Tag: West Bengal

West Bengal

  • Siliguri: তৃণমূল নেতার অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গেলে বাধা, ফিরে এল পুরসভা

    Siliguri: তৃণমূল নেতার অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গেলে বাধা, ফিরে এল পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বাধায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে  ফিরে এলো তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা। কারণ, সেই অবৈধ নির্মাণ হওয়া বাড়ির মালিক হচ্ছেন স্বয়ং তৃণমূল নেতা। শাসক দলের নেতা বলেই পিছু হটতে বাধ্য হল পুরসভা। এটা নিয়ে শিলিগুড়ি জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Siliguri)

    জানা গিয়েছে, প্রতিবেশীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আইন মেনে নোটিশ জারি করে শুক্রবার শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার কর্মীরা ওই বাড়ি ভাঙতে যায়। বাড়ির মালিক সৌমিত্র দেবনাথ তৃণমূলের ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক। এই বিতর্কিত বাড়ির নিচে তৃণমূলের নির্বাচনী কার্যালয় খোলা হয়েছে। পুরসভার কর্মীরা তার বাড়ি ভাঙতে গেলে  তিনি প্রতিবাদ করে রুখে দাঁড়ান। এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। শিলিগুড়ি পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। তারপর বাড়ি ভাঙার অভিযান স্থগিত রেখে ফিরে যান পুরসভার কর্মী ও ইঞ্জিনিয়াররা।

    দলের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও চক্রান্তের অভিযোগ

    অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে বাড়ি ভাঙার অভিযানে দলেরই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ করেন ত়়ৃণমূল নেতা সৌমিত্র দেবনাথ। তিনি ও তাঁর স্ত্রী মামনী দেবনাথ তৃণমূল কাউন্সিলর অমরআনন্দ দাসের বিরুদ্ধে তোলাবাজিরও অভিযোগ করেন। সৌমিত্র দেবনাথ বলেন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে অধিকাংশ বাড়ির জমিরই পাট্টা নেই। অধিকাংশ বাড়ির অনুমোদিত প্ল্যান নেই। আমার বাড়ি ভাঙতে হলে আরও অনেক বাড়ি ভাঙা পড়বে। এলাকার বাসিন্দারা কোনও দিন কারও বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ করেননি। অমরআনন্দ দাস কাউন্সিলর হওয়ার পর গত এক বছর ধরে তিনি তার নিজের কিছু লোককে দিয়ে বাড়ি বেছে বেছে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ করাচ্ছেন পুরসভায়। তারপর অভিযোগ তোলার নাম করে ঘুরিয়ে মোটা টাকা আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি  করা হচ্ছে। 

     কী বলছেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    তৃণমূল কাউন্সিলর অমরআনন্দ দাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নই। আমার বিরুদ্ধে টাকা চাওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে  সৌমিত্র দেবনাথ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে যাব। পাশাপাশি তিনি প্রশাসন ও আদালতের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে অধিকাংশ বাড়ির জমির পাট্টা নেই।  মানুষ সাধ্যমতো বাড়ি বানিয়ে শান্তিতে বসবাস করছেন। তাই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা যেন  কোনও বাড়ি নিয়ে অবৈধ নির্মাণ অভিযোগে না করেন। কারও বাড়ি যাতে ভাঙ্গা না পড়ে।

     কী বললেন মেয়র?

    নোটিশ জারি করে অভিযানে গিয়ে তৃণমূল নেতার বাধায় ফিরে আসতে হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে পুরসভা। তৃণমূলও অস্বস্তিতে। কেননা দলের নেতার বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ। আর সেই বাড়ি মালিক বলছেন, তৃণমূলের কাউন্সিলর তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে এসব করে তোলাবাজি করছেন। মেয়র গৌতম দেব বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। পদ্ধতি মেনেই কাজ হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে”, হুমকি দিয়েছিলেন উত্তম সর্দার

    Sandeshkhali: “তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে”, হুমকি দিয়েছিলেন উত্তম সর্দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার পরই ফেরার শেখ শাহজাহান। এখনও খোঁজ নেই শাহজাহানের। তবে, শাহজাহানের অন্যতম অনুগামী শিবু হাজরা-উত্তম সর্দারের অত্যাচারের কাহিনি সামনে আসতে শুরু করেছে। পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে সুন্দরী মহিলাদের কীভাবে যৌন নির্যাতন চালানো হত, তা নিয়ে এর আগে মহিলারা গর্জে উঠেছেন। যদিও উত্তম এখন জেলে রয়েছেন। আর শিবু ফেরার। এবার উত্তমের বিরুদ্ধে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সন্দেশখালির মহিলারা।

    বিজেপি সদস্যের স্ত্রীকে হুমকি! (Sandeshkhali)  

    বিরোধী রাজনীতি করলে উত্তম যে তার কী হাল করতেন, তা নিয়ে মুখ খুললেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা। শোনালেন জীবনের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা। কীভাবে একপ্রকার জোর করেই তাঁদের তৃণমূল করতে বাধ্য করা হয়, সেকথা বললেন মহিলারা। পঞ্চায়েত ভোটের সময় তাঁর এলাকায় বিজেপির দিকে পাল্লা ভারী ছিল। জিতেও গিয়েছিল বিজেপি ওই এলাকায়। এরপরই ওই বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রীকে উত্তম সর্দার হুমকি দিয়েছিলেন। এক মহিলা বলেন, “বিরোধী পার্টি করার সাহস ছিল না কারও। বিজেপি প্রার্থী ভোটে জয়ী হওয়ায় উত্তমের চক্ষুশূল হয়ে ওঠে। যিনি ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রীকে উত্তম বললেন, তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে। আমি উত্তম সর্দার।” এমন নয় যে আড়ালে-আবডালে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সবার সামনেই বন্দুক দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি সন্দেশখালির ওই মহিলার। তিনি বললেন, ‘লোকজনের সামনে বন্দুক দেখিয়ে উত্তম বলে গেল, আমি কিন্তু ওকে মার্ডার করে দেব। ২৭টা করেছি, ওকে নিয়ে ২৮টা হবে। তুই সাবধান হয়ে যা।’ এ তো গেল হুমকির কথা। এছাড়া ভোটের সময় দেদার ছাপ্পা চলত বলেও অভিযোগ ওই মহিলার। উত্তম-শিবু মতো শাহজাহান বাহিনী সন্দেশখালি জুড়ে তাণ্ডব চালাত। জোর করেই তৃণমূলের পক্ষে ভোট করাত। সন্দেশখালি জুড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল ওরা।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: চুরি-ডাকাতি-ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি, মাদক পাচারের গড় মালদা! আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা, চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

    Malda: চুরি-ডাকাতি-ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি, মাদক পাচারের গড় মালদা! আতঙ্কিত ব্যবসায়ীরা, চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চুরি-ডাকাতি, ধর্ষণ- শ্লীলতাহানি, মাদক পাচার, চোরাচালান, জাল নোটের কারবারের গড় হয়ে উঠছে মালদা (Malda)। একের পর এক অপরাধ ঘটেই চলেছে এই জেলায়। সঙ্গে রাজনৈতিক হানাহানি তো রয়েছে। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় একাধিক প্রশ্নপত্র ফাঁসে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে সেই মালদা জেলার নাম। এই ঘটনাকে সামনে রেখে মালদার মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সদস্যরা আতঙ্কিত। তাঁরা মালদহের জেলাশাসকের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Malda)

    মালদায় (Malda) সীমান্ত রয়েছে এই জেলা ঘিরে। তাই বিভিন্ন সময় দেখা যায়, গরুপাচার, নারীপাচার, অস্ত্রপাচার, জালনোট পাচার, এমনকী ওষুধ পাচার পর্যন্ত চলে। একের পর এক সোনার দোকানে লুট হয়েছে। ব্যবসায়ীর ওপর দুষ্কৃতী হানা হয়েছে। দুষ্কৃতীদের এই তান্ডবে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি আতঙ্কিত সাধারণ মানুষরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, “আমরা খুব আতঙ্কিত। সবসময় একটা ভয় কাজ করছে। এই যে সরস্বতী পুজো গেল বুধবার। প্রতিবছর বাচ্চাদের কী ভিড় হয় রাস্তায়। এবার কিন্তু সেই উদ্দীপনাটা পর্যন্ত নেই। প্রতিদিন কিছু না কিছু ঘটে চলেছে। অভিভাবকরা ভীত, সন্ত্রস্ত। জানি না কোথায় এর শেষ হবে। আমরা বাড়ি থেকে কী বেরোব, বাচ্চাদের কী স্কুলে পাঠাব, ভয় লাগছে। মাদকের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছে জেলাটা।”

    ব্যবসায়ী সংগঠনের কর্মকর্তা কী বললেন?

    মালদার (Malda) মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জয়ন্ত কুণ্ডু বলেন, “গত এক বছরে ১৩-১৪টা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সারা জেলায় মাদকদ্রব্য বিক্রি চলছে। চাঁচল, গাজোল, কালিয়াচক সমস্ত ব্লকে আমরা ডেপুটেশন দিয়েছি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকেও আমরা চিঠি পাঠালাম। সারা জেলাজুড়ে একের পর এক অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেই চলেছে।  প্রশাসনকে বারবার বলেছি এটা বন্ধ হওয়া দরকার। জেলায় সোনার দোকানে ডাকাতি বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছে না। আমরা খুবই আতঙ্কিত। পুলিশ সক্রিয় না হলে এই জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির পথে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় টিমকে বাধা পুলিশের, বচসা-ধস্তাধস্তি

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির পথে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় টিমকে বাধা পুলিশের, বচসা-ধস্তাধস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পথে কেন্দ্রীয় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। নিরাপত্তার স্বার্থে নস্কর পাড়াতেই আটকে দেওয়া হয় তাদের। তারই প্রতিবাদে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় আসেন কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশে ইতিমধ্যেই গঠিত হয়েছে ছয় সদস্যের বিশেষ এই টিম। এই টিমের এদিন সন্দেশখালিতে পৌঁছে পরিস্থিতি অনুসন্ধান করার কথা ছিল। কিন্তু রামপুরের কাছেই নস্কর পাড়ায় আটকে দেওয়া হয় তাদের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    গত সপ্তাহে দফায় দফায় অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। সেসময় স্থানীয় মহিলাদের একাংশ দাবি করেছিলেন, দিনের পর দিন তাঁদের ওপর যৌন নির্যাতন হয়েছে।  মহিলাদের ওপর সেই নির্যাতনের অভিযোগ সংবাদ মাধ্যমে দফায় দফায় উঠে এসেছে। সেখানে সংসদীয় দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার গড়ে দেওয়া ওই উচ্চপর্যায়ের অনুসন্ধান কমিটি শুক্রবার সন্দেশখালি রওনা দেয়। প্রতিনিধিদলে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী ও প্রতিমা ভৌমিক, তিন সাংসদ সুনীতা দুগ্গল, কবিতা পাতিদার, সংগীতা যাদব ও রাজ্যসভা সাংসদ ও উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ব্রিজলাল। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ও বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। ঠিক ছিল,এই প্রতিনিধিদল সন্দেশখালির মহিলা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। তাঁদের অভিযোগের কথা শুনবেন। এরপর জেপি নাড্ডার হাতে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা তাঁদের রিপোর্ট তুলে দেবেন। কিন্তু, শুক্রবার ওই কেন্দ্রীয় টিমকে সন্দেশখালি যাওয়ার পথে রামপুর নস্করপাড়ায় আটকে দেওয়া হয়। চারজনের প্রতিনিধিকে যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু, পুলিশ অনুমতি দেয়নি। এরপরই পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যদের প্রথম বচসা হয়। পরে, ধস্তাধস্তি হয়। সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন সেন্ট্রাল টিমের সদস্যরা।

    পুলিশি বাধা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য?

    কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী বলেন, পুলিশের যে ভূমিকা আমরা এখানে এসে দেখছি, সেই সক্রিয়তা শাহজাহানকে গ্রেফতারির ক্ষেত্রে পুলিশ দেখাত, তাহলে এই সময় আর আসত না। কেন্দ্রীয় টিমের সঙ্গে এসেছেন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। তিনি বলেন, গায়ের জোরে আটকানো হচ্ছে। তৃণমূলের মন্ত্রীরা যেতে পারবেন। আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা যেতে পারবে না। এটাই হচ্ছে বাংলা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: তিন মিনিটের ঝড়ে তছনছ! উড়ল বাড়ির চাল, ভাঙল মণ্ডপ, বজ্রাঘাতে মৃত্যু এক

    Burdwan: তিন মিনিটের ঝড়ে তছনছ! উড়ল বাড়ির চাল, ভাঙল মণ্ডপ, বজ্রাঘাতে মৃত্যু এক

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়ে পূর্ব বর্ধমান (Burdwan) জেলার একাধিক এলাকা। বাজ পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন অনেকেই। মাটির বাড়ির খড়ের ছাউনি উড়ে গিয়েছে। জেলার বহু জায়গায় সরস্বতী পুজো মণ্ডপ ভেঙে গিয়েছে। সবমিলিয়ে জেলায় তান্ডব চালিয়েছে ক্ষণিকের ঝড়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পূর্ব বর্ধমান জুড়েই বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বজ্রবিদ্যুৎ- সহ বৃষ্টি হয়েছে। বর্ধমান (Burdwan) শহরে বেশ কিছু ক্ষণের জন্য ভারী বৃষ্টি হয়। জেলার নানা প্রান্ত থেকে ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে। বিকেলে আচমকা ঝাড়বৃষ্টি শুরু হয় বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকায়। কালনায় ওই ঝড় মিনিট তিনেক স্থায়ী হয়েছিল। ঝড়ের দাপটে ওই তিন মিনিটেই ভেঙে পড়ে সরস্বতী পুজোর একাধিক মণ্ডপ এবং অস্থায়ী তোরণ। গাছ ভেঙে বন্ধ হয়ে গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। কালনার বৈদ্যপুরে মণ্ডপের তোরণ ভেঙে গুরুতর জখম হন দু’জন। ঠাকুর দেখতে গিয়ে মণ্ডপের তোরণ ভেঙে পড়ে এই বিপত্তি হয়। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে, গলসির বোমপুরে বজ্রাঘাতে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম সজনী মুর্মু। তিনি ক্ষেত মজুরের কাজ করতেন। ঝড়ের সময় তিনি মাঠেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডব চলেছে রায়না, খণ্ডঘোষ, মেমারিতেও। খণ্ডঘোষের বেড়ুগ্রামে একাধিক মাটির বাড়ির খড়ের চাল উড়ে গিয়েছে। অনেক গাছ ভেঙে পড়েছে রাস্তার ওপর। রায়না থানা এলাকার আস্তিকুরে ঝড়ের সময় গাছের ডাল ভেঙে আহত হন এক ব্যক্তি। ডাল ভেঙে তাঁর গায়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির নাম অনন্ত পোড়েল।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা কী বললেন?

    কালনার এক বাসিন্দা বলেন, আমরা সরস্বতী মণ্ডপের পাশেই দাঁড়িয়েছিলাম। দুপুর থেকে মেঘলা আবহাওয়া ছিল। বিকেলের পর আচমকা ঝড় ওঠে। সামান্য কিছুক্ষণ ছিল। আর তাতেই সব কিছুই তছনছ করে দিয়েছে। মণ্ডপ ভেঙে গিয়েছে। আমার এক বন্ধু জখম হয়েছে। ঝড়ের সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলাম না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    BJP: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভান্ডারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজেপির (BJP) হাতিয়া ‘লাডলি বহেনা যোজনা’। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঠেকাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ্মীর ভান্ডারের মহিলাদের জন্য ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করেছেন। লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল এনিয়ে ঢালাও প্রচারে নেমেছে। এই টাকা বৃদ্ধিকে সামনে রেখে তৃণমূল যাতে ফায়দা তুলতে না পারে, তার জন্য ‘লাডলি বহেনা যোজনা’ নিয়ে বিজেপি জোরকদমে প্রচারে নামছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    লাডলি বহেনা যোজনা কী? (BJP)

    সম্প্রতি শিলিগুড়িতে বিজেপির (BJP) উত্তরবঙ্গের জ়োনের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে দলের রাজ্যের সহ পর্যবেক্ষক আশা লাকড়া, সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে এবারের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে লাডলি বহেনা প্রকল্প নিয়ে প্রচার করার কথা বলা হয়েছে। লক্ষ্মীর ভান্ডারে যা দিচ্ছে, তার থেকে অনেক বেশি টাকা পাওয়া যাবে লাডলি বহেনা প্রকল্পে। দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মহিলাদের মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের নাম লাডলি বহেনা যোজনা। এই প্রকল্পের মতো পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প চালু করেছিল। তফসিলি জাতি ও উপজাতির মহিলারা পেতেন ১০০০ টাকা। আর বাকিদের ৫০০ টাকা করে দেওয়া হত। এবারের বাজেটে ৫০০ টাকার জায়গায় ১০০০ টাকা ও ১০০০ টাকার জায়গায় ১২০০ টাকা করা হয়েছে। তাতেও লাডলি বহেনা যোজনার থেকে অনেকটা পিছিয়ে লক্ষ্মীর ভান্ডার । বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভান্ডারের থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি পাবেন এই রাজ্যের মহিলারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির (BJP) শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল সরকার এরাজ্যে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করতে দেয়নি। এতে এই রাজ্যের মানুষ চিকিৎসায় বিপুল খরচের চাপমুক্ত হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে সাধারণ মানুষ এই প্রকল্পে উপকৃত হচ্ছেন। সেরকম লাডলি বহেনা প্রকল্প থেকেও এরাজ্যের মহিলরা বঞ্চিত। তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে এসব পাওয়া যাবে না। তাই তৃণমূলকে সরাতে হবে। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে এরাজ্য থেকে ৩৫ টি আসন দিলে সেই পথ প্রশস্ত হবে। তাই নিজেদের উন্নয়নে এরাজ্যের মহিলাদের কাছে আমরা লাডলি বহেনা প্রকল্পের কথা তুলে ধরবো। কেননা মহিলা ভোটারের সংখ্যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্মীর ভান্ডারে কম টাকা দিয়েও তৃণমূল একতরফা ফায়দা নিতে চাইছে। এতে মহিলারাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

     কী বলছে তৃণমূল?

    তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি পাপিয়া ঘোষ বিজেপির এই প্রচারকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলা ও সাধারণ মানুষের জন্য যত সামাজিক প্রকল্প চালু করেছেন, তা কোথাও নেই। তাই বিজেপি যতই প্রচার করুক, লাভ হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তিনি নাকি ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা! ৩ ঘণ্টা পুলিশি জেরায় ঘেমে-নেয়ে একশা আরাবুল

    South 24 Parganas: তিনি নাকি ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা! ৩ ঘণ্টা পুলিশি জেরায় ঘেমে-নেয়ে একশা আরাবুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড়ে তিনি নাকি বেতাজ বাদশা। তাঁর কথায় এলাকা কাঁপে। দাপুটে সেই তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের একী হাল। কাশীপুর থানায় ডেকে তাঁকে টানা তিনি ঘণ্টা জেরা করা হয়। পুলিশি জেরায় তিনি কার্যত ঘেমে যান। বার বার তিনি জল চান। দাপুটে নেতার অবস্থা দেখে তাঁর অনুগামীরা হতবাক হয়ে যান।

    থানায় এনে জেরা করল পুলিশ (South 24 Parganas)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর পঞ্চায়েত ভোট উপলক্ষে মনোনয়ন পর্বের শেষ দিন, ১৫ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজার মেলার মাঠে আইএসএফ ও তৃণমূলের বোমা-গুলির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছিল তিন জনের। এঁদের মধ্যে দু’জন তৃণমূল কর্মী, রশিদ মোল্লা ও রাজু নস্কর। অন্য দিকে মৃত্যু হয় আইএসএফ কর্মী মহিউদ্দিন মোল্লার। মহিউদ্দিনের বাবা কুতুবুদ্দিন মোল্লার অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশের ডিটেক্টিভ ডিপার্টমেন্ট গত বৃহস্পতিবার ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূলের বেতাজ বাদশা আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। আপাতত তিনি লালবাজারে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। গ্রেফতারের প্রায় এক সপ্তাহ পর আরাবুলকে কাশীপুর থানায় আনা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল। ওসির ঘরে তাঁকে দফায় দফায় তদন্তকারী জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, সে দিন ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজারে ঘটনা নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করেন তদন্তকারী অফিসারেরা। প্রশ্ন বাণে কার্যত ভেঙে পড়েন দাপুটে তৃণমূল নেতা। থানা থেকে লালবাজারে যাওয়ার আগে আরাবুলের অনুগামীরা থানার বাইরে ভিড় জমান। কিন্তু কড়া পুলিশি বেষ্টনীর মধ্যে কেউ ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি।

    পরিবারের লোকজনের সঙ্গে থানায় কথা

    আরাবুল গ্রেফতার হওয়ার পরে তাঁকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজারে আনার কথা ছিল। কিন্তু এ দিন থানাতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লালবাজারে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় পরিবারের লোকজন এসেছিলেন। বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী ছিলেন। পরিবারের বিষয়ে কিছু কথা হয়। তারপর পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে ফের লালবাজার নিয়ে চলে যায় পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: সেচমন্ত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের, পার্থকে দেখে উঠল চোর চোর স্লোগান

    Kalyani: সেচমন্ত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের, পার্থকে দেখে উঠল চোর চোর স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের একাধিক তৃণমূল নেতা জেলে রয়েছে। এরইমধ্যে সন্দেশখালি কাণ্ডে মুখ পুড়েছে পুলিশের। এবার বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিলেন বিজেপি কর্মীরা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কল্যাণীতে (Kalyani)।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    সন্দেশখালি কাণ্ডে উত্তাল রাজ্য। জেলায় জেলায় বিজেপির বিক্ষোভে পুলিশি বাধা দেওয়ার অভিযোগ। পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করার অভিযোগ রয়েছে। এই আবহের মধ্যে বৃহস্পতিবার কল্যাণীতে (Kalyani) বিজেপি-র কর্মসূচি ছিল। এদিন হুগলির উদ্দেশে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে লক্ষ্য করে উঠল চোর চোর স্লোগান। বিক্ষোভের জেরে মন্ত্রীর গাড়ি বেশ কিছুক্ষণ আটকে যায়। যদিও পুলিশের তৎপরতায় বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই কোনওরকমে মন্ত্রীর গাড়ির চালক গতি বাড়িয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। এরপরই পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীরা মন্ত্রীর গা়ড়ির পিছনে ফের চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। মন্ত্রী প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়ায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন সেচমন্ত্রী?

    বিক্ষোভ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে বিজেপি কর্মীরা চোর বলেননি তা তিনি স্পষ্ট করে দেন। তিনি বলেন, ওরা আমাকে চোর চোর বলেনি। ওরা তৃণমূলকে চোর চোর বলেছে। আর সন্দেশখালি নিয়ে বিজেপি চক্রান্ত করে লোক ভাড়া করে এই নোংরামো করছে। সন্দেশখালির ঘটনায় যারা অভিযুক্ত তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আরও তদন্ত চলছে। এখন শান্ত রয়েছে সন্দেশখালি। আর যারা টিভির সামনে বক্তব্য রাখছে তারা সন্দেশখালির বাসিন্দা নয়। এটা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। আসলে উস্কানি দিয়ে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। আমরা সেখানে মিটিং করব। ৫০ হাজার কর্মীর সেখানে জমায়েত হবে। সন্দেশখালির মানুষ যে আমাদের সঙ্গে রয়েছে ফের তা প্রমাণিত হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘বুট দিয়ে মেরেছে,’ সন্দেশখালির পথে পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বুট দিয়ে মেরেছে,’ সন্দেশখালির পথে পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিরর রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের পর এবার শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) চরম পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি যাওয়ার পথে বার বার তাঁর পথ আটকেছে পুলিশ। গাড়িতে উঠে চলেছে তল্লাশি। সব বাধা পার করে এদিন বেলা সওয়া দুটো নাগাদ সন্দেশখালি পৌঁছন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে তিন বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি, তাপসী মণ্ডল, শঙ্কর ঘোষ। কিন্তু, সরবেড়িয়া পৌঁছতেই পুলিশ কর্তার সঙ্গে ব্যাপক তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন শুভেন্দু। সেখানেই ব্যাপক গণ্ডগোল হয়।

    পুলিশ বুট দিয়ে মেরেছে, সরব শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    দুদিন আগেও বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) সন্দেশখালি বাসে করে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সায়েন্স সিটির কাছে পুলিশ বাধা দেয়। ফলে, বাসের চাকা আর এগোয়নি। বৃহস্পতিবার ফের তিনি সন্দেশখালি যাওয়ার পরিকল্পনা নেন। এদিনও প্রথমে সায়েন্স সিটির কাছে বাস আটকায় পুলিশ। কিন্তু, সেসব কাটিয়ে সরবেড়িয়া পর্যন্ত পৌঁছয় শুভেন্দুর বাস। সেখানে পুলিশের কড়া প্রহরা ছিল। সেখানে পুলিশের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কথা কাটাকাটি হয়। মিনাখাঁ-র এসডিপিও-র সঙ্গে তিনি বচসায় জড়িয়ে পড়েন। বাস থেকে নেমে পড়তে বাধ্য হন শুভেন্দু। সেখানেই বিরোধী দলনেতা বলেন, পুলিশ বুট দিয়ে আমাকে মেরেছে। আমার পা চিপে দিয়েছে।” রাস্তায় বসে পড়েন শুভেন্দু। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। বাসে বসেই শুভেন্দু বলেন, “আমরা ১৪৪ ধারা মেনেই যাচ্ছি। আমরা গ্রামের নির্যাতিত মহিলাদের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করব। যে সমস্ত বিজেপি কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করব। “বিধায়ক তাপসী মণ্ডল বলেন, “আমরা ওই সমস্ত মা-বোনেদের সঙ্গে দেখা করে কথা বলার চেষ্টা করব, যাঁরা এতদিন ধরে অত্যাচারিত হয়েছেন। পুলিশ তো এখন তৃণমূলের ক্যাডার। তাই তারা গণতন্ত্র মানে না।”

    সন্দেশখালিতে কালো টাকা রয়েছে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তিনি বলেন “এই সময়কালের মধ্যেই ওই মহিলাদের চুক্তিভিত্তিক কাজের লোভ, ভয় দেখিয়ে, প্রভাবিত করে চাপে রাখতে পারে। সরকার বলতেই পারে, ১০ হাজার টাকা দিচ্ছে, মুখ বন্ধ করো। কারণ, প্রচুর কালো টাকা রয়েছে।” পুলিশি বাধা প্রসঙ্গে শুভেন্দু চিৎকার করে বলতে থাকেন, “এটা আপনাদের (পুলিশ) নিয়ম নয়। এটা যা করছেন গায়ের জোরে করছেন।” রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: সন্দেশখালিকাণ্ডে উত্তাল রাজ্য, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বারাসতে বিজেপির কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার, জলকামান

    BJP: সন্দেশখালিকাণ্ডে উত্তাল রাজ্য, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বারাসতে বিজেপির কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার, জলকামান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে তৃণমূলের সন্ত্রাস এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ওপর পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে এসপি অফিস অভিযান কর্মসূচি গ্রহণ করে গেরুয়া শিবির। আর এই কর্মসূচিতে গিয়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বিজেপি (BJP) কর্মীরা। কোথাও পুলিশি লাঠিচার্জে বিজেপির জেলা সভাপতি আক্রান্ত হন, কোথাও বিজেপি কর্মীদের ঠেকাতে পুলিশ জলকামান চালায়। কোথাও আবার পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। সবমিলিয়ে বিজেপি-র এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জেলায় জেলায় উত্তেজনা তৈরি হয়।

    বর্ধমানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি (BJP)

    বর্ধমানে বিজেপির (BJP) পুলিশ সুপার অফিস অভিযানে ধুন্ধুমার। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় বিজেপি কর্মী জখম হন। সঙ্গে একজন পুলিশ কর্মী ও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হন। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জল কামান ব্যবহার করে। সন্দেশখালি সহ পশ্চিমবঙ্গে নৈরাজ্য সৃষ্টি ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে জেলা পুলিশ সুপার অফিস ঘেরাও অভিযান ছিল বিজেপির। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের টাউন হল থেকে বিজেপির মিছিল শুরু হয়। পুলিশ সুপারের অফিসের দিকে যাওয়ার আগেই কার্জন গেট চত্বরে পুলিশ বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্ত ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মী সমর্থক পর পর দুটি ব্যারিকেড ভেঙে দিয়ে পুলিশ সুপারের অফিসের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ কোর্ট চত্বরের রাস্তায় নেতাজি স্ট্যাচুর সামনে ব্যারিকেড করে মিছিল আটকে দেয়। জেলা বিজেপি সভাপতি অভিজিৎ তা-র নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী-সমর্থক রাস্তায় বসে পড়ে। শুরু হয় অবস্থান বিক্ষোভ। এরপর ফের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে জলকামান ব্যবহার করে।

    মুর্শিদাবাদে আক্রান্ত বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি

    এদিন মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কলেজ মোড়ে এসপি অফিসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি (BJP) কর্মীরা। বিজেপি মহিলা মোর্চার হাতে লাঠি ও ঝাঁটা নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন। বিজেপি কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। আন্দোলনের নেতৃত্ব ছিলেন মুর্শিদাবাদ (দক্ষিণ) বিজেপি-র জেলা সভাপতি শাখারভ সরকার। বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়। তাতেই মাথা ফেটে যায় বিজেপির জেলা সভাপতির। তিনি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর অক্সিজেন চলছে।

    দক্ষিণ দিনাজপুরে মুখ্যমন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ

    এদিন বালুরঘাট পুলিশ সুপার অফিস ঘেরাও করে  বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি (BJP)। এদিকে পুলিশের তরফে এসপি অফিস ঘেরাও কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের তরফে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিক্ষোভকারী জেলা কার্যালয় থেকে মিছিল করে আসে। এরপর ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। পরে রাস্তার ওপর বসে পড়েন আন্দোলনকারীরা। পরে, বিজেপির পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ করা হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী, বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী সহ জেলা বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব।

    বারাসতে বিজেপি কর্মীদের অবরোধ

    জানা গিয়েছে, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বিজেপির (BJP) এই কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়। এদিন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে প্রথম ব্যরিকেড ভেঙে এসপি অফিসের উদ্দেশ্যে বিজেপি কর্মীরা গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। পরে, এসপি অফিস থেকে কিছুটা দূরে জাতীয় সড়কের ওপর বসে বিক্ষোভ দেখাতে  থাকেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share