Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • BLA: বিএলএ কর্তৃক নৌ-শাখা ‘এইচএমডিএফ’ গঠনের ঘোষণা; পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের নৌকায় হামলার ভিডিও এবার প্রকাশ্যে

    BLA: বিএলএ কর্তৃক নৌ-শাখা ‘এইচএমডিএফ’ গঠনের ঘোষণা; পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের নৌকায় হামলার ভিডিও এবার প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তনের পাকসেনা বিরোধী বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের একটি নতুন নৌ-শাখা গঠনের ঘোষণা দিয়েছে, যার নাম রাখা হয়েছে ‘হাবিল মারি ডিফেন্স ফোর্স’ (HMDF)। এই ঘোষণার পাশাপাশি তারা পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের একটি নৌকায় হামলার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে।

    নতুন নৌ-শাখা (BLA)

    বিএলএ-এর (BLA) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের এই বিশেষ শাখাটি সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে পাকিস্তানি নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের গতিবিধি (HMDF) লক্ষ্য করে কাজ করবে। বালুচিস্তানের সমুদ্র সম্পদ রক্ষা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর আধিপত্য কমানোই এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য বলে তারা দাবি করেছে।

    কোস্ট গার্ডের ওপর হামলা

    বিএলএ-এর (BLA) প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সমুদ্রের মাঝে পাকিস্তানি কোস্ট গার্ডের একটি টহলদারি নৌকায় (HMDF) অতর্কিত হামলা চালানো হচ্ছে। ভিডিওতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ এবং নৌকায় থাকা পাকিস্তানি সেনাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

    ভিডিওর সত্যতা

    প্রতিবাদী বিএলএ গোষ্ঠীর তরফে দাবি করেছে যে, এই হামলাটি তাদের নবগঠিত নৌ-শাখা এইচএমডিএফ-এর দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই ভিডিও বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    নিরাপত্তা উদ্বেগ

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএলএ-এর (BLA)  এই নতুন নৌ-শাখা গঠন পাকিস্তানি নৌবাহিনীর জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে করাচি এবং গোয়াদর বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বালুচিস্তান অঞ্চলে গত কয়েক দশকে বিদ্রোহ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন তীব্রতর হয়েছে। বিএলএ প্রায়শই পাকিস্তানের পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার দায় স্বীকার করে থাকে। এবারের নৌ-শাখা (HMDF) গঠনের ঘোষণা এই লড়াইকে সমুদ্র পর্যন্ত বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: “আইনসভাগুলোতে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা একান্ত জরুরি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন ডঃ বি.আর. আম্বেদকরের ১৩৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন এবং এই বিশেষ দিনটিতে আইনসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বাস্তবায়নের (Women In legislative Bodies) পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মতে, ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে আইনসভাগুলোতে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো অপরিহার্য।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (টুইটার) একটি চিঠির মাধ্যমে বলেন, “১৪ এপ্রিল ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। জাতি গঠনে বাবাসাহেব আম্বেদকরের অসামান্য অবদান এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের (Women In legislative Bodies) প্রতি তাঁর অঙ্গীকার আজও দেশকে পথ দেখাচ্ছে।

    নারী শক্তির জয়গান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বিভিন্ন ক্ষেত্রে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, সিনেমা, এমনকি স্টার্টআপ এবং বিজ্ঞানের জগতেও মহিলারা আজ নেতৃত্বের ভূমিকায় রয়েছেন।

    খেলাধুলায় বিপ্লব

    মোদী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় মহিলা ক্রীড়াবিদরা রেকর্ড ভাঙছেন এবং পুরনো ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। তাঁদের এই সাফল্য কোটি কোটি তরুণীকে অনুপ্রাণিত করছে।

    আইনসভায় সংরক্ষণ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, মহিলারা যখন সব ক্ষেত্রে সফল হচ্ছেন, তখন আইনসভাগুলোতেও তাঁদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা অত্যন্ত স্বাভাবিক এবং জরুরি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১০০ বছর আগে আমেদাবাদ মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি থাকাকালীন সরদার প্যাটেল মহিলাদের (Women In legislative Bodies) জন্য আসন সংরক্ষণের কাজ শুরু করেছিলেন।

    নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম

    আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে এই গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনী নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং বিধানসভা নির্বাচনগুলো যেন মহিলা সংরক্ষণ মেনেই অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, “ভারতের কন্যারা (Women In legislative Bodies) তাদের ন্যায্য অধিকারের জন্য আর অনন্তকাল অপেক্ষা করতে পারে না।”

    বিকশিত ভারত ২০৪৭

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার যে স্বপ্ন দেশ দেখছে, তা অর্জনে দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা অর্থাৎ মহিলাদের নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। মহিলারা যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী পর্যায়ে থাকবেন, তখনই গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত হবে।

    সব দলের প্রতি আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে এই বিল বাস্তবায়নে সমর্থনের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি দেশের মহিলাদের প্রতিও অনুরোধ করেছেন যাতে তাঁরা তাঁদের স্থানীয় সাংসদদের চিঠি লিখে এই ঐতিহাসিক সংসদীয় অধিবেশনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আগামী উৎসবের মরসুমের জন্য দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

  • PM Modi: প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন

    PM Modi: প্রথম বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর মোদির ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র বালেন শাহ (Nepal PM Balendra) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভারত সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। একদিকে যখন তিনি নেপালের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে ভিআইপি সংস্কৃতি, আমলাতন্ত্র ও শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ করতে ১০০ দফার এক আমূল পরিবর্তনকারী কর্মসূচি শুরু করেছেন, ঠিক তখনই এই কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা সামনে এল।

    বালেন শাহের প্রথম বড় সফর (PM Modi)

    নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, “নেপাল সরকার এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে এবং দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রক এখন এই সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।” দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হবে বালেন শাহের প্রথম বড় কোনো বৈদেশিক বা কূটনৈতিক সফর। এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল “প্রচণ্ড” ভারত সফর করেছিলেন।

    নেপালে আমূল সংস্কারের উদ্যোগ

    ভারত সফরের (PM Modi) প্রস্তুতির পাশাপাশি কাঠমাণ্ডুতে নতুন সরকার বেশ কিছু বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠন থাকতে পারবে না। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে সমস্ত দলীয় ছাত্রসংগঠন ভেঙে দিয়ে সেগুলোর পরিবর্তে অরাজনৈতিক ‘স্টুডেন্ট কাউন্সিল’ বা ‘ভয়েস অফ স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম গঠন করতে হবে।

    ভিআইপি সংস্কৃতি নির্মূল

    সরকারি অফিস থেকে রাজনৈতিক নেতাদের ছবি সরিয়ে ফেলা এবং ব্যক্তিগত সংবাদমাধ্যমে সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় হ্রাস

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমিয়ে ১৭টি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী ও মন্ত্রীদের সন্তানদের বাধ্যতামূলকভাবে সরকারি স্কুলে পাঠাতে হবে।

    স্বাস্থ্য ও পরিষেবা

    গরিবদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে ‘জিরো পেন্ডিং ফাইল’ অভিযান শুরু হয়েছে।

    বালেন শাহ স্পষ্ট জানিয়েছেন, “স্কুল ও কলেজগুলো আর রাজনীতির আখড়া হিসেবে ব্যবহৃত হবে না, বরং সেগুলো শুধুমাত্র শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হবে।”

    ভারতের সাথে সম্পর্ক

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) গত মাসে বালেন শাহকে (Nepal PM Balendra) সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং ভারত-নেপাল বন্ধুত্বকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করেছিলেন। নেপাল সরকারের এই সফরের সিদ্ধান্তকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জোয়ারের মূলে মোদি-পুষ্করসিং ধামির ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    Uttarakhand: উত্তরাখণ্ডে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের জোয়ারের মূলে মোদি-পুষ্করসিং ধামির ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় গত চার বছরে উত্তরাখণ্ডের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো এক অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে। বিজেপির তরফে দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশনায় এবং উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামির নেতৃত্বে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর ধারণাটি বাস্তবে রূপায়িত হয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় রাজ্যে ২ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ চলছে।

    যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি (Uttarakhand)

    উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand) রাস্তা, রেল এবং আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর সরকারে। চারধাম যাত্রাকে সহজতর করতে ‘অল-ওয়েদার রোড’ প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। পাশাপাশি, দিল্লি-দেরাদুন এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ায় রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন এসেছে। সিতারগঞ্জ-তানাকপুর, পাওন্টা সাহেব-দেরাদুন এবং ঋষিকেশ-ভানিয়াওয়ালা সহ একাধিক বাইপাস ও সংযোগকারী রাস্তার কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে।

    রেল ও আকাশপথের উন্নয়ন

    ঋষিকেশ-কর্ণপ্রয়াগ রেল প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের মুখে। এছাড়া, ৪৮,০০০ কোটি টাকার তানাকপুর-বাঘেশ্বর রেললাইনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের ১১টি রেল স্টেশনকে আধুনিক করা হচ্ছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর মদতে।

    আকাশপথ

    গত চার বছরে জলি গ্রান্ট, পন্তনগড় এবং পিথোরাগড় (Uttarakhand) বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের আওতায় ১৮টি হেলিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে, যার মধ্যে ১২টিতে ইতিমধ্যে পরিষেবা শুরু হয়েছে। ২০২১-২২ সালে যেখানে হেলিপ্যাডের সংখ্যা ছিল ৬০, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮-তে।

    পর্যটন ও রোপওয়ে

    ‘পর্বতমালা’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রোপওয়ে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে রানিবাদ-নৈনিতাল, ঋষিকেশ-নীলকণ্ঠ মহাদেব (Uttarakhand) এবং গৌরিকুণ্ড-কেদারনাথ ধাম রোপওয়ে অন্যতম। কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ ধামের পুনর্গঠনের কাজও দ্রুত চলছে। কুমায়ুন অঞ্চলের মন্দিরগুলোর উন্নয়নে ‘মানসখন্ড মন্দির মালা মিশন’ শুরু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য ও শিক্ষা

    স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কিচ্ছাতে এইমস (AIIMS) স্যাটেলাইট সেন্টারের (Uttarakhand) কাজ শুরু হয়েছে এবং এইমস ঋষিকেশে ভারতের প্রথম হেলিকপ্টার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির জন্য রাজ্যের ২২৬টি স্কুলকে ‘পিএম শ্রী’ (PM SHRI) স্কুল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

    শিল্প ও অন্যান্য প্রকল্প

    উধম সিং নগরে (Uttarakhand) একটি স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া ভারত-সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর উন্নয়নের জন্য ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এর অধীনে পরিকাঠামো সম্প্রসারণ করা হচ্ছে “ডাবল ইঞ্জিন সরকার” (Double Engine Government)-এর মদতে। যমরানি ও লাখওয়ারের মতো বড় বাঁধ প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে পানীয় জল ও সেচ ব্যবস্থারও উন্নতি ঘটানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে, কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উত্তরাখণ্ড উন্নয়নের এক নতুন শিখরে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে।

  • Ambedkar jayanti: ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী, বিশ্বজনীন মর্যাদার জন্য ভ্রাতৃত্বমূলক সাম্য

    Ambedkar jayanti: ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী, বিশ্বজনীন মর্যাদার জন্য ভ্রাতৃত্বমূলক সাম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ই এপ্রিল ভারতজুড়ে পালিত হচ্ছে বাবাসাহেব ডঃ বিআর আম্বেদকরের জন্মজয়ন্তী (Ambedkar jayanti)। ভারতের সংবিধানের প্রধান স্থপতি হিসেবেই শুধু নয়, আধুনিক গণতন্ত্রের অন্যতম গভীর নৈতিক চিন্তাবিদ হিসেবে বাবাসাহেবকে আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে সারা দেশ। তার জীবন ছিল সমাজের প্রান্তিক মানুষের মর্যাদা রক্ষার এক নিরলস সংগ্রাম। সামাজিক সমরসতা এবং ন্যায় বিচারের (Equality For Universal) জন্য আজীবন কাজ করে গিয়েছেন বাবা সাহেব।

    আম্বেদকরের দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক গণতন্ত্র (Ambedkar jayanti)

    আম্বেদকরের (Ambedkar jayanti) চিন্তাধারা কেবল সংবিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, রাজনৈতিক গণতন্ত্র কখনওই সামাজিক গণতন্ত্র ছাড়া স্থায়ী হতে পারে না। স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্ব (Fraternity) — এই তিনটি আদর্শ একে অপরের পরিপূরক। এর মধ্যে ‘ভ্রাতৃত্ব’ বা বন্ধুত্থ-কেই তিনি সবথেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর মতে, ভ্রাতৃত্বই পারে অধিকারকে (Equality For Universal) সম্পর্কের রূপ দিতে এবং সহাবস্থানকে একটি প্রকৃত সমাজে পরিণত করতে।

    আম্বেদকর এবং উপাধ্যায়ের ভাবনার মেলবন্ধন

    প্রতিবেদনটিতে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘অন্ত্যোদয়’ (Antyodaya) ভাবনার সঙ্গে আম্বেদকরের দর্শনের এক গভীর সংযোগের কথা বলা হয়েছে। অন্ত্যোদয়ের মূল কথা হলো — সমাজের শেষ ব্যক্তিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

    আম্বেদকর: গুরুত্ব দিয়েছেন ‘ন্যায়’-এর (Equality For Universal) ওপর, যাতে আইন ও সংস্কারের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষ মর্যাদা পায়।

    উপাধ্যায়: জোর দিয়েছেন ‘সংবেদন’-এর ওপর, যাতে সমাজের শেষ ব্যক্তিটি কেবল সরকারি সুরক্ষা নয়, বরং সামাজিক স্নেহ ও মমতায় সিক্ত হয়।

    এই দুই মহান চিন্তাবিদের দর্শনই এক জায়গায় মিলেছে — তা হলো সমাজের সবথেকে নিচু স্তরের মানুষের উন্নয়ন। তাদের মতে, কোনো সমাজ যদি তার একটি অংশকে পেছনে ফেলে রাখে, তবে সেই উন্নয়ন কখনোই নৈতিকভাবে বৈধ হতে পারে না।

    বর্তমান ভারতের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা

    সমকালীন ভারতে এই দুই দর্শনের সমন্বয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে চ্যালেঞ্জটি কেবল অর্থনৈতিক বৃদ্ধির নয়, বরং সেই উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) এবং মানবিক করে তোলা। সমাজের প্রান্তিক স্তরে থাকা ব্যক্তির মর্যাদা নিশ্চিত করাই হলো আমাদের গণতন্ত্রের আসল পরীক্ষা।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে বাবাসাহেবের (Ambedkar jayanti) উত্তরাধিকার আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সাম্য যেন কেবল খাতা-কলমে না থাকে, বরং তা যেন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তবায়িত হয়। ন্যায়বিচার (Equality For Universal) যখন মর্যাদাকে পুনরুদ্ধার করে এবং অন্ত্যোদয় যখন সেই মর্যাদাকে শেষ ব্যক্তিটির কাছে পৌঁছে দেয়, তখনই একটি প্রকৃত ভ্রাতৃত্ববোধ সম্পন্ন মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে।

    আজকের এই দিনে বাবাসাহেবের দেখানো পথে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের সমাজ গড়ার অঙ্গীকারই হোক আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপির অন্যতম প্রধান তারকা প্রচারক যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের কড়া সমালোচনা করে তিনি এই নির্বাচনকে ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    তোষণ রাজনীতির অভিযোগ (West Bengal Elections 2026)

    উত্তরবঙ্গে (West Bengal Elections 2026)  এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) অভিযোগ করেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভোটব্যাংকের রাজনীতির স্বার্থে নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে তোষণ করছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসনের পরিবর্তে অরাজকতা চলছে। তোষণ নীতির কারণে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।” তিনি আরও দাবি করেন, “উত্তরপ্রদেশে যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ নীতি প্রয়োগ করে শান্তি ফেরানো হয়েছে, সেখানে বাংলায় অপরাধীরা শাসকদলের মদত পাচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম দুর্নীতি

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রূপায়ণে রাজ্য সরকারের অনীহার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের জন্য আয়ুষ্মান ভারত বা পিএম আবাস যোজনার মতো যে সব উন্নয়নমূলক প্রকল্প পাঠাচ্ছে, রাজ্য সরকার সেগুলির নাম বদলে দিচ্ছে অথবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। তারা দুর্নীতিমুক্ত এবং উন্নয়নমুখী শাসন চায়।”

    সনাতন সংস্কৃতি ও জাতীয় সুরক্ষা

    বক্তৃতায় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হিন্দু ভাবাবেগ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলায় দুর্গাপূজা বা সরস্বতী পূজার মতো উৎসব পালনেও বাধা সৃষ্টি করা হয়, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অনুপ্রবেশের সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৃণমূলের তোষণ নীতির কারণেই সীমান্ত এলাকায় জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, বহিরাগত নেতারা এসে বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তারা উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ওপরেই আস্থা রাখবেন।

    নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর এই নির্বাচন বিজেপি এবং তৃণমূল—উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত মর্যাদার লড়াই। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির আসন সংখ্যা কিছুটা কমলেও, ২০২৬-এর বিধানসভায় (West Bengal Elections 2026) ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আর সেই লড়াইয়ে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) মতো হিন্দুত্বের পোস্টার বয়কে সামনে রেখে বিজেপি মেরুকরণ এবং উন্নয়নের ডাবল ইঞ্জিন মডেলের ওপর জোর দিচ্ছে।

  • Assembly Elections 2026: ফের শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে বাংলা! পুরুলিয়ার সভা থেকে তরুণদের উদ্দেশে বার্তা শাহের

    Assembly Elections 2026: ফের শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে বাংলা! পুরুলিয়ার সভা থেকে তরুণদের উদ্দেশে বার্তা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তরুণদের উপার্জনের জন্য ভিন্‌রাজ্যে যেতে হবে না। বাংলা আবার আগের মতো শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে। পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এই কথা ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মমতার সরকারকে বিঁধে শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ৭০০০ কারখানা বন্ধ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সব কারখানা বাইরে চলে গিয়েছে। আমাদের আদিবাসী, কুড়মি ভাইয়েরা উপার্জন করতে পারেন না। এখান থেকে বেঙ্গালুরু, আহমেদাবাদ, দিল্লি, মুম্বই যেতে হয়। বিজেপির সরকার গঠন করুন। আমরা পশ্চিমবঙ্গকে আবার আগের মতো শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্পূর্ণ চেষ্টা করব। তত দিন পর্যন্ত সকল বেকারকে মাসে তিন হাজার টাকা করে বেকার ভাতা দেওয়া হবে।” শাহ বলেন, “এ বার পুরুলিয়ার ৯টি আসনের মধ্যে ৯টিতেই বিজেপি-কে জেতাতে হবে। ক্লিন সুইপ করে দিন।”

    এসআইআর নিয়ে হুঁশিয়ারি!

    এদিনের সভা থেকে শাহ বলেন, “নির্বাচন কমিশন এসআইআর করছে। অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। আর মমতা দিদির সমস্যা শুরু হয়ে গিয়েছে। এটা তো সবে শুরু হয়েছে। এখন ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সরকার গড়ুন, আমরা ওদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাড়াব। বিএসএফ-এর জমি দরকার কাঁটাতার বসানোর জন্য। ১৫ বছর ধরে তিনি জমি দিচ্ছেন না। বিজেপি স্থির করেছে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য জমি দেওয়া হবে। অনুপ্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে।” এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বিঁধে শাহ বলেন, “আমাদের জঙ্গলের জমি অনুপ্রবেশকারীদের থেকে মুক্ত করতে হবে কি হবে না? ভাইপো এটা করতে পারবে? মমতা দিদি করতে পারবে? ওরাই তো এনে রেখেছে। ওদের তো ভোটব্যাঙ্ক। কিন্তু মমতা দিদি, আপনার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। ৫ তারিখ বিজেপির সরকার আসবে। পুরো রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে তাড়াব।”

    প্রত্যেক ঘরে নলবাহিত জল!

    শনিবার দুপুরে বাঁকুড়ায় জোড়া জনসভা করেছেন অমিত শাহ। প্রথমে ওন্দায় এবং তার পরে ছাতনায় সভা করেন তিনি। বাঁকুড়ার জোড়া জনসভা শেষ করে অমিত শাহ পৌঁছেন পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে। সেখানে জনসভা থেকে শাহ বলেন, “কংসাবতী, সুবর্ণরেখার মতো পবিত্র নদী থাকার পরেও পুরো এলাকায় সাঁওতালি এবং কুড়মি সমাজকে জলের কষ্টে ভুগতে হয়। আমরা ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে পুরুলিয়া এবং আশপাশের এলাকায় প্রত্যেক বাড়িতে নলবাহিত জল পৌঁছে দেব। ড়মি এবং সাঁওতালদের মধ্যে সংঘর্ষ করিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৫ তারিখ বিজেপির সরকার গঠন করুন। মহান কুড়মি ভাষাকে আমরা অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করব। বিজেপির যে সরকার তৈরি হবে, তা কাটমানি এবং সিন্ডিকেট থেকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুক্ত করবে।”

  • PM Modi in North Bengal: ‘বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূল ১৫ বছর, পাঁচ বছর মোদিকে দিন’! বঙ্গবাসীর কাছে আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in North Bengal: ‘বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূল ১৫ বছর, পাঁচ বছর মোদিকে দিন’! বঙ্গবাসীর কাছে আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বামেরা ৩৫ বছর শাসন করেছে। তৃণমূলও ১৫ বছর রাজ্যা চালাল। আগামী পাঁচ বছর বঙ্গবাসীকে মোদির উপর ভরসা রাখার আর্জি জানালেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in North Bengal)। কুশমন্ডির সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বার করা হবে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে আবার বৈভবশালী রাজ্য করবে। তাই আমাদের প্রার্থীদের এখানে হাজির করেছি। বামেদের ৩৫ বছর দিয়েছেন, তৃণমূলকে ১৫, ৫ বছর মোদিকে দিয়ে দেখুন। ডবল ইঞ্জিন সরকার যেখানে, সেখানেই উন্নয়ন। বাড়ি পর্যন্ত পানীয় জল যায়, সে জন্য দিল্লি থেকে টাকা এসেছে। কিন্তু তার মাঝেও টিএমসি ঢুকে পড়েছে। আপনারা বিজেপিকে আনুন। মোদী কি গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছোবে।’’

    আদিবাসী সমাজের দ্রুত উন্নয়ন

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘বাংলার রাজবংশী সমাজ, সাঁওতাল সমাজের ভূমিকা রয়েছে ভারতের উন্নতিতে। অনেক নায়ক রয়েছেন। তাঁদের জন্য আমরা গর্বিত। আমাদের নিরন্তর প্রয়াস আদিবাসী সমাজের দ্রুত উন্নয়ন হোক। আগে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় ছিলেন আদিবাসীরা। আমাদের সরকার মাওবাদী-মুক্ত সমাজ দিয়েছে। বন্দুক নামিয়ে ছেলে মায়ের কাছে ফিরেছেন। আমাদের মন্ত্রিসভায় আদিবাসী রয়েছেন। ওড়িশায় আমাদের মুখ্যমন্ত্রী আদিবাসী মুখ, ঝাড়খণ্ডেও তা-ই। এটাই আমাদের ট্র্যাক রেকর্ড। কিন্তু তৃণমূল সাঁওতাল সমাজকে অপমান করে। রাষ্ট্রপতি মুর্মু এসেছিলেন কিছু দিন আগে। তৃণমূল সংবিধানের মর্যাদা দেয়নি। আদিবাসী সমাজকে অপমান করেছে। তৃণমূলকে সবক শেখানো দরকার। তৃণমূল কখনও আদিবাসী উন্নয়নের শরিক হয়নি।’’

    ‘সমস্ত ধর্ষণের মামলার ফাইল খুলব’

    খাগড়াকুড়ির ময়দানের মঞ্চে প্রার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করে এদিন মোদি ‘জয় মা কালী’, ‘জয় বাবা ভোলানাথ’ বলে ভাষণ শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘‘দক্ষিণ দিনাজপুরের পুণ্যভূমিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রণাম জানাচ্ছি। সবার আগে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছি। কারণ, সভার যে প্ল্যানিং করেছেন, যে প্যান্ডেল করেছেন, খুব ছোট হয়ে গিয়েছে। যত জন ভিতরে আছেন, তার তিন গুণ বাইরে আছেন। তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইছি। তবে সকলকে আশ্বস্ত করছি, এই পরিশ্রমকে বেকার হতে দেব না। এই ভালবাসা ১০০ গুণ করে ফেরত দেব। উন্নয়নের মাধ্যমে ফেরত দেব। মেয়েদের জন্য মোদির গ্যারান্টি— সমস্ত ধর্ষণের মামলার ফাইল খুলব। খুঁজে খুঁজে হিসেব নেব। কী ভাবে হবে, সেটা ঘোষণাপত্রে বলে দিয়েছে বিজেপি।’’

    বামেদের সব দুর্নীতি তৃণমূলে

    এদিন কুশমুন্ডির সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বরণ করে নেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি জানান, সংকল্পপত্রে যা বলা হয়েছে, সেখান থেকে পরিষ্কার এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের জন্য এত কিছু ভাবেননি। শনিবার বাংলায় একই দিনে তিনটি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায়, মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে। তৃতীয় সভাটি কুশমন্ডিতে। তিনটি সভাতেই তাঁর দাবি, ‘‘বাংলার মানুষ বামেদের সরিয়েছিল। অনেক আশা নিয়ে মা-মাটি-মানুষের কথা শুনে তৃণমূলকে সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল তো বামেদের কার্বন কপি হয়ে গিয়েছে। সব গুন্ডা তৃণমূলে চলে এসেছে। বামেদের সব দুর্নীতি তৃণমূল নিয়ে নিয়েছে। এখন তারা আবার জয়ের স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু ওরা ভুলে যাচ্ছে, এটা নেতাজির মতো বীরের ভূমি। তৃণমূলের ভয়ের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে বিজেপির ভরসা। তাই এ বার তৃণমূলকে বার বার বাংলা বলছে, এই সব চলবে না।’’

  • Amit Sha in Bengal: ‘‘ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে ঘর থেকে বেরোতে দেব না’’ বাঁকুড়ার সভা থেকে হুঁশিয়ারি শাহের

    Amit Sha in Bengal: ‘‘ভোটের দিন তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে ঘর থেকে বেরোতে দেব না’’ বাঁকুড়ার সভা থেকে হুঁশিয়ারি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় ভোট। ওই দু’দিন তৃণমূলের ‘গুন্ডাবাহিনী’ যেন ঘরের বাইরে পা না রাখে। শনিবার বাঁকুড়ার ওন্দার নির্বাচনী জনসভা থেকে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Sha in Bengal)। এদিনের সভায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি থেকে শুরু করে আরজি কর কান্ড নিয়ে মমতা সরকারকে নিশানা করেন আমিত শাহ। এসএসসি, পুরনিয়োগ, গরু, ১০০ দিনের কাজ, পিএম আবাস দুর্নীতি কারা করেছে? এদিনের সভা থেকে মমতাকে খোলা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন শাহ। বিজেপি বাংলায় সরকার গঠন করলে কমিটি করে সব টাকা গরিবদের ফেরানো হবে বলে আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সোনার বাংলা গড়ার ডাক

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘হীরক রানী’ বলেও কটাক্ষ করেন মোদির ‘ডেপুটি’। বলেন, ‘‘এই হীরক রানীকে টাটা বাই-বাই করার সময় চলে এসেছে। মোদি সরকার পাঁচ কেজি চাল দিলে তার থেকে ১ কেজি চুরি করে নেয় তৃণমূল সরকার। ওরা ভাবে যা দুর্নীতি করেছে, তার পরে আর কিছু হবে না ওদের। আজ বলছি, সিন্ডিকেটের লোকজন শুনুন, বিজেপির সরকার হলেই গরিবদের সব টাকা ফেরাতে হবে। বাংলার গরিবদের ভোট নিয়ে অনুদান যায় তৃণমূলের গুন্ডাদের ঘরে। মোদিজি লক্ষ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন। আপনাদের ঘরে কি গেছে? মোদিজি যে বিকাশের অর্থ পাঠিয়েছিলেন, তা মমতাদিদির সিন্ডিকেট খেয়েছে। ৭০০০ সংস্থা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছে। মোদিজি ফিরিয়ে আনবেন। রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলা গড়ব আমরা।’’

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি!

    রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার কথাও বলেন শাহ। তাঁর কথায়, ‘‘কারও চার স্ত্রী রয়েছেন। তা কি থাকা উচিত? দিদিরা বলুন। বিজেপির সরকার করুন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনব। সকলের জন্য সমান বিধি হবে। লভ জিহাদ বন্ধ হবে। গর্ভবতী মায়েরা ২১ হাজার টাকা পাবেন। ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ দিতে হবে না। বিধবা, প্রবীণ দিব্যাঙ্গজনেরা ২০০০ টাকা করে মাসে পাবেন। উত্তরবঙ্গে এমস হবে। চা শ্রমিকদের ভূমির মালিক করা হবে।’’ রাজ্যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও কেন বাংলায় সুরক্ষিত নয় মেয়েরা? প্রশ্ন করেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘মমতাদিদি, আপনি মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, তাও আরজি কর, সন্দেশখালির মতো ঘটনা হয়। মমতাদিদি বলেন, সন্ধ্যা ৭টার পরে কারও বাইরে যাওয়া উচিত না। বিজেপির সরকার গড়ুন, রাত ১টায় মহিলারা বাইরে নিরাপদে ঘুরতে পারবেন।’’

    জনজাতিদের উন্নয়ন

    এদিন শাহ বলেন, ‘‘মমতা, কংগ্রেস— এরা কেউ জনজাতির কাউকে রাষ্ট্রপতি করেনি। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে নরেন্দ্র মোদীজি সাঁওতাল জনজাতি বোন দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি করে জনজাতিদের সম্মান করেছেন। দ্রৌপদীজি এখানে জনজাতিদের সঙ্গে দেখা করার জন্য এসেছিলেন। মমতাজি তাঁর অপমান করেছেন। জনজাতি ভাই-বোনদের বলছি, এই ভোটে জনজাতির মেয়ে দ্রৌপদীর অপমানের বদলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে নিতে হবে। ওঁরা সহ্য করতে পারেন না, যে জনজাতি গরিবের মেয়ে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। আপনি যা করুন মমতাদিদি, আমরা জনজাতিদের উন্নয়ন করব।’’

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    এদিন বাঙালি অস্মিতায় শান দিয়ে শাহ বলেন,‘‘ওরা বলে বেড়াচ্ছে, মোদীজি দিল্লি থেকে শাসন করবে। আমার কথা শুনে রাখুন, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী যিনি হবেন, তিনি এখানে জন্মগ্রহণ করা, বাংলায় কথা বলা এক জন বিজেপি নেতাই হবেন। সব কৃষকদের এখন ৬০০০ টাকা দেন মোদিজি। বিজেপি এখানে সরকার গড়লে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৯০০০ টাকা হবে। ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা করা হবে। ৩০০ জনের বেশি বিজেপি কার্যকর্তার হত্যা হয়েছে। তৃণমূলের গুন্ডারা ভাবে, ওদের কিছু হবে না। ৫ মে বিজেপি সরকার গড়ার পরে হত্যাকারীদের জেলে পাঠানো হবে।’’

    আলুর ফলন নিয়ে তোপ

    এদিন মুখ্যমন্ত্রীর জেদের বশে আলু চাষীদের ক্ষতির কথাও বলেন শাহ। তাঁর দাবি, ‘‘বাঁকুড়ায় আলুর ফলন খুব। মমতাদিদির অহঙ্কার দেখুন! নিষিদ্ধ করে দিয়েছে, বলেছেন, বাংলার আলু ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডে যাবে না। সেখানকার মানুষ এখানকার মিঠা আলু খেতে চান। পাঠান না। কৃষকদের ২ টাকায় আলু বেচতে বাধ্য করে। বিজেপির সরকার আনুন। ওই দিনই এখানকার আলু পাশের রাজ্যে চলে যাবে। পাঞ্জাব থেকে যাতে আর আলুর বীজ আনতে না হয়, তা দেখব।’’ অনুপ্রবেশকারীরাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান ভোটব্যাঙ্ক, অভিযোগ শাহের। তাঁর দাবি, রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই শাহের আহ্বান,‘‘২৩ এপ্রিল পদ্ম চিহ্নে ভোট দিন। জোরে বোতাম চাপুন, যাতে দিল্লিতে শব্দ যায়। যাতে অনুপ্রবেশকারীদের কারেন্ট লাগে।’’

  • PM Modi in Bengal: ‘‘বিজেপি জিতবেই, গুজরাটেও সকাল ১১টায় এমন সভা হয় না’’ কাটোয়ায় জনসমাগমে আপ্লুত মোদি

    PM Modi in Bengal: ‘‘বিজেপি জিতবেই, গুজরাটেও সকাল ১১টায় এমন সভা হয় না’’ কাটোয়ায় জনসমাগমে আপ্লুত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈতন্য মহাপ্রভুর পবিত্র ভূমিতে তৃণমূল পাপের রাজত্ব চালাচ্ছে। কিন্তু এটা আর চলবে না। ১৫ বছরের দুর্নীতির হিসেব হবে। ওরা মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু আর পারবে না। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর জনসভা থেকে হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সভায় জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। মোদি বলেন, জনপ্লাবন বলে দিচ্ছে, বাংলার মানুষ পরিবর্তনের (Assembly Election in Bengal) জন্য তৈরি। আরও একবার আমজনতার সামনে তুলে ধরলেন ৬ গ্যারান্টি। আশ্বাস দিলেন বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে মাসে ঢুকবে ৩০০০ টাকা। চাকরি পাবেন বেকাররা। মোদির আশ্বাস, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে সরকারি সমস্ত শূন্যপদ পূরণ হবে। শিল্প আসবে বাংলায়।” সভা মঞ্চ থেকেই মোদির মুখে শোনা গেল নতুন স্লোগান, “ভয় আউট, ভরসা ইন, বিজেপিকে ভোট দিন।”

    গুজরাটেও হয় না, জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত

    এদিন পূর্ব বর্ধমানের জেলা নেতৃত্ব কাটোয়ার মঞ্চে স্বাগত জানিয়েছেন মোদিকে। উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে বরণ করে নেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মোদির সামনে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন শমীক। জানান, বর্ধমানকে ধান উৎপাদনে এক থেকে তিনে নামিয়ে এনেছে শাসকদল। কাটোয়ার সভায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য কয়েক জন শিশু ছবি নিয়ে এসেছিল। তাদের ছবি জমা দিয়ে দিতে বলেন মোদি। জানান, পিছনে নাম ও ঠিকানা লেখা থাকলে তিনি ধন্যবাদবার্তা পাঠাবেন। একই সঙ্গে বলেন, ‘‘গুজরাটেও সকাল ১১-১২টায় এমন সভা আমি করতে পারি না। চাইলেও করা যায় না। আপনারা এখানে আশ্চর্য জমায়েত করেন প্রতি বার। আমি অভিভূত। এ রাজ্যে যে ৪ মে-র পর পরিবর্তন আসছে, তা এই সভা থেকেই নিশ্চিত।’’

    সব দুর্নীতির হিসেব হবে

    এদিন মোদি বলেন, ‘‘আপনাদের ছ’টি গ্যারান্টি দিয়েছিলাম। সেগুলি পূরণের সময় এসেছে। তৃণমূলের নির্মম সরকারের ভয়ের রাজকে সরিয়ে ভরসায় বদলে দেবে আমার গ্যারান্টি। দুর্নীতি নিয়ে বিজেপি শ্বেতপত্র জারি করবে। যাতে তৃণমূলের সব সিন্ডিকেট, সব দুর্নীতিগ্রস্তদের হিসেব করা যায়। ১৫ বছরের হিসেব হবে। সব কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তৃণমূল ভয় পেয়ে গিয়েছে। একের পর এক মিথ্যা বলছে। বলছে আমরা ক্ষমতায় এলে নাকি সব প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। আসলে তা নয়। আসলে বিজেপি ওদের দুর্নীতির দোকান বন্ধ করবে। লুট বন্ধ করবে।’’

    সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা

    বর্ধমান থেকে মোদি বলেন, ‘‘এখানকার সীতাভোগ আর মিহিদানার সুগন্ধ সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয়। তৃণমূলের সরকার আলু চাষিদের বরবাদ করে দিয়েছে। আলু পচছে। এটা চলবে না। বাংলা চুপ থাকবে না।’’ বিজেপি কৃষকদের জন্য ইস্তাহারে অনেক ঘোষণা করেছে বলে জানান মোদি। ‘ডবল ইঞ্জিন’-এর সুবিধা পাবেন কৃষকেরা। বিজেপি এলে যুবসমাজ লক্ষ লক্ষ চাকরি পাবে। বেকারদের ভাতাও দেওয়া হবে। দুর্নীতির জন্য যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত, তাঁদের বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। রোজগার মেলার আয়োজন করা হবে এখানেও। সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাবেন কর্মচারীরা। রাজ্যের সব শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।’’

    মহিলাদের মাসে তিন হাজার টাকা

    বিজেপির সংকল্প পত্রে মহিলাদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা, বিনামূল্যে সরকারি বাসে যাতায়াতের ঘোষণা করেছে বিজেপি। সেগুলি উল্লেখ করেন মোদিও। জানান, বিজেপির আমলে এ রাজ্যের মহিলারা নিরাপদে, নির্ভয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। মতুয়াদের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘‘মতুয়া, নমঃশূদ্র, সব শরণার্থী পরিবার তৃণমূলের দয়ায় নেই। দেশের সংবিধান আপনাদের সুরক্ষিত করেছে। সিএএ করেছি, যাতে মতুয়া-সহ শরণার্থীরা সুরক্ষা পান। সিএএ-র মাধ্যমে তাঁদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ আরও দ্রুত করা হবে।’’

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধার অভিযোগ

    এদিন ফের মোদির মুখে শোনা যায় আয়ুষ্মান ভারত-এর কথা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘তৃণমূল রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বাধা দেয়। আয়ুষ্মান ভারত যোজনাতেও বাধা দিয়েছে তৃণমূল। ৪ মে-র পর বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিলে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই এই প্রকল্প চালু করা হবে, আমার গ্যারান্টি রইল। পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের অধীনে শিল্পীদের কেন্দ্রীয় সরকার প্রশিক্ষণ দেয়। অসমে এক লক্ষ মানুষ এই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। বিহারেও পেয়েছেন। প্রত্যেকে ১৫ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্যও পেয়েছেন। তৃণমূল এই প্রকল্প এখানে আনতে দেয়নি। অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে আপনাদের।’’

LinkedIn
Share