Tag: United Kingdom

United Kingdom

  • Student Toilet Child Birth: পেটে ব্যথা নিয়ে শৌচালয় গেলেন ছাত্রী, বেরোলেন সদ্যোজাত কোলে নিয়ে!

    Student Toilet Child Birth: পেটে ব্যথা নিয়ে শৌচালয় গেলেন ছাত্রী, বেরোলেন সদ্যোজাত কোলে নিয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ এক অদ্ভুত ঘটনা। হঠাৎ পেটে ব্যথা হওয়ায় শৌচালয়ে (Toilet) গিয়ে সন্তানের জন্ম (Give Birth) দিলেন যুক্তরাজ্যের (United Kingdom) এক তরুণী। সন্তান জন্মের পরের দিনই ২০ বছরে পদার্পণ করলেন এই তরুণী মা। 

    পরদিনই রাতে বেড়াতে যাওয়ার কথা। আগের রাতে পেটে ব্যথার কারণে শৌচালয়ে যান সাউথঅ্যামটন বিশ্ববিদ্যালয়ে  ইতিহাস ও রাজনীতির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী জেস ডেভিস ( Jess Davis)। আর সবাইকে হতবাক করে জন্ম দেন সন্তানের। এমনকি সন্তান যে ধীরে ধীরে তাঁর গর্ভে বেড়ে উঠেছে এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না ডেভিসেরও। ঘটনায় হতবাক এলাকাবাসীরাও। জেস ডেভিস নামের ওই ছাত্রী ব্রিস্টলের বাসিন্দা। তাঁর দাবি, তিনি যে অন্তঃসত্ত্বা তা বুঝতেই পারেননি। কয়েকদিন ধরে পেটে যে ব্যথা অনুভব করছিলেন, তিনি ভেবেছিলেন ঋতুস্রাবের কারণেই হয়তো ব্যথা। 

    সন্তানসম্ভবনা হওয়ার কোনও উপসর্গও দেখা যায়নি ডেভিসের শরীরে। এমনকি ‘বেবি বাম্প’ – এর চিহ্ন মাত্র ছিল না। তাঁর ঋতুস্রাবও অনিমিয়ত হওয়ায় ঋতুস্রাব যে বন্ধ হয়েছে তাও জানাননি কাউকে। ১১ জুন মাত্র ২০ বছর বয়সেই পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন তিনি।  

    আরও পড়ুন: কলম্বোর রাস্তা কার্যত গাড়ি শূন্য! জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কা 

    বাচ্চাটি জন্মানোর পরেই ডেভিস এবং শিশুকে প্রিন্সেস অ্যান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটিকে একটি ইনকিউবেটরে রাখেন ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি ৩৫ সপ্তাহেই জন্ম নিয়েছে ডেভিসের শিশু। মা ও শিশু এখন ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের   

    শিশুর ওজন ৩ কেজি। শৌচালয়ে গিয়ে এভাবে সন্তানের জন্ম দিয়ে নিজেও হতবাক ডেভিস। প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি যে, তাঁর পেট থেকে সন্তানের জন্ম হচ্ছে। কাঁদতে দেখার পর ভ্রম ভাঙে তাঁর। ওই দিন আচমকাই সকাল থেকে প্রবল পেটে ব্যথা শুরু হয়েছিল তাঁর। শুতে পারছিলেন না তিনি, ফলে বার বার শৌচালয়ে যাচ্ছিলেন। 

    পরদিন ছিল ডেভিসের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে বাড়িতেই সারা রাত পার্টির আয়োজন হয়েছিল। সেই রাতেই সন্তানের জন্ম দেন তিনি। ওই পরিস্থিতির পর প্রিয় বন্ধু লিভ কিংকে ফোন করেন ডেভিস। তিনি এসে অ্যাম্বুল্যান্সে হাসপাতালে নিয়ে যান মা এবং সদ্যজাতকে। সন্তানকে আপাতত প্রিন্সেস অ্যান হাসপাতালের ইনকিউবেটরে রাখা হয়েছে। মা ও সন্তান দুজনেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।     

     

  • PM Modi: বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারত, বললেন মোদি 

    PM Modi: বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারত, বললেন মোদি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এখন বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক শক্তি। এবার খুব শীঘ্রই আমেরিকা (America), ইউনাইটেড কিংডম (United Kingdom) এবং সিঙ্গাপুরের (Singapore) মতো বিশ্বের আর্থিক প্রাণকেন্দ্রগুলির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারতও (India)। শুক্রবার এ কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন গুজরাটের গান্ধীনগের ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস সেন্টারর্স অথরিটির (International Financial Service Centres Authority) প্রধান কার্যালয়ের শিলান্যাস করেন মোদি। সেখানেই ওই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি বলেন, এটা একবিংশ শতাব্দী। এখন অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি একে অন্যের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত। প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং সফট্ওয়্যার ক্ষেত্রে ভারত ব্যাপক দক্ষতা অর্জন করেছে। তাঁর দাবি, গোটা বিশ্বের রিয়েল টাইম ডিজিটাল পেমেন্টের ৪০ শতাংশই হয় ভারতে। এদিন তিনি ইন্টারন্যাশনাল বুলিয়ন এক্সচেঞ্জেরও উদ্বোধন করেন। এনএসই আইএফএসসি-এসডিএক্সের সংযুক্তিকরণও করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বর্তমানে ভারতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ রেকর্ড করেছে।

    আরও পড়ুন : ভারতকে উন্নতির শিখরে নিয়ে গিয়েছেন মোদি, মত আরএসএস নেতার

    মোদির দাবি, গত আট বছরে ভারতে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন গতি এসেছে। দেশের দরিদ্রতম ব্যক্তিও যুক্ত হচ্ছেন বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। আজ যখন দেশের একটা বিরাট অংশ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তখন সময়ের দাবি হল সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর একযোগে পদক্ষেপ করা। ইদানিং কালে ভারতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এজন্য সরকার বিভিন্ন নীতির সংস্কার করেছে। তার জেরেই বেড়েছে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ। প্রসঙ্গত, এদিনই সংসদে সরকারের তরফে পেশ করা তথ্যে জানা গিয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ভারতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৬ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি এই একই ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের শেয়ারের মূল্য বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা। শতাংশের হিসেবে যা দাঁড়ায় ৭৬-এ। এদিন জিআইএফটি সিটির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা নয়া আবিষ্কারের ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। বৃদ্ধির সুযোগের ক্ষেত্রে কাজ করবে অনুঘটকের।    

    আরও পড়ুন : এসসিও-র সম্মেলনে মুখোমুখি হবেন মোদি-শি জিনপিং, আলোচনা হবে সীমান্ত নিয়ে?

    প্রসঙ্গত, জিআইএফটি সিটিতে উদ্বোধন হল ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস সেন্টারর্স অথরিটির। ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল অথরিটি অ্যাক্টের অধীনে তৈরি হয়েছে এই প্রতিষ্ঠান।

     

  • Rima Chatterjee: রূপকথাকেও হার মানাবে বার্নার্ড ক্যাসেলের বাঙালি মেয়রের জীবনের গল্প 

    Rima Chatterjee: রূপকথাকেও হার মানাবে বার্নার্ড ক্যাসেলের বাঙালি মেয়রের জীবনের গল্প 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বজয় করলেন বঙ্গকন্যা। ইংল্যান্ডের (England) ডারহাম কাউন্টির বার্নার্ড ক্যাসেলের প্রথম বাঙালি মেয়র (Mayor) রিমা চট্টোপাধ্যায় (Rima Chatterjee)। উত্তর ইংল্যান্ডের ডারহাম কাউন্টির ছোট্ট শহর বানার্ড ক্যাসেল (Barnard Castles)। শহরের আনাচে-কানাচে লেগে আছে ইতিহাসের ছোঁয়া। আর কিছুটা আছে বাঙালিয়ানার ছাপ। বার্নার্ড ক্যাসেলের বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে কষা মাংস, রসগোল্লা এবং ফুচকা পর্যন্ত পাওয়া যায়৷ এই শহরে খুঁজে পাওয়া যায় এক টুকরো কলকাতা। এসবই সম্ভব হয়েছে এক বাঙ্গালির জন্য। বাংলার মেয়ে রিমা চট্টোপাধ্যায় এই  ছোট্ট শহরটির বর্তমান মেয়র। প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাঙালি হিসেবে বার্নার্ড ক্যাসেলের মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।   

    রিমার জন্ম কলকাতায়। কলকাতার লরেটো হাউজ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পাস করার পর হোটেল ম্যানেজমেন্ট পড়তে গোয়া যান৷ বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে ইংল্যান্ডে চলে যান। সেই  থেকেই যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা তিনি। সম্প্রতি তিনি বার্নার্ড ক্যাসেলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন। 
      
    জীবনের শুরুতে রিমা চট্টোপাধ্যায় তাঁর স্বামী রয়ের সঙ্গে লাগোস, ইথিওপিয়া ও ব্রিটেনের একাধিক জায়গায় রেস্তোরাঁর ব্যবসা করেছেন। সেই সূত্রে বছর দশেক আগে উত্তর ইংল্যান্ডের ডারহাম কাউন্টির বার্নার্ড ক্যাসেলে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। একটি পরিত্যক্ত সরাইখানা কিনে সেটিকে রেস্তোরাঁয় রূপান্তরিত করেন। এই রেস্তোরাঁটির মাধ্যমেই তিনি বেশ কিছু বাঙালি পদ যেমন মাছ ভাজা, কষা মাংসকে ইংল্যান্ডে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। 

    এভাবেই বেশ চলছিল। হঠাৎ করেই একদিন নাম লেখান ইংল্যান্ডের রাজনীতিতে। সাফল্যের সঙ্গে প্রবাসে শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক জীবন। দু’দুবার বার্নার্ড ক্যাসেলের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। কাউন্সিলর পদে বসার পর এমন কিছু কাজ করে দেখান যা এই শহরের আমূল পরিবর্তন আনে। পান বিপুল জনসমর্থন। এখন তিনি শহরটির মেয়র।  

    এত বছর ইংল্যান্ডে থাকলেও তিনি ভুলতে পারেননি তিলোত্তমা কলকাতাকে। শহরটির কথা মাঝেমাঝেই উঠে আসে স্মৃতিচারণায়৷ কষা মাংস, ঘি দিয়ে মাখা গরম ভাত খুব মিস করেন।  

     

LinkedIn
Share