Tag: West Bengal Election 2021

  • TMC Leader Shamim Ahmed: অরূপ রায়-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ! শোয়ার ঘরে রাজ-পালঙ্ক, তল্লাশিতে গিয়ে পুলিশ থ

    TMC Leader Shamim Ahmed: অরূপ রায়-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বাড়িতে গোপন সুড়ঙ্গ! শোয়ার ঘরে রাজ-পালঙ্ক, তল্লাশিতে গিয়ে পুলিশ থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের শাসনে এই রকম উন্নয়ন অকল্পনীয়। তবে তৃণমূল নেতাদের আর্থিক সমৃদ্ধির দৃশ্য খোদ তদন্তকারী পুলিশ অফিসারদেরকেই রীতিমতো চমকে দিয়েছে। ঘিঞ্জি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন স্থাপত্যের অস্তিত্ব থাকতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারেননি তদন্তকারীরা। হাওড়ার (Howrah) শিবপুরের চওড়াবস্তি এলাকায় পলাতক তৃণমূল নেতা শামিম আহমেদ ওরফে ‘বড়ে’-র বাসভবনে তল্লাশি চালাতে গিয়ে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে গেলেন পুলিশ আধিকারিকরা। কেবল বহুমূল্য আসবাব বা মুঘল ঘরানার স্থাপত্য নয়, বাড়ির অন্দরে মাটির নিচে আবিষ্কৃত হয়েছে এক রহস্যময় গোপন সুড়ঙ্গ। প্রশাসনিক মহলের ধারণা, বিপদের সময় আইন-শৃঙ্খলার নজর এড়িয়ে পলায়নের উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে এই আলিশান রাজমহল (TMC Leader Shamim Ahmed) নির্মাণের টাকা কোথা থেকে আসতো? আসুন দেখে নিই কুখ্যত শামিম আহমেদের কুকীর্তি।

    আভিজাত্যের আড়ালে রহস্যের জাল (Howrah)

    নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা এবং বিজেপি সংখ্যালঘু সেলের এক নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত শামিম আহমেদ (TMC Leader Shamim Ahmed) বর্তমানে পলাতক। তাঁর খোঁজে শিবপুরের ওই প্রাসাদে হানা দেয় পুলিশ। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেই আধিকারিকদের চোখ চড়কগাছ হয়ে যায়। সুড়ঙ্গ পেরলেই ‘সিংহদুয়ার’। নেমপ্লেটে লেখা শামিম আহম্মেদ নাম। দরজা খুললেই ভিতরে এলাহি ব্যবস্থা। গোটা বাড়ির সিসিটিভি মনিটরিং চলছে ওই ঘর থেকে।

    হাওড়ার তৃণমূল (TMC) নেতা শামিম আহমেদের সেই বাড়ির ছবি ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। দামি আসবাবপত্র, সিনেমার সেটের মতো সজ্জা এবং কারুকার্যমণ্ডিত ঘরগুলি আভিজাত্যের চরম নিদর্শন। তবে তল্লাশি চলাকালীন মাটির নিচে সুড়ঙ্গের সন্ধান মিলতেই পুরো পরিস্থিতি ভিন্ন মাত্রা পায়। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সেই রহস্যময় সুড়ঙ্গ এবং নেমপ্লেট সম্বলিত শামিমের ঘরের চিত্র। এই সুড়ঙ্গ পথটি ঠিক কোথায় গিয়ে মিশেছে এবং এর মাধ্যমে কোনও অপরাধমূলক কারসাজি চলত কি না, তা নিয়ে ইতিপূর্বেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

    সাধারণ জীবন থেকে ক্ষমতার শিখরে: শামিমের উত্থান

    মধ্য হাওড়ার (Howrah) রাজনৈতিক অলিন্দে কান পাতলে শামিম আহমেদের উল্কাসম উত্থানের কাহিনী শোনা যায়। জানা যায়, একসময় শপিং মলের সাধারণ কর্মচারী হিসেবে কাজ করা এই ব্যক্তি সময়ের ব্যবধানে এলাকার বেতাজ বাদশা হয়ে ওঠেন। ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলরের স্বামী এবং প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের ছায়াসঙ্গী (TMC Leader Shamim Ahmed) হিসেবে পরিচিত হওয়ার পর থেকেই তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তি বাড়তে থাকে। স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘বড়ে’ বা কেউ কেউ ‘ডন’ হিসেবেও পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে তিনি ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।

    রাজনৈতিক উত্তাপ ও অভিযোগের আঙুল

    শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed) বাড়িতে (Howrah) এই গোপন সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়ার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদলের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা শুরু করেছে।

    রাজ্যের নবনিযুক্ত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, “তদন্ত যত এগোবে, সুড়ঙ্গ বা গুহার পাশাপাশি টাকার পাহাড়ও বেরিয়ে আসবে।” অন্যদিকে, শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ সরাসরি প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ রায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, “হাওড়ার মতো প্রাচীন শহরকে জমি প্রোমোটিং, মাদক ব্যবসা এবং লুটের রাজত্বে পরিণত করার নেপথ্যে এই নেতারাই মদতদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। অপরাধীদের সুরক্ষা দিতে পুলিশকেও ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।”

    প্রশাসনিক তৎপরতা

    তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed)  সুড়ঙ্গ পথটি জরুরি অবস্থায় আত্মগোপন করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। তৃণমূল নেতার এই ‘অপারেশনাল স্টাইল’ কোনও অন্ধকার জগতের অপরাধীদের কর্মপদ্ধতির সঙ্গে তুলনীয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সুড়ঙ্গের বিস্তৃতি এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো গোপন কার্যকলাপের যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এনআইএ-ও গ্রেফতার করেছিল শামিমকে

    এই প্রথমবার শামিমের (TMC Leader Shamim Ahmed) বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল, তা নয়। আগেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। হাওড়ায় (Howrah) রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা চালানোর অভিযোগে যখন এনআইএ তদন্তভার নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল এই বড়েকে। যদিও সেই সময় তদন্তে ভাইরাল ভিডিয়ো সম্পর্কে হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা কিছু জানাতে চাননি। তৃণমূলের শাসনে তোষণ নীতির কারণে শামিম রক্ষা পেলেও বিজেপি সরকারের দুর্নীতি এবং সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে জিরো টোলারেন্স নীতি গ্রহণ করার সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গিয়েছে। রাজ্যে প্রশাসনিক রদবদল এবং নতুন সরকারের কড়া অবস্থানের মাঝেই এই ধরণের ঘটনা শাসকদলের ভাবমূর্তিকে নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। এখন দেখার, এই সুড়ঙ্গের রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত কোন পথে এগোয়।

  • PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    PM Modi: বঙ্গবিজয়ে মোদিকে অভিনন্দন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রীর, শীঘ্রই সফরে যাবেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) ঐতিহাসিক জয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আন্তরিক অভিনন্দন জানালেন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর (Trinidad-Tobago) প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ হ্যান্ডলে একটি বার্তার মাধ্যমে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।

    বঙ্গ জয়কে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে বর্ণনা (PM Modi)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) তাঁর বার্তায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির এই বিপুল ও ঐতিহাসিক জয়ে আমি ভারত প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং বিজেপি-কে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন করেন, “১০ কোটিরও বেশি মানুষের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই প্রথম জয় ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর শক্তিকেই প্রতিফলিত করে। এই রাজনৈতিক জয় ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।”

    মোদির নেতৃত্বের প্রশংসা

    ভারতের গণতন্ত্রের ভূয়সী প্রশংসা করে কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বর (Trinidad-Tobago) বলেন, “ভারত আজ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে গর্বের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে। বৈশ্বিক পরিবর্তন ও সম্ভাবনার এই সন্ধিক্ষণে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) শান্ত, সুশৃঙ্খল এবং দৃঢ় নেতৃত্ব ভারতীয় জনগণের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।”

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও জয়শঙ্করের সফর

    শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী জানান যে, তাঁরা ভারতের বিদেশমন্ত্রী ডঃ এস জয়শঙ্করের আসন্ন সফরের অপেক্ষায় রয়েছেন। চলতি সপ্তাহেই জয়শঙ্করের সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়নমূলক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বিদেশমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ-বিসেশ্বরের (Trinidad-Tobago) এই উষ্ণ অভ্যর্থনার জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, “আপনার সুন্দর শব্দ চয়ন  এবং উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ। আমি খুব শীঘ্রই ত্রিনিদাদ ও টোবাগো সফরে আসার এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আপনার ও আপনার টিমের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

  • CM Suvendu Adhikari: নারী ক্ষমতায়নে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, জুনেই রাজ্যে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা ও ‘অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার’ চালু করছে নতুন সরকার

    CM Suvendu Adhikari: নারী ক্ষমতায়নে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, জুনেই রাজ্যে বিনামূল্যে বাস পরিষেবা ও ‘অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার’ চালু করছে নতুন সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্যের নবগঠিত সরকার। সোমবার নবান্নে আয়োজিত ম্যারাথন ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, আগামী ১ জুন থেকেই রাজ্যের মহিলারা সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধা (Free Bus Travel For Women) পাবেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এই ঐতিহাসিক জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    ১ জুন থেকে কার্যকর হচ্ছে বিনামূল্যে সফর (CM Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী মাস থেকেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য যাতায়াত সম্পূর্ণ নিখরচায় নিশ্চিত করা হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্মজীবী মহিলা, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নিত্যযাত্রীরা সরাসরি উপকৃত হবেন, যা তাঁদের যাতায়াতের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে। প্রশাসনিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপ রাজ্যের নারীশক্তির ক্ষমতায়নে এক বৈপ্লবিক মোড় (Free Bus Travel For Women) নিয়ে আসবে।

    ত্রিমুখী জনকল্যাণ: অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার ও আয়ুষ্মান ভারত

    কেবল বিনামূল্যে বাস পরিষেবা নয়, আগামী জুন মাস থেকেই রাজ্যজুড়ে আরও দুটি মেগা প্রকল্প চালু হতে চলেছে:

    • ● অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার: মহিলাদের (Free Bus Travel For Women) আর্থিক স্বয়ম্ভরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রকল্পটির সূচনা হতে যাচ্ছে জুনের শুরুতেই।
    • ● আয়ুষ্মান ভারত: স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বিমা প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ এতদিন রাজ্যে বাস্তবায়িত হয়নি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আগামী মাস থেকেই সাধারণ মানুষ এই জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতাভুক্ত হতে পারবেন।

    প্রতিশ্রুতি পালনে অবিচল বিজেপি সরকার

    নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছিল যে, সরকার গঠনের পর জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সোমবার জেলাশাসক ও উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকের ফাঁকেই এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোতে সিলমোহর দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই বৃহৎ প্রকল্পগুলি কার্যকর করার ঘোষণা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিলেন যে, ‘মোদির গ্যারান্টি’ (Free Bus Travel For Women) বাস্তবায়নে তাঁর সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে বদ্ধপরিকর। জুন মাস থেকেই পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ এই বহুমুখী প্রকল্পের সুফল পেতে শুরু করবেন।

  • Siddharth Majumdar: রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল, পদত্যাগ করলেন এসএসসি চেয়ারম্যান ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

    Siddharth Majumdar: রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষা প্রশাসনে বড় রদবদল, পদত্যাগ করলেন এসএসসি চেয়ারম্যান ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক স্তরে পরিবর্তনের হাওয়া এবার শিক্ষা দফতরেও। সরকারি বিভিন্ন বিভাগে চুক্তিভিত্তিক বা বর্ধিত মেয়াদে কর্মরত আধিকারিকদের ইস্তফা দেওয়ার পালা অব্যাহত। সেই ধারায় সোমবার পদত্যাগপত্র জমা দিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddharth Majumdar) এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Ganguly)। উল্লেখ্য এই দফতরগুলিতে তৃণমূলের শাসনে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। শিক্ষক নিয়োগে প্রচুর পরিমাণে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে সরব হয়েছিল আমজনতা।

    শিক্ষা দফতরে সংস্কারের পথে নতুন সরকার (Siddharth Majumdar)

    বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা দফতরকে ঘিরে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় নতুন বিজেপি সরকার এই বিভাগে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে শিক্ষা দফতরের পরিকাঠামো পুনর্গঠন করাই এখন এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। সূত্রের খবর, দফতরের কার্যপ্রণালীতে গতি আনতে এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তি গড়ে তুলতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ইস্তফা দিলেন সিদ্ধার্থ ও রামানুজ

    সিদ্ধার্থ মজুমদার

    এসএসসি দফতরে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিলেন প্রাক্তন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিয়োগ দুর্নীতির জটিল আবহে ২০২২ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ মজুমদার (Siddharth Majumdar)। তাঁর কার্যকালেই নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় সচল করার চেষ্টা হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তৎকালীন সরকার তা ছয় মাস বৃদ্ধি করেছিল। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সোমবার তিনি শিক্ষা সচিবের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান।

    রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়

    মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দীর্ঘকালীন সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Ganguly)। গত সপ্তাহেই তাঁর তত্ত্বাবধানে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এরপরই তিনি ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে মুখ্যসচিবের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

    আঞ্চলিক ও স্থানীয় স্তরেও পরিবর্তনের জোয়ার

    কেবল শীর্ষ পদেই নয়, এসএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের চেয়ারম্যানরাও একে একে পদত্যাগ করতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি, রাজ্যের প্রতিটি স্কুল ও কলেজের পরিচালনা সমিতির (Governing Body) মেয়াদ পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদসহ বিভিন্ন স্তরে যাঁদের পদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে বা যাঁদের বয়সসীমা পেরিয়ে গিয়েছে, তাঁদের দ্রুত সরিয়ে নতুন ও যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নবগঠিত সরকার। শিক্ষা ক্ষেত্রে শুদ্ধিকরণ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

  • CEO Manoj Agarwal: নবান্নে রদবদল, রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, দিল্লিতে বিশেষ দায়িত্বে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    CEO Manoj Agarwal: নবান্নে রদবদল, রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, দিল্লিতে বিশেষ দায়িত্বে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক দিনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক শীর্ষপদে বড়সড় রদবদল ঘটল। রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ১৯৯০ ব্যাচের অভিজ্ঞ আইএএস আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এতদিন তিনি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO Manoj Agarwal) গুরুদায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে, বিদায়ী মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে দিল্লির পশ্চিমবঙ্গ ভবনের প্রধান রেসিডেন্ট কমিশনার পদে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

    প্রশাসনিক সমীকরণের ইঙ্গিত (CEO Manoj Agarwal)

    সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর (CEO Manoj Agarwal) ঠিক পাশেই আসীন ছিলেন মনোজ আগরওয়াল। বিকেলেই নবান্নের কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    দক্ষ আমলাদের ওপর আস্থা

    বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবে মনোজ আগরওয়ালের ভূমিকা এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ নির্বাচন পরিচালনার প্রশংসা শোনা গিয়েছিল প্রশাসনিক মহলে। জল্পনা ছিল যে, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল ঘটলে মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)  এবং সুব্রত গুপ্তর মতো দক্ষ আমলারা প্রশাসনের মূল স্রোতে ফিরে আসবেন। শনিবারই অবসরপ্রাপ্ত আইএএস সুব্রত গুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মনোজ আগরওয়াল। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন পরিচালনায় তাঁদের ভূমিকার কারণেই নতুন সরকার এই অভিজ্ঞ আধিকারিকদের ওপর আস্থা রাখছে।

    দিল্লি মিশনে দুষ্মন্ত নারিয়ালা

    ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে অতিরিক্ত মুখ্যসচিব (Chief Secretary) পদমর্যাদায় দিল্লির পশ্চিমবঙ্গ ভবনের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং রাজ্যের বকেয়া পাওনা আদায়ের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতেই এই অভিজ্ঞ আমলাকেই বেছে নিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার।

    আগামীর লক্ষ্য

    নতুন মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘কোর টিম’ গঠনের ধরণ থেকে স্পষ্ট যে, শুভেন্দু প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আধিকারিকদের প্রাধান্য দিচ্ছেন। একদিকে উপদেষ্টা হিসেবে প্রবীণ সুব্রত গুপ্ত এবং অন্যদিকে মুখ্যসচিব (Chief Secretary) হিসেবে কর্মদক্ষ মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)— এই দুই স্তম্ভের ওপর ভর করেই নতুন সরকার তাদের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে আগ্রহী।

  • Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    Bangladesh: ‘৪০ কোটি মুসলিম ক্ষুব্ধ হলে টিকবে না হিন্দুরা’, ভারতকে হুমকি বাংলাদেশি ইসলামপন্থী মোল্লার, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে চরম উস্কানিমূলক মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) এক কট্টরপন্থী ইসলামি নেতা (Islamist Leader)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাল ভিডিওতে ওই নেতাকে ভারতকে লক্ষ্য করে সরাসরি হুমকি দিতে দেখা গেছে। হুমকি দিয়ে বলেন, “পাকিস্তান এবং ভারতীয় মুসলিমদের সহায়তায় মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই ভারত দখল করা সম্ভব।”

    কী বলা হয়েছে ভিডিওতে (Bangladesh)?

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে নিজেকে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ নামক একটি উগ্রপন্থী সংগঠনের (Islamist Leader) নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “ইনশাআল্লাহ, ভারতে হামলা হবেই। আমরা পাকিস্তানকে ডাক দেব। ভারত দখল করতে আমাদের তিন ঘণ্টাও সময় লাগবে না। ভারতের ২৬টি রাজ্যকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং ভারতের মুসলিমরাই এর জন্য যথেষ্ট।”

    হিন্দু ও ভারতীয় নেতাদের লক্ষ্য করে হুমকি

    হুমকির সুর আরও চড়িয়ে ওই কট্টর মোল্লা নেতা (Islamist Leader) বলেন, “যদি ৪০ কোটি মুসলিম একবার রেগে যায়, তবে ভারতের হিন্দুরা আর টিকে থাকতে পারবে না।” ভারতের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতার নাম উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, তাঁদের মুসলিমদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তাঁর নিশানায় ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিং সাইনি, পশ্চিমবঙ্গের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর

    এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের মতো সীমান্ত রাজ্যগুলিতে যেখানে অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত স্পর্শকাতর (Islamist Leader) বিষয়, সেখানে এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে (Bangladesh) উগ্রপন্থী ভাবধারার প্রসার এবং ভারত-বিরোধী প্রচার প্রতিবেশী দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে এই ভাইরাল ভিডিও বা ওই নেতার মন্তব্যের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার বা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের একাংশ এই ধরনের চরমপন্থী বক্তৃতার বিরুদ্ধে কঠোর কূটনৈতিক ব্যবস্থা এবং অনলাইন প্রচারের ওপর কড়া নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।

  • Ayushman Bharat: আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি কীভাবে করবেন জানেন?

    Ayushman Bharat: আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসা, যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি কীভাবে করবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক ভারতীয়দের সাধারণ স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের অন্যতম যুগান্তকারী প্রকল্প হলো ‘আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’ (AB-PMJAY)। এই প্রকল্পের অধীনে দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস বা বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেয়ে থাকে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের (BJP Bengal) পর এবং রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক তৎপরতায় এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজ্যে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ অনুমতি দিয়েছেন। উল্লেখ্য, বিগত মমতা সরকার এই কেন্দ্র সরকারের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে দেয়নি। এখন থেকে রাজ্যের কোনও মানুষ আয়ুষ্মান ভারতের (Ayushman Bharat) সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে না।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কী (Ayushman Bharat)?

    আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) হলো বিশ্বের বৃহত্তম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রায় ৫০ কোটি মানুষকে অর্থাৎ ১০ কোটিরও বেশি পরিবার উন্নত মানের চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা। এই কার্ডের মাধ্যমে নথিভুক্ত সরকারি (BJP Bengal) ও তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে জটিল অস্ত্রোপচার থেকে শুরু করে ক্যানসার বা হৃদরোগের মতো ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করা সম্ভব।

    কারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন? (যোগ্যতা)

    এই প্রকল্পের (Ayushman Bharat) সুবিধা পাওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট মাপকাঠি রয়েছে। মূলত ২০১১ সালের আর্থ-সামাজিক ও জাতিগত জনগণনার (SECC) তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। তবে সাধারণ অর্থে নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।

    (গ্রামীণ এলাকার জন্য)

    • ● গ্রামীণ এলাকায় যাদের শুধুমাত্র একটি কাঁচা ঘর (মাটির দেওয়াল ও চাল) আছে, তারা পাবেন সুবিধা।
    • ● পরিবারে ১৬ থেকে ৫৯ বছর বয়সি কোনও সক্ষম প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য না থাকলে আবেদনের যোগ্য।
    • ● পরিবারের প্রধান যদি একজন মহিলা হন, সেখানে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্য না থাকে।
    • ● তফশিলি জাতি (SC) বা তফশিলি উপজাতি (ST) ভুক্ত পরিবার পাবেন সুবিধা।
    • ● ভূমিহীন পরিবার, যাদের আয়ের প্রধান উৎস কায়িক শ্রম তারা পাবেন।
    • ● পরিবারে যদি কোনও বিশেষভাবে সক্ষম (দিব্যাঙ্গন) সদস্য থাকেন ও দেখাশোনা করার মতো কোনও সুস্থ সদস্য না থাকে।

    শহুরে এলাকার জন্য কী যোগ্যতা লাগবে?

    • ● রাস্তার হকার, মুচি বা ফেরিওয়ালা।
    • ● পরিচারিকা (Domestic workers)।
    • ● আবর্জনা সংগ্রহকারী (Ragpickers)।
    • ● নির্মাণ শ্রমিক, প্লাম্বার, রাজমিস্ত্রি, রং মিস্ত্রি।
    • ● রিকশাচালক বা পরিবহণ শ্রমিক।
    • ● দোকানের কর্মচারী, ঝাড়ুদার বা মালি।

    নতুন সংযোজন (৭০ উর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক)

    • ● ২০২৪-২৫ সালের আপডেট অনুযায়ী, ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সি দেশের সমস্ত প্রবীণ নাগরিক এই সুবিধার আওতায় আসবেন। এক্ষেত্রে তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা যাই হোক না কেন, তারা আলাদাভাবে ৫ লক্ষ টাকার কভারেজ পাবেন।

    কারা এই সুবিধা পাবেন না

    • ● যাদের নিজস্ব পাকা বাড়ি আছে।
    • ● যাদের বাড়িতে টু-হুইলার, থ্রি-হুইলার বা ফোর-হুইলার (গাড়ি)
    • ● যাদের বাড়িতে কৃষি যন্ত্রপাতি (যেমন ট্রাক্টর) আছে।
    • ● সরকারি চাকরিজীবী বা মাসে ১০,০০০ টাকার বেশি আয় করেন এমন পরিবার।
    • ● যাদের কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের লিমিট ৫০,০০০ টাকার উপরে।
    • ● যারা আয়কর (Income Tax) জমা দেন।

    পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের প্রাসঙ্গিকতা

    দীর্ঘদিন যাবৎ পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) এবং রাজ্য সরকারের ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিতর্ক ছিল। তবে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক (BJP Bengal) রদবদলের পর, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি দ্রুত বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, রাজ্যবাসী যাতে সর্বভারতীয় স্তরের এই চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এখন কেবল রাজ্যের গণ্ডিতে নয়, বরং ভিনরাজ্যের বড় বড় হাসপাতালেও ৫ লক্ষ টাকার বিমার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

    অনলাইনে আবেদন ও কার্ড সংগ্রহের পদ্ধতি

    প্রযুক্তিগত উন্নতির ফলে এখন ঘরে বসেই আয়ুষ্মান ভারত কার্ড বা ‘গোল্ডেন কার্ড’ (Golden Card)-এর জন্য আবেদন করা সম্ভব:

    ১> পোর্টাল ভিজিট: প্রথমে আয়ুষ্মান ভারতের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (beneficiary.nha.gov.in) অথবা ‘Ayushman App’ ডাউনলোড করতে হবে।

    ২> লগ-ইন: আবেদনকারীকে তাঁর মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি-র (OTP) মাধ্যমে লগ-ইন করতে হবে।

    ৩>যোগ্যতা যাচাই: নিজের রাজ্য (West Bengal), জেলা এবং রেশন কার্ড নম্বর বা আধার নম্বর দিয়ে সার্চ করলে দেখা যাবে আপনার নাম তালিকায় আছে কি না।

    ৪> ই-কেওয়াইসি (e-KYC): যদি তালিকায় নাম থাকে, তবে আধার কার্ডের সাহায্যে বায়োমেট্রিক বা ওটিপি দিয়ে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে হবে।

    ৫> কার্ড ডাউনলোড: ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার কিছু সময় বা কয়েক দিনের মধ্যে ডিজিটাল ‘আয়ুষ্মান কার্ড’ ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়া নিকটবর্তী ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ (CSC) বা তালিকাভুক্ত হাসপাতালে গিয়েও আধিকারিকদের সহায়তায় এই কার্ড তৈরি করা যায়।

    এই বিমার মাধ্যমে আপনি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অনায়াসে চিকিৎসা করাতে পারবেন। আর সেটা বিনামূল্যেই সম্ভব হবে।

    কত টাকা পাওয়া যাবে?
    পরিবার পিছু প্রতি বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে বিমা মিলবে। সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এই টাকা মিলবে।

    সারা ভারতে হাসপাতালে ভর্তির সুবিধা
    এই বিমার অধীনে রয়েছে প্রচুর সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল। সেই তালিকাভুক্ত হাসপাতালে ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাওয়া যাবে।

    হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে ও পরে খরচের কভারেজ
    যতদূর খবর, শুধু হাসপাতালে ভর্তির সময়ের খরচই নয়, বরং চিকিৎসা প্যাকেজ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে এবং ছাড়া পাওয়ার পরের খরচও মিলতে পারে।

    গোটা পরিবার পাবেন?
    পরিবারের সমস্ত সদস্যেরা পেতে পারেন এই বিমার সুবিধা। এই প্রকল্পের সুবিধা সব বয়সিরা পাবেন। পরিবারের সদস্য সংখ্যা যতই থাকুক না কেন, এই কভারেজ মিলবে। আগে থেকে থাকা রোগগুলিতেও অপেক্ষা করতে হবে না। এমনিতেই মিলবে কভারেজ।

    বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সুবিধা
    এই স্কিমে হাজার হাজার সার্জারি ও চিকিৎসা হবে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    দেশজুড়ে পোর্টেবিলিটি সুবিধা
    এই স্কিমে অধীনস্ত ব্যক্তিরা নিজের রাজ্যের বাইরে ভারতের যে কোনও লিস্টেড হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারেন। বিনামূল্যেই মিলবে পরিষেবা।

    কোনও প্রিমিয়াম দিতে হবে?
    এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ খরচ সরকার বহন করে। উপভোক্তাদের কোনও প্রিমিয়াম দিতে হয় না।

    কীভাবে মিলবে সুবিধা? 
    এই কার্ড নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। তাতেই মিলবে ক্যাশলেশের সুবিধা।

    ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে ভীষণ কার্যকরী

    স্বাস্থ্যই সম্পদ, আর সেই সম্পদ রক্ষায় ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) একটি মজবুত ঢাল হিসেবে কাজ করে। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ নাগরিকরা এখন রাজ্যের বিজেপি শাসিত সরকার (BJP Bengal) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সমন্বয়ে আরও উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন। বিশেষ করে যে সকল পরিবার ক্যানসার, কিডনি বা হার্টের রোগের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে অক্ষম, তাঁদের কাছে এই ৫ লক্ষ টাকার বিমা এক নতুন জীবনদানের সমান। সঠিক নথিপত্র দিয়ে দ্রুত আবেদন করে এই সরকারি সুরক্ষাকবচ গ্রহণ করা বর্তমান সময়ে প্রতিটি সচেতন নাগরিকের কর্তব্য।

  • Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক, বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক, বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সোমবার নবান্নে নবগঠিত সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার (Cabinet Meeting) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের পর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক পদক্ষেপের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি স্পষ্ট বললেন, “পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন ও সুরক্ষার যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের ধারাকে অনুসরণ করেই এগিয়ে যাবে।” একই ভাবে ডিএ  ও সপ্তম পে কমিশন নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    মহার্ঘ ভাতা (DA) ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় ঘোষণা

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন–

    • আগামী সোমবার মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
    • ওই বিশেষ বৈঠকেই ডিএ (DA) এবং সপ্তম বেতন কমিশন সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
    • পূর্ববর্তী সরকারের বাজেট পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতির সমালোচনা করে তিনি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেন।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন দেখা গেল।

    দুর্নীতি দমন ও নারী সুরক্ষা

    প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন, সুরক্ষা এবং ডবল ইঞ্জিন সরকারের যে নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে, তা দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যের উন্নয়নের পথ অনুসরণ করেই এগোবে।রাজ্য সরকারের কর্মীরা কবে পাবেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পরের সোমবার আবার বৈঠকে বসবে মন্ত্রিসভা। ওই দিনই ডিএ, সপ্তম পে কমিশন-সহ একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” শুভেন্দু আরও বলেন, “রাজ্যে কোনোভাবেই নারী নির্যাতন ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। বিশেষ করে আর জি কর-সহ বিভিন্ন নারী নির্যাতনের ঘটনা এবং বিগত আমলের নিয়োগ বা অন্যান্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী সোমবারের বৈঠকে এই বিষয়গুলি নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

    মন্ত্রিসভার প্রথম দিনের সিদ্ধান্ত

    এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাঁচ পূর্ণমন্ত্রী— দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, ক্ষুদিরাম টুডু, অশোক কীর্তনিয়া ও নিশীথ প্রামাণিক। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, “সরকার গঠনের পর পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় এখনই সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে যেসব নথিপত্র প্রস্তুত ছিল, তার ভিত্তিতে কয়েকটি জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    কর্মচারী মহলে আশার আলো

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। এই পরিস্থিতিতে নবগঠিত সরকারের এই আশ্বাস কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। আগামী সোমবারের বৈঠকে যদি কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং নতুন বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা আসে, তবে তা হবে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসে এক বড় পদক্ষেপ।

    মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) পরিশেষে আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পূরণে তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষা করাই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।

  • NIA: মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র বড় পদক্ষেপ, কালিয়াচকের দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    NIA: মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ-র বড় পদক্ষেপ, কালিয়াচকের দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

    মাধ্যাম নিউজ ডেস্ক: মালদার মোথাবাড়ি ও সুজাপুর এলাকায় সাম্প্রতিক হিংসাত্মক আক্রমণ এবং গোলমালের ঘটনায় এবার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় কালিয়াচক-১ (Kaliachak Mothabari Case) নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সারিউল শেখ এবং সুজাপুর অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি ইউসুফ শেখ-কে গ্রেফতার করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই জোড়া গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    তদন্তের গতিপ্রকৃতি ও জিজ্ঞাসাবাদ (NIA)

    এনআইএ (NIA) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনার ঠিক প্রাক্কালে সুজাপুর বিধানসভার প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট আব্দুর রহমান এবং ব্লক সভাপতি সারিউল শেখসহ মোট ৯ জন নেতাকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকায় শুরুতে তাঁরা হাজিরা এড়িয়ে গেলেও, পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় সংস্থার তলবে সাড়া দিতে বাধ্য হন। এরপর হাজিরা দিতে গেলেই তথ্য়ে গোলমাল ঘটলে গ্রেফতার করা হয়। গত বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের সময় সারিউল ও ইউসুফের (Kaliachak Mothabari Case)  মোবাইল ফোন দুটি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। এরপর শুক্রবার পুনরায় তাঁদের ডেকে পাঠিয়ে ম্যারাথন জেরা করা হয়। বয়ানে অসঙ্গতি মেলায় শেষ পর্যন্ত তাঁদের হেফাজতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এনআইএ।

    অভিযোগের নেপথ্যে

    তদন্তকারীদের (NIA) দাবি, মোথাবাড়িতে বিচারকদের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং সুজাপুর হাসপাতালের নিকটবর্তী জাতীয় সড়ক অবরোধের ঘটনায় এই দুই নেতার প্রত্যক্ষ উস্কানি ও যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। উল্লেখ্য, ধৃত ইউসুফ শেখ সুজাপুর হাসপাতালের সংলগ্ন একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের মালিক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, নিজের প্রতিষ্ঠানের সামনেই সেই দিন জনতাকে সংগঠিত করে বড়সড় আন্দোলনের রূপ দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে জানা গিয়েছে জাতীয় সড়কের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একযোগে অবরোধের পিছনে আরও বড়সড় সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা থাকতে পারে। তাই তদন্তে এই সমস্ত বিষয়গুলিকেও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

    ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ

    কালিয়াচকে (Kaliachak Mothabari Case) এনআইএ-র (NIA) এই অভিযান এখানেই শেষ হচ্ছে না বলে ইঙ্গিত মিলেছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মোথাবাড়ি ও সুজাপুর কাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে শাসকদলের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতার নামও বর্তমানে কেন্দ্রীয় সংস্থার নজরে রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিনে এই এলাকায় আরও কিছু প্রভাবশালীর গ্রেফতারির সম্ভাবনা প্রবল হচ্ছে। বর্তমানে এই দুই ধৃত নেতাকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার মূল ষড়যন্ত্রকারী এবং বাকি সদস্যদের হদিস পাওয়ার চেষ্টা করছে এনআইএ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নতুন ঠিকানা আলিপুরের ‘সৌজন্য’, আপাতত এটাই তাঁর বাসভবন

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নতুন ঠিকানা আলিপুরের ‘সৌজন্য’, আপাতত এটাই তাঁর বাসভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কলকাতায় নিজের ফ্ল্যাটে থাকলেও, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর স্থায়ী ঠিকানা বদলাতে চলেছে। সূত্রের খবর আলিপুরের ভিভিআইপি গেস্ট হাউস ‘সৌজন্য’ হবে শুভেন্দুর থাকার জায়গা। একই ভাবে নবান্নতে (Nabanna Meeting) আজ সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। কেন্দ্রীয় জনমুখী প্রকল্পকে বাস্তবায়নের জন্য নেওয়া হতে পারে কার্যকর পদক্ষেপ।

    ‘সৌজন্য’-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার (Suvendu Adhikari)

    ২০১৮ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে এই ভবনটি উদ্বোধন করা হয়েছিল। মূলত বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বা ভিভিআইপিদের থাকার জন্য এটি তৈরি করা হলেও, এখন এটিই হতে চলেছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) সরকারি বাসভবন। ইতিমধ্যেই ‘সৌজন্য’-এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় বৈঠকও সেরে ফেলা হয়েছে।

    পৈতৃক ভিটে ‘শান্তিকুঞ্জ’ ও পারিবারিক মুহূর্ত

    শপথ নেওয়ার পর প্রথম রবিবারটি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কাটিয়েছেন তাঁর কাঁথির পৈতৃক বাড়ি ‘শান্তিকুঞ্জ’-এ। ৯ মে শপথ গ্রহণের পর শনিবার রাতেই মেদিনীপুরের তিনি বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। রবিবার দিনভর মা ও মাসির হাতের রান্না করা বাঙালি খাবারে আপ্যায়িত হন তিনি। মেনুতে ছিল— করলা সেদ্ধ, মোচার তরকারি থেকে শুরু করে সর্ষে ইলিশ ভাপা ও মুরগির মাংস। এরপর বিকেলেই তিনি প্রশাসনিক কাজের উদ্দেশ্যে কলকাতার পথে রওনা দেন।

    আজকের প্রশাসনিক কর্মসূচি

    নবান্নে (Nabanna Meeting) প্রথম দিন আজ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ব্যস্ত দিন। তাঁর সূচিতে রয়েছে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক। বিকেল তিনটে নাগাদ নবান্ন সভাঘরে বিজয়ী বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক হবে। পাশাপাশি তিনটি প্রশাসনিক বৈঠকও রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর। প্রথম বৈঠকটি দুপুরে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের নিয়ে প্রথমে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন তিনি। এর পর বিকেল ৪টে নাগাদ সব জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক। বিকেল ৫টা নাগাদ ডিজি, এডিজি আইনশৃঙ্খলা, সিপি ও এসপিদের নিয়ে বৈঠক করবেন শুভেন্দু। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর এই নতুন ইনিংসের দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।

LinkedIn
Share