Tag: tmc

tmc

  • BJP: “কেন্দ্র ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে দিয়েছে, সেই টাকা কোথায় গেল?”

    BJP: “কেন্দ্র ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে দিয়েছে, সেই টাকা কোথায় গেল?”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের ৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে অভিষেকের গড়ে মহা জনসম্পর্ক অভিযান করলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী ড: দীনেশ শর্মা। বুধবার ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার মশাটহাটে মহা জনসম্পর্ক অভিযান করেন তিনি। এদিন তিনি দুপুরে বিজেপি (BJP) কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন। পরে তিনি বলেন, গত ৩ রা জুন থেকে মহা জনসম্পর্ক অভিযান শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গল রাজ চলছে। এখানে কোনও গণতন্ত্র নেই। বিরোধীরা কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে পারেন না। পিসি ও ভাতিজাকে উত্তরপ্রদেশে যেতে বলুন। কীভাবে প্রশাসন চালাতে হয়, তা শিখে আসতে হবে। তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় পিসি-ভাতিজা ৪৪০ ভোল্টের ঝটকা খাবেন। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারে মহা জনসম্পর্ক অভিযানে র‍্যালি করতে দেয়নি প্রশাসন, এমনটাই অভিযোগ তুলে তিনি সরব হন।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী বললেন?

    অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যের শাসক নিরপেক্ষ হয়ে দেখুক। তাহলে দেখা যাবে, কাদের দিকে লোক বেশি। অন্যদিকে বাংলার মাফিয়া রাজ নিয়েও সরব হন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, কেন্দ্র রাজ্যকে কোনও ভাবেই বঞ্চিত করেনি। কেন্দ্র ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে দিয়েছে। কিন্তু সেই টাকা কোথায় গেল? 
    এদিনের মহা জনসম্পর্ক অভিযানে (BJP) পুলিশের কড়া নিরাপত্তা দেখা যায় এলাকায়।

    দেশজুড়ে মহা-জনসম্পর্ক অভিযানে বিজেপি (BJP)

    উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদি সরকারের ন’ বছর পূর্তি উপলক্ষে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে মহা-জনসম্পর্ক অভিযান শুরু করেছে বিজেপি (BJP)। এই কর্মসূচির আহ্বায়ক তরুণ চুঘ জানিয়েছেন, দলের ১৪০০ র ওপর বিধায়ক এবং তিনশোর বেশি সাংসদ এই কর্মসূচিতে থাকবেন। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৯ বছরে মোদি সরকার কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করেছে, তা দেশের প্রতিটি বুথেই পৌঁছে দেবেন বিজেপির কার্যকর্তারা। জানা গেছে, নাগরিক সেমিনারও যেমন হবে, তেমনি সমাজের বিশিষ্টদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন বিজেপি (BJP) নেতারা। পাশাপাশি নজর দেওয়া হয়েছে পিছিয়ে পড়া বর্গের মানুষদের দিকেও। যাঁরা নরেন্দ্র মোদি সরকারের নয় বছরের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, তাঁদের সঙ্গেও কথা বলবেন বিজেপি নেতারা। ইতিমধ্যেই জানা গেছে, সারা দেশ জুড়ে জনসভা করবেন বিজেপি (BJP) নেতারা। বেশ কয়েকটি বড় জনসভাও হবে। যেখানে উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডার মতো প্রথম সারি নেতারা। এ রাজ্যে এমন তিনটি জনসভা হবে বলে শোনা যাচ্ছে বিজেপি সূত্রে। উপস্থিত থাকবেন মোদি-শাহ-নাড্ডা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Malviya: ‘‘মমতার জমানায় ট্রেন দুর্ঘটনা ৫৪টি, প্রাণ হারান ১৪৫১ জন’’, খোঁচা অমিত মালব্যর

    Amit Malviya: ‘‘মমতার জমানায় ট্রেন দুর্ঘটনা ৫৪টি, প্রাণ হারান ১৪৫১ জন’’, খোঁচা অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৭৫। আহত ১,০০০ ছাড়িয়েছে। এই ঘটনায় রাজনীতি করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার সকালেই বালাসোরে রেল মন্ত্রককে কাঠগড়ায় তোলেন। তৃণমূল নেত্রীর দাবি, কবচ না থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। রবিবার তা খারিজ করে দেন রেলমন্ত্রী এবং তিনি বলেন ‘‘মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সীমিত জ্ঞান থেকে এ ধরনের কথাবার্তা বলছেন।’’ অন্যদিকে, তাঁর দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার জন্য রেলমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেছেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন মোট ট্রেন দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya)। বিজেপি নেতার মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ৫৪ টি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং লাইনচ্যুত হয়েছে রেল, এমন ঘটনা ৮৩৯ বার ঘটেছে, প্রাণ গেছে ১,৪৫১ জনের।

    আরও পড়ুন: ৫১ ঘণ্টা পর বালাসোরে গড়াল ট্রেনের চাকা! চোখে জল রেলমন্ত্রীর

    অমিত মালব্য (Amit Malviya) কী লিখলেন ট্যুইটে?

    অমিত মালব্য (Amit Malviya) এদিন রীতিমতো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন। রেলমন্ত্রী থাকাকালীন নীতিশ কুমার, লালুপ্রসাদ যাদব এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলের ট্রেন দুর্ঘটনার সংখ্যা তুলে ধরেন নিজের ট্যুইটে। মালব্য লেখেন, ‘‘যারা রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছে, তাদের রিপোর্ট কার্ড।’’

    ওই পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, নীতিশ কুমার রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দুটি ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে ৭৯টি। রেল লাইনচ্যুত হয়েছে ১০০০ বার এবং মোট মৃতের সংখ্যা ১,৫২৭। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ৫৪টি রেল দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে এবং রেল লাইনচ্যুত হয়েছে ৮৩৯ বার। মারা গেছেন ১৪৫১ জন। অন্যদিকে লালুপ্রসাদ যাদবের আমলে দুটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ৫১টি ঘটেছে, রেল লাইনচ্যুত হয়েছে ৫৫০ বার এবং দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ১১৫৯ জন। রবিবার বিকেলে এই ট্যুইট করেন অমিত মালব্য।

    মৃত্যু এবং ধ্বংসের রাজনীতির ওপরই দাঁড়িয়ে আছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    আরও একটি ট্যুইটে অমিত মালব্য লেখেন, সিঙ্গুর থেকে শুরু করে ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! তিনি সব সময়ই  ধ্বংস এবং মৃত্যুর রাজনীতি ওপরই দাঁড়িয়ে আছেন। উদ্ধার কাজের সময় তাঁর সাংবাদিক সম্মেলন করার কোনও কথা ছিল না, কিন্তু তারপরেও তিনি ভুল তথ্য দিতে থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের কাটমানি চাওয়ার ভিডিও ভাইরাল

    Birbhum: তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের কাটমানি চাওয়ার ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর ব্লক ১ পাঁরুই থানার অন্তর্গত কসবা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রতিমা হেমব্রমের বিরুদ্ধে ঠিকাদার সহ সাধারণ গ্রামবাসীদের কাছ থেকে বিভিন্ন কাজের জন্য মাটমানি চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এই নিয়ে সামজিক মাধ্যমে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ আরও তীব্র হল। 

    বীরভূমের (Birbhum) কী ঘটেছিল?

    সামজিক মাধ্যমে তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, বোলপুর ব্লক ১ পঞ্চায়েত প্রধান প্রতিমা হেমব্রম, তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজের জন্য কমিশন দিতে হবে বলে দাবি করছেন। সেখানে তিনি বলছেন, সবাইকে টাকা দেওয়া হচ্ছে কিন্তু সই করার জন্য আমার প্রধানের প্রাপ্য টাকা কোথায়? প্রতিমাদেবী আরও বলেন, আমি কেন ভাগের টাকা পাবো না? তিনি বলেন, বাড়ি থেকে গাড়ির তেল পুড়িয়ে এই পঞ্চায়েত অফিসে আসি, আর তাই আমার কি কোনও প্রাপ্য টাকা থাকতে পারে না? পাশে থাকা এক ব্যক্তি প্রধানকে বলেন, আপনি তো সরকারি বেতন পান! পাল্টা প্রতিমাদেবী বলেন, এই কাজে সই করার জন্য আমাকে কেউ টাকা দেয় না। সরকার অন্য কাজের জন্য আমাকে বেতন দেয়। পঞ্চায়েত প্রধান আরও বলেন, আমি ভিক্ষা চাইছি না। আমার প্রাপ্য, ভাগের টাকা না দিলে আমি কোনও কাজ করব না। ভিডিওতে ঠিকাদারের সঙ্গে একপ্রকার এই ভাবেই কথা বলতে শোনা যায়। এভাবেই ভাইরাল হওয়া ভিডিও-তে নিজের জন্য কাটমানি চাইলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান।

    গ্রাম বাসীদের অভিযোগ 

    অপর দিকে সাধারণ গ্রামবাসীরা জানান যে বিভিন্ন সময়ে পঞ্চায়েতে বিভিন্ন পরিষেবার জন্য টাকা দাবি করে থাকেন প্রতিমাদেবী। পাশাপাশি যে কোনও ঠিকাদারকেই একটা মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা। এই ঘটনায় সিপিএম-এর তরফ থেকে বলা হয়, এই সরকারের সকলেই চোর, সরকার আর বেশিদিন থাকবে না বলেই যে যতটা পারছে লুটেপুটে খাওয়ার চেষ্টা করছে। সরকারের বদল না ঘটলে তৃণমূলের নেতাদের দুর্নীতির কোনও পরিবর্তন হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: কনভয় আটকে অভিষেকের কাছে নালিশ! সাসপেন্ড বুথ সভাপতি, শো-কজ দুই নেতাকে

    Abhishek Banerjee: কনভয় আটকে অভিষেকের কাছে নালিশ! সাসপেন্ড বুথ সভাপতি, শো-কজ দুই নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার কর্মসূচিতে গিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সব সময় বলে থাকেন, বুথের কর্মীরাই আমাদের সম্পদ। তাঁদের গুরুত্ব দিতে হবে সবার আগে। অভিষেকের এসব কথা টিভির পর্দায় শুনে মোহিত হয়ে গিয়েছিলেন ঘাটালের মূলগ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি শেখ সোলেমান আলি। দলে গুরুত্ব না পাওয়া প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দোলুইয়ের অনুগামী হিসাবে পরিচিত সোলেমান আশা করেছিলেন, কোনওভাবে অভিষেকের কাছে গিয়ে নিজের কষ্টের কথা বলতে পারলে বিহিত একটা হবেই। সেই মতো অভিষেকের কনভয় আটকে দল করতে না পারার কষ্টের কথা বলতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, গাড়ি থামিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee) সকলের সামনে যেভাবে তাঁকে অপমান করেছেন, তা মনে করলে তিনি আঁতকে উঠছেন। যদিও অভিষেকের কনভয় চলে যাওয়ার পর পরই ব্লক নেতৃত্ব আর সময় নেয়নি। তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়। একইসঙ্গে তাঁর সঙ্গে আরও দুই তৃণমূল নেতাকে শো-কজ করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    ২৮ মে রাত সাড়ে নটা নাগাদ ঘাটালের বীরসিংহ থেকে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় ঘাটালেরই বিদ্যাসাগর হাই স্কুল মাঠের তাঁবুতে যাচ্ছিল। জলসরায় চন্দ্রকোণা-ঘাটাল রাজ্য সড়কে অভিষেকের কনভয়ের সামনে ঝাঁপ দিয়ে তা আটকানোর চেষ্টা করা হয়। এমনকী কনভয়ের সামনে শুয়ে পড়ে ঘাটাল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দিলীপ মাঝির বিরুদ্ধে স্লোগান তুলে তাঁকে সরানোর দাবি তোলেন দলেরই তিন নেতা। দিলীপ মাঝি পদে থাকলে দল ডুববে, তাঁকে সরিয়ে প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দোলুইকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি তোলা হয়। ঘাটালের মূলগ্রাম বুথের সভাপতি শেখ সোলেমান আলি, বীরসিংহ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক শেখ আবদুল রশিদ ও ঘাটাল ব্লক তৃণমূলের আইটি সেলের কর্মী দীপঙ্কর ঘোষের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে। তাঁদের চিত্কারে কনভয় দাঁড়িয়ে যায়। গাড়ির কাচ নামিয়ে অভিষেক তাঁদের ডাকেন। তাঁদের নাম-পরিচয় জানতে চান তিনি। পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দেন, “প্রকৃত তৃণমূল কর্মী এইভাবে গাড়ি আটকে ক্ষোভ প্রকাশ করে না, এসব দলে চলবে না। এভাবে লবিবাজি মেনে নেওয়া হবে না।” দলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সোলেমান সাহেবকে সাসপেন্ড করার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। ২৮ মে রাতেই অভিযুক্ত বুথ সভাপতি শেখ সোলেমান আলিকে সাসপেন্ড করা হয় এবং বাকি দুজনকে শো-কজ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।

    কী বললেন সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল নেতা?

    সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল নেতা শেখ সোলেমান আলি বলেন,” সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে, হাতে কোনও চিঠি পাইনি। অঞ্চলের প্রধানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তিনি আমাকে জানিয়েছেন।” সাসপেন্ড হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি হয়তো কিছু ভুল করেছি, তাই সাসপেন্ড করেছে। আমি ৯৮ সাল থেকে দল করি। সাসপেন্ড করেছে ঠিক আছে, কিন্তু দলকে ভোট দিতে পারবো তো! দলের ব্লক সভাপতি দিলীপ মাঝির বিরুদ্ধে আমি কিছু বলিনি। কনভয় আটকে অন্য কেউ বলতে পারে, সেই ঝড় হয়তো আমার উপর এসে পড়েছে।”

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এবিষয়ে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আশিস হুদাইত বলেন, “মূলগ্রামের বুথ সভাপতি শেখ সোলেমান আলি সহ কয়েকজন নেতৃত্ব ঘাটালের জলসরায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কনভয় আটকানোর চেষ্টা করে কিছু কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন। যা দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সমান। দলের ওইসব নেতৃত্ব দলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য ইচ্ছা করে মনগড়া কথা বলার চেষ্টা করেছে। দলের যে স্তরে জানানোর দরকার, সেখানে না জানিয়ে একেবারে জনসমক্ষে দলের ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো তাই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাকিদেরও শো-কজ করা হয়েছে। সাতদিনের মধ্যে জবাব না দিলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের (TMC) প্রধান। স্বামী এলাকার বেতাজ বাদশা। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস নেই। তাই, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে একের পর এক সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার চোঁয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসক দলের প্রধানের স্বামী ও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বিরুদ্ধে এই গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    হরিহরপাড়ার আমতলা রাজ্য সড়কের ধারে লাইন দিয়ে বড় বড় প্রচুর গাছ ছিল। গত কয়েকদিন ধরেই রাস্তার ধারে সেই গাছ কাটা চলছিল। রীতিমতো শ্রমিক লাগিয়ে এই গাছ কাটা হচ্ছিল। তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী দাঁড়িয়ে এই কাজ করায় কেউ গাছ কাটার প্রতিবাদ করার সাহস দেখাননি। ফলে, গত কয়েকদিনে ১৪ থেকে ১৫ টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এদিনও গাছ কাটা চলছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অভিযোগ পেয়ে এদিন হরিহরপাড়ার বিডিও রাজা ভৌমিক সহ প্রশাসনের কর্তারা গজনীপুরে যান। তিনি গাছ কাটার কাজ বন্ধ করে দেন। শ্রমিকদের বক্তব্য, বন দফতরের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানি না। তবে, প্রধানের নির্দেশে আমরা গাছ কাটতে এসেছিলাম। যদিও এই ঘটনার পর অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ব্লক প্রশাসনের কর্তারা।

    গাছ কাটা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিএম নেতা ইনসার আলি বিশ্বাস বলেন, তৃণমূল (TMC) কোনও আইন মানে না। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। যারা গাছ কেটেছে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। প্রধান বা প্রধানের স্বামী বলে কেউ যেন ছাড়া না পায়। প্রয়োজনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি জাহাঙ্গির শা বলেন, তৃণমূল মানে একটি চোরের দল। বিধায়ক গোটা বিধানসভার সব গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে। আর এই প্রধান তার নিজের এলাকার সব গাছ কেটে ফেলছে। আমরা এই ঘটনার কঠোরতম শাস্তি চাই। তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি হাতাদউদ্দিন শেখ বলেন, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দল এসব বেআইনি কাজে পাশে নেই। আইন মেনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আমি আবেদন জানাব। দলের পঞ্চায়েত প্রধান বলে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

    কী বললেন অভিযুক্ত প্রধানের স্বামী?

    তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী রাকিবুল হক বলেন, কয়েকদিন আগে ঝড়ে ডাল ভেঙে পড়ায় রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। তাই, বিডিওর কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়ে আমরা গাছ কাটার কাজ শুরু করেছি। মূলত রাস্তার ধারে কয়েকটি গাছ কেটেছি। বড় গাছ কাটা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেককে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে দলের এক নেতা, বিস্ফোরক অপরূপা

    Abhishek Banerjee: অভিষেককে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে দলের এক নেতা, বিস্ফোরক অপরূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন দলের মধ্যেই এক সিনিয়র তৃণমূল নেতা এবং পুলিশ। পুরুলিয়ার ঘটনার কথা একটি চক্রান্ত মাত্র, এই বলে, নিজের ট্যুইটারে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন আরামবাগ লোকসভার সাংসদ অপরূপা পোদ্দার। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্বের কথা প্রকাশ্যে এসেছে বলে তীব্র চাঞ্চল্য।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সম্পর্কে কী বলেছেন অপরূপা?

    সাংসদ অপরূপা পোদ্দার বলেন, “আমি খুব গভীর ভাবে জানি, বিজেপিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) শুধু অধিকারী পরিবারের চরম শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু আমাদের দলের মধ্যে অনেক শত্রুরাও আছে যারা অভিষেককে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপির সাথে মিলিত ভাবে। একটি মেয়েকে দিয়ে অভিষেকের বিরুদ্ধে তথ্য পাঠানো হচ্ছে দিল্লিতে।” তিনি আরও দাবি করেন, এই কাজটি আমাদের দলের নেতা, এক বিজেপির নেতা এবং পুলিশের মাধ্যমে করা হচ্ছে। পুরুলিয়ার ঘটনা একটি চক্রান্ত, আমি জানি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমার কিছু যায় আসে না, আমাকে দিদি দুবার সাংসদ করেছেন, এর জন্য দিদির কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমার টিকিট যদি সিনিয়র নেতা কাটতে চায়, কেটে দেবেন। আমি চাকরি করব দিদির কালীঘাটে, কিন্তু দলের সাথে কখনো গদ্দারি করব না। পরে অবশ্য অপরূপা পোদ্দারের কাছে ট্যুইটারের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যা বলার ট্যুইটারে বলেছি, বিষয়টা দলের অভ্যন্তরের বিষয়। যা বলার, দলের মিটিং এ বলব।

    তৃণমূল মুখপাত্রের বক্তব্য

    সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের (Abhishek Banerjee) বিষয়ে রাজ্য তৃণমূলের মুখাপত্র কুণাল ঘোষকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি একটা ট্যুইট হয়েছে। এরপর এই বিষয়ে আর কিছু বলতে চান নি তিনি। কিন্তু তৃণমূল দলের অন্দরে কী আদি-নব্য দ্বন্দ্ব? এই নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য

    অপরূপা পোদ্দারের ট্যুইটার মন্তব্যের বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক এবং রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, বিষয়টি তৃণমূলের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আদি-নব্য গোষ্ঠী কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই না। তৃণমূল দল হল চোরেদের দল। কে কত চুরি করতে পারবে সেই নিয়ে লড়াই করছে আদি-নব্য তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। আপাতত রাজনৈতিক মহল, তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের কথা যে প্রকাশ্যে এসেছে, সে কথাই বলছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: খড়্গপুরে অভিষেককে দেখতে তুমুল বিশৃঙ্খলা, পা ভাঙল তৃণমূল যুব নেতার

    Abhishek Banerjee: খড়্গপুরে অভিষেককে দেখতে তুমুল বিশৃঙ্খলা, পা ভাঙল তৃণমূল যুব নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়গ্রামে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কনভয়ের হামলার পর শনিবার সকাল থেকেই অতি সক্রিয় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। শালবনিতে অভিষেকের সভা ছিল। শুক্রবার রাতে চক শালবনির ঘটনার পর শাসক দলের নেতা মন্ত্রীরা যেভাবে কুড়মি সমাজের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তারই প্রতিবাদ জানাতে আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) যাত্রা পথে খেমাসুলিতে প্রতিবাদ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল আদিবাসী কুড়মি সমাজের মানুষেরা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে কমলেশ মাহাত সহ তিন কুড়মি নেতাকে আটক করল খড়গপুর লোকাল থানার পুলিশ। রাস্তার ধারে কোনওভাবেই দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখানো যাবে না, স্পষ্টবার্তা পুলিশ আধিকারিকদের। খেমাশুলিতে মোতায়ন ছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। গণতান্ত্রিক দেশে কণ্ঠরোধ করা যাবে না, পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন কুড়মি নেতারা।

    অভিষেককে (Abhishek Banerjee) দেখতে গিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা, পা ভাঙল তৃণমূল যুব নেতার

    তৃণমূলের নব জোয়ার কর্মসূচি সূচনা লগ্নে চরম বিশৃঙ্খলা। ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গিয়ে দুটি পা ভাঙল খোদ রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষের। এদিন দুপুরে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে খেমাশুলি হয়ে খড়্গপুরের চৌরঙ্গীতে এসে পৌঁছান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই সময় ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে যান তন্ময় ঘোষ সহ দলের একাধিক নেতা নেত্রী। এমনকি ধাক্কাধাক্কির মুখে পড়েন খোদ বিধায়করা। সেই সময়ই পা ভেঙে যায় তন্ময় ঘোষের। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। দলীয় কর্মীদের কেন নিয়ন্ত্রণ করা গেল না প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে শাসক দলেরই একাংশ। পরে, তন্ময়বাবুকে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিত্সা করা হয়। পরে, হুইলচেয়ারে করে তিনি সভাস্থলে যান। তন্ময়বাবু বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসতেই ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। তখনই কোনওভাবে পড়ে এই বিপত্তি ঘটে।

    ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    শালবনিতে তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে ভোটগ্রহণে এড়ানো গেল না তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। ভোটাভুটি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। এদিন শালবনির মাকলি অঞ্চলের ভোট গ্রহণ চলছিল। সেই সময় কে আগে ভোট দেবে তা নিয়ে শুরু হয় বচসা। হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় উত্তেজনা। যদিও সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ভানু বাগের শ্রাদ্ধ খেতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, মৃত পরিবারে চাকরি দিতে নয়, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ভানু বাগের শ্রাদ্ধ খেতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, মৃত পরিবারে চাকরি দিতে নয়, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন নেই। সম্প্রতি এই রাজ্যে তিনটি বড়ো বড়ো বিস্ফোরণ হয়েছে। মমতা ব্যানার্জী আজকে এগারাতে গিয়েছেন। ভানু বাগের বাড়িতে শ্রাদ্ধ খেতে উনি গিয়েছেন, কোনও মৃতদের পরিবারকে চাকরি দিতে যান নি। উত্তর দিনাজপুরে পুলিশ এক বিজেপি কর্মীর বুকে গুলি করে খুন করেছে। গোটা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কর্মীদের খুন করা হচ্ছে। আর এই ভাবেই রাজ্যের শাসক তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) কোথায় সভা করলেন!

    শনিবার বিকালে মালদার মালিকচকে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাসক দল তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সমালোচনা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। এইদিনের এই জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। এইদিন বিকালে জনসভা শেষ করে ট্রেনে করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপি বিধায়ক (Suvendu Adhikari) শুভেন্দু অধিকারী।

    কী বললেন বিরোধী (Suvendu Adhikari) দলনেতা

    মালদায় বিশেষ জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, বর্তমানে রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক ৪৫ লক্ষ। বামফ্রন্টের সময় এই সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ। বেশীরভাগ এই পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে সংখ্যালঘুরা আছেন। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতে পশ্চমবঙ্গকে ৫০ লক্ষ বাড়ি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূলের নেতারা সেই সব বাড়ি নিয়ে নিয়েছে। ১০০ দিনের কাজে সব থেকে বেশী দুর্নীতি হয়েছে এই মালদা জেলাতে। আরও বলেন তিনি, এই চোরদের তাড়াতে হবে। কেন এই চোরদের ভোট দেবেন? যারা কাঁটা তারের বেড়া টপকে ঢুকেছে, তাদেরকে কাঁটাতারের ওপাশে আবার যেতে হবে। কেন্দ্র সরকারের গ্রহণযোগ্যতা সারা বিশ্বে আর তাই বিদেশের মাটিতে প্রধানমন্ত্রীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছে। কৃষক পরিবারের টাকা আটকে দিয়েছে এই রাজ্যের সরকার। মাধ্যমিকে ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা কমছে আর মদের দোকানের সংখ্যা বাড়ছে বলে বিশেষ অভিযোগ করেন। ডিয়ার লটারি কাটতে কাটতে এই রাজ্যের মানুষকে ভিখারি করে দিয়েছে। এই রকম নানা বাক্য দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন বিরোধী দলনেতা।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে তোপ

    তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মহম্মদ বিনতুঘলকের সঙ্গে তুলনা করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, জনজোয়ারের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। মুসলিমদের মধ্যে এনআরসির ভয় দেখাচ্ছে। কুড়মিদের মধ্যে লড়াই লাগাচ্ছে মমতা ব্যানার্জী নিজে। রামনবমীর দিনে গোলমাল হয়েছে মমতা ব্যানার্জীর জন্যেই। এই রাজ্যে কোনো চাকরি নেই। সেই সঙ্গে বলেন পশ্চমবঙ্গকে আমাদেরই বাঁচাতে হবে। ডবল ইঞ্জিনের সরকার এই রাজ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সিপিএমের ফাঁদে পা দেবেন না। সিপিএমের আমলে ওরা চাকরি বিক্রি করেছিল। মমতা ব্যানার্জীকে আমি প্রাক্তন করব। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগের কথা তুলে ধরে রাজ্যের সংখ্যালঘু সামজের মানুষের মনে বিশেষ জায়গা তৈরির কৌশল করলেন বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘নবজোয়ার’-এ পুলিশের খরচ মেটাচ্ছে কে? হাইকোর্টে মামলা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘নবজোয়ার’-এ পুলিশের খরচ মেটাচ্ছে কে? হাইকোর্টে মামলা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচিতে যে পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে, তার খরচ কারা দিচ্ছে? কেনই বা দলীয় ভোটে রাজ্য পুলিশকে (Police) ব্যবহার করা হচ্ছে? এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    শুভেন্দুর প্রশ্ন

    শুভেন্দুর প্রশ্ন একটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ভোটে কীভাবে সরকারি সাহায্য যেতে পারে? পঞ্চায়েতে কাকে প্রার্থী দেখতে চান, জানতে চেয়ে ভোটের আয়োজন করেছে একটি আঞ্চলিক দল। নাম না করে তৃণমূলকে (TMC) নিশানা করেন শুভেন্দু। পুলিশ ব্যবহারের জন্য সরকারি খাতে ওই দল টাকা জমা করেছে কিনা সেই প্রশ্নের জবাব চান বিরোধী দলনেতা। এই নিয়ে ডিজিকে চিঠি দিয়ে উত্তর মেলেনি। এবার তাই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    মামলার শুনানি

    আগামী ৭ জুন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবাজ্ঞনমের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, শুভেন্দু অধিকারী জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন গত ১৯ মে। ডিজিপি কে চিঠি দিয়ে কোনও উত্তর না পাওয়ার ১৮ দিন পরে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। বিরোধী দলনেতার আইনজীবী সূর্যনীল দাস জানান, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে ৭ জুন মামলাটি প্রধান বিচারপতি টি এস শিবাজ্ঞনম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য আসতে পারে। ওইদিন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে ইটাহার ও মালদহে মিছিলের অনুমতি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাটিরও শুনানি হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টেও স্বস্তি পেলেন না অভিষেক! জেরা করতে পারবে সিবিআই

    গত ২৫ এপ্রিল কোচবিহার থেকে শুরু হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচি। ভোটাভুটি শুরুর দিনেই গণ্ডগোল দেখা যায় সেখানে। ব্যালট বক্স চুরি থেকে হাতাহাতি কোনওটাই বাদ যায়নি। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্রই অশান্তির ছবি চোখে পড়েছে।  সেই সময় শক্ত হাতে পরিস্থিতির সামাল দেয় পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kharagpur:  নবজোয়ায়ের আগে তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্ব

    Kharagpur: নবজোয়ায়ের আগে তৃণমূলের আদি-নব্য দ্বন্দ্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেকের নবজোয়ারের কর্মসূচি ঠিক আগেই খড়গপুর শহরে আদি-নব্য তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এলো। এবার ঘটনা দেখা গেল খড়গপুর (Kharagpur) পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে। সদ্য নির্দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া কাউন্সিলার ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ আনলেন খড়গপুর পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের আদি তৃণমূল নেতা জাবেদ আলী খান। এলাকায় এই নিয়ে বেশ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    খড়গপুর (Kharagpur) কী অভিযোগ?

    পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের প্রেসিডেন্ট জাবেদ আলী খান অভিযোগ করেছেন, খড়গপুর (Kharagpur) পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার কিছুদিন আগেই নির্দল থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পৌর নির্বাচনে জাবেদ আলী তৃণমূলের দলীয় সিম্বল এবং তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে খড়গপুর পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারের কাজ করেছিলেন। আর এরপর থেকে তাঁদের উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও তাঁর ভাই। তিনি আরো অভিযোগ করেছেন, দলীয় কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে ডাকা হয় না। শুধু তাই নয়, তিনি এই নিয়ে জেলা সভাপতি, শহর সভাপতি সকলকে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি আরও বিশেষ অভিযোগ জানিয়ে বলেন, আমার এক জায়গার উপরে পাঁচিল দিতে গেলে, কাউন্সিলার জোর করে সেই পাঁচিল ভেঙ্গে দেয়। সেই সঙ্গে পাঁচিল দেওয়ার সময় কর্মরত মিস্ত্রীর উপরে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে নব্য তৃণমূল কাউন্সিলার তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আর এই নিয়ে আদি তৃণমূল নেতা জাবেদ আলী খান লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রানা মুখার্জিকে।

    কাউন্সিলারের বক্তব্য (Kharagpur)

    খড়গপুর (Kharagpur) পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ফিদা হোসেন তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানিয়েছেন, ১৬ ফুটের রাস্তাকে ১৪ ফুট করে দিয়েছেন জাবেদ আলী খান। সাধারণ মাপ থেকে দু ফুট এগিয়ে নিয়ে আসার প্রতিবাদ করাতে আমার বিরুদ্ধে উল্টোপাল্টা কথা বলা বলছেন তাঁরা। যাঁরা এই অভিযোগ আনছেন, তাঁরা আগে সিপিএম করতেন, এখন আবার তাঁরাই তৃণমূল করছেন বলে জানিয়েছেন ফিদা হোসেন। 

    কাজ করতে যাওয়া মিস্ত্রীর অভিযোগ (Kharagpur)

    ৫ নম্বর ওয়ার্ডের (Kharagpur) কাউন্সিলর ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে স্থানীয় এক মিস্ত্রী অভিযোগ করে বলেছেন, আমি মিস্ত্রী হিসেবে রাস্তার কাজ করতে গিয়েছিলাম, কিন্তু আমাকে কাজ বন্ধ করতে বলা হয় এবং এরপর পিছন থেকে কাউন্সিলার আমাকে ধরলে, তাঁর ভাই আচমকা আমাকে আমার কানের ভিতরে ঘুষি মারে। এরপর পুলিশ আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা করে দেয়।  মিস্ত্রী আরও বলেন, এই বিষয়ে আমি অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে, কাউন্সিলার এবং তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় আদি তৃণমূল কংগ্রেসের আরও কয়েকজন অভিযোগ করেছেন, পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর ফিদা হোসেন, আদি তৃণমূল কর্মীদের উপরে মিথ্যে মামলা করার বারবার হুমকি দেন। অভিষেকের কর্মসূচির আগে ফের খড়গপুর শহরে আদি-নব্য তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন জেলার রাজনীতির একাংশ।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share