Tag: West Bengal

West Bengal

  • Amit Shah: শুভেন্দুর গড়ে কর্মীদের বার্তা দিতে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    Amit Shah: শুভেন্দুর গড়ে কর্মীদের বার্তা দিতে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিভক্ত মেদিনীপুরে বুথস্তরের কর্মীদের নিয়ে সভা করতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড়ে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মেচেদায় কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফুটবল ময়দানে আগামী ২৯ জানুয়ারি ওই সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যেই আবেদন জানিয়েছেন বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব। দলের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রায় ১০ হাজার বুথস্তরের কর্মীকে সভায় আসার নির্দেশ (Amit Shah)

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তথা রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে এবং রাজ্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সতীশ ধন্দও সম্প্রতি মেচেদায় তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর ও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক করেছেন। এবার সেখানে শাহের (Amit Shah) সাংগঠনিক সভা হতে চলেছে। এই সভার প্রস্তুতিতে বৃহস্পতিবার বিজেপির জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক হবে। প্রাথমিক ভাবে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তমলুক, কাঁথি, মেদিনীপুর, ঘাটাল ও ঝাড়গ্রামের মোট পাঁচটি সাংগঠনিক জেলা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার বুথস্তরের কর্মী শাহের সভায় হাজির থাকবেন। প্রতিটি বুথ কমিটিতে গড়ে ১১ জন করে রয়েছেন। তবে প্রতিটি বুথ থেকে ৪-৫ জন করে কর্মীকে সভায় আসতে বলা হবে। আর তাতে কর্মিসভা আদতে জনসভার আকার নেবে। সেই মতো দলের পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনের প্রস্তুতিও প্রয়োজন। তাই বিজেপির তরফে দলীয় ভাবে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এমনিতেই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও শাহের এই সফর থেকেই বাংলায় ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। এমনিতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় পূর্ব মেদিনীপুরের দু’টি আসন তমলুক ও কাঁথি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দেওয়ার কথা বলেছেন শুভেন্দু। গত পঞ্চায়েত ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরে ভালো ফল করেছে বিজেপি। বিজেপি-র শক্ত জমিতেই শাহ সভা করে বুথস্তরের কর্মীদের কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলে।

    প্রস্তুতি নিয়ে কী বললেন জেলা নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলা নেতা বামদেব গুছাইত বলেন, অবিভক্ত মেদিনীপুরের পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার বুথের পদাধিকারীদের নিয়ে সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বিষয়ে কর্মীদের বার্তা দিতেই এই কর্মিসভা হবে। সভাস্থলের জায়গা ব্যবহারের জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের কাছেও আবেদন জানানো হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বরা সভাস্থলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘শাহজাহানের সব কিছু রয়েছে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘শাহজাহানের সব কিছু রয়েছে এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী গত ১৩ বছরে ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছেন। বুধবার বিকালে মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক বিজেপি জেলার পক্ষ থেকে লালবাগে নাকুড়তলাতে বিধানসভা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যোগ দেন। রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেন। একইসঙ্গে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে মুখ খোলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শেখ শাহজাহানের টাকা, নথি সহ সব কিছু রয়েছে সন্দেশখালির এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে। সেখানে তল্লাশি চালালেই সব পেয়ে যাবে ইডি।

    ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, গত ১৩ বছরে তৃণমূল সরকার আশা কর্মী আর চুক্তিভিক্তিক কিছু চাকরি ছাড়া আর কিছু করেনি। নতুন করে চাকরি দেওয়ার কোনও সংস্থান করেনি এই সরকার। আমি নিজে ক্যাবিনেটে ছিলাম। গত ১৩ বছরে এই সরকার ৬ লক্ষ স্থায়ী পদ অবলুপ্ত করেছে। লক্ষ লক্ষ পদে নিয়োগ নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই শূন্য পদে নিয়োগ হবে। আর অবলুপ্ত হওয়া পদ ফিরিয়ে আনা হবে। মেধার ভিত্তিতে প্রকৃত যোগ্যদের চাকরি দেওয়া হবে।

    শেখ শাহজাহান ইস্যুতে কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু বলেন, মমতার নির্দেশে বুধবার সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকদের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়েছে। শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ১৯দিন পড়ে গেলে আর কিছুই পাওয়া যাবে না। শাহজাহানের বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে তোলাবাজ তৃণমূল নেতা শাসসুল সর্দারের বাড়িতে গেলে সব কিছু পাওয়া যাবে। শাহজাহানের বাড়ি থেকে সব টাকা শামসুলের বাড়িতে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওর বাড়িতে এখন গেলে ২৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।

    ডবল ই়ঞ্জিন সরকারের পক্ষে ফের সওয়াল করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    দলীয় সভা মঞ্চ থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে এক সুরে বেঁধে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অধীরবাবু এখানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিশাল চিৎকার করেন। দিল্লি গিয়ে ভাইপোর সঙ্গে ডিনার করেন। প্রধানমন্ত্রীতে নর্দমার সঙ্গে তিনি তুলনা করেছিলেন। আরে অধীর চৌধুরীকে জিতিয়েছিলেন হিন্দুরা। আর এবার আমি হিন্দু ভাইদের বলব, এই ভুলটা আর মুর্শিদাবাদে করবেন না। আমরা মানুষের কাছে একটি বার্তা দেওয়ার জন্য এসেছি কেন্দ্রে যে দলের সরকার আছে, সেই দল রাজ্যে না হলে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফিরবেন না। বেকার সমস্যার সমাধান হবে না। পশ্চিমবঙ্গকে চোর মুক্ত করতে কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যেও একই সরকার গঠন করতে হবে। এটা একমাত্র সম্ভব ডবল ইঞ্জিনের সুফল। উত্তর প্রদেশ থেকে আসাম সর্বত্র পাবেন যেটা পশ্চিমবঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে না। পাঁচ কোটি লোক দূরারোগ্য ব্যাধিতে চিকিৎসা সুযোগ পাচ্ছেন, কেন পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারতের সুযোগ নেই একমাত্র রাজ্যে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার আটকে রেখেছে বলে বার বার অভিযোগ করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ সঠিক নয়, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বুধবার মালদার (Malda) মানিকচকের মথুরাপুরে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা না পাওয়ার দায় রাজ্য সরকারের ওপরেই চাপালেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল। রাজ্যের দাবিমতো আটকে থাকা বরাদ্দ কবে ছাড়া হবে, এপ্রশ্নেও কোনও আশ্বাস দেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

     টাকা আটকে রাখা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Malda)

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল বলেন, ১০০ দিনের প্রকল্পে রাজ্যেরই গাফিলতি রয়েছে। জবাব তাঁদেরকেই দিতে হবে। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। তাছাড়া শুধু পশ্চিমবঙ্গের টাকা আটকে রাখা হবে কেন? আসলে এটা নিয়ে তৃণমূল দিল্লিতে ধর্না দিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছে। তাদের কিছু কাগজপত্র চেয়েছিল, সেটা তারা এখনও জমা দিতে পারেনি। আসলে এই প্রকল্পের কাজের ক্ষেত্রে কিছু গাফিলতি রয়েছে বলেই তাদের টাকা আটকে রাখা হয়েছে। আর অকারণে তৃণমূল কেন্দ্রীয় সরকারকে টাকা আটকে রাখার জন্য দায়ী করছে। এটা একেবারেই ঠিক নয়। পাশাপাশি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অযোধ্যায় রাম মন্দিরকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। তবে, বিজেপি রামের আবেগ নয়, মোদির নেতৃত্ব আর উন্নয়ন কর্মসূচিকে সামনে রেখে লোকসভা নির্বাচনে এগিয়ে যাবে।

    রাজ্যের দুই মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে, ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবিকে নস্যাৎ করেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও সাবিনা ইয়াসমিন। এদিন মালদার (Malda) ইংরেজবাজারে হস্তশিল্প মেলায় যোগ দিতে এসে রাজ্যের দুই প্রতিমন্ত্রী ১০০ দিনের প্রকল্প টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকায় সরব হন। সাবিনা বলেন, কেউ কোনও দুর্নীতির অভিযোগ কাগজ-কলমে অন্তত বলতে পারেননি। অথচ, টাকা দেওয়ার কথা হলেই মুখে দুর্নীতির কথা বলছেন কেন্দ্রের মন্ত্রী ও বিজেপির নেতারা। বেচারাম মান্না বলেন, এপর্যন্ত ৬৮বার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসেছে। তারা যা যা তথ্য চেয়েছিল, সমস্ত তথ্য দফতর থেকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘গ্রাম সম্পর্ক অভিযান’-এ সুকান্ত, গ্রামের বৃদ্ধদের পা ধুয়ে দিলেন সাংসদ

    Sukanta Majumdar: ‘গ্রাম সম্পর্ক অভিযান’-এ সুকান্ত, গ্রামের বৃদ্ধদের পা ধুয়ে দিলেন সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘গ্রাম সম্পর্ক অভিযান’ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের আঙ্গারিবন গ্রামে গ্রাম সম্পর্ক অভিযান করা হয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা বালুরঘাট লোকসভা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এদিন তিনি নিজে হাতে গ্রামের বেশ কয়েকজন বৃদ্ধের পা ধুয়ে দেন।

    শেখ শাহজাহান নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমি কুশমন্ডির আঙ্গারিবন গ্রামে এসেছি গ্রাম সম্পর্ক অভিযানে। এখানে এসে মানুষের ভালো সাড়া পেয়েছি। এদিন নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির হানা নিয়ে তিনি বলেন, প্রথমত আমি বলি এর আগে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডি যখন তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল, তখন ইডি অফিসারদের ওপর তৃণমূলের হার্মাদরা হামলা করে। কেন্দ্রীয় সংস্থার অফিসারদের মাথায় অশোকস্তম্ভ থাকে। অশোকস্তম্ভের সিংহকে আঘাত করেছে তৃণমূলের গুন্ডারা। সেই সিংহ এখন জেগে উঠেছে। সেই চুনোপুটি পোকামাকড়রা গর্তে লুকিয়ে রয়েছে। শাহজাহান এখন গর্তে গর্তে লুকিয়ে বেড়াচ্ছে। চিন্তা নেই, এই সিংহ জাগলে অনেক ইঁদুর পোকামাকড়কে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হয়। শাহজাহানকে বেরিয়ে আসতে হবে।

    অনুব্রত ইস্যুতে মুখ খুললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি

    প্রসন্নকুমার রায়কে ইডি-র তলব নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, প্রসন্ন রায়ের নাম এর আগেও উঠে এসেছে। তিনি পার্থ চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিতি। তদন্ত হওয়া উচিত। তাঁর কী অপরাধ আছেে, তা সব তদন্ত করে দেখে যদি অপরাধী হয় তাকে কান ধরে জেলে ঢোকানো উচিত। কালীঘাটে মমতার বৈঠকের পর সাংসদ শতাব্দী রায় সাংগঠনিক বৈঠকে আলোচনার বিষয়টি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেন। অনুব্রত মণ্ডলকে সম্মান দেওয়ার কথা বলা হয়। একইসঙ্গে জেলায় ফিরলে তাঁকে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে তৃণমূল সাংসদ জানান। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝতে পারছেন অনুব্রত মণ্ডল যদি জেলের ভেতরে মুখ খুলে দেন, তাহলেই তার সাধের ভাইপো আর জেলের বাইরে থাকবে না। তাই, কেষ্টকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। আসলে ভাইপোকে বাঁচাতে অনুব্রতকে সম্মান দেওয়ার বার্তা দিচ্ছেন মমতা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indi Alliance: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    Indi Alliance: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোট (Indi Alliance) গঠন করে বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াই করার স্বপ্ন দেখছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সেই জোট এখনও ফলপ্রসূ হয়নি। তবে, গুয়াহাটিতে রাহুলের বক্তব্যের পরে বাংলায় কংগ্রেস-তৃণমূল জোট নিয়ে খানিকটা ‘ইতিবাচক’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করেছিল। কিন্তু, বুধবার মমতার বক্তব্যের পরে স্পষ্ট যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনও জোট বা আসন সমঝোতা হচ্ছে না। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনেই প্রার্থী দিতে চলেছে তৃণমূল।

    তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে রাহুল ঠিক কী বলেছিলেন? (Indi Alliance)

    মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে রাহুল বলেছিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে আসন বোঝাপড়ার প্রক্রিয়া রয়েছে, তা চলছে। তার ফলাফল আসবে। ওই বিষয়ে আমি এখানে কোনও মন্তব্য করব না। মমতাজির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ও দলের সম্পর্ক খুবই ভালো। তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের কেউ কিছু বলে দেন। ওঁদের কেউ কিছু বলেন। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু, এতে আসন বোঝাপড়ায় কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

    রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে কী বললেন মমতা?

    দুদিন আগে পার্ক সার্কাসের মঞ্চ থেকে মমতা ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) সমালোচনা করেছিলেন। কংগ্রেসের নাম না করে বলেছিলেন, “আমি বলেছিলাম, যে রাজ্যে, যে আঞ্চলিক দল শক্তিশালী, তারা সেই রাজ্যে লড়ুক। আর আপনারা ৩০০ আসনে একা লড়াই করুন। আমরা সাহায্য করব। বাকি আসনে আমরা লড়়াই করব। তারা বলছে, তাদের মর্জিমতো হবে।” বুধবার বর্ধমানে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগে মমতাকে ওই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ মমতা জানিয়ে দেন, বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “আমার কারও সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। আমার প্রস্তাব প্রথম দিনেই প্রত্যাখ্যান করেছে! আমার সঙ্গে কারও কোনও আলোচনা হয়নি। অ্যাবসলিউটলি মিথ্যা কথা!” তিনি আরও বলেন, “এই যে আমাদের রাজ্যে আসছে, আমাকে তো একবারও বলেনি!” মমতা বলতে চেয়েছেন রাহুলের ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’র কথা। অসম থেকে রাহুল তাঁর যাত্রা নিয়ে বৃহস্পতিবারেই কোচবিহার দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করবেন। তার এক দিন আগে মমতার কথায় স্পষ্ট যে, ইন্ডিয়া’র শরিক হিসেবে তৃণমূল ওই যাত্রায় অংশ নেবে না। দুদিন আগে মুর্শিদাবাদ জেলায় সব আসনে লড়াই করার জন্য দলীয় নেতাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আর অধীর চৌধুরীকে তিনি গুরুত্ব দিতে নারাজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ দিন পর বুধবার ফের সন্দেশখালির বেতাজ বাদশার ডেরায় হানা দিল ইডি (ED)। তাঁর বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে কী উদ্ধার হয় তা নিয়ে রাজ্যবাসীর নজর ছিল। এদিন শাহজাহানের বাড়িতে হানার সময় রাজ্য পুলিশের পাশাপাশ রাজ্য পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত র‍্যাফকে দেখা গিয়েছে। তাঁরা হেলমেট পরিহিত। হাতে লাঠি বা আধুনিক অস্ত্র। শাহজাহানের বাড়ির ফটকে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাজ্য পুলিশের জওয়ানরা। সঙ্গে রয়েছেন সিআরপিএফ জওয়ানরাও। এবার ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত হয়ে তৃণমূল নেতার ঘরের তালা ভেঙে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। তারপর একের পর এক ঘরে ঢুকে চলে তল্লাশি। নামিয়ে আনা হয় সুটকেস। ভাঙা হয়েছে আলমারির তালা।

    তল্লাশি চালিয়ে কী মিলল? (ED)

    বুধবার সাতসকালে শাহজাহানের বাড়িতে যান ইডির (ED) ছয় আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। এ ছাড়া এক জন আছেন শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য। তাঁরা একের পর এক ঘরে যান। সমস্ত ঘরে তল্লাশি চালান। আসবাবপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে পৌঁছে যান রান্নাঘরেও। ঘরের ভিতরে থাকা আলমারির তালা ভাঙা হয়েছে। সুটকেস নামিয়ে খোলা হয়েছে। কিন্তু, রান্নাঘরের সিঙ্ক থেকে বাসনকোসন আর আলমারি এবং সুটকেস থেকে জামাকাপড় ছাড়া কিচ্ছু মেলেনি।

    নিরাপত্তায় মোড়া গোটা এলাকা, বন্ধ শাহজাহান মার্কেট

    ১৯ দিন আগে ইডি (ED) হানার সময় সন্দেশখালির শাহজাহানের বাড়ির সঙ্গে বুধবারের তাঁর বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশের চেহারা একেবারেই আলাদা। এদিন সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির অভিযান চালানোর সময় বাড়ির সামনে নেই কোনও জনতার ভিড়়। তৃণমূল নেতার নামাঙ্কিত শাহজাহান মার্কেটের একটি দোকানও খোলেনি। বাজারে দেখা গেল সুনসান ছবি। আদালতের নির্দেশে তৃণমূল নেতার বাড়ির সঙ্গে সঙ্গে সন্দেশখালির বাজারেও সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল পুলিশ। সাধারণ মানুষের আনাগোনাও একেবারেই হাতেগোনা। সমস্ত এলাকা দখল নিয়েছে রাজ্য পুলিশ এবং সিআরপিএফ। শাহজাহানের বাড়ি থেকে বড় রাস্তায় যাওয়ার জন্য রয়েছে এক চিলতে রাস্তা। সেই ১০০ মিটার রাস্তাও পুরোপুরি মোড়া খাকি, জলপাই পোশাক পরিহিত দীর্ঘদেহীদের দিয়ে। বড় রাস্তার দখলও পুরোপুরি নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে। জায়গায় জায়গায় তাঁরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সকাল থেকে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেরকম গুরুত্বপূর্ণ কিছু পাননি ইডি আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র রাজ্য জুড়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ বা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স হানা দিয়ে মুর্শিদাবাদ ও হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, জাল নথির সাহায্যে শ’য়ে শ’য়ে সিম কার্ড বানিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি পাচার করা হত। এই সব সিম কার্ড দিয়ে প্রতারকরা প্রতারণা (Fraud) করত বলে তদন্তকারী আধিকারিকদের ধারণা।

    বহু ভুয়ো সিমকার্ড উদ্ধার (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার সীমন্তবর্তী এলাকা তো বটেই, সেই সঙ্গে জেলার সদর বহরমপুরেও জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছু যুবক সামনে সিম কার্ড, মোবাইলের দোকান কিংবা অনলাইনে ব্যবসা খুলে আড়ালে চালাচ্ছে জালিয়াতির ব্যবসা। আর ভুয়ো সিম কার্ড দিয়ে চলত প্রতারণা (Fraud)। মুর্শিদাবাদ ও হুগলির বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দেয় এসটিএফ। মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানা এলাকা থেকে নইমুল ইসলাম ও আবদুল আজিমকে, ভগবানগোলা থানা এলাকা থেকে কাওশার শেখ এবং দৌলতাবাদ থানা এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কামরুজ্জামান ও দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া এলাকার বাসিন্দা আস্তিক মণ্ডল এবং হুগলির জাঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয় সুরেশ দে এবং রমেশ জানাকে। ধৃতরা প্রত্যেকেই জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানাত বলে পুলিশের দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কয়েকশো ভুয়ো সিম কার্ড, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন, জাল নথি-সহ একাধিক বৈদ্যুতিন যন্ত্র।

    হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণা!

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্ত্র দিয়ে যেমন জাল নথি বানানোর কাজ করা হত, তেমনই ওটিপি পাচার করা হত দেশের বাইরে। ধৃতরা দেশে ও বিদেশের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণার (Fraud) কাজ করত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ওই জালিয়াতির সঙ্গে দেশের গোপন তথ্যপাচার করা হত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: উত্তরবঙ্গবাসীকে রাম মন্দির দর্শন করাবে সঙ্ঘ পরিবার, তালিকায় কারা?

    Ram Mandir: উত্তরবঙ্গবাসীকে রাম মন্দির দর্শন করাবে সঙ্ঘ পরিবার, তালিকায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) নিয়ে দেশ জুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। মন্দির দর্শন করার জন্য লক্ষ লক্ষ ভক্ত অযোধ্যায় ভিড় করছেন। রাম মন্দির সংক্রান্ত যে কোনও কর্মসূচিকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ গুরুত্ব দিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাইছে। এবার সেই ঐতিহ্যপূর্ণ রাম মন্দির দর্শন করাতে উদ্যোগী হল সঙ্ঘ পরিবারের বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    তালিকায় কারা রয়েছেন? (Ram Mandir)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের আগে অযোধ্যার পূজিত চাল বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিয়েছিল রাম মন্দির তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। উত্তরবঙ্গের ২২ লক্ষ পরিবারে চাল পৌঁছে দিয়ে জনসংযোগ করেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদও। সেই সূত্র ধরে সঙ্ঘ নেতাদের একাংশের ধারণা, তাঁরা সফল হয়েছেন। এবার রাম মন্দির নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম ট্রেনটি আলিপুরদুয়ার থেকে ছাড়ার কথা। পরের ধাপে এনজেপি থেকে ছাড়বে আরও একটি ট্রেন। প্রথম ধাপে উত্তরবঙ্গ থেকে দু’হাজারেরও বেশি মানুষকে অযোধ্যায় নিয়ে যাবে তারা। সে জন্য একটি ট্রেনও ভাড়া করা হয়েছে বলে খবর। অযোধ্যায় যেতে আগ্রহী অনেকেই তাদের সঙ্গে যোগাযাগ করছেন। তালিকার প্রথম দিকে রয়েছেন করসেবকেরা। উত্তরবঙ্গে এখনও একশো জনের মতো করসেবক রয়েছেন। তাঁদের পরিবারকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। করসেবক ছিলেন, কিন্তু মৃত্যু হয়েছে, সে রকম পরিবারের অন্তত দু’জনকে নিয়ে যাওয়া হবে রাম মন্দির দর্শন করাতে। একই সঙ্গে রয়েছেন সঙ্ঘের কার্যকর্তারাও। পরের ধাপে সঙ্ঘ পরিবারের বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উত্তরবঙ্গের সম্পাদক কী বলেন?

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উত্তরবঙ্গের সম্পাদক (সংগঠন) অনুপকুমার মণ্ডল বলেন, করসেবকদের মন্দির দর্শন করিয়ে আবার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। বাকিদের নিজেদের খরচেই যেতে হবে। দক্ষিণবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গ থেকে আপাতত একটি করে ট্রেন ধরা হয়েছে। তবে, এখন রাম মন্দিরে (Ram Mandir) ভক্তদের ভিড় উপচে পড়েছে। তাই, ভিড় থাকলে প্রয়োজনে রাম মন্দির যাত্রা পিছিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি, অগ্নিমিত্রার হাত ধরে হল যোগদান

    Asansol: সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি, অগ্নিমিত্রার হাত ধরে হল যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে আসানসোলে (Asansol) সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যোগদান কর্মসূচিতে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শত বাধার পরও বিজেপির যোগদান কর্মসূচিতে শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ যোগদান করেন।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন? (Asansol)

    মঙ্গলবার আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ২৮ নং ওয়ার্ড জাহাঙ্গীর মহল্লায় বিজেপির পক্ষ থেকে যোগদানের অনুষ্ঠান করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেছে। বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আসানসোল রেল পাড়ে নেতাজির জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে কয়েকশো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের যোগদান করার কথা ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার রাত থেকে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপিতে যোগদান করলে তাদের সবরকম সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে এবং তাদের পরিবারের ওপর অত্যাচার করা হবে বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কিন্তু, এখানকার জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের দ্বারা বঞ্চিত হওয়ার কারণে তারা বিজেপিতে যোগদান করেছে। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে  সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, শত প্রতিকুলতার মধ্যে সভা করে শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেছে। যা দেখে শাসক দলের নেতাকর্মীরা হতবাক হয়ে গিয়েছেন।

    আরও বহু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপি যোগ দেবেন!

    আসলাম নামে এক যোগদানকারী বলেন, সোমবার রাত থেকে আমাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপির অনুষ্ঠান যাতে না করা হয় ডেকোরেটরদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভয়ে কেউ মঞ্চ তৈরি করার সাহস দেখায়নি। কিন্তু, আমরা পথসভার মাধ্যমেই যোগদান করেছি। শাসক দলের বাধা না থাকলে এই এলাকার বহু মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেন। তবে, বাধা দেওয়া হলেও আগামীদিনে আরও বহু কর্মী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী রাম সেনা

    Ram Mandir: ঝাড়গ্রামে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী রাম সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে সোমবার দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠান হয়। এই আবহের মধ্যেই ঝাড়গ্রামে তৈরি করা হবে রাম মন্দির। রাম সেনা সংগঠনের পক্ষ থেকে এই মন্দির তৈরি করা হবে। সংগঠনের জেলা সভাপতি মধূসূদন সিংহ নিজে উদ্যোগী হয়ে রাম মন্দির তৈরির জন্য ৫ কাঠা জমি দিয়েছেন। সেই জমিতে গড়ে তোলা হবে স্বপ্নের রাম মন্দির। সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে রাজস্থান থেকে বিগ্রহ আনা হবে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, রামের মন্দির হবে সর্বসাধারণের জন্য।

    রাম সেনার উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির (Ram Mandir)

    রামসেনা সংগঠনটি সঙ্ঘ পরিবারের শাখাও নয়। মধুসূদনবাবু এক সময় শিবসেনার জেলা সভাপতি ছিলেন। পরে অবশ্য তিনি শিবসেনার সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেন। মধুসূদন বলেন, পুরুষোত্তম রামচন্দ্রকে নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। আমরা রামকে নিয়ে বিভাজনের বিপক্ষে। জেলার মধ্যে মানিকপাড়া ও রাধানগরে রামের দু’টি ছোট মন্দির আছে। তাই  জেলা শহরে রামের দৃষ্টিনন্দন মন্দির তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সঙ্ঘের শাখা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের জেলা সংযোজক বাপ্পা বসাক বলেন, শহরে রামের মন্দির (Ram Mandir) প্রয়োজন। ওই মন্দির তৈরির জন্য আমরাও সহযোগিতা করব। জানা গিয়েছে, সোমবার জেলায় দিনভর গেরুয়া শিবিরের ঠাসা কর্মসূচি ছিল। সরাসরি অযোধ্যা থেকে জায়ান্ট স্ক্রিনে সম্প্রচার। তার মধ্যে পৃথক ভাবে রামসেনার উদ্যোগে সব ধর্মের যুবকদের নিয়ে বাইক মিছিল করা হয়।

    রাম মন্দির নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঝাড়গ্রামে রামমন্দির হওয়া প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের সভাপতি দুলাল মুর্মু বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতার ঐতিহ্যকে নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে। শ্রীরামচন্দ্রকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক প্রদীপকুমার সরকার বলছেন, মন্দিরকে কেন্দ্র করে রাজনীতি ও পাল্টা রাজনীতিতে আমরা নেই। জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি দেবাশিস কুণ্ডু বলছেন, রাম মন্দির (Ram Mandir) হওয়ার কথা শুনে যাঁরা ঐতিহ্য নষ্টের কথা বলছেন, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে তোষণের রাজনীতি করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share