Tag: tmc

tmc

  • Sukanta Majumdar: “দলকে হাইজ্যাক করেছেন ভাইপো, ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “দলকে হাইজ্যাক করেছেন ভাইপো, ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলকে হাইজ্যাক করেছেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন।” বৃহস্পতিবার এই ভাষায়ই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দলের রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে মমতা ও তাঁর ভাইপো অভিষেকের দড়ি টানাটানি চলছে বলেও দাবি করেন বালুরঘাটের সাংসদ।

    ‘ভাইপো হাফপোস্ট’

    বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ছিল তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক। এই বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো উপস্থিত থাকলেও, ছিলেন না দলের সাধারণ সম্পাদক। যদিও ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গেই সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “এখন দুজনের মধ্যে একটু টানাটানি চলছে। নতুনরা সামলাবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো সৈনিকরা সামলাবেন, তা নিয়ে দল ও পরিবারের মধ্যে টানাটানি চলছে। মুখ্যমন্ত্রী চেষ্টা করছেন দলটাকে ফিরে পাওয়ার, কিন্তু ভাইপো তো দলটাকে হাইজ্যাক করে নিয়েছেন! এখন দল দুই ভাগে আড়াআড়িভাবে ভাগ হয়ে গিয়েছে। আগামিদিনে কে প্রার্থী হবেন, সেটা আইপ্যাক ঠিক করে দেবে।” তিনি বলেন, “এখানে আবার বৈঠক কীসের! ওই দলে তো একটাই পোস্ট, আর ভাইপো হাফপোস্ট। বাকি সব তো ল্যাম্প পোস্ট।”

    ‘পুলিশের বর্বরোচিত আচরণ’

    এদিকে, ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর বিজেপির যুব মোর্চা আয়োজিত নবান্ন অভিযান কর্মসূচিতে যাঁরা জখম হয়েছিলেন, তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সুকান্ত জানান, কমিশনের পক্ষ থেকে তদন্তের পর জানানো হয়েছে, ওই দিন একাধিক কর্মীর ওপর পুলিশ বর্বরোচিত আচরণ করেছিল।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীকে করা ‘পনৌতি’ মন্তব্যে পদক্ষেপ, রাহুলকে নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

    বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “শিল্পপতিদের গলা টিপে ধরা হচ্ছে।” এদিন তারও জবাব দিয়েছেন সুকান্ত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “তিনি যদি তাঁর ভাইপোকে শিল্পপতি বলে মনে করেন, তাহলে তো চোর শিল্পপতির গলা টিপে ধরবেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজ তারা করছে। ভারতের অন্য কোনও অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তো এ রকম কোনও কথা বলছেন না। কোথাও তো বিনিয়োগের অভাব নেই। কিন্তু এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এমনটা মনে হচ্ছে, কারণ তাঁর পরিবারের গলা টিপে ধরা হচ্ছে। তাঁর পরিবার যদি চুরি না করে, তাহলে তো তাঁর কোনও ভয় নেই (Sukanta Majumdar)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: ফের অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয়, ভর্তি করা হল এসএসকেএম হাসপাতালে

    Jyotipriya Mallick: ফের অসুস্থ জ্যোতিপ্রিয়, ভর্তি করা হল এসএসকেএম হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসকেএম হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তি করা হল রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে (Jyotipriya Mallick)। কার্ডিওলজির এমার্জেন্সি ওয়ার্ডের পাঁচ নম্বর কেবিনে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। মন্ত্রীর ওপর নজর রাখছে মেডিসিন এবং নিউরোলজি বিভাগও।

    কার্ডিওলজি বিভাগের এমার্জেন্সিতে ভর্তি

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। আদালতের নির্দেশে তিনি বর্তমানে রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। মঙ্গলবার দুপুরে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বুকে ব্যথা অনুভব করেন। শ্বাসকষ্টও হয়। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলা হাসপাতালে। পরে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএমে। কার্ডিওলজি বিভাগের এমার্জেন্সিতে তাঁকে পরীক্ষা করা হয়। পরে ভর্তি করে নেওয়া হয় কার্ডিওলজি বিভাগে।

    আগেও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়

    ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পরে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick) তোলা হয় আদালতে। ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে সেদিনই এজলাসে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয়। এজলাসে সামান্য বমিও করেন। তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করার নির্দেশ দেয় আদালত। পরে তাঁকে ভর্তি করা হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সুস্থ হওয়ার পরে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে হেফাজতে নেয় ইডি। তার পরে একাধিকবার জ্যোতিপ্রিয়কে বলতে শোনা গিয়েছিল, তাঁর শরীর ভাল নেই। বাঁ হাত-পা পক্ষাঘাতের মতো হয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার ভাটপাড়া! গুলিতে ঝাঁঝরা তৃণমূল কর্মী

    ১৬ নভেম্বর নিম্ন আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল জ্যোতিপ্রিয়র। অসুস্থতার কারণে তাঁকে হাজির করানো হয় ভার্চুয়ালি। সেদিনও নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে বিচারককে তিনি আবেদন করেছিলেন, ‘আমাকে বাঁচতে দিন’। তিনি এও জানিয়েছিলেন, সাড়ে তিনশোর বেশি সুগার। হাত-পা কাজ করছে না। জ্যোতিপ্রিয়র কথা শোনার পর বিচারক তাঁকে বলেন, “আপনার অসুবিধা হলে সেলে চলে যেতে পারেন।” এর পরের দিনই প্রেসিডেন্সি জেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী। কাশির পাশাপাশি শুরু হয়েছিল শ্বাসকষ্টও। সেদিন কৃত্রিম অক্সিজেন দিতে হয় জ্যোতিপ্রিয়কে। মঙ্গলবার ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Dilip Ghosh: “ডিএ-বেতন দেন না, মুখ্যমন্ত্রী শুধু ছুটি দেন”, মমতাকে তোপ দিলীপের  

    Dilip Ghosh: “ডিএ-বেতন দেন না, মুখ্যমন্ত্রী শুধু ছুটি দেন”, মমতাকে তোপ দিলীপের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী ডিএ দেন না, বেতনও দেন না, শুধু ছুটি দেন।” সোমবার এই ভাষায়ই মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন সকালে ছটপুজো উপলক্ষে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর শহরের মন্দিরতলা পুকুরে গিয়েছিলেন দিলীপ। সেখানে ভক্তদের সঙ্গে মাতেন ছট পুজোয়। পুজো উপলক্ষে ঘাটে আসা ভক্তদের চা-বিস্কুটও দেন দিলীপ। খরিদায় ভক্তদের সঙ্গে ঢোলও বাজাতে দেখা গেল বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতিকে।

    দিলীপের কটাক্ষ-বাণ

    ছটপুজো শেষে দিলীপ নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ডিএ দেন না, বেতনও দেন না, শুধু ছুটি দেন। অন্যান্য জায়গার থেকে আমাদের এখানে কর্ম দিবস সব চেয়ে কম। সব থেকে কম দিন পড়াশোনা হয় এখানে।” রবিবার দইঘাটে ছটপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, “ছট পুজো উপলক্ষে আমরা দুদিন করে ছুটি দিই। দিল্লি তো ছটপুজোয় ছুটি দেয় না। আমরা দুদিন করে ছুটি দিই। যাতে সকলে ভালভাবে উৎসব পালন করতে পারেন। সোমবার ছটপুজোর ছুটি দিয়েছে রাজ্য সরকার। ইদেও আমরা দুদিন ছুটি দিই। কালীপুজোয়ও ছুটি দিয়েছি আমরা। সব উৎসবে ছুটি থাকে। বাংলায় যাঁরা থাকেন, তাঁরা বাংলাকে ভালবেসে থাকেন।”

    আরও পড়ুুন: লোহিত সাগরে ছিনতাই ভারতমুখী পণ্যবাহী জাহাজ! লোপাটের নেপথ্যে হুথি?

    নওশাদকে ডিসটার্ব কেন?

    মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবির পরেই তাঁকে নিশানা করেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ইদে তিনদিন ছুটি দেন। মুখ্যমন্ত্রী ছুটি দেন। বেতনও দেন না, ডিএ-ও দেন না। আর কেন্দ্রীয় সরকার কাজ করে, ছুটি দেয় না…এখানে ছুটি আছে বলে না বেতন, না ডিএ। রসাতলে যাচ্ছে রাজ্যটা।” রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের বাড়িতে ইডি-সিবিআইয়ের তল্লাশিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে দাবি করেছিল তৃণমূল। এদিন তারও উত্তর দিয়েছেন দিলীপ। তিনি (Dilip Ghosh) বলেন, “নিজেদের বেলায় প্রতিহিংসা। তাহলে বিরোধী দলের বিধায়ক নওশাদকে কেন এত ডিসটার্ব করা হচ্ছে? রোজ রোজ পুলিশি তলব। ইডি-সিবিআই ডাকলেই প্রতিহিংসার কথা বলা হচ্ছে। চুরিও করবেন, আবার চোখও রাঙাবেন! চোরেদের রাজত্ব আর চলতে দেওয়া যাবে না।” মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো মেলা-খেলা ছাড়া আর কিছু নেই। মমতা ডিভাইড অ্যান্ড রুলে বিশ্বাসী।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Parliament: মহুয়াকাণ্ডের জের! এবার থেকে সংসদে প্রশ্ন করতে হবে স্বয়ং সাংসদদেরই?

    Parliament: মহুয়াকাণ্ডের জের! এবার থেকে সংসদে প্রশ্ন করতে হবে স্বয়ং সাংসদদেরই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। এমনই অভিযোগ ওঠায় মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিলের সুপারিশ করেছিল সংসদের (Parliament) এথিক্স কমিটি। এমতাবস্থায় সাংসদের আপ্ত সহায়ক কিংবা অন্য কেউ আর প্রশ্ন করতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে লোকসভার সচিবালয়। সংসদের অধিবেশনে কোনও প্রশ্ন করতে হলে তা করতে হবে স্বয়ং সাংসদকেই। সূত্রের খবর, আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনেই এই নিয়ম লাগু করা হতে পারে।

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশন

    ৪ ডিসেম্বর শুরু হবে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। জানা গিয়েছে, এই অধিবেশনেই প্রশ্ন করার অধিকারের নিয়মে আনা হচ্ছে বদল। এবার থেকে আর সাংসদদের আপ্ত-সহায়করা অনলাইনে প্রশ্ন জমা দিতে পারবেন না। আপ্ত-সহায়কদের এই অধিকার প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে অনির্দিষ্টকালের জন্য। প্রশ্ন করতে হলে সাংসদদের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থেকেই তা করতে হবে। এবং তা করতে হবে স্বয়ং সাংসদকেই। বিষয়টি নিয়ে বুধবার বৈঠকে বসেছিল লোকসভার (Parliament) সচিবালয়। তবে অদূর ভবিষ্যতে আপ্ত-সহায়কদের অ্যাকাউন্ট পরিচালনার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি ওই বৈঠকে।

    মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ঘুষের বদলে প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে। এও অভিযোগ উঠেছিল, মহুয়া তাঁর সাংসদ অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে। হিরানন্দানির কাছ থেকে এজন্য ২ কোটি টাকা ও নানাবিধ দামি উপহার নিয়েছিলেন মহুয়া। তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পৌঁছায় লোকসভার এথিক্স কমিটির কাছে। এথিক্স কমিটি তলব করে কৃষ্ণনগরের সাংসদকে। কমিটির বৈঠক চলাকালীন মাঝপথে বেরিয়ে চলে আসেন মহুয়া। কমিটি মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিলের সুপারিশ করে। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট গৃহীত হয় এথিক্স কমিটির বৈঠকেও।

    আরও পড়ুুন: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনে নদিয়া থেকে গ্রেফতার ‘মাস্টারমাইন্ড’

    জানা গিয়েছে, রিপোর্টে মহুয়ার সাংসদ পদ বাতিল করা ও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সরকারি তদন্ত করার সুপারিশও করা হয়েছে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে স্পিকার ওম বিড়লা সংসদে (Parliament) পেশ করতে পারেন এথিক্স কমিটির রিপোর্ট। সেটি পেশ করা হলে সর্বতোভাবে সমর্থন জানাবে বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: “আমাকে বাঁচতে দিন”, আদালতে আর্জি বালুর, ‘‘সেলে ফিরে যান’’, জবাব বিচারকের

    Jyotipriya Mallick: “আমাকে বাঁচতে দিন”, আদালতে আর্জি বালুর, ‘‘সেলে ফিরে যান’’, জবাব বিচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্যর, আমাকে বাঁচতে দিন”। আদালতে কাতর আর্জি রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick)। অসুস্থতার কথা শোনার পর মন্ত্রীমশাইকে সেলে ফিরে যেতে বলেন বিচারক। এদিনও ফের খাট ও টেবিল দেওয়ার আর্জি জানান রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

    “আমাকে বাঁচতে দিন”

    বৃহস্পতিবার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা ছিল জ্যোতিপ্রিয়র। অসুস্থতার কারণে এদিন সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে পারেননি তিনি। ভার্চুয়ালি হাজিরা দেন মন্ত্রী। তখনই জ্যোতিপ্রিয়কে কুশল সংবাদ জিজ্ঞাসা করেন বিচারক। তখনই মন্ত্রিমশাইয়ের কাতর আবেদন, “আমাকে বাঁচতে দিন।” তার পরেই তাঁকে সেলে ফিরে যেতে বলেন বিচারক। জ্যোতিপ্রিয় নিজেকে আইনজীবী দাবি করায় বিচারক জানান, তিনি নিশ্চয়ই জেল ও কোর্টের বিষয়ে অবগত।

    প্রেসিডেন্সি জেলে জ্যোতিপ্রিয় 

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ২৬ অক্টোবর রাতে ইডি গ্রেফতার করেছিল জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick)। আদালতে তোলা হলে দশ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ শুনে জ্ঞান হারান মন্ত্রিমশাই। ভর্তি করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। পরে জ্যোতিপ্রিয় সুস্থ বলে ছেড়ে দেয় হাসপাতাল। এবার হেফাজতে নেয় ইডি। বর্তমানে উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতা রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। এই জেলেই রয়েছেন রাজ্যের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও।

    আরও পড়ুুন: বালিশ-চাদরের পর এবার মোবাইল দাও! বালুর বায়নাক্কায় অতিষ্ঠ জেল কর্তৃপক্ষ

    এদিন ভার্চুয়ালি জ্যোতিপ্রিয়কে তোলা হয় আদালতে। শুনানি শুরু হতেই বিচারক প্রশ্ন করেন, “কী সমস্যা হচ্ছে আপনার? যেখানে আপনি বসে রয়েছেন, আপনার কী সমস্যা হচ্ছে? সমস্যা হলে ওঁকে নিয়ে যেতে পারেন।” এর পরেই জ্যোতিপ্রিয় বলেন, “৩৫০ সুগার। হাত-পা কাজ করছে না। বাঁচতে দিন।” আইনজীবী পরিচয় দিয়ে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, “আমি আইনজীবী। হাইকোর্ট ও ব্যাঙ্কশাল কোর্টের সদস্য। পায়ের সমস্যা হচ্ছে। ৩৫০-র বেশি সুগার। হাত-পা কাজ করছে না। স্যর, আমাকে বাঁচতে দিন।” তখনই তাঁকে তাঁর এক্তিয়ারের কথা স্মরণ করিয়ে দেন বিচারক। তিনি বলেন, “আপনার অসুবিধা হলে সেলে চলে যেতে পারেন।” জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) খাট ও টেবিল দেওয়ার আবেদনের প্রত্যুত্তরে বিচারক বলেন, “সেটা জেলের এক্তিয়ার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jyotipriya Mallick: বালিশ-চাদরের পর এবার মোবাইল দাও! বালুর বায়নাক্কায় অতিষ্ঠ জেল কর্তৃপক্ষ

    Jyotipriya Mallick: বালিশ-চাদরের পর এবার মোবাইল দাও! বালুর বায়নাক্কায় অতিষ্ঠ জেল কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি যে জেলবন্দি, তা বোধহয় ভুলেই গিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)! তাই বালিশ-চাদরের পর এবার মন্ত্রিমশাই বায়না করছেন মোবাইল ফোনের। প্রেসিডেন্সি জেল সূত্রে খবর, উত্তর ২৪ পরগনার এই তৃণমূল নেতার মোবাইলের আবদারে অতিষ্ঠ জেল কর্তৃপক্ষ। বিরোধীদের একাংশের মতে, বন্দি হলেও, তিনি যে মন্ত্রী, জ্যোতিপ্রিয় বোধহয় তাই বোঝাতে চাইছেন জেল কর্তৃপক্ষকে।

    পার্থর সঙ্গে দেখা করতে রাজি নন

    এই প্রেসিডেন্সি জেলেই বন্দি রয়েছেন নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা মানিক ভট্টাচার্য। জ্যোতিপ্রিয়র সঙ্গে একই ওয়ার্ডে রয়েছেন পার্থ। তবে দলীয় এই সতীর্থদের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন না রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে ধৃত জ্যোতিপ্রিয়। সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশে শোয়ার জন্য খাট পেয়েছেন পার্থ। আর মেঝেতে ঘুমোতে হচ্ছে জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick)। প্রথম প্রথম তো রাতে ঘুমোতেই পারছিলেন না মন্ত্রী। এখন অবশ্য মানিয়ে নিয়েছেন পরিস্থিতির সঙ্গে।

    জ্যোতিপ্রিয়র আবদার 

    প্রেসিডেন্সি সংশোধানাগারের সুপার জানান, মন্ত্রী কখনও মোবাইল ফোন চাইছেন, কখনও আবার চাইছেন বালিশ-চাদর। গত রবিবার জ্যোতিপ্রিয় জানিয়েছিলেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা ভাল নয়, তিনি মৃত্যু পথযাত্রী। বাঁদিক প্যারালাইসিস হয়ে গিয়েছে। মন্ত্রী এসব দাবি করলেও, চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানিয়েছেন, দিব্যি সুস্থ রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়। জ্যোতিপ্রিয় প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিলেন পয়লা বাইশ ওয়ার্ডে  ঢুকতে। অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়ে তাঁকে রাখা হয় ওই ওয়ার্ডের সাত নম্বর সেলে। জেলে ঢোকানোর সময় তিনি চিৎকার করে বলেছিলেন, “আমি এই সেলে থাকব? আমি রাজ্যের মন্ত্রী। জেল রাজ্য সরকারের আওতায়। আমি এই সেলে থাকব না। আমার শরীরের বাঁদিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে। আমাকে এসএসকেএমে পাঠিয়ে দেওয়া হোক।”

    আরও পড়ুুন: ফের এক গোল চিনকে! স্কুল শিক্ষায় বেজিংকে পিছনে ফেলল মোদির ভারত?

    শেষমেশ অনেক বোঝানোর পর তিনি ঢুকে পড়েন সেলে। মোবাইল ফোন পেতে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর নাম নেন জ্যোতিপ্রিয়। প্রভাব খাটাতেই তিনি এটা করছেন বলে জেল সূত্রের খবর। তবে মন্ত্রীর এসব ‘কৌশল’ কাজে লাগেনি। মন্ত্রিমশাইকে দিন কাটাতে হচ্ছে মোবাইল ছাড়াই। জেল সূত্রে খবর, বুধবার রাতের দিকে ফের একপ্রস্ত নাটক করতে দেখা যায় সাত নম্বর সেলের বন্দিকে। রাত ৯টা নাগাদ তাঁকে বলা হয় খাবার খেয়ে নিতে। প্রথমে রাজি হননি মন্ত্রিমশাই। শেষমেশ রাত আড়াইটে নাগাদ খাবার এবং ওষুধ খান জোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bivas Adhikari: শিক্ষক নিয়োগ মামলায় নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন বিভাস অধিকারী, জল্পনা তুঙ্গে

    Bivas Adhikari: শিক্ষক নিয়োগ মামলায় নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন বিভাস অধিকারী, জল্পনা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় সিবিআই দফতরে বুধবারে হাজিরা দিলেন বীরভূমের প্রাক্তন তৃণমূল নেতা বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari), যদিও আগেই তাঁকে সিবিআই কয়েকবার নোটিস দিলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কয়েকবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে সিবিআই তল্লাশি চালিয়েছিল। সূত্রে জানা গিয়েছে যে ধৃত তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ ছিলেন বিভাস। আরও জানা গিয়েছে যে বীরভূমের তাবড় তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক ছিল তাঁর।

    নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিলেন বিভাস (Bivas Adhikari)

    বীরভূমের নলহাটির ২ নম্বর ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি ছিলেন বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari)। তিনি নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিয়ে জানান, ‘কিছু নথি দেওয়ার কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই হাজিরা দিতে এসেছি।” শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশেষ পরিচয় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজ সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন বিভাস। ২ থেকে ৩ টি বিএড কলেজের মালিক বলেও জানা গিয়েছে। মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেফতারের পরেই এই বিভাস অধিকারীর নাম উঠে এসেছিল। অনেক দিন ধরে তাঁর বিষয় নিয়ে খুব একটা সংবাদ আসেনি। বুধবারে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে গেলে ফের একবার জল্পনা শুরু হয়েছে।

    উল্লেখ্য তাঁর নলহাটির বাড়ি, কলকাতার ফ্ল্যাটে তল্লাশি করেছিল সিবিআই অফিসাররা। জানা গিয়েছে তিনি নিজেকে অনুকূল ঠাকুরের ঋত্বিক বলে দাবিও করেন। নিজের আশ্রমকে ঢাল করে দুর্নীতির ব্যবসা চালাতেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।

    কী বললেন বিভাস অধিকারীর বক্তব্য

    স্কুল শিক্ষক নিয়োগের মামলায় অভিুযুক্ত বিভাস অধিকারী (Bivas Adhikari) বলেন, “২০১৯ সালে দুর্ঘটনায় আমি অসুস্থ হয়ে পরি। গোপাল দলপতিকে আমি চিনি না। কুন্তলের সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই, চোর ডাকাতরা বাঁচার জন্য অনেকের নাম নিচ্ছে। সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়।” কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের জন্য আমি সবরকম সহযোগিতা করবো। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমিও চাই প্রকৃতি সত্য ঘটনা উঠে আসুক। ১০০ বার ডাকলে ১০০ বার আসব। আমাকে ডেকে নথি চাওয়া হয়েছিল, সব দিয়েছি। অবৈধ কোনও বিষয় আমার কাছে নেই।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সহ অসমে বিজেপিতে যোগ ১৫০ নেতা-কর্মীর

    BJP: তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সহ অসমে বিজেপিতে যোগ ১৫০ নেতা-কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিজেপিকে (BJP) পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ইন্ডিয়া। সেই জোটের আয়ু লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত কিনা, তা জানা যাবে উৎসবের মরশুম শেষ হলেই। তবে তার আগে বিরোধীদের জোটকে ঝটকা দিল অসম বিজেপি।

    বিজেপিতে যোগ

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১৫০ সদস্য দলীয় পতাকা ছেড়ে যোগ দিলেন বিজেপিতে। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের অসম রাজ্য সাধারণ সম্পাদকও। বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতাও রয়েছেন এই দলবদলুদের দলে। শনিবার তাঁরা হাতে তুলে নেন বিজেপির ঝান্ডা। পদ্ম শিবিরে তাঁদের স্বাগত জানান অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, “বিজেপিই (BJP) একমাত্র রাজনৈতিক দল, যারা দেশের স্বার্থে কাজ করে, পরিবারতন্ত্রের স্বার্থে নয়।”

    হিমন্তর বার্তা 

    এক্স হ্যান্ডেলে অসমের মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আমি সব সময় বলেছি যে, যাঁরা ভারত এবং অসমের জন্য কাজ করতে চান, তাঁদের পরিবারতন্ত্র এবং পরিবারকেন্দ্রিক দলে জায়গা হবে না। কেবলমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টিই দেশের স্বার্থে কাজ করতে পারে।” বিজেপিতে যোগ দেওয়া ওই ১৫০ জন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন বলেও জানান হিমন্ত। তিনি বলেন, “ভারতী মায়ের সেবার লক্ষ্যে যাঁরা কাজ করবেন বলে আজ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, আমি তাঁদের স্বাগত জানাই।”

    তিনি লিখেছেন, “নাগাঁও জেলা কংগ্রেসের সভাপতি সুরেশ বোরা, অসম যুব কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি পরিতোষ রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ শর্মা তাদের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন। তাঁরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এঁরা আজ বিজেপিতে যোগ দেবেন। ইন্ডি জোটের বিরুদ্ধে এঁরাও সুর চড়িয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: “লোকসভা নির্বাচন এলেই গুন্ডাদের জেলে ঢুকিয়ে দেবো”, চ্যালেঞ্জ সুকান্ত মজুমদারের

    পুরো ঘটনাটি দলের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছে বিজেপি (BJP)। দলের মুখপাত্র বলেন, “এদিন যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগই জেলা ও ব্লকস্তরের কর্মী। তাঁরা যে কোনও রাজনৈতিক দলের মেরুদণ্ড। আমরা তাঁদের বিজেপিতে (BJP) স্বাগত জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • South 24 Parganas: কালীপুজোর আগের দিনেই বিজেপির উপর হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত ক্যানিং

    South 24 Parganas: কালীপুজোর আগের দিনেই বিজেপির উপর হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত ক্যানিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোকে ঘিরে বিজেপির উপর হামলা চালালো তৃণমূলের গুন্ডারা। কালীপুজোর ঠিক একদিন আগেই শাসকদলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করেছে বলে অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল ক্যানিং (South 24 Parganas)। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি, দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আরও অভিযোগ, ঘটনায় চলেছে কয়েক রাউন্ড গুলিও। শাসক দলের দৌরাত্ম্যে রাজ্যে গণতন্ত্র নেই বলে ফের একবার সরব বিজেপি।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (South 24 Parganas)?

    কালীপুজোর আগের দিন শনিবার সকালে ক্যানিংয়ের (South 24 Parganas) ইটখোলা গ্রাম পাঞ্চায়েতের হরিপদ মোড় নামক জায়গায় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা ভীষণ ভাবে আহত হন। ইট, কাঠ, বাঁশ, রড ইত্যাদি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও দুষ্কৃতীদের দ্বারা কয়েক রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগও জানা গিয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের অবশ্য বক্তব্য, কালীপুজোকে কেন্দ্র করে এই আক্রমণের সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন ক্যানিং থানার আইসি সৌগত ঘোষ।

    বিজেপির বক্তব্য

    কালীপুজোর পরিচালনা নিয়ে আক্রমণ হয় বলে জানা গিয়েছে। গ্রামের বিজেপি কর্মীরা জানিয়েছেন যে এলাকায় তাঁরা বহুদিন ধরে এই কালীপুজো করে আসছেন। কিন্তু এইবার জোর করে তৃণমূল দখল করতে চেয়েছিল। আর তার প্রতিবাদ করলে বহিরাগত দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রমণ করা হয়। মূল অভিযোগ স্থানীয় (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা ইন্দ্রজিৎ সর্দার এবং অনুগামীদের বিরুদ্ধে। প্রথমে বচসা হলেও ক্রমেই মারামারি করতে শুরু করে তৃণমূলের গুন্ডারা। অভিযোগ আরও যে দুষ্কৃতীরা এলাকায় গুলি চালায়। এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয় এবং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাবে ভাঙচুর চালায়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ক্যানিং (South 24 Parganas) স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা বলেন, ‘বিজেপি ইচ্ছে করে নিজেই তৃণমূলের উপর আক্রমণ করলে গোলমালের সুত্রপাত হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রকাশ্য মঞ্চে তৃণমূল কর্মীদের প্রশ্ন শতাব্দীর

    Birbhum: “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রকাশ্য মঞ্চে তৃণমূল কর্মীদের প্রশ্ন শতাব্দীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের রামপুরহাটে কাজ করেও তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় ভোট পাচ্ছেননা বলে কর্মীদের অভিযোগ করলেন। তাঁর স্পষ্ট প্রশ্ন “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রশ্ন করে হতাশা ব্যক্ত করলেন তিনি। দলীয় কর্মীদের বিজয়া সম্মেলনের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই প্রশ্ন তোলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। বীরভূমের (Birbhum) উন্নয়ন তাহলে কোথায় গেল? উল্লেখ্য ২০১৯ সালের লোকসভার ভোটে এই এলাকায় বিজেপি থেকে শতাব্দী অনেক ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। একাধিকবার জেলায় ভোটের প্রচারে গেলে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়া হয়নি বলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল শতাব্দীকে। ‘এলাকার ভোট কোথায় যায়?’ বলে সাংসদ শতাব্দী, দলের কর্মীদের কাছে প্রশ্ন করে বিড়ম্বনায় ফেলেন। অপরদিকে বিজেপি, ভোট না পাওয়ার পিছনে তৃণমূলকে দুর্নীতিকে দায়ী করেছে। 

    কী বললেন শতাব্দী?

    এলাকার (Birbhum) বিধানসভা ভোটের পরিসংখ্যান তুলে ধরে এদিন শতাব্দী রায় বলেন, “কাজের পর কাজ হয়েছে, বড় বড় মিছিল বেরোনোর পরেও ভোট বাক্সে ভোটটা কোথায় যায়? আমার জানতে ইচ্ছে করছে। রামপুরহাট শহরের লোক আমাকে ভোট দেয়নি। আপনাদের কোনও অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে জানাবেন। সংশোধন করার চেষ্টা করবো।” উল্লেখ্য শতাব্দী রায় যখন কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে তাঁর আক্ষেপের কথা বলছিলেন, তখন মঞ্চে বসে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

    রামপুরহাটে ভোটে পিছিয়ে থাকে তৃণমূল (Birbhum)

    রামপুরহাটে (Birbhum) এত কাজ এত বড় বড় মিছিল-মিটিং, সেই সঙ্গে তৃণমূল কর্মী থাকার পরও ভোট বাক্সের ভোটটা কোথায় যায়? দলের কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। আজ বীরভূমের রামপুরহাটে একটি সরকারি স্কুলে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে মাইকে এই কথাগুলি বলেন তিনি। গত তিনবার বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। তাঁর সময়কালে এলাকায় তিনবার বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। আর সবকটি নির্বাচনেই রামপুরহাট শহর এলাকায় ভোটে পিছিয়ে থেকেছেন শতাব্দী। তাই কর্মীদের কারণ জানতে চেয়ে প্রশ্ন করলেন এদিন তিনি।

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলার (Birbhum) বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলা হয়, রাজ্য জুড়ে এত সন্ত্রাস চালিয়েও মানুষের মত প্রকাশের অধিকারকে আটকাতে পারেনি তৃণমূল। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের নেতাদের আচরণে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। আগামী দিনে লোকসভার ভোটে তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিজেপিকেই জয়ী করবে রামপুরহাটের মানুষ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share