Tag: Weather Update

Weather Update

  • Southwest Monsoon: তীব্র গরমের মধ্যে বর্ষার আগমন, তিন দিন বিলম্বে কেরলে প্রবেশ করল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু

    Southwest Monsoon: তীব্র গরমের মধ্যে বর্ষার আগমন, তিন দিন বিলম্বে কেরলে প্রবেশ করল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্ধারিত সময়ের চেয়ে তিন দিন পিছিয়ে অবশেষে ভারতের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (Southwest Monsoon)। আবহাওয়া দফতরের (IMD) পূর্বাভাস অনুযায়ী, সাধারণত ১ জুন কেরলে বর্ষা প্রবেশ করার কথা থাকলেও, এবার তা ৪ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে কেরল উপকূলে এসে পৌঁছেছে।

    আবহাওয়া দফতরের (IMD) পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপ

    একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বর্ষা এসেছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য আবহাওয়া দফতরের কিছু সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক মাপকাঠি রয়েছে। কেরলের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হওয়ায় বর্ষা (Southwest Monsoon) আগমনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল-

    • বৃষ্টিপাতের বিস্তৃতি: কেরল এবং লাক্ষাদ্বীপের মোট ১৪টি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ কেন্দ্রে টানা দু’দিন ২.৫ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টিপাত (Southwest Monsoon) নথিভুক্ত হয়েছে।
    • বায়ুর গতিপ্রকৃতি: পশ্চিমী বায়ুর গতিবেগ ভূপৃষ্ঠ থেকে নিম্ন-বায়ুমণ্ডল (প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার উচ্চতা) পর্যন্ত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
    • মেঘের ঘনত্ব: উপগ্রহ চিত্রে আরব সাগর এবং কেরল উপকূল সংলগ্ন এলাকায় গভীর মেঘমালার উপস্থিতি ও নিম্নমুখী বিকিরণের (Outgoing Longwave Radiation) মাত্রা উপযুক্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    বিলম্বের কারণ ও আগামী পূর্বাভাস

    আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের (IMD) মতে, সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্ব (Southwest Monsoon) আরব সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ এবং পরবর্তী সামুদ্রিক পরিস্থিতির কারণে মৌসুমি বায়ুর মূল স্রোতটি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল, যার ফলে এই তিন দিনের বিলম্ব।

    দেশজুড়ে অগ্রগতির সম্ভাবনা

    দক্ষিণে বর্ষা প্রবেশ করলেও দেশের মধ্য ও উত্তর ভাগে বর্ষা পৌঁছোতে আরও কিছুটা সময় লাগে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে উত্তরে এগোয়। দিল্লিতে ২৭ জুনের আগে বর্ষা প্রবেশ করে না। পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানের মতো রাজ্যে বর্ষা সাধারণত জুনের শেষে কিংবা জুলাইয়ের শুরুতে প্রবেশ করে।

    আবহাওয়া দফতর (IMD)  আশ্বস্ত করেছে যে, দেরিতে এলেও বর্তমানে মৌসুমি বায়ু (Southwest Monsoon) বেশ শক্তিশালী। আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে এটি সমগ্র কেরল, তামিলনাড়ুর কিছু অংশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে স্বাভাবিক নিয়মে অগ্রসর হবে।

    কৃষি ও অর্থনীতির ওপর প্রভাব

    ভারতে কৃষিকাজ এবং সার্বিক অর্থনীতির জন্য এই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (Southwest Monsoon) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিলম্ব হলেও বর্ষার এই আগমন তীব্র দাবদাহে পুড়তে থাকা উত্তর ও মধ্য ভারতের রাজ্যগুলির জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Weather Update: প্রবল কালবৈশাখীতে বিপর্যস্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ, ৬ জেলায় লাল সতর্কতা, দুপুরেই নামল সন্ধ্যা

    Weather Update: প্রবল কালবৈশাখীতে বিপর্যস্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ, ৬ জেলায় লাল সতর্কতা, দুপুরেই নামল সন্ধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিনের দমবন্ধ করা ভ্যাপসা গরমের পর অবশেষে দক্ষিণবঙ্গে আছড়ে পড়ল প্রবল কালবৈশাখী। শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলির আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। দুপুরের পর থেকেই তীব্র বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। ঝড়ের গতিবেগ (Weather Update) ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার। কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া ও হুগলি জেলাতেও একযোগে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া তৈরি হয়। দক্ষিণবঙ্গের অন্তত ছয়টি জেলায় প্রকৃতির এই তাণ্ডবের জেরে ইতিমধ্যেই লাল সতর্কতা (Red Alert) জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    স্তব্ধ মহানগরের গতি, উপড়ল গাছ (Weather Update)

    দুপুর দুটো নাগাদ কলকাতা এবং সংলগ্ন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে হলুদ সতর্কতা জারি করেছিল হাওয়া অফিস (Weather Update)। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সল্টলেক, ধর্মতলা, যাদবপুর থেকে বরাহনগর—সমগ্র কলকাতা জুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়। দুপুরের আকাশ এতটাই মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে যে, রাস্তায় হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে বাধ্য হন চালকেরা। ঝড়ের দাপটে শহরের একাধিক জায়গায় বড় বড় গাছ উপড়ে পড়েছে। রাসবিহারী, রবীন্দ্র সরোবর, নেতাজি নগর, টালিগঞ্জ এবং হরিশ মুখার্জি রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গাছ ভেঙে পড়ার খবর মিলেছে। ময়দানের কাছে একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ায় ট্রাফিক ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়। শিয়ালদা মেট্রো স্টেশনের ছাদের ওপর গাছ ভেঙে পড়লে, পরিষেবা সাময়িকভাবে স্তব্ধ হয়ে পড়ে গ্রিন লাইনে। এ ছাড়াও শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বেশ কিছু হোর্ডিং ও পোস্টার ছিঁড়ে পড়েছে। উত্তর ও মধ্য কলকাতার ঠনঠনিয়া এবং চাঁদনি চকের মতো নিচু এলাকাগুলিতে জল জমে যায়। তবে গরমের ছুটির কারণে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বড় কোনও ভোগান্তির শিকার হতে হয়নি।

    ৬ জেলায় লাল সতর্কতা

    কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া ও হুগলিতেও তীব্র গতিতে ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে আবহাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক (Red Alert) রূপ নিতে পারে। এই জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নদিয়া জেলাতেও ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের (Weather Update) সঙ্গে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

    আগামী কয়েকদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস

    গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছিল, এমনকি পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের (Weather Update) সতর্কতাও জারি ছিল। এই স্বস্তির বৃষ্টিতে সেই পরিস্থিতির বদল ঘটতে চলেছে।

    শনিবার

    দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির (Red Alert) সম্ভাবনা রয়েছে, সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    রবিবার থেকে বুধবার

    ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা (Red Alert) শনিবারের পর কিছুটা কমলেও, সপ্তাহের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ঝড়-বৃষ্টির প্রভাবে আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা প্রায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে।

    অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলা যেমন দার্জিলিং ও কালিম্পঙে গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা হ্রাস পেলেও, বৃষ্টিপাত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি। সেখানে এখনও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    Weather Update: গরমে নাজেহাল! সময়ের আগেই বর্ষা ঢুকছে দেশে, বাংলায় কবে? দিনক্ষণ জানাল হাওয়া অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাচপ্যেচে গরমে (Weather Update) নাজেহাল বাঙালি। শহরে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে উঠেছে। তবে শুধু বাংলা নয়, সূর্যের তাপে মোটামুটি পুড়ছে ভারতের একটা বড় অংশ। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) রাজধানীতে বারবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করছে। একইভাবে রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশও তীব্র গরমে পুড়ছে। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা শুষ্ক ও গরম বাতাস এই পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। এই সময়ই সুখবর দিল হাওয়া অফিস। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ করছে বর্ষা (Monsoon Forecast 2026)। ভারতের মূল ভূখণ্ড কেরলে ২৬ মে ঢুকে যেতে পারে বর্ষা।

    দেশে কবে বর্ষার প্রবেশ

    এবছর ১৬ মে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ঢুকেছিল বর্ষা ৷ আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরের কিছু অংশে ঢুকে পড়বে। অগ্রগতি হতে পারে কোমোরিন এলাকাতে। দক্ষিণপূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের বাকি এলাকা এবং পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরের এলাকাতে ঢুকবে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, যা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে, তা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় এক সপ্তাহ আগেই প্রবেশ করছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ২৬ মে নাগাদ কেরল উপকূলে পৌঁছাতে পারে বর্ষা। আর মৌসমি বায়ু দেশে প্রবেশের স্বাভাবিক সময় হল ১ জুন।

    বাংলায় কবে আসছেন বর্ষারানি

    কেরলে বর্ষার আগাম আগমন মানেই যে সারা দেশে দ্রুত বা বেশি বৃষ্টি হবে, এমনটা বলা যায় না। পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা সাধারণত উত্তর-পূর্ব ভারতের দিক দিয়ে প্রবেশ করে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকতে ৫ জুনের কাছাকাছি সময় লাগে এবং দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি পৌঁছাতে প্রায় ১০ জুন পর্যন্ত সময় গড়ায়। বাংলায় বর্ষা প্রবেশ না করলেও উত্তরবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টির আরও একটা স্পেল চলবে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার পর্যন্ত।

    এল নিনোর প্রভাব দেশে

    দেশে সময়ের আগে বর্ষা প্রবেশ করলেও আইএমডি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বর্ষায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ বছরের বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের প্রায় ৯২ শতাংশ হতে পারে। আইএমডি জানিয়েছে, ধীরে ধীরে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। আর এই পরিস্থিতি ভারতের মৌসুমী বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জুলাই-অগাস্টে মৌসুমি বায়ু এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এল নিনোর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। ইতিমধ্যেই জৈষ্ঠ্যে চাঁদিফাটা রোদে জ্বলছে বঙ্গবাসী। সকাল থেকেই অস্বস্তিকর গরমে হাঁসফাঁস করছে কলকাতা সহ- দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal Heatwave) একাধিক জেলা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে পারে। এই আবহে বর্ষাতেও যদি কম বৃষ্টি হয়, তাহলে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যহত হবে।

     

  • Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    Weather Update: তীব্র তাপে পুড়ছে গোটা দেশ! বিদ্যুতের চাহিদা পৌঁছাল রেকর্ড ২৬৫ গিগাওয়াটে, আগামীতে আরও গরমের পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে উত্তর ও মধ্য ভারতে জাঁকিয়ে বসা তীব্র দাবদাহ ও তাপপ্রবাহের (Weather Update) কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০ মে বুধবার দুপুর ৩:৪৫ মিনিটে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বিদ্যুতের চাহিদা (Peak Power Demand) রেকর্ড করা হয়েছে, যার পরিমাণ ছিল ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াট (GW)। এই নিয়ে টানা তিন দিন দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ (Rising Temperature) চাহিদা পূর্ববর্তী সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাল। তবে এত বিপুল পরিমাণ চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কোনওরকম বিদ্যুৎ বিভ্রাট ছাড়াই গ্রিড সফলভাবে এই সরবরাহ বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এদিকে আবহাওয়া দফতর (IMD) সতর্ক করেছে যে, আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে।

    টানা তিন দিনের রেকর্ডের খতিয়ান (Weather Update)

    চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ চড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের ব্যবহারও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এসি (Air Conditioner), কুলার এবং রেফ্রিজারেটরের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এই চাহিদাকে আকাশছোঁয়া করে তুলেছে:

    • ● সোমবার (১৮ মে): বিদ্যুতের চাহিদা ছুঁয়েছিল ২৫৭.৩৭ গিগাওয়াট।
    • ● মঙ্গলবার (১৯ মে): আগেরর রেকর্ড ভেঙে চাহিদা পৌঁছায় ২৬০.৪৫ গিগাওয়াটে।
    • ● বুধবার (২০ মে): সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে এক লাফে প্রায় ৫ গিগাওয়াট বৃদ্ধি পেয়ে চাহিদা দাঁড়ায় ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটে।

    এর আগে গত ২৫ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ২৫৬.১১ গিগাওয়াট। অর্থাৎ এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে চতুর্থবার সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ (Rising Temperature) চাহিদার নতুন রেকর্ড তৈরি হল।

    গ্রিড ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি

    বিদ্যুৎ মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৬৫.৪৪ গিগাওয়াটের এই বিশাল চাহিদা সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্নভাবে মেটানো সম্ভব হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই চাহিদার সিংহভাগ বা প্রায় ৬১.২% মেটানো হয়েছে তাপবিদ্যুৎ (Thermal Power) থেকে। এছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ২১.৫%, বায়ুবিদ্যুৎ ৬.৫%, জলবিদ্যুৎ ৬.৩% এবং পারমাণবিক শক্তি থেকে ২.৬% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

    চলতি মরসুমে সরকারের পক্ষ থেকে গ্রীষ্মকালীন সর্বোচ্চ বিদ্যুতের (Rising Temperature) চাহিদা ২৭১ গিগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিদ্যুৎ ক্ষেত্র সর্বোচ্চ ২৮০ গিগাওয়াট পর্যন্ত চাহিদা সামলানোর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    আইএমডি (IMD) জানিয়েছে, দেশের একাধিক অংশে, বিশেষ করে রাজধানী দিল্লি এবং উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ (Severe Heatwave) অব্যাহত থাকবে। দিল্লির জন্য ইতিমধ্যেই ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস (Weather Update) ছাড়িয়ে গেছে। উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলায় তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই রেকর্ড ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা (Rising Temperatur) কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে দুপুরের পাশাপাশি রাতের দিকেও বিদ্যুতের চাহিদা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যা বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ও গ্রিড ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেবে।

  • Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়বৃষ্টির জেরে রাজ্যে দক্ষিণবঙ্গে কমেছে গরমের দাপট (Weather Forecast)। ঠান্ডা হয়েছে কলকাতাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আপাতত আরও কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে থাকতে পারে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া (South Bengal)। তবে সোমবার, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টির দাপট। তীব্র ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ শিলাবৃষ্টির ভ্রুকুটি বঙ্গে।

    বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি (Weather Forecast)

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ, শনিবারও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তবে, রবিবার থেকে ফের বাড়বে বৃষ্টির দাপট। ঝোড়ো হাওয়ার বেগ বেড়ে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গলবারও শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। যেহেতু সোমবার ঝড়বৃষ্টির দাপট থাকবে সবচেয়ে বেশি, তাই সেদিনের জন্য জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। এদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই দিনই হবে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা (Weather Forecast)। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও রয়েছে একই পূর্বাভাস।

    দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা

    পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় রবিবারও ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরেও মাঝেমধ্যে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। তাই উত্তাল সমুদ্র। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে সোমবার পর্যন্ত। ঝড়বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পঙে শনিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। জলপাইগুড়িতে ভারী বর্ষণ চলবে রবিবার পর্যন্ত। উত্তরের জেলাগুলিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সব জেলায়ই সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস (South Bengal)।

    জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জের

    গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের ওপর যে ঘূর্ণাবর্তটি ছিল, সমুদ্রতল থেকে তার উচ্চতা ১.৫ কিলোমিটার। এছাড়া, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন এলাকার ওপর আর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে (Weather Forecast)। সমুদ্রতলের চেয়ে ৩.১ থেকে ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতায় তার অবস্থান। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে বঙ্গোপসাগর থেকে এখনও জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। তাই রয়েছে ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি। ঝড়বৃষ্টির কারণে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রাও এক লপ্তে কমে গিয়েছে বেশ খানিকটা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর বা দক্ষিণের কোথাও আগামী সাত দিনে তাপমাত্রার বড় কোনও হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রসঙ্গত, বিরল মে মাস দেখতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। এ মাসে তাপপ্রবাহের বদলে (South Bengal) দেখা যাবে শুধুই বৃষ্টির দাপট। তার জেরে এ মাসে বঙ্গবাসীকে গরমের অস্বস্তি ভোগ নাও করতে হতে পারে বলেই পূর্বাভাস হওয়া অফিসের (Weather Forecast)।

  • Weather Update: রবিবার থেকেই হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির পূর্বাভাস, আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়

    Weather Update: রবিবার থেকেই হাওয়া বদল! দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির পূর্বাভাস, আগামী চার দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা একাধিক জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহের পর অবশেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। গত কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি কাটিয়ে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ (Rainfall) হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি (Weather Update)

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের ওপর বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে জলীয় বাষ্প প্রবেশ করছে। এর ফলে বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হতে পারে। বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বা কালবৈশাখীর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না আবহাওয়া দফতর। সতর্কতা রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে। তবে রবিবার থেকে কলকাতাও ঝড়বৃষ্টি (Rainfall) হবে। রবিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণের সব জেলায় কালবৈশাখীর পূর্বাভাস রয়েছে। একই ভাবে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং বীরভূমে ঝড়ের বেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার থাকার ইঙ্গিত রয়েছে। সমুদ্রের উপরে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। ইতিমধ্যে বঙ্গপোসাগরে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    কলকাতার পরিস্থিতি

    কলকাতায় আকাশ আংশিক মেঘলা (Weather Update) থাকার সম্ভাবনা থাকলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। তবে বিকেলের পর শহরের কোনও কোনও অংশে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে, যা তাপমাত্রার পারদ সামান্য হলেও নামাতে সাহায্য করবে। শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৬ ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.১ ডিগ্রি বেশি। কৃষিজীবী এবং সাধারণ মানুষকে বজ্রপাতের (Rainfall) সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খোলা মাঠে কাজ করার সময় বা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    Early Monsoon 2026: চলতি বছর সময়ের আগেই প্রবেশ বর্ষার? তাপপ্রবাহের মাঝেই স্বস্তির খবর দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে চলা তীব্র তাপপ্রবাহ (Weather Update) এবং রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহের মাঝে অবশেষে স্বস্তির খবর শোনালো আবহাওয়া দফতর। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে-র সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের মূল ভূখণ্ডে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বা বর্ষা (Early Monsoon 2026) স্বাভাবিক সময়ের কিছুটা আগেই প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের বায়ুমন্ডলীয় পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনই এই আগাম বৃষ্টির প্রধান কারণ হতে চলেছে।

    এল নিনোর বিদায় ও লা নিনার আগমন (Early Monsoon 2026)

    ২০২৫ সাল এবং ২০২৬-এর শুরুর দিকে এল নিনোর (El Niño) প্রভাবে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ায় শুষ্ক আবহাওয়া এবং চরম গরম লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু বিশ্ববিখ্যাত আবহাওয়াবিদ্যা (Weather Update)  সংস্থা ইসিএমডব্লুএফ (ECMWF) এবং ভারতের মৌসম ভবন (IMD) জানাচ্ছে, বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরে ‘এল নিনো’ পরিস্থিতি স্তিমিত হয়ে আসছে এবং সেখানে ‘লা নিনা’ (La Niña) দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    সাধারণত লা নিনা ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) এবং তুলনামূলক শীতল আবহাওয়ার অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। এর ফলে কৃষিপ্রধান এই দেশে খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে ভালো ফলনের আশা দেখা দিচ্ছে বলে গবেষকদের বিশেষমত।

    কেরালায় বর্ষার আগাম পদধ্বনি

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত ১ জুন কেরালায় বর্ষা (Early Monsoon 2026) প্রবেশের যে নির্ধারিত সময় থাকে, ২০২৬ সালে তা মে মাসের শেষ সপ্তাহেই অর্থাৎ সম্ভবত ২২ থেকে ২৫ মের মধ্যে ঘটে যেতে পারে। মৌসুমি বায়ু (Weather Update) যদি আন্দামান সাগরে সময়মতো সক্রিয় হয়ে ওঠে, তবে তার প্রভাবে মে মাসের শেষ দিকেই কেরালার উপকূলবর্তী এলাকায় প্রবল বর্ষণ শুরু হবে।

    আইওডি (IOD) বা ইন্ডিয়ান ওশান ডাইপোলের প্রভাব

    কেবল লা নিনা নয়, ভারত মহাসাগরের নিজস্ব আবহাওয়া পরিবর্তন বা ‘ইন্ডিয়ান ওশেন ডাইপোল’ (IOD) পজিটিভ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদি আইওডি ইতিবাচক থাকে, তবে তা মৌসুমি বায়ুকে (Weather Update) আরও শক্তিশালী করে তোলে। এর ফলে দেশের মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতেও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত (Early Monsoon 2026) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

     আইওডিও দফতরের আবহবিজ্ঞানী দেবেন্দ্র  ত্রিপাঠী বলেছেন,যখন ভারত মহাসাগরের পশ্চিমাংশ পূর্বাঞ্চলের চেয়ে উষ্ণতর থাকে, তখন একটি ধনাত্মক আইওডি ভারতীয় উপমহাদেশের দিকে অধিক আর্দ্রতা নিয়ে আসে, যা সাধারণত মৌসুমি বায়ুকে শক্তিশালী করে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ঘটায়; অপরদিকে একটি ঋণাত্মক আইওডি মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়।

    বর্ষার আগমনের কাছাকাছি সময়ে, ভারত মহাসাগরীয় অপর প্রান্তভাগ (আইওডি) বর্ষার অনুকূলে থাকার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া তাপপ্রবাহের বিষয়টিও রয়েছে, যা মোকাবেলা করা প্রয়োজন। বছরের এই শুরুতে ভারত যে তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভব করছে, তা আসন্ন বর্ষা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    যখন তাপ উপরে ওঠে, তখন ভারত মহাসাগর থেকে আসা মৌসুমি বায়ু, যা সাধারণত আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তা আরও অনেক আগেই উপরে উঠতে পারে।

    সুতরাং, মে মাসের শেষের দিকে বায়ুমণ্ডল বা সমুদ্রে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে তার কোনও পরিবর্তন না হলে, প্রায় ২৫ মে নাগাদ বর্ষা আসার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত যা মনে হচ্ছে, এ বছরও আগেভাগে বর্ষা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    দাবদাহ থেকে সাময়িক মুক্তি

    এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই ভারতের একাধিক রাজ্যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, বিহার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের একাংশে চরম তাপপ্রবাহ বা হিটওয়েভ চলছে। কিন্তু আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের মতে, প্রাক-বর্ষার (Early Monsoon 2026)  বৃষ্টি যদি মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়, তবে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দেশের অধিকাংশ অংশ এই অসহনীয় গরম থেকে মুক্তি পাবে।

    কৃষি ও অর্থনীতিতে প্রভাব

    ভারতের অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো বর্ষার ওপর নির্ভরশীল। আগাম বর্ষা মানেই কৃষকদের জন্য ধান এবং অন্যান্য খারিফ শস্য চাষের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া। গত বছরের ঘাটতি মেটাতে এই আগাম এবং স্বাভাবিক বৃষ্টি (Early Monsoon 2026) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। জলাধারগুলিতে জলের স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পানীয় জলের সংকটও অনেকাংশে কমবে বলে মনে কড়া হচ্ছে।

    আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস

    তবে আগাম বর্ষার খুশির খবরের পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা সতর্কও করেছেন। হঠাৎ করে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে হড়পা বান বা বজ্রপাতের (Weather Update) আশঙ্কাও বেড়ে যায়। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চল এবং উপকূলীয় এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় যখন গরমে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের, তখন ২০২৬ সালের এই সম্ভাব্য আগাম বর্ষার পূর্বাভাস যেন এক পশলা শীতল বাতাস। প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরের এই যুগলবন্দী যদি সঠিক পথে চলে, তবে ভারতবাসী এ বছর এক মনোরম বর্ষাকাল (Early Monsoon 2026) উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন আবহবিজ্ঞানীরা।

  • PM Modi Election Rally: “যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী কথা লেখা হচ্ছে”, তৃণমূলকে নিশানা মোদির

    PM Modi Election Rally: “যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী কথা লেখা হচ্ছে”, তৃণমূলকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Elections 2026) পানিহাটির পর বারুইপুর থেকে জনসভা করছেন নরেন্দ্র মোদি। জোরকদমে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রচার। পানিহাটি থেকে আরজি করের নির্যাতিতার মাকে পাশে নিয়ে নারীসুরক্ষার বার্তা দিয়েছেন মোদি (PM Modi Election Rally)। বারুইপুরের সভা থেকেও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। প্রধানমন্ত্রী পৌঁছতেই তাঁকে বারুইপুরের বিখ্যাত পেয়ারা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। মোদি বলেন, ‘‘আপনারা এত ক্ষণ রোদে অপেক্ষা করেছেন। আপনাদের এই তপস্যা বিফলে যেতে দেব না আমি। প্রতিদান দেব।’’

    সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন (Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী প্রচারে (Bengal Elections 2026) মোদি বলেন, ‘‘বাম্পার ভোটদান হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এমন দেখা যায়নি, যা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ করে দেখিয়েছেন। সর্বত্র এটা নিয়েই আলোচনা চলছে যে, বিজেপি কত ভোটে জিতবে। সকলে নির্ভয়ে বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘কয়েকটি জেলায় তৃণমূল খাতাও খুলতে পারবে না। প্রথম দফা থেকে এটা নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফায় এই রেকর্ডও ভেঙে দিতে হবে। তৃণমূলের হারে সিলমোহর লাগাতে হবে।’’

    মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী তৃণমূল

    বারুইপুর থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে নরেন্দ্র মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, ‘‘১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গের পরিচিতি তছনছ করে দিয়েছে তৃণমূল। অনুপ্রবেশকারীরা এখানকার বাসিন্দাদের রোজগার ছিনিয়ে নিচ্ছেন। এখানকার যুবকদের নিজেদের ঘর ছেড়ে রোজগারের খোঁজে বাইরে পালাতে হচ্ছে। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে, যখন তৃণমূল পুরোপুরি চলে যাবে আর বিজেপি আসবে।’’ মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘সংসদে কী ভাবে তৃণমূল আর তার সঙ্গীরা মিলে মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধিতা করল, সকলে দেখেছেন। দেশ চায়, রাজনীতিতে মহিলাদের যোগদান বাড়ুক। তৃণমূল তা চায় না। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধীদের আইন সাজা দেবে। আমরা সেই সাজা দেওয়াব ক্ষমতায় এলে। তৃণমূল অপরাধীদের আড়াল করে। তৃণমূলের শাসনে মহিলারা সুরক্ষিত নন। বিজেপি সব কিছুর হিসাব নেবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।’’

    একই ভাবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally) সরব হয়েছেন সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে। তিনি বলেন,‘‘বালি, ইট, সিমেন্টে কাদের রাজত্ব চলে, তা সকলে জানেন। জমি অবৈধ ভাবে দখল করে নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট চলছে। সরকারের সহায়তা ছাড়া এটা চলতে পারে? কেউ নিজের জমিতে বাড়ি বানানোর চেষ্টা করলে তাঁদের সিন্ডিকেটের লোকজনকে টাকা দিতে হয়। এই পরিস্থিতি আমরা বদলাব।’’

    দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে যাদবপুরকে তোপ

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, ‘‘যাদবপুরের ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দেওয়ালে দেশবিরোধী কথাবার্তা লেখা হচ্ছে। ছাত্রদের মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হচ্ছে। পড়াশোনা হচ্ছে না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচাতে চাই। যে সরকার নিজের রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাকেন্দ্র বাঁচাতে পারে না, তারা রাজ্যকে কী বাঁচাবে?’’ মোদি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘বাংলায় বিপ্লব আসছে। তার মূলে এখানকার জনতাই রয়েছেন। ভারতের সংবিধান আপনাদের যে ভোটাধিকার দিয়েছে, তা-ই বিপ্লব আনতে সাহায্য করবে। আপনাদের সকলের কাছে তাই আমার বিনম্র আবেদন, বিজেপিকে জেতান। আপনারা আমাদের আশীর্বাদ করুন, আমরা আপনাদের স্বাধীনতা দেব। তৃণমূলের দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, নারীদের উপর অত্যাচার, বেকারত্ব থেকে স্বাধীনতা দেব।’’

    ১১ লক্ষ গ্যাস দিয়েছি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Bengal Elections 2026) উজ্জলা যোজনার গ্যাস নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন। তিনি (PM Modi Election Rally) বলেন, ‘‘পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য তৃণমূল কিছুই করেনি। আমরা আপনাদের সেবা করব। ‘উজ্জ্বলা যোজনা’য় এই জেলায় আমরা ১১ লক্ষ গ্যাস দিয়েছি। ৩ লক্ষ গ্যাস তফসিলি জাতি, উপজাতি পেয়েছে। আরও অনেক সহায়তা করা হয়েছে। এই সম্প্রদায়ের জন্য কেন্দ্র অনেক প্রকল্প চালাচ্ছে। কিন্তু তৃণমূল নিজেও দলিতবিরোধী। কেন্দ্রের প্রকল্পেও বাধা দিচ্ছে। ৪ মে-র পর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। এই রাজ্যের দুর্দশাও দূর হয়ে যাবে। সকলে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা পাবেন। পিএম, সিএম একsng, উন্নয়ন হবে দিনেরাতে।’’

  • Weather Update: ঘামছে কলকাতা, পশ্চিমে তাপপ্রবাহ, উত্তরে বৃষ্টি! ভোটের দিন ছয় জেলায় তীব্র গরমের সতর্কতা

    Weather Update: ঘামছে কলকাতা, পশ্চিমে তাপপ্রবাহ, উত্তরে বৃষ্টি! ভোটের দিন ছয় জেলায় তীব্র গরমের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ক্রমশ বাড়ছে গরম। হাওয়া অফিসের বুলেটিন বলছে, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহ ও অস্বস্তিকর গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে এবং বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে গরম ও আর্দ্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। চলতি মরসুমের প্রথম তাপপ্রবাহ হয়েছে আসানসোলে। মঙ্গলবার সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে মঙ্গলবার রাজ‍্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ছিল পানাগড়ে— ৪৩.৮ ডিগ্রি। বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা ছিল ৪৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    ভোটের দিন গরম হাওয়া

    বৃহস্পতিবার, প্রথম দফার ভোট রয়েছে যে ১৬টি জেলায়, তার মধ্যে ছ’টিতেই গরমের জন্য রয়েছে হলুদ সতর্কতা। অর্থাৎ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে বেশ বেগ পেতে হতে পারে ভোটারদের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ প্রার্থীরা সে জন্য বার বারই সকালে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার কলকাতার আলিপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দমদমে ছিল ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গে আসানসোল, বাঁকুড়া, পানাগড় ছাড়াও শ্রীনিকেতন, সিউড়ি, পুরুলিয়ায় দিনের তাপমাত্রা ছাড়িয়েছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি। শ্রীনিকেতনে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সিউড়িতে ৪২.২ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল দিনের তাপমাত্রা। ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে দিনের তাপমাত্রা ছিল ডায়মন্ড হারবার, দিঘা, কাঁথি, হলদিয়া, সাগরদ্বীপ, বসিরহাট। দক্ষিণবঙ্গের বাকি সব জেলায় মঙ্গলবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বুধবারও দক্ষিণের জেলায় গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে।

    কলকাতায় তাপমাত্রা

    আগামী সাত দিন রাজ্যে তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলির কিছু অংশে আগামী সাত দিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। প্রথম দফার ভোট রয়েছে সেখানেই। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব এবং উপকূলীয় জেলাগুলির কিছু অংশে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকতে পারে। উপকূলীয় জেলাগুলিতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৮০ থেকে ৯৫ শতাংশ। রাজ্যের মধ্যভাগের জেলাগুলিতে আপেক্ষিক আর্দ্রতা থাকবে ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ। ফলে ভ্যাপসা গরম ভোগাবে। আজ বুধবার কলকাতায় দিনের আকাশ আংশিক মেঘলা। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৬ডিগ্রী এবং ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা

    প্রথম দফায় ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের সব জেলায়। সেখানে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানে রয়েছে সতর্কতা। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৃহস্পতিবার, ভোটের দিন দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া।

  • Weather Update: রাজ্যে শুরু ‘সুপার এল নিনো’-র দাপট! ৪২ পেরিয়ে গেল পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা

    Weather Update: রাজ্যে শুরু ‘সুপার এল নিনো’-র দাপট! ৪২ পেরিয়ে গেল পশ্চিমাঞ্চলের তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের উত্তাপের সঙ্গেই শহর কলকাতায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রার (Weather Update) পারদ। ভ্যাপসা গরমে নাকাল শহরবাসী। বেলা বাড়লেই বইছে গরম হাওয়া। ভোটের মুখে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) আঁচ বাংলা। অন্তত প্রথম দফার ভোটে রীতিমতো ঘর্মাক্ত অবস্থা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বৃষ্টির পরশ পেতে পারে দক্ষিণবঙ্গ। তার আগে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও অস্বস্তি কমার কোনও আশা নেই। আগামী ২৬ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

    কলকাতার তাপমাত্রা হতে পারে ৫০ ডিগ্রি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update) বলছে, পশ্চিমাঞ্চলে পারদ ক্রমশ চড়ছে। ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি পেরিয়ে গিয়েছে। আসানসোলের পারদ পৌঁছেছে ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মঙ্গলবার ও বুধবার পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান সহ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। এই বছরের দ্বিতীয়ভাগে আসছে ‘সুপার এল নিনো’ (Super El Nino Alert)। এর প্রভাবে প্রচণ্ড গরম পড়তে চলেছে। তাপপ্রবাহ হবে। কমে যাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। কলকাতায় যেখানে চড়া গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৫ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছয়, এবার তা রেকর্ড ভেঙে ৫০ ডিগ্রিও হতে পারে, এমনটাই সতর্ক করছেন আবহাওয়াবিদরা।

    কবে আসবে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। গরমের পাশাপাশি আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। ২১ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত এই অস্বস্তি চলবে বলে পূর্বাভাস (Weather in Bengal)। ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এই কারণে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি (Rain Forecast) চলবে। সঙ্গে থাকবে বজ্রবিদ্যুৎও। দক্ষিণে আবহাওয়া ঘুরতে আরও দিন পাঁচেক সময় লাগবে। আগামী রবিবার দক্ষিণের ৭ জেলায় কালবৈশাখীর হলুদ সতর্কতা জারি থাকছে।

LinkedIn
Share