Tag: Suvendu Adhikari

Suvendu Adhikari

  • Suvendu Adhikari: “বর্বর সরকার, অত্যন্ত অমানবিক প্রশাসন, মাতৃশক্তি লাঞ্চিত”, আশাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “বর্বর সরকার, অত্যন্ত অমানবিক প্রশাসন, মাতৃশক্তি লাঞ্চিত”, আশাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজ্যের তৃণমূল সরকার একটি বর্বর সরকার, অত্যন্ত অমানবিক প্রশাসন, মাতৃশক্তি লাঞ্চিত এবং আক্রান্ত।” রাজ্যের আশাকর্মীদের (Asha Workers) পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিরোধীদল নেতা শুভেন্দু অধিকারী ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, “অত্যচার এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে যা ব্রিটিশ আমলেও দেখা যায়নি।”

    বড় বড় লোহার ব্যারিকেড (Suvendu Adhikari)!

    বুধবার কলকাতায় এবং জেলায় জেলায় আশাকর্মীরা (Asha Workers) আন্দোলনে নেমেছেন। নিজেদের প্রাপ্য দাবি দাওয়া নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে চড়াও হন আশাকর্মীরা। আন্দোলনকে দমন করতে পুলিশ এদিন লাঠিও চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ইস্যুতে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “যেভাবে আশাকর্মীদের ওপর অত্যাচার চালানো হয়েছে, তাতে খুব স্পষ্ট যে রাজ্যের মমতার সরকার একটি বর্বর সরকার চলছে, পুলিশ প্রশাসনের আচরণ অত্যন্ত অমানবিক। রাজ্যের মাতৃশক্তি আজ লুণ্ঠিত। অত্যাচার এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে যা ব্রিটিশ আমলকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। মানুষ সব কিছুর বিচার করবে, নির্বাচনে কড়া জবাব মিলবে।” তবে আশাকর্মীদের আন্দোলন দমন করতে প্রশাসনের তরফ থেকে আগেই স্বাস্থ্য ভবনকে বিশেষ দুর্গে পরিণত করে ফেলা হয়েছে। বড় বড় লোহার ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ।

    ভোটেই যোগ্য জবাব!

    আশাকর্মীদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযানকে ঘিরে আগেই পরিকল্পনা ছিল। সকাল থেকেই আশাকর্মীদের জমায়েতে রাজপথ ব্যাপক ভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। শহরের পাশাপাশি একাধিক রাজ্যসড়কও অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। আন্দোলনে যোগদানকারী আশাকর্মীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশকে সামনে রেখে রোলার চালিয়েছে তৃণমূল সরকার। গ্রেফতার, হুমকি, ধরপাকড় এবং মিথ্যা মামলা আশাকর্মীদের ব্যাপক ভাবে নির্যাতনও করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে আন্দোলনকে দমন করতে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। কেউ কেউ রাজনৈতিকভাবে আপনাদের ব্যবহার করতে চাইছেন।” এই মন্তব্যের পাল্টা তোপ দাগেন আশাকর্মীরা। রাজ্য আশা কর্মী ইউনিয়ানের সম্পাদিকা ইসমাত আরা খাতুন বলেন, “শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের উপর যেভাবে পুলিশ দমন হুমকি এবং গ্রেফতার করেছে তার যোগ্য জবাব এবারের ভোটেই দেওয়া হবে।”

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ফরাক্কায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন’’, মণিরুলের দৌরাত্ম্যে জ্ঞাণেশকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ফরাক্কায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন’’, মণিরুলের দৌরাত্ম্যে জ্ঞাণেশকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফরাক্কায় (Farakka) কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করুন। তৃণমূল বিধায়কের আচরণে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারী নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে কমিশনকে বলেন, “তৃণমূল নেতার মন্তব্য মহা জঙ্গলরাজের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। রাজ্যে এসআইআর আবহে তৃণমূল নেতাদের উত্তেজক ভাষণে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে।” একই ভাবে বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে এসআইআর শুনানিতে আক্রমণ করে উন্মত্ত জনতা। কার্যত আগুন লাগিয়ে রণক্ষেত্র করে তোলে গোটা সরকারি দফতর।

    সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগের দাবি (Suvendu Adhikari)

    বুধবার রাজ্যের ফরাক্কায় তৃণমূল নেতার বিরাট দৌরাত্ম্য দেখা গিয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ওইদিন সকাল থেকে বিডিও অফিসের বাইরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল বিধায়ক এবং তাঁর অনুগামীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূল নেতা মণিরুল ইসলাম স্লোগান দেন “এসআইআর মানছি না মানব না।” এরপর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। বিধায়কের নেতৃত্বে ব্যাপক ভাঙচুর চলে বিডিও অফিসে। শাসক দলের বিধায়কের নেতৃত্বে ভাঙচুরের ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলাকে ঘিরে চরম বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে অনুরোধ করে বিরোধী দলনেতা বলেন, “সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে অবিলম্বে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে রাজ্য প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে এসআইআর প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার দাবি জানাই। শুভেন্দু আরও বলেন, “ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এখনই কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন, না হলে গণতন্ত্রই সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে।”

    হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে

    একই ভাবে রাজ্যে একাধিক জায়গায় (Farakka)  এসআইআর বিরোধিতার নামে  তৃণমূল শাসনের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “বর্তমানে এই রাজ্যে মমতা সরকারের তোষণনীতি চরমসীমায় পৌঁছে গিয়েছে, উদ্দেশ্যে সেই ভোটব্যাঙ্ক, কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কুর্সি টিকিয়ে রাখতে হবে। সুতরাং এই সব জেহাদিরা রাজ্যের যেখানে যা খুশি করুক তাদের বিরুদ্ধে কোনোও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। আসলে এই সরকারটা দ্বিতীয় বাংলাদেশ সৃষ্টি করতে চায়। রাজ্যের হিন্দুদের একত্রিত হয়ে অবিলম্বে এই সরকারটাকে শিকড় সমেত উপড়ে ফেলতে হবে, না হলে এই সব ঘটনা তো ট্রেলার মাত্র, আগামী দিনে হিন্দুদের ভিটে মাটি সব এভাবে প্রশাসনের সামনেই দখল হবে, আর হিন্দুদের সব খোয়াতে হবে। বাংলাদেশ থেকে সব হারিয়ে হিন্দুরা তাদের একমাত্র হোমল্যাণ্ড পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন, এর পর তাঁদের ভাবতে হবে তাঁরা কোথায় যাবেন? তাই সময় থাকতে হিন্দুরা এই হিন্দু-বিরোধী মমতা সরকারকে উৎখাত করতে অবিলম্বে একত্রিত হন।”

    চাকুলিয়ায় বিজেপি অফিসে আগুন ভাঙচুর!

    একই ভাবে ফরাক্কার পরে উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ার বিডিও অফিসে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসআইআর-এর শুনানির কাজকে ঘিরে দুষ্কৃতীরা সরকারি দফতরে ব্যাপক ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তবে বিরোধীদের অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সড়ককে অবরোধ করে প্রথমে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তবে যাদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে তারাই এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে চাকুলিয়া থানার আইসিকে ব্যাপক মারধর করা হয়।

    আবার চাকুলিয়ার বিডিও-র করা অভিযোগ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টা নাগাদ বিডিও দফতরে জোর করে প্রবেশের চেষ্টা করেন প্রায় ৩০০ জন। পুলিশ প্রথমে উত্তেজিত জনতাকে আটকানোর চেষ্টা করে। এরপর দফতরের ভিতরে ঢুকে বৈদ্যুতিন যন্ত্র থেকে চেয়ার-টেবিল সব ভেঙে ফেলা হয়। প্রচুর নথি নষ্ট করা হয়। অফিসের ২০ লক্ষ টাকার জিনিস ধ্বংস করে দিয়েছে বলে বিডিও নিজে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে ইসলামপুর জেলা পুলিশের তরফে সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

    বিভাজনের রাজনীতি মণিরুলের

    তবে ফারক্কার বিধায়ক মণিরুল উস্কানি মূলক ভাষণ দিয়ে বলেন, “হিন্দুরা আমায় বলেছে, রামের নাম শুনলে বলছে আপনার কিছু লাগবেনা। আর আর রহিমের নাম শুনলে তখন চোদ্দ গুষ্ঠির খতিয়ান চাই। এই দ্বিচারিতা চলবে না। আমরা সকলে এই দেশকে স্বাধীন করেছি। যদি ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গিয়ে গুলি খেতে হয় এই মণিরুল ইসলাম গুলি খাবেন প্রথমে।” বারাসত থেকে বাঁকুড়া সর্বত্র এক দল এস আইআরকে ঘিরে গোলমাল করছে। তবে তৃণমূলের ছোট বড় নেতাদের কমিশন বিরোধী মন্তব্য একমাত্র দায়ী বলে দাবি করেছে বিজেপি। আগামী সময়ে কমিশন এখন কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাই এখন দেখার।

  • Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Mamata: ‘আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন’, মানহানির নোটিসের জবাব না মেলায় মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata)। সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের জন্য গত শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীকে আইনজীবী মারফত একটি মানহানির নোটিস পাঠান তিনি। কিসের ভিত্তিতে মমতা ওই মন্তব্য করেন, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রামাণ্য নথি চেয়েছিলেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার দেওয়া ওই সময়সীমা ইতিমধ্যে অতিক্রম করেছে। কিন্তু সেই চিঠির উত্তর মেলেনি। এবার তাই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন শুভেন্দু।

    ‘আদালতে দেখা হবে

    সমাজমাধ্যমে শুভেন্দু (Suvendu Attacks Mamata) লেখেন, “তাঁকে (মুখ্যমন্ত্রীকে) দেওয়া সময়সীমা এখন অতিক্রম হয়ে গিয়েছে, এবং মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আচরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে আমার নাম কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে তাঁর কল্পিত অভিযোগগুলির কোনও স্পষ্ট প্রমাণ নেই ওনার কাছে, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত তাই বিপাকে পড়ে তিনি কোনও উত্তর দিতে পারেননি।” বিরোধী দলনেতার দাবি, কী জবাব দেবেন, তা হয়তো মুখ্যমন্ত্রী বুঝে উঠতে পারেননি। মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে তিনি আরও লেখেন, “এবার উনি আদালতে আইনি পরিণতির সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার আপনার সাথে আদালতে দেখা হবে।”

    কেন শুভেন্দুর আইনি চিঠি

    অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Attacks Mamata) জড়িয়ে মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই এই আইনি চিঠি নন্দীগ্রামের বিধায়কের। চিঠিতে ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। আই প্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যমে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। যদিও ইডি বিবৃতি দিয়ে জানায়, কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় এই তল্লাশি চলছিল। গোটা দেশের ১০ জায়গায় তল্লাশি চলছিল। তার মধ্যে ৬টি বাংলায় ও চারটি দিল্লিতে। ইডির বক্তব্য, এই তদন্তে হাওয়ালা-যোগও উঠে আসে। আর এখানেই উঠে আসে আইপ্যাকের নাম। ইডির দাবি, ইন্ডিয়ান প্যাক কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড, অর্থাৎ আইপ্যাকের মাধ্যস্থতার হাওয়ালায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযুক্ত বেশ কয়েকজনের বয়ানে এই প্রতীক জৈনের নাম উঠে এসেছে। সেই কারণেই তল্লাশি।

  • Enforcement Directorate: প্রতীক জৈনের বাড়িতে জোর করে ঢুকেছিলেন মমতা! সুপ্রিম কোর্টে কী কী জানাল ইডি?

    Enforcement Directorate: প্রতীক জৈনের বাড়িতে জোর করে ঢুকেছিলেন মমতা! সুপ্রিম কোর্টে কী কী জানাল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের আই প্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে জোর করে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কী কী করেছিলেন? সুপ্রিমকোর্টে বিশেষ অভিযোগ করে একাধিক দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভার্মার বিরুদ্ধে ১৭ ধারায় মামলা দায়ের করেছে ইডি। আর্থিক দুর্নীতি মামলার তদন্তে জোর করে ঢুকে পরা এবং নথি, তথ্য-প্রমাণকে ছিনতাই করার অভিযোগ তুলেছে। একই ভাবে মামলার তদন্ত রিপোর্ট তৈরিতেও বাধা দেওয়া হয়েছে।

    ৩০৫ নম্বর ধারায় মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ (Enforcement Directorate)

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate) নিজেদের পিটিশনে বলেছেন, “কোনও রকম অনুমতি ছাড়াই প্রতীক জৈনের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী-পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জোর করে ঢুকে তদন্তের আওতায় থাকা নথি এবং ডিজিটাল ইনফরমেশন ছিনতাই করে নিয়ে গিয়েছে।” এই সব কিছুর সঙ্গে সম্পূর্ণ ঘটনার ভিডিও এবং ছবি পিটিশনের সঙ্গে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে তদন্তকারী আধকারিকদেরকে ভয় দেখানো হয়েছিল। ফলে পঞ্চনামা করাও সম্ভব হয়নি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০৫ নম্বর ধারায় মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগও আনা হয়। প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে তথ্য নিয়ে চলে যাওয়ার মানেই হল চুরি করা। রাজ্যের ডিজি এবং সিপির বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ রয়েছে।

    খরচ দেবেন রাজীব-মমতা দাবি ইডির

    মামলার গুরুত্বের কথা তুলে ধরে ইডি (Enforcement Directorate) দাবি করেছে, তদন্তে বাধা এবং অভিযান নিয়ে শেক্সপিয়ার সরণী এবং ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় ইডির অফিসারদের বিরুদ্ধে যে এফআইআর করা হয়েছে তা যেন সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তর করা হয়। একই ভাবে প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিসের সমস্ত ফুটেজ যা পুলিশের কাছে রয়েছে তার সবটাই যেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার ইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়। মামলার যাবতীয় খরচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজীব কুমারের ঘাড়ে যেন চাপানো দাবিও তোলা হয়। এই সমস্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী সিদ্ধান্ত নেয় তাই এখন দেখার।

    জোড়া মামলায় প্রথমেই মমতার নাম

    মমতার সবুজ ফাইল, ল্যাপটপ এবং নথি ছিনতাইকে ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ২টি মামলাও দায়ের করেছে। একটি মামলা করেছে ইডি (Enforcement Directorate) এবং অপর আরেকটি মামলা দায়ের করেছে ইডির তিন অফিসার নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলাওয়াত এবং প্রশান্ত চাণ্ডিলা। সুপ্রিম কোর্টে জোড়া মামলার প্রথমটি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নামে। মামলায় দুই নম্বর পক্ষের নাম রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তারপরেই নাম রয়েছে রাজীব কুমারের।

    রাজীব কুমার ব্যাগটা গোছান

    ইডির (Enforcement Directorate) তদন্তে বাধা দেওয়ার ঘটনায় রাজ্যের তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “কলকাতা পুলিশ নিজেই ফেঁসে বসে আছে। একটু আগেই আমি পেয়েছি, ইডি সুপ্রিম কোর্টে কেস ফাইল করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং স্বরাষ্ট্র দফতর, পুলিশ দফতরের বিরুদ্ধে। মনোজ ভার্মা, রাজীব কুমার ব্যাগটা গোছান।”

  • Suvendu Adhikari: “চা বাগানের শ্রমিকদের কাজের নথি এসআইআরে প্রামাণ্য”, শুভেন্দুর আবেদনে সিলমোহর কমিশনের

    Suvendu Adhikari: “চা বাগানের শ্রমিকদের কাজের নথি এসআইআরে প্রামাণ্য”, শুভেন্দুর আবেদনে সিলমোহর কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চা বাগানের নথিতেই ভোটার তালিকায় (SIR) তোলা যাবে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় পরিচয় এবং বাসস্থানের নথি হিসেবে চা বাগান এবং সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের রেকর্ড দেখানো যাবে। এবার মান্যতা দিলেন নির্বাচন কমিশন। বিজেপির তরফে উত্তরবঙ্গের চা বাগান এলাকায় এই দাবি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আগেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু আধিকারী (Suvendu Adhikari) তুলেছিলেন। এবার কমিশন মান্যতা দিয়েছে। গতকাল ১১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হয়েছে এই নির্দেশিকা।

    ভোট আপনাদের প্রকৃত শক্তি (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে বসবাসকারী জনজাতি, বনবাসী এবং বাগান শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে নথিগত সমস্যায় রয়েছে। এই জন্য তাঁদের ভোটাধিকার থেকেও বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকার এই এলাকার মানুষকে বহুদিন ধরে ভোটাধিকার দেয়নি। বঞ্চনার শিকার শ্রমিকরা। নির্বাচন কমিশনের (SIR) সিদ্ধান্ত একটি বড় জয় এবার। এখন থেকে চা বাগান বা সিনকোনা বাগানে কর্মসংস্থানের নথি ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। আপানাদের ভোট আপনাদের প্রকৃত শক্তি।”

    ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমল থেকেই কাজে নিযুক্ত

    গত ৬ জানুয়ারি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। এই চিঠিতে চাবাগান এবং সিনকোনা বাগানের কর্মসংস্থানের রেকর্ডকে পরিচয় ও বাসস্থানের সরকারি প্রমাণ হিসবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানান। প্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০ অনুযায়ী সার্বজনীন প্রাপ্ত বয়স্ক ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে অন্তর্ভুক্তমূলক ও সঠিক ভোটার তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল সরকার নানা টালবাহানা করে এই এলাকার জনগণকে প্রাপ্য ভোটাধিকার (SIR) থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। শুভেন্দু বলেন, “উত্তরবঙ্গের বহু চা বাগান এলাকায় বহু শ্রমিকেরা পূর্বপুরুষরা ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমালে এই অঞ্চলে কাজ শুরু করেছিলেন। সেই সময়ের সরকারি নথির অভাব থাকায় একমাত্র নির্ভরযোগ্য রেকর্ড হিসেবে বাগান মালিকের নথিই সংরক্ষিত ছিল। স্বাধীনতার পর বংশ পরম্পরায় এই নথিগুলি তাঁদের পরিচয়, বাসস্থান এবং পরিবারের তথ্য। শ্রম সংক্রান্ত কল্যাণমূলক প্রকল্পে এই নথিগুলি কার্যত প্রমাণপত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।”

    কোন কোন এলাকায় প্রযোজ্য

    রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের সিইও দফতর একটি নির্দেশিকা পাঠিয়ে জানিয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে নির্দিষ্ট বাগানের কর্মসংস্থান নথি দেখালেই হবে। তবে সেই সঙ্গে দিতে গবে বাসস্থানের বৈধ প্রমাণপত্রও (SIR)। এগুলিদিলেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা নিয়ে আর কোনও সংশয় থাকবে না। এই নির্দেশিকা কেবলমাত্র উত্তরবঙ্গের সাত জেলা যথা- দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহারের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। এই এলাকার চা বাগান এবং সিনকোনা চা বাগানের জন্যই বেশি পরিমাণে প্রযোজ্য হবে।

    আগে ১১ নথি ছিল

    যদিও আগে নির্বাচন কমিশন ১১টি নথির কথা জানিয়েছিল। তাঁর মধ্যে আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর নথি গ্রহণের কথা বলেছেন। এই এলাকার শ্রমিকরা বংশ পরম্পরায় উত্তরসূরী। নির্বাচন কমিশন শ্রমিকদের ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য কাজের কাগজে সিলমোহর দিয়ে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসককে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে।

    প্রান্তিক এলাকার মানুষের সুবিধা

    নির্বাচন কমিশন (SIR) পশ্চিমবঙ্গের সম্প্রতি মানুষের কথা ভেবে এসআইআর শুনানিতে প্রক্রিয়ায় আরও একটি বদল এনেছে কমিশন। রাজ্যের বিচ্ছিন্ন জনবসতি এবং প্রান্তিক মানুষের স্বার্থে ডিসেন্ট্রালইজড হিয়ারিং বা বিকেন্দ্রিত শুনানির অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চা বাগানের কর্মীদের জন্য নির্বাচন কমিশন এই বিশেষ নথিকেও এখন মান্যতা দিয়েছে। প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে এসআইআর শুনানিতে এই নতুন নির্দেশিকা ব্যাপক ভাবে সহযোগিতা করবে বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন।

    ভোট শতাংশের তফাৎ মাত্র ১০ শতাংশ

    রাজ্যে এসআইআর নিয়ে প্রথম থেকেই  তৃণমূলের আপত্তি। খসড়া তালিকায় ইতিমধ্যে বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম। লোকসভা ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির ভোট শতাংশের তফাৎ মাত্র ১০ শতাংশ। অপরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক সভায় নাম বাদ পরা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। দিল্লিতে মুখ্যনির্বাচন কমিশনার জ্ঞাণেশকুমারের সঙ্গে দেখা করে কমিশনকে নিশানা করেছিলেন অভিষেক। তবে পাল্টা বিজেপিও অবৈধ ভোটার প্রসঙ্গে সরব হয়েছে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গাদের একজনের নামও তালিকায় থাকবে না বলে হুঁশিয়ারই দিয়েছে বঙ্গ বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

  • IPAC: “পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    IPAC: “পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত”, বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জানুয়ারি কোর্টরুমে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার জেরে ভেস্তে গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে আইপ্যাক (IPAC) অভিযান হানা নিয়ে ইডির দায়ের করা মামলার শুনানি। হট্টগোল না থামায় এজলাস থেকে বেরিয়ে যান বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। এই মমলার পরবর্তী শুনানি হবে দিন সাতেক পরে। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূলকেই নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, পুরো ঘটনাটি তৃণমূলের পরিকল্পিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তৃণমূলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাটের স্ক্রিনশট তুলে ধরে এই দাবি করা হয়েছে। যদিও সেই স্ক্রিনশটের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। শুভেন্দুর দাবি, এটা পরিকল্পনা করেই করেছে তৃণমূল। এই পরিপ্রেক্ষিতে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের চ্যাট ভাইরাল হয়েছে। তাতে লেখা, কোর্ট নম্বর ৫-এ সবাই চলে আসবেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, এরই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কক্ষে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন তৃণমূলপন্থী আইনজীবীরা।

    বিচারপতির বক্তব্য (IPAC)

    বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, আদালতের পরিবেশ শুনানির (Suvendu Adhikari) উপযোগী ছিল না। বিচারপতির বক্তব্য (IPAC), “এজলাসে আইনজীবী থেকে শুরু করে উপস্থিত অন্যরা গোলযোগ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁদের বারবার অনুরোধ করা হয় আদালতের মর্যাদা ও শিষ্টাচার রক্ষা করার জন্য। কিন্তু সেই অনুরোধ কারও কানে পৌঁছয়নি। তাই বাধ্য হয়েই আদালত মুলতুবি করা হল। আগামী ১৪ জানুয়ারি নতুন করে এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হল।” কথাগুলি বলেই এজলাস ছেড়ে চলে যান বিচারপতি।

    কবুল কল্যাণের

    এদিন তৃণমূলের পক্ষে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনিও বলেন, “খুব হইচই হচ্ছিল। বিচারপতি বলেছেন, ওই পরিবেশে তিনি শুনানি করেন না।” যদিও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এজলাসে ভিড় করে রাখা হয়েছিল। আর সেটা করেছিল তৃণমূল। শাসক দল অবশ্য সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে যে অর্ডার কপি সামনে এসেছে, তাতে বিচারপতি নিজে জানিয়েছেন শুক্রবার কোর্টরুমের ভেতরে ঠিক কী হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় (Suvendu Adhikari) শনিবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আবেদন করেছে ইডি। যদিও তার আগেই রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে (IPAC)।

  • Suvendu Adhikari: “৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রমাণ দিন, নইলে…” মমতাকে মানহানির চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রমাণ দিন, নইলে…” মমতাকে মানহানির চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানহানির চিঠি পাঠালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কয়লা কেলেঙ্কারিতে এবার রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নাম জড়িয়েছেন মমতা। শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো নোটিসে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যে অভিযোগ প্রকাশ্যে করেছেন, তার স্বপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ দিতে হবে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেই প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে আইনি পথে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী সূর্যনীল দাসের মাধ্য়মে চিঠি পাঠিয়েছেন শুভেন্দু।

    কী বলা হয়েছে আইনি নোটিসে

    মমতাকে পাঠানো শুভেন্দুর আইনি নোটিসে দাবি করা হয়েছে যে ৮ এবং ৯ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যার কোনও ভিত্তি নেই। এই সব মন্তব্য অসত্য এবং মানহানির কারণ। তাই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই নোটিসে আরও দাবি করা হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়লা কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নামও তোলেন। এমনকী এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নামও জড়িয়ে দেন। তিনি দাবি করেন, কয়লা পাচারের টাকা শুভেন্দুর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে যায়। কিন্তু তিনি যে এ সব অভিযোগ করেছেন, তার স্বপক্ষে কোনও তথ্য বা প্রমাণ সামনে আনা হয়নি। তাই মানহানির নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই নোটিসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণ দেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টা দিয়েছেন শুভেন্দুর আইনজীবী। নইলে দেওয়ানির পাশাপাশি ফৌজদারি মানহানির মামলাও করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে এই চিঠিতে।

    অশালীন ইঙ্গিত মমতার

    এই নোটিসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া নিন্দা করা হয়। আইনজীবীর পক্ষ থেকে জানান হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ধরনের বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে করেছেন, সেগুলি অত্যন্ত অশালীন এবং অসম্মানজনক। শুভেন্দু অধিকারীকে যে ‘দত্তক সন্তান’ বলা হয়েছে, এই মন্তব্যেরও কড়া নিন্দা করা হয় এই নোটিসে। এই মন্তব্যের জন্য শুভেন্দুর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে দাবি। পাশাপাশি পারিবারিক সম্মানও কমেছে বলে জানান তাঁর আইনজীবী। আই প্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডি তল্লাশি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার এক বেনজির দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে বাংলা তথা গোটা দেশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির মাঝে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রীকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবারও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিঁধে দাবি করেছিলেন, ইডি-র মাধ্যে তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এই তল্লাশি প্রসঙ্গেই সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বেলাগাম আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার প্রমাণ চেয়ে চিঠি পাঠালেন শুভেন্দু।

  • Suvendu Adhikari: আইপ্যাকের ১৬ কোটি টাকার দুর্নীতি ফাঁস করলেন শুভেন্দু, মমতাকে ‘গুন্ডি’ তকমা

    Suvendu Adhikari: আইপ্যাকের ১৬ কোটি টাকার দুর্নীতি ফাঁস করলেন শুভেন্দু, মমতাকে ‘গুন্ডি’ তকমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় কেন্দ্রীয় তল্লাশি অভিযানে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং পরবর্তী আইনি জটিলতা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কয়লাপাচার এবং আর্থিক দুর্নীতি প্রসঙ্গে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে বাধা দিয়েছেন। কেন তাল্লাশি অভিযানস্থল থেকে নথি উদ্ধার করে নিয়ে যান? কাকে বাঁচাতে চান? এইরকম নানা প্রশ্ন তুলে শুক্রবার বিধানসভার বাইরে তৃণমূল নেত্রীকে তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি অভিযোগ করেন, জনস্বাস্থ্য দফতরের টেন্ডার পাওয়া এক ঠিকাদারের সংস্থার কাছ থেকে আইপ্যাকের কোটি কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনও হয়েছে।

    দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তর পাশে তৃণমূল (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী এই ভাবে সাংবিধানিক পদে থেকে কীভাবে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে পারেন? এই প্রশ্ন তুলে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “ইডির কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে ক্রিমিনাল অফেন্স বা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে শেখ শাহজানের মতো কাজ করেছেন। শাহজাহান যা করেছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাই করেছেন। এই তৃণমূল নেতাকে যদি গুন্ডা বলি তাহলে মমতাকে (Mamata Banerjee) গুন্ডি বলতেই পারি। রাজীব কুমার থেকে শুরু করে শেখ শাহজাহান যাঁরাই দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত তাঁদের বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়ান। এই ঘটনা পুলিশ এবং প্রশাসনের সহায়তায় সংবিধান বিরোধী ঘটনা।”

    তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা

    ইডির কাজের মমতার হস্তক্ষেপের বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। এই মামলার প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সঠিক পথেই এগিয়েছে। ইডির তরফে কলকাতা হাইকোর্টে যে লিভ চাওয়া হয়েছিল তা মঞ্জুর হয়েছে। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ইডি-র পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেসপন্ডেন্ট নম্বর ওয়ান। তদন্তে বাধা দেওয়া এবং তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার সহযোগে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ। ইডি আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছে যাতে সিবিআইকে দিয়ে এই তদন্ত করানো যায়।”

    চেক নম্বর ০০১৭৩৯

    বড়সড় আর্থিক দুর্নীতি প্রসঙ্গে আইপ্যাকের বিরুদ্ধে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “জল জীবন মিশনে দুর্নীতির টাকা সরাসরি ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে।” সাংবাদিকদের সামনে প্রশ্ন করে আরও বলেন, “২০২১ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ জেপি কনস্ট্রকশন নামে এক সংস্থা পিএইচই থেকে প্রায় ১৭৮ কোটি টাকার বরাত পেয়ছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় ওই সংস্থা ১৬ কোটি টাকা সরাসরি আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে। চেক নম্বর ০০১৭৩৯। ব্যাথাটা কোথায় বুঝেছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী? কেন তিনি তড়িঘড়ি ছুটে গেলেন? কারণ এই ১৬ কোটি টাকার লেনদেন তথ্য ইডির হাতে চলে আসতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী চোরদের বাঁচাতে রাস্তায় নেমেছেন। জনগণ চোরদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবে। দিল্লি বা গোয়া নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে হাওয়ালার টাকা ব্যবহার করেছে আইপ্যাক।”

    বিনাশকালে বুদ্ধি নাশ

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের মন্তব্য নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্যপাল যথার্থ বলেছেন বিনাশ কালে বুদ্ধিনাশ। গতকাল পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) বাধার মুখে ইডি আধিকারিকারা যে সংযম দেখিয়েছেন তা প্রশংসনীয়। তবে ইডি বল প্রয়োগ করলে সন্দেশখালির মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারত। ইডির আধিকারিক আক্রান্ত হতে পারতেন।”

  • Suvendu Adhikari: “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের আই প্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি অভিযানকে আটকাতে পৌঁছে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই অভিযানের সময় একই ভাবে বাড়িতে যান সিপি মনোজ ভর্মা। এরপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন সবুজ ফাইল হাতে মমতা। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। কিন্তু পাল্টা মমতার বিরুদ্ধ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আগেও হস্তক্ষেপ করেছেন মমতা (Suvendu Adhikari)!

    দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায় আই প্যাকের কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি করতে যান। এমন সময়ে আচমকা তদন্তকে আটকাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) উপস্থিত হন। এরপর সোজা ঢুকে সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে বেড়িয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অমিত শাহকে তোপ দেগে বলেন, “দলের রণনীতি, পরিকল্পনা, প্রার্থী তালিকা, হার্ডডিস্ক সব কিছুকে হাতিয়ে নিচ্ছে বিজেপি।” এরপর পাল্টা মমতাকে আক্রমণ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে এর আগেও হস্তক্ষেপ করেছে। ২০২১ সালে তিনি নিজাম প্যালেসে ধরনা দিয়েছিলেন। ফিরাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্রদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে। তারও আগে সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। সিপিকে নিয়ে ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছিলেন।”

    সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ!

    আর্থিক দুর্নীতি মামলা বিষয়ে মমতার সরাসরি হস্তক্ষেপর বিষয়ে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের কাজ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ ও তদন্তে বাধা দেন। একজন মুখ্যমন্ত্রী কেবল রাজনৈতিক নেতানেত্রী নন, তিনি একজন প্রশাসনিক প্রধান। ইডির উচিত নিজের আইনকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলা। মুখ্যমন্ত্রী এবং সিপির এই যাওয়াটা সম্পূর্ণ ভাবে অসাংবিধানিক, অনৈতিক এবং তদন্তে বাঁধা প্রধান করা।” তবে এদিনের তদন্তে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ছিল বলে জানা গিয়েছে।

  • Domicile Certificate: এসআইআর-এ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই! জানাল কমিশন, কেন গ্রাহ্য নয়, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর

    Domicile Certificate: এসআইআর-এ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই! জানাল কমিশন, কেন গ্রাহ্য নয়, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট ভাবে এসআইআর-এর কাজে এই সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, কখন‌ওই এমনটা বলা হয়নি। ওই সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা অন্য জায়গায়। সাধারণত সেনাবাহিনীতে নিয়োগ এবং অন্য রাজ্যের বাসিন্দা, যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই শংসাপত্রের প্রয়োজন হয়।

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কী, কোথায় লাগে

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) এমন একটি প্রমাণপত্র, যা নিশ্চিত করে যে একজন একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে (রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে কী নিয়ম রয়েছে রাজ্যের কাছে তা জানতে চেয়েছিল কমিশন। রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, ১৯৯৯ সালের ২ নভেম্বর তারিখে জারি করা নির্দেশে বলা রয়েছে, প্রতিরক্ষা এবং আধা সামরিক বাহিনীর চাকরির জন্য ওই শংসাপত্র দেওয়া হয়, যা প্রদান করার ক্ষমতা একমাত্র জেলাশাসকদের রয়েছে। ঘটনাচক্রে কোনও ব্যাক্তির বাবা–মা সাধারণত ১৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে থাকলে, তখন তিনি এই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারেন। এর পর আবেদনকারী বা তাঁর বাবা–মায়ের নামে পশ্চিমবঙ্গে বাড়ি বা জমি রয়েছে কি না, তা দেখা হয়। এ ছাড়া বা-বাবা ভিন্‌রাজ্যের হলে আবেদনকারীর জন্ম পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি রাজ্যের কোনও প্রাথমিক স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন কিনা সে বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। এর প্রামাণ্য নথি হিসাবে জন্ম সার্টিফিকেট বা স্কুলের পড়ার নথি জমা দিতে হবে। এর পর দেখা হয় আবেদনকারীর কোথায় বসবাস করেন। কোনও সরকারি কোয়ার্টার, না ভাড়াবাড়িতে, নাকি তাঁর নিজের বাড়ি রয়েছে। সেখানে তিনি কত দিন থাকছেন, এই সকল বিষয় খতিয়ে দেখার পর ‘পুলিশ ভেরিফেকশন’ হয়। সব ঠিকমতো হলে তবেই এই শংসাপত্র প্রদান করা হয়।

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কেন গ্রাহ্য নয়, জানালেন শুভেন্দু

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু করা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ না করার নির্দেশ অনানুষ্ঠানিকভাবে সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তার পাল্টা চিঠি দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এবার এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যুতেই সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রীর আইনের বই পড়া উচিত। ১০ বছর না হলে সেই সার্টিফিকেট গ্রাহ্য নয়।” তাঁর পাল্টা অভিযোগ, “আইপ্যাকের তৈরি করা ফর্মুলাতে অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটার বাংলাদেশের অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের তালিকায় রাখার চেষ্টা চলছে।” তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুর্নীতিগ্রস্ত জেলাশাসক সুমিত গুপ্তকে কলকাতা পৌরসভার কমিশনার বানিয়ে বরো ভিত্তিক বার্থ সার্টিফিকেট দিতে চান, তাহলে তো অবৈধ হবেই। নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত আপডেটেড।”

LinkedIn
Share