Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Assembly Election 2026: সিঙ্গেল বেঞ্চের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত, ভোটের কাজ থেকে ছাড় পাচ্ছেন না অধ্যাপকরা

    Assembly Election 2026: সিঙ্গেল বেঞ্চের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত, ভোটের কাজ থেকে ছাড় পাচ্ছেন না অধ্যাপকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) আগে বড় স্বস্তি পেল কমিশন (Election Commission)। কলেজ শিক্ষক বা অধ্যাপকদের ভোটের কাজে নিয়োগে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ, তা স্থগিত করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় গুপ্তর বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, আপাতত অধ্যাপকদের ভোটের দায়িত্ব পালনে আর কোনও আইনি বাধা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ভোটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রক্রিয়ায় সরকারি কর্মীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। অধ্যাপকরা যেহেতু সরকারি কর্মচারী হিসেবে গণ্য, তাই নির্বাচনী কাজে তাঁদের নিয়োগে আপত্তির কারণ দেখেনি আদালত। এমনকি মামলাকারীদের একাংশ ইতিমধ্যেই কমিশনের নির্দেশ মেনে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন—এটিও আদালতের নজরে এসেছে।

    কেন সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ স্থগিত

    ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ স্থগিত করার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ তুলে ধরে। আদালতের (Calcutta High Court) মতে, মামলার হলফনামায় একাধিক ত্রুটি ছিল এবং অভিযোগগুলিও যথেষ্ট যুক্তিসম্পন্ন নয়। বিশেষ করে সেক্টর অফিসার ও পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল, তা খারিজ করে দিয়েছে বেঞ্চ। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব আলাদা এবং গুরুত্বপূর্ণ। সেক্টর অফিসার বা অবজার্ভারদের ভূমিকা প্রশাসনিক, তাঁদের কোনও সরাসরি কর্তৃত্ব প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর নেই। তবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়েও কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। ঠিক কতজন শিক্ষক প্রয়োজন, তার নির্ভুল হিসেব কমিশন দিতে পারেনি বলে মন্তব্য করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে ২০২৩ সালের কমিশনের বিজ্ঞপ্তিকেই মান্যতা দেওয়া হয়েছে।

    স্থিতাবস্থা বজায় রাখার উপরই জোর

    শেষে আদালত সতর্ক করে দিয়েছে—ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এই সময় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের হস্তক্ষেপ করলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই স্থিতাবস্থা বজায় রাখার উপরই জোর দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, কয়েকজন অধ্যাপক মামলা করলেও তাঁদের একাংশ কমিশনের নির্দেশ মতো কাজ শুরু করে দিয়েছেন। গ্রুপ এ অফিসারদের আগাম যুক্তিযুক্ত কারণ না দেখিয়ে যেমন বুথে দায়িত্ব দেওয়া যায় না, তেমনই ভোটের কাজে তাঁদের কমিশনের কতটা প্রয়োজন সেটাও উপলব্ধি করতে হবে। তাঁদের যদি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয় সেটাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

  • Assembly Election 2026: কমিশনের নির্দেশে ফাঁকা দিঘা! ভোটের আগে পর্যটকহীন রাজ্যের সমুদ্রসৈকতগুলি

    Assembly Election 2026: কমিশনের নির্দেশে ফাঁকা দিঘা! ভোটের আগে পর্যটকহীন রাজ্যের সমুদ্রসৈকতগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফা ভোট গ্রহণের আগে নির্বাচন কমিশনের (Assembly Election 2026) কড়া নির্দেশে বাংলার জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতগুলো কার্যত পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে দিঘা, মন্দারমণি এবং তাজপুর থেকে পর্যটকদের ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের দাবি, পূর্ব মেদিনীপুরের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যই এই সাবধানতা। অতীতে দেখা গিয়েছে, অনেক সময় পর্যটকের ছদ্মবেশে রাজনৈতিক আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সীমান্তবর্তী বা উপকূলীয় এলাকার হোটেলগুলোতে গা ঢাকা দেয় এবং ভোটের দিন গোলমাল পাকায়। সেই সম্ভাবনাকে সমূলে বিনাশ করতেই কমিশন এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

    দীঘা-মন্দারমণি ছাড়ার নির্দেশ

    মঙ্গলবার সকাল থেকেই দিঘা এবং মন্দারমণির সৈকত সরণিতে পর্যটকদের আনন্দের বদলে বিষণ্ণতা আর উৎকণ্ঠার ছায়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) প্রথম দফার ভোট শুরু হতে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। এই স্পর্শকাতর সময়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি রুখতে এবং বহিরাগতদের মাধ্যমে নির্বাচনে কোনও প্রকার প্রভাব বিস্তার বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশন (ECI) এক কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু করে আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, শংকরপুর এবং উদয়পুর পর্যটন কেন্দ্রে কোনও বহিরাগত বা ভিন জেলার বাসিন্দা হোটেলে থাকতে পারবেন না। যারা আগে থেকেই এসে পৌঁছেছিলেন, তাঁদের মঙ্গলবার সন্ধ্যার মধ্যে হোটেল ছেড়ে নিজের গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নিরাপত্তার খাতিরেই এই ‘লকডাউন’

    মূলত পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে এই পর্যটন ক্ষেত্রগুলো পড়ে। বৃহস্পতিবার এই জেলাসহ রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। নিরাপত্তার খাতিরেই কমিশন এই ‘লকডাউন’ সদৃশ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সোমবার রাত থেকেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিঘার প্রতিটি হোটেল ও লজে নোটিশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে উপকূলবর্তী এলাকায় পুলিশের পক্ষ থেকে লাগাতার মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হয়। নির্ধারিত সময়ের পর কোনও পর্যটক হোটেলে থাকলে হোটেল মালিক এবং পর্যটক উভয়ের বিরুদ্ধেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২০২৩ সালের ২২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন পর্যটক এবং হোটেল ব্যবসায়ীরা। চৈত্র-বৈশাখ মাসের গরমে যখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় থাকার কথা, তখন সমুদ্র সৈকতগুলো এখন কার্যত জনশূন্য।

  • Amit Shah in Kurseong: গোর্খা সমস্যা সমাধান, চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, কার্শিয়াং-এর সভা থেকে উত্তরবঙ্গবাসীকে একগুচ্ছ আশ্বাস শাহের

    Amit Shah in Kurseong: গোর্খা সমস্যা সমাধান, চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, কার্শিয়াং-এর সভা থেকে উত্তরবঙ্গবাসীকে একগুচ্ছ আশ্বাস শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফা নির্বাচনের আগে মঙ্গলবার শেষলগ্নের ভোটপ্রচারে কার্শিয়াং থেকে রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Kurseong)। দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূল সরকারকে তোপ দাগেন শাহ। পাশাপাশি পাহাড়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে ৬ মাসের মধ্যে গোর্খা সমস্যার সমাধান, জিটিএ-র দুর্নীতি দূর-সহ গোর্খাদেরও একাধিক আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ এটাও জানান যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার কারণে তিনি গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

    গোর্খা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস

    বিজেপি ছাড়া আর কেউ গোর্খা সমস্যার সমাধান করতে পারবে না বলে জানান শাহ। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বুঝি। আপনাদের সমস্যাও বুঝি। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরই, ৬ মে প্রত্যেক গোর্খার মু‌খে সন্তুষ্টির হাসি থাকবে। আমরা এমন সমাধান বের করব। কংগ্রেস, তৃণমূল এরা সকলে দার্জিলিঙের সঙ্গে, আমার দেশভক্ত গোর্খা ভাইয়ের সঙ্গে অন্যায় করেছে। আমি ৯ বছর ধরে এখানে আসছি। আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি, বিজেপির সরকার গঠিত হলেই এত দিন ধরে ঝুলে থাকা গোর্খা সমস্যার সমাধান করে যাব। গোর্খাদের মতো করেই সমাধান করব। ৪ মে ফলঘোষণা হবে। ৫ মে সরকার গঠন হবে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সকল গোর্খা ভাইয়ের উপর থেকে সব মামলা প্রত্যাহার করে নেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সকলের উপর মামলা করে গোর্খা আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা হয়েছে। এই সব মামলা বিজেপির সরকার প্রত্যাহার করবে।”

    মমতাদিদিকে টাটা বাই বাই

    উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে শাহ বলেন, “আপনারা এক বার বিজেপির সরকার গঠন করে দিন। তিনটি নির্বাচন ধরে দার্জিলিং তো পদ্মফুলে ভোট দিচ্ছেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বাকি অংশ থেকে তেমন সমর্থন আসত না। এবার আমি পশ্চিমবঙ্গ ঘুরতে ঘুরতে আজ শেষ দিনে পাহাড়ে এসেছি। আমি আপনাদের বলছি, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। আমাদের উপর অত্যাচার করা মমতাদিদিকে টাটা বাই বাই করার সময় হয়ে গিয়েছে।”

    জিটিএ দুর্নীতি ও গোর্খা সেন্টিমেন্ট

    জিটিএ-র দুর্নীতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শাহ বলেন,“জিটিএ-তে চলা সমস্ত দুর্নীতির তদন্ত হবে। সুভাষ ঘিসিঙের সঙ্গে কংগ্রেস, তৃণমূল এবং কমিউনিস্টরা অন্যায় করেছে। একমাত্র বিজেপিই গোর্খাদের সমস্যার প্রকৃত সমাধান করতে পারে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা ভাইদের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হবে।” শাহ বলেন, “গোর্খাদের একটি মহান ইতিহাস রয়েছে। মমতা দিদি গোর্খাদের ইতিহাসকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছেন। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য ছ’বছরে তিন বার বৈঠক ডেকেছি। একবারও মমতার প্রতিনিধি আসেননি। মমতাদিদি, আমরা গোর্খাদের সমস্যার সমাধানের জন্য আপনার উপর নির্ভরশীল নই। এখন গোর্খাদের উপর অন্যায় বন্ধ করার সময় শুরু হচ্ছে।” বন্ধ চা বাগান নিয়েও আশ্বাস দেন তিনি।

    এসআইআর-এ নাম বাদ পড়া গোর্খাদের বার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মমতাদিদির কালেক্টর কয়েক জন গোর্খারও নাম কেটেছে। কোনও ব্যাপার না, আসন আমরাই পাব। ভোট শেষ হওয়ার পর বেছে বেছে প্রত্যেক গোর্খাকে আবার ভোটার তালিকায় জুড়বে বিজেপি।” অনুপ্রবেশ নিয়ে তাঁর গর্জন, “উত্তরবঙ্গ থেকে খুঁজে খুঁজে অনুপ্রবেশকারীদের বের করব। আপনারাই বলুন, বাংলাদেশিদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়? রোহিঙ্গাদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়? অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়?”

    মা-বোনেদের সুরক্ষিত করার ভোট

    নারী সুরক্ষা ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধে শাহ বলেন, “এটা আমাদের দুই প্রার্থীকে বিধায়ক করার ভোট নয়। এটা দার্জিলিঙের পাহাড় থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত আমাদের মা-বোনেদের সুরক্ষিত করার ভোট। মমতার রাজত্বে অনেক মা-বোনের উপর অত্যাচার হয়েছে। সন্দেশখালির ঘটনা গোটা পশ্চিমবঙ্গকে লজ্জিত করেছে। মাটিগাড়ার নির্দোষ বালিকাকে অত্যাচার, বাগডোগরার কাছে চা বাগানে আদিবাসী মহিলার সঙ্গে অত্যাচার, দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজ, সাউথ ক্যালকাটা ’ল কলেজ, আরজি করের ধর্ষণ— প্রত্যেক ধর্ষককে বেছে বেছে জেলে ঢোকাবে বিজেপি।”

    প্রসঙ্গ উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন

    এদিনের সভা থেকে উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য একগুচ্ছ ‘মেগা’ প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “উত্তরবঙ্গের জন্য মমতা সরকারের বাজেট ২,০০০ কোটি। আর মুসলিম সম্প্রদায় এবং মাদ্রাসার জন্য মমতা সরকারের বাজেট ৫,৮০০ কোটি টাকা। পুরো পাহাড়, সকল গোর্খা-আদিবাসী, গোটা উত্তরবঙ্গের জন্য ২,০০০ কোটি টাকা। আর মুসলিমদের জন্য ৫,৮০০ কোটি টাকা। ভাই-বোনেরা এই অন্যায় আর বেশিদিন চলবে না।” শাহ বলেন, “৯টির মধ্যে তিনটি বন্দেভারত ট্রেন আমরা উত্তরবঙ্গ দিয়ে চালিয়েছি। ১২,০০০ কোটি টাকার সেবক-রংপো রেললাইন প্রকল্প প্রায় শেষের মুখে। নিউ জলপাইগুড়ি রেলস্টেশনেরও বিকাশ হচ্ছে। গোর্খা ভাইদের শিলিগুড়ি থেকে বারাণসী পর্যন্ত বুলেট ট্রেনে করে কাশী-বিশ্বনাথে পৌঁছোনোর ব্যবস্থাও করছি।”

    দার্জিলিঙের জন্য বিকল্প মহাসড়ক

    শাহ বলেন, “দার্জিলিঙের জন্য একটি বিকল্প মহাসড়ক তৈরির কাজও করছে মোদি সরকার। বাগডোগরা বিমানবন্দর ৩০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে বানানো হচ্ছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাগডোগরা ভারতের সপ্তম বৃহত্তম বিমানবন্দর হয়ে যাবে। সেই মতো কাজ চালাচ্ছি আমরা। দার্জিলিংকে আমরা ভারতের ইকো অ্যাডভেঞ্চার এবং হেরিটেজ টুরিজিমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলব। ”

    চা বাগানের শ্রমিকদের আশ্বাস

    উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি সরকার গঠিত হলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এমস তৈরি হবে। ৫০০ শয্যার ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। আইআইটি, আইআইএম তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। গোর্খা তরুণদের জন্য ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়ও তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয়ও তৈরি হবে। উত্তরবঙ্গে চারটি নতুন শিল্পশহর তৈরি করব আমরা। চা বাগানে স্কুল তৈরি করব। চা বাগানের শ্রমিকদের নিজেদের জমির মালিক করা হবে, জমির পাট্টা দেওয়া হবে। দু’বছরের মধ্যে চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি (দৈনিক) ৫০০ টাকার চেয়ে বেশি করে দেব।” শাহ বলেন, “মমতা দিদি গুজব ছড়াচ্ছেন। এখন যে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে, সেগুলো নাকি বিজেপি বন্ধ করে দেবে। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, জনকল্যাণমূলক একটি প্রকল্পও বন্ধ হবে না।” তাঁর দাবি, বর্তমান জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির সঙ্গে নতুন প্রকল্পও চালু হবে।

  • West Bengal Elections 2026: প্রথম দফার ভোটগ্রহণে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ১৫২টি কেন্দ্রে মোতায়েন ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’

    West Bengal Elections 2026: প্রথম দফার ভোটগ্রহণে নিরাপত্তার কড়াকড়ি, ১৫২টি কেন্দ্রে মোতায়েন ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলিতে শান্তি বজায় রাখতে এবং যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যজুড়ে দুই হাজারেরও বেশি কুইক রেসপন্স টিম (QRT) মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য মোট ২,১৯৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ কাজ করবে। সবচেয়ে বেশি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে মুর্শিদাবাদ জেলায়। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৩ এপ্রিল মুর্শিদাবাদ জেলায় মোট ২৮৮টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে। গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন ও ভোটপরবর্তী হিংসা, পুর নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর হিংসা কবলিত এলাকার কথা মাথায় রেখে কমিশন (Election Commission India) এই বারের বিধানসভা নির্বাচনকে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশন প্রথম থেকেই জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

    দক্ষিণবঙ্গে কত টিম (West Bengal Elections 2026)?

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে, মুর্শিদাবাদকে দুই ভাগে ভাগ করে এই দল নিয়োগ করা হবে। প্রথমত, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা—সেখানে থাকবে ২১৯টি দল। অপর দিকে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলয় থাকবে ৬৯টি। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৫৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকবে। পশ্চিম মেদিনীপুরে থাকবে ২৪৮টি। বাঁকুড়ায় ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (West Bengal Elections 2026) থাকবে ১৮০টি, বীরভূমে ১৬১টি, মালদায় ১৫৭টি, পুরুলিয়ায় ১৩৯টি, কোচবিহারে ১৩৩টি, আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটে ১১৩টি। বাকি জেলাগুলিতে ১০০-র নীচে ‘কুইক রেসপন্স টিম’-এর সংখ্যা থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে কত কুইক রেসপন্স টিম

    কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে জলপাইগুড়িতে ৮৩টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (West Bengal Elections 2026) থাকবে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ৭৫টি, আলিপুরদুয়ারে ৭০টি, ঝাড়গ্রামে ৬৬টি, দার্জিলিঙে ৫২টি, শিলিগুড়িতে ৩৯টি এবং কালিম্পঙে ১৭টি ‘কুইক রেসপন্স টিম’ দায়িত্বে থাকবে। উত্তর দিনাজপুর জেলাকেও মুর্শিদাবাদের মতো দুই পুলিশ জেলায় ভাগ করে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ মোতায়েনের কথা জানিয়েছে কমিশন। একটি ইসলামপুর ও অন্যটি রায়গঞ্জ পুলিশ জেলা। এই দুই জায়গায় যথাক্রমে ৫৪ এবং ৭৫টি করে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ থাকছে ভোটের দিনে।

    ৮ থেকে ১০টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে একটি সেক্টর অফিস

    ভোটে নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) কমিশন (Election Commission India) শুধু ‘কুইক রেসপন্স টিম’ নয়, ভোটের জন্য কোথায় কত সেক্টর অফিস তৈরি করছে কমিশন, তার হিসাবও দিয়েছে। সাধারণত ৮ থেকে ১০টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে একটি সেক্টর অফিস তৈরি হয়। সেই হিসাবে দার্জিলিঙে অফিস হচ্ছে ১২৯টি, শিলিগুড়িতে ৯৫টি, কালিম্পঙে ৫৫টি, জলপাইগুড়িতে ১৮৯টি, আলিপুরদুয়ারে ১৩৫টি, কোচবিহারে ২৪৩টি, ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৯৪টি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ১১০টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১৪৬টি, মালদায় ২৬১টি, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৪৩টি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ৩৯৩টি টিম থাকবে। এছাড়া, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪৩০টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩৮০টি, ঝাড়গ্রামে ১২৯টি, বাঁকুড়ায় ৩৮০টি, পুরুলিয়া ২৯৭টি, বীরভূমে ২৮৩টি এবং আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটে ২১৫টি সেক্টর অফিস থাকবে।

    নির্বাচন হিংসা মুক্ত করাই কমিশনের একমাত্র উদ্দেশ্য

    ভোট (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন কোনও বুথে অশান্তি বা কারচুপির অভিযোগ এলে এই বিশেষ দলগুলি অতি দ্রুত সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভৌগোলিক অবস্থান এবং সংবেদনশীলতা বিচার করে এই দলগুলিকে কৌশলগতভাবে মোতায়েন করা হয়েছে। যে কোনও মূল্যে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন হিংসা মুক্ত করাই কমিশনের একমাত্র উদ্দেশ্য। তাই পরিকল্পনা করে সংবেদনশীল এলাকার কথা ভেবে সমস্ত বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সমন্বয়

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথম দফায় সমগ্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ভোটগ্রহণ করা হবে। এই দফায় দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা। পাশাপাশি জঙ্গলমহলের বেশকিছু জেলায় প্রথম দফায় নির্বাচন সম্পন্ন হবে।  ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদে এই দফাতেই ভোট গ্রহণ হবে। অন্য দিকে, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে। এই ১৬টি জেলায় ভোটের দিন যাতে সাধারণ জনতা নিজেদের ভোট নিজেরা দিতে পারেন এবং ভয় মুক্ত পরিবেশ থাকে সেই দিকের কথা মাথায় রেখে সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ভোট ভয় বা প্রলোভনের ঊর্ধ্বে

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের মধ্যে সঠিক সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করবে এই কুইক রেসপন্স টিমগুলো। নির্বাচন কমিশনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের মনে নিরাপত্তার বোধ জাগ্রত করা, যাতে তাঁরা কোনও ভয় বা প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থেকে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। প্রথম দফার এই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় আগামী দফার ভোটগুলোর জন্যও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভোটকে যথার্থ গণতন্ত্রের উৎসব হিসেবে তুলে ধরাই কমিশনের একমাত্র লক্ষ্য। প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল হবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। গণনা হবে ৪ মে।

  • Assembly Elections 2026: আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ! পুলিশকে হুঁশিয়ারি, সিভিক ভলান্টিয়রদের কী বলল কমিশন?

    Assembly Elections 2026: আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ! পুলিশকে হুঁশিয়ারি, সিভিক ভলান্টিয়রদের কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন (Assembly Elections 2026) করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। ভোটের আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফ থেকে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করা হল। রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, ভোটের তিন দিন আগেই এই কর্মীদের ‘রিজার্ভ লাইনে’ পাঠিয়ে দিতে হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যাতে তাঁদের কোনওভাবেই ব্যবহার করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন সরানো হচ্ছে সিভিকদের

    কমিশনের (Election Commission) আশঙ্কা, এই কর্মীরা যদি ভোটের দিন ইউনিফর্ম পরে কর্তব্যরত থাকেন, তবে তাঁরা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন বা পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠতে পারে। তাই শুধু রিজার্ভ লাইনে পাঠানোই নয়, স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের দিনগুলোতে (Assembly Elections 2026)যদি বিশেষ প্রয়োজনে তাঁদের মোতায়েন করতেই হয়, তবে কোনওভাবেই পুলিশের পোশাক বা ইউনিফর্ম পরা যাবে না। তাঁদের সাধারণ পোশাকে থাকতে হবে। ভোটের কয়েকদিন আগে এই নির্দেশিকা জারি করে কমিশন বার্তা দিল, কোনও অবস্থাতেই যাতে ভোটারদের ওপর কোনো প্রকার প্রভাব বিস্তার না করা হয়।

    পুলিশ আধিকারিকদের বার্তা

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রে খবর, বিভানসভা ভোটপর্ব (Assembly Elections 2026) শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের তরফে বিভিন্ন থানার ওসি এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও)-দের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে, ভোট-সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন। কর্তব্যে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করবে বলে বার্তা দিয়ে কমিশনের (Election Commission) হুঁশিয়ারি— আইন ভাঙার ঘটনায় জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা এসডিপিও-কে বরখাস্ত করা হতে পারে। ভোটের সময় বোমা বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়ে কমিশন বার্তা দিয়েছে, গুরুতর অশান্তির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হতে পারে! অর্থাৎ ভোটে অশান্তির ঘটনা ঘটলে তার মূল দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে।

  • West Bengal Elections 2026: রাজ্যের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক করেছে কে? বহিরাগত করার দায় একমাত্র মমতা সরকারের, তৃণমূলকে তোপ শমীকের

    West Bengal Elections 2026: রাজ্যের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক করেছে কে? বহিরাগত করার দায় একমাত্র মমতা সরকারের, তৃণমূলকে তোপ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রেক্ষাপটে ‘বহিরাগত’ ভোটার ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন উত্তপ্ত। তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কর্মসংস্থান বা অন্য কারণে বাইরে থাকা রাজ্যের বাসিন্দাদের ‘বহিরাগত’ তকমা দেওয়া অনভিপ্রেত।”

    বাংলার সন্তানরা বহিরাগত নন (West Bengal Elections 2026)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “বাংলার যে সমস্ত ভূমিপুত্র কাজের তাগিদে ভিন রাজ্যে থাকেন এবং ভোটের সময় নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যারা বাড়ি ফেরেন, তারা কোনোভাবেই বহিরাগত নন। ভোটে (West Bengal Elections 2026) তাঁদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে।”

    ভয় প্রদর্শনের অভিযোগ

    শাসকদল সাধারণ ভোটারদের মনে বিভ্রান্তি এবং ভয় তৈরি করার চেষ্টা করছে বলে শমীক পালটা অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “এটি ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার একটি অপকৌশল মাত্র। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে শিল্প, কলকারখানা এবং বিনিয়োগ আনতে ব্যর্থ। রাজ্যে বেকারত্ব চরম সীমায়। লক্ষ লক্ষ মানুষকে পরিযায়ী করেছে তৃণমূল সরকার।”

    সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা

    রাজ্যসভাপতি শমীক এদিন স্মরণ করিয়ে দেন যে, ভারতের যেকোনো প্রান্তে বসবাসকারী নাগরিকের নিজ রাজ্যে ভোটাধিকার (West Bengal Elections 2026) প্রয়োগ করার পূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। একে কেন্দ্র করে বিভাজনের রাজনীতি করা উচিত নয়। নির্বাচনী আবহে এই বহিরাগত ইস্যুটি সবসময়ই অত্যন্ত স্পর্শকাতর। শমীক ভট্টাচার্যের এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রবাসী বাঙালিদের সমর্থনকে নিশ্চিত করতে চাইছে, যারা ভোটের সময় রাজ্যে ফেরেন। অন্যদিকে, এই বাদানুবাদ রাজ্যের রাজনৈতিক তরজা আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

  • West Bengal Elections 2026: “গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে”, নানুরে সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ রাজনাথের

    West Bengal Elections 2026: “গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে”, নানুরে সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এই প্রেক্ষাপটে বীরভূমের নানুরে এক জনসভায় দাঁড়িয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল মানে হল ‘টোটাল মিসরুল অ্যান্ড করাপশন, সম্পূর্ণ অপশাসন ও দুর্নীতি ‘মা-মাটি-মানুষ’ আজ তৃণমূলের হাতে চরমভাবে বঞ্চিত।”

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি (West Bengal Elections 2026)

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) অভিযোগ করেন যে, রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা জনকল্যাণের চেয়ে ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থপূরণেই বেশি ব্যস্ত। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান বলেন, “জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে কেন্দ্র নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না। জোড়া ঘাসফুল হবে ছারখার। দুর্নীতি থাকবে না আর। ফুটবে এবার পদ্মফুল, এক নতুন বাংলা (West Bengal Elections 2026) গড়বে ফুল। বিজেপি ক্ষমতায় এলেই এইসব গুন্ডাদের সিধে করে দেওয়া হবে। একবার বাংলায় আমাদের সরকার হতে দিন, গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে!”

    শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষা

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নানুরের সংবেদনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তিনি দলীয় কর্মীদের নির্ভয়ে কাজ করার সাহস জোগান রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারী ইস্যু থেকে শুরু করে তোষণনীতি এবং নিয়োগ দুর্নীতি চরম সীমায়। অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দিয়ে তৃণমূল শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের ক্ষতি করছে। এই সরকারের অপশাসনের কারণেই বাংলার মেধাবী যুবকদের আজ কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম অরাজকতা

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “বাংলা একসময় দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথপ্রদর্শক ছিল, কিন্তু বর্তমানে এখানে অরাজকতা বিরাজ করছে।” তিনি রাজ্যের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য বিজেপিকে জয়ী করার আহ্বান জানান। নানুর অঞ্চলটি বীরভূমের রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেখান থেকে রাজনাথ সিংয়ের এই ‘কড়া বার্তা’ রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে আক্রমণই করেননি, বরং ভোটারদের সামনে একটি বিকল্প শাসনব্যবস্থার রূপরেখাও তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনী প্রচার এখন ব্যাপক ভাবে জমজমাট।

  • Election Commission India: “সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকারে না”, মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ প্রিসাইডিং অফিসারদের

    Election Commission India: “সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকারে না”, মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ প্রিসাইডিং অফিসারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) অবাধ ও স্বচ্ছ করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) একগুচ্ছ নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এবারের নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য ‘আন্ডারটেকিং’ বা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা অতীতে সচরাচর দেখা যায়নি। এই নির্দেশিকা কমিশনের পক্ষ থেকে জারি করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত, অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

    অঙ্গীকারনামা গ্রহণ (Election Commission India) 

    কমিশন জানিয়েছে, ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আগে ২০ মিনিট থেকে আধঘণ্টার একটি ট্রেনিং হবে। ট্রেনিংয়ের পর প্রিসাইডিং অফিসারদের অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। সব কাগজপত্র বুঝে নিয়েছেন কি না, যা প্রশিক্ষণ দরকার ছিল তা পেয়েছেন কিনা, সেটাই মুচলেকায় লিখে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্দেশিকায় আরও জানিয়েছে, প্রিসাইডিং অফিসারদের ডিউটি সংক্রান্ত নির্দেশ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে। তারপর ব্রিফিং শেষে অফিসারদের একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সই করতে হবে। ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) শুরুর আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের এই মর্মে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে, তারা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এবং কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে দায়িত্ব পালন করবেন।

    স্বচ্ছতা বজায় রাখা

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বুথের ভেতর কোনও প্রকার অনিয়ম বা ছাপ্পা ভোটের ঘটনা ঘটলে, তার দায়ভার সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর বর্তাবে। এই অঙ্গীকারনামাটি মূলত আইনি রক্ষাকবচ এবং সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। এই মর্মে স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্বাচন করতে হবে। এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) লক্ষ্য হলো ভোট প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র ত্রুটি বা পক্ষপাতের অবকাশ না রাখা। কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতেই এই প্রশাসনিক কড়াকড়ি। মূলত ভোটের ময়দানে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং ভোটকর্মীদের (West Bengal Elections 2026) দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই কমিশন এই প্রথা চালু করছে। এর ফলে মাঠপর্যায়ের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর নৈতিক ও আইনি চাপ উভয়ই বৃদ্ধি পাবে, যা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের সহায়ক হতে পারে।

  • West Bengal Elections 2026: “গত ১৫ বছরে জনসম্পদ আত্মসাৎ ও লুটপাটে পিএইচডি করেছে তৃণমূল”, জনসভায় আক্রমণ মোদির

    West Bengal Elections 2026: “গত ১৫ বছরে জনসম্পদ আত্মসাৎ ও লুটপাটে পিএইচডি করেছে তৃণমূল”, জনসভায় আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রাক্কালে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক জনসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়ে তিনি এক বিশেষ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে এই শাসনকালকে বিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, গত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস জনকল্যাণমূলক কাজের পরিবর্তে জনসম্পদ আত্মসাৎ এবং ‘লুটপাট’-এ এক প্রকার পিএইচডি অর্জন করেছে। তাই পরিবর্তন চাই বাংলায়।”

    একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ

    রাজ্যের নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) প্রচারে এসে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শিক্ষক নিয়োগ, মিড-ডে মিল, একশো দিনের কাজ (MGNREGA) এবং ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ত্রাণ তহবিলের মতো একাধিক সংবেদনশীল বিষয়ে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, তৃণমূলের মূল আদর্শ মা-মাটি-মানুষ আজ তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত। তিনি দাবি করেন, এই সরকার বর্তমানে কেবল অনুপ্রবেশকারী এবং ভোটব্যাংক রক্ষার স্বার্থে কাজ করছে। তিনি সাফ কথায় বলেন, “তৃণমূলের এই নির্মম শাসনে স্কুল শিক্ষক নিয়োগে লুট হয়েছে। শিশুদের মিড-ডে মিলের টাকায় লুট। মনরেগার কাজে লুট। গরিবদের বাড়ির জন্য আসা টাকায় লুট। গ্রামের রাস্তা তৈরিতে লুট। সাইক্লোন ত্রাণের টাকায় লুট। ১৫ বছরে ওরা লুটপাটে পিএইচডি করে ফেলেছে।”

    রাজনৈতিক খুন, অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত

    মেদিনীপুরের এই বিশাল সমাবেশ থেকে তিনি রাজ্যের যুবসমাজ ও মহিলাদের আশ্বস্ত করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির সাথে যুক্ত কাউকেই রেয়াত করা হবে না এবং জনগণের লুণ্ঠিত অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনকালকে ‘মহা জঙ্গলরাজ’ বলে অভিহিত করেছেন মোদি। তিনি বলেন, “দাঙ্গা, রাজনৈতিক খুন, অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত এবং মহিলাদের উপর অত্যাচার চরম সীমায়। মা, মাটি, মানুষ—তৃণমূল কাউকেই ছাড়েনি। আমি এবার দেখছি, বাংলার নির্বাচন বিজেপি লড়ছে না, বিজেপির প্রার্থী বা কর্মীরা লড়ছে না… এই নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) লড়ছে আমার বাংলার মানুষ… আর সেই কারণেই আজ তৃণমূলের গুন্ডারা ভয়ে কাঁপছে।”

    লুটেরাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের এই নির্বাচনী জনসভা (West Bengal Elections 2026) থেকে স্বচ্ছ প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন। মোদি (PM Modi) বলেন, “আমি আশ্বস্ত করতে চাই বিজেপি সবকা সাথ, সবকা বিকাশ-এর পথেই চলবে, কিন্তু আগ্রাসনকারী ও লুটেরাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি বাংলার যুবকদের আশ্বস্ত করতে চাই যে বিজেপি সরকার রোজগার মেলার মাধ্যমে ভাতা এবং নিয়োগপত্র দেবে। তবে, যারা হাজার হাজার যুবকের সঙ্গে অবিচার করেছে, তাদের ছাড়া হবে না। আমি সমস্ত তৃণমূলের গুন্ডা, সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতিগ্রস্তদের শেষ সুযোগ দিচ্ছি। ২৯ এপ্রিলের আগে নিকটতম থানায় আত্মসমর্পণ করুন। ৪ মে-র পর কাউকে ছাড়া হবে না। বিষ্ণুপুরের মাফিয়া এবং তৃণমূলের সিন্ডিকেট, মন দিয়ে শুনুন, এটা আর বরদাস্ত করা হবে না।”

  • Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Dinesh Trivedi: বাংলাদেশে ভারতের নয়া হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী! সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের সাংসদ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে (Dinesh Trivedi) বাংলাদেশে (Bangladesh) পাঠানো হচ্ছে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে। দীর্ঘ সময় পর প্রতিবেশী দেশে এই প্রথম রাজনৈতিক নিয়োগ হিসেবে ত্রিবেদী দায়িত্ব নেবেন। তিনি পেশাদার কূটনীতিক প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রণয়কে পাঠানো হচ্ছে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে। ঢাকার তারেক রহমান সরকারের কাছ থেকে ত্রিবেদীর জন্য সম্মতি চাওয়া হবে। বছর পঁচাত্তরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে পাঠানোর এই সিদ্ধান্ত বিদেশমন্ত্রকের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা দেয়।

    ত্রিবেদীর অভিজ্ঞতা (Dinesh Trivedi)

    ইউপিএ আমলে ত্রিবেদী রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তখন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল ছাড়েন, যোগ দেন বিজেপিতে। বস্তুত, ত্রিবেদীর এই নিয়োগ এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ মহঃ ইউনূস জমানার সঙ্কটের পর সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার অপসারণের পর সংঘটিত অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ আন্দোলনকারীদের (Dinesh Trivedi) ওপর গুলি চালাতে অস্বীকার করেছিল।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    মার্কিন সমর্থিত ইউনূসের সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সংখ্যালঘুদের (হিন্দু-সহ আরও কয়েকটি ধর্ম) বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হিংসায় লাগাম টানতে ব্যর্থ হয় তাঁর সরকার। দীনেশ ত্রিবেদীর নিয়োগ থেকে এটা স্পষ্ট যে, মোদি সরকার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলিতে রাজনৈতিক নেতাদের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠাতে আপত্তি করছে না, এবং এই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি আর শুধুমাত্র ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার কর্তাদের জন্য সংরক্ষিত নয় (Bangladesh)। এর আগে প্রাক্তন সেনাপ্রধান দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ত্রিবেদীর ঢাকায় নিয়োগ এই ইঙ্গিত দেয় যে, ভারত এখন প্রতিবেশী দেশগুলিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের দূত হিসেবে পাঠাবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর ফলে অন্তত ভারতীয় উপমহাদেশে শুধু ভালো সময়ের রাষ্ট্রদূত পাঠানোর যুগ শেষ হয়ে এসেছে (Dinesh Trivedi)।

LinkedIn
Share