Tag: wb

wb

  • Suvendu Adhikari: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর রোড-শোয়ে ব্যাপক ভিড়, ফলতায় স্বজন হারানোদের জন্য বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: নয়া মুখ্যমন্ত্রীর রোড-শোয়ে ব্যাপক ভিড়, ফলতায় স্বজন হারানোদের জন্য বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কথা’ রাখলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ফলতায় (Falta Roadshow) পুনর্নির্বাচনের শেষদিন মঙ্গলবারের প্রচারে অংশ নিলেন তিনি। দিন দুই আগেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ফের ফলতায় আসবেন। করবেন প্রতিটি পঞ্চায়েত ছুঁয়ে একটি বড় পদযাত্রা। সেই মতো এদিন তিনি এলেন, করলেন রোড-শো-ও। এদিনের এই দীর্ঘ পদযাত্রার মাঝে ফলতার জন্য বিশেষ প্যাকেজও ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷

    মুখ্যমন্ত্রীর পদযাত্রা (Suvendu Adhikari)

    এদিন পদযাত্রা শুরু হয় ফলতার বঙ্গনগর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের হাসিমনগর সংলগ্ন কালীতলা মাঠ থেকে। রাজনৈতিক দিক থেকে এই জায়গাটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের পর এই হাসিমনগরেই ভোট দিতে না-পারার অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একটা বড় অংশ। তাই পুনর্নির্বাচনের আবহে সেই এলাকা থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদযাত্রা শুরু করাকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এদিন ফলতায় পৌঁছে প্রথমেই স্থানীয় একটি মন্দিরে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই একটি হুডখোলা গাড়িতে চড়ে জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাতে জানাতে শুরু করেন রোড-শো।

    নয়া মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা

    রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে রাস্তার দু’ধারে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ। এদিনের সভায় রাজনৈতিক ঘোষণাও করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “একুশের নির্বাচনের পর বহু বিজেপি কর্মী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। বহু পরিবার তাদের আপনজনকে হারিয়েছে। আমরা তাদের পাশে রয়েছি। নিহত ৩২১ জন কর্মীর পরিবারের একজন করে সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।” ফলতা এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অতীতে রাজনৈতিক হিংসার শিকার হওয়া বিজেপি কর্মীদের পুনর্বাসনের বিষয়েও আশ্বাস দেন তিনি (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, যাঁরা বিগত দিনে আক্রান্ত হয়েছেন, মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন কিংবা যাঁদের ব্যবসা বা জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাঁদের জন্য বিশেষ আর্থিক ও সামাজিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ফলতায় যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বা (Falta Roadshow) রুজি-রোজগার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের জন্য বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নতুন সরকারে কেউ আতঙ্কে থাকবে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে (Suvendu Adhikari)।”

     

  • Agnimitra Paul: জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোহিত-ইমাম ভাতা, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

    Agnimitra Paul: জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোহিত-ইমাম ভাতা, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে ইতি পড়বে বলে নানা সময় জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। নবান্নের কুর্সি আঁকড়ে (Agnimitra Paul) থাকতে এই রাজনৈতিক সংস্কৃতির ‘আমদানি’ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, সোমবার (Religious Assistance) হয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেট বৈঠক। সেখানে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, জুন মাস থেকেই বন্ধ হচ্ছে ধর্মীয় সব সহায়তামূলক প্রকল্প। ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

    কী জানালেন মন্ত্রী

    সোমবার অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই নীতিগত সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরিবর্তনের সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সাংবাদিক সম্মেলনে এসে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও ধরনের স্কলারশিপ বা শিক্ষামূলক অনুদান বন্ধ করা হচ্ছে না; শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেওয়া ভাতাগুলিই বন্ধ করা হচ্ছে।

    নবান্নে আয়োজিত এই বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী জানান, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের আওতায় ধর্মীয় শ্রেণিভিত্তিক যেসব আর্থিক সহায়তা বা ভাতা চালু ছিল, সেগুলি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি মাস পর্যন্ত বর্তমান সুবিধাভোগীরা ভাতা পেলেও আগামী মাস থেকে এই প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হবে।

    পুরোহিত ভাতা ও ইমাম ভাতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, খুব শীঘ্রই সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত জানানো হবে। একইসঙ্গে তিনি পুনরায় আশ্বস্ত করেন, ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু থাকা বিভিন্ন স্কলারশিপ, বৃত্তি বা শিক্ষা-সহায়তা প্রকল্পের ওপর এই সিদ্ধান্তের কোনও প্রভাব পড়বে না।

    সপ্তম পে-কমিশন ও অন্নপূর্ণা ভান্ডার

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনার লক্ষ্যে সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, অন্নপূর্ণা যোজনারও অনুমোদন মিলেছে। এছাড়াও, রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে যাতায়াতের নীতিগত সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আগামী ১ জুন থেকে এই পরিষেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ঘোষণা করা হয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পাঁচ মন্ত্রী—দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। এছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার অগ্রবাল।

  • TMC Rule: তৃণমূল রাজত্বে ইস্যু হওয়া সব কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ রাজ্যের

    TMC Rule: তৃণমূল রাজত্বে ইস্যু হওয়া সব কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে ইস্যু হওয়া সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যে পালাবদলের সরকার। ওই শংসাপত্রগুলির সত্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী জেলাশাসকদের ১.৬৯ কোটি তফশিলি জাতি (SC), তফশিলি উপজাতি (ST) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (OBC) শংসাপত্র (Caste Certificates) আবার যাচাই করতে হবে। গত কয়েক বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজত্বে (TMC Rule) ইস্যু হওয়া বহু কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে অভিযোগ ওঠার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের নির্দেশিকা (TMC Rule)

    ১৪ মে অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের সচিবের জারি করা এক নির্দেশে বলা হয়েছে, “আপনারা অবগত আছেন যে ২০১১ সাল থেকে প্রায় ১.৬৯ কোটি কাস্ট সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, ২০১১ সালের পর ইস্যু হওয়া কিছু শংসাপত্রের সত্যতা ও বৈধতা বিভিন্ন মহলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।” নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, “অতএব, মহকুমা শাসকদের (যাঁরা সার্টিফিকেট দেন) ২০১১ সাল থেকে ইস্যু হওয়া সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট পুনরায় যাচাই করার পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।” যেসব ব্যক্তির নাম বিশেষ সংশোধিত তালিকা (SIR) প্রক্রিয়ার সময় ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের দেওয়া শংসাপত্রও খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে বাতিল করা হতে পারে।

    ‘দুয়ারে সরকার’

    উল্লেখ্য, ১.৬৯ কোটির মধ্যে প্রায় ৪৭.৮০ লাখ শংসাপত্র ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মাধ্যমে পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে ইস্যু করা হয়েছিল। চিঠি অনুযায়ী, এই পর্বে কিছু দ্বিতীয় প্রজন্মের কাস্ট সার্টিফিকেটও ইস্যু হয়ে থাকতে পারে। মোট শংসাপত্রের মধ্যে প্রায় ১ কোটি তফশিলি জাতির জন্য, ২১ লাখ তফশিলি উপজাতির জন্য এবং ৪৮ লাখ অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ইস্যু করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত (TMC Rule), ‘দুয়ারে সরকার’ ছিল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের একটি জনসংযোগমূলক কর্মসূচি। এটি চালু হয়েছিল ১ ডিসেম্বর, ২০২০। এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল গ্রাম পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং ওয়ার্ড স্তরে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করে সরকারি প্রকল্প, কাস্ট সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য জনসেবামূলক সুবিধা সরাসরি নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে।

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সচিব আরও জানান, ফের যাচাই করার সময় যদি দেখা যায় যে কোনও শংসাপত্র বেআইনিভাবে ইস্যু (Caste Certificates) করা হয়েছে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি (শনাক্তকরণ) আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৯ ও ১০ এবং ১৯৯৫ সালের সংশ্লিষ্ট বিধির ৩ থেকে ৭ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে (TMC Rule)।

     

  • BJP Bengal: “বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না”, বিজেপি কর্মীদের বার্তা শমীকের

    BJP Bengal: “বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না”, বিজেপি কর্মীদের বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম বাংলার মসনদে এসেছে বিজেপি (BJP Bengal)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে কার্যত পর্যুদস্ত করে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে পদ্ম-পার্টি (Indiscipline)। এমতাবস্থায় গেরুয়া দলের গায়ে যাতে কলঙ্কের কালি না লাগে, সেই ব্যবস্থাই করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির কোনও নেতা-কর্মী বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না। প্রত্যেকের গতিবিধির ওপর নজর রাখবে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। দল-বিরোধী আচরণ করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নেমে আসতে পারে বহিষ্কারের মতো শাস্তির খাঁড়াও। শুক্রবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে দলীয় বৈঠকে বসেছিল বিজেপি। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, বেসামাল কোনও আচরণ করলে রেয়াত করা হবে না সদ্য বিজয়ী বিধায়কদেরও।

    শমীকের সাফ কথা (BJP Bengal)

    জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানিয়ে দেন, কোনও সিন্ডিকেট, তোলাবাজি চলবে না (Indiscipline)। টোটো-অটোর দখলদারিও বরদাস্ত করা হবে না। বিরোধী দলের কার্যালয়ও দখল করা যাবে না (BJP Bengal)।  বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী, জেলা সভাপতি এবং জেলা ইনচার্জরাও। দলে যাতে ‘বেনো জল’ ঢুকে না পড়ে, সেজন্যও এদিন সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেতাদের। শমীক বলেন, “এই মুহূর্তে তৃণমূলের অনেকেই বিজেপিতে যোগদানের চেষ্টা করছেন। তবে আপাতত অন্য দল থেকে কাউকে নেওয়া যাবে না। এমন অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। শুধু নেতা-কর্মীরাই নন, বিধায়করাও এই নির্দেশিকার ঊর্ধ্বে নন। তাঁদেরও রেয়াত করা হবে না।”

    জনসংযোগ বৃদ্ধিতে জোর

    বিধায়কদের জনসংযোগ বৃদ্ধিতেও জোর দেন শমীক। বলেন, “বিধায়কদের গ্রামে গ্রামে যেতে হবে। স্থানীয়দের ধন্যবাদজ্ঞাপন করতে হবে।” এদিনের বৈঠকে জেলা সভাপতিদের কোর কমিটির নির্দেশমতো চলার কথাও বলেন বনশন। বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বলেন, “একা কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। উন্নয়নের সিদ্ধান্তও নয়। ১৫ জনের কোর কমিটি গঠন হবে (Indiscipline)। ওই কমিটির সঙ্গে একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।” আগামী সপ্তাহের মধ্যে কোর কমিটি গড়ার নির্দেশও জেলাগুলিকে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব (BJP Bengal)।

     

  • Himanta Biswa Sarma: অসমে ‘চাঁদের হাট’, টানা দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: অসমে ‘চাঁদের হাট’, টানা দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দ্বিতীয়বারের জন্য অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। আজ, মঙ্গলবার গুয়াহাটির খানাপাড়ায় আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন-সহ বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর একাধিক শীর্ষ নেতা। হিমন্ত ছাড়াও এদিন শপথ নেন নয়া মন্ত্রিসভার আরও পাঁচ সদস্য। এঁরা হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামেশ্বর তেলি, অসম গণ পরিষদের সভাপতি অতুল বরা, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেল নেতা চরণ বোরো এবং বিজেপির প্রবীণ নেত্রী অজন্তা নেওগ।

    ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া পোশাকে শপথ হিমন্তর (Himanta Biswa Sarma)

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনডিএ-শাসিত ২২টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব, শিল্পপতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। অসমের বৈষ্ণব মঠের ১৫ জন সত্রাধিকারও উপস্থিত ছিলেন হিমন্তের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া পোশাকে শপথ নেন হিমন্ত। আগেই বিজেপি বিধায়করা দল ও এনডিএ-র শরিক দলের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে নেতা নির্বাচিত করেন হিমন্তকে। পরে তিনি যান লোকভবনে (পূর্বতন রাজ্যপাল ভবন), সরকার গঠনের দাবি জানাতে। এদিন নেন শপথ (Himanta Biswa Sarma)।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

    এদিকে, হিমন্তের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গুয়াহাটিতে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। গুয়াহাটি পৌঁছে অসমবাসীকে (Assam) শুভেচ্ছা জানান তিনি। হিমন্তকে ‘বড় দাদা’ সম্বোধন করে শুভেন্দু বলেন, “হিমন্তজি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করেন। তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।” অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, অসম এবং ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার আসার পরে যেভাবে অনুপ্রবেশকারীদের রুখে দেওয়া হয়েছে, বাংলাও ঠিক সেই পথেই হাঁটবে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পেছনে অসমের বিজেপি নেতাদের বড় অবদান রয়েছে বলে মনে করেন শুভেন্দু। তাঁর আশা, উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নে ওড়িশা, বিহার, অসম এবং সিকিম – সব রাজ্য একসঙ্গে কাজ করবে।

    অসম বিধানসভার আসন সংখ্যা ১২৬। এর মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেয়েছে ১০২টি আসন। এর (Assam) মধ্যে আবার বিজেপি একাই পেয়েছে ৮২টি আসন। জোট শরিক অগপ এবং বিপিএফ ১০টি করে আসন পেয়েছে। কংগ্রেসের জোট জিতেছে ১৯টি কেন্দ্রে। আর তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে একটি মাত্র একটি কেন্দ্র (Himanta Biswa Sarma)।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ খতম করবে’, শাহি-প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ খতম করবে’, শাহি-প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিন্ডিকেটরাজকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দেব।” পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এসে এমনই হুঙ্কার দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি কথা দিয়েছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ (Syndicate Raj) খতম করবে। শাহের সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলা থেকে সিন্ডিকেটরাজ বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ করলেন তিনি।

    দুর্নীতিমুক্ত বঙ্গ গড়ার নির্দেশ (Suvendu Adhikari)

    সোমবার বিধায়ক ও জেলাশাসকদের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, রাজ্যকে দুর্নীতিমুক্ত করে তুলতে হবে। কোনওরকম দুর্নীতিই বরদাস্ত করা হবে না। সেই লক্ষ্যেই প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এদিনের বৈঠকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসককে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, “আপনার জেলায় বেশি করে নজর দিন।” অতীতে এই বীরভূম থেকেই বেশি বালিপাচার, গরুপাচারের মতো অভিযোগ উঠেছে। তাই ওই জেলায় বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ। তিনি বলেন, “১০০ দিনের কাজের টাকা যাঁরা পাচ্ছেন, তাঁরা কি আদৌ যোগ্য বা বৈধ? তা খতিয়ে দেখুন। আসলে অনেকেই আছে যারা কাজ না করে জবকার্ড তৈরি করে নিয়ে টাকা তোলে।”

    গরুপাচার নিয়ে ‘তুর্কি’ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ 

    গরুপাচার নিয়েও জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দেন বিজেপির ‘তুর্কি’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশও দেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “আজ (সোমবার) থেকেই অবৈধ গরু পাচার বন্ধ করতে হবে।” পাচার রুখতে, দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়তে এই পদক্ষেপ ছাড়াও জেলাশাসকদের প্রতিনিয়ত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দেন, এদিন থেকেই তা শুরু করতে হবে (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, রাজ্যে গরুপাচার একেবারেই বন্ধ করতে হবে। বর্ডার বা রাজ্য সড়ক-কোথাও যেন এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আর না আসে, তা সুনিশ্চিত করতে হবে পুলিশ সুপারদের।

    কয়লা-বালি পাচার রোধে ফরমান

    কয়লা ও বালি পাচার রুখতে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, এই সব বেআইনি কারবার এবং প্রোমোটারির ক্ষেত্রে ‘সিন্ডিকেট রাজ’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ব্যবসা বা বাড়ি তৈরির কাজ করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি জমি দখল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, সরকারি জমি রক্ষা করতে হবে। কোনও বেআইনি নির্মাণ মেনে নেওয়া হবে না। রাজ্যবাসীকে দুর্নীতিমুক্ত সরকার উপহার দিতে চায় রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। সচিবদের পর এবার ডিএমদেরও শুভেন্দু মনে করিয়ে দেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত হবে এই সরকার।’ যেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, সেখানেই তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিয়ে বন্ধ করতে হবে কাজ (Suvendu Adhikari)।

    কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশ

    নির্বাচনের কারণে আদর্শ আচরণবিধি চালু ছিল দীর্ঘ দিন। তাই আটকে গিয়েছে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, বিধায়করা শপথ নিলেই জেলাশাসকরা যেন তাঁদের সঙ্গে এবং জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। আটকে থাকা কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশও দেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। এদিনের (Syndicate Raj) বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দেন, জেলাস্তরের প্রতিটি কাজের খবর সরাসরি নবান্নে পৌঁছবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে যাতে রাজনীতির রং না লাগে এবং প্রকল্পের টাকা সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয়, সেটাই যে রাজ্যের নয়া সরকারের লক্ষ্য, তাও জানিয়ে দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুন থেকেই মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা। সোমবার নবান্নে বিজেপি-শাসিত সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকের পরেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ (Annapurna Bhandar) চালুর দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল রাজ্য সরকার। এদিন থেকেই সরকারি বাসে চড়লে (WB Govt) মহিলাদের আর ভাড়া দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারে’র প্রতিশ্রুতি পূরণ (Annapurna Bhandar)

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা বার বার মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভান্ডারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নয়া সরকারের প্রথম কর্মদিবসেই একে একে সেই প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করা শুরু করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। প্রশাসন সূত্রে খবর, লক্ষ্মীর ভান্ডার যাঁরা পেতেন, তাঁরাই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের আওতায় মাসে মাসে তিন হাজার টাকা পাবেন। আপাতত নতুন করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য আবেদন করার প্রয়োজন নেই। পরবর্তী সময়ে যদি কোনও নথি কিংবা তথ্যের প্রয়োজন হয়, তা জানিয়ে দেওয়া হবে সরকারের তরফে।

    শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কে, কোন দফতর পেলেন

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গেই ব্রিগেড ময়দানে শপথ নিয়েছিলেন বাকি পাঁচ মন্ত্রীও। এদিন তাঁদের দফতর বণ্টন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দিলীপ ঘোষকে (Annapurna Bhandar)। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব (WB Govt)। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনিয়াকে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্ষুদিরাম টুডুকে। বাকি সব দফতর আপাতত থাকবে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। বিজেপি-শাসিত বাংলার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন ও সুরক্ষার পথে। তিনি এও জানান, বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলায়ও সরকার সেই পথেই এগোবে (Annapurna Bhandar)।

     

  • CM Suvendu Adhikari: ‘নির্ভয়ে কাজ করুন’, বৈঠকে সচিবদের নির্দেশ নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    CM Suvendu Adhikari: ‘নির্ভয়ে কাজ করুন’, বৈঠকে সচিবদের নির্দেশ নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথ নিয়েছিলেন শনিবার, ব্রিগেড ময়দানে। সোমবার গেলেন নবান্নে। সেখানে গিয়ে রাজ্যের সচিবদের নির্ভয়ে কাজ করতে বললেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। জানিয়ে দেন, এবার থেকে তাঁকে খুশি করতে কোনও হোর্ডিং বা ফলকে ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ লিখতে হবে না (Govt Officers)।

    ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ (CM Suvendu Adhikari)

    তৃণমূল জমানায় রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প থেকে কর্মসূচির হোর্ডিং, সর্বত্র ফলকে ‘মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা’ শব্দটি লেখা থাকত। নবান্নে কাজে যোগ দিয়ে প্রথম দিনই সচিবদের এই বিষয়ে সতর্ক করে দেন শুভেন্দু। জানিয়ে দেন, পূর্বতন সরকার বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছিল। তাঁর সরকার সে রকম কিছু করবে না। এর পরেই সচিবদের নির্ভয়ে কাজ করার কথা জানান তিনি। বলেন, “সরকার তথ্য, নিয়মের ওপরে চলে। সরকারি সিদ্ধান্ত হয় সংবিধানের কতগুলি বিষয়ের ওপরে। এই সরকার ‘আমিত্বে’ বিশ্বাস করে না, ‘আমরা’-নীতিতে চলবে। সংবিধানকে গুরুত্ব দিয়েই আমরা কাজ করব। আমরা আশা করব, এই সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচকরাও কোনও সমালোচনা করতে পারবেন না। এমন কোনও সুযোগ এই সরকার দেবে না, ভরসা রাখুন।”

    সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে হবে

    সচিবদের (CM Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি অর্থের অপচয় রুখতে হবে। অর্থের যাতে অপচয় না হয়, তা দেখতে হবে। যেখানে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে খরচ করতে হবে, বন্ধ করতে হবে অপ্রয়োজনীয় খরচ। রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের যে সব প্রকল্প এতদিন কার্যকর করা হয়নি, সেগুলি চালু করার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন নবান্নে আসার আগে শুভেন্দু গিয়েছিলেন সল্টলেকের বিজেপি দফতরে। সেখানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি। বৈঠকের পরে শমীকও বলেছিলেন, “সরকার সরকারের মতো চলবে। দল দলের মতো (Govt Officers)। এটি কোনও বিজেপি সরকার নয়। এটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার (CM Suvendu Adhikari)।”

     

  • Suvendu Adhikari: ‘চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না’, তবে কারা পাবেন না, স্পষ্ট করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: ‘চালু থাকা সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না’, তবে কারা পাবেন না, স্পষ্ট করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সকালে বঙ্গবাসীকে বিরাট সুখবর দিলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী তথা ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাফ জানিয়ে দিলেন, রাজ্যে যে সব সামাজিক প্রকল্প চালু রয়েছে, তা বন্ধ হচ্ছে না। এদিন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পরে একথা জানান (Existing Scheme) নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল সরকারের চালু করা প্রকল্পগুলির সুবিধা রাজ্যবাসী পাবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা ছড়াচ্ছিল রাজ্যে পালাবদলের পরেই।

    কী বললেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari)

    বঙ্গবাসীর সেই সংশয় দূর করে শুভেন্দু জানিয়ে দিলেন, রাজ্যবাসী আগে যে সব সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পেতেন, এখনও তা পাবেন। অবশ্য কারা পাবেন, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত বা ভারতীয় নন, এমন কেউ এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘চালু থাকা কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হচ্ছে না। আগে চালু থাকা সমস্ত প্রকল্পই থাকবে। প্রচারের সময়েও আমরা বলেছি। সেটা ৩০ বছর আগের হতে পারে বা ১০ বছর আগের হতে পারে— কোনও সামাজিক প্রকল্প বন্ধ হবে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘পোর্টালগুলি আপডেট করব। মোদি সরকারের চালু করা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে সুবিধা পাবেন সকলে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘সবটাই স্বচ্ছতার সঙ্গে হবে। অ-ভারতীয় বা মৃত কেউ এই সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।’’

    প্রকল্প বন্ধের ভয় দেখিয়েছিল তৃণমূল!

    সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে নবান্নের কুর্সি অটুট রাখতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল বার বার দাবি করেছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, ‘যুবসাথী’র মতো সব প্রকল্প বন্ধ করে দেবে (Suvendu Adhikari)। যদিও বিজেপিও প্রচার পর্বেই জানিয়ে দিয়েছিল, সেরকম হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ করে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। মহিলাদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্পে প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা দেওয়া হবে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মহিলারা অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সময়ে ২১ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য এবং ৬টি পুষ্টিকর সরঞ্জাম পাবেন। অবিবাহিত ছাত্রীদের স্নাতক স্তরে ভর্তির আগে এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তবে যাঁরা ভারতীয় নন, তাঁরা এই সুবিধা পাবেন না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় অনুপ্রবেশকারীরা।

    শুভেন্দু জানান (Existing Scheme), প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, প্রধানমন্ত্রী কৃষক বিমা যোজনা, পিএম শ্রী, বিশ্বকর্মা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, উজ্জ্বলা যোজনা-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সমস্ত আবেদন কেন্দ্রীয়মন্ত্রকে দ্রুত পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ডিএমদের (Suvendu Adhikari)।

     

  • PM Modi: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তিতে গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তিতে গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার গুজরাটের প্রভাস পাটানে এক বিরাট (Kumbhabhishek) রোডশোয়ের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই মন্দিরটি ভারতের সভ্যতার স্থিতিশীলতা, আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতা এবং সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

    ‘সোমনাথ অমৃত মহোৎসব’ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ছিল ‘সোমনাথ অমৃত মহোৎসবে’র অংশ। স্বাধীনতার পর ১৯৫১ সালে ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ কর্তৃক পুনরুদ্ধার করা মন্দিরের উদ্বোধনের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল এই রোড-শোয়ের। অনুষ্ঠানটি এ বছরের শুরুতে পালিত ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্বে’র সঙ্গেও যুক্ত। ১০২৬ সালে গজনির মামুদ প্রথম আক্রমণের হাজার বছর স্মরণে পালিত হয়েছিল এই ‘পর্ব’। এদিন হাজার হাজার ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দা হেলিপ্যাড থেকে মন্দির প্রাঙ্গনের নিকটবর্তী বীর হামিরজি সার্কেল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার পথে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। গেরুয়া পতাকা নাড়িয়ে এবং স্লোগান দিতে দিতে মানুষ রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কনভয় ধীরে ধীরে অতিক্রম করে উপকূলীয় শহরটি।

    বর্ণময় উৎসব

    উৎসবকে আরও বর্ণময় করতে রোডশোয়ের বিভিন্ন অংশে লোকনৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের শিল্পীরা। ফলে অনুষ্ঠানটি আদতে পরিণত হয় ভারতের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রদর্শনীতে (Kumbhabhishek)। রোডশোয়ের পর প্রধানমন্ত্রী সোমনাথ মন্দিরে যান, অংশগ্রহণ করেন একাধিক বিশেষ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী ‘বিশেষ মহাপূজা’, ‘কুম্ভাভিষেক’ এবং ‘ধ্বজারোহণ’ অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। আচার চলাকালীন হেলিকপ্টার থেকে মন্দিরের ওপর ফুলের পাপড়ি বৃষ্টি করা হয়, যা হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র জ্যোতির্লিঙ্গকে ঘিরে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করে।

    একাধিকবার নিশানায় সোমনাথ মন্দির

    ভারতীয় সভ্যতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রয়েছে গুজরাটের সোমনাথ মন্দির। একাধিকবার আক্রমণ ও ধ্বংসের পর বারবার পুনর্নির্মিত এই মন্দির দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ধর্মবিশ্বাস ও ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। স্বাধীনতার পরে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা, যা সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল এবং কেএম মুন্সির মতো নেতাদের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিল, হয়ে ওঠে ভারতের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের এক বৃহত্তর জাতীয় সংকল্পের প্রতীক। এদিন সদ্ভাবনা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেওয়া এবং ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি স্মারক ৭৫ টাকার মুদ্রা প্রকাশ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ৮ মে জারি করা (Kumbhabhishek) এক সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুদ্রার এক পাশে সোমনাথ মন্দিরের ছবি থাকবে, তার সঙ্গে লেখা থাকবে: “ভারতের অটল বিশ্বাস ও ভক্তির ১০০০ বছরের উদ্‌যাপন”, এর পাশাপাশি উল্লেখ থাকবে ২০২৬ সালও। এই মুদ্রা তৈরি করা হবে কলকাতার সরকারি টাঁকশালে।

    ‘সর্দার ধাম ভবন-৩’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভাদোদরায় ‘সর্দার ধাম ভবন-৩’, যা ‘শ্রী দুষ্যন্ত ও দক্ষ প্যাটেল কমপ্লেক্স’ নামে পরিচিত, তার উদ্বোধনও করবেন। প্রায় ৪.৭৫ লাখ বর্গফুট এলাকায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কমপ্লেক্সে আবাসন কক্ষ, এনআরআই অতিথিশালা, ই-লাইব্রেরি, কেরিয়ার গাইডেন্স ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ১,০০০ আসনের অডিটোরিয়াম রয়েছে। দু’দিনের গুজরাট সফরের শুরুতে রবিবার রাতে মোদি জামনগরে পৌঁছন। হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানগুলিকে সামনে রেখে জামনগর, সোমনাথ ও ভাদোদরায় ব্যাপক প্রস্তুতি (PM Modi) ও স্বাগত কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে (Kumbhabhishek)।

     

LinkedIn
Share