Tag: tmc

tmc

  • Suvendu Adhikari: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্র হল ডায়মন্ড হারবার। এবার এই জেলাকে এই বছর ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ ‘সুরক্ষিত পুলিশ জেলা’ বলে ঘোষণা করছে। অভিষেক নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘোষণাকে বিনিময় করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। কার্যত এই বিষয়কে নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তীব্র কটক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার”।

    কী বলেছেন অভিষেক?

    তৃণমূলের ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এটা খুব খুশির খবর, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলাকে ২০২২ সালের জন্য সেরা সুরক্ষিত জেলা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। এই সাফল্য আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য বিশাল প্রশংসা, যাঁরা এটিকে সম্ভব করেছেন। এই সম্মান আমার জেলার জন্য অত্যন্ত সুখবর।” এই বক্তব্যকেই তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর পালটা বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সাম্পাদকের কথায় তাঁর সংসদীয় ক্ষেত্রকে শিরোনাম করতে চেয়েছেন বলে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পাল্টা লেখেন, “কারও রাজত্বকে শীর্ষ স্থানে দেখানোর প্রচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়। পুলিশের এই আচরণে আমি অত্যন্ত বিস্মিত। কার্যত পুরস্কারের নামে এখানে বিষয়কে ছোট করা হয়েছে। এর যাথার্থ নামকরণ করা উচিত ছিল বিরোধিতা দমনের জন্য সেরা জেলা ডায়মন্ড হারবার। অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপ, ভোট লুট এবং সেরা বেআইনি কার্যকলাপের জেলা হল এই অভিষেকের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবার।”

    পুলিশ প্রশাসন প্রত্যেক বছর ঘোষণা করে থাকে

    রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে প্রত্যেক বছর এই ধরনের একটি ঘোষণা করা হয়ে থাকে। ২০২২ সালের জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডায়মন্ড হারবারকে নির্বাচন করা হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়, এই জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কম। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দিক থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত।

    বিজেপির অবশ্য দাবি, কার্যত ভাইপোকে মডেল করতে পুলিশ এই কাজ করেছে। গত বিধানসভা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাধারণ মানুষের জনজীবন সবথেকে বেশি বিপন্ন হয়েছে এই জেলায়। বোমা বিস্ফোরণ, গোষ্ঠী সংঘর্ষ, হত্যা, ধর্ষণ এবং অনুপ্রবেশের সমস্যা সব থেকে বেশি এই জেলায় হয়েছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আগেও বারবার সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই নিয়ে সরব হয়েছেন। তাই লোকসভার ভোটের আগে পুলিশকে ব্যবহার করে ভাইপো নিজের ছবিটা বদলাতে চাইছেন। ঠিক এমনটাই মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BIRBHUM: তৃণমূল নেতাকে ১১ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! প্রতারিত ব্যক্তি কী বললেন?

    BIRBHUM: তৃণমূল নেতাকে ১১ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! প্রতারিত ব্যক্তি কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ অনেকে এখন জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগেও ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে অনেকে এখন জেলের ঘাঁটি টানছেন। এরইমধ্যে অনুব্রত মণ্ডলের জেলা বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে করে ১১ লক্ষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়ার দেবব্রত ঘোষ নামে এক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা আসাদুর জামানের বিরুদ্ধে। তিনি বীরভূমের সাঁইথিয়ার মাঠপলশা পঞ্চায়েতের সদ্য প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি। চাকরি না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত ব্যক্তি। দেবব্রতবাবু বলেন, আমাকে স্বাস্থ্য ভবনে চাকরি পাইয়ে দেবেন বলেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। অনেকের সঙ্গে চেনা রয়েছে। টাকা দিলেই চাকরি পাওয়া যাবে। শাসক দলের নেতা বলে আমি ওর কথায় বিশ্বাস করেছিলাম। এরপরই তৃণমূল নেতার এক মিডলম্যানকে ৬ লক্ষ এবং অন্য মিডলম্যানকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছি। কিন্তু, অতগুলো টাকা দেওয়ার পর আর আমি চাকরি পাইনি। বহুবার টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলেছি। মাত্র পঞ্চাশ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে। আর টাকা দেয়নি। তারপর বাকিটা চাইলেই বলছে যা পারো করে নাও। যদিও, এই বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    প্রতারণা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির বীরভূম (Birbhum) সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা  বলেন, তৃণমূল মানেই জালি দল। সেই দলের নেতা তো চিটিংবাজ হবেই। এটা স্বাভাবিক। আমরা অভিযুক্তের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ব্লক সভাপতি অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছেন। যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে, দল ব্যবস্থা নেবে। পাশে দাঁড়াবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘চোরেরা সব ভিতরে ঢুকবে’, তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘চোরেরা সব ভিতরে ঢুকবে’, তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় নারী সুরক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শনিবার বালুরঘাটে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সুকান্ত বলেন, বাংলার নারী সুরক্ষা কোথায় গেছে সেইটা আপনি আমি সবাই জানি। দিল্লিতে যে রিপোর্ট পাঠাতে হয় সেখানে মুখমন্ত্রী লিখবেন পশ্চিমবাংলায় একটাও ধর্ষণ হয়নি। এইবার যেমন লিখে পাঠিয়েছেন বাংলাতে একটিও নাকি রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেনি, কত বড় মিথ্যে কথা। এতো বড় মিথ্যে কথা যে কেউ বলতে পারেন তা আমাদের ধারণার বাইরে ছিল।  পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ৪০ জন। এমনকী তৃণমূলের লোক মারা গিয়েছেন, সেইটা পর্যন্ত মুখমন্ত্রী স্বীকার করছেন না।

    ১০০ দিনের প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ১০০ দিনের কাজ নিয়ে রাজ্যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সরকারি কর্মীও ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠছে। সেই জন্য কেন্দ্র সরকার অডিট রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলছে। যারা দুর্নীতি করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করুন, তাঁদেরকে গ্রেফতার করার ব্যাবস্থা করুন। আবার টাকা চালু হয়ে যাবে, তা মুখমন্ত্রী করছেন না। এই চোরেদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রী কী মোহো আছে তা বুজতে পারছি না। উচ্চ মাধ্যমিকে সিলেবাস পরিবর্তন নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, দেখুন কী উদ্দেশ্যে এখন সিলেবাস পরিবর্তন হচ্ছে। উদ্দেশ্য ভালো হলে ভালো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনী পড়ানোর জন্য যদি সিলেবাস পরিবর্তন হয় তাহলে ভাবতে হবে।

    আরও পড়ুন: গাজোল-হিলি রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে সংসদে পরিবহণ মন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, কটাক্ষ সুকান্তর

    আগামী বুধবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। এই নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,,মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী যাচ্ছেন বকেয়া চাইতে, না পা ধরতে তা তিনি জানেন। পা ধরুন বা হাত ধরুন লাভ কিছুই হবে না। চোরেরা ভেতরে ঢুকবে। পাশাপাশি এদিন হিলি ও বালুরঘাটে দুটি পোস্ট অফিস উদ্বোধন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট হেড পোস্ট অফিসে শ্রমিক সংগঠনের ঘরও উদ্বোধন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দলের নেতাদের ‘সঙ্গ’ দিতে অস্বীকার করায় ঘরবন্দি তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলার!

    South 24 Parganas: দলের নেতাদের ‘সঙ্গ’ দিতে অস্বীকার করায় ঘরবন্দি তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সোনারপুরে তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্য এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে ঘরবন্দি ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলার পাপিয়া হালদার। দলের এক অংশের নেতারা এলাকায় ব্যাপক তোলাবাজি করছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। সেই সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা প্রতীক দে’র বিয়ের প্রস্তাব অস্বীকার করায় মারধর, হেনস্থার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তুলে বিস্ফোরক হন এই কাউন্সিলার। এমনকি বাড়ির বাইরে বের হলে কটূক্তি এবং অশ্রাব্য গালিগালাজ শুনতে হয় তাঁকে। অবশেষে থানায় পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য, তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের কাছে খোদ তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলারই সুরক্ষিত নন। ঘটনায় তৃণমূল দলের মধ্যেই তীব্র বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়েছে। 

    ঠিক কী অভিযোগ করলেন কাউন্সিলার (South 24 Parganas)?

    সোনারপুরের (South 24 Parganas) তৃণমূল কাউন্সিলার পাপিয়া হালদার অভিযোগ করে বলেন, “আমাকে যে কারণে মানুষ নির্বাচিত করেছেন সেই কাজ আমি করতে পারছি না। এমনকি আমি ঘর থেকে এলাকায় বাইরে বের হতে পারছি না। আমাকে ঘরবন্দি করে রেখেছে দলের কিছু দুষ্কৃতী। আমাকে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গ দিতে হবে বলে চাপ দেওয়া হচ্ছে। বলা হয় তাদের সকল চাহিদা পূরণ করতে হবে আমাকে। আর যদি আমি তা না করি, তা হলে বাড়ির বাইরে বের হলে মারধর করা হবে আমাকে। এমনকি আমার সমস্ত অফিস তালা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমি আমার এক অফিসে গেলে আমার সামনেই অফিসে তালা মেরে অফিস থেকে বের করে দেয় আমাকে। সাধারণ মানুষের জন্য এলাকায় আমি কোনও কাজ করতে পারছি না। অত্যন্ত ভয়ে রয়েছি। ”

    মূল অভিযুক্ত কে?

    সোনারপুরের (South 24 Parganas) তৃণমূল কাউন্সিলার পাপিয়া হালদার এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হিসাবে প্রতীককুমার দে নামক যুব তৃণমূল নেতার কথা বলেন। এই তৃণমূল নেতা এলাকার প্রভাবশালী। তিনি আগে এই ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর ছিলেন। পাপিয়া হালদার আরও বলেন, “আমার বাড়ির সামনে এসে রাতের বেলায় আমাকে এবং পরিবারকে হুমকি দেয়। মাদকাসক্ত হয়ে বাড়ির সামনে অশ্লীল মন্তব্য করে। আমি মানসিক ভাবে খুব বিপর্যস্ত। পুলিশের কাছে এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি। সেই সঙ্গে দলকে পাশে থাকার কথা বলেছি।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    অপরদিকে অভিযোগের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে সোনারপুরের (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা প্রতীককুমার দে বলেন, “দল তদন্ত করলে সমস্ত অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হবে। দলের যা সিদ্ধান্ত আমি মাথা পেতে নেবো। আমি যে কোনও রকম তদন্তের জন্য প্রস্তুত।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: দাদাগিরিতে ‘মাস্টার’ তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলেও! বাড়িতে ঢুকে হামলা, প্রসূতিকে মারধর!

    Malda: দাদাগিরিতে ‘মাস্টার’ তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলেও! বাড়িতে ঢুকে হামলা, প্রসূতিকে মারধর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের দাদাগিরি! আর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শোরগোল মালদা (Malda) জেলা জুড়ে। যদিও ভিডিও’র সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ মাধ্যম। প্রতিবেশী আইনজীবীর বাড়িতে ঢুকে সদ্য প্রসূতিকে মারধর ও ভাঙচুর করার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ওই ‘গুণধরের’ বিরুদ্ধে। বাবার ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় দলবল নিয়ে হামলা করার অভিযোগে নাম জড়িয়েছে পুরাতন মালদা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বশিষ্ঠ ত্রিবেদীর ছেলে সুমিত ত্রিবেদীর বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। যদিও সাফাই দিয়েছে তৃণমূল। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর।

    ফেলে দেওয়া হয় খাবার

    জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ৯ ই ডিসেম্বর রাত বারোটা নাগাদ পুরাতন মালদা (Malda) পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পেশায় আইনজীবী অমরেশ দত্তের ছোট ছেলে অভিষেক দত্তের জন্মদিনের অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানে বড় ছেলে অর্কপ্রভ দত্ত, তাঁর স্ত্রী এবং অন্যান্য আত্মীয়রা আসেন। হঠাৎ তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে সুমিত ত্রিবেদী দলবল নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয়। আর এই নিয়ে শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে বচসা। বাড়িতে থাকা সমস্ত খাবার তারা ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে অর্কপ্রভ দত্ত তার স্ত্রী মৌসুমী মণ্ডলকে বাবার বাড়িতে রেখে এলে, সেখানে গিয়ে রাত ১ টা নাগাদ প্রথমে পেটে লাথি ও চুলের মুঠি ধরে তাঁর স্ত্রীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনা নিয়ে মালদা থানার দ্বারস্থ হন আইনজীবীর পরিবার। তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে নেমেছে মালদা থানার পুলিশ।

    সাফাই তৃণমূল কাউন্সিলরের

    এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলর বশিষ্ঠ ত্রিবেদীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কিছুই বলতে চাননি। মৌখিকভাবে সাফাই দিয়েছেন। তিনি বলেন, “মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে আমার ছেলের বিরুদ্ধে। এরকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি। ওইদিন রাতে সেখানে একজন পুরসভার (Malda) অস্থায়ী কর্মী মারা গিয়েছিল। সে কারণে গোটা এলাকা শোকস্তব্ধ ছিল। যারা অভিযোগ করছে, তারাই মাইক বাজিয়ে সেখানে পার্টি করছিল। আর তাতে স্থানীয়রা বাধা দিতে যায় এবং গন্ডগোল হয়। এখন আমার ছেলের বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ করছে, তা যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে আইন আইনের পথে চলবে।”

    নিন্দা বিজেপির

    এই ঘটনার কড়া ভাষায় নিন্দা করেছেন মালদা (Malda) বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা। তিনি বলেন, “ঘটনাটা শুনেছি। অনুষ্ঠানে কে কাকে ডাকবে, সে তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।সেখানে গিয়ে তৃণমূলের কাউন্সিলরের ছেলের এই সমস্ত করাটা ঠিক হয়নি। তৃণমূলের এটাই কালচার, সারা রাজ্য জুড়ে এসব চলছে। অভিযোগ হয়েছে, পুলিশ তদন্ত করবে এবং যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেবে।” যদিও পাল্টা সাফাই দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি শুভময় বসু। তিনি বলেন, “ঘটনাটি শুনেছি। আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত এবিষয়ে দলগতভাবে কোনও খবর আসেনি। তবে প্রশাসনিক স্তরে যদি অভিযোগ হয়ে থাকে, তাহলে দলের যে কোনও স্তরের নেতাকর্মীই হোক না কেন, প্রশাসন ঘটনার সঠিক তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: কাটমানির খেলা? রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর, বেরিয়ে আসছে পাথর!

    Balurghat: কাটমানির খেলা? রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর, বেরিয়ে আসছে পাথর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ত দফতর রাস্তা তৈরিতে ব্যবহার করছে নিম্নমানের সামগ্রী। রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর। ফাটল ধরছে রাস্তার মাঝে। শুক্রবার সকালে এমন ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়াল বালুরঘাটের কুড়মাইলে (Balurghat)। খারাপ রাস্তার বিষয়টি জানতে পেরে এদিন পূর্ত দফতরে (রাস্তা) লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি। সরকারি নিয়ম মেনেই রাস্তার কাজের দাবির পাশাপাশি পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে তারা। এদিকে সরকারি নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে এবং কোনও অভিযোগ নেই বলেই পূর্ত দফতরের দাবি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ (Balurghat)

    বালুরঘাট ব্লকের কামারপাড়া থেকে চিঙ্গিশপুর পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল৷ রাস্তা খানাখন্দে ভরে গিয়েছিল। অবশেষে বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। মাস দুয়েক আগে কামারপাড়া থেকে চিঙ্গিশপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে দশ কিলোমিটার রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ দেওয়ার কাজ শুরু হয়৷ এর জন্য বরাদ্দ করা হয় প্রায় ৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। রাস্তার কাজ প্রায় শেষের দিকে। কামারপাড়া ও চিঙ্গিশপুর, দুই দিক থেকেই রাস্তার কাজ চলছিল। গতকাল কুড়মাইল এলাকায় রাস্তার কাজ হয়। অভিযোগ, রাস্তায় পিচের প্রলেপ দেওয়ার পরই তা উঠে যেতে থাকে। কিছু কিছু জায়গায় রাস্তা তৈরির পর তা ফেটে যায়। হাত দিলেই উঠে যাচ্ছে পাথর৷ নিম্নমানের রাস্তা তৈরির বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা (Balurghat) এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ জানাতে থাকেন।

    কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি

    ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “গতকাল আমাদের এলাকায় (Balurghat) রাস্তা হয়েছে। কিন্তু সেই রাস্তায় আজ থেকেই পাথর উঠে যাচ্ছে। হাত কিংবা পা দিলেই উঠে যাচ্ছে পাথর। আমরা মনে করছি, এই রাস্তার কাজ অতি নিম্নমানের করা হয়েছে। আগের রাস্তা পাঁচ বছর টিকেছে। কিন্তু এবারের রাস্তা পাঁচ মাসও টিকবে না। আজ আমরা এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে জানিয়েছি। এভাবে রাস্তা যাতে না করা হয়, সে কথাই তাকে জানানো হয়েছে।” আর এক বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করে, বড় যানবাহনও যায়। কিন্তু যেভাবে রাস্তা হচ্ছে, তা অতি নিম্নমানের। পিচ কম দেওয়া হচ্ছে, যে খোয়াগুলি উঠে যাচ্ছে। সেখানে আবার নতুন করে পিচ স্প্রে করে দেওয়া হচ্ছে। এটা কখনও কাজের পদ্ধতি হতে পারে না। এটা প্রশাসনের দেখা উচিত। তা না হলে আমরা কাজ আটকে দেব।”

    গলদ দেখছে না পূর্ত দফতর (Balurghat)

    পূর্ত দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিয়ার (রাস্তা) দেবব্রত সরকার বলেন, “আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না। সরকারি নির্দিষ্ট তালিকা মেনেই কাজ হচ্ছে। যদি কোথাও কোন সমস্যা হয়, তা খতিয়ে দেখা হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দাদাগিরি, হম্বিতম্বির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    Asansol: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দাদাগিরি, হম্বিতম্বির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির (Asansol) সহ-সভাপতি সিদ্ধার্থ রানার দাদাগিরির ভাইরাল ভিডিও এল প্রকাশ্যে। ব্লক সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁরই গাড়ির চালক অন্য এক গাড়ির চালককে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত ওই দৃশ্য দেখে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন পথচলতি মানুষ। ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এই সময় ওই নেতা নিজের গাড়ি থেকে নেমে রীতিমতো দাদাগিরি শুরু করে দেন এবং হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ। আর ওই তৃণমূল নেতার হম্বিতম্বির ভিডিও রেকর্ডিং করে বিক্ষুব্ধ জনতা ছড়িয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোলের জামুড়িয়ায় তপসি রেল ব্রিজের নিচে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে। যদিও ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’।

    ঘটনার বিবরণ (Asansol)

    আসানসোল থেকে জামুড়িয়া ফিরছিলেন জামুড়িয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের দু’নম্বর ব্লকের সভাপতি তথা জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সিদ্ধার্থ রানা। তপসি ব্রিজের কাছে রেলগেট পড়ে যায় এবং তা খোলার পরই যানজট লেগে যায়। অনেকেই রং সাইডে ঢুকে পড়েন। এরকমই এক গাড়ির চালককে গালিগালাজ করে বেধড়ক মারধর করেন সভাপতির গাড়ির চালক, এমনটাই অভিযোগ এবং ওই চালক হুমকি দিয়ে বলেন যে তাঁর মাথার উপর তৃণমূল নেতাদের হাত রয়েছে। কেউ কিছু করতে পারবে না। এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ পথচলতি মানুষ (Asansol)।

    কী বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি? (Asansol)

    সিদ্ধার্থ রানা বলেন, “আমি গাড়ি পাশে দাঁড় করিয়ে বাথরুম গিয়েছিলাম। এসে দেখি ঝামেলা হচ্ছে। এক ভদ্রলোকের মাথা ফাটা রয়েছে। আমি বলি, চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ ছাড়াও যদি সাত-দশ দিন চাকরিতে অনুপস্থিত থাকেন, তার যাবতীয় খরচও বহন করবো। তা সত্ত্বেও তারা মারমুখী হয়ে উঠেছিল। আমার গাড়ির চালক গাড়ি থেকে বাইরে বের হয়নি। তাহলে কে উনাকে মারল, তা উনি ভালো বলতে পারবেন।”

    সাধারণ মানুষ বিপদে, তোপ বিজেপির

    বিজেপির আসানসোল (Asansol) জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যেভাবে কংগ্রেস গোটা দেশ থেকে এক প্রকার শেষ হয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস শেষ হয়ে যাবে। কেউ তাদের নেতাকর্মীকে খুঁজে পাবে না। তাদের সম্বন্ধে কারও কাছে কোনও খবর থাকবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী থেকে নেতা সকলেই যে ভাবে গোটা রাজ্য জুড়ে অত্যাচার শুরু করেছে, তাতে সাধারণ মানুষ চরম বিপদে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দুয়ারে রেশন চলাকালীন সামগ্রীর পাচার আটকে বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়কই

    Hooghly: দুয়ারে রেশন চলাকালীন সামগ্রীর পাচার আটকে বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়কই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন সামগ্রী পাচারের অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক হলেন তৃণমূলেরই বিধায়ক। মাঠের মধ্যে দুয়ারে রেশন দিচ্ছিলেন ডিলার বাচ্চু মুখোপাধ্যায়। কিন্তু রেশনের সামগ্রী পাচারের অভিযোগ তুলে রেশন সামগ্রী আটক করলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। উল্লেখ্য বিধায়ক আগেও শাসক দলের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত নির্বাচনে টাকা নিয়ে টিকিট দেওয়ার কথা বলে দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। ফের এবার রেশন দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়ে তৃণমূল সরকারের দুয়ারে রেশন প্রকল্পের বাস্তব সত্যতাকে তুলে ধরলেন। উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। শাসক দল রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে আরও চাপের মুখে। 

    বলাগড়ের কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Hooghly)?

    বলাগড়ের (Hooghly) বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ডুমুরদহ নিত্যান্দপুর ২ পঞ্চায়েত কুন্তিঘাট শেরপুর স্কুল মাঠে ঘটনা ঘটেছে। রেশন সামগ্রী পাচারের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে সামগ্রী আটক করেছে। এরপর থেকে এলাকায় তীব্র উতেজনা শুরু হয়েছে। 

    বিধায়কের বক্তব্য

    বলাগড়ের (Hooghly) তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী বলেন, “দলের কাছে আগেও জানিয়েছি এখানে রেশন বিলির সময় রেশনের সামগ্রী পাচার করা হচ্ছে। আজ খবর পেয়ে হাতেনাতে ধরলাম। রেশনের সামগ্রী সাধারণ মানুষের জন্য। তাকে এই ভাবে পাচার করা যায়না। প্রশানকে আরও শক্ত হতে হবে।” খুব স্পষ্ট যে তাঁর এই বক্তব্যে দলের কাছে জানালেও কোনও লাভ হচ্ছিলনা। অবশেষে নিজেই রেশন পাচার ধরলেন। এমনটাই অভিযোগ করছে বিজেপি। 

    উপভোক্তাদের বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) রেশন উপভোক্তাদের বক্তব্য, “রেশনে দেওয়া চাল এবং আটার মান অত্যন্ত খারাপ। বেশিরভাগ রেশন সামগ্রীর মধ্যেই পোকা থাকে। আমরা এই সামগ্রী খাবারের কাজে ব্যবহার করতে পারিনা। সরকারের ভালো জিনিস অন্যত্র পাচার করে আমাদের খারাপ জিনিস দেওয়া হচ্ছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনায় (Hooghly) স্থানীয় বিজেপি নেতা মণ্ডল সম্পাদক নেপাল দাস বলেন, “সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে রেশন পাচার চলছে। তৃণমূল বিধায়ক লোকসভার ভোটের আগে শিরোনামে আসতে দুর্নীতি নিয়ে একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। কিন্তু দলের বিরুদ্ধে সার্বিক অভিযোগ তুলছেন না। তৃণমূলের সবাই চোর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে ২০ ঘণ্টা ধরে আয়কর দফতরের তাল্লশি, উদ্ধার ব্যাঙ্কের নথি

    Asansol: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে ২০ ঘণ্টা ধরে আয়কর দফতরের তাল্লশি, উদ্ধার ব্যাঙ্কের নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল বুধবার সারা রাত ধরে লোহা ব্যবসায়ী ইমতিয়াজের হিসাব রক্ষক পঙ্কজ আগরওয়ালের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা। অন্য দিকে ব্যবসায়ী মহেন্দ্র শর্মার বাড়িতেও ইনকাম ট্যাক্স আধিকারিকদের হানা চলেছিল। উল্লেখ্য প্রত্যেকেই আসানসোলের তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ছিলেন।

    আবার বৃহস্পতিবার আসানসোলে (Asansol) বেশ কিছু জায়গায় সকাল থেকেই দ্বিতীয় দিনেও চলছে আয়কর দফতরের তল্লাশি। বার্নপুরের পুরানহাটে পঙ্কজ আগরওয়ালের বাড়িত প্রায় ২৪ ঘন্টা ধরে আয়কর দপ্তরের ম্যারাথন তল্লাশি চলছে। ধরমপুরের লোহা ব্যবসায়ী সৈয়দ ইমতিয়াজের বাড়িতে ২৪ ঘন্টা ধরে আয়কর দপ্তর অভিযান চালিয়েছে। তবে গতকাল বুধবার রাত থেকে রানীগঞ্জের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোহরাব আলির বাড়িতে আয়কর দফতরের ২০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় আয়কর দফতর অত্যন্ত সক্রিয় বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের পাঁচ জায়গায় হানা

    আসানসোলে (Asansol) ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও আয়কর দফতরের ম্যারাথন অভিযান এখনও অব্যাহত। মোট ৫ জায়গায় অভিযান চলেছে। বর্তমানে ৩ তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়িতে অভিযান এখনও চলছে। তবে তৃণমূল প্রাক্তন বিধায়ক তথা লোহা ব্যবসায়ী সোহারাব আলির বাড়িতে যে অভিযান চলছিল তা রাত ১২ টাতেই শেষ হয়ে যায়। ভোর ৫ টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯ ঘন্টা অভিযান চলেছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ইমতিয়াজের ঘনিষ্ঠ সুজিত সিং-এর বাড়িতেও তল্লশি চলে। অবশেষে ভোর ৪ টে নাগাদ সুজিতের বাড়ি থেকে চলে যান আয়কর দফতরের অধিকারিকেরা।

    কী কী উদ্ধার হয়েছে?

    সূত্রের খবর, বেশ কিছু ব্যবসা সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের কাগজপত্র, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি নিয়ে যান আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা। তবে ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ আহমেদ খান, হিসাবরক্ষক পঙ্কজ আগরওয়াল এবং শিল্পপতি মহেন্দ্র শর্মার বাড়িতে (Asansol) তল্লাশি এখনও চলছে।

    চলছে সিবিআই তল্লাশি

    আসানসোলের (Asansol) বার্নপুর থানার অন্তর্গত পুরানাহাট এলাকায় ইসিসিএলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রাক্তন কর্মী শ্যামল সিং ও আরেক ব্যবসায়ী স্নেহাশিস তালুকদারের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি চালাচ্ছে। সকাল থেকেই সিবিআইয়ের দুটি টিম হিরাপুরের এই দুটি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। কয়লা পাচারকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার তদন্তে সিবিআই-এর এই হানা বলে জানা গিয়েছে। সিবিআই স্নেহাশিস তালুকদারকে আটক করে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রে খবর কয়লা পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত লালা ঘনিষ্ঠ স্নেহাশিস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির চক্রী অনীত থাপা, সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির চক্রী অনীত থাপা, সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মূল চক্রী অনীত থাপা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফের একবার শিক্ষক দুর্নীতির অভিযোগ করে সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অনীত থাপা অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা বলেছেন।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    পাহাড় সফরে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ের সমস্ত জেলা স্কুল বোর্ড, জেলা রিক্রুটমেন্ট কমিটি গঠনের কথা বলেছেন। সেই সঙ্গে সমস্ত দায়িত্ব জিটিএ-র উপর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পাহাড়ে গিয়ে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির কথা বলে বলেন, ‘এখানে নিয়োগের মূল চক্রী হলেন অনীত থাপা। জিটিএ-র প্রধান ছিলেন অনীত থাপা। টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।’ এছাড়াও শুভেন্দু আরও স্পষ্ট করে সাংবাদিকদের বলেন, “এখানে অনীত থাপা পাঁচশোর বেশি শিক্ষক নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ এসএসসির মাধ্যমে হয়নি। জিটিএ সরাসরি নিয়োগ করেছে। মাথা পিছু নিয়োগে ১৫ লক্ষ করে টাকা তিনি নিয়েছেন। সমস্ত তথ্য এবং নথি নিয়ে সিবিআইয়ের কাছে যাবো।”

    আর কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) পাহাড়ে গিয়ে আরও বলেন, “এই শিক্ষক নিয়োগে সংরক্ষণ নীতি এবং ন্যূনতম যোগ্যতা মানা হয়নি। উচ্চ মাধ্যমিকে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকার বাধ্যবাধকতাকেও মানা হয়নি। তফসিলি জাতি-উপজাতি এবং ইউব্লিউএস সংরক্ষণের নিয়মকে মান্যতা দেওয়া হয়নি। শিক্ষক নিয়োগের সকল নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অনীতকে ১৯২ জন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলেছেন। এটাও একটা বড় রকমের কেলেঙ্কারি।” তিনি জনজাতি বোর্ড নিয়ে বলেন, “পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য ১২টি জনজাতি বোর্ড গঠন হলেও সব অকেজো হয়ে রয়েছে। আগামী মকর সঙ্কক্রান্তির পর পাহাড়ে বিরাট আন্দোলন শুরু করবো আমরা।”

    অপরদিকে শুভেন্দুর সব অভিযোগকে অস্বীকার করে অনীত থাপা বলেন, “সব অভিযোগ মিথ্যা, নিয়ম মেনে সব শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। বিজেপি কোনও ইস্যু না পেয়ে অপপ্রচার করছে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share