Tag: tmc

tmc

  • TMC: বিলে বাঁধ দেওয়া নিয়ে রণক্ষেত্র এলাকা, মাটি কাটার মেশিনে আগুন, বোমাবাজি

    TMC: বিলে বাঁধ দেওয়া নিয়ে রণক্ষেত্র এলাকা, মাটি কাটার মেশিনে আগুন, বোমাবাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারী থানার এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের করণ বিলে ১৫ ফুট উঁচু বাঁধ দেওয়াকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুড়িয়ে দেওয়া হয় মাটি কাটার মেশিন। বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তিনজন জখম হয়েছেন। জখমদের কালদিঘি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার গ্রামে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন পুলিশ আধিকারিক দ্বীপাঞ্জন ভট্টাচার্য  ও বংশীহারী থানার আইসি মনোজিৎ সরকার।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    করণ বিলে বংশীহারী এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতটি গ্রামের জল বর্ষাকালে জমা হয়। এই বিল থেকেই টাঙ্গন নদী হয়ে জল বেরিয়ে যায়। যেভাবে ১৫ ফুট উঁচু বাঁধ দেওয়া হচ্ছে, সমগ্র বিলকে ঘিরে তাতে আগামী বর্ষায় আর জল বের হবে না। নষ্ট হবে ফসলের জমি। এই বাঁধ তৈরির বিরোধিতা করে গত ১৫ই মে গ্রামবাসীরা রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। তারপর বিডিও বিএলআরও, আইসি গ্রামবাসীদের সঙ্গে মিটিং এ বসে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু, অভিযোগ স্থানীয় প্রভাবশালী তৃণমূল (TMC) নেতা হায়দার আলি, রমজান আলি, জাফর আলি, আফসার আলি দিনেরাতে মাটি কাটার মেশিন লাগিয়ে বাঁধ নির্মাণের কাজ করছিলেন। সরকারি কোনও নির্দেশ নামা তাদের কাছে নেই। শুধুমাত্র প্রভাব খাটিয়ে সরকারি বিলকে অধিকার করার অভিযোগ তৃণমূলের এই নেতাদের বিরুদ্ধে। ২৬ মে রাতে মাটি কাটার মেশিনে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। এরপরই যথেচ্ছ বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন গ্রামবাসীরা?

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ভাঙতেই এই চক্রান্ত করেছে দুষ্কৃতীরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে যেতেই ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান গ্রামের মহিলারা। তাঁদের দাবি, যে অবস্থায় বিল ছিল সেই অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে। সরকারি ও রায়তি অধিকারী থাকা করণ বিল কার তা নিয়ে বিতর্ক  দীর্ঘদিনের। স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ এই বিলে মাছ চাষ করেন এবং তাদের জীবিকা অর্জনের অন্যতম পথ এই বিল। তৃণমূল (TMC) নেতারা প্রভাব খাটিয়ে তাঁরা এই বিলের উপর বাঁধ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ। এতে তাদের রুটি রুজিতে টান পড়বে বলে দাবি গ্রামবাসীদের। গ্রামবাসীদের তরফ থেকে কোর্টে বিষয়টি নিয়ে মামলা হয়। ১৪৪ ধারা এবং স্টে অর্ডার জারি হওয়ার পরেও কী করে রাতে এবং দিনে কাজ চলছিল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গ্রামবাসীরা। এই বিষয়ে রায়তি মালিক পক্ষের আব্দুর রাজ্জাক জানান, পুকুরের রায়তি অংশটুকু মাটি দিয়ে বাঁধানো হচ্ছিলো।  এই বিষয়ে মামলা হওয়ায় আপাতত  পুকুরের পার বাঁধানোর কাজ বন্ধ ছিল। কিন্তু গতকাল রাতে সমাজবিরোধীরা এসে মাটি কাটার মেশিনে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং বোমাবাজি করে।

    কী বললেন পুলিশ আধিকারিক?

    গঙ্গারামপুর মহাকুমা পুলিশ আধিকারিক দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন,  এলাকার একটি পুকুর কাটাকে নিয়ে গোলমালের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছায়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, সেখানে বোমাবাজির কোনও ঘটনা ঘটেছে বলে জানা নেই। কেউ অভিযোগও করেনি।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি মৃনাল সরকার বলেন, ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে পুকুর মালিকদের গোলমাল বাধে। এই ঘটনায় তৃণমূল কোনওভাবে জড়িত নয়। গ্রামের ব্যাক্তিগত গোলমাল থেকে ঘটনাটি ঘটেছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, বিলের পার বাঁধালে ওই এলাকার মানুষদের চাষের জমি বা জল নেওয়ার যে সমস্যা হবে এই নিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। তৃণমূল (TMC) নেতারা সেখানে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে গ্রামের মানুষেরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন। আর এই পুরো ঘটনাটা ঘটানোর জন্য তৃণমূল ও পুলিশ প্রশাসন দায়ী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: “হাসপাতালের অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রীর চোখ দিয়ে জল পড়বে”, কেন বললেন রাজু বিস্তা?

    BJP: “হাসপাতালের অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রীর চোখ দিয়ে জল পড়বে”, কেন বললেন রাজু বিস্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালের বেহাল অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও চোখ দিয়ে জল পড়বে।  উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে একথা বললেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি (BJP) সাংসদ রাজু বিস্তা। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি অন্তত এক ঘণ্টার জন্য এই হাসপাতাল পরিদর্শনে আসার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। আমি নিশ্চিত এখানকার করুণ পরিস্থিতি দেখার পর তাঁর চোখ দিয়ে জল পড়বে। জল না বেরলে  আমি আমার নাম বদলে দেব। এখানে কর্মীর অভাব রয়েছে। পরিকাঠামোর অনেক খামতি রয়েছে।  চারদিক নোংরা আবর্জনায় ভরে রয়েছে। এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে রয়েছেন এখানকার রোগীরা। প্রসঙ্গত, খুশি বর্মন নামে নকশালবাড়ির এক শিশুকে দেখতে সাংসদ রাজু বিস্তা ও নকশালবাড়ি – মাটিগাড়ার বিধায়ক আনন্দময় বর্মন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন। খুশি বর্মনের দু’টি কিডনি খারাপ। হাসপাতালে সংকটজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয়েছে।  রাজু বিস্তা বলেন, তার কিডনি প্রতিস্থাপন বা উন্নত কোনও চিকিৎসার  প্রয়োজন হলে আমি তার দায়িত্ব নিচ্ছি”।

    উত্তরবঙ্গবাসীর উন্নত চিকিৎসার সুযোগ কেড়ে নিয়েছে তৃণমূল, তোপ সাংসদের

    বিজেপি (BJP) সাংসদ বলেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছ থেকে বিনামূল্যে উন্নত অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ কেড়ে নিয়েছে তৃণমূল সরকার। উত্তরবঙ্গের জন্য এইমস অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ থেকে সেই এইমস সরিয়ে কল্যাণীতে নিয়ে গিয়েছেন। এখানে এইমস হাসপাতাল হলে আজ উত্তরবঙ্গের মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে এতটা নাজেহাল হতে হত না,  কাউকে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে হত না। রাজ্য সরকার যদি আমাকে লিখিতভাবে দায়িত্ব দেয় তাহলে এই হাসপাতালের ভোল বদলে দেব”।

     কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

     উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন,  “রাজু বিস্তার মুখে এধরনের শিশুসুলভ কথা মানায় না। বিজেপি (BJP) সাংসদের এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলার  কোনও অধিকার নেই। রাজ্য সরকারের চেষ্টায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবার মান অনেক উন্নত হয়েছে। তিনি না জেনে এসব বলছেন। এসব ভাবনা ছেড়ে আমি বলব, সুপার স্পেশালিটি ব্লক দ্রুত চালু করার জন্য তিনি বরং দিল্লিতে দরবার করুন”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাণ্ডব, তৃণমূল নেতা সহ গ্রেফতার ৭

    TMC: মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাণ্ডব, তৃণমূল নেতা সহ গ্রেফতার ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঢুকে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। এমনকী হাসপাতালে চিকিত্সক ও নার্সদের নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তৃণমূল (TMC) নেতা সহ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম বিপ্লব কুণ্ডু, সুবীর মণ্ডল, সাজিদুল ইসলাম,মনিরুল ইসলাম সহ সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্ট নিয়ে বহরমপুরের গোরাবাজার এলাকার জয়দুল হক নামে এক যুবককে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই রোগীর সঙ্গে মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের (TMC) সম্পাদক বিপ্লব কুণ্ডুর নেতৃত্বে রোগীর পরিবারের লোকেরা ওয়ার্ডের ভিতর ঢুকে পড়েন। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে জুনিয়র ডাক্তারদের উপর তারা চড়া হয়। তারা মদ্যপ অবস্থায় মেডিসিন ওয়ার্ডের মধ্যে ঢুকে চিকিৎসকও নার্সদের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। চিকিত্সকদের গায়ে হাত তোলা হয়। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে পুলিশ সাত জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পরে, হাসপাতালের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের বহরমপুর আদালতে পাঠানো হলে ছয় দিনের জেলা হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

     হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    জেনারেল সার্জারি বিভাগের জুনিয়র রেসিডেন্ট আকাশদীপ ঘোষ বলেন, “এই ধরনের ঘটনা একেবারেই বরদাস্ত করা যাবে না। ওই সময়ে আমি ওখানে গিয়ে দেখি, অপ্রকৃতস্থ অবস্থায় রোগীর সঙ্গে আসা সাতজন যুবক আমাদের জুনিয়র ডাক্তারদের গায়ে হাত তুলেছেন। আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি। ওই রোগীর শ্বাসকষ্ট ছিল। আমরা  চিকিৎসা শুরু করি। এরকম সময় রোগীর পরিবারের লোকজন আমাদের কাজ নিয়ে প্রশ্ন শুরু করেন। মনে হচ্ছে তারা পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা করতে এসেছিল”।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) জেলা নেতা অশোক দাস বলেন, হাসপাতালের ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক। পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পরবর্তীকালে আইন অনুযায়ী পুলিশ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘দোষী যখন নন, কুন্তলের মুখোমুখি বসতে ভয় কীসের?’’ অভিষেককে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘দোষী যখন নন, কুন্তলের মুখোমুখি বসতে ভয় কীসের?’’ অভিষেককে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দোষী নন, তখন কুন্তল ঘোষের সামনাসামনি বসে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর ভয় কীসের?’’ শুক্রবার বর্ধমানের দলীয় কার্যালয়ে বসে সাংবাদিক সম্মেলনে একথাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছে, সিবিআই চাইলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রসঙ্গত, সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদে স্থগিতাদেশ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। শুক্রবার এই ঘটনাকে টেনে সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বলছেন দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিতে! আবার সেই তিনিই জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন বলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন। এত ভয় কীসের জন্য পাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?’’ সুকান্ত মজুমদারের আরও সংযোজন, ‘‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মূল অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নন। হাইকোর্টের নির্দেশে শুধুমাত্র তাঁকে কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করানোর কথা বলেছে হাইকোর্ট। এতে অভিষেকের আপত্তি কিসের?’’

    আরও পড়ুন: নবজোয়ায়ের আগে তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্ব

    অর্জুন সিং ইস্যুতে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বারাকপুর কাণ্ডে দলের বিরুদ্ধে তোপ দেখেছেন অর্জুন সিং। আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নে টিটাগড় থানাকে কাঠগড়ায় করায় তুলেছেন তিনি। এতে অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল। কারণ রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। এমত অবস্থায় অর্জুন সিং-এর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘অর্জুন সিং আগে আমাদের সঙ্গে ছিলেন। পরে আবার তিনি ফিরে গেছেন তৃণমূলে। ওখানে পাঁচ ছ’টা লবি কাজ করছে। বিধায়কদের লবি, চেয়ারম্যানের লবি। এতেই কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন অর্জুন।’’ আগামী দিনে যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, বারাকপুর সমেত সারা রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস ধুলিসাত হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন বালুরঘাটের সাংসদ।

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    এদিন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘ভোট যখনই হোক, আমরা প্রস্তুত আছি। তৃণমূল সন্ত্রাস করলে তার মোকাবিলা করবে বিজেপি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপি কর্মীকে দলীয় কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপি কর্মীকে দলীয় কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের সঙ্গে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। এটাই ছিল অপরাধ। তার জন্যই তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা থানার মল্লিকপুর এলাকায়। জখম বিজেপি কর্মীর নাম রাজু মিস্ত্রি। ইতিমধ্যেই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সম্প্রতি বুড়ুলে বিজেপির (BJP) জনসভা হয়। সেই জনসভায় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে ছবি তোলার পর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিজেপি কর্মী রাজু মিস্ত্রি। তিনি পেশায় ফ্রিজ মেরামতির কাজ করেন। অভিযোগ, এরপরেই বুধবার রাতে ফ্রিজ সারানোর নাম করে ওই বিজেপি কর্মীকে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ঘটনা নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ট্যুইট করেছেন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে বিজেপির (BJP) ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি সুফল ঘাটু বলেন, “দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন ওই কর্মী। ফলতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানের নেতৃত্বে দলীয় কর্মীকে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। পদক্ষেপ না নিলে এসপি অফিস ঘেরাও করব”।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের ডায়মন্ডহারবার সাংগঠনিক জেলার মহিলা সভানেত্রী মনমোহিনী বিশ্বাস বলেন, “দলের সঙ্গে এর কোনও যোগ নেই। পারিবারিক বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে”। তবে, পঞ্চায়েত ভোটের আগে এইভাবে বিজেপি (BJP) কর্মী আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হওয়া নিয়ে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri TMC: শিলিগুড়িতে কোন্দলে জেরবার তৃণমূল, জেলা সভানেত্রীকে সরাতে মরিয়া বিরোধী গোষ্ঠী

    Siliguri TMC: শিলিগুড়িতে কোন্দলে জেরবার তৃণমূল, জেলা সভানেত্রীকে সরাতে মরিয়া বিরোধী গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের (Siliguri TMC) গোষ্ঠী কোন্দল চরমে। দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ নিজেই বলছেন, আমাকে কালিমালিপ্ত করতে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আমার বিরুদ্ধে চারিত্রিক এবং অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ জানিয়েছে দলের স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশ। সম্প্রতি দলের জেলা কমিটির বৈঠকে সভানেত্রীর এই বক্তব্যে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও জটিল আকার নিয়েছে।

    গোষ্ঠী কোন্দলে হতাশ পাপিয়া স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি

    শিলিগুড়ি পুরসভা ও মহকুমা পরিষদ নির্বাচনের পর থেকেই পাপিয়া ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী জোটবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। পাপিয়া অনুগামীদের বক্তব্য, চেয়ারম্যান অলোক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ মঞ্চ তৈরি হয়। শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অমরনাথ দাস, ফাঁসিদেওয়া ব্লক সভাপতি আখতার আলি সহ আরও কিছু নেতার সঙ্গে পাপিয়া ঘোষের সংঘাত (Siliguri TMC) শুরু হয়। এর পিছনে অলোক চক্রবর্তীর মদত রয়েছে বলে মনে করছেন পাপিয়া অনুগামীরা।
    দল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ করার বদলে রাজ্যের কিছু নেতার ভূমিকায় হতাশ হয়ে পাপিয়া ঘোষ গত মাসে নিজেকে দলের সব রকম কর্মসূচি থেকে গুটিয়ে নিয়ে স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি হয়েছিলেন। ফোনও ধরেননি। সম্প্রতি শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোডের একটি হোটেলে জেলা কমিটির বৈঠকে পাপিয়া ঘোষ তাঁর বিরোধীদের বার্তা দিয়ে বলেন, কাউকে আমার প্রমাণ দেওয়ার কিছু নেই। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আগে আয়নায় আমি আমার মুখটা দেখি। রাতে বাড়ি ফিরেও দেখি। তাতে দেখেছি, আমি ঠিক আছি। আমি নিজের কাছে পরিষ্কার রয়েছি।সততার সঙ্গে দলকে এগিয়ে নিয়ে চলেছি। মাঝে কিছুদিনের জন্য কেন নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম, তার কারণ পরে বলব। দলের (Siliguri TMC) মিডিয়া হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে পাপিয়া ঘোষ নিজেই তাঁর এই বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট করেছেন। ওই ভিডিওতে পাপিয়াদেবীকে বলতে শোনা গিয়েছে, আমার বিরুদ্ধে চারিত্রিক ও অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়ে কেউ কেউ আমাকে এই পদ থেকে সরাতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি সততার সঙ্গে তৃণমূল করি। আমি এ ধরনের কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই।

    কে পাপিয়া, কেন সভানেত্রী

    ২০১১ সাল থেকে রাজ্যের সর্বত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝড়ে তৃণমূলের জয় জয়কার। তখন শিলিগুড়িতে (Siliguri TMC) একের পর এক নির্বাচনে পর্যুদস্ত হয়েছে তৃণমূল। দু’বার জেলা সভাপতি পরিবর্তন করেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। দু’বছর আগে আলোচনার বাইরে থাকা পঞ্চায়েত এলাকা থেকে পাপিয়া ঘোষকে দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের সভানেত্রী করে দলের রাজ্য নেতৃত্ব। চেয়ারম্যান করা হয় কংগ্রেসের আইএনটিইউসির প্রাক্তন জেলা সভাপতি অলোক চক্রবর্তীকে। প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী ও কোচবিহারের প্রাক্তন জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের মেয়ে পাপিয়াদেবী দায়িত্ব নিয়েই শিলিগুড়ি পুরসভা ও মহকুমা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলের বিপুল জয় এনে দেন। এই সাফল্যে তিনি রাজ্য নেতৃত্বের সুনজরে পড়ে যান।

    কেন কোন্দল, সংঘাত

    দল সূত্রে খবর, বিরোধী গোষ্ঠী পাপিয়ার এই সাফল্য মেনে নিতে পারেনি। তখন থেকেই শুরু হয় পাপিয়া দেবীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের চক্রান্ত। কেননা তিনি শিলিগুড়িতে তৃণমূলের (Siliguri TMC) গোষ্ঠী কোন্দল সরিয়ে নেতা-কর্মীদের এককাট্টা করে তোলেন। বসে যাওয়া পুরনো নেতা-কর্মীদের সম্মান দিয়ে দলের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনেন। যা দলের একটা অংশ মেনে নিতে পারেননি, তাদের একচেটিয়া দাপট খর্ব হওয়ার আশঙ্কায়। শিলিগুড়ির এক প্রবীণ তৃণমূল নেতা বলেন, তারপর থেকেই পাপিয়া ঘোষকে সরাতে পরিকল্পিত ভাবে ষড়যন্ত্র করছে দলের কিছু নেতা। তাদের মধ্যে সভাপতি পদের প্রত্যাশী রয়েছেন একাধিক নেতা। ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্যই সভাপতি হওয়ার এই নোংরা লড়াই। বিরোধীদের বক্তব্য, রাজ্য নেতৃত্ব সব জানে। তদন্ত হলে কে ঠিক প্রমাণ হয়ে যাবে।

    কী বলছেন অলোক চক্রবর্তী

    অলোক চক্রবর্তী  বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমার জানা নেই। পাপিয়া ঘোষ সম্প্রতি দলের (Siliguri TMC) জেলা কমিটির বৈঠকে যে অভিযোগ করেছেন, এ ব্যাপারে তিনি আমাদের জানাননি। জানালে আমরা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নিতাম। আমার বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ উঠলেও আমি বলব, পাপিয়া ঘোষ ভালো কাজ করছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: “যোগ্যতায় আমার ধারে কাছে নেই, তাঁরাও সব মন্ত্রী হয়েছেন”, মদনের পর বিস্ফোরক তাপস রায়

    TMC: “যোগ্যতায় আমার ধারে কাছে নেই, তাঁরাও সব মন্ত্রী হয়েছেন”, মদনের পর বিস্ফোরক তাপস রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদন মিত্রের পর এবার বেসুরো হলেন বরানগরের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তাপস রায়। মন্ত্রী, সাংসদ, চেয়ারম্যান যারা হয়েছেন তাদের অনেকের যোগ্যতা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুললেন। একদা মমতা ঘনিষ্ঠ বর্ষীয়ান এই তৃণমূল (TMC) নেতার এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন। যার এক ফোনেই পিজিতে রোগী ভর্তি হওয়া শুধু নয়, ভিভিআইপি ট্রিটমেন্ট হত তাঁর। সেই মদন নিজে খোদ পিজিতে সশরীরে হাজির হয়ে রোগী ভর্তি করতে পারেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর যতটা না বেশি ক্ষোভ, তার থেকে অনেক বেশি ক্ষোভ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি তাঁর সেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই তাপসবাবুর এই বেসুরো মন্তব্য তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।

    ঠিক কী বলেছেন বরানগরের বিধায়ক?

    বরানগরে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তাপস রায় বলেন, “যে নতুন প্রজন্ম উঠে এসেছেন, তাঁরা লোকসভা, রাজ্যসভার সাংসদ হচ্ছেন, মন্ত্রী, বিধায়ক, মেয়র, চেয়ারম্যান হয়েছেন, এঁদের সকলের যে যোগ্যতা আছে তা মনি করি না। দল সমস্ত দিকে নজর রাখছে, সকলে জায়গা পাবে না। আমারও মন্ত্রীসভায় জায়গা হয়নি। যোগ্যতায় আমার ধারেকাছে নেই, তাঁরাও সব মন্ত্রী হয়েছেন”। এমনিতেই তাপসবাবু মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই তাপসবাবুর এই বেসুরো মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কয়েক মাস আগে রাজ্য মন্ত্রীসভায় রদবদল হয়। সেখানে তাপস রায়ের ঠাঁই পাওয়া নিয়ে জল্পনা ছিল। কিন্তু, দল তার উপর আস্থা না রেখে বারাকপুর মহকুমার অন্য এক বিধায়কের উপর আস্থা রেখেছিল। শুধু বারাকপুর বলে নয় রদবদলে রাজ্যের একাধিক তরুণ বিধায়ক মন্ত্রী হয়েছিলেন। তারমধ্যে হুগলির এক বিধায়কও রয়েছেন। যারা মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন সকলেই অভিষেক ঘনিষ্ঠ। স্বাভাবিকভাবে অভিষেকের নির্দেশে নতুন মন্ত্রীসভায় নতুনরা ঠাঁই পেয়েছিলেন। কিন্তু, অভিষেক যাদের বিধায়ক থেকে মন্ত্রী করেছেন তাঁদের অনেকেই যে যোগ্য নন তা তাপসবাবুর মন্তব্যে স্পষ্ট। কার্যত তাপসবাবু তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে অভিষেকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Egra: এগরায় পুকুর থেকে উদ্ধার ১৫ বস্তা বাজি ও বিস্ফোরক! কে ফেলে দিয়ে গেল? 

    Egra: এগরায় পুকুর থেকে উদ্ধার ১৫ বস্তা বাজি ও বিস্ফোরক! কে ফেলে দিয়ে গেল? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা রাজ্য কি বারুদ আর বোমার স্তূপে পরিণত হল? এগরার খাদিকুলের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর যে হারে বিভিন্ন জায়গায় বোমা ও বাজির মশলা উদ্ধার হচ্ছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন মহল থেকে এই প্রশ্নটা ভেসে আসছে। আরও প্রশ্ন উঠছে, এতদিন পুলিশ কি ঘুমিয়ে ছিল? এগরার (Egra) ঘটনায় তো পুলিশের বিরুদ্ধেই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে, তারা মোটা টাকার বিনিময়ে জেনেবুঝেও এই ধরনের কাজে কোনও বাধা দেয়নি। পুলিশ ঘটনার পর গ্রামে গেলে তাদের ঘিরে ধরে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভও দেখিয়েছিল। আরও মজার বিষয় হল, পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের তোলা অভিযোগ যে মিথ্যা নয়, তা এগরা থানার আই সি-কে সরিয়ে দেওয়ার মতো পদক্ষেপেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। 

    পুকুর থেকে উদ্ধার বাজি-বারুদ

    এগরার বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর কেটে গেছে এক সপ্তাহ। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে মূল অভিযুক্ত ভানু বাগ সহ ১২ জনের। কিন্তু সপ্তাহ ঘুরলেও এখনও এলাকার পুকুর থেকে উদ্ধার হচ্ছে বস্তার পর বস্তা নিষিদ্ধ বাজি এবং বাজি তৈরির সামগ্রী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ২নং ব্লকের (Egra) দেশবন্ধু অঞ্চলে সাহাড়দা গ্রামে রবিবার রাতে একটি পুকুর থেকে ৮ বস্তা বারুদ ও নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। তারপর সোমবার সকালেও ফের পুকুর থেকেই আরও ৭ বস্তা বাজি-বারুদ উদ্ধার হয়েছে। ১৫ বস্তা বারুদ ও বাজি জমা দেওয়া হয়েছে থানায়। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছেছে পুলিশ। পুরো এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    কী বলছেন গ্রামের মানুষ? কী বলছেন উপপ্রধান?

    এখানকারই বাসিন্দা অশোক কুমার মাইতি বললেন, কচুরিপানার ভিতর থেকে বারুদ, বোমা এবং বাজি বানানোর নানা সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষ ঘিরে রেখে প্রথমে পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম। তারা এসে এগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কীভাবে এল এসব? অশোকবাবুর মতে, কাছেই রুকনিপুরে আতশবাজির কারখানা আছে। এগরার ঘটনার পরই সেখানকার লোকজন এখানে এসে এসব ফেলে দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের শান্ত গ্রামকে তারা অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাওয়ার ভয়েই এসব করছে। এতে তৃণমূলের মদত আছে বলেই তিনি মনে করেন। ওই গ্রামে এর আগেও বাজি বিস্ফোরণে অনেকে মারা গিয়েছিল। অন্যদিকে, দেশবন্ধু গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আলোক মহাপাত্র বলেন, এটা চক্রান্ত ছাড়া কিছু নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করারই চেষ্টা। না হলে কেউ মাঠে-ঘাটে এভাবে ওসব ফেলে রেখে যায়? তিনি সরাসরিই বলে দেন, এটা বিজেপি করেছে। না হলে বিজেপির লোকজন ওখানে সকাল সকাল পৌঁছে যায় কী করে?

    পঞ্চায়েত ভোটেরই অশনি সঙ্কেত?

    তৃণমূলের উপপ্রধান যাই বলুন, অভিজ্ঞ মহল বলছে, এ যেন পঞ্চায়েত ভোটেরই অশনি সঙ্কেত। রাজ্যে যে সব জায়গা ঝামেলা-গণ্ডগোলে সবসময়ই খবরের শিরোনামে থাকে, সেই ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা ভোটের আগেই খবরের শিরোনামে। বিরোধীরা বলছে, এখন যে সব বোমা ফাটছে (Egra), বোমার মশলা উদ্ধার হচ্ছে, সে সবই আসলে মজুত করে রাখা ‘সম্পদ’। ভোটে এসবের সদ্ব্যবহারের কথা থাকলেও পঞ্চায়েত ভোট পিছিয়ে যাওয়াটাই কাল হয়েছে। বিরোধীদের টাইট দেওয়ার জন্য তিল তিল করে জমানো এই সম্পদ নিয়ে বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে অনেকেই। এদের ‘যত্ন-আত্তি’ করে রাখতে গিয়েই ঘটে যাচ্ছে একের পর এক বিপত্তি। কোথাও ছাদে বোমার গায়ে রোদের তাপ লাগাতে গিয়ে তাতে বিস্ফোরণ ঘটছে, কোথাও তৈরির সময়ই প্রচণ্ড গরমের তাপে তাতে বিস্ফোরণ ঘটছে। আবার এগরার (Egra) ঘটনায় দেখা গেল, বিপদ আঁচ করে কেউ বা কারা বস্তা বস্তা বাজি, মশলা, বিস্ফোরক পুকুরে ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে। যে সব জায়গায় এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, সেখানে তো গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য তৃণমূল। এখন গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ায় সিভিক পুলিশ। তাহলে এদের কেউই জানতে পারল না? এটা কি বিশ্বাসযোগ্য। এমন প্রশ্নও উঠছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকদায় তৃণমূল ছাত্র নেতাকে লক্ষ্য করে চলল এলোপাথাড়ি গুলি,  কেন জানেন?

    TMC: চাকদায় তৃণমূল ছাত্র নেতাকে লক্ষ্য করে চলল এলোপাথাড়ি গুলি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীগঞ্জের পর চাকদায় গুলিবিদ্ধ তৃণমূলের (TMC) এক ছাত্র নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার চাকদা থানার মাস্টারপাড়া এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, জখম ছাত্র নেতার নাম শুভম দাস। তিনি চাকদা শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুদিন আগে পাড়ায় জোরে বাইক চালিয়ে ধূলো ওড়ানোর প্রতিবাদ করায় কালীগঞ্জ থানা এলাকায় গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। এরপর সামান্য বিষয় নিয়ে চাকদায় গুলি চালানোর ঘটনা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বেশ কিছুদিন ধরে বুবাই নামে এক যুবক তৃণমূলের (TMC) ওই ছাত্র নেতা শুভমকে হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। এই বিষয় নিয়ে কথা বলতেই শুভম রবিবার রাত আটটা নাগাদ সুমিত মণ্ডল নামে এক যুবকের বাড়ি যান। সুমিত বুবাইয়ের সম্পর্কে আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। হুমকি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে কথা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই বচসা বেধে যায়। এরপর সুমিতের স্ত্রী ঘর থেকে একটি বন্দুক বের করে সুমিতের হাতে তুলে দেন। সুমিত ওই ছাত্র নেতার বুকে বন্দুক ঠেকিয়ে হুমকি দিতে থাকে। পরে হঠাৎ গুলি চালাতে শুরু করে। ওই ছাত্র নেতার হাতে গুলি লাগে। জানা গিয়েছে, হামলাকারী যুবকও তৃণমূল কর্মী। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দলও একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    কী বললেন জখম তৃণমূলের (TMC) ছাত্র নেতা?

    এ বিষয়ে শুভম দাস বলেন, সুমিতের এক আত্মীয় দীর্ঘদিন ধরে আমাকে খুন করার হুমকি দিচ্ছিল। সেই বিষয়ে সুমিতকে বলতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে। ও এভাবে গুলি চালিয়ে দেবে, তা ভাবতে পারিনি। ও গুলি চালাতেই আমি ছুটে পালিয়ে যাই। যদিও ততক্ষণে একটি গুলি আমার হাতে লেগেছে। তবে, সময়মতো পালাতে না পারলে আমি আর বেঁচে ফিরতাম না।

    কী বললেন নদিয়া দক্ষিণ জেলা তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের সভাপতি?

    এ বিষয়ে নদিয়া দক্ষিণ জেলা তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুদীপ দে বলেন, চাকদা শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি শুভমকে গুলি করে খুন করার চেষ্টা হয়েছে। তবে প্রশাসনের উপর আমাদের ভরসা আছে। আমরা চাই, প্রশাসন তদন্ত শুরু করে অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করুক। এই ঘটনা কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নয়, এটা পুরোপুরি অরাজনৈতিক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corruption: সরকারি চাকরির নামে কয়েক লক্ষ টাকা প্রতারণা, জালে তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান

    Corruption: সরকারি চাকরির নামে কয়েক লক্ষ টাকা প্রতারণা, জালে তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার (Corruption) অভিযোগে এর আগে একাধিক তৃণমূল নেতার নাম জড়িয়েছে। এবার এই অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে গেল এক পুলিশ কর্মী এবং এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের নাম। কলকাতা পুলিশের এক এএসআই এবং তাঁর স্ত্রী সহ চারজনকে এই অভিযোগে ইতিমধ্যে গ্রেফতারও করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা শাখা। লালবাজার সূত্রে খবর, ধৃত চারজনকে শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে। রবিবার তাদের ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে যে এই ঘটনায় কোনও উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসার জড়িয়ে আছে কিনা। প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল মাসে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

    ঘটনাটি ঠিক কী?

    গোয়েন্দাদের তরফ থেকে জানা গেছে, মাসখানেক আগে বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা আখতার বানু নামে একজন লালবাজার কর্তাদের কাছে অভিযোগ জানান, তাঁর ছেলেকে মন্ত্রীর কোটায় স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে কয়েক লক্ষ টাকা নেয় বেনিয়াপুকুর থানায় কর্মরত অফিসার সঞ্জীব দেঁড়ে। জানা যায়, এই চক্রে সঞ্জীব ছাড়াও জড়িত রয়েছে আরও চারজন। সেই মতো গ্রেফতার করা হয় সঞ্জীবের স্ত্রী বর্ণালীকে। তিনি বর্তমানে পঞ্চায়েত সদস্য এবং খলিশানি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান ছিলেন। এলাকাবাসীর থেকে টাকা তো তুলতেনই, সঙ্গে বাইরের এলাকা থেকেও টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছিল এই দম্পতির বিরুদ্ধে। রবিবার তাঁদের দু’জনকে বাউড়িয়া বুড়িখালির একটি বহুতল থেকে গ্রেফতার করেন লালবাজারের পুলিশ কর্তারা। এর পাশাপাশি পুলিশ গ্রেফতার করেছে সৈকত নামের এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। তিনি গোয়েন্দা দফতরের রিসেপশনে কর্মরত ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। কার্তিক মান্না নামের এক দালালকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, গত মাসে অভিযোগ দায়ের হতেই সঞ্জীবের বিরুদ্ধে গোপন তদন্তে নামেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। তখনই এই চক্রের হদিশ মেলে।  

    তদন্তে কী উঠে এল?

    তদন্তে জানা গিয়েছে, এই চক্র স্বাস্থ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা তুলেছে বিভিন্ন জনের কাছে। শুধু তাই নয়, কিছু জনকে ভুয়ো নিয়োগপত্রও বিলি করা হয়। ইতিমধ্যে গোয়েন্দারা বেশ কিছু ভুয়ো নথি উদ্ধার করেছেন ধৃতদের কাছ থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share