Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূল প্রার্থীকে জেতালে দেখা করতে যেতে হবে তিহাড় জেলে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূল প্রার্থীকে জেতালে দেখা করতে যেতে হবে তিহাড় জেলে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলকে ভোট দিলে কৃষ্ণ কল্যানীর সঙ্গে দেখা করতে তিহাড় জেলে যেতে হবে। তাই আপনারা সাবধান হন, সতর্ক হন। লড়াইটা হবে সরাসরি। যারা চোরেদের পক্ষে তাঁরা কৃষ্ণ কল্যানী পক্ষে। কৃষ্ণবাবু আপনাকে হারতেই হবে, কারণ এরপর আপনি কয়েক বছর পরে জেলেই থাকবেন। বৃহস্পতিবার বিকালে রায়গঞ্জ বিধানসভা উপ নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী মানস ঘোষের সমর্থনে প্রচারে এসে এমনই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই সভাতে বিরোধী দলনেতা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ লোকসভার সাংসদ কার্তিক পাল, বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার, শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ সহ আরও অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।

    কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে ভোট নষ্ট করবেন না (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এবারের রায়গঞ্জ লোকসভায় হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, করণদিঘি ও রায়গঞ্জে আমাদের লিড হয়েছে। আপনাদের জেলায় ৪ টি বিধানসভায় আমরা লিড করতে পেরেছি। মালদা ৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রে আমরা লিড করেছি। আপনারা আশ্বস্ত থাকুন আমাদের লড়াই চলছে, আগামীতেও চলবে। ২০২১ সালের পর থেকে আমরা রাজ্যে বিরোধী দল হিসাবে লড়ছি। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি। রায়গঞ্জ বিধানসভা উপ-নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্ত দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বাবু বলেন, আমি মোহিতবাবুকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি। তিনি ভোট কাটার জন্য এই বিধানসভা উপ-নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। আমি মোহিত বাবুকে চ্যালেঞ্জ করে বলছি, দিল্লি থেকে কোনও নেতাকে নিয়ে এসে সভা করিয়ে দেখান। তৃণমূলের বিরুদ্ধে একটা শব্দ বলাতে পারবেন না আপনি। আপনাদের প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী, সোনিয়া গান্ধিকে ডেকেছিলেন, সোনিয়া গান্ধি আসেননি। রাহুল গান্ধিকে ডেকেছিলেন তিনিও আসেননি। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেগে যাবেন, ইন্ডি জোটের পিন্ডি চটকে যাবে। তাই, কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে ভোট নষ্ট করবেন না।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    কৃষ্ণ কল্যাণীকে জেতালে দেখা করতে যেতে হবে তিহার জেলে!

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, কৃষ্ণ কল্যাণী রায়গঞ্জ বিধানসভায় ৪৭০০০ ভোটে হেরেছিলেন আপনি। যারা বিধানসভায় আপনাকে জিতিয়ে ছিলেন, তাঁরা আপনাকে জয়ী করেননি, পদ্মফুলকে জিতিয়েছিলেন। উত্তরবঙ্গের বঞ্চনার জন্য জিতিয়েছিলেন, আর রায়গঞ্জে এইমস এর জন্য জিতিয়েছিলেন। কৃষ্ণবাবু দশ বছর ধরে ইনকাম ট্যাক্স দেয়নি। ৫০ কোটি টাকা ইনকাম ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছেন তিনি। ভোট দিলে কৃষ্ণ কল্যানীর সঙ্গে দেখা করতে হলে তিহাড় জেলে যেতে হবে। কৃষ্ণ কল্যাণী ৩৩ লক্ষ টাকার গাছ সাপ্লাই করেছেন। ২২ টাকার আম গাছের চারা কল্যাণী বাবু ৮৫ টাকায় সাপ্লাই দিয়েছেন। ৪০ টাকা নারিকেল গাছের চারা ২৫০ টাকায় দিয়েছেন।

    রাজ্যে লোকসভায় বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপি

    পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে লোকসভায় ২২ টি আসন পেলে খুশি হতাম। ১২ তে আটকে গিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা ভোট গণতান্ত্রিকভাবে হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে এবার লোকসভায় আমরা (BJP) বেশি ভোট পেয়েছি। ২০১৯ এ ২ কোটি ৩০ লক্ষ ছিল। এবারে লোকসভায় ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ২৭ হাজার ভোট ভারতীয় জনতা পার্টি পেয়েছে (BJP)। ২ কোটি ৩৩ লক্ষ ২৭ হাজার ভোটে একটুকু জল মেশানো নেই। এবারের লোকসভায় পঞ্চম ষষ্ঠ ও সপ্তম দফায় কি হয়েছে আপনারা জানেন না। লুটের ভোট হয়েছে এবারে লোকসভায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: সরকারি দফতরে বিডিও-কে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল নেত্রী! শোরগোল

    Purba Bardhaman: সরকারি দফতরে বিডিও-কে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল নেত্রী! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিডিও সাহেবকে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাঁদরেল নেত্রী। গদগদ হয়ে বিডিও আশীর্বাদ নিলেন তৃণমূল নেত্রীর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আর এক বিতর্কিত তৃণমূলের যুবনেতা। এরপর শোনা গেল শাঁখ-উলুধ্বনি। এই ঘটনা কতদূর নীতিসম্মত এবং কতটা রুচিসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। একে ঘিরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman)।

    পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম বিডিও-র (Purba Bardhaman)

    পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের বিডিও হলেন রজনীশকুমার যাদব। তরুণ এই আধিকারিক শিগগিরই বাঁধা পড়বেন সাতপাকের বন্ধনে। তাই তড়িঘড়ি অফিস শেষে তাঁর জন্য আয়োজন করা হয় এলাহি ভোজের। ফুল, মালা, চন্দনে তাঁকে বরণ করা হয়, ছিল শঙ্খধ্বনিও। তবে সেই ধ্বনি বেশ দুর্বল ছিল। গোটা অনুষ্ঠান হয়েছে ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের (বিডিএ) চেয়ারম্যান কাকলী তা গুপ্তের নেতৃত্বে। উপস্থিত ছিলেন এলাকার দাপুটে নেতা যুব সভাপতি মানস ভট্টাচার্য। এতে বিডিও সাহেবের কোনও সংকোচ ছিল না, জড়তাও ছিল না। কাকলী তা, বিডিও রজনীশ কুমার যাদবকে চন্দনের ফোঁটা দিয়ে ও ধান-দূর্বা মাথায় ছুঁয়ে আর্শীবাদ করতেই তরুণ বিডিও সাহেবকে রীতিমতো তৃণমূল নেত্রীর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতেও দেখা গিয়েছে।

    কী বললেন বিডিও?

    সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (Purba Bardhaman) রজনীশকুমার যাদব পুরো বিষয়টি নিয়ে আদৌ অনুতপ্ত নন। তাঁর হাবভাব হল, ডোন্ট কেয়ার, কুছ পরোয়া নেহি। তিনি মেনুর বিবরণও দিয়েছেন। ভাত, ডাল, মাছের মাথা দিয়ে বাঙালি থালিতে নানা ব্যঞ্জন ছিল। তিনি বলেন, “আমার অফিসে নয়, সমিতির পাশের ঘরে এই অনুষ্ঠান হয়েছে। আর কাকলীদেবী মায়ের বয়সী। তাই পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছি।” উল্লেখ্য বছর তিনেক আগে ২০২১ সালের ১৭ জুন পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায় করোনা কালে কৃষি মাণ্ডিতে একটি অনুষ্ঠানে আউশগ্রামের তৎকালীন বিডিও অরিন্দম মুখোপাধ্যায়কে দেখা গিয়েছিল দোর্দণ্ডপ্রতাপ বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে। সেই নিয়ে তখন কম জলঘোলা হয়নি।

    তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) তৃণমূল নেত্রী (TMC) কাকলী তা গুপ্ত অবশ্য বলেন, “আমরা সমিতির পক্ষ থেকে বিডিও-কে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। এটা রাজনীতির কোনও ব্যাপার নয়। একসঙ্গে কাজ করার জন্য আমাদের সৌজন্য ছিল, আমাদের ভালোবাসা ছিল। তাই এই ভাবে আমরা অনুষ্ঠান করেছি। তবে এতে খারাপ কিছু নেই। বিরোধীদের কাছে কোনও ইস্যু নেই। তাই অপপ্রচার করা হয়েছে। আমি ওঁর মায়ের বয়সী, তাই প্রণাম করেছেন।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি করার অপরাধে ‘মিড ডে মিলে’র রান্নার কাজ থেকে বাদ মহিলাকে! অভিযুক্ত তৃণমূল

    শুভেন্দুর পোস্ট

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভিডিয়োটি পোস্ট করে এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “এটা অবাক করার মতো বিষয় নয় যে, রাজ্যের শাসকদল এবং প্রশাসনের (Purba Bardhaman) মধ্যে থাকা সীমারেখাটা বরাবরই অস্পষ্ট। এবার তা পুরোপুরি মুছে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “এক মিনিটের নির্দেশ পেলেও সেটা বড় পাওনা”, কোর্টের রায় নিয়ে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “এক মিনিটের নির্দেশ পেলেও সেটা বড় পাওনা”, কোর্টের রায় নিয়ে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের কাছে আমার নীতিগত লড়াই ছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনের সামনে পাঁচ দিন বসে নাটক করলেও ১৪৪ ধারা থাকে না। রাজভবনে ধর্নায় এক মিনিটের অনুমতি দিলেও সেটা আমার কাছে বড় পাওনা ছিল। আদালত আমাকে চার ঘণ্টার নির্দেশ দিয়েছে, এটা বড় পাওনা। ১৪ তারিখে রাজভবনে প্রতিবাদে বসা নিয়ে তৃণমূল এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    বুধবার বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভার উপ-নির্বাচনের প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাসের সমর্থনে প্রচারে আসেন। প্রচার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন আগামী ১৪ তারিখে প্রায় ২০০ জন শহিদ পরিবার এবং ৩০০ জন অত্যাচারী পরিবারকে নিয়ে রাজভবনের সামনে প্রতিবাদে বসব। তাঁর রাজভবনে বসা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তরজা চলছিল। রাজ্য প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে অবশেষে আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী। এরপরেই আদালত শুভেন্দু অধিকারীকে চার ঘণ্টার প্রতিবাদে বসার অনুমতি দেয়। সেই প্রসঙ্গে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনের সামনে পাঁচ ঘণ্টা অনশনে নাটক করলেও তখন ১৪৪ ধারা জারি থাকে না।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    চোপড়া নিয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু

    চোপড়াকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, চোপড়ায় যা হয়েছে তা দেশবাসীর কাছে লজ্জার। তৃণমূলের মদতেই এসব হয়েছে। ভোটের পর থেকেই বিজেপি  (BJP) কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। বহু কর্মী ঘরছাড়া। হিংসার রাজনীতি করছে তৃণমূল। অন্যদিকে, জগন্নাথ সরকার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পার্লামেন্টে বিশেষ কাজে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন। এখানে বিতর্কের কোনও জায়গা নেই। প্রচার তিনি শুরু করেছেন প্রচার তিনিই শেষ করবেন। আর এই বিধানসভার মানুষ বিজেপির (BJP) সঙ্গে রয়েছেন। এবার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজভবনের সামনে ৪ ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দুরা, মিলল হাইকোর্টের অনুমতি

    Suvendu Adhikari: রাজভবনের সামনে ৪ ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দুরা, মিলল হাইকোর্টের অনুমতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে বিজেপির ধর্নায় সায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনের সামনে ধর্না করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রথমে বিজেপিকে সেই অনুমতি না দিলেও অবশেষে বিজেপির ধর্নায় অনুমতি দিল হাইকোর্ট। তবে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে নির্দিষ্ট শর্ত মেনেই বিজেপিকে এই ধর্নায় বসতে হবে। 

    কী জানিয়েছে হাইকোর্ট? (BJP Dharna) 

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে শুভেন্দুর মামলার শুনানি ছিল। আদালতে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১৪ জুলাই, রবিবার সকাল ১০টা থেকে রাজভবনের সামনে শুভেন্দুরা যদি ধর্নায় বসেন, তাতে তাঁদের আপত্তি নেই। এরপর রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ধর্নায় অনুমতি দিয়ে  বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, ১৪ জুলাই সকাল ১০টা থেকে রাজভবনের নর্থ গেট থেকে দশ মিটার দূরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতে হবে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। তবে সেখান থেকে করা যাবে না কোনও উস্কানিমূলক মন্তব্য। কোনও ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি করতে হবে। কোনও প্রকার অশান্তি সেখানে বরদাস্ত করা হবে না। দূষণবিধি মানতে হবে শুভেন্দু এবং তাঁর সঙ্গীদের। সকাল দশটা থেকে চার ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দু। আদালতের শর্ত অনুযায়ী ৩০০ লোক নিয়ে ধর্নায় বসতে পারবেন বিরোধী দলনেতা।   

    আরও পড়ুন: ভেঙেছে গত ১৪ বছরের রেকর্ড! চলতি বছর দেশে তাপপ্রবাহে মৃত্যু শতাধিক

    আগে কী ঘটেছিল? 

    তবে এর আগে প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিল রাজ্য। বলা হয়, রাজভবনের সামনে ওই জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। তাই নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে বিজেপির কর্মসূচিতে অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দুদের (Suvendu Adhikari) তরফে গত বছর একই জায়গায় শাসকদলের কর্মসূচির দৃষ্টান্ত দেওয়া হয়। যেখানে ১০০ দিনের কাজের টাকার দাবিতে রাজভবনের সামনেই টানা পাঁচ দিন ধর্নায় বসেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করেই সেই দৃষ্টান্ত আদালতে জানান শুভেন্দু। সে সময় আদালত জানিয়েছিল, শাসকদলের নেতা ধর্নায় বসেছিলেন বলে তাঁদেরও ওই জায়গাতেই কর্মসূচি করতে হবে, তার কোনও যুক্তি নেই। শুভেন্দুদের কর্মসূচির জন্য বিকল্প জায়গাও খুঁজতে বলেছিল আদালত। এরপর আদালতে বিজেপির তরফে জানানো হয়, রাজভবনের সামনে কর্মসূচির অনুমতি না পেলে তাঁরা রাজ্য পুলিশের ডিজির দফতরের সামনে ধর্নায় (BJP Dharna) বসতে চান। যদিও পরে রাজভবনের সামনে বিরোধী দলনেতার কর্মসূচিতে সায় দেয় আদালত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: চোপড়া ও কোচবিহারের ঘটনায় সিবিআই দাবি, মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখছেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: চোপড়া ও কোচবিহারের ঘটনায় সিবিআই দাবি, মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখছেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার ঘটনার নিন্দায় সরব গোটা দেশ। সংসদে এই ইস্যুতে ইন্ডি জোটকে চেপে ধরেছে এনডিএ শিবির। এর পাশাপাশি লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে কোচবিহারের একই ধরনের মহিলা নির্যাতনের ঘটনা সামনে আসে। এ নিয়েই মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখতে চলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘দুটি ঘটনায় সিবিআই (CBI) তদন্তের বিষয়ে রাজ্য যাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়, মুখ্য সচিবের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দুটি ঘটনায় সিবিআইকে তদন্তভার যাতে উনি দেন সেই মর্মেই চিঠি লিখে দাবি জানাব।’’ মুখ্য সচিবকে চিঠি লেখার পরেও যদি কোনও প্রকারের পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিতও দেন শুভেন্দু অধিকারী।

    চোপড়ার ঘটনা, মধ্যযুগীয় বর্বরতা‌ 

    চোপড়ায় যুগল নিগ্রহের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই, এই ঘটনাকে মধ্যযুগীয় বর্বরতা তথা তালিবানি শাসন বলে তোপ দেগেছে বিজেপি। এই ইস্যুতে সোমবার রাজ্য বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে বিজেপির মহিলা বিধায়করা। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে কোচবিহারে ঘটনা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে‌ যান রাজ্য বিজেপির মহিলা মোর্চার এক প্রতিনিধি দলও। এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে কঞ্চির ছড়া দিয়ে বেধড়ক মারধর করছেন এক ব্যক্তি। মারধর করা হচ্ছে পাশে থাকা এক তরুণকেও। যিনি মারধর করছেন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দারা তৃণমূল নেতা তাজম্মুল বলে চিহ্নিত করেছেন। ওই নেতা এলাকায় ‘জেসিবি’ নামেও পরিচিত। জানা গিয়েছে, এলাকায় একাধিক অপরাধের সম্পর্কে যুক্ত ওই ব্যক্তি। খুনের মামলা সহ একাধিক অভিযোগে নাম থাকলেও শাসক দলের নেতা হওয়ার সুবাদে তাঁকে ছোঁয়ার সাহস দেখায়নি পুলিশও, এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।

    চোপড়ার শাহজাহান বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)  

    অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতাকে চোপড়ার শাহজাহান বলে কটাক্ষ করে শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। চোপড়া এবং কোচবিহার ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রী যাতে ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে হস্তান্তর করেন সেই দাবি জানাতে চলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর চিঠি লেখার পরও যদি নীরব থাকে সরকার, সেক্ষেত্রে সিবিআই (CBI) তদন্তের আবেদন জানিয়ে আদালতে যাওয়ারও স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাস কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক প্রান্তে একের পর এক গণপিটুনিতে মৃত্যু ও চোপড়ায় সালিশি সভার নাম করে যে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে সেই পরিপ্রেক্ষিতেই আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, রাজ্যপাল অবিলম্বে বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারি (Article 355) দাবির জন্য যেন কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করেন। এ নিয়ে রাজ্যে সাংবিধানিক প্রধানের কাছে তিনি অনুরোধ করবেন বলেও জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আরও দাবি, রাজ্যের হাত থেকে পুলিশের দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হোক। সোমবারই সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শুভেন্দু অধিকারী এবং বলেন, ‘‘রাজ্যপালকে বলব, আগামিকাল ফিরে এসে যেন তিনি সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারকে লেখেন পশ্চিমবঙ্গে ৩৫৫ ধারা জারি করার জন্য।’’

    রাজ্যের ৪০ থেকে ৫০টি থানা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা অত্যন্ত শোচনীয়

    বিরোধী দলনেতার আরও মন্তব্য, ‘‘শুধু কোচবিহার বা চোপড়ার ঘটনাই নয়, শাসকের মদতে প্রায় প্রতিদিনই একটার পর একটা ঘটনা ঘটেই চলেছে।‌ রাজ্যে কোনও আইনের শাসন নেই। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপালের উচিত অবিলম্বে কেন্দ্রের কাছে এ ব্যাপারে লিখিতভাবে জানানো।’’ তাঁর মতে, ‘‘রাজ্যের ৪০ থেকে ৫০টি থানা এলাকার আইন-শৃঙ্খলা অত্যন্ত শোচনীয়। আমার কাছে রাজ্যপাল যদি জানতে চান আমি সেই সমস্ত থানার নামের তালিকা ওনাকে দিতেও প্রস্তুত আছি।’’

    পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার পরামর্শদাতা নিয়োগ করে দেওয়া উচিত, মত শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    বাংলার সঙ্গে মণিপুরের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতির তুলনা টানেন শুভেন্দু। বাংলাকে উপদ্রুত অঞ্চল ঘোষণার দাবি জানান বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১ সালে ভোটে জিতেছেন। ২০২৬ সালে আবার ভোট আছে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী থাকতে দেওয়া হোক। তাঁর অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতায় হাত দেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে পুলিশি ব্যবস্থা কেড়ে নেওয়া হোক। এবার সময় এসে গিয়েছে। ৩৫৫ ধারার সুপারিশ করে, মণিপুরের মতো উপদ্রুত ঘোষণা করে, সমস্ত থানাগুলিকে নিয়ে নেওয়া উচিত। পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার পরামর্শদাতা নিয়োগ করে দেওয়া উচিত।’’

    বিচার ব্যবস্থা যেভাবে রাজ্যের গণতন্ত্র রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছে তা প্রশংসনীয়

    বিচার ব্যবস্থার প্রতি গভীর আস্থা প্রকাশ করেন তিনি। বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে বিচার ব্যবস্থা যেভাবে রাজ্যের গণতন্ত্র রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছে তা প্রশংসনীয়। কিন্তু আজ আমি মনের অত্যন্ত দুঃখের জায়গা থেকে বলছি যে, রাজ্যপালের উদ্যোগ ভাল, কিন্তু সাংবিধানিক পদে থেকে অনেকেরই যে ভাবে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত তা কেউ কেউ নিচ্ছেন না। বর্তমানে রাজ্যের বেহাল আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি যা তাতে রাজ্যপালের উচিত বাংলায় ৩৫৫ কার্যকর (Article 355) করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার সময় এসেছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশই সার! কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বুলডোজার চলল বীরভূমে, সরব বিজেপি

    Birbhum: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশই সার! কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বুলডোজার চলল বীরভূমে, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্ছেদ অভিযানে বুলডোজার নামানোয় রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভের আঁচ পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মুখ খোলেন। একমাসের জন্য বুলডোজারে না করে দিয়েছেন তিনি। হকারদের পুনর্বাসনের কথাও উঠে এসেছে নবান্নের বৈঠকে। কিন্তু, তারপরেও ভিন্ন ছবি দেখা গেল বীরভূমে (Birbhum)। শুক্রবার সকালে বোলপুর শহরে দখলদারদের উচ্ছেদ করতে চলল বুলডোজার। আর এই উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহার করা হল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    এদিন পুরসভার পক্ষ থেকে বোলপুর (Birbhum) শহরের চৌরাস্তা মোড় থেকে শান্তিনিকেতন মোড় পর্যন্ত এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ যে হবে সে কথা পুরসভার পক্ষ থেকে আগাম মাইকিং করে জানিয়েও দেওয়া হয়। তারপর থেকেই তা নিয়ে এলাকায় বাড়ছিল চাপানউতোর। তবে, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে দোকানদাররা ভেবেছিলেন, এখনই এসব আর কিছু হবে না। তবে, এদিন সকালে দোকান ভাঙতে বুলডোজার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখে, হতবাক হয়ে যান ব্যবসায়ীরা। এই বিষয়ে এলাকারই এক হকার বলেন, “আমাদের স্থায়ী দোকান। ১৯৯৮ সাল থেকে আছে। এটাই আমাদের উপার্জনের একমাত্র পথ। এখন যদি এটাও ভেঙে দেয় তাহলে খাব কী আমরা? উচ্ছেদ করার আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক। মুখ্যমন্ত্রী সময় দেওয়ার পরও কেন এভাবে দোকান ভাঙা হল তা বুঝতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    প্রশাসনের কর্তাদের কী বক্তব্য?

    বোলপুরের (Birbhum) এসডিও অয়ন নাথ বলেন, ” রাস্তার ফুটপাতের পাশে থাকা দোকানগুলি অনেক সময় অস্থায়ীভাবে স্ট্রাকচার বানিয়ে তা একেবারে ফুটপাতের ওপর তুলে দিয়ে জিনিসপত্র রাখে। জোর করে দখল রেখেছে। সাধারণ পথচারীদের হাঁটাচলায় অসুবিধা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বাড়ছে। অবৈধ নির্মাণগুলিও সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যাঁদের কাছে স্থায়ী দোকানের বৈধ কাগজ রয়েছে তাও দেখাতে বলা হয়েছে।”

    সরব বিজেপি

    বুলডোজারের বিরুদ্ধে এর আগে সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী একমাসের সময়সীমা ধার্য করার পরও বোলপুরের এই উচ্ছেদ অভিযান হওয়ায় সরব হয়েছে বিজেপি (BJP)। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঠিকমতো করে ব্যবহার করা হয়নি। এখন উচ্ছেদ অভিযানে বুলডোজারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নামানো হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “হকার উচ্ছেদ রুখতে প্রয়োজনে আমি বুলডোজারের সামনে দাঁড়াব”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “হকার উচ্ছেদ রুখতে প্রয়োজনে আমি বুলডোজারের সামনে দাঁড়াব”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হকার উচ্ছেদ রুখতে প্রয়োজনে আমি নিজে গিয়ে বুলডোজারের সামনে দাঁড়াব।” বুধবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দখলদার উচ্ছেদ করতে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে নির্দেশ দিয়েছেন, তাকে ‘অমানবিক’ আখ্যাও দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দুর সাফ কথা, তিনি বা তাঁর দল বেআইনিভাবে সরকারি জমি অধিগ্রহণের বিপক্ষে। তাঁর দাবি, রাজ্যের সর্বত্র নির্দিষ্ট একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই কাজ করতে হবে। এজন্য আগে রাজ্য সরকারকে স্ট্যান্ডার্ড ওপারেটিং প্রসিডিওয়র তৈরি করতে হবে।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন বিকেলে কলকাতায় বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “বিভিন্ন পুরসভা এলাকায় মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তদের সামান্য রোজগারের ওপর ভয়াবহ অর্থনৈতিক অবরোধ নামিয়ে আনা হয়েছে। বিজেপির তরফে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। সরকারি জমি দখলের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার যে উদ্যোগী হয়েছে, আমরা প্রথমে তা মহৎ বলে মনে করেছিলাম। কিন্তু পরে দেখলাম, সরকারি জমি আদৌ উদ্ধার হচ্ছে না। বিশেষ কয়েকটি এলাকায় সাধারণ গরিব মানুষের ক্ষতি করা হচ্ছে। সবটাই হচ্ছে ক্যামেরার সামনে। অর্থাৎ কাজের চেয়ে প্রচারের তাগিদ বেশি।”

    ‘এসওপি তৈরি করুন’

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “জেলা থেকে যে গরিব মানুষেরা প্রতিদিন কলকাতায় এসে সামান্য হকারি করে পেট চালান, এটা কি শুধু তাঁদের জন্য? না গোটা রাজ্যে এ নিয়ে কোনও নীতি তৈরি হয়েছে? আমার দাবি, প্রথমে একটি এসওপি তৈরি করুন। সরকারি জমি চিহ্নিত করুন। তারপর মানুষকে নোটিশ দিয়ে জমি ছাড়তে বলুন।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “হকার উচ্ছেদ করার পর প্রান্তিক গরিব মানুষকে বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী তো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় বলেছেন, তিনি অনেককে চাকরি দিয়েছেন। এবার কয়েক লক্ষ হকারকেও চাকরি দিন।”

    আর পড়ুন: প্রসঙ্গ মারুতি তৈরি, কংগ্রেসের আরও একটি কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এভাবে অন্যায় অত্যাচার চললে আমরা হকারদের পাশে থাকব। প্রয়োজনে আমি নিজে বুলডোজারের সামনে গিয়ে দাঁড়াব। লালবাজারের পুলিশ অন্যায়ভাবে গরিব মানুষদের ব্যবসার জিনিসপত্র তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এটা মানবতাবিরোধী কাজ।” তিনি বলেন, “কলকাতা-সহ বিভিন্ন পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপি। এটা ওদের সেই হারের জ্বালার বহিঃপ্রকাশ (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিজেপি করায় স্থায়ী কর্মীদের বসিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল! নালিশ শুনলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: বিজেপি করায় স্থায়ী কর্মীদের বসিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল! নালিশ শুনলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিজেপি করার ‘অপরাধে’ চালকলের স্থায়ী কর্মীদের কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই কাজ হারানো বিজেপি কর্মীরা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কাছে নালিশও জানিয়েছেন। তৃণমূল কীভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে সেই বিষয়ও বিজেপি কর্মীরা তুলে ধরেছেন।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    বর্ধমানে দলীয় কার্যালয়ে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ‘ঘরছাড়া’দের সঙ্গে কথা বলেন। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান শহরে ও সংলগ্ন এলাকাতেই বিজেপির দলীয় কর্মীরা বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হয়ে ‘ঘরছাড়া’ তাঁদের অনেকেই। তাঁদের সকলের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। পরে, শুভেন্দু বলেন, “রায়না, জামালপুর, ভাতারের কিছু এলাকায় অভিযোগ শুনলাম। বর্ধমানের মতো ঐতিহ্যশালী শহরেও তৃণমূল অমানবিক। চালকলের যে সব কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বেতন ঢোকে, বিজেপি করার অপরাধে তাঁদের কর্মীদের কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রথমে জেলা চালকল সমিতিকে বিষয়টি জানিয়ে সুরাহার জন্য বলব। তাতে কাজ না হলে আইনের পথে আমাদের যেতেই হবে।” বিজেপির জেলা সভাপতি (বর্ধমান সদর) অভিজিৎ তায়ের দাবি, “অন্তত ৮-১০ জন এমন অমানবিক ঘটনার শিকার হয়েছেন। আমরা তাঁদের পাশে রয়েছি।” বর্ধমান রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, “এই ধরনের অভিযোগের কথা শুনিনি, জানাও নেই। আমাদের এ নিয়ে কোনও চিঠি দিলে নিশ্চিত ভাবে খোঁজ নেব।”

    আরও পড়ুন: সমবায় ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী বিজেপি, তুলকালাম নন্দীগ্রাম

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদার বলেন, “বিজেপিই (BJP) ঘরছাড়াদের আটকে রাখছে। ঘরছাড়াদের নিয়ে দিলীপ আর শুভেন্দুর মধ্যে রাজনীতি হচ্ছে। আমরা তো বলেই দিয়েছি, একদম নির্দিষ্ট করে নাম-ঠিকানা দিয়ে আমাদের জানালে সবাইকে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করে দেব। বিজেপি করে বলে কারও কাজ গিয়েছে, সেটাও ঠিক নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Government Land: সরকারি জমি বেদখল হচ্ছে, কার্যত মেনে নিল রাজ্য! প্রশাসনকে পরামর্শ শুভেন্দুর

    Government Land: সরকারি জমি বেদখল হচ্ছে, কার্যত মেনে নিল রাজ্য! প্রশাসনকে পরামর্শ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে জমি মাফিয়াদের দাদাগিরি। জমি মাফিয়াদের আটকাতে পারছে না সরকার ও প্রশাসন। সরকারি জমি (Government Land) বেদখল হচ্ছে, সেটা কার্যত মেনেও নিল রাজ্য প্রশাসন। সাম্প্রতিককালে, আদালতে এই নিয়ে মামলায় জোর সমালোচনা ও ধাক্কার সম্মুখীন হতে হয়েছে রাজ্যকে। বৃহস্পতিবারই এ নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের সচিব মনোজ পন্থ (Department of Land Reforms) রাজ্যের প্রতিটি জেলার জেলাশাসক ও কালেক্টরদের চিঠি দিয়েছেন। 

    বিরোধী দলনেতার দাবি

    এ প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, সরকারি জমি (Government Land) জবরদখল করে গড়ে উঠছে তৃণমূলের পার্টি অফিস, কোথাও রোহিঙ্গারা উড়ে এসে জুড়ে বসে দখল করছে জমি। কিন্তু সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না। বিরোধী ও নানান মামলায় আদালতের চাপে অবশেষে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেন রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিক। সম্প্রতি কোথায় রাজ্য সরকার এবং বিভিন্ন সরকারি দফতরের জমি জবর দখল হয়ে রয়েছে তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। সব দফতরের প্রধান এবং জেলাশাসকদের নিজের এলাকার সরকারি জমির তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেন তিনি। নবান্ন থেকে ওই নির্দেশ দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, ১১ তারিখে যে প্রশাসনিক বৈঠক হয়েছিল সেখানে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন সব সরকারি জমির তালিকা করতে হবে। সেই তালিকা ২১ জুনের মধ্যে আন্ডার সেক্রেটারিকে মেল করে জানাতে হবে।

    দুর্নীতির স্বীকারোক্তি মুখ্যমন্ত্রীর

    উল্লেখ্য,পুলিশ কর্তা ও সরকারি আধিকারিকদের বৈঠকে কলকাতা ও বিধাননগরে সরকারি জমি (Government Land)  দখল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বৃহস্পতিতে নবান্নে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এমন দাবিও করেন যে, সরকারি কর্মীদের মধ্যে দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা রয়েছে। তা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন মমতা। এর আগে সন্দেশখালি থেকে শিলিগুড়িতে রামকৃষ্ণ মিশনের ঘটনায় বঙ্গ রাজনীতিতে জোর ঝড় উঠেছিল। এই আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতির বৈঠকে নির্দেশ দেন, কলকাতায় জমি মাফিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একই সঙ্গে বিধাননগরেও জমি দখল হয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শহর কলকাতায় বিভিন্ন জায়গায় জমি দখল হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে পুলিশি উদাসীনতা রয়েছে । জানা গিয়েছে, এদিন এই জমি দখল নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্নের মুখে পড়েন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল ৷ এই জমি দখল নিয়ে কলকাতা পুলিশের ভূমিকা কী, তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: “বিশ্বে গুরুত্ব বাড়ছে নয়া যোগ-অর্থনীতির”, যোগ দিবসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    আদালতে ধাক্কা

    সম্প্রতি কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের জমিতে বেআইনিভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল দলীয় কার্যালয়। সেই কার্যালয় ভাঙার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বেদখল হওয়া জমি (Department of Land Reforms) নিয়ে মুখ্যসচিবের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষে বিদ্ধ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু নিজের সোশ্যাল মিডিয়া বার্তায় লেখেন, তৃণমূল ও তার শাখা সংগঠন কোথায় কত সরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে তা উল্লেখ করা হোক। আবার, রোহিঙ্গারা বাংলায় কতখানি জমি জবরদখল করে রেখেছে তাও খতিয়ে দেখা উচিত, বলে মনে করেন শুভেন্দু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share