Tag: tmc

tmc

  • Suvendu Adhikari: ‘যদি ভোট দিতে না দেয়…’, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি কর্মীদের কী নিদান দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘যদি ভোট দিতে না দেয়…’, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি কর্মীদের কী নিদান দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পঞ্চায়েত ভোট বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের জন্য ‘ডু অর ডাই’ লড়াই। প্রতিরোধ করতেই হবে। শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে দলীয় সভায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের জন্য পঞ্চায়েত নির্বাচনের সুর বেঁধে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    পরিবর্তনের আঁতুড় ঘর…

    শুভেন্দু বলেন, এই জেলা থেকেই সব পরিবর্তনের সূচনা হয়। বামপন্থীদের আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলন, গীতা মুখোপাধ্যায়, সুকুমার সেনদের নেতৃত্বে এই জেলার আন্দোলন জমিদার ও বুর্জোয়াদের রুখে দিয়েছিল। এই জেলাতেই নন্দীগ্রাম আন্দোলন করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যেমন বার্লিন ছিল এপিসেন্টার, ২০১১ সালের পরিবর্তনের এপিসেন্টার নন্দীগ্রাম। বামফ্রন্ট পরাস্ত হয়েছিল। বিজেপি নেতা বলেন, ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে একমাত্র এই জেলাই বিশ্বাস করে তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূলের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছিল। সে বিশ্বাস তারা রক্ষা করতে পারেনি। তাই ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটের আগে শপথ নিন, এই জেলা পরিষদ বিজেপিকে উপহার দেবেন। আর তমলুক এবং কাঁথি লোকসভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে উপহার দেবেন।    

    ডু অর ডাই…

    এদিন ফের একবার অবাধ ভোটের পক্ষে সওয়াল করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, ডু অর ডাই। এবার হবে প্রতিরোধ। যদি ভোট দিতে না দেয়, তবে তোমারও নাই, আমারও নাই। ব্যালট বাক্স ধরব আর পুকুরে ফেলব। জোট বাঁধুন, তৈরি হন। শাসক দল যে সুষ্ঠু ভোটের কথা বলছে, সেটা নিছক আইওয়াশ, দাবি শুভেন্দুর।

    সবাই চোর…

    শুভেন্দু বলেন, কেষ্ট মণ্ডল বলত, চড়াম, চড়াম, গুড় বাতাসা। এখন কী হচ্ছে? তিহার জেলের দরজাটা একটু ফাঁক হয়েছে। তার পরে আছেন রুজিরা, তার পরে আছেন ভাইপো। গোটাটাই চোরের রাজত্ব। তিনি বলেন, তৃণমূলের সবাই চোর। তাই ভয় পাবেন না। পঞ্চায়েত ভোট অবাধ করতে গেলে প্রতিরোধ করতে হবে।

    মদ বন্ধে প্রতিরোধ…

    এদিন রাজ্যে মদ বন্ধে মায়েদের উদ্যোগী হতে বলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ২৮ টাকায় মেহুলের মদের বোতল, আর ডিয়ার লটারি? এটাই কি বাংলার বর্তমান আর ভবিষ্যৎ? তাই মায়েরা জোট বাঁধুন। মদ বন্ধ করতে রাস্তায় নামুন। বাংলায় মদ বন্ধ করতে হবে। শুভেন্দু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদ খাইয়ে বাংলাকে ধ্বংস করতে চাইছে।

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল…

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, মালদা, পূর্ব মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল এসেছে আমার নালিশে। আগামী সপ্তাহে রাজ্যের আরও ১৫টি জেলায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসবে। অঞ্চল, ব্লক, গ্রাম পঞ্চায়েতে চোরেদের চিহ্নিত না করতে পারলে আমার নাম শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নয়।

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামে একটা বড় অংশ যাঁরা হিন্দু, তাঁদের ভোটে আমি জিতেছি, বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • TMC: শুভেন্দুর দাবিতেই শিলমোহর তৃণমূল বিধায়কের! দল ‘কোম্পানি’, মমতা ‘ব্র্যান্ড’, বললেন গৌতমও

    TMC: শুভেন্দুর দাবিতেই শিলমোহর তৃণমূল বিধায়কের! দল ‘কোম্পানি’, মমতা ‘ব্র্যান্ড’, বললেন গৌতমও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবিতেই শিলমোহর দিলেন তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক! তৃণমূলকে তিনি কোম্পানি বলে অভিহিত করলেন। তিনি এও জানালেন, এই কোম্পানির ব্র্যান্ড স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নিজের দলকে কোম্পানি এবং দলের জন প্রতিনিধিদের মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ বলে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক তৃণমূলের গৌতম চৌধুরী। গৌতমের এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে শাসক দলকে নিশানা করতে শুরু করেছে বিজেপি।

    শুভেন্দু অধিকারী…

    ২০২০ সালে ভাবাদর্শ বদলের জেরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। তার পর থেকেই তৃণমূলকে তিনি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে কটাক্ষ করে আসছেন। বৃহস্পতিবার হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের দক্ষিণ ঝাঁপড়দহে দলের এক কর্মিসভায়ও তিনি ফের বলেন, তৃণমূল একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। ওই কোম্পানির মালিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ভাইপো ম্যানেজিং ডিরেক্টর।

    শুক্রবার হাওড়ায়ই দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন গৌতম। ওই বৈঠকে শুভেন্দুর সঙ্গে সুর মিলিয়ে তিনিও বলেন, তৃণমূল একটা কোম্পানি। এর পরেই গৌতমের সংযোজন, যার ব্র্যান্ড হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা কেউ কিছু নই। আমরা জন প্রতিনিধিরা একটা ওষুধ কোম্পানির মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের মতো। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সব।

    আরও পড়ুুন: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়’, কেন একথা বললেন বিজেপি নেতা?

    গৌতমের মন্তব্যের জেরে অস্বস্তিতে তৃণমূল (TMC)। গৌতমকে ইতিমধ্যেই দল সতর্ক করেছে বলে জানান হাওড়া সদরের তৃণমূল সভাপতি কল্যাণ ঘোষ। তিনি বলেন, গৌতম চৌধুরীর সঙ্গে রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের এ বিষয়ে কথা হয়েছে। উনি জানিয়েছেন, ভুলবশত এই মন্তব্য করেছেন। গৌতমের মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছে বঙ্গ বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, সত্যি কথাটাই উনি বলে ফেলেছেন। ওই দলে যাঁরা রয়েছেন, সকলেই বসের কথা শুনে কাজ করেন। তিনি বলেন, তৃণমূল দল গণতন্ত্র মানে না। ওই দলে গণতন্ত্র নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Abhishek Banerjee: আদালতের নির্দেশে রক্ষাকবচ রইল না অভিষেক-শ্যালিকার, পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি?

    Abhishek Banerjee: আদালতের নির্দেশে রক্ষাকবচ রইল না অভিষেক-শ্যালিকার, পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ষাকবচ রইল না তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরের (Maneka Gambhir)। মেনকার মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর জেরে মেনকার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির (ED) আর কোনও বাধা রইল না। মেনকার রক্ষাকবচ খারিজের দাবিতে চলতি সপ্তাহেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। আদালত মেনকার রক্ষাকবচ তুলে নেওয়ায় বিপাকে অভিষেক ও তাঁর শ্যালিকা।

    গরু পাচার মামলা…

    এর আগে গরু পাচার মামলায় মেনকাকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল ইডি। তখন ইডির আবেদনে সাড়া দেয়নি আদালত। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী মামলাটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। সেই রায় অনুযায়ী শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ মেনকার মামলা খারিজ করে দেয়। তবে আগামিদিনে ইডির বিরুদ্ধে নতুন করে আদালতে মেনকা যাতে আবেদন করতে পারেন, সেই স্বাধীনতাও তাঁকে দিয়েছে উচ্চ আদালত। প্রসঙ্গত, আদালতের এই নির্দেশের ফলে মেনকার বিরুদ্ধে এখন যে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি। আবার সেই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ফের আদালতের দ্বারস্থও হতে পারবেন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা।

    আরও পড়ুুন: ‘তৃণমূলে থেকে মানুষের চোখের জল…’, নদিয়ায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন ২০০ তৃণমূল নেতা-কর্মী

    গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের শ্যালিকাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে তলব করেছিল ইডি। ইডির এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেনকা। মেনকাকে গ্রেফতার করা যাবে না এবং দিল্লির পরিবর্তে কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে ইডিকে। অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়ে এমনই জানিয়েছিলেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। আদালতের এই নির্দেশ মতো ইডির সমন কার্যকর করেন অভিষেক-শ্যালিকা। পরে বিদেশ যেতে চেয়ে ফের আদালতের শরণ নেন মেনকা। পরে অবশ্য সেই আবেদনও প্রত্যাহার করে নেন তিনি। তাই আটকে গিয়েছিল তাঁর বিদেশ যাত্রাও। এদিন আদালতে ইডির তরফে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল বলেন, মেনকার দু দেশের নাগরিকত্ব রয়েছে। এটা থাকতে পারে না। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে কোনও পর্যবেক্ষণ বা নির্দেশ দেয়নি আদালত।

    আরও পড়ুুন: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Suvendu Adhikari: ‘ডিসেম্বরে বড় ডাকাতকে জেলে  ঢোকাতে পারিনি, এইবার তুলব’, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: ‘ডিসেম্বরে বড় ডাকাতকে জেলে ঢোকাতে পারিনি, এইবার তুলব’, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরে বড় ডাকাতকে জেলে ঢোকাতে পারিনি, এইবার তুলব। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের সভা থেকে এই হুঁশিয়ারি দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ছোট ডাকাতকে আপনারা উপড়ে নেবেন তো? এদিন রাজ্য সরকারকেও একহাত নিয়েছেন শুভন্দু। তিনি বলেন, চোরদের গ্রাম থেকে তাড়াতে হবে, রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি হবে। আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগেও এদিন সরব হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, যাঁরা ঘর পাননি, তাঁদের একজোট করুন, জনস্বার্থ মামলা করব। এক সপ্তাহের মধ্যে তালিকা তৈরি করতে হবে, টাকা ফেরত করাবই।

    শুভেন্দু বলেন…

    নানা দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ রাজ্য সরকার। রাজ্যে কয়লা পাচার, গরু পাচার মামলার তদন্ত করছে সিবিআই, ইডি। গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল  (Anubrata Mondal)। গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। এহেন আবহে এদিন শুভেন্দু বলেন, এই চোরদের সাফাই  করতে হবে। বড় চোর-ডাকাতটাকে ডিসেম্বরে পারিনি, এর মধ্যে ধরব। বড় ডাকাতটাকে আমরা তুলব। ছোটগুলোকে আপনারা উপড়াবেন তো? সব গ্রাম রেডি তো? নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন (Suvendu Adhikari), সব গ্রাম থেকে চোরেদের তাড়াতে হবে। চোরদের তাড়াতে হবে। চোরদের তাড়িয়ে পশ্চিমবাংলায় রাষ্ট্রবাদী সরকার, ডবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘মুকুল রায় বিরোধী দলনেতা হোন, চেয়েছিলেন মমতা’, তোপ শুভেন্দুর

    শুভেন্দু বলেন, পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনায় স্টিকার মেরে দিয়েছে। আশাকর্মীর ইজ্জত লুঠ করেছে তৃণমূল গুন্ডা শাহজাহানের বাহিনী। টাকা অনেকের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। আমরা জনস্বার্থ মামলা করব। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, বঞ্চিতদের একজোট করুন। আইন হাতে না তুলে এগোতে হবে। যাতে পশ্চিমবঙ্গের ছাদহীন মানুষ এই সুবিধা পান। তৃণমূলের বড়লোক গীতাঞ্জলি, ইন্দিরা আবাস পেয়েছেন। চাকরি করেন, অর্থনৈতিকভাবে উন্নত এমন তালিকা তৈরি করুন। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikar) অভিযোগ, ৪ লক্ষ ৯ হাজার ভুয়ো জবকার্ড হয়েছে। আমি কলকাতা হাইকোর্টে গিয়ে মামলা করেছি। শুভেন্দু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ডবল ইঞ্জিন সরকার করতে হবে। সামনে পঞ্চায়েত, ২৪ এ লোকসভা। আমরা কাঁথি, তমলুক মোদিজিকে উপহার দেব। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতি আমরা খতম করবই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Mamata Banerjee: বিধানসভায় ভাঙচুর, সিঙ্গুর থেকে টাটাকে বিদায় কি গঠনমূলক কাজ ছিল? মমতাকে প্রশ্ন বিরোধীদের

    Mamata Banerjee: বিধানসভায় ভাঙচুর, সিঙ্গুর থেকে টাটাকে বিদায় কি গঠনমূলক কাজ ছিল? মমতাকে প্রশ্ন বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী থাকাকালীন তিনি কখনও ডেসট্রাক্টিভ (ধ্বংসাত্মক) কিছু করেননি। সব সময় কনস্ট্রাক্টিভ (গঠনমূলক) কাজ করেছেন। এখন বিরোধীরা ধ্বংসাত্মক রাজনীতি করছে।  গঠনমূলক রাজনীতি চোখে পড়ছে না। নজরুল মঞ্চে তৃণমূলের কর্মী সম্মেলনে এমনই দাবি করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য়মন্ত্রী আরও বলেন এ রাজ্য়ে বিরোধীরা সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়ে যে ধরনের কুকথার ব্য়বহার করে, তা গোটা দেশে কোথাও হয় না। 

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    যদিও মুখ্য়মন্ত্রীর এই দাবিকে পাল্টা কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। তাদের পাল্টা প্রশ্ন, ধ্বংসাত্মক রাজনীতি না করলে বিধানসভায় ভাঙচুর কারা করেছিল? বিধানসভা ভবন ভাঙচুরে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। সিঙ্গুরে টাটাদের কারখানা করতে দেননি মমতা। এখন শিল্পায়নের কথা বললেও টাটা বিদায়ের জন্য মুখ্য়মন্ত্রী যা করেছিলেন তা বাংলা ভুলবে না। কামতাপুরীদের সঙ্গে নিয়ে একসময় বাংলা ভাঙারও চক্রান্ত করেছিলেন মমতা। বিরোধী আসনে থাকার সময় পাহাড়েও অশান্তির বীজ বপন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধীদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী এখন ক্ষমতায় এসে যদি এমন কিছু বলেন যা একশো শতাংশ মিথ্য়ে, হাস্য়কর, তাহলে তা রাজ্য়ের সম্পর্কে ধারণা আরও খারাপ করে দেবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

    বিরোধীদের বক্তব্য, মমতা এখন কুকথার প্রসঙ্গ টানছেন। অথচ, মুখ্য়মন্ত্রী যখন বলেন, বিরোধীদের জিভ টেনে ছিঁড়ে ফেলব, তার থেকে বড় কুকথা আর কী হতে পারে? বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘এ রাজ্যে যা দুর্নীতি হয়েছে, ভারতবর্ষে কোথাও তা হয়নি। তৃণমূল যে দুর্নীতি করেছে, তাতে তিনটি প্রজন্মের ভবিষ্য়ৎ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এর পর তৃণমূল পঞ্চায়েত ভোটের আগে নতুন যে প্রকল্পই নিয়ে আসুক না কেন, মানুষ আর তা গ্রহণ করবে না।’

    উল্লেখ্য, এদিনের সভা থেকে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ নামে একটি অ্যাপের উদ্বোধন করেন তৃণমূলনেত্রী। তিনি বলেন, দুয়ারে সরকার তার মতো চলবে। কিন্তু তার বাইরেও মানুষ দলের কাছে অনেক অভিযোগ জানায়। সেই অভিযোগ জানানোর মঞ্চ হয়ে উঠবে এই অ্যাপ। সঙ্গে তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের ১৫টি প্রকল্পের সুবিধা মানুষ পাচ্ছে কি না তা জানতে এই অ্যাপ সহায়ক হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PMAY: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    PMAY: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY) রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট  (Calcutta High Court)। জানুয়ারির ১৪ তারিখের মধ্যে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। মঙ্গলবার তিনি ওই নির্দেশ দেন। আদালত জানিয়েছে, রাজ্য সরকার যে হলফনামা দেবে তাতে কেন্দ্র থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় কত টাকা তারা পেয়েছে, এর মধ্যে কত টাকা উপযুক্ত উপভোক্তাদের মধ্যে বিলিবন্দেজ করা হয়েছে, তা জানাতে হবে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে বিজেপি।

    পদ্ম শিবিরের অভিযোগ…

    পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, রাজ্য সরকার দরিদ্রদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY) অনুদান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে। আদালতে আবেদনকারী চেয়েছিলেন রাজ্য সরকারকে আদালত যেন ওই অনুদান বিলিবন্দেজ বন্ধ করতে বলে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় প্রকৃত উপভোক্তাদের অনুদান দেওয়ার বদলে তা দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের লোকজনকে। এনিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ মিছিলল করেন বিরোধীরা। এহেন আবহে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। ঘটনার জেরে ব্যাকফুটে পড়ে যায় তৃণমূল। দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাতে এই দুর্নীতির অভিযোগ ছাপ ফেলতে পারে ভেবে তড়িঘড়ি নয় সদস্যের মনিটরিং কমিটি তৈরি করে রাজ্যের পঞ্চায়েত  দফতর।

    আরও পড়ুুন: প্রিয়জনদের অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারবে পাকিস্তানের হিন্দুরা! নয়া নীতি মোদি সরকারের

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY) দুর্নীতির অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাটি করেছেন বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাপতি বিবেক রাঙ্গা। আর এক বিজেপি নেতা দেবজ্যোতি রায় মুর্শিদাবাদের কান্দি পুরসভায় আবাসস দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। সেই মামলায় কান্দি পুরসভার কাছে রিপোর্ট তলব করেছে বেঞ্চ। কান্দি পুরসভা এলাকায় ৬৬টিরও বেশি দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। পুরসভার কাছে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানানো  হলেও, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Suvendu Adhikari: কাঁথির টেন্ডার দুর্নীতি মামলাতেও হাইকোর্টের রক্ষাকবচ পেলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: কাঁথির টেন্ডার দুর্নীতি মামলাতেও হাইকোর্টের রক্ষাকবচ পেলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগের পাঁচটি মামলার মতোই কাঁথির টেন্ডার দুর্নীতি মামলাতেও শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর ‘রক্ষাকবচ’ আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। আগামী ৫ জানুয়ারি টেন্ডার দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি।

    শুভেন্দুর আইনজীবী যা বললেন 

    এদিন মামলার শুনানিতে শুভেন্দুর আইনজীবী বলেন, গত ২৮ নভেম্বর তাঁর মক্কেলের পক্ষে রায় দেওয়া হয়েছিল। অথচ ২৮ নভেম্বর নতুন মামলা হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে। আইনজীবীর অভিযোগ, সেই তথ্য রাজ্য সরকার গোপন করেছে আদালতে। উল্লেখ্য, তাঁর বিরুদ্ধে মোট ২৬টি এফআইআর রয়েছে বিভিন্ন থানায়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী। আদালতে বিরোধী দলনেতার আইনজীবী জানান, এই সমস্ত মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শুভেন্দুবাবুর প্রতি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে কোনও মামলারই কোনও ভিত্তি নেই। অকারণে হেনস্থা করতে পুলিশকে ব্যবহার করতে চাইছে তৃণমূল ও রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুুন: ‘নিম্নমানের, নিম্নরুচির রাজনীতিবিদ’, জয় শ্রীরাম স্লোগান বিতর্কে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    শুভেন্দু মামলায় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার পর্যবেক্ষণ ছিল, শুভেন্দু অধিকারী একটা সময়ে তৃণমূলে ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিরোধী দলেনতা। মানুষের ভোটে নির্বাচিত। ফলে পুলিশ নিজে অথবা অন্য কারও নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলে বিরোধী দলনেতার কাজ স্তব্ধ করার চেষ্টাও করতে পারে। এই ইস্যুতে ২৬টি এফআইআরেই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। স্পষ্ট বলা হয়েছিল, কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন করে আরও কোনও এফআইআর করা যাবে না।  এরপরেও তাঁর নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে দাবি করেন শুভেন্দুর আইনজীবী। যদিও এব্যাপারে নিজের বক্তব্য এদিন জানায়নি রাজ্য সরকার। আগামী ৫ জানুয়ারি মামলাটির শুনানিতে রাজ্যের পক্ষ রাখবেন অ্যাডভোকেট জেনারেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: ‘মুকুল রায় বিরোধী দলনেতা হোন, চেয়েছিলেন মমতা’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘মুকুল রায় বিরোধী দলনেতা হোন, চেয়েছিলেন মমতা’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বোমা ফাটালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবারও তিনি নিশানা করলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের (TMC) সর্বময় কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে  (Mamata Banerjee)। নন্দীগ্রামের বিধায়কের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব পান মুকুল রায়। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জগদীপ ধনখড়কে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলার অনুরোধও করেছিলেন মমতা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, ধনখড় নিজেই একথা জানিয়েছিলেন তাঁকে। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণের আগেই এই অনুরোধ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী।

    শুভেন্দু উবাচ…

    সোমবার হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় এক জনসভায় যোগ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। ওই সভার পরে সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, আমি একটি অকথিত তথ্য বলব। এর পরেই বোমা ফাটান নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তিনি বলেন, উনি(মুখ্যমন্ত্রী) তৎকালীন রাজ্যপাল মহোদয়, বর্তমানে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়কে বলেছিলেন যে আপনি দিল্লিকে বোঝান। মুকুল রায়কে বিরোধী দলনেতা করতে বলুন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ৫ মে শপথ নেন মমতা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, ৩ মে তিনি (মমতা) রাজভবনে গিয়ে ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেই ধনখড়কে একথা বলেন মমতা। শুভেন্দুর আরও দাবি, তিনি বেরিয়ে আসার পরে আমি ও তৎকালীন এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন, যিনি এখন আমাদের দলে নেই, তাঁকে সঙ্গে নিয়ে রাজভবনে যাই। রাজ্যপাল বললেন, অনেক কথার মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা অনুরোধ করে গিয়েছেন-যাতে মুকুল রায়কে বিরোধী দলনেতা করা হয়। সেটা বিজেপি করেনি।

    আরও পড়ুুন: ‘নিম্নমানের, নিম্নরুচির রাজনীতিবিদ’, জয় শ্রীরাম স্লোগান বিতর্কে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, তাই ওঁর (মমতার) অব্যক্ত ব্যথা, বেদনা এবং চুরি আটকে যাওয়ায় মানসিক অবসাদ প্রকাশ করেছেন নজরুল মঞ্চ থেকে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা করতে পারেননি বলেই এত রাগান্বিত বিজেপির প্রতি। তিনি পরবর্তী সময়ে মুকুল রায়কে দলে নিয়ে অন্য খেলা খেলতে চেয়েছিলেন। তাঁকে পিএসি চেয়ারম্যান করেছিলেন। কিন্তু আমি তা হতে দিইনি। তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগে তৎপর হয়েছি আমি।  

    প্রসঙ্গত, বিজেপির টিকিটে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জয়ী হন মুকুল রায়। তার পর এক মাস কাটতে না কাটতেই তৃণমূলে ফিরেছিলেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচন পর্বেও মুকুলের প্রতি নমনীয় ছিলেন তৃণমূল নেত্রী। শুভেন্দুকে নিশানা করতে নানা সভায় মুকুলের সঙ্গে তাঁর তুলনাও টেনেছিলেন তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

      

     

  • Saket Gokhale: ফের গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে, কেন জানেন?

    Saket Gokhale: ফের গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের গ্রেফতার তৃণমূলের (TMC) সর্ব ভারতীয় মুখপাত্র সাকেত গোখলে (Saket Gokhale)। ক্রাউড ফান্ডিংয়ের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে আবারও গ্রেফতার করা হল তাঁকে। চলতি মাসে এ নিয়ে তিনবার গ্রেফতার হলেন সাকেত। গুজরাট পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আহমেদাবাদ পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা গ্রেফতার করেছে সাকেতকে। শুক্রবার দুপুরে তাঁকে নিয়ে আসা হবে আহমেদাবাদে।

    প্রধানমন্ত্রীর নামে…

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) নামে ভুয়ো খবর ছড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সেজন্য জাল করেছিলেন নথিও। অন্তত পুলিশের দাবি ছিল এমনই। তার জেরে গ্রেফতার করা হয়েছিল  তৃণমূলের সর্বভারতীয় মুখপাত্র সাকেত গোখলেকে (Saket Gokhale)। ৬ ডিসেম্বর রাজস্থানের জয়পুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল গুজরাট পুলিশ। প্রসঙ্গত, গুজরাটের মরবি ব্রিজ দুর্ঘটনা নিয়ে সাকেত গোখলের করা একটি ট্যুইটকে ভুয়ো বলে দাবি করে পাল্টা ট্যুইট করে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রেস ইনফর্মেশন ব্যুরো।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভুয়ো অভিযোগ করতে নথি জাল, এই জন্যই গ্রেফতার তৃণমূলের সাকেত

    ট্যুইটে সাকেত দাবি করেছিলেন, মরবি ব্রিজ দুর্ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘটনাস্থলে যাওয়ার খরচ হয়েছিল ৩০ কোটি টাকা। আরটিআই থেকেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি। অথচ এমন কোনও আরটিআই ফাইল হয়নি বলেই দাবি করেছিল গুজরাট সমাচার। সূত্রের খবর, আরটিআইয়ের পুরো বিষয়টিই সাকেত গোখলের বানানো। এই ঘটনায় জামিন পাওয়ার পর ৮ ডিসেম্বর ফের গ্রেফতার করা হয় সাকেতকে। সেবার ভুয়ো খবর ছড়ানোর অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ওই একই মামলা দায়ের হয়েছিল মরবিতে। পরের দিনই জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন সাকেত। এর পর বৃহস্পতিবার ফের গ্রেফতার হলেন তিনি। এবার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ক্রাউড ফান্ডিংয়ের টাকা নয়ছয়ের।

    আরও পড়ুন: ‘মায়ের শূন্যতা পূরণ করা অসম্ভব’, হীরাবেন মোদির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, নেতানেত্রীর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Subrata Saha: প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহা, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর, ছুটি ঘোষণা

    Subrata Saha: প্রয়াত রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহা, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর, ছুটি ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলে গেলেন রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রত সাহা (Subrata Saha)। বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির বিধায়ক ছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুব্রত সাহা। মন্ত্রীর প্রয়াণে এদিন রাজ্যের সব সরকারি দফতরে বেলা দুটোর পর ছুটি ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। 

    সুব্রত সাহা…

    দিন কয়েক আগে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে গলব্লাডার স্টোন অপারেশন হয় সুব্রতর। পরে ফেরেন মুর্শিদাবাদের বাড়িতে। বুধবার আচমকাই আক্রান্ত হন হৃদরোগে। এদিন চিকিৎসার জন্য সকাল ১০টা ৪০ মিনিট নাগাদ তাঁকে ভর্তি করা হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে। সেখানেই বেলা ১১টা নাগাদ প্রয়াত হন সাগরদিঘির (Sagardighi) বিধায়ক।

    আরও পড়ুন: ভুয়ো জব কার্ড আছে প্রায় চার লক্ষ ৯ হাজার! সিবিআই তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    ২০১১ সালে সাগরদিঘির বিধায়ক নির্বাচিত হন সুব্রত সাহা (Subrata Saha)। টানা তিনবার ওই কেন্দ্রের বিধায়ক হন তিনি। এক সময় কংগ্রেস করতেন সুব্রত। পরে দল বদলে যোগ দেন তৃণমূলে। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও উদ্যান পালন দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রত সাহার প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ সকালে বহরমপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদিঘির তিনবারের বিধায়ক সুব্রতবাবু পূর্ত দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি, বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। সুব্রতবাবুর সঙ্গে আমার দীর্ঘ দিনের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। তাঁর রাজনৈতিক এবং সামাজিক অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সুব্রত সাহার (Subrata Saha) প্রয়াণে রাজনৈতিক জগতে এক শূন্যতার সৃষ্টি হল। আমি সুব্রত সাহার পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share