Tag: West Bengal

West Bengal

  • Nadia: ‘বাংলার কাশী’ শিবনিবাস, শিবরাত্রিতে ছুটে আসেন হাজার হাজার ভক্ত

    Nadia: ‘বাংলার কাশী’ শিবনিবাস, শিবরাত্রিতে ছুটে আসেন হাজার হাজার ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথিত আছে মহাদেবের স্বপ্নাদেশেই তৎকালীন সময় ১০৮টি শিবমন্দির তৈরি করেছিলেন নদিয়ার (Nadia) রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। শিবনিবাস নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বাংলার ইতিহাস খ্যাত ও পুরাকীর্তি সমৃদ্ধ এক প্রাচীন স্থান। এখানেই রয়েছে দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে নদিয়া জেলার এই শিবনিবাসকে বাংলার কাশী বলা হয়। শিবরাত্রি উপলক্ষে শুক্রবার দেশজুড়ে বিভিন্ন শিব মন্দিরের পাশাপাশি কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস শিবমন্দিরেও শিবরাত্রি পালিত হচ্ছে। হিন্দু ধর্মে মহা শিবরাত্রি তিথির এক বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। পুণ্যার্থীরা মনস্কামনা পূরণের জন্য এদিন নানা ধর্মীয় ক্রিয়াকর্মের মধ্যে দিয়ে শিবের ব্রত পালন করেন। একইভাবে এদিন শিবনিবাস মন্দিরে দিনভর চলে নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ ছুটে আসেন মন্দির প্রাঙ্গনে। ভক্তবৃন্দদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো মন্দির চত্বর ঘিরে রাখা হয় কড়া পুলিশি প্রহরায়।

    শিবরাত্রি উপলক্ষে মেলার আয়োজন (Nadia)

    এছাড়াও শিবরাত্রি উপলক্ষে শিবনিবাস মন্দির সংলগ্ন এলাকায় মেলার আয়োজন করা হয়। মেলাকে ঘিরেও উপস্থিত স্থানীয় ও বহিরাগত মানুষজনদের বাড়তি উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এই মন্দিরের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে চুর্ণী নদী। জনশ্রুতি আছে যে, দেবাদিদেব শিবের স্বপ্নাদেশের পর মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁর নতুন রাজধানী কৃষ্ণগঞ্জে স্থাপন করেছিলেন এবং ১০৮ টি মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। তবে ইতিহাসবিদরা আরও কিছু যুক্তি দিয়েছেন। কেউ কেউ বলেন, আঠারো শতকের মাঝামাঝি মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র বহিরাগত শত্রু মারাঠাদের আক্রমণের হাত থেকে তাঁর রাজধানী কৃষ্ণনগরকে বাঁচানোর জন্য চূর্ণী নদীর ধারে অবস্থিত কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস (Nadia) এলাকা বেছে নেন এবং আক্রমণকারীদের থেকে তিনি সুরক্ষিত থাকেন। তাঁর রাজধানী স্থানান্তরিত হওয়ার পরে মহারাজা সম্ভবত এই জায়গাটির নাম ‘শিবনিবাস’ করেন। লোকেদের বিশ্বাস, এটি মহাদেব নিজেই করেছেন। আবার অনেকে বলেন, এই নামটি তাঁর পুত্র শিবচন্দ্রের নামে রাখা হয়েছিল।

    দ্বিতীয় উচ্চতম শিবলিঙ্গ (Nadia)

    মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালে (১৭২৮-১৭৮২) বাংলায় সাংস্কৃতিক বিপ্লব হয়েছিল। তাঁর জ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতি তাঁকে বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে একটি অনন্য স্থান দিয়েছে। তাঁর নবরত্ন (নয়টি রত্ন) সভা এখনও বাংলার সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই মন্দিরের (Nadia) ছাদ ঢালু এবং গম্বুজবিশিষ্ট, যা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি প্রাচীন পরম্পরাকে অনুসরণ করে না। এই মন্দিরে রয়েছে পোড়ামাটি কাজ। তেমনি রয়েছে ইসলামিক ও গথিকের কাজ। এখানে সবচেয়ে বড় শিব মন্দিরটি বুড়ো শিব নামে পরিচিত। চূড়া সমেত মন্দিরের উচ্চতা ১২০ ফুট। মন্দিরের ভিতরের শিবলিঙ্গটি দ্বিতীয় উচ্চতম শিবলিঙ্গ। এছাড়াও শিবনিবাসের অন্যান্য মন্দিরগুলি রাজ রাজেশ্বর মন্দির, রগনিশ্বর মন্দির, রাম-সীতা মন্দির, বুড়ো শিব মন্দির নামে পরিচিত। 

    তিনটি মন্দিরের অস্তিত্ব (Nadia)

    যদিও বর্তমানে এখানে ১০৮ টির মধ্যে মাত্র তিনটি মন্দিরের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়। যার মধ্যে একটিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ রয়েছে। পাশাপাশি এখানে রাম-সীতা মন্দিরের সঙ্গে রয়েছে আরও দুটি শিব মন্দির এবং কৃষ্ণচন্দ্রের প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ, যা মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের (Nadia) প্রাচীন ইতিহাসের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শনিবার ফের রাজ্যে মোদি, শিলিগুড়ির সভায় কী বার্তা দেন, অধীর অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী

    Siliguri: শনিবার ফের রাজ্যে মোদি, শিলিগুড়ির সভায় কী বার্তা দেন, অধীর অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) সফরে এসে উত্তরবঙ্গবাসীকে আরও একটি নতুন ট্রেন উপহার দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে শিলিগুড়িতে প্রস্তুতি তুঙ্গে। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের দিকে রাজনৈতিক মহল তাকিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নতুন কী বার্তা দেন, তা শোনার জন্য অধীর প্রতীক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী।

    প্রধানমন্ত্রীর শিলিগুড়ি সফরে কী কর্মসূচি?

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের কাছে কাওয়াখালি মাঠে শনিবার বিকেলে সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিকেল তিনটেয় বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সেখান থেকে সড়ক পথে যাবেন কাওয়াখালি ময়দানে। প্রথমে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ি জংশন-রাধিকাপুর ডেমু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী রেলের আরও আটটি বিভিন্ন প্রকল্পেরও (Siliguri) উদ্বোধন করবেন। এই মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষপুকুর-ধুপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা এবং ইসলামপুরে জাতীয় সড়কের বাইপাসের উদ্বোধন করবেন। আধ ঘন্টার এই সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য কাওয়াখালির মাঠে দুটি মঞ্চ করা হয়েছে। একটি মঞ্চ সরকারি অনুষ্ঠানের জন্য, অপরটিতে হবে জনসভা। জনসভা করে সড়ক পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাবেন তিনি।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা (Siliguri)

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি জন্য দুদিন আগেই এসপিজি’র একটি দল পৌঁছে গিয়েছে। মঞ্চ তৈরি ও যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ তারা তদারকি করছে। শুক্রবার স্নিফার ডগ দিয়ে মঞ্চ ও গোটা মাঠ তল্লাশি চালায় তারা। রয়েছে রাজ্য পুলিশও। শনিবার দুপুর দুটোর মধ্যেই সকলকে জনসভার মাঠে (Siliguri) উপস্থিত হতে হবে। তারপর থেকে রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে উজ্জীবিত উত্তরবঙ্গ বিজেপি (Siliguri)

    গতবার  লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছে। আটটি আসনের মধ্যে সাতটি জিতেছে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনেও ভালো ফল হয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এবারের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই সফরে প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে নতুন কী বার্তা দেন, তা নিয়ে সব মহলেই উৎসাহ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা সফল করতে বিজেপির প্রচার তুঙ্গে। উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকেই (Siliguri) লোক আসবে বলে এদিন জানান দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। তাঁর দাবি, দুই লাখ লোক হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায়। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে বিজেপির সব বিধায়ক, সাংসদ এবং জেলা নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত থাকবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    Sandeshkhali: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এই টালমাটাল পরিস্থিতির সূচনা হয়েছিল চলতি বছরের ৫ই জানুয়ারি। সেদিন শাহজাহান বাহিনী ইডি’র ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল। শাহজাহানের দাপটের কথা যতই তারপর থেকে প্রকাশ্যে এসেছে, ততই একটা প্রশ্ন জোরালো হয়েছে। তা হল, তাঁর মাথায় কার কার হাত রয়েছে অর্থাৎ তৃণমূলের কোন কোন প্রভাবশালী নেতা তাঁর এই ধরনের অমানবিক অত্যাচারে মদত জুগিয়ে গিয়েছেন। ইতিমধ্যেই শাহজাহানের ফোনের কল লিস্ট জোগাড় করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই খবর পাওয়া মাত্রই সেখানকার বিধায়ক সুকুমার মাহাতো সাফাই গাইতে ময়দানে নেমে পড়েছেন। নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে সেদিন তিনি শাহজাহানকে ফোন করেছিলেন।

    কী বললেন বিধায়ক? (Sandeshkhali)

    স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “ওইদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আমি শাহজাহানকে ফোন করেছিলাম।” আর সেই ফোন তিনি নাকি নিজের ইচ্ছায় করেননি, করেছিলেন হাজি নুরুলের নির্দেশ মেনে। ফোনে তিনি শাহজাহানকে (Sandeshkhali) কী বলেছিলেন? সুকুমার মাহাতোর কথায়, “ইডির ওপর যাতে হামলা না হয়, সেই পরামর্শই আমি ওকে দিয়েছিলাম। যদিও ততক্ষণে সমস্ত ঘটনা ঘটে গিয়েছে।” তৃণমূলের প্রভাবশালী তত্ত্ব এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই সামনে এসেছে। তাই সুযোগ বুঝে তৃণমূলের সঙ্গেও দূরত্ব তৈরিতে নেমেছেন ওই বিধায়ক। তিনি বলেন, “আমি তেমনভাবে দল করি না। শুধু উন্নয়নের কাজকর্ম দেখছি।” তাঁর দাবি, তিনি রাজনৈতিকভাবে কোনও প্রভাবশালী নেতাও নন।

    ৩ মিনিটে ২৮টি ফোন? (Sandeshkhali)

    এদিকে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হওয়ার পর ৩ মিনিটে মোট ২৮ টি ফোন করেছিলেন শাহজাহান। তাঁর নিজের হেফাজতে ছিল দুটি ফোন। ফোনগুলি করা হয়েছিল সেখান থেকেই। যেহেতু এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে তদন্তে নেমেছিল ইডি, তাই তারা শুরুতেই ফোনের কল লিস্ট জোগাড় করে ফেলেছিল। এরপর সিবিআই যখন তদন্তের নির্দেশ পায়, তখন সেই কল লিস্ট (Sandeshkhali) তারা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। তৃণমূল বিধায়কের কাছে এটা পরিষ্কার যে কল লিস্ট অনুযায়ী তাঁরও ডাক আসবে। তাই আগেভাগেই তিনি সাফাই দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন, এমনটাই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্তের উদ্যোগে কেটে গেল বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণের জটও

    Sukanta Majumdar: সুকান্তের উদ্যোগে কেটে গেল বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণের জটও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট-হিলির পর এবার জট কেটে গেল বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণ প্রকল্পেরও। ঘোষণার পর দীর্ঘদিন এই প্রকল্পকে কার্যত ঠান্ডা ঘরে পাঠানো হয়েছিল। অবশেষে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) তৎপরতায় এই প্রকল্পের কাজ চালু করতে সম্মত হয়েছে রেল। ইতিমধ্যেই ভারতীয় রেল বোর্ডের তরফে উত্তর-পূর্ব রেলওয়েকে এবিষয়ে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। এই কাজ শুরু হতে চলেছে খবর চাউর হতেই খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে সর্বত্র। ঘোষণার দীর্ঘ ১২ বছর পর বালুরঘাট-হিলি রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ গতি পেয়েছে। কিন্তু বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণ ও গুঞ্জরিয়া-ইটাহার রেলপথ স্থাপনের কাজ ঠান্ডা ঘরেই ছিল। এই প্রকল্পগুলি যাতে চালু করা যায়, তা নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই তদ্বির করে চলেছেন সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও বুনিয়াদপুরে পড়ে থাকা রেলের জমিতে নতুন প্রকল্প স্থাপনের প্রস্তাব নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। বুধবার তিনি যেমন বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথের কাজ চালুর চিঠি হাতে পেয়েছেন, তেমনই বুনিয়াদপুরের জমিজট কেটে গিয়েছে বলেও দাবি করেছেন।

    রেলের এই নড়াচড়ায় খুশি সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    গত মাসেই এই প্রকল্পগুলি রূপায়ণের দাবি নিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করেন সুকান্ত। ওই বৈঠকের পর এই প্রকল্পগুলি নিয়ে আশাবাদী ছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত লোকসভা নির্বাচনের আগে রেলের এই নড়াচড়ায় খুশি তিনি। এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ স্থাপনের কাজ শুরু হতে চলেছে। আজ রেল মন্ত্রকের অভ্যন্তরীণ একটি চিঠি হাতে পেয়েছি। তাদের তরফে এই কাজকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। নতুন রেললাইন প্রজেক্টের কাজকে ইতিমধ্যে ডি-ফ্রিজ করা হয়েছে। রেল মন্ত্রকের তরফে কিছুদিনের মধ্যে এই প্রজেক্টে অর্থ বরাদ্দ ও সমীক্ষার কাজ শুরু করা হবে। এর সঙ্গে বুনিয়াদপুরে রেলের জমিতে আন্তর্জাতিক মানের কেন্দ্রীয় স্টেডিয়াম গড়ার বিষয়টিও একধাপ এগিয়েছে। এর আগে ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের তরফে বুনিয়াদপুর রেল স্টেশনের পাশে নতুন স্টেডিয়ামের জন্য রেলকে চিঠি দেওয়ার পর এবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের পক্ষে তিন হেক্টর জায়গা বরাদ্দ করার আশ্বাস দিয়ে পাল্টা চিঠি দেওয়া হয়েছে। এই জমি পেলেই স্টেডিয়াম গড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে।’

    কী বলছেন ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা?

    এবিষয়ে বুনিয়াদপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বিভূতিভূষণ চক্রবর্তী বলেন, ‘মাননীয় সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের চেষ্টায় যদি বুনিয়াদপুরে রেলের জায়গায় আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম হয়, তাহলে এর থেকে ভালো খবর আর হতে পারে না। খেলোয়াড়রা বিশেষভাবে উপকৃত হবে। তবে রেলের জায়গায় খেলোয়াড়রা যাতে অবাধে ব্যবহার করতে পারে, সেদিকে দেখা উচিত।’ (Sukanta Majumdar)

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: শংকর আঢ্যকে গ্রেফতারের পরও হয়েছিল হামলা, তদন্তে নেমে সোজা বনগাঁয় সিবিআই

    CBI: শংকর আঢ্যকে গ্রেফতারের পরও হয়েছিল হামলা, তদন্তে নেমে সোজা বনগাঁয় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ জানুয়ারি বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান শংকর আঢ্যের বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। দিনভর তল্লাশির পর মধ্যরাতে শংকর আঢ্যকে গ্রেফতার করে তাঁর শিমুলতলার বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যান তাঁরা। সেই সময় সন্দেশখালি মডেলে হামলা চালানো হয়েছিল ইডি আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর। পরবর্তীতে এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ পেয়ে তদন্তে নামে সিবিআই (CBI)। ইডি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর হামলার এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শংকর আঢ্যের বাড়ির সামনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা। প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট ধরে চারপাশ ঘুরে দেখেন সিবিআই কর্তারা। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা।

    সন্দেশখালি মডেলেই প্রতিরোধ (CBI)

    তদন্তভার হাতে পেয়েই সিবিআই যেমন সন্দেশখালির ত্রাস শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে, ঠিক একই ভাবে সিবিআইয়ের (CBI) আরও একটি দল হানা দিয়েছিল বনগাঁয়। এই বনগাঁতেই রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শংকর আঢ্যের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে বাধা পেয়েছিল ইডি। এখানে কোনও আধিকারিক প্রহৃত হননি ঠিকই, কিন্তু সন্দেশখালি মডেলেই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল।

    ঘটনার পুনর্নির্মাণ? (CBI)

    এদিন সিবিআই যা করল, তাকে সেদিনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ বলে চলে। সিবিআই আধিকারিকরা পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে সেদিনের ঘটনার বিবরণ শোনেন। তাঁর বাড়ি ঘুরিয়ে দেখানোর পাশাপাশি এলাকার কোন কোন জায়গায় কতগুলি সিসিটিভি রয়েছে, তার পরিসংখ্যান নেয় সিবিআই। একই সঙ্গে সেদিন শংকর আঢ্যকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় কোন জায়গায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সেই জায়গাটিও তাঁরা ঘুরে দেখেন। সিবিআই আধিকারিকরা শংকর আঢ্যের বাড়ির ছবি তোলার পাশাপাশি তার বাড়ির সামনে রাস্তায় বিদ্যুতের পোলে লাগানো সিসিটিভির ছবিও তোলেন।

    তবে তাঁদের ওপর নতুন করে যাতে কোনও হামলার ঘটনা না ঘটে, তাই সিবিআই (CBI) আগে থেকেই সতর্ক ছিল। আধা সেনা নিয়েই তারা এলাকায় ঘোরে। পুলিশকে অবশ্য এদিন আগাগোড়া তাদের সহযোগিতা করতেই দেখা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manik Saha: ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক বাড়বে’, আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা

    Manik Saha: ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক বাড়বে’, আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবারের তুলনায় এই রাজ্যে বিজেপি অনেক বেশি আসন পাবে। বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে এসে মন্তব্য করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)। তিনি বলেন, মোদি দেশে যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দিয়েছেন তার থেকে আরও বেশি ভালো ফল হলে আমরা অবাক হব না। তাই, এই রাজ্যের বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। যারা ওই দলে রয়েছে, তারাও মনেপ্রাণে বিজেপিকে সমর্থন করছে।

    বাংলায় শান্তির পরিবেশ নেই (Manik Saha)

    মানিক সাহা (Manik Saha) বলেন, সন্দেশখালি হোক বা অন্য কিছু মানুষ সব বুঝতে পারছে। শান্তি সম্প্রীতি যদি না থাকে কোনও রাজ্যের উন্নতি হয় না। এই রাজ্যে সেই পরিবেশ নেই। তাই, দলে দলে মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এদিন উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরে ঝটিকা সফরে আসেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। মালদায় ভারতীয় জনতা পার্টির মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে সড়কপথে মালদা যাওয়ার পথে তিনি ইসলামপুরে দাঁড়ান। ইসলামপুর শহরের জীবন মোড় এলাকায় এক বিজেপি কর্মী প্রবীর দাসের বাড়িতে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজন করেন। মধ্যাহ্নভোজনের শেষে তিনি আবার মালদার  উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন বিশ্ববরেণ্য। তিনি সাধারণ মানুষের গ্যারান্টির কথা বলেন। তাই মানুষ বুঝতে পারছে যে বিজেপি ছাড়া উন্নয়ন কিছু হবে না। তিনি আরও বলেন,” মালদায় একটি মিটিং রয়েছে সেই মিটিংয়ে যাচ্ছি এবং আমাদের নিয়ম রয়েছে দলীয় কার্যকর্তার বাড়িতে আহার গ্রহণ করার। সেই মতো এদিন ইসলামপুরে মধ্যাহ্নভোজন করছি।”

    ত্রিপুরায় পাহাড়-সমতল আনন্দে আছে

    ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী (Manik Saha) বলেন, “ডেমোক্রেসি কাকে বলে সেটা ত্রিপুরায় না গেলে বুঝতে পারবেন না। সাধারণ মানুষ এখন শান্তিতে আছে। সাধারণ মানুষের অধিকার রয়েছে। ত্রিপুরায় যারা মথা আছে তারাও সরকারে এসে যোগদান করেছে। পাহাড়-সমতল এখন আনন্দে আছে। সন্দেশখালি হোক বা অন্য কিছুই মানুষ সব বুঝতে পারছেন, শান্তি সম্প্রীতি যদি না থাকে কোন রাজ্যের উন্নতি হয় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: নাম ঘোষণা করেনি দল, বারাকপুর জুড়়ে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে পড়ল অর্জুনের পোস্টার

    Barrackpore: নাম ঘোষণা করেনি দল, বারাকপুর জুড়়ে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে পড়ল অর্জুনের পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম ঘোষণা হয়নি। এরইমধ্যে অর্জুন সিং বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বলে পোস্টার পড়ল শিল্পাঞ্চল জুড়ে। যা নিয়ে নতুন করে ফের চর্চা শুরু হয়েছে। অফিসিয়াল নাম ঘোষণা করা হয়নি। তারপরও এভাবে পোস্টার দেওয়ার অর্থ দলবিরোধী কাজ। জানা গিয়েছে, দলেরই একটি অংশ ইতিমধ্যেই অর্জুন যাতে কোনওভাবে প্রার্থী হতে না পারে তারজন্য শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। সবমিলিয়ে বারাকপুরে তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে? (Barrackpore)

    পোস্টারের মধ্যে লেখা রয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore)  লোকসভায় তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের বিপুল ভোটে জয়ী করুন। পোস্টারে মমতা-অভিষেকের সঙ্গে অর্জুনের ছবি রয়েছে। যদিও পোস্টার নিয়ে অর্জুন কিছু মন্তব্য করতে চাননি। তবে, অর্জুন বিরোধী মুখ হিসেবে পরিচিত সোমনাথ শ্যাম, সুবোধ অধিকারী কোনওভাবেই চান না অর্জুন এবার প্রার্থী হোক। দুদিন আগেই দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সোমনাথ বলেছিলেন, বিজেপির সঙ্গে যোগ রাখা নেতাকে আপনারা চিনে রাখুন। কখনই সমর্থন করবেন না। এসবের মধ্যে শিল্পাঞ্চলের একাধিক দাপুটে নেতা জোট বেঁধে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে দরবার করেছেন। অর্জুন প্রার্থী হলে তাঁরা এলাকায় প্রার্থীর হয়ে কাজ পর্যন্ত করবেন না বলে জানিয়েছেন। শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তাঁদের কী আশ্বাস দেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি। আর অর্জুন বিরোধী এই আবহের মধ্যেই তাঁর নামে পোস্টার ঘিরে জোর চর্চা চলছে। অর্জুন ঘনিষ্ঠ অনুগামীরা এই পোস্টার দিয়েছে বলে জল্পনা চলছে।

    অর্জুন-সোমনাথ অনুগামীদের মধ্যে মারামারি

    এই পোস্টারের ঘটনা সামনে আসার আগে সোমনাথ-অর্জুন অনুগামীদের মধ্যে প্রকাশ্যে মারামারি হয়েছে বলে অভিযোগ। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে অর্জুন অনুগামী তৃণমূলের শ্রমিক নেতা চন্দন রজক কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় সোমনাথ শ্যাম ঘনিষ্ঠ বিনোদ সাউ ও তাঁর সহযোগীরা সাংসদ অর্জুন সিং এর নামে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন। তারই প্রতিবাদ করেছিলেন চন্দন। এরপরই আগ্নেয়াস্ত্র সহ লোহার রড নিয়ে চন্দনের বাড়ির সামনে হামলা চালান বিনোদ ও তাঁর দলবল। যার জেরে চন্দনের মাথা ফেটে যায়। এমনকী তাঁর পরিবারের সদস্যকেও মারধর করা হয়। অন্যদিকে, বিনোদ সাউ এর ওপর সাংসদ ঘনিষ্ঠ সুরাজ সিং ও তাঁর দলবল হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তিনিও গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা সুরাজ সিং বলেন, এলাকায় যথেষ্ট সিসিটিভি লাগানো রয়েছে। সেটা দেখলেই ঘটনার সত্য সামনে আসবে। ঘটনার সময় আমি ছিলামই না। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। দুপক্ষের মধ্যে হামলা, অর্জুনের পোস্টার সামনে আসাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: গরিবের ফ্ল্যাট পেলেন দাপুটে তৃণমূল নেতার মেয়ে, দুর্নীতি নিয়ে শোরগোল

    Siliguri: গরিবের ফ্ল্যাট পেলেন দাপুটে তৃণমূল নেতার মেয়ে, দুর্নীতি নিয়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন-নিয়োগ দুর্নীতির পর এবার ফ্ল্যাট দুর্নীতিতে নাম জড়াল তৃণমূলের। অবৈধভাবে গরিবের ফ্ল্যাট পেলেন তৃণমূলের দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতার মেয়ে। শিলিগুড়ি -জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (এসজেডিএ) সম্প্রতি গরিব মানুষের জন্য ৪২২ ফ্ল্যাট বন্টনের জন্য লটারি করে। সেই তালিকায় ১৫৫ নম্বরে রয়েছেন শিলিগুড়ির (Siliguri) তৃণমূল নেতা তথা এসজেডিএ’র বোর্ড মেম্বার কাজল ঘোষ।

    কাদের জন্য এই ফ্ল্যাট ? (Siliguri)

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের কাছে শিলিগুড়ির (Siliguri) কাওয়াখালিতে  গরিবের জন্য এই ৪২২ টি ফ্ল্যাট এসজেডিএ তৈরি করেছে। তিন লক্ষ টাকা দিয়ে কিনতে হবে এই ফ্ল্যাট। ফ্ল্যাট পাওয়ার শর্ত, আবেদনকারীর নামে কোনও জমি-বাড়ি থাকা চলবে না, মাসিক আয় ১৮ হাজার টাকার কম হতে হবে। সেই তালিকায় কাজল ঘোষের মেয়ের নাম ওঠায় এই ফ্ল্যাট বন্টনে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কেননা তৃণমূল নেতা কাজল ঘোষ বিপুল সম্পত্তির মালিক।

    কে এই কাজল ঘোষ?

    বিরোধীদের কথায় শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার বিধাননগরের শাহজাহান এই কাজল ঘোষ। শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা। এখন এসজেডিএ’ র বোর্ড মেম্বার তিনি। বিধাননগরে পুলিশ প্রশাসন তাঁর কথাতেই চলে। গত কয়েক বছরে নামে- বেনামে বিপুল সম্পত্তি ও টাকার মালিক হয়ে উঠেছেন। মেয়ের ফ্ল্যাট পাওয়া নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে দলের একাংশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেন দাপুটে এই তৃণমূল নেতা। তিনি বলেন, আমি জানতাম না। লটারিতে আমার মেয়ের নাম উঠতে অবাক হয়ে যাই। মেয়েকে দিয়ে লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই ফ্ল্যাট সে নেবে না। আসলে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে শিলিগুড়ির কিছু তৃণমূল নেতা এই ষড়যন্ত্র করেছে। সময়ে তা প্রকাশ্যে আনব।

     এসজেডিএ কর্তৃপক্ষ কী সাফাই দিলেন?

    কাজল ঘোষের মেয়ে যে  ইনকাম সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন তা কে  দিয়েছেন? এই প্রশ্নে আবেদনপত্র স্ক্রুটিনি কমিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এসজেডিএ কোনওভাবে দায় এড়াতে পারে না বলে ওয়াকিবহাল মহলের মত। এসজেডিএ’র চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, কাজল ঘোষের মেয়ে লিখিতভাবে জানিয়েছেন তিনি ফ্ল্যাট নেবেন না। এমনটা হওয়ার দায় সরকারি আধিকারিকদের, যারা আবেদনপত্র স্ক্রুটিনি করেছেন। আর  লটারি  হলেও আমরা এখনও ফ্ল্যাটের চাবি কাউকে দিইনি। ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশনে অনিয়ম ধরা পড়লে তাঁর নাম বাদ যাবে।

     কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, তৃনমূল দুর্নীতিগ্রস্ত দল। সবেতেই দুর্নীতি। এটা হওয়ারই ছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এসজেডিএ’তে  ২০০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছিল। তার সঠিক তদন্ত হয়নি। লটারি করে যে তালিকা হয়েছে তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হোক। আমাদের আশঙ্কা, এরকম আরও অনেক তৃণমূল নেতা মন্ত্রীর কাছের লোকদের ফ্ল্যাট পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে সন্দেশখালি, বসিরহাটে গিয়ে নথি সংগ্রহ করল সিবিআই

    CBI: শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে সন্দেশখালি, বসিরহাটে গিয়ে নথি সংগ্রহ করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার প্রায় দুমাসের মাথায় পুলিশ গ্রেফতার করে শাহজাহানকে। এতদিন তিনি পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। পরে, আদালতের নির্দেশে শাহজাহানকে বুধবারই নিজেদের হেফাজতে পায় সিবিআই। রাতেই সন্দেশখালি যান সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর টিম।

    সন্দেশখালি গিয়ে কী করল সিবিআই? (CBI)

    সন্দেশখালিতে ইডি-র ওপর শাহজাহান বাহিনী হামলা চালিয়েছিল। এই ঘটনার পর শাহজাহান এবং তাঁর অনুগত অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইডি অফিসারদের খুনের চেষ্টার অভিযোগ করেছিল ইডি। পরে ন্যাজাট থানার পুলিশ ইডির ওপর হামলার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করে। পরবর্তীকালে সেই মামলায় যুক্ত করা হয় খুনের চেষ্টার ধারাও। কিন্তু, অভিযুক্ত হিসাবে সেখানে শাহজাহানের নাম ছিল না। মঙ্গলবার এই দুই অভিযোগের ভিত্তিতেই সন্দেশখালির ঘটনায় দু’টি এফআইআর দায়ের করে সিবিআই। শুরু করে তদন্ত। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতাহাই কোর্টের নির্দেশানুসারে সন্দেশখালি মামলায় অভিযুক্ত শাহজাহানকে হেফাজতে নেয় তারা। বুধবার রাতে সিবিআইয়ের (CBI) দল সন্দেশখালি গিয়ে সেখানে উপস্থিত উচ্চ পদাধিকারী পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে। একই সঙ্গে পুলিশের কাছ থেকে তাদের করা অভিযোগ সংক্রান্ত নথিপত্রও সংগ্রহ করেছেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা।

    বসিরহাট থানায় নথি সংগ্রহ করল সিবিআই

    সন্দেশখালিতে হওয়া ইডির ওপর হামলার ঘটনারই তদন্তে নেমেছে সিবিআই। বুধবার এই সংক্রান্ত দু’টি এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এছাড়া একটি মামলা দায়ের হয়েছে বনগাঁয়। রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা তথা প্রাক্তন পুরপিতা শঙ্কর আঢ্যের বাড়ির সামনে হওয়া ইডির ওপর হামলার ঘটনায়। সন্দেশখালির দু’টি মামলার একটি দায়ের হয়েছিল ইডির অভিযোগের ভিত্তিতে। অন্যটি করা হয়েছে ন্যাজাট থানার পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে। সূত্রের খবর, এই এফআইআর সংক্রান্ত বিষয়েই ন্যাজাট থানার পুলিশের সঙ্গে বুধবার রাতে যোগাযোগ করেন সিবিআইয়ের (CBI) আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার বসিরহাট থানায় গিয়ে পুলিশের দায়ের করা মামলার নথি সংগ্রহ করল সিবিআই। হামলার পর শাহজাহান ফোনে কার কার সঙ্গে কথা বলেছিল তা খতিয়ে দেখতে কল ডিটেলস চেক করছেন আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share