Tag: Weather Update

Weather Update

  • Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়বৃষ্টির জেরে রাজ্যে দক্ষিণবঙ্গে কমেছে গরমের দাপট (Weather Forecast)। ঠান্ডা হয়েছে কলকাতাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আপাতত আরও কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে থাকতে পারে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া (South Bengal)। তবে সোমবার, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টির দাপট। তীব্র ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ শিলাবৃষ্টির ভ্রুকুটি বঙ্গে।

    বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি (Weather Forecast)

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ, শনিবারও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তবে, রবিবার থেকে ফের বাড়বে বৃষ্টির দাপট। ঝোড়ো হাওয়ার বেগ বেড়ে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গলবারও শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। যেহেতু সোমবার ঝড়বৃষ্টির দাপট থাকবে সবচেয়ে বেশি, তাই সেদিনের জন্য জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। এদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই দিনই হবে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা (Weather Forecast)। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও রয়েছে একই পূর্বাভাস।

    দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা

    পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় রবিবারও ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরেও মাঝেমধ্যে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। তাই উত্তাল সমুদ্র। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে সোমবার পর্যন্ত। ঝড়বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পঙে শনিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। জলপাইগুড়িতে ভারী বর্ষণ চলবে রবিবার পর্যন্ত। উত্তরের জেলাগুলিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সব জেলায়ই সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস (South Bengal)।

    জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জের

    গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের ওপর যে ঘূর্ণাবর্তটি ছিল, সমুদ্রতল থেকে তার উচ্চতা ১.৫ কিলোমিটার। এছাড়া, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন এলাকার ওপর আর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে (Weather Forecast)। সমুদ্রতলের চেয়ে ৩.১ থেকে ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতায় তার অবস্থান। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে বঙ্গোপসাগর থেকে এখনও জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। তাই রয়েছে ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি। ঝড়বৃষ্টির কারণে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রাও এক লপ্তে কমে গিয়েছে বেশ খানিকটা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর বা দক্ষিণের কোথাও আগামী সাত দিনে তাপমাত্রার বড় কোনও হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রসঙ্গত, বিরল মে মাস দেখতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। এ মাসে তাপপ্রবাহের বদলে (South Bengal) দেখা যাবে শুধুই বৃষ্টির দাপট। তার জেরে এ মাসে বঙ্গবাসীকে গরমের অস্বস্তি ভোগ নাও করতে হতে পারে বলেই পূর্বাভাস হওয়া অফিসের (Weather Forecast)।

  • Weather Update: রবিবার থেকেই হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির পূর্বাভাস, আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়

    Weather Update: রবিবার থেকেই হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির পূর্বাভাস, আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহের পর অবশেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। গত কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি কাটিয়ে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ (Rainfall) হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি (Weather Update)

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের ওপর বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে। এর ফলে বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হতে পারে। বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বা কালবৈশাখীর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না আবহাওয়া দফতর। সতর্কতা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে। তবে রবিবার থেকে কলকাতাও ঝড়বৃষ্টি (Rainfall) হবে। রবিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণের সব জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস রয়েছে। একই ভাবে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং বীরভূমে ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। সমুদ্রের উপরে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। ইতিমধ্যে বঙ্গপোসাগরে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    কলকাতার পরিস্থিতি

    কলকাতায় আকাশ আংশিক মেঘলা (Weather Update) থাকার সম্ভাবনা থাকলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। তবে বিকেলের পর শহরের কোনও কোনও অংশে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে, যা তাপমাত্রার পারদ সামান্য হলেও নামাতে সাহায্য করবে। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৬ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.১ ডিগ্রি বেশি। কৃষিজীবী এবং সাধারণ মানুষকে বজ্রপাতের (Rainfall) সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খোলা মাঠে কাজ করার সময় বা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চলা তীব্র তাপপ্রবাহ (Weather Update) এবং রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহের মাঝে অবশেষে স্বস্তির খবর শোনালো আবহাওয়া দফতর। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে-র সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের মূল ভূখণ্ডে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা (Early Monsoon 2026) স্বাভাবিক সময়ের কিছুটা আগেই প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের বায়ুমন্ডলীয় পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনই এই আগাম বৃষ্টির প্রধান কারণ হতে চলেছে।

    এল নিনোর বিদায় ও লা নিনার আগমন (Early Monsoon 2026)

    ২০২৫ সাল এবং ২০২৬-এর শুরুর দিকে এল নিনোর (El Niño) প্রভাবে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় শুষ্ক আবহাওয়া এবং চরম গরম লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিখ্যাত আবহাওয়াবিদ্যা (Weather Update)  সংস্থা ইসিএমডব্লুএফ (ECMWF) এবং ভারতের মৌসম ভবন (IMD) জানাচ্ছে, বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরে ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি স্তিমিত হয়ে আসছে এবং সেখানে ‘লা নিনা’ (La Niña) দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    সাধারণত লা নিনা ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) এবং তুলনামূলক শীতল আবহাওয়ার অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এর ফলে কৃষিপ্রধান এই দেশে খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে ভালো ফলনের আশা দেখা দিচ্ছে বলে গবেষকদের বিশেষমত।

    কেরালায় বর্ষার আগাম পদধ্বনি

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত ১ জুন কেরালায় বর্ষা (Early Monsoon 2026) প্রবেশের যে নির্ধারিত সময় থাকে, ২০২৬ সালে তা মে মাসের শেষ সপ্তাহেই অর্থাৎ সম্ভবত ২২ থেকে ২৫ মের মধ্যে ঘটে যেতে পারে। মৌসুমি বায়ু (Weather Update) যদি আন্দামান সাগরে সময়মতো সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে তার প্রভাবে মে মাসের শেষ দিকেই কেরালার উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বর্ষণ শুরু হবে।

    আইওডি (IOD) বা ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোলের প্রভাব

    কেবল লা নিনা নয়, ভারত মহাসাগরের নিজস্ব আবহাওয়া পরিবর্তন বা ‘ইন্ডিয়ান ওশেন ডাইপোল’ (IOD) পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি আইওডি ইতিবাচক থাকে, তবে তা মৌসুমি বায়ুকে (Weather Update) আরও শক্তিশালী করে তোলে। এর ফলে দেশের মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

     আইওডিও দফতরের আবহবিজ্ঞানী দেবেন্দ্র  ত্রিপাঠী বলেছেন,যখন ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশ পূর্বাঞ্চলের চেয়ে উষ্ণতর থাকে, তখন একটি ধনাত্মক আইওডি ভারতীয় উপমহাদেশের দিকে অধিক আর্দ্রতা নিয়ে আসে, যা সাধারণত মৌসুমি বায়ুকে শক্তিশালী করে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ঘটায়; অপরদিকে একটি ঋণাত্মক আইওডি মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়।

    বর্ষার আগমনের কাছাকাছি সময়ে, ভারত মহাসাগরীয় অপর প্রান্তভাগ (আইওডি) বর্ষার অনুকূলে থাকার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া তাপপ্রবাহের বিষয়টিও রয়েছে, যা মোকাবেলা করা প্রয়োজন। বছরের এই শুরুতে ভারত যে তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভব করছে, তা আসন্ন বর্ষা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    যখন তাপ উপরে ওঠে, তখন ভারত মহাসাগর থেকে আসা মৌসুমি বায়ু, যা সাধারণত আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তা আরও অনেক আগেই উপরে উঠতে পারে।

    সুতরাং, মে মাসের শেষের দিকে বায়ুমণ্ডল বা সমুদ্রে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে তার কোনও পরিবর্তন না হলে, প্রায় ২৫ মে নাগাদ বর্ষা আসার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত যা মনে হচ্ছে, এ বছরও আগেভাগে বর্ষা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    দাবদাহ থেকে সাময়িক মুক্তি

    এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই ভারতের একাধিক রাজ্যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশে চরম তাপপ্রবাহ বা হিটওয়েভ চলছে। কিন্তু আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের মতে, প্রাক-বর্ষার (Early Monsoon 2026)  বৃষ্টি যদি মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়, তবে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেশের অধিকাংশ অংশ এই অসহনীয় গরম থেকে মুক্তি পাবে।

    কৃষি ও অর্থনীতিতে প্রভাব

    ভারতের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো বর্ষার ওপর নির্ভরশীল। আগাম বর্ষা মানেই কৃষকদের জন্য ধান এবং অন্যান্য খারিফ শস্য চাষের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া। গত বছরের ঘাটতি মেটাতে এই আগাম এবং স্বাভাবিক বৃষ্টি (Early Monsoon 2026) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। জলাধারগুলিতে জলের স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পানীয় জলের সংকটও অনেকাংশে কমবে বলে মনে কড়া হচ্ছে।

    আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস

    তবে আগাম বর্ষার খুশির খবরের পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা সতর্কও করেছেন। হঠাৎ করে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে হড়পা বান বা বজ্রপাতের (Weather Update) আশঙ্কাও বেড়ে যায়। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চল এবং উপকূলীয় এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় যখন গরমে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের, তখন ২০২৬ সালের এই সম্ভাব্য আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস। প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরের এই যুগলবন্দী যদি সঠিক পথে চলে, তবে ভারতবাসী এ বছর এক মনোরম বর্ষাকাল (Early Monsoon 2026) উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আবহবিজ্ঞানীরা।

  • PM Modi Election Rally: “যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী কথা লেখা হচ্ছে”, তৃণমূলকে নিশানা মোদির

    PM Modi Election Rally: “যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী কথা লেখা হচ্ছে”, তৃণমূলকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Elections 2026) পানিহাটির পর বারুইপুর থেকে জনসভা করছেন নরেন্দ্র মোদি। জোরকদমে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার। পানিহাটি থেকে আরজি করের নির্যাতিতার মাকে পাশে নিয়ে নারীসুরক্ষার বার্তা দিয়েছেন মোদি (PM Modi Election Rally)। বারুইপুরের সভা থেকেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। প্রধানমন্ত্রী পৌঁছতেই তাঁকে বারুইপুরের বিখ্যাত পেয়ারা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। মোদি বলেন, ‘‘আপনারা এত ক্ষণ রোদে অপেক্ষা করেছেন। আপনাদের এই তপস্যা বিফলে যেতে দেব না আমি। প্রতিদান দেব।’’

    সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন (Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Elections 2026) মোদি বলেন, ‘‘বাম্পার ভোটদান হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এমন দেখা যায়নি, যা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ করে দেখিয়েছেন। সর্বত্র এটা নিয়েই আলোচনা চলছে যে, বিজেপি কত ভোটে জিতবে। সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘কয়েকটি জেলায় তৃণমূল খাতাও খুলতে পারবে না। প্রথম দফা থেকে এটা নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফায় এই রেকর্ডও ভেঙে দিতে হবে। তৃণমূলের হারে সিলমোহর লাগাতে হবে।’’

    মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী তৃণমূল

    বারুইপুর থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে নরেন্দ্র মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, ‘‘১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গের পরিচিতি তছনছ করে দিয়েছে তৃণমূল। অনুপ্রবেশকারীরা এখানকার বাসিন্দাদের রোজগার ছিনিয়ে নিচ্ছেন। এখানকার যুবকদের নিজেদের ঘর ছেড়ে রোজগারের খোঁজে বাইরে পালাতে হচ্ছে। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে, যখন তৃণমূল পুরোপুরি চলে যাবে আর বিজেপি আসবে।’’ মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘সংসদে কী ভাবে তৃণমূল আর তার সঙ্গীরা মিলে মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধিতা করল, সকলে দেখেছেন। দেশ চায়, রাজনীতিতে মহিলাদের যোগদান বাড়ুক। তৃণমূল তা চায় না। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধীদের আইন সাজা দেবে। আমরা সেই সাজা দেওয়াব ক্ষমতায় এলে। তৃণমূল অপরাধীদের আড়াল করে। তৃণমূলের শাসনে মহিলারা সুরক্ষিত নন। বিজেপি সব কিছুর হিসাব নেবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।’’

    একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally) সরব হয়েছেন সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে। তিনি বলেন,‘‘বালি, ইট, সিমেন্টে কাদের রাজত্ব চলে, তা সকলে জানেন। জমি অবৈধ ভাবে দখল করে নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট চলছে। সরকারের সহায়তা ছাড়া এটা চলতে পারে? কেউ নিজের জমিতে বাড়ি বানানোর চেষ্টা করলে তাঁদের সিন্ডিকেটের লোকজনকে টাকা দিতে হয়। এই পরিস্থিতি আমরা বদলাব।’’

    দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে যাদবপুরকে তোপ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, ‘‘যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দেওয়ালে দেশবিরোধী কথাবার্তা লেখা হচ্ছে। ছাত্রদের মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হচ্ছে। পড়াশোনা হচ্ছে না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচাতে চাই। যে সরকার নিজের রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাকেন্দ্র বাঁচাতে পারে না, তারা রাজ্যকে কী বাঁচাবে?’’ মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘বাংলায় বিপ্লব আসছে। তার মূলে এখানকার জনতাই রয়েছেন। ভারতের সংবিধান আপনাদের যে ভোটাধিকার দিয়েছে, তা-ই বিপ্লব আনতে সাহায্য করবে। আপনাদের সকলের কাছে তাই আমার বিনম্র আবেদন, বিজেপিকে জেতান। আপনারা আমাদের আশীর্বাদ করুন, আমরা আপনাদের স্বাধীনতা দেব। তৃণমূলের দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, নারীদের উপর অত্যাচার, বেকারত্ব থেকে স্বাধীনতা দেব।’’

    ১১ লক্ষ গ্যাস দিয়েছি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Bengal Elections 2026) উজ্জলা যোজনার গ্যাস নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন। তিনি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য তৃণমূল কিছুই করেনি। আমরা আপনাদের সেবা করব। ‘উজ্জ্বলা যোজনা’য় এই জেলায় আমরা ১১ লক্ষ গ্যাস দিয়েছি। ৩ লক্ষ গ্যাস তফসিলি জাতি, উপজাতি পেয়েছে। আরও অনেক সহায়তা করা হয়েছে। এই সম্প্রদায়ের জন্য কেন্দ্র অনেক প্রকল্প চালাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূল নিজেও দলিতবিরোধী। কেন্দ্রের প্রকল্পেও বাধা দিচ্ছে। ৪ মে-র পর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। এই রাজ্যের দুর্দশাও দূর হয়ে যাবে। সকলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা পাবেন। পিএম, সিএম একsng, উন্নয়ন হবে দিনেরাতে।’’

  • Weather Update: ঘামছে কলকাতা, পশ্চিমে তাপপ্রবাহ, উত্তরে বৃষ্টি! ভোটের দিন ছয় জেলায় তীব্র গরমের সতর্কতা

    Weather Update: ঘামছে কলকাতা, পশ্চিমে তাপপ্রবাহ, উত্তরে বৃষ্টি! ভোটের দিন ছয় জেলায় তীব্র গরমের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ক্রমশ বাড়ছে গরম। হাওয়া অফিসের বুলেটিন বলছে, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহ ও অস্বস্তিকর গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে এবং বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে গরম ও আর্দ্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। চলতি মরসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ হয়েছে আসানসোলে। মঙ্গলবার সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে মঙ্গলবার রাজ‍্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল পানাগড়ে— ৪৩.৮ ডিগ্রি। বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা ছিল ৪৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    ভোটের দিন গরম হাওয়া

    বৃহস্পতিবার, প্রথম দফার ভোট রয়েছে যে ১৬টি জেলায়, তার মধ্যে ছ’টিতেই গরমের জন্য রয়েছে হলুদ সতর্কতা। অর্থাৎ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে বেশ বেগ পেতে হতে পারে ভোটারদের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ প্রার্থীরা সে জন্য বার বারই সকালে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার কলকাতার আলিপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দমদমে ছিল ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গে আসানসোল, বাঁকুড়া, পানাগড় ছাড়াও শ্রীনিকেতন, সিউড়ি, পুরুলিয়ায় দিনের তাপমাত্রা ছাড়িয়েছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। শ্রীনিকেতনে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সিউড়িতে ৪২.২ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনের তাপমাত্রা। ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে দিনের তাপমাত্রা ছিল ডায়মন্ড হারবার, দিঘা, কাঁথি, হলদিয়া, সাগরদ্বীপ, বসিরহাট। দক্ষিণবঙ্গের বাকি সব জেলায় মঙ্গলবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বুধবারও দক্ষিণের জেলায় গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে।

    কলকাতায় তাপমাত্রা

    আগামী সাত দিন রাজ্যে তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলির কিছু অংশে আগামী সাত দিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। প্রথম দফার ভোট রয়েছে সেখানেই। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব এবং উপকূলীয় জেলাগুলির কিছু অংশে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। উপকূলীয় জেলাগুলিতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৮০ থেকে ৯৫ শতাংশ। রাজ্যের মধ্যভাগের জেলাগুলিতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ। ফলে ভ্যাপসা গরম ভোগাবে। আজ বুধবার কলকাতায় দিনের আকাশ আংশিক মেঘলা। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৬ডিগ্রী এবং ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা

    প্রথম দফায় ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের সব জেলায়। সেখানে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানে রয়েছে সতর্কতা। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার, ভোটের দিন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া।

  • Weather Update: রাজ্যে শুরু ‘সুপার এল নিনো’-র দাপট! ৪২ পেরিয়ে গেল পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা

    Weather Update: রাজ্যে শুরু ‘সুপার এল নিনো’-র দাপট! ৪২ পেরিয়ে গেল পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের উত্তাপের সঙ্গেই শহর কলকাতায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ। ভ্যাপসা গরমে নাকাল শহরবাসী। বেলা বাড়লেই বইছে গরম হাওয়া। ভোটের মুখে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) আঁচ বাংলা। অন্তত প্রথম দফার ভোটে রীতিমতো ঘর্মাক্ত অবস্থা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বৃষ্টির পরশ পেতে পারে দক্ষিণবঙ্গ। তার আগে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও অস্বস্তি কমার কোনও আশা নেই। আগামী ২৬ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    কলকাতার তাপমাত্রা হতে পারে ৫০ ডিগ্রি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update) বলছে, পশ্চিমাঞ্চলে পারদ ক্রমশ চড়ছে। ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি পেরিয়ে গিয়েছে। আসানসোলের পারদ পৌঁছেছে ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মঙ্গলবার ও বুধবার পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। এই বছরের দ্বিতীয়ভাগে আসছে ‘সুপার এল নিনো’ (Super El Nino Alert)। এর প্রভাবে প্রচণ্ড গরম পড়তে চলেছে। তাপপ্রবাহ হবে। কমে যাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। কলকাতায় যেখানে চড়া গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছয়, এবার তা রেকর্ড ভেঙে ৫০ ডিগ্রিও হতে পারে, এমনটাই সতর্ক করছেন আবহাওয়াবিদরা।

    কবে আসবে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। গরমের পাশাপাশি আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। ২১ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত এই অস্বস্তি চলবে বলে পূর্বাভাস (Weather in Bengal)। ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এই কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি (Rain Forecast) চলবে। সঙ্গে থাকবে বজ্রবিদ্যুৎও। দক্ষিণে আবহাওয়া ঘুরতে আরও দিন পাঁচেক সময় লাগবে। আগামী রবিবার দক্ষিণের ৭ জেলায় কালবৈশাখীর হলুদ সতর্কতা জারি থাকছে।

  • Weather Update: নির্বাচনের পারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা! প্রথম দফার ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Weather Update: নির্বাচনের পারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা! প্রথম দফার ভোটের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের শুরুতেই দক্ষিণবঙ্গে গ্রীষ্মের তীব্রতা (Weather Update) বাড়তে শুরু করেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাজ্যের তাপমাত্রা আরও কয়েক ডিগ্রি বৃদ্ধি (Temperature) পেতে পারে। তবে এই দহনজ্বালার মাঝেই কিছু কিছু জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে। ২৩ তারিখ প্রথম দফায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিসের অধিকর্তা বলেন, “ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই। উত্তরবঙ্গের উপর দিকের পাঁচ জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা খানিকটা হলেও বেশি। সামগ্রিভাবে ঝড়বৃষ্টি বেশি হবে উত্তরবঙ্গে। কোথাও কোথাও হতে পারে ভারী বৃষ্টি ! তবে তার আগে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক৷”

    দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি

    হাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে শুষ্ক আবহাওয়ার দাপট বজায় থাকবে। আগামী দু-তিন দিনে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলোতে আবহাওয়া বেশ অস্বস্তিকর থাকবে। তবে আজ বিকেলের দিকে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং দুই বর্ধমানের দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। কলকাতায় আকাশ মূলত আংশিক মেঘলা থাকলেও আর্দ্রতাজনিত (Temperature) অস্বস্তি বজায় থাকবে।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    দক্ষিণ যখন গরমে পুড়ছে (Weather update), উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে তখন ঝড়-বৃষ্টির দাপট অব্যাহত। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া উত্তরের বাকি জেলাগুলোতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে। মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গে (Temperature) বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি না তৈরি হলেও ভ্যাপসা গরম ও রোদের তেজ থেকে এখনই রেহাই পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    কলকাতায় কেমন আবহাওয়া?

    শুক্রবার কলকাতা এবং তার আশপাশের অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ স্বাভাবিকের থেকে ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ।

  • Amit Shah in Bengal: ঝেঁপে বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া, দুর্যোগের মধ্যে কলকাতার আকাশে চক্কর কাটল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান

    Amit Shah in Bengal: ঝেঁপে বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া, দুর্যোগের মধ্যে কলকাতার আকাশে চক্কর কাটল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্যোগের মুখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। খারাপ আবহাওয়া, দুর্যোগের কারণে বিমানবন্দরে অবতরণে বাধা, মাঝ আকাশেই চক্কর খেতে হল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। দীর্ঘক্ষণ আকাশে পাক দেওয়ার পর অবশেষে রাত ১টা ২০ মিনিট নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করে অমিত শাহের (Amit Shah in Bengal) চার্টার্ড বিমান। বঙ্গ সফরে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তাঁর চার্জশিট প্রকাশ করার কথা। এর আগে বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে কর্মসূচি সেরে কলকাতায় ফিরতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমানও ঝড়বৃষ্টির মুখে পড়েছিল।

    ৪৫ মিনিট মাঝ আকাশে চক্কর

    শুক্রবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ কলকাতায় শাহের বিমান অবতরণ করার কথা ছিল, তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে দেরি হচ্ছিল। রাত ১২টা ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতায় আসে বিমান, কিন্তু লাগাতার প্রবল ঝড়-বৃষ্টির কারণে অবতরণ করা যাচ্ছিল না। জানা গিয়েছে, মধ্যরাতে যখন কলকাতায় তুমুল ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে, সেই সময় ঠাকুরনগরের আকাশে চক্কর খায় অমিত শাহের বিমান। ঠাকুরনগরের কাছ থেকে ভীমপুরের আকাশে এক পাক ঘোরে বিমানটি। এরপর সেখান থেকে ধুবুলিয়ার দিকে যায়। প্রতিকূল আবহাওয়া, প্রবল ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে বেথুয়াডহরির আকাশেও চক্কর খেতে হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমানকে। অবশেষে রাত ১টা ২০ মিনিট নাগাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিমানটি অবতরণ করে। দুর্যোগের কারণে প্রায় ৪৫ মিনিট মাঝ আকাশে চক্কর খায় বিমানটি।

    কেন সমস্যা হচ্ছিল

    সাধারণত বিএসএফের বিমানে যাতায়াত করেন শাহ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী আচরণবিধির কারণে শুক্রবার তিনি সেই বিমানে আসেননি। এসেছেন ছোট আকারের একটি বেসরকারি বিমানে। সেই কারণেই দুর্যোগে তা অবতরণ করাতে সমস্যায় পড়েছিলেন পাইলটেরা। শাহের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। বিমানবন্দরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বরা।

    রাতেই ঝেঁপে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত শহর

    দিনভর গুমোট গরমের পর রাতেই ঝেঁপে বৃষ্টি (Rain in Kolkata) নেমেছিল কলকাতা ও শহরতলিতে। সঙ্গে ছিল অনবরত মেঘের গর্জন। ঝড়ও ওঠে। উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। দুর্যোগের কারণে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর রাতে ছয় জেলায় লাল সতর্কতা জারি করে। সেই তালিকায় কলকাতাও ছিল। লাল সতর্কতা জারি করা হয় হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। শুক্রবার রাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে বেহালা, গড়িয়া, বরানগর, যাদবপুর, কালিকাপুর, নিউ টাউন, কালিন্দিতে। ডানকুনি, শ্যামনগরের মতো এলাকায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকেই বিদ্যুৎ পরিষেবা বিঘ্নিত হয়। ডানলপ, সিঁথির মতো এলাকায় বজ্রপাতের সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার শোঁ শোঁ শব্দও শোনা গিয়েছে। টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর সামনে উত্তম কুমার সরণিতে একটি গাড়ির উপরে গাছ পড়ে যায়। শুক্র বার রাতে গল্ফগ্রিনেও গাছ পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ঝড়বৃষ্টির জেরে এন্টালিতে একটি পাঁচিল ভেঙে গিয়েছে।

  • Weather Update: রাত থেকে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া! শহরে পারদ নামল ছ’ডিগ্রি, কতদিন চলবে নিমনচাপ?

    Weather Update: রাত থেকে বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া! শহরে পারদ নামল ছ’ডিগ্রি, কতদিন চলবে নিমনচাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তের মাঝেই বৃষ্টির ছোঁয়া। রাতভর বৃষ্টি হল কলকাতায়। শনিবার সকাল থেকেও আকাশের মুখ ভার। রোদ ওঠেনি। উল্টে ঝিরঝির বৃষ্টি হয়ে চলেছে। কয়েকদিন এমন আবহাওয়া (Rain in Bengal) থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় বৃষ্টি চলবে। কোথাও কোথাও দেখা দিতে পারে শিলাবৃষ্টি। সঙ্গে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্রও আপাতত দু’দিন উত্তাল থাকবে। ঘূর্ণাবর্তের কারণেই শনিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আলিপুর (Weather Update)।

    দক্ষিণবঙ্গে ধারাপাত

    শনিবার দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি রয়েছে। বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের কিছু অঞ্চলে আজ ঝড়ো হাওয়ার গতি আরও বেশি হতে পারে- ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত। সেই সঙ্গে থাকতে পারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও। কলকাতা ও বাকি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (West Bengal Today) দমকা হাওয়ার গতি ৫০-৬০ কিমির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস। রবিবারও বৃষ্টি (Rain Forecast) চলবে দক্ষিণবঙ্গে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রবিবার হালকা বৃষ্টিপাত (Weather Update) দেখা যেতে পারে।

    রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ এবং সংলগ্ন দক্ষিণ উত্তরপ্রদেশের উপর এবং ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। সেখান থেকে একটি অক্ষরেখা মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ হয়ে নাগাল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। তা গিয়েছে ঝাড়খণ্ড, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং দক্ষিণ অসমের উপর দিয়ে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অক্ষরেখাটির উচ্চতা ০.৯ কিলোমিটার। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তাই রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে।

    ঠান্ডা হাওয়ার দাপট

    ঝড়বৃষ্টির (Rain Forecast) কারণে এক ধাক্কায় কলকাতার পারদ নেমে গিয়েছে ছ’ডিগ্রি। শুক্রবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সকালে তা হয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়েও যা ৪.৪ ডিগ্রি কম। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দু’দিন পারদ নামার পর ফের তিন থেকে পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগ চলছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। মালদা, উত্তর দিনাজপুর-সহ উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে জারি রয়েছে হলুদ সতর্কতা। আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টি চলবে।

  • Weather Update: মঙ্গল ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে, বসন্তে ভিজল কলকাতা

    Weather Update: মঙ্গল ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে, বসন্তে ভিজল কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দিয়েছিল। সেই পূর্বাবাস মিলিয়েই মঙ্গলবার ভোরেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি নামল দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গী ঝোড়ো হাওয়া। দক্ষিণবঙ্গে একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। বঙ্গোসাগরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপই এই হাওয়া বদলের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর এবং উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বসন্তের বৃষ্টিতে ভিজেছে কলকাতা মহানগরও (Kolkata Weather)।

    বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়া এমনটাই থাকবে (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত ইতিমধ্যে নিম্নচাপে (Weather Update) পরিণত হয়েছে। কলকাতা (Kolkata Weather), উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে আপাতত ভারি বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী বুধবার পর্যন্ত আবহাওয়া এমনটাই থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    এক ধাক্কায় পারদ নামল ২৩ ডিগ্রিতে

    মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঝিরঝিরি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে বেশি সময় ধরে এই বৃষ্টি হয়নি। শোনা গেছে বজ্রপাতের শব্দও। এই বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছে। ফলে ভোর থেকেই ঠান্ডা অনুভব হয়েছে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলে তা এক ধাক্কায় নেমে এসেছে ২৩ ডিগ্রিতে। উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব বর্ধমানে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা (Weather Update) জারি হয়েছে।

    দুর্যোগের সম্ভাবনা তেমন নেই

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া মূলত শুকনো থাকবে বলে জানিয়েছে। আজ সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে। হালকা রোদের ঝলক দেখা গেলেও বেশি সময় থাকবে না। কিছু কিছু জেলায় বৃষ্টি চলবে তবে দুর্যোগের সম্ভাবনা তেমন নেই। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিন্মচাপ (Weather Update) দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। পরে এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাবে। আবহাওয়ায় প্রভাব পড়বে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং সহ কয়েকটি এলাকায় সোমবার ও মঙ্গলবার হালকা বৃষ্টি ও বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জেলাগুলিতে তেমন সতর্কতা নেই।

LinkedIn
Share