Tag: West Bengal

West Bengal

  • Bankura: “কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালে ফল অন্যরকম হবে”, হুঁশিয়ারি তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তীর

    Bankura: “কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালে ফল অন্যরকম হবে”, হুঁশিয়ারি তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন শাসক দলের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে না দেওয়ার অভিযোগ বার বার করে বিরোধীরা। শান্তিপূর্ণভাবে লোকসভা নির্বাচন পরিচালনার জন্য এবারের লোকসভা নির্বাচনে কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে বাংলায়।  ইতিমধ্যেই ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গিয়েছে রাজ্যে। নজিরবিহীনভাবে এত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে রাজ্যে এবার ভোট করাতে চলেছে কমিশন। স্পর্শকাতর এলাকা তো বটেই, গ্রামের ওলিগলি সর্বত্রই চষে বেড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী।

    কমিশনকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল প্রার্থী? (Bankura)

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী মেজিয়ায় প্রচারে গিয়ে বলেন, ” কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আমরা গোলাপ ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবো। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করব। কিন্তু, যেন ওরা গুলি না চালায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালে ফল অন্যরকম হবে।” প্রসঙ্গত, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সোমবারই কমিশন জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রতিদিন আপডেট করা হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি নিয়ে প্রতিদিন কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্তাদের। এই নির্দেশিকা জারি হতে না হতেই এবার পরোক্ষে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন তৃণমূল প্রার্থী। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাসী রেখা পাত্র, পাচ্ছেন ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা!

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    তৃণমূল প্রার্থীর এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। বাঁকুড়ার (Bankura) বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী অযথা কেন গুলি চালাতে যাবে? তাহলে কী তৃণমূল প্রার্থী অন্যান্য নির্বাচনের মতো বোমা, বন্দুক দিয়ে আইন শৃঙ্খলা নষ্ট করার পরিকল্পনা করে রেখেছেন, আর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে? কারণ, কেন্দ্রীয় বাহিনী শান্তি বজায় রাখার জন্য রয়েছে। শান্তি ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাসী রেখা পাত্র, পাচ্ছেন ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা!

    Sandeshkhali: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাসী রেখা পাত্র, পাচ্ছেন ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে সরব হয়েছিলেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সেই প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। শুরু হয়েছে এলাকায় দেওয়াল লিখনও। কর্মীরাও প্রচার শুরু করেছেন। এমনিতেই তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেশখালির কিছু মানুষ বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁরা ইতিমধ্যেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। তাঁরা পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এই আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা হওয়ার পর অনেকটাই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন তিনি। তবে, তিনি অন্যান্য প্রার্থীদের মতো করে প্রচার শুরু করেননি।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাসী রেখা (Sandeshkhali)

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হওয়ার পর রেখা বলেন, ১৫ মিনিট কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি মা-বোনদের পাশে আছেন। জিজ্ঞেস করেছেন, বোন তুমি পারবে তো জয়ী হতে? উত্তরে আমি বলেছি, মা-বোনেরা আমার সঙ্গে আছে। আমি নির্ভয়ে এগিয়ে যাব। রেখা আরও বলেন, বসিরহাটের মানুষের কাছে ভোট চাইতে হবে না আমাকে। আমি আত্মবিশ্বাসী যে ভোট দিতে আমাকে দ্বিধাবোধ করবেন না মানুষ, কারণ তাঁরাও চান অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে। আমাকে কেউ অবহেলা করবেন না। অত্যাচারিত মা বোনেদের সুরক্ষার জন্যই যে আমার লড়াই। তবে প্রচার কবে থেকে শুরু হবে, সে ব্যাপারে এখনও দলের সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। তবে, তৃণমূলের অপশাসনের বিরুদ্ধে অনেক আগেই আমি লড়াই শুরু করে দিয়েছে। রাজ্যের মানুষ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদ দেখেছেন। ভোট প্রচারে সেই লড়াই তুলে ধরব।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    ওয়াই ক্যাটেগরি পাচ্ছেন রেখা!

    শেখ শাহজাহান শেখ ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে যে অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল, তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা। সেই সময় আন্দোলনের মুখ ছিলেন রেখা পাত্র। শুধু তাই নয়, তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার হন শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দার। একের পর শাহজাহান বাহিনী জেলবন্দি হয়েছেন তাঁর প্রতিবাদের পরই। তাই, সুরক্ষার প্রয়োজনে তাঁর ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা দেওয়া হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভোটের মুখে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: ভোটের মুখে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আহত হন বিজেপির বেশ কিছু কর্মী সমর্থক। ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি ব্লকের আটমনোহরপুর এলাকায়। ইতিমধ্যেই ভোটের মুখে এই হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি ব্লকের আট মনোহরপুর গ্রামে মঙ্গলবার দোল উৎসব চলছিল। ঠিক সেই সময় বক্স বাজানো কে কেন্দ্র করে এক বিজেপি কর্মীর সঙ্গে বচসা বাধে স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মীর। এরপরেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাস, রড নিয়ে  বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে। এরই জেরে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁদেরকে উদ্ধার করে কুলপি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দোল উৎসব চলাকালীন উচ্চস্বরে বক্স বাজানোয় এলাকার এক বাসিন্দা প্রতিবাদ করলে  দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়  কুলপি থানার পুলিশ। তবে, এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

    আরও পড়ুন: লোকসভার আগেই তৃণমূল নেতার বাইক থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! চাঞ্চল্য এলাকায়

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনায় কুলপি ব্লকের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি স্বপন দাস বলেন,  কুলপি ব্লকে বিজেপি গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভালো ফলাফল করেছে। তাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বরা বিষয়টি মেনে নিতে পারছিলেন না। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক। তিনি এও জানান, আগামী দিনে মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করাবো। কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুপ্রিয় হালদার বলেন, বিজেপি কর্মীরা তৃণমূল কর্মীদের উপর আক্রমণ করে। বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে। কারণ ভোটের আগে কোন ইস্যু নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে এলাকায় গন্ডগোল করার চেষ্টা করছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: মন্দিরে পুজো দিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা

    Darjeeling: মন্দিরে পুজো দিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটে জেতার জন্য নয়। একশো শতাংশ মানুষের মন জয় করার জন্য আমি দুয়ারে দুয়ারে কাছে যাব। দার্জিলিং (Darjeeling) লোকসভা আসনে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ফিরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে একথা বললেন বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা।

     মন্দিরে পুজো দিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী (Darjeeling)

    বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে বেরিয়েই জনজোয়ারে ভাসলেন দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) বিদায়ী সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা। রাজু বিস্তাকে এদিন দুপুরে স্বাগত জানাতে বাগডোগরা বিমানবন্দর চত্বরে জন সমুদ্রের ঢেউ  আছরে পড়েছিল। শুধু সমতল নয়, পাহাড় থেকেও এসেছিলেন বহু মানুষ। হাজার হাজার মানুষে ভিড়ে ছেয়ে ছিল বিজেপির পতাকা। ভিড় ঠেলে হুড খোলা জিপে ওঠেন রাজু বিস্তা।  বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে শিলিগুড়ি, ১২ কিলোমিটার পথে সাত  জায়গায় বিজেপি প্রার্থীর লম্বা কনভয়কে থামতে হয়। প্রত্যেক জায়গায় মানুষ সকাল থেকেই ফুল ও আবিরে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর হয়ে ছিলেন। মানুষের এই ভালোবাসাকে মর্যাদা দিতে রাজু বিস্তা সকলের কাছ থেকে ফুল নেন। বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে তিনি প্রথমে আসেন শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে  সঙ্কটমোচন মন্দিরে। সেখানে পুজো দিয়ে মানুষের সঙ্গে আবীর খেলায় মেতে ওঠেন কিছুক্ষণ। তারপর যান বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা দফতরে। সেখানেও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রঙ খেলেন। তারপর গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক করে চলে যান মাটিগাড়ায় তাঁর বাড়িতে। একটু বিশ্রামের পর ব্যস্ত হয়ে পড়েন ভোট প্রচার ও রণ কৌশল ঠিক করতে।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে উদয়নের গড়ে ধস নামালেন নিশীথ, বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূল নেতা

    মানুষের ভালোবাসা দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী

    রাস্তার দুপাশে স্বাগত জানাতে হাজার হাজার মানুষের ভিড় দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন রাজু বিস্তা। সকলেই বিজেপির নেতা-কর্মী নন, বহু সাধারণ মানুষ ছিলেন এই জন সমুদ্রে। রাজু বিস্তা বলেন, মানুষের এই ভালোবাসা বলে দিচ্ছে তাঁরা বিজেপিকে ভালোবাসেন। বিজেপির প্রতি সকলের ভরসা। রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করার জন্য মানুষের এই ভালোবাসাকে হাতিয়ার করে আমরা এগোতে চাইছি।  মানুষের এই ভালোবাসা প্রমাণ করে দিচ্ছে তৃণমূলকে আর এরাজ্যের মানুষ চাইছে না। তাই ভোটে জেতার জন্য নয়, প্রতিটি মানুষের মন জয় করার জন্য আমি দুয়ারে দুয়ারে যাব। গত পাঁচ বছরে সাংসদ হিসেবে এলাকার উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারী তৃণমূলকে মানবে না তমলুক’, বললেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারী তৃণমূলকে মানবে না তমলুক’, বললেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরিজীবনের মেয়াদ ফুরানোর ৫ মাস আগেই বিচারপতি পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন অভিজিৎ  গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তাঁকে তমলুক কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আগেই গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর পরই তমলুক কেন্দ্রে গিয়ে জনসংযোগ করেছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। রবিবারই বিজেপি-র প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। তাতে তমলুক কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীপদ ঘোষণার পর মঙ্গলবার প্রথমবার বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে গেলেন। এদিন নিজের লোকসভা কেন্দ্রের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী।

    নন্দীগ্রামে জনসংযোগ সারলেন অভিজিৎ (Abhijit Ganguly)

    মঙ্গলবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে নন্দীগ্রামে বিজেপি নেতার বাড়িতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তিনি। দলীয় প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) আসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল চরমে। নন্দীগ্রামের বয়ালের বিজেপি নেতা পবিত্র করের বাড়িতে ছিল সংকীর্তন। দুপুরে সেই অনুষ্ঠানে যোগদান করতে সেখানে পৌঁছন অভিজিৎবাবু। সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় প্রার্থীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিজেপি কর্মীরা। চারিদিকে ওঠে “জয় শ্রী রাম” ও “ভারত মাতা কি জয়” স্লোগান। এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করতে দেখা যায় অভিজিৎবাবুকে। এরপর ভক্তদের সঙ্গে কীর্তনে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পরে, এলাকায় কর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ করেন তিনি। দলীয় প্রার্থীর উপস্থিতিতে প্রচুর দেওয়াল লিখন করেন কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: “অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল, রেখার পাশে রয়েছি”, বললেন বিক্ষোভকারীরা

    তমলুকবাসী দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে মেনে নেবে না

    বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎবাবু (Abhijit Ganguly) বলেন,  আগেও আমি এসেছি। তবে, প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পরই এই কেন্দ্রে এলাম। যে ভাবে দলীয় কর্মীরা আমাকে স্বাগত জানিয়েছেন তাতে আমি আপ্লুত। তমলুকে প্রথম স্বাধীনতাকামী মানুষ ব্রিটিশকে হারিয়ে স্বাধীন সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই তমলুকবাসী দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে মেনে নেবে না। মা বোনেদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে তা মেনে নেবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ভোটের মুখে উদয়নের গড়ে ধস নামালেন নিশীথ, বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূল নেতা

    Cooch Behar: ভোটের মুখে উদয়নের গড়ে ধস নামালেন নিশীথ, বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর খাসতালুকে ধস নামালো বিজেপি। যুব তৃণমূলের কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা-২ ব্লকের সভাপতি সুকুমার বর্মন যোগ দিলেন বিজেপিতে। কোচবিহারের বিদায়ী সাংসদ তথা এবারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের হাত থেকে পদ্ম পতাকা তুলে নিলেন তিনি। সোমবার বিকেলে কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের বাসভবনে গিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করলেন তিনি। লোকসভা ভোটের মুখেই যুব তৃণমূলের এই পদাধিকারীর বিজেপিতে যোগদান কোচবিহারে আরও শক্তি বাড়ালো বিজেপি। এমনই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

    তৃণমূলে সিন্ডিকেট রাজ চলছে! (Cooch Behar)

    কোচবিহারের (Cooch Behar) রাজনীতিতে উদয়ন বনাম নিশীথের লড়াই নতুন কোনও ঘটনা নয়। মাঝেমধ্যেই যুযুধান দুই পক্ষের দুই নেতার মুখে কথার ফুলঝুরি দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি তো একেবারে প্রকাশ্য রাস্তায় বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন দুই নেতা। উদয়ন তো বিজেপি প্রার্থী নিশীথের দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন। বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই আবহে এবার খোদ উদয়নের খাসতালুকে যুব তৃণমূলের এই ভাঙন ধরিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির। কিন্তু, ঘাসফুলের সঙ্গ ছেড়ে পদ্মে নাম লেখালেন কেন যুব তৃণমূলের ব্লক সভাপতি? এই প্রসঙ্গে সুকুমার বর্মন বলেন, যাঁরা এলাকায় দলীয় সংগঠন তৈরি করতে গিয়ে বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, বর্তমানে সেই দুর্দিনের কর্মীরা ‘অবহেলিত, লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত’। এখন দলের মধ্যে কোনও নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। তৃণমূলে সিন্ডিকেট রাজ চলছে। টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতে প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রধান ঠিক করা হয়েছে। এ দলে থাকা যায় না।

    আরও পড়ুন: “অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল, রেখার পাশে রয়েছি”, বললেন বিক্ষোভকারীরা

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    যুব তৃণমূলের দিনহাটা-২ ব্লকের সভাপতির এই দলবদলের বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছে না স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি দীপক ভট্টাচার্য বলেন, সুকুমার বর্মন শুধু খাতায় কলমেই ব্লকের যুব সভাপতি ছিলেন। কিন্তু, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই দলে কোনও সক্রিয় ভূমিকা ছিল না। এমনকী ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছিলেন। তাই, এই দল বদলের কোনও প্রভাব এলাকায় পড়বে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukrane war: “আমায় বাঁচান”, আর্তি চাকরির খোঁজে রাশিয়ায় গিয়ে ‘ফেঁসে’ যাওয়া বঙ্গবাসীর

    Russia Ukrane war: “আমায় বাঁচান”, আর্তি চাকরির খোঁজে রাশিয়ায় গিয়ে ‘ফেঁসে’ যাওয়া বঙ্গবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাশিয়ায়। সেখানে তাঁদের জুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধে (Russia Ukrane war)। তার জেরে না জেনে অনেকেই শরিক হয়ে যাচ্ছেন বছর দুয়েকেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের। এ খবর আপনাদের অনেক আগেই জানিয়েছে মাধ্যম

    উদ্ধারের করুণ আর্তি (Russia Ukrane war)

    সম্প্রতি ফের প্রকাশ্যে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের আরও এক বাসিন্দার উদ্ধারের করুণ আর্তি। উর্জেন তামাং কালিম্পংয়ের বাসিন্দা। সম্প্রতি তাঁর একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। সেই ভিডিও দিয়ে তাঁর স্ত্রী অম্বিকা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের কাছে তাঁর স্বামীকে দেশে ফিরিয়ে আনার আবেদন করেছেন। ওই ভিডিওয়ও একই আবেদন করতে দেখা গিয়েছে উর্জেনকে (Russia Ukrane war)। দার্জিলিংয়ের বিদায়ী সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত বিদেশমন্ত্রক ও রুশ দূতাবাসে কথা বলে উর্জেনকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

    গহীন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ

    উর্জেন প্রাক্তন সেনাকর্মী। তাঁর দাবি, চাকরির জন্য জানুয়ারি মাসে একটি সংস্থার মাধ্যমে ভায়া দিল্লি হয়ে রাশিয়া গিয়েছিলেন তিনি। ১৭-১৮ দিন ধরে তাঁকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বন্ড পেপারে সই করিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জঙ্গলের মধ্যের এক প্রশিক্ষণ শিবিরে। সেখানে ফের একপ্রস্ত প্রশিক্ষণ চলে। ১০-১২ দিন ধরে বন্দুক চালানো শেখানো হয়। তার পরেই তাঁকে জানানো হয়, ইউক্রেনের সঙ্গে লড়তে তাঁকে যেতে হবে রণাঙ্গনে। ভিডিও-বার্তায় উর্জেনকে বলতে শোনা যায়, ভারত সরকারকে অনুরোধ করছি, দয়া করে আমায় বাঁচান। এজেন্টদের কথায় ভরসা করে ফেঁসে গিয়েছি।

    আরও পড়ুুন: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    রাশিয়ায় গিয়ে ফেঁসে গিয়েছিলেন কর্নাটকের কালবুর্গির বাসিন্দা সুফিয়ানও। ভিডিও-বার্তায় সুফিয়ান তাঁকে নিয়ে মোট চারজনের দুর্দশার কাহিনি শুনিয়েছিলেন। এই চারজনকেও অনিচ্ছা সত্ত্বেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে। সুফিয়ান বলেছিলেন, “দয়া করে আমাদের বাঁচান। আমরা হাইটেক জালিয়াতির শিকার।” সুফিয়ানের ভিডিও-বার্তা প্রকাশ্যে চলে আসার দিন কয়েক পরেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হায়দরাবাদের মহম্মদ আসফান নামে বছর ত্রিশের এক যুবকের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। কেন্দ্রের তরফে চলতি মাসেই এই বিষয়ে জানানো হয়েছিল, রাশিয়ায় এভাবে আটকে রয়েছেন আনুমানিক ২৪ জন। তাঁদের সেখান থেকে উদ্ধার করে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে (Russia Ukrane war)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল, রেখার পাশে রয়েছি”, বললেন বিক্ষোভকারীরা

    Sandeshkhali: “অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল, রেখার পাশে রয়েছি”, বললেন বিক্ষোভকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহান বাহিনীর নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। পুলিশের পোশাক পরে বাড়িতে ঢুকে অত্যাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। সেই প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে এবার বসিরহাট কেন্দ্রের প্রার্থী করা হয়েছে। কিন্তু, রেখা প্রার্থী হতেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বিক্ষোভ। সন্দেশখালির মহিলারাই আবার পথে নামে। পোস্টারে লেখা থাকে, “সন্দেশখালির আন্দোলনকারীরা রেখা পাত্রকে চায় না।” যা নিয়ে ফের চর্চায় চলে আসে সন্দেশখালি। তবে, প্রতিবাদের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই আবার ভোলবদল। এবার সেই মহিলারাই বলছেন, “আমাদের ভুল বোঝানো হয়েছিল…”

    রেখা পাত্রের পাশেই রয়েছি, বললেন বিক্ষোভকারীরা (Sandeshkhali)  

    সোমবার রাস্তায় নেমে বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। আন্দোলনের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ভোলবদল করলেন রেখা পাত্রের প্রার্থীপদের বিরোধিতায় থাকা মহিলারা। যে মহিলা সোমবার বলেছিলেন, “যে নিজের নামটুকুই সই করতে পারে না, সে লোকসভা কী বিধানসভা কোথাওই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নয়।” তিনিই রাতারাতি অবস্থান বদল করে বললেন, “আমরা রেখার পাশে আছি। আমাদের ভুল বোঝানো হয়ছিল। রেখা পাত্র আমাদেরই একজন। রেখা প্রার্থী হওয়ায় আমরা খুশি।” বিরোধিতা করা এক মহিলা সোমবার বলেছিলেন, “আমরা পরিশ্রম করেছি বলেই ও আজকে এখানে। ওর কোনও যোগ্যতাই নেই। প্রার্থী হয়ে অহংকার হয়ে গিয়েছে। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ভোট প্রয়োজন নেই বলছে। এলাকাতে নেই ও।” সেই মহিলা আবার মঙ্গলবার বললেন, “গতদিনের জন্য আমরা রেখার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমাদেরকে ভুল বোঝানো হয়েছিল। অন্য লোকের দ্বারা, অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল। আমরা সেটা বুঝেছি। আমরা রেখার পাশে রয়েছি।” তবে, কোন পার্টির লোক ভুল বুঝিয়েছে সেই বিষয়ে খোলসা করে তাঁরা কিছু বলেননি। আরেক বয়স্ক মহিলা বলেন, রেখার সঙ্গে আমাদের অনেক পুরনো সম্পর্ক। আমরা প্রথম থেকেই ওর পাশে রয়েছি। আমাদের বাড়িতে লোক এসেছিল। ওরা বলেছিল, আমরা নাকি বিজেপিকে ভোট দিয়েছি। আমরা বললাম না. তারপরও আমাদের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গেল।” আরেক মহিলা বললেন, “যাঁরা আমাদের ওর সম্পর্কে ভুলভাল বোঝাতে আসবে, ঝাঁটা মেরে বিদায় করব। প্রয়োজনে রেখার বাড়ি গিয়ে পায়ে ধরে ক্ষমা চাইব আমরা।”

    আরও পড়ুন: মন্দিরে পুজো দিয়ে হোলি খেলে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    এ প্রসঙ্গে অবশ্য রেখা পাত্র বলেন, “আমি শুনলাম আমি নাকি বলেছি, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ভোট আমার লাগবে না। আমি তো একথা বলতে পারি না। সন্দেশখালির মায়েরাই তো আমাকে এই অবধি পৌঁছেছে। তাই একথা আমি কোনওদিনও বলতে পারব না। সন্দেশখালির মুখ আমি। সন্দেশখালির যত মা রয়েছেন, সবাই প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: মন্দিরে পুজো দিয়ে হোলি খেলে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল

    Raiganj: মন্দিরে পুজো দিয়ে হোলি খেলে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে আর বেশি দেরি নেই। স্বাভাবিকভাবেই দলের তরফে নাম ঘোষণা হতেই রঙের উৎসবের দিনেই জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়লেন রায়গঞ্জ (Raiganj) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল। দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কর্মী-সমর্থকরা। মন্দিরে পুজো দিয়ে দিনভর চুটিয়ে জনসংযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। মঙ্গলবার দলীয় কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে হোলি খেলায় মেতে ওঠেন বিজেপি প্রার্থী।

    কে এই কার্তিক পাল? (Raiganj)

    রবিবার রাতেই দিল্লি থেকে রায়গঞ্জ (Raiganj) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে কার্তিক পালের নাম ঘোষণা করা হয়। বিদায়ী সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীকে দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রে টিকিট দেওয়া হয়েছে। ফলে, রায়গঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণীর বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে সামিল কার্তিকবাবু। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্তিকবাবু ভূমিপুত্র। একসময় তিনি পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি এলাকায় প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ করেছিলেন। ২০১৯ সালের পর তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এলাকায় তাঁর নিবিড় জনসংযোগ রয়েছে। এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। ফলে, কার্তিকবাবু প্রার্থী হওয়াতে শুধু বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা খুশি হয়েছেন তা নয়, সাধারণ মানুষও বেজায় খুশি।

    আরও পড়ুন: চন্দ্রনাথের বাড়িতে উদ্ধার ৪১ লাখ, চলতি সপ্তাহেই মন্ত্রীকে তলব ইডির

    দোল ও হোলিতে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার কালিয়াগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বয়রা কালী মন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী। এরপরেই জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার ও দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে প্রচারে বেরিয়ে পড়েন কার্তিক পাল। মাড়োয়ারি পট্টিতে দোল উৎসবে সামিল হন তিনি। তারপর  কালিয়াগঞ্জের শ্রীকলোনিতে অবস্থিত প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রায়গঞ্জের সাংসদ প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির মূর্তিতে মাল্যদান করেন। দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাহেবঘাটা এলাকায় এক নাবালিকার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকে রাধিকাপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের সমাধিস্থলেও মাল্যদান করেন। পাশাপাশি পরিবারের লোকেদের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। মঙ্গলবার শেঠ কলোনি, মহেন্দ্রগঞ্জ এলাকায় হোলি খেলার পাশাপাশি চুটিয়ে জনসংযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। পরে, কার্তিকবাবু বলেন, এই লোকসভায় তৃণমূল কোনও ফ্যাক্টর হবে না। আমার বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থীর সঙ্গে আমারপ মূল লড়াই হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Holi 2024: দোল খেলে নদীতে স্নান করতে নেমে রাজ্যে মৃত্যু হল চারজনের, তলিয়ে গেলেন তিনজন

    Holi 2024: দোল খেলে নদীতে স্নান করতে নেমে রাজ্যে মৃত্যু হল চারজনের, তলিয়ে গেলেন তিনজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল উৎসবে সোমবার সকাল থেকেই রং খেলায় (Holi 2024) মেতে ওঠেন সকলে। দুপুরের পর গঙ্গায় স্নান করতে নেমেই বিপত্তি। চার বন্ধু তলিয়ে যায় নদীতে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দা থানার আগরপাড়ার আশ্রমঘাট এলাকায়। এছাড়া পূর্ব বর্ধমানের কালনা এবং বাঁকুড়ায় স্নান করতে নেমেই চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দোলের পর এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    আগরপাড়ায় গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন তিনজন, কালনায় মৃত ২ (Holi 2024)

    এদিন দুপুরে দোল খেলার পর উত্তর ২৪ পরগনার খড়দার আগরপাড়ার আশ্রমঘাটের গঙ্গায় দোল খেলে (Holi 2024)  স্নান করতে গিয়েছিল চারজন। হঠাৎ বান চলে আসায় তাদের মধ্যে চারজনই তলিয়ে যান। চোখের সামনে ভাসতে এই বিপত্তি স্থানীয় লোকজন দেখে গঙ্গায় ঝাঁপ মেরে একজনকে উদ্ধার করা গেলেও বাকি তিনজনের হদিশ মেলেনি। অন্যদিকে, রঙ খেলা শেষে পূর্ব বর্ধমানের কালনার জিউধারা এলাকায় একটি দিঘিতে এলাকার ছেলেরা স্নান করতে নেমেছিল। অনেকে স্নান করে উঠে যায়। পরে, ওই দিঘিতে স্নান করতে নামেন দুই ভাই। ভাবতেও পারেননি কত বড় বিপদ তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে। স্নান করতে নেমেই একজন প্রথমে  তলিয়ে যেতে থাকে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অন্যজনও তলিয়ে যায। আশপাশের লোকজন বিষয়টা বুঝতে পেরেই দিঘিতে দুই ভাইকে উদ্ধার করেন। তাঁদের কালনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন: তারকা প্রচারকরা বিধি না মানলে, বাতিল হবে দলের স্বীকৃতি, সিদ্ধান্ত কমিশনের

    দামোদরের জলে মৃত্যু হল দুজনের

    এদিকে এদিকে রঙ খেলার (Holi 2024) পর বন্ধুদের সঙ্গে স্নান করতে গিয়ে দামোদরের জলে ডুবে মৃত্যু হল বাঁকুড়ার দুজনের। মৃতরা সম্পর্কে দুই ভাই, সানি কুমার ও সোনু কুমার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎই জলের তোড়ে ভেসে যায় ওই দুজন। মৃতদেহ উদ্ধার করে বড়জোড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, মৃতরা বিহারের বাসিন্দা। তাঁরা বড়জোড়া রায় কলোনিতে ভাড়া থাকতেন। ইতিমধ্যেই দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share