Tag: West Bengal

West Bengal

  • North 24 Parganas: পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে লিড দিলেই মিলবে আবাস যোজনার টাকা, বেফাঁস পার্থ ভৌমিক

    North 24 Parganas: পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে লিড দিলেই মিলবে আবাস যোজনার টাকা, বেফাঁস পার্থ ভৌমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ড সহ নানা কারণে জেলা তৃণমূল কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে। পাশাপাশি সিএএ ইস্যুতে মতুয়ারা বিজেপির ওপর বেজায় খুশি। দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন মতুয়ারা। এই পরিস্থিতিতে বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে শাসকদল। ভোটের আগে পালে হাওয়া টানতে এবার ভোটারদের লোভ দেখালেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক।

    কী বলেছেন জেলা তৃণমূল কোর কমিটির আহ্বায়ক? (North 24 Parganas)

    কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আবাস যোজনার রাজ্যের প্রাপ্য টাকা না দেওয়ার অভিযোগ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বারংবার করা হয়েছে। সেই বিষয় নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, যদি কেন্দ্রীয় সরকার আবাস যোজনার টাকা না দেয় তাহলে রাজ্য সরকার আবাস যোজনার টাকা প্রাপকদের দেবে। আবাস যোজনার টাকার বিষয়ে নৈহাটির এক দলীয় কর্মসূচিতে বলতে গিয়ে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বলেন, যে চারটে পঞ্চায়েত নৈহাটি বিধানসভার মধ্যে রয়েছে, তার মধ্যে যারা ভালো ফল করবে এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে জেতাবে সেই পঞ্চায়েতকে আবাস যোজনার টাকা ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে টাকা বিলি! নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    কর্মীদের কী কড়া বার্তা দিলেন পার্থ?

    সম্প্রতি, উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁ লোকসভার সাতটি বিধানসভা এলাকার ১৯২৭টি বুথের দলীয় প্রতিনিধিরা ওই কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ছিলেন বনগাঁ লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস, জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী, বনগাঁর পুরপ্রধান গোপাল শেঠ সহ দলীয় পদাধিকারী ও জনপ্রতিনিধিরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বনগাঁ লোকসভা আসনে ২০১৯ সাল থেকেই বিজেপি ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। সে বার বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর প্রায় ১ লক্ষ ৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন। এই লোকসভার সাতটি বিধানসভার মধ্যে একমাত্র স্বরূপনগর ছাড়া বাকিগুলিতে বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে ছিলেন। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটেও একই ফল হয়। তারপরে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা তৃণমূলের পক্ষে স্বস্তিদায়ক হয়নি। তাই স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছেন, এ বারের লড়াই যথেষ্ট কঠিন। বনগাঁ শহরে নির্বাচনী কর্মিসভায় এসে পার্থ ভৌমিক দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “পঞ্চায়েত বা পুর নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীরা নিজেদের এলাকায় যে ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন, লোকসভা ভোটে সেই সব এলাকায় জয়ের ব্যবধান কমে গেলে দল তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবে।” এরপরই তিনি বলেন, “লোকসভা নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভোট কমলে ধরে নিতে হবে নিজের ভোটের সময় আপনি যে পরিশ্রম করেছিলেন, লোকসভা ভোটে তা করেননি। দল তখন নিশ্চিত ভাবেই আপনাদের বুঝে নেবে এবং কড়া পদক্ষেপও করবে।”

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর আবাস যোজনার বক্তব্যের বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শীলভদ্র দত্ত বলেন, আসলে পার্থ ভৌমিক বুঝতে পেরেছেন তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে না। সেই কারণে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন। এভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: লকেটের দেওয়াল লিখন করতে গিয়েই রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Hooghly: লকেটের দেওয়াল লিখন করতে গিয়েই রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলি (Hooghly) লোকসভায় দুই তারকার লড়াই জমে উঠেছে। গত লোকসভা ভোটে তৃণমূলকে হারিয়ে এই কেন্দ্রটি বিজেপি দখল করে। সাংসদ নির্বাচিত হন লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবারও তাঁকে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে বিজেপি। এই কেন্দ্রে এবার লকেটের বিরুদ্ধে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। এরই মধ্যে পাণ্ডুয়াতে দলীয় প্রার্থীর প্রচার কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এতেই কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে রয়েছে শাসক দল। বিজেপি কর্মীরা দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। আর দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন করতে গিয়ে রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির ধনেখালি এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)  

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে হুগলির (Hooghly) ধনেখালির মাঝেরপাড়ায় বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে দেওয়াল লিখন চলছিল। বিজেপি কর্মী যুগল মান্ডি সহ কয়েকজন দেওয়াল লিখনের কাজ করছিলেন। সেই সময় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী এসে তাঁদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মীদের ওপর লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় বিজেপি কর্মী যুগল সহ কয়েকজন মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁদের প্রথমে ধনেখালি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যার পর যুগল মান্ডিকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। জখম বিজেপি কর্মী যুগল মান্ডি বলেন, মাঝেরপাড়ায় দলীয় প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে দেওয়াল লিখছিলাম। সেই সময় স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী আমাদের টিটকারি করে। এরপর দু’জন দলীয় কর্মীকে মারধর করে আটকে রাখা হয়। তাদের আমি ছাড়াতে গিয়ে আক্রান্ত হই। আমাকে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। আরও এক বিজেপি কর্মী মনোজিৎ গুঁই বলেন, লকেটদির নামে দেওয়াল লেখার সময় লাঠি, বাঁশ নিয়ে আমাদের ওপর চড়াও হয় তৃণমূলের লোকজন। বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর জখম হন আমাদের সহকর্মী যুগল। ও এখন হাসপাতালে ভর্তি। যদিও, তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে কৃষ্ণনগরের রানি মা, শুভেন্দুর হাত ধরে যোগদান বহু সংখ্যালঘু পরিবারের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ভোটের মুখে টাকা বিলি! নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    Asansol: ভোটের মুখে টাকা বিলি! নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই জারি হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী বিধি। এবার সেই বিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠল আসানসোলের (Asansol) পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Asansol)

    মঙ্গলবার আসানসোল (Asansol) কুলটির ডিসেরগড়ে পীরবাবার মাজারে গিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। সেখানে তিনি চাদরও চড়ান। এর পরই দেখা যায় মাজার চত্বরে থাকা দুঃস্থ মানুষদের টাকা বিলি করছেন তিনি। বিধায়কের টাকা বিলির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ( যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁর বিপরীতে বিজেপি তারকা প্রার্থী পবন সিংকে টিকিট দিয়েছিল। তাঁর গানে বঙ্গ নারীদের বিরুদ্ধে কুরুচিকর শব্দ প্রয়োগের অভিযোগে বিতর্ক দানা বাঁধে। সেই বিতর্কের জেরে লোকসভা ভোট থেকে সরে দাঁড়ান পবন। যদিও পরে শোনা যায় ঘনিষ্ঠ মহলে ফের ভোটে লড়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন ভোজপুরী গায়ক। বর্তমানে আসানসোল লোকসভা আসনে নতুন করে কোনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি গেরুয়া শিবির। তারই মাঝে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক। যদিও টাকা বিলির বিষয়ে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে কৃষ্ণনগরের রানি মা, শুভেন্দুর হাত ধরে যোগদান বহু সংখ্যালঘু পরিবারের

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    স্থানীয় বিজেপি নেতা বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূলের সঙ্গে এখন সাধারণ মানুষ নেই। তাঁদের কাছে রেশন, চাকরি, কয়লা, জমি চুরির টাকা রয়েছে। তৃণমূল তাই টাকা দিয়ে ভোটারদের কেনার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।” কংগ্রেসের জেলা সম্পাদক দেবেশ চক্রবর্তী বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আর সাধারণ মানুষ নেই। এই ভোটে তৃণমূলের অবস্থা খারাপ। সংখ্যালঘুরাও তাঁদের পাশে নেই। তাই চুরির টাকা দিয়ে ভোটার কেনার চেষ্টা করছে। নির্বাচন কমিশনে তাঁর বিরুদ্ধে আচরণ বিধি ভাঙার অভিযোগ জানাব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বিজেপিতে কৃষ্ণনগরের রানি মা, শুভেন্দুর হাত ধরে যোগদান বহু সংখ্যালঘু পরিবারের

    Suvendu Adhikari: বিজেপিতে কৃষ্ণনগরের রানি মা, শুভেন্দুর হাত ধরে যোগদান বহু সংখ্যালঘু পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করলেন কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির বর্তমান রানি মা অমৃতা রায় সহ একাধিক তৃণমূল কর্মী। বুধবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে একটি দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপরই দেখা যায় সেখানে উপস্থিত হন রাজবাড়ির বর্তমান রানি মা অমৃতা রায়। শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে তিনি বিজেপির পতাকা তুলে নেন। রাজ কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের সদস্য রাজবধূ বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় দলীয় কর্মীরা উজ্জীবিত।

    বিজেপিতে যোগ দিয়ে কী বললেন রানি মা?

    তিনি বলেন, “বাংলাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আমি বিজেপিতে যোগদান করলাম। আপনারা আশীর্বাদ করুন, তাহলে আমি জয়ী হব।” তাঁর এই মন্তব্যে আবারও কৃষ্ণনগরের বিজেপির প্রার্থী নিয়ে রানি মায়ের নাম নিয়ে জোর তরজা শুরু হল। তবে, এ বিষয়ে অমৃতা রায়কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “উন্নয়নমূলক কাজ করতে বিজেপিতে আসা। এক যুগে রাজ পরিবার এলাকা শাসন করেছে। তাই আমারও ভালো লাগছে আমি ভালো কাজ করতে পারবো।” পাশাপাশি মহুয়া মৈত্রের লোকপাল তলব নিয়ে তিনি বলেন, “কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ আমি করতে চাই না। তবে, এটা ঠিক সাধারণ মানুষ তাঁর অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।” বিজেপিতে আসার কারণ তিনি বলেছেন, “এটা একটি অনুভূতি। আমি ঠিক জায়গায় গিয়ে কাজটা করতে পারব।”

    আরও পড়ুন: ভোট ঘোষণার পর থেকে কমিশনের কাছে জমা পড়ল লাখের ওপর অভিযোগ

    সংখ্যালঘুরা যোগ দিলেন বিজেপিতে (Suvendu Adhikari)

    লোকপাল তলব নিয়ে মহুয়া মৈত্রকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, পাসওয়ার্ড বিক্রি করে তিনি প্রচুর টাকা কামিয়েছেন। এখনও তাঁর (মহুয়া মৈত্র) বাড়িতে যে গাড়িটি পড়ে রয়েছে আপনারা গেলেই বুঝতে পারবেন ওটা কার গাড়ি। পাশাপাশি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তিনি বলেন, কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রায় ৭০ টি সংখ্যালঘু পরিবারের যোগদানের পাশাপাশি প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরদের যোগদান পরিষ্কার বলে দিচ্ছে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর বিজেপির হাতে তুলে দিতে চাইছে সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: বরফের চাদরে ঢাকল দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু, উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা

    Darjeeling: বরফের চাদরে ঢাকল দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু, উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তে বরফে ঢাকলো সান্দাকফু। অসময়ের এই তুষারপাতে পাহাড় মুখী হতে শুরু করেছেন পর্যটকেরা। বুধবার সকাল থেকেই দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) সান্দাকফু বরফে ঢেকে রয়েছে। অসময়ের তুষারপাতের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পাহাড়মুখী হতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। শুধু এদিনই নয়, আরও কয়েকদিন ধরে চলবে এই তুষারপাত। আবহাওয়া দফতরের এই পূর্বাভাস। পর্যটন ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি। দোলের সামনে এই তুষারপাত ব্যাপক সংখ্যায় পর্যটকদের দার্জিলিং পাহাড়ে টেনে আনবে, এমনটাই আশা তাদের। খুশি পর্যটকরা।

    কেন এই অসময়ের তুষারপাত? (Darjeeling)

    অসময়ে তুষারপাত দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) সান্দাকফুতে নতুন নয়। সিকিমের আবহাওয়া দফতরের আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, গত বছর মার্চ মাসে সান্দাকফুতে বরফ পড়েছিল। কয়েক বছর আগে এপ্রিল মাসেও বরফ পড়েছে। শীত চলে যাওয়ার পর বসন্তের আগমনে সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছিল।  তার মাঝে হঠাৎ করে বরফ পড়ার ঘটনা চমকপ্রদ বটে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে,  গত দুমাস ধরে দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গ বৃষ্টিপাত ছিল না। ঘূর্ণাবর্ত, নিম্নচাপ তৈরি হলেও জলীয়বাষ্প না থাকায় এই দু’মাস বৃষ্টিপাত হয়নি। গোপীনাথ রাহা বলেন, গত কয়েকদিন ধরে উত্তর-দক্ষিণ অক্ষরেখা চলে আসার পাশাপাশি একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। তার সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকেও প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প আসতে শুরু করেছে। ঘূর্ণাবর্ত থাকা সেই জলীয়বাষ্প উপরে উঠে গিয়ে জমাট বেঁধে বৃষ্টি এবং তুষারপাত ঘটিয়েছে। আগামী কয়েকদিন ধরে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টিপাত হবে। সেই সঙ্গে দার্জিলিং ও সিকিমের উঁচু জায়গাগুলিতে তুষারপাতও চলবে।

    আরও পড়ুন: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

     খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা

    এখন ভরা পর্যটন মরসুম। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনের দামামা বেজে যাওয়ায় এবার পর্যটনে কিছুটা ভাটা শুরু হয়েছিল। অসময়ের তুষারপাত সেই ধাক্কা অনেকটাই সামলে দেবে বলে আশা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। উত্তরবঙ্গের অন্যতম ট্যুর অপারেটর সম্রাট সান্যাল বলেন, অসময়ে তুষারপাতে এদিন থেকেই আবার পাহাড়ে পর্যটক আসতে শুরু করেছেন। দোলের আগে উইকেন্ডের মাঝে এই তুষারপাত পর্যটকদের দার্জিলিং (Darjeeling) আসার ব্যাপারে নতুন করে উৎসাহিত করেছে। এই অঞ্চলের পর্যটন ব্যবসার ক্ষেত্রে একটা ভালো দিক। আমরা আশা করছি এবারের দোল উৎসব পর্যন্ত দার্জিলিং পাহাড় পর্যটকে ঠাসা থাকবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ‘তৃণমূলের কিছু নেতার মদতেই আটকে রাখা হয়েছে বাবাকে’, সরব আরাবুল পুত্র

    South 24 Parganas: ‘তৃণমূলের কিছু নেতার মদতেই আটকে রাখা হয়েছে বাবাকে’, সরব আরাবুল পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে গিয়েছে। শাসক থেকে বিরোধী প্রায় সব পক্ষের প্রার্থীরা জোরদার প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের অত‍্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড়। আর সেই ভাঙড়ের তৃণমূলের ভোট মেশিনারির হোতা আরাবুল ইসলাম এবার রাজনৈতিক ময়দানে নেই। তিনি বর্তমানে বারুইপুর জেলে কারাবন্দি। তাঁর মুক্তির দাবিতে কোর্ট চত্বরে রাস্তায় গড়াগড়ি খেয়ে মানত করলেন পঞ্চায়েত সদস্যরা। সোশ্যাল মিডিয়াতে আরাবুলের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন তৃণমূল কর্মীরা। আরবুলের জেলবন্দির জন্য তৃণমূলের একাংশকে দায়ী করা হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

    তৃণমূলের কিছু নেতার মদতেই আটকে রাখা হয়েছে আরাবুলকে! (South 24 Parganas)

    গত বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) এই ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন আইএসএফ। একদা তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ভাঙড় পুনরুদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু, লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে আইএসএফ কর্মী খুনের ঘটনায় ৮ই ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার হন ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম। জামিন পাওয়া তো দুরস্ত তাঁকে একের পর এক কেসে ট‍্যাগ করে কখনও পুলিশ হেফাজত তো আবার কখনও জেল হেফাজতে রাখা হচ্ছে। এই আবহে ভোট ময়দানে নেই ভাঙড়ের তাজা নেতা আরাবুল ইসলাম। তাঁর অনুগামী থেকে সাধারণ কর্মী সমর্থকেরা কার্যত মুষড়ে পড়েছেন। আরাবুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে সরব হয়েছেন বহু তৃণমূল কর্মী। পাশাপাশি ভাঙড় জেলা পরিষদের সদস্য তথা আরাবুল পুত্র হাকিমুল ইসলাম বলেন, তৃণমূলের কিছু নেতার মদতে বাবাকে (আরাবুল) আটকে রাখা হয়েছে। তবে, বেশিদিন আটকে রাখা যাবে না। সত্য সামনে আসবেই। দলের অন্য কর্মীরাও এই একই বক্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    আদালতে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভ

    এবার একেবারে বারুইপুর কোর্ট চত্বরে আরাবুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ভাঙড়ের বামনঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের সদস্য দীলিপ পাত্র সহ তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের বক্তব্য,  “দাদাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। দাদার মুক্তির জন্য ঠাকুরের কাছে মানত করেছি।” যদিও এ বিষয়ে ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক শওকত মোল্লা বলেন, “এটা বিচারাধীন বিষয়। আমার কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Satabdi Roy: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

    Satabdi Roy: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছেন। দলে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল সেখ বেশ কিছুদিন ধরে বীরভূমে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর দাপাদাপিতে কেষ্ট অনুগামীরা এখন কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। লোকসভা ভোটের মুখে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এই অবস্থায় দলের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের (Satabdi Roy) বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন শতাব্দী রায়? (Satabdi Roy)

    লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বুধবার সিউড়ি তৃণমূল কার্যালয়ে ছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির বৈঠক। আর সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন কোর কমিটির সদস্য বিকাশ রায়চৌধুরী, চন্দ্রনাথ সিনহা, অভিজিৎ সিংহ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অসিত মাল এবং বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। মূলত কোর কমিটির এদিনের এই বৈঠকে বীরভূম জেলায় লোকসভা ভোটের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিজেপির দখলে থাকা দুবরাজপুর বিধানসভা এলাকায় কীভাবে বেশি মার্জিনে ভোট টানা যাবে তা নিয়েও আলোচনা হয়। ভোটের আগে জেলায় যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয় বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। এদিনের এই বৈঠকের পর সাঁইথিয়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে শতাব্দী রায় বলেন, “গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে বেশি মাথা ঘামাবেন না, ওটা এখন তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে পড়ে গিয়েছে। যে লোকগুলোর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলে তোমরা রিপোর্ট দেখাবে, তারাই দেখবে আবার দুদিন পর হাতে হাত ধরে ভোট করতে যাবে, তখন তোমাদের ওই রিপোর্টটা বেকার হয়ে যাবে।” ফলে, জেলায় যে গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে তা বিদায়ী সাংসদ স্বীকার করে নেন। তৃণমূল প্রার্থীর এই বক্তব্য নিয়ে দলের কর্মীদের মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “যে বুথে লিড পাবো না সেই বুথে….”, প্রচারে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    Bankura: “যে বুথে লিড পাবো না সেই বুথে….”, প্রচারে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট চাইতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল। লিড না পেলে সেই এলাকায় কী পদক্ষেপ করবেন, তার ব্যাখ্যা করেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থীর এই মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিজেপি-র পক্ষ থেকে এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী? (Bankura)

    তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল বাঁকুড়ার (Bankura) মঙ্গলবার প্রচারে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘যে বুথে লিড পাবো, সেই বুথে জান লড়িয়ে দেব। যে বুথে পাবো না সেই বুথে আমি তো দূরস্ত, আমার দলের কোনও কর্মীকেও আসতে দেব না।’ ওন্দা ব্লকের নতুনগ্রাম এলাকায় প্রচারে গিয়ে তিনি আরও বলেন, “কোন কোন বুথে তৃণমূল ও বিজেপি লিড পাচ্ছে তার তালিকা তৈরি করে রাখা হবে। যে বুথে তৃণমূল লিড পাবে সেখানে জান লড়িয়ে দেব। আর যেখানে তৃণমূল লিড পাবে না সেখানে আমি তো দূরস্ত আমার কোনও কর্মীকেও যেতে দেব না”। এখানেই থেমে থাকেননি। সুজাতাকে হুমকির সুরে গ্রামবাসীদের বলতে শোনা যায়, “তোমরা ভোটের বেলায় বড় ফুলকে দেবে, আর চাওয়ার বেলায় ছোট ফুলের কাছে চাইবে তা হয় না। তোমরা বারেবারে এখান থেকে বিজেপিকে জিতিয়েছ। এবারও যদি তাই হয় তাহলে এবার তোমাদের কথা শুনতে আমরা আর আসবো না। তোমরা বিজেপির সঙ্গে বুঝে নেবে।”পরে, সুজাতা মণ্ডলের যুক্তি, এই এলাকা থেকে বারবার বিধানসভা, লোকসভা ও পঞ্চায়েতে বিজেপি জিতছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওন্দা এলাকাকে উন্নয়নের জোয়ারে ভরিয়ে দিচ্ছেন। এতে তাঁদের যন্ত্রণা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল প্রার্থীর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অমরনাথ শাখার বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। তৃণমূল এখন ঠেলায় পড়ে এমন মন্তব্য করছে। এরকম মন্তব্য ওরা যত করবেন, তত মানুষের থেকে তাঁরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর গ্রেফতার হওয়ার দিনই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন মহিলারা। দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই আবারও পথে নেমেছেন গ্রামের মহিলারা। এবারের ঘটনাস্থল সন্দেশখালির সুখদোয়ানি।

    ঠিক কী হয়েছে? (Sandeshkhali)

    জানা গিয়েছে, ইট বিক্রি করে সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দুই তৃণমূল নেতা। এরপরই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মহিলারা। এমনকী ঠিকাদারকে ঘিরে ধরে দেখানো হয় বিক্ষোভ। তাড়া খেয়ে দুই তৃণমূল নেতা পালিয়ে যান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামে পুলিশ ও র‍্যাফ। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, দুর্গা মন্দিরের জন্য বরাদ্দ ইট বিক্রি করে দিয়েছেন তৃণমূলের দুই নেতা। একজনের নাম সঞ্জীব আড়ি। তিনি অঞ্চল সভাপতি। অপরজন দেবব্রত ভুঁইয়া। তিনিও এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা। ম্যানগ্রোভ কেটে নদীর চর বিক্রি করে দোকান তৈরি করা হয়েছে। সেখানে এই দুই নেতার ভূমিকা রয়েছে। শুধু তাই নয়, নির্মল বাংলা প্রকল্পে শৌচাগার নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ইট ঠিকাদার চিত্ত অধিকারীকে বিক্রি করে দিয়েছেন এই দুই নেতা। এরপর ঠিকাদার সেই ইট তুলতে এলে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। অভিযুক্ত দুই তৃণমূল নেতা নাক গলাতে এসে বিপাকে পড়েন। তাঁদের সামনে পেয়ে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়। মহিলারা তাড়া করেন তাঁদের। প্রাণ বাঁচাতে ছুটে একটি ঘরের ভিতর ঢুকে যান দুই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। তাঁদের নিরাপত্তা দিতে গোটা বাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেমেছে র‍্যাফ। ইতিমধ্যেই গ্রামবাসীরা তৃণমূল নেতা দেবব্রতর বাইক ভাঙচুর করেন। অভিযোগ, মারধর করা হয়েছে তাঁর ভাইপোকে। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, গ্রামবাসীদের ঠেকাতে গিয়ে পুলিশ মাটিতে পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা দেবব্রত ভুঁইয়া বলেন, এলাকায় কালভার্টের কাজ চলছে। সেটার জন্য কিছু ইট কম পড়ে। আমি ঠিকাদারকে বলেছিলাম পঞ্চায়েতের ইট নিয়ে কাজ করতে। কিন্তু, এখানকার পুজো কমিটি বলেছে ইট দেব না। এরপর ঠিকাদার সেই ইট নামিয়ে দেয়। আর আমরা মিটিংয়ে যাওয়ার সময় আমাদের ঘিরে ধরে বলে শাহজাহান এই করেছে ওই করেছে। আর কিছুই হয়নি। বাকি যা যা বলছে সব মিথ্যা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Murshidabad: সন্দেশখালির মডেল এবার মুর্শিদাবাদে, জমি হাতানোয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে জোর করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির মডেলেই অন্যের জমি হাতানোর অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিতলা থানার দেবাইপুর এলাকার এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিতলা থানার দেবাইপুর এলাকার বাসিন্দা কামালউদ্দিন আহমেদ। অভিযোগ, তাঁর জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে তৃণমূল নেতা মাসাদুল খান। কামালউদ্দিনের দাবি, মাসাদুল খানের কাছ থেকে তাঁর বাবা সাড়ে তিন শতক জায়গা কিনে নিয়েছিলেন। আর এই জায়গা এখন কামালউদ্দিন আহমেদ সহ তাঁর আরও তিন ভাই ও দুই বোনের নামে রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে মাসাদুল খান জোরপূর্বক সেই জমি দখল করতে চাইছে। ঠিক যেমন শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল একদম সেই রকম। শুধু তাই নয়, হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি রানিতলা থানায় অভিযোগ জানাতে যাই। কিন্তু, পুলিশ আমাদের অভিযোগ নেয়নি। এরপর বাধ্য হয়ে ভগবানগোলার এসডিপিওর কাছে গিয়ে অভিযোগ জানাই। শমিরুদ্দিন আহমেদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, “আমাদের জমি জোর করে দখল করতে চাইছেন মাসাদুল। তিনি তৃণমূলের দাপুটে নেতা। থানাকে হাত করে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা বাড়িতে থাকতে পারছি না এখন। উল্টোপাল্টা কেসে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মাসাদুল খান বলেন, “সালটা ২০১৪। সেই সময় প্রাক্তন সিপিএম প্রধানের নেতৃত্বে আমার জমি দখল করা হয়। জোর করে আমার জায়াগায় বাড়ি করা হয়। এমনকী আমি থানায় অভিযোগ করি। এরপর সালিশি সভা হয়। এরপর দেড় শতক জায়গা আমি ওদের দিয়ে দিই। আসলে ওরা আমার জমি দখল রেখেছিল। এখন আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share