Tag: West Bengal

West Bengal

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি জুড়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস, মিষ্টি বিতরণ, উঠল ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি জুড়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস, মিষ্টি বিতরণ, উঠল ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন প্রতীক্ষার অবসান। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অত্যাচারের মূলচক্রী দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান গ্রেফতার। এতদিন শুধুই চোখের জল দেখেছে সন্দেশখালি। এখন হাসছে সেখানকার মানুষজন। শাহজাহানের গ্রেফতারির খবর পেতেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। চলছে মিষ্টি বিতরণ। ফাটছে বাজি। উঠল জয় শ্রী রাম স্লোগান।

    বসিরহাট লকআপে শাহজাহান

    ইডি-র ওপর হামলার পর থেকে ফেরার ছিল শাহজাহান। তাঁর অন্যতম শাগরেদ উত্তম সর্দার, শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ার পরও মহিলারা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন। পুলিশ প্রশাসন থেকে রাজ্যের মন্ত্রীদের কাছে শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছিলেন। তারপরও পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও গা করেনি। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) জুড়়ে জনরোষ আছড়ে পড়েছিল। তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির ওপর হামলা চালানো হয়। তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে, পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ফেরার থাকার দেড় মাস পর অবশেষে শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করল। বসিরহাট লকআপে শেখ শাহজাহানকে রাখা হয়। সেখানে মোতায়েন রয়েছেন প্রচুর পুলিশ আধিকারিক। রয়েছেন মহিলা পুলিশও। গার্ডরেল বসানো হয়েছে। একাধিক পুলিশ কর্তা বসিরহাট মহকুমা আদালতে আসতে শুরু করেছেন। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বসিরহাট। আর গ্রেফতার হওয়ার পরই এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়। অনেক মহিলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। বয়স্ক মহিলাদের রাস্তায় নাচ করতে দেখা যায়।

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন? (Sandeshkhali)

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, পুলিশ ইচ্ছাকৃত শাহজাহানকে ধরেনি। আমরা এতদিন ধরে চিৎকার করছি, তারপরও পুলিশের টনক নড়েনি। আদালত নির্দেশ দিল। এরপর তাঁকে না ধরলে ভাবমূর্তি খারাপ হবে বুঝতে পেরে পুলিশ গ্রেফতার করল। এলাকার মানুষ বার বার বলেছিলেন সন্দেশখালিতেই লুকিয়ে রয়েছেন শাহজাহান। তাতে কোনও লাভ হয়নি। তবে তৃণমূলের তরফে গ্রেফতারির সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরই রাতারাতি পুলিশের জালে উঠে এল শাহজাহান। কীভাবে সম্ভব হল এটা? আর শাহজাহান যে সন্দেশখালির বাইরে যাননি তাও গ্রেফতারির মধ্যে প্রকাশিত হল। ও যে অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে আমরা ওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Central Forces West Bengal: রাজ্যে আসছে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, সন্দেশখালিতে কত জানেন?

    Central Forces West Bengal: রাজ্যে আসছে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, সন্দেশখালিতে কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-বাজারে বিশেষ নজর দুই চব্বিশ পরগনা জেলায়। এই দুই জেলায় ঠিক কবে বিঘ্নহীন নির্বাচন হয়েছে, তা মনে করতে পারছেন না এলাকার প্রবীণরাও। লোকসভা নির্বাচন যাতে নির্বিঘ্নে করানো যায়, তাই এই দুই জেলায় বেশি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Central Forces West Bengal) করা হচ্ছে বলে খবর। লোকসভা নির্বাচনে সব মিলিয়ে রাজ্যে আসছে ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই বাহিনীর কত, কোথায় মোতায়েন করা হবে, তা জানিয়ে দল নির্বাচন কমিশন।

    সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    জানা গিয়েছে, সব চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। সন্দেশখালি পড়ে এই জেলায়ই। মার্চের প্রথমেই রাজ্যে আসছে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকিটা আসবে পরে। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফায় কলকাতায় আসছে সাত কোম্পানি বাহিনী। সন্দেশখালি যে পুলিশ জেলার মধ্যে পড়ে, সেই বসিরহাট পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে তিন কোম্পানি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে মোতায়েন করা হবে পাঁচ কোম্পানি বাহিনী। ভোটারদের আস্থা বাড়াতে স্পর্শকাতর এলাকায় রুটমার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    কত কোম্পানি চেয়েছে কমিশন?

    লোকসভা নির্বাচন (Central Forces West Bengal) কভার করতে বাংলার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে ৯২০ কোম্পানি বাহিনী চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। যা দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের চেয়ে বেশি। প্রথম দফায় পৌঁছবে ১০০ কোম্পানি। মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই চলে আসবে আরও ৫০ কোম্পানিও।

    কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় মোট ২১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে বারাসতে তিন, বনগাঁয় তিন, ব্যারাকপুরে ছয়, বসিরহাটে পাঁচ, বিধাননগরে চার কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পুলিশ জেলায় তিন, ডায়মন্ড হারবারে তিন এবং বারুইপুরে তিন কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির ‘হাঙর’ তৃণমূলের শেখ শাহজাহান গ্রেফতার

    সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। তাঁর দুই শাগরেদও গ্রেফতার হয়েছেন। এর পরেই শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এলাকার নির্যাতিতারা। তৃণমূলের এই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। নানা অছিলায় জমি কেড়ে নেওয়া, সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিস কিংবা বাগান বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা সহ নানা অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের জেরে এমনিতেই বিব্রত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। তার ওপর কমিশন প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় খুশি বিরোধীরা। তাঁদের আশা, এবার হয়তো ভয়মুক্ত পরিবেশে মতদান করতে পারবেন স্থানীয়রা (Central Forces West Bengal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: গলায় বিদ্যুতের তার জড়ানো নিথর মেয়ে, কাপড়ের ফাঁসে আত্মঘাতী মা!

    North 24 Parganas: গলায় বিদ্যুতের তার জড়ানো নিথর মেয়ে, কাপড়ের ফাঁসে আত্মঘাতী মা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মধ্যে গলায় ইলেকট্রিকের তার জড়ানো অবস্থায় পড়ে রয়েছে মেয়ে। আর পাশেই গলায় কাপড়ের ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন মা। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas) খড়দা থানার আগরপাড়ার পীড়তলা এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম  মৌসুমী সান্যাল (৫৫) এবং মেয়ে দিয়া সান্যাল (১৯)। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আগরপাড়ার পীড়তলা এলাকায় সান্যাল পরিবার ঘরভাড়া আসে। বাড়ির কর্তা রজততেন্দ্র সান্যাল অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। মেয়ে বাড়়িতে জয়েন্টের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বাড়িতে তিনজনেই থাকতেন। আত্মীয়স্বজন আসা যাওয়া দেখতে পাননি প্রতিবেশীরা। জানা গিয়েছে, অন্যান্যদিনের মতো এদিন সকালবেলা রজতবাবু বাজার করতে গিয়েছিলেন। বাজারে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বাইরে থেকে তালা মেরে যান। এদিনও বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে তিনি বাজারে চলে যান। বাড়ি ফেরার পর দরজা খুলেই দেখেন স্ত্রী ও মেয়ের নিথর দেহ পড়ে রয়েছে। এরপরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। প্রতিবেশীদের বক্তব্য, এলাকায় ঘরভাড়া আসার পর থেকে সান্যাল পরিবারের লোকজন খুব বেশি মেলামেশা করতেন না। বাড়ির দরজা, জানলা সব সময় দেওয়া থাকত। মেয়ে জয়েন্টে প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে আমরা জানতি পারি। তার বেশি তাঁরা আর কিছু বলেনি।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    মৃতের স্বামী রজতবাবু বলেন, মেয়ে গতবার নিট পরীক্ষা দিয়েছিল। পরীক্ষায় সে অকৃতকার্য হয়েছিল। তারপর থেকে ও মানসিক অবসাদে ভুগছিল। ওর চিকিৎসা চলছিল। মায়ের সঙ্গে প্রায় ঝামেলা লাগত। মেয়ের প্রস্তুতির জন্য আমরা সবরকম চেষ্টা করছিলাম। ও ভাল প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এর মধ্যেই এভাবে এই ঘটনা ঘটবে তা ভাবতেই পারছি না। পুলিশ মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে। তবে, কী কারণে মা ও মেয়ে এই ধরনের চরম সিদ্ধান্ত নিল তার রহস্য উদঘাটন করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে হল অভিযোগ দায়ের

    Sandeshkhali: শাহজাহান ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে হল অভিযোগ দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস ছিল না সন্দেশখালিবাসীর। কেউ সাহস করে থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) জুড়ে ঘুরলেই এই কথা শোনা যায়। আর ইডি-র ওপর হামলার পর দেড় মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত। এখনও অধরা শেখ শাহজাহান। এদিকে, তাঁর গ্রেফতারির দাবিতে উত্তাল সন্দেশখালি। পথে নেমেছেন গ্রামের মহিলাদের একাংশ। শুধু শাহজাহান নয়, এর পাশাপাশি তাঁর ভাই শেখ সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধেও জমি দখল, বাড়িঘর ভাঙচুরের মতো একাধিক অত্যাচারের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। এবার নতুন করে শেখ শাহজাহানের ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হল।

    শাহজাহানের নামে আগেও অভিযোগ জমা করা হয়

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর গ্রামের মহিলারা ঝাঁটা হাতে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন। তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির ওপর হামলা হয়। তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে, পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। তার আগে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরার ওপর জনরোষ আছড়ে পড়েছিল। তাদের দুজনকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে, সন্দেশখালির মূল কাণ্ডারি শাহজাহানকে ধরার বিষয়ে পুলিশের কোনও হেলদোল নেই। এমনকী আদালত নির্দেশ দিলেও পুলিশ তাঁতে ধরার বিষয়ে গা করছে না। এমনই অভিযোগ সন্দেশখালিবাসীর। তবে, এখন সন্দেশখালির পরিস্থিতি আলাদা। উত্তাল সন্দেশখালিকে শান্ত করার জন্য জায়গায় জায়গায় ক্যাম্প বসিয়েছে পুলিশ। সেখানে গিয়ে অভিযোগ জমা দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ও ২৫ ফেব্রুয়ারি দুই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল। এবার ফের দাপুটে তৃণমূল নেতা শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, শাহজাহানের ভাই শেখ সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধেও এফআইআর করা হয়েছে। এর আগে সিরাজউদ্দিনের ওপর জনরোষ আছড়ে পড়েছিল। এবার তাঁর নামে অভিযোগ জমা পড়ল। প্রতিদিন নতুন করে অভিযোগ জমা পড়ছে। সেগুলো খতিয়ে দেখে নতুন করে কিছু এফআইআর হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রী আসার আগে কৃষ্ণনগরের মাঠে ভূমি পুজো করলেন বিজেপি কর্মীরা

    Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রী আসার আগে কৃষ্ণনগরের মাঠে ভূমি পুজো করলেন বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২ মার্চ নদিয়ায় আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বুধবার ভূমি পুজোর মধ্যে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের মঙ্গল কামনা করে শুরু হল প্রস্তুতিপর্ব। নদিয়ার কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে ২ তারিখ সকাল দশটার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সভামঞ্চে উপস্থিত হবেন।

     প্রধানমন্ত্রী এসে কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন কর্মীরা (Narendra Modi)

    লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনও প্রার্থী ঘোষণা না হলেও নদিয়ার দুটি লোকসভা কেন্দ্রের অন্যতম হল কৃষ্ণনগর। তাই বিজেপি কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে এবং দলকে আরও শক্তিশালী করতে আগেভাগেই প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) আগমন বলে জানাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। নদিয়ায় মোট দুটি সাংসদ কেন্দ্র রয়েছে, একটি রানাঘাট এবং একটি কৃষ্ণনগর। রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র বিজেপির দখলে থাকলেও কৃষ্ণনগর কেন্দ্রটি তৃণমূলের দখলে। মূলত, কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট হাতিয়ার করেই এখানে তৃণমূলের জয় এসেছিল। তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র লোকসভা ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। যদিও কয়েক মাস আগে তিনি সাংসদ পদ থেকে সাসপেন্ড হোন। কয়েক মাস বাদেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। কৃষ্ণনগর কেন্দ্রটিকে পাখির চোখ করে মাঠে নামতে চাইছে বিজেপি। এর আগেও কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের একাধিক জায়গায় বিভিন্ন রাজ্য প্রতিনিধিরা জনসভা করে গিয়েছেন। কৃষ্ণনগর কেন্দ্রটি এবার যাতে বিজেপি দখলে পায়, সেই কারণে নরেন্দ্র মোদি ভোট ঘোষণার আগেই কৃষ্ণনগরে সভা করতে আসছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের। মূলত কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের জনগণের উদ্দেশে তিনি কী বার্তা দেন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সাধারণ মানুষ এবং বিজেপি কর্মীরা। পাশাপাশি দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং সাংগঠনিক শক্তি আরও বৃদ্ধি করতে বিজেপি কর্মীদের কী বলেন, তার অপেক্ষায় রয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির মিডিয়া আহ্বায়ক সন্দীপ সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আগামী ২ মার্চ কৃষ্ণনগরে আসছেন। তার আগে আমরা সকলের মঙ্গল কামনায় কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে খুঁটি পুজো করলাম। আগামী ২ তারিখ আমাদের  প্রধানমন্ত্রী এসে কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছি আমরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘ঘুমিয়ে থাকা বুদ্ধিজীবীদের অবশেষে ঘুম ভেঙেছে’, কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘ঘুমিয়ে থাকা বুদ্ধিজীবীদের অবশেষে ঘুম ভেঙেছে’, কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুমিয়ে থাকা বুদ্ধিজীবীদের যে অবশেষে ঘুম ভেঙেছে, এটাই আমাদের অনেক বড় পাওনা। অবশেষে সন্দেশখালির অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা যে মোমবাতি খুঁজে পেয়েছেন, এটাই যথেষ্ট।’ বাদশা মৈত্র সহ অন্যান্য বুদ্ধিজীবীদের সন্দেশখালি যাওয়া নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে এভাবেই কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, ‘বাংলার এই বুদ্ধিজীবীরা তো বায়াস্ট। এঁরা উত্তর প্রদেশের হাতরসে কী হল তার বিরুদ্ধে এখানে সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনে নামেন। কিন্তু, সন্দেশখালির ঘটনা এঁদের নজরে আসে না। তবে, এতদিন পরে হলেও যে তাঁদের ঘুম ভেঙেছে এটাই যথেষ্ট।’

    সন্দেশখালির পরিস্থিতি যাচাই করছেন মুখ্যমন্ত্রী!

    এদিকে সন্দেশখালির প্রাক্তন বাম বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের পাশেও দাঁড়িয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। তিনি প্রাক্তন বাম বিধায়কের প্রসঙ্গ তুলেই এদিন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেছেন। নিরাপদ সর্দারের অভিযোগ ছিল, সন্দেশখালির কথা বিধানসভায় বলতে গেলেই মাইক অফ করে দেওয়া হত। বাম বিধায়কের এই অভিযোগ সমর্থন করে সুকান্তবাবু বলেন, ‘এটা ভয়ানক অভিযোগ। তৃণমূলের আমলে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধানকে বারবার চ্যালেঞ্জ করছেন।’ মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে সুকান্ত বলেন, ‘আসলে তৃণমূল নেতাদের সন্দেশখালিতে পাঠিয়ে পরিস্থিতি যাচাই করার চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী। এখন মানুষের ক্ষোভ আগুন হয়ে রয়েছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাচ্ছেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে তিনি সেখানে যাবেন।’

     শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করতে বাধ্য হবে (Sukanta Majumdar)

    আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও শেখ শাহজাহান আজ পর্যন্ত গ্রেফতার না হওয়া প্রসঙ্গে বালুরঘাটের সাংসদ (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘তৃণমূল ও পুলিশ জানে, শাহজাহান কোথায় লুকিয়ে আছে। কিন্তু, পুলিশ তাকে এখনই ধরবে না। শাহজাহানকে ছাড়া ভোট লুট করে জেতা যাবে কি যাবে না, তা নিয়ে তৃণমূল এখন জল মাপছে। শাহজাহানকে গ্রেফতারের দাবিতে আমরা ইতিমধ্যেই আন্দোলন শুরু করেছি। এই আন্দোলনের ঠেলায় পড়েই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপিকে সমর্থন করায় হামলা, ব্যাপক বোমাবাজি, দুজন গুলিবিদ্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: বিজেপিকে সমর্থন করায় হামলা, ব্যাপক বোমাবাজি, দুজন গুলিবিদ্ধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপিকে সমর্থন করেছিল। এটাই ছিল অপরাধ। আর তারপর থেকেই লাগাতার অত্যাচার চলত দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মন্দিরবাজার ব্লকের কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খেলারামপুর গ্রামে। বুধবার ভোর থেকে ফের মুড়িমুড়কির মতো গ্রামে বোমাবাজি করা হয়। দুজন বিজেপি সমর্থনকারীকে লক্ষ্য করে গুলিও চালানো হয়। আহত দুই যুবকের নাম এরাদ আলি মোল্লা ও সাইরাজ মোল্লা। তাঁদের ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) খেলারামপুর গ্রামের বেশ কিছু তৃণমূল সমর্থক নির্দল হয়ে যান। নির্দল দাঁড়় করালেও তাঁরা বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থন করেন। এরপরই শুরু হয় দ্বন্দ্ব। ভোটের ফল বের হওয়ার পর থেকেই এলাকায় দফায় দফায় তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এর আগেও ব্যাপক বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার ভোর থেকে ফের শুরু হয় বোমাবাজি। খেলারামপুর গ্রামে বিজেপি সমর্থনকারীদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এক বিজেপি সমর্থনকারী বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে আমরা বিজেপিকে সমর্থন করেছিলাম। ওরা এখন আমাদের দলে টানার চেষ্টা করছে। আমরা রাজি নই বলেই এই হামলা। আমাদের একজনকে গুলি করা হয়েছে।

    গ্রামে বোমাবাজি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    যুব তৃণমূলের মন্দিরবাজার ব্লকের সভাপতি রিঙ্কু ঘোষ বলেন, তৃণমূলের যুব নেতা পারিবারিক ঘটনা থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। এরসঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তৃণমূলের নাম মিথ্যাভাবে জড়ানো হচ্ছে। এই গন্ডগোলের সঙ্গে বিজেপি জড়িত রয়েছে। বিজেপি নেতা রণজিৎ হালদার বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসব করেছে। এসব মেনে নেওয়া যায় না। পুলিশ প্রশাসনের নজরদারির অভাবের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: দেড় বছরের সন্তানকে খুন করে ব্যাগে ভরে ফলকনামায়! আদালতে দোষী সাব্যস্ত মা ও প্রেমিক

    Howrah: দেড় বছরের সন্তানকে খুন করে ব্যাগে ভরে ফলকনামায়! আদালতে দোষী সাব্যস্ত মা ও প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় বছরের শিশুকে নৃশংসভাবে খুন করার অপরাধে মা ও তাঁর প্রেমিককে দোষী সাব্যস্ত করল হাওড়া জেলা আদালত। মঙ্গলবার হাওড়া (Howrah) জেলা আদালতের প্রথম ফাস্ট ট্র্যাক এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সন্দীপ চক্রবর্তী শিশুপুত্রকে হত্যা করা ও প্রমাণ লোপাট করার অপরাধে তার মা হাসিনা সুলতানা ও তার প্রেমিক ভান্নুর শা-কে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০২, ২০১ এবং ৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।

    নৃশংসভাবে শিশুকে খুন, ব্যাগে করে ফলকনামায় (Howrah)

    সরকার পক্ষের তরফে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী অরিন্দম মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, ঘটনার সুত্রপাত অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্টুর জেলায়। সেখানকার টেনালী থানার রাইস মিল কলোনিতে মা রশিদা বিবির-র কাছে দেড় বছরের ছেলে সেখ জিশান আহমেদকে নিয়ে থাকতেন হাসিনা সুলতানা। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে, ছোট্টবেলার প্রেমিক ভান্নুর শায়ের হাত ধরে হায়দরাবাদে ওঠেন তাঁরা। দেড় বছরের জিসানকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। কিন্তু, সন্তানের সামনে প্রেমিকের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা করা যাচ্ছিল না। পথের কাঁটা সরাতে দুধের শিশুকে খুন করার ছক কষেন তাঁরা। ২০১৬ সালে ২২ জানুয়ারি রাতে দেড় বছরের সন্তানকে মা আর তাঁর প্রেমিক মিলে একপাতা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বেঘোর করে মাথায় আঘাত করে নৃশংসভাবে খুন করেন। পরে, ব্যাগের মধ্যে শিশুটিকে রেখে সেকেন্দ্রাবাদে ফলকনামা এক্সপ্রেসে রেখে আসেন। ২৪ তারিখ ফলকনামা এক্সপ্রেস এসে পৌঁছায় হাওড়া স্টেশনে। নিয়ম মোতাবেক ট্রেন পরীক্ষা ও পরিষ্কার করার সময় রেল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে সিটের নীচে রাখা ব্যাগটি। ব্যাগটি খোলা হলে উদ্ধার হয় একটি অজ্ঞাতপরিচয় বাচ্চার মৃতদেহ। যার শরীরে ১২টি আঘাতের চিহ্ন ছিল। হাওড়া (Howrah) জিআরপি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

    ব্যাগের সূত্র ধরে তদন্ত

    তদন্ত চলাকালীন পুলিশের নজরে আসে অন্ধ্রপ্রদেশের টেনালী থানার জারি করা লুক-আউট নোটিশটি। ব্যাগের সূত্র ধরেই মৃত শিশুটির ছবি নিয়ে পুলিশ রওনা হয় অন্ধ্রপ্রদেশের টেনালী থানার উদ্দেশে। সেখানে গিয়ে দেখা যায় যে, মৃত ও নোটিশে, একই শিশুর ছবি। খুঁজে বার করা হয় শিশুটির বাবা শেখ রিয়াজকেও। সেও শিশুটিকে নিজের ছেলে বলে সনাক্ত করে। পুলিশ এরপর শিশুটির দিদা, মিসিং ডায়েরি করা রোশন বিবিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, দেখানো হয় মৃত শিশুটির ছবি। তিনিও শিশুটিকে সনাক্ত করেন। ইতিমধ্যে দেখা যায় শিশুটির মা হাসিনা তার মায়ের বাড়িতে ফিরে এসেছে। তাকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে অবশেষে তিনি পুলিশের কাছে সমস্ত দোষ স্বীকার করেন। হাসিনাকে নিয়ে পুলিশ পাড়ি দেয় ভান্নুর এর বাড়ির উদ্দেশে। সেখানে গিয়ে তাকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে অবশেষে তিনিও পুলিশের কাছে সমস্ত দোষ স্বীকার করেন। দুজনকে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ আইন মোতাবেক হাওড়া আদালতে হাজির করে।

    সরকারি আইনজীবী কী বললেন?

    হাওড়ার (Howrah) সরকারি আইনজীবী অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, দেড় বছরের অসহায় সন্তানকে যেভাবে নৃশংসভাবে দুজনে মিলে হত্যা করেছে এবং তার পরে খুব ঠান্ডা মাথায় উভয়ে মিলে ট্রেনে করে সন্তানের মৃতদেহ ভিনরাজ্যে পাচার করেছে, তা সত্যই বিরলের মধ্যে বিরলতম। সরকারপক্ষের তরফ থেকে এই মামলাতে সর্বোচ্চ সাজা, অর্থাৎ ফাঁসির সাজা শোনানোর প্রার্থনা আদালতের কাছে রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ থেকে বাদ গেল না স্কুলও, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Bomb Blast: ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ থেকে বাদ গেল না স্কুলও, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশের অধীনে আনার পরও শান্তি ফিরল না ভাঙড়ে। ভাঙড় যে ভাঙড়েই আছে, তা আরও একবার প্রমাণ মিলল মঙ্গলবার। এবার রাজনৈতিক কোনও হিংসার ঘটনা নয়। বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটল স্কুল চত্বরের ভিতরে। তাও আবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনেই। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় হাইস্কুলে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    ভাঙড় হাইস্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছিল। মঙ্গলবার ইতিহাস পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষ হয়েছে মাত্র ১০ মিনিট আগে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা বেরোচ্ছেন পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে। এক পরীক্ষার্থী বাথরুমে গিয়েছিল। সেখানে একটি বোমায় আগুন জ্বলতে দেখে সে। এরপরই ছুটে এসে বাইরে সকলকে চিৎকার করে বলতেই বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। আচমকা প্রবল শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা স্কুলবাড়ি। শুরু হল দৌড়ঝাঁপ। পরীক্ষার্থীদের কয়েকজন বলে, মঙ্গলবার পরীক্ষা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই একটি বোমা ফাটে শৌচাগারে। ঘটনাস্থলের দিকে দৌড়ে যান নিরাপত্তারক্ষীরা। খবর পেয়ে পৌঁছে যায় পুলিশ। সূত্রের খবর, একটি সুতলি বোমা রেখে গিয়েছিল কেউ বা কারা। সেটাই ফেটেছে। কিন্তু, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের শৌচাগারে কে বিস্ফোরক রেখে গেল, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানাচ্ছে, বিস্ফোরণ ঘটানোর নেপথ্যে কোনও পরীক্ষার্থীও থাকতে পারে। এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    শুরু রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতা সুনীপ দাস বলেন, “আরাবুল ইসলাম গ্রেফতার হয়ে গিয়েছেন। ভাঙড়ে এখনও শান্তি ফেরেনি। তৃণমূল জমানায় বোমা, বন্দুক, গুলি সর্বত্র পাওয়া যায়। স্কুলও ছাড় পাচ্ছে না। এরজন্য পুলিশ-প্রশাসনই দায়ী। যদিও এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছে শাসকদল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্ট গড়়ে দিকে দিকে উদ্ধার ড্রাম ভর্তি বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র, লোকসভার আগে সরগরম জেলা

    Birbhum: কেষ্ট গড়়ে দিকে দিকে উদ্ধার ড্রাম ভর্তি বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র, লোকসভার আগে সরগরম জেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট এখনও ঘোষণা হয়নি। তার আগেই কেষ্টর গড় বীরভূমের (Birbhum) দিকে দিকে তাজা বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। একাধিক জায়গায় ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়েছে। কে বা কারা এই বোমা মজুত করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আর সামনেই লোকসভা নির্বাচন। ভোটের মুখে বীরভূমে একাধিক জায়গা থেকে বোমা উদ্ধার কে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ এর আগে নির্বাচন হোক বা সাধারণ বিষয় রাজনৈতিক হানাহানিতে তপ্ত হয়েছে বীরভূম। তাই, একাধিক থানা এলাকায় এত বোমা বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

    নানুর, কীর্ণাহার, ইলামবাজারে বোমা উদ্ধার (Birbhum)

    ভোটের আগে বীরভূম জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে উদ্ধার হচ্ছে বোমা। বীরভূমের (Birbhum) পাড়ুই, মারগ্রাম, দুবরাজপুর, লাভপুরের পর এবার কীর্ণাহার। বোমা উদ্ধার কে ঘিরে চাঞ্চল্য। বীরভূমে ফের বিপুল পরিমাণ বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। এবার ঘটনাস্থল বীরভূমের কীর্ণাহার থানার সরডাঙ্গা গ্রাম। কীর্ণাহার থানার সরডাঙ্গা গ্রামের মাঠের ধার থেকে ৪০-৪২ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে কীর্ণাহার থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই খবর দেওয়া হয়েছে বোম স্কোয়াডকে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত নেমেছে কীর্ণাহার থানার পুলিশ। পাশাপাশি নানুর থানার তাখোরা এবং ব্রাহ্মণখণ্ড গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে চার ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ইলামবাজার থানার নাচুনসা গ্রামে নদীর ধারে এক ব্যাগ ভর্তি তাজা উদ্ধার করা হয়। এলাকার মানুষ দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে, পুলিশ ব্যাগ ভর্তি বোমাগুলি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায়। এত বিপুল পরিমাণ বোমা কোথায় থেকে এল? কারা কি উদ্দেশ্যে মজুদ করেছিল? সবটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি নানুর থানা এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র সহ আকাল মোল্লা নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। তার কাছে থেকে একটি ওয়ান সাটার এবং গুলি পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share