Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Hooghly: “তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিদের অধিকাংশই অযোগ্য, ধান্দাবাজ”, ফের স্বমহিমায় মনোরঞ্জন

    Hooghly: “তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিদের অধিকাংশই অযোগ্য, ধান্দাবাজ”, ফের স্বমহিমায় মনোরঞ্জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হওয়ার পর কয়েকদিন চুপচাপ থাকার পর ফের স্বমহিমায় বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। দলনেত্রীর নির্দেশ মেনে বলাগড় বিধানসভায় তিনি এবার দায়িত্বে ছিলেন না। হুগলি (Hooghly) লোকসভা কেন্দ্রের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায়, এই বিধানসভায় ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। লিড পেয়েছে বিজেপি। এবার দলের ভরাডুবির জন্য দলীয় নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন বিধায়ক।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Hooghly)

    গত ৮ মে বলাগড়ে নির্বাচনী জনসভার মঞ্চে তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি মনোরঞ্জনকে বলেন, তিনি যেন ভোটের প্রচারে না আসেন। তৃণমূলের তিন নেতা নবীন গঙ্গোপাধ্যায়, অসীম মাঝি এবং শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়দের ওপরেই ভরসার কথা জানান দলনেত্রী। এবার ভোটে মনোরঞ্জন আর প্রচারে আসেননি। ভোটের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায়, হুগলি (Hooghly) লোকসভায় তৃণমূল জিতলেও বলাগড়ে বিজেপির থেকে হাজার পাঁচেক ভোটে পিছিয়ে। এর পরেই মনোরঞ্জন নাম না করে খারাপ ফলের জন্য দলের চার নেতানেত্রীকে দুষেছেন ফেসবুক-পোস্টে। মনোরঞ্জন সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “আমার মনে হয় রাজনীতিতে আসা ভুল হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনে দলের নেতারাই আমার নামে মমতাকে নালিশ করেন। মমতা ‘অত্যন্ত কঠোর ভাষায়’ আমাকে প্রচার করতে নিষেধ করেন। আমি প্রচার করিনি। আমি চেয়েছিলাম, দলের বলাগড় ব্লক সভাপতি হতে। সে ক্ষেত্রে ব্লকের ১৩টি পঞ্চায়েতেই সভাপতি পদে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কর্মীদের বসাতে পারতাম। দল আমাকে সেই সুযোগ দেয়নি। বর্তমান অঞ্চল সভাপতিদের অধিকাংশই ‘অযোগ্য, ধান্দাবাজ’।” মনোরঞ্জন বলেন, “দিদির নির্দেশেই প্রচার থেকে সরেছিলাম। এখন দিদি যা বলবেন, তাই করব। যদি বলেন আগের মতো কাজ করতে, করব। যদি বলেন রাজনীতি ছেড়ে দিতে, দেব।” এরপর তিনি আরও বলেন, “এখনও সময় আছে সংগঠনের খোলনলচে বদলে পুরানো নেতাদের সরিয়ে নতুনদের দায়িত্ব দিতে হবে। পুরানোদের ওপরে মানুষ ভরসা করলে দিদির ৬৩টা প্রকল্প সত্ত্বেও তৃণমূল হেরে যায়!”

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী বললেন?

    ব্লক তৃণমূল সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “বিধায়কের ভাবনার সঙ্গে আমরা একমত নই। আমরা ওঁকে (বিধায়ককে) চুপ থাকতে বলিনি। দলের সুপ্রিমো বলেছেন। তিনিই  সিদ্ধান্ত নেবেন। অঞ্চল সভাপতিদের নিয়ে কী বলেছেন, ওঁর ব্যাপার। এ নিয়ে মন্তব্য করব না। দল যদি মনে করে নতুনদের নিয়ে আসবে, স্বাগত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Garulia: গারুলিয়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Garulia: গারুলিয়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে গারুলিয়া (Garulia) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু নগরে। আক্রান্ত বিজেপি নেতার নাম ধনঞ্জয় মালো। ইতিমধ্যেই তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Garulia)

    দলীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ধনঞ্জয় মালো বিজেপির নোয়াপাড়া (Garulia) মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, “আমার ছেলে অসুস্থ। ফলে, সোমবার সকাল সকাল শুয়ে পড়়েছিলাম। রাতে আচমকা তৃণমূলের লোকজন আমার বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়ির মেন গেট ভাঙচুর করতে থাকে। আওয়াজ শুনে আমি বা়ড়ির বাইরে বেরিয়ে আসি। সেই সময় বাইরের আলো জ্বালতেই দেখি, তৃণমূলের লোকজন বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমি ঘর থেকে বের হতেই, ওরা চলে যায়। মঙ্গলবার সকালে দেখি, আমার বাড়ির গেট ভাঙচুর করে একটি গেট নিয়ে চলে গিয়েছে। এদিন সকালে দলের এক কর্মী আমাদের বাড়িতে আসেন। এরপরই ওই কর্মীর দোকানে এদিন সকালে ভাঙচুর করা হয়। ফলে, তৃণমূল এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। পুলিশে অভিযোগ জানালে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন সকালে কয়েকজন ফের আমার কাছে এসে থানা থেকে কেস তুলে নেওয়ার জন্য বলে। নাহলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন।”

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপির বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা তৃণমূলের কালচার। দলীয় নেতার বাড়িতে হামলা চালানোর পাশাপাশি খুনের হুমকি দিচ্ছে তৃণমূলের লোকজন। আমরা আক্রান্ত নেতার পরিবারের পাশে রয়েছি। গারুলিয়া (Garulia) পুরসভার চেয়ারম্যান রমেন দাস বলেন, আমি বিষয়টা শুনেছি, যারা তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ভাঙিয়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে দল তাদের পাশে থাকবে না। দল এই ধরনের কাজ বরদাস্ত করে না। তবে, যতদূর জানি, এটা একটা পারিবারিক ঘটনা। তৃণমূল এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সালারে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই, মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি, শোরগোল

    Murshidabad: সালারে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াই, মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার থানার উজুনিয়া গ্রাম। গ্রামের মধ্যে মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। আর সেই বোমার আঘাতে এক সাধারণ মহিলা জখম হন। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি তথা  তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ আজহারউদ্দিন সিজার এবং বর্তমান ব্লক তৃণমূল সভাপতি তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ মোস্তফিজুর রহমানের গোষ্ঠীর অশান্তি লেগেই রয়েছে। কিছুদিন আগেও দুই গাষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা হয়ছিল। সেই সময় তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মহম্মদ আজহারউদ্দিনের বাড়িতেও বোমাবাজি ও ভাঙচুর করা হয়েছিল। এদিনের বোমাবাজির সঙ্গে ওই ঘটনার যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় সালার (Murshidabad) থানার উজুনিয়া গ্রামে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় বোমাবাজি করতে থাকে দুই গোষ্ঠী। সেই সময়ে একটি বোমা এসে পড়ে এক গ্রামবাসীর বাড়ির উঠানে। বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হন মহিমা বিবি নামে এক মহিলা এবং ১২ বছরের এক কিশোর। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, আক্রান্ত মহিলার পরিবার কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নয়।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    বোমাবাজির ঘটনায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এলাকার দখল কার হাতে থাকবে, তার জন্যই এই বোমাবাজি। কয়েকদিন আগেও এই ঘটনা ঘটেছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পর ভেবেছিলাম এলাকা শান্ত হয়ে যাবে। কিন্তু, ফের সেই ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আমরা এলাকায় চরম আতঙ্কে রয়েছি। অবিলম্বে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: “মিছিল থেকেই বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Post Poll Violence: “মিছিল থেকেই বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক হিংসার (Post Poll Violence) ছবি উঠে এসেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া রয়েছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সোমবারই জেলায় এসে আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করে যান। তারপরই ফের আরও এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Post Poll Violence)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাকদ্বীপের শ্রীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের  মধুসূদনপুর গ্রামে তৃণমূলের পক্ষ থেকে মিছিল বের করা হয়। সেই মিছিল থেকে বিজেপি কর্মী রাজারাম প্রধানের বাড়িতে হামলা (Post Poll Violence) চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মী রাজারাম প্রধান বলেন, “আমি বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সেই সময় তৃণমূলের মিছিল আমার বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। মিছিল থেকে কয়েকজন আমার দিকে তেড়ে যাই। আমি ছুটে বাড়ির মধ্যে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিই। এরপরই বাঁশ, লাঠি দিয়ে আমার বাড়ি ভাঙচুর করে ওরা। এমনকী বাড়ির সামনে থাকা সিসি ক্যামেরা ওরা ভেঙে দিয়েছে। আমরা খুবই আতঙ্কিত। মূলত স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোরমা মিদ্দা পন্ডিত ও তাঁর স্বামী পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।” তবে, বিজেপি কর্মীর বাড়ির আশপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেছে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, একদল দুষ্কৃতী ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে। ওই বিজেপি কর্মী পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছেন। এই বিষয়ে ওই বিজেপি কর্মী স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    অভিযুক্ত তৃণমূলের প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোরমা মিদ্দা পন্ডিত। তিনি বলেন, “এটা ওদের পারিবারিক বিষয়। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নই। দুই ভাইয়ের গন্ডগোল। এরসঙ্গে তৃণমূলের নাম জড়িতে রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছে। তৃণমূল এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: নিজেদেরই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে পেটাল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা

    TMC Conflict: নিজেদেরই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে পেটাল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায়। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানের ওপর হামলা! (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রকোণার বান্দিপুর-১  নং গ্রাম  পঞ্চায়েত অফিসে বসে কাজ করছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান পিঙ্কি দলুই। আচমকাই অফিসের ভিতর ঢুকে পড়েন বেশ কয়েকজন মহিলা। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রধানের চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধর করতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। এখানেই শেষ নয়, টানতে টানতে বাইরে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ফেলে পঞ্চায়েত প্রধানকে লাথি-ঘুষি মারারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে ইতিমধ্যেই। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Conflict) প্রকাশ্যে এসেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। থানায় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    ব্লক সভাপতির মদতেই হামলা

    পঞ্চায়েত প্রধান পিঙ্কি দলুই বলেন, “তৃণমূলের ব্লক সভাপতির মদতেই আমার ওপর হামলা হয়েছে। আমাকে প্রধানের পদ থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে অনেকদিন ধরেই। এদিন দুপুরে আমি কাজ করছিলাম। আচমকাই বেশ কয়েকজন মহিলা আমার ওপর হামলা চালায়। চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে লাথি-ঘুষি মারল তৃণমূল কর্মীরা। হাতে চোট লেগেছে। পায়ে চোট লেগে রক্ত বেরিয়েছে। আমাকে বারবার তোলাবাজি এবং চুরি করতে বলেছিল। তাতে সায় না দেওয়ায় আমার ওপর এই হামলা।”

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী সাফাই দিলেন?

    অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি হীরালাল ঘোষ। তিনি বলেন, “পুরো অভিযোগটাই ভিত্তিহীন। আমিও বলতে পারি, আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। তথ্যপ্রমাণ চাই।” এই ঘটনায় স্তম্ভিত গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা। অনেকেই এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

    সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুদীপ কুশারি বলেন, মহিলাকে মারধরের ঘটনায় নিন্দা জানাচ্ছি । তবে, তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) নিয়ে কোনওরকম আগ্রহ নেই। বরং, এই অবস্থায় এলাকার উন্নয়ন আদৌ হবে তো!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের অত্যাচারে বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে তালা”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূলের অত্যাচারে বহু কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে তালা”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার জেরে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া। সোমবার ঘরছাড়া কর্মীদের সঙ্গে দেখা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের আমতলায় বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাসের বাড়িতে রয়েছেন ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা। সেখানে গিয়ে তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শুনলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঘরছাড়াদের সঙ্গে দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    আক্রান্ত ঘরছাড়া কর্মীদের নামের তালিকা, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর নেতৃত্বের কাছ থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নিয়ে নেন। ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপত্তায় বাড়ি গিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন, তার জন্য অতি শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী স্বাধীনভাবে যাতে কাজ করতে পারে এবং আগামী দুর্গাপুজো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে রাখা হয়, সেই আবেদনও হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রাখা হয়েছে বলে বিরোধী দলনেতা জানান। শুভেন্দু বলেন, “এই লুটের ভোটের শেষ দেখে ছাড়ব। তবে, এই বিষয়টি আজকে বলছি না, আগামী বুধবার কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন করে জানাবো। চারটি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করব।” তারমধ্যে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অভিজিৎ দাস থাকবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “চায়ের পয়সাটুকু কর্মীদের দেননি”, দলের চেয়ারম্যানকে তোপ হুমায়ুনের

    এক হাজার কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, ছশো কর্মীর দোকানে তালা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “ডায়মন্ড হারবারে মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। সাংবাদিকরা পর্যন্ত নিজেদের ভোট দিতে পারেননি। এর আগেও এই কেন্দ্রে সৌমেন মিত্র, শমীক লাহিড়ীর মতো নেতারা ভোটে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়েছিলেন। তাঁরা তো অত ভোট পাননি। আর তিনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) এত বড় নেতা যে তিনি ৭ লক্ষ ভোটে জয়ী হয়ে গেলেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না।” আর তৃণমূলের সন্ত্রাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১০০০ বাড়ি ভাঙচুর করেছে তৃণমূল। ৬০০ কর্মীর দোকানে তালা ঝোলানো হয়েছে। বহু কর্মী ঘরছাড়া। আক্রান্ত সকল কর্মীর পাশে রয়েছে বিজেপি। এদিন সকলের অভাব-অভিযোগ শুনতে এসেছি। “

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে ভোট পরবর্তী হিংসা! বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে ভোট পরবর্তী হিংসা! বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত কোচবিহারে (Cooch Behar)। জেলার তুফানগঞ্জ -২ ব্লকে বিজেপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের (Cooch Behar) গাবুয়ারডাঙা এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয় রয়েছে। রবিবার রাতে সেই কার্যালয়ে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এমনই অভিযোগ বিজেপির। ভেঙে ফেলা হয় কার্যালয়ে থাকা চেয়ার-টেবিল। একটি টিভিও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সোমবার বিজেপি কর্মীরা কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তৃণমূলই এই হামলা চালিয়েছে বলে বিজেপি কর্মীরা সরব হন। যদিও বিজেপির তোলা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির (Cooch Behar) শালবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পঙ্কজ দাস বলেন, “রবিবার রাত দশটা পর্যন্ত আমরা দলীয় কার্যালয়ে ছিলাম। সেখানে বৈঠক করছিলাম। কার্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পরই সেখানে তৃণমূল হামলা চালায়। আসলে আমাদের দলীয় কর্মসূচি ভেস্তে দিতেই তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে ওরা। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।” অন্যদিকে, শালবাড়ি-২ তৃণমূল অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান পরিমল কারজি বলেন, “কিছু দিন আগেই ওই এলাকায় সালিশি সভার নাম করে বিজেপির শক্তি প্রমুখ-সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আর তার জেরেই এই ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। তৃণমূল সব সময় এলাকায় শান্তিরক্ষার চেষ্টা করে আসছে। সবই বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পরই বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। এবার লোকসভায় গঙ্গারামপুর বিধানসভায় বিপুল ভোটে লিড পেয়েছে বিজেপি। এরপর পানীয় জল সরবরাহ এবং পথবাতি জ্বালানো নিয়ে টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। রবিবারই বিজেপি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। এরপরই টানা চারদিন পরিষেবা বন্ধ রাখার পর পানীয় জল সরবরাহ ঠিক করা হয়। আর আংশিকভাবে পথবাতি জ্বালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    গঙ্গারামপুরে বিজেপি লিড পেতেই পরিষেবা শিকেয়! (Balurghat)

    গত ৬ জুন থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভা এলাকায় আচমকা পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকী  পুরসভা এলাকার পথবাতির কোনও আলো জ্বলেনি। গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা থেকেই ভোটে পিছিয়ে ছিল গঙ্গারামপুরের ভূমিপুত্র তথা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। ১২ হাজারেরও কিছু বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার লিড পেয়েছেন। এই গঙ্গারামপুর শহরের পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র। তিনি আবার তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের ভাই। এই শহরেরই মানুষ তাঁরা। তারপরেও তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছেন ভোটাররা। কেন তৃণমূলের এই খারাপ ফল? এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কাঁটা ছেড়া চলছে প্রতিনিয়ত।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    আন্দোলনে বিজেপি

    সন্ধ্যার পর থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। শহরের ১৮ টি ওয়ার্ডের পানীয় জল ও পথবাতি বন্ধ রাখার প্রতিবাদে রবিবার বিজেপির পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুরের জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বিজেপির আন্দোলনের ফলে এলাকায় পানীয় জল পরিষেবা ঠিক হয়। গত চার দিন ধরে গোটা পুরসভায় এলাকায় পথবাতি পরিষেবা ঠিক হয়নি। এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরবাসী বলেন, গত চারদিন ধরে গঙ্গারামপুরে  রাস্তার বেশিরভাগ জায়গায় কোনও আলো জ্বলছে না। কী কারণে এমনটা হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, গঙ্গারামপুরে তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি। এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এটাই অপরাধ! সেই রাগে তৃণমূল এসব করেছে। এই ধরনের নোংরামি করা ঠিক নয়।  কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করেছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, বিজেপি সবসময় মিথ্যে কথা বলে, মিথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে ওরা রাজনীতি করতে চায়। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য সমস্যা হতে পারে। অন্য কোনও কারণ নয়। আমরা বিষয়টি দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিয়েছি বলে হামলা, বাড়িতে তান্ডব চালাল তৃণমূল,” বললেন আক্রান্ত কর্মী

    Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিয়েছি বলে হামলা, বাড়িতে তান্ডব চালাল তৃণমূল,” বললেন আক্রান্ত কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার গঙ্গারামপুর বিধানসভার নয়াবাজারে বিজেপি কর্মীকে মারধর এবং বাড়িতে, দোকানে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্তদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    ভোটের ফলাফলের পর বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার দিকে দিকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালানোর ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে। গত দুদিন আগে গঙ্গারামপুর শহরে বিজেপির কর্মীর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ফের গঙ্গারামপুরের নয়াবাজারে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মারধর সহ দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই বিষয়ে এক বিজেপি কর্মী বলেন, বিজেপিকে ভোট দেওয়া অপরাধ। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। দোকান ও বাড়িও ভাঙচুর করেছে। আক্রান্ত সেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ জেলার অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর বিধানসভা এলাকাটি পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর গড় ছিল। এবারের লোকসভা নির্বাচনে তিনি গঙ্গারামপুর ও বালুরঘাট বিধানসভা  থেকে ভোট কম পান। যার ফলে তিনি ভোটে পরাজিত হন। জয়ী হন বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। ভোটের ফলাফলের পর থেকে দিকে দিকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। এমনই অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে বিজেপির (Balurghat) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন,সুকান্ত মজুমদার জয় লাভের পর গঙ্গারামপুর বিধানসভার নয়াবাজার এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাদের হারকে মেনে নিতে পারছে না। তাই, বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আমাদের দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রশাসনকে বারবার বলার পরও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এখানে প্রশাসন ও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা একত্রিত হয়ে অত্যাচার চালাচ্ছে। এদিকে তৃণমূলের তরফ থেকে পুরো ঘটনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। পারিবারিক বিবাদের কারণে এই রকম ঘটনা ঘটতে পারে। এখানে তৃণমূলের কোনও বিষয় নেই। বিজেপি মিথ্যে অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে পোস্টাল ব্যালটেও ধরাশায়ী তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা সরকারি কর্মীদের

    Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে পোস্টাল ব্যালটেও ধরাশায়ী তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা সরকারি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের থেকে বেতন, ডিএ অনেক কম পান রাজ্য সরকারি কর্মীরা। তা নিয়ে ভোটের আগে বার বার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনে সেই ক্ষোভের আঁচ ধরা পড়েনি। কারণ, দক্ষিণবঙ্গে সরকারি কর্মীরা শাসক দলের ওপর আস্থা রেখেছেন। পোস্টাল ব্যালটে তার প্রমাণ মিলেছে। বিজেপির থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়েছে তৃণমূল। তবে, উত্তরবঙ্গের সরকারি কর্মীরা তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। সেখানকার সরকারি কর্মীদের আস্থা রয়েছে বিজেপির ওপর। ভোটের ফল (Election Result 2024) বের হওয়ার পর পোস্টাল ব্যালটের পরিসংখ্যান সেই কথা বলছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ ভোটারদের মতো উত্তরবঙ্গের আটটি লোকসভা কেন্দ্রে স্থানীয় সরকারি কর্মীদের মন যে পায়নি, তা পরিষ্কার। কোচবিহার থেকে বালুরঘাট পর্যন্ত এই আটটি কেন্দ্রে শাসক দলের চেয়ে সরকারি কর্মীদের ভোটের নিরিখে ভাল ভোট পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

    উত্তরবঙ্গে পোস্টাল ব্যালটে ধরাশায়ী তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা (Election Result 2024)

    কেন্দ্র এবং রাজ্যের মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) বৈষম্যের জেরেই সরকারি কর্মীরা তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া বেতন বৈষম্য, পদোন্নতি, পোস্টিং নিয়েও দলের অন্দরে নানা বক্তব্য রয়েছে। সংগঠনের মধ্যে মতানৈক্য, বিভেদ, গোষ্ঠী রয়েছেই। তাতে শাসক দলের সংগঠন যতটা শক্তিশালী থাকার কথা, তা হচ্ছে না। রাজ্য সরকারের কর্মীদের একটা বড় অংশ যুক্ত থাকেন ভোট-প্রক্রিয়ার সঙ্গে। ভোট দেন পোস্টাল ব্যালটে। ভোটের আগে বিরোধীর মুখে বার বার ফিরে এসেছে ডিএ নিয়ে বঞ্চনার বিষয়টি। দেড় বছর পরে রাজ্যে বিধানসভা ভোট। সেখানে উত্তরবঙ্গের সরকারি কর্মীরা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাওয়ায় তৃণমূল নেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৩৮,৬৪৮ পোস্টাল ব্যালটের ভোট পড়েছে। এগুলোর অধিকাংশই বা কিছু ক্ষেত্রে সবই সরকারি কর্মীদের ভোট। ভোটের ফল (Election Result 2024) বের হওয়ার পর দেখা যায়, তাতে বিজেপি সাড়ে ২২ হাজার ৪২৫টি ভোট পেয়েছে। তৃণমূলের সংখ্যা ১৬ হাজার ২২৩টি ভোট।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির নেতার কী বক্তব্য?

     তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য গৌতম দেব বলেন, “দলের তরফে পর্যালোচনা হবে। দলের ফলে কোথায়, কী হয়েছে, তা সবই খতিয়ে দেখা হবে।”সরকারি ফেডারেশনের অনেক নেতাই মনে করছেন, সরকারি কর্মীদের ভোট (Election Result 2024) শুধু পোস্টাল ব্যালটে নয়, তাঁদের পরিবারের ভোটেও প্রভাব ফেলেছে তা ধরেই নেওয়া যেতে পারে। আগামী বিধানসভার আগে এই পরিস্থিতি না বদল হলে, শাসকের বিরুদ্ধেই যে সরকারি কর্মীদের ভোট পড়বে তা স্বাভাবিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share