Tag: tmc

tmc

  • Attack: দলীয় কর্মীদের হামলায় টিএমসিপি-র নেতাসহ জখম চার, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Attack: দলীয় কর্মীদের হামলায় টিএমসিপি-র নেতাসহ জখম চার, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই কামারহাটি পুরসভা এলাকায় বেআইনি বাড়ি নির্মাণে বাধা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর। আর তারজন্য কাউন্সিলরকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দলেরই কর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই পুরানো বিবাদকে কেন্দ্র করে ফের কামারহাটিতে তৃণমূলের  গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলায় (Attack) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা সহ চারজন জখম হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে বেলঘড়িয়া থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে গণ্ডগোল হয়েছে। অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  বেশ কিছুদিন আগে তৃণমূলের রোহিত সিংয়ের সঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা দেবজ্যোতি দে-এর লোকজনের গণ্ডগোল হয়েছিল। পরে, তা মিটে যায়। এদিন এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এবার বেলঘড়িয়া আদর্শপল্লি এলাকায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা দেবজ্যোতি দে এবং তাঁর সঙ্গীদের ওপর রোহিত সিং এর দলবল আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা (Attack) চালায় বলে অভিযোগ । অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে বাঁশ, হকি স্টিক ও পিস্তল দিয়ে হামলা চালানো হয়।

    কী বললেন জখম তৃণমূল ছাত্র পরিষদ কর্মী?

    জখম তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মী দেবজ্যোতি দে বলেন, আমরা ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। আচমকা বাইকে করে ১০-১২ জন এসে আমাদের ওপর হামলা (Attack) চালায়। হামলা (Attack)  চালানোর সময় রোহিত সিংসহ কয়েকজনের নাম করে হুমকিও দিয়ে যায়। চরম আতঙ্কে রয়েছি। থানায় অভিযোগও জানিয়েছি। অভিযুক্ত রোহিত সিং নির্দল কাউন্সিলর বাবু মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ। রোহিত সিং এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। ঘটনায় যাদের দিকে অভিযোগের আঙুল সেই নির্দল পুরপিতা বাবু মণ্ডল ও রোহিত সিং এর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    কী বললেন বেলঘরিয়া শহর তৃণমূলের সভাপতি?

    বেলঘরিয়া শহর তৃণমূলের সভাপতি সায়ন মুখোপাধ্যায় বলেন, আমাদের সংগঠনের কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। হামলাকারীরা বাবু মণ্ডল আর রোহিত সিংয়ের নাম নেয়। আসলে দুষ্কৃতীরা এলাকা দখলের চেষ্টা করছে। ছাত্র, যুব কর্মীরা তাতে বাধা দিচ্ছে। এটাতেই তাদের আপত্তি। তাই, এই ধরনের হামলা (Attack) চালানো হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে সমস্ত কিছু জানানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    কামারহাটিতে তৃণমূলের এই গোষ্ঠীসংঘর্ষের ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব । বিজেপি নেতা জয় সাহা বলেন, তৃণমূলের সময় ঘনিয়ে এসেছে । কামারহাটিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীসংঘর্ষ রোজকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানকে নোটিশ পাঠাল ব্যাঙ্ক! কেন?

    TMC: নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানকে নোটিশ পাঠাল ব্যাঙ্ক! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট তথা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি শেখ সুফিয়ানকে নোটিশ পাঠাল ব্যাঙ্ক। কাঁথি কো- অপারেটিভ ব্যাঙ্কের  নন্দীগ্রাম শাখার পক্ষ থেকে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল (TMC) নেতা শেখ সুফিয়ান। এ নিয়ে সিপিএম ও বিজেপি তীব্র কটাক্ষ করেছে।

    তৃণমূলের (TMC)  ওই নেতার বিরুদ্ধে কেন নোটিশ পাঠাল ব্যাঙ্ক?

    ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, সেখ সুফিয়ান নামে ওই তৃণমূল (TMC) নেতার ব্যাঙ্কে লোন বাকি রয়েছে ৪৯ লক্ষ টাকা।  ২০১৪ সালে নিজের জাহাজ বাড়ি তৈরির জন্য ২৫ লক্ষ টাকা লোন নিয়ে ছিলেন তিনি। ২০২০ সালে ব্যবসার কাজে একটি ট্রলার কেনার জন্য তিনি ২৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার লোন নিয়েছিলেন। বাড়ির কিছুটা টাকা শোধ করলেও এখনও পর্যন্ত ৭ লক্ষ টাকা বাকি রয়েছে বলে ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও ট্রলার কেনার পর সেই লোনও তিনি শোধ করেননি। ঋণ নেওয়ার পর তিন বছর কেটে গেলেও কিস্তির টাকা পরিশোধ করেননি। বিষয়টি কয়েকবার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করেছিল ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, লাভ হয়নি। এরপরই নোটিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    কী বললেন কাঁথি কো- অপারেটিভ ব্যাঙ্কের কর্মকর্তা?

    কাঁথি কো- অপারেটিভ ব্যাঙ্কের অন্যতম কর্ণধার শেখ অ্যাপোলো আলি বলেন  “ওই ব্যক্তির দু’টি লোন রয়েছে। একটি হাউস বিল্ডিং লোন আর একটা ব্যবসা সংক্রান্ত লোন। দু’টি লোনের কিস্তি সময় মতো জমা না পড়ায় রিকভারি সেকশনে তাঁর ফাইল পাঠানো হয়েছে। তবে, এখনই নিলাম নোটিশ পাঠানোর কথা নয়। প্রথমে ডিফল্ট নেটিশ পাঠানো হবে। পরে, লোন পরিশোধ না করলে চূড়ান্ত নেটিশ ও পরবর্তী পর্যায়ে নিলামের নোটিশ পাঠানো হবে “।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতা শেখ সুফিয়ান?

     জাহাজ বাড়ির মালিক শেখ সুফিয়ান গোটা বিষয়টি রাজনৈতিক চক্রান্ত হিসেবে দাবি করেছেন। তিনি বলেন ” আমি ২০১৪ সালে বাড়ি তৈরি করার জন্য এবং  ২০২০  ট্রলার কেনার জন্যই লোন নিয়ে ছিলাম। শুভেন্দু অধিকারী ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ছিলেন। তখন আমার লোন অনুমোদন হয়েছিল। লোনের বেশ কিছু টাকা পরিশোধ করেছি। কিছুটা বাকি রয়েছে। টাকা শোধ করে দেব। তিনি আরও বলেন, ব্যাঙ্ক আমার সঙ্গে দ্বিচারিতা করেছে, ট্রলারটি ঠিক সময় দেয়নি। আমি দ্রুত লোক আদালতে যাচ্ছি।

    কী বললেন সিপিএম নেতা?

     সিপিএম নেতা পরিতোষ পট্টনায়ক বলেন,” সুফিয়ানবাবুর জাহাজ বাড়ি দেখতে স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কোলে বসা ব্যবসায়ীরা ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। আর দিদির স্নেহধন্য সুফিয়ান বাবুও সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছেন। এখন ওই টাকা শোধ করবেন কি না তা সময় বলবে। তবে, এসবের জন্যে আখেরে ক্ষতি হবে সাধারণ মানুষের  “।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি প্রলয় পাল কটাক্ষের সুরে বলেন  “১০০দিনের কাজ,আবাস যোজনার বাড়ি সহ একাধিক চুরি থেকে বাঁচতে এই লোন দেখান হয়েছে। সবই লোক দেখানো ঘটনা। মানুষ বুঝবে যে হীরু ডাকাতের বংশধর সুফিয়ান লোন করে বাড়ি করেছে “।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: রাজনীতি না করেই তৃণমূল কংগ্রেসের কমিটিতে! প্রকাশ্যে তোপ দলের প্রাক্তন মন্ত্রীর

    TMC: রাজনীতি না করেই তৃণমূল কংগ্রেসের কমিটিতে! প্রকাশ্যে তোপ দলের প্রাক্তন মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে, তৃণমূল (TMC) দলের অন্তর্কলহ ততই প্রকাশ্যে চলে আসছে। দলের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকেই তুলে ধরছে নানা ঘটনা। এবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আসল চেহারাটা বেরিয়ে এল মালদায়। উত্তর দিনাজপুরের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা করিম চৌধুরীর পর জেলা কমিটি নিয়ে বেসুরো গাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। 

    দল নিয়ে কী বললেন প্রাক্তন মন্ত্রী?

    তাঁর সোজাসাপটা তোপ, রাজনীতি করেননি, এমন ব্যক্তিই স্থান পেয়েছেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কমিটিতে। এই একটিমাত্র লাইন বলে তিনি থেমে থাকেননি। একের পর এক বোমা ফাটিয়েছেন। তুনি বলেছেন, যাঁরা বিগত দিনে দলের মিছিলে হাঁটেননি, স্লোগান দেননি, পাড়ায় পাঁচটি ছেলে নেই, বুথ নির্বাচনে হেরে যান, তাঁরাই দলের দায়িত্বে। কলকাতার নেতারা পর্যালোচনা না করেই জেলা কমিটি তৈরি করেছেন। তাঁর পাল্টাও অভিযোগ, যাঁদের কমিটিতে রাখা হয়েছে, তাঁরা দলের বিরোধিতা করে এসেছেন। পঞ্চায়েত, লোকসভা, বিধানসভা সর্বত্র। নিজের বুথে হেরেছেন। এঁদের যদি দলে নিয়ে আসা হয়, তাহলে পার্টির ভবিষ্যৎ কী? ফলে দলের কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কৃষ্ণেন্দুবাবুর এমন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।

    কী বলছেন জেলার তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি আব্দুল রহিম বক্সি বিষয়টিকে আমল দিতে নারাজ। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তি আছে, যারা দলের বিরোধিতা করে। সমাজে এই ধরনের মানুষ ঘুরে বেড়ায়। যদি বিরোধী কথা বলতে না পারে, তাহলে রাতে ঘুম হয় না। তাঁর দাবি, বুথ থেকে জেলাস্তর পর্যন্ত সমস্ত নেতৃত্ব এই কমিটি দেখে খুশি হয়েছেন। কারণ সবার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই এই কমিটি গঠিত হয়েছে। এই ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। আর যাঁরা বলছেন সংখ্যালঘুদের সম্মান দেওয়া হয় না, তাঁরাও ঠিক কথা বলছেন না। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের প্রতিনিধিত্বই রয়েছে কমিটিতে। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, যাঁরা এসব কথা বলছেন, তাঁরা তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। মালদা জেলায় আমরা সবাই জোটবদ্ধ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমরা এই জেলায় একসঙ্গে কাজ করছি। 

    তৃণমূল কংগ্রেসের কোন্দল দীর্ঘদিনের, তোপ বিজেপির

    বিষয়টি নিয়ে দক্ষিণ মালদার বিজেপি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ি কটাক্ষ করে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কোন্দল দীর্ঘদিনের। আজ যাঁরা দলের দারিত্ব পেয়েছেন, তাঁরা নিজেদের আত্মীয়স্বজনকে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটিতে নিয়েছেন। তাই ক্ষোভ বাড়ছে। মালদা জেলায় তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ণ হয়ে আছে। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ায় তা স্বাভাবিক কারণে বড় আকার নিচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Police: ব্যক্তিগত কারণেই দণ্ডি কেটেছেন আদিবাসী মহিলারা, পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে ফের তরজা

    West Bengal Police: ব্যক্তিগত কারণেই দণ্ডি কেটেছেন আদিবাসী মহিলারা, পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে ফের তরজা

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ড নিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের (West Bengal Police) পাঠানো ১৩ এপ্রিলের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় এসটি কমিশনকে জেলার পুলিশ সুপার চিঠি দিয়ে দণ্ডিকাণ্ডে তদন্তের বিষয়টি জানান। চিঠিতে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দণ্ডিকাণ্ডে তদন্তকারী অফিসার তপনের ওই গ্রামে গিয়ে নির্যাতিতা মহিলাদের মধ্যে দুজনের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা ব্যক্তিগত কারণে এই দণ্ডি কেটেছেন বলে পুলিশকে (West Bengal Police) জানিয়েছেন। কারও বিরুদ্ধে তাঁদের কোনও অভিযোগ নেই বলেও তাঁরা পুলিশকে জানিয়েছেন। চিঠিতে পুলিশের পক্ষ থেকে এসবই দাবি করা হয়েছে। যদিও পরে একজন থানায় এই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। সেই ঘটনা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। মূলত বালুরঘাটের তিন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটানোর অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। কিন্তু, পুলিশ প্রথম থেকেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর নাম সামনে আনতে চায়নি বলে বিরোধীদের অভিযোগ। পরিবর্তে  এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ (West Bengal Police)। এবং পরবর্তী সময়ে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান। আর তারপর ১৩ এপ্রিল পুলিশ যে রিপোর্ট এসটি কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে তাতে আবারও মূল অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পুলিশি (West Bengal Police)  রিপোর্ট নিয়ে কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

    দণ্ডিকাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতারির ঘটনায় খুশি নয় বিজেপি। এর আগেও অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে গ্রেফতাদের দাবিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাটসহ সব থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। এমনকী, জাতীয় এসটি কমিশনকে চিঠি দিয়ে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি করেছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পুলিশি রিপোর্ট প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, পুলিশের (West Bengal Police) রিপোর্ট দেখে হাসি পাচ্ছে। আসলে রিপোর্টে বলা হচ্ছে, কেউ দোষী নয়। ওরা নিজেদের ব্যক্তিগত কারণে দণ্ডি কেটেছে। তাহলে দুজনকে পুলিশ (West Bengal Police)  গ্রেফতার করল কেন? আসলে এই পুলিশ (West Bengal Police)  পুরোপুরি দলদাসে  পরিণত হয়েছে। দণ্ডিকাণ্ডের ঘটনাটি  কেন্দ্রীয় সংস্থা জেলায় এসে তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় এসটি কমিশন কী রিপোর্ট চেয়েছে জানি না। পুলিশ (West Bengal Police)  কী রিপোর্ট দিয়েছে তা জানি না। তাই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য আমরা করব না। পুলিশ (West Bengal Police) সক্রিয়তার সঙ্গে তদন্ত করছে। আমরা চাইব, এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের পদ বিক্রি! নাম জড়াল বিধায়ক সোহমের আপ্ত সহায়কের

    TMC: টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের পদ বিক্রি! নাম জড়াল বিধায়ক সোহমের আপ্ত সহায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে পূর্ব মেদিনীপুরে চণ্ডিপুর বিধানসভার ভগবানপুর-১ ব্লকে ঘটা করে ব্লক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এবার সেই কমিটি গঠনকে অবৈধ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করার কথা বলা হয়েছে। প্রকাশ্যে সাংবাদিক সম্মেলন করেই তৃণমূলের (TMC) একটি গোষ্ঠী এই অভিযোগ তুলেছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ব্লক কমিটি নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের (TMC)  বিক্ষুব্ধ নেতারা?

    পঞ্চায়েতে টিকিট দেওয়া, ব্লক কমিটিতে জায়গা করে দেওয়া, চাকরি দেওয়াসহ একাধিক কারণে বহু টাকা তোলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর আপ্তসহায়ক সৌম্যজিৎ সেনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবারই ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি ঘোষণা করেন তৃণমূল বিধায়ক সোহম। সেই তালিকা  নিয়ে ক্ষোভ জানাতে গিয়ে বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন ভগবানপুরের কিছু তৃণমূল (TMC) নেতা। তৃণমূলের ব্লক কমিটি সম্পাদক অসিত কুমার মণ্ডল বলেন, আমি নতুন ব্লক কমিটিতে রয়েছি। তারপরও বলছি, সাংবিধানিক নিয়ম না মেনেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুরো কমিটিই অবৈধ। আর পঞ্চায়েতে যোগ্য কর্মীরা কমিটি থেকে বাদ গিয়েছেন। তাঁদের বাদ দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করা সম্ভব নয়। নির্বাচনে ভাল ফল করবে না দল। তাই, আমরা কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছি। আর এই বিষয়ে জেলা কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অন্য এক তৃণমূল (TMC) কর্মী ইকবাল হোসেন, বিধায়কের আপ্ত সহায়ক সৌম্যজিত্ সেন এই এলাকায় চাকরি দেওয়ার নাম করে বহু টাকা তুলেছেন। পাশাপাশি ব্লক কমিটিতে পদ দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছে টাকা তুলেছেন তিনি। আমাদের কাছে তথ্য প্রমাণও রয়েছে। জানা গিয়েছে, এর আগে চাকরির নামে টাকা তোলাসহ একাধিক অভিযোগে সোহম চক্রবর্তীর পূর্বতন আপ্তসহায়ক সজল মুখোপাধ্যায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। নতুন আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে ফের আর্থিক কেলেঙ্কারি ওঠায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি?

    ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের সভাপতি রবীনচন্দ্র মণ্ডল বলেন, নিয়ম মেনে সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন কমিটি তৈরি হয়েছে। জেলা সভাপতির অনুমতি নিয়েই নতুন কমিটি ঘোষণা করেছেন বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। আর, বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর আপ্তসহায়কের নামে যে সব অভিযোগ করছেন তা পুরোপুরি মিথ্যা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি স্বপন রায় বলেন, সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের ভরাডুবি হবে। তা বুঝে গেছেন তৃণমূল নেতারা। বহু তৃণমূল নেতা তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগও রাখছেন। ভগবানপুর কেন, পুরো রাজ্যে বিজেপি ভালো ফল করবে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (ডিএসপি) তৃণমূলের (TMC) ঠিকা শ্রমিক সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল হয়ে উঠল এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে বেশ কয়েকজন ঠিকা শ্রমিক কারখানার গেটে কাজে যোগদান করতে গেলে তাঁদের উপরে ইটবৃষ্টি করে তৃণমূলেরই একাংশ, এমনই অভিযোগ। এই ঘটনায় মাথা ফেটে যায় শেখ সামসুদ্দিন নামক এক ঠিকা শ্রমিকের। তাঁকে তড়িঘড়ি ডিএসপি মেন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, এদিন যখন তাঁরা কাজে যোগদান করতে যাচ্ছিলেন, সেই সময় শেখ গোলাম রসুলের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাঁদের উপর হামলা চালায়। সূত্রের খবর, এই গোলাম রসুল তৃণমূল করেন। দিনকয়েক আগে জেলার নেতৃত্ব ডিএসপির সাত শ্রমিক নেতাকে বহিষ্কার করে। এই ঘটনা তারই জের বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিন পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসি-র ডাকে বিশাল শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা দুপুর সাড়ে তিনটের সময় দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের মেন গেট এলাকায়। সমাবেশের প্রধান বক্তা আইএনটিটিইউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই এদিন সকালে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আহত হন তৃণমূল নেতা।

    আক্রান্ত এক নেতা কী বলছেন?

    আজ আমি গাড়ি করে যখন প্ল্যান্টে ঢুকছিলাম, তখন বহিরাগত ২৫-৩০ জন আমাদের উপর হামলা চালায়। এদের মধ্যে কর্মীও ছিল, ছিল গোলাম রসুলও। গাড়ি ঘুরিয়ে যখন চলে যেতে উদ্যোগী হই, তখন পিছন থেকে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। চালকের মাথায় আঘাত লাগে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় চিকিৎসার জন্য। গাড়িচালক হামলাকারীদের সবাইকে চেনে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেই সবার নাম জানা যাবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গেটে ঢোকার সময় আমাদের কর্মীদের সঙ্গে কারও কোনও বচসা হয়নি। তাঁর দাবি, দলের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি তৃণমূল করেন। ২০০৪ সালের পর থেকে আইএনটিটিইউসির (TMC) সদস্য। তারপরেও এই ধরনের হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    কী জবাব দিলেন অভিযুক্ত?

    যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই গোলাম রসুল বলেন, আমি তো এসব কিছুই জানি না। এখানে ছেলেরা সব ঝান্ডা বাঁধছিল। আমিও ছিলাম। এখানে আজ একটা (TMC) প্রোগ্রাম আছে। ওরা এটা নিয়ে একটা নোংরা রাজনীতি করছে। আমার নামে যে ওরা অভিযোগ করেছে, আমি তা এখনও শুনিনি। এমনকি কাকে মারধর করা হয়েছে, সে খবরও আমরা জানি না। সাংবাদিকদের মুখ থেকেই যা শোনার শুনছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Threat: তৃণমূল কাউন্সিলরকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে, কেন?

    Threat: তৃণমূল কাউন্সিলরকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপম দত্তের পর এবার আপনার নম্বর, কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়ার অভিযোগ উঠল আনিসুর রহমান ওরফে গুড্ডু রহমান নামে তৃণমূলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের দাপুটে এক নেতার সঙ্গে ওই তৃণমূল কর্মীকে প্রায় দেখা যায়। ফলে, তৃণমূল কর্মী হয়ে দলীয় কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়ার ঘটনায় দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন ওই কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়া হল?

    মূলত বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ করায় তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলরকে হুমকির (Threat) মুখে পড়তে হয়েছে। অভিযোগ, কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেলঘরিয়া ৪ নম্বর রেলগেটের পাশে একটি বাড়ি বেআইনিভাবে নির্মাণ হচ্ছে, সেই নির্মাণে কাউন্সিলর গিয়ে বাধা দেওয়ায় তাঁকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়। কামারহাটির গুড্ডুর বিরুদ্ধে ওই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বছর মার্চ মাসে পানিহাটি পুরসভার কাউন্সিলর অনুপম দত্তকে দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করে। সেই কাউন্সিলরের মতো কামারহাটি পুরসভার ওই কাউন্সিলরের হাল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

    কী বললেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মলা রায় বলেন, আসলে এলাকার মানুষের জন্য আমরা কাজ করি। আমার ওয়ার্ডে বেআইনি নির্মাণ হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে গিয়ে কাজ করতে বাধা দিয়েছি। এরপরই ওই গুড্ডু আমাকে ফোন করে হুমকি (Threat)  দিতে থাকে। পানিহাটি কাউন্সিলরের মতো আমার হাল হবে বলে হুমকিও দেয়। আমি পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। দলীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

     এই প্রসঙ্গে কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, এই বিষয়ে আমি খোঁজ নেব। গুড্ডু আমাদের দলেরই কর্মী। তাই, এই ধরনের হুমকির (Threat) ঘটনা ঘটে থাকলে তা ঠিক নয়। এরকম অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। তাই, এখনই এই বিষয়ে কিছু বলছি না। অভিযোগ সত্য হলে দলগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

     বিষয়টি সম্পর্কে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি-র রাজ্য যুব মোর্চার সদস্য জয় সাহা বলেন, নিজেদের বিরুদ্ধে নিজেরাই অভিযোগ করছে। বেআইনি নির্মাণ করবে আর কাউন্সিলরকে টাকা দেবে না এটা কখনও হয়? এসব করেই এই দলটাই শেষ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘অপেক্ষা করুন, সব ফাঁস করব’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘অপেক্ষা করুন, সব ফাঁস করব’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফোন করার জন্য আপনি একটি ল্যান্ডলাইন ব্যবহার করেছেন। অপেক্ষা করুন। সঠিক সময়ে সব ফাঁস করব। আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) আমার উপযুক্ত উত্তরের জন্য অপেক্ষা করুন। বুধবার ট্যুইট-বার্তায় এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের তকমা হারানোর পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সিঙ্গুরের সভা থেকে এই মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিশানা…

    এর প্রেক্ষিতেই তৃণমূল সুপ্রিমোর পাল্টা দাবি, প্রমাণ করে দেখাতে পারলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেবেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা। আপনি আমার জন্য কিম্ভূত, কিমাকার শব্দ ব্যবহার করেছেন। এটা লজ্জাজনক। এর আগে আপনি এরকমই অবমাননাকর শব্দ বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রীকেও। এর পরেই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, দিল্লিতে ফোন করার জন্য আপনি একটি ল্যান্ডলাইন ব্যবহার করেছেন। অপেক্ষা করুন। সঠিক সময়ে সব ফাঁস করব। আগামিকাল আমার উপযুক্ত উত্তরের জন্য অপেক্ষা করুন।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, আপনি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মালদা, মেদিনীপুরের কথা বারবার বলতে থাকেন কেন জানেন? কারণ অবচেতনে আপনি ঠিকই জানেন, ২০১১ সালে আপনি ক্ষমতায় এসেছিলেন, কারণ আমি তখন ওই জেলাগুলোর দায়িত্বে ছিলাম। আপনার মূল্যহীন ভাইপো তখন কোথাও ছিল না। ২০১১ সালের জুলাইয়ের পরে তাঁর প্রবেশ।

    আরও পড়ুুন: ‘কোনওদিন তৃণমূলে ছিলাম না, ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই’, বললেন মুকুল

    প্রসঙ্গত, বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ওই অভিযোগ (অমিত শাহকে ফোন) মিথ্যা। শুভেন্দুকে ভুঁইফোড় এবং কিম্ভূতকিমাকার সম্বোধন করে মমতা বলেন, দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পরিকল্পনামাফিক ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণের সমর্থন নেই বলেই এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukul Roy: ‘কোনওদিন তৃণমূলে ছিলাম না, ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই’, বললেন মুকুল

    Mukul Roy: ‘কোনওদিন তৃণমূলে ছিলাম না, ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই’, বললেন মুকুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC)-সঙ্গ অস্বীকার করলেন প্রবীণ নেতা তথা কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায় (Mukul Roy)। সোমবার রাতে আচমকাই দিল্লি উড়ে যান মুকুল। বুধবার সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি কোনওদিন তৃণমূলে ছিলাম না। তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।

    মুকুল রায় (Mukul Roy)…

    তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে দূরত্ব হেতু ২০১৭ সালে ঘাসফুল শিবির থেকে সরে আসেন মুকুল রায়। পরে যোগ দেন বিজেপিতে (BJP)। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ১৮টি আসন পায় বিজেপি। ২ থেকে ১৮টিতে পৌঁছানোর জন্য রাজনৈতিক মহলের একাংশ মুকুল ফ্যাক্টরের পক্ষেই সওয়াল করে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তরে প্রার্থী হন মুকুল। জয়ীও হন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরে পরেই তৃণমূলে ফেরেন মুকুল। তৃণমূল ভবনে গিয়ে দলীয় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তিনি (Mukul Roy) ফেরেন ঘাসফুল শিবিরে। পুরস্কার স্বরূপ মুকুলকে দেওয়া হয় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদ। এনিয়ে বিধানসভায় হইচই হয় বিস্তর।

    আরও পড়ুুন: পাখির চোখ কর্নাটক বিধানসভার ভোট, তারকা প্রচারকের তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    মুকুলের এই ‘দলবদলে’র কারণে স্পিকারের কাছে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানান বিজেপি নেতৃত্ব। এমতাবস্থায় স্ত্রী বিয়োগ হয় মুকুলের। তারপর বেশ কিছুদিন আর সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি মুকুলকে। বুধবার সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক বলেন, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি থেকে ইস্তফা দিয়েছি আমি। আমি সব সময় বিজেপির সঙ্গে থাকব। দল আমাকে যে কাজ দেবে, তাই করব। মুকুল দিল্লি যাওয়ার পরে মিসিং ডায়েরি করেন পুত্র শুভ্রাংশু। তাঁর দাবি, তাঁর বাবার মানসিক অসুস্থতার সুযোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তাঁর বদনাম করার চক্রান্ত হচ্ছে বলেও দাবি শুভ্রাংশুর। ছেলের দাবি উড়িয়ে দিয়ে মুকুল (Mukul Roy) দাবি করেন, সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে! জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়িতে তৃণমূলের (TMC) দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল (TMC) নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন। জেলা সভানেত্রীও দলীয় ওই নেতার বিরুদ্ধে দলের কী অবস্থান, তা জানিয়ে দিলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    ঠিক কী হয়েছিল?

    গত মঙ্গলবার তৃণমূলের ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ ও অন্যান্য নেতৃত্ব। দিলীপ বর্মনকে দেখেই তিনি অন্য নেতাদের মাধ্যমে তাঁকে সেই অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যেতে বলেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারবার দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত অভিযোগ জমা পড়ায় জেলা নেতৃত্ব সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়, দিলীপ বর্মন দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। সেই নির্দেশ অমান্য করে ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় জেলা নেতৃত্ব মঙ্গলবার তাকে সেখান থেকে বের করে দেয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন শিলিগুড়ির পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য?

    এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দলের জেলা সভানেত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন দিলীপ বর্মন। তিনি যে জেলা সভানেত্রী তথা জেলা কমিটিকে মানেন না, সেকথাও বুধবার সাংবাদিকদের  জানিয়েছেন। এদিন তিনি বলেন, শিলিগুড়ি পুরভোটে আমাকে এখান থেকে কেউ টিকিট দেয়নি। কলকাতা থেকে আমার টিকিট এসেছে। আর ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন। কাজেই তৃণমূলের (TMC) এখানকার নেতানেত্রীরা আমাকে জেতাননি।  তাই, এখানে কে কী বলছেন, আমি সে নিয়ে ভাবতে রাজি নই। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের আমন্ত্রণেই আমি গিয়েছিলাম। আমি গোটা ঘটনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিতভাবে জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC)  জেলা সভানেত্রী?

    এদিকে দিলীপ বর্মনের এই চ্যালেঞ্জের জবাব দিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বারবার দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিতর্কিত অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছিল।  জেলা কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, দিলীপ বর্মন দলীয় কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারবেন না। সেইমতো মঙ্গলবার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি থেকে তাঁকে চলে যেতে বলা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন না। এটা আমাদের দলগত সিদ্ধান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share