Tag: USA

USA

  • Modi Ji Thali: প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরের আগে মার্কিন রেস্তোরাঁয় চালু ‘মোদিজি থালি’

    Modi Ji Thali: প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরের আগে মার্কিন রেস্তোরাঁয় চালু ‘মোদিজি থালি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই ৪ দিনের আমেরিকা সফরে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi)। তার আগেই নিউ জার্সির একটি রেস্তোরাঁ তাঁদের মেনুতে আনল নয়া চমক। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জ্ঞাপনের উদ্দেশে তাদের রেস্তোরাঁয় চালু করল ‘মোদি জি থালি’ (ModiJi Thali)। 

    কারা তৈরি করল ‘মোদি জি থালি’

    আগামী ২১ থেকে ২৪ জুন মার্কিন সফরে যাচ্ছেন মোদি। মার্কিন সংসদের উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে বক্তৃতা দেওয়ার পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে এক রাষ্ট্রীয় নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু সরকারি স্তরে নয়, বেসরকারি দিক থেকেও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্বাগত জানানোর জন্য বিভিন্নভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে আমেরিকা। এই প্রস্তুতিরই অন্যতম অংশ ‘মোদি জি থালি’(ModiJi Thali)! আমেরিকার নিউ জার্সি শহরের এই রেস্তোরাঁটির মালিক ভারতীয় বংশোদ্ভূত শেফ শ্রীপদ কুলকার্নি। আমেরিকায় মোদির জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখেই এই থালি প্রস্তুত করেছেন তিনি। 

    কী কী রয়েছে ‘মোদি জি থালি’তে

    কুলকার্নি বলেন, এই থালিটি নিউ জার্সিতে অবস্থিত ভারতীয় কমিউনিটিদের চাহিদা থেকেই তৈরি করা হয়েছে। একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন রেস্তোরাঁর মালিক নিজেই। সেখানে মোদি জি থালিতে (ModiJi Thali) কী কী খাবার রয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণও দিয়েছেন। ‘মোদি জি থালি’-তে রয়েছে খিচড়ি, রসগুল্লা, সরষে শাক, কাশ্মীরি দম আলু, ইডলি, ধোকলা, চাচ এবং পাপড় সহ অন্যান্য খাবার। শুধু তাই নয়, ভারতের আবেদন মেনে রাষ্ট্রপুঞ্জ যে ২০২৩ সালটিকে ‘আন্তর্জাতিক বাজরা বছর’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেই বিষয়টিকেও এই থালিতে উদযাপন করা হয়েছে। থালিতে বাজরার তৈরি খাবার অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: সাইক্লোন ‘বিপর্যয়’-এর মোকাবিলায় বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    রেস্তোরাঁটির মালিক শ্রীপদ কুলকার্নির আশা শীঘ্রই স্থানীয় ভারতীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ‘মোদি জি থালি’ (ModiJi Thali) অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করবে। আর তার পরই আরও একটি বিশেষ থালি চালু করবেন তাঁরা। সেই বিশেষ থালিটি উৎসর্গ করা হবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে। এর কারণ, ভারতীয়-মার্কিন সম্প্রদায়ের কাছে জয়শঙ্কর একজন ‘রকস্টার’-এর সম্মান পান। তাই, বিদেশমন্ত্রীর সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতেই তাঁর নামেও একটি বিশেষ থালি তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: প্রথমবার অফিসিয়াল স্টেট ভিজিটে আমেরিকা যাচ্ছেন মোদি, জানুন সফরের গুরুত্ব

    PM Modi: প্রথমবার অফিসিয়াল স্টেট ভিজিটে আমেরিকা যাচ্ছেন মোদি, জানুন সফরের গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন’বছরের মেয়াদে এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) অফিসিয়াল স্টেট ভিজিটে যাচ্ছেন আমেরিকা (America)। ২২ জুন তিনি আতিথেয়তা গ্রহণ করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Biden)। সেদিনই প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে নৈশভোজ দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইউএসএর হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব কারআইন জিনপিয়েরে জানান, রাষ্ট্রপতি ভবনের এবং আমেরিকান ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন রাষ্ট্রীয় যাত্রায় যাওয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভ্যর্থনা জানাবেন। ২২ জুন একটি রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সফরের বিশেষত্ব…

    স্টেট ভিজিটের বিশেষত্ব হল, যে ব্যক্তিকে কোনও রাষ্ট্র আমন্ত্রণ জানায়, তাঁর সম্মানে নৈশভোজ দেওয়া হয়। তাঁর সফরের পুরো খরচটাই বহন করে হোস্ট বা আমন্ত্রণকারী দেশ। জানানো হয় বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মানও। অতিথির সম্মানে ২১টি তোপধ্বনি দেওয়ার রেওয়াজও রয়েছে। আমন্ত্রণকারী এবং আমন্ত্রিত দেশের সম্মানে বাজানো হয় দুই দেশেরই জাতীয় সঙ্গীত। উপহার আদানপ্রাদান করেন রাষ্ট্রপ্রধানরা। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর একাধিকবার আমেরিকা গিয়েছেন মোদি। এবারই প্রথম তিনি যাচ্ছেন স্টেট ভিজিটে। হোয়াইট হাউসের তরফে বলা হয়েছে, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে অবাধ ও সুরক্ষিত রাখার জন্য দুই দেশই দায়বদ্ধ। তাছাড়াও প্রতিরক্ষা, পরিবেশ সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কৌশলগত বোঝাপড়া রয়েছে দুই দেশের।

    আরও পড়ুুন: নন্দীগ্রামে গৃহযুদ্ধ! তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের হুমকিতে ঘরছাড়া দলেরই পঞ্চায়েত সদস্য

    মোদির (PM Modi) আমেরিকা সফর এই বিষয়গুলিকে আরও জোরদার করবে বলে দাবি বাইডেন প্রশাসনের। সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে কূটনৈতিক অংশীদারিত্বের সম্পর্ককে তুলে ধরবে এই সফর। প্রযুক্তি, বাণিজ্য, শিল্প সহ একাধিক ক্ষেত্রে, যেখানে দুই দেশেরই পারস্পরিক আগ্রহ রয়েছে, তা নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সুযোগ পাবেন রাষ্ট্রনেতারা।

    আমেরিকায় ভারতের রাষ্ট্রদূত তরণজিৎ সিংহ সান্ধু বলেন, বাইডেনের আমন্ত্রণে মোদির (PM Modi) এই আমেরিকা সফর ঐতিহাসিক। প্রধানমন্ত্রী এবং বাইডেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবেন। এই সফর দুই দেশের প্রধানের কাছেই একটা সুবর্ণ সুযোগ।কূটনীতিকদের মতে, স্বাধীন ও মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নীতি সংক্রান্ত আলোচনা হতে পারে। কারণ দুই দেশের তরফেই ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের আগ্রাসনের বিরোধিতা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২১ সালে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: ফের যৌন হেনস্থায় দোষী সাব্যস্ত ট্রাম্প! জরিমানা দিতে হবে প্রায় ৪১ কোটি 

    Donald Trump: ফের যৌন হেনস্থায় দোষী সাব্যস্ত ট্রাম্প! জরিমানা দিতে হবে প্রায় ৪১ কোটি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। ফের যৌন হেনস্থার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হল তাঁকে। একই সঙ্গে ৫০ লক্ষ ডলার জরিমানাও করা হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪১ কোটি ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। অভিযোগ, ১৯৯৬ সালে ম্যানহ্যাটানের একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ধর্ষণ করেন ৭৯ বছর বয়সী লেখিকা ই.জিন ক্যারোলকে। ২০১৯ সালে লেখিকার প্রকাশিত একটি বইয়ে এমন গুরুতর অভিযোগ আনা হয় প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের (Donald Trump) বিরুদ্ধে। তারপরেই আদালতে শুরু হয় মামলা।

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে শুরু হয় এই মামলার শুনানি

    জানা গেছে, চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল থেকে এই মামলার শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার ৯ জন বিচারকের বেঞ্চ এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। দোষী সাব্যস্ত হন ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে যৌন হেনস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই রায়দান হয়নি বলেই জানা গেছে। মূলত লেখিকার সম্মানহানির ঘটনায় এই রায় দেয় বেঞ্চ। ফৌজদারি আদালতের পরিবর্তে জন আদালতে এই মামলা করেছিলেন লেখিকা। তাই শুধুমাত্র মানহানির ওপরেই এই মামলার রায় দান করে কোর্ট। সেদেশের বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, মঙ্গলবার শুনানি চলাকালী কোর্টে হাজির ছিলেন না ট্রাম্প (Donald Trump)। সূত্রের খবর, তাঁর বিরুদ্ধে আনা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    ট্রাম্পের (Donald Trump) বিরুদ্ধে রয়েছে আরও একটি যৌন কেচ্ছার মামলা

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে উঠেছে আরও একটি যৌন নির্যাতনের অভিযোগ। এই মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগ মার্কিন পর্ন তারকা স্টর্মির সঙ্গে ২০০৬ সালে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ট্রাম্প (Donald Trump)। এবং এই ঘটনা যাতে বাইরে চাউর না হয় সে কারনে ট্রাম্প, ২০১৬ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে তাঁর আইনজীবী মারফত স্টর্মিকে নগদ ১ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার ঘুষ দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে এই মামলায় গ্রেফতারও হয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আমেরিকার আইন অনুযায়ী, যদি সবগুলি মামলায় ট্রাম্প দোষী সাব্যস্ত হন তবে তাঁর ১৩৬  বছরের সাজা হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MQ9B-Predator: আতঙ্কে চিন-পাকিস্তান! ৩০০ কোটি ডলার ব্যয়ে ভারতের হাতে আসছে আরও ৩০ ‘প্রিডেটর’?

    MQ9B-Predator: আতঙ্কে চিন-পাকিস্তান! ৩০০ কোটি ডলার ব্যয়ে ভারতের হাতে আসছে আরও ৩০ ‘প্রিডেটর’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ঠিকঠাক চললে অপেক্ষা হয়ত আর কিছুদিনের। টাকাপয়সার লেনদেন ঠিকঠাক হলই তিন দফায় আমেরিকা থেকে ১০টি করে এমকিউ-৯বি (Predator MQ-9B Reaper) সশস্ত্র প্রিডেটর ড্রোন চলে আসবে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন বিভাগ অর্থাৎ স্থল, নৌ ও বায়ুসেনার হাতে। মাঝেমধ্যেই সীমান্ত পেড়িয়ে ভারতের আকাশে চলে আসছে পাক ড্রোন। মাঝে মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে চিন (China) সীমান্তবর্তী লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার খুব শীঘ্রই ভারত আমেরিকা থেকে আমদানি করবে অতি উন্নতমানের সশস্ত্র ড্রোন। 

    আধুনিক ড্রোন

    আমেরিকার হানাদার ড্রোনের শিকার হয়েছেন তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মহম্মদ ওমর থেকে সিরিয়ার আল কায়দা প্রধান সেলিম আবু আহমেদ। সেই ‘প্রিডেটর ড্রোন’ ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় করে আমেরিকা থেকে কিনবে ভারত। ভারতীয় স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনার জন্য প্রিডেটরের ‘এমকিউ-৯বি’-র ‘সি গার্ডিয়ান’ (Predator Drone) এবং ‘স্কাই গার্ডিয়ান’ সংস্করণ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। জেনারেল অ্যাটোমিক্স গ্লোবাল কর্পোরেশনের মুখ্য আধিকারিক বিবেক লাল জানান, এই ড্রোন নিয়ে ভারত ও আমেরিকার সরকারের মধ্যে কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমেরিকার সঙ্গে যৌথ উদ্য়োগে শক্তিশালী সশস্ত্র ড্রোন বানানোর পরিকল্পনাও আছে ভারতের।

    আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ ৫ লক্ষ ৯৪ হাজার কোটি টাকা! জানেন কী কী অস্ত্র কিনতে পারে ভারত?

    ঘাতক ড্রোন

    মার্কিন বায়ুসেনা এই ধরনের সশস্ত্র ড্রোন (Drones) ব্যবহার করে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এই প্রিডেটর-বি ড্রোনকে বলেন ঘাতক ড্রোন। উঁচু পাহাড়ি এলাকায় নজরদারি চালানো এবং দুর্গম এলাকায় অতর্কিতে শত্রুঘাঁটির উপরে হামলা চালাতে এই ড্রোনের জুড়ি মেলা ভার। এর উন্নত রাডার ও সেন্সর সিস্টেম অনেক উঁচু থেকেই শত্রুঘাঁটি চিনে নিতে পারে। প্রতিপক্ষ টের পাওয়ার আগেই নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে। আমেরিকার তৈরি এই ঘাতক ড্রোনকে ‘এমকিউ-৯ রিপার’ বলা হয়। ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় ২৭ ঘণ্টা ধরে একটানা ওড়ার ক্ষমতা রয়েছে এই ড্রোনের। সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা ১,৭৪৬ কিলোগ্রাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bomb Cyclone: বিপর্যস্ত আমেরিকার একাংশ! ৮ ফুট বরফের স্তরে ঢাকা বহু শহর, বম্ব সাইক্লোনে মৃত ৩৪

    Bomb Cyclone: বিপর্যস্ত আমেরিকার একাংশ! ৮ ফুট বরফের স্তরে ঢাকা বহু শহর, বম্ব সাইক্লোনে মৃত ৩৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসব না আতঙ্ক! ক্রিসমাসের সময় বিপর্যস্ত আমেরিকার একাংশ। তুষারঝড়ে দেশ জুড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩৪।   বিধ্বস্ত পূর্ব আমেরিকার বিস্তীর্ণ অংশ।  হাজার হাজার মানুষ দুর্যোগের সময় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তুষারঝড়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ওয়েস্টার্ন নিউ ইয়র্কের বাফেলোর। ঝড়ের পরে গোটা শহরটাই প্রায় ৮ ফুট বরফের স্তরের নীচে ঢাকা পড়ে গেছে। 

    তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৪৫ ডিগ্রি নীচে

    আমেরিকার এই ভয়ঙ্কর তুষারঝড়কে বলা হচ্ছে ‘সাইক্লোন বম্ব’। এর ফলে দেশের নানা প্রান্তে হিমাঙ্কের ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রি নীচে নেমে গিয়েছে তাপমাত্রা। ঠান্ডায় প্রায় জমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাস্তাঘাটের অবস্থা এমন যে, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও দুর্যোগ কবলিতদের উদ্ধারে বাধা পাচ্ছে। বিদ্যুৎহীন একাধিক এলাকা। কোথাও গাড়ির ভিতর থেকে নিথর দেহ উদ্ধার হয়েছে, কোথাও স্নো-ব্যাঙ্কের নীচ থেকে। বন্ধ শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নিষিদ্ধ করা হয়েছে গাড়ির চলাচলও।

    আরও পড়ুন: তাপমাত্রা নামবে -৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে! তুষারঝড়ে কাঁপছে আমেরিকা

    ২ লক্ষ মানুষ অন্ধকারে

    বাফেলোর বাসিন্দা তথা নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্য়াথি হোচুল বলেন, “মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। দুপাশে গাড়ির স্তূপ। রবিবার সন্ধে পর্যন্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি খুবই খারাপ ছিল। আমরা সকলকে বাড়ির ভিতরেই থাকার পরামর্শ দিয়েছিলাম। কারণ, বাইরে তাপমাত্রা এত নেমে গিয়েছিল যে, কোনও মুহূর্তেই মানুষ মারা যেতে পারতেন।”আবওহাওয়া দফতরের খবর, কোথাও কোথাও তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৪৮ ডিগ্রি নীচে চলে গিয়েছে। প্রবল শীতের কারণে মুহূর্তের মধ্যেই বরফে পরিণত হয়েছে ফুটন্ত জল। আমেরিকায় টানা ৫ দিন ধরে বরফের ঝড় চলেছে। তুষার বর্ষণের পাশাপাশি কনকনে ঠান্ডা হাওয়া ভুগিয়েছে স্থানীয়দের। যদিও আপাতত সেই হাওয়ার বেগ কিছুটা কমেছে। দুর্যোগে আমেরিকার অন্তত ২ লক্ষ মানুষ বড়দিন কাটিয়েছেন বিদ্যুৎহীন অবস্থায়। বিদ্যুৎ পরিষেবা কবে, কখন স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কেউ। কারণ অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুতের খুঁটি ডুবে গিয়েছে বরফের আস্তরণে। দেশে যাতায়াত ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • FIFA World Cup: শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি সেনেগাল, নেদারল্যান্ডসের সামনে আমেরিকা

    FIFA World Cup: শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি সেনেগাল, নেদারল্যান্ডসের সামনে আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়েলসেক হারিয়ে গ্রুপ বি থেকে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড। ইরানকে হারিয়ে একই গ্রুপ থেকে পরের রাউন্ডে গিয়েছে আমেরিকা। অন্য দিকে গ্রুপ এ থেকে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়েছে নেদারল্যান্ডস ও সেনেগাল। বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে গ্রুপ এ ও বি-কে নিজেদের মধ্যে খেলতে হবে। গ্রুপ এ-র শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে খেলবে গ্রুপ বি-র দ্বিতীয় স্থানে থাকা দল। আবার গ্রুপ বি-র শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে গ্রুপ এ-র দ্বিতীয় স্থানে থাকা দল। সেই হিসাবে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলবে সেনেগাল। অন্য দিকে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে খেলবে আমেরিকা।

    ইরানের স্বপ্নভঙ্গ

    এ বারের বিশ্বকাপে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসাবে শেষ ষোলোয় যাওয়ার সুযোগ ইরানের কাছে। কিন্তু আমেরিকার ফুটবলাররা ভেঙে দিল ইরানের স্বপ্ন। ১-০ গোলে ইরানকে হারিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসাবে পরের রাউন্ডে গেল আমেরিকা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় যেতে হলে আমেরিকার বিরুদ্ধে ড্র করলেই হত ইরানকে। সেই কারণেই হয়তো প্রথম থেকে একটু রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইরান। তারই ফায়দা তুলল আমেরিকা।

    দাপুটে জয় ব্রিটিশদের

    ওয়েলসকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল ইংল্যান্ড। গ্রুপ বি-র শীর্ষে থেকে পরের রাউন্ডে গেলেন গ্যারেথ সাউথগেটের ছেলেরা। ৩-০ গোলে ওয়েলসকে হারাল ইংল্যান্ড। নায়ক হতে পারলেন না গ্যারেথ বেল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিততে বেলের উপরেই ভরসা করেছিল ওয়েলস। কিন্তু গোটা ম্যাচে খুঁজেই পাওয়া গেল না তাঁকে। খেলার শুরু থেকেই দাপট দেখায় ব্রিটিশ ফুটবলাররা। তারই ফল এই জয়।

    আরও পড়ুন: শেষ ষোলোয় ব্রাজিল, পর্তুগাল! গোলের বন্যা ক্যামেরুন-সার্বিয়া ম্যাচে

    দুই দশকের অপেক্ষার পর

    দুই দশক আগে যাঁর নেতৃত্বে বিশ্ব মঞ্চের শেষ ষোলোয় উঠেছিল আফ্রিকার দেশটি, এবার তাঁর কোচিংয়েই আবার শেষ ষোলোয় খেলার টিকিট পেল সেনেগাল। ইকুয়েডরকে এদিন ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চের নক আউট পর্ব নিশ্চিত করল সেনেগাল। দলের হয়ে গোল করেছেন ইয়ান সার ও কোলিবালি। ইকুয়েডরের একমাত্র গোলটি করেছেন কাইসেডো। 

    আয়োজক দেশের বিদায়

    ২টি ম্যাচের ২টিতেই হেরে এদিন খেলা শুরু করেছিল আয়োজক দেশ কাতার। গোড়া থেকেই নেদারল্যান্ডস চেপে ধরে কাতারকে। নিজেদের বাঁচানোর জন্য কাতারের খেলোয়াড়রা পেনাল্টি বক্সেই ভিড় করে থাকে। তার মধ্যেই গোল করার সুযোগ পেয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। ২-০ গোলে মানসিক ভাবে দুর্বল কাতারকে হারায় ডাচরা। ৩ ম্যাচ থেকে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করে গ্রুপ শীর্ষে থাকল নেদারল্যান্ডস। 

    গতকালের ম্যাচের ফলাফল:

    সেনেগাল ২ : ইকুয়েডর ১

    নেদারল্যান্ডস ২ : কাতার ০

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১ : ইরান ০

    ইংল্যান্ড ৩ : ওয়েলস ০

    আজকের ম্যাচ:

    তিউনিশিয়া-ফ্রান্স (রাত সাড়ে ৮টা)

    অস্ট্রেলিয়া-ডেনমার্ক (রাত সাড়ে ৮টা)

    পোল্যান্ড-আর্জেন্টিনা (রাত সাড়ে ১২টা)

    সৌদি আরব-মেক্সিকো (রাত সাড়ে ১২টা)

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Donald Trump: ‘আমেরিকাকে আবার মহান ও গৌরবময় করতে…’ ফের হোয়াইট হাউজ দখলের লড়াইয়ে ট্রাম্প

    Donald Trump: ‘আমেরিকাকে আবার মহান ও গৌরবময় করতে…’ ফের হোয়াইট হাউজ দখলের লড়াইয়ে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব জল্পনার ইতি করে মঙ্গলবারই যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) জানিয়েছেন ২০২৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লড়াইয়ে তিনি ফের নিজের দাবি জানাবেন। ট্রাম্প ফের রাজনীতির ময়দানে নামবেন কি না, এই নিয়ে বহুদিন ধরেই জল্পনা ছিল। গত সপ্তাহেই বড় ঘোষণা করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। আর তারপরেই মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়েছিল। এই অবস্থায় জনগণ আশা করেছিল তিনি আবারও রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নামতে পারেন। আর সেই জল্পনাই সত্যি প্রমাণিত হল।

    আরও পড়ুন: স্পোর্টস সাইকোলজি কোর্সের চাহিদা বাড়ছে ভারতজুড়ে, মিলবে বেতন মোটা অঙ্কের

    ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নথি জমা দিয়েছেন। ট্রাম্প ফ্লোরিডার একটি রিসোর্টে তার সমর্থকদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন এবং তাঁদের উদ্দেশ্যে বলেন যে এখন আমেরিকার প্রত্যাবর্তন শুরু হচ্ছে। এই সময় ট্রাম্প তার সমর্থকদের বলেন, “আমেরিকাকে আবার মহান ও গৌরবময় করতে, আজ আমি ২০২৪ সালের নির্বাচনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে আমার প্রার্থিপদ ঘোষণা করছি।”

    ট্রাম্পের প্রার্থী হওয়ায় খুশি নয় তাঁর দলই?

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রার্থী হওয়ায় খুশি নয় তাঁরই দলের অনেকে। রিপাবলিকান পার্টির একাংশের মতে, দুর্নীতি, অপরাধমূলক তদন্তে জর্জরিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাইরেও ভবিষ্যতের কথা ভাবা উচিৎ। ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডেস্যান্টিস পছন্দের প্রার্থী তালিকায় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে অন্য একাংশের রিপাবলিকানদের কাছে এখনও অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্রাম্প। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রার্থী হবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। অনেকেই মনে করছেন, প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, ট্রাম্পের বিপরীতে লড়তে পারেন।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে কী চ্যালেঞ্জ?

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্যে এবারের লড়াই অনেক বেশি কঠিন। নিজের দলও এবার তাঁর জন্যে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিস এবং প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সও এই বছর রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের তালিকায় ছিলেন। এই অবস্থায় ট্রাম্পকে আগে তাঁদের সামনাসামনি দাঁড়াতে হবে। এর পরে, ট্রাম্পকে ৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা জিততে হবে। শেষবার ২০২০ সালে, নির্বাচনের ফলাফলের পরে যখন ট্রাম্প পরাজিত হন। সেই সময় তিনি ক্যাপিটল হিলে গায়ের জোড়ে ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা করেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

       

        

     

     

  • Insects harming plants : কীভাবে পোকামাকড় গাছের ক্ষতি করে?

    Insects harming plants : কীভাবে পোকামাকড় গাছের ক্ষতি করে?

    মাধ্যমে নিউজ ডেস্ক: বর্তমান শতাব্দীতে কীট-পতঙ্গের সংখ্যা ক্রমশ কমেই চলেছে, কিছু কিছু কীটপতঙ্গ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে এবং কিছু কিছু কীটপতঙ্গ বিলুপ্তির পথে। তবুও বহু কীটপতঙ্গ কৃষি ফসলসহ বহু উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকারক। এবং ফলনের প্রভুত ক্ষতিসাধন করে চলেছে। এরফলস্বরূপ প্রতিবছর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় কৃষকদের। উদ্ভিদজগতের ক্ষতির নিরিখে আধুনিক তৃণভোজী কীটপতঙ্গ এবং ৬.৭ কোটি বছর আগে ক্রিটেশাস যুগের উদ্ভিদ ও তৃণভোজী কীটপতঙ্গের মধ্যে তুল্যমূল্য বিচার করে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত করেছেন আমেরিকার ওয়াইওমিং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা।

    ক্রিটেশাস যুগের উদ্ভিদ ও কীটপতঙ্গ সংগ্রহ করা হয়েছে সেই যুগের থেকে প্রাপ্ত জীবাশ্ম থেকে। গবেষণাপত্রটি যে জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে তার নাম ” proceedings of the national academy of sciences”। প্রধান গবেষক এবং পিএইচডি স্নাতক লরেন আজেভেডো-শ্মিডের কথায়, “আমাদের ভূমিকা হল যাঁরা জীবাশ্মর সাহায্যে প্রাচীন উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা করছেন এবং যাঁরা নব বা বর্তমান উদ্ভিদকূল নিয়ে গবেষণা করছেন, তাঁদের মাঝে সেতু হিসেবে কাজ করা।”

    তিনি বর্তমানে মেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে কর্মরত। তিনি আরও বলেছেন, “একটি অভূতপূর্ব বিষয় আমাদের গোচরে এসেছে, কিছু কিছু কীটপতঙ্গ ক্রিটেশাস যুগ থেকে আজও সমানভাবে উদ্ভিদকূলের ক্ষতিসাধন করে চলেছে।” ইউডব্লিউ ডিপার্টমেন্ট অফ বোটানি এবং জিওলজি এবং জিওফিজিক্স বিভাগের অধ্যাপক এলেন কুরানো এবং ক্যালিফোর্নিয়া-ডেভিস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এমিলি মেইনেকের সঙ্গে গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন আজেভেডো-শ্মিড।

    গবেষণায় ক্রিটেশাস যুগের শেষকাল থেকে ২০ লক্ষ বছর আগে প্লাইস্টোসিন যুগ পর্যন্ত পোকায় খাওয়া জীবাশ্মযুক্ত পাতাগুলি পরীক্ষা করা হয়েছে এবং পাশাপাশি বর্তমান যুগ থেকে আজেভেডো-শ্মিডের সংগ্রহ করা পাতার সঙ্গে সেগুলির তুলনা করা হয়েছে। বিস্তারিত গবেষণায় পোকামাকড় দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন ধরণের ক্ষতির দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্লাইস্টোসিন যুগ কিংবা ক্রিটেশাস যুগের তুলনায় সাম্প্রতিক ক্ষতির উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    কীটপতঙ্গের দ্বারা উদ্ভিদের ক্ষতির সুনির্দিষ্ট কারণগুলি নির্ধারণের জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন, তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন একটি উষ্ণ জলবায়ু, নগরায়ন এবং আক্রমণাত্মক প্রজাতির প্রবর্তন সম্ভবত একটি বড় প্রভাব ফেলেছে। নগরায়ন, শিল্পায়নের ফলস্বরূপ জঙ্গলের বাড়তে থাকা সংকোচন বড় প্রাণীর পাশাপাশি কীটপতঙ্গগুলোর ক্ষতি ও তাদের জীবনযাত্রাকেও প্রভাবিত করেছে। শিল্পবিপ্লবের পরবর্তী যুগে পরিবেশ দূষণের জন্য জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে প্রকৃতির উপর এবং এতে বসবাসকারী জীবনকূলের উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Edward Snowden: আমেরিকাকে বিপদে ফেলে স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া

    Edward Snowden: আমেরিকাকে বিপদে ফেলে স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রাশিয়ার (Russia) ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে পুতিনকে চাপে ফেলেছিল আমেরিকা (USA)। এবার আমেরিকাকে পাল্টা চাপে ফেললেন পুতিন (Vladimir Putin)। প্রাক্তন মার্কিন গোয়েন্দা কন্ট্রাক্টর এডওয়ার্ড স্নোডেনকে (Edward Snowden) নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া। বিগত কয়েক বছর ধরে রাশিয়াতেই আত্মগোপন করে ছিলেন স্নোডেন। এ বার পাকাপাকি ভাবে সে দেশের নাগরিকত্ব পেলেন তিনি। সোমবার স্নোডেনের নাগরিকত্ব মঞ্জুর করে একটি ডিক্রিতে সই করেছেন পুতিন।

    আরও পড়ুন: পুতিনের সামরিক ঘোষণার পরই রাশিয়া ছাড়ার ধুম, ‘ওয়ান ওয়ে ফ্লাইট’ টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

    যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (NSA) চুক্তিভিত্তিক আধিকারিক ছিলেন স্নোডেন। ২০১৩ সালে এই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন তথ্য ফাঁস করে দেন তিনি৷ সেই নথিতে প্রকাশ্যে আসে যে শুধু বিদেশ নয়, খোদ মার্কিন নাগরিকদের উপরও নজরদারি চালাচ্ছিল আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি। এই ঘটনায় সেই সময় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় হয়। সংস্থাটিতে কর্মরত থাকাকালীনই এই তথ্য ফাঁস করেন তিনি। তাঁর ফাঁস করা তথ্যের কারণে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে আমেরিকার ওই গোয়েন্দা বিভাগ। দেশজুড়ে নজরদারির বিরুদ্ধে ও ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রতিবাদে আওয়াজ তোলেন মার্কিন নাগরিকদের একাংশ।      
     
    এনএসএ-র গোপন তথ্য ফাঁস করায় ২০১৩ থেকেই স্নোডেনকে খুঁজছে মার্কিন সরকার। তারপর থেকেই তিনি রাশিয়ায় আত্মগোপন করে রয়েছেন। আমেরিকা একাধিক বার স্নোডেনকে ফেরানোর কথা বললেও এতদিন রাশিয়া কোনও উদ্যোগ নেয়নি। অভিযোগ ওঠে, রাশিয়ার গোয়েন্দা বিভাগের হয়ে স্নোডেন কাজ করছেন। তাই তাঁকে রক্ষা করে যাচ্ছে রাশিয়া। মস্কোতেই এত বছর নির্বাসিত ছিলেন স্নোডেন। চাপের মুখে পালাতে বাধ্য হন তিনি। মার্কিন প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ অভিযোগে মামলা করেছে।  

    আরও পড়ুন: সীমান্তে ৩০ লক্ষ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন রাশিয়ার, পশ্চিমি দেশগুলিকে হুঁশিয়ারি পুতিনের      

    বিচারের জন্য স্নোডেনকে দীর্ঘদিন ধরে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন সরকার। এবার রাশিয়া স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিয়ে আমেরিকার সব চেষ্টাকে মাটি করে দিল। স্নোডেন মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কিনা, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে তিনি যে আর আমেরিকার মাটিতে পা রাখবেন না তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

      

  • Edward Snowden: আমেরিকাকে বিপদে ফেলে স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া

    Edward Snowden: আমেরিকাকে বিপদে ফেলে স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রাশিয়ার (Russia) ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে পুতিনকে চাপে ফেলেছিল আমেরিকা (USA)। এবার আমেরিকাকে পাল্টা চাপে ফেললেন পুতিন (Vladimir Putin)। প্রাক্তন মার্কিন গোয়েন্দা কন্ট্রাক্টর এডওয়ার্ড স্নোডেনকে (Edward Snowden) নাগরিকত্ব দিল রাশিয়া। বিগত কয়েক বছর ধরে রাশিয়াতেই আত্মগোপন করে ছিলেন স্নোডেন। এ বার পাকাপাকি ভাবে সে দেশের নাগরিকত্ব পেলেন তিনি। সোমবার স্নোডেনের নাগরিকত্ব মঞ্জুর করে একটি ডিক্রিতে সই করেছেন পুতিন।

    আরও পড়ুন: পুতিনের সামরিক ঘোষণার পরই রাশিয়া ছাড়ার ধুম, ‘ওয়ান ওয়ে ফ্লাইট’ টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে

    যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (NSA) চুক্তিভিত্তিক আধিকারিক ছিলেন স্নোডেন। ২০১৩ সালে এই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন তথ্য ফাঁস করে দেন তিনি৷ সেই নথিতে প্রকাশ্যে আসে যে শুধু বিদেশ নয়, খোদ মার্কিন নাগরিকদের উপরও নজরদারি চালাচ্ছিল আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি। এই ঘটনায় সেই সময় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় হয়। সংস্থাটিতে কর্মরত থাকাকালীনই এই তথ্য ফাঁস করেন তিনি। তাঁর ফাঁস করা তথ্যের কারণে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে আমেরিকার ওই গোয়েন্দা বিভাগ। দেশজুড়ে নজরদারির বিরুদ্ধে ও ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হওয়ার প্রতিবাদে আওয়াজ তোলেন মার্কিন নাগরিকদের একাংশ।      
     
    এনএসএ-র গোপন তথ্য ফাঁস করায় ২০১৩ থেকেই স্নোডেনকে খুঁজছে মার্কিন সরকার। তারপর থেকেই তিনি রাশিয়ায় আত্মগোপন করে রয়েছেন। আমেরিকা একাধিক বার স্নোডেনকে ফেরানোর কথা বললেও এতদিন রাশিয়া কোনও উদ্যোগ নেয়নি। অভিযোগ ওঠে, রাশিয়ার গোয়েন্দা বিভাগের হয়ে স্নোডেন কাজ করছেন। তাই তাঁকে রক্ষা করে যাচ্ছে রাশিয়া। মস্কোতেই এত বছর নির্বাসিত ছিলেন স্নোডেন। চাপের মুখে পালাতে বাধ্য হন তিনি। মার্কিন প্রশাসন তাঁর বিরুদ্ধে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ অভিযোগে মামলা করেছে।  

    আরও পড়ুন: সীমান্তে ৩০ লক্ষ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন রাশিয়ার, পশ্চিমি দেশগুলিকে হুঁশিয়ারি পুতিনের      

    বিচারের জন্য স্নোডেনকে দীর্ঘদিন ধরে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন সরকার। এবার রাশিয়া স্নোডেনকে নাগরিকত্ব দিয়ে আমেরিকার সব চেষ্টাকে মাটি করে দিল। স্নোডেন মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কিনা, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে তিনি যে আর আমেরিকার মাটিতে পা রাখবেন না তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

      

LinkedIn
Share