Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sukanta Majumdar: উত্তরবঙ্গে আরও শক্তিশালী বিজেপি, সুকান্তর হাত ধরে পাঁচ জেলার মতুয়াদের হল যোগদান

    Sukanta Majumdar: উত্তরবঙ্গে আরও শক্তিশালী বিজেপি, সুকান্তর হাত ধরে পাঁচ জেলার মতুয়াদের হল যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিএএ লাগু হতেই বাজিমাৎ! লোকসভা ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে বিজেপি আরও শক্তিশালী হল। শনিবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত ধরে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা বিজেপিতে যোগদান করেন। বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এদিন উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং সহ বিভিন্ন জেলা থেকে মতুয়া মহা সংঘের কার্যকর্তারা বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপিতে যোগদানের পর মতুয়া মহাসংঘের উত্তরবঙ্গ জোনের পর্যবেক্ষক জানান, পরবর্তীতে জেলায় মতুয়া ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের মানুষজনকে তাঁরা বিজেপির পতাকা তুলে দেবেন। আজকের যোগদানের ফলে উত্তরবঙ্গের মতুয়া সম্প্রদায়ের এবং নমঃ শূদ্র সম্প্রদায়ের ভোট লোকসভায় বিজেপির পক্ষে যাবে তা বলাই বাহুল্য।

    মতুয়াদের যোগদানে আরও শক্তিশালী হল বিজেপি (Sukanta Majumdar)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এদিন এই যোগদান কলকাতায় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, ভোট প্রচারের কারণে জেলায় থাকায় এদিন বালুরঘাটে মতুয়া মহাসঙ্ঘের উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার কার্যকর্তাগণ বিজেপিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন জেলায় জেলায় বিজেপিতে যোগদান করানো হবে। এর ফলে দল অনেকটাই শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি এদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নানা ধরনের কর্মসূচি অংশ নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার আগেই তৃণমূল সরকারের  বোনাস ঘোষণা প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,এই মুহূর্তে কোনও পুজো নেই, সামনে হয়তো ইদ আছে। পুজোর বোনাস কেন এখন ঘোষণা করা হল আমি সেটা বুঝতে পারছি না। এইটা হতে পারে যেহেতু সামনে ভোট, ভোটের আগে মানুষকে বোকা বানানোর জন্য এখনই বোনাস ঘোষণা করে দেওয়া হল।

    সন্দেশখালিতে শান্তি ফেরাতে কী বললেন সুকান্ত?

    ভোট ঘোষণার আগেই বাংলায় ঝরল রক্ত! নদিয়ার খুন তৃণমূল কর্মী। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majundar) বলেন, নদিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় এখন তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে। চাপড়ার বিধায়কের সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের লড়াই চলছে। আমরা চাই, যে রক্ত শূন্য ভোট হোক। এক ফোঁটা যেন রক্ত না ঝড়ে এই ভোটে। লোকসভা ভোটেও যেন আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না বাংলার। আতঙ্ক নিয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ সন্দেশখালির মায়েরা। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, সন্দেশখালির মহিলারা তো এখনও অত্যাচারিত হচ্ছেন। তাঁরা তো বলছেন, শেখ শাহজাহান ভেতরে। কিন্তু, তাঁর ভাই সহ দলবল অত্যাচার করে যাচ্ছে। শেখ শাহজাহান ভেতরে যাওয়াতে তাঁরা কোনওভাবে দমেনি। প্রত্যেককে গ্রেফতার করলে সন্দেশখালিতে শান্তি ফিরবে, না হলে শান্তি ফিরবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: “সন্দেশখালি থেকে ইডি-র ট্রেন যাবে এবার নৈহাটি”, পার্থকে নিয়ে ফের বিস্ফোরক অর্জুন

    Arjun Singh: “সন্দেশখালি থেকে ইডি-র ট্রেন যাবে এবার নৈহাটি”, পার্থকে নিয়ে ফের বিস্ফোরক অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে খাসতালুক ভাটপাড়ায় ফিরে ফের বিস্ফোরক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। শনিবার মজদুর ভবনে বসে বারাকপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিককে কড়া আক্রমণ করলেন অর্জুন। তিনি বলেন, শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরার সঙ্গে মিলে পার্থ ভৌমিক নৈহাটিতে কত জমি কিনেছেন, হোটেল কারবার, মাছের ব্যবসা রয়েছে, সবকিছুর প্রমাণ রয়েছে। সন্দেশখালি থেকে ইডি-র ট্রেন এবার নৈহাটিতে যাবে। আমি যা বলছি সমস্ত তথ্যপ্রমাণ নিয়েই বলছি। একজন স্কুল শিক্ষকের ছেলে কী করে পাঁচটা পেট্রোল পাম্পের মালিক হল? নাম না করে তিনি পার্থ ভৌমিককেই ইঙ্গিত করেছেন।

    নৈহাটিতে পার্থকে হারানোর চ্যালেঞ্জ জানালেন অর্জুন (Arjun Singh)

    অর্জুন (Arjun Singh) বলেন, দল কাকে টিকিট দেবে তা আমি জানি না। দল যাকেই প্রার্থী করুক না কেন, আমি দলের একনিষ্ঠ সৈনিক হিসেবে কাজ করব। তবে, এটুকু আমি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলছি, নৈহাটির বুকে আমি পার্থ ভৌমিককে হারাব। তিনি আরও বলেন, পুলিশ দিয়ে আমাদের কর্মীদেরকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দলীয় কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলার কেস দেবে। সন্ত্রাস করে ওরা সব কিছু দখল করার চেষ্টা করবে। পুলিশ দিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে। যেসব পুলিশ অফিসাররা এই সমস্ত কাজে যুক্ত থাকবে, তাদের তালিকা তৈরি করে  সংশ্লিষ্ট দফতরে আমি জানাবো। এই ধরনের কাজ আমরা মেনে নেব না। তৃণমূল প্রার্থীর হাল দেখে আমি হতবাক। তিনি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। এখানকার মন্ত্রীর এমন অবস্থা যে নির্বাচনের এজেন্টের জন্য আমার এক ভাইপোর নাম নিতে হচ্ছে। ভোটে লড়াই করতেও অর্জুনের নাম নেওয়া ছাড়া গতি নেই। তৃণমূল দলে লোকই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

    ভোটারের পরিবর্তে কর্মীদের ঘরে ঘরে যেতে ব্যস্ত তৃণমূল প্রার্থী

    অর্জুন (Arjun Singh) আরও বলেন, তৃণমূল প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে তিনি শুধু ভোটারদের পরিবর্তে তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। এখন ঘর গোছাতেই ব্যস্ত তিনি। কারা দল ছেড়ে বেরিয়ে যাবেন সেই আতঙ্কে ভুগছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। আমি টিকিটের জন্য দল ছেড়েছি না, কী কারণে দল ছেড়েছি সেটা এবার প্রমাণ হয়ে যাবে। তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে বালি মাফিয়ারা পোস্টার ছাপিয়েছেন। লোটোর কারবারের মালিক পোস্টার মারছেন। তৃণমূল প্রার্থী দুর্নীতিগ্রস্ত কতটা সেটা বোঝাই যাচ্ছে। উন্নয়নের নিরিখে ভোট হলে কে জয়ী হবে তা প্রমাণ হয়ে যাবে। আসলে বারাকপুরে সিন্ডিকেটরাজ বন্ধ করতে, সন্ত্রাস বন্ধ করতে, তোলাবাজি বন্ধ করে বারাকপুরবাসী পাশে থাকতে আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদিও পার্থ ভৌমিক বলেন, হলফনামায় সব কিছু উল্লেখ থাকবে। ফলে, এসব কথা বলে কোনও লাভ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ভোটের মুখে তৃণমূলে ভাঙন! দল ছাড়ার হুমকি দিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্য়ান

    Siliguri: ভোটের মুখে তৃণমূলে ভাঙন! দল ছাড়ার হুমকি দিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্য়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দল বিরোধী কার্যকলাপের জন্য বহিষ্কৃত নেতাকে দলে ফেরানোয় লোকসভা ভোটের আগে শিলিগুড়িতে (Siliguri) তৃণমূলে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের প্রথম সভাপতি ও রাজ্যের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক প্রতুল চক্রবর্তী দল ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন। তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি পুর নিগমের চেয়ারম্যান পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে লোকসভা নির্বাচনের মুখে শিলিগুড়িতে ভাঙনের মুখে তৃণমূল।

     কেন এই বিদ্রোহ? (Siliguri)

    গত পুরসভা নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা যুব সভাপতি বিকাশ সরকার। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্দল প্রার্থী হওয়ার জন্য তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সেই বহিষ্কৃত নেতাকে শুক্রবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে (Siliguri) রাজসিক সংবর্ধনা দিয়ে দলে ফিরিয়ে নেওয়ায় তৃণমূলে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে। সরাসরি মুখ খুলেছেন প্রতুল চক্রবর্তী। শুধু প্রতুলবাবুই নন, দলের একটি বড় অংশ বিকাশ সরকারকে ফেরানোয় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তাঁরা তৃণমূল ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। প্রতুলবাবু বলেন, বিকাশ সরকারকে দল বহিষ্কার করার পর থেকে বিকাশ সরকার যেভাবে দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দল সম্পর্কে কুৎসা রটিয়েছে, আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছেন, আমার সম্পর্কে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছেন। বিজেপি ঘনিষ্ঠও হয়েছিলেন। তারপর তাঁকে দলে ফেরানোটা তৃণমূল নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সমগ্র তৃণমূলের কাছে অসম্মানজনক। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে পারব না। বিকাশ সরকারকে আমি ঘৃনা করি। ও ফিরলে আমি সমস্ত পদ থেকে পদত্যাগের পাশাপাশি দলও ছেড়ে দেব। 

     অভিষেকের নির্দেশে বিকাশ ফের তৃণমূলে!

    বিকাশ সরকারকে দলে ফেরনোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলের জেলা সভানেত্রীও নেননি। তৃণমূলের মমতা পন্থীদের বক্তব্য, দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে দলনেত্রীকে অসম্মান করার জন্য বিকাশ সরকারকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই নেতাকে দলে ফেরানো কখনই উচিত কাজ হয়নি। এই বিতর্ক সামাল দিতে দার্জিলিং জেলা( সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ বলেন, এবার  ময়নাগুড়িতে  এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিকাশ সরকারকে দলে নিতে বলেছেন। তাই তাঁকে দলে ফেরানো হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার মেয়র ও তৃণমূলের রাজ্য নেতা গৌতম দেব বলেন, প্রতুল চক্রবর্তী দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের প্রথম সভাপতি। দলের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের কাছে তিনি শ্রদ্ধার আসনে রয়েছেন। তাঁর হাত আমরা ছাড়তে চাই না। তাঁর ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে, তাই এই ধরনের কথা বলছেন। আমি তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসবো। অভিমানে দল এবং পুরসভার চেয়ারম্যান পদ না ছাড়ার জন্য অনুরোধ করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মানুষের অভিযোগ শুনতে বিজেপি-র শিবির

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মানুষের অভিযোগ শুনতে বিজেপি-র শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন শাহজাহান এবং তাঁর বাহিনী। তাঁদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। এর আগে পুলিশের কাছে বহুবার অভিযোগ জানাতে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল বাসিন্দাদের। পরে, সন্দেশখালিতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হলে গ্রামে ক্যাম্প করেছিল পুলিশ। এবার বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে হাইকোর্টের আইনজীবীরা সন্দেশখালিতে শিবির করলেন।

    শিবিরে অভিযোগ জানাতে ভিড় (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালিবাসীর অভিযোগ জানতে শিবির করতে চেয়ে কিছুদিন আগে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিল বিজেপি। আদালতের নির্দেশে এই শিবির করছেন প্রিয়ঙ্কারা। মূলত শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি দুর্নীতি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ জানতে শিবির করল বিজেপি। কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী তথা বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে ২০ জন আইনজীবী সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আগারাটি বিটপোল বাজার এলাকায় শিবির করেছেন। শনিবার সকাল থেকে সেই শিবিরে ভিড় দেখা গিয়েছে। কারও অভিযোগ সরাসরি সন্দেশখালির সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল নেতা শাহজাহানের বিরুদ্ধে। কারও আঙুল শাহজাহানের ঘনিষ্ঠদের দিকে।

    কী বললেন বিজেপি নেত্রী?

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) জমি দুর্নীতি থেকে নারী নির্যাতনের নানা অভিযোগ উঠে এসেছে। জমি সংক্রান্ত অভিযোগ জানতে রাজ্য সরকারের ভূমি রাজস্ব দফতরের তরফেও শিবির হয়েছে সন্দেশখালিতে। অভিযোগ জানতে দুয়ারে সরকার শিবিরের মতো মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়েও অভিযোগ-অনুযোগ নথিবদ্ধ করেছেন সরকারি কর্মীরা। রাজ্যের শাসকদলের তরফে বলা হয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। এই প্রেক্ষিতে বিজেপিও শিবির করল সন্দেশখালিতে। বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা বলেন, “ভোট পরবর্তী হিংসার সময়ও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম আমরা। সন্দেশখালিতে ঠিক কী কী অভিযোগ রয়েছে, তা আমরা দেখতে চাই। বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক আসছেন। তাঁদের বিশ্বাস যে, আমরা তাঁদের জন্য কিছু করব।”

    শাহজাহানের সন্ত্রাস নিয়ে মুখ খুললেন এক বাসিন্দা

    শনিবার ওই শিবিরে পৌঁছে নানা অভিযোগ করছেন গ্রামবাসীরা। তবে বেশির ভাগই জমি দখলের অভিযোগ। মালতি মাহালি নামে এক মহিলা বলেন, ২০১৭ সালে আমাদের একটি জমি দখল করে নেন শাহজাহানের অনুগামীরা। আমার স্বামী দুলাল মাহালি সেই জমি উদ্ধার করতে শাহজাহানের কাছে গিয়েছিলেন। তখন তাঁকে বলা হয়েছিল ট্যাংরামারি স্কুলে দেখা করতে। কিন্তু, তারপর আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। ওই মহিলার অভিযোগ, স্বামীর খোঁজে একাধিক বার শাহজাহানের কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানায় অভিযোগও করেছিলেন। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিন ফের অভিযোগ করলাম এই শিবিরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: সাধারণ মানুষের মতামত জানতে বিজেপির ‘পরামর্শ বাক্স’ চালু আলিপুরদুয়ারে

    Alipurduar: সাধারণ মানুষের মতামত জানতে বিজেপির ‘পরামর্শ বাক্স’ চালু আলিপুরদুয়ারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষের জন্যই দেশে তৈরি হয় সরকার। সেই সরকার মানুষের উন্নয়নেই কাজ করে। তাই এবার দেশের সাধারণ মানুষ তাঁদের নিজেদের এলাকায় কী ধরনের উন্নয়নের আশা করেন, বা তাঁদের চাওয়া-পাওয়া জানতে বিজেপি-র উদ্যোগে চালু করা হল “পরামর্শ বাক্সের”। ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলা বিজেপি কার্যালয়ের বাইরে এই বক্সের উদ্বোধন করেছেন আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা জেলা বিজেপির সভাপতি মনোজ টিগ্গা।

    “পরামর্শ বাক্সের” কাজ কী? (Alipurduar)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরের চা-শিল্পকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতেই এই পদক্ষেপ শুরু করা হচ্ছে। এই বাক্সগুলিতে সাধারণ মানুষ নিজেদের এলাকার উন্নয়ন সংক্রান্ত পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন। যা রাজ্য দফতর হয়ে পৌঁছে যাবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। আগামীদিনে সেই সমস্ত পরামর্শ বিচার বিবেচনা করেই আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) উন্নয়নের কাজের রূপরেখা তৈরি করবে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিগ্গা বলেন, “ পরামর্শ বাক্সে মানুষ কি চাইছেন সেই বিষয়ে আমরা মতামত নেব। নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশের আগে পর্যন্ত এই মতামত নেওয়া হবে। জেলার সব মণ্ডলে এই পরামর্শ বাক্স থাকবে।“ এদিন বিজেপির জেলা সভাপতি জানিয়েছেন শুক্রবার থেকে বিজেপির মণ্ডল চলো অভিযান শুরু হচ্ছে। এই কর্মসূচীতে জেলা বিজেপির কার্যকর্তারা প্রত্যেক মণ্ডলে গিয়ে রাত্রি যাপন করবেন। সেখানকার মানুষদের অভাব অভিযোগ শুনবেন। এছাড়া আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে প্রচারে প্রধানন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনার চেষ্টা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বিজেপি প্রার্থীর হয়ে কারা প্রচারে আসতে পারেন?

    আলিপুরদুয়ার লোকসভা আসনে তৃণমূল ও বিজেপির ঘোষিত দুই প্রার্থীর কাছেই এবারে লড়়াই জমে উঠেছে। বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিগ্গা একদিকে বিধানসভার পরিষদীয় দলের মুখ সচেতক তথা মাদারিহাটের বিধায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে লড়ছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রকাশ চিক বরাইক। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর হয়ে আলিপুরদুয়ারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায় প্রচারে আসবেন বলে জানিয়েছেন খোদ প্রার্থীই। অপরদিকে বিজেপির প্রার্থী তথা দলের জেলা সভাপতি মনোজ টিগ্গার হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, হেমন্ত বিশ্বশর্মা, যোগী আদিত্যনাথ এর মত নেতাদের প্রচারে চেয়েছেন আলিপুরদুয়ারের গেরুয়া শিবিরের ভোট ম্যানেজাররা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “দলের কাউন্সিলররা ভোটে আন্তর্ঘাত করবে”, আশঙ্কা মালদার তৃণমূল প্রার্থীর

    Malda: “দলের কাউন্সিলররা ভোটে আন্তর্ঘাত করবে”, আশঙ্কা মালদার তৃণমূল প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে রাজ্যের সব কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। অন্যান্য জেলার মতো মালদা (Malda) দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে চমক দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার দলীয় কর্মীদের নিয়ে জোটবদ্ধ হয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ করার কথা তৃণমূল প্রার্থীর। এই আবহে মালদা দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী শাহনওয়াজ আলি রাইহান দলের কাউন্সিলর এবং বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁদের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Malda)

    দক্ষিণ মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থী শাহনওয়াজ আলি রাইহান বলেন, তৃণমূল কাউন্সিলররাই ভোটের আগে সমর্থন করেন অন্য দলকে। মালদার ইংরেজবাজারের তৃণমূল কাউন্সিলররা দলীয় প্রার্থীকে জেতানোর বিষয়ে কোনও উদ্যোগই গ্রহণ করছে না। বরং, দলের মধ্যেও হয়ে থাকে অন্তর্ঘাত করার চেষ্টা চলছে। এমনকী দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিষয়টি নিয়ে অবগত রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা হয়েছে। আসলে এই সব কাউন্সিলররা ভোটে দাঁড়ানোর সময় নিজেরা ভোট করিয়ে নেয়। তখন জেতার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালান। আর অন্য ভোটে তাঁদের ভূমিকা ঠিক নয়। বিশেষ করে লোকসভা ভোটে দায়সাড়া কাজ করছেন তাঁরা। শুধুমাত্র ইংরেজবাজার পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররাই নয়, সুজাপুর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক আবদুল গণির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ভোটের কাজে বিধায়কের কোনও সাহায্য ঠিকমতো পাচ্ছেন না বলে তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ। ভোটের মুখে তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সার্বিক বিষয় নিয়ে অভিষেকের কাছে রিপোর্ট পাঠাবেন তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে মুখ খুলছেন না কোনও তৃণমূল নেতা। এলাকার কাউন্সিলররাও কেউ কিছু বলতে চাননি। তবে, এই ঘটনায় তৃণমূল বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ভোটের আগেই বাড়ির কাছে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, প্রশ্নের মুখে পুলিশ

    Nadia: ভোটের আগেই বাড়ির কাছে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, প্রশ্নের মুখে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) থানারপাড়া থানা এলাকার মোক্তারপুর গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সাইদুল সেখ (৩৭)। তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। এই খুনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল রয়েছে কি না তা নিয়ে দলের আন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই খুন করেছে। শনিবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার (Nadia) থানারপাড়া থানা এলাকার মোক্তারপুর গ্রামে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাইদুলসাহেব সক্রিয়ভাবে দলীয় প্রার্থীর হয়ে খেটেছিলেন। মিটিং, মিছিলে তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। লোকসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর হয়ে তিনি দেওয়াল লিখন শুরু করেছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার অন্যান্য দিনের মতোই কাজে গিয়েছিলেন সাইদুল। কিন্তু, নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ফোন করতে থাকেন। কিন্তু ফোনেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। এরপর শুক্রবার রাতেই পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খুঁজতে বের হন। বাড়ির অদূরেই রক্তাক্ত অবস্থায় তৃণমূল কর্মীকে পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। পরিবারের দাবি, সাইদুলের সারা শরীরে ক্ষত ছিল। রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছে। সাইদুলকে দ্রুত উদ্ধার করে নতিডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় কংগ্রেস আশ্রীত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, পুরনো কোনও শত্রুতাতেই খুন হয়ে থাকতে পারেন সাইদুল। দলের কোন্দলের কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে। এর সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহানের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত, গোডাউনে সারি সারি গাড়ির হদিশ

    Sandeshkhali: শাহজাহানের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত, গোডাউনে সারি সারি গাড়ির হদিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকালেই বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয় শেখ শাহাজাহানকে। এদিন বিকালে আট দিনের জন্য সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল বসিরহাট মহকুমা আদালত। শেখ শাহজাহানকে ঘনিষ্ঠ বাকি সাতজনকে পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল বসিরহাট মহকুমা আদালত। পাশাপাশি এদিন ফের সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ায় অভিযান চালায় ইডি। সেখানে একটি গোডাউনে সারি সারি গাড়ির হদিশ পায় ইডি। সন্দেশখালিতে শাহজাহানের মাছের ডেরায় হানা দেয় ইডি।

     গোডাউনে মিলল সারি সারি গাড়ি (Sandeshkhali)

    গরু পাচারকাণ্ডে ধৃত অনুব্রত মণ্ডলের ডেরায় হানা দেওয়ার সময় এরকম একাধিক গাড়ির সন্ধান পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ায় সন্ধান মিলল গাড়ির গোডাউনের। শাহজাহানের রাজনৈতিক গুরু মসলিন শেখ হচ্ছেন ওই গোডাউনের মালিক। গাড়ির গোডাউনের মধ্যে রয়েছে চারটি গাড়ি, তার মধ্যে শেখ শাহজাহান ও শেখ আলমগীরের গাড়িও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চারটি গাড়ির মধ্যে রয়েছে একটি হুডখোলা গাড়িও। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গাড়ির এই গোডাউনের মালিক মসলিন শেখের হাত ধরেই রাজনীতিতে আসেন শেখ শাহজাহান। সেই মসলিন শেখের গোডাউনেই এই বিলাসবহুল গাড়িগুলির সন্ধান পান ইডির অফিসাররা। এদিন সকাল থেকেই সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় অভিযান চালাচ্ছে ইডির তদন্তকারী দল। শাহজাহানের মাছের যে কারবার ছিল, সেই ডেরায় এদিন ইডি হানা দেয়। বেশ কিছু তথ্য পায়।

    আরও পড়ুন: পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি ছুটেছিলেন শাহজাহান, উত্তম ও শিবুদের বাঁচাতে, বিস্ফোরক অর্জুন

    গুপ্তধনের সন্ধানে ইডি!

    এই গাড়ির গোডাউনটির চাবি পেতে গিয়েও শুরুতে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল ইডির। পরবর্তীতে ওই গোডাউন সংলগ্ন একটি দোকান থেকে সেই চাবি পান ইডির অফিসাররা এবং গোডাউন খুলতেই বেরিয়ে আসে একের পর এক সারিবদ্ধ গাড়ি। কিন্তু, কী কারণে এই গাড়িগুলিকে লোকচক্ষুর আড়ালে রেখে দেওয়া হয়েছিল সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। এগুলি কি শুধুই গাড়ি, নাকি এর মধ্যে কোনও গোপন নথি-পত্রেরও খোঁজ পাওয়া যেতে পারে? আপাতত সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে গুপ্তধনের সন্ধান চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি ছুটেছিলেন শাহজাহান, উত্তম ও শিবুদের বাঁচাতে, বিস্ফোরক অর্জুন

    Arjun Singh: পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি ছুটেছিলেন শাহজাহান, উত্তম ও শিবুদের বাঁচাতে, বিস্ফোরক অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। রাতেই দিল্লির উদ্দেশে তিনি রওনা দেবেন। তার আগেই বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। সন্দেশখালির শাহজাহানের সঙ্গে পার্থর সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আর নৈহাটিতে ইডি অভিযান হবে বলেও ইঙ্গিত দিলেন বারাকপুরের সাংসদ।

    পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে শাহজাহান যোগ! (Arjun Singh)

    সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার আকুঞ্জপাড়ায় বিঘার পর বিঘা জমি, একের পর এক ভেড়ি, প্রাসাদোপম বাড়ি রয়েছে শেখ শাহজাহানের। এটা সকলের কমবেশি জানা। ইডি-র ওপর হামলার ঘটনায় সিবিআইয়ের হেফাজতে রয়েছেন তিনি। সিবিআই হেফাজতে থাকা সন্দেশখালির সেই শেখ শাহজাহানের প্রসঙ্গ টেনে অর্জুন (Arjun Singh) বলেন, “নৈহাটিতে সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানের বিঘার পর বিঘা জমি কেনা রয়েছে। পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি ছুটেছিলেন শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরাদের বাঁচাতে। ওদের সম্পত্তির সঙ্গে বিধায়ক যুক্ত কিনা, সেটা দেখতে হবে। যতদুর জানি, মামুদপুর, পলাশী মাঝিপাড়া এবং জেটিয়া এলাকায় শাহজাহানের প্রচুর জমি রয়েছে। আর রাজারহাটে ১৩ বিঘা জমি শেখ শাহজাহানের সঙ্গে কার নামে রেজিস্টারি আছে তার প্রমাণ আর কিছুদিনের মধ্যেই দিয়ে দেবো। ২০২৪-এ লোকসভায় বিজেপি যদি আমাকে প্রার্থী করে তাহলে আমি ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝিয়ে দেব। “এরপরই তিনি বলেন, “নৈহাটিতে খুব শীঘ্রই ইডি আসছে। আপনারা দেখতে পাবেন।” তবে, ই়ডি নৈহাটিতে কোথায় যাবেন তা তিনি খোলসা করেননি। শাহজাহানের সঙ্গে আঁতাঁত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও দাবি অর্জুনের।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত, গোডাউনে সারি সারি গাড়ির হদিশ

    কী বললেন পার্থ?

    নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিকই বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকেই বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন অর্জুন। কেন লোকসভা নির্বাচনে বারাকপুর কেন্দ্রের টিকিট দেওয়া হল না, তা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরেও দেন তিনি। অর্জুন (Arjun Singh) ফের বিজেপিতে প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্তও নেন। আর তারপরই পার্থ ভৌমিকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুনের। যদিও পার্থ ভৌমিক অর্জুনের অভিযোগ উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “এতদিন কেন একথা বললেন না? আর দলের নির্দেশ মেনেই সন্দেশখালি গিয়েছিলাম।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: তৃণমূলে মোহভঙ্গ! কেষ্ট গড়ে বহু সংখ্যালঘু পরিবার যোগদান করল বিজেপিতে

    Birbhum: তৃণমূলে মোহভঙ্গ! কেষ্ট গড়ে বহু সংখ্যালঘু পরিবার যোগদান করল বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। তার আগেই কেষ্ট গড়ে ধাক্কা খেল তৃণমূল। তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে বীরভূমে (Birbhum) শক্তি বাড়াল বিজেপি। ভোটের মুখে বহু সংখ্যালঘু পরিবার বিজেপিতে যোগদান করলেন। স্বাভাবিকভাবে বিজেপি কর্মীরা উজ্জীবিত।

    তৃণমূল দলটাতে শুধুই দুর্নীতি (Birbhum)

    বীরভূম (Birbhum) জেলার দুবরাজপুর পুরসভার ৭, ৯, ১০, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ২০ টি সংখ্যালঘু পরিবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। এদিন দুবরাজপুর শহর মণ্ডল বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন দুবরাজপুর বিধানসভার বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা। এদিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক টুটুন নন্দী, সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা সভাপতি মোতাহার খান, সহ সভানেত্রী রুবিনা বিবি, টিকলু খান, শহর মণ্ডল সভাপতি করুণাময় মুখোপাধ্যায়, গ্রামীণ মণ্ডলের সভাপতি শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে মহম্মদ হামিদ খান ওরফে ভাসান বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করে আসছি। কিন্তু, আমরা তৃণমূল দলে থেকে কিছু পাইনি। তৃণমূল দলটাতে শুধুই দুর্নীতি। বেকার ছেলেরা কিছু পায় না। আমার সঙ্গে যাঁরা বেকার ছেলেরা রয়েছে তাঁদেরও কিছু দেয়নি এই তৃণমূল দল। তাই, আমরা বিজেপিতে যোগদান করলাম। যদিও বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্ব মুখ খুলতে চাননি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    দুবরাজপুর বিধানসভার বিজেপি-র বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা বলেন, দুবরাজপুর পুরসভার ৪ টি ওয়ার্ডের ২০ টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। তৃণমূল দলে যাঁরা এতদিন ছিল এবং ভেবেছিল দল তাঁদের পাশে থাকবে। কিন্তু, তা হয়নি। কারণ, দুবরাজপুর শহরের নেতারা যে ভাবে বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা দুর্নীতি করছে তাতে মানুষ সোচ্চার হয়েছে। তৃণমূলে মোহভঙ্গ হয়েছে। তারজন্যই বিজেপিতে যোগদান করছে। আগামীদিনে আরও অনেকে বিজেপিতে যোগদান করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share