Tag: USA

USA

  • Jay Clayton: সেই ক্লেটনকে উচ্চ পদ দিলেন ট্রাম্প, কেন জানেন?

    Jay Clayton: সেই ক্লেটনকে উচ্চ পদ দিলেন ট্রাম্প, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেডারেল প্রসিকিউটর ড্যামিয়ান উইলিয়ামসের স্থলাভিষিক্ত হবেন মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC)-এর প্রাক্তন চেয়ারম্যান জে ক্লেটন (Jay Clayton)। ১৫ নভেম্বর এই ঘোষণা করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর প্রশাসনের অধীনে নিউ ইয়র্কের দক্ষিণ জেলার জেলা অ্যাটর্নি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ক্লেটন। উইলিয়ামস আগে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (RAW)-এর প্রাক্তন কর্তা বিকাশ যাদবের বিরুদ্ধে খালিস্তানি সন্ত্রাসবাদী এবং ‘শিখস ফর জাস্টিস’ জঙ্গি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নুনকে (Pannun Assassination Plot Case) হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিলেন।

    নিখিল গুপ্ত (Jay Clayton)

    উল্লেখ্য যে, ভারত সরকার এই বিষয়টিকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ সরকার এই ধরনের কোনও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন ভারতীয় নাগরিক, পেশায় ব্যবসায়ী নিখিল গুপ্ত এবং এক অজ্ঞাত গোয়েন্দা কর্তা। নিখিলকে মামলার সহ-ষড়যন্ত্রী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং তাঁকে চেক প্রজাতন্ত্র থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুন মাসে তাঁকে আমেরিকায় প্রত্যর্পণ করা হয়। নিখিল এই তথাকথিত হত্যা ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    র’-এর সিনিয়র ফিল্ড অফিসার

    উইলিয়ামসের দায়ের করা অভিযোগে যাদবকে ‘র’-এর একজন সিনিয়র ফিল্ড অফিসার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যাদব ভারতে তোলাবাজি ও অপহরণের অভিযোগে আটক রয়েছেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (FBI)-এর ওয়ান্টেডের তালিকায় রয়েছেন। যাদব, গুপ্ত এবং অজ্ঞাত ওই কর্মকর্তা পান্নুনকে হত্যা করার জন্য একজন পেশাদার অপরাধীকে ভাড়া করার চেষ্টা করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন (Jay Clayton)। পান্নুন প্রকৃতপক্ষে একজন সরকারী এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জে ক্লেটনকে উচ্চ প্রশংসিত এক ব্যবসায়িক নেতা, আইনজীবী এবং জনসেবক হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

    আরও পড়ুন: লাহোরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাক জঙ্গি লখভি, প্রকাশ্যে সেই ছবি

    কী বললেন ট্রাম্প

    ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে নিউ ইয়র্কের জে ক্লেটন, যিনি আমার প্রথম মেয়াদে মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসাবে অসাধারণ কাজ করেছিলেন, তাঁকে নিউ ইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি পদে মনোনীত করা হল। জে একজন উচ্চ প্রশংসিত ব্যবসায়িক নেতা, আইনজীবী এবং জনসেবক। তিনি ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ও আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজ থেকে অর্থনীতিতে ডিগ্রি লাভ করেছেন। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান হওয়ার আগে, তিনি সুলিভান অ্যান্ড ক্রমওয়েলের অংশীদার ছিলেন এবং ম্যানেজমেন্ট (Pannun Assassination Plot Case) কমিটিতে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি সুলিভান অ্যান্ড ক্রমওয়েলের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার, একাধিক সরকারি ও বেসরকারি কোম্পানির বোর্ড সদস্য এবং পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটির ওয়ারটন বিজনেস স্কুল ও কেরি ল স্কুলে অ্যাডজাঙ্ক্ট প্রফেসর হিসেবে কাজ করছেন। জে সত্যের জন্য একজন শক্তিশালী যোদ্ধা হবেন, যেহেতু আমরা আমেরিকাকে আবার মহান করে তোলার কাজ করছি।”

    ক্লেটন

    প্রসঙ্গত, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদকালে ক্লেটন ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এসইসি (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ওয়াল স্ট্রিট এবং আর্থিক অনিয়ম সম্পর্কিত মামলাগুলিতে বিশেষজ্ঞ। বিনিয়োগ, শেয়ারবাজারে লেনদেনের কারসাজি এবং জালিয়াতি সম্পর্কিত হাই-প্রোফাইল মামলাগুলিও পরিচালনা করেছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ভারতের বিরুদ্ধে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপতওয়ান্ত সিং পান্নুনকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনে আমেরিকা। এই অভিযোগ ওঠে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ভারতকে খলিস্তানপন্থী সন্ত্রাসবাদী হরদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যা করার অভিযোগের প্রায় দেড় মাস পরে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে বলে দাবি করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল যে নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভারতের হাত রয়েছে। যেখানে পন্নুনের হত্যা ষড়যন্ত্রের তদন্তে ভারত সহযোগিতা করছে, সেখানে নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় এজেন্টদের জড়িত থাকার বিষয়ে কানাডা এখনও কোনও উল্লেখযোগ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। এই অভিযোগের পর থেকেই ভারত এবং কানাডার মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি, কানাডা আরও একধাপ এগিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে কানাডার মাটিতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এনেছে। যার জেরে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ঠেকেছে (Pannun Assassination Plot Case) তলানিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: ‘‘সেই ব্যক্তি কোথায়?’’ ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনে ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূসের!

    Donald Trump: ‘‘সেই ব্যক্তি কোথায়?’’ ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনে ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূসের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমলা হ্যারিসকে হারিয়ে ফের হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তন করতে চলেছেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চলাকালীনই ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে হওয়া অত্যাচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এবার ক্ষমতায় এসে এই বিষয়টি যে তিনি সহজ ভাবে নেবেন না তা অনুমান করছে বাংলাদেশ। এর আগে, ২০১৬ সালের ভোটে জেতার পর বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ঢাকার মাইক্রোফাইন্যান্সের সেই ব্যক্তি (Muhammad Yunus) কোথায়? শুনেছি, তিনি আমাকে হারাতে চাঁদা দিয়েছিলেন।” ফলে, এবার ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদে ফেরা নিশ্চিত হতেই ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের। 

    ট্রাম্পের দীপাবলি-পোস্ট

    সম্প্রতি ভারতকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েই বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে চলা অত্যাচারের প্রসঙ্গ টেনে এনেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। বাংলাদেশে চরম বিশৃঙ্খলা চলছে বলেই উল্লেখ করেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে বলেছিলেন, “আমি থাকলে এই ঘটনা কখনও ঘটতে দিতাম না।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক যে মধুর নয়, তা সকলের জানা। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ের পরে ইউনূস বলেছিলেন, তাঁদের রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পূর্ণ আলাদা। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পকে দেওয়াল না গড়ে, দৃষ্টিভঙ্গী আরও উদার করে সেতু গড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ডেমোক্রাটদের সম্পর্ক ভালো। তাই  কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, ডেমোক্র্যাট-ঘনিষ্ঠ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus) যথেষ্ট চাপে পড়লেন ট্রাম্প ফিরে আসায়।

    ইউনূসে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

    তবে, ট্রাম্পের মনে ইউনূসের প্রতি যে একটা পুরনো ক্ষোভ রয়েছে, তা অজানা নয়। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ের পর, বাংলাদেশ থেকে একটি প্রতিনিধি দল তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে ওয়াশিংটনে যায়। প্রথম সাক্ষাতেই ট্রাম্প বলেছিলেন, “ঢাকার মাইক্রোফাইন্যান্সের সেই ব্যক্তি কোথায়? শুনেছি, তিনি আমাকে হারাতে চাঁদা দিয়েছিলেন।” ইঙ্গিত স্পষ্ট, ইউনূস ২০১৬ সালের নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনকে সমর্থন করেছিলেন। উল্টোদিকে, বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মদম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মার্কিন ডেমোক্র্যাটদের সুসম্পর্কের কথা অনেকেই জানেন। বাংলাদেশের পালাবদলের পর সেদেশের সরকারের মাথায় বসেছেন অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনূস। এরপর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কিছুটা উন্নতি ঘটে। উল্লেখ্য, আগের শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে মার্কিন সরকারের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। এই সবের মাঝেই ইউনূস বাংলাদেশ সরকারের মাথায় বসার পর তাঁকে সবধরনের সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছিল বাইডেন প্রশাসন। উল্লেখ্য, ইউনূসের সঙ্গে ক্লিনটনদের বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। এমনকী, সম্প্রতি তিনি আমেরিকায় গিয়ে ‘গণঅভ্যুত্থানের মাথা’কে চিনিয়ে দিয়েছিলেন ক্লিনটনের ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানেই।

    ঘুম উড়েছে ইউনূসের

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) নির্বাচিত হতেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ট্রাম্পের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আওয়ামী লিগ নেত্রী। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের জনগণের তরফে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে ফেরার অভিনন্দন জানিয়েছেন। আসলে দীপাবলির সময়ে ট্রাম্পের পোস্ট নিয়ে শঙ্কায় ইউনূস। বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পেয়েছিলেন ইউনূস (Muhammad Yunus)। কিন্তু কয়েক মাসেই বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। একদিকে যেমন ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ জমছে, তেমনই বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্য়ালঘুদের উপরে হওয়া হামলার ঘটনাও গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে। সর্বশেষে, দীপাবলিতে ট্রাম্পের ‘‘আমি থাকলে…’’ বার্তায় ঘুম উড়েছে ইউনূসের। তাই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন, রাজনৈতিক সঙ্কটের মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ পরিস্থিতির উপরে কী প্রভাব ফেলবে তা এখন ঢাকার কূটনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Organ Donor: শরীর থেকে বের করা হচ্ছিল হৃদযন্ত্র, আচমকা জেগে উঠলেন ‘মৃত’ অঙ্গদাতা!

    Organ Donor: শরীর থেকে বের করা হচ্ছিল হৃদযন্ত্র, আচমকা জেগে উঠলেন ‘মৃত’ অঙ্গদাতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীর থেকে হৃদযন্ত্র (Organ Donor) বের করার সময় হঠাৎই জেগে উঠলেন ‘মৃত’। অঙ্গদান করতে গিয়ে এখন খবরের শিরোনামে আমেরিকা (America)। অপারেশন টেবিলেই ‘মৃত’ ব্যক্তি আচমকা নড়েচড়ে বসেন। কিন্তু তারপরেও অস্ত্রোপচার চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন পরিবার। এই ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দিয়েছে চিকিৎসক মহলে।

    টেবিলেই ছটফট করতে থাকেন (Organ Donor)

    ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে। আমেরিকার (America) কেন্টাকিতে এই ঘটনা ঘটেছিল। টিজে হুভার নামের এক ব্যক্তি বেশি পরিমাণে মাদক সেবন করেছিলেন। এরপর নিজে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর হুভারকে ব্যাপটিস্ট হেলথ রিচমন্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে ব্রেন ডেড ঘোষণা করা হয়। এরপর অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলি (Organ Donor) প্রতিস্থাপন যোগ্য কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। এরপর অপারেশন টেবিলে তোলা হলে আচমকা নড়েচড়ে বসেন তিনি। আমেরিকার নিউ ইয়র্ক (America) পোস্ট এই বিষয় নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, অস্ত্রোপচার করতে গেলে হুভারের শরীরে প্রাণের অস্তিত্ব মেলে বলে জানান হাসপাতালের কর্মীরা। রীতিমতো টেবিলেই ছটফট করতে থাকেন তিনি। এমন কী তাঁর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ার কথাও বলেন হাসপাতালের কর্মীরা। এক কর্মী আরও বলেন, “অঙ্গদানকারী ওই রোগীর অবস্থা দেখে দুই চিকিৎসক পিছু হটেন। কিন্তু তখনও রোগীর শরীর থেকে অঙ্গ বের করতে রাজি হননি দুই চিকিৎসক। তবুও কেন্টাকি অর্গ্যান ডোনার অ্যাফিলিয়েটস-এর পক্ষ থেকে চিকিৎসকদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এমন কী রোগীর দেহে ওষুধ প্রয়োগ করে নিস্তেজ করে শরীর থেকে অঙ্গ বের করে নেওয়া হয়।” উল্লেখ্য এই ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক বলে মন্তব্য করেন ওই কর্মী।

    আরও পড়ুনঃ এবার মলদ্বীপেও চালু হতে চলেছে ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা, ঘোষণা মুইজ্জুর

    চোখ খোলার অর্থ বেঁচে থাকা নয়

    এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক নাতাশা মিলার বলেন, “ওই সময় অত্যন্ত ছটফট করছিলেন হুভার। আমি স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি ওর চোখ দিয়ে জল পড়ছিল। হৃদযন্ত্র (Organ Donor) অঙ্গদানের উপযুক্ত কিনা যখন পরীক্ষা করা হচ্ছিল, সেই সময় জেগে উঠেছিলেন হুভার।” আবার হুভারের দিদি ডনা বোরার বলেন, “আইসিইউ থেকে যখন বের করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেই সময় ভাই চোখ খুলেছিলেন। হাসপাতালে জানালে ওরা আমায় বলে, চোখ খোলা রিফ্লেক্স মাত্র। চোখ খোলার অর্থ বেঁচে থাকা নয়। হয় তো বেঁচে ছিলেন দাদা, বোঝাতে চেয়েছিলেন।” কিন্তু শেষ পর্যন্ত শরীরের সব অঙ্গ কেটে বের করা হয়নি। কোডা-র কর্মীদের মধ্যে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন। কেউ কেউ আবার হাসপাতাল থেকে পদত্যাগও করেন।

    তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করছেন। কেন্টাকির অ্যাটার্নি জেনারেল বলেন, গোয়েন্দারা তদন্ত করছেন। তবে হুভার এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তবে সবকিছু স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Predator Drones: শঙ্কিত চিন-পাকিস্তান! চুক্তি সম্পন্ন, ৩১টি মার্কিন ‘প্রিডেটর ড্রোন’ পাচ্ছে ভারত

    Predator Drones: শঙ্কিত চিন-পাকিস্তান! চুক্তি সম্পন্ন, ৩১টি মার্কিন ‘প্রিডেটর ড্রোন’ পাচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে পাকিস্তান ও চিনের আগ্রাসনের মোকাবিলা করতে বেশ কয়েকদিন ধরেই মার্কিন ড্রোন কেনার লক্ষ্য ছিল ভারতের। মঙ্গলবার তা চূড়ান্ত রূপ পেল। আমেরিকার অন্যতম ঘাতক অস্ত্র ‘প্রিডেটর ড্রোন’ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত। এখন শুধু হাতে পাওয়ার অপেক্ষা। সূত্রের খবর, ৩২ হাজার কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে দু’দেশের মধ্যে। তার বিনিময়ে ভারতের হাতে ৩১টি ‘প্রিডেটর ড্রোন’ তুলে দেবে আমেরিকা। 

    মোদি-বাইডেন আলোচনার ফল

    লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চিনের সঙ্গে বিবাদের আবহে ভারতের হাতে প্রিডেটর ড্রোন আসার খবর চিন্তায় রাখবে বেজিংকে। চিনের লালফৌজের চোখরাঙানির মাঝেই ভারতীয় সেনার হাতে আসবে এই ‘এমকিউ-৯বি’ ড্রোন। ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগ আরও মজবুত হবে। সম্প্রতি আমেরিকার ডেলওয়ারে ‘কোয়াড’ শীর্ষ সম্মেলন হয়। সেখানে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তাঁর আলোচনাও হয়। তার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই ড্রোন নিয়ে দু’দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনার ফল বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এই ড্রোন কবে ভারতে আসবে তা এখনও জানা যায়নি। ৩১টি ড্রোনের মধ্যে ১৫টি পাবে নৌসেনা। অন্যদিকে, ৮টি করে পাবে স্থলসেনা এবং বায়ুসেনা।

    আরও পড়ুন: সম্পর্কে ইতি! কানাডার ৬ কূটনীতিককে বহিষ্কার, ভারতীয় দূতকে ডেকে নিল দিল্লি

    প্রিডেটর ড্রোনের ক্ষমতা

    তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মহম্মদ ওমর থেকে আল কায়দা প্রধান আয়মান আর জাওয়াহিরি— গত দু’দশকে আমেরিকার প্রিডেটর ড্রোনের ‘শিকারের’ তালিকায় এমন অনেকেই রয়েছেন। জেনারেল অ্যাটোমিক্স-এর তৈরি এই ড্রোনের পোশাকি নাম এমকিউ-৯বি। আবহাওয়া যেমনই হোক, নিঃশব্দে শত্রু শিবিরে আঘাত হানতে পারে প্রিডেটর ড্রোন। এর সর্বোচ্চ গতি ৪৪২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। আকাশ থেকে ভূমি, আকাশ থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র বহনেও এই প্রিডেটর ড্রোন বেশ কার্যকরি। মূলত, ১৭ হাজার কেজি কার্গো বহন করতে পারে এই ড্রোন। ৪৫০ কেজির বোমাও বহন করতে পারে এই প্রিডেটর ড্রোন। জানা যাচ্ছে, ভারতে ৪টি বিশেষ সামরিক ঘাঁটিতে এই ড্রোন মোতায়েন হতে পারে। তার মধ্যে একটি আইএনএস রাজালি, এটি চেন্নাইয়ের কাছে। গুজরাটের পোরবন্দর, সারসাওয়া, ও উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরে এটি মোতায়েন থাকতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: চিহ্নিত করা হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণকারীকে, ২০ বছরের থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস! চেনেন কে?

    Donald Trump: চিহ্নিত করা হল ডোনাল্ড ট্রাম্পের আক্রমণকারীকে, ২০ বছরের থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস! চেনেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) হত্যার চেষ্টার পিছনে সন্দেহভাজন শ্যুটার হিসাবে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই), থমাস ম্যাথিউ ক্রুকসকে (Thomas Matthew Crooks) চিহ্নিত করেছে। পেনসিলভানিয়ার বাটলারে একটি নির্বাচনী প্রচার সমাবেশে, ৭৮ বছর বয়সী এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর উপর গুলি চালালে, ঠিক তাঁর কান ঘেঁষে গুলি বেরিয়ে যায়। অপর দিকে নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের হাতে নিহত হন ২০ বছর বয়সী ক্রুকস। তাঁর স্কুলের একটি ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাঁকে দেখা যাচ্ছে হাই স্কুল ডিপ্লোমা গ্রহণ করছেন। আগামী ৫ নভেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিন, কিন্তু চার মাসেরও কম সময় আগে এই ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছে বিশ্ব রাজনীতিতে।

    কে এই থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস (Donald Trump)?

    বাটলারের যেখানে শ্যুটআউট (Donald Trump) হয়েছে, সেখান থেকে ক্রুকস প্রায় এক ঘন্টা দূরে থাকতেন। ২০২১ সালের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের ফাইলিং অনুসারে, যখন ক্রুকস ১৭ বছর বয়সী ছিলেন, তখন তিনি অ্যাক্টব্লু-কে ১৫ ডলার অনুদান দিয়েছিলেন। এই সংগঠন একটি বামপন্থী রাজনীতিবিদদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। তবে এই অনুদান প্রগতিশীল পরিবর্তনের জন্য নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এই অর্থ সেখানকার ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেওয়ার জন্য সমাবেশের কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। থমাস ম্যাথিউ ক্রুকস বেথেল পার্ক হাই স্কুল থেকে ২০২২ সালে স্নাতক হয়েছিলেন। সেই সঙ্গে জাতীয় গণিত ও বিজ্ঞান উদ্যোগ সংস্থার পক্ষ থেকে ৫০০ ডলার “তারকা পুরস্কার” পেয়েছিলেন। আবার নিউ ইয়র্ক টাইমস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে একটি গ্রেজুয়েশন অনুষ্ঠানের ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, ক্রুকস (Thomas Matthew Crooks) তাঁর হাই স্কুল ডিপ্লোমা গ্রহণ করছেন। সেই সঙ্গে বেশ প্রশংসাও পাচ্ছেন। অনলাইনে পোস্ট করা ওই অনুষ্ঠানের ভিডিওতে কালো গ্র্যাজুয়েশন গাউনে চশমা পরা ক্রুকসকে দেখা যাচ্ছে। ফলে তিনি ছাত্র হিসেবে মেধবী ছিলেন।

    এফবিআই, এনবিসি এবং সিবিএসের বিবৃতি

    এফবিআই, এনবিসি এবং সিবিএসের একটি বিবৃতিতে জানা গিয়েছে, “রাজ্যের ভোটার রেকর্ড অনুযায়ী এই ক্রুকস রিপাবলিকান হিসাবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এই হামলাকারীকে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) হত্যা প্রচেষ্টার সাথে জড়িত ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই গুলিবর্ষণে ট্রাম্প অল্পের জন্য রক্ষা পান, কিন্তু একজন পথচারী মারা গিয়েছেন। একই সঙ্গে আরও দু’জন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিরাপত্তা রক্ষীরা যখন ট্রাম্পকে দ্রুত মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিয়ে যায় তখন তাঁর মুখে রক্ত ​​দেখা গিয়েছিল।” আবার পেনসিলভেনিয়া পুলিশের লেফটেন্যান্ট কর্নেল জর্জ বেভিনস বলেছেন, ‘‘এখনই ঘটনার বিষয়ে সবটা বলা যাবে না। একজন আক্রমণকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। বিভিন্ন সূত্র ধরে আমরা সন্ধানের চেষ্টা করছি। সেখানে একজনই বন্দুকবাজ ছিল, নাকি আরও ছিল তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুনঃ সভায় প্রাণঘাতী হামলা, ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে গেল গুলি! নিন্দা মোদির

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য?

    ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) সামজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, “আমাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছিল যা আমার ডান কানের উপরের অংশে বিদ্ধ করেছে। অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমি বুঝতেই পারছিলাম না কী ঘটতে চলেছে। নিরাপত্তারক্ষীদের ধন্যবাদ জানাই। এটা অবিশ্বাস্য যে আমাদের দেশে এই ধরনের কাজ ঘটতে পারে।” যদিও ট্রাম্প প্রচার সভায় সেই সময়ে আমেরিকায় অনুপ্রবেশকারী সমস্যা নিয়ে কথা বলছিলেন। তদন্তকারী অফিসারেরা ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়েছেন। একই ভাবে ক্রুকসের সামজিক মাধ্যমগুলি যেমন- মেটা, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের মূল সংস্থার সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তির সাথে সম্পর্কিত কোনও অ্যাকাউন্ট যুক্ত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: হতাশ আয়োজক আমেরিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ! সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড

    T20 World Cup 2024: হতাশ আয়োজক আমেরিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ! সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৩ উইকেটে হেরে টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) থেকে বিদায় নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আয়োজক দেশের বিদায়ে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ ক্যারিবিয়ান সমর্থকরা। জয়ের সুবাদে দু’নম্বর গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিল প্রোটিয়া বাহিনী। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে আমেরিকার বিরুদ্ধে জিততেই হত ইংল্যান্ডকে। তারা শুধু জিতলই না, আমেরিকাকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিল। হ্যাটট্রিক করলেন  ক্রিস জর্ডন।

    ম্যাচে দাপট দক্ষিণ আফ্রিকার

    এদিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ক্যারিবিয়ান ব্রিগেড। একটা সময় স্কোর ছিস ৫ রানে ২ উইকেট। গত ম্যাচের নায়ক সাই হোপ (০) ও নিকোলাস পুরান (১) দ্রুত মাঠ ছাড়েন। ওপেনার কাইল মেয়ার্স করেন ৩৫ রান। ব্যর্থ ক্যাপ্টেন রভম্যান পাওয়েল (১)। তবে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত লড়লেন রোস্টন চেজ। ৪২ বলে করলেন ৫২ রান। হাঁকালেন তিনটি চার ও দু’টি ছক্কা। ১৫ করে রান আউট হন আন্দ্রে রাসেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে তোলে ১৩৫। 

    হতাশ ক্যারিবিয়ান সমর্থকরা

    স্বল্প পুঁজি নিয়েও শুরুটা ভালোই করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের (T20 World Cup 2024)  বোলাররা। দ্বিতীয় ওভাকের হেনডরিকস (০) ও কুইন্টৱনন ডি’কককে (১২) আউট করে লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তার পরেই নামে বৃষ্টি। খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর বৃষ্টি থামার পর ডাকয়ার্থ-লুইস নিয়মে দক্ষিণ আফ্রিকার টার্গেট দাঁড়ায় ১৭ ওভারে ১২৩। পাঁচ বল বাকি থাকতেই জয়ের কড়ি জোগাড় করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে রান চেজ করতে গিয়ে কালঘাম ছোটে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের। ক্যাপ্টেন আইডেন মার্করাম আউট হন ১৮ রানে। হেনরিখ ক্লাসেন ফেরেন ২২ রানে। দু’টি উইকেটই নেন আলজারি জোসেফ। তারপর রোস্টন চেজ তুলে নেন ডেভিড মিলারের (৪) উইকেট। একটা সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৫ উইকেটে ৯৩। কিন্তু মার্কো জানসেন ১৪ বলে ঝোড়ো ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জেতান। সাত উইকেট হারিয়ে ১৬.১ ওভারেই ১২৭ রান তুলে ম্যাচ জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা। দশ বছর পর টি-২০ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বভাবতই খুশির হাওয়া ম্যান্ডেলার দেশে। অন্যদিকে বিষাদের সুর ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে।

    ব্যাটে-বলে দাপট ইংল্যান্ডের

    আমেরিকার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের (England) অধিনায়ক বাটলার। প্রথম ওভারেই আন্দ্রিস গৌসকে আউট করেন রিচি টপলে। দ্বিতীয় উইকেটে ভালো জুটি বাঁধেন স্টিভেন টেলর ও নীতীশ কুমার। পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে টেলরকে আউট করেন স্যাম কারেন। মাঝের ওভারে আমেরিকার ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলেন আদিল রশিদ। তাঁর লেগ স্পিন,গুগলি বুঝতেই পারলেন না অ্যারন জোনসেরা ৫ উইকেট পড়ার পরে দলকে টানছিলেন কোরি অ্যান্ডারসন ও হরমিত সিং। দলের রান ১০০ পার করেন তাঁরা। দেখে মনে হচ্ছিল, অন্তত ১৩০ রান করার চেষ্টা করছে আমেরিকা। কিন্তু দ্বিতীয় স্পেলে আমেরিকার লোয়ার অর্ডার শেষ করে দেন জর্ডন। ১১৫ রানের মাথায় আমেরিকার ষষ্ঠ উইকেট পড়ে। হরমিতকে ২১ রানে ফেরান কারেন।

    পরের ওভারে জর্ডনের হাতে বল তুলে দেন বাটলার। প্রথম বলেই অ্যান্ডারসনকে ফেরান তিনি। পরের বল ব্যাটে লাগাতে পারেননি আলি খান। উইকেটের পাশ দিয়ে সেই বল বেরিয়ে যায়। তৃতীয় বল আবার ব্যাটে লাগাতে পারেননি আলি। বল এ বার গিয়ে লাগে উইকেটে। চতুর্থ বলটি নশথুশ কেনজিগের প্যাড লক্ষ্য করে করেন জর্ডন। বল গিয়ে প্যাডে লাগে। আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি কেনজিগে। পঞ্চম বলে সৌরভ নেত্রাভলকরকে বোল্ড করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন জর্ডন। আমেরিকার বিরুদ্ধে ২.৫ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন জর্ডন। চারটি উইকেটই আসে একই ওভারে। তাঁর দাপটে ১১৫ রানে ৫ উইকেট থেকে ১১৫ রানে অল আউট হয়ে যায় আমেরিকা। আমেরিকার রান মাত্র ৯.৪ ওভারে তাড়া করে জিতলেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও ফিল সল্ট। ৩৮ বলে ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা মারেন তিনি। সল্ট ২১ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Studying Abroad: বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন দেশকে অগ্রাধিকার দেন ভারতীয় পড়ুয়ারা?

    Studying Abroad: বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন দেশকে অগ্রাধিকার দেন ভারতীয় পড়ুয়ারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান স্টুডেন্ট মোবিলিটি রিপোর্ট অনুসারে প্রায় ১০.৩ লক্ষ ভারতীয় পড়ুয়া বিদেশে (Studying Abroad) পড়াশোনা করছে। সাম্প্রতিককালে, বিদেশে শিক্ষার সুযোগ খোঁজার ক্ষেত্রে ভারতীয় পড়ুয়াদের পছন্দই কানাডা। কয়েক বছর আগেও ভারতীয়রা বেশিরভাগ আমেরিকায় পড়তে যেতে চাইতেন। কিন্তু সম্প্রতি তার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আমেরিকান পলিসি (NFAP) এর তথ্য থেকেই এই চিত্র পরিষ্কার। তবে গত বছরের শেষ থেকে ভারত-কানাডা কুটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে ভারতীয় পড়ুয়ারা (Indian Students) আবার অন্য কথা ভাবছে।

    কানাডায় পড়ার আগ্রহ

    এনএফএপি পরিসংখ্যান অনুসারে, গত দুই দশকে (Studying Abroad) কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভারতীয় পড়ুয়া (Indian Students) ভর্তির হার ৫৮% বেড়েছে, যেখানে ২০০০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ৪৫%। আমেরিকায় ভিসার সুবিধা, থাকার ভালো বন্দোবস্ত, আধুনিক ব্যবস্থাপনা সব থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় পড়ুয়ারা ক্রমেই কানাডায় পড়তে যেতে চাইছেন। শীর্ষস্থানীয় কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বর্তমানে হাজার হাজার ভারতীয় ছাত্র নথিভুক্ত রয়েছে (কানাডার প্রায় ১৪% শিক্ষার্থী ভারতীয়)। শিক্ষার্থীরা এখানে ডেটা সায়েন্স, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল এবং এমবিএ প্রোগ্রাম সহ বেশ কিছু বিষয় অধ্যয়ন করতে আসে। 

    ভারত-কানাডা কুটনৈতিক সম্পর্কের প্রভাব

    কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন প্রায় তলানিতে। এর প্রভাবে গত বছরের শেষ ভাগ থেকেই কানাডায় পড়তে আসা ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের (Indian Students) সংখ্যা বিপুল ভাবে কমতে শুরু করেছে। খোদ কানাডার অভিবাসন মন্ত্রী মার্ক মিলার বলেছেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বর্তমান সম্পর্কের জেরে এ দেশে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে।’’ ২০২২ সাল পর্যন্ত কানাডায় পড়তে আসা বিদেশি পড়ুয়াদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই ছিল সর্বাধিক। এ দেশে অন্তত ৪২ শতাংশ বিদেশি পড়ুয়াই আসতেন ভারত থেকে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের শেষ দিকে প্রায় ৮৬ শতাংশ কমে গিয়েছে সেই সংখ্যা। 

    আরও পড়ুন: ডাক্তারিতে সুযোগ, পরে আইএএস! চাকরি ছেড়ে ২৬ হাজার কোটির কোম্পানি রোমান সাইনির

    কানাডার উদ্বেগ

    কানাডায় এই মুহূর্তে ভারতীয় প্রায় তিন লাখ ১৯ হাজার ছাত্র-ছাত্রী আছেন। তিন লাখ ১৯ হাজারের মধ্যে শতকরা প্রায়  ৮৯ শতাংশ উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য কানাডায় গিয়েছেন। ভারতীয় শিক্ষার্থীরা ২০২১-২০২২ সালে সে দেশের শিক্ষা ভান্ডারকে ৪৯০ কোটি ডলার দিয়েছে। এই টাকা ওয়াইপড আউট হয়ে গেলে কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা বড় সংকট দেখা দিতে পারে। তাই, অনেকের অনুমান ভারত-কানাডার সম্পর্ক যাইহোক, শিক্ষা ব্যবস্থায় তার আঁচ পড়বে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে দু’দেশের কূটনৈতিক টানাপড়েনের জেরে ভারতীয় পড়ুয়ারাও (Indian Students) এখন অন্যত্র পড়তে যাওয়ার কথা ভাবছেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে, ইউএসএ-র বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে (Studying Abroad) বেছে নিচ্ছেন ভারতীয় ছাত্ররা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup: বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের, দল থেকে বাদ পড়ছেন প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটার?

    T20 World Cup: বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের, দল থেকে বাদ পড়ছেন প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি জল ঢালল পাকিস্তানের আশায়। গ্রুপ পর্যায়ে নিজেদের শেষ ম্যাচ না খেলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল পাকিস্তান। সুপার এইটে ওঠা হল না গতবারের রানার্সদের। গ্রুপ ‘এ’র দ্বিতীয় দল হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা করে নিল আমেরিকা। ইতিহাস গড়ল এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকেরা। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলল আমেরিকা। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দলের প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে পিসিবি। 

    গ্রুপ স্তর থেকে বিদায়

    চলতি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) প্রথম দু-ম্যাচে হারের খেসারত দিলেন বাবর আজমরা। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অন্যতম আয়োজক আমেরিকার কাছে হেরেছিল পাকিস্তান। বোর্ডে বড় স্কোর করলেও পাকিস্তানের সেরা বোলিং লাইন আপ ম্যাচ জেতাতে পারেনি।  দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছেও হার। গত ম্যাচে কানাডার বিরুদ্ধে জিতেছিল পাকিস্তান। তবে জটিল অঙ্ক ছিল তাদের সামনে। প্রথমত ফ্লোরিডা ম্যাচে আমেরিকাকে হারতে হত আয়ারল্যান্ডের কাছে। এরপর আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিততেই হত পাকিস্তানকে। সেক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকার সুবাদে পাকিস্তান সুপার এইটে যেত। ফ্লোরিডায় ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ায় পয়েন্ট ভাগ হয়েছে। আমেরিকার এখন ৫ পয়েন্ট। পাকিস্তান যদি শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে হারায়ও তাতে তারা সর্বাধিক ৪ পয়েন্ট অবধিই পৌঁছতে পারবে। ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বিদায় হয়ে গেল পাকিস্তানের।

    পাক দলে পরিবর্তন

    পিসিবি সূত্রে খবর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) দলের থাকা অন্তত ছ’জন ক্রিকেটারকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হবে। তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে দলের মধ্যে রাজনীতি করার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সও নেই কারও। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে অধিনায়ক বাবরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, শুধু তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ার সুবাদে পারফর্ম না করেও দু’তিন জন নিয়মিত খেলে চলেছেন জাতীয় দলের হয়ে। খতিয়ে দেখা হবে তাঁর নেতৃত্বও। পাকিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার নাকি বাবরের নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তুষ্ট। তাঁরা অভিযোগ জানিয়েছেন পিসিবি কর্তাদের কাছে। জাতীয় দলের কয়েক জন ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স এবং মানসিকতায় পিসিবি কর্তারা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। তাঁদের আর সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে না। পরিবর্তে তরুণ ক্রিকেটারদের জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হবে। আগামী বছর দেশের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কথা মাথায় রেখে করা হবে রদবদল। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বোর্ডের একাধিক কর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কয়েক জন প্রাক্তন ক্রিকেটারের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

    হতাশ প্রাক্তন ক্রিকেটার

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) গতবারের রানার্স পাকিস্তান প্রথম রাউন্ড থেকেই ছিটকে যাওয়ায় হতাশ পাক ক্রিকেট মহল। বাবরদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার কামরান আকমল, শোয়েব আখতাররা। মহম্মদ হাফিজ শুধু ক্রিকেটারদের নয় অফিসিয়ালদেরও সমালোচনা করেছেন। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপ

    বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানের দ্রুত বিদায়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপের বন্যা। এক ক্রিকেটপ্রেমী লিখেছেন, ‘বাবর আজ়ম ও পাকিস্তান দল সুপার এইটের যোগ্যতা অর্জন না করলেও করাচি বিমানবন্দরে যাওয়ার যোগ্যতা পেয়ে গিয়েছে। ঘরে ফেরার পালা।’বাই বাই পাকিস্তান এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup: আইসিসি-র নতুন নিয়মে পেনাল্টি হিসেবে ৫ রান পেল ভারত, জানেন এই নয়া রুল?

    T20 World Cup: আইসিসি-র নতুন নিয়মে পেনাল্টি হিসেবে ৫ রান পেল ভারত, জানেন এই নয়া রুল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ব্যাটারদের ব্যর্থতা সত্ত্বেও জয়ের হ্যাটট্রিক করে সুপার এইটে পৌঁছে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। বুধবারও আমেরিকাকে (India vs USA) তাদের ঘরের মাঠে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে ১১১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভারতকে করতে হয়েছে ১০৬ রান। ৫ রান ফ্রি-তেই পেয়ে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। আমেরিকার ভুলের খেসারত হিসেবে ৫ রান পেনাল্টি পায় ভারত। আইসিসির এই নতুন নিয়মে প্রথম কোনও দল পাঁচ রান পেল। এর ফলে বুধবারের ম্যাচ বেশ কিছুটা সহজ হয়ে যায় ভারতের কাছে।

    কেন পেনাল্টি পেল ভারত

    এবার টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) শুরু থেকেই স্টপ ক্লক নিয়ম চালু করা হয়েছে। যার কারণ হল দুটি ওভারের মাঝে মাত্র ১ মিনিট সময় দেওয়া হবে। তাঁর আগে নতুন ওভার শুরু করে দিতে হবে। আর এই নিয়ম কেউ যদি একই ম্যাচে তিনবার ভাঙে বা ভুল করে তাহলে প্রতিপক্ষ দলকে ৫ রান পেনাল্টি হিসেবে দেওয়া হবে। আমেরিকা ভারতের বিরুদ্ধে একটি ওভারের পর পরবর্তী ওভার শুরু করতে ৩ বার দেরি করে। তারই খেসারত দিতে হয়। এর ফলে লো স্কোরিং ম্যাচে সুবিধা হয় ভারতের।

    ভারতের সুবিধা

    জয়ের জন্য ভারতের যখন ৩০ বলে ৩৫ রান প্রয়োজন, তখন পেনাল্টিতে পাঁচ রান পায় ভারত। তার ফলে ৩০ বলে ভারতের (India vs USA) টার্গেট হয় ৩০ রান। আসলে আইসিসি-র (T20 World Cup) নিয়ম অনুযায়ী, এক ওভার শেষ হওয়ার পরে যদি কোনও দল ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে, পরের ওভার শুরু করতে না পারে, তাহলে ‘ওয়ার্নিং’ দেওয়া হবে। কোনও দল যদি নিজেদের বোলিং ইনিংসের সময় তিন বার এরকম ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে বিপক্ষ দলকে পাঁচ রান পেনাল্টি দেওয়া হবে। আর এই পাঁচ রানই চাপের মধ্যে পেয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup: অর্শদীপের ম্যাজিক স্পেল, সূর্যের অর্ধশতরান! আমেরিকাকে হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

    T20 World Cup: অর্শদীপের ম্যাজিক স্পেল, সূর্যের অর্ধশতরান! আমেরিকাকে হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) জয়ের হ্যাটট্রিক। আমেরিকাকে হারিয়ে সুপার আটে পৌঁছে গেল ভারত। নিউ ইয়র্কের কঠিন পিচে শেষ পর্যন্ত ভারতের রক্ষাকর্তা হয়ে দাঁড়ালেন সূর্যকুমার যাদব। ২২ রানে যাঁর ক্যাচ ফেলেছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ক্রিকেটার সৌরভ নেত্রভালকর। ৪৯ বলে ৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন স্কাই। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পঞ্চাশতম হাফসেঞ্চুরি। তাঁকে সঙ্গত করলেন শিবম দুবে। আগের ম্যাচে লোপ্পা ক্যাপ ফেলে প্রবল সমালোচিত হন। এদিন বল করেও ব্যর্থ। ব্যাট হাতে অবশ্য ৩৫ বলে অপরাজিত ৩১ রান করে দলকে ম্যাচ জেতালেন শিবম। ১০ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতল ভারত।

    অর্শদীপের ম্যাজিক স্পেল

    টি২০ ক্রিকেটে (T20 World Cup) এদিন নিজের সেরা গড় অর্শদীপ সিংয়ের। ৪ ওভার বল করে মাত্র ৯ রান দিয়ে তুলে নেন ৪ উইকেট। সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটের বিশ্বকাপে কোনও ভারতীয় বোলারের সেরা পরিসংখ্যান এটি। তাঁর দাপটেই ২০ ওভারের শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১১০ রান তোলে আমেরিকা। তবে সেই রান তাড়া করতে নেমে  লড়াই করতে হয় ভারতকে। ১১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে, জয় পেতে ১৮.২ ওভার লেগে যায় টিম ইন্ডিয়ার। শুরুতেই ফিরে যান কোহলি ও রোহিত (Rohit Sharma)। দ্রুত ফিরে যান ঋষভ পন্থও। চাপে পড়ে যায় দল। সেখান থেকে হাল ধরেন সূর্য ও শিবম। 

    অতিরিক্ত রান পেল ভারত

    জয়ের জন্য ভারতের যখন ৩০ বলে ৩৫ রান প্রয়োজন, তখন পেনাল্টিতে পাঁচ রান পায় ভারত। তার ফলে ৩০ বলে ভারতের টার্গেট হয় ৩০ রান। আসলে আইসিসি-র (T20 World Cup) নিয়ম অনুযায়ী, এক ওভার শেষ হওয়ার পরে যদি কোনও দল ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে, পরের ওভার শুরু করতে না পারে, তাহলে ‘ওয়ার্নিং’ দেওয়া হবে। কোনও দল যদি নিজেদের বোলিং ইনিংসের সময় তিন বার এরকম ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে বিপক্ষ দলকে পাঁচ রান পেনাল্টি দেওয়া হবে। আর এই পাঁচ রানই চাপের মধ্যে পেয়েছে ভারত।

    কী বললেন রোহিত

    ম্যাচের পর প্রতিপক্ষকে নিয়ে রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) গলায় শোনা গেল সমীহের সুর। স্পষ্ট বাক্যে স্বীকার করলেন, আমেরিকাও তাঁদের বুকে কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছিল। ম্যাচের পর রোহিত বলেন, “জানতাম রান তাড়া করা কঠিন হবে। যে ভাবে আমাদের ব্যাটারেরা স্নায়ু ধরে রেখেছিল তার প্রশংসা করতেই হবে। ওই জুটিটার (শিবম-সূর্য) জন্যই জিতলাম। পরিণত মানসিকতা দেখিয়ে লম্বা একটা জুটি গড়ে জেতানোর জন্য সূর্য এবং শিবমের কৃতিত্ব প্রাপ্য।” আমেরিকা দলে বেশ কয়েক জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার খেলেন। তাঁদেরই একজন, সৌরভ নেত্রভালকর এদিন রোহিত ছাড়াও আউট করেছেন বিরাট কোহলিকে। সেই প্রসঙ্গে রোহিত বলেছেন, “ওরা অনেকেই দীর্ঘ দিন এক সঙ্গে ক্রিকেট খেলছে। ওদের উন্নতি দেখে খুব খুশি। গত বছর মেজর লিগ ক্রিকেটেও ওদের দেখেছিলাম। প্রত্যেকেই দারুণ পরিশ্রম করতে পারে।” বিশ্বকাপের (T20 World Cup) সুপার এইটে ওঠার প্রসঙ্গে রোহিত বলেছেন, “বড় শান্তি। এখানকার পিচে ক্রিকেট খেলা সোজা ব্যাপার ছিল না। তিনটে ম্যাচেই শেষ পর্যন্ত পড়ে থেকে জয় ছিনিয়ে নিতে হয়েছে। এই জয় আগামী দিনে আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share