Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: ‘চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না’, তবে কারা পাবেন না, স্পষ্ট করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: ‘চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না’, তবে কারা পাবেন না, স্পষ্ট করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সকালে বঙ্গবাসীকে বিরাট সুখবর দিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী তথা ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাফ জানিয়ে দিলেন, রাজ্যে যে সব সামাজিক প্রকল্প চালু রয়েছে, তা বন্ধ হচ্ছে না। এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পরে একথা জানান (Existing Scheme) নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল সরকারের চালু করা প্রকল্পগুলির সুবিধা রাজ্যবাসী পাবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা ছড়াচ্ছিল রাজ্যে পালাবদলের পরেই।

    কী বললেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari)

    বঙ্গবাসীর সেই সংশয় দূর করে শুভেন্দু জানিয়ে দিলেন, রাজ্যবাসী আগে যে সব সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পেতেন, এখনও তা পাবেন। অবশ্য কারা পাবেন, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত বা ভারতীয় নন, এমন কেউ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হচ্ছে না। আগে চালু থাকা সমস্ত প্রকল্পই থাকবে। প্রচারের সময়েও আমরা বলেছি। সেটা ৩০ বছর আগের হতে পারে বা ১০ বছর আগের হতে পারে— কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘পোর্টালগুলি আপডেট করব। মোদি সরকারের চালু করা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে সুবিধা পাবেন সকলে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘সবটাই স্বচ্ছতার সঙ্গে হবে। অ-ভারতীয় বা মৃত কেউ এই সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।’’

    প্রকল্প বন্ধের ভয় দেখিয়েছিল তৃণমূল!

    সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে নবান্নের কুর্সি অটুট রাখতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল বার বার দাবি করেছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, ‘যুবসাথী’র মতো সব প্রকল্প বন্ধ করে দেবে (Suvendu Adhikari)। যদিও বিজেপিও প্রচার পর্বেই জানিয়ে দিয়েছিল, সেরকম হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ করে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। মহিলাদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্পে প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা দেওয়া হবে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মহিলারা অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সময়ে ২১ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য এবং ৬টি পুষ্টিকর সরঞ্জাম পাবেন। অবিবাহিত ছাত্রীদের স্নাতক স্তরে ভর্তির আগে এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তবে যাঁরা ভারতীয় নন, তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় অনুপ্রবেশকারীরা।

    শুভেন্দু জানান (Existing Scheme), প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, প্রধানমন্ত্রী কৃষক বিমা যোজনা, পিএম শ্রী, বিশ্বকর্মা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, উজ্জ্বলা যোজনা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সমস্ত আবেদন কেন্দ্রীয়মন্ত্রকে দ্রুত পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ডিএমদের (Suvendu Adhikari)।

     

  • CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা (Census) প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, অবিলম্বে কেন্দ্রের নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে এবং প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতিও শুরু হবে।

    মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    এই ঘোষণা করতে গিয়েই আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৬ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া-র দফতর থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছিল, যেখানে রাজ্যে আসন্ন জনগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু সেই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল সরকার সংবিধান এবং রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছিল, যাতে মহিলাদের সংরক্ষণ কার্যকর না হয়। আজ মন্ত্রিসভা অবিলম্বে ওই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছে।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই জনগণনা?

    ভারতে সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা হয়। শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। ২০২১ সালের জনগণনা কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে স্থগিত হয়ে যায়। এরপর এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে সেই প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।

    জনগণনা শুধুমাত্র জনসংখ্যা গণনার বিষয় নয়, এর উপর নির্ভর করে—

    • ● কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা
    • ● খাদ্য নিরাপত্তা ও রেশন বণ্টন
    • ● স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অবকাঠামো পরিকল্পনা
    • ● নগরায়ণ ও আবাসন নীতি
    • ● ভবিষ্যতের নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation)
    • ● মহিলাদের সংরক্ষণ ইস্যুতে রাজনৈতিক তাৎপর্য
    • ● বিরোধী রাজ্যগুলি এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে!

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই সিদ্ধান্তকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে নয়, রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও তুলে ধরতে চাইছে নতুন সরকার। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হওয়া নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম অনুযায়ী লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে হলে নতুন জনগণনা এবং পরবর্তী ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া জরুরি। এই কারণেই জনগণনা বিলম্বিত হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছিল। বিজেপির অভিযোগ, বিরোধী শাসিত কিছু রাজ্য পরোক্ষে এই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছে।

    কী কী প্রস্তুতি শুরু হবে?

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর জেলাশাসক, ব্লক প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় শুরু করবে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে যে কাজগুলি শুরু হতে পারে—

    • ● প্রশাসনিক সীমানা ও ওয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্য আপডেট
    • ● বাড়ি তালিকাকরণ (House Listing)
    • ● তথ্য সংগ্রহের জন্য ফিল্ড স্টাফ ও এনুমেরেটর প্রস্তুতি
    • ● ডিজিটাল ডেটা সংগ্রহের অবকাঠামো গড়ে তোলা
    • ● জেলা ও পুরসভা স্তরে সমন্বয় বৈঠক

    রাজ্য প্রশাসনের একাংশ জানিয়েছে, ক্যাবিনেট অনুমোদনের পর থেকেই বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে।

    নতুন সরকারের প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বিজেপি সরকারের এটি অন্যতম প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। সরকার ইতিমধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু এবং কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় বাড়ানোর মতো বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল জনগণনা। নতুন সরকার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা কেন্দ্রের নীতি ও প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের সঙ্গে দ্রুত সামঞ্জস্য স্থাপন করছে।

    এখনও স্পষ্ট নয় সময়সূচি

    যদিও জনগণনা শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি।

    এখনও জানা যায়নি—

    • ● বাড়ি তালিকাকরণ কবে শুরু হবে
    • ● মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কবে হবে
    • ● জনগণনা প্রক্রিয়া শেষ করতে কত সময় লাগবে

    তবে সরকারি সূত্রের দাবি, কেন্দ্রের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয়ের পর বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্য সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে বেড়ে গেল ৫ বছর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Suvendu Adhikari: রাজ্য সরকারি চাকরির আবেদনের জন্য বয়সের ঊর্ধ্বসীমা এক লাফে বেড়ে গেল ৫ বছর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির দিন শেষ। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিরাট ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জানিয়ে দিলেন, বাড়ানো হচ্ছে সরকারি চাকরির (Government Job Age Limit) জন্য আবেদনের বয়সসীমা। গত এক দশকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থবিরতা এবং পূর্বতন সরকারের আমলে হওয়া নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যাঁদের চাকরির বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫ বছর বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার, নবান্নে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের আরও ৫ মন্ত্রী। দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু ও নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে কথা বলে সাংবাদিকদের মন্ত্রিসভায় গৃহীত ৬ সিদ্ধান্তের কথা জানান শুভেন্দু।

    কেন বয়স সীমায় ছাড় দেওয়া হল

    প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “২০১৫ সালের পর বাংলায় কোনও নিয়োগ হয়নি। সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়ানো হল।” ২০১৫ সালের পর থেকে রাজ্যে বড় মাপের কোনও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এর ওপর পূর্বতন সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতির জেরে হাজার হাজার যোগ্য প্রার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। দিনের পর দিন আইনি লড়াই এবং রাজপথে আন্দোলনের ফলে অনেক প্রার্থীরই সরকারি চাকরিতে বসার নির্ধারিত বয়স পেরিয়ে গিয়েছিল। এই ‘বয়স ফুরিয়ে যাওয়া’ প্রার্থীদের কথা চিন্তা করেই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার কথা ক্ষমতায় আসার আগেই বলে রেখেছিল বিজেপি।

    আমিত্ব নয়, আমরা নীতিতে চলবে সরকার

    বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, “চাকরি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য এই বাংলায় যুবক যুবতীদের বয়স পেরিয়ে গিয়েছে। এতে ওদের কোনও দোষ নেই। বিজেপি সরকার হলে যুবক যুবতীদের আবেদনের বয়সের ৫ বছরের ছাড় দেওয়া হবে।” সেই কথামতোই কাজ করা হল। সরকারের এই পদক্ষেপে খুশির হাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের মদ্যে। আন্দোলনকারীদের মতে, নিয়োগ দুর্নীতির কারণে যে সময় নষ্ট হয়েছে, এই ৫ বছরের ছাড় তা কিছুটা হলেও পূরণ করতে পারবে। এনিয়ে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের মুখ চিন্ময় মণ্ডল বলেন, “১০-১২ বছর ধরে যাঁরা চাকরির পরীক্ষাতেই বসতে পারেননি, তার মধ্যে তো দুর্নীতি ছিল, সঙ্গে সরকারের এতো টালবাহানা। তাঁদের কাছে নিঃসন্দেহে এটা বড় খবর।” এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমিত্ব নয়, আমরা নীতিতে চলবে এই সরকার। সংবিধান, নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়েই চলবে সরকার।”

  • NIA: মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র বড় পদক্ষেপ, কালিয়াচকের দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    NIA: মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র বড় পদক্ষেপ, কালিয়াচকের দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    মাধ্যাম নিউজ ডেস্ক: মালদার মোথাবাড়ি ও সুজাপুর এলাকায় সাম্প্রতিক হিংসাত্মক আক্রমণ এবং গোলমালের ঘটনায় এবার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় কালিয়াচক-১ (Kaliachak Mothabari Case) নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সারিউল শেখ এবং সুজাপুর অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি ইউসুফ শেখ-কে গ্রেফতার করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই জোড়া গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    তদন্তের গতিপ্রকৃতি ও জিজ্ঞাসাবাদ (NIA)

    এনআইএ (NIA) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনার ঠিক প্রাক্কালে সুজাপুর বিধানসভার প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুর রহমান এবং ব্লক সভাপতি সারিউল শেখসহ মোট ৯ জন নেতাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকায় শুরুতে তাঁরা হাজিরা এড়িয়ে গেলেও, পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তলবে সাড়া দিতে বাধ্য হন। এরপর হাজিরা দিতে গেলেই তথ্য়ে গোলমাল ঘটলে গ্রেফতার করা হয়। গত বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের সময় সারিউল ও ইউসুফের (Kaliachak Mothabari Case)  মোবাইল ফোন দুটি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। এরপর শুক্রবার পুনরায় তাঁদের ডেকে পাঠিয়ে ম্যারাথন জেরা করা হয়। বয়ানে অসঙ্গতি মেলায় শেষ পর্যন্ত তাঁদের হেফাজতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এনআইএ।

    অভিযোগের নেপথ্যে

    তদন্তকারীদের (NIA) দাবি, মোথাবাড়িতে বিচারকদের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং সুজাপুর হাসপাতালের নিকটবর্তী জাতীয় সড়ক অবরোধের ঘটনায় এই দুই নেতার প্রত্যক্ষ উস্কানি ও যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। উল্লেখ্য, ধৃত ইউসুফ শেখ সুজাপুর হাসপাতালের সংলগ্ন একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের মালিক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, নিজের প্রতিষ্ঠানের সামনেই সেই দিন জনতাকে সংগঠিত করে বড়সড় আন্দোলনের রূপ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে জাতীয় সড়কের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একযোগে অবরোধের পিছনে আরও বড়সড় সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থাকতে পারে। তাই তদন্তে এই সমস্ত বিষয়গুলিকেও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

    ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ

    কালিয়াচকে (Kaliachak Mothabari Case) এনআইএ-র (NIA) এই অভিযান এখানেই শেষ হচ্ছে না বলে ইঙ্গিত মিলেছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মোথাবাড়ি ও সুজাপুর কাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে শাসকদলের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতার নামও বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থার নজরে রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিনে এই এলাকায় আরও কিছু প্রভাবশালীর গ্রেফতারির সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে। বর্তমানে এই দুই ধৃত নেতাকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার মূল ষড়যন্ত্রকারী এবং বাকি সদস্যদের হদিস পাওয়ার চেষ্টা করছে এনআইএ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: সরকারি চাকরির বয়স ৫ বছর বৃদ্ধি, আয়ুষ্মান ভারত চালু, বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, প্রথম দিনেই ৬ সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    Suvendu Adhikari: সরকারি চাকরির বয়স ৫ বছর বৃদ্ধি, আয়ুষ্মান ভারত চালু, বিএসএফকে জমি হস্তান্তর, প্রথম দিনেই ৬ সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে থেকে চলতে থাকা কোনও সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প বন্ধ হচ্ছে না। চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারত-সহ সব কেন্দ্রীয় স্কিম, নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, আগে চালু থাকা সমস্ত প্রকল্প থাকবে। তবে অভারতীয় বা মৃত কেউ এই সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে জানান তিনি।

    নবান্নে শুভেন্দুর প্রথম দিন

    সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ নবান্নে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপর তাঁকে ভিআইপি করিডরে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। ১০-১৫ মিনিটের গার্ড অফ অনার দেওয়ার অনুষ্ঠান হয়। কলকাতা পুলিশের টিম, কলকাতা পুলিশের ব্যান্ড গার্ড অফ অনার দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। এরপর সোজা ১৪ তলায় পৌঁছন তিনি। নবান্নে রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। ১৪ তলার একটি কনফারেন্স রুমে গিয়ে ৫ মন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক সারেন। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং মন্ত্রী পদে শপথ নেওয়া ৫ জন— অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু, নিশীথ প্রামাণিক এবং দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও, এই বৈঠকে হাজির ছিলেন বেশ কিছু দফতরের আধিকারিকরাও। এর পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন, জানান ৬ সিদ্ধান্তের কথা ।

    প্রথম মন্ত্রিসভায় ৬ সিদ্ধান্ত

    মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক শুভেন্দু অধিকারীর। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলি হল—

    ● বিজেপির নিহত কর্মীদের পাশে সরকার

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির অকালে ঝরে যাওয়া ৩২১ জনকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছি, সমবেদনা জানিয়েছি। তাদের পরিবারের প্রতি এই সরকার দায়বদ্ধ। হত্যার বিচার চান তাঁরা। তা আমরা দেব। আত্ম বলিদানকারী বিজেপি কর্মীর পরিবারগুলির দায়িত্ব আমাদের। তাঁদের পরিবারের সামাজিক এবং অন্যান্য কল‍্যাণমূলক দায়িত্ব আমরা নিলাম।”

    ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর

    সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ এবং নিরাপত্তা পরিকাঠামো তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। প্রথম দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং বিএসএফ-কে আমরা জমি হস্তান্তরে অনুমোদন দিলাম। ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হল। ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে প্রয়োজনীয় জমি তুলে দেওয়া হবে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ

    ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পে যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বড় ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গ আয়ুষ্মান ভারত ( Ayushman Bharat ) প্রকল্পে যুক্ত হল। পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (Pradhan Mantri Jan Arogya Yojana), প্রধানমন্ত্রী কৃষক বিমা যোজনা (Pradhan Mantri Kisan Bima Yojana), পিএম বিশ্বকর্মা (PM Vishwakarma), বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও (Beti Bachao Beti Padhao), পিএম উজ্জ্বলা (PM Ujjwala) যোজনা সহ কেন্দ্রীয় সমস্ত প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত হল রাজ্য।

    মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, বিভিন্ন গ্রাহক বিতরণ কেন্দ্র এবং প্রশাসনিক স্তরে বহু আবেদন দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, “রাজনৈতিক কারণে প্রচুর আবেদন ফেলে রেখেছিলেন জেলা শাসকরা।” তিনি জানান, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে সেই সমস্ত আবেদন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, উজ্জ্বলা প্রকল্পের আওতায় ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদন করেছিলেন। সেগুলি আগের সরকার কেন্দ্রীয় সরকারে পাঠাতে দেননি। আজ সেই আবেদন গুলি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আইএএস-আইপিএসদের প্রশিক্ষণ

    প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু জানান, প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে আইএএস আধিকারিকদের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তিনি বলেন, এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকরাও দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতো কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, “আগের মুখ্যমন্ত্রীর অলিখিত নির্দেশে আইএএস, আইপিএস-রা প্রশিক্ষণ নিতে পারতেন না।” এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব মুখ্যসচিবকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বঙ্গে চালু হল বিএনএস

    আজ থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বা বিএনএস-এ যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এতদিন সংবিধান অগ্রাহ্য করে অত্যন্ত অবৈধ ভাবে আগের আইপিসি, সিআরপিসি চলছিল। আজ থেকে বিএনএস-এ যুক্ত হল পশ্চিমবঙ্গ।

    সরকারি চাকরিতে ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি

    সরকারি চাকরি পাওয়ার বয়স পাঁচ বছর বৃদ্ধি করল রাজ্যের বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি বলেছিলেন, ২০১৫ সালের পর রাজ্যে সরকারি চাকরিতে কোনও নিয়োগ হয়নি। তাই প্রচুর শিক্ষিত যুবক-যুবতীর বয়স চলে গিয়েছে। সে কথা মাথায় রেখে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়ঃসীমা পাঁচ বছর বৃদ্ধি করা হল।”

    একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, জনগণনার কাজ আজ থেকে শুরু করল রাজ্য। কেন্দ্রের নির্দেশ এখন থেকেই কার্যকর। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক। তিনি বলেন, “পরবর্তী সোমবার আমরা মন্ত্রিসভার আরও একটি বৈঠক করব। আরজি কর-সহ নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন, মহার্ঘ্য ভাতা (ডিএ), এরিয়ারের বিষয়ে আমরা ওই দিন আলোচনা করব।”

  • Chandranath Rath Murder: আজ বারাসত আদলতে পেশ! চন্দ্রনাথের খুনে উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার থেকে গ্রেফতার ৩ শার্প শুটার

    Chandranath Rath Murder: আজ বারাসত আদলতে পেশ! চন্দ্রনাথের খুনে উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার থেকে গ্রেফতার ৩ শার্প শুটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রনাথ রথ খুনের (Chandranath Rath Murder) মামলা বড় সাফল্য পেল পুলিশ। উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার থেকে গ্রেফতার করা হল তিনজন শার্প শুটারকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার রাতে এই আততায়ীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গেও নিয়ে আসা হয়েছে। ভবানী ভবনে সিআইডির তদন্তকারীরা জেরা করছে তাদের। সোমবার বারাসত আদালতে পেশ করা হতে পারে এই শার্প শুটারদের।

    কীভাবে গ্রেফতার

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই হামলা হয় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের উপরে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ নেওয়ার আগেই, ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় গুলি করে খুন করা হয় তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। খুব কাছ থেকে পরপর চারটি গুলি করা হয়। বুকে, হাতে গুলি লাগে চন্দ্রনাথের। এরপরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে নেমেছে সিআইডি ও এসটিএফ। রবিবারই তদন্তকারীদের হাতে বড় ক্লু এসেছিল। জানা গিয়েছিল, আততায়ীরা ইউপিআই পেমেন্টের মাধ্যমে বালি টোল প্লাজায় টাকা দিয়েছিল। টোল প্লাজার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজে গাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। ওই ডিজিটাল লেনদেনের সূত্র ধরেই তল্লাশি শুরু করে তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই উত্তর প্রদেশে পৌঁছন তদন্তকারীরা।

    কোথায় লুকিয়েছিল আততায়ীরা

    ২ জনকে উত্তরপ্রদেশ এবং এক জনকে বক্সার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চন্দ্রনাথকে খুন করতে সুপারি দেওয়া হয়েছিল শার্প শ্যুটারদের, এই তথ্য আগেই সামনে এসেছিল। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আর কে কে আছে, গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা আধিকারিকরা। দুজন শার্প শুটার ভিকি সিং ও রাজদেও সিং। মায়াং শর্মা টোলপ্লাজায় অনলাইন পেমেন্ট করেন। তার ইউপিআই লিঙ্কের সূত্র ধরেই এদের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া গাড়ি চালককে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত রাজ সিং-সহ মোট ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ সিং উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার বাসিন্দা হলেও বিহারের বক্সারে থাকতেন। খুনের পর গ্রেফতারি এড়াতে অযোধ্যায় লুকিয়ে ছিল সে। প্রসঙ্গত, আগেই মনে করা হয়েছিল, চন্দ্রনাথের খুনের পিছনে বাইরের রাজ্যের যোগ থাকতে পারে। অত্যন্ত সুচারু পরিকল্পনার সঙ্গে চন্দ্রনাথকে খুন করা হয়েছিল। এখন তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন যে এই শার্প শুটারদের কে বা কারা ভাড়া করেছিল? কেনই বা টার্গেট করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে।

  • Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শুক্রবার, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়নের পথে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শুক্রবার, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়নের পথে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে স্বাধীনতার পর বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক, জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি (Suvendu Adhikari) করতে চলেছেন নয়া মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক (Cabinet Meeting)। এই বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে। এই প্রথম বৈঠকেই বঙ্গবাসীর জন্য বেশ কিছু বড় প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হতে পারে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে রাজ্যবাসীকে প্রাপ্য সরকারি অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে, সেগুলি দ্রুত বাস্তবায়িত করা হবে।

    সোমবার বিকেল ৫টায় বৈঠক (Suvendu Adhikari)

    বিজেপি সূত্রে খবর, নয়া মুখ্যমন্ত্রী সরকার পরিচালনা করবেন মহাকরণ থেকে। তবে মহাকরণে সংস্কারের কাজ চলায় আপাতত বিধানসভায়ই বসবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ইতিমধ্যেই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর নামে বিশেষ ফলকও বাসানো হয়েছে। সোমবার নবান্ন সভাঘরে প্রথম বড় বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ডিজিপি, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) থেকে শুরু করে সব জেলার পুলিশ সুপারদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার বিকেল ৫টায় এই বৈঠক হবে। এরপর শুক্রবার নবান্নেই বিজেপি সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট (Cabinet Meeting) বৈঠকের সম্ভাবনা। নবান্নেই বসবে নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ চালু করেনি। এই বৈঠকে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হতে পারে রাজ্যে এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রয়োগ নিশ্চিত করা। এর ফলে সাধারণ মানুষ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।

    সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA)

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ রয়েছে। প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই ডিএ নিয়ে কোনও ইতিবাচক ঘোষণা বা কিস্তি মেটানোর পরিকল্পনা করা হতে পারে।

    কৃষক ও যুবকদের জন্য প্রকল্প

    কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘পিএম কিষান নিধি’র সুবিধা রাজ্যের প্রতিটি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন কোনও রূপরেখা তৈরি করা হতে পারে।

    প্রশাসনিক রদবদল

    নবান্নের অন্দরে এবং পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল ঘটিয়ে প্রশাসনকে আরও গতিশীল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ব্রিগেডে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)  সঙ্গে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ নেবেন তাপস রায়। বুধ ও বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন বাকি বিধায়করা। শুভেন্দুর নেতৃত্বে এই প্রথম মন্ত্রিসভার (Cabinet Meeting) বৈঠকটি মূলত ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারে’র উন্নয়নমূলক মডেলকে সামনে রেখে পরিচালিত হতে পারে। যেখানে কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত রাজ্যে কার্যকর করাই হবে নয়া সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

  • Indo Bangladesh Border: বাংলাদেশে জামাতের উত্থানের প্রভাব পড়েছে বঙ্গের সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে!

    Indo Bangladesh Border: বাংলাদেশে জামাতের উত্থানের প্রভাব পড়েছে বঙ্গের সীমান্তবর্তী বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ের দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তবর্তী শহর সান দিয়োগো এবং তিজুয়ানা এবং লরেডো ও ন্যুভো লরেডোয় ‘স্প্যাংলিশ’ (বা টেক্স-মেক্স স্প্যানিশ) নামে এক মিশ্র ভাষার বিকাশ ঘটেছিল। টেলিভিশন, অভিবাসন ও সীমান্তের দুই পাশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ প্রভাব ফেলেছিল এই ভাষার ওপর। এখন, হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে এবং কয়েক দশক পরে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেও (Indo Bangladesh Border) সীমান্ত-পার প্রভাবের এক আলাদা গল্প দেখা যাচ্ছে। যদিও এটি খানিক আলাদা ধরনের। এখানে প্রতিক্রিয়াশীল প্রভাব কাজ করেছে এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল বলছে, ঘটনাপ্রবাহ অন্যভাবে ঘটেছে।

    অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় মেরুকরণ

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশ ও ধর্মীয় মেরুকরণ। বিজেপির অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে আসা (Indo Bangladesh Border) অনুপ্রবেশকারীরা, যাদের অধিকাংশই মুসলিম, রাজ্যের জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বদলে দিয়েছে। তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারণে এই সমস্যা উপেক্ষা করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় শুধু সংগঠনের বিস্তার বা মতাদর্শের স্বীকৃতি নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নও।” তিনি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের প্রসঙ্গটিও তোলেন। বঙ্গবাসী যখন রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক হচ্ছিলেন, তখন সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলিও তাঁরা লক্ষ্য করছিলেন। তাঁরা দেখেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে কীভাবে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে, মন্দির ভাঙচুর হয়েছে এবং ইসলামপন্থীরা ধর্মনিন্দার মিথ্যে অভিযোগ তুলে পিটিয়ে হত্যা করেছে নিরীহ মানুষকে।

    জামাতের জয়ের প্রভাব

    ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat Rise) পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত লাগোয়া একাধিক আসনে জয়ী হয়। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অন্তত ১৭টি আসনে জামাতের জয় পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত অঞ্চলে বিজেপির পক্ষে ভোট একত্রিত করতে সাহায্য করেছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলে দেখা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজেপি অন্তত ২৬টি আসনে জয়ী হয়েছে। এই আসনগুলি বাংলাদেশের সেই ১৭টি জামাত-জয়ী আসন লাগোয়া। জামাত-ই-ইসলামির নেতা সফিকুর রহমানের দলকে নিষিদ্ধ করেছিল শেখ হাসিনার সরকার। যদিও মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের অগাস্টে ক্ষমতায় এসেই তুলে নেয় সেই নিষেধাজ্ঞা।

    জামাতের উত্থান

    ছাব্বিশের নির্বাচনে হাসিনার আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধ থাকায় বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে জামাত (Jamaat Rise)। বিএনপি ২০৯টি আসনে জয় পেলেও, জামাত-নেতৃত্বাধীন ১১টি দলের জোট ৭৭টি কেন্দ্রে জয়ী হয়। জামাতের ইতিহাসে সেরা ফল এটি। এই ৭৭টি আসনের মধ্যে ১৭টি এসেছিল রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, নওগাঁ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, যশোর ও সাতক্ষীরার মতো সীমান্তবর্তী জেলাগুলি (Indo Bangladesh Border) থেকে। রংপুর বিভাগে, যা ভারতের ‘চিকেনস নেক’ বা ‘শিলিগুড়ি করিডর’ লাগোয়া, জামাতের ব্যাপক উত্থান দেখা যায়। এই করিডর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিবাদ 

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার খবর পশ্চিমবঙ্গেও রাজনৈতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলেছে। বিজেপি নেতা তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি পেট্রাপোল সীমান্তে গিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ জানান এবং কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনেও বিক্ষোভ দেখান। একই সঙ্গে বিজেপি বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের বিষয়েও সোচ্চার হন (Jamaat Rise)। এই বিষয়গুলি পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের কাছেও গুরুত্ব পেতে থাকে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী (Indo Bangladesh Border) বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের সীমান্তবর্তী একাধিক আসনে বিজেপি জয়ী হয়েছে ।

    জামাতের আসনগুলির উল্টোদিকে বিজেপির প্রাচীর!

    বাংলাদেশের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) আসনের উল্টো দিকে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ-সীমান্তবর্তী আসনগুলিতে বিজেপির জয়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্যাটার্ন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের ২৬টি আসনে বিজেপির জয় এসেছে মোট নয়টি জেলা থেকে, যেগুলির ঠিক ওপারেই বাংলাদেশে জামাতের জয়ী আসনগুলি অবস্থিত। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলায় কেমন ফল করেছে বিজেপি। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দক্ষিণ দিক থেকে শুরু করলে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন সংলগ্ন (Indo Bangladesh Border) এলাকায় বিজেপি জিতেছে বাগদা (SC), বনগাঁ উত্তর (SC) এবং হিঙ্গলগঞ্জ (SC)-এর মতো আসন। এই কেন্দ্রগুলির ঠিক বিপরীতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা-১ থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসন, যেখানে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জামাত জয়ী হয়েছিল।

    মালদা-মুর্শিদাবাদ-দিনাজপুর

    এরপর কিছুটা উত্তরে মুসলিম-অধ্যুষিত মালদা জেলায় বিজেপি জিতেছে ইংলিশ বাজার এবং বৈষ্ণবনগর আসন, যেগুলির সীমান্তের ওপারেও রয়েছে জামাত-জয়ী বাংলাদেশি কেন্দ্র। আরও উত্তরে দক্ষিণ দিনাজপুরে বিজেপি দখল করেছে কুশমণ্ডি (SC), বালুরঘাট, তপন (ST), গঙ্গারামপুর (SC) এবং হবিবপুর (ST) আসন। এই কেন্দ্রগুলির (Indo Bangladesh Border)  ঠিক উল্টোদিকে রয়েছে জয়পুরহাট, নওগাঁ এবং মেহেরপুরের মতো বাংলাদেশি আসন, যেখানে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচনে জামাত জিতেছিল। উত্তর দিনাজপুর, যা আরেকটি মুসলিম-প্রধান জেলা, সেখানেও বিজেপি জিতেছে করণদিঘি, হেমতাবাদ (SC) এবং হরিপুর আসন। এই কেন্দ্রগুলির ওপারেই রয়েছে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা এবং যশোরের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) আসনগুলি।

    শিলিগুড়ি করিডর ও ডুয়ার্স

    শিলিগুড়ি করিডরের দিকে এগোলে, বিজেপির শিলিগুড়ি এবং ফাঁসিদেওয়া (ST) আসনগুলি বাংলাদেশের নীলফামারী-১ আসনের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। জলপাইগুড়ি জেলায় বিজেপি জিতেছে ময়নাগুড়ি এবং জলপাইগুড়ি (SC) আসন, যেগুলিও সরাসরি সীমান্ত লাগোয়া এবং বাংলাদেশের জামাত-জয়ী (Jamaat Rise) কেন্দ্রগুলির মুখোমুখি। সবশেষে ডুয়ার্স অঞ্চলের কোচবিহার জেলায় বিজেপি দখল করেছে সিতাই (SC), শীতলকুচি (SC) এবং মেখলিগঞ্জ (SC) আসন। এই কেন্দ্রগুলির ঠিক ওপারেই রয়েছে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা, যেখানে জামাত ও তাদের মিত্ররা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে চারটি আসনে জয় পেয়েছিল।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যা ঘটেছে, তার প্রভাব পড়েছে এপারের ভোটে?

    যদিও হলফ করে বলা যায় না যে বাংলাদেশে জামাতের উত্থান (Jamaat Rise) সরাসরি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিপুল সাফল্যের একটি কারণ, তবে প্রাপ্ত তথ্যে স্পষ্ট একটি সমান্তরাল প্রবণতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিস্থিতি, পরিচয় নিয়ে উদ্বেগ, সীমান্ত নিরাপত্তা (Indo Bangladesh Border) এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্ন—এই সব কিছু মিলেই পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভোটারদের আচরণে প্রভাব ফেলেছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। এই পরিসংখ্যান দেখিয়েই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, পশ্চিমবঙ্গের ভোটাররা সম্ভবত বেআইনি অনুপ্রবেশ রোধ করার আশায় বিজেপির উপর আস্থা রেখেছেন, যা তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবে প্রত্যক্ষ করেছেন। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির (Indo Bangladesh Border)  নির্বাচনী ফলাফল দুই দেশের জনবিন্যাস থেকে শুরু করে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, পরিচয়-সংক্রান্ত উদ্বেগ এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা ঘিরে তৈরি হওয়া নানা বয়ানের প্রভাবের ফল হতে পারে। এই সমস্ত উপাদানই পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের আচরণে প্রতিফলিত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে যা ঘটতে দেখেছেন বাঙালিরা, তার প্রভাবও তাঁদের ভোটের সিদ্ধান্তে পড়েছে।

  • Suvendu Adhikari: “মায়ের পা থেকে পদ্মফুল হাতে পড়েছিল” কালীঘাটে গিয়েই জেনেছিলেন বিজেপির জয়ের কথা, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মায়ের পা থেকে পদ্মফুল হাতে পড়েছিল” কালীঘাটে গিয়েই জেনেছিলেন বিজেপির জয়ের কথা, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যে বিজেপি সরকার গঠন করছে, তাঁর নির্দেশ নির্বাচনের আগে কালীঘাট মন্দির থেকেই পেয়েছিলেন, দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু। কয়েকঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান নতুন মুখ্যমন্ত্রী। আর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবন থেকে বেরিয়ে তিনি বললেন, বিজেপি যে ক্ষমতায় আসতে চলেছে, কালীঘাট মন্দিরে গিয়ে সেই উপলব্ধি হয়েছিল তাঁর।

    মা-কালীর নির্দেশেই পথচলা

    সেদিনের ঘটনা বর্ণনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কালীঘাট মায়ের আশীর্বাদ আমার সঙ্গে ছিল। কারণ, আমি যেদিন প্রথম মাকে প্রণাম ও পুজো করতে যাই, সেদিন মায়ের পা থেকে একটি পদ্মফুল আমার হাতে পড়েছিল। আমি সেদিনই বুঝেছিলাম মা কালীর আশীর্বাদ আমার কিংবা আমাদের উপর রয়েছে।” এদিন সন্ধ্যায় কালীঘাট মন্দিরে যান শুভেন্দু। মাথায় পুজোর ডালা নিয়ে সোজা গর্ভগৃহে ঢুকে পড়েন। মা কালীর আশীর্বাদ নিয়েই পথচলা শুরু করবেন বলে জানান শুভেন্দু। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি যেহেতু ভবানীপুরের বিধায়ক, শীতলা মায়ের মন্দিরে যাওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে।”

    রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর

    মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তের সঙ্গে বৈঠক করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ধর্মতলায় পূর্ত দফতরের তাঁবুতে বৈঠকটি হয়। এই বৈঠকে রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর নেন শুভেন্দু। অন্য দিকে, সোমবার বিকেল পাঁচটায় নবান্ন সভাঘরে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের মুখোমুখি হবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জোনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত

    সদ্যসমাপ্ত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সুব্রত গুপ্তকে। দিনদুয়েক আগে তাঁকে সেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় কমিশন। এবার সেই সুব্রতকেই নতুন দায়িত্ব দিল নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হল। শুধু তা-ই নয়, নিয়োগ করা হল মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবও। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব করা হল শান্তনু বালাকে। তিনি ২০১৭ ব্যাচের আইএএস। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক ছিলেন তিনি। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসাবে নিয়োগ করল নবান্ন। গত বছরের অক্টোবরে রাজ্যে যখন বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শুরু হয় সেই সময় সুব্রতকে বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করেছিল নির্বাচন কমিশন। এসআইআরের কাজে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে সুব্রতের ভূমিকায় কমিশন সন্তুষ্ট হওয়ায় তাঁকে রাজ্যের বিধানসভা ভোটে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনপর্ব মেটার পর গত বৃহস্পতিবার কমিশন সুব্রতকে তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। দু’দিন কাটতে না কাটতেই নতুন সরকারে নতুন ভূমিকায় সুব্রত।

  • Ministers of West Bengal: সঙ্ঘের ছোঁয়া, মহিলা মুখ, আদিবাসী-রাজবংশী-মতুয়ার রসায়ন! শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’

    Ministers of West Bengal: সঙ্ঘের ছোঁয়া, মহিলা মুখ, আদিবাসী-রাজবংশী-মতুয়ার রসায়ন! শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ভারসাম্যের ছবি। রয়েছে সঙ্ঘের ছোঁয়া, মহিলা-মুখ, রাজবংশী-মতুয়া-আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। এই মন্ত্রিসভা প্রমাণ করছে ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’-ই বাংলয় বিজেপি সরকারের লক্ষ্য। ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শনিবার শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তবে মন্ত্রীদের নামও বিশেষ বিবেচনা করেই বেছে নিয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতো একাধিক তাবড় নেতা উপস্থিত রয়েছেন। এদিন সেই বৃহত্তর মঞ্চে একাধিক মন্ত্রীও শপথ নিলেন।

    কারা কারা শপথ নিলেন শনিবার

    দিলীপ ঘোষ: শুভেন্দু অধিকারীর পরই মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই দিলীপ ঘোষ, যিনি বঙ্গ বিজেপির নতুন করে উত্থানের অন্যতম কাণ্ডারী বলেই মনে করা হয়। আরএসএস প্রচারক থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি, এহেন গ্রাফ হঠাৎ করেই থেমে গিয়েছিল একপ্রকার। বিধানসভা নির্বাচনের আগে মোদীর মঞ্চে দেখা যায় সেই দিলীপ ঘোষকে। ফিরিয়ে দেওয়া হয় পুরনো মাটি। খড়গপুর সদর থেকে নিজেকে প্রমাণ করে এবার দিলীপের স্থান হতে চলেছে বাংলার মন্ত্রিসভায়। এক্ষেত্রে সঙ্ঘ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে দিলীপকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    অগ্নিমিত্রা পাল: বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই দিন শেষ। নতুন মন্ত্রিসভায় কোনও মহিলা মুখ থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। তবে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানেই স্পষ্ট হয়ে গেল মহিলা মন্ত্রীর নাম। শুভেন্দু ও দিলীপের পরই তৃতীয় নাম অগ্নিমিত্রা পাল। আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক। একসময় ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে বাংলার জনপ্রিয় মুখ ছিলেন অগ্নিমিত্রা। পরে বিজেপির হাত ধরেই রাজনৈতিক জীবন শুরু। নিজের কেন্দ্র থেকে বিধানসভা, মিটিং-মিছিল-প্রতিবাদে দিনে দিনে নিজের রাজনৈতিক-সত্ত্বাকে চিনিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। এবার তিনি মন্ত্রী।

    ক্ষুদিরাম টুডু: প্রথম দিন যে কজন মন্ত্রী শপথ নিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ক্ষুদিরাম টুডু। রাজ্য-রাজনীতিতে খুব পরিচিত মুখ নয়, দাপুটে নেতাও নয়। দিলীপ-অগ্নিমিত্রার পরই তাঁর নাম ঘোষণা হয়। গোটা দেশের তাবড় নেতাদের সামনে শপথ নিলেন আদিবাসী নেতা। শপথ নিলেন অলচিকি ভাষায়। জঙ্গলমহলের প্রতিনিধি, রানিবাঁধের বিধায়ককে পূর্ণমন্ত্রী করল বিজেপি। ক্ষুদিরামের শপথ যে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    অশোক কীর্তনিয়া: মন্ত্রিসভায় চমকের পর চমক। রানিবাঁধের পরই বনগাঁ উত্তর। মন্ত্রী হচ্ছেন অশোক কীর্তনিয়া। মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। তাঁর বিরুদ্ধে নাগরিকত্বের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। এবার সেই অশোকই শপথ নিলেন মন্ত্রী হিসেবে। এর পিছনেও বিজেপির বিশেষ বিবেচনা আছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তৃণমূল থেকে বিজেপি, মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক সবার কাছেই বরাবর আলাদা গুরুত্ব রেখেছে। ঠাকুরবাড়ির সদস্য শান্তনু ঠাকুরকে আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে মতুয়াগড়ের মন পেয়েছে বিজেপি। আর এবার রাজ্যের মন্ত্রিসভায় সেই এলাকারই প্রতিনিধি অশোক।

    নিশীথ প্রামাণিক: শুভেন্দু অধিকারীর মতোই নিশীথও তৃণমূল থেকে আসা বিজেপি নেতা। তবে উত্থান উল্কাগতিতে। উত্তর গড় ধরে রাখতে নিশীথের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল। ভরসা রেখেছেনও তিনি। তাই উত্তরের প্রতিনিধি হিসেবেই নিশীথকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হল। শপথ নিলেন মাথাভাঙার বিজেপি বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক। বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, এ ক্ষেত্রে মর্যাদা দেওয়া হল রাজবংশী সমাজকেও। রাজবংশী সমাজের মধ্যে নিশীথের জনপ্রিয়তা বিজেপির শক্তি বাড়াতে অনেকটাই সাহায্য করে বলে মনে করা হয়। এর আগে অমিত শাহের ডেপুটি হিসেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছিলেন তিনি। আর এবার রাজ্যের মন্ত্রী নিশীথ।

    বাকি সদস্যদের শপথগ্রহণ সোমবার

    বিজেপি সূত্রে খবর, শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের শপথগ্রহণ হবে আগামী সোমবার, ১১ মে। সে দিনই পরিষ্কার হয়ে যাবে কে কোন দফতর সামলাবেন। জানা গিয়েছে, মন্ত্রী হতে পারেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। মন্ত্রী হতে পারেন স্বপন দাশগুপ্ত। মন্ত্রী হতে পারেন অজিত কুমার জানা। মন্ত্রী হতে পারেন শঙ্কর ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। মন্ত্রী হতে পারেন ইন্দ্রনীল খাঁ। মন্ত্রী হতে পারেন দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। মন্ত্রী হতে পারেন জুয়েল মুর্মু। মন্ত্রী হতে পারেন নমন রাই। মন্ত্রী হতে পারেন দীপক বর্মন। মন্ত্রী হতে পারেন বঙ্কিম ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন সজল ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন রুদ্রনীল ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন সুব্রত ঠাকুর। মন্ত্রী হতে পারেন রথীন্দ্রনাথ বসু। মন্ত্রী হতে পারেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও সম্ভাব্য তালিকায় আরও একাধিক বিজেপি বিধায়ক রয়েছেন। সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকায় আরও অনেকের নাম নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বিজেপি সূত্রে খবর, মন্ত্রিসভার তালিকা তৈরি করার ক্ষেত্রে কিছু জিনিস মাথায় রেখেছে দল। এক, সমস্ত অঞ্চলগুলোর যেন প্রতিনিধিত্ব থাকে। দুই, সমস্ত স্তরে, জনজাতির মানুষদের মধ্যে থেকে যেন মন্ত্রী থাকেন সেই দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। তিন, বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ দফতর আছে, যেগুলো সামাল দেওয়ার জন্য শিক্ষিত মানুষের দরকার, শহরের মানুষের দরকার, সেই রকম কিছু মানুষকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। শেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ যে দিকটি খেয়াল রাখা হচ্ছে সেটা হল, গোটা রাজ্যের প্রতিনিধিদের যাতে মন্ত্রিসভায় সামিল করা যায়।

    বিধানসভার স্পিকার হতে পারেন তাপস রায়

    আগামী সোমবার লোক ভবনে রাজ্যপাল আরএন রবি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তার পর মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে। মঙ্গলবার রাজভবনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী প্রোটেম স্পিকারের শপথ করাতে। বিধানসভার নতুন স্পিকার হওয়ার সম্ভাবনা তাপস রায়ের। তার পর আগামী বুধবার এবং বৃহস্পতিবার বিজেপির বিধায়কেরা শপথ গ্রহণ করবেন। শনিবারই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দুর নামফলক বসে গিয়েছে বিধানসভায়। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসনে জয়ী বিজেপি। তৃণমূল জয়ী ৮০টি আসনে। রাজ্যের বিধানসভা আসনের সংখ্যা ২৯৪ হলেও ফলতায় পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। সে কারণে ২৯৩টি আসনে ভোটগণনা হয়েছে। তার মধ্যে কংগ্রেস দু’টি, সিপিএম একটি, আইএসএফ একটি এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) দু’টি আসনে জয়ী হয়েছে।

     

     

     

LinkedIn
Share