Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • TMC Conflict: সমবায়ের হিসেব চাওয়া নিয়ে গোলমাল! প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল, উত্তপ্ত মেমারি

    TMC Conflict: সমবায়ের হিসেব চাওয়া নিয়ে গোলমাল! প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল, উত্তপ্ত মেমারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের (TMC Conflict) কারণে উত্তাল হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের মেমারি। প্রকাশ্যে দলেরই দুপক্ষের কর্মী-সমর্থকরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহল ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    মেমারির আমাদপুর ইউনিয়ন কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি লিমিটেড নামে সমবায় সমিতিতে বকেয়া লোন, সমবায় ভোট, হার্ভেস্টর ট্রাক্টর-সহ একাধিক বিষয়ে হিসাবের দাবিকে কেন্দ্র করে মিটিং চলছিল রবিবার। সেখানেই মেমারির বিধায়ক মধুসূধন ভট্টাচার্য ও মেমারি-১ ব্লক সভাপতির নিত্যানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীদের মধ্যে ঝামেলা বাধে। মূলত, সমবায় সমিতির হিসেব চাওয়া নিয়ে গোলমাল (TMC Conflict)। আর তার জেরেই শাসকদলের দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠি নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের তাড়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশের হস্তক্ষেপে গন্ডগোল থামে। হামলা প্রসঙ্গে ব্লক সভাপতির এক অনুগামী বলেন, “১১৬ নম্বর বুথের সদস্যদের সঙ্গে ঝামেলা। শুধু জিজ্ঞাসা করেছি, কী হয়েছে? তাতেই দলের বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্যের লোকজন আমাদের মারতে শুরু করল। আমরা ব্লক সভাপতি নিত্যানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী বলে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। সমবায়ের হিসেব চাইতে গেলে ব্লক সভাপতির অন্য অনুগামীদের ওপর চড়াও হয়।”

    আরও পড়ুন: সমবায় ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী বিজেপি, তুলকালাম নন্দীগ্রাম

    তৃণমূল বিধায়ক কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল বিধায়ক (Memari) মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, “যে ঘটনা ঘটুক, সেটা অনভিপ্রেত। কার দোষে কী হয়েছে, পুলিশ দেখছে। তারা ব্যবস্থা নেবে। এই কো-অপারেটিভ সমিতির সঙ্গে আমি ছাত্রাবস্থা থেকে জড়িয়ে। এখানকার সাধারণ সদস্যও আমি। আমিও সেখানে ছিলাম। হঠাৎই উত্তেজনা ছড়ায়। কিছু এদিক ওদিক কথা হয়। আমরা বলি, কাজ করতে গিয়ে কোনও অসুবিধা থাকলে তা দেখার জন্য প্রশাসন আছে। সিআই, অডিটর আছেন। তাঁরা যে পরামর্শ দেবেন সে মতো সমিতি চলবে। আমরা বলি যথাযথ জায়গায় পাঠান। তারা উত্তর চাইলে দেব। ওরা রাজি হয়নি। বরং আজেবাজে কথা বলতে থাকে। আমাদের কর্মীরা কোনও হামলা চালাইনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: সমবায় ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী বিজেপি, তুলকালাম নন্দীগ্রাম

    Nandigram: সমবায় ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী বিজেপি, তুলকালাম নন্দীগ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায় সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয় পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে (Nandigram)। নন্দীগ্রামে সমবায় নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে বিজেপি। আর তারপরই একটি গন্ডগোলকে ইস্যুকে করে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করলে কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nandigram)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের (Nandigram) হরিপুরের প্রিয়ানগরী সমবায় সমিতিতে জানুয়ারি মাসের ২১ তারিখ ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তা হয়নি। পরে, কলকাতা হাইকোর্টে ২৫ মে ভোট করানোর নির্দেশ দিলেও পুলিশ যথেষ্ট বাহিনী না দিতে পারায় ফের তা পিছিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত রবিবার এই সমবায়ে নির্বাচন ছিল। দুপুরে ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায় ১২টি আসনের মধ্যে ১১টিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ১টি  আসনে জয়ী হয় তৃণমূল। বিপুল সাফল্যের পর এবার বিজেপি কর্মীরা আবির খেলায় মেতে ওঠেন। এক বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় গণ্ডগোল পাকানোর অভিযোগ তোলে তৃণমূল। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করলে বিজেপির অন্যান্য কর্মীরা পুলিশকে বাধা দেন। পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা বাধে। পরে, ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের। বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, লোকসভার পরে নন্দীগ্রামে (Nandigram) সমবায় নির্বাচনেও হার মেনে নিতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস। তাই ফলাফল প্রকাশের পর বিজেপি প্রার্থীদের জয় তাদের সহ্য হচ্ছে না। দলীয় কর্মীরা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। সেটা তৃণমূলের লোকজন মেনে নিতে না পেরে মিথ্যা বদনাম দিয়ে আমাদের কর্মীদের আনন্দ মাটি করার চেষ্টা করেছে। তাই, পুলিশকে ব্যবহার করে আমাদের কর্মীদের মিথ্যা অভিযোগে জেলে ঢোকানোর চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু, এভাবে  দমানো যাবে না। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, ভোটে জয়লাভ করার পরই এলাকায় বিজেপি কর্মীরা গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছিল। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। এতে, তৃণমূলের কোনও ভূমিকা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটে ধরাশায়ী তৃণমূল, ব্যাপক জয় হাসিল করল বিজেপি

    Nandigram: নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটে ধরাশায়ী তৃণমূল, ব্যাপক জয় হাসিল করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে তৃণমূলের বিজয় রথ এসে থমকে গিয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুরে। তমলুক, কাঁথি দুই জায়গাতেই দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। উড়েছে গেরুয়া আবির। আর এবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় নন্দীগ্রামে (Nandigram) ফের গেরুয়া ঝড়। তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে সমবায়ের ভোটে বিপুল জয় হাসিল করল বিজেপি।

    ১২টি আসনের মধ্যে ১১টিতে জয়ী বিজেপি (Nandigram)

    রবিবার নন্দীগ্রামের (Nandigram) হরিপুরে প্রিয়া নগরী সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের ভোট ছিল। মোট ১২টি আসনে লড়াই। বিজেপি প্যানেলের পক্ষ থেকে ১২টি আসনে প্রার্থী দেয়। অন্যদিকে, তৃণমূল প্যানেলের পক্ষ থেকেও ১২টি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়। দুপক্ষই ভোটের আগে প্রচার করেছিল। এদিন কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছিল। ভোটের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায়, ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। সমবায়ের ১২টি আসনের মধ্যে ১১টিতেই জয়ী হয়েছেন বিজেপি সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা। তৃণমূল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা একটি আসনে জয়ী হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    আবির খেলে উচ্ছ্বাসে মাতলেন বিজেপি কর্মীরা

    লোকসভা ভোটের পর এদিনের সমবায় ভোটে কী ফল হয়, সেদিকে নজর ছিল জেলার রাজনৈতিক মহলের। নন্দীগ্রামের ১২টি আসনের এই প্রিয়া নগরী সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডে এই প্রথমবার  নির্বাচন হল। আর প্রথম বারেই ব্যাপকভাবে সাফল্য পেলেন গেরুয়া সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা। প্রসঙ্গত, সমবায় সমিতির ভোটগুলিতে কোনও রাজনৈতিক দল সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না। অর্থাৎ, রাজনৈতিক দলগুলির প্রতীকে এখানে কোনও ভোট হয় না। তবে, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলেরই সমর্থিত প্যানেল থাকে সমবায় ভোটগুলির জন্য। রাজনৈতিক কারবারিদের একাংশের মতে, এই সমবায় ভোটগুলি থেকে অনেক ক্ষেত্রেই এলাকায় রাজনীতির হাওয়া কোন দিকে, তার একটি আভাস পাওয়া যায়। এদিন ভোটে সাফল্য পাওয়ার পরই বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা আবির খেলায় মেতে ওঠেন। বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের বক্তব্য, এবারই প্রথম নির্বাচন হয় এই সমবায় সমিতিতে। তৃণমূল এই সমবায় সমিতি দখল করার জন্য বহু চেষ্টা করেছিল। কিন্তু, ভোটে এবারও তারা ধরাশায়ী হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: ব্যাঙ্কে লোন করে দেওয়ার বিনিময়ে গৃহবধূকে দিঘার হোটেলে রাত কাটানোর প্রস্তাব তৃণমূল নেতার!

    Howrah: ব্যাঙ্কে লোন করে দেওয়ার বিনিময়ে গৃহবধূকে দিঘার হোটেলে রাত কাটানোর প্রস্তাব তৃণমূল নেতার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামীর কাজ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য দুর্গাপুরে এক গৃহবধূকে তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে রাত্রিবাস করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই হাওড়ার (Howrah) জগৎবল্লভপুরে আরও এক কীর্তিমান তৃণমূল নেতার হদিশ মিলল। ওই তৃণমূল নেতা ব্যাঙ্কে লোন করে দেওয়ার বিনিময়ে এক গৃহবধূকে শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Howrah)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জগৎবল্লভপুরের (Howrah) পাতিয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য কাজি সাবির আহমেদ এক মহিলাকে ব্যাঙ্ক থেকে ৫ লক্ষ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার নামে ৩০,০০০ টাকা প্রতারণা করেন বলে অভিযোগ। ওই গৃহবধূ বলেন, মাস ছয়েক আগে আমাকে ব্যাঙ্ক থেকে লোন করে দেবেন বলে ওই তৃণমূল নেতা প্রতিশ্রুতি দেন। এর জন্য কয়েক দফায় মোট ৩০০০০ টাকা আমি তাঁকে দিই। তাতেও কোন কাজ হয়নি। এরপর কাজি সাবির আহমেদ আমাকে ফোনে দিঘার হোটেলে রাত কাটানোর প্রস্তাব দেন। তাতে আমি রাজি হইনি। আমার সঙ্গে মোবাইলে রেকর্ডিং কথাবার্তাও প্রকাশ্যে এনেছি। সকলকে সমস্ত বিষয়টি জানিয়েছি। জানা গিয়েছে, রবিবার  জগৎবল্লভপুর থানায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে ওই মহিলা আসেন। ওই তৃণমূল সদস্যের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশকে যাবতীয় মোবাইল রেকর্ডিং ক্লিপ জমা দেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জগৎবল্লভপুর ব্লকের তৃণমূলের নেতাদের বক্তব্য, দলের কাছে অভিযোগ এসেছে। দল গোটা ঘটনার নজর রাখছে। যদি ঘটনা সত্যি প্রমাণিত হয়, দল ওই সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা কাজি সাবির আহমেদ বলেন, “এটা সিপিএম আইএসএফের রাজনৈতিক চক্রান্ত। ভোটের আগে ওই পঞ্চায়েত এলাকা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ভালো ভোটে এগিয়ে থাকার কারণে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার গলার আওয়াজকে কম্পিউটারে কারসাজি করে বানানো হয়েছে। এই ঘটনায় আমি জড়িত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “ভাইপো দুবার, মুখ্যমন্ত্রী চারবার এসেও বালুরঘাটে তৃণমূল হেরেছে”, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “ভাইপো দুবার, মুখ্যমন্ত্রী চারবার এসেও বালুরঘাটে তৃণমূল হেরেছে”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি জিতে বসে আছি, আর কলকাতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) হেরে গিয়েছে।” প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর বালুরঘাটে ফিরেই সুকান্ত মজুমদার আক্রমণ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমরা বিপ্লব মিত্রকে হারায়নি, হারিয়েছি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। শুধু একবার হারাইনি। বালুরঘাট লোকসভা নির্বাচনের পুনরায় গণনাতেও হারিয়েছি তৃণমূলকে। তাই আমরা দু’দুবার হারিয়েছি বিপ্লব মিত্র এবং মুখ্যমন্ত্রীকে।” সুকান্তবাবু আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমাকে হারানোর জন্য এই জেলায় চারবার এসেছিলেন, তারপরেও তিনি হেরে গিয়েছেন। ভাইপো দুবার এসেছিল। তারপরও এই আসনে মোদিজি জয়যুক্ত হয়েছেন। বালুরঘাটে তৃণমূল হেরেছে।”

    বালুরঘাট স্টেশন পরিদর্শন করলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হবার পর রবিবার বালুরঘাট রেল স্টেশনের কাজ খতিয়ে দেখতে যান সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত, বালুরঘাট স্টেশন ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে। ভোটের কারণে এতদিন তিনি সেখানে যেতে পারেননি। পরে, মন্ত্রী হওয়ার পর বালুরঘাট ফিরে স্টেশনের সার্বিক অবস্থা কেমন রয়েছে তা খতিয়ে দেখেন তিনি। পাশাপাশি এদিন বালুরঘাটে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলিদান দিবস উদযাপন করা হয়। বালুরঘাটে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি স্থাপনের নির্দেশ দেন সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন সুকান্ত

    অন্যদিকে, এদিন একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন সুকান্ত মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো এবার বিদ্যুতের বিল কমাতে স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত  বলেন, “রাজ্য সরকারের অবস্থা খারাপ। বিদ্যুতের বিল দিতে পারছে না। বহু জায়গায় এই রকম অবস্থা। পুরসভাগুলি বিদ্যুৎ বিল দিতে না পারার জন্য আলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যে কোনও দিন এই রাজ্য সরকার উল্টে পড়বে।” সবজি বাজার আকাশ ছোঁয়া, জিনিসপত্রের দাম অগ্নিমূল্য প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, দাম বৃদ্ধির পিছনে হয়তো তৃণমূলের তোলাবাজির রহস্য আছে। আমরা খুঁজছি। নিশ্চই পাওয়া যাবে। তৃণমূলের কে তোলাবাজি করছে। বেহাত হতে চলেছে রবীন্দ্র সরোবর। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, রবীন্দ্র সরোবর দখল করে তৃণমূল পারলে সেখানে ফ্লাট তুলে দেবে। এখন সেটা তুলতে পারেনি এইটা আমাদের সৌভাগ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে জেতার জন্য বালুরঘাটবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি তৃণমূলকে চোর ও কাটমানির দল বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একইসঙ্গে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যানকে চোর বলে কটাক্ষ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    পুর চেয়ারম্যানকে তোপ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান নিজেকে নবাব মনে করেন। তিনি বালুরঘাটবাসীকে ঘোলা জল খাওয়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি তো চোর। এই চোরেদের নিজেদের সিংহাসন ছেড়ে দেওয়া উচিত। এক সংস্থার কাছ থেকে বকেয়া বিলের টাকা দেবার জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ খেয়েছেন। এটা আমরা বলছি না, বলছেন সেই ঠিকাদার সংস্থার মালিক। নিজেরা নিজেদেরকে চোর প্রমাণিত করছে, আর ভোটেও এই ভাবে চুরি করার চেষ্টা করেছিল। এই পুরসভার  চেয়ারম্যান বালুরঘাটবাসীকে যে নোংরা, ঘোলা জল খাইয়েছে আমরাও সেই জল চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে চেয়ারম্যানকে খাওয়াবো। ঠিকাদারের কাছে ১০ লক্ষ টাকা কাটমানি নেওয়া প্রসঙ্গে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, ওই ঠিকাদার মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আমরা আইন অনুযায়ী নোটিস পাঠিয়েছি।

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে স্কুল চলাকালীন পড়ুয়ার ব্যাগে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র, আতঙ্ক

    তৃণমূল নেতারা তো চরিত্রহীন-তোলাবাজ হবেন

    এইদিকে দুর্গাপুরে স্বামীর চাকরি ফিরে পেতে তৃণমূল নেতাদের কুপ্রস্তাব প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তৃণমূলের (Trinamool Congress) নেতারা এমন না করে তাহলে তৃণমূল নেতা কি করে হল। তৃণমূল নেতারা চরিত্রহীন হবে, লম্পট হবে, চোর হবে এইটা তো তৃণমূল নেতাদের চিহ্নিত করার বৈশিষ্ট্য। কুণাল ঘোষ এক বৈঠকে তোলাবাজি নিয়ে কাউন্সিলরদের সতর্ক করেছেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,তৃণমূল তো তোলাবাজি করবেই। তৃণমূলের এক একজনের কাউন্সিলরদের সম্পত্তি দেখলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। আমাদের এই ছোট শহরের বাসিন্দাদের যত  সম্পত্তি আছে, তত সম্পত্তি যোগ করলে কলকাতার এক একজন কাউন্সিলরদের সম্পত্তি আছে। রেজিনগর স্কুলে পিস্তল নিয়ে দাপিয়ে বেরাচ্ছে দুই ছাত্র। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,গোটা রাজ্য তো এখন আগ্নেয়াস্ত্র বানানোর কুটির শিল্প হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: “টাকা নেবেন, মদ-মাংস খাবেন, দলে থাকার দরকার নেই”, কড়া বার্তা উদয়নের

    Udayan Guha: “টাকা নেবেন, মদ-মাংস খাবেন, দলে থাকার দরকার নেই”, কড়া বার্তা উদয়নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে একমাত্র কোচবিহারেই জয় হাসিল করেছে তৃণমূল। কিন্তু, এই লোকসভার একাধিক বিধানসভার কিছু কিছু জায়গায় তৃণমূল খারাপ ফল করেছে। কোন কোন অঞ্চলে ফলাফল খারাপ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে দলের নেতাদের কড়া বার্তা দিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। যা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    টাকা নেবেন মদ মাংস খাবেন, দলে থাকার দরকার নেই (Udayan Guha)

    দিনহাটার নৃপেন্দ্র নারায়ণ স্মৃতি সদনে তৃণমূলের সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে উদয়ন (Udayan Guha) বলেন, “আমরা কোচবিহার শহরে ভোটে হেরেছি। দিনহাটা শহরে ভোটে হেরেছি। দিনহাটা শহরে হারের পিছনে তৃণমূলের কমিটি যেমন দায়ী, তেমনই দিনহাটার নাগরিক হিসাবে আমিও ততটাই দায়ী। কিন্তু, সব থেকে বেশি দায়ী দিনহাটা পুরসভার কয়েকজন কাউন্সিলর। তাঁরা নিজেদের গায়ে যেন কালি-না লাগে, তাঁদের মানুষ যেন কিছু না বলতে পারেন, তাঁরা ভোটটা এমন করে করেছেন যেন কারও ওপর কোনও জোর দেখাচ্ছি না। কাউকে কোনও হুমকি দিচ্ছি না। একদম সাধুর মতো ভোট করিয়েছেন। তার ফলস্বরূপ আমরা ২,০০০ ভোটে হেরেছি। না-হলে আমরা হারতাম না। এবার যাঁরা সাধুর বেশ ধারণ করেছিলেন, আগামী পুরসভা নির্বাচনে তাঁরা গায়ের জোর না দেখিয়ে কী ভাবে ভোটে জেতেন সেটাই দেখার।”আরও কড়া ভাষায় উদয়ন বলেন, “কোথাও যদি কারও দোকান বন্ধ করে দিয়ে কাউকে হুমকি দিয়ে টাকা তোলা হচ্ছে, মাংস খাওয়া হচ্ছে, মদ খাওয়া হচ্ছে তাহলে তার দল করার প্রয়োজন নেই। টাকা নেবেন আপনারা, মদ খাবেন আপনারা, মাংস খাবেন আপনারা আর দুর্নাম পেতে হবে দলকে। সেটা আমরা মেনে নেব না।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির জেলা (Cooch Behar) সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, “সন্ত্রাস ছাড়া তৃণমূল  জিততে পারবে না, তারা ভাল মতো জানে। এবার দলের মন্ত্রীর কথাতেই আরও তা স্পষ্ট হয়ে গেল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: রায়নায় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC Conflict: রায়নায় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে আবারও প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Conflict) পূর্ব বর্ধমানের রায়নায়। দুই গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে বর্ধমান আদালতে পাঠায় রায়না থানার পুলিশ।  তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও বিধায়ক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে। রায়না ১ ব্লকের সেহারা অঞ্চলের মোগলমারি গ্রামে আবারও ব্যাপক আকার নিল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মোগলমারি বাজারে অবস্থিত তৃণমূলের (TMC Conflict) দলীয় কার্যালয় কোন গোষ্ঠীর অধীনে থাকবে সেই নিয়ে  প্রবল ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন রায়না-১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি বামদেব মণ্ডল ও রায়না বিধানসভার বিধায়ক শম্পা ধারার গোষ্ঠীর লোকজন। জানা গিয়েছে, বিধায়ক শম্পা ধারার গোষ্ঠীর লোকজন দলীয় কার্যালয়ে বসে নিজেদের মধ্যে খোশমেজাজে গল্প করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ব্লক সভাপতি বামদেব মণ্ডলের লোকজন মোগলমারি বাজারে দলীয় কার্যালয়টি দখল নিতে যান। তাতে বাধা দেন বিধায়ক গোষ্ঠীর লোকজন। তখনই শুরু হয়ে যায় ঝামেলা। তার পরই শুরু হয় দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রায়না থানার পুলিশ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে পুলিশ। নামে র‍্যাফ সহ আধা সামরিক বাহিনী।

    আরও পড়ুন: আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    দুই গোষ্ঠীর ১০ জনকে গ্রেফতার

    বিভিন্নভাবে অভিযান চালিয়ে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার অপরাধে দু’ই গোষ্ঠীর মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে শুক্রবার বর্ধমান আদালতে পাঠায় পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে বিধায়ক গোষ্ঠী এবং ব্লক সভাপতির গোষ্ঠীর লোকজন রয়েছে। উল্লেখ্য, ব্লক সভাপতি ও বিধায়কের গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব এই প্রথম নয়। এটি দীর্ঘদিনের, তবে ক্রমাগত দু’টি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চূড়ান্ত আকার নিলেও উচ্চ নেতৃত্ব কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুশ্চিন্তায় এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব ও কর্মীসহ সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে রাত কাটানোর প্রস্তাব, চরম সিদ্ধান্ত নিলেন দুর্গাপুরের বধূ

    Durgapur: তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে রাত কাটানোর প্রস্তাব, চরম সিদ্ধান্ত নিলেন দুর্গাপুরের বধূ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ছায়া এবার দুর্গাপুরে (Durgapur)। স্বামীর কাজ ফিরে পেতে হলে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে স্ত্রীকে রাত্রিবাস করতে দিতে হবে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের নিউ টাউনশিপ থানার নবীন পল্লি এলাকায়। তৃণমূল নেতাদের চাপ সহ্য করতে না পেরে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন গৃহবধূ।

    তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে বধূকে রাত কাটানোর প্রস্তাব (Durgapur)

    তৃণমূল নেতাদের মদের দোকান বন্ধের দাবি জানিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। ভোটের পরই ওই বধূর স্বামীকে ঠিকাদারের কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফের কাজে ফেরানোর দাবি জানিয়েছিলেন ওই যুবকের স্ত্রী। তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে রাত্রিবাস করলেই স্বামীর কাজ ফিরবে বলে প্রস্তাব দেওয়া হয়। সেই কুপ্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়াই লাগাতার হুমকি দেয় তৃণমূলের লোকজন। ভয়ে সুইসাইড নোট লিখে আত্মঘাতীর চেষ্টা করেন ওই বধূ। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের (Durgapur) ইন্দো-আমেরিকান মোড়ের একটি বেসরকারি স্পঞ্জ আয়রন কারখানার ঠিকাদার ছিলেন ওই ব্যক্তি। তাঁর স্ত্রী নবীন পল্লি এলাকায় সুকুমার বাউরি, বিল্লি এবং বিশু নামে এলাকার তিন তৃণমূল নেতার অবৈধ মদের দোকান বন্ধ করার দাবি জানান। তারপরই ওই বধূর স্বামীকে ঠিকাদারি কাজ থেকে সরিয়ে দেয় ২৩নং ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব। স্বামীর কাজ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলেন তাঁর স্ত্রী। তৃণমূলের তিন নেতা মিলে রিঙ্কুকে রাত্রিবাসের প্রস্তাব দেন। সেই কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লাগাতার হুমকি দেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। হুমকির ভয়েই সুইসাইট নোট লিখে আত্মঘাতীর চেষ্টা করেন ওই গৃহবধূ। দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে, অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তরিত করা হয় বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন: আজ প্রভু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা উৎসব, এর মাহাত্ম্য জানেন?

    তৃণমূল নেতাদের শাস্তির দাবি

    স্থানীয় বাসিন্দা অপর্ণা বাউরি বলেন,”গোটা এলাকায় মদ আর জুয়ার দোকান বাড়ছে। বিল্লি,সুকুমার,বদল এবং সুনীল নামে তৃণমূলের (Trinamool Congress) নেতারা এই অবৈধ কাজের সঙ্গে যুক্ত। সেই মদের দোকান বন্ধ করার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন ওই বধূ। নির্বাচনে জিতে যেতেই এলাকায় মারধর এবং অত্যাচার শুরু করে ওরা। ওই গৃহবধূর স্বামীকে ঠিকাদারি কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কাজ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তুললে তিন তৃণমূল নেতার সঙ্গে রাত কাটানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। তারপরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওই বধূ।  দ্রুত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।”

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    দুর্গাপুরের ২৩নং ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর দেবব্রত সাঁই বলেন,”একটা ঝামেলা হয়েছিল শুনেছিলাম। দুই পাড়ার মধ্যে মদের দোকান নিয়ে বা অন্য কিছু নিয়ে। আমি উভয়পক্ষকে নিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করলেও এক পক্ষ আসেননি। তারপর এতকিছু হয়েছে এই জানলাম। পুলিশ কড়া ব্যাবস্থা নেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি, রণক্ষেত্র সামশেরগঞ্জ

    Murshidabad: তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি, রণক্ষেত্র সামশেরগঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কারখানার সামনে বিক্ষোভ দেখানোকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) সামশেরগঞ্জ থানার মহব্বতপুর গ্রামে। ব্যাপকভাবে গুলি আর বোমাবাজিতে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। শুক্রবার রাতে এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন নূর ইসলাম নামে এক তৃণমূল কর্মী। পাশাপাশি জখম হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের চিকিৎসার জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলাকারীদের পিছনেও তৃণমূলের একাংশের মদত রয়েছে। ফলে, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সামশেরগঞ্জ (Murshidabad) থানার মহব্বতপুর গ্রামে একটি কারখানা থেকে লাগাতার বিষাক্ত গ্যাস ছড়ানোর জন্য রীতিমতো আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। বারবার জানানো সত্ত্বেও সমস্যার কোনও সমাধান না মেলায় গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুক্রবার তাঁরা কারখানার গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেন। যদিও বিষয়টি আগাম জানতে পেরে কারখানায় মজুদ রাখা হয়েছিল বেশকিছু বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র ও প্রচুর সংখ্যক বোমা। এমনই দাবি গ্রামবাসীদের। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী নূর ইসলামের নেতৃত্বে গ্রামবাসীরা কারখানার সামনে হাজির হলে তাঁদের লক্ষ্য করে চালানো হয় এলোপাথাড়ি গুলি ও বোমা। ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতরভাবে আহত হন নূর ইসলাম নামে ওই এলাকার একজন তৃণমূল কর্মীসহ আরও বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে ২০ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি একাধিক বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: শিক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে রবিবার ফের পরীক্ষা ১,৫৬৩ জন নিট প্রার্থীর

    কারখানা কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই কারখানা চলছে। গায়ের জোরে ওই কারখানা বন্ধ করে দিতে চাইছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও হামলার বিষয়ে তারা মুখ খুলতে চায়নি। কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রয়েছে তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। সব মিলিয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই ঘটনা বলে অনুমান করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share