Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Balurghat: “দলীয় প্রার্থীকে হারাতে জেলা নেতাদের আঁতাত”, বিস্ফোরক তৃণমূলের জেলা সভাপতি

    Balurghat: “দলীয় প্রার্থীকে হারাতে জেলা নেতাদের আঁতাত”, বিস্ফোরক তৃণমূলের জেলা সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র খেয়োখেয়ির জন্যই বালুরঘাট আসন হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। কারণ, একজন পূর্ণমন্ত্রী, তিন বিধায়ক, জেলা পরিষদ ও তিনটি পুরসভা তৃণমূলের দখলে। তারপরেও সংগঠনের পূর্ণশক্তি ব্যবহার করতে না পারায় বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা আসনে শাসকদলকে টেক্কা দিয়েছে বিজেপি। এমনই মত তৃণমূলের একাংশের।

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে তৃণমূলের হার! (Balurghat)

    বালুরঘাটে (Balurghat) তৃণমূলের হারের জন্য, সেই বহুচর্চিত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথাই উঠে আসছে বার বার। সঙ্গে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সংগঠনের হাল নিয়েও। সেটা অবশ্য নতুন নয়। কিন্তু, যেভাবে এবার ভোটের আগে বারবার বিভিন্ন কমিটিতে বদল করা হয়েছে এবং সেই আকচাআকচি কলকাতায় রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল, সেটা ভালো চোখে দেখেননি ভোটাররা। তার ফলই তৃণমূলকে ভুগতে হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। জেলার ছয়টি বিধানসভার মধ্যে হরিরামপুর, কুমারগঞ্জ ও কুশমণ্ডি বিধানসভায় তৃণমূলের লিড ছিল ৩৭ হাজার ৮১৬। অন্যদিকে, বিজেপি বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর ও তপন বিধানসভায় লিড পেয়েছে ৭৮ হাজার ২৫৮। জেলার নিরিখে তৃণমূলের থেকে ৪০ হাজার ৪৪২ ভোট বেশি পেয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    বামের ভোট রামে!

    ২০২১সালে তিনজন বিধায়ক পেয়েছে তৃণমূল। তারমধ্যে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন বিপ্লব মিত্র। ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনে বালুরঘাট (Balurghat) ও গঙ্গারামপুর পুরসভা নিজেদের দখলে ধরে রাখে শাসক দল। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ বিরোধীশূন্য করে দখল করেছিল তারা। জেলার আটটি পঞ্চায়েত সমিতি ও ৫৪ টি গ্রাম পঞ্চায়েতও তৃণমূলের দখলে রয়েছে। একচ্ছত্র আধিপত্যের পরও লোকসভায় খালি হাতে ফেরার পর প্রশ্নের মুখে জেলা নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূল আবার নিজেদের সাংগঠনিক অক্ষমতা ঢাকতে বামের ভোট রামে যাওয়ার তত্ত্ব সামনে আনছে। ২০১৯ সালে লোকসভায় বামপ্রার্থী এক লক্ষ বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পেলেও এবার তারা ৫০ হাজারে নেমেছে। ফলে, সেই যুক্তিও ধোপে টেকে না।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়ালও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব খাড়া করেছেন। তিনি বলেন , ২০২৩ সালের নভেম্বরে জেলা সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পরই জেলা কমিটির একাংশ বিরোধিতা শুরু করেন। লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হতেই প্রার্থীকে হারাতে জেলা কমিটির সদস্যদের মধ্যে অশুভ আঁতাত হয়েছে। আমরা বুঝতে পারলেও নির্বাচন চলায় ব্যবস্থা নিতে পারিনি। আমাদের তিনটি পুরসভা, জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতি দখলে থাকলেও এই রেজাল্টে অবাক হয়েছি।

    তৃণমূল থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে

    জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, নিজেদের সংগঠনের দুর্বলতাকেই সামনে আনছে তৃণমূল। নিজেদের মধ্যেই দ্বন্দ্ব রয়েছে তাদের। পুরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে চুরি করে ভোটে জিতেছিল। সেজন্যই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। জেলায় রাজ্য সরকার উন্নয়ন করেনি। মেডিক্যাল কলেজ না হওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে সাধারণ মানুষের।

    তৃণমূলের ভোট গিয়েছে বিজেপিতে!

    সিপিএম এরিয়া কমিটির সদস্য অচিন্ত্য চক্রবর্তী বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পর আমাদের ভোট কমেছে। কেন সেটা হয়েছে তার পর্যালোচনা করব। সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়টি খতিয়ে দেখব। তৃণমূল যে তত্ত্ব সামনে আনছে, তা ভিত্তিহীন। উল্টে পুরসভা, শহরগুলিতে তৃণমূলের ভোট বিজেপিতে গিয়েছে, সেটা নিশ্চিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    Udayan Guha: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিককে প্রায় ৩৯ হাজার ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জগদীশ চন্দ্র  বসুনিয়া। বিপুল পরিমাণ ভোটে জয়লাভ করার পরও কোচবিহারের শহরের ভোটে গো হারা হেরেছে তৃণমূল। বলা যেতে পারে, সব শহরে ছক্কা হাঁকিয়েছে বিজেপি। শহরের ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামায় বেজায় চটেছেন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)।

    বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন (Udayan Guha)

    বৃহস্পতিবার মাথাভাঙা শহরে তৃণমূলের জয়ী সংসদ জগদীশ চন্দ্র বসুনিয়ার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শহরের ভোটে দলের ভরাডুবি নিয়ে এবার মুখ খুললেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। তিনি বলেন, শহরের মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তৃণমূল সব শহরে হেরেছে, আর তাই আমার দফতরের সব বরাদ্দ বন্ধ। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর থেকে কোনও বরাদ্দ করিনি মাথাভাঙা, দিনহাটা ও কোচবিহার শহরের জন্য। শহরের মানুষেরা গ্রামের মানুষের থেকে বেশি বুদ্ধিমান, বেশি চালাক। কিন্তু, আমি মাথাভাঙা ১ ব্লকের জন্য চার কোটি টাকা। মাথা ভাঙা ২ ব্লকের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে এসেছি। মাথাভাঙা শহরের জন্য এক টাকাও দিইনি। শুধু মাথাভাঙা শহর নয়, আমার নিজের দিনহাটা শহরের জন্য কোনও টাকা বরাদ্দ করিনি। কোচবিহার শহরের জন্যও এক টাকাও বরাদ্দ করিনি। তিনি আরও বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেওয়ার বিষয়েও সরকারকে জানানো হবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের বক্তব্য, একজন মন্ত্রীর মুখে এই ধরনের মন্তব্য মানায় না। বিরোধী দলকে ভোট দিলে সেখানে উন্নয়ন করা হবে না, এটা তৃণমূল দল বলেই সম্ভব। মন্ত্রীর বক্তব্যেই স্পষ্ট তৃণমূল কতটা প্রতিহিংসাপরায়ণ দল। তবে, তৃণমূল যত এরকম দ্বিচারিতা করবে, তত মানুষ ওদের থেকে সরে যাবে। এবার শহরের মানুষ মুখ ফিরিয়েছেন। আগামীদিনে গ্রামের মানুষও এই একই পথে হাঁটবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি! ঘোলা জল পরিষেবায় অভিযুক্ত বালুরঘাটের তৃণমূল পুরবোর্ড

    Balurghat: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি! ঘোলা জল পরিষেবায় অভিযুক্ত বালুরঘাটের তৃণমূল পুরবোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে গঙ্গারামপুর শহরে। তাই, জল, আলো বন্ধ করে পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। এনিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় এনিয়ে মহকুমা প্রশাসনের কাছে অভিযোগও জানিয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বালুরঘাট (Balurghat) শহরেও বেশ কয়েকদিন ধরে ঘোলা জল বের হচ্ছে। এতেই গঙ্গারামপুরের মতো বালুরঘাটেও রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি। ঘোলা জলের পরিষেবায় ক্ষুব্ধ শহরবাসীও।

    ঘোলা পানীয় জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে অনেকে! (Balurghat)

    ঘোলা পানীয় জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে। বিজেপির ধারণা, ভোটে এই শহরেও পিছিয়ে থাকার জন্য শহরবাসীকে ‘শিক্ষা’ দিচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা। এবারের ভোটে বালুরঘাট সহ জেলার তিনটি পুরসভাতেই ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। শহরে পিছিয়ে যাওয়ার কারণেই সামান্য ব্যবধানে হার হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর। বালুরঘাট পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ড। পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ডে তৃণমূলের থেকে ২৫০০০ বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তারজন্যই কি ঘোলা জল পরিষেবা সরবরাহ করে শহরবাসীকে শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে তৃণমূল? প্রশ্নটা কিন্তু এখন শুধু বিরোধী শিবিরেই আটকে নেই, ছড়িয়ে পড়েছে তিন শহরজুড়েই।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির (BJP) বালুরঘাট শহরের সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত বলেন, “বাড়ি বাড়ি পানীয় জল যেভাবে দেওয়া হয় তা অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক। কোনওভাবেই ঘোলা বা নিম্নমানের জল যাওয়ার কথা নয়। কিন্তু, শহরে এমন ঘোলা জল সরবরাহ করে তৃণমূল তাদের রাগ মেটাতে চাইছে। গঙ্গারামপুর পুরসভার তৃণমূল প্রার্থীর চেয়ারম্যানের ভাই সেখানে যা কাণ্ড দেখাচ্ছেন,হয়তো তা দেখে পিছিয়ে থাকতে চাইছেন না বালুরঘাটের পুরপ্রধানও। আমরা তো রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছি।”

    বালুরঘাটের পুরপ্রধান কী বললেন?

    বালুরঘাটের (Balurghat) পুরপ্রধান অশোক মিত্র অবশ্য এতে কোনও রহস্য বা রাজনীতি নেই বলেই দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘তিনদিন ধরে ঘোলা জল এলেও আজ তা স্বাভাবিক হয়েছে। আসলে আত্রেয়ী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। তাই যে পরিমাণ জল ওভারহেড ট্যাংকে তোলা রয়েছে সেখানে ক্লোরিন ও অন্যান্য ওষুধের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হয়েছে। আমাদের বিশেষজ্ঞরা মানুষের শরীরের কথা ভেবে এই বিষয়গুলি দেখেন। এর ফলেই এই জল ঘোলা হয়েছে। এই জল যেমন অস্বাস্থ্যকর নয়, তেমনই এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baranagar: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    Baranagar: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দুর হাত ধরে ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দেন বিশেষভাবে সক্ষম এক ক্রিকেটার। নাম কমল সরকার। এবার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার মাশুল গুনতে হল তাঁকে। রাস্তার মধ্যে প্রকাশ্যে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। ভোট পরবর্তী হিংসার এই ঘটনাটি ঘটেছে বরানগর (Baranagar) পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নর্দান পার্ক এলাকায়। এই ঘটনার পর আক্রান্ত বিজেপি কর্মী বরানগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক কর্তা বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    বাড়ি ফেরার পথে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা! (Baranagar)  

    কমলবাবু জাতীয় স্তরের ক্রিকেট খেলেন। ভোটের কিছুদিন আগেই বরানগরে বিজেপির একটি জনসভায় তিনি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন। তারপর থেকে তৃণমূলের ছেলেরা তাঁকে হেনস্থা করার চেষ্টা করত বলে অভিযোগ। তবে, বিষয়টিকে তিনি গুরুত্ব দেননি। বুধবার রাতে তিনি বাড়ি ফেরার সময় ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর শান্তনু মজুমদারের নেতৃত্বে তাঁর ওপর হামলা হয়। কমলবাবু বলেন, তৃণমূল কাউন্সিলরের সঙ্গে আরও একজন ছিল। রাতে বাড়ি ফেরার সময় ওরা আমার রাস্তা আটকায়। মদ্যপ অবস্থায় ছিল বলে আমি চলে যেতে চাইছিলাম। এরপরই তাঁরা গালিগালাজ করতে থাকে। আমি প্রতিবাদ করলে কাউন্সিলরই আমার ওপর হামলা চালায়। আমার গালে জোরে থাপ্পড় মেরেছে। আমার কানেও লেগেছে। প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের দিন বরানগর (Baranagar) বিধানসভা উপ নির্বাচনের বামফ্রন্ট প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্যের সঙ্গে ঝামেলা জড়িয়ে পড়েছিলেন এই কাউন্সিলর। তন্ময়বাবুর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ ছিল তৃণমূলের ওই কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বিজেপির ওই কর্মীর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠল।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় এই এলাকায় বহু বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। এবার একজন বিশেষভাবে সক্ষম ক্রিকেট খেলোয়াড়ের গায়ে হাত তুলতে পিছপা হলেন না তৃণমূলের লোকজন। আমরা হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর শান্তনু মজুমদারের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বরানগর (Baranagar)  পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল অঞ্জন পাল বলেন, ” বিষয়টি আমার জানা নেই। এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। এটুক বলতে পারি, যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে অন্যায় হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: “ইভিএম বদল হয়েছে, যতদূর যেতে হয় যাব”, বিস্ফোরক নিশীথ প্রামাণিক

    Nisith Pramanik: “ইভিএম বদল হয়েছে, যতদূর যেতে হয় যাব”, বিস্ফোরক নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে পরাজিত হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। তৃণমূলের জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার কাছে প্রায় ৩৯ হাজার ২৫০ ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি। ভোটে হেরে যাওয়ার পর এবার মুখ খুললেন বিজেপি প্রার্থী। হারের জন্য ইভিএম বদলের কথাও বললেন তিনি।

    ঠিক কী বললেন বিজেপি প্রার্থী? (Nisith Pramanik)

    ভোটের ফল বের হওয়ার পর নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “ভোট হয়ে যাওয়ার পর ইভিএম মেশিন সিল করা হয়েছিল। গালা সিল করে লক করা হয়। পরবর্তী সময় সেই ইভিএমের নম্বর কীভাবে বদলে যায়? এটা আমার অভিযোগ নয়, গণনা কেন্দ্রে আমাদের দলের যে সব কাউন্টিং এজেন্ট ছিলেন, তাঁরা এই অভিযোগ করেছেন। ফলে, বিষয়টিকে আমরা একেবারেই হালকাভাবে নিচ্ছি না। এজেন্টদের কথার আমরা গুরুত্ব দেব। ইভিএম বদল হয়েছে, এটা পরিষ্কার। আর সেই মতো আমরা পদক্ষেপ নেব। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় একই ব্যক্তি বার বার বুথে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। ছাপ্পা ভোট হয়েছে। সেই অভিযোগও আমার কাছে এসেছে। ফলে, এরজন্য যতদূর যেতে হয় যাব। এর শেষ দেখে ছাড়ব।”

    আরও পড়ুন: কুয়েতে মৃত ভারতীয়দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    তথ্য জোগাড় করে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের সব আসনে বিজেপি ভাল ফল করলেও কোচবিহারে নিশীথ (Nisith Pramanik) হেরেছেন। জানা গিয়েছে, গণনা কেন্দ্রে এজেন্টরা যে ধরনের অভিযোগ নিশীথকে করেছেন, সেই মতো তিনি রাজ্য নেতৃত্বকে সমস্ত বিযয়টি জানিয়েছেন। নিশীথ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, কোচবিহারের ব্যাপারে খোঁজখবর করছি। কোচবিহারের ব্যাপারে তথ্য জোগাড় করার পরে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতীম রায় বলেন, ফল বের হওয়ার আগে বিজেপি প্রার্থীর এসব মনে হয়নি। আসলে হারের বিষয়টা তিনি মানতে পারছেন না। তাছাড়া, উত্তরবঙ্গে বিজেপির অন্যরা জয়ী হয়েছেন, তিনি হেরে গিয়েছেন, সেটার জন্যই এখন নানা অজুহাত খাড়া করছেন। এসব করে কোনও লাভ নেই। মানুষই বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সোহম বিতর্কের মাঝে তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি! বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে

    Nadia: সোহম বিতর্কের মাঝে তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি! বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ টাউনে তৃণমূল বিধায়ক সোহমের দাদাগিরি নিয়ে রাজ্যজুড়ে  তোলপাড় চলছে। এই বিতর্কের মাঝে এবার পুরসভা পরিচালিত ক্যাফেতে তালা ঝোলানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর শহরে। এমনকী ক্যাফের পাশের পার্কটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কদমতলা ঘাটের পাশের পার্ক ও ক্যাফেটি তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় তৈরি করেছিল। প্রশ্ন উঠছে, একজন কাউন্সিলর কী ভাবে পুরসভার কোনও প্রকল্প বন্ধ করে দিতে পারেন!

    তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি, বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে (Nadia)

    বেশ কিছুদিন আগে কৃষ্ণনগর (Nadia) পুরসভার উদ্যোগে কদমতলা ঘাটের পাশে পার্ক ও ক্যাফে গড়ে ওঠে। ক্যাফে পরিচালনার জন্য প্রলয় ভট্টাচার্য নামে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেখানে তৃণমূল কাউন্সিলর পলাশ দাসের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গিয়ে দাদাগিরি দেখান বলে অভিযোগ। ক্যাফের মালিক প্রলয় ভট্টাচার্য বলেন, “আমি ক্যাফেতে বসেছিলাম। কাউন্সিলরের নেতৃত্বে কয়েকজন ছেলে এসে জোর করে ক্যাফে বন্ধ করে দেয়। আমাদের গালিগালাজ করা হয়। হুমকিও দেওয়া হয়। পুরসভায় অভিযোগ জানিয়েছি।” এ নিয়ে পুরসভার ওই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা করেছেন ক্যাফের মালিক। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল কাউন্সিলর (Nadia) পলাশ দাস বলেন, “এই অভিযোগ মিথ্যা। ওই ক্যাফে এবং পার্কের কিছু অংশ আমার ভাইয়ের ওয়ার্ডেও পড়ে। কবে ওই পার্কের কাজ ও ক্যাফের টেন্ডার ডাকা হয়েছে তা আমরা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, পুরসভা আমাদের কিছুই জানায়নি। আমরা গিয়েছিলাম, এটা সত্যি। কিন্তু, ক্যাফেতে উপস্থিত কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়নি। আমরা অনুরোধ করেছিলাম ক্যাফে বন্ধ রাখার জন্য।” প্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগর পুরসভার নির্বাচিত কাউন্সিলরেরা বর্তমানে আড়াআড়িভাবে বিভক্ত। পূর্ত বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিশির কর্মকারের গোষ্ঠীর সঙ্গে চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব চরমে। যার ফলশ্রুতি হিসাবে চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর দুই তৃণমূল কাউন্সিলর প্রকাশ দাস এবং পলাশ দাস রীতার সঙ্গে একাধিক বিষয়ে দ্বন্দ্বে জড়ান। তারই সর্বশেষ সংযোজন এই ক্যাফে বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা।

    দাদাগিরি সহ্য করব না!

    চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি মহকুমাশাসক-সহ শীর্ষ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কৃষ্ণনগর শহরের সৌন্দর্যায়নের কাজের জন্য পার্ক ও ক্যাফে পুরসভার পক্ষ থেকে তৈরি করা হয়েছিল। আগামীদিনে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে। তবে, কোনও ব্যক্তির দাদাগিরি মেনে নেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গড় বোলপুরে এবার লোকসভা ভোটে দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার দুটি কেন্দ্রে বিপুল ভোটে তৃণমূল জয়লাভ করেছে। কিন্তু, বোলপুর শহরে শাসক দলের ভোট ব্যাঙ্কে কেন এরকম ভরাডুবি হল তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল (Anubrata Mondal)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বোলপুর শহরে ২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়েছিল। সেবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ওয়ার্ডেও বিজেপি পিছনে ফেলে দেয় শাসকদলকে। গত বিধানসভা নির্বাচনে বোলপুর আসন থেকে জয় এলেও শহরের ১৪টি ওয়ার্ডেই বিজেপি এগিয়েছিল। সেই নির্বাচনেও অনুব্রতের ওয়ার্ড থেকে জয় মেলেনি তৃণমূলের। যা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় দলীয় নেতৃত্বের কাছে। তবে, ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনে বোলপুরে ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। ১০টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয় তৃণমূল। এমনকী, ২০২২ সালের পুর-নির্বাচনে বোলপুরে বিরাট জয় পেয়েছিল তৃণমূল। আর, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পুরসভার ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি ওয়ার্ডে তৃণমূলকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডল এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার ওয়ার্ডও এ বার হাতছাড়া হয়েছে। দু’বছরের ব্যবধানে কেন শহরের ভোটারদের একাংশ মুখ ফেরালেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে শাসক শিবিরে। শুধু চর্চাই নয় শহরের একাধিক ওয়ার্ডে কেন তারা পিছিয়ে, তার কারণ অনুসন্ধানে নামতে চলেছে তৃণমূল। আগামী ১৩ জুন ও ২২ জুন বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকে সব ওয়ার্ডের পুর-প্রতিনিধি, শহর সভাপতি ও শহর কমিটির দায়িত্বে থাকা সকলকে ডাকা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ওয়ার্ড ধরে ধরে কোথায় খামতি রয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “কেন এই খারাপ ফল হল শহরে, তা আমরা দেখব। একই সঙ্গে শহরের ভোটারেরা কেন মুখ ফেরালেন, তা-ও সকলের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করা হবে। কারণ, শহরের উন্নয়নের জন্য আমরা প্রচুর কাজ করেছি। তারপরও এই ধরনের ফল আশা করিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naihati: বুথে হেরেছেন পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, শোরগোল

    Naihati: বুথে হেরেছেন পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে বুথে হেরেছেন পার্থ ভৌমিক। আর তার জেরেই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটির (Naihati) মামুদপুর এলাকায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সাধন ঘোষ নামে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে কল্যাণী এইমস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    বুথে হেরেছে পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর (Naihati)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নৈহাটির (Naihati) মামুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাদারপুর মণ্ডলপাড়া বুথে এবার লিড পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল এই বুথে ধরাশায়ী হতেই শাসক দলের নেতা-কর্মীদের রোষানলে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। কয়েকদিন ধরেই বিজেপি কর্মীদের হুমকি দেওয়া চলছিল। এবার বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সাধন ঘোষ নামে ওই বিজেপি কর্মী টোটো চালিয়ে সংসার চালান। মঙ্গলবার টোটো নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাসের স্বামীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাস দাঁড়িয়ে থেকে হামলার নেতৃত্ব দেন। পরে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপির (Naihati) জগদ্দল মণ্ডলের সম্পাদক দশরথ সরকার বলেন, এবার বুথের ক্যাম্প অফিস দলীয় কর্মী সাধন ঘোষের বাড়ির সামনে করেছিলাম। তিনি ও তাঁর স্ত্রী এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী। ওই বুথে পার্থ ভৌমিক ৬৫ ভোটে হেরে গিয়েছে। আর তার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। অন্যদিকে, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাস বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। আমার স্বামী সাইকেল করে বাড়ি ফিরছিলেন। উলটোদিক থেকে সাধন ঘোষ টোটো এনে দাঁড় করিয়ে দেয়। টোটো সরাতে বললে আমার স্বামীকে বেধড়ক মারতে থাকে। বাড়়ির কাছে ওই ঘটনা দেখে আমিও ছুটে যাই। আমাকেও মারধর করে। আমার স্বামী নৈহাটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। দুপক্ষই পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর

    Dev: দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভায় ফের জয় হাসিল করেছে তৃণমূল। বিশেষ করে কেশপুর বিধানসভায় বিপুল পরিমাণে লিড পেয়েছে শাসক দল। কিন্তু, তৃণমূল সাংসদ দেবের (Dev) আদি বাড়ি কেশপুরের মহিষদায় ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। নিজের গ্রামের বুথে বিজেপি এগিয়ে থাকায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর (Dev)

    দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ এবং ২০১৯, এই দু’বারই কেশপুরে ভোটের প্রচার শুরুর আগে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন দেব (Dev)। এ বারে অবশ্য তিনি এখানে এসেছিলেন, তবে প্রচারের শেষ পর্বে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ও মহিষদায় প্রচারে গিয়েছিলেন। মহিষদার মানুষ হিরণের ওপর আস্থা রেখেছেন। জানা গিয়েছে, কেশপুর বিধানসভায় ২৮২টি বুথের মধ্যে ৩০টিরও বেশি বুথে বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক থেকে ন’টি। একটি বুথে তো বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা শূন্য! অভিষেকের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে কেশপুর থেকে এক লক্ষ তিন হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেব। আর সেখানেই সাংসদের নিজের গ্রাম মহিষদায় অন্য ছবি ধরা পড়েছে। মহিষদার ১৮৩ নম্বর বুথটি দেবের গ্রামের বুথ। সেখানে ভোট পড়েছে ৬০৮টি। বিজেপি পেয়েছে ৩৩৯টি (৫৫.৭৫ শতাংশ), তৃণমূল ২০৮টি (৩৪.২১ শতাংশ)। বামে গিয়েছে ৩৬টি ভোট, নোটায় ন’টি। এই বিষয়ে কেশপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহা বলেন, “ঘরের ছেলেকেও মান্যতা দেয়নি ওরা। উন্নয়ন কিছু কম হয়নি ওখানে। যে সরকার মানুষের কাজ করবে, মানুষেরও উচিত সেই সরকারের পাশে থাকা। আসলে দেবের গ্রাম মহিষদায় বামের ভোট রামে গিয়েছে। তাই সেখানে তৃণমূল পিছিয়ে পড়েছে।”

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    বিজেপি নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ অবশ্য বলছেন, “মানুষ বিজেপিকে চেয়েছে। তাই মহিষদার বুথে আমরা এগিয়ে আছি। ঠিকমতো ভোট হলে কেশপুরের সব বুথেই তৃণমূল পিছিয়ে থাকত। মহিষদাতে ভোট লুট করতে পারেনি বলেই সেখানে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    Balurghat: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারের লোকসভা নির্বাচনে সুকান্তর গড় বালুরঘাটে (Balurghat) গ্রামীণ ভোটে থাবা বসালো বিজেপি। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট ও হিলির অধিকাংশ পঞ্চায়েতে লিড পেয়েছে বিজেপি। ফলে, বালুরঘাটে শুধু পুরসভা এলাকা নয়, পঞ্চায়েত এলাকাতেও বিজেপি আস্থা ফিরে পেল।

    ১৩টি পঞ্চায়েতে বিজেপির লিড (Balurghat)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দখলে ছিল বালুরঘাট (Balurghat), হিলি ব্লকের ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও দুটি পঞ্চায়েত সমিতি। তার মধ্যে ১৩ টিতে লিড পেয়েছে বিজেপি। খোদ বালুরঘাট ব্লক তৃণমূল সভাপতির অঞ্চলে প্রায় ৭ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। এমন ফলাফলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা বলছে শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের একাংশের অভিযোগ, বিপ্লব বিরুদ্ধ গোষ্ঠী বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করার জন্যই এমন ফল হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বালুরঘাট মহকুমায় বিশেষ করে বালুরঘাট ও হিলি ব্লকে ভোটের দায়িত্বভার যায় প্রাক্তন জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষের কাঁধে। তখন অঞ্চল ও ব্লক সভাপতিদের পরিবর্তন করা হয়। নিজের অনুগামীদের পদে বসান অর্পিতা। প্রত্যেক অঞ্চলে নিজের মতো সংগঠন সাজিয়ে পঞ্চায়েত ভোট পার করেছিলেন অর্পিতা। সেবার দুই ব্লক মিলিয়ে শুধুমাত্র চিঙ্গিসপুর ও ভাটপাড়া হাতছাড়া হয়। লোকসভা নির্বাচনে বিপ্লব মিত্র প্রার্থী হতেই পুরানো সংগঠনে বদল না করা হলেও যাতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না হয়, সেজন্য অঞ্চল সভাপতিদের পাশাপাশি বিপ্লব অনুগামীদের কনভেনর করে জুড়ে দেওয়া হয়। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিপ্লব অনুগামী কনভেনররা বার বার করে অভিযোগ করেছিলেন, প্রধানরা কোনও কাজ করছেন না। অভিযোগ ওঠে বিপ্লব বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীরা দলের বিরুদ্ধে প্রচার করছেন। সেসব কারণেই দুই ব্লকের পাঞ্জুল বাদ দিয়ে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পিছিয়ে পড়তে হয়েছে বলে মনে করছে দলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: লোকসভার ভোটও দিয়েছে! জাল নথি সহ গ্রেফতার চার বাংলাদেশি, কোথায় লুকিয়ে ছিল?

    দলের গদ্দারদের জন্য এই ফল!

    এই বিষয়ে বিপ্লবমিত্র বলেন, বালুরঘাট ও হিলিতে ফল খারাপ হবে ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু, এত খারাপ ফল হতে পারে ভাবতে পারিনি। রিপোর্ট তৈরি করছি। দ্রুত রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জমা দেওয়া হবে। দুই ব্লক মিলিয়ে শুধু পাঞ্জুল গ্রাম পঞ্চায়েতে আমরা লিড পেয়েছি। দলের কিছু গদ্দার বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমার বিরুদ্ধে কাজ করেছে। দলে গদ্দারদের জন্য এই ফল। তাদের সবার বিরুদ্ধে রাজ্য নেতৃত্ব ব্যবস্থা নেবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলার (Balurghat) সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, পঞ্চায়েতগুলো তৃণমূল চুরি করে দখল করে নিয়েছিল। সেই চুরি করার জবাব মানুষ এই লোকসভা ভোটে দিয়ে দিয়েছে। ১৪টি গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে একটা পঞ্চায়েত বাদে বাকি সব গুলো পঞ্চায়েতে আমরা লিড পেয়েছি। আর ওদের তো কাজ করার মতো লোক নেই, সব চুরি করার জন্য লোক আছে। নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল করার লোক আছে। মানুষ এবার সঠিক জবাব দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share