছিলেন এই পথ সঞ্চালনে। রুটমার্চ সম্পন্ন হয় চেন্নাই-এর বিবেকানন্দ স্কুলে। কারাকুডি জেলায় সঙ্ঘের র‌্যালি শুরু হয় মগর ননবাই থিডাল নামক স্থানে এবং সম্পন্ন হয় থিভার স্ট্যাচুতে। এই জেলায় ৪০০-এর বেশি স্বয়ংসেবককে রুট মার্চে হাঁটতে দেখা যায়। সামনে গৈরিক ধজ নিয়ে হাঁটছিলেন আইনজীবী অরুণ স্বামীনাথন। ত্রিপুর জেলায় র‌্যালি শুরু হয় আলাঙ্গাডু নটরাজ থিয়েটার থেকে এবং তা সম্পন্ন হয় চিল্লার নগরে। নীলগিরি জেলাতে র‌্যালি শুরু হয় পান্ডালুর এরুমাডু অঞ্চল থেকে। নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশাক। থাঞ্জাভুর জেলাতেও র‌্যালিতে ব্যাপক উন্মাদনা চোখে পড়ে। অন্যদিকে সালাম জেলা থেকেও র‌্যালিতে পাঁচশোর বেশি কার্যকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সালাম জেলারই ভাজাপাদি অঞ্চলে সঙ্ঘের তরুণদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ স্থানে সম্পন্ন হওয়া এই র‌্যালি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম নির্দেশে বিশেষ বেঞ্চ হাইকোর্টে, খুশি চাকরিপ্রার্থীরা

    Calcutta High Court: নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম নির্দেশে বিশেষ বেঞ্চ হাইকোর্টে, খুশি চাকরিপ্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো নিয়োগ-দুর্নীতির তদন্তে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবারই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) সূত্রে জানা গিয়েছে, বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সব্বার রশিদিকে নিয়ে এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। এখন থেকে নিয়োগ-দুর্নীতি মামলার সমস্ত শুনানি এই বেঞ্চে হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ইডি-সিবিআইকে সময়সীমা বেঁধে দিল শীর্ষ আদালত

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নিয়োগ-দুর্নীতির বিভিন্ন মামলায় চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়। এই সংক্রান্ত মামলাতেই গত ৯ নভেম্বর নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডিকে তদন্তের সময়সীমা বেঁধে দেয় শীর্ষ আদালত। আগামী দু’মাসের মধ্যে সিবিআই এবং ইডিকে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতিতে যে সমস্ত মামলাগুলি শীর্ষ আদালতে ছিল, সেগুলিকেও পুনরায় ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের কাছেই। সেই মামলাগুলো নতুন গঠিত ডিভিশন বেঞ্চেই উঠবে বলে জানা গিয়েছে।

    আশায় বুক বাঁধছেন চাকরিপ্রার্থীরা

    গত ১০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এই মামলাগুলিকে ফেরত পাঠিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। শীর্ষ আদালত সময়সীমা যেভাবে বেঁধে দিয়েছে, এবার সিবিআই এবং ইডি-র তদন্তে ব্যাপক গতি দেখা যাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। পুজোর ছুটির পরে গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাইকোর্ট খুলেছে। এদিকে আদালত বিশেষ বেঞ্চ গঠন করায় চাকরিপ্রার্থীরাও আশায় বুক বাঁধছেন। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে তাঁদের সঠিক বিচার মিলবে, এই আশাতেই  দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে বসে রয়েছেন তাঁরা। চাকরিপ্রার্থীদের মতে, আদালতের (Calcutta High Court) প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। সুবিচার থেকে আমরা বঞ্চিত হবো না।

     

    আরও পড়ুন: ১৯ বছর বয়সী পণবন্দি তরুণীকে হত্যা হামাসের, ট্যুইট করে জানাল ইজরায়েল

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Pollution: দূষণ কমাতে দিল্লিতে এখনই লাগু হচ্ছে না ‘জোড়-বিজোড় নীতি’, জানাল আপ সরকার

    Delhi Pollution: দূষণ কমাতে দিল্লিতে এখনই লাগু হচ্ছে না ‘জোড়-বিজোড় নীতি’, জানাল আপ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে জোড়-বিজোড় নীতি এখনই চালু করছে না আম আদমি পার্টি সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসনার পরেই পিছিয়ে আসতে বাধ্য হল আপ সরকার। শীর্ষ আদালত দিল্লির দূষণ সম্পর্কিত পর্যবেক্ষণে জানায়, জোড়-বিজোড় নীতি চালু হলে দূষণ (Delhi Pollution) মাত্র ১৩ শতাংশ কমবে। 

    এই জোড়-বিজোড় নীতি আসলে কী?

    জোড়-বিজোড় নীতি হল, জোড় সংখ্যার দিন রাস্তায় বের হবে কেবলমাত্র জোড় নম্বরের গাড়ি। আর বিজোড় সংখ্যার দিনে বিজোড়। কোনও গাড়ি জোড় না বিজোড়, তা ঠিক হবে গাড়ির নম্বরের শেষ সংখ্যার উপর। দিল্লি সরকার রাস্তায় গাড়ি চলাচল কমিয়ে দূষণ (Delhi Pollution) নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছে। দিল্লি দূষণ পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে এই নিয়ম লাগু হওয়ার কথা ছিল। তবে শুক্রবার দিল্লি সরকার জানিয়েছে, বাতাসের গুণগত মান যথেষ্ট বেড়েছে। তাই এখন আর জোড়-বিজোড় নীতি লাগু করছে না তারা।

    আরও পড়ুন: হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম! সভাপতি পদে এবিভিপির প্রার্থী মুসলিম ছাত্রী 

    দীপাবলির পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে 

    এর পাশাপাশি দিল্লি সরকারের আরও বিবৃতি দিয়েছে যে দীপাবলির পরেই বাতাসের গুণগত মান কেমন থাকে তা পর্যালোচনা করা হবে। তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জোড়-বিজোড় নীতি চালু করা উচিত কিনা। এ প্রসঙ্গে দিল্লির পরিবেশ মন্ত্রী গোপাল রাই বলেন, ‘‘রাতারাতি বৃষ্টির জেরে দিল্লির বাতাসের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা গুণমান উন্নত হয়েছে। এর ফলে ১৩ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত প্রস্তাবিত জোড়-বিজোড় গাড়ি রেশনিং পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ গোপাল রাইয়ের আরও সংযোজন, ‘‘দিল্লি সরকার দীপাবলির পরে বায়ুর গুণগত মানের পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করবে।’’ প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার থেকে দিল্লিতে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। আর এতেই কিছুটা হলেও দূষণ (Delhi Pollution) কমেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টি হলে বাতাসের গুণগত মান বাড়ে।

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মত জাভেদ আখতারের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘অপরাধী’ জনপ্রতিনিধিদের মামলা শুনতে বিশেষ বেঞ্চ গড়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘অপরাধী’ জনপ্রতিনিধিদের মামলা শুনতে বিশেষ বেঞ্চ গড়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, এমন সাংসদ-বিধায়কদের আজীবন নির্বাচনে লড়তে না দেওয়ার আর্জি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনও নির্দেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের তরফে এদিন জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের তরফে এ নিয়ে কোনও সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা তৈরি করা সম্ভব নয় এবং এই ধরনের মামলাগুলিকে দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দেশের হাইকোর্টগুলোকে সুপারিশ করা হয়েছে।

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানি ছিল ফৌজদারি মামলায় যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন সেই সমস্ত রাজনীতিবিদদের নির্বাচনের লড়ার অধিকার যেন বাতিল হয়, এই নিয়ে মামলার। এ নিয়ে শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা, বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “শীর্ষ আদালতের তরফে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি করা সম্ভব নয়। বিষয়টি হাইকোর্ট দেখছে।”

    ২০১৬ জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে

    ২০১৬ সালে জনৈক আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জনস্বার্থ মামলা করেন। তাঁর আর্জি ছিল, ফৌজদারি মামলায় যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন সেই সমস্ত সাংসদ এবং বিধায়কদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া থেকে আজীবন বিতাড়িত করা হোক। এক্ষেত্রে আইনজীবীর যুক্তি ছিল, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী ফৌজদারি মামলায় দুই বছর বা তার বেশি সময়ে সাজাপ্রাপ্ত সাংসদ বা বিধায়করা ৬ বছর নির্বাচনে লড়াই করতে পারেন না। এই নির্বাসন যাতে আজীবন করা হয় সেই দাবি জানিয়েছিলেন অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায়। শীর্ষ আদালতের তরফে এদিন হাইকোর্টগুলিকে বলা হয় সাংসদ এবং বিধায়কদের বিরুদ্ধে কত কেস চলছে এবং সেই মামলার বর্তমান অবস্থা কী রয়েছে, এ বিষয়ে ওয়েবসাইটে একটা আলাদা ট্যাব তৈরি করবে হাইকোর্ট। আবার, জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে যে ওঠা কোনও অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য স্পেশাল বেঞ্চ গঠন করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টগুলিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Firecrackers: দীপাবলি উদযাপনে আলোর বাজি কতখানি বিপজ্জনক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Firecrackers: দীপাবলি উদযাপনে আলোর বাজি কতখানি বিপজ্জনক? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শব্দবাজির তীব্রতা নিয়ে সরব নানা মহল। শব্দদূষণের পাশাপাশি হৃদরোগ, শ্রবণশক্তি হ্রাসের মতো একাধিক বিপদ বাড়ায় শব্দবাজি (Firecrackers)। কিন্তু আলোর বাজি! এ কি বিপদমুক্ত? বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছেন, বিপদ লুকিয়ে আছে আলোর বাজিতেও। বিশেষত শিশুদের জন্য বাড়তি বিপদ বাড়াচ্ছে এই আলোর বাজি। তাই চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, দীপাবলির উদযাপনে আলোর বাজিতে মাতলে বিপদ বাড়বে। সতর্কতা জরুরি।

    কী ধরনের বিপদ বাড়াচ্ছে আলোর বাজি? (Firecrackers)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আলোর বাজির ধোঁয়া আর রাসায়নিক শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। তাই আলোর বাজি একেবারেই বিপদমুক্ত নয়। বরং শীতের শুরুতে এই বাজির ব্যবহার পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের এই সময়ে ঋতু পরিবর্তন হয়। তাপমাত্রার অনেকটাই হেরফের হয়। এর ফলে, বাতাসে ধুলিকণার মাত্রা বাড়ে। এর জেরে এই সময়ে অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগেন। আবার অনেকর নানান রকম অ্যালার্জি হয়। আর আলোর বাজির ধোঁয়া বাতাসে সেই ধুলিকণার মাত্রা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে, শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে কয়েক গুণ (Firecrackers)। 
    ধোঁয়ার পাশপাশি আলোর বাজিতে যে সমস্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, তা শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করে। বিশেষত শিশুস্বাস্থ্যের জন্য এগুলো খুবই বিপজ্জনক বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, কিছু আলোর বাজি পুড়লে এক ধরনের সাদা ধোঁয়া আর আলো দেখা দেয়। এগুলোতে অ্যালুমিনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যাডমিয়ামের মতো রাসায়নিক পদার্থ থাকে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ম্যাগনেসিয়ামের প্রভাবে পাকস্থলীর মারাত্মক ক্ষতি হয়। ক্যাডমিয়ামের জেরে অ্যানিমিয়ার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। 
    আবার কিছু আলোর বাজিতে কমলা আলো দেখা দেয়। এই ধরনের বাজিতে লোহা ও বিভিন্ন ধরনের কার্বনেট যৌগ ব্যবহার করা হয়। নীল বা হলুদ আলোর বাজিতে অতিরিক্ত তামার ব্যবহার হয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, কমবেশি সব ধরনের বাজিতেই (Firecrackers) সীসা, নাইট্রিক যৌগের ব্যবহার হয়। যা খুবই বিপজ্জনক। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সীসার জেরে আজীবন চর্মরোগের শিকার হতে পারে শিশুরা। এছাড়াও, কিডনি, লিভার এবং চোখের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে সীসা। নাইট্রিক যৌগের প্রভাবে শরীরে একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে শিশুরা মানসিক অস্থিরতার সমস্যায় ভুগতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসক মহল।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা? (Firecrackers)

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, বছরের এই সময়ে খুবই সচেতনতা জরুরি। বিশেষত শিশুদের বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। বাতাসের ধুলিকণা আর বাড়তি বিপজ্জনক বিষ এড়াতে এই সময়ে মাস্ক ব্যবহার জরুরি। এতে ফুসফুস ও শ্বাসনালীর একাধিক সংক্রমণ এড়ানো সহজ হবে। বাজি পোড়ানোতেও লাগাম জরুরি। ছোটদের পাশপাশি অভিভাবকদেরও দূষণহীন দীপাবলির প্রয়োজনীয়তা বুঝতে হবে। তবেই সুস্থ থাকা সম্ভব বলে সাফ জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ২০১৪ সালের টেটে সব প্রার্থীকে ৬ নম্বর, হাইকোর্টের রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ২০১৪ সালের টেটে সব প্রার্থীকে ৬ নম্বর, হাইকোর্টের রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ছ’টি ভুল প্রশ্নের জন্য পরীক্ষার্থীদের ৬ নম্বর দিতে হবে। এবার সেই নির্দেশেই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টে এই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে পরবর্তীকালে প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থীদের একটা অংশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়। পরীক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকালই এই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বিচারপতি এএস বেপান্না এবং বিচারপতি পিএস নরসিমহার ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রথম মামলা দায়ের হয় ২০১৮ সালে

    ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষার এই মামলাটি উঠেছিল ২০১৮ সালে। তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নগুলিকে যাচাই করতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটি জানায় যে সেখানে ছয়টি প্রশ্ন ভুল রয়েছে। এরপরে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, ওই ভুল প্রশ্নের উত্তর যাঁরা দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেককেই নম্বর দিতে হবে।

    মামলার খুঁটিনাটি

    এরপরে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে  চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ ডিভিশন বেঞ্চে যায়। সেখানে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ২০১৪ সালে যারা টেট দিয়েছিলেন, সেই সকল প্রার্থীকে ৬ নম্বর দিতে হবে। পরবর্তীকালে একই নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান এই ৬ নম্বর পাওয়ার ফলে যাঁরা টেট উত্তীর্ণ হয়েছেন তাঁরাও এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়া অংশ নিতে পারবেন। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় বসেছিলেন প্রায় ২০ লাখ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাশ করেছিলেন ১ লাখ ২৫ হাজার জন। ২০১৪ সালের সকল প্রার্থীকে ৬ নম্বর দিতে হবে, এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয় চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। সেই মামলায় হাইকোর্টের রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ৪ মাস ধরে নিখোঁজ, অবশেষে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে আত্মসমর্পণ তৃণমূল যুব নেতার

    Jalpaiguri: ৪ মাস ধরে নিখোঁজ, অবশেষে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে আত্মসমর্পণ তৃণমূল যুব নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুব তৃণমূল (TMC) নেতার অবশেষে দেখা মিলল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। প্রায় চারমাস পর জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন যুব তৃণমূল সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার। যাঁরা আত্মহত্যা করেছেন তাঁরা হলেন, ডাবগ্রামের ফুলবাড়ি বিধানসভার বিজেপি বিধায়কের ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রী। বিজেপির অভিযোগ ছিল, আত্মহত্যার ঘটনায় ইন্ধন যুগিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। 

    Jalpaiguri জেলা বিচারক কি বললেন (TMC)?

    সূত্রে জানা গেছে, জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা বিচারক অরুণকিরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে, জেলার তৃণমূল (TMC) যুব সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে আদলাতে উপস্থিত হন। সৈকত বলেন যে তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন আর তাই তিনি বিচারকের কাছে গ্রফতার না করার জন্য বিশেষ রক্ষাকবচ চান। কিন্তু বিচারক স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে এই মামলা শোনার কোনও এক্তিয়ার বিচারকের নেই। জেলার সিজিএম আদালতে এই তৃণমূল নেতাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। কিন্তু বারংবার তৃণমূলের এই যুব সভাপতি আবেদন করলেও, বিচারক তাঁর আবেদনকে নাকচ করে দেন। উল্লেখ্য সিজিএম আদালত তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

    মামলা কী ছিল

    সূত্রে জানা গেছে, এই বছরে এপ্রিল মাসের প্রথম দিনেই জলপাইগুড়ির পাণ্ডাপাড়ার বাসিন্দা অপর্ণা ভট্টাচার্য এবং স্বামী সুবোধ ভট্টাচার্যের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এই দম্পতি আবার ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়ের ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রী। মৃত্যুর ঘটনার পর, জলপাইগুড়ি (jalpaiguri) কোতোয়ালি থানায়, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সৈকত চট্টোপাধ্যায় এবং আরও কিছু তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। উল্লেখ্য অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু ঘটনার পর থেকে সৈকতকে খুঁজে না পাওয়ায় গ্রেফতার পরোয়ানা জারি হয়।

    মামলা গড়ায় হাইকোর্টে-সুপ্রিমকোর্টে

    গত বেশ কয়েকমাস এই তৃণমূল (TMC) নেতার খোঁজ না মেলায়, মামলা গড়ায় হাইকোর্টে। এই যুবনেতা নিজে হাইকোর্টে আগাম জামিন জানিয়ে আবেদন করলে, আদলাত তা বাতিল করে দেন। পুলিশ নানান জায়গায় হানা দিয়েও সৈকতের কোনও খোঁজ খবর পায়নি। অবশেষে তাঁর নামে হুলিয়া জারি হয়। অপর দিকে যুবনেতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চে বিফল হলে, আবার আবেদন করেন সুপ্রিমকোর্টে। কিন্তু সেখানেও তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। অবশেষে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন। জলপাইগুড়ি (jalpaiguri) জেলা আদালতে আগামী ২৬ অক্টোবরের মধ্যে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিমকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত আবু তাহের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আত্মসমর্পণ করলেন

    Nandigram: ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত আবু তাহের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আত্মসমর্পণ করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় নাম জড়িয়েছিল নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা আবু তাহেরের। অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হলদিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁর নামে হুলিয়াও জারি হয়ে গিয়েছিল। এরই মাঝে গ্রেফতারি এড়াতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আবু তাহের (Nandigram)। সেখানেও মেলেনি রক্ষাকবজ। পরের সুপ্রিম কোর্টে যান ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত এই তৃণমূল নেতা। ভারতের সর্বোচ্চ আদালত তাঁকে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেয়। শনিবার আত্মসমর্পণ করেন আবু তাহের। জানা গিয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শনিবার দুপুর নাগাদ আবু তাহের (Nandigram) তাঁর পুত্র এবং আইনজীবীকে নিয়ে হলদিয়া কোর্টে আসেন।

    বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতিকে হত্যায় নাম জড়ায় আবু তাহেরের

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের (Nandigram) ফল প্রকাশের পরে রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ উঠে শাসকদলের বিরুদ্ধে। বহু বিজেপি কর্মী নিহত হন শাসক সন্ত্রাসে। ঘরছাড়া হন প্রায় লক্ষাধিক বিরোধী কর্মী। অবাধে রাজ্যজুড়ে লুট হতে থাকে একের পর বিজেপি কর্মীর বাড়ি। নন্দীগ্রামের চিল্লাগ্রামে বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতিকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেবব্রতকে ভর্তি করা হয় কলকাতার হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় নাম জড়ায় নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল নেতা আবু তাহেরের।

    মামলা দায়ের ৩০২ ধারায়

    ভোট পরবর্তী হিংসাযর তদন্তভার হাইকোর্টের নির্দেশ মতো সিবিআই গ্রহণ করে। সেই তদন্তে উঠে আসতে থাকে একের পর এক শাসকদলের নাম। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজেন্ট ছিলেন শেখ সুফিয়ান তাঁর নামও উঠে আসে। জানা গিয়েছে, সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে (Nandigram) ছিল আবু তাহেরের নাম। সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ তিনি এড়িয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু রেহাই মিলল না। শনিবারই আত্মসমর্পণ করতে হল তাঁকে। আবু তাহেরের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share