Tag: tmc

tmc

  • Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের একটা অংশের বিরোধ রয়েছে। প্রকাশ্যেই দলের সাংসদ আবু তাহের সহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে তিনি মুখ খুলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের রোষে পড়েন। শুক্রবার কালীঘাটে বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো বেশি কথা বলার জন্য ধমক দেন। কিন্তু, বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি ফের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই সুর চড়িয়েছেন। এবার তাঁর সরাসরি আঙুল অভিষেকের অফিসের দলীয় এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

     অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, ‘কোনও চ্যাং-ব্যাং, ২৭-২৮ বছরের ছেলেরা ৬০, ৬২, ৭০ বছরের নেতৃত্বকে অবহেলা করবে, তাঁদের কর্তৃত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ করবে, ভুল ট্রিটমেন্ট করা, মূল্যায়ন করা, মেনে নেওয়া যায় না। সেটা আমি সব মানব না!’ এসব বলার পাশাপাশিই অভিষেকের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘অভিষেক সত্যিই যোগ্য নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন। তিনি শুধু ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ নন। পাশাপাশি তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। মমতার পরেই তাঁকে মানি। নবীনদের মধ্যে যদি প্রতিভা থাকে, তাঁরা নেতৃত্ব দিতেই পারেন। যেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর নাম করে তাঁর অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন। নিজে নিজের ব্লক সভাপতি ঠিক করে দিচ্ছেন। তা হলে আমাদের রাজনীতি করার মানে কী? অভিষেককে আমি নেতা মানি। তাঁর হুইপ মানতেও রাজি। কিন্তু, তাঁর নাম করে কেউ অনৈতিক কাজ করবে, সেটা মানা সম্ভব নয়। তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করতে গিয়ে বলেন, দলনেত্রী মমতা আমাকে দায়িত্ব দিলে লোকসভা ভোটে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে দু’লক্ষ ভোটে হারিয়ে দেখিয়ে দেব।’

    মমতার ধমক নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    শুক্রবার দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো সকলের সামনেও হুমায়ুনকে ধমক দেন। সেই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন,’ ধমকের কোনও বিষয় নয়। প্রবাদবাক্য রয়েছে, শাসন করার অধিকার তাঁরই থাকে যিনি ভালবাসেন। সোহাগ করতে জানেন। দিদি আমাকে স্নেহ করেন। তাই কোনও সময়ে ভুল করলে বকুনিও দেন। আমি মনে করি, গুরুজনের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। রাজনীতির ময়দানে তিনি গুরুজন। তাঁর কথায় কিছু মনে করি না। তাঁর প্রতি বলার কিছু নয়। যোগ্য নেতৃত্ব বলে মনে করি।’ এরপরই তিনি চেনা ঢঙে বলেন, ‘আমাকে চমকিয়ে-ধমকিয়ে লাভ নেই। আমি বহিষ্কার বা ওই ধরনের শাস্তির ভয় পাই না। তাঁর কথায়, দল ছাঁটাইয়ে প্রস্তুত আছে। কিন্তু দল ছাঁটাই করবে কি না দলকে ভাবতে হবে। ছাঁটাই করলে কোথায় রাস্তা খুঁজতে হয়, সঠিক মূল্যায়ন করতে হয় আমি জানি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি! বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা

    Panihati: চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি! বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাউন্সিলারদের নজিরবিহীন প্রতিবাদে ভেস্তে গেল পানিহাটি (Panihati) পুরসভার বোর্ড মিটিং। শুক্রবার বিকেলে মিটিংয়ে উপস্থিত হওয়া শাসক দলের কাউন্সিলররা প্রকাশ্যে চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব মানতে অস্বীকার করেন। তাঁরা বলেন, পুরসভা সঠিকভাবে চলছে না। চেয়ারম্যানকে সরাতে হবে। উচ্চ নেতৃত্ব আমাদের সঙ্গে না বসলে আমরা বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নেব না। এরপর শাসক দলের কাউন্সিলররা হাজিরা খাতায় সই না করে বেরিয়ে যান। এই ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছেন শাসক দলের জেলা নেতৃত্ব।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    পানিহাটির (Panihati) ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি করে কংগ্রেস ও সিপিএমের দখলে। বাকি তৃণমূলের। শুক্রবার ছিল বোর্ড মিটিং। সমস্ত পুরপ্রতিনিধির থাকার কথা থাকলেও তৃণমূলের ২৯ জন (পুরপ্রধান-সহ) এবং সিপিএম ও কংগ্রেসের দু’জন ছিলেন। দেখা যায়, একে একে সকলে এলেও বিধায়ক নির্মল ঘোষের পুত্র তথা চেয়ারম্যান পারিষদ তীর্থঙ্কর ঘোষ-সহ আরও তিন পুরপ্রতিনিধি, তাপস দে, স্বপন দাস ও সম্রাট চক্রবর্তী অনুপস্থিত। এদিন পূর্ব নির্ধারিত বোর্ড মিটিংয়ে পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার ও ফিনান্স অফিসার সহ সমস্ত কাউন্সিলররা হাজির ছিলেন। কিন্তু, বৈঠকের শুরুতে শাসক দলের কাউন্সিলররা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রবীর ভটাচার্য নামে তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর প্রকাশ্যে পুরসভা সঠিকভাবে চলছে না বলে অভিযোগ তোলেন। অন্যান্য কাউন্সিলররা তাঁকে সমর্থন করেন। চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি জানিয়ে ২৮ জন পুরপ্রতিনিধি আলোচনাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। দাবি তুললেন, পুরপ্রধান বদল করতে হবে! কারণ, তাঁর নেতৃত্বে কোনও কাজই ঠিক ভাবে হচ্ছে না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অন্দরে তীব্র জলঘোলা শুরু হয়েছে।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    শাসকদলের পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে তাঁর দলেরই পুরপ্রতিনিধিদের এ হেন অনাস্থা প্রকাশের ঘটনা শুক্রবার ঘটেছে পানিহাটিতে (Panihati)। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূলের কোর কমিটির সম্প্রসারণ করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কমিটিতে পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আর সেই নির্মলবাবুরই খাসতালুক বলে পরিচিত পানিহাটিতে এমন ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এ দিন ঘটনার পর থেকেই পানিহাটিতে জল্পনা চলছে, তা হলে কি সত্যিই পুরপ্রধান বদল করা হবে? যদিও বিষয়টি নিয়ে নির্মলবাবু কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, কোরাম গঠন না হওয়ায় এদিন বোর্ড মিটিং সম্ভব হয়নি। বিষয়টি দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে নতুন করে বোর্ড মিটিংয়ে দিনক্ষণ স্থির করা হবে।

    তৃণমূলের জেলা সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের নিজের বিধানসভা এলাকার পুরসভার ঘটনা। তাই, দলের উচ্চ নেতৃত্ব বিষয়টি নিশ্চয়ই গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সম্প্রীতির মিছিলের নামে মমতা দাঙ্গা লাগাতে চাইছেন’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সম্প্রীতির মিছিলের নামে মমতা দাঙ্গা লাগাতে চাইছেন’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) । পুলিশের খাতায় তিনি এখনও ফেরার। তবে, যতদিন যাচ্ছে শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এলাকাবাসী। এরইমধ্যে সামনে এসেছে তেভাগা আন্দোলনের পীঠস্থানেও জমি কেলেঙ্কারি! আর পিছনেও রয়েছে শাহজাহান। এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস ছিল না। প্রায় দুসপ্তাহের কাছাকাছি তিনি এলাকা ছাড়া থাকায় এলাকার মানুষ এবার ধীরে ধীরে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

    শহিদ পরিবারের জমিও রেকর্ড করে নিয়েছে শাহজাহানের পরিবার! (Sheikh Shahjahan)

     তেভাগা আন্দোলনের পীঠস্থানেই জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির বেড়মজুর পঞ্চায়েত এলাকায় তেভাগা আন্দোলনের ইতিহাস রয়েছে। জমি আন্দোলনে যুক্ত থেকে প্রাণ হারানো কৃষকদের জন্য রয়েছে শহিদ বেদীও। অভিযোগ, সেই বেদী সংলগ্ন গরিব চাষিদের জমি শাহজাহানের প্রত্যক্ষ মদতে তাঁর ভাই বেড়মজুরের অঞ্চল সভাপতি সিরাজউদ্দিন শেখ দখল করে নিয়েছেন। শহিদ বেদীর অবস্থা তথৈবচ। ভেঙে পড়ছে চাঙর। শহিদ পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, বেদীর দু’পাশে জমি ৯১১ নম্বর খতিয়ান, আরেকপাশে ২২২৩ ও ২২২৪ নম্বর খতিয়ানের জমি এখন সিরাজউদ্দিনের দখলে রয়েছে। অথচ এই জমি আমাদের বাবাদের নামে। আমরা এখানে চাষবাস করে খাই। হঠাৎ করে দেখি এই জমি ওঁদের নামে রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। আমাদের জমি দখল হয়ে যায়। আর দাদার দাপটে এলাকায় কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না। কারণ, কেউ জমি দখলের বিষয়ে মুখ খুললে বিপদ। বাড়িতে এসে ভাঙচুর করবে, মারধর করবে। পাশেই দাঁড়িয়ে গ্রামেরই আরেক বৃদ্ধা বললেন,ধমক-চমক দেখায়। অন্য জমি থাকলেও, তা ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাবে। কোনও দিনই বিচার পাইনি, পাব বলে আশাই করি না। ইডি-র হামলার পর থেকে যদিও গ্রামে এখন আপাতত শেখ শাহজাহান কিংবা শেখ সিরাজউদ্দিন কারোরই টিকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বুকে বল নিয়ে সাহস করে এসব কথা বলে শাহজাহানের জমানায় অত্যাচারিত হওয়া পরিবারের লোকজন সুবিচার চাইছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: সরকারি বাংলো খালি করতেই হবে! মহুয়ার আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    Mahua Moitra: সরকারি বাংলো খালি করতেই হবে! মহুয়ার আবেদন খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগে আগেই মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে। তাঁকে দিল্লির সরকারি বাংলো খালি করতে নির্দেশ দেওয়া হয় এরপর। দিল্লির সরকারি বাংলো খালি করার নোটিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন করেছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ। বৃহস্পতিবারই তা খারিজ হয়ে গেল দিল্লি হাইকোর্টে। দিল্লি হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সরকারি বাংলোয় থাকার অধিকার হারিয়েছেন মহুয়া মৈত্র।

    বাংলো খালি করার নোটিশ পাঠিয়েছিল কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)

    কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের বহিষ্কৃত এই তৃণমূল সাংসদকে বাংলো খালি করার নোটিশ পাঠিয়েছিল কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)। বৃহস্পতিবারই সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া। সেখানেই খারিজ হল তাঁর আবেদন। মামলায় আদালতের সাফ বক্তব্য, মহুয়াকে (Mahua Moitra) সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার ফলে তিনি আর ওই বাংলোয় থাকতে পারেন না।

    গত বছরের ৮ ডিসেম্বর মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ হয়

    গত মঙ্গলবারই মহুয়াকে বাংলো খালি করতে বলে কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)। নোটিশে এও লেখা হয়, বাংলো খালি না হলে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের রাস্তাতেও যাওয়া হবে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ হয়। সেই সময়ই তাঁকে সময়সীমা দেওয়া হয় ৭ জানুয়ারির মধ্যে দিল্লিতে সরকারি বাংলো খালি করার। কিন্তু মহুয়া তার পরেও নির্দেশ মানেননি। গত ৮ জানুয়ারি, ফের নোটিশ আসে মহুয়ার (Mahua Moitra) কাছে। কেন এখনও বাংলো খালি করেননি, তিন দিনের মধ্যে তার কারণ জানাতে বলা হয় তাঁকে। এরপরে আদালতের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার আবার নোটিশ যায় মহুয়ার কাছে। মহুয়া হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বৃহস্পতিবার খারিজ হল তাঁর আবেদন।

     

    আরও পড়ুুন: “আমি বাংলা বলতে চাই, আপনারাও বাংলায় বলুন”, বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: তেভাগা আন্দোলনের শহিদ পরিবারের জমিতেও থাবা শাহজাহানের!

    Sheikh Shahjahan: তেভাগা আন্দোলনের শহিদ পরিবারের জমিতেও থাবা শাহজাহানের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) । পুলিশের খাতায় তিনি এখনও ফেরার। তবে, যতদিন যাচ্ছে শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন এলাকাবাসী। এরইমধ্যে সামনে এসেছে তেভাগা আন্দোলনের পীঠস্থানেও জমি কেলেঙ্কারি! আর পিছনেও রয়েছে শাহজাহান। এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস ছিল না। প্রায় দুসপ্তাহের কাছাকাছি তিনি এলাকা ছাড়া থাকায় এলাকার মানুষ এবার ধীরে ধীরে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

    শহিদ পরিবারের জমিও রেকর্ড করে নিয়েছে শাহজাহানের পরিবার! (Sheikh Shahjahan)

    তেভাগা আন্দোলনের পীঠস্থানেই জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির বেড়মজুর পঞ্চায়েত এলাকায় তেভাগা আন্দোলনের ইতিহাস রয়েছে। জমি আন্দোলনে যুক্ত থেকে প্রাণ হারানো কৃষকদের জন্য রয়েছে শহিদ বেদীও। অভিযোগ, সেই বেদী সংলগ্ন গরিব চাষিদের জমি শাহজাহানের প্রত্যক্ষ মদতে তাঁর ভাই বেড়মজুরের অঞ্চল সভাপতি সিরাজউদ্দিন শেখ দখল করে নিয়েছেন। শহিদ বেদীর অবস্থা তথৈবচ। ভেঙে পড়ছে চাঙর। শহিদ পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, বেদীর দু’পাশে জমি ৯১১ নম্বর খতিয়ান, আরেকপাশে ২২২৩ ও ২২২৪ নম্বর খতিয়ানের জমি এখন সিরাজউদ্দিনের দখলে রয়েছে। অথচ এই জমি আমাদের বাবাদের নামে। আমরা এখানে চাষবাস করে খাই। হঠাৎ করে দেখি এই জমি ওঁদের নামে রেকর্ড হয়ে গিয়েছে। আমাদের জমি দখল হয়ে যায়। আর দাদার দাপটে এলাকায় কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না। কারণ, কেউ জমি দখলের বিষয়ে মুখ খুললে বিপদ। বাড়িতে এসে ভাঙচুর করবে, মারধর করবে। পাশেই দাঁড়িয়ে গ্রামেরই আরেক বৃদ্ধা বললেন,ধমক-চমক দেখায়। অন্য জমি থাকলেও, তা ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যাবে। কোনও দিনই বিচার পাইনি, পাব বলে আশাই করি না। ইডি-র হামলার পর থেকে যদিও গ্রামে এখন আপাতত শেখ শাহজাহান কিংবা শেখ সিরাজউদ্দিন কারোরই টিকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বুকে বল নিয়ে সাহস করে এসব কথা বলে শাহজাহানের জমানায় অত্যাচারিত হওয়া পরিবারের লোকজন সুবিচার চাইছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বহরমপুরের পর রানিনগর, তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্ক

    Murshidabad: বহরমপুরের পর রানিনগর, তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সত্যেন চৌধুরীকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরের চর ৫১ গ্রামে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুরুতর জখম ওই যুবকের নাম মনোজ মণ্ডল (২৭)। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই সঞ্জয় মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর ২৬ জুলাই রাতে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরের চর ৫১ গ্রামে একটি বিষয় নিয়ে বাপি মণ্ডল নামে এক তৃণমূল কর্মী ও তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল রাজবীর মণ্ডল নামে এক যুবকের। অভিযোগ, সেইদিন বাপি ও তাঁর শাগরেদরা মিলে রাজবীর-সহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করেছিল। সেদিন বাপির সঙ্গী ছিলেন এদিনের জখম তৃণমূল কর্মী মনোজ মণ্ডল। আর তারই বদলা নিতে রাজবীররা কয়েকজন মিলে বুধবার রাতে মনোজের বাড়িতে ঢুকে হয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। যার একটি গুলি তাঁর পেটে লেগেছে। মনোজ বাড়িতেই ঘুমিয়ে ছিলেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে রানিনগরের গোধনপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী বললেন?

     রানিনগর ২ ব্লকের নব নির্বাচিত সভাপতি মাহাবুব মুর্শিদ বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করে রেখেছে বিজেপি। এই ঘটনা তারই জের। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পুলিশ প্রকৃত দোষীদের ধরে শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির রানিনগর মণ্ডল সভাপতি আশিক ইকবাল বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপি কোনওভাবেই জড়িত নয়। পুরানো ঝামেলার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ”সম্প্রীতি মিছিল’ করে হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা করছেন মমতা’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ”সম্প্রীতি মিছিল’ করে হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা করছেন মমতা’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনই ‘সম্প্রীতি মিছিল’ করতে চলেছে তৃণমূল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই আবহের মধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ২২ জানুয়ারি ‘সম্প্রীতি মিছিল’ করে হিংসায় উস্কানি দিতে চাইছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের উচিত হিংসায় উস্কানি দেওয়ার পরিকল্পনাকে ভেস্তে দেওয়া। জানা গিয়েছে, এই মিছিলের জেরে রাজ্যে সম্প্রীতি বিঘ্নিত হতে পারে, এমন দাবি করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত স্বাভাবিক বলেই মনে করেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি।

    ‘সম্প্রীতি মিছিল’ করে হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা (Sukanta Majumdar)

    বুধবার হুগলির ধনেখালিতে বিজেপির রাজ্য চিকিৎসক সেলের কো-কনভেনার ড. অরূপকুমার দাস বাড়িতে আসেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সেখানে তিনি বলেন, ২২ জানুয়ারি আপনারা জানেন যে রামমন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে। হিন্দু সমাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেদিন মন্দিরে মন্দিরে পুজো করবে। ভগবান রামের আরধানা করবে এবং যে দেবতার মন্দির, তাঁর আরাধনা করবে। এই পরিস্থিতিতে এই মিছিলের ডাক দিয়ে আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উস্কানি দিয়ে হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন। এই হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা আদালতের উচিত ভেস্তে দেওয়া।

    লাদেনের শেষ পরিণতির মতো খুঁজে পাওয়া যাবে না শাহজাহানকে!

    এ দিন তিনি শেখ শাহজাহান প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, শেখ শাহজাহানকে ধরতে পারছে না বলাটা ঠিক নয়। আসলে পুলিশ তৃণমূল কংগ্রেসের কথায় এই নাটক করছে।  সত্যের অপলাপ হচ্ছে। বিচারপতি তো আর অত খুলে বলতে পারবেন না। বলা সম্ভবও নয়। পুলিশ জানে শাহজাহান কোথায় লুকিয়ে আছে। দরাদরি চলছে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। তবে এটা ঠিক একবার যখন ইডির গায়ে হাত দিয়েছে, অত সহজে ছাড় পাবে না। গুহায় লুকিয়ে থেকে লাদেন একসময় অডিয়ো – ভিডিয়ো বার্তা পাঠাত। লাদেনের শেষ পরিণতি কী হয়েছিল সবাই জানে। কোথায় তাকে কবর দেয়া হয়েছিল কেউ জানে না। শেখ শাহজাহানেরও সেই রকমই একটা পরিণতি হবে। খুঁজে পাওয়া যাবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: শাগরেদের সঙ্গে আদালতে দেখা করাই হল খুনির কাল, পুলিশের জালে গ্রেফতার

    Murshidabad: শাগরেদের সঙ্গে আদালতে দেখা করাই হল খুনির কাল, পুলিশের জালে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে গত ৭ জানুয়ারিতে নির্মীয়মাণ বহুতলে উঠে তিনজন দুষ্কৃতী গুলি করে খুন করেছিল তৃণমূল নেতা সত্যেন চৌধুরিকে। তিন দুষ্কৃতীদের মধ্যে একজনের মাথায় হেলমেট পড়া ছিল। তবে মাথা ঢাকা থাকলেও রেহাই পায়নি খুনি। শাগরেদের সঙ্গে আদলাতে দেখা করাই কাল হল খুনির। মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ আদালত চত্বর থেকে ধরে ফেলে এই অভিযুক্ত খুনিকে। ধৃত দুষ্কৃতীর নাম রহিম শেখ।

    ফাঁদ পেতে পাকড়াও করা হয় খুনিকে (Murshidabad)

    বহরমপুর (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা সত্যেন চৌধুরিকে খুন করতে সুপারি কিলার হিসাবে খুনিদের ভাড়া করা হয়েছিল। তাই তাকে খুন করতে অত্যন্ত কাছ থেকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুটি মোবাইল নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। এরপর গ্রেফতার ঠেকাতে বাংলাদেশে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল অভিযুক্ত প্রধান খুনি রহিম শেখ। সীমান্তের ওপারে যেতে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে আদালত চত্বরে আসে রহিম। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাকে ধরার জন্য ফাঁদ পেতে রাখে। আদালত চত্বরে পৌঁছালেই সঙ্গে সঙ্গে পাকড়াও করে রহিমকে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার তাকে আদলাতে তোলা হয়। বিচারক, এই অভিযুক্ত খুনিকে ১০ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার পুলিশ প্রধান সূর্য প্রতাপ এই খুনের পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছেন, “খুনের পর ঘটনাস্থলের পাশে থাকা দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত খুনিদের তল্লাশি করার কাজ শুরু হয়েছিল। বেশ কিছু অভিযুক্তদের পাকড়াও করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে। খুনের পিছে আর কে কে আছে তাদের খোঁজ করা হচ্ছে।”

    কল লিস্ট থেকে মিলেছে তথ্য

    খুন হওয়া সত্যেনের (Murshidabad) একটি মোবাইল উদ্ধারের পর কল লিস্ট থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পুলিশের অনুমান ছিল খুনে অভিযুক্তরা নওদা হয়ে নদিয়ার সীমান্তে আত্মগোপন করে রয়েছে। পাশাপাশি মোবাইলের সূত্র ধরে নদিয়ার এক যুব তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তার নাম মুস্তাফা শেখ। এই তৃণমূল নেতার বাড়ি হল তেহট্ট-১ ব্লকের কানাইনগরে। তিনি এই অঞ্চলের অঞ্চল যুব তৃণমূলের সহ-সভাপতি। এরপর বাকি অভিযুক্তদের ধরার প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ। পরে অবশ্য মুস্তাফা জামিন পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ভিডিও কলে বোমা দেখিয়ে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল কর্মী, তীব্র চাঞ্চল্য

    Hooghly: ভিডিও কলে বোমা দেখিয়ে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল কর্মী, তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিডিও কলে বোমা দেখিয়ে গ্রেফতার হলেন তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত এক যুবক। যুবকের নাম শেখ শামিম। ঘটনা ঘটেছে হুগলির (Hooghly) তারকেশ্বরের কাছে নাইটা মাল পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পিয়াসারা এলাকায়। পুলিশের কাছে জেরা করে ধৃত যুবকের কাছে এক ডজন আরও বোমা পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য (Hooghly)

    ঘটনায় স্থানীয় (Hooghly) পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবক এলাকায় তৃণমূল করে। গত সোমবার রাতে একটি ভিডিও কলের ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, শামিম নিজের হাতে বোমা নিয়ে একজনকে দেখাচ্ছে। একই ভাবে তার কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে অপর প্রান্তের আরেক যুবককে ইশারাও দেয়। এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক বিনিময় হয়। এরপর পুলিশ তল্লাশি করে পাকড়াও করে শামিমকে। সেই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করে এলাকায় বোমা মজুত রয়েছে বলে খোঁজ মেলে এবং এরপর পুলিশ ১২ টি বোমা উদ্ধার করে। তারপরেই বালতির জলে ডুবিয়ে বোমাগুলিকে নিস্ক্রিয় করে পুলিশ। এই যুবকের সঙ্গে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের মনিরুল ইসলামের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে ঘটনায় তৃণমূল দলের মধ্যেই তীব্র অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    স্থানীয় (Hooghly) বিজেপি নেতা গণেশ চক্রবর্তী বলেন, “লোকসভার ভোটের আগে এলাকায় অশান্তি করতে তৃণমূল এই ধরনের কাজ করছে। উপপ্রধান এই সব অসামাজিক কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপর দিকে গ্রাম পঞ্চায়েতের (Hooghly) মনিরুল ইসলাম অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “পুলিশ ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করুক। দোষীকে আমি চিনি না।” আবার তারকেশ্বরের বিধায়ক রামেন্দু সিংহ বলেন, “বিষয় সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। খোঁজ নিয়ে বলব।” উল্লেখ্য এই পিয়াসারায় দুমাস আগে বিধায়ক এবং উপপ্রধান গোষ্ঠীর সঙ্গে পরস্পরের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছিল। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলকায় নেমেছিল পুলিশ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: সরকারি জমিতে পার্টি অফিস তৈরি করে দাপট দেখাচ্ছে তৃণমূল, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

    North 24 Parganas: সরকারি জমিতে পার্টি অফিস তৈরি করে দাপট দেখাচ্ছে তৃণমূল, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি জমিতে তৃণমূলের কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠল। সরকারি জমিতে রয়েছে শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) দত্তপুকুর থানার কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুল গ্রামে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ, স্কুলের জমি দখল করে কার্যালয় নির্মাণ করছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শাহাবুদ্দিন সর্দার। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (North 24 Parganas)  

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) লক্ষ্মীপুল শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের জমিতে তৃণমূলের কার্যালয় তৈরির ঘটনায় অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুল লাগোয়া জমিতে রাজনৈতিক কার্যালয় তৈরি করলে পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হবে। নির্মাণের জন্য বালির স্তূপ জড়ো করা রয়েছে স্কুলের সামনে। ফলে পড়ুয়াদের যাতায়াতে অসুবিধা হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, ইতিমধ্যে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তবে তৃণমূলের যাঁরা কার্যালয়টি তৈরি করছেন, তাঁদের দাবি, স্কুলের জমি দখল করা হয়নি। শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আমিনা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে আমি প্রতিবাদ করিনি। তবে আমাকে বিডিও অফিস থেকে বলা হয়েছিল, নির্মীয়মাণ কার্যালয়ের ছবি পাঠাতে। আমি তা পাঠিয়েছি। জানিয়েছি, স্কুল ও দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে কতটা দূরত্ব রয়েছে।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেতা শাহাবুদ্দিনসাহেব বলেন, স্কুলের জমিতে নয়, জেলা পরিষদের জমিতে পার্টি অফিস তৈরি হচ্ছে। জেলা পরিষদের ৩.৫ শতক জমি স্কুলের নামে রয়েছে। সম্পূর্ণ জমি আছে ৫ শতক। স্কুলের সীমানার বাইরের জমিতে রাতে বসার জন্য পার্টি অফিস করছি। এতে কারও কোনও সমস্যা হবে না।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির কোটরা-কদম্বগাছি মণ্ডল সভাপতি কালীপদ ঘোষ বলেন, তৃণমূল তো এ রকমই করে। এটাই ওদের সংস্কৃতি। সরকারি জমি দখল করে পার্টি অফিস হবে, সরকারি জমি দখল করে প্লটিং হবে। ওদের একেবারে উপর থেকে তলা পর্যন্ত এই জিনিস চলছে। গায়ের জোরে এই কাজ করছেন পঞ্চায়েত সদস্য। প্রশাসন উদাসীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share