Tag: tmc

tmc

  • Barrackpore: অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকেই খুনের হুমকি

    Barrackpore: অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকেই খুনের হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকায় দিনের পর দিন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দুষ্কৃতীরা। বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের উত্তর বারাকপুর পুরসভার ইছাপুরের ২০ নম্বর রেলগেট এলাকার ঘটনা। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এমনকী অসামাজিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী সঞ্জয় দাসকে খুন করার পরিকল্পনা করেছিল ছিল দুষ্কৃতীরা। বিষয়টি জানার পরই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। ইতিমধ্যে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কাউন্সিলরের স্বামীকে খুনের ছক! (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে গোবিন্দ বাঁশফোঁড় সহ দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, ইছাপুরে তৃণমূল কাউন্সিলর সুপ্রিয়া দাসের স্বামী সঞ্জয় দাসকে খুন করার ছক কষেছিল। টিটাগড়ের কয়েকজন যুবক জড়িত রয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ এই ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তারমধ্যে একজন ইছাপুরের বাসিন্দা। বাকি তিনজনের বাড়ি টিটাগড় এলাকায়। কাউন্সিলরের স্বামী স্থানীয় তৃণমূল নেতা। ফলে, এলাকায় দুষ্কৃতীদের দাপট দেখাতেই তাঁকে খুন করার ছক কষা হয়েছিল বলে দলের একাংশ মনে করছে।

    কী বললেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    জানা গিয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের উত্তর বারাকপুর পুরসভার ইছাপুর ২০ নম্বর রেলগেটে কালী মন্দিরের আছে অসামাজিক কাজকর্ম হয়। ওই এলাকা দখল করে দাপিয়ে বেড়ায় দুষ্কৃতীরা। বহিরাগতরা সেখানে এসে জড়ো হয়। ফলে চরম আতঙ্কে থাকেন এলাকাবাসী। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুপ্রিয়া দাস বলেন, এলাকাবাসী অভিযোগ জানানোর পরেই আমি বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের কাছে বলেছিলাম। কিন্তু, দুষ্কৃতদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়নি। এলাকাটি ওরা দখল করে রয়েছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি বলে আমার পরিবারের দিকে টার্গেট করা হচ্ছে। আমার স্বামীকে খুন করার চক্রান্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা বেশ আতঙ্কে রয়েছি। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, এইসব ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে কাউকে খুন করার চেষ্টা হয়, তা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা তীব্র বিরোধিতা করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মমতাকেও ‘ডোন্ট কেয়ার’! তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে দেড় মাসের ওপর বন্ধ চা বাগান

    Siliguri: মমতাকেও ‘ডোন্ট কেয়ার’! তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে দেড় মাসের ওপর বন্ধ চা বাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের শ্রমিক নেতার দাদাগিরিতে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে ত্রিহানা চা-বাগান। খোদ চা বাগানের মালিক ঘনশ্যাম কাঙ্কানি বিস্ফোরক এই অভিযোগ করেছেন। শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার এটি তরাইয়ের অন্যতম পুরানো ও বড় চা বাগান। মালিকের এই অভিযোগে ধাক্কা খাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একের পর এক বন্ধ চা-বাগান খোলার দাবি।

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    চা বাগান সূত্রে জানা গিয়েছে, সর্বসম্মতিক্রমে ১৮ শতাংশ পুজোর বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু, আইএনটিটিইউসি দার্জিলিং জেলা সভাপতি নির্জল দে শিলিগুড়ির (Siliguri) ত্রিহানা চা-বাগানে ১৯ শতাংশ বোনাসের দাবিতে অনড় থেকে ফ্যাক্টরি থেকে চা পাতা বের করা বন্ধ করে দেন। কাঁচা পাতা, তৈরি চা পাতা চুরি করে বাইরে বিক্রি করেন। ১৯ শতাংশ বোনাসের দাবিকে অজুহাত করে আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং জেলা সভাপতি নির্জল দে বাগানে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ম্যানেজারকে নিগ্রহ করেন বলে অভিযোগ। গত ৯ নভেম্বর আন্দোলনের নামে ম্যানেজারকে নিগ্রহ করে মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়ার পরের দিন বাগান লক আউট করা হয়। তাই সুবিচারের জন্য বাগান মালিক উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

     তৃণমূল নেতার দাদাগিরি নিয়ে কী বললেন বাগান মালিক?

    বাগান মালিক ঘনশ্যাম কাঙ্কানি বলেন, আমার বাগানের পাশে বালাসন নদী থেকে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে বোল্ডার উত্তোলন করত। এতে বাগানের উপর প্রভাব পড়ায় জেলাশাসককে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। তিনি সেখান থেকে বালি, পাথর উত্তোলন বন্ধ করে দেন। সেই আক্রোশে নির্জল দে বাগানে অশান্তি শুরু করেন। এখন আমার বাগানকে রুগ্ন দেখিয়ে বড় বড় শিল্পপতির হাতে বাগান তুলে দেওয়ার চক্রান্ত দেখতে পাচ্ছি।

    চা বাগানের শ্রমিকরা কী বললেন?

    এই বাগানে ১২০০ চা শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন। শ্রমিকরা তৃণমূলের দাদাগিরিতে তিতিবিরক্ত। তাঁরা বলেন, তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে আমরা চরম সঙ্কটে পড়েছি। এই মালিকের আরও দুটি ডিভিশন রয়েছে। সেখানে কোনও সমস্যা নেই। আমরা কাজ করতে চাই। কিন্তু, তৃণমূল নেতার হুমকিতে করতে পারছি না।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল শ্রমিক নেতা নির্জল দে বলেন, বাগান মালিক ২০০৬ সাল থেকে গ্র্যাচুইটি ও ২০১৪ সাল থেকেই প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা দিচ্ছেন না। বোনাস দেওয়া নিয়ে টালবাহানা করেছেন। তবু, এতদিন শ্রমিকরা মুখ বুজে কাজ করেছেন। আসলে এই মালিক দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক বিরোধী কার্যকলাপ করে চলেছেন। বিষয়টি শ্রমমন্ত্রীকেও জানানো হয়েছে। প্রতিবাদ জানিয়েছি বলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মহকুমা হবে ধূপগুড়ি, কী হল অভিষেকের দেখানো স্বপ্নের?

    Dhupguri: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মহকুমা হবে ধূপগুড়ি, কী হল অভিষেকের দেখানো স্বপ্নের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর ২ সেপ্টেম্বর বিধানসভা উপ নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িকে (Dhupguri) মহকুমা করার ডেডলাইন উল্লেখ করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। বলা ভালো স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। যে স্বপ্ন ফেরি করেই উপ নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী জয়লাভ করেছিলেন, তা হল, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ধূপগুড়ি মহকুমা গঠন করা হবে। কিন্তু, কথা রাখেনি তৃণমূল। কারণ, নিয়ম মেনে ধূপগুড়িকে মহকুমা করতে সরকারি বিজ্ঞপ্তি এখনও জারি হয়নি। তাই, এবার মহকুমার দাবিতে বুধবার থেকে ধূপগুড়ির বিধায়কের বাড়ির সামনে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ধর্নায় বসতে চলেছে ধূপগুড়ি মহকুমা নাগরিক মঞ্চ।

    নাগরিক মঞ্চের এক কর্মকর্তা কী বললেন? (Dhupguri)  

    ধূপগুড়ি (Dhupguri) মহকুমা নাগরিক মঞ্চের এক কর্তা অনিরুদ্ধ দাশগুপ্ত বলেন, মহকুমা গঠনের জন্য অনেক তৎপরতা দেখলাম। আমাদের এসব দেখে খুব ভালো লেগেছিল। কিন্তু, বাস্তবে এই ঘোষণা যদি শুধুমাত্র ভোটের জন্য হয়ে থাকে, তাহলে এটা ধূপগুড়ির মানুষকে অপমান করা। আমরা তো বিশ্বাস করেছিলাম। সেটা রাখা হল না। আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হল। আমরা খুবই হতাশ। এভাবে তো মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হল। আমরা এর প্রতিবাদ করব। এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    মহকুমা গঠনের কথা মুখ্যমন্ত্রীও বলেছিলেন

    ১১ সেপ্টেম্বর নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধূপগুড়িকে (Dhupguri) মহকুমা করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ভোটের ফল প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই ধূপগুড়ি মহকুমা গঠনের প্রস্তাব পাশ হয়ে যায় মমতার মন্ত্রিসভায়। একাধিক ক্ষেত্রে সংস্কারের আশা দেখে অকাল হোলিতে মেতেছিলেন ধূপগুড়িবাসী। নতুন বছর শুরু হয়ে যাওয়ার পরও গঠন হল না মহকুমা। সেই দাবিতেই এবার খোদ বিধায়কের বাড়ির সামনে ধর্নার ডাক দিল নাগরিক মঞ্চ।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    বিধায়ক নির্মল রায় বলেন, ‘মহকুমা যে হচ্ছে, এটা জোর দিয়ে বলাই যায়। আইনি প্রক্রিয়ায় জটিলতা রয়েছে, সেই কারণেই সময় লাগছে। তবে, চিন্তার কোনও কারণ নেই। ধূপগুড়ির (Dhupguri) মানুষকে আমি আশ্বস্ত করছি, খুব শীঘ্রই সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে।’ কিন্তু, তাঁর এই আশ্বাসে নাগরিক মঞ্চ খুশি নয়। তাই, তাঁরা মহকুমার দাবি আদায়ে আন্দোলনের পথকে বেছে নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি বাড়িও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের আশুতি-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চক চট্টা এলাকায়। বিজেপি কর্মীদের পাশাপাশি সিপিএম কর্মীদের উপরও হামলা চালানো হয়। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের এই এলাকা উত্তপ্ত হয়েছিল। এর আগেও বিরোধীদের মারধরের জেরে মৃত্যু হয়েছিল এক বিজেপি কর্মীর। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সভায় বারে বারে দাবি করেছেন, বিরোধীরা যাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজনীতি করতে পারে তার জন্য তিনি সহযোগিতা করবেন। আর তাঁরই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে এমন ঘটনা আরও একবার প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। এটাই কি তাহলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার মডেল! বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে চড়াও হয়। ইট দিয়ে জানলার কাচ ভেঙে দেয়। এছাড়াও একটি বাইক পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি ও সিপিআইএমের দুজন কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই কালীতলা আশুতি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা দ্বিজেন নস্কর বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকেই ওরা আমাদের নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিল। সোমবার সামান্য একটি বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়। এরপরই তৃণমূলের লোকজন দল বেঁধে আমাদের কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। কর্মীদের মারধর করে। প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

    তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    এই বিষয় নিয়ে আশুতি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান পার্থ কয়াল বলেন, হামলার কোনও ঘটনা ঘটেনি। পিকনিক করা নিয়ে দুটো পাড়ার মধ্যে ঝামেলার জেরে এই মারপিট বা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস কোনওভাবে যুক্ত নয়। বিরোধীরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatpara: ভাটপাড়ায় সোমনাথ অনুগামীদের বাড়িতে দুষ্কৃতী তাণ্ডব! নাম না করে ফের অর্জুনকে তুলোধনা

    Bhatpara: ভাটপাড়ায় সোমনাথ অনুগামীদের বাড়িতে দুষ্কৃতী তাণ্ডব! নাম না করে ফের অর্জুনকে তুলোধনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দুপুরে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে নাম না করে তৃণমূল সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। এরপর রবিবার রাতেই ভাটপাড়ার (Bhatpara) ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকপীড় এলাকায় চলল দুষ্কৃতী তাণ্ডব। রাত দুটোর পরে বেশ কয়েকজন যুবক সাত-আটটি বাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। আক্রান্তরা সোমনাথ শ্যাম অনুগামী হিসেবে দলে পরিচিত।  ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যান সোমনাথ শ্যাম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটা বাড়িতে ঘুরে বেড়ান। পরে, তিনি বলেন, এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে কিছু দুষ্কৃতী এটা করেছে। পিছনে মদতদাতা অন্য কেউ আছে। পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি দেখছে। তিনি নাম না বললেও এই হামলার পিছনে অর্জুন অনুগামীরা রয়েছে তা তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    থানায় বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা! (Bhatpara)

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইট-পাটকেল, মদের বোতল ছোঁড়া হয়  বাড়িগুলিতে। ভাঙা হয়েছে দরজা, জানালা। ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতেই এই জিনিস করা হয়েছে। দল বেঁধে এসে এলাকায় তান্ডব চালানো হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে নতুন বছরের প্রথম দিন সকালে ভাটপাড়া (Bhatpara) থানায় বিক্ষোভ দেখান। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অভিযোগ জানালেন ভাটপাড়া থানায়। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    নাম না করে ফের অর্জুনকে আক্রমণ করলেন সোমনাথ

    সোমবার নৈহাটির মামুদপুরে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে অর্জুনের নাম না করে সোমনাথ শ্যাম বলেন, ছেলে বিজেপিতে, আর বাবা তৃণমূলে। ছেলের সাক্ষী দেওয়ার জন্য ১৩ জন তৃণমূল কর্মী এখন জেলে রয়েছেন। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় বিজেপির ভাটপাড়ার (Bhatpara) বিধায়ক পবন সিং ওই সাক্ষী দিয়েছিলেন। তাঁর বাবা দলকে শক্তিশালী করবেন? আসলে তিনি দুর্বল করতে এসেছেন। দলে থেকে দলের কর্মীদের খুন করাচ্ছে কে, তা বারাকপুরের মানুষ জানে। কেন তিনি প্রকাশ্যে সাংসদের বিরুদ্ধে বলছেন, সেই প্রশ্নের জবাবে সোমনাথ শ্যাম বলেন, ২০১৯ সাল থেকে তিনি (অর্জুন সিং) যা করেছেন, আমি সেটাই মানুষের কাছে তুলে ধরছি। আমাকে কেউ বলতে বারণও করেনি। অবশ্য সুব্রত বক্সির নির্দেশে অর্জুন সিং মুখে কুলুপ এঁটেছেন। ফলে, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে সোমনাথের বাণে বার বার বিদ্ধ হচ্ছে অর্জুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ টাকার প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূলের যুব নেতা

    South 24 Parganas: স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ টাকার প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূলের যুব নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের বিধায়ক, মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি তুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের যুব নেতার বিরুদ্ধে। আর প্রতারিত হয়েছেন তৃণমূলেরই অন্য এক যুব নেতা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘি এলাকায়। প্রতারিত যুব নেতার নাম পৃথ্বীরাজ তাঁতি। তিনি রায়দিঘির কৌতলা অঞ্চলের যুব সভাপতি। আর প্রতারকের নাম প্রীতম কলা। তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের মহেশপুর কেদারপুর এলাকার রবীন্দ্রপল্লির বাসিন্দা। তিনি নিজেকে তৃণমূলের বিধায়ক ঘনিষ্ঠ যুব নেতা বলতেন।

    কীভাবে প্রতারণা? (South 24 Parganas)

    পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীরকুমার জানা, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দেবাংশু ভট্টাচার্য  সহ একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ফটো তুলে প্রতারণার ফাঁদ পাতেন প্রীতম কলা। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে প্রীতমের সঙ্গে পরিচয় হয় পৃথ্বীরাজের। প্রতারক প্রীতম কলা বিভিন্ন মন্ত্রী, এমএলএ ও যুব নেতাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছবি দেখিয়ে যুব নেতাকে প্রভাবিত করেন বলে অভিযোগ। স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছে ৪ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। প্রথম দফায় ১ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। ভুয়ো ডাক্তার ও তার সহকারি সাজিয়ে ইন্টারভিউয়ের নাম করে তিনি কয়েক দফায় যুব তৃণমূলের নেতার কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নেন। দেওয়া হয় ভুয়ো নিয়োগপত্র। প্রতারণার চক্রের খপ্পরে পড়ে ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে এনআরএস হাসপাতালে কাজে যোগ দিতে যান যুব তৃণমূলের নেতা পৃথ্বীরাজ। হাসপাতালের সুপার বুঝতে পারেন, নিয়োগপত্র জাল। গোপনে পুলিশকে খবর দেন সুপার। পুলিশ আসার আগে বুঝতে পেরে সেখান থেকে সরে পড়েন তিনি। এইভাবে প্রতারণার চক্রে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়ে হতাশায় ভুগছেন ওই যুবনেতা।

    প্রতারিত যুব নেতা কী বললেন?

    প্রতারিত যুব নেতা পৃথ্বীরাজ তাঁতি বলেন, দলের বড় বড় নেতাদের সঙ্গে প্রতারকের ছবি দেখে আমি প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলাম। আমি কয়েক দফায় ১ লক্ষ টাকা দিয়ে বুঝতে পারি, প্রতারকের খপ্পরে পড়েছি। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: নাম না করে অর্জুনকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূলেরই বিধায়ক!

    Arjun Singh: নাম না করে অর্জুনকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূলেরই বিধায়ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম না করে অর্জুন সিংকে (Arjun Singh) গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। শুধু তাই নয়, নোয়াপাড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি গোপাল মজুমদার খুনের ঘটনায় নতুন করে মামলাটির তদন্ত করারও তিনি দাবি জানিয়েছেন। এই খুনের ঘটনার মূলচক্রীকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমার কাছে সমস্ত তথ্য রয়েছে। সবকিছু হলুদ ফাইলে জমা রয়েছে। পুলিশ কমিশনারকে এ বিষয়ে আবেদন জানাব। মূলত তার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে এই খুনের পিছনে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের দাপুটে নেতা রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত করেন। অর্জুন সিং ইস্যুকে সোমনাথ শ্যাম ফের মুখ খোলায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    বারাকপুরে জিইয়ে রইল তৃণমূলের দ্বন্দ্ব (Arjun Singh)

    বেশ কিছুদিন ধরে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) সঙ্গে সোমনাথের দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কোন্দল ঠেকাতে রাজ্য নেতৃত্ব সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির নির্দেশ মেনে সোমনাথ ইস্যুতে অর্জুন মুখে কুলুপ এঁটেছেন। শনিবার সুব্রত বক্সি নিজে উদ্যোগী হয়ে নৈহাটি উৎসবে এসে অর্জুন-সোমনাথ দ্বন্দ্বে ইতি টানতে চেয়েছিলেন। দুপক্ষকে একসঙ্গে বসিয়ে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিলেন এই রাজ্য নেতা। সমঝোতা বৈঠকে হাজির হয়ছিলেন অর্জুন। তবে, গড়হাজির ছিলেন সোমনাথ। ফলে, বৈঠক ভেস্তে যায়। ফলে, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের দ্বন্দ্ব জিইয়ে রইল তা বলাবাহুল্য।  এই ঘটনার মধ্যেই সোমনাথ সিং এর অর্জুনের নাম না করে এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     ফের বিস্ফোরক সোমনাথ, ঠিক কী বললেন?

    সোমনাথ শ্যাম বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে বহু কর্মী আমাদের দলে খুন হয়েছেন। এমনকী বিকাশ বসু খুনের ঘটনার পিছনে কারা রয়েছেন তা খুঁজে বের করা দরকার। কারণ, আমাদের দলের মধ্যে থেকেই কেউ কেউ কর্মীদেরকে খুন করে আমাদের দলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেবো না। আমার কাছে যে হলুদ ফাইল রয়েছে, তাতে এই ধরনের তথ্যই রয়েছে। সেইসব তথ্যই এবার সামনে আনব। নোয়াপাড়া তৃণমূল নেতা গোপাল মজুমদারকে যারা খুন করেছিল তাদের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু ভাড়াটে খুনিরাই ধরা পড়েছিল। কিন্তু, এই খুনের পিছনে যারা রয়েছে, তাদের এখনও ধরা হয়নি। আমরা এই খুনের মামলাটির পুনরায় তদন্ত করার জন্য পুলিশকে বলবো। তবে, তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত অর্জুনের (Arjun Singh) দিকে।

    অর্জুনকে তোপ দাগলেন বীজপুরের বিধায়ক

    সোমনাথ শ্যামের মতোই অর্জুন সিংয়ের নাম না করে তোপ দাগলেন বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর আমাদের একাধিক কর্মী খুন হয়েছেন, দেড় হাজার কর্মী ঘর ছাড়া ছিলেন। বহু বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ৭০ থেকে ৮০টি পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছিল বিজেপি। এখন বিজেপি থেকে আমাদের দলে আসা হনু কোন ডালে বসে সেটার দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বন্ধ পার্টি অফিস খুলে মন্ত্রী উদয়ন গুহ শুনলেন, অনেকেই চলে গেছে বিজেপিতে

    Cooch Behar: বন্ধ পার্টি অফিস খুলে মন্ত্রী উদয়ন গুহ শুনলেন, অনেকেই চলে গেছে বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটার ভেটাগুড়িতে তৃণমূলের দুটি কার্যালয় বন্ধ ছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনর পর থেকে কার্যালয় খুলতে পারেনি তৃণমূল। পুলিশ-প্রশাসনের উপর ভরসা করেও সেভাবে কোনও লাভ হয়নি। এমনই অভিযোগ তৃণমূলের। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভেটাগুড়িতে একাধিক কার্যালয় খুললেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। পার্টি অফিস খুলে দাপট দেখাতে গিয়ে ফের মুখ থুবড়ে পড়ল তৃণমূল। কারণ, ভেটাগুড়ির কাছে শীতলকুচির লালবাজার এলাকায় ধস নামল তৃণমূলে। শনিবার রাতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে স্থানীয় অঞ্চল তৃণমূলের সহ সভাপতি বিনোদ বর্মন সহ শখানেক কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই উত্তপ্ত ছিল কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটার ভেটাগুড়ি এলাকা। তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে দফায় দফায়। ভেটাগুড়ির সব্জি বাজার এবং রেলগেটের পাশে অবস্থিত তৃণমূলের দুটি কার্যালয়ই বন্ধ ছিল। শনিবার মন্ত্রী উদয়ন গুহ, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক-সহ জেলা নেতৃত্ব ওই দুটি কার্যালয়ে খোলার জন্য যান ভেটাগুড়িতে। দলীয় কার্যালয় খোলাও হয়। পাশেই পথসভা করছিল তৃণমূল। অভিযোগ, সেই সময় আচমকা তৃণমূলের কার্যালয় এবং পথসভায় পর পর দুটি বোমা মারা হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি এই বোমাবাজির ঘটনায় জড়িত। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, বিজেপির লাগামহীন সন্ত্রাসের কারণে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সহ এলাকার মানুষ নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। তৃণমূলের দুটি দলীয় কার্যালয় বন্ধ রয়েছে। ব্লক সভাপতিকে তির মারা হয়েছে। পুলিশের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পাওয়ার কথা, তা পাও যাচ্ছে না। অন্যদিকে, মন্ত্রী উদয়ন গুহ বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে শান্ত ভেটাগুড়িকে অশান্ত করছেন। এই অভিযোগে মিছিল বের করেন ভেটাগুড়ির বিজেপি মহিলা সমর্থকেরা। মিছিল থেকে মন্ত্রীকে ঝাঁটাপেটা করার স্লোগান ওঠে। দিনভর দলীয় কার্যালয় খুলে তৃণমূল নিজেদের হারানো মাটি ফিরে পেয়েছে বলে দলীয় কর্মীদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু, কিছুক্ষণ পরই লালবাজার এলাকায় তৃণমূলের ধস নামে। অঞ্চল তৃণমূলের সহ সভাপতি বিনোদ বর্মন বিজেপিতে যোগদান করেন।

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে কী বললেন বিনোদ বর্মন?

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতা বিনোদ বর্মন বলেন, তৃণমূল দলটা কোন্দলে ভরে গিয়েছে। পদে থেকে আমি কোনও কাজ করতে পারছিলাম না। তাই, আমি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলাম। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করব।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, এদিন বিনোদবাবুর নেতৃত্বে বহু কর্মী তৃণমূল ছেড়ে আমাদের দলে যোগদান করলেন। দলের সংগঠন আমাদের আরও মজবুত হল। যতদিন যাবে তৃণমূলের জমি তত আলগা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    Arabul Islam: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তাঁর দাপটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকায় কারও কথা বলার সাহস ছিল না। তৃণমূলের সেই দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam) এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশ-প্রশাসন ও জেলার দলীয় নেতৃত্বকে এ বিষয়ে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তার আবেদনও করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কেন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আরাবুল? (Arabul Islam)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে আরাবুলের (Arabul Islam) দাপট কমছে। এর আগে পঞ্চায়েতে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিল। দুদিন আগে ফের নিজের খাসতালুকে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর ভাঙড়-২ নম্বর ব্লকে একটি সভা ছিল। সেখানে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে বক্তব্য রাখতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যার নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল। তার জেরে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। দীর্ঘক্ষণ বিডিও অফিসে আটকে রাখা হয়। এই ঘটনা ভাঙড়ে প্রথম নয়। পঞ্চায়েতে ভোটপর্বেও বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন আরাবুল। ফলে, নিজের খাসতালুকে জমি হারাতে শুরু করেছেন আরাবুল। তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। এবার আইএসএফের কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পরার পর  থেকেই নিরাপত্তাহীনতা ভুগতে শুরু করেছেন তিনি।

    কী বললেন আরাবুল?

    আরাবুল বলেন, আমরা বারবার প্রশাসনকে জানাচ্ছি। প্রশাসন কতটা নিরাপত্তা আমাদের দিতে পারে সেটা প্রশাসন জানে। সেটা নিয়ে আর কিছু বলব না। আমি রাজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে আমাদের জেলা নেতৃত্বকে বারবার বলেছি। আমাদের যে কোনও সময় প্রাণহানির আশঙ্কা আছে। আচমকা আমার তিনজন সিকিউরিটিকে তুলে নেওয়া হল। কোনও কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখুন।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বলেছেন?

    এই প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজমুদার বলেন, আরাবুলের (Arabul Islam) ভয়ে এলাকায় মানুষ কথা বলতে পারতেন না। তিনি এখন ভয় পাচ্ছেন। এটা ভাবতেও অবাক লাগছে। তৃণমূলের জমি যে আলগা হচ্ছে এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: এসএসকেএম-এ কথা মমতা ও বালুর? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এসএসকেএম-এ কথা মমতা ও বালুর? চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রী যান এসএসকেএম হাসপাতালে। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি সেখানে সুপারের ঘরে বৈঠক করেছেন মাননীয়া এবং ইন্টারকমের মাধ্যমে কথাও বলেছেন গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী বালুর সঙ্গে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং অভিষেককে স্যার বলে সম্বোধন করা কালীঘাটের কাকু দুজনেই রয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে। পুজোর পরেই রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রথমে ইডি হেফাজতের পরে তাঁকে জেলে পাঠায় আদালত। সেসময়ই জেলে তিনি নিজেকে অসুস্থ বলে দাবি করেন। তাঁর হৃদরোগ না থাকলেও সেসময় তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করে নেয় এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এবার বালুর সঙ্গে মমতার কথা বলা বিষয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এল।

    কী বললেন শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘গতকাল ২.৪৫ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএমের সুপারের ঘরে বসেছিলেন। সন্ধ্যে ৭টা অবধি বৈঠক চলেছে। আমার কাছে নির্দিষ্ট খবর রয়েছে, সেখানে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সেখান থেকে হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে ইন্টারকমে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পরের বৈঠক হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে। অভিষেক ছিলেন। সেখানে নতুন ডিজি রাজীব কুমার ছিলেন। লোকসভা ভোটে কীভাবে ভোট লুট করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’’

    বিস্ফোরক অভিযোগ

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধীদের অভিযোগ রয়েছে জেলে যাওয়া নেতা-মন্ত্রীদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতাল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তো এই হাসপাতালকে অভয়ারণ্য বলেও কটাক্ষ করেছেন আগেই। নেতা-মন্ত্রীদের বেড মিললেও শয্যার অভাবে সাধারণ রোগীদের মৃত্যুর অভিযোগও উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতালে। দিন কয়েক আগেই কালীঘাটের কাকুকে আইসিইউতে ভর্তি করতে সরানো হয় সদ্য অপারেশন হওয়া এক রোগীকে। এবার সেই হাসপাতাল ঘিরেই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তুললেন নয়া চাঞ্চল্যকর অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share