Tag: West Bengal

West Bengal

  • Raiganj: রায়গঞ্জ শহরে ভরদুপুরে জোড়া খুন! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Raiganj: রায়গঞ্জ শহরে ভরদুপুরে জোড়া খুন! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় বাড়ির মধ্যে থেকে রক্তাক্ত জোড়া মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। শিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ (Raiganj) পুরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডের নিউ উকিলপাড়ার সৎসঙ্গ স্কুলের কাছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দে ( ৫৪) এবং মিন্টু সরকার ওরফে বাপি (৫২)। তাঁরা দুজনেই জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের অস্থায়ী কর্মী। মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে, ঘটনাস্থল থেকে ৮০০ মিটার দূরে থানা। তারপরও দিনেরবেলায় জোড়়া খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ (Raiganj) পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ উকিলপাড়ার বাসিন্দা তপন দে তাঁর মেয়ে তানিয়া দের সঙ্গে থাকতেন। তপনবাবুর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাঁর স্ত্রীর সুলেখা দে দুবছর আগে তাঁদের ছেড়ে বাপের বাড়ি কলকাতায় চলে যান। শনিবার দুপুরে তপন দে -র বন্ধু রতন সরকার তাঁর বাড়িতে আসে বলে জানা গেছে। তপনবাবুর বাড়িতে তাঁর এক বন্ধু মিন্টু সরকার ছিলেন। আর তাঁর মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যায়। কিছুক্ষণ পরে রতনকে বাড়িতে তালা দিয়ে বের হতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁর হাতে রক্ত লেগেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হওয়ায় পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে তালা ভেঙে দেখে, তপনবাবু ও মিন্টুবাবুর রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। খবর দেওয়া হয় রায়গঞ্জ থানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ঘটনাস্থলে যান রায়গঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডেন্ডুব শেরপা। এই ঘটনায় রতনকে আটক করে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধারাল অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এভাবে বাড়িতে ঢুকে দিনের বেলায় খুন করে চলে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    মৃতের মেয়ের কী বক্তব্য?

    তপনবাবুর মেয়ের বক্তব্য, বাবা একজনের কাছে টাকা পেত। ৬ দিন আগে বাবাকে ফোনে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল। এদিন সকালে বাড়ি থেকে পরীক্ষা দিতে চলে আসি। পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পরই এই দুর্ঘটনার বিষয়টি জানতে পারি। বাবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে পড়ে থাকতে দেখি। বাবাকে খুন করা হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের জব কার্ডের বেনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার মহিলারা। শনিবার দিন করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটাবেনিয়া এলাকায় কুলপি ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের প্রতিনিধিরা ১০০ দিনের জব কার্ডের লিস্ট নিয়ে যায়। আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি। সরকারি কর্মীদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী পঞ্চায়েত এলাকায় ১০০ দিনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বেনিয়ম। যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের অনেকেরই নাম নেই, আবার যাঁরা কাজ করেননি এমন অনেকের নাম রয়েছে তালিকায়। তালিকায় নাম রয়েছে, বরণ হালদার। সে একাদশ শ্রেণির ছাত্র। স্কুলে যায়। কখনও কোদাল হাতে ধরেনি। অথচ তার নাম রয়েছে। আর চন্দনা সরকার, প্রভুরানি শিকারির মতো বাসিন্দার তালিকায় নাম নেই। আর তালিকার বিষয়টি জানতে পেরেই মহিলারা রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, যাঁরা কাজ করেছেন অবিলম্বে তাঁদেরকে বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমরা এই তালিকা মানি না।

    দলের প্রাক্তন প্রধানের বিরুদ্ধে সরব পঞ্চায়েত সদস্য

    করঞ্জলী পঞ্চায়েতেরই কাটাবেনিয়া এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যার পাশাপাশি তাঁর  স্বামী বুবুন চক্রবর্তী বলেন, প্রাক্তন প্রধান ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে নিজের স্বার্থে লাগিয়েছে। এমনকী নিজের ব্যক্তিগত কাজ এই ১০০দিনের মাধ্যমে তিনি করিয়েছেন। আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির টাকাও আমরা পাইনি। কুড়ি হাজার টাকা করেও তিনি দেননি। পরে,  ঘটনাস্থলে কুলপি থানার পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করলে বিক্ষোভ ওঠে। করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান শান্তনু কয়াল বলেন, এলাকার মানুষ যে অভিযোগ করছেন তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী  আম্বিয়া বিবি বলেন, তৃণমূল টাকা লুটের জন্য এই তালিকা তৈরি করেছে। প্রশাসন ওদের হয়ে কাজ করছে। মানুষ আর ওদের মেনে নিচ্ছে না। তাই, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন। যারা এই তালিকা তৈরি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

    Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে, সঠিক কী কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, দাপুটে এই নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে একাধিক ঝামেলার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন ভাঙড়ের এই দাপুটে নেতা। বোমাবাজি, তোলাবাজি, খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছিল। লোকসভা ভোটের আগে আরাবুলের গ্রেফতারি নিয়ে জোর চর্চা শুরু।

    কেন গ্রেফতার আরাবুল? (Arabul Islam)

    সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত ভোটে ঝামেলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় তাঁকে। একইসঙ্গে আইএসএফ কর্মী খুনের ঘটনাতেও আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) গ্রেফতার বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দু’টি ঘটনাতেই আরাবুলের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার সময় ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে যে ঝামেলা হয়েছিল তাতেই এই গ্রেফতারি বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি বৈদিক ভিলেজে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বামনঘাটায় রেজ্জাক মোল্লাকে মাথা ফাটানোর অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে খুন হয়। তাতেও নাম জড়ায় তাঁর। গত বছর ১৫ জুন বিজয়গঞ্জ বাজারে গন্ডগোলের ঘটনায় খুন, অস্ত্র আইন, খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়। সেই সূত্রে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর কাশীপুর থানায় তাঁকে ডাকা হয়। আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে আসেন উত্তর কাশীপুর থানায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি সৈকত ঘোষ। মূলত, ১৫ জুন সেই পুরানো মামলায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় আরাবুলকে। গ্রেফতারের পর লালবাজারে আনা হয় তাঁকে। পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তির মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর। শুক্রবার তাঁকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে।

    নিছক লোক দেখানো গ্রেফতারি, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আরাবুল (Arabul Islam) প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। বরং, তিনি বলেন, “এই গ্রেফতারিকে নিছক লোক দেখানো। পুলিশ গ্রেফতার করেছে। একটু বিরিয়ানি দেবে, ভাল কম্বল দেবে। ও ওখানে ভালভাবেই থাকবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: দিঘার পর হাওড়া! রেল লাইন ধরে বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার নাবালিকা

    Howrah: দিঘার পর হাওড়া! রেল লাইন ধরে বাড়ি ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার নাবালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তায় হোটেল দেখে দেওয়ার নামে বন্ধুকে গাছে বেঁধে রেখে জঙ্গলে নিয়ে গিয়েছে এক তরণী পর্যটককে গণ ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের কাটতে না কাটতেই ফের এক নাবালিকার গণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটল হাওড়ার (Howrah)  উলুবেড়িয়া এলাকায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিরা পলাকত। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে জামাইবাবুর সঙ্গে হাওড়়ার (Howrah) উলুবেড়িয়া স্টেশনে দেখা করতে এসেছিল নির্যাতিতা নাবালিকা। অভিযোগ, সেই সাক্ষাতের পর রেললাইন ধরে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন দুষ্কৃতী কিশোরীকে রাস্তা আটকায়। আশপাশে কেউ না থাকায় দুষ্কৃতীরা তাকে টেনে নিয়ে যায়। এরপরই গণধর্ষণ করে। রেল লাইনের পাশে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। বেশ কিছুক্ষণ অচৈতন্য অবস্থায় রেললাইনের ধারেই পড়ে থাকে সে। এর ঘণ্টাখানেক পর নাবালিকার জ্ঞান ফিরলে বাড়িতে যায় সে। সেখানে গিয়ে সব ঘটনা খুলে বলে। রাতেই উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর রাতেই পুলিশ তদন্তে নেমে এক যুবককে গ্রেফতার করে। নির্যাতিতার এক আত্মীয় বলেন, নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। ও জামাইবাবুর সঙ্গে দেখা করে ফিরছিল। জামাইবাবু বাইরে থাকেন। ও ডেকেছিল বলে গিয়েছিল। জামাইবাবুর সঙ্গে কথা বলে ফিরছিল। রেল লাইনের পাশে একটি অন্ধকার জায়গায় পাঁচ-ছ’জন ধরে ওকে ধর্ষণ করেছে। এমনকী ওর হাতের মোবাইলও ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনার পরেই বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে আসেন এসআরপি খড়গপুরের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক, হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার সহ একধিক পুলিশ আধিকারিক। তাঁরা জানিয়েছেন, গণধর্ষণের মামলা রুজু হয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। খড়গপুরের সুপারিন্টেনডেন্ট অফ রেলপুলিশ দেবশ্রী সান্যাল বলেন, অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত চলছে। একজন গ্রেফতার হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: রাজ্যে সক্রিয় ওটিপি প্রতারণাচক্র, চিন-পাকিস্তান যোগ! কীভাবে জালিয়াতি?

    Fraud: রাজ্যে সক্রিয় ওটিপি প্রতারণাচক্র, চিন-পাকিস্তান যোগ! কীভাবে জালিয়াতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে ফের সক্রিয় হয়েছে প্রতারণাচক্র। প্রতারকরা নিত্যনতুন কৌশল প্রয়োগ করে প্রতারণার (Fraud) ছক কষে। এবার ওটিপি কেনাবেচার একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি বিক্রির অবৈধ চক্র চালানোর অভিযোগে মূল পাণ্ডাকে হিমাচল প্রদেশ থেকে গ্রেফতার করল বেঙ্গল এসটিএফ। ওই চক্রের জাল পাকিস্তান এবং চিনে ছড়িয়ে থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। মুর্শিদাবাদে দায়ের হওয়া একটি অভিযোগ থেকেই এই চক্রের হদিশ মেলে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কীভাবে প্রতারণার ছক? (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, সাধারণত প্রতারকরা সিম ক্লোন করে ওটিপি সংগ্রহ করে। ধরা যাক একটি ফোন নম্বরের সিম ক্লোন করা হল, তারপর থেকে ওটিপি যাবে ওই ভুয়ো নম্বরে। ফলে, সহজেই গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। একদল লোক সিম ক্লোন করার কাজে যুক্ত থাকে, আবার আর একদল ওটিপি বিক্রি করে বলে জানা যায়। মোটা টাকার বিনিময়ে বিদেশে তথ্য পাচার করে দেওয়া হত। প্রতারকরা বিদেশে কী কী তথ্য পাচার করেছে তা জানার চেষ্টা করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    পাকিস্তান-চিন যোগ!

    দু সপ্তাহ আগে মুর্শিদাবাদ, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ওটিপি কেনাবেচার অভিযোগে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, নকল সিম কার্ড বানিয়ে ওটিপি তৈরি করা হয়, তারপর ওটিপি বিক্রি করে দেওয়া হয় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে। মুর্শিদাবাদে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। ধৃতদের জেরা করার পর পুলিশ হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা গৌরব শর্মার নাম পুলিশ জানতে পারে। জানা যায়, ওটিপি কেনাবেচার আন্তর্জাতিক প্রতারণা (Fraud) চক্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে গৌরব শর্মার। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা থেকে ওটিপি সংগ্রহ করেন ওই ব্যক্তি। তারপর ফোন নম্বর সহ ওটিপি বিক্রি করে দেওয়া হয় হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে। টাকার লেনদেন হয় ইউপিআই-এর মাধ্যমে। ওই ব্যক্তির সঙ্গে পাকিস্তান ও চিনের লোকজনের লেনদেন হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতেই শাহজাহানকে গ্রেফতারের উঠল দাবি, লাঠি হাতে মহিলাদের বিক্ষোভ

    Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতেই শাহজাহানকে গ্রেফতারের উঠল দাবি, লাঠি হাতে মহিলাদের বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বা কোনও বিরোধীরা নয়, সন্দেশখালির মানুষ এবার তৃণমূলের ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তায় নামলেন। রীতিমতো লাঠি, বাঁশ হাতে বৃহস্পতিবার  পথে নামলেন সন্দেশখালির মহিলারা। এ বার তাঁদের সরাসরি দাবি, তৃণমূলের স্থানীয় নেতা শেখ শাহজাহান, ব্লক সভাপতি শিবপ্রসাদ হাজরা এবং আরও এক তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করতে হবে।

    কেন ফের পথে নামলেন মহিলারা? (Sheikh Shahjahan)

    ক্ষোভে ফুঁসছে সন্দেশখালিতে শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বিরোধী ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। সেটা টের পেয়ে বুধবার শাহজাহানের নিজস্ব বাহিনী এলাকায় মিছিল করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। আর সেটাই বুমেরাং হয়।  স্থানীয় বাসিন্দারা তাড়া করে শাহজাহান বাহিনীকে ভাগানোর পর বৃহস্পতিবার দাপুটে ওই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি চেয়ে আবার পথে নামলেন এলাকাবাসী, বিশেষত মহিলারা। বুধবার রাতের দিকে তৃণমূল নেতাদের পোলট্রি ফার্মে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরার লোকজন নিজেদের পোল্ট্রি ফার্মে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এমনই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। আর এই হামলার দায় ঠেলে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা। বৃহস্পতিবার লাঠি, বাঁশ হাতে সন্দেশখালি থানা ঘেরাও করার চেষ্টা করেন মহিলারা। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়েন মহিলারা। পর পর দুদিন তৃণমূল বিরোধী যে ক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়েছে তা এর আগে দেখেননি সন্দেশখালির মানুষ।

    বিক্ষোভকারী মহিলাদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষোভরত মহিলাদের বক্তব্য, “শাহজাহানেরা (Sheikh Shahjahan)  দিনের পর দিন ধরে জমি দখল করেছেন। মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছেন। তাঁকে ও তাঁর অনুগামীদের গ্রেফতার করতে হবে। না হলে আমরা যাব না। এতদিন শিবপ্রসাদ, শাহজাহানদের ভয়ে মুখ বুজে সমস্ত অত্যাচার সয়েছি। বাইরে থেকে গুন্ডা এনে আমাদের উপর অত্যাচার করত। এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে, তাই রাস্তায় নেমেছি। কারণ,  পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে বলে শাহজাহানের কাছে যাও। শাহজাহান বলে শিবু হাজরার কাছে যাও। আমরা কোথায় যাব? এটা চলতে পারে না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘শুধু সময়ের অপেক্ষা’, দেব-কে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘শুধু সময়ের অপেক্ষা’, দেব-কে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটালের সাংসদ দেব-কে নিয়ে তৃণমূল নেতার অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। অডিওতে তৃণমূল নেতা বলেছেন, কাজের জন্য ৩০ শতাংশ কমিশন চাওয়া হয়েছে। দেবকে নিয়ে এই জল্পনার মাঝেই মুখ খুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অডিও প্রসঙ্গে টেনে দেবকে তিনি আক্রমণও করলেন।

    দেব-কে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “দেব যে এজেন্ট দিয়ে কমিশন তোলে তা ঘাটালের সকলেই জানেন। তবে, ৩০ শতাংশ কি না সেটা জানি না। তবে, এমপি ল্যাডের কাজের জন্য কাটমানি দিতে হয়। তবে, এটা শুধু দেবের নয়, সব তৃণমূল সাংসদকে কাজের জন্য কাটমানি দিতে হয়। দেব প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এনামুলের টাকায় দেব সিনেমা করেছেন, এটা প্রমাণিত সত্য। পাঁচ কোটি টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। সেই টাকায় সিনেমা করেছেন। তিনি একবার ইডি অফিসে একবার লুকিয়ে লুকিয়ে গিয়েছেন। ইডি চাইলেই ব্যবস্থা নিতেই পারে। অডিও ক্লিপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই বিষয়ে তিনি (দেব) কী পদক্ষেপ তা তিনি জানেন। তবে, আমার কাছে খবর আছে, তাঁর সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।”

    দিঘায় গণধর্ষণ নিয়ে সরব বিরোধী দলনেতা

    দিঘায় যুবতীকে ঘর দেওয়ার কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করার ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নামল বিজেপি। বুধবার বিকেলে ওল্ড দিঘার বিধানচন্দ্র মূর্তির পাদদেশ থেকে নিউ সায়েন্স সিটি পর্যন্ত পদযাত্রা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নির্যাতিতার পরিবারকে আইনি সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এদিন পদযাত্রায় একাধিক বিধায়ক ছাড়াও কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক পা মেলান। মিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁরা কালো ব্যাজ পরে ও ঝাঁটা হাতে মিছিল করেন। পরে, সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে – শুভেন্দু বলেন, ‘গোটা রাজ্যে মহিলা নির্যাতনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। মালদা জেলার কালিয়াচকের সংখ্যালঘু পরিবারের ছাত্রীকে খুন করা হয়েছে। দেহ অন্য জায়গায়,মুন্ডু অন্য জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। পর্যটকের ওপরে এমন শারীরিক ও পাশবিক অত্যাচার আমরা আগে দেখিনি। দিঘায় পুলিশের কোনও উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায় না। যে দু’জন ধর্ষণকারী গ্রেফতার হয়েছে, তাদের নামে চার্জশিট দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে কঠিনতম সাজা দিতে হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাট থেকে দিল্লি পর্যন্ত ট্রেনের দাবি, রেলমন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাট থেকে দিল্লি পর্যন্ত ট্রেনের দাবি, রেলমন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট থেকে এবার সরাসরি দিল্লি পর্যন্ত ট্রেনের দাবিতে সরব হলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এনিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের হাতে লিখিতভাবে দাবিপত্র তুলে দিয়েছেন তিনি। মূলত, বালুরঘাট- গুয়াহাটি এবং বালুরঘাট-দিল্লি -এই দুই ট্রেনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এবার দূরপাল্লার ট্রেন চালু হবে বলে রেলমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, জেলার রেল উন্নয়নের একাধিক দাবি-দাওয়া নিয়ে আমি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করেছি। বালুরঘাট থেকে দিল্লি, বেঙ্গালুরু এবং গুয়াহাটির ট্রেনের দাবি রয়েছে। সরাসরি দিল্লি ও অন্যান্য ট্রেনগুলির দাবির বিষয়ে আমি রেলমন্ত্রীকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি। রেলমন্ত্রী আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, এই প্রান্তিক জেলা থেকে এই ট্রেনগুলি চলবে। আগামীতে জেলাকে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় অন্যতম বিশিষ্ট জায়গায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন বলে রেলমন্ত্রীর আশ্বাস দিয়েছেন। দেশের রাজধানী দিল্লি পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালু হয়ে গেলে এই জেলার বাসিন্দারা চিকিৎসা থেকে শুরু করে পর্যটন ক্ষেত্রেও সুবিধা পাবে। এমনকী ব্যবসার ক্ষেত্রেও জেলাবাসীর সুবিধা হবে।

    পিট লাইনের কাজ শেষ পর্যায়ে

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাট রেল স্টেশনে পিট লাইনের কাজ শেষ লগ্নে এসেছে। ফলে ওই লাইনে একাধিক ট্রেন রাখা যাবে। এদিকে দুদিন আগেই বালুরঘাট রেল স্টেশন পরিদর্শনে এসে উত্তর পূর্ব কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার বালুরঘাট – গুয়াহাটির নতুন ট্রেনের প্রস্তাবের কথা জানিয়েছেন। ফলে, ফেব্রুয়ারিতেই নতুন ট্রেন চালু হতে পারে। অন্যদিকে, বালুরঘাট থেকে দূরপাল্লার ট্রেন চালুর কথা আগেই ঘোষণা করেছিল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) একাধিকবার পিট লাইনের কাজ খতিয়ে দেখে দ্রুত এ কাজটি সম্পন্ন করার নির্দেশও দিয়েছিলেন। তাই এই কাজ শেষ লগ্নে।

    বিজেপি জেলা সভাপতির কী বক্তব্য?

    বিজেপির জেলার সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জেলার উন্নয়নের জন্য যে ধরনের কাজ করছেন। পূর্বের কোনও সাংসদ বিধায়ক, এমনকী এই জেলার বর্তমান রাজ্যের মন্ত্রীও এমন উন্নয়ন করতে পারেনি। শাসকদলের মন্ত্রী বা বিধায়করাই বা কর্মসংস্থান বা যোগাযোগের জন্য কি করছেন? আসলে সুকান্ত মজুমদারের উন্নয়ন দেখে তৃণমূলের হিংসা হচ্ছে। তাই ভুল ভাল কথা বলছেন।

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি কী বললেন?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, সুকান্তবাবু রেল দিয়ে উন্নয়ন করছেন খুব ভালো কথা। দূরপাল্লার ট্রেনের জন্য দাবি করছেন। অথচ জেলার ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থানের জন্য বুনিয়াদপুরের রেল ওয়াগন কারখানার কথা কেন লিখছেন না? রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে এই কারখানার কথা বলা হোক। প্রয়োজনে আমরাও সুকান্তবাবু সঙ্গে দিল্লিতে ধরনা দেব। সামনেই ভোট তাই নতুন নতুন রেলের চিঠি দিয়ে জেলা বাসীর মন জয় করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: দুশোটির বেশি চুরি! এমএ পাশ চোরের কীর্তি দেখে চক্ষুচড়কগাছ পুলিশের

    Midnapore: দুশোটির বেশি চুরি! এমএ পাশ চোরের কীর্তি দেখে চক্ষুচড়কগাছ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুর (Midnapore) শহরের বিধাননগর এলাকায় একটি বাড়িতে লক্ষাধিক টাকার চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির ঘটনায় তদন্তে নামে পুলিশ। বিভিন্ন সূত্র মারফৎ চোরের হদিশ পায় মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। চুরির মাস্টার মাইন্ডকে বাঁকুড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম সৌমাল্য চৌধুরী। তাঁর যোগ্যতা আর চুরি করার সংখ্যা জেনে চক্ষুচড়কগাছ পুলিশের।

    এমএ পাশ চোর (Midnapore)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌমাল্য এমএ পাশ করে আর পাঁচজনের মতো সরকারি চাকরি বা ব্যবসা করার দিকে ঝোঁকেননি। এমনকী কোনও কাজ না পেয়ে টিউশন করে সৎ পথে রোজগার করার পথে হাঁটেননি। বরং, সহজেই বড়লোক হওয়ার নেশায় তিনি চুরিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। যদিও সেটা তিনি পুলিশের কাছে খোলসা করে বলেননি। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, মূলত ফাঁকা বাড়িকেই টার্গেট করতেন তিনি। আর সেই মতো ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে বা়ড়ির জিনিসপত্র সাফ করে দিতেন। মেদিনীপুরের (Midnapore) পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক জেলায় তিনি চুরি করেছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

    দুশোটিরও বেশি চুরির অভিযোগ

    জানা গিয়েছে, মাস খানেক আগে মেদিনীপুর (Midnapore) শহরের বিধান নগর এলাকায় একটি বাড়িতে চুরি হয়। সোনা-রূপোর গয়না, নগদ টাকা-সহ লক্ষাধিক টাকার চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই বাড়ি ফাঁকা ছিল। ফাঁকা বাড়িতে আলমারি ভেঙে গয়না, টাকা লুট যায়। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। হদিশ মেলে বাঁকুড়ার এক ব্যক্তি এই চুরির মাস্টার মাইন্ড। পুলিশ সোজা বাঁকুড়া থেকে তাঁকে গ্রেফতারও করে। এরপরই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত দুশোটিরও বেশি চুরির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তিনি যে সেই চুরির মাস্টারমাইন্ড, তা পুলিশের কাছে একবাক্যে স্বীকার করেছেন সৌমাল্য। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া অনেক সোনার গয়না। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও সে বিভিন্ন জেলায় একাধিক চুরি করেছে। তবে, চাকরি, টিউশন বা ব্যবসা করা ছেড়ে চুরিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিল তা নিয়ে স্পষ্ট করে তিনি কিছু বলতে চাননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dev: ‘দেব কাজের কমিশন চাইছে’, তৃণমূল নেতার অডিও ভাইরাল, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Dev: ‘দেব কাজের কমিশন চাইছে’, তৃণমূল নেতার অডিও ভাইরাল, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ঘাটালের সাংসদ দেব (Dev)। বকেয়া টাকা না পেয়ে করোনার সময় হাসপাতালে কাজ করা মহিলারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন। কারণ, ঘাটাল হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন দেব। তিনি বকেয়া টাকা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি পদ থেকে ইস্তফা দিতেই মহিলারা টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছিলেন সাংসদের কাছে। যা নিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়। এই আবহের মধ্যে একটি অডিও ক্লিপ সামনে এসেছে। যাতে সাংসদ দেবের নামে বিস্ফোরক অভিযোগ করা হয়েছে। সেই অডিও ভাইরাল হয়েছে। ফলে, নতুন করে আবার চর্চায় উঠে এসেছেন অভিনেতা দেব।

    কী রয়েছে অডিও ক্লিপে?

    জেলারই দাপুটে তৃণমূল নেতার কথোপকথন রয়েছে অডিও ক্লিপে।  যদিও অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। গলার স্বর শুনে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বই অনুমান করছেন, অডিওটি যাঁর, তিনি ঘাটালের তৃণমূল নেতা শঙ্কর দোলই। শঙ্কর ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি বর্তমানে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি। সেই অডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন। তিনি সেখানে বলছেন, “আমি দিদিকে বলেছি, দেব (Dev) আমার কাছ থেকে কাজের কমিশন চাইছে। আমি তো দিদিকে বিষয়টি বলেছি। দিদি জানে তারপরেও ওকে এমপি করেছেন।” কথা প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “কেন ওকে আমাদের রাজনীতিতে প্রয়োজন, এখানে সততা বলে কিছু নেই।” সাংসদ প্রতিনিধি রাম পদ মান্না বলেন, অডিওটি শঙ্কর দোলইয়ের।  এই বিষয়টি দেবের নজরেও আনা হয়েছে।

    এটা একটা চক্রান্ত!

    এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল নেতা শঙ্কর দোলইয়ের বিরুদ্ধে আহুল উঠছে। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, “এই ভাইরাল অডিও নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কোথাও কোনও একটা চক্রান্ত রয়েছে। এটা মিথ্যা না সত্য, তা যাচাই না করে কিছু বলব না। আমার সঙ্গে দেবের কোনও ঝগড়া নেই।”

    অডিও নিয়ে মুখ খুললেন দেব (Dev)

    ভাইরাল অডিও নিয়ে সাংসদ দেব (Dev) বলেন, “আমার ওপর কিছু নির্ভর করে নেই। আমার যা করার, যা বলার, তা আমি দলকে বলে দিয়েছি। যে অডিও ক্লিপটি বেরিয়েছে, সেই মতো দেখলে, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আর ওর মধ্যে কিছু কথা হয়েছে। দিদিই উত্তরটা দেবেন। আমার কিছু বলার নেই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share