Tag: viksit bharat

viksit bharat

  • Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    Saffron Wave: ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে নাটকীয় পালাবদল, নজির গড়ল পদ্মময় বলয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাজনৈতিক পরিসরে নাটকীয় মোড় (Saffron Wave)। পশ্চিমবঙ্গে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করতে চলেছে বিজেপি। ৩৪ বছরের বাম রাজত্ব, তার পরে ১৫ বছরের তৃণমূল জমানা শেষে বঙ্গে ফুটল পদ্ম (India Power Map)। বহুদিন ধরে বিজেপি-বিরোধী দুর্গ হিসেবে পরিচিত বাংলার পতন সূচনা করেছে পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক মৌলিক পুনর্বিন্যাসের, যেখানে বিজেপি এখন হিমালয় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছে।

    বদলে গেল দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ (Saffron Wave)

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে দেখা গিয়েছে বড়সড় পরিবর্তন। সেখানে ১০০-র বেশি আসন জিতে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের দীর্ঘস্থায়ী মৌরশিপাট্টায় আঘাত হেনেছে নয়া দল তামিল বিকাশ কাজাগম (TVK)। যার জেরে বদলে গিয়েছে দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক  সমীকরণ। কেরলে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (UDF) ফের ক্ষমতায় ফিরেছে। এলডিএফের সঙ্গে পালাবদলের ধারা ভেঙে দিয়ে দক্ষিণে আবারও প্রাণপ্রতিষ্ঠা কংগ্রেসের।  এদিকে, অসম ও পুদুচেরিতে এনডিএর শাসনই জারি থাকছে। যা আদতে নির্দেশ করে উত্তর-পূর্ব এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাদের মজবুত অবস্থানকে।

    বিজেপির জয়জয়কার

    এদিকে, সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলের জেরে বদলে গিয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র। বর্তমানে বিজেপি একাই ১৭টি রাজ্যে রাজ করছে। এগুলি হল— পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, অসম, ওড়িশা, ছত্তিশগড়, ত্রিপুরা, গোয়া, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর এবং উত্তরাখণ্ড। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শাসন করছে আরও পাঁচটি রাজ্য। এগুলি হল— বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড এবং সিকিম। সব মিলিয়ে মোট ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাশ রয়েছে এনডিএর হাতে (India Power Map)। এই ২২টি অঞ্চল ভারতের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৭৩ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৮ শতাংশের (Saffron Wave)। সাম্প্রতিক নির্বাচনের পরে বিজেপির রাজ্যস্তরের বিধায়কের সংখ্যা প্রায় ১৭০০-তে গিয়ে পৌঁছেছে, যা কংগ্রেসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। পদ্মশিবিরের এই ফলের জেরে রাজ্যের আইনসভাগুলিতে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বিজেপি (India Power Map)। বিজেপি-নেতৃত্বাধীন জোট এখন দেশের প্রায় চার-পঞ্চমাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে, যেখানে বিরোধী শিবিরের আওতায় রয়েছে মাত্র এক-সপ্তমাংশের কিছু বেশি।

    গেরুয়াময় অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ

    পশ্চিমবঙ্গ জয়ের মাধ্যমে বিজেপি এখন উত্তর হিমালয় অঞ্চল থেকে গঙ্গা সমভূমি, পশ্চিম মালভূমি হয়ে উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব উপকূল পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক ক্ষমতার বলয় গড়ে তুলেছে। এর ফলে নীতিগত সমন্বয়, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক এবং নির্বাচনী কার্যকলাপ আরও সহজ হয়েছে (Saffron Wave)। দিল্লিতে বিজয় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী “বিকশিত ভারত” লক্ষ্যের সঙ্গে পূর্ব ভারতের পুনর্জাগরণের কথারও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “অতীতে বিহার, বাংলা ও ওড়িশা ভারতের গৌরবের তিন স্তম্ভ ছিল—অঙ্গ, বঙ্গ ও কলিঙ্গ। এই তিন রাজ্যের উন্নয়নই বিকশিত ভারত গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ (India Power Map)।” তিনি কলিঙ্গ (ওড়িশা)-কে সামুদ্রিক শক্তি, অঙ্গ (বিহার)-কে বস্ত্র বাণিজ্যের কেন্দ্র এবং বঙ্গ (পশ্চিমবঙ্গ)-কে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বৃত্ত ছোট হচ্ছে কংগ্রেসের

    অন্যদিকে, কংগ্রেস এখন একাই শাসন করছে মাত্র চারটি রাজ্য। এগুলি হল, হিমাচল প্রদেশ, তেলঙ্গানা, কেরল এবং কর্নাটক। ‘ইন্ডি’ জোটের সঙ্গে যুক্ত আরও দু’টি অঞ্চলেও রয়েছে কংগ্রেস—ঝাড়খণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীর। এই ছ’টি অঞ্চল ভারতের মোট এলাকার প্রায় ১৯ শতাংশ, প্রতিনিধিত্ব করে মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৪ শতাংশের। যদিও এই জোট দক্ষিণ, মধ্য ভারত এবং হিমালয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে, তবুও তাদের ভৌগোলিক এবং জনসংখ্যাগত প্রভাব এনডিএর তুলনায় ঢের কম (Saffron Wave)। তবে কংগ্রেস-‘ইন্ডি’ জোটের শক্তি কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যেই কেন্দ্রীভূত—কেরলের উন্নত সামাজিক সূচক, কর্ণাটকের প্রযুক্তি-ভিত্তিক অর্থনীতি, তেলঙ্গনার শিল্পভিত্তি এবং ঝাড়খণ্ডের খনিজ সম্পদ তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে (India Power Map)। পরিসংখ্যান বলছে, এনডিএর সঙ্গে ব্যবধান কমাতে চাইলে বিরোধী শিবিরকে মাত্র ১৪ শতাংশ জনসংখ্যা ও ১৯ শতাংশ এলাকা নিয়েই আগামী বছরগুলিতে (Saffron Wave) জাতীয় পর্যায়ে জনসমর্থন বাড়াতে হবে, করতে হবে জয়লাভও। তা না হলে অচিরেই স্রেফ সাইনবোর্ড সর্বস্ব হয়ে যাবে শতাব্দী-প্রাচীন দল কংগ্রেস।

     

  • PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান, দেশের ইতিহাসে নয়া নজির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার দেশের ইতিহাসে নয়া নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি। এদিন তিনি সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংকে (Pawan Kumar Chamling) ছাপিয়ে গিয়েছেন। প্রথমে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোট ৮,৯৩১ দিন দায়িত্ব পালন করে মোদি ভেঙে দিয়েছেন চামলিংয়ের ৮,৯৩০ দিনের রেকর্ড। এই মাইলফলক ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যা দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক জনসেবা ও নেতৃত্বের প্রতিফলন। মোদি এর আগেও গুজরাটের দীর্ঘতম মেয়াদের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যাঁর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    মোদির রেকর্ড (PM Modi)

    তিনি স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪- পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে নিজের দলকে জয়ী করেছেন। গত বছরের অক্টোবরে, সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫তম বর্ষে পদার্পণের সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভারতের জনগণকে ধন্যবাদ জানান। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের যাত্রার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং জাতীয় অগ্রগতিতে অবদান রাখা আমার নিরন্তর প্রচেষ্টা। আমি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম—যখন গুজরাট ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুপার সাইক্লোন, ধারাবাহিক খরা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল।”

    রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প

    মোদি জানান, এই চ্যালেঞ্জগুলিই তাঁকে নতুন উদ্যম ও আশায় রাজ্যকে পুনর্গঠনের দৃঢ় সংকল্প দিয়েছে। একটি ব্যক্তিগত স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা তাঁকে সবসময় গরিব মানুষের জন্য কাজ করতে এবং কখনও ঘুষ না নিতে পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা তাঁর জীবনের পথপ্রদর্শক হয়ে রয়েছে (PM Modi)। তিনি তাঁর আমলে গুজরাটের রূপান্তরের কথাও তুলে ধরেন, যেখানে খরাপ্রবণ ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল একটি রাজ্য থেকে “সুশাসনের শক্তিকেন্দ্রে” পরিণত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে কৃষি, শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে।

    বিকশিত ভারত গড়ার প্রতিশ্রুতি

    ২০১৩ সালে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়, যাকে তিনি “বিশ্বাস ও শাসনের সংকটে”র সময় হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর দলকে নিরঙ্কুশ সমর্থন করার কৃতিত্ব তিনি দেন দেশবাসীকে। তিনি জানান, গত ১১ বছরে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন এবং বিশ্ব অর্থনীতির মধ্যে ভারত একটি উজ্জ্বল অবস্থানে পৌঁছেছে (Pawan Kumar Chamling)। ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন উদ্যোগ নারী শক্তি, যুব  শক্তি এবং কৃষকদের উপকার করেছে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সেবা করা তাঁর কাছে সর্বোচ্চ সম্মানের বিষয় এবং সংবিধানের মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত “বিকশিত ভারত” গড়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি (PM Modi)।

     

  • PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, কী লিখলেন তিনি?

    PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি প্রধানমন্ত্রীর, কী লিখলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি (Deepawali Letter) লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই চিঠিতে আধ্যাত্মিক ভাবনা ও দেশপ্রেমের অঙ্গীকার গাঁথা রয়েছে এক সূত্রে। প্রধানমন্ত্রীর লেখা চিঠিতে যেমন তুলে ধরা হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুরে’র প্রসঙ্গ, তেমনি উঠে এসেছে মাওবাদী দমনের প্রসঙ্গ এবং দেশিয় জিনিসপত্রের চাহিদার কথাও।

    শ্রীরামের শিক্ষা (PM Modi)

    শ্রীরামের ধর্ম (ন্যায়) ও বীরত্বের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে কীভাবে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও সমষ্টিগত উন্নয়নের মাধ্যমে আধুনিক ভারত আজ সেই একই গুণাবলি ধারণ করছে, চিঠিতে তা-ও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের পর এটাই দ্বিতীয় দীপাবলি। শ্রীরাম আমাদের শিখিয়েছেন ন্যায়কে রক্ষা করতে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার সাহস জোগাতে।” তিনি বলেন, “কয়েক মাস আগে পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘সিঁদুর’-এর মধ্যেও শ্রীরামের শিক্ষার এক জীবন্ত উদাহরণ আমরা দেখেছি। “অপারেশন সিঁদুরের সময় আমরা এর বাস্তব রূপ প্রত্যক্ষ করেছি।” চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর সাহস ও নিখুঁত পরিকল্পনারও।

    অপারেশন সিঁদুর

    দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তারই প্রতিক্রিয়ায় পক্ষকাল পরে পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। ওই সামরিক অভিযানে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গিঘাঁটি। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনার যৌথ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ওই অভিযানে সীমান্তের ওপারে থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা হয়। খোলা চিঠিতে সেই অভিযানেরই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী একযোগে নৈতিক স্বচ্ছতা এবং জাতীয় শক্তির জোরালো বার্তাই দিলেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

    প্রসঙ্গ: মাওবাদ

    দীপাবলি বার্তায় অভিযানটির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) একে ভারতের অন্যায় ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেন। এটি উৎসবের আধ্যাত্মিক ভাবনা, অর্থাৎ অসৎ-এর ওপর সৎ-এর জয়” ধারণার সঙ্গে গভীরভাবে সঙ্গতিপূর্ণ। তিনি বলেন, “এ বছরের দীপাবলি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই প্রথমবার এমন জেলাগুলিতে প্রদীপ জ্বালানো হবে, যেগুলো একসময় নকশালবাদ ও মাওবাদী সন্ত্রাসের জেরে ক্ষতিগ্রল্ত হয়েছিল।” তিনি বলেন, “এগুলো সেই জেলা যেখানে নকশালবাদ ও মাওবাদী সন্ত্রাসকে মূল থেকে সমূলে উপড়ে ফেলা হয়েছে।” হিংসা ছেড়ে সমাজের মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রাক্তন উগ্রপন্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধিকে একটি বড় জাতীয় সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে (Deepawali Letter) আমরা দেখেছি বহু ব্যক্তি হিংসার পথ ছেড়ে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হচ্ছেন। তাঁরা আমাদের সংবিধানের প্রতি আস্থাও প্রকাশ করছেন।”

    অর্থনৈতিক অগ্রগতি

    ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকটিও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার পথে এগোচ্ছে।” এই সাফল্যকে শুধু অর্থনৈতিক মাইলফলক হিসেবে নয়, বরং দেশ-গঠনের প্রতি আমাদের সম্মিলিত দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “একটি বিকশিত এবং আত্মনির্ভর ভারত (Aatmanirbhar Bharat) গঠনের এই যাত্রায় নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রধান দায়িত্ব হল, জাতির প্রতি আমাদের কর্তব্য সম্পূর্ণভাবে পালন করা।” তিনি সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংস্কারেরও প্রশংসা করেন এবং উল্লেখ করেন কীভাবে নাগরিকরা কম করের সুবিধা পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নবরাত্রির প্রথম দিনেই কম জিএসটি হার কার্যকর হয়েছে। এই জিএসটি বচত উৎসব (সঞ্চয় উৎসব)-এর সময় দেশের নাগরিকরা হাজার হাজার কোটি টাকা সঞ্চয় করছেন।”

    এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত

    প্রধানমন্ত্রীর এই চিঠিতে (PM Modi) সামাজিক শৃঙ্খলা ও জাতীয় ঐক্যের বার্তাও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। দেশবাসীকে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন এমন এক মূল্যবোধ বজায় রাখতে, যা ভারতের ঐক্য ও স্বাস্থ্যকে দৃঢ় করে। তিনি লিখেছেন, “আসুন, এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত-এর চেতনা জাগ্রত করি আমরা। সব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখি। নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি অগ্রাধিকার দিই।” স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য একটি ব্যক্তিগত আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “চলুন আমরা আমাদের খাবারে তেলের ব্যবহার ১০ শতাংশ কমাই এবং যোগকে জীবনের অংশ করি (Deepawali Letter)।” চিঠির শেষে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “দীপাবলি আমাদের শেখায় যে, যখন একটি প্রদীপ আর একটি প্রদীপ জ্বালায় তখন তার আলো কমে না, বরং আরও বেড়ে যায়। ঠিক সেই মনোভাবেই আসুন আমরা এই দীপাবলিতে আমাদের সমাজ ও পরিবেশে সম্প্রীতি, সহযোগিতা এবং ইতিবাচকতার প্রদীপ প্রজ্বলন করি (PM Modi)।”

  • Pariksha Pe Charcha: পরীক্ষা চাপ নয়, উৎসব! গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’

    Pariksha Pe Charcha: পরীক্ষা চাপ নয়, উৎসব! গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র (Pariksha Pe Charcha) মুকুটে নতুন পালক। রেকর্ড সংখ্যক নাম নথিভুক্ত করিয়ে গিনেস বুকে নাম তুলে নিয়েছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মস্তিকপ্রসূত এই উদ্যোগ শুরু হয় ২০১৮ সালে। চলতি বছর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র জন্য সাড়ে ৩ কোটির বেশি নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এই কারণেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নাম উঠেছে এই উদ্যোগের। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর তরফে দিল্লিতে এই কথা ঘোষনা করেন ঋষি নাথ।

    মানসিক চাপ সরিয়ে পরীক্ষা শিক্ষার উৎসাহ

    কেন্দ্রের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র অষ্টম সংস্করণে এক মাসের মধেই ৩ কোটি ৫৩ লক্ষ নাম নথিভুক্ত হয়েছে। এই স্বীকৃতি পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, ৩ কোটি ৫৩ লক্ষ নাম নথিভুক্ত হয়েছে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’-র জন্য। এছাড়াও টেলিভিশনের পর্দায় তা দেখেছেন ২১ কোটির বেশি মানুষ। এই অনুষ্ঠান পরীক্ষার মানসিক চাপ সরিয়ে পরীক্ষাকে শিক্ষার উৎসাহে পরিণত করেছে। পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনও চাপ ছাড়াই পরীক্ষায় বসতে পারে, তার জন্য এই পরীক্ষা পে চর্চা শুরু হয়। এখন তা দেশজুড়ে উৎসবের আকার নিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পরীক্ষা পে চর্চাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড টিমকেও ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী।

    অভিনন্দন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    এই উদ্যোগের সফলতার জন্য পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবক, শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি লেখেন, ‘এটি একটি রেকর্ড-ব্রেকিং কৃতিত্ব যা বিশ্বব্যাপী পড়ুয়াদের জন্য পরীক্ষার চাপ কমানোর ভূমিকা রেখেছে। এই জাতীয় একটি কর্মসূচি মানব সম্পদকে আরও উন্নত করার পথকে ত্বরান্বিত করে। এটি ভারতের জন্য সত্যিই গর্বের একটি দুর্দান্ত মুহূর্ত।’

    পরীক্ষা প্রেরণার উৎস

    প্রসঙ্গত, পরীক্ষা পে চর্চায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরাসরি পড়ুয়া, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব পরীক্ষা পে চর্চাকে একটি অনন্য উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন যা শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের একত্রিত করে সুস্থতা এবং চাপমুক্ত শিক্ষার প্রচার করে। প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র অষ্টম সংস্করণটি অনেকগুলো ভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যেখানে অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, ছয় বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার মেরি কম এবং আধ্যাত্মিক নেতা সদগুরুর মতো ব্যক্তিত্বরা যোগ দিয়েছিলেন। শুনিয়েছিলেন তাঁদের লড়াইয়ের কথা, যা প্রেরণা দিয়েছিল ছাত্রছাত্রীদের।

  • International Womens Day: থিম ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’, আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন মোদি সরকারের

    International Womens Day: থিম ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’, আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৮ মার্চ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day)। এই দিনটিতে নারীর অধিকার-ক্ষমতায়ন-সশক্তিকরণ নিয়ে সচেতনতামূলক নানা রকমের অনুষ্ঠান পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, রাজনৈতিক কার্যকলাপ এবং আর্থসামাজিক দিক থেকে নারীরা কতটা এগিয়েছে- তা এদিন উঠে আসে বিভিন্ন আলোচনাতে। সাধারণভাবে এই দিনটিতেই বিশ্বজুড়ে প্রচার করা হয় যে পুরুষদের সমানই হল নারীরা এবং কোনও রকমের লিঙ্গ বৈষম্য নেই এখানে। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালের নারী দিবসের আন্তর্জাতিক থিম রাখা হয়েছে Accelerate Action.

    ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’ (International Womens Day)

    প্রসঙ্গত, এবছরের নারী দিবসে (International Womens Day) কেন্দ্রের মোদি সরকারও নানারকমের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বলে জানা গিয়েছে। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী সম্প্রতি একটি থিমের ঘোষণা করেছেন এই উপলক্ষ্যে এবং যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’। আসলে এই থিমের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হচ্ছে যে আগামী দিনে মোদি সরকারের লক্ষ্য।

    আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠান (International Womens Day 2025)

    এই আবহে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক আন্তর্জাতিক স্তরে নারীদের (International Womens Day) সাফল্যকে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিয়েছে। ভাষাগত দিক থেকে নারী সাফল্য, সাংস্কৃতিক দিক থেকে নারী সাফল্য, অর্থনৈতিক দিক থেকে নারী সাফল্য, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের সাফল্য- এই সমস্ত কিছুকেই তুলে ধরা হচ্ছে। এই উপলক্ষে একটি হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করা হচ্ছে। নাম দেওয়া হয়েছে #SheBuildsBharat. প্রসঙ্গত, আজ ৮ মার্চ শনিবার দিল্লির বিজ্ঞানভবন একটি অনুষ্ঠান হবে। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শ্রীমতি অন্নপূর্ণা দেবী, প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতি সাবিত্রী ঠাকুর সহ সম্মানিত অতিথিরা। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে থাকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। জানা যায়, পরবর্তীকালে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। সেসময় নারী দিবস পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে সারা পৃথিবী জুড়েই পালিত হচ্ছে দিনটি।

  • Viksit Bharat: “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত হবে উচ্চ আয়ের দেশ”, বললেন অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান

    Viksit Bharat: “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত হবে উচ্চ আয়ের দেশ”, বললেন অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার শতবর্ষপূর্তি হবে ২০৪৭ সালে। সেই সময় দেশকে বিকশিত ভারত (Viksit Bharat) হিসেবেই দেখার স্বপ্ন দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই লক্ষ্য পূরণে নিরন্তর কাজও করে চলেছেন তিনি। তাঁর সেই স্বপ্ন যে নিছক স্বপ্ন নয়, তা স্পষ্ট হয়ে গেল ষোড়শ অর্থ কমিশনের চেয়ারম্যান অরবিন্দ পানাগাড়িয়ার (Arvind Panagariya) কথায়। নয়াদিল্লিতে ৪৯তম সিভিল অ্যাকাউন্টস ডে উদযাপনে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

    পানাগাড়িয়ার বক্তব্য (Viksit Bharat)

    সেখানেই পানাগাড়িয়া বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত জাতির মর্যাদা অর্জনের পথে সুপ্রতিষ্ঠিত।” তিনি সেই বৃদ্ধির পথের কথা উল্লেখ করেন যা ভারতকে আগামী দশকে ৯.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে। তিনি জানান, ২০০৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারত বর্তমান মূল্যে মার্কিন ডলারের হিসেবে গড়ে ১০.১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই গতি বজায় থাকলে, ভারতের অর্থনীতি আগামী দশ বছরে ৯.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে। তিনি ম্যাক্রোইকোনমিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক শাসনকে এই বৃদ্ধির গতি বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন।

    গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

    ভারতের অর্থনৈতিক (Viksit Bharat) যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হল ২০৪৭ সালের মধ্যে মাথাপিছু আয় ১৪,০০০ মার্কিন ডলারে পৌঁছানো। বর্তমানে ভারতের মাথাপিছু আয় ২,৫৭০ মার্কিন ডলার। পানাগাড়িয়ার মতে, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন বার্ষিক ৭.৩ শতাংশ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হার। তিনি বলেন, “২০২৩ সালের ডলারের মূল্যে, ভারতকে উচ্চ আয়ের মর্যাদা অর্জনের জন্য ১৪,০০০ ডলারের মাথাপিছু আয় দরকার। ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থাকলে, এই লক্ষ্য পূরণ করাও সম্ভব।”

    ভারতের অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা সমর্থনকারী গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির একটি হল নিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি। পানাগাড়িয়া বলেন, “২০৪৭ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বছরে মাত্র ০.৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে।” তিনি বলেন, “বিকশিত ভারত অভিযানের সম্ভাবনাগুলি তাই বাস্তবায়নযোগ্য থাকে।” ভারতের সামাজিক অগ্রগতির (Arvind Panagariya) ওপর জোর দিয়ে পানাগাড়িয়া বলেন, “দেশে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, সে পরিমাপের পদ্ধতি যাই হোক না কেন (Viksit Bharat)।”

  • Jal Jeevan Mission: জল জীবন মিশন প্রকল্প বদলে দিয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনীতির ভিত, ঠিক কীভাবে?

    Jal Jeevan Mission: জল জীবন মিশন প্রকল্প বদলে দিয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনীতির ভিত, ঠিক কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল জীবন মিশন (Jal Jeevan Mission) প্রকল্পে নলের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছচ্ছে ঘরে ঘরে। তাই কাজ কমেছে ভারতীয় মহিলাদের (PM Modi Viksit Bharat)। জল আনতে যাওয়ার বদলে তাঁরা এখন সেই সময়টা ব্যয় করছেন অন্য কাজে। প্রত্যাশিতভাবেই বাড়ছে রোজগার। বিকশিত ভারতের পথে এগোচ্ছে নরেন্দ্র মোদির দেশ।

    জল জীবন মিশন প্রকল্প (Jal Jeevan Mission)

    বিষয়টা তাহলে খুলেই বলা যাক। জল জীবন মিশন প্রকল্পে নলবাহিত জল বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার আগে ভারতীয় মহিলাদের সিংহভাগকেই বেশ কয়েক মাইল উজিয়ে গিয়ে জল আনতে হত। তাই ঘরের কাজেই সময় ব্যয় হত বিস্তর। অন্য কাজ করার সময় পেতেন না তাঁরা। জল জীবন মিশন প্রকল্পে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে জল। তাই এখন আর তাঁদের জল আনতে ছুটতে হয় না। সেই সময়টা তাঁরা ব্যয় করছেন নানা কাজে। যার জেরে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জল জীবন মিশন, যার লক্ষ্য প্রত্যেক গ্রামীণ পরিবারের জন্য ট্যাপের মাধ্যমে জল সরবরাহ নিশ্চিত করা, মহিলাদের কৃষি ও সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপে অংশগ্রহণ বাড়িয়েছে।

    মহিলাদের শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার বৃদ্ধি

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত আর একটি ওয়ার্কিং পেপারও জানিয়েছে যে, প্রায় সব রাজ্যে মহিলাদের শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এসবিআইয়ের রিপোর্টে উপস্থাপিত তথ্যের সঙ্গে একমত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের ওয়ার্কিং পেপারও দেখিয়েছে যে, ২০১৭-১৮ থেকে ২০২২-২৩ সময়কালে গ্রামীণ এলাকার মহিলারা কর্মক্ষেত্রে (Jal Jeevan Mission) যোগদানের ক্ষেত্রে শহুরে এলাকার মহিলাদের তুলনায় বেশি এগিয়ে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডিভোর্স মামলায় খোরপোশ নির্ধারণে ৮ দফা গাইডলাইন, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    ২০১৯ সালে জল জীবন মিশন চালু করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রকল্পই বদলে দিয়েছে গ্রামীণ ভারতের মহিলাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি। প্রকল্পটি চালু হওয়ার সময় ট্যাপ ওয়াটার সংযোগ পেয়েছিল মাত্র ১ শতাংশ পরিবার। তবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত এই মিশনের মাধ্যমে এই পরিসর বেড়ে হয়েছে (PM Modi Viksit Bharat) ৭৮.৬২ শতাংশ। এসবিআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে ট্যাপ ওয়াটার সংযোগ প্রদান করা হয়েছে ১৫.২০ কোটিরও বেশি গ্রামীণ পরিবারে (Jal Jeevan Mission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • S Jaishankar: “বিকশিত ভারতের জন্যই প্রয়োজন বিকশিত মহারাষ্ট্রের”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “বিকশিত ভারতের জন্যই প্রয়োজন বিকশিত মহারাষ্ট্রের”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিকশিত ভারতের (Viksit Bharat) জন্যই প্রয়োজন বিকশিত মহারাষ্ট্রের। জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার ক্ষেত্রে মহারাষ্ট্র সব সময় অগ্রণী ভূমিকা রাখে।” কথাগুলি বললেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    ‘বিকশিত ভারত’ (S Jaishankar)

    ভোটমুখী মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদে আমরা দ্রুতগতিতে কাজ করছি। আমাদের লক্ষ্য হল ‘বিকশিত ভারত’। এ জন্য ‘বিকশিত মহারাষ্ট্র’ও প্রয়োজন।” এর পরেই তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্র সব সময় জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার ক্ষেত্রে প্রধান রাজ্য।” মন্ত্রীর মুখে এদিনও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের প্রশস্তি শোনা গিয়েছে।

    ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    তিনি বলেন, “আমরা চাই মহারাষ্ট্রেও ডাবল ইঞ্জিন সরকার হোক। এটি অন্যান্য অনেক রাজ্যে সফল হয়েছে।” সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারত যে নেতা, তাও মনে করিয়ে দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “মুম্বই ভারত ও বিশ্বের জন্য সন্ত্রাসবিরোধী প্রতীক। যখন আমরা রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ছিলাম, তখন আমরা সন্ত্রাসবিরোধী কমিটির সভাপতি ছিলাম। আমরা মুম্বইয়ের সেই হোটেলে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আয়োজন করেছিলাম, যেখানে জঙ্গি হামলা হয়েছিল।”

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “যখন বিশ্ব দেখে এই সন্ত্রাসবাদের চ্যালেঞ্জের সামনে কে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে, তখন মানুষ বলে, ভারত। সন্ত্রাস-বিরোধী লড়াইয়ে আজ আমরা নেতা। আমরা চাই না মুম্বইয়ের ঘটনা আবারও ঘটুক। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সত্য উন্মোচন আমাদের করতেই হবে।” তিনি বলেন, “মোদি সরকার সীমান্ত নিরাপত্তা, সন্ত্রাস-বিরোধী কার্যক্রম এবং ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে অস্থিরতার বিষয়ে সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে ফের তৃণমূলকে গোল দিলেন শুভেন্দু, সমবায়ে জয়ী বিজেপি

    যুদ্ধে ইতি টানতে উদ্যোগী মোদি

    জয়শঙ্কর বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তা হোক কিংবা সন্ত্রাসবাদ-বিরোধিতা বা আমাদের প্রতিবেশী দেশে অস্থিরতা— আমরা ভালোভাবে এসবেরই মোকাবিলা করছি। বিশ্বে বিভিন্ন অঞ্চলে উত্তেজনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানতে উদ্যোগী হয়েছেন। তিনি রাশিয়া গিয়েছেন, ব্রিকস সম্মেলনের সময় তিনি প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গেও দেখা করেছেন।”

    প্রসঙ্গত, ২০ নভেম্বর হবে মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন। বিধানসভার ২৮৮টি আসনেই নির্বাচন হবে ওই দিন। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে বিজেপি জিতেছিল (Viksit Bharat) ১০৫টি আসনে। তার আগের ভোটে বিজেপি পেয়েছিল ১২২টি আসন (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।   

       

  • India Economy: ২০৩০ সালেই ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি, ইঙ্গিত এস অ্যান্ড পি-র

    India Economy: ২০৩০ সালেই ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি, ইঙ্গিত এস অ্যান্ড পি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চালকের আসনে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তরতরিয়ে এগোচ্ছে দেশ। প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য, ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তির আগেই প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা ‘বিকশিত ভারতে’র (Viksit Bharat)। তারও ঢের আগে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (Worlds Third Largest Economy) দেশের তালিকায় ভারতকে (India Economy) জায়গা করে দেওয়াও তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে অটল ভারত সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং (S&P Global Rating)।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ (India Economy)

    ২০৩০ সালের মধ্যেই দু’ধাপ ওপরে উঠে ভারত জায়গা করে নেবে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকার তিন নম্বরে। জানা গিয়েছে, ভারতের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ছুঁয়েছে ৩.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তির সময় তাকে ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য ভারতের (India Economy)। সেই লক্ষ্য পূরণে ভারতকে মোকাবিলা করতে হবে একাধিক চ্যালেঞ্জের। এই চ্যালেঞ্জগুলোর অন্যতম হল এ দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। জনসংখ্যার নিরিখে ২০৩৫ সালের মধ্যেই বিশ্বের এক নম্বর দেশ হয়ে উঠবে ভারত। তখন সরকারের ঘাড়ে চাপবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো মৌলিক পরিষেবা দেওয়ার চাপ। অর্থনীতির বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরিকাঠামো ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগও বাড়াতে হবে ভারতকে।

    আরও পড়ুন: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না”, সাফ জানিয়ে দিলেন ফারুক আবদুল্লা

    এস অ্যান্ড পি-র রিপোর্ট

    এস অ্যান্ড পি-র (S&P Global Rating) রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী তিন বছর দ্রুত গড়াবে ভারতীয় অর্থনীতির (India Economy) চাকা। ভারত হবে অন্যতম উদীয়মান বাজার। এই বাজারগুলিই পরবর্তী দশকে বড় ভূমিকা রাখবে বিশ্ব অর্থনীতিতে (Worlds Third Largest Economy)। ওই গ্লোবাল রেটিং সংস্থার (S&P Global Rating) অনুমান, ২০৩৫ সালের মধ্যে উদীয়মান বাজারগুলির গড় জিডিপি হবে ৪.০৬ শতাংশ। এই সময় উন্নত অর্থনীতির জিডিপি হবে ১.৫৯ শতাংশ। ওই রিপোর্টেই বলা হয়েছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধিতে ৬৫ শতাংশ যোগদান থাকবে উদীয়মান অর্থনীতির। তার মধ্যেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলবে ভারত (India Economy)। বর্তমানে ওই তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। ৩৫ সালের মধ্যেই চলে আসবে তৃতীয় স্থানে। ইন্দোনেশিয়া ও ব্রাজিলেরও উন্নতি হবে। ওই তালিকায় তাদের জায়গা হবে যথাক্রমে অষ্টম ও নবম স্থানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রাজনীতিতে যুব সমাজকে আহ্বান, ‘বিকশিত ভারত’-এর বার্তা মোদির

    Narendra Modi: রাজনীতিতে যুব সমাজকে আহ্বান, ‘বিকশিত ভারত’-এর বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দেশের তরুণদের ছাড়া গণতান্ত্রিক রাজনীতি অদ্ভুত ব্যাপার হবে।” দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) রবিবার, ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে একথা জোর দিয়ে বলেছেন। একবিংশ শতাব্দীতে ভারতকে ‘বিকশিত ভারত’ হিসেবে নির্মাণের জন্য তরুণ-যুব শক্তির যোগদান একান্ত প্রয়োজন। দেশের ভিত্তিকে শক্তিশালী করবে আজকের যুবকরাই। তাই যুব শক্তিকে জাগরণের বার্তা দিলেন মোদি।

    তরুণদের যোগদানের মাধ্যমেই উন্নত ভারত হবে (Narendra Modi)

    মোদি (Narendra Modi) মাসিক ‘মন কি বাত’ সম্প্রচারে বলেন, “স্বাধীনতা দিবসের দিনে, এক লক্ষ যুবকের রাজনীতিতে যোগদানের আহ্বান ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে দেশে। ফলে তরুণদের যোগদানের মাধ্যমেই উন্নত ভারত এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন হবে। দেশ যখন পরাধীন ছিল, সেই সময় স্বাধীনতা সংগ্রামে যুব সমাজ বিরাট ভূমিকা পালন করেছিল। এমনকী রাজনৈতিক কোনও রকম পটভূমি না থাকা সত্ত্বেও সর্বস্তরের অগণিত যুবক-যুবতী এবং সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগদান করেছিলেন। তাঁরা ভারতের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করেছেন। আজ, ভারতকে উন্নত রাষ্ট্র বা বিকাশিত ভারত গড়তে যুব সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে গ্রহণ করতে হবে। আমাদের আবার সেই একই চেতনার জাগরণ ঘটাতে হবে। দেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী রাজনীতিতে যোগ দিতে ইচ্ছুক, তাই তাঁদের এখন প্রয়োজন সঠিক সুযোগ এবং নির্দেশনা।”

    আরও পড়ুন: আরজি করের ঘটনাকে ছোট করে দেখানোর অভিযোগ, সিব্বলের বিরুদ্ধে খেপে লাল আইনজীবীরা

    স্টার্ট-আপ পরিচালনায় যুবকদের বিরাট সাফল্য

    মোদি (Narendra Modi) আরও বলেন, “তরুণরা আমাকে চিঠি লিখেছেন এবং বিশেষ আহ্বানে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন। তাঁরা উল্লেখ করেছেন পারিবারিক রাজনীতির ধারা নতুন প্রতিভাকে দমন করে।” আবার অনুষ্ঠান চলাকালীন, মোদি বিভিন্ন স্পেস স্টার্ট-আপ পরিচালনা করার জন্য বেশ কয়েকজন তরুণ উদ্যোক্তার সঙ্গে বার্তালাপ করেন। সফল যুবকরা নিজেদের কাজের কথাকে তুলে ধরেন এদিন। সকলেই দেশের ক্রমবর্ধমান প্রাণবন্ত স্পেস ইকো সিস্টেমের প্রশংসা করেছেন। একইভাবে মহাকাশ নিয়ে বিভিন্ন সংস্কারের ফলে দেশের তরুণরা অনেক উপকৃত হয়েছেন। চাঁদে মহাকাশযানের সফল অবতরণের প্রথম বর্ষকে স্মরণীয় করতে ২৩ অগাস্টকে প্রথম জাতীয় মহাকাশ দিবস হিসেবে উদযাপন করেছে ভারত। এই কথাও এদিনের ভাষণে উল্লেখ করেছেন মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share