Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sandeshkhali: ‘নিজের ভোট নিজে দিতে পারব’, মোদির আশ্বাসে বুকে বল পাচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা

    Sandeshkhali: ‘নিজের ভোট নিজে দিতে পারব’, মোদির আশ্বাসে বুকে বল পাচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বাধা, পুলিশের সমন কোনও কিছুই আটকাতে পারেনি সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পাঁচ নির্যাতিতাকে। বারাসতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় আসেন তাঁরা। সভা শেষের পর মঞ্চের পিছনে দেখা করেন তাঁরা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সভা শেষ হওয়ার পর মোদি সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য মঞ্চের পিছনের দিকে যান। অনেকেই এগিয়ে যান প্রধানমন্ত্রীকে নমস্কার করার জন্য। কিন্তু, মোদি  বলেন, ‘ আমারই উচিত আপনাদের নমস্কার করা। আপনারাই তো মা দুর্গা ‘। তিনিও শুনেছেন সব কথা।

    নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন (Sandeshkhali)

    শাহজাহান বাহিনীর কারণে বহুদিন সন্দেশখালিবাসী ভোট দিতে পারেননি। শাহজাহানের দলবল ভোট দিয়ে দিত। ফলে, নিজেদের মতামত এতদিন তাঁরা জানাতে পারেননি। এর আগে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। বুধবার মোদির সামনে সেই প্রসঙ্গ টেনে মহিলারা বলেন, আমরা ভোট দিতে পারি না। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, এবার সকলে নিজেদের ভোট নিজেরাই দিতে পারবেন। দ্রুত এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের প্রশংসা করে বলেন, দুর্গাশক্তি হয়ে আপনারা যা করে দেখিয়েছেন তা অতুলনীয়। শাহজাহানের শাস্তিরও আবেদন করেছি বলে জানান এক মহিলা। প্রধানমন্ত্রীকে ঝুপখালি, বেড়মজুর, জেলিয়াখালির মহিলাদের কথাও বলেছেন তাঁরা।

    সন্দেশখালির মহিলাদের কথা নোটও রাখেন একজন

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা জানিয়েছেন, এখনও সেখানে অশান্তির পরিবেশ অব্যাহত। এখনও আতঙ্কে মানুষ। আমরা বলেছি, স্যার, আমাদের রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও আস্থা নেই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে, সন্দেশখালির মহিলাদের কথা নোটও রাখেন একজন। ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী। অভয় দেন তাঁদের। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ওই প্রতিনিধিদলের এক মহিলা বলেন, “আমরা ৫ থেকে ৭ মিনিট কথা বলেছি। আমাদের ওপর নির্যাতন, জমি লুঠের কথা সবই জানিয়েছি ওনাকে। শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার, শাহজাহানের বাইক বাহিনীর কথা বলেছি। প্রধানমন্ত্রী বললেন উনি আমাদের পাশে আছেন, পাশে থাকবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীও দেবেন বলেছেন। আমরা কথা বলে সন্তুষ্ট।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: পথসভা শেষ করে ফেরার পথে হামলা, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে!

    Nandigram: পথসভা শেষ করে ফেরার পথে হামলা, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে (Nandigram)। হামলার পিছনের শাসক দলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন রয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল সামনে চলে এসেছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এই হামলার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nandigram)

    আগামী ১০ তারিখ ব্রিগেডে তৃণমূলের জনগর্জন রয়েছে। সেই জনগর্জনের প্রস্তুতি সভা চলছে জেলায় জেলায়। বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের  মহেশপুরে তৃণমূলের পথসভা ছিল। সেই সভা শেষে ফেরার পথেই বৃন্দাবনচকের কাছে একদল দুষ্কৃতী তৃণমূলের কর্মীদের উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় দু’জন তৃণমূল কর্মী জখম হন। তাঁদের উদ্ধার করে নন্দীগ্রাম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর নাম অশোক দাস ও ভরত দাস। এঁদের মধ্যে অশোক দাস আবার এলাকার প্রাক্তন প্রধানও। এদিন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ওপর দুষ্কৃতীদের হামলার প্রতিবাদে নন্দীগ্রামে (Nandigram) রাস্তা অবরোধ করেছেন তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। রাস্তার ওপর আগুন জ্বালিয়ে অবরুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে নন্দীগ্রাম-তেখালি সংযোগকারী রাস্তা। ঘটনাস্থলে নন্দীগ্রাম থানা ও তেখালি ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলেই দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সাহেব দাস। তিনি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। যখনই এমন কিছু ঘটনা ঘটছে, বিজেপির নামে দায় চাপিয়ে দিচ্ছে। আর পুলিশ-প্রশাসন সব এদের। তারপরও যদি এভাবে বিক্ষোভ দেখায়, সেটা দুর্ভাগ্যের বিষয়।আসলে দলীয় কোন্দলে জর্জরিত। নিজেদের কোন্দল ঢাকতে এখন আমাদের দলের নামে দায় চাপাচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ নেই।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: মঞ্চে বসে রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, নীচে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    Nadia: মঞ্চে বসে রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, নীচে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সভায় তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) চাপ়়ড়ায়। প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সামনেই কর্মী সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দলীয় সভায় এভাবে কর্মীদের মধ্যে মারামারি করতে দেখে সাধারণ মানুষ নিজেদের মধ্যে হাসাহাসি করতে শুরু করেন। শাসক দলের কোন্দলের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    বুধবার নদিয়ার (Nadia) চাপড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক বিশাল কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। আগামী ১০ তারিখ তৃণমূল সুপ্রিমো  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনগর্জন সভার প্রস্তুতি হিসেবে সভার আয়োজন করা হয়। তবে, ছন্দ কাটল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে মঞ্চে ওঠা নিয়ে। এদিনের এই কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র , তৃণমূল বিধায়ক রূকবানুর রহমান, নদিয়া জেলার সভাধিপতি তারান্নুম সুলতানা মীর, সহ- সভাধিপতি সজল সাহা সহ একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা। তখনই এক গোষ্ঠীর সঙ্গে চাপড়ার তৃণমূল নেতা জেবের শেখ অনুগামীদের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে যায়। পরে, ধস্তাধস্তি বাধে। গন্ডগোলের কারণে সভার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে, দলীয় সভার কাজ শুরু হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এ বিষয়ে বিধায়ক রূকবানুর রহমান বলেন, তৃণমূলে কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নেই, যা হয়েছে সেটা দলে থাকলে একটু আধটু হয়। কেউ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। তবে সেটা আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে মিটিয়ে নেব। সভা মঞ্চ থেকে মহুয়া মৈত্র বিজেপি আক্রমণ করেন। তবে, এভাবে প্রকাশ্যে দলীয় কোন্দলের বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, দলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি দেখে তিনি ক্ষুব্ধ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: মহিলাদের ‘লাখপতি দিদি’ বানানো তাঁর লক্ষ্য, বারাসতে ঘোষণা মোদির

    Narendra Modi: মহিলাদের ‘লাখপতি দিদি’ বানানো তাঁর লক্ষ্য, বারাসতে ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ বছরে বিজেপি সরকার সারা দেশে মহিলাদের সার্বিক উন্নতি সাধনের জন্য কী কী করেছে, বারাসতের সভা থেকে তার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি সভায় উপস্থিতি মহিলাদের উদ্দেশে  বলেন, আমাদের লক্ষ্য আপনাদের লাখপতি দিদি বানানো। জনধন যোজনায় কয়েক কোটি মহিলা অ্যাকাউন্ট খুলেছে। তার মধ্যে কেবল তিন কোটি মহিলা বাংলারই।

    বাংলাতেও ১৬ লক্ষের বেশি মহিলা লাখপতি দিদি (Narendra Modi)

    মোদি সভামঞ্চে উঠতেই মহিলাদের ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। মোদিকে মা কালীর মূর্তি দিয়ে সম্মান জানানো হয়। সম্মান জানান রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গা-লোকসভার ছবি, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাঁথার স্টিচে তৈরি করা মা দুর্গার ছবিও মোদির হাতে তুলে দেওয়া হয়। ফাল্গুনী পাত্র মোদির হাতে তুলে দেন বাবা লোকনাথের মূর্তি। জয় মা কালী’, ‘জয় মা দুর্গা’ বলে বারাসতের সভা থেকে ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার মা-বোনেরা ও ভাই বন্ধুকে প্রণাম জানান তিনি। আজকের এই সভার ভিড়ই প্রমাণ করছে, বিজেপি কীভাবে নারীশক্তিকে বিকশিত ভারতের শক্তি বানাচ্ছে। মোদি আরও বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে মহিলার সংখ্যা ১০ কোটির বেশি পেরিয়ে গিয়েছে। বাংলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীকেও ৯০ হাজার কোটি টাকার সাহায্য করা হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে, শিল্পে, কুটির শিল্পে মহিলারা অগ্রণী। আমাদের প্রয়াস গ্রামে থাকা আপনাদের মতো মহিলাকে লাখপতি দিদি বানানো। গ্রামে গ্রামে এত লাখপতি দিদি যখন থাকবে, তাহলে গ্রামের ছবিটাই বদলে যাবে। ১ কোটি মহিলাকে লাখপতি দিদি বানাতে বিজেপি সফল। বাংলাতেও ১৬ লক্ষের বেশি মহিলা লাখপতি দিদি হয়ে গিয়েছেন।

    বাংলায় তৃণমূল নামে গ্রহণের কারণে উন্নয়ন থমকে রয়েছে

    মহিলাদের আর্থিক উন্নয়নের পাশাপাশি তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার গ্যারান্টি দিয়েছেন মোদি (Narendra Modi)। তিনি বলেন, আমরা সস্তায় সিলিন্ডার দিচ্ছি। কিন্তু, উজ্বলা কানেকশনের জন্য ১৪ লাখেরও বেশি আবেদন পেন্ডিং পড়ে রয়েছে বাংলাতেই। যেখানে যেখানে জোট সরকার আছে, এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে। বাংলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ২৪ লক্ষ মহিলার নামে রয়েছে। মহিলাদের সুরক্ষা মোদির গ্যারান্টি। আমাদের রাষ্ট্রপতি আদিবাসী সমাজে জন্ম নিয়েছেন। মোদি মুসলিম মহিলাদের তিন তালাক থেকে মুক্তি দিয়েছে। ইন্ডি-জোটের শরিকরা তখনও কট্টপন্থিদের সঙ্গে ছিল, এখনও রয়েছে। বাংলায় তৃণমূল নামের যে গ্রহণ লেগে রয়েছে, তাতে অগ্রগতি আটকে যাবে।

    মহিলাদের আয় বাড়াতে ড্রোন দেওয়া হবে

    মোদি বলেন, মুদ্রা যোজনায় নিজের ব্যবসা শুরু করার বিষয়েও মেয়েরাই এগিয়ে। ১.৫ লক্ষ কেবল বাংলার মহিলাই উপকৃত। পিএম কিষাণ সম্মানেও ৩ কোটি মহিলা কৃষকও প্রথমবার টাকা পেয়েছেন। আমরা পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা এনেছি। ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ করা হচ্ছে তাতে। গ্রামের মহিলাদের জন্য নমো ড্রোন দিদি যোজনা শুরু করা হয়েছে। তাতে ড্রোন, পাইলটের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে। তাতে মহিলাদের ড্রোন দেওয়া হবে, তাতে চাষের কাজে ব্যবহার করা হবে। মহিলাদের রোজগার হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: মঞ্চের পিছনে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করলেন মোদি, শুনলেন অত্যাচারের কথা

    Narendra Modi: মঞ্চের পিছনে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করলেন মোদি, শুনলেন অত্যাচারের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন বাসিন্দারা। বাড়ির সুন্দরী বউদের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালাতেন তৃণমূলের নেতারা। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন সন্দেশখালির মহিলারা। ঝাঁটা হাতে রুখে দাঁড়়িয়েছিলেন তাঁরা। নারী শক্তির ক্ষমতা সাংবাদ মাধ্যমের দৌলতে রাজ্য তথা দেশবাসী দেখেছেন। এবার সেই সন্দেশখালির নির্যাতিতারা বারাসতে প্রধানমন্ত্রীর সভায় এসেছিলেন। তৃণমূলের বাধা, পুলিশের সমন তাঁদের আটকাতে পারেনি। নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বক্তব্য শেষ করে মঞ্চের পিছনে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলেন। অনেকেই এগিয়ে যান প্রধানমন্ত্রীকে নমস্কার করার জন্য। কিন্তু, তিনি বলেন, আমারই উচিত আপনাদের নমস্কার করা। আপনারাই তো মা দুর্গা। সন্দেশখালির মহিলা প্রতিনিধিরা জানালেন, তাঁরা সব অভিযোগ খুলে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীকে। তিনিও শুনেছেন সব কথা। সন্দেশখালির মহিলারা জানিয়েছেন, এখনও সেখানে অশান্তির পরিবেশ অব্যাহত। এখনও আতঙ্কে মানুষ। সন্দেশখালির এক মহিলা জানালেন,’আমরা বলেছি স্যার, আমাদের রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও আস্থা নেই। উনি বলেছেন, আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে দেব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে, সন্দেশখালির মহিলাদের কথা নোটও রাখেন একজন। ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী। অভয় দেন তাঁদের।

    মোদিকে দেখতে যশোর রোডের দুধারে উপচে পড়ল ভিড় (Narendra Modi)

    এদিন এয়ারপোর্ট থেকে কনভয় করে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বারাসতে আসেন। যশোর রোডের দুধারে কাতারে কাতারে লোকজন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। মর্জিনা খাতুন নামে এক মহিলা বলেন, আমার আত্মীয় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমার বাড়ি বনগাঁ। মোদির কথা অনেক শুনেছি। কোনওদিন দেখিনি। এই রাস্তা দিয়ে যাবে বলে দুঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। আসলে এই সুযোগ আমি হাতছাড়া করতে চাইনি। মর্জিনার মতো হাজার হাজার সাধারণ মানুষ এক ঝলক মোদিকে দেখার জন্য সকাল থেকে রাস্তার ধারে ভিড় করে রয়েছেন। ফলে, সময় যত বেড়েছে, পাল্লা দিয়ে রাস্তায় ভিড় তত বেড়েছে। কনভয়ে প্রধানমন্ত্রী রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মোদি মোদি….বলে অনেক উৎসাহী জনতাকে চিৎকার করতে দেখা গিয়েছে। রাস্তার দুধারে সাধারণ মানুষের ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে তা সামাল দিতে পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। আর বারাসতের কাছারি রোডের জনসভায় তো তিল ধারণের জায়গা ছিল না। বিশেষ করে গোটা সভাস্থল মহিলা ব্রিগেডে পরিণত হয়েছিল।

    সারা দেশজুড়ে সভার সম্প্রচার

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, ‘বিজেপির মহিলা মোর্চার নেতাদের অনেক ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি বহু বছর সংগঠনে কাজ করেছি। তাই জানি, এত বড় আকারের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির পরিকল্পনা করা, দেশের সাধারণ মানুষের জীবনের অন্যতম বড় ঘটনা। এবার গ্রামে গ্রামে আমাদের মা, বোন, মেয়েরা নারী শক্তি বন্দনা কর্মসূচির জন্য দৌড়চ্ছেন। আজকের এই বিশাল জনসমাগম প্রমাণ করছে কীভাবে বিজেপি নারী শক্তিকে ভিত্তি করে দেশের উন্নয়নের পথ গড়ছে। বিজেপির শক্তি বন্দনা কর্মসূচির সময় দেশের মহিলাদের কাছে গিয়ে আমরা কথা বলেছি। প্রযুক্তির মাধ্যমে আজকের সভা দেশের প্রায় ২০ হাজার জায়গায় সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর তাতে মা, বোনেরা অংশগ্রহণ করেছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “ছোট বয়সে একটা ঝোলা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম”, জীবন-যুদ্ধের কাহিনি শোনালেন মোদি

    Narendra Modi: “ছোট বয়সে একটা ঝোলা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম”, জীবন-যুদ্ধের কাহিনি শোনালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) পরিবারতন্ত্র নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিয়ে থাকেন। কিন্তু বারাসতের সভায় নিজের পরিবার নিয়ে মুখ খুললেন, প্রকাশ করলেন আসল সত্য। সারা দেশের মানুষ তাঁর পরিবার, একথা তিনি এর আগেও একাধিকবার বলেছেন। তবে, কেন সারা দেশের ১৪০ কোটি মানুষ তাঁর পরিবার, বারাসতের সভা থেকে সেই কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মোদি।

    গোটা দেশবাসী কেন মোদির পরিবার? (Narendra Modi)

    বারাসতের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, কিছু মানুষের মনে হয়, কোনও রাজনৈতিক নেতা আমাকে গালি দিয়েছে, তাই আপনাদের সবাইকে নিজের পরিবার বলছি। আসলে আজ সত্যিটা বলছি। আমি অনেক ছোট বয়সে ঘর থেকে একটা ঝোলা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম। পরিবার ছেড়ে দেশের কোণায় কোণায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। কিছু খোঁজার চেষ্টা করছিলাম। আমার পকেটে কখনও এক পয়সাও ছিল না। অনেক জায়গার ভাষাও আমি জানতাম না। কিন্তু, আপনার জেনে গর্ব হবে, আমার পকেটে পয়সা ছিল না, না কোনও মাথার ওপর ছাদ ছিল। শুধু আমার কাঁধে ঝোলা ছিল। কোনও না কোনও মা-বাবা, কোনও বোন, আমাকে প্রশ্নটা করেই ফেলত, ‘বাবা তুমি কি কিছু খেয়েছো?’ আমি আজ বলছি, সালের পর সাল আমি পরিবার ছেড়ে ছিলাম। আমার পকেটে পয়সাও ছিল না। কিন্তু আমি এক দিনও খালি পেটে থাকিনি। সেই সময় আমার কোনও পরিচয় ছিল না। কাঁধে ঝোলা নিয়ে ঘুরতে থাকা এক যুবক ছিলাম আমি। সেই সময় দেশের অনেক গরিব পরিবারও আমার চিন্তা করেছে। আর তাই আজ আমি দেশের গরিব, মা-বোনেদের জন্য কাজ করছি। কারণ, আমি সেই ঋণ শোধ করছি। তাই আমি বলি, এটাই আমার পরিবার। ১৪৪ কোটি দেশবাসী আমার পরিবার।

    ‘আমার জন্য বাংলার মা-বোনেরা দুর্গার মতো উঠে দাঁড়ায়’

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, ‘আমার জন্য বাংলার মা-বোনেরা দুর্গার মতো উঠে দাঁড়ায়। আজকে দেশের সব পরিবার নিজেদের মোদির পরিবার হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। আজকে দেশের সব গরিব বলছে, আমরা মোদির পরিবার।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে’, বারাসতে বললেন মোদি

    Narendra Modi: ‘সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে’, বারাসতে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা-বোনেদের সঙ্গে অত্যাচার করে তৃণমূল ঘোর পাপ করেছে। সন্দেশখালিতে যা যা হয়েছে, তাতে যে কারোর মাথা লজ্জায় ডুবে যাবে। সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে। বারাসতের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে এই ভাষাতেই কড়া আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি বলেন, আপনাদের দুঃখে তৃণমূলের সরকারের কিছু যায় আসে না। বাংলার তৃণমূল সরকার দোষীদের বাঁচাতে পুরো শক্তি লাগিয়েছে। কিন্তু, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য।

    সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে সন্দেশখালির ঝড় (Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, গরিব, দলিত আদিবাসী মহিলাদের তৃণমূলের নেতারা জায়গায় জায়গায় অত্যাচার করছে। কিন্ত, তৃণমূল সরকারের ভরসা রয়েছে অত্যাচারী নেতার ওপর, বাংলার মা-বোনেদের ওপর এই সরকারের কোনও ভরসা নেই। এই কারণেই বাংলার মেয়েরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। মহিলাদের সেই আক্রোশ শুধু সন্দেশখালি পর্যন্তই সীমিত নেই, সারা বাংলাতেই সন্দেশখালির ঝড় আছড়ে পড়বে। আমি দেখছি তৃণমূলের মাফিয়ারাজ ধ্বংস করতে বাংলার নারীশক্তি জেগে উঠবে। তুষ্টিকরণ আর তোলাবাজদের জন্য রয়েছে তৃণমূল সরকার। এই সরকার মা-বোনেদের রক্ষা করবে না। সন্দেশখালির মহিলারাই দেখিয়েছেন, তাঁদের আওয়াজ শুনবে কেবল বিজেপি। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে সন্দেশখালির মানুষ বারাসতের সভায় এসেছিলেন। সন্দেশখালি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কড়া বক্তব্য শুনে তাঁরা খুশি। সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের হয়ে মোদি তৃণমূলকে আক্রমণ করায় বেজায় খুশি হয়েছেন নির্যাতিতারা।

    মহিলাদের জন্য হেল্পলাইন রাজ্যে চালু হতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার

    তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদি বলেন, তোলাবাজদের হয়ে কাজ করা তৃণমূল সরকার মেয়েদের কথা শুনবে না। কেন্দ্রীয় সরকার ধর্ষণের মতো অভিযোগের জন্য ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করেছে। মহিলারা যাতে অভিযোগ জানাতে পারে, তাই মহিলা হেল্পলাইন বানিয়েছে। কিন্তু এখানে এই সুবিধা লাগু হতে দিচ্ছে না। তৃণমূল সরকার মহিলা বিরোধী। মহিলাদের ভালো করতে পারে না এই সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: জাল সার্টিফিকেট দেখিয়ে প়ঞ্চায়েত প্রধান! বিপাকে তৃণমূল নেত্রী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Murshidabad: জাল সার্টিফিকেট দেখিয়ে প়ঞ্চায়েত প্রধান! বিপাকে তৃণমূল নেত্রী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধান হওয়ার জন্য ওবিসি শংসাপত্র জাল করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। সিপিএম ইতিমধ্যে তা নিয়ে সরব হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে পালটা হাইকোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল প্রধান। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কা ব্লকের বাহাদুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসক পঞ্চায়েত প্রধান কুসুম সাহার বিষয়ে তদন্ত করে সেই রিপোর্ট মুর্শিদাবাদের জেলাশাসককে পাঠিয়েও দিয়েছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কুসুম সাহা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে  বাহাদুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সিপিএম প্রার্থী হিমাংশুশেখর সাহাকে তিনি পরাজিত করেন। কুসুম পরে ওবিসি সার্টিফিকেট দেখিয়ে বাহাদুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হন। তারপরই পরাজিত বামপ্রার্থী হিমাংশু প্রধানের সার্টিফিকেট জাল বলে প্রশাসনের কে কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। হিমাংশু জানিয়েছেন, কুসুম সাহার বাপের বাড়ি বিহারে। তিনি ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করে পঞ্চায়েত ভোটে লড়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসকের নির্দেশের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। ওই কমিটি তদন্ত শুরু করে। গত বছর নভেম্বর মাসে মহকুমাশাসক কুসুম সাহাকে ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করার জন্য শোকজ করেন। তারপর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা প্রশাসন তদন্ত করে কুসুম সাহার শংসাপত্র বাতিল করে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান কুসুম সাহা বলেন, ‘আমাদের কাছের ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিলের চিঠি এসেছে। আর এই চিঠি নিয়ে আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছি। হাইকোর্ট সব বিচার করবে।’ অভিযোগকারী সিপিএম নেতা হিমাংশুশেখর সাহা বলেন, ‘কুসুম সাহা হাইকোর্টে যাবেন কি না, সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু আমরা জানি, তিনি জাল সার্টিফিকেট দেখিয়েছেন। এমনকী, আধার কার্ডও এডিট করা। তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন করেছিলাম। তারপরই আমরা সেখান থেকে প্রধান সম্পর্কে যাবতীয় সব নথি জানতে পারি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে বাধা! সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সমন, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ

    Sandeshkhali: প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে বাধা! সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সমন, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতের কাছারি ময়দানের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পাঁচ নির্যাতিতাকে সাক্ষাৎ করানোর পরিকল্পনা রয়েছে বঙ্গ বিজেপির। সেই সভায় যাওয়া থেকে নির্যাতিতাদের আটকাতে আগেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছিল। এবার একই অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধেও। অভিযোগ, যাঁদের মোদির সভায় যাওয়ার কথা, বেছে বেছে সেই মহিলাদের সমন পাঠিয়েছে পুলিশ।

    পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ (Sandeshkhali)

    তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা। ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন মহিলারা। তৃণমূল নেতাদের তাড়া করেছিলেন। বেছে বেছে আন্দোলনকারীদের পুলিশ গ্রেফতার করলে মহিলারা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। ১০ ফেব্রুয়ারি দায়ের হওয়া একটি মামলায় বয়ান রেকর্ডের জন্যই এই সমন। এর জন্য ৬ মার্চ, বুধবার সকাল ১০টায় তাঁদের থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে ওই নোটিসে। ঘটনাচক্রে ওইদিন ঠিক ওই সময়ই বারাসতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা। ফলে মোদির সভায় যাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। যদিও নির্যাতিতারা জানিয়েছেন, যত বাধাই আসুক, প্রধানমন্ত্রীর সভায় তাঁরা যাবেনই। পাশাপাশি এই নোটিস জারি করার পরই পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রামের মহিলারা।

    পুলিশের সমন নিয়ে কী বললেন নির্যাতিতা?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বারাসতের সভায় যাওয়ার কথা রয়েছে যাঁদের, তাঁদের মধ্যে অন্যতম সন্দেশখালির এক মহিলার কাছে পুলিশ আসে। তাঁর বক্তব্য, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে আচমকাই হাজির হয় সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার পুলিশ। আমাকে একটি কাগজ দিয়ে তাতে সই করে দিতে বলে পুলিশ। কাগজে কী লেখা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করি। কিন্তু, তিনি অভিযোগ জানিয়ে বলেন, কাগজে কী লেখা আছে, তা পড়ার সময়টুকুও দেওয়া হয়নি। একপ্রকার জোর করে কাগজে সই করে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে, আইনজীবীকে বিষয়টি জানাই। তাঁর মাধ্যমে জানতে পারি, ১০ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা বয়ান রেকর্ডের জন্যই পুলিশের এই সমন। এসব বাধা তৈরি করে কোনও লাভ হবে না। প্রধানমন্ত্রীর সভায় আমরা যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nirmal Kumar Saha: ‘নির্মলবাবু অত্যন্ত ভালো মানুষ’, বিজেপি প্রার্থীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তৃণমূল বিধায়ক

    Nirmal Kumar Saha: ‘নির্মলবাবু অত্যন্ত ভালো মানুষ’, বিজেপি প্রার্থীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদে চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত মুখ নির্মলকুমার সাহাকে (Nirmal Kumar Saha) এ বারের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে রীতিমতো চমক দিয়েছে বিজেপি । আর বিজেপি-র প্রার্থী তথা জনপ্রিয় চিকিৎসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। যা নিয়ে জেলা রাজনীতিতে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে।

    কে এই নির্মল সাহা? (Nirmal Kumar Saha)

    প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে এত দিন না থাকলেও সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ পারিবারিক সম্পর্ক নির্মল সাহার (Nirmal Kumar Saha) । কাকা মণিগোপাল সাহা সঙ্ঘের দীর্ঘ দিনের কর্মী ছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলায় আরএসএসের সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নির্মলের বড় দাদা কল্যাণকুমার সাহা মুর্শিদাবাদ চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি। সেই সঙ্গে জেলায় আরএসএস পরিচালিত একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বও রয়েছে তাঁর কাঁধে। তবে, বিজেপি প্রার্থী নির্মলকে কোনওদিনই রাজনীতির আঙিনায় সেভাবে দেখা যায়নি। শল্যচিকিৎসক হিসেবে জেলা জুড়ে খ্যাতি তাঁর। প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করেন তিনি। লোকমুখে এসব কথা মুর্শিদাবাদ জেলায় শোনা যায়। তাই, হিন্দু-মুসলিম, সকলের কাছেই তিনি ডাক্তারবাবু। এ বার রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় মেরুকরণের ঊর্ধ্বে ব্যক্তি নির্মলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তিকে ব্যবহার করেই বৈতরণী পেরোতে চাইছে বিজেপি।

    বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    মঙ্গলবার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, নির্মলবাবুকে (Nirmal Kumar Saha) ব্যক্তিগতভাবে আমি যতটা চিনি তাতে তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ। এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়র, অধ্যাপকদের রাজনীতিতে দরকার রয়েছে। সেদিক দিয়ে তাঁর মতো মানুষকে রাজনীতিতে স্বাগত। বিজেপি তাঁকে হেভিওয়েট হিসেবে প্রচার করছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, চিকিৎসক হিসেবে তিনি হয়তো হেভিওয়েট। তবে, রাজনীতি ময়দানে তিনি সমস্ত এলাকা চেনেন কি না সেটা তিনি ভালো বলতে পারবেন।

    ভোট কাটাকাটির অঙ্কে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি

    বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা- বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রানিনগর, বেলডাঙা, নওদা এবং বহরমপুর। গত লোকসভা ভোটে তৃণমূল ও কংগ্রেসের দ্বিমুখী লড়াই হয়েছিল। আরএসপি প্রার্থী দিলেও বামফ্রন্টগতভাবে লড়াইয়ে নামতে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীই জেতেন। যদিও গত বিধানসভা ভোটে উল্টে যায় অঙ্ক। ভোট প্রাপ্তির নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি, তৃতীয় স্থানে নেমে যায় কংগ্রেস। বহরমপুর বিধানসভায় জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী। একাধিক বিধানসভায় বিজেপি-র প্রাপ্ত ভোটও অনেকটাই বেড়ে যায়। এ বার সেই আসনেই ভোট কাটাকাটির অঙ্কে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি। বহরমপুর বিধানসভা-সহ সংখ্যালঘু কম এমন বিধানসভা এলাকাগুলিতে নিজেদের ভোট ধরে রেখে, চিকিৎসক নির্মলের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাতেও বাজিমাত করতে চায় বিজেপি। বিজেপি প্রার্থী তথা চিকিৎসক নির্মল সাহা বলেন, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কিছু হয় না। প্রত্যেকেই মানুষ। মানুষই ঠিক করে দেবেন তাঁদের প্রতিনিধি কে হবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share