Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sukanta Majumdar: ‘বিপ্লববাবু সব করেছেন পরিবারের জন্য’, তৃণমূল প্রার্থীকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘বিপ্লববাবু সব করেছেন পরিবারের জন্য’, তৃণমূল প্রার্থীকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে জেলায় ফিরে কার্যত লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সকাল আটটা নাগাদ শিয়ালদা বালুরঘাট ট্রেন স্টেশনে পৌঁছানোর পর কর্মী সমর্থকরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা শোভাযাত্রা করে বালুরঘাটে এসে ঢোকেন সুকান্ত মজুমদার। এরপর দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগে বালুরঘাটের ঐতিহ্যবাহী বুড়াকালী মন্দিরে পুজো দেন সুকান্ত বাবু।

    দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক (Sukanta Majumdar)

    সোমবার সারাদিন বিভিন্ন রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। প্রথমে জেলার পার্টি অফিসে কোর কমিটির মিটিং রয়েছে। তারপর অন্যান্য সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গেও তাঁর ম্যারাথন বৈঠক রয়েছে। দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন ব্লকেও তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর। সমস্ত কর্মসূচি যে প্রচার মুখী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বলা যেতে পারে সোমবার থেকেই পুরোদমে ভোট প্রচার শুরু করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। বালুরঘাট আসন এবার বিজেপির কাছে অত্যন্ত প্রেস্টিজ ফাইট। তাই প্রচারে কোনরকম খামতি রাখতে চাইছে না জেলা নেতৃত্ব। সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে জেলা কমিটির পক্ষ থেকে।

    বিপ্লববাবু সব করেছেন পরিবারের জন্য!

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর আমি  প্রথম বালুরঘাটে আসলাম। সকাল থেকে কর্মীদেরকে নিয়ে আমার অনেক কর্মসূচি ছিল। সকালে বালুরঘাটের বুড়ি কালীবাড়িতে পুজো দিয়ে আমি প্রচার শুরু করলাম। তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্র প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, তিনি দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ। তিনি আমার থেকে সিনিয়র। আমি তাঁকে অসম্মান করবো না। আমি একটা কথা বলতে চাই, তাঁকে উত্তরবঙ্গের বাইরে কে চেনেন। তাঁর থেকে বেশি অর্পিতা ঘোষ কে সবাই চেনেন। বিপ্লব বাবু তো নিজের পরিবারের জন্য সব করেছেন, জেলার জন্য কিছু করেননি। আমি জেলার জন্য কি কি করেছি সেইটা দেখেই আমাকে মানুষ ভোট দেবেন। আর আমি বিপুল ভোটে জিতবো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sayantika Banerjee: প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সায়ন্তিকা

    Sayantika Banerjee: প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সায়ন্তিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিগেডে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পরদিনই আচমকাই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (Sayantika Banerjee)। বাঁকুড়া কেন্দ্র থেকে দল তাঁকে প্রার্থী করবে বলে আশা করেছিলেন তিনি। ঘনিষ্ঠমহলে তা জানিয়েছিলেন। কিন্তু, প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর দেখা যায় তালিকায় নাম নেই তাঁর। আর তারপরই তিনি ইস্তফা দেন। ইতিমধ্যেই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে তিনি ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ইস্তফাপত্রে কী রয়েছে? (Sayantika Banerjee)

    গত বিধানসভা ভোটে বাঁকুড়া কেন্দ্রে বিধায়ক পদপ্রার্থী হিসেবে হেরে যাওয়ার পর দল গুরুত্ব দিয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Sayantika Banerjee) । সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। পেয়েছিলেন তিনি দলের রাজ্য সম্পাদকের পদ। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, গত তিন বছর ধরে লাগাতার বাঁকুড়ার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন তিনি। বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচী ছাড়াও বাঁকুড়ার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে জনসংযোগও রেখেছিলেন। তাই বাঁকুড়া লোকসভা থেকে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে প্রত্যাশী ছিলেন সায়ন্তিকা। কিন্তু, দল তাঁকে প্রার্থী করেনি। এরপরই তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন নেত্রী-অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে সায়ন্তিকা তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, “আমি গত ৩ বছর ধরে দলের সামগ্রিক রাজনৈতিক-প্রতিবাদী এবং উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। দলের সুনির্দিষ্ট আদর্শ অনুসরণ করে সমস্ত কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে আংশগ্রহণ করেছি। এই পর্যায়ে, আমি দলের সমস্ত রাজনৈতিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: ‘পার্থ সকলকে উস্কে গালাগাল করাচ্ছিল’, বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীকে তোপ অর্জুনের

    অরূপের নাম ঘোষণার পর ব্রিগেড ছে়ড়ে চলে যান সায়ন্তিকা!

    তৃণমূল সূত্রে খবর, বাঁকুড়া লোকসভা থেকে টিকিট পাবেন বলে নিশ্চিতও ছিলেন। কিন্তু, শেষমেশ প্রার্থী করা হয়নি তাঁকে। রবিবার ব্রিগেডের মঞ্চে যখন সায়ন্তিকা (Sayantika Banerjee) প্রবেশ করেন, তখন বেশ চনমনেই দেখাচ্ছিল তাঁকে। মঞ্চে আরও যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কয়েক জন জানান, অভিষেক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার পর দেখা যায় বাঁকুড়া কেন্দ্র থেকে অরূপ চক্রবর্তীকে প্রার্থী করা হয়েছে। এরপরই কিছুক্ষণ পর সভাস্থলে থেকে সায়ন্তিকা চলে যান। তারপরই তাৎপর্যপূর্ণভাবে সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: রেশন ‘দুর্নীতি’কাণ্ডে ধৃত শঙ্কর আঢ্যের বাড়িতে সিবিআই

    CBI: রেশন ‘দুর্নীতি’কাণ্ডে ধৃত শঙ্কর আঢ্যের বাড়িতে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শাহজাহানের ডেরার পর এবার বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যের বাড়ির এলাকায় গেল সিবিআই (CBI)। শঙ্কর বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন। তাঁকে রেশন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে দাবি করেছে ইডি। যদিও শঙ্কর নিজে সে সব দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। সোমবার বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফরেন্সিক দল নিয়ে সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা সোমবার সকালে বনগাঁয় পৌঁছেছেন। রেশন ‘দুর্নীতি’কাণ্ডে ধৃত শঙ্করের বাড়িতে ইডির ওপর হামলার ঘটনার তদন্ত করতে যায় সিবিআই।

    সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে (CBI)

    গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। ইডি-র ওপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। ওই দিনই বনগাঁয় শঙ্কর আঢ্যের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সে দিনই রাতে শঙ্করকে গ্রেফতার করে গাড়িতে তোলা হয়। শঙ্করকে নিয়ে যাওয়ার সময়ে বাধার সম্মুখীন হয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। শঙ্করের অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখান। এমনকি, ইডির গাড়িতে ইট ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। বনগাঁ থানায় অভিযোগও হয়। সেই হামলার ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর আগেও সিবিআইয়ের (CBI) দল শঙ্করের বাড়ির এলাকায় গিয়েছিল। তবে তখন তারা বাড়ির ভিতরে ঢোকেনি। সোমবার বাড়িতে ঢুকেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সে দিন রাতে কারা ছিলেন, ইডিকে কারা বাধা দিয়েছিলেন, এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ‘পার্থ সকলকে উস্কে গালাগাল করাচ্ছিল’, বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীকে তোপ অর্জুনের

    শঙ্করের বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ

    এর আগে তারা সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়িতেও গিয়েছিল সিবিআই। সঙ্গে ছিল বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ফরেন্সিক দল। ইডির দু’জন আধিকারিকও সিবিআইয়ের (CBI) সঙ্গে গিয়েছিলেন। শাহজাহানের বাড়ি, অফিস, বাজারে তল্লাশি চালানো হয়। ডুগরিপাড়া গ্রামে শাহজাহানের দুই ঘনিষ্ঠের বাড়িতেও গিয়েছিল সিবিআই। একই ভাবে এদিন বনগাঁয় শঙ্করের বাড়ি থেকেও নমুনা, তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ‘পার্থ সকলকে উস্কে গালাগাল করাচ্ছিল’, বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীকে তোপ অর্জুনের

    Barrackpore: ‘পার্থ সকলকে উস্কে গালাগাল করাচ্ছিল’, বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীকে তোপ অর্জুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভা কেন্দ্রে টিকিট পাননি অর্জুন সিং। পার্থ ভৌমিকের ওপর আস্থা রেখেছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। আর এতে বেজায় চটেছেন এবং দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন অর্জুন। অর্জুনের অনুগামীরাও রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন। দত্তপুকুর, ভাটপাড়ার মেঘনা মোড়ে অর্জুন অনুগামীরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। এবার পার্থ ভৌমিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অর্জুন।

    পার্থ সকলকে উস্কে সাংসদকে গালাগাল করাচ্ছিল (Barrackpore)

    পার্থ ভৌমিককে নিয়ে অর্জুন বলেন, ১০০ শতাংশ পার্থর ভূমিকা ছিল। ওই তো সকলকে উস্কে থেকে দলের সাংসদকে গালাগাল করাচ্ছিল। ওই তো সব করাচ্ছিল। সোমনাথ শ্যাম, সুবোধ অধিকারীদের প্রকাশ্য বারাকপুরে (Barrackpore)’বিদ্রোহ’কে অর্জুন ‘স্ক্রিপ্টেড’ বলেন এদিন। অর্জুন সিং বলেন, “স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী দু’জন বিধায়ককে দিয়ে বলানো, সিন ক্রিয়েট করা হয়। বলানো হয়, এরা ক্ষতি করে দেবে। আমি দিদিকে বলেছিলাম, এরা তো ২০১৯-এও আমার বিরুদ্ধে ছিল। তবে আমার দিদি, অভিষেকের ওপর কোনও ক্ষোভ নেই। তবে, আমাকে ডেকে এভাবে যা করা হল।” রাজনীতিতে একটা জিনিস চলে, বিরোধীদের একত্রিত করে একজনের উপর আঘাত করে শেষ করে দেওয়া। এটা রাজনীতিতে হয়। তাই হয়েছে। আমার সঙ্গে এটা হয়েছে, আমি কিছুটা শকড। তবে আমার আগে ভাবা উচিত ছিল। আমি বিশ্বাস করেছিলাম, তাতেই আঘাতটা হল।

    বিশ্বাস করা ভুল হয়েছে

    বেশ কিছুদিন ধরেই বারাকপুরে (Barrackpore) অর্জুন সিংকে নিয়ে নানা অভিযোগ তুলছিলেন জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম, বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীরা। সূত্রের খবর, সোমনাথ শ্যাম দলকে প্রকাশ্যে জানিয়ে রেখেছিলেন, অর্জুনকে প্রার্থী করা হলে প্রচারে যোগ দেবেন না। সোমনাথ শ্যাম একা নন। সুবোধ অধিকারীও প্রকাশ্যে বলেছিলেন, বিজেপিতে যোগ দিয়ে যারা তৃণমূলের সঙ্গে বেইমানি করে, যারা বারাকপুরে দাপিয়ে বেড়িয়েছে এক সময়, কোনওভাবেই মানুষ তাদের মানবে না। অর্জুনের দাবি, বিজেপি থেকে এলেও বিশ্বজিৎ দাস বনগাঁয় টিকিট পেলেন। তাহলে তিনি কেন পেলেন না? অর্জুন বলেন, “কোথাও না কোথাও আমারই ভুল হয়েছে। আমি বিশ্বাস করেছি। এটা কারও সঙ্গে করা উচিত না। আমাকে বলে আনা হয় বারাকপুরের জন্য। আমি বুঝতেই পারলাম না কিছু।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না”, মুকুটমণি প্রার্থী হতেই তোপ জগন্নাথের

    Ranaghat: “গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না”, মুকুটমণি প্রার্থী হতেই তোপ জগন্নাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বড় ব্যবধানে জিতবো। তৃণমূল এই গদ্দার মুকুটমণি অধিকারীকে কেউ বিশ্বাস করবে না। তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার পর কড়া আক্রমণ করলেন রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, ভোটে আরও ভালো ফলাফল হবে। সাধারণ মানুষের কোনও উপকার করেনি মুকুটমণি। তাই এবার ওই এলাকার বিজেপি কর্মীরা আরও ভালোভাবে নির্বাচনে লড়াই করতে পারবে।

    তৃণমূল ডুবন্ত নৌকা (Ranaghat)

    ব্রিগেডের জনগর্জন সভা থেকে রাজ্যের ৪২ টি আসনে লোকসভা প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। একের পর এক চমকও রয়েছে সেই প্রার্থী তালিকায়। তবে, রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রে সদ্য বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করা এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীকে প্রার্থী নির্বাচিত করল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও তার  সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপির রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ  জগন্নাথ সরকার। সুতরাং,এবছর ভোটের লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তার কারণ মুকুটমণি অধিকারী এবং জগন্নাথ সরকারকে নিয়ে বিজেপির দ্বন্দ্ব এর আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। তারপরেই মুকুটের দলবদল এবং রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে তার প্রার্থী হওয়ার কারণ। জগন্নাথ বলেন, তৃণমূল দল এখন ডুবন্ত নৌকা। এখানে সবাই চোর। যারা আদর্শ বিজেপি কর্মী তারা কখনও বিজেপি ছেড়ে অন্য দলে যোগদান করে না। তাঁর মস্তিষ্ক সুস্থ রয়েছে বলে আমার মনে হয় না। তবে, এর প্রভাব লোকসভা ভোটে পড়বে না।

    গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না

    তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী  মুকুটমণি অধিকারীকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, অন্য কেউ ভোটে দাঁড়ালে হয়তো জয়ের ব্যবধানটা এক লক্ষ হত। তবে, মুকুট ভোটে দাঁড়ানোর কারণে ব্যবধানটা দু লক্ষ পেরিয়ে যাবে। কারণ, তৃণমূল এই গদ্দার মুকুটমণি অধিকারীকে কেউ বিশ্বাস করবে না। আর সাধারণ মানুষ তৃণমূলের দুর্নীতি এবং তাদের হিংস্রতা চোখের সামনে দেখেছে। শুধু তাই নয় মুকুটমণি অধিকারীকে অনভিজ্ঞ, অপরিণত,লোভী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও অভিহিত করেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: “বারাকপুরে টিকিট দেওয়া হবে বলে এনেছিল”, পার্থকে তৃণমূল প্রার্থী করতেই তোপ অর্জুনের

    Barrackpore: “বারাকপুরে টিকিট দেওয়া হবে বলে এনেছিল”, পার্থকে তৃণমূল প্রার্থী করতেই তোপ অর্জুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভায় তৃণমূলের কে প্রার্থী হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। অবশেষে ব্রিগেডের সভা থেকে রাজ্যের মন্ত্রী তথা নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিককে প্রার্থী করা হয়েছে। আর সাংসদ অর্জুন সিংকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। আর তারপরই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দেগে রাস্তায় আন্দোলনে নামলেন তৃণমূল কর্মীরা। রাস্তা অবরোধ করে অর্জুন অনুগামীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    শুরু হল তৃণমূল প্রার্থী হয়ে প্রচার (Barrackpore)

    কয়েকদিন আগেই বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের একাধিক জায়গায় তৃণমূল মনোনীত প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের নামে পোস্টার পড়েছিল। নাম ঘোষণার আগে পোস্টার প্রকাশ্যে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে, অর্জুন বিরোধী হিসেবে পরিচিত জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম, বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী বেশ কয়েকমাস ধরে নতুন প্রার্থীর দাবি জানাচ্ছিলেন। অর্জুনকে কোনওভাবে যাতে প্রার্থী না করা হয় তার জন্য শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে দরবার করেছিলেন। আর বিভিন্ন মিটিং, পথসভায় অর্জুনের বিরুদ্ধে তাঁরা প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। এই আবহের মধ্যে এই লোকসভায় রাজ চক্রবর্তীর প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। বারাকপুর শিল্পা়ঞ্চল জুড়ে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টার পড়েছিল। এসবের পরই এদিন পার্থ ভৌমিকের নাম ঘোষণা করা হয়। স্বাভাবিকভাবে অর্জুন বিরোধীরা উজ্জীবিত। অর্জুন বিরোধীদের বক্তব্য, পার্থ ভৌমিক ভূমিপুত্র। মন্ত্রী হয়ে তিনি প্রচুর কাজ করেছেন। দলীয় নেতৃত্ব যোগ্য মানুষকে প্রার্থী করেছেন। বিপুল ভোটে তিনি জয়লাভ করবেন। ইতিমধ্যেই পার্থ ভৌমিকের নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর নামে পোস্টারও বিভিন্ন জায়গায় টাঙানো শুরু হয়ে গিয়েছে।

     রাস্তা অবরোধ করলেন অর্জুন বিরোধীরা

    অর্জুন সিংকে দল এবার টিকিট না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ দলের একাংশ। বিশেষ করে অর্জুন অনুগামীরা মুষড়ে পড়েছেন। এদিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পরই দত্তপুকুর এলাকায় অর্জুন অনুগামীরা বনগাঁ রোড অবরোধ করেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, বারাকপুর (Barrackpore) কেন্দ্রে প্রার্থী বদল করে অর্জুন সিংকে প্রার্থী করতে হবে। পরে, পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ তোলার ব্যবস্থা করে।

    আগে জানলে তৃণমূলে আসতাম না

    পার্থ ভৌমিকের নাম ঘোষণা হওয়ায় ক্ষুব্ধ অর্জুন। তিনি বলেন,”দেড় বছর ধরে দলের দায়িত্বে ছিলাম না। শুধু সাংসদ ছিলাম। আমাকে বলা হয়েছিল বারাকপুরে (Barrackpore) টিকিট দেওয়া হবে। দলে যিনি এনেছিলেন তিনিই বলেছিলেন। এবার টিকিট দেওয়া হয়নি।” এবার কি তাহলে নতুন পথে হাঁটবেন অর্জুন? বললেন না কিছু। তবে অর্জুন বলেন, “আক্ষেপ থাকবে। দেড় বছর ধরে দল বলে নিয়ে এল টিকিট দেবে বারাকপুরে। আগে জানলে তো আমি আসতামই না। আমি বারাকপুরের মানুষকে ঠকাইনি। আমাকে বারবার টোপ দেওয়া হচ্ছিল, এখানে চলে যান ওখানে চলে যান। আমি বারাকপুর ছেড়ে যাব না তো। এখানে জন্মেছি, এখানে মরব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ‘তালিবানি কায়দায় তৃণমূল সন্দেশখালিতে সন্ত্রাস চালিয়েছে’, বিস্ফোরক মুক্তার আব্বাস নাগভি

    Nadia: ‘তালিবানি কায়দায় তৃণমূল সন্দেশখালিতে সন্ত্রাস চালিয়েছে’, বিস্ফোরক মুক্তার আব্বাস নাগভি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তালিবানি কায়দায় তৃণমূল সন্দেশখালিতে সন্ত্রাস চালিয়েছে। যারা সন্ত্রাস চালিয়েছে তাদের উৎসাহ যুগিয়েছে এই তৃণমূল সরকার। রবিবার নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে একটি বেসরকারি লজে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তার আব্বাস নাগভি।

    মোদির নেতৃত্বে উন্নয়নের জোয়ার চলছে (Nadia)

    তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সাংসদ ছিলেন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দায়িত্ব পালন করেছেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর কেন্দ্রকে পাখির চোখ করে লড়াইয়ে নামছে বিজেপি। মূলত, কর্মীদের আরও উৎসাহ বাড়াতে এদিন তিনি কৃষ্ণনগরে আসেন। একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, বিজেপি একমাত্র দল যেখানে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গোটা দেশজুড়ে উন্নয়নের জোয়ার চলছে। কমিউনিস্ট পার্টি এবং তৃণমূল কংগ্রেস সবাই ভাঁওতাবাজির দল। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই নদিয়ার দুই লোকসভা কেন্দ্রে  প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে গতবারের জয়ী প্রার্থী মহুয়া মৈত্র ওপর আস্থা রেখেছে তৃণমূল। মহুয়া মৈত্র সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার পর রাজনৈতিক বিতর্কে সৃষ্টি হয়েছিল। জল্পনা হচ্ছিল, তিনি কি আবারও লোকসভার টিকিট পাবেন কিনা। অন্যদিকে সদ্য বিজেপি থেকে আশা বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারীকে রানাঘাটের লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করল তৃণমূল। দিন কয়েকের মধ্যেই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। এরআগে রানাঘাট কেন্দ্র বিজেপির দখলে থাকলেও কৃষ্ণনগর ছিল তৃণমূলের দখলে। সেই কারণেই কৃষ্ণনগরকে পাখির চোখ করে রাস্তায় নামছে বিজেপি।

    তৃতীয়বারের জন্য বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে

    কিছুদিন আগেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি জনসভা করে গেছেন কৃষ্ণনগরে। শুধু তাই নয় বেশ কয়েক মাস ধরেই রাজ্য নেতৃত্ব একাধিকবার নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠক করেছে তাদের উৎসাহ বাড়াতে। এবার সেই উৎসাহের পারদ আরও বাড়াতে কৃষ্ণনগরে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তার আব্বাস নাগভি। সেই সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তিনি। তিনি বলেন, এর আগে হয় রিমোট কন্ট্রোলের সরকার চলেছে, না হয় রোবট দিয়ে সরকার চালানো হয়েছে। গত দশ বছর ধরে এমন একটি সরকার চলছে যাদের রোবট কিংবা রিমোট কিছুই নেই। নিজের শক্তিতে তৃতীয়বারের জন্য সরকারে আসতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “খেলা হল বিহারে, ভাইপো যাবে তিহারে”, সন্দেশখালিতে তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ সুকান্তর

    Sandeshkhali: “খেলা হল বিহারে, ভাইপো যাবে তিহারে”, সন্দেশখালিতে তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিগেডে তৃণমূলের জনগর্জন সভার দিনই সন্দেশখালিতে ঝড় তুললেন সুকান্ত-শুভেন্দু জু়টি। তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করার পাশাপাশি মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেন তাঁরা। ১০ মার্চ সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) সভা করার ডাক দিয়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু, পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপরেই সন্দেশখালিতে সভা করতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা। বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দেয় আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বেঞ্চ জানায়, আগামী ১০ মার্চ অর্থাৎ রবিবার সন্দেশখালি গিয়ে সভা করতে পারবেন শুভেন্দু। সেই মতো এদিন ন্যাজাটের দক্ষিণ আক্রাতলায় সভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নৌকায় করে সভার পথে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা বিজেপির সভায় যোগ দেন। জনসভায় কর্মী-সমর্থকদের ভিড় উপচে পড়েছিল।

    কর্মীদের কী বার্তা দিলেন সুকান্ত? (Sandeshkhali)  

    এদিন সন্দেশখালির ন্যাজাটের সভায় বক্তব্য রাখতে উঠেই তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বিহারে ভাইপো তেজস্বীকে ছেড়ে নীতীশ কুমারের বিজেপিতে যোগদানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সুকান্ত স্লোগান দেন, “খেলা হল বিহারে, ভাইপো যাবে তিহারে।” জনতার উদ্দেশে আর্জি জানিয়ে সুকান্ত বলেন, বসিরহাট থেকে জিততে সন্দেশখালি বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে এক লক্ষ ভোটের লিড চাই। তাই, দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করার তিনি আর্জি জানান। ব্রিগেডে জনগর্জনের সভা থেকে বিজেপিকে বাংলা-বিরোধী বলে তোপ দেগেছিল তৃণমূল। ন্যাজাটের সভা থেকে পাল্টা দিল বিজেপি। সুকান্ত বলেন, নরেন্দ্র মোদি বহিরাগত? মোদি বেশি বাঙালি। তিনি বাংলার মা-বোনেদের সম্মান দিতে জানেন। সব চোর ব্রিগেডে গিয়েছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। লোকসভা নির্বাচনে মানুষ তৃণমূলকে শিক্ষা দেবে বলে জানিয়ে সুকান্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, “আগামীর রায়, চোর ভাইপোর বিদায়।”

    সারা রাজ্যে ২৫- ৩০টি সন্দেশখালি রয়েছে!

    ন্যাজাটের (Sandeshkhali) সভা থেকে শাহজাহান শেখকে তোপ দেগে শুভেন্দু বলেন, “শুধু শাহজাহানকে গ্রেফতার করলেই চলবে না।”বেশ কয়েকটি নাম উল্লেখ করে শুভেন্দুর দাবি, এঁদেরকেও গ্রেফতার করতে হবে। শুভেন্দুর আরও দাবি, নরেন্দ্র মোদি গরিব মানুষকে যে রেশন সামগ্রী দিয়েছিলেন, তা লুট করেছে শাহজাহান বাহিনী। মুখ্যমন্ত্রীকে ‘শাহজাহানের মাসি’ বলেও কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। আর এই সন্দেশখালির সঙ্গে গোটা ভারতবর্ষ রয়েছে বলে তিনি জানান। একইসঙ্গে তিনি বলেন, সারা রাজ্যে ২৫- ৩০টি সন্দেশখালি রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Diamond Harbour: চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশকর্মী, নাম জড়াল মহিলা সাব ইন্সপেক্টরের

    Diamond Harbour: চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশকর্মী, নাম জড়াল মহিলা সাব ইন্সপেক্টরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমস্যা থেকে সমাধান পেতে সাধারণ মানুষ সবার আগে পুলিশের দরজায় কড়া নাড়েন। কিন্তু, পুলিশ কি সব সময় সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। প্রশ্নটা উঠেছে বর্তমানে রাজ্যের সব থেকে চর্চিত ঘটনা সন্দেশখালিতে। একই রকম অভিযোগ উঠছে ডায়মন্ড হারবারের চিকিৎসক কল্যাণাশিস ঘোষের রহস্যমৃত্যু নিয়ে। সেক্সটর্শন, অর্থিক প্রতারণা, ব্ল্যাকমেলের মত ঘটনায় কি জড়িয়ে পড়ছেন আইনের রক্ষকরাও? ডায়মন্ড হারবারের কল্যাণাশিস ঘোষ নামে এক চিকিৎসকের আত্মহত্যায় সেটাই মনে হচ্ছে।

    চিকিৎসকের রহস্য মৃত্যুতে গ্রেফতার পুলিশ কর্মী

    চিকিৎসকের পরিবার যে এফআইআর দায়ের করেছে তাতে নাম আছে কলকাতা পুলিশের কনস্টেবল বাকিবিল্লা বোরহানি ও এক মহিলা সাব ইনস্পেক্টরের। গ্রেফতার করা হয়েছে বাকিবিল্লাকে। তদন্তে ডায়মন্ড হারবারের এক বারের মালিকের স্ত্রীর সঙ্গে কল্যাণাশিসের সম্পর্ক নিয়েও উঠেছে আসছে নানা তথ্য। ইতিমধ্যেই বারের মালিক অভিজিৎ দাস ও তার প্রাক্তন স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকিবিল্লা বোরহানি আবার রিয়ার প্রাক্তন স্বামী অভিজিতের বন্ধু। পাশাপাশি এলাকায় কান পাতলে শোনা যায়, এই পুলিশ কর্মীর সঙ্গেও নাকি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল রিয়ার। অভিযোগ, রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কল্যাণাশিস ঘোষকে ব্ল্যাকমেল করত বাকিবিল্লা। মৃত ডাক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত বাকিবিল্লা। জেরায় এই কথা জানিয়েছে, ধৃত বার মালিক অভিজিৎ। শুধু এই একজন পুলিশ কর্মী নয়, নাম উঠে আসছে আরেক মহিলা সাব ইনস্পেক্টরের। তিনি নাকি রিয়ার বন্ধু। এই ঘটনায় জড়িয়ে গিয়েছে তার নাম। রিয়ার সঙ্গে এতটাই ঘনিষ্ঠতা ছিল সেই মহিলা পুলিশ কর্মীর যে অন্যত্র বদলি হলেও মাঝে মধ্যেই একসঙ্গে দেখা যেত দু’জনকে। চলত আড্ডা। মাঝে মাঝে পুরুষ সঙ্গীদের নিয়ে নাকি লং ড্রাইভেও যেতেন দুই বান্ধবী। দুই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় ঘটনা অন্য মাত্রা পেয়েছে তাতে সন্দেহ নেই।

    ডাক্তারকে ব্ল্যাকমেল!

    রিয়ার সঙ্গে চিকিৎসকের অনেক গভীরে সম্পর্ক ছিল। তাঁকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেল করা হত বলে অভিযোগ। একাধিক পুরুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বলে তাঁর স্বামী তাঁকে ডিভোর্স দিয়েছে বলে পুলিশকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে স্বামীর সঙ্গে বোঝাপরা করেই চলত এই সব কারবার। আর ব্ল্যাকমেল করে আদায় করা হত মোটা টাকা।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বসিরহাট আদালতে তোলা হল শাহজাহানকে, চারদিনের হেফাজত চাইল সিবিআই

    Sheikh Shahjahan: বসিরহাট আদালতে তোলা হল শাহজাহানকে, চারদিনের হেফাজত চাইল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বসিরহাট আদালতে তোলা হয় সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)। তবে, এদিন সিবিআইয়ের কনভয় যখন শাহজাহানকে নিয়ে বসিরহাটের পথে, সেই সময়েও উল্টো দিক থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের গাড়ি কলকাতার ব্রিগেডের দিকে যেতে দেখা গিয়েছে। এমনকী, সেই গাড়ির কারণে মাঝেমধ্যে থমকেও গিয়েছে শাহজাহানের কনভয়। পরে,বসিরহাট আদালতে তুলে সন্দেশখালির শাহজাহান শেখকে চার দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চেয়েছে সিবিআই। তবে, আপাতত আদালতের পক্ষ থেকে রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছে।

    কোনও কথা বলননি শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)

    ইডি-র ওপর হামলার প্রায় দুমাস ফেরার ছিলেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। মিনাখাঁ থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। এরপর বসিরহাট আদালতে তাঁকে তোলা হয়েছিল। সেই সময় পুলিশ তাঁকে স্পর্শ করার সাহস দেখায়নি। বাদশার মেজাজেই ছিলেন। সেবারও তিনি কোনও কথা বলেননি। তবে, জহর কোর্ট পরে সংবাদ মাধ্যমকে ভি চিহ্ন দেখিয়েছিলেন। তবে, সিবিআই তাদের হেফাজতে নেওয়ার পর এদিন বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালতে পৌঁছে গাড়ি থেকে নামার সময়ে কোনও কথা বলেননি শাহজাহান। তাঁর হাত ধরেই তদন্তকারীরা আদালতে নিয়ে যান। শুনানি শেষে তাঁর আইনজীবী জানান, শাহজাহানকে আরও জেরা করে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা প্রয়োজন- এই মর্মে তাঁর হেফাজতের আবেদন জানিয়েছিল সিবিআই। আদালত এখনও পর্যন্ত রায় দেয়নি।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    শাহজাহানের সঙ্গীদের নোটিস দিল সিবিআই

    গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। বসিরহাট আদালত তাঁকে ১০ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। সিআইডি-র হেফাজতে ছিলেন তিনি। পরে কলকাতা হাই কোর্ট শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে বলে। হিসাব মতো, তিন দিন শাহজাহানকে হেফাজতে পেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। শাহজাহানকে হেফাজতে পাওয়ার পরেই সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে তৎপর হয়েছে সিবিআই। পর পর দু’দিন তারা সন্দেশখালিতে গিয়েছে। তার মধ্যে দ্বিতীয় দিন শাহজাহানের বাড়ি, বাজার, অফিসে তল্লাশিও চালানো হয়েছে। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিবিআই সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকা কার্যত চষে ফেলেছে। এমনকী, ডুগরিপাড়া গ্রামে শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ দু’জনের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। শাহজাহানের আট সঙ্গীকে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share