Tag: us

us

  • Pakistan Afghanistan Peace Talks: ভেস্তে গিয়েছে পাক-আফগান শান্তি আলোচনা, ভারতকে দুষছে ইসলামাবাদ

    Pakistan Afghanistan Peace Talks: ভেস্তে গিয়েছে পাক-আফগান শান্তি আলোচনা, ভারতকে দুষছে ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রফাসূত্র না বেরনোয় তুরস্কে ভেস্তে গিয়েছে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের শান্তি আলোচনা (Pakistan Afghanistan Peace Talks)। এজন্য ভারতকে দুষছে শাহবাজ শরিফের দেশ। শান্তি আলোচনা (Ceasefire) বিশ বাঁও জলে চলে যাওয়ায় ভারতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। যদিও, আলোচনার আগে অচলাবস্থায় পৌঁছানোর আসল কারণ ছিল পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা রোধে ইসলামাবাদের অসহায়তা।

    কী বলছে কাবুলের সংবাদমাধ্যম (Pakistan Afghanistan Peace Talks)

    টোলো নিউজের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, আলোচনায় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেছিলেন যে আফগানিস্তান কেবল তখনই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য আফগান মাটি ব্যবহার রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে যদি ইসলামাবাদ আফগান আকাশসীমা লঙ্ঘন বন্ধ করে এবং মার্কিন ড্রোন ওড়ানো বন্ধ করে। সূত্রের খবর, আফগানিস্তানের ওই সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে যে পাকিস্তান এই শর্ত মানতে রাজি হয়নি। টোলো নিউজের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, আলোচনা বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে পাঠান ও পাকিস্তানি প্রতিনিধিদল ইস্তাম্বুলে ফের আলোচনা শুরু করেছে। তুরস্কে শান্তি আলোচনার পর জানা গিয়েছিল যে একটি বিদেশি দেশ আফগান ভূখণ্ডে ড্রোন হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করছে।

    টোলো নিউজের রিপোর্ট

    টোটো নিউজের ওই রিপোর্টে সাফ জানানো হয়েছে, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই পাকিস্তান থেকে ড্রোন পরিচালনা করছে।’ কাবুলের (আফগানিস্তানের রাজধানী) সাংবাদিক তামিম বাহিস এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “আফগানিস্তানের সংবাদ চ্যানেলগুলির মতে, পাকিস্তান একটি ‘বিদেশি দেশের’ সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার কথা স্বীকার করেছে যা আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে নজরদারি এবং সম্ভাব্য হামলার জন্য তার আকাশসীমায় ড্রোন পরিচালনার অনুমতি দেয়।”  এক্স হ্যান্ডেলেই টোলো নিউজের পোস্ট (Pakistan Afghanistan Peace Talks), “প্রথমবারের মতো, পাকিস্তান এই আলোচনার সময় স্বীকার করেছে যে ড্রোন হামলার অনুমতি দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের একটি চুক্তি রয়েছে এবং দাবি করেছে যে তারা সেই চুক্তি ভঙ্গ করতে পারবে (Ceasefire) না।”

    ভারতের দোষ!

    সূত্রের উল্লেখ করে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, “শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা প্রাথমিকভাবে কিছু শর্ত মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু সম্ভবত পাকিস্তানের হাইকমান্ডের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তাঁরা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেন। তাঁরা বলেন, মার্কিন ড্রোনের ওপর তাঁদের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই এবং আইসিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবেন না।” রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “কাতার এবং তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীরাও পাক প্রতিনিধিদলের আচরণে অবাক হয়েছিলেন।” তার পরেও আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার দায় চাপানো হচ্ছে আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন এবং ভারতের ঘাড়ে।

    পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, “কাবুলের লোকেরা যাঁরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন এবং পুতুলের নাটক করছেন, তাঁরা দিল্লির নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। যখনই আমরা কোনও চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছি (Pakistan Afghanistan Peace Talks), তখনই প্রতিনিধিরা কাবুলকে রিপোর্ট করেছেন, হস্তক্ষেপ করা হয়েছে এবং চুক্তিটি প্রত্যাহার করা হয়েছে (Ceasefire)।” আসিফ যা বলেননি, তা হল পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করে আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলার বিষয়ে ফোনে কথা বলার পর পাক প্রতিনিধি দলের আচরণ কীভাবে দ্রুত বদলে গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, খাজা আসিফ ২০০১ সালের মার্কিন নেতৃত্বাধীন তোরা বোরা যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তালিবানদের হুমকিও দিয়েছিলেন।

    তালিবান শাসনকে নির্মূলের হুমকি!

    সংবাদমাধ্যমে আসিফ বলেন, “আমি তাদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, তালিবান শাসনকে নির্মূল করতে এবং তাদের গুহায় ফেরাতে সম্পূর্ণ অস্ত্রাগারের একাংশও ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই পাকিস্তানের। যদি তারা তা চায়, তাহলে তোরা বোরায় তাদের (তালিবানদের) পরাজয়ের দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি হবে। তাদের লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য এই অঞ্চলের মানুষের কাছে দেখার মতো একটি দৃশ্য হবে (Pakistan Afghanistan Peace Talks)।” প্রসঙ্গত, ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে ইসলামাবাদ আমেরিকার সঙ্গে প্রতিরক্ষা এবং কৌশলগত সংযোগ জোরদার করেছে (Ceasefire)। এনিয়ে বেশ কয়েকটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তড়িঘড়ি ওভাল অফিসে দৌড়ানোও। এই সফরে শরিফের সঙ্গে ছিলেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও।

    ট্রাম্পের হুমকি!

    তাছাড়া, ট্রাম্প প্রকাশ্যে তালিবান-নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তান থেকে বাগরাম বিমানঘাঁটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন। আফগানিস্তানকে তিনি এই বলে সতর্কও করেন যে, আমেরিকা যদি এটি পুনরুদ্ধার না করে তবে খারাপ ঘটনা ঘটবে। কূটনীতিকদের মতে, পাক-আফগান সংঘাত বন্ধ হবে তখনই, যখন আফগানিস্তান ঔপনিবেশিক ব্রিটিশদের দ্বারা টানা ডুরান্ড লাইনকে স্বীকৃতি দেবে। এই লাইনই পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে পশতুন এলাকাকে বিভক্ত করেছে। যেহেতু পাঠানরা এই লাইনকে মান্যতা দেয় না, তাই চলতেই থাকে পাক-আফগান যুদ্ধ (Pakistan Afghanistan Peace Talks)। যদিও এক্স হ্যান্ডেলে কাবুলের সাংবাদিক আলি এম লতিফি লেখেন, “পাকিস্তান স্বীকার করেছে যে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। আসলে পাকিস্তান যে (Ceasefire) এক সময় বারাক ওবামার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছিল।”

  • Indian Pressure: চাবাহার বন্দর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল আমেরিকা, ভারতের চাপেই নতি স্বীকার!

    Indian Pressure: চাবাহার বন্দর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল আমেরিকা, ভারতের চাপেই নতি স্বীকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতের চাপের (Indian Pressure) কাছে নতি স্বীকার করল ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা! তুলে নিল ইরানের কৌশলগত চাবাহার (Chabahar) বন্দরের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা। এর ফলে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ পরিকল্পনার জন্য নয়াদিল্লির একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পুনরুদ্ধার হল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ভারতের একটি বড় কূটনৈতিক জয়। কারণ এই বন্দরের নির্মাণ ও পরিচালনায় ইতিমধ্যেই মোটা অঙ্কের লগ্নি করে ফেলেছে ভারত। বন্দরটি সম্পূর্ণভাবে রয়েছে ভারতের নিয়ন্ত্রণেই।

    নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার (Indian Pressure)

    ইরানের সিস্তান-বালুচিস্তান প্রদেশে অবস্থিত চাবাহার একটি গভীর সমুদ্রবন্দর। এটি পাকিস্তানকে এড়িয়ে ভারতকে সরাসরি আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে। গত মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই বন্দরের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তার জেরে ভারত সাময়িকভাবে কাজকর্ম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল। ভারত সব সময়ই দাবি করে এসেছে যে, চাবাহার বন্দর আফগানিস্তানের জন্য একটি মানবিক ও অর্থনৈতিক জীবনরেখা। এটি খাদ্যশস্য, ওষুধ-সহ নানা জরুরি পণ্য পরিবহণে সাহায্য করে। নয়াদিল্লির বক্তব্য, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং স্থলবেষ্টিত দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য এই বন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জানা গিয়েছে, ভারতের লাগাতার কূটনৈতিক চাপের জেরে ওয়াশিংটন (আমেরিকার রাজধানী) এখন আগামী বছরের শুরু পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দিয়েছে। এর ফলে চাবাহার বন্দরে ফের জোর কদমে কাজকর্ম শুরু করবে ভারত।

    আঞ্চলিক কৌশলের কেন্দ্রে চাবাহার

    চাবাহার বন্দরটি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের আঞ্চলিক কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে (Indian Pressure)।  ২০১৮ সালে আমেরিকা প্রথমবারের মতো ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তখন ভারতের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জেরে চাবাহার বন্দরের ওপর সেই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হয়নি। এই ছাড়ের ফলে নয়াদিল্লি তেহরানের সঙ্গে তার যোগাযোগ বজায় রাখতে পারে, পারে এই এলাকায় সংযোগমূলক প্রকল্পগুলিকে এগিয়ে নিতে যেতে (Chabahar)। ২০১৬ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তেহরান সফরের সময় ভারত–ইরান–আফগানিস্তান ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত আরও বেশি করে মনোযোগ দেয়। এই চুক্তির উদ্দেশ্যই ছিল চাবাহারের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক পরিবহণ করিডর তৈরি করা, যা আফগানিস্তান এবং তার বাইরের বাজারগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়াবে। ২০১৮ সালে ভারত ‘ইন্ডিয়া পোর্টস গ্লোবাল লিমিটেডে’র মাধ্যমে শাহিদ বেহেশতি টার্মিনালের কাজকর্মের দায়িত্ব নেয়। এর ফলে চাবাহারে ভারতের উপস্থিতি আরও মজবুত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষের বাজেটে ভারত চাবাহার বন্দর সম্প্রসারণের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর এই বিনিয়োগ আপাতত নিরাপদ (Chabahar)।

    বড় পরিকল্পনা ভারতের

    চাবাহার বন্দরের পরিকাঠামো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ নিয়ে বড় পরিকল্পনা করেছে ভারত। বর্তমানে এই বন্দরের পণ্য পরিচালন ক্ষমতা ১ লাখ টিইইউ (২০ ফুটের ইউনিট)। অর্থাৎ, ২০ ফুটের এক লক্ষ ইউনিট। একে বাড়িয়ে ৫০ লাখ টিইইউতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। ইরানের ভিতর দিয়ে চলা ৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রেললাইনও নির্মাণ করা হচ্ছে, যার ফলে উন্নত হবে আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া এবং রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ (Indian Pressure)। প্রসঙ্গত, বন্দর ও রেল দুটি প্রকল্পই ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে চালু হওয়ার কথা। এটি ভারতের আঞ্চলিক বাণিজ্যিক প্রভাবকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

    চাবাহার বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব

    ভারতের কাছে চাবাহার বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। ওমান উপসাগরের তীরে অবস্থিত এই বন্দর পাকিস্তানের চিন নিয়ন্ত্রিত গদর বন্দর থেকে মাত্র ১৪০ কিলোমিটার দূরে। চিন ও পাকিস্তান যেখানে চিন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের অধীনে গদরের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে, সেখানে ভারতের চাবাহার বন্দরের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ সেই আধিপত্যকে ভারসাম্যপূর্ণ করে বলেও দাবি কূটনীতিবিদদের একাংশের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জেরে এক সময় ভারতের আঞ্চলিক প্রভাব কিছুটা দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে আরব সাগরের বুকে স্থিতিশীল ও প্রভাবশালী একটি শক্তি হিসেবে আবারও প্রতিষ্ঠিত হল ভারত (Indian Pressure)।

    ইসলামাবাদের উদ্বেগ

    এদিকে, সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বালুচিস্তানের পাশনি এলাকায় একটি নতুন বন্দর নির্মাণ করবেন বলে। চাবাহার থেকে এই এলাকার দূরত্ব মাত্র ১৫০ কিলোমিটার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাকিস্তানের এই উদ্যোগ ভারতের পুনরুজ্জীবিত কৌশলগত সুবিধা নিয়ে ইসলামাবাদের উদ্বেগকেই প্রতিফলিত করে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন এখনও পাকিস্তানের এই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। এ থেকে স্পষ্ট, ওয়াশিংটন ভারতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ভূমিকা সম্পর্কে যথেষ্টই ওয়াকিবহাল (Chabahar)।

    প্রসঙ্গত, ট্রাম্প সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত শুধু ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থকেই সুরক্ষিত করে না, বরং ভারত মহাসাগর ও মধ্য এশিয়ার যোগাযোগপথে আঞ্চলিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার এক নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে ভারতের অবস্থানকেও শক্তিশালী করে (Indian Pressure)।

  • Pak Afgan Peace Talks: ভেস্তে গেল পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি আলোচনা, জানুন আসল কারণ

    Pak Afgan Peace Talks: ভেস্তে গেল পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি আলোচনা, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেস্তে গেল পাকিস্তান-আফগানিস্তান শান্তি আলোচনা (Pak Afgan Peace Talks)। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ওই আলোচনা হচ্ছিল তিন দিন ধরে। তার পরেও সমঝোতায় পৌঁছতে পারেননি দুই দেশের প্রতিনিধিরা। বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় দুই দেশই একে অন্যকে দুষছে। তবে হাল ছাড়েননি তুরস্ক ও কাতারের আধিকারিকরা, যাঁরা এই আলোচনার ব্যবস্থা করেছিলেন। মধ্যস্থতাকারী হিসেবেও কাজ করছেন এঁরা। ৯ অক্টোবর আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে ঢুকে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। শাহবাজ শরিফের দেশের দাবি, তারা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান, সংক্ষেপে টিটিপির (TTP) ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালিয়েছে। অভিযোগ, এই টিটিপি শ’য়ে শ’য়ে পাক সেনাকে হত্যা করেছে।

    প্রতিরোধ আফগানিস্তানের (Pak Afgan Peace Talks)

    পাকিস্তান হামলা চালাতেই প্রতিরোধ গড়ে তোলে আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন। তারা সীমান্তজুড়ে পাল্টা-আক্রমণ চালায়। সংবাদ মাধ্যমের খবর, লড়াই ছিল অত্যন্ত তীব্র। তালিবানের দাবি, তারা পাকিস্তানের ২০টি নিরাপত্তা চৌকি ধ্বংস করেছে, খতম করেছে ৫৮ জন পাক সেনাকে। দুই দেশের এই সংঘাত থামাতে মাঠে নেমে পড়ে পাকিস্তানের ‘বন্ধু’ দেশ সৌদি আরব এবং কাতার। তাদের মধ্যস্থতায় দু’পক্ষই ১৯ অক্টোবর তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। প্রথম দফার বৈঠক হয়েছিল দোহায়। দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা হয় ইস্তাম্বুলে (Pak Afgan Peace Talks)।

    কেন ভেস্তে গেল শান্তি আলোচনা?

    কেন ভেস্তে গেল শান্তি আলোচনা? সূত্রের খবর, পাকিস্তানের দাবি ছিল, তালিবান প্রশাসন লিখিতভাবে জানাক যে তারা কড়া হাতে দমন করবে টিটিপিকে। যদিও ইস্তাম্বুলের আলোচনায় পাক প্রতিনিধি দল সাফ জানিয়ে দেয়, টিটিপি যদি পাকিস্তানে হামলা চালায়, তাহলে পাকিস্তানেরও অধিকার থাকবে আফগান ভূখণ্ডে পাল্টা হামলা চালানোর। তালিবান প্রশাসনের প্রতিনিধি দলও পাকিস্তানকে জানিয়ে দেয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোনগুলিকে আফগানিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া অবিলম্বে (TTP) বন্ধ করতে হবে।

    আফগানিস্তানের প্রতিনিধি দল সাফ জানিয়ে দেয়, টিটিপি পাকিস্তানের একটি অভ্যন্তরীণ সমস্যা, আফগানিস্তানের নয়। তারা পাকিস্তানকে এই বলেও আশ্বস্ত করে যে আফগানিস্তানের ভূখণ্ড অন্য কোনও দেশের ওপর আক্রমণের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এর পাশাপাশি পাকিস্তানের আক্রমণ শুরু করার অধিকারও তারা মেনে নেবে না। দু’পক্ষই তাদের দাবিতে অনড় থাকায় ভেস্তে যায় শান্তি আলোচনা (Pak Afgan Peace Talks)।

  • S Jaishankar: ভারত-আমেরিকা শুল্ক-যুদ্ধের আবহেই মালয়েশিয়ায় জয়শঙ্কর-রুবিও বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা হল?

    S Jaishankar: ভারত-আমেরিকা শুল্ক-যুদ্ধের আবহেই মালয়েশিয়ায় জয়শঙ্কর-রুবিও বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনের (ASEAN Summit) ফাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মালয়েশিয়ায় আয়োজিত এই সম্মেলনে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যে বাণিজ্য আলোচনা চলছে, তার প্রেক্ষিতেই হয় এই বৈঠক। এক্স হ্যান্ডেল একটি পোস্টে জয়শঙ্কর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক-সহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলি নিয়ে হওয়া আলোচনার প্রশংসা করেন।

    কোয়াত্রার বক্তব্য (S Jaishankar)

    এদিকে, রবিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন কোয়াত্রা মার্কিন সেনেটের বিদেশ সম্পর্ক কমিটির র‍্যাঙ্কিং সদস্য জিন শাহিনের সঙ্গে বৈঠকে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য চুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং তেল ও গ্যাস বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কোয়াত্রা লিখেছেন, “এসএফআরসিডেমস-এর সেনেট বিদেশ সম্পর্ক কমিটির র‌্যাঙ্কিং সদস্য সেনেটর শাহিনের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আমাদের আলোচনা মূলত পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য চুক্তি প্রতিষ্ঠা, ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল ও গ্যাস বাণিজ্য বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং আমাদের অঞ্চলের অভিন্ন ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়েই কেন্দ্রীভূত ছিল।”

    নরেন্দ্র মোদির অবস্থান

    ভারতের রাষ্ট্রদূত রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবস্থানও তুলে ধরেন। প্রসঙ্গত, এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় এমন একটা সময়, যখন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীয়ূষ গোয়েল সাফ জানিয়ে দেন, ভারত কোনও বাণিজ্য চুক্তিতে তাড়াহুড়ো করে স্বাক্ষর করবে না এবং এমন কোনও শর্ত মেনে নেবে না যা অংশীদার দেশগুলি ভারতের বাণিজ্যিক স্বাধীনতাকে সীমিত করে। তিনি এও বলেন, “বাণিজ্য চুক্তি শুধুমাত্র শুল্ক বা কর সম্পর্কিত নয়, বরং এটি পারস্পরিক আস্থা গঠন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক স্থাপন এবং বৈশ্বিক ব্যবসায়িক সহযোগিতার জন্য একটি মজবুত কাঠামো তৈরির ব্যাপারেও গুরুত্বপূর্ণ (S Jaishankar)।”

    ওয়াশিংটনের সঙ্গে যে বাণিজ্য আলোচনা চলছে, তার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “অতি স্বল্পমেয়াদি প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আগামী ছ’মাসের মধ্যে কী ঘটবে তা নিয়ে নয়। এটি কেবল আমেরিকায় ইস্পাত বিক্রি করার ক্ষমতা নিয়েও নয়।” অন্যদিকে, বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল জানান, ভারতের সঙ্গে (ASEAN Summit) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। উভয় পক্ষই অধিকাংশ বিষয়ে একমত হওয়ার পথে। এ থেকে স্পষ্ট, শীঘ্রই একটি পারস্পরিকভাবে লাভজনক চুক্তি হতে যাচ্ছে (S Jaishankar)।

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ‘নির্যাতন’ অব্যাহত, কেমন কাটল এই সপ্তাহটা?

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে হিন্দু ‘নির্যাতন’ অব্যাহত, কেমন কাটল এই সপ্তাহটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ তো বটেই, বিদেশেও হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) অব্যাহত। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই সব আক্রমণের গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের শোভাযাত্রায় আক্রমণ, মন্দির-মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ১৯ অক্টোবর থেকে এই মাসেরই ২৬ তারিখ পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে ভারত এবং ভারতের বাইরে (Roundup Week)।

    কেরলের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কেরলের কমিউনিস্টরা মুসলমান ও খ্রিষ্টানদের মধ্যে ঘটে যাওয়া হিজাব বিতর্কের জন্য হিন্দুত্বকেই দায়ী করেছেন। কোচির সেন্ট রিটা পাবলিক স্কুলের এক মুসলিম ছাত্রী খ্রিষ্টান-পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটিতে হিজাব পরার অধিকার দাবি করে। স্কুল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী আদেশ এবং পুলিশি সুরক্ষার সহায়তায় জানায়, স্কুলের ইউনিফর্ম সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী তথা সিপিআই(এম)-এর নেতা ভি শিবনকুট্টি স্কুল কর্তৃপক্ষকে হিজাব পরার অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় অকারণে হিন্দুদের টেনে আনা হয়। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব দীপাবলি উৎসব প্রসঙ্গে বলেন, “দীপাবলিতে প্রদীপ জ্বালানোর জন্য অর্থের অপব্যয় করা উচিত নয়।” কেরলের বিখ্যাত গুরুভায়ুর মন্দিরের অডিটে এর সম্পদ ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়ম ধরা পড়েছে। এটি রাজ্যের কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে মন্দির-অব্যবস্থাপনার দীর্ঘ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। অডিটে প্রকাশ, মন্দিরে ভক্তদের দান করা সোনা, হাতির দাঁত, জাফরান ও রান্নার সামগ্রী-সহ বিভিন্ন মূল্যবান দ্রব্যের খোঁজ মিলছে না। ডিউড” চলচ্চিত্রের পরিচালক কীর্তিশ্বরণ প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে তিনি ইভি রামস্বামী নাইক্কারের আদর্শে প্রাণিত। তিনি এমন এক চলচ্চিত্র বানিয়েছেন যা বিয়ের পবিত্রতাকে উপহাস করে, পরকীয়াকে রোমান্টিকভাবে উপস্থাপন করে, এবং নৈতিক অবক্ষয়কে মূল্যবোধ হিসেবে দেখায় (Roundup Week)।

    জম্মু-কাশ্মীরের চিত্র

    জম্মু-কাশ্মীরের আখনূর এলাকায় জোরিয়ানের ১৬ বছর বয়সী এক হিন্দু কিশোরী পালিয়ে যায় এক ছেলের সঙ্গে। তার পরিবারের দাবি, এটি প্রলোভন ও মগজধোলাইয়ের ফল। ঘটনাটি ভারতজুড়ে তথাকথিত গ্রুমিং ও ধর্মান্তর র‌্যাকেট নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সূচনা (Hindus Under Attack) করেছে। বেঙ্গালুরুর হেন্নুরের দোদ্দারামান্না লেআউট এলাকায় দীপাবলির রাতে (Hindus Under Attack) ইসলামি উগ্রবাদীদের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কারণে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আতশবাজি পোড়ানো নিয়ে শুরু হওয়া ঝগড়ার পর পাঁচ মুসলিম যুবক দা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলাকায় ফিরে এসে স্থানীয়দের হুমকি দেয় এবং আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তার পরেই শুরু হয় সংঘাত।

    নমাজ আদায়ে বিতর্ক

    পুনের শনি‌ওয়ার ওয়াদায় একটি বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন একটি ভিডিওতে দেখা যায় কিছু মুসলিম নারী ঐতিহাসিক ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ওই কাঠামোর ভেতরে নমাজ আদায় করছেন। এই ঘটনার জেরে শুরু হয় প্রতিবাদ। পুলিশের কাছে দায়ের করা হয় অভিযোগ। রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপির মেধা কুলকার্নি এই প্রতিবাদের নেতৃত্ব দেন। তিনি গোমূত্র ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠান এবং শিব বন্দনা করেন। তাঁর দাবি, এই নমাজ আদায় অপমানজনক। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত (Roundup Week)।

    বিপাকে তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র

    এদিকে, ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন (Hindus Under Attack) সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। তিনি এক শ্বেতাঙ্গের ভারতীয় এবং তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন বলে অভিযোগ। বিতর্কের সূত্রপাত এক্স হ্যান্ডেলে বিশৃঙ্খল একটি রাস্তার ভিডিও পোস্ট করে তিনি যা লিখেছেন, তার নির্যাস হল ভারতীয়রা তাঁদের নির্বোধ দীপাবলির আবর্জনা দিয়ে পশ্চিমী দেশগুলিকে পুরো নোংরা জায়গায় পরিণত করেছে। বেঙ্গালুরুর এক নারী তাঁর সঙ্গী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, তারা তাঁকে বিয়ের জন্য ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করেছিলেন। মামলাটি এইচএসআর লেআউট থানায় নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযুক্তের নাম মহম্মদ ইসহাক।

    আমেরিকার ছবি

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও অপমান করা হয় হিন্দুদের। দীপাবলির উৎসব চলাকালীন কিছু খ্রিস্টান চরমপন্থী এই উৎসবকে অশুভ বলে অপমান করতে থাকে। তারা অংশগ্রহণকারীদের নিন্দাও করে। তাদের অভিযোগ, ভারতীয়রা আমেরিকা ও কানাডায় বন্যপ্রাণ ধ্বংস করছে।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ হেট ক্রাইম মূলত (Hindus Under Attack) কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা দ্বারা পরিচালিত হয়। ইসলামি দেশগুলিতে এই হিন্দু-বিরোধী ঘৃণার প্রকাশ সুস্পষ্ট। কিন্তু ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির সরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে আরও সূক্ষ্ম এক রূপের হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। এটি হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে (Roundup Week)।

  • John Kiriakou: ‘পাকিস্তানের পারভেজ মোশারফকে কিনে নিয়েছিল আমেরিকা’, ফাঁস করলেন সিআইএর প্রাক্তন কর্তা

    John Kiriakou: ‘পাকিস্তানের পারভেজ মোশারফকে কিনে নিয়েছিল আমেরিকা’, ফাঁস করলেন সিআইএর প্রাক্তন কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কীভাবে ওয়াশিংটন কোটি কোটি ডলার সাহায্যের বিনিময়ে পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশারফকে কিনে নিয়েছিল, তা ফাঁস করে দিলেন জন কিরিয়াকু (John Kiriakou)। তাঁর দাবি, একসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখত। কিরিয়াকু সিআইএতে ১৫ বছর কাজ করেছেন। এর মধ্যে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক, পারমাণবিক কূটনীতিতে সৌদি প্রভাব এবং দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তনশীল ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে একাধিক খোলামেলা মন্তব্যও করেছেন।

    মার্কিন বিদেশনীতির সমালোচনা (John Kiriakou)

    কিরিয়াকু আমেরিকার বিদেশনীতিতে বেছে নেওয়া নৈতিকতারও সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, ওয়াশিংটন স্বচ্ছন্দ্যে একনায়কদের সঙ্গে কাজ করে এবং গণতান্ত্রিক আদর্শের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেয়। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কিরিয়াকু বলেন, “পারভেজ মোশারফ পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের নিয়ন্ত্রণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।” তাঁর অভিযোগ, ওয়াশিংটন বিশাল পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের মাধ্যমে মূলত তাঁকে কিনেই নিয়েছিল। তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একনায়কদের সঙ্গে কাজ করতে ভালোবাসে। সেখানে জনমত বা গণমাধ্যম নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। আমরা আসলে মোশারফকে একরকম কিনেই নিয়েছিলাম।” কিরিয়াকু বলেন, “আমরা লাখ লাখ ডলার সাহায্য দিয়েছিলাম – সামরিক ও অর্থনৈতিক এবং তার বদলে মোশারফ আমাদের যা খুশি, তা-ই করতে দিয়েছিলেন।”

    মোশারফ দ্বিমুখী খেলা খেলেছিলেন

    প্রাক্তন সিআইএ কর্তা আরও বলেন, “মোশারফ দ্বিমুখী খেলা খেলেছিলেন। তিনি প্রকাশ্যে আমেরিকার পাশে দাঁড়ালেও, গোপনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আল-কায়েদাকে নিয়ে মোটেই চিন্তিত ছিল না, তারা চিন্তিত ছিল ভারতের ব্যাপারে। মোশারফ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্বের ভান করতেন, অথচ ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালিয়ে যেতেন (Pakistan)।”

    বড় নীতিগত ভুল

    কিরিয়াকু (John Kiriakou) জানান, সৌদি আরব হস্তক্ষেপ করায় আমেরিকা পাকিস্তানের পারমাণবিক বিজ্ঞানী আবদুল কাদির খানকে নিষ্ক্রিয় করার পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়। সৌদিরা পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনককে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ থেকে রক্ষা করেছিল। তিনি বলেন, “যদি আমরা ইজরায়েলের মতো পথ অবলম্বান করতাম, তাহলে আমরা তাঁকে হত্যা করতাম। তাঁকে খুঁজে পাওয়া খুব সহজ ছিল। কিন্তু সৌদিরা এসে বলল, ‘দয়া করে তাঁকে ছেড়ে দিন। আমরা একিউ খানকে পছন্দ করি। আমরা তাঁর সঙ্গে কাজ করছি।’” একে তিনি একটি বড় নীতিগত ভুল বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “হোয়াইট হাউস সিআইএ এবং আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছিল যেন তারা খানের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করে। এটা নিশ্চিতভাবেই সৌদিদের চাপের কারণেই হয়েছিল।”

    বিনিয়োগের প্রতিদান চাইছে!

    কিরিয়াকুর (John Kiriakou) দাবি, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে খানকে রক্ষা করার কারণ তাদের নিজস্ব পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, রিয়াধ দীর্ঘমেয়াদে একটি সমান্তরাল পারমাণবিক সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছিল। তিনি বলেন, “আমরা প্রায়ই ভাবতাম, সৌদিরাও কি নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা তৈরি করছে না?” তিনি এই পর্যবেক্ষণকে সাম্প্রতিক সৌদি–পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেন। তাঁর ইঙ্গিত, রিয়াধ হয়তো এখন তাদের বিনিয়োগের প্রতিদান চাইছে (Pakistan)।

    আমেরিকার বিদেশনীতির ভণ্ডামি

    কিরিয়াকু আমেরিকার বিদেশনীতির ভণ্ডামির সমালোচনা করে বলেন, “ওয়াশিংটন বেছে বেছে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নেয়, অথচ স্বচ্ছন্দে একনায়কদের সঙ্গে কাজ করে। আসলে আমরা নিজেদের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বাতিঘর হিসেবে উপস্থাপন করতে ভালোবাসি। কিন্তু এটি সত্য নয়। আমরা যা করি, তা আমাদের তাৎক্ষণিক স্বার্থেই করি।”

    মার্কিন-সৌদি সম্পর্ক লেনদেনভিত্তিক

    তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে (John Kiriakou) সৌদির সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপেই লেনদেনভিত্তিক। তিনি বলেন, “সৌদি আরবে আমাদের বিদেশনীতি খুবই সহজ। আমরা তাদের কাছ থেকে তেল কিনি, আর তারা আমাদের কাছ থেকে অস্ত্র কেনে।” কিরিয়াকু মনে করিয়ে দেন, এক সৌদি প্রহরী তাঁকে বলেছিল, “তুমি ভাড়াটে কর্মচারী। আমরা টাকা দিয়ে তোমায় এনেছি, যাতে তুমি এসে আমাদের রক্ষা করো।” কিরিয়াকু বলেন, “বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য এখন পরিবর্তনের পথে। কারণ সৌদি আরব, চিন ও ভারত নিজেদের কৌশলগত ভূমিকা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে (Pakistan)।” তিনি বলেন,
    “আমরা তেলের সমুদ্রে বসে আছি। আমাদের আর সৌদিদের প্রয়োজন নেই। তারা এখন তাদের সম্ভাবনা বিবেচনা করে চিন ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করছে। আমরা আসলে বিশ্ব পরিচালনার এক নয়া রূপান্তর প্রত্যক্ষ করছি (John Kiriakou)।”

  • H 1B Visa Fee Row: ভারতীয় বংশোদ্ভূত তারকা অধ্যাপক-গবেষকদের দেশে ফেরাতে নয়া প্রকল্প কেন্দ্রের

    H 1B Visa Fee Row: ভারতীয় বংশোদ্ভূত তারকা অধ্যাপক-গবেষকদের দেশে ফেরাতে নয়া প্রকল্প কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী (H 1B Visa Fee Row) কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষিতে নয়া প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারত সরকার। এর লক্ষ্য হল বিদেশে থাকা ভারতীয় বংশোদ্ভূত তারকা অধ্যাপক ও গবেষকদের দেশে ফিরিয়ে আনা (Modi Govt)। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শুধু শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানীদের ভারতে ফেরানোই নয়, বরং তাদের দেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে বসানো হবে। এতে এক দিকে যেমন দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তোলা যাবে, তেমনি ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রকেও আরও শক্তিশালী করা যাবে।

    এইচ-১বি ভিসা (H 1B Visa Fee Row)

    সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চশিক্ষা নীতি এবং এইচ-১বি ভিসার উচ্চ ফি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শাটডাউনের ফলে ব্যাপক ছাঁটাই চলছে। চাকরি হারিয়েছেন হাজার হাজার ফেডারেল কর্মচারী। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন শিক্ষা বিভাগ, যেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশে কর্মীর সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আধিকারিকরা জানান, এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হল ভারতের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতকে শক্তিশালী করা। এজন্য নির্বাচিত গবেষকদের ভারতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান- যেমন আইআইটি, বিভিন্ন গবেষণাগার, এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোয় পদ দেওয়া হবে।

    অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্র

    সূত্রের খবর, এই প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, টেকনোলজি এবং গণিত ক্ষেত্রের ১২ থেকে ১৪টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রে চালু করা হবে। গবেষকদের সেট-আপ অনুদান দেওয়া হতে পারে, যা তাঁদের ভারতে নিজস্ব ল্যাব ও গবেষণা টিম তৈরিতে সাহায্য করবে। জানা গিয়েছে, আইআইটিগুলিও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন পরিচালক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।

    কী বলছেন শিক্ষাবিদরা

    ট্রাম্প প্রশাসনের বড় ধরনের (H 1B Visa Fee Row) পরিবর্তনগুলি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর কঠোর শর্ত আরোপ করেছে।  এর মধ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এমআইটি স্লোন স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক বৈষ্ণবের মতে, “আর্থিকভাবে আমরা হয়তো কখনও বৈশ্বিক বেতনের সমান হতে পারব না। কিন্তু এখানে একটি আবেগগত টান রয়েছে। এই বার্তা প্রতিভা আকর্ষণ করবে। সঠিক মানুষ নির্বাচন করে তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে। তদারকি করা হবে, তবে সেখানে গুরুত্ব থাকবে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ওপর, লেনদেনভিত্তিক বিনিময়ের ওপর নয় (Modi Govt)।”

    ভারতীয় অধ্যাপকের বার্ষিক আয়

    উদাহরণস্বরূপ, একজন ভারতীয় অধ্যাপকের বার্ষিক আয় প্রায় ৩৮,০০০ মার্কিন ডলার, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে তা ১,৩০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ মার্কিন ডলারের মধ্যে এবং চিনে প্রায় ১,০০,০০০ মার্কিন ডলার। জানা গিয়েছে, সরকার এমন একটি প্রকল্প তৈরি করছে যা প্রক্রিয়াগত দেরি, অর্থায়নের অনিশ্চয়তা এবং সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক সহায়-সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করবে। একই সঙ্গে বৌদ্ধিক সম্পদ অধিকার, গবেষণার স্বাধীনতা এবং স্থায়ী পদ বা চাকরির কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে, যাতে এই প্রকল্পটি আরও আকর্ষণীয় ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠে।

    বিদেশি গবেষকদের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি সহযোগিতা

    বর্তমানে ইউরোপ, চিন এবং তাইওয়ানের মতো দেশগুলি বিপুল পরিমাণে অর্থায়নযুক্ত উদ্যোগ এবং নয়া গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদেশি গবেষকদের নিয়োগ করছে। ভারত এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলিকে এগিয়ে নিতে যেতে চায় এবং দেশ থেকে বৈজ্ঞানিক প্রতিভার ভিন দেশে চলে যাওয়ার প্রবণতা কমাতে চায় (H 1B Visa Fee Row)। যদিও ভারত ইতিমধ্যেই ভিজিটিং অ্যাডভান্সড জয়েন্ট রিসার্চ ফ্যাকাল্টি প্রোগ্রামের মতো কিছু উদ্যোগ চালু করেছে, যা বিদেশি গবেষকদের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি সহযোগিতার সুযোগ দেয়। কিন্তু এই প্রকল্পে অংশগ্রহণ সীমিত ছিল। ২০১৭–১৮ সালে সূচনার পর থেকে এই প্রোগ্রাম ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে প্রায় ১০০টি সহযোগিতামূলক গবেষণা প্রকল্প শেষ করেছে (Modi Govt)।

    ভারত থেকে বহু মানুষ আমেরিকায় যান

    প্রসঙ্গত, আমেরিকার নাগরিকত্ব এবং অভিবাসন সংস্থা ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস সম্প্রতি একটি এ বিষয়ে বিবৃতি জারি করেছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার পরে আমেরিকার বাইরে রয়েছেন এমন কারও জন্য এইচ-১বি ভিসা চাইলে ওই ১ লাখ ডলার দিতে হবে। ওই নির্ধারিত সময়ের পরে যে এইচ-১বি ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে কোনও বিদেশি কনস্যুলার বিজ্ঞপ্তি, প্রবেশের পর বিজ্ঞপ্তি এবং প্রাক-উড়ান তথ্য যাচাইয়ের অনুরোধ করা হয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রেও নয়া কড়াকড়ি কার্যকর হবে (H 1B Visa Fee Row)। নয়া নিয়ম অনুসারে, বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন সংস্থাগুলিকে ১ লাখ ডলার দিতে হচ্ছে ট্রাম্প সরকারকে। এইচ-১বি ভিসা নিয়ে প্রতি বছর ভারত থেকে বহু মানুষ আমেরিকায় যান (Modi Govt)। এই মুহূর্তে ভারতীয়রাই এই ভিসার সব চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। শুধু গত বছরেই ভারত থেকে ভিসার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৭১ শতাংশ (H 1B Visa Fee Row)।

  • Diwali Phone Call: “দুই দেশ যেন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায়”, ট্রাম্পকে বললেন মোদি

    Diwali Phone Call: “দুই দেশ যেন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায়”, ট্রাম্পকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Phone Call) জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেজন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের যৌথ প্রচেষ্টার আশাও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই কথোপকথন হয়েছে এমন একটা সময়ে যখন আমেরিকা ক্রমশ পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে। জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার জন্য কুখ্যাত এই পাকিস্তান।

    মোদির বার্তা (Diwali Phone Call)

    বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ধন্যবাদ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, আপনার ফোন কল এবং উষ্ণ দীপাবলি শুভেচ্ছার জন্য।” তিনি বলেন, “এই আলোর উৎসবে আমাদের দুই মহান গণতন্ত্র যেন আশার আলোয় বিশ্বকে আলোকিত করে এবং সকল প্রকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায়।” দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে এই ফোনালাপ এমন একটা সময়ে হয়েছে, যখন বাণিজ্য শুল্ক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক একপ্রকার তলানিতে ঠেকেছে। এদিন ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে এবং দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাতে তিনি ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে।

    ‘একজন মহান ব্যক্তি ও খুব ভালো বন্ধু’

    প্রসঙ্গত, ওভাল অফিসে (Diwali Phone Call) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প মোদিকে ‘একজন মহান ব্যক্তি’ এবং ‘খুব ভালো বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি ভারতের জনগণকে দীপাবলির শুভেচ্ছাও জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি ভারতের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আজই আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আমরা বাণিজ্য নিয়ে কথা বলেছি। তিনি এ বিষয়ে খুব আগ্রহী।”  তিনি বলেন, “আমরা কিছুক্ষণ আগে কথা বলেছিলাম। আমি বলেছিলাম, চলুন পাকিস্তানের সঙ্গে যেন কোনও যুদ্ধ না করি। সেখানে বাণিজ্য বিষয়টিও আলোচনায় এসেছিল। আমি এ বিষয়ে কথা বলতে পেরেছিলাম। আর এখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনও যুদ্ধ নেই। এটা খুবই ভালো একটা বিষয় (PM Modi)। তিনি একজন মহান মানুষ এবং বছরের পর বছর ধরে তিনি আমার খুব ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছেন (Diwali Phone Call)।”

  • Dhanteras 2025: ভারতীয় অর্থনীতি নাকি ‘ডেড ইকোনমি’! ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা ঘষে দিল ধনতেরাসের বাজার

    Dhanteras 2025: ভারতীয় অর্থনীতি নাকি ‘ডেড ইকোনমি’! ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা ঘষে দিল ধনতেরাসের বাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় অর্থনীতিকে ‘ডেড ইকোনমি’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায় সায় (Indian Economy) দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীও। তবে দিন দুয়েক আগে ধনতেরাসের (Dhanteras 2025) কেনাকাটার বাজার শুনলে চোখ কপালে উঠবে ট্রাম্প এবং গান্ধীরও। যদিও ধনতেরাসের বিকিকিনির হিসেব শুনে আর রা কাড়েননি কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল। বাণিজ্য সংগঠনের অনুমান, চলতি বছর ধনতেরাসে বিপুল কেনাকাটা করেছেন দেশবাসী। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের প্রাথমিক অনুমান, এই ধনতেরাসে সারা দেশে মানুষ প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার কেনাকাটা করেছেন। এর মধ্যে কেবল সোনা ও রুপো বিক্রি হয়েছে ৬০ কোটি টাকারও বেশি। বাকি টাকার অন্যান্য সামগ্রী। প্রসঙ্গত, ধনতেরাসের দিন কোনও কিছু কিনলে সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায় বলেই বিশ্বাস ভারতীয়দের।

    ব্যাপক বিক্রি (Dhanteras 2025)

    ধনতেরাসে ভারতবাসী সাধারণত কেনেন সোনা, রুপোর পাশাপাশি বাসনকোসন, ইলেকট্রিক জিনিসপত্র, লক্ষ্মী-গণেশের মূর্তি, মাটির প্রদীপ, মোমবাতি এবং পুজোর অন্যান্য সামগ্রী। অনেকে আবার এই দিনেই কেনেন মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটের মতো ইলেকট্রনিক গ্যাজেটও। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের সম্পাদক প্রবীণ খাণ্ডেলওয়াল বলেন, “ধনতেরাসে দেশজুড়ে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য শুভ জিনিসপত্রের মোট ব্যবসা ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি হবে বলে অনুমান।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি (Dhanteras 2025) বলেন, “গত দু’দিনে সোনার বাজারে ব্যাপক ভিড় দেখা গিয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, কেবল সোনা ও রুপোর লেনদেন হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকারও বেশি (Indian Economy)।” এবার দিল্লিতে সোনা বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এটি একটি রেকর্ড। গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি হয়েছে ২৫ গুণ বেশি।

    সোনার দাম

    জানা গিয়েছে, দেশে সোনার দামের লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। গত বছর ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল প্রায় ৮০ হাজার টাকা। এবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকারও বেশি। শতাংশের বিচারে বৃদ্ধির হার ৬০-এর কাছাকাছি। ২০২৪ সালে রুপোর দাম ছিল কিলো প্রতি ৯৮ হাজার টাকা। এবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। বৃদ্ধির হার ৫৫ শতাংশ। তা সত্ত্বেও ধনতেরাসে এই দুই মূল্যবান ধাতু কিনতে পিছপা হননি ভারতীয় ক্রেতারা। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের তরফে জানানো হয়েছে, সোনা ও রুপো ছাড়াও ব্যাপক বিক্রিবাটা হয়েছে অন্যান্য সামগ্রীও। এর মধ্যে রয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকার রান্নাঘরের জিনিসপত্র, ১০ হাজার কোটি টাকার ইলেকট্রনিক্স গুডস, সাজসজ্জার জিনিসপত্র, প্রদীপ এবং পুজোর অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার (Dhanteras 2025)। শুকনো ফল, মিষ্টি, পোশাক, যানবাহন এবং অন্যান্য জিনিসপত্র বিক্রি হয়েছে (Indian Economy) ১২ হাজার কোটি টাকার।

    রুপোর বিক্রিবাটা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে

    ওই বাণিজ্য সংগঠনের দাবি, এবার ব্যাপক কেনাকাটার নেপথ্যে রয়েছে মূলত জিএসটি সংস্কার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভোকাল ফর লোকাল’ প্রচার। এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপকৃত হয়েছেন ছোট ব্যবসায়ী এবং পণ্য উৎপাদনকারীরা। এই দু’দিনে মানুষ যেমন দোকানে গিয়ে জিনিসপত্র কিনেছেন, তেমনি ব্যবসা হয়েছে অনলাইনেও। ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব সুরেন্দ্র মেহতা জানান, মুম্বইয়ের জাভেরি বাজারে সোনা ও রুপোর কয়েন কেনার জন্য ভিড় উপচে পড়েছিল। জানা গিয়েছে, সোনার চড়া দামের কারণে এবার রুপোর বিক্রিবাটা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সোনা যাঁদের নাগালের বাইরে, তাঁরা ঝাঁপিয়েছেন রুপো কিনতে। এর জেরে রুপোর জিনিসের বিক্রি বেড়েছে গত বছরের তুলনায় ঢের বেশি।

    গয়না ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    কল্যাণ জুয়েলার্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রমেশ কল্যাণরামন বলেন, “অনেক জায়গায় সোনা-রুপোর মুদ্রার সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেড়েছে (Indian Economy)। কারণ খুচরো বিক্রেতারা উচ্চ মূল্যের প্রতিকূল প্রভাবের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না (Dhanteras 2025)।” ভারতীয় সংস্কৃতিতে ধনতেরাসের সময় সোনা কেনা শুভ বলে বিবেচিত হয়। গয়না ব্যবসায়ীদের মতে, এই উৎসবের মরশুমে ভারতীয় সোনার বাজারে যে অর্থনৈতিক সঞ্চালন ঘটেছে, তা শুধু খুচরো ব্যবসাকেই চাঙা করেনি, বরং ভারতের অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

    ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা!

    প্রসঙ্গত, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেও রাশিয়া থেকে তেল কেনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। সে প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে মাস কয়েক আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ভারত রাশিয়ার সঙ্গে কী করে, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। তারা তাদের মৃত অর্থনীতিকে এক সঙ্গে ধ্বংস করতে পারে।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যে যারপরনাই খুশি হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুরে সুর মিলিয়ে তিনি বলেছিলেন, “উনি (ট্রাম্প) ঠিকই বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী ছাড়া এটা সবাই জানেন। সবাই জানেন যে ভারতীয় অর্থনীতি একটি মৃত অর্থনীতি। আমি খুশি যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প একটি সত্য কথা বলেছেন (Indian Economy)।”

    ধনতেরাসের বাজার কি তবে এঁদের মুখে ঝামা ঘষে দিল (Dhanteras 2025)?

  • Donald Trump: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে “নো কিংস” আন্দোলন, লোকে লোকারণ্য

    Donald Trump: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে “নো কিংস” আন্দোলন, লোকে লোকারণ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনসভায় অচলাবস্থার কারণে সরকারি কার্যকলাপ বন্ধ রয়েছে তিন সপ্তাহ ধরে। এহেন আবহে শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যজুড়ে প্রচুর বিক্ষোভকারী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বিরুদ্ধে সমবেত হন। বিক্ষোভকারীরা এই প্রতিবাদকে “নো কিংস” (No Kings) আন্দোলন আখ্যা দেন। রিপাবলিকানরা একে ব্যঙ্গ করে “হেট আমেরিকা” (Hate America) সমাবেশ বলে অভিহিত করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যেই ২,৫০০-রও বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে ওয়াশিংটন (US) ডিসি এবং নিউ ইয়র্কের মতো বড় শহর, তেমনি রয়েছে মধ্য-পশ্চিমের ছোট ছোট শহরও।

    “নো কিং!” (Donald Trump)

    সান ফ্রান্সিসকোয় শয়ে শয়ে মানুষ ওসান বিচে তাঁদের শরীর দিয়ে “নো কিং!” (কোনও রাজা নয়!) এবং অন্যান্য স্লোগান লিখে প্রতিবাদ জানান। স্ট্যাচু অব লিবার্টির পোশাকে সেজেছিলেন হেইলি উইঙ্গার্ড। তিনি বলেন, “আমি আগে কখনও কোনও বিক্ষোভে অংশ নিইনি।” সম্প্রতি তিনি ট্রাম্পকে একজন একনায়ক হিসেবে দেখতে শুরু করেন। “এটাই গণতন্ত্রের চেহারা!” – এমনতর স্লোগানে হাজারো মানুষ ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটল ভবনের কাছে প্রতিবাদ জানান। প্রসঙ্গত, আইনসভায় অচলাবস্থার কারণে ফেডারেল সরকার টানা তিন সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে।

    ট্রাম্পের সমালোচনা

    বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের তথাকথিত কঠোর কৌশলের তীব্র সমালোচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে গণমাধ্যম, রাজনৈতিক বিরোধী ও অনথিভুক্ত অভিবাসীদের ওপর আক্রমণও। ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি ছিল তৃতীয় বৃহৎ গণ-সমাবেশ, যা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এমন এক সময়ে যখন শাটডাউন থাকায় শুধু ফেডারেল কর্মসূচি ও সেবা বন্ধই হয়ে যায়নি, ক্ষমতার মৌলিক ভারসাম্যেরও পরীক্ষা হয়েছে। একটি আক্রমণাত্মক এক্সিকিউটিভ শাখা যেভাবে কংগ্রেস ও আদালতের (US) সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে, তা নিয়ে বিক্ষোভকারীরা সতর্ক করেছেন। তাঁদের মতে, এটি কর্তৃত্ববাদিতার বিপজ্জনক স্খলন (Donald Trump)।

    প্রতিবাদের কারণ

    বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কিছু নির্দিষ্ট নীতি ও পদক্ষেপের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলিতে ফেডারেল বাহিনী ও ন্যাশনাল গার্ড পাঠানো, যা ফেডারেল ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া ও সমাজের সামরিকীকরণ হিসেবে দেখা হয়েছে; ব্যাপক অভিবাসন অভিযান ও নীতিগুলি যা বহিষ্কার ও অভিযোগ করা অবিচারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সরকার বন্ধের ফলে ফেডারেল কর্মী ও জরুরি সেবার ওপরও যে প্রভাব পড়েছে, তাও প্রতিবাদের অন্যতম কারণ (Donald Trump)।

    ট্রাম্প বলেন, “ওরা আমায় রাজা বলে উল্লেখ করছে। আমি কোনও রাজা নই।” ট্রাম্পের প্রচার টিমের তরফে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকেও বিক্ষোভকারীদের ব্যঙ্গ করে একটি পোস্ট করা হয়, যেখানে ট্রাম্পকে এক রাজামহারাজার মতো মুকুট পরে ব্যালকনি থেকে হাত নাড়তে দেখা গিয়েছে (US)।

LinkedIn
Share