Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Assembly Election 2026: “পরিযায়ীদের ঢল, ঐতিহাসিক নির্বাচন” বাংলার ভোটে সন্তোষ প্রকাশ শীর্ষ আদালতের

    Assembly Election 2026: “পরিযায়ীদের ঢল, ঐতিহাসিক নির্বাচন” বাংলার ভোটে সন্তোষ প্রকাশ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় প্রথম দফা ভোট (Assembly Election 2026) হিংসামুক্ত, শান্তিপূর্ণভাবে হওয়ায় আনন্দিত দেশের শীর্ষ আদালত। শুক্রবার এসআইআর সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানির আগে এনিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (CJI Surya Kant)। তিনি বলেন, “একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বাংলায় ভোটদানের বেশি হার দেখে আমি খুবই খুশি।” প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের আরেক বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও এনিয়ে আনন্দিত। বাংলার নির্বাচন পর্বের প্রশংসা করেছেন সলিসিটর জেনারেল তথা কমিশনের আইনজীবী তুষার মেহতাও।

    বাংলার ভোট দেখে খুশি শীর্ষ আদালত

    শুক্রবার শুনানি শুরু হতেই রাজ্যের প্রথম দফা ভোট (West Bengal Assembly Election) নিয়ে আলোচনা করেন সকলে। রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এবার ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকরা এসেও ভোট দিয়েছেন।” তাতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, “কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি।” এরপরই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “একজন ভারতীয় নাগরিক হিসাবে ভোটদানের বেশি হার দেখে আমি খুবই খুশি। মানুষ যখন ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, তখন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে।” প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ভোটাররা যদি নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের শক্তি উপলব্ধি করতে পারেন, তবে তাঁরা হিংসায় জড়ান না। প্রথম দফার ভোট প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচীও মন্তব্য করেন, কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। একই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেন, “রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।” কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বঙ্গে প্রথম দফার ভোট নিয়ে মন্তব্য করেন, ৯২ শতাংশ ভোট পড়া ঐতিহাসিক। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ। তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেন।

    ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আপত্তি

    শুনানির ফাঁকে এক হালকা মুহূর্তও তৈরি হয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ৪ মে কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুকে নিজের বাড়িতে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। এ নিয়ে রসিকতা করে বিচারপতি বাগচি বলেন, আগে হলে তিনি নিজেই এই দায়িত্ব নিতেন। এসআইআর মামলার শুনানিতে এদিন মূলত ট্রাইব্যুনালের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৭ লক্ষ মামলার মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে, যা অত্যন্ত ধীরগতি। তিনি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানান। এর প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, যাঁদের নাম ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কলকাতা হাইকোর্ট-এর প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হতে পারেন। তিনি বলেন, আগের নির্দেশে বেশ কিছু বিষয় পরিষ্কার করা হয়েছে, তবে প্রয়োজনে জরুরি শুনানির জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা যেতে পারে।

  • Suvendu Adhikari: “৪ তারিখ ভাবনীপুরের গণনা টেবিলে বসব”, প্রথম দফার ১৫২-তে ১২৫ হবে, প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “৪ তারিখ ভাবনীপুরের গণনা টেবিলে বসব”, প্রথম দফার ১৫২-তে ১২৫ হবে, প্রত্যয়ী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দক্ষিণ কলকাতার চেতলা অঞ্চলে একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। সেখান থেকে তিনি রাজ্যের শাসক দল এবং বিশেষ করে স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীক্ষ্ণ সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “৪ তারিখ ভবানীপুরের গণনা টেবিলে বসবো, তৃণমূল নেত্রী এবার ব্যাগ গুছিয়ে নিন। আমি আজ বদলা নিয়ে নিয়েছি।”

    লোক ওখানে ছিল, বডি ওখানে, মন এখানে (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর ভাষণে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে পুরসভার বিভিন্ন কাজে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষের করের টাকা সঠিক পথে ব্যয় না হয়ে বিশেষ কিছু মহলের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপর স্পষ্ট কথায় বলেন, “ভোট (West Bengal Elections 2026) হয়ে গেছে আজকে। আপনিও মাঠে নেমেছেন, মিছিল করেছেন। প্রতিটি ভিডিও আছে। কিছু লোক ওখানে ছিল, বডি ওখানে, মন এখানে। আর একটি লোক আছেন বন্দর থেকে, ভালো লোক সাপ্লাই দিয়েছেন৷ মাননীয়া জানেন, ১৫০ জন সিনিয়র সিটিজেন ভোট দিয়েছেন। ৭৭ এর কয়েকটা মুসলমান ছাড়া বাকি সবাই শুভেন্দুকে টিক লাগিয়েছে। আপনাকে আমি হারাব হারাব হারাব। কাল বিকেল থেকে ধরব৷ ২৯ এভিএম সিল করে বেরব। ৪ তারিখ নিজে গণনার টেবিলে বসব।”

    ১৫২-তে ১২৫ হবে

    চেতলা এলাকাটি রাজ্যের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী ববি হাকিমের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেই নেতৃত্বকে ইঙ্গিত করে বলেন, “পেশিশক্তি এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে রোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি যেন ২০২১ রিপিট করতে পারি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে পারি৷ উনি কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘একটা ভোটেও জিতব’। রাজ্যের প্রচার বন্ধ করে এখন কেবলমাত্র ভবানীপুর ৷ কাউন্সিলর দু-হাতে টাকার ব্যাগ নিয়ে নেমেছে। আর একটা বড় ব্যবসায়ী অংশকে ধমকানি শুরু হয়েছে। বলছে, ৪ তারিখের পর দেখে নেব ৷ আরে তোমরা থাকলে তো দেখবে। মালদা থেকে আলিপুরদুয়ার সাফ সাফ সাফ। ১৫২-তে ১২৫ হবেই। ঝাড়গ্রামে ৪ এ ৩। মেদিনীপুর পশ্চিমে ১০, পূর্বে ১৬/১৬। মুর্শিদাবাদে ২ জায়গায় ৮। বীরভূমে ১ এর জায়গায় ৭। তোমরা কোথায় যাবে? এখন থেকে ব্যাগ গোছাও।” তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, ভারতীয় জনতা পার্টি এই ধরণের চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না।

    সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার

    প্রথম দফায় নির্বাচনের পর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “হিন্দুরা এবং মহিলারা একজোট হয়ে ভোট দিচ্ছেন। আমি কখনও দেখিনি বেলা ১২টার মধ্যে ৬০ শতাংশ ভোট পড়ে যেতে। বেঙ্গালুরু, কর্নাটক থেকে মানুষ এসে ভোট (West Bengal Elections 2026) দিচ্ছেন।” শুভেন্দু অধিকারীর এই সভা মূলত আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মীদের চাঙ্গা করা এবং শাসক দলের দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরার একটি কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তাঁর আক্রমণাত্মক মেজাজ এবং সরাসরি অভিযোগ ঘিরে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট চর্চা শুরু হয়েছে।

  • Bengal Elections 2026: “তৃণমূলের জঙ্গলরাজ মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়েছে”, অভয়ার মা-র সমর্থনে পানিহাটিতে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    Bengal Elections 2026: “তৃণমূলের জঙ্গলরাজ মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়েছে”, অভয়ার মা-র সমর্থনে পানিহাটিতে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারও পশ্চিমবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির জোড়া কর্মসূচি (Bengal Elections 2026) রয়েছে। প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে জনসভা করেন আরজি করের নির্যাতিতার মা তথা বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথের সমর্থনে। দ্বিতীয় জনসভাটি করবেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার যাদবপুর সাংগঠনিক জেলায়। সব মিলিয়ে দিনভর টানটান কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Election Rally)। বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটে পরিবর্তনের ঝড় বইয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। একই ভাবে বিজেপি সরকার গঠন করে আরজিরক হত্যা মামলায় ন্যায় বিচার করবে বলে জনসাধারণকে আশ্বাস দিয়েছেন। সন্তান হারা মায়ের জন্য তৃণমূলকে পরাস্ত করে বিজেপির সরকার গঠনের জন্য আবেদন করেন তিনি।

    তৃণমূল নেতারা হতচকিত হয়ে গিয়েছে (Bengal Elections 2026)!

    রাজ্যে যে পরিবর্তনের ঝড় বইছিল, তার প্রথম সিলমোহর পড়েছে বৃহস্পতিবার, প্রথম দফার নির্বাচনে। পানিহাটির সভায় এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভায় দাঁড়িয়ে শুক্রবার মোদি (PM Modi Election Rally) বার্তা দিলেন, বিজেপির বিজয়-ঘণ্টা বেজেছে। তিনি বলেন, “এতদিন ধরে যে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, গতকাল তাতেই সিলমোহর পড়েছে।” নরেন্দ্র মোদি বললেন, “গত কাল ভোট (Bengal Elections 2026) দেখে তৃণমূল নেতারা হতচকিত হয়ে গিয়েছে। তার পর তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে গুন্ডাদের উস্কানি দিচ্ছে। আসলে প্রদীপ নেবার আগে জ্বলে ওঠে। তৃণমূলেরও সেই অবস্থা হয়েছে।”

    নারীশক্তি নতুন কাহিনি লিখতে চলেছে

    আরজি করে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে ফের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi Election Rally)। নির্যাতিতার মায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই মা মেয়েকে ডাক্তার বানিয়েছিলেন। তৃণমূলের জঙ্গলরাজ সেই মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়েছে। আমরা তাঁর মাকে প্রার্থী (Bengal Elections 2026) করেছি।” তৃণমূলকে ‘নারীবিরোধী দল’ বলে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, “বাংলার নারীশক্তি নতুন কাহিনি লিখতে চলেছে। তৃণমূল মহিলাদের উপর অনেক অত্যাচার করেছে। বলা হয়, ধর্ষণ থেকে বাঁচতে, সুরক্ষিত থাকতে চাইলে সন্ধের পর না বেরতে! এটা আমি নই, তৃণমূল বলে। চার তারিখের পর সব অত্যাচারের হিসাব হবে।”

    পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকে ধ্বংস করেছে ত্রিনমূল

    জনতার কাছে আশীর্বাদরূপী ভোট (Bengal Elections 2026) চাইলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally)। তিনি বলেন, নেতাজি বলেছিলেন, তোমরা আমাকে রক্ত তোমায়, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব। আমি বলছি, আপনারা আমাদের ভোটরূপী আশীর্বাদ দিন। কথা দিচ্ছি, তৃণমূলের মহাজঙ্গলরাজ থেকে মুক্তি দেবো।” প্রধানমন্ত্রীর কটাক্ষ, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে রাজ্যের বেকার যুবকরা চাকরি পাবেন না! গত ১৫ বছরে তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকে ধ্বংস করেছে! পানিহাটির সভায় এমনই অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • Election Commission India: ‘শাসক দলের হয়ে কাজ’! হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসিকে সাসপেন্ড, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ কমিশনের

    Election Commission India: ‘শাসক দলের হয়ে কাজ’! হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসিকে সাসপেন্ড, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রাক্কালে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (OC) সন্দীপ সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। গাফিলতির চরম শাস্তি।

    পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ (Election Commission India)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্দিষ্ট অভিযোগ এবং প্রশাসনিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণত নির্বাচনের সময় কোনও পুলিশ আধিকারিকের (OC) বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব বা কর্তব্য গাফিলতির অভিযোগ উঠলে কমিশন এই ধরণের কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।

    মুখ্যসচিবকে নির্দেশ

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করার এবং সন্দীপ সরকারের জায়গায় যোগ্য কোনও আধিকারিককে নিয়োগ করার বার্তা দিয়েছে।  ২৪ এপ্রিল সকাল ১১টার মধ্যে কমিশনকে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট বা কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিক নির্বাচনের কোনও প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না বলে কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

    অমিত শাহের সভার আগেই পদক্ষেপ

    হিঙ্গলগঞ্জ এলাকায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা অন্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সফরের ঠিক আগেই এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে বারবার পুলিশের (OC) একাংশের বিরুদ্ধে শাসক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তোলা হচ্ছিলই। এইবার কমিশনের (Election Commission India) সিদ্ধান্ত সেই প্রেক্ষাপটে বাড়তি গুরুত্ব যোগ করেছে।

    ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন যে আপোষহীন মনোভাব নিচ্ছে, এই সাসপেনশন অর্ডার তারই একটি প্রতিফলন। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

  • PM Modi at Ganga: ‘বাংলার আত্মা দিয়ে বয়ে যায় গঙ্গা’, ভোরে নৌকাবিহারে প্রধানমন্ত্রী মোদি নিলেন উন্নত বাংলা গড়ার শপথ

    PM Modi at Ganga: ‘বাংলার আত্মা দিয়ে বয়ে যায় গঙ্গা’, ভোরে নৌকাবিহারে প্রধানমন্ত্রী মোদি নিলেন উন্নত বাংলা গড়ার শপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার আত্মা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে গঙ্গা (PM Modi at Ganga)। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে গঙ্গা একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে। শুক্রবার সকালে গঙ্গাবক্ষে নৌকাবিহারের পর এমনই অনুভব ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন গঙ্গায় নৌকাবিহারের একাধিক ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন তিনি। ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, নৌকায় বসে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পিছনে দেখা যাচ্ছে হাওড়া এবং বিদ্যাসাগর সেতু। এ-ও দেখা যাচ্ছে যে, চোখে রোদচশমা পরে ক্যামেরা নিয়ে ছবি তুলছেন প্রধানমন্ত্রী। নৌকাবিহারের একটি ভিডিয়োও পোস্ট করেন মোদি।

    মা গঙ্গাকে কৃতজ্ঞতা জানালাম

    দ্বিতীয় দফা ভোটের প্রচারে বৃহস্পতিবার বঙ্গে আগমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। শুক্রবারও দু’টি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তার আগে এ দিন সকালেই চমক মিলল তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। সকাল বেলা গঙ্গায় নৌকায় ভ্রমণের উদ্দেশ্যে গোয়ালিয়র ঘাটে যান তিনি। সেখান থেকে একটি নৌকায় গঙ্গার বুকে বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করেন তিনি । হাতে থাকা ক্যামেরায় নিজের জন্য ফ্রেমবন্দিও করেন কলকাতা ও হাওড়ার স্কাইলাইন। এর পরে তাঁর এক্স হ্যান্ডলে সকালের গঙ্গায় ঘোরার বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে বাংলার উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একটি পোস্টে তিনি পশ্চিমবঙ্গ এবং বাঙালির কাছে গঙ্গার মাহাত্ম্যের কথা তুলে ধরেন। লেখেন, “প্রতিটি বাঙালির কাছে গঙ্গা একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে। এটা বলাই যায় যে, গঙ্গা বাংলার আত্মা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।” সমাজমাধ্যমের ওই পোস্টে মোদি এ-ও লিখেছেন যে, “আজ সকালে কলকাতায় আমি হুগলি নদীর বুকে কিছু ক্ষণ সময় কাটালাম। মা গঙ্গাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর একটা সুযোগও পেলাম। পবিত্র গঙ্গা জল সমগ্র সভ্যতার চিরন্তন চেতনা বহন করে চলেছে।”

    বাঙালির উন্নতির জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

    এখানেই শেষ নয়, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi at Ganga) গঙ্গা ও বাংলার উন্নয়নের শপথের কথাও লিখেছেন। তাঁর কথায়, ‘হুগলির তীরে দাঁড়িয়ে, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন এবং মহান বাঙালি সমাজের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করার আমাদের অঙ্গীকার আবারও নিচ্ছি।’ এদিন প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে নদীর দু’ধারে ভিড় জমে যায়। গোয়ালিয়র ঘাটে আসা প্রাতর্ভ্রমনকারী ও নৌকাচালকদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সোশ্যাল পোস্টে সে কথা জানিয়ে নৌকাচালকদের প্রশংসাও করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার হাওড়া থেকে ফেরার পথেই ব্রিজ ধরে গঙ্গা পার হওয়ার সময়েই সেই দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেই মনভরানো দৃশ্য ফ্রেমবন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করেছিলেন তিনি।

    বেলুড় মঠে স্বামীজির ধ্যানকক্ষে প্রধানমন্ত্রী

    বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসে মথুরাপুর এবং কৃষ্ণনগরে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর রোড শো করেন হাওড়ায়। প্রধানমন্ত্রী রাত্রিবাস করেন রাজভবন (অধুনা লোকভবন)-এ। শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে সভা করবেন তিনি। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী সভা থেকে কিছু ক্ষণ বিরতি নিয়ে বেলুড় মঠে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মহারাজদের প্রণাম সেরে স্বামী বিবেকানন্দের ধ্যানস্থানের সামনে কিছুক্ষণ একান্তে সময় কাটান। পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যে স্থানে স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda) ধ্যান করতেন, আজ সেখানে যেতে হতে পেরে আমি অভিভূত। নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক স্বামী বিবেকানন্দ।”

    রাজনীতি নয়, আত্মার যোগ! বেলুড় মঠে একাকী মোদি

    শৈশব থেকেই রামকৃষ্ণ মঠ তথা সঙ্ঘের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন মোদি। সন্ন্যাস নেওয়ার বাসনায় একাধিক বার মঠের একাধিক শাখায় গিয়েছিলেন। কিন্তু রামকৃষ্ণ মঠের সন্ন্যাসীদের পরামর্শেই সন্ন্যাস না-নিয়ে সামাজিক কাজে মন দেন। আরএসএস হয়ে বিজেপিতে যান। গুজরাটে ১৩ বছর মুখ্যমন্ত্রিত্ব সামলে দেশের প্রধানমন্ত্রী হন। কিন্তু সে দীর্ঘ যাত্রাপথেও রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সঙ্গে সম্পর্ক বহাল রাখেন। ফলে মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বার শপথ নেওয়ার আগে বেলুড় মঠ থেকে প্রসাদী ফুল গিয়েছিল মোদির কাছে। পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে এর আগেও একাধিকবার বেলুড় মঠে গিয়েছেন মোদি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মঠে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান তিনি। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা এবং স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। সঙ্ঘাধ্যক্ষ স্বামী গৌতমানন্দের সঙ্গে দেখা করেন। ঘুরে দেখেন মঠের নানা অংশ। গঙ্গার ধারের বারান্দাতেও কিছুটা সময় কাটান। তবে এই মঠ সফরকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির স্পর্শ থেকে দূরে রাখার বিষয়েও মোদি যত্নশীল ছিলেন। নিজের দলের কাউকে তিনি সঙ্গে নেননি। একাই গিয়েছিলেন বেলুড় মঠে।

    শোরগোল রাজনৈতিক ময়দানে

    ঝালমুড়ি পর্বের পরে শুক্রের সকালে প্রধানমন্ত্রী মোদির গঙ্গা বিহারে জোর শোরগোল রাজনৈতিক ময়দানে। গঙ্গার বুকে দাঁড়িয়ে বাংলার উন্নয়নের অঙ্গীকারের বার্তা রাজ্যের শাসকদলকে চিন্তায় ফেলেছে। আগেই রাজ্যের ভোট-পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে পরিবর্তনের ঝড় বইছে। প্রথম দফার ভোটে মহিলা ও যুব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতিকেই তিনি সেই পরিবর্তনের বড় দৃষ্টান্ত বলে তুলে ধরেন। মোদির কথায়, “আজ পশ্চিমবঙ্গের রেকর্ড ভোটিংই বলে দিচ্ছে, ভয় হারছে, ভরসা জিতছে। ১০ দিন পরে যখন গণনা হবে, নিশ্চিত ভাবে সবদিকে পদ্মফুল ফুটবে।” তিনি নতুন ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, এখনই সময় পশ্চিমবঙ্গের নির্মম সরকারকে উপড়ে ফেলার। তাঁর দাবি, রাজ্যের মা-বোনেদের উপস্থিতিই তৃণমূলের ঘুম কাড়ছে। মহিলা নিরাপত্তা ইস্যুতে সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আর জি কর হাসপাতাল ও সন্দেশখালির ঘটনার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, তৃণমূল গুন্ডাদের আশ্রয় দিয়েছে। তাদের মহিলা বিরোধী চেহারা সামনে এসে গিয়েছে। মহিলাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে রাজ্যের শাসকদল। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ বিল সংসদে পেশ করেছিল, কিন্তু তৃণমূল তার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। এ থেকেই প্রমাণ হয়, মহিলাদের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূলের কোনও চিন্তা নেই। ১৫ বছর ধরে মানুষ অত্যাচার সহ্য করেছে, এখন বদল চাই।”

  • Amit Shah: ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী’’, শুক্র-সকালে ঘোষণা শাহ-র

    Amit Shah: ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী’’, শুক্র-সকালে ঘোষণা শাহ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ১৫২টি কেন্দ্রে। তার পরের দিন সকালেই নিউ টাউনের হোটেল থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রথম দফার ‘রিপোর্ট-কার্ড’ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়ে দিলেন ১৫২টির মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে বিজেপি জিততে চলেছে। একইসঙ্গে, তাঁর ঘোষণা, পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বাংলায় জন্ম নেওয়া, একজন বাঙালিই হবেন।

    ‘‘৫ তারিখের পর অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে’’

    সাংবাদিক সম্মেলনে শাহ বলেন, ‘‘প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের অনেক অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ। ভয় থেকে ভরসার দিকে যাত্রা খুব ভাল ভাবে আপনারা শুরু করেছেন। দ্বিতীয় দফার ভোটারেরা এই যাত্রা এগিয়ে নিয়ে যাবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য পুলিশকে অভিনন্দন। কারণ, বহু যুগ পরে পশ্চিমবঙ্গের ভোটে কোনও মৃত্যু হয়নি।’’ তিনি বলেন, ‘‘৫ তারিখের পর অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। পশ্চিমে বিকাশ হয়েছে। পূর্ব দিক এখনও পিছিয়ে আছে। বিজেপি আসার পর সেখানেও বিকাশের গতি বাড়বে।’’ তিনি বললেন, ‘‘১৫২টির মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে বিজেপি জিততে চলেছে। সারা রাত ধরে আমরা বিশ্লেষণ করেছি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরা সরকার গড়ব। সারা রাত ধরে বিশ্লেষণ করেছি।’’

    ‘‘রাত ১টাতেও নির্ভয়ে মেয়েরা স্কুটিতে বেরোতে পারবেন’’

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দুরবস্থা ও নারী নিরাপত্তার অবনতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন, ‘‘প্রথম দফাতেই বাংলার মানুষ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে ফেলেছেন। এই মাটি বিকাশকে বেছে নিয়েছেন। মোদির নেতৃত্বে সারা দেশে বিকাশের যাত্রা চলছে। বাংলাও তাতে শামিল হতে চলেছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সন্ধ্যা ৭টার পর মেয়েরা কেন বাইরে বেরোচ্ছেন? তাঁর শাসন করার অধিকার নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাত ১টাতেও নির্ভয়ে মেয়েরা স্কুটিতে বেরোতে পারবেন। কোনও গুণ্ডা আসবে না। মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধিতা করার জবাবও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়ে যাবেন।’’

    ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন’’

    বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন বলে ঘোষণা করে দিলেন অমিত শাহ। বললেন, ‘‘আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে চাই, ৫ তারিখের পর বাংলা মাধ্যমে পড়া, বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে তৃণমূল। বিজেপি ক্ষমতায় এলে তা বদলে যাবে। আর কোনও কাজের জন্য কাটমানি দিতে হবে না।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা আপনাদের কাছে পরিবর্তন চেয়েছি। পরিবর্তন মানে বিধায়ক বা দল বদলে দেওয়া হয়। পরিবর্তনের অর্থ দুর্নীতি দূর করা, সিন্ডিকেট রাজ সমাপ্ত করা, প্রশাসনের উপর থেকে রাজনৈতিক চাপ তুলে দেওয়া। পুরনো নির্বাচন ভুলে যান। শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করছে কমিশন।’’

    ‘‘ঝালমুড়ি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও খান, মোদিজি খেলে আপত্তি কিসের?’’

    অমিত শাহ বলেন, ‘‘দ্বিতীয় দফার আসনগুলি আলাদা করে নয়, পুরো পশ্চিমবঙ্গই আমাদের জন্য কঠিন ছিল। আপাতত ৭৭টি আসনে আমরা বসে আছি। সরকার বিজেপি বানায় না। সরকার বানায় জনগণ। আমি সুনামি দেখতে পাচ্ছি।’’ শাহ বলেন, ‘‘কেউ গঙ্গায় নৌকাভ্রমণ করলে কেন আপত্তি? ঝালমুড়ি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও খান। মোদিজি খেলে আপত্তি কিসের?’’ শাহ আরও বলেন, ‘‘এখানে প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগেও ছিল। কিন্তু ভয় দেখিয়ে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছিল না। এ বার পুলিশ, প্রশাসন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সুরক্ষার ভাল বন্দোবস্ত করেছে। ভয়মুক্ত পরিবেশ রয়েছে। তাই আমাদের বিশ্বাস, পরিণাম আমাদের পক্ষে আসবে।’’

    ‘‘আমার জীবনের খুব বড় একটা অভিজ্ঞতা’’

    মধ্যমগ্রামের রোড-শোর কথা উঠে আসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গলায়। অমিত শাহ বলেন, ‘‘মধ্যমগ্রামের রোড শো-তে যা ভিড় হয়েছিল, আমার কল্পনার বাইরে। এত ধাক্কাধাক্কির মধ্যে এক বয়স্ক মহিলা তার মধ্যেও দাঁড়িয়েছিলেন। এটা আমার জীবনের খুব বড় একটা অভিজ্ঞতা। আমি গাড়ি থেকে নেমে তাঁর কাছে গিয়েছি। ব্যক্তিগত জীবনেও এটা অনেক বড় শক্তি জোগায়। বিরোধীদের গালিগালাজ আর গায়ে লাগে না।’’ প্রথম দফার ভোটে কোনও কোনও বুথে ইভিএম বদলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শাহ জানান, এ বিষয়ে বিজেপির প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছে এবং আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। তাঁরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন।

    ‘‘নতুন যুগের সূচনার স্পষ্ট পূর্বাভাস’’

    এর আগে, অমিত শাহ ইতিমধ্যেই শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। বাংলায় সকল ভোটারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মহোৎসবে অংশগ্রহণের সকল রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য রাজ্যের সম্মানিত ভোটারবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। বাংলার ইতিহাসে অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশন, সকল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। এটি বাংলায় সুশাসনের এক নতুন যুগের সূচনার স্পষ্ট পূর্বাভাস।’’

  • Assembly Election 2026: রেকর্ড ভোটদান, ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণ! নতুন মাইলফলক, অ্যাখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: রেকর্ড ভোটদান, ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণ! নতুন মাইলফলক, অ্যাখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের (Assembly Election 2026) নজির গড়ল পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙল বাংলা। একই সঙ্গে নির্বাচন হল মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। অভিযোগ জমা পড়ল আগের তুলনায় অনেক কম। বঙ্গে এই নির্বাচনকে নতুন মাইলফলক অ্যাখ্যা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় এসে তিনি বলেন, “গত ৫০ বছরের মধ্যে এটাই সম্ভবত সবথেকে কম হিংসার নির্বাচন।”

    কেন রেকর্ড সংখ্যক ভোট

    প্রথম দফার নির্বাচনে কয়েকটি বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। মনোজ বলেন, “এসআইআর-র ফলে মৃত ভোটার ও স্থানান্তরিত ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় নেই। এর ফলে ভোটের হার শতাংশ তো বাড়বেই। দেশব্যাপীই এই ছবি দেখা যাচ্ছে। অসম-সহ যে সব রাজ্যে সম্প্রতি ভোট হয়েছে, সেখানে ভোটদানের হার বেড়েছে। আর বাংলায় তো ভোটদানের হার সবসময়ই বেশি থাকে। এবারও বেশি থাকবে।” ২০১১ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ২০২৬ সালের প্রথম দফায় ভোটের হার। ২০১১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৪ শতাংশ। ২০১৬ সালে ভোট পড়েছিল ৮২.৬৬ শতাংশ। ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮১.৫৬ শতাংশ। এবার প্রথম দফাতে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। দ্বিতীয় দফায়ও ভোটের হার বেশি থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। শেষ তথা দ্বিতীয় দফায় ভোট রয়েছে কলকাতায়। এখানে ভোটদানের হার তুলনামূলক কম থাকে। এদিন সিইও-র কাছে জানতে চাওয়া হয়, কলকাতায় কি এবার ভোটদানের হার বেশি থাকবে? তার উত্তরে সিইও বলেন, “আমরা সবাইকে ভোটদানের আবেদন করতে পারি। কলকাতাবাসীও তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।”

    এক কথায় সফল নির্বাচন কমিশন

    নির্বাচন কমিশনের স্পেশ্যাল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, দিনভর বড় কোনও অশান্তির খবর নেই। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও তা অতীতের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুথে বুথে টহল দিচ্ছে সিআরপিএফ। এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কমিশনের কন্ট্রোল সেন্টার প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাঠে রয়েছেন ২০০ জন মাইক্রো-অবজারভার। ইভিএম সংক্রান্ত সমস্যা বা যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া মাত্রই প্রিসাইডিং অফিসারদের সক্রিয় করা হচ্ছে। এবার বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট কিংবা রক্তপাতের মতো ঘটনা প্রায় নেই বললেই চলে। ভোটারদের বিপুল অংশগ্রহণ এবং কমিশনের কড়া নজরদারি—সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সফল ও উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এক কথায় বলতে গেলে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটের দিন ১০০ তে ১০০ না হলেও ৯৫ শতাংশ সফল নির্বাচন কমিশন।

  • Assembly Election 2026: স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাসে রেকর্ড বাংলার, কত ভোট পড়ল রাজ্যে?

    Assembly Election 2026: স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাসে রেকর্ড বাংলার, কত ভোট পড়ল রাজ্যে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নতুন তথ্য অনুযায়ী, ৯২.৪৭ শতাংশ ভোট (Assembly Election 2026) পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে এবার। দুই রাজ্যের ভোটারদের কুর্নিশ জানিয়েছেন তিনি। কমিশন সূত্রে মেলা শেষ তথ্য অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ। তামিলনাড়ুতে ভোটর হার ৮৪.২৯ শতাংশ।

    স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনে রেকর্ড

    রাজ্যে যে  ১৫২ টি আসনে প্রথম দফায় ভোট হয়েছে, সেগুলিতে ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৩.২ শতাংশ। ২০২৪ সালে ৭৯.৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে এর আগে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ। স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাস বলছে এবারের মতো ভোট এর আগে কখনও দেখেনি পশ্চিমবঙ্গ। কারণ, এসআইআর পরবর্তী নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯২ শতাংশ। যা গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। এবারের ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার ছবিই বলে দেয়, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের এবারের নির্বাচন নিয়ে উৎসাহের অন্ত ছিল না।

    দেশের সব রাজ্যকে পিছনে ফেলল বাংলা

    চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পিছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট। রাত ৯টার হিসেব অনুযায়ী প্রথম দফা নির্বাচনে ৯২ শতাংশ ভোটের মধ্যে মুর্শিদাবাদে পড়েছে ৯৩ শতাংশ, বর্ধমানে পড়েছে ৮৭ শতাংশ, পশ্চিম মেদিনীপুরে পড়েছে ৯২ শতাংশ ভোট, পূর্ব মেদিনীপুরে পড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট। পুরুলিয়ায় ভোট দেওয়ার শতাংশের হার ৮৯ শতাংশ। উত্তর দিনাজপুরে ভোট পড়েছে ৯১ শতাংশ। আলিপুরদুয়ারে ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশ। বাঁকুড়ায় এই শতাংশ ৯১। বীরভূমে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ। কোচবিহারে ভোট পড়েছে ৯৫ শতাংশ। দক্ষিণ দিনাজপুরে এই হার ৯৫ শতাংশ। ৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে দার্জিলিংয়ে। জলপাইগুড়িতে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ। ঝাড়গ্রামে পড়েছে ৯২ শতাংশ ভোট। কালিম্পংয়ে পড়েছে ৮৩ শতাংশ ভোট ও মালদায় পড়েছে ৯১ শতাংশ ভোট। তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই। আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে এর কাছাকাছি হার বজায় থাকলেই পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে দিতে পারে ভোটদানের বহু নজির।

     

     

     

     

  • Assembly Election 2026: পিংলায় বুথ ছেড়ে সদলবলে ‘লাঞ্চ’ করতে গেলেন ভোটকর্মীরা, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    Assembly Election 2026: পিংলায় বুথ ছেড়ে সদলবলে ‘লাঞ্চ’ করতে গেলেন ভোটকর্মীরা, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিজার্ভ পোলিং টিমকে পাঠিয়ে সামাল দেওয়া হল পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Medinipur) পিংলা বিধানসভার ৯ নম্বর বুথের পরিস্থিতি। কাজ ছেড়ে সেই বুথের ভোটকর্মীরা খেতে গিয়েছিলেন এমনই অভিযোগ। নির্বাচনের দিন (Assembly Election 2026) মানেই বুথে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি আর ভোটকর্মীদের দম ফেলার ফুরসত নেই— এটাই হওয়ার কথা। কিন্তু বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের দিন পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Medinipur) পিংলা বিধানসভার ৯ নম্বর বুথের ছবিটা ছিল একেবারেই অন্যরকম। সেখানে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে, কিন্তু বুথের ভেতর, চেয়ার ফাঁকা! প্রিসাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার— সবাই তখন ‘মধ্যাহ্নভোজ’ সারতে বুথ ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছেন।

    কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    ঘটনাটি শুনে প্রথমে বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও, বাস্তবে এমনটাই ঘটেছিল। বুথে দীর্ঘক্ষণ কর্মীদের দেখা না পেয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধ্য হয়েই তাঁদের ফোন করেন। ওপার থেকে ভেসে এল সেই অমোঘ উত্তর— “আমরা বাইরে আছি, পরে আসছি!” যেন কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভোট নয়, পাড়ার পিকনিকে বেরিয়ে সামান্য দেরি হওয়ার কৈফিয়ত দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ওই সময় সেক্টর অফিসারও নাকি বুথের ধারেকাছে ছিলেন না। এই খবর কানে যেতেই নড়েচড়ে বসেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর তার পরেই কমিশনের কোপে পড়ে কার্যত ছিটকে গেলেন ওই বুথের ভোটকর্মীরা। প্রিসাইডিং অফিসার-সহ গোটা টিমকে তড়িঘড়ি সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    পিংলার ওসির অপসারণ দাবি শুভেন্দুর

    পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ওসি-রও অপসারণের দাবি তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari)। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পিংলা থানার ওসির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তোলেন। শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার বর্তমান ওসি চিন্ময় প্রামাণিক বিজেপির পোলিং এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দিচ্ছেন এবং শাসকদলকে মদত জোগাচ্ছেন। তিনি কড়া সুরে বলেন, “পিংলার ওসিকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করতে হবে।” এই মর্মে তিনি খোদ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ফোন করে অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও নিশ্চিত করেন। তাঁর মতে, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এমন আধিকারিকদের অবিলম্বে সরানো প্রয়োজন।

  • Assembly Election 2026: “৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না”, নির্বাচনী সভা থেকে হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: “৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না”, নির্বাচনী সভা থেকে হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটে (Assembly Election 2026) তৃণমূলের গুন্ডাদের সাহস হয়নি ভোটারদের আঙুল তুলে দেখায়। পুরশুড়ার সভা থেকে এমনই অভিমত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। বৃহস্পতিবার শাহের দু’টি জনসভা ছিল প্রথমটি হুগলির বলাগড়ে, দ্বিতীয়টি পুরশুড়ায়। সেখান থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশেও কড়া বার্তা দেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “৫ মে বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠন করার পর অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে তাড়ানো হবে। ৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না।”

    দিদির যাওয়ার সময় হয়েছে

    রাজ্যে তৃণমূলের দাদাগিরি-কে ভয় না পাওয়ার কথা বলেন শাহ। তাঁর কথায়, “মহিলা মুখ্যমন্ত্রী এ রাজ্যে। কিন্তু এখানেই মহিলাদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের বোন-মেয়েদের উপর অত্যাচার করছে। বিজেপি প্রার্থীদের জন্য নয়, অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে ভোট দিন। প্রথম দফায় দিদির কোনও গুন্ডার হিম্মত হয়নি, ভোটদারদের আঙুল তুলে দেখায়। যে ভাবে ৮০ শতাংশ ভোট (Assembly Election 2026) হয়েছে, এটাই স্পষ্ট দিদির যাওয়ার সময় হয়েছে। ৫ তারিখের পর আপনার এবং ভাইপোর সময় শেষ হবে। এখানে বিজেপির সরকার তৈরি হবে। এসআইআর ছাড়ুন। এক এক করে অনুপ্রবেশকারীকে বাইরে পাঠাব।”

    অনুপ্রবেশকারী-মুক্ত করতে ভোট দিন

    শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের থেকে মুক্ত করার জন্য ভোট দিন। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, শুধু পশ্চিমবঙ্গ থেকে নয়, অনুপ্রবেশকারীদের গোটা দেশ থেকে বেছে বেছে তাড়াবে বিজেপি। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের পশ্চিমবঙ্গের তরুণদের চাকরি খাচ্ছে। গরিবদের রেশন খাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। দেশের সুরক্ষার উপরও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। ৫ তারিখ বিজেপির সরকার গড়ে দিন। ৬ তারিখ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের পালানো শুরু হয়ে যাবে।” মহিলাদের উদ্দেশে শাহের বার্তা, ‘‘৫ তারিখের পর, সন্ধ্যা ৭টা তো দূর, মাঝরাতেও যদি কোনও অল্পবয়সি মেয়ে বাড়ির বাইরে বার হয়, তা হলেও কোনও গুন্ডার হিম্মত হবে না তার দিকে চোখ তুলে তাকানোর।’’

    সিন্ডিকেটবাজদের হুঁশিয়ারি

    এদিন মধ্যমগ্রামে রোড শো করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর আগে শাহ (Amit Shah) বলেন, “দিদি আমার কথা শুনে নিন। ৫ তারিখের পর বিজেপির সরকার আসবে। আপনার গুন্ডাদের বলবেন, নিজেদের এক্তিয়ারে থাকতে। না হলে ৫ তারিখের পর আমরা ঠিকঠাক হিসেবনিকেশ করে নেব।” হুঁশিয়ারির সুরে শাহ বলেন, “মমতাকে টাটা-বাই বাই করো, সিন্ডিকেটবাজদের উল্টো করে সোজা করা হবে।”

LinkedIn
Share