Tag: tmc

tmc

  • South 24 Parganas: তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তাল ডায়মন্ডহারবার, জেলা জুড়ে শোরগোল

    South 24 Parganas: তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তাল ডায়মন্ডহারবার, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোটা এলাকা। ঘটনাটি ঘটেছে ডায়মন্ডহারবারের (South 24 Parganas) হটুগঞ্জ এলাকায়। আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের বোমা মেরেছে। অন্যদিকে তৃণমূল কর্মীদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে হিংসা ছাড়ানোর চেষ্টা করছে আইএসএফ। পরিস্থিতি সামাল দিলে এলাকায় পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    কী ঘটেছে (South 24 Parganas)?

    পঞ্চায়েত ভোটের মাত্র চার দিন বাকি! এর মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার (South 24 Parganas)। রাস্তায় নেমে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ দেখতে গেলে আইএসএফ এবং তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মূলত এলাকায় আইএসএফ দল করার জন্যই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে বলে জানা গেছে। দুষ্কৃতীরা, এলাকায় ঢুকে আইএসএফ করার জন্য কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ করে। এছাড়াও রড, বাঁশ, লাঠি নিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অভিযোগ কী?

    এই এলাকায় (South 24 Parganas) যারা বর্তমানে আইএসএফ করে, তারা প্রায় ১২ বছর ধরে এলাকায় থাকতে পারছে না বলে জানা গেছে। দোষ একটাই, কেন তৃণমূল বিরোধী দল করে তারা! রাস্তায় বের হলে বাড়ির মহিলাদের হাত ধরে টানাটানি করে এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রতিবাদ করতে গেলেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে এলাকায়। আজকের ঘটনায় তৃণমূলের দুষ্কৃতী সামশুল ঘড়ামী, সিরাজুল ঘড়ামী, আলি আব্দুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। এলাকার আইএসএফ কর্মী এবং সাধারণ মানুষ জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ গিয়ে পৌঁছায়। ভোটের আগে এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে আসেন উস্তি, কুলপি থানার পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মন্দির বাজারের এসডিপিও। তাঁদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় দোকানপাট সব বন্ধ এবং পথচলতি মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূল নেতাকে অপহরণ করে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত দলেরই বহিষ্কৃত কর্মীরা

    TMC: তৃণমূল নেতাকে অপহরণ করে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত দলেরই বহিষ্কৃত কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের মিছিল থেকে গলায় গামছা জড়িয়ে দলীয় কর্মীদের সামনে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল বহিষ্কৃত তৃণমূল (TMC) কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরে, তৃণমূল নেতাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের বুদবুদ থানার দেবশালা এলাকায়। আক্রান্ত তৃণমূল নেতার নাম আজম মোল্লা। রাস্তায় ফেলে তাঁকে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। পরে, তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালায় হামলাকারীরা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ঘটনায় দলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সোমবার সন্ধ্যায় বুদবুদের দেবশালা পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের (TMC) পদযাত্রা ছিল। সেই পদযাত্রায় অঞ্চলের সহ সভাপতি আজম মোল্লা সহ একাধিক দলীয় নেতাকর্মীরা ছিলেন। পদযাত্রা শেষ হওয়ার পর আজম সাহেব দেবশালা বাসস্ট্যান্ডের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। একটি গাড়ি করে কয়েকজন এসে তাঁর সামনে গাড়ি দাঁড় করায়। গলায় গামছা জডিয়ে তাঁকে ধরে বেধড়ক পেটানো হয়। পরে, গাড়িতে করে তুলে নিয়ে গিয়ে প্রায় দু’ কিলোমিটার দূরে একটি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফের হামলা চালানো হয়। হামলার জেরে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে, তাঁকে ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে বুদবুদ থানার পুলিশ। আহত তৃণমূল কর্মীকে কাঁকসার রাজবাঁধের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে বুদবুদ থানার পুলিশ।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) নেতা?

    জখম তৃণমূল (TMC) নেতা আজম সাহেব বলেন, ২০২১ সালে ৭ সেপ্টেম্বর দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সির ছেলে চঞ্চল বক্সি খুন হয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে। নাম জড়িয়ে ছিল বেশ কিছু তৃণমূল নেতার। তাদের নাম সামনে আসতেই তাঁদের বহিষ্কার করে তৃণমূল নেতৃত্ব। জামিনে মুক্তি পেয়ে সেই দুষ্কৃতীরা আমার ওপর চড়াও হয়। সমস্ত বিষয়টি দলীয় নেতৃত্ব জানে। পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। আমি চাই, অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সন্ত্রাস কবলিত বাসন্তীতে রাজ্যপাল, দিলেন সব রকম সাহয্যের আশ্বাস

    South 24 Parganas: সন্ত্রাস কবলিত বাসন্তীতে রাজ্যপাল, দিলেন সব রকম সাহয্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাসন্তীতে (South 24 Parganas) গেলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ রাজ্যপাল যান বাসন্তীর গাগড়ামারি গ্রামে। সেখানে গত কয়েক দিন ধরে তৃণমূলের যুব, মাদার এবং নির্দলের মধ্যে অশান্তি লেগেই রয়েছে। ইতিমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন বেশ কয়েক জন। সেই সমস্ত সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তবে বাসন্তীর নিহত যুব তৃণমূল কর্মী জহিরুল মোল্লার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। জহিরুল মোল্লার বড় মেয়ে আবার তৃণমূলের প্রার্থী। তাঁর দাবি, প্রশাসন চক্রান্ত করে বাড়িতে আসতে দেয়নি রাজ্যপালকে। শাসক দলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করছেন তৃণমূল প্রার্থী।

    কেন গেলেন রাজ্যপাল (South 24 Parganas)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য শাসক-বিরোধী সংঘর্ষে উত্তাল। এই পর্যন্ত গত ২৩ দিনে ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শুধু যে শাসক-বিরোধী সংঘর্ষ ঘটছে তাই নয়, এলাকা বিশেষে পুরাতন এবং নব্য তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের কথাও উঠে এসেছে। শুধু সংঘর্ষই নয়, মারামারি, প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটছে নির্বাচনকে ঘিরে। এর মধ্যে তৃণমূলের যাঁরা নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তাল হয়েছে বঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আবহ। গতকাল কোচবিহারের দিনহাটায় নির্দল প্রার্থীর ঘনিষ্ঠ গুন্ডারা তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে ধরালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। আহত তৃণমূল অঞ্চল সভাপতিকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজ্যপাল। ফেরার সময় ট্রেন থেকে রাতে খবর নেন আরও আক্রান্তদের।

    এদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বসন্তীতে তৃণমূলের যুব এবং মাদার সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা স্পষ্ট হয়। বাসন্তীর যুব তৃণমূল নেতা জহিরুল মোল্লাকে গুলি করে হত্যা করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই। মৃত জহিরুল মোল্লার বড় মেয়ে রাজ্য পুলিশের প্রতি আস্থা নেই বলে জানিয়ে দেন। এমনকি সিবিআই এবং রাজ্যপালের উপর ভরসা আছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। আজ সোমবার তাই রাজ্যপাল উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরেই পরিদর্শনে যান বাসন্তীতে (South 24 Parganas)। নির্বাচন সময় পর্বে রাজ্য জুড়ে ঘটা অশান্তির এলাকা পরিদর্শন করে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভয়মুক্ত পরিবেশ গঠনের কথাই বারবার বলেন তিনি।

    স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য

    কাঁঠালবেড়িয়া (South 24 Parganas) অঞ্চলের তৃণমূলের যুব সভাপতি সনৎ দত্তের মা বীণা দত্ত বলেন, আমার ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রাজা গাজি নির্দলের হয়ে মাদার তৃণমূলের পক্ষ থেকে এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে। বীণা দেবী বলেন, আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে দিনপাত করছি। আমরা যুব তৃণমূল করি। কিন্তু মাদার তৃণমূলের সঙ্গে নির্দলরা যুক্ত হয়ে রোজ ভয় দেখাচ্ছে। বাড়িতে বেশ কয়েকবার বোমাও মারা হয়। ইতিমধ্যেই আমার স্বামী বোমার আতঙ্কে তিনবার স্ট্রোক হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, রাজ্যপাল এসেছেন, আমাদের কথা তাঁকে বলেছি। রাজ্যপাল সব রকম সাহয্যের আশ্বাস দিয়েছেন। উনি একটি নম্বরও দিয়ে গেছেন। যদি আরও কোনও রকম অসুবিধা হয়, তাহলে সেই কথাও জানাতে বলেছেন।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রাতে সরকারি স্কুলে মদ-মাংসের পিকনিক! ভোট কেনার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Nadia: রাতে সরকারি স্কুলে মদ-মাংসের পিকনিক! ভোট কেনার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের অন্ধকারে সরকারি স্কুল খুলে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে চলছে মাংস-ভাত খাওয়া। স্কুল চত্বরে পড়ে রয়েছে মদের বোতল। ভোটের আগে এলাকা দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি বলছে, নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের চোখে কি তুলসি পাতা লাগানো রয়েছে?

    ঘটনা কী ঘটেছে (Nadia)?

    সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। গ্রামগঞ্জের প্রতি বুথে চলছে রাতের বেলায় খাওয়া-দাওয়ার আসর। একই ভাবে নবদ্বীপ (Nadia) বিধানসভার চরমাজদিয়া চরব্রহ্মনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার একটি সরকারি স্কুলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা লাগিয়ে চলল মাংস-ভাত খাবার আয়োজন। গ্রামের মানুষকে নিমন্ত্রণ করে চরমাজদিয়া গভর্নমেন্ট কলোনি জুনিয়র স্কুলে হয়ে গেল পিকনিক। স্কুলের চৌদ্দহির ভিতরেই পড়ে রয়েছে মদের বোতল। আর এ নিয়েই বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থীরা ওই এলাকায় মাংস-ভাত খাইয়ে ভোট কিনতে চাইছে! রাতের বেলায় স্কুলের চাবি পেল কোথায় তৃণমূল কংগ্রেস? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। স্কুলের ভিতরে মাইক এবং দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেদার অনুষ্ঠান রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের। ভোটের আগে এলাকায় শাসক দলের এই আচরণে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এলাকার (Nadia) বিজেপি নেতা দিলীপ সরকার বলেন, এই স্কুলের শিক্ষকরা আসেন এবং চলে যান। পড়াশুনা হয় না বললেই চলে। রাজনৈতিক নেতাদের গোপন আস্তানা হয়েছে এই স্কুল। ভোটের নিয়মবিধি চালু হওয়ার পর থেকেই স্কুলের মধ্যে তৃণমূলের পাতাকা লাগিয়ে মাংস-ভাত খাইয়ে রাতের অন্ধকারে ভোট কেনাবেচা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকরা কি কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না! নাকি চোখে তুলসি পাতা লাগিয়ে রেখেছেন! ঠিক এই ভাবেই শাসকদলের ভোট কেনার কথা বলে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন এই বিজেপি নেতা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Nadia) তৃণমূল নেতা বলেন, খাওয়া দাওয়ার সেরকম কিছু ব্যাপার নয়। ওই এলাকায় সারা বছরই স্কুলে পিকনিক হয়। দুর্গাপুজো, কালীপুজো এরকম বছরের ১২ থেকে ১৩ বার খাওয়া দাওয়া চলে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগাযোগ নেই। মদ খাওয়ার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, যারা মদ খায় তারা খেতেই থাকে, সারা বছরই মদ খায়। নির্বাচনকে সামনে নিয়ে বিরোধীরা মূলত অপ্রচার করছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের রক্তদান শিবিরে রক্তদাতাদের প্রেসার কুকার ও বিরিয়ানির প্যাকেট!

    TMC: তৃণমূলের রক্তদান শিবিরে রক্তদাতাদের প্রেসার কুকার ও বিরিয়ানির প্যাকেট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) আয়োজিত রক্তদান শিবিরে উপঢৌকন দেওয়া হল রক্তদাতাদের। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিজেপির দাবি, এভাবে উপঢৌকন দিয়ে কারও কাছে রক্ত নেওয়া বেআইনি। রবিবার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারির উপস্থিতিতে হাওড়ায় রক্তদান শিবির আয়োজিত হয়। সেখানেই রক্তদাতাদের প্রেসার কুকার ও বিরিয়ানির প্যাকেট দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও মন্ত্রীর দাবি, উপহার দেওয়ার যে কথা বলা হচ্ছে, তা ঠিক নয়।

    উপঢৌকন দিয়ে রক্তদান শিবির

    রবিবার মধ্য হাওড়ার ক্ষীরোদতলা বাস স্ট্যান্ডের সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে রক্তদাতারা জানিয়েছেন, রক্ত দেওয়ার পর তাঁদের উপহার হিসাবে দেওয়া হয়েছে প্রেসার কুকার এবং বিরিয়ানির প্যাকেট। পরানো হয়েছে দলীয় উত্তরীয়। এতে ভালোই লাগছে বলে জানান রবিন হাজরা নামে এক রক্তদাতা। এই শিবিরে হাজির ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও শিবপুর কেন্দ্রের বিধায়ক মনোজ তিওয়ারি। তিনি মঞ্চে রক্তদাতাদের উত্তরীয় এবং ব্যাজ পরিয়ে সম্মান ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

    কী বলছে তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    উপহার প্রসঙ্গে মনোজ তিওয়ারি বলেন, ‘‘আমরা সারা বছরই রক্তদান শিবির করি। সেখানে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্ত দিতে আসেন। এখানেও মানুষ রক্ত দিতে এসেছেন। তবে কোনও উপহার দেওয়ার শর্ত ছিল না। তবে কেউ কেউ নিজে থেকে যদি উপহার দিয়ে থাকে, সেটা অন্য ব্যাপার। তবে উপহার দেওয়ার কথা ঠিক নয়।’’

    কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপি এই উপঢৌকন দেওয়া নিয়ে কটাক্ষ করেছে। বিজেপির হাওড়া সদরের সভাপতি মনিমোহন ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘রক্তদান শিবিরে উপহার দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। যেভাবে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে রক্তদাতাদের উপহার দেওয়া হয়েছে, তা ঠিক নয়। মন্ত্রী নিশ্চয়ই জানতেন রক্তদাতাদের এভাবে উপহার দেওয়া যায় না। আসলে তৃণমূলের সঙ্গে আর কেউ থাকতে চাইছে না। তাই প্রলোভন দেখিয়ে কাছে টানার চেষ্টা করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ছাড় নেই নির্দলেরও! লাঠি এবং রড দিয়ে আঘাত, ফাটিয়ে দেওয়া হল মাথা

    Murshidabad: ছাড় নেই নির্দলেরও! লাঠি এবং রড দিয়ে আঘাত, ফাটিয়ে দেওয়া হল মাথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সালার (Murshidabad) থানার মালিহাটি গ্রামে নির্দল সমর্থককে মারধরের ঘটনায় ফের উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। ঘটনাস্থলে সালার থানার পুলিশ। এই ঘটনায় ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এলাকায় বেশ উত্তেজনা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুর্শিদাবাদে এক দিকে যেমন বোমা উদ্ধার, বোমা বিস্ফোরণ, আবার অন্য দিকে হামলা। সব মিলিয়ে সরগরম জেলা।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Murshidabad)?

    নির্দল সমর্থক নুরেল শেখ (Murshidabad) বলে এক ব্যক্তিকে এদিন প্রচণ্ড মারধর করে তৃণমূল সমর্থকরা। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না দাবি করে পরিবার। নির্দল প্রার্থীর স্ত্রী একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, তাঁর স্বামীকে, লাঠি এবং রড দিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কোমরে বেশ আঘাত করা হয়েছে। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই যাতে তৃণমূল একক ভাবে জয়ী হয়, সেই প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে এই হামলা চক্রে। এমনই মন্তব্য করে পরিবার।

    মেয়ের দাবি

    নির্দল সমর্থক নুরেল শেখের মেয়ে বলেন, বাবাকে নান্টু, সান্টু নামের তৃণমূল কর্মীরা আক্রমণ করে। প্রথমে ফোন করে ডাকে। তারপর বাড়ির কাছেই লোহার রড নিয়ে মাথায় আঘাত করে। আমি ছুটে বাবাকে বাঁচাতে গেলে উপর থেকে সোহাগী নামে এক মহিলা ছাদ থেকে ইট দিয়ে আঘাত করে। এরপর বাবাকে টানতে টানতে ওরা নিয়ে চলে যায়। পরে অবশ্য হাসপাতালে গিয়ে আহত নুরেল শেখের (Murshidabad) সন্ধান পাওয়া যায়।

    আহত নির্দল সমর্থকের বক্তব্য

    নুরেল শেখ (Murshidabad) বলেন, আমি বাড়ি (Murshidabad) থেকে ফিরছিলাম। আমি প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতি করি না। কিন্তু নির্দলকে সমর্থন করায় আমাকে আঘাত করে ওরা। আমার মাকেও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। আমরা সব মিলিয়ে প্রায় ৮ জন আহাত হয়েছি। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর পুলিশ আসে এবং দুষ্কৃতীদের মধ্যে ৩ জনকে গ্রেফতার করে। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসার পর এবার থানায় অভিযোগ করতে যাবেন বলে জানান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: কে পুলিশ, কে রাজীব, আর কে তৃণমূল? চেনা মুশকিল! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Alipurduar: কে পুলিশ, কে রাজীব, আর কে তৃণমূল? চেনা মুশকিল! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) শেষ রবিবারের প্রচারে ঝড় তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার জেলার তিন জায়গায় সভা করেন তিনি। বীরপাড়ার জুবিলি ক্লাবের মাঠ থেকে প্রচার শুরু করেন। সাধারণ মানুষকে চোরদের ভালো করে চিনে নিতে হবে এবং পঞ্চায়েতকে চোরমুক্ত করতে হবে বলে হুঙ্কার দেন শুভেন্দু অধিকারী।

    বীরপাড়াতে (Alipurduar) কী বললেন শুভেন্দু?

    বীরপাড়া (Alipurduar) জুবিলি ক্লাবের মাঠ থেকে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের আশা-আকাঙ্খা ততদিন পূরণ হবে না, যতদিন রাজ্যে বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনাল। এই নির্বাচনে পিসি-ভাইপোর কোম্পানিকে বিদায় দিতে হবে। দুর্নীতিগ্রস্ত এই দলকে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে পরাজিত করতে হবে। এদিন শুভেন্দু প্রশ্ন তোলেন, শিলিগুড়িতে মিনি মহাকরণ হওয়ার কথা ছিল! কিন্তু কী হয়েছে সেখানে? কেউ কি কোনও জায়গা থেকে শিলিগুড়িতে প্রতিদিন কাজ করতে যান?

    অভিষেকের উদ্দেশে কী বললেন?

    এদিন ফালাকাটায় (Alipurduar), অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা অভিযোগকে খণ্ডন করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, অভিষেক বলেছেন আমরা দিল্লি গিয়ে রাজ্যের পাওনা বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা রাজ্যের পাওনা বন্ধ করিনি। আমরা এই রাজ্যের ভ্রষ্টাচার, দুর্নীতি বন্ধ করেছি। আমরা জনগণের টাকা নয়ছয় করতে দিতে পারি না! এদিন বীরপাড়ার সভার পর কালচিনির থানা মাঠে সভা করেন শুভেন্দু। এরপর সেখান থেকে কুমারগ্রামের বারোবিশা বিবেকানন্দ ক্লাবের মাঠে শুভেন্দুর সভা হয়।

    বঞ্চিত উত্তরবঙ্গ সম্পর্কে কী বললেন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) তিনি বলেন, রাজ্যের চা বাগানের শ্রমিকদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক দিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গের নদীর বালি, পাথর চুরি করে অবৈধ ভাবে চালান করছে সরকারের আশ্রিত মাফিয়ারা। জঙ্গলের গাছ পাচার হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের দিকে নজর নেই তৃণমূল সরকারের। লোকসভা, বিধানসভা নির্বাচনে এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ দিয়েছেন। কিন্তু এলাকার জন প্রতিনিধিদের এই তৃণমূল সরকার কাজ করতে দিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, সরকারি যে কোনও কাজে বিজেপির জন প্রতিনিধিদের ডাকা হয় না। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে রাহুল নামক এক তৃণমূলের মাফিয়াকে দিয়ে গরু পাচারের কাজ করছে ভাইপো। পুলিশ প্রত্যক্ষভাবে সমস্ত অবৈধ কাজের অনুমোদন দিয়ে দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে টাকা খাচ্ছে। তিনি খুব স্পষ্ট করে বলেন, উত্তরবঙ্গে রাজ্য লটারি খেলাকে ঘিরে অবৈধভাবে তৃণমূলের নেতারা দুর্নীতি করে চুরি করেছে। কে পুলিশ! কে রাজীব! আর কে তৃণমূল! চেনা মুশকিল!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির প্রচারে হামলা, বোমা মেরে প্রাণনাশের হুমকি, এলাকায় অগ্নিমিত্রা

    BJP: বিজেপির প্রচারে হামলা, বোমা মেরে প্রাণনাশের হুমকি, এলাকায় অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জ থানার জে কে নগর এলাকায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত হলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা। বিজেপি নেতা ব্রিজমোহন, মহিলা নেত্রী সিন্টু বাউরি, মিঠু মাঝি নামে বিজেপির কর্মীর উপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    রবিবার জে কে নগর এলাকায় বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার করছিলেন। মূলত ভোটারদের বাড়়ি বা়ড়ি গিয়ে বিজেপির পক্ষে জনগণের সমর্থন চাইছিলেন কর্মী-সমর্থকরা। এমন সময় এলাকার তৃণমূল নেতা বিনোদ নোনিয়ার নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। এমনকী বোমা মেরে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা বলেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতি মেনে কয়েকজন কর্মী-সমর্থক মিলে দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে এলাকায় বাড়ি বাড়ি প্রচার করছিলাম। তখনই ওরা আমাদের উপর হামলা চালাল। ওদের হামলার জেরে আমাদের প্রচার ভেস্তে গেল।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    এই হামলার খবর শুনে আসানসোলের দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্য বিজেপি (BJP) নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল জে কে নগর এলাকায় যান। দলীয় প্রার্থী ও নেতা কর্মীদের উপর হামলার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে ধর্নায় বসেন। তিনি বলেন, বিজেপিকে তৃণমূল এতটাই ভয় পাচ্ছে যে এলাকায় প্রচার পর্যন্ত করতে দিচ্ছে না। এসব চলতে পারে না। অবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা বিনোদ নোনিয়া বলেন, এই এলাকায় বিজেপির (BJP) কোনও জায়গা নেই। এখানে উন্নয়নের নিরিখে মানুষ ভোট দেবে। বিজেপি অকাণে বাজার গরম করতে এসেছিল। দলনেত্রীকে চোর চোর বলছিল। মানুষ প্রতিবাদ করেছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও হামলা চালানো হয়নি। ওরা অকারণে আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘বিরোধীদের ভোট দিলে বন্ধ হবে লক্ষ্মীর ভান্ডার’, হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের, ভিডিও ভাইরাল

    TMC: ‘বিরোধীদের ভোট দিলে বন্ধ হবে লক্ষ্মীর ভান্ডার’, হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের, ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) প্রার্থীকে ভোট না দিলে লক্ষ্ণীর ভান্ডার বন্ধ হয়ে যাবে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ে এরকম দেওয়াল লিখন ঘিরে জেলা জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এবার সেই একই কথা শোনা গেল উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির তৃণমূল বিধায়কের গৌতম পালের গলায়। তিনি বলেন, একটা ভোটও নির্দলকে আর জোটকে দেবেন না। কারণ সিপিএম-কংগ্রেসকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হয়ে যাবে। সাগর দিঘিতে বায়রন জিতেছিল। লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বাধ্য হয়ে তিনি তৃণমূলে যোগ দান করেন। তাঁর এই বিস্ফোরক মন্তব্যের ভিডিও রীতিমত ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। যাকে ঘিরে শোরগোল পড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক ঠিক কী বলেছেন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগে উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘি বিধানসভার তৃণমূল (TMC) বিধায়ক গৌতম পালের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিরোধীদের ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। পাশাপাশি উদাহরণ হিসেবে, সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, সাগরদিঘিতে বিরোধীদের ভোট দেওয়ায় লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে বায়রন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি, নির্দল হিসেবে যারা নির্বাচনে লড়াই করছে। ভোটের পরে তাদের ‘হিসেব’ নেওয়ার কথাও বলতে শোনা গিয়েছে তৃণমূল বিধায়কের মুখে। ভিডিও টিতে তৃণমূল বিধায়ক গৌতম পাল বলেছেন, নির্দল যারা করে তাদের ইতিহাস জানা আছে। আমরা সব হিসেব লিখে রেখেছি। ভোটের পরে হিসেব হবে। যাকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পরেছে গোটা জেলা জুড়ে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই তৃণমূল (TMC) বিধায়কের এমন হুঁশিয়ারির পর নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ হবে তা নিয়ে যথেষ্টই চিন্তিত বিরোধী দলগুলি। বিজেপির জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী বলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়। আসলে রাজবংশী সহজ সরল মানুষদের এসব মিথ্যা বলে ভোটের আগে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনে মানুষ নিজের ভোট দিতে পারলে তৃণমূলে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ফের গোষ্ঠী কোন্দল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    Cooch Behar: ফের গোষ্ঠী কোন্দল! আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত দিনহাটা (Cooch Behar)। এবার দিনহাটা গিতালদহ-১ এর তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি মাহফুজার রহমান এবং তাঁর শ্যালককে নির্দল প্রার্থী রফিকুল বেধড়ক মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রধান অভিযুক্ত রফিকুল তৃণমূলের কর্মী। কিন্তু সে এবার নির্দল প্রার্থী। বর্তমানে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি কোচবিহারের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Cooch Behar)?

    গীতালদহ-১ এর (Cooch Behar) ভোরাম গ্রামে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী খলিল মিয়ার ছেলেকে আটকে প্রচণ্ড মারধর করার কথা শুনতে পান মাহফুজার রহমান। তিনি যেহেতু সেখানকার অঞ্চল সভাপতি, তাই সেই এলাকায় খলিলের ছেলেকে উদ্ধার করতে গেলে মাহফুজারকে নির্দলের দুষ্কৃতীরা বেঁধে প্রচণ্ড মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। মাহফুজার রহমান এখন গুরুতর আহত অবস্থায় নার্সিংহোমে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বলে জানা গেছে।

    মাহফুজার রহমানের পরিবারের বক্তব্য

    মাহফুজারের ভাইপো সম্রাট বলেন, নারায়ণগঞ্জ সাতঢলের পাড়ে (Cooch Behar) নির্দল প্রার্থী রফিকুল, আমার কাকা মাহফুজার রহমান এবং তাঁর শ্যালককে দলবল নিয়ে হামলা করে। বাঁশ, কাঠ লোহা এবং বন্দুক দিয়ে হামলা করে। বাঁ হাত এবং বাঁ পায়ে ব্যাপক আঘাত লাগে। আঘাতের চিহ্নে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। রাজনৈতিক কারণেই এই হামলা বলে মন্তব্য করেন সম্রাট।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় বলেন, বর্ডার এলাকাগুলোতে (Cooch Behar) বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে। ভোটের মুখে সীমান্তবর্তী এলাকায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘটনায় মোট তিনজন আহত হয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, শুধু মারধরই করেনি, সেই সঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায়, পায়ে আঘাত করা হয়েছে আমাদের অঞ্চল সভাপতিকে। দুষ্কৃতীরা মদত কোথা থেকে পাচ্ছ্‌ সেটা তদন্ত করার কথা বলেন তিনি। অঞ্চল সভাপতিকে এভাবে মারধর করার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share