Tag: tmc

tmc

  • OBC Certificate: রাজ্যে তৃণমূল জমানায় দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল! বড় রায় হাইকোর্টের

    OBC Certificate: রাজ্যে তৃণমূল জমানায় দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল! বড় রায় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে ফের বিপাকে রাজ্য। ২০১০ সাল পরবর্তী সময়ে রাজ্যের দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC Certificate) বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এর ফলে বাতিল হতে চলেছে প্রায় ৫ লক্ষ ওবিসি শংসাপত্র। অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি ভুক্তদের সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের তরফে যে শংসাপত্র দেওয়া হয়, তা-ই হল ওবিসি সার্টিফিকেট। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, এই রায় ঘোষণার পর থেকেই বাতিল হওয়া শংসাপত্র আর কোনও চাকরি প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা যাবে না।

    কী বলল হাইকোর্ট

    ওবিসি সংরক্ষণ (OBC Certificate) মামলায় ১৪ বছর পর রায় ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)৷ বুধবার এই রায় ঘোষণা করল বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ৷ বুধবার হাইকোর্টের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ২০১০ পরবর্তী সমস্ত ওবিসি সংরক্ষণ তালিকা বাতিল করা হল৷ ২০১০ সালের আগের নথিভুক্ত ওবিসি তালিকা বহাল থাকছে৷ এতদিন যাঁরা ওবিসি সংরক্ষণ তালিকায় চাকরি পেয়েছেন বা নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই পুরনো সংরক্ষণ তালিকায় চাকরি পাবেন৷ এ ছাড়া নতুন করে সংরক্ষণ তালিকা প্রকাশ করতে হবে৷ মোট কথা, আজ থেকে রাজ্যে ওবিসি বলে আর কিছু থাকল না৷  তবে একই সঙ্গে হাইকোর্ট জানিয়েছে, এই সার্টিফিকেট ব্যবহার যাঁরা ইতিমধ্যে সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন এই রায়ে তাঁদের উপর প্রভাব পড়বে না। ডিভিশন বেঞ্চ বলে, ‘‘এর পর কারা ওবিসি হবেন তা রাজ্যের আইনসভাকে ঠিক করতে হবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস ওয়েলফেয়ার কমিশনকে ওবিসিদের তালিকা নির্ধারণ করতে হবে। যাঁদের নাম আইনসভা অনুমোদন দেবে পরবর্তীকালে তাঁরা ওবিসি বলে গণ্য হবেন।’’

    আরও পড়ুন: লাইসেন্সের জন্য আরটিওতে দিতে হবেনা ড্রাইভিং টেস্ট! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম

    এই রায়ের প্রভাব

    হাইকোর্টের এই নির্দেশের ফলে বাতিল হল প্রায় পাঁচ লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট (OBC Certificate)। এই রায় অনুসারে তৃণমূল জমানায় দেওয়া রাজ্যের সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ২০১০ সালের পরে জারি হওয়া সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করা হবে। ঘটনাচক্রে ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নতুন ওবিসি সংরক্ষণ তালিকা ১৯৯৩ সালের আইন মেনে তৈরি করার পর রাজ্যে তা কার্যকর করা হবে, বলে ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে জানানো হয়েছে৷ কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) বলছে, ২০১০ সালের পরে যে সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট তৈরি করা হয়েছে, সেই সমস্ত শংসাপত্র আইনসম্মতভাবে বানানো হয়নি। তাই ওই শংসাপত্র বাতিল করতে হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Dilip Ghosh: “পতন এসে গিয়েছে, পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে”, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “পতন এসে গিয়েছে, পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে”, মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ষষ্ঠ দফা লোকসভা নির্বাচনের প্রচার জমে উঠেছে। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের প্রচারে ভোটারদের মন জয় করতে ময়দানে নিজের নিজের বক্তব্য তুলে ধরছেন। সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুগলির গোঘাট থেকে একযোগে ভারত সেবাআশ্রম, ইসকন, এবং রামকৃষ্ণ মিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। মিশনের সন্ন্যাসীরা রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ করেন। এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যে প্রচারে আসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ পাল্টা আক্রমণ করেছেন। এবার একই ইস্যুতে রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি মমতাকে বলেন, “পতন এসে গিয়েছে, পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে।”

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)?

    রাজ্যের বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “ভাগবানই তাঁর মুখ দিয়ে বলাচ্ছেন। কারণ সমানেই তাঁর পতন এসে গিয়েছে। প্রথম দফায় ভোট থেকেই মমতা হারতে শুরু করেছে। আমরা ৩০ আসনে জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। দিদিমণি নেমে ১৫ হয়েছেন। আর কত নামবেন জানি না। সিঙ্গেল ডিজিট হয়ে যেতে পারে। প্রত্যেক দফা ভোটের আগে তাঁর কথাবার্তা শুনেই বোঝা যাচ্ছে। তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। আমাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের তাই গালাগাল দিচ্ছেন। আগেও তাঁর দলের কর্মীরা রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতিকে গালগাল দিয়েছেন। ধর্ম প্রতিষ্ঠান এবং সাধু-সন্তদের কুকথা বলেছেন। তাঁর পতনের সময় এসে গিয়েছে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ রামকৃষ্ণ মিশনের জমি সিল করল পুলিশ, হামলার নেপথ্যে কেজিএফ গ্যাং যোগ!

    আর কী বললেন?

    নির্বাচনী প্রচার সম্পর্কে মমতাকে আক্রমণ করে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “লোকসভার ভোটে সমস্ত কিছুর প্রতিফলন হবে। প্রত্যেক বাঙালি আগে হিন্দু তারপর সে বাঙালি। মমতার মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। কাকে কী বলছেন, ঠিক নেই। কট্টর মৌলবীদের দিয়ে রাজনীতি করাতে পারেন, একসঙ্গে নামাজ পড়ে ভোট নিতে পারেন। আর আমাদের সাধু সন্ন্যাসীদের রাজনীতি কি সংবিধানে নিষেধ আছে? আজকে বাংলায় হিন্দু সমাজ বিপদে। হিন্দু সমাজের মহিলারাও বিপদে। এ কথা সাধুরা কি বলবেন না? সাধুরা সর্বস্ব ছেড়েছেন ধর্ম রক্ষার জন্য। সমাজ রক্ষার জন্য বলতেই পারেন।”      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “যত অত্যাচার করবেন, বিজেপি ততই শুভেন্দুদাকে বড় নেতা বানাবে”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “যত অত্যাচার করবেন, বিজেপি ততই শুভেন্দুদাকে বড় নেতা বানাবে”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কাঁথি লোকসভার বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর সমর্থনে সভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । ওই মঞ্চে দেখা গিয়েছে বিদায়ী সাংসদ, শুভেন্দু-সৌমেন্দুর বাবা শিশির অধিকারীকে। সভার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানা ইস্যুতে মমতাকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাংলায় ৪২টি লোকসভা আসনের ৩০টিতে বিজেপি জয় পেলেই তৃণমূল খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাবে। আর মোদি সোনার বাংলা তৈরি করবে।

    শুভেন্দুর বাড়়িতে পুলিশি হানা নিয়ে সরব শাহ (Amit Shah)

    এদিন সভায় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “কাল এখানে ‘ল্যান্ড’ করতেই একটা এসএমএস পেলাম। জানলাম শুভেন্দুদার বাড়িতে পুলিশ ‘রেড’ করেছে।” মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আরে মমতাদিদি, আমরা বিজেপির লোকজন আপনার পুলিশকে ভয় পাই না। আপনার মন্ত্রীর বাড়িতে রেড হলে ৫১ কোটি টাকা মেলে। আর শুভেন্দুদার বাড়িতে রেড হয়েছে। চার আনাও পাননি মমতা।” তারপর হুঁশিয়ারি দেওয়ার সুরে শাহের সংযোজন, “আজ কাঁথিতে দাঁড়িয়ে বলে গেলাম, বাংলায় যদিও বা এক-দুটো আসন পেতেন, এই পুলিশি অত্যাচার জারি থাকলে তা-ও পাবে না তৃণমূল।” তিনি আরও বলেন, “মমতাদিদি শুভেন্দুদার ওপর যত অত্যাচার করবেন, বিজেপি ততই শুভেন্দুদাকে বড় নেতা বানাবে।”

    আরও পড়ুন: আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু-হিরণ, কোলাঘাটকাণ্ডের কথা জানানো হল শাহকেও

    মমতার ভোটব্যাঙ্ক অনুপ্রবেশকারীরা

    এদিন জনসভায় ভিড় উপচে পড়ে। শুভেন্দুর বাড়িতে পুলিশি হানার পাশাপাশি তৃণমূলের দুর্নীতি ইস্যুতে মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন সভা থেকে তিনি (Amit Shah) বলেন, মমতার ভোটব্যাঙ্ক অনুপ্রবেশকারীরা। পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই হবে। ছিল, আছে, থাকবে। আমরা নিয়েই ছাড়ব। আবার ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে বাংলার শাসকদল অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শাহ। তিনি একে ‘পাপ’ বলে মন্তব্য করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলায় সিএএ হবেই। আবার দুর্নীতি ইস্যুতে মমতার সরকারকে নিশানা করে শাহের সংযোজন, “এই মাফিয়াদের খুঁজে খুঁজে উল্টো করে ঝুলিয়ে সিধে করে দেওয়ার কাজ বিজেপি করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: গভীর রাতে হিরণের সেক্রেটারির বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি, প্রতিহিংসার রাজনীতি?

    Lok Sabha Election 2024: গভীর রাতে হিরণের সেক্রেটারির বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি, প্রতিহিংসার রাজনীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) ভোটের মধ্যেই গভীর রাতে হিরণের সেক্রেটারির বাড়িতে হঠাৎ পুলিশ। আরও তিন বিজেপি নেতার বাড়িতে চলল রাতভর তল্লাশি। গতকাল মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে ভোর পর্যন্ত চলেছিল এই পুলিশের অভিযান। আবার একই দিনে কোলাঘাটে শুভেন্দুর ভাড়া বাড়িতে চলে পুলিশের হানা। সেখানে উপস্থিত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের চলে ধস্তাধস্তি। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অবশ্য বিজেপির দাবি তৃণমূল প্রতি হিংসার রাজনীতি করছে।

    খড়্গপুর তালবাগিচায় তল্লাশি (Lok Sabha Election 2024)

    মঙ্গলবার রাতের বেলা খড়্গপুর তালবাগিচায় তমোঘ্নর বাড়িতে হানাদেয় ঘাটাল ও খড়্গপুর তালবাগিচায় লোকাল থানার পুলিশ। লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) প্রার্থী হিরণ অবশ্য দাবি করেছেন, একই সঙ্গে কেশপুরের আরও এক বিজেপি নেতা এবং মেদিনীপুরের বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষের বাড়িতেও পুলিশ হানা দেয়। তবে বিজেপি প্রার্থীর সেক্রেটারি এবং বিজেপি নেতার বাড়িতে কেন অভিজান? তা নিয়ে পুলিশ কিছুই জানায়নি। যদিও হিরণের একটি প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে পুলিশ বলছেন, কোনও এক প্রতারণার মামলার তদন্তে এই তল্লাশি অভিযান।

    সেক্রেটারির পরিবারের দাবি

    বিজেপি প্রার্থী হিরণের (Lok Sabha Election 2024) সেক্রেটারির পরিবার থেকে তমোঘ্ন দে-র মা রেখা দে জানিয়েছেন, “রাতে এসে পুলিশ ডাকাডাকি করে। রাত তখন ৩টে বাজে। কিন্তু আমি অসুস্থ অবস্থায় দারজা না খুললে দরজায় লাথি মারে। তারপর ভয়ে দরজা খুলি, কিন্তু কোনও কিছু না বলে সোজা ঢুকে পরে পুলিশ। তবে কী কারণে পুলিশের এই অভিযান এই বিষয়ে পুলিশ কিছুই বলতে চায়নি।”

    হিরণের বক্তব্য

    ঘাঁটাল লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমার একাধিক আপ্ত সহায়ক রয়েছেন। তাঁদের একজনকে এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। এমন কী আমার পিএকে আই লাভ ইউ মেসেজ পাঠিয়েছেন তিনি। তবে দেবের পিএ গুজরাটে সোনা চুরি করেছে। আশা কর্মীকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে, তাঁকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করছে না।”

    আরও পড়ুনঃআশ্রম ভেঙে দেওয়ার হুমকি! হাইকোর্টে নিরাপত্তার আর্জি কার্তিক মহারাজের

    একই ভাবে মেদিনীপুর শহরের মিরবাজারের বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষের বাড়িতেও হানা দেয় পুলিশ। তবে গতকাল বাড়িতে ছিলেন না এই বিজেপি নেতা। তাঁর স্ত্রী রীণা ঘোষের দাবি, “স্বামী বাড়িতে নেই জানা সত্ত্বেও ভোর পর্যন্ত এলাকাতেই ঘোরাঘুরি করছিল পুলিশ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: “অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে”, কড়া বার্তা হিমন্তের

    Himanta Biswa Sarma: “অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে”, কড়া বার্তা হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনা মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইতের সমর্থনে চুটিয়ে প্রচার করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে তিনি তৃণমূলকে তুলোধনা করেন। অসমের সঙ্গে রাজ্যের অবস্থার তিনি তুলনা করেন। পাশাপাশি দেশে আবারও মোদি সরকার ফিরে আসবেন বলে তিনি জানান।

    অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে (Himanta Biswa Sarma)

    চলতি বছরের প্রথমেই সন্দেশখালিতে ইডির ওপর শেখ শাহজাহান বাহিনীর হামলার ঘটনা সামনে আসতেই রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে অত্যাচারের ঘটনা সামনে আসে। মঙ্গলবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপ রামগোপালপুর হরেন্দ্র নগরে মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইতের সমর্থনে এক প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, আমি সন্দেশখালিতে গিয়েছিলাম। দেখলাম সন্দেশখালি মা বোনদের ওপর কীভাবে শেখ শাহজাহান অত্যাচার করেছেন। পশ্চিমবাংলা বলে দিদির প্রশ্রয়ে এই কাজ করতে পেরেছেন। এটা অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি জানিয়েছেন, আপনাদের ভোট দিদির দরকার নেই, দিদির দরকার শাহজাহানের ভোট। তাই, শাহজাহানকে তিনি এতদিন ছেড়ে রেখেছিলেন। একইসঙ্গে অসমের সঙ্গে বাংলার পেট্রোল-ডিজেলের দামের তুলনা করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা নিয়ে সরব

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma) এদিন বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার যদি ৪০০ আসন নিয়ে লোকসভাতে আসতে পারেন তাহলে ভারতের যে দুটি অংশ পাকিস্তানে আছে, সেই দুটি তিনি ফিরিয়ে আনবেন। এছাড়া রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রাজ্যের যে সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আছে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে  হামলা, মহারাজদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে আক্রমণ করেছেন এটা মেনে নেওয়া যায় না। শাসক দলের পাপ পূর্ণ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: সুভাষবাবু ভোট চাইতে আসলে গাছে বেঁধে রাখুন, বিস্ফোরক অভিষেক

    Abhishek Banerjee: সুভাষবাবু ভোট চাইতে আসলে গাছে বেঁধে রাখুন, বিস্ফোরক অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে ভোটের প্রচারে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি এদিন নির্বাচনী প্রচার সভা করেন শালতোড়ায়। এরপর বিজপির প্রার্থী সুভাষ সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানি মূলক ভাষণ দেন। তিনি প্রকাশ্য সভায় বলেন, “সুভাষবাবু যখন ভোট চাইতে আসবেন সেই সময় গাছে বেঁধে জিজ্ঞাসা করুন, আপনার দলের সদস্য বলেছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করতে চায়। আপনার অবস্থান কী? আমি বলব তাঁকে শৌচালয় পরিষ্কার রান।” উল্লেখ্য এই তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন অরূপ চক্রবর্তী। সুভাষ সরকার অবশ্য ২০১৯ সালে বাঁকুড়া কেন্দ্রে জয়ী হয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হয়ে ছিলেন।

    কী বললেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

    এদিন ভোটের প্রচারে এসে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বিজেপিকে হুমকি দিয়ে বলেন, “সুভাষ সরকারকে বলুন রিপোর্ট কার্ড আনতে। তিনি কী করছেন? আমাদের সরকার কী করছে? বিজেপির সাংসদ কি বাঁকুড়ার জন্য একটাও ব্লকে বৈঠক করেছেন? মানুষের ১০০ দিনের কাজের জন্য কি দিল্লিতে চিঠি লিখেছেন। পাঁচ বছরের টানা সাংসদ ছিলেন। মাত্র পাঁচ সপ্তাহের জন্য সময়দেননি। যেই ভোট ঘোষণা হয়েছে পায়ের জুতো পালিশ করছেন, আবার লোকের গায়ে সাবান মাখিয়ে দিচ্ছেন। আমি বলব তাঁকে শৌচালয় পরিষ্কার করান। আপনাদের পাঁচ বছর ঠকিয়েছে আপনারাও তাঁদের ঠকান।”

    আর কী বললেন?

    এদিন নির্বাচনের প্রচারে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) আরও বলেন, “আমি বলছি বিজেপির নেতা কর্মীরা ভোট চাইতে গেলে গাছে বেঁধে রাখবেন। মারবেন না। শুধু বেঁধে রাখবেন। ২০২১-এ বাংলায় হারার পর ১০ পয়সা আবাসের বাড়ির জন্য রাজ্যকে দেয়নি। যদি প্রমাণ করতে পারে টাকা দিয়েছে আমি রাজনীতির আঙিনায় পা রাখব না। কানে শুনে নয়, চোখ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ১০ বছর আগে মাওবাদী হামলা, সন্ত্রাস, সিপিএমের খুনোখুনি রাজনীতি চলত। মানুষ জল পেত না, আমাদের সরকার জল এনে দিয়েছে। তৃণমূলকে ভোট দেননি এমন ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হিন্দু-মুসলিম সকলের ভোটে জয়ী হবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বার্তা শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার! মালদায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার

    Malda: ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার! মালদায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুলহর নদী থেকে বালি খনন করা হচ্ছে। প্রায় ৮-১০ ফিট গর্ত করে বালি খনন করা হচ্ছে। এর ফলে নদীর ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। পাশেই রয়েছে আর্সেনিক জলের প্লান্ট এবং নদী বাঁধ। দুটোই ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) রতুয়ার কাহালা গ্রাম পঞ্চায়েতের শিবপুর ঘাটে। আর এই কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে রাজু সিংহ নামে এক তৃণমূল নেতার।

    বালির ট্রলি পিছু ১০০ টাকা ভাগ তৃণমূল নেতার (Malda)

    জানা যাচ্ছে, রাজু সিংহ নামে ওই তৃণমূল নেতা রতুয়া-১ ব্লক (Malda) তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন। মূলত তাঁর মদতেই নদীর বুক থেকে খনন করা হচ্ছিল বালি। সেই বালি ট্র্যাক্টরে বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্র। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “বিগত কয়েকদিন ধরে ফুলহর নদী থেকে বালি খনন করা হচ্ছে। এর ফলে নদীর ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। তৃণমূল নেতা রাজু সিংহ ট্রলি পিছু ১০০ টাকা করে নিচ্ছেন। তৃণমূলের মদত থাকার কারণে প্রশাসন কিছু করে না।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার সাফাই

    অভিযোগ অস্বীকার করে রতুয়া-১ ব্লক (Malda) তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাজু সিংহ বলেন, “আমাদের কাহালা আসুটোলা থেকে বাহারাল পর্যন্ত তিন কিলোমিটার পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। ফুলহর নদী সংলগ্ন এলাকায় জমিতে প্রচুর পরিমাণে বালি জমে যায়। এর ফলে জমির মালিকরা চাষবাস করতে পারে না। সেই জমির ওপরের বালি অংশটা তাঁদেরকে কেটে ফেলতে হয়। এই পথশ্রী প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার জমির মালিকের কাছে ন্যায্যমূল্য এবং সরকারি খাজনা কেটে বালি কিনে নিচ্ছেন। আর আমি কোনও টাকা নিইনি। এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ।”

    বালি তোলার জন্য কেউ আবেদন করেনি

    রতুয়া-১ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক সৌমিত্র কুমার বলেন, “মাটি কাটার পূর্বে নির্ধারিত একদিন আগে ভূমি ও ভূমি দফতরে আবেদন করতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে জমির মালিকের সম্মতিপত্র এবং যেখান থেকে মাটি তোলা হবে এবং যেখানে মাটি ফেলা হবে উক্ত জমির কাগজপত্র। এখন অনলাইনের মাধ্যমে চালান কাটতে হয়। তবে আমাদের কাছে বালি কাটার জন্য কাহালা অঞ্চল থেকে কোনও আবেদন জম পড়েনি। নদী, ব্রিজ এবং বাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে কোনওমতেই বালি এবং মাটি খনন করা যাবে না। এটা আইনত অপরাধ। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হিন্দু-মুসলিম সকলের ভোটে জয়ী হবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হিন্দু-মুসলিম সকলের ভোটে জয়ী হবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ২৫ মে ষষ্ঠ দফা নির্বাচন। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার। এই জেলার তমলুক কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এই তৃণমূল শাসনের শিক্ষক দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি নিয়ে যুগান্তকারী রায় দিয়েছিলেন। তাঁর নির্দেশে একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক গ্রেফতার হয়েছেন। বিজেপিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রার্থী করে বিরাট চমক দিয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সমর্থনে নন্দীগ্রামে সভা করেন। সেখানে তিনি বলেন, “আমি চাইব কেবলমাত্র সনাতন হিন্দুদের সমর্থনে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, নন্দীগ্রাম থেকে লিড পাবেন তা নয়, সবার ভোট পাবেন।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামে এদিন লোকসভার প্রচার অভিযানে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভুল বুঝিয়েছিল বলে আমি আপনাদের ভোট পাইনি। বুথগুলি আমি হিসেব করেছিলাম, ২০২১ সালে ৪০০–র মত রাষ্ট্রবাদী মুসলমান পেয়েছিলাম। বাম প্রার্থী পেয়েছিলেন ১২০০ ভোট। আর এলাকায় ভয়, সন্ত্রাস দেখিয়ে গায়ের জোরে এবং মিথ্যা কথা বলে বাকিটা পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে অবশ্য মমতার মিথ্যা কথাগুলি ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। মোদি জি বাংলাকে রামরাজ্য করতে চাইছেন। রামরাজ্য মনে মাথার উপর ছাদ। এই রাজ্যে ৪০ লক্ষ বাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ সুফিয়ানের বড় বড় বাড়ি থাকলেও, সাধারণ মানুষের বাড়ি নেই। কেন্দ্র সরকার ফ্রিতে মানুষকে রেশন দিচ্ছে। এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে ৩০০০ করে টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হবে। বগটুই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হবে। ভোটের জন্য সংখ্যা লঘুদের ব্যবহার করেন মমতা।”

    আরও পড়ুনঃ কমিশনে মমতাকে নিয়ে মন্তব্যের শোকজের জবাব দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    সিএএ নিয়ে মিথ্যা প্রচার

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari), মমতাকে এদিন প্রচার সভা থেকে তোপ দেগে বলেন, “নন্দীগ্রামে অপপ্রচার করে ভোট পেয়ছেন মমতা। মমতা সর্বত্র মিথ্যা কথা বলে ভুল প্রচার করেছিলেন। বিজেপির শাসিত রাজ্যগুলিতে মানুষের ধর্মা চরণে বাধা নেই। তৃণমূল সরকার অসত্য কথা বলে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। চুরির লাইসেন্স পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সিএএ-এনআরসি নিয়ে অপপ্রচার করছে তৃণমূল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল, দাদাগিরি তৃণমূলের!

    Mithun Chakraborty: অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল, দাদাগিরি তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পলের সমর্থনে রোড শো করছিলেন মিঠুন। আর সেই প্রচারে বেরিয়ে (Mithun Chakraborty) কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। অভিযোগ, আচমকাই  বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে ইট-বোতল ছোড়া হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের সামনেই তৃণমূলের লোকজন হামলা চালিয়েছে বলে বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ করে। একইসঙ্গে বিজেপির দাবি, তৃণমূলের লোকজন পরিকল্পিতভাবে মিছিলে হামলা চালিয়েছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে চায়নি রাজ্যের শাসকদল।

    অগ্নিমিত্রার সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে ছোড়া হল ইট-বোতল (Mithun Chakraborty)

    মঙ্গলবার হুড খোলা গাড়িতে মেদিনীপুর শহরে প্রচার করছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । পাশে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। জানা গিয়েছে, ভালোভাবেই চলছিল রোড শো। তার মাঝেই ঘটল বিপত্তি। রোড শো ঘিরে আচমকাই উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপি কর্মী- সমর্থকদের অভিযোগ, যে রাস্তা দিয়ে রোড শো হওয়ার কথা ছিল সেই সময় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা মিঠুনকে উদ্দেশ্য করে কিছু ব্যানার-পোস্টার লিখে এনেছিলেন। সেই বিষয়টি নিয়ে বচসা বাধে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে। পুলিশের সামনেই মিছিলে ইট, প্লাস্টিকের জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ইট ছোড়া হয় মিঠুন চক্রবর্তীকে লক্ষ্য করে। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পুলিশের সামনেই তৃণমূলের হামলা,সরব বিজেপি

    পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে গাড়ি থেকে অগ্নিমিত্রা আবেদন জানান, বোতল ছুড়বেন না। যদিও এই আবেদনে কোনও লাভ হয়নি। এদিকে মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) বাঁচাতে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা শিল্ড ব্যবহার করেন। কোনওক্রমে রক্ষা পান মিঠুন-অগ্নিমিত্রা। পুলিশের সামনেই তৃণমূল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মিছিলে যোগদানকারী বিজেপি কর্মীরা। অন্যদিকে, এদিন সকালে যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্যের মিছিলেও হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে গড়িয়া এলাকায় হুডখোলা গাড়ি চেপে প্রচারে বেরিয়েছিলেন সৃজন। পিছনে অটো-বাইকে ছিলেন বাম কর্মী-সমর্থকেরা। পঞ্চসায়র থানা এলাকায় মিছিল পৌঁছতেই সৃজনের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arjun Singh: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম দফার ভোট শেষ হতেই রক্ত ঝরল ভাটপাড়ায়। ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত হলেন তিনজন বিজেপি কর্মী। সোমবার ভোট শেষ হতে না হতেই বিজেপির বুথ কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়া পুরসভার এলাকায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh)। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের তিনি দেখতে যান। হামলার বিষয় নিয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arjun Singh)

    ভাটপাড়া পুরসভায় অধিকাংশ সংখ্যালঘু এলাকায় এজেন্ট দিয়েছিল বিজেপি। ভোট পর্ব শেষ হবার পরেই ভাটপাড়ার ১৬ নম্বর ওয়ার্ড, ২২ নম্বর ওয়ার্ড, ৯ নম্বর ওয়ার্ড এই তিনটি ওয়ার্ডের বিজেপির বুথ কর্মীকে ভোট শেষ হওয়ার পরই তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে। এমনটাই অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের। সামসুদ্দিন আনসারি নামে বিজেপির  এক বুথ কর্মীকে রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। ফিরোজ আলম আনসারি নামে এক বিজেপি বুথ কর্মী  বলেন, ভোট শেষ হওয়ার পর আমরা পাড়াতেই বসেছিলাম। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করছিলাম। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী এসে হামলা চালায়। ঘটনার পর পরই অর্জুন সিং (Arjun Singh) আক্রান্ত কর্মীদের দেখা করেন। সামসুদ্দিন আনসারিকে নিজে উদ্যোগী হয়ে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত, সপ্তাহভর বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, এই লোকসভায় তৃণমূল হারছে। পার্থ ভৌমিক সেটা বুঝতে পেরেছেন, তা থেকেই ওরা এই হামলা চালিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি বলিয়েছি। অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে। এই ঘটনা প্রমাণ করে তৃণমূল দলেই গুন্ডা রয়েছে। যদিও সমস্ত বিষয় অস্বীকার করে ভাটপাড়া তৃণমূল টাউন সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ। তিনি বলেন,তৃণমূল  এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করে না। যদিও এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে, প্রশাসন ঠিক ব্যবস্থা নেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share