Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন যিনি জয় শ্রীরাম ডাক শুনতে পারতেন না, তিনি এখন রামনবমী ছুটি দিয়েছেন। কথায় বলে ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনওদিনই পূরণ হবে না, হতে পারে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বালুরঘাটের জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় এসে এইভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি।  

    তৃণমূল ছেড়ে প্রায় আড়াইশো জন কর্মীর বিজেপিতে যোগদান (Sukanta Majumdar)

    এদিনের নির্বাচনী প্রচার সভায় আরএসপি-র পঞ্চায়েত সদস্য ও তৃণমূলের প্রায় আড়াইশো জন কর্মী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। মূলত, এদিন বালুরঘাট ব্লকের জলঘর গ্রামপঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় একটি যোগদান কর্মসূচি ও একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভাতে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, তৃণমূলের থেকে কর্মীদের মোহভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে, এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। ভোটের মুখে দলে দলে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক আমাদের দলে নাম লেখাচ্ছেন। এতে আমাদের সংগঠন আরও অনেক মজবুত হল। আগামীদিনেও আরও বহু তৃণমূল কর্মী আমাদের দলে যোগদান করবেন। মানুষ তিতি বিরক্ত। তৃণমূলের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের সঙ্গে কেউ আর থাকতে চাইছে না।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) এই কটাক্ষককে উড়িয়ে দিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন , সুকান্তবাবু শিক্ষিত অধ্যাপক, তিনি মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গে যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন তা কাম্য নয়। পাশাপাশি বাম পঞ্চায়েত সদস্যের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বামেরা বিজেপিকে সাহায্য করছে, তা জানি। তবে, যত সংখ্যা বলছেন, তত সংখ্যায় যোগদান করেনি। মাত্র কয়েকজন যোগদান করেছেন। তৃণমূল থেকে কেউ যোগদান করেনি। ওরা মিথ্যা দাবি করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    Jalpaiguri: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের সামনে দেখলাম, ধুলোয় ধুলোয় এলাকা ঢেকে গেল, চোখের সামনেটা অন্ধকার হয়ে এল। মূহূর্তের মধ্যে ঘরের বাড়ির আশপাশের বড় বড় গাছ, সুপারি গাছ ভাঙতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে বাড়ি ও আশপাশের সব গাছ ভেঙে যাচ্ছে, দেখতে পাচ্ছি। ঝড়ের তান্ডবের পর জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ির বার্ণিশ গ্রামের বাসিন্দারা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন।

    হাওয়ার দাপটে ঘরের চাল উড়ে গেল (Jalpaiguri)

    গ্রামের (Jalpaiguri) এক বাসিন্দা ঘটনার সময় মাঠে ছিলেন। তিনি বলেন, প্রথমে হালকা হাওয়া হচ্ছিল। মাঠের গরু-ছাগল সব বাড়িতে নিয়ে এসেছিলাম। আচমকাই প্রচণ্ড হাওয়া সঙ্গে ধুলো উড়ছিল আশপাশে। এ রকম হাওয়া আগে কোনও দিন দেখিনি। শুধু কি হাওয়া! সঙ্গে বিকট শব্দ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, পাহাড় ভেঙে যেন আমাদের দিকে তেড়ে আসছে। বৃষ্টি হচ্ছিল না, শুধু প্রচণ্ড হাওয়া বইছিল। মানে, যেন উড়িয়ে নিয়ে যাবে! বেশ ভয় হচ্ছিল তখন।  নিজের ঘরে আশ্রয় নিয়েও পার পেলাম না। ঘরের টিনের চালের উপরে ভেঙে পড়ল পাশের একটা বড় গাছের ডাল। এর পরে ঘরের সব টিন উড়ে গেল। সে কী শব্দ! আমার মাথায় ও ঘাড়ে ঘরের একাংশ ভেঙে পড়ল। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছি বলতে পারেন। প্রায় কুড়ি মিনিটের মধ্যে ঘর-বাড়ি সব ভেঙে গেল চোখের সামনে।

    আরও পড়ুন: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    প্রাণ বাঁচাতে খাটের তলায় আশ্রয় নিই

    বার্ণিশ অঞ্চলের বাসিন্দা ভবেন রায় কোনোক্রমে প্রাণে রক্ষা পান। তিনি বলেন, তখন বিকেল সাড়ে তিনটা, দুপুরের আহার সেরে একটু বিশ্রাম নিয়ে মাঠে  যাবেন বলে বাড়ি থেকে বেড় হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই প্রবল জোড়ে  আওয়াজ শুনতে পাই। প্রথমে বুঝতে পারিনি। কিন্তু নিমেশেই বুঝতে পারি ঝড় আসছে। গোটা এলাকা অন্ধকার করে দিয়ে এলাকার গাছ, বাঁশ ঝাড় বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ঝড়ের গতি দেখেই হতচকিত হয়ে পড়ি। সম্বিত ফিরে পেতেই বাঁচার জন্য ফের বাড়িতে ঢুকে পড়ি। কিন্তু তাতেই নিস্তার পাইনি প্রকৃতির রোষ থেকে। ঝড়ের তান্ডবে আমার বাড়ির একটি গাছ ভেঙ্গে পড়ে ঘরের ওপর। প্রাণ বাঁচাতে ঘরে ঢুকে খাটের তলায় আশ্রয় নিই। কিন্তু তাতেও রক্ষা পাইনি। গাছ পড়ায় বেশ আহত হয়েছি। ঝড় থামার পর যখন বাইরে বের হই তখন সব শেষ। গোটা এলাকা তখন চিনতে পারছি না। এলাকার ঘর বাড়ি গুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কোনো বাড়ি ঘর আস্ত নেই। কারো বাড়ির টিন উড়ে গেছে, কারো বাড়ির দেওয়াল ভেঙ্গে গেছে। রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি উলটে গেছে। আশের পাশের ২০০ ও বেশী বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। চারিদিকে শুধু আর্তনাদ কেউ গাছের তলায় চাপা পড়েছে কেউ আবার প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। কারও গায়ে আবার চালের টিন উড়ে এসে পড়েছে।

    ঝড়ের দাপটে ধান-ফসলের ক্ষতি হয়েছে

    পনেরো মিনিট ধরে ঝড় হয়। আর তারপরই গ্রাম জুড়ে শুধু চিৎকার-আর্তনাত। কারও মাথায় গাছের ডাল ভেঙে পড়েছ। কেউ আবার ঘরের একাংশ ভেঙে পড়়ায় জখম হয়েছেন। সবমিলিয়ে কে কাকে উদ্ধার করবেন তার লোক পাওয়া যাচ্ছিল না। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার কার্য শুরু করে। তবে, ঝড়ের তাণ্ডবে জমিতে ধান সব মাটিতে শুয়ে পড়েছে। বেগুন ক্ষেত আর নেই, বিরাট ক্ষতি হয় চাষের জমিতে। ঝড়ের মধ্যেই গ্রামে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক মানুষ জখম হয়েছে। ময়নাগুড়ি হাসপাতালে জখমদের ভিড় উপচে পড়েছে। অনেকের অবস্থার অবনতি হওয়ায় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ১৫ মিনিটের ঝড়ে জলপাইগুড়িতে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচশো বাড়ি, মৃত ৪

    Jalpaiguri: ১৫ মিনিটের ঝড়ে জলপাইগুড়িতে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচশো বাড়ি, মৃত ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৫ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বেশ কয়েকটি এলাকা। ব্লকের বার্ণিশ, সাপটিবাড়ি সহ আশেপাশের প্রায় দশ কিলোমিটার এলাকা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ের দাপটে এখনও পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ১৫০ জন। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ৫০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, মৃত্যু হয়েছে চারজনের (Jalpaiguri)

    রবিবার বিকেলে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বেশ কয়েকটি এলাকায় হঠাৎই ঝড় আসে, ঝড়ের গতিবেগ এতটাই ছিল যে ওই এলাকার প্রায় ৫০০ বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে গেছে। পাকা বাড়ির টিনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে। কাঁচা বাড়ি গুলি ধূলিস্যাৎ হয়ে গেছে। প্রচুর গাছ উপড়ে পড়েছে। গাছের ডাল পড়ে আহত হয়েছেন বহু মানুষ। গাছের ডালের আঘাতে এবং ঝড়ের হাত থেকে বাঁচতে পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে চার জনের। তাছাড়া ঝড়ের তান্ডবে বেশ কয়েকটি গাড়িও উল্টে যায়। এর পাশাপাশি বেশ কিছু বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়ে এলাকাগুলি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঝড় থামতেই এলাকার লোকজন আহতদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন। খবর যায় ব্লক প্রশাসনের কাছে। ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডু তার দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তার সঙ্গেই বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান ময়নাগুড়ি থানার আই সি সুবল চন্দ্র ঘোষ। ব্লক প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ময়নাগুড়ি হাসপাতালে পাঠানো হয়,পরে সেখান থেকে গুরুতর আহতদের জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। জলপাইগুড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু হয়, পরে হাসপাতালে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। আহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    জখমদের দেখতে হাসপাতালে বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি রিলিফ সেন্টার খোলা হয়েছে। একটি পুটিমারি হাই স্কুল এবং অন্যটি বার্ণিশ হাই স্কুলে। ক্ষতিগ্রস্তদের শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এদিন খবর পেয়েই প্রচার বন্ধ করে জলপাইগুড়ি  (Jalpaiguri) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী ডা: জয়ন্ত কুমার রায়। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। ঝড়ে ক্ষতির পরিমাণ এখনও পর্যন্ত বলা সম্ভব হয়নি। তবে, প্রাথমিকভাবে প্রশাসনের অনুমান বেশ কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Siliguri: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুঁশিয়ারির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এই পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ল সেই ছবি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির (Siliguri) বাগডোগরার গোঁসাইপুর এলাকায়। প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার হাতে অস্ত্র নিয়ে হুমকি দিতে দেখে সাধারণ মানুষ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার শিলিগুড়ির (Siliguri) বাগডোগরার গোঁসাইপুরের এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর দোকানে যান আপার বাগডোগরার গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য কুলপ্রসাদ শর্মা ওরফে উজ্জ্বল শর্মা। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীর দোকান থেকে রড কেনার পর তার গুণগুত মান খারাপ হওয়ায় টাকা ফেরতের দাবি করেন অভিযুক্ত উজ্জ্বল। দোকানে ঢুকে কর্মরত কর্মচারী ও ক্রেতাদের ধাক্কাধাক্কি করার পাশাপাশি জিনিসপত্র ভাঙচুর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে। তাঁর এই কুকর্মে কার্যত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দোকানের কর্মচারী সহ ক্রেতারা। এরপরই সিসিটিভি ক্যামেরাবন্দি এই ছবি নিয়ে বাগডোগরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই ব্যবসায়ী। এ দিকে, এই ঘটনার পর উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে দল। উজ্জ্বল শর্মাকে অঞ্চল যুব সভাপতির পদ থেকে এবং সমস্ত দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করেছে দার্জিলিং জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সমতল। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, ব্যবসায়ী দোকান থেকে খারাপ সামগ্রী দিয়েছে। তবে তাঁকে ভয় দেখানোর জন্য অস্ত্র নিয়ে গিয়েছিলাম। হামলা করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত কোচবিহার! বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূলের

    ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ব্যবসায়ী মহল। বাগডোগরা ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের বক্তব্য, এভাবে দিনেদুপুরে অস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢুকলে রাতে কী হবে? তৃণমূল নেতা বলে কী পুলিশ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। নাহলে আগামীদিনে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। আমরা আর ব্যবসা করতে পারব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রবিবাসরীয় প্রচারে বালুরঘাটে চুটিয়ে জনসংযোগ করলেন সুকান্ত, হল যোগদান পর্ব

    Sukanta Majumdar: রবিবাসরীয় প্রচারে বালুরঘাটে চুটিয়ে জনসংযোগ করলেন সুকান্ত, হল যোগদান পর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করল প্রায় ৩০ টি পরিবার। রবিবার বিজেপির প্রার্থী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত ধরে হল যোগদান পর্ব। মূলত, বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের খরাইল বুথ থেকে তৃণমূলের কর্মীরা বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে পতাকা তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার।

    বালুরঘাটে জনসংযোগে সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    পাশাপাশি রবিবার সাত সকালে ভোট প্রচারে বের হন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বালুরঘাট পাইকারি বাজারে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোট প্রচার শুরু করলেন তিনি। কথা বললেন ক্রেতা- বিক্রেতা সকলের সঙ্গে। আলোচনায় উঠে এল সিএএ, কৃষক সম্মান নিধির মতো বিভিন্ন বিষয় যা সাধারণ মানুষের জীবনকে ছুঁয়ে যায়। রবিবার সকাল সকাল ভোট প্রচারে বেরিয়ে সুকান্ত বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিলেন। কিছুদিন আগেই এই পাইকারি বাজার নিয়ে পুরসভার সঙ্গে কৃষকদের সমস্যা হয়েছিল। স্থায়ী বাজার চেয়ে কৃষকরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। সুকান্ত মজুমদার এদিন সেই সমস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। কথা বলেন, পাইকারি বাজারের বাজার করতে আসা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    ভোটের দলীয় প্রচার নিয়ে গানের ভিডিও -অডিও রিলিজ

    বালুরঘাট লোকসভার বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) রবিবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিগত পাঁচ বছরে সাংসদ হিসেবে তার বরাদ্দ টাকা কোথায় কী খরচ করেছেন তার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। এছাড়া কোন কোন প্রকল্প তিনি শুরু করেছেন তারও পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। এছাড়াও লোকসভা ভোটের দলীয় প্রচার নিয়ে একটি গানের ভিডিও -অডিও রিলিজ করেন সুকান্তবাবু, যা ভোট প্রচারে আগামীদিনে গোটা রাজ্যজুড়ে ব্যবহার হবে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগামী ৭ এপ্রিল বালুরঘাট ও জলপাইগুড়িতে সভা করতে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, সকালে আমি বালুরঘাট পাইকারি বাজারে প্রচার করলাম। প্রচারে গিয়ে ব্যাবসায়ীদের অভাব অভিযোগ শুনলাম। আমার হাত ধরে ভাটপাড়া পঞ্চায়েতের একটি বুথ থেকে তৃণমূল ছেড়ে ২৫-৩০ পরিবার বিজেপিতে যোগদান করে। এছাড়া বিগত পাঁচ বছরে সাংসদ হিসেবে আমার বরাদ্দ টাকা কোথায় কী খরচ হয়েছে তা তুলে ধরেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    Jalpaiguri: “গতবারের তুলনায় এবার জয়ের ব্যবধান বাড়বে”, আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবাসরীয় প্রচারে ডাবগ্রাম ফুলবাড়িকেই বেছে নিলেন জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকা বিজেপির দখলে রয়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও এই বিধানসভা এলাকায় লিড ছিল বিজেপি-র। তাই এই এলাকা নিয়ে বেশ নিশ্চিন্ত জয়ন্ত বাবু। রবিবার সকাল থেকেই দলের নেতা কর্মীদের নিয়ে এই এলাকায় প্রচারে নেমেছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থীর রোড শোয়ে জনজোয়ার দেখা গেল।

    নাম কীর্তন করলেন বিজেপি প্রার্থী (Jalpaiguri)

    প্রচারে গিয়ে বিভিন্ন ট্রেনের স্টপেজ, এলাকার বেশ কয়েকটি স্টেশনকে মডেল স্টেশন তৈরি করার পাশাপাশি জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) সার্কিট বেঞ্চ এবং জলপাইগুড়ি হাসপাতালকে মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করার বিষয়গুলি তুলে ধরছেন জয়ন্তবাবু। শুধু তাই নয়, ভোটের প্রচারে গিয়ে নাম কীর্তন করতে দেখা গেল বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় কে জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের নাথুয়া চরে। শনিবার জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় রাজগঞ্জ বিধানসভার অধীন বোদাগঞ্জ ভ্রামরী দেবীর মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন। তার পরেই নাথুয়া চরে এক নাম কীর্তন আসরে খোল বাজিয়ে কীর্তন করতে করতে প্রচার সারেন তিনি। এর পরেই জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেন। প্রথমে টাকিমারি বাজার এলাকায় প্রচার করেন। সঙ্গে দেখা যায় অসংখ্য বিজেপি কর্মীদের। জয়ন্ত রায়ের রাজগঞ্জে প্রচারের প্রথম দিন জনজোয়ার দেখা গেল। টাকিমারি থেকে মিলনপল্লি এলাকায় প্রচার সারেন তিনি। শনিবার সারাদিন রাজগঞ্জের আমবাড়ি, বন্ধু নগর, ভুটকি, কালিনগর সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচারে ব্যস্ত দেখা যায় জয়ন্ত কুমার রায়কে।

    আরও পড়ুন: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন তৃণমূল প্রার্থী

    জয়ের ব্যবধান বাড়বে

    রবিবারের প্রচারেও কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, “প্রচারে যেভাবে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে গত লোকসভা ভোটের ফলাফলের চেয়েও ব্যবধান বাড়বে।” এছাড়াও কয়েক দিন আগে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল এক শিশুর আমবাড়ি ফালাকাটায়। সেই শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। পরিবারকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন কীর্তি আজাদ

    Durgapur: দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি, ছুটে মন্দিরে আশ্রয় নিলেন কীর্তি আজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে আক্রমণ করে গরম গরম কথা বলে কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর অনেক চেষ্টা করেছেন তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। কিন্তু, এসব করে যে কোনও কাজের কাজ কিছুই হয়নি তার জ্বলন্ত প্রমাণ মিলল রবিবাসরীয় প্রচারে। এদিন প্রচারে বেড়িয়ে শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে চরম বিড়ম্বনায় পড়লেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার তথা বর্ধমান – দুর্গাপুর (Durgapur) লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। দলের দুই গোষ্ঠীর বচসা থেকে হাতাহাতি থেকে রেহাই পেতে মন্দিরের আশ্রয় নেন তৃণমূল প্রার্থী। আর এই ঘটনা সামনে আসতে শাসক দলের নেতারা চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Durgapur)

    দুর্গাপুরের (Durgapur) ১২ নম্বর ওয়ার্ড আমরাই গ্রামে এদিন প্রচারে যান বর্ধমান – দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদ। তাঁর সামনেই তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা বেধে যায়। পরে, বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। প্রার্থী কীর্তি আজাদ মিছিল করে প্রচার শুরু করার সময় তাঁকে সম্বর্ধনা জানানোর জন্য তৈরি ছিলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। আর তখনই প্রার্থীর সামনে শুরু হয়ে গেল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা এবং হাতাহাতি। প্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় আর তাঁর সামনেই প্রকাশ্যে  তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। একদিকে দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বহিষ্কৃত শ্রমিক সংগঠনের নেতা শেখ শাহাবুদ্দিনের দলবল দাঁড়িয়েছিল। অন্যদিকে, দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার বর্তমান শ্রমিক নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় ও শেখ আমিরুল রহমানের দলবল। এই দুই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয় প্রার্থীর সামনে। মূলত প্রার্থীর কাছাকাছি কোনও গোষ্ঠীর ছেলেরা থাকবে তা নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি। প্রার্থীর সামনে মারামারি হতেই তিনি ছুটে স্থানীয় একটি শ্মশান কালী মন্দিরে আশ্রয় নেন কীর্তি আজাদ। তৃণমূল নেতা শেখ শাহাবুদ্দিন বলেন, এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নেতৃত্বকে বলব।

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    তৃণমূল প্রার্থী বলেন, দলীয় কোন্দল নয়। আসলে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। কর্মীদের অতি উৎসাহের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। বিরোধীরা অপপ্রচার করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। তৃণমূলের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন, দলের কর্মীদের কাছে এদিন বিধায়ক ঘাড়ধাক্কা খেলেন। এবার ভোটারদের কাছে  ঘাড় ধাক্কা খেতে হবে। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীক লড়াই রাজ্যের মানুষ পরখ করলেন। ভোট বাক্সে ফল পেয়ে যাবে তৃণমূল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ভোট কাটতেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে যাদবপুরে। হাওড়াতেও ভোট কাটার জন্য দাঁড়িয়েছে সিপিএম। এমনটাই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাওড়ার আন্দুল রাজবাড়ি মাঠে হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে এক জনসভায় তিনি সিপিএমকে তুলোধনা করেন।

    সিপিএমকে তোপ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, তৃণমূলকে হারাতে মীনাক্ষী, শতরূপদের এখানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর মীনাক্ষীর জ্যাঠা সীতারাম ইয়েচুরি কয়লা ভাইপোর সঙ্গে ইটিং, মিটিং, সিটিং করছেন। সিপিআইএম সবথেকে বড় সাম্প্রদায়িক দল। মহম্মদ সেলিমের বাড়ি উত্তর কলকাতায় অথচ তিনি ভোটার লিস্ট খুঁজে দেখেন কোথায় মুসলিম ভোট বেশি আছে। সেখানে প্রতিবছর তিনি ভোটে দাঁড়ান। গত বছর রায়গঞ্জে দাঁড়িয়ে ছিলেন, এবারে মুর্শিদাবাদের দাঁড়িয়েছেন যেখানে ৭০ শতাংশ মুসলিম ভোট রয়েছে। এদিকে দুদিন আগেই মেট্রো উদ্বোধনে ডাকা হয়নি বলে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই সাংসদের বিরুদ্ধে এদিন সরকারি অনুষ্ঠান  এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, গোটা দশ বছরে পার্লামেন্টে এক শতাংশের নিচে তার উপস্থিতি। এইসব লোককে কেন পার্লামেন্টে পাঠাবেন? প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোশ্চেন আনসার এ, বিলে কোথাও দেখা যায় না। প্রধানমন্ত্রীর গঙ্গার নিচ দিয়ে মেট্রো উদ্বোধনেও আসেন না। এর আগেও আসেননি। কেন পশ্চিমবাংলার জনগণ এই ধরনের অকর্মণ্য অপদার্থ সাংসদ কে পার্লামেন্টে পাঠাবেন? বিজেপির সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, খগেন মুর্মু, লকেট চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু ঠাকুরদের সবসময় পার্লামেন্টে দেখতে পাবেন। তারা কোশ্চেন আনসারেও আছেন। অথচ তৃণমূলের সাংসদদের দেখতে পাবেন না।

    আরও পড়ুন: গার্ডেনরিচের ছায়া উত্তর দমদমে, বহুতলের চাঙড় পড়ে মৃত্যু হল মহিলার

    বাংলাতেও ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, আসামে হেমন্তের নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকার চলছে। বাংলাতেও ডাবল ইঞ্জিন সরকার হবে। দু কোটি বেকার থাকবে না। সম কাজে সম বেতন হবে। কেন্দ্রীয় হারে ডি এ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। বিজেপিকে আনলে অন্নপূর্ণা যোজনা হবে বাংলায়। বাংলার মায়েরা, দিদিরা বোনেরা ৩০০০ টাকা করে পাবেন। লক্ষ্মীর ভান্ডারের নাম বদলে অন্নপূর্ণা যোজনা হবে। এমন ফল করে দিন যাতে বিধানসভা ভোট আগেই হয়। হাওড়ার ভূমিপুত্র রথীন চক্রবর্তী দিল্লি যাক কারণ হাওড়া দেশের সবথেকে প্রাচীন শহর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: গার্ডেনরিচের ছায়া উত্তর দমদমে, বহুতলের চাঙড় পড়ে মৃত্যু হল মহিলার

    North 24 Parganas: গার্ডেনরিচের ছায়া উত্তর দমদমে, বহুতলের চাঙড় পড়ে মৃত্যু হল মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচতলা থেকে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ বহুতলের চাঙড়। যার জেরে মৃত্যু হল এক মহিলার। শনিবার সন্ধ্যায় মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দমদম (North 24 Parganas) পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে শরৎ কলোনি এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গার্ডেনরিচের ছায়া দেখছেন এলাকার মানুষ। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের নাম কেয়া শর্মা চৌধুরী (৪৮)। মৃতার স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে প্রোমোটার সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর দমদম  (North 24 Parganas) পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে শরৎ কলোনি এলাকায় পাঁচতলা থেকে ভেঙে পড়ে চাঙড়। সে সময় নিচে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন এক মহিলা। তাঁর ওপর ভেঙে পড়ে সেটি। কোনওমতে তাঁকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভিআইপি রোডের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সন্ধ্যায় আবাসনটির নিচে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলেন তিনি। সেই সময় পাঁচতলার ওপর থেকে চাঙড় ভেঙে ওই মহিলার মাথার ওপর পড়ে। কোনও ত্রিপল না টাঙিয়েই কাজ চলছিল। একেবারে সরু গলির মধ্যে তৈরি হচ্ছে এই বহুতলটি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিয়ম মেনে যেটুকু ছাড় দিয়ে কাজ করার কথা সে ছাড়টুকুও দেওয়া হয়নি। পাশেই কাউন্সিলরের অফিস। তারপরও কীভাবে এমন নির্মাণ চলছে তা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থলে যান উত্তর দমদম পুরসভার পুরপ্রধান বিধান বিশ্বাস। মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমস্ত রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রাতেই ঘটনাস্থলে যান দমদম কেন্দ্রর বিজেপি প্রার্থী শীলভদ্র দত্ত ও সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী। শীলভদ্র দত্ত বলেন, সারা বাংলা জুড়ে এই জিনিস চলছে। উত্তর দমদম পুরসভা এলাকার মানুষ প্রতিদিন এই ঘটনা দেখছে। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, দমদমের মধ্যে গার্ডেনরিচ হয়ে যাচ্ছে। মানুষের এই খুন, মৃত্যুর দায় কার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishnanagar: “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র”, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমার

    Krishnanagar: “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র”, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের সদস্য রানিমা অমৃতা রায়কে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। প্রার্থী ঘোষণার পরই প্রচারে ঝড় তুলেছেন রানিমা। এবার বিজেপি প্রার্থীকে হেয় করতেই তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা ভুলভাল বলা শুরু করেছেন বলে বিরোধী অভিযোগ করতে শুরু করেছেন।

    গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র (Krishnanagar)

    শুক্রবার মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন, ‘তোলাবাজ ক্লাইভকে বাংলায় এনেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র’ সেই ঘটনার একদিন কাটতে না কাটতেই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) একটি মেলার উদ্বোধন করতে এসে মন্ত্রী বলেন, “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।” আর এই অডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায়। অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। বস্তুত, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালে তাঁর সভাসদে ছিলেন গোপাল ভাঁড়। গোপালের বুদ্ধিমত্তার কাহিনী কারোর অজানা নয়। এবার সেই গোপালকে নিয়েই বিতর্কিত মন্তব্য করেন উজ্জ্বল। বলেন, “একশো বার বলছি খুন করা হয়েছে। গোপাল যখন মৃত্যুসজ্জায় তখন অশরীরী আত্মারা তুলে নিয়ে যায়। এটা নিশ্চয়ই জানেন। আর উনি প্রতিবাদ করেছিলেন যে ব্রিটিশদের পক্ষে দাঁড়ানো ঠিক নয়। সেই কারণে ওনাকে হত্যা করা হয়েছিল বলে আমার ধারণা। আর খুনের কথা সকলে জানে। ওনার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। ইতিহাসের পাতা ঘাঁটলেই বোঝা যায় যে ওনার মৃত্যু দেখানো হয়েছিল যে অশরীরী আত্মা নাকি তুলে নিয়ে গিয়েছে। কিন্তু সেকথা ঠিক নয়।” মন্ত্রীর বক্তব্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    আরও পড়ুন: ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    প্রমাণ না দিলে মামলা করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি প্রার্থী

     রানি মা অমৃতা রায় বলেন, “উজ্জ্বল বিশ্বাস কী বলেছেন আমার জানা নেই। তিনি গায়ের জোরে বললে আমার কিছু বলার নেই। পরিবারে থেকে আমি যতদূর জানি এমন কিছু ঘটেনি। তিনি নিশ্চয়ই আমার থেকে বেশি জানবে না। আমি তাঁর পরিবার নিয়ে টানাটানি করছি না। তাহলে আমার বংশধরদের নিয়ে টানাটানি কেন করছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি প্রমাণ করুক। প্রমাণ না দিলে আমি মামলা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share