Tag: West Bengal

West Bengal

  • Malda: ‘নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে, জলটল দিয়ে দেবেন’, কেষ্টর বুলি মালদার তৃণমূল প্রার্থীর গলায়

    Malda: ‘নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে, জলটল দিয়ে দেবেন’, কেষ্টর বুলি মালদার তৃণমূল প্রার্থীর গলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট আসলেই বিরোধী রাজনৈতিক দলকে নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের গলায় গরমাগরম ডায়গল শোনা যেত। গরু পাচার কাণ্ডে তিনি এখন তিহার জেলে রয়েছেন। কেষ্টকে দেখেও শিক্ষা হয়নি তৃণমূলের নেতাদের। এবার লোকসভা ভোটের প্রচারে মালদা (Malda) উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও কেষ্টর বুলি শোনা গেল। নির্বাচন কমিশনকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাক্তন এই আইপিএস। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Malda)

    এমনিতেই তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে বড় কোনও নেতা প্রচারে নামা শুরু করেননি। বিশেষ করে তৃণমূল নেত্রী মৌসুম বেনজির নূরকে এখনও পর্যন্ত প্রচারে সেভাবে দেখা যায়নি। ফলে, দলের মধ্যে কোন্দল একেবারে সামনে চলে এসেছে। এই অবস্থায় অনুব্রতের মতো গরামগরম বুলি বলে তৃণমূল প্রার্থী বাজিমাত করতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। হরিশচন্দ্রপুরে উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে গিয়েছিলেন। এই প্রসূনকে এক সময় মালদাবাসী পুলিশকর্তা হিসাবে চিনতেন। এবার তিনি ভোটের প্রার্থী। ভোট প্রচারে নেমে প্রসূন কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “প্যারামিলিটারি যদি ভয় দেখায় আমার নাম প্রসূন ব্যানার্জি। ম্যায় হুঁ না। নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে রাখতে হবে এখানে। ভাল করে জলটল দিয়ে দেবেন। ওদের অযত্ন করবেন না। ওনারাও চাকরি করেন। কোনও অযত্ন করবেন না। শুধু বলবেন প্রসূন ব্যানার্জি খেলতে এসেছে। বুটের দপদপানি, একে-৪৭ দিয়ে কোনও লাভ নেই। বুঝে নেবো সব। আইনকানুন, অবজারভার বুঝে নেবে। সকলকে সম্মান দেবেন। প্রতিপক্ষকে সম্মান দেবেন, কাউকে কুকথা বলবেন না।”

    আরও পড়ুন: রচনার কর্মিসভায় গরহাজির বহু তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মালদা (Malda) উত্তরের বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ” যিনি আজ এখানে ধমকাচ্ছেন, ভাবছেন সকলে ঘরে ঢুকে যাবে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। আমরা তৃণমূলের প্রতিটা চমকানো ধমকানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনে জানাব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rachna Banerjee: রচনার কর্মিসভায় গরহাজির বহু তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Rachna Banerjee: রচনার কর্মিসভায় গরহাজির বহু তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোন্দলে লাগাম টানতে সেলিব্রিটি প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rachna Banerjee) হুগলি লোকসভায় প্রার্থী করেছে তৃণমূল। কর্মীদের উচ্ছ্বাসে জোটবদ্ধ হয়ে প্রচার করার কথা। কিন্তু, টলিউড অভিনেত্রীকে প্রার্থী করেও যে গোষ্ঠীকোন্দলে লাগাম পরেনি, লোকসভা ভোটের প্রচারের শুরুতেই তা কার্যত স্পষ্ট হয়ে গেল। রবিবার দলের প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মিসভায় অনেক নেতাকেই দেখা গেল না। এই তালিকায় দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি থেকে বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান-উপপ্রধানরা রয়েছেন।

    কর্মিসভায় গরহাজির বহু পুরানো তৃণমূল কর্মী! (Rachna Banerjee)

    রবিবার বিকেলে পান্ডুয়ায় জিটি রোডের ধারে একটি প্রেক্ষাগৃহে কর্মিসভা হয়। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী রচনা (Rachna Banerjee) ছাড়াও বিধায়ক রত্না দে নাগ, ধনেখালির বিধায়ক অসীমা পাত্র, জেলা সভাধিপতি রঞ্জন ধারা প্রমুখ ছিলেন। তবে, প্রাক্তন ব্লক সভাপতি অসিত চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা সঞ্জয় ঘোষ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না মাজি-সহ কয়েক জন কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি চম্পা হাজরা আসেননি। ব্লকে তৃণমূলের দখলে থাকা ১৪টি পঞ্চায়েতের কয়েক জন কর্মাধ্যক্ষ আসেননি। ব্লকে তৃণমূলের দখলে থাকা ১৪টি পঞ্চায়েতের মধ্যে বেশিরভাগের প্রধান-উপপ্রধানদেরও দেখা যায়নি। তৃণমূলের প্রবীণ নেতা অসিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “প্রার্থীকে জেলা এবং ব্লকের নেতারা ভুল বোঝাচ্ছেন। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে দলে রয়েছি। অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলাম। অথচ, প্রার্থীকে নিয়ে কর্মিসভায় ডাকই পেলাম না।”পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য, “আমরা ডাক পাইনি। প্রেক্ষাগৃহ ভরাতে অন্য ব্লক থেকে কর্মীদের আনতে হয়েছে।”

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনিসুল ইসলাম বলেন, “ব্লক তৃণমূলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানানো হয়েছিল। এ ছাড়াও ফোনে সবাইকে বলা হয়েছে। অনেকেই এসেছেন। তাই, জানানো হয়নি যাঁরা বলছেন, তাঁরা ঠিক বলছেন না।” রত্নারও দাবি, “সবাইকে জানানো হয়েছিল।” হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি অরিন্দম গুঁইনের প্রতিক্রিয়া, “কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়, মনোমালিন্য হয়েছে। মিটিয়ে নেব।”

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    North 24 Parganas: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা এখন জেলে। জেলায় জেলায় কাটমানি, তোলাবাজি চালানোর অভিযোগ উঠছে শাসক দলের নেতা -কর্মীদের বিরুদ্ধে। দোসর এখন সন্দেশখালি কাণ্ড। রাস্তাঘাটে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে ছি ছি করছেন সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় তৃণমূল কর্মীরা নিজেদের পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করছেন। ভোট চাইতে কর্মীদের লজ্জা হচ্ছে। এটা বিরোধীরা প্রচার করছেন এমন নয়। খোদ উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা অশোকনগরের তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী দলীয় কর্মীদের সম্পর্কে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, ‘দলীয় কর্মীরা ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন’। বিধায়কের এই মন্তব্যে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (North 24 Parganas)

    শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরের রাজীবপুর-বিড়া এলাকায় হাবড়া ২ ব্লক তৃণমূলের কর্মিসভা ছিল। সেখানেই কর্মীদের উদ্দেশে নারায়ণ গোস্বামী বলেন, ‘দলের অনেক কর্মী রয়েছেন, প্রকাশ্যে যাঁরা নিজেদের তৃণমূল কর্মী পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করছেন। ট্রেনে বাদাম বিক্রেতা যদি বাদাম নিয়ে চুপ করে থাকেন, যদি ভাবেন সম্মান নষ্ট হবে, তা হলে তাঁর বাদাম বিক্রি হবে? তৃণমূল কর্মী মানে ফেরিওয়ালা। কিন্তু পাড়ার লোককে গিয়ে তৃণমূলকে ভোট দিন বলতে লজ্জা পাচ্ছি’! তৃণমূল বিধায়কের এই ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) ‘ভাইরাল’ হয়েছে। নারায়ণ পরে অবশ্য দাবি করেন, আমার মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “কিছু বুথে কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তার জন্য হার হয়। তাঁদের উৎসাহিত করতে ওই কথা বলেছি। তার মানে কি তৃণমূল খারাপ?” ওই কর্মিসভায় নারায়ণের সঙ্গে ছিলেন বারাসত কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। তিনি বলেন, “এটা ওঁর ব্যক্তিগত মত।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    তৃণমূল বিধায়কের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস মিত্র বলেন, “নারায়ণবাবু যে কথাটা বলেছেন, তা রাজ্যের মানুষের মনের কথা। তিনি কর্মিসভায় প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, তৃণমূল দলটা করলেও অনেকে পরিচয় দিতে লজ্জা পান। এর থেকে প্রমাণিত হয়, রাজ্যের মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তৃণমূলের নেতারা রাস্তায় বের হলে সাধারণ মানুষ ‘চোর’ বলে দেগে দিচ্ছেন। এতদিন পর আসল সত্যিটা বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক।”

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বালুরঘাট-দিল্লি ট্রেন ঘোষণার পর ‘রূপকার’ সুকান্তকে সামনাসামনি পেয়ে বেজায় খুশি ভোটাররা

    BJP: বালুরঘাট-দিল্লি ট্রেন ঘোষণার পর ‘রূপকার’ সুকান্তকে সামনাসামনি পেয়ে বেজায় খুশি ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট থেকে সোজা দিল্লি যাবে ট্রেন। শনিবারই তা ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার বালুরঘাট তহ বাজারে ভোট প্রচারে সুকান্ত মজুমদারকে পেয়ে খুশি ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর প্রথম রবিবারের সকালেই প্রচারে বেরিয়ে পড়লেন বালুরঘাটের বিজেপি (BJP) প্রার্থী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন একটানা প্রায় দেড় ঘণ্টা জনসংযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী।

    জন সংযোগে সুকান্ত (BJP)

    সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী সকলের সঙ্গে কথা বলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে হাতের কাছে পেয়ে বালুরঘাটের সাধারণ মানুষ তাদের অভাব অভিযোগ দাবির কথা জানান। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেছেন বালুরঘাটে যে সমস্ত সমস্যা রয়েছে, সেগুলি নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর সেখানে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা হবে। এদিন সকালে বালুরঘাটের তহ বাজারে সুকান্ত মজুমদারকে কাছে পেয়ে খুশি ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শনিবার বালুরঘাট -দিল্লি ট্রেন ঘোষণা হওয়ায় খুশি জেলাবাসী।

    ৫০ হাজার ভোটে লিড

    গত লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষকে হারিয়েছিলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জয়ের ব্যবধান ছিল ৩০ হাজারের বেশি। এবার বালুরঘাট থেকেই অন্ততপক্ষে পঞ্চাশ হাজার ভোটে লিড নেবেন বলে আশাবাদী সুকান্ত মজুমদার। একদিকে রেলের  একাধিক প্রকল্প, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষিত নানা সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। সাংসদকে সংসদে বলতে দেখা গেছে বারবার। যে কারণে সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্বতে তিনি কোনওরকম খামতি রাখেননি বলে মত প্রকাশ করেছেন তিনি।

    বালুরঘাট-দিল্লি ট্রেন ঘোষণা হতে খুশি এলাকাবাসী

    রবিবাসরীয় প্রচারে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলকে দেখা যায়নি বালুরঘাটে। বিপ্লব মিত্র তৃণমূল প্রার্থী তার কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে মিটিং করেছেন তাঁর বাসভবনে। বামফ্রন্টের তরফ থেকে আরএসপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হলেও এখনও বামপন্থীদের সেভাবে প্রচারে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমি মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শুনেছি। তাঁদেরকে আশ্বস্ত করি বালুরঘাটে যে সমস্ত সমস্যা আছে সবগুলো সমাধান করার। এছাড়া বালুরঘাট-দিল্লি ট্রেন ঘোষণা হবার পর মানুষের মধ্যে আলাদা আনন্দ এসেছে।

    তৃণমূলের ঢোল ফেটে গিয়েছে!

    সারা দেশের মধ্যে বাংলা, বিহার ও উত্তরপ্রদেশে ৭ দফায় ভোট। ৭ দফা ভোট প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ৭ দফা ভোট তো কম হয়েছে আমার মতে আট, দশ দফায় ভোট হলে আরো ভালো হতো। এক একটি লোকসভা একটা দফায় ভোট হলে পশ্চিমবঙ্গে  ঠিক মতো ভোট করানো সম্ভব হতো। তবে, ৭ দফায় ভোটে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। তৃণমূল তো পুলিশ ও গুন্ডা বাহিনী দিয়ে ভোট লুট করার চেষ্টা করবে। ৭ দফায় হলে অতটা তারা পারবে না। আমরা ভোট লুট হতে দেব না। আমরা লড়াই করবো। লোকসভায় প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে একাধিক তৃণমূল নেতা বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,বাংলায় একটা গান আছে ফেটে গেলো কালিরামের ঢোল। তৃণমূলের ঢোল ফেটে গেছে। কোনও কিছু আর সুরে আর তালে মেলে না। সবই এখন বেসুরো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: টায়ার জ্বালিয়ে ফের বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে, উঠল তিন তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবি

    Sandeshkhali: টায়ার জ্বালিয়ে ফের বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে, উঠল তিন তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর শেখ সহ তিনজনকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। সেই গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রবিবার ফের সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর বাজারের রাস্তায় নেমে আন্দোলন করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আরও তিনজন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন তাঁরা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন আন্দোলনকারীরা।

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তিন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি (Sandeshkhali)

    ইডি-র ওপর হামলার পর বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিলেন শাহজাহান। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। জমির জবরদখল থেকে শুরু করে মহিলাদের নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ এবং তাঁর শাগরেদদের গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমেছিলেন সন্দেশখালির মহিলারা। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানের গ্রেফতারির পর সেই আন্দোলন কিছুটা থিতিয়েছিল। পরে গ্রেফতার করা হয়েছিল শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ, সরবেড়িয়ার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জিয়াউদ্দিন মোল্লা, ফারুক আকুঞ্জি এবং দিদার বক্স মোল্লাকেও। শনিবার শাহজাহানের ভাই আলমগীর শেখ এবং শাহজাহানের আরও দুই সঙ্গী মাফুজার মোল্লা এবং সিরাজুল মোল্লা গ্রেফতার হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। এই পরিস্থিতিতেই রবিবার সন্দেশখালির বেড়মজুরে নতুন করে শুরু হয় বিক্ষোভ। এদিন যে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছেন গ্রামবাসীরা, তাঁরা হলেন, বেড়মজুর দুই নম্বরে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাজি সিদ্দিক মোল্লা, তৃণমূল নেতা হাশেম মোল্লা এবং জুলফিকার মোল্লা। এঁদের বিরুদ্ধেও জমিদখল এবং মানুষের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেকেই শাহজাহান ঘনিষ্ঠ। এলাকায় রয়েছেন তাঁরা। তাঁদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।

    বসিরহাট আদালতে তোলা হল আলমগীরকে

    অন্যদিকে, শনিবার শাহজাহানের ভাই আলমগিরকে গ্রেফতার করার পর রবিবার তাঁকে বসিরহাট আদালতে তোলে সিবিআই। তাঁর সঙ্গে আনা হয় শাহজাহানের আরও দুই সঙ্গী মাফুজার মোল্লা এবং সিরাজুল মোল্লাকে। এঁদেরকে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হওয়া হামলা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই মামলার সূত্রেই আদালতে তোলা হয় তাঁদের।

    বিজেপি-র শিবির সন্দেশখালিতে

    শনিবার থেকেই বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষের অভিযোগ নেওয়ার শিবির শুরু হয়েছে। শনিবার শিবিরের প্রচুর মানুষ অভিযোগ জানাতে ভিড় করেছিলেন। রবিবারও সন্দেশখালির ত্রিমোহিনী এলাকায় শুরু হয় অভিযোগ গ্রহণ শিবির। প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও সেখানে রয়েছেন ২০ জন আইনজীবীর প্রতিনিধিদল। এদিনও ভিড় বাড়তে শুরু করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোট ঘোষণা হতেই জেলায় জেলায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: ভোট ঘোষণা হতেই জেলায় জেলায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এরইমধ্যে জেলায় জেলায় বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে এই হামলা চালানোর অভিযোগ উঠছে। ভোটের মুখে এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে তৃণমূল এসব করছে বলে বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের অভিযোগ।

    বিজেপি কর্মীর দোকানে আগুন (BJP)

    পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে বিজেপি কর্মীর দোকানে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে পাণ্ডবেশ্বরের ১৯ নম্বর বুথের জামাই পাড়ার এবিপিট এলাকায় পাণ্ডবেশ্বর মণ্ডল- ১ এর মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রীনা ঠাকুরের দোকানে আগুন লাগানো হয়। রীনা দেবী বলেন, ছয় মাস আগে বিজেপি যোগদান করেছি। তারপর থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি (BJP) ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য জোর করা হচ্ছে। অন্যথায় বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া এবং প্রাণেও মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হত। তৃণমূলের সেই দাবি না মানায় আমার দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। অবিলম্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    ১০০দিনের কাটমানি নেওয়ার প্রতিবাদ করে আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    ১০০ দিনের বকেয়া মেটানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই টাকা প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকলে সঙ্গে সঙ্গে কাটমানি চাওয়া হচ্ছে। রাজ্যের একাধিক জেলায় তৃণমূল নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। মালদার চাঁচলে যে সব জবকার্ড প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে, সেখানকার চাঁচলের রায়পাড়া বুথের তৃণমূলের সভাপতি তাপস নুনিয়া কাটমানি দাবি করতে থাকেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী তথা বিজেপি (BJP) নেতা সন্তোষ রায় এই অন্যায়ের প্রতিবাদ জানান। এরপরই তৃণমূল নেতার অনুগামীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়। এমনকী ধারালো অস্ত্রে মাথায় কোপ মারা হয়। আক্রান্ত বিজেপি নেতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। যদিও তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শেখ আফসার আলি বলেন, এই হামলার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। দলকে বদনাম করার জন্য এসব করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের ভোজ খেয়ে ৪০ শিশু সহ অসুস্থ ৮৫, এলাকায় চাঞ্চল্য

    Birbhum: শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের ভোজ খেয়ে ৪০ শিশু সহ অসুস্থ ৮৫, এলাকায় চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে গিয়ে মুড়ি, বোঁদে খেয়েছিলেন। তারপরই বাড়ি ফিরে প্রথমে দু-একজন, তারপর একের পর এক নিমন্ত্রিত ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সকলেরই উপসর্গ ছিল- বমি, পেট খারাপ। সবমিলিয়ে প্রায় ৮৫ জন অসুস্থ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চল্লিশের বেশি শিশু। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া থানার সংড়া পঞ্চায়েতের পাগলাডাঙ্গা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া থানার সংড়া পঞ্চায়েতের পাগলাডাঙ্গা গ্রামে এলাকারই এক মহিলার শ্রাদ্ধের কাজে গিয়েছিলেন দাসপুর, কামারশাল ও পাগলাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা। সেখানেই মুড়ি, বোঁদে খান তাঁরা। তারপর বাড়ি যেতেই একের পর এক অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশপাশের গ্রাম থেকে অসুস্থ হওয়ার খবর আসতে থাকে। সন্ধ্যা থেকেই বমি, পায়খানার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। অসুস্থ হয়ে পড়ে আশপাশের গ্রামের বহু শিশু। মোট ৮৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে, অসুস্থ লোকজনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অনেককেই ভর্তি করা হয়েছে সিউড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।

    প্রশাসনের কর্তারা কী বললেন?

    রোগী ও রোগীর পরিজনদের সঙ্গে দেখা করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক বিশ্বজিৎ মোদক, মহকুমা শাসক সুপ্রতীক সিনহা, সাঁইথিয়া ব্লকের বিডিও, সাঁইথিয়া থানার ওসি, সিউড়ি থানার আইসি সহ অন্যান্যরা। অতিরিক্ত জেলাশাসক বিশ্বজিৎ মোদক মনে করছেন খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই এমনটা হয়েছে। তিনি বলেন, শ্রাদ্ধ বাড়ি যে খাবার খেয়েছিলেন তাতে বিষক্রিয়া থেকেই এটা হয়ে থাকতে পারে বলে আমাদের মনে হচ্ছে। তবে, আসল কারণটা কী তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও রাজনগরে এরকম ঘটনা ঘটেছে। তবে এতটা ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। রোগীদের জন্য স্যালাইন সহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেকেই এখন স্থিতিশীল রয়েছেন। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি চালাচ্ছি। অসুস্থদের সকলের সুচিকিৎসা দেওয়ার জন্য যা যা করার দরকার তা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ভোট ঘোষণার পরই সুকান্তর কেন্দ্রে রক্ত ঝরল, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Sukanta Majumdar: ভোট ঘোষণার পরই সুকান্তর কেন্দ্রে রক্ত ঝরল, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে আরও শক্তিবৃদ্ধি করল বিজেপি। শনিবারই বালুরঘাটে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত ধরে মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর সহ পাঁচ জেলার মতুয়ারা বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এরইমধ্যে শনিবার ভোট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আর শনিবার রাতেই বিজেপি করার অপরাধে এক ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম জয়দীপ দাস। তাঁর বাড়ি গঙ্গারামপুর ব্লকের ৩/২ বেলবাড়িতে পঞ্চায়েতের পাটন দাসপাড়া এলাকায়। বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝামেলার সূত্রপাত পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকেই। পাটন ১৮৫ নম্বর বুথে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিজেপি কর্মী জয়দীপ দাসের ভাইয়ের স্ত্রী মিতালি দাস। অভিযোগ তাতেই রাগে ফুঁসছিলেন এলাকার তৃণমূল কর্মী তরুণ পাল ও তাঁর দলবলেরা। পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকে প্রায়ই ঝামেলা হত বলে অভিযোগ। শনিবারও বিজেপি কর্মী জয়দীপদের উদ্দেশে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ ওঠে তরুণ পাল সহ তাঁর পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করতে গেলে জয়দীপকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। গঙ্গারামপুর হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। খবর পাওয়ার পরই রাতে হাসপাতালে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), স্থানীয় বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায়। ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী, জেলা সাধারণ সম্পাদক গৌতম রায় সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্বরা। হামলা প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শঙ্কর সরকার বলেন, হামলার ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

    বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, অভিযুক্ত কারা জানা গেলেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ যদি দ্রুত পদক্ষেপ না করে তাহলে আমরা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হব। প্রসঙ্গত, হামলার ঘটনা নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘কাচের ঘরে বসে ঢিল মারার দরকার নেই’, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘কাচের ঘরে বসে ঢিল মারার দরকার নেই’, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে তৃণমূলের শক্ত জমি তত আলগা হচ্ছে। জেলায় জেলায় বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক শুরু হয়ে গিয়েছে। সংখ্যালঘুরা আস্থা রাখছে বিজেপি-র ওপর।  ইতিমধ্যেই বারাকপুরের দাপুটে নেতা অর্জুন সিং এবং বরানগরের বিধায়ক তাপস রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আর এতেই ঘুম ছুটেছে শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের। শনিবার মেদিনীপুরের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করেছেন। হুগলির সভা থেকে অভিষেকের আক্রমণের কড়া জবাব দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ঠিক কী বলেছেন অভিষেক?

    শনিবার ভোটের দিন ঘোষণা হয়। এরমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সাত দফায় ভোট করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই একে ওপরের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। শনিবার বিজেপির প্রার্থী নিয়ে কটাক্ষ করতে শোনা যায় তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তৃণমূলের ‘দলের আবর্জনাদের’ প্রার্থী করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। শনিবার মেদিনীপুরের একটি সভা থেকে বিজেপির প্রার্থী নিয়েও কটাক্ষ করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বিজেপি বসে আছে তৃণমূল থেকে উচ্ছিষ্টরা কখন বের হবে তাদের মাথায় নিয়ে প্রার্থী করবে।”

    অভিষেককে জবাব দিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যে সাত দফায় ভোট প্রসঙ্গে হুগলির ভদ্রেশ্বরে জনসভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,পশ্চিমবঙ্গে একাধিক জায়গা সন্ত্রাস কবলিত বলেই কমিশন সাত দফায় ভোট করাচ্ছে। অভিষেকের বক্তব্য প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে হুগলির সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওঁকে আমি জিজ্ঞাসা করব, আপনার দলে যাদের প্রার্থী করেছেন সেই বিধায়করা কোন দলের। আপনার প্রার্থী তালিকায় বিজেপি থেকে লোককে নিয়ে গিয়ে প্রার্থী করতে হয়েছে, কৃষ্ণ কল্যাণী, বিশ্বজিৎ দাস, মুকুটমণি অধিকারী কোন দলের এমএলএ? কাচের ঘরে বসে ঢিল মারার দরকার নেই। আপনার এই ঠকবাজি বিদ্যা সবাই জেনে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে শাহজাহানের ভাই আলমগীরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল সিবিআই

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে শাহজাহানের ভাই আলমগীরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডি-র ওপর হামলার ঘটনায় ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে সিবিআই। আগেই শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। পরে, সন্দেশখালিতে একাধিকবার হানা দেন সিবিআই আধিকারিকরা। শাহজাহানের আত্মীয় ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের নোটিশ ধরিয়েছিল সিবিআই। নোটিশ পেয়ে শনিবার সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগীর ও তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ সহ ১৫ জন বাসিন্দা। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর আলমগীর সহ শাহজাহানের আরও দুই ঘনিষ্ঠকে গ্রেফতার করা হয়।

    ৯ ঘণ্টা জেরার পরই গ্রেফতার শেখ আলমগীর (Sandeshkhali)

    গত ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন শেখ শাহজাহান। শাহজাহানকে বিভিন্ন জায়গায় গা ঢাকা দিয়ে থাকার ক্ষেত্রে সাহায্য করেছিলেন তাঁর ভাই শেখ আলমগীর। এমনই আশঙ্কা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেশখালি (Sandeshkhali) গিয়ে সিবিআই কর্তারা গত বৃহস্পতিবার অফিসে হাজিরার জন্য আলমগীরের বাড়িতে নোটিশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, তিনি হাজিরা দেননি। এরপর শুক্রবার ফের নোটিশ পাঠানো হয়েছিল তাঁকে। শনিবার বেলা ১১টার সময় হাজিরার জন্য বলা হয়েছিল। সেই মতো শনিবার সকালে সিবিআই অফিসে পৌঁছান আলমগীর। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদের পর্ব। দীর্ঘ ৯ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগীরকে গ্রেফতার করে সিবিআই। ইডির তদন্তকারী দলের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তে এদিন মোট ১৫ জনকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল সিবিআই-এর অফিসে। সেই তালিকায় ছিলেন সন্দেশখালি ব্লকের তৃণমূল ছাত্র পরিষেদের প্রেসিডেন্ট মাফুজার মোল্লা ও অপর এক তৃণমূল নেতা সিরাজুল মোল্লাও।

    ইডি হামলায় যোগ মিলল শাহজাহান ঘনিষ্ঠের

    গত ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার সময় উন্মত্ত জনতাকে সংঘবদ্ধ করার ক্ষেত্রে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রেসিডেন্ট মাফুজার মোল্লা ও অপর এক তৃণমূল নেতা সিরাজুল মোল্লার ভূমিকা ছিল বলে সন্দেহ সিবিআই কর্তাদের। সূত্রের খবর, এই মাফুজার মোল্লা ও সিরাজুল মোল্লা উভয়েই শেখ শাহজাহানের যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ ছিল। হামলার ঘটনায় তাঁদের যোগ সূত্র ধরেই তাঁদের ডাকা হয়েছিল সিবিআই অফিসে। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিসাররা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেন। কিন্তু, উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় এই দুজনকেও গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share