Tag: West Bengal

West Bengal

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের রামলালার সঙ্গে কালনাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হবে ১৪ ফুটের রাম

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের রামলালার সঙ্গে কালনাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হবে ১৪ ফুটের রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে সারা বিশ্বজুড়ে এখন চর্চা চলছে। ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে অযোধ্যায়। দেশ জুড়ে ওই দিন নানা অনুষ্ঠান হবে। এই আবহের মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের কালনায় ১৪ ফুটের রামচন্দ্রের মূর্তি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। সমীর দাস নামে এক যুবকের উদ্যোগে এই মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। ২২ জানুয়ারি জাঁকজমকভাবে পুজো করে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    ১৪ ফুটের রাম মূর্তি কেন? (Ram Mandir)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় মাস আগে কালনা চড়কতলার শিল্পী জগৎ মণ্ডলকে এই মূর্তি তৈরির জন্য বরাত দেন সমীরবাবু। শিল্পী ৬ জনকে নিয়ে মূর্তি তৈরির কাজ শুরু করেন। শিল্পীর কথায়, দেড় মাস ধরে মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। ১৪ বছর রামচন্দ্র বনবাসে ছিলেন, আর সেই কারণে ১৪ ফুটের এই রামমূর্তি তৈরি করা হয়েছে। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি কালনার আরএমসি মার্কেট সংলগ্ন এলাকাতে এই রামচন্দ্রের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই, আরএমসি মার্কেট চত্বরকে সাজানো হয়েছে। সেখানে মূর্তি বসানোর জন্য বেদি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বিশেষ পুজোর মাধ্যমে মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    মূর্তি তৈরির মূল উদ্যোক্তা কী বললেন?

    মূর্তি তৈরির মূল উদ্যোক্তা সমীর দাস বলেন, রামচন্দ্রের একনিষ্ঠ ভক্ত। তাঁর মূর্তি তৈরি করার জন্য বেশ কয়েকমাস ধরে পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। এবার নিজের উদ্যোগে মূর্তি তৈরির জন্য এক শিল্পীকে বলি। প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ করে মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে। প্রথমে আমার পাশে কেউ ছিল না। তবে, এখন সকলেই আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আর এই উদ্যোগের পিছনে কোনও রাজনৈতিক দল নেই। ব্যক্তিগত উদ্যোগে আমি মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন যজ্ঞ করা হবে। আগামীদিনে সেখানে একটি মন্দির তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ঘরে ঘরে জ্বলবে প্রদীপ, পোয়া বারো মৃৎশিল্পীদের

    Ram Temple: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ঘরে ঘরে জ্বলবে প্রদীপ, পোয়া বারো মৃৎশিল্পীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের দিন দেশজুড়ে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাতেই যারপরনাই খুশি মৃৎশিল্পরীরা। সারাবছর মাটির ভাঁড় তৈরি করেন যাঁরা, দীপাবলির সময় বাড়তি পরিশ্রম করে মাটির প্রদীপ তৈরি করেন বাড়তি দু’পয়সা রোজগারের জন্য। আর সোমবার অকাল দীপাবলি এসে পড়ায় তাঁরা খুবই খুশি।

    মৃৎশিল্পীরা কী বললেন? (Ram Temple)

    যাঁরা সারা বছর চায়ের দোকানের ভাঁড় তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করলেও দীপাবলির আগে তাঁরা মাটির প্রদীপ তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এতে ঘরের মহিলারা বাড়তি কিছু আয় করেন যা তাঁরা উৎসবে খরচ করেন। সোমবার অযোধ্যায় নবনির্মিত রাম মন্দিরে (Ram Temple) রামলালার মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে তাঁদেরও বাড়তি আয় হলে, সেই টাকায় একটু স্বাচ্ছন্দ্য আসবে, শখও মেটাতে পারবেন তাঁরা। তাই এখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সংসারের কাজ সেরে ফেলছেন প্রদীপ বানানোর জন্য। গত কয়েকদিন ধরেই পাইকাররা এসে অর্ডার দিয়ে যাচ্ছেন। পিলখানায় ২৫ ঘর মতো মৃৎশিল্পীর বাস। তাঁরা এখন ভীষণ ব্যস্ত। হাওড়ার পিলখানার ভাঁড়পট্টির কারিগর ঝাঙুর প্রজাপতি বলেন, ২২ তারিখে মোদি যে প্রদীপ জ্বালাতে বলেছেন তারজন্য হঠাৎ চাহিদা বেড়ে গেছে। ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বলবে। তাই আমরাও ঘরে ঘরে প্রদীপ তৈরি করছি। আমরা সকলেই খুব খুশি। ভোর থেকে কাজ শুরু করছি, সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হচ্ছে না। মৃৎশিল্পী কমলা দেবী বলেন, রামন্দিরের জন্য চাহিদা বেড়েছে, দামও বেশি পাচ্ছি।  যে প্রদীপের দাম ৫ টাকা ছিল এখন চাহিদা বাড়ায় তা ৮ টাকা হয়ে গেছে। ৭-৮ টাকার প্রদীপ ১০টাকায় বিকোচ্ছে। স্থানীয় মৃৎশিল্পী লক্ষ্মী দেবী বলেন, এমন দিন আসবে ভাবতেই পারিনি। রাম মন্দির যে সত্যিই হবে ভাবতেও পারিনি। জানা গিয়েছে, পাইকারদের হাত ধরে এখান থেকে প্রদীপ চলে যাচ্ছে হাওড়ার বিভিন্ন বাজার ও কলকাতার বড়বাজারে। সেখান থেকে প্রদীপ ছড়িয়ে পড়ছে শহরের আনাচে-কানাচে। বাড়তি আয় করতে পেরে খুশি কমলা প্রজাপতি, পূজা প্রজাপতিরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ৮ লক্ষ প্রদীপশিখায় রামের ছবি, তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিস্মিত ভাটপাড়া

    Ram Mandir: ৮ লক্ষ প্রদীপশিখায় রামের ছবি, তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিস্মিত ভাটপাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন রাজ্যে সম্প্রীতির মিছিল করার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো জেলায় জেলায় মিছিলের প্রস্তুতিও শুরু করেছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। আর এই আবহের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হাঁটলেন ভাটপাড়ার তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে। তাঁর উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে রামের প্রতিচ্ছবি। বলা ভাল, রামের পুজোয় মেতে উঠেছেন এই তৃণমূল নেতা। বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে রামের বিশাল প্রতিচ্ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রামের প্রতিবিম্ব (Ram Mandir)

    ভাটপাড়ার দাপুটে তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে। তাঁর স্ত্রী পুরসভার কাউন্সিলর। একসময় অর্জুন বিরোধী নেতা হিসেবে ভাটপাড়ায় তিনি পরিচিত ছিলেন। যদিও সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্বের মধ্যে তিনি এখন নিরপেক্ষ। তবে, এলাকায় তাঁকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই সকলেই জানেন। আর গত এক মাস ধরেই রামের মূর্তি তৈরি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। প্রায় ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে ভাটপাড়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করা হচ্ছে ভাটপাড়ায়। বিহারের শিল্পী অনিল কুমার এই কাজটি করছেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে শিল্পীদের নিয়ে এসে কাজটি করা হচ্ছে। মোট ১১৩ জন মিলে এই কাজ করছেন। এরমধ্যে শিল্পী রয়েছেন ১৩ জন। আর বাকি ১০০ জন শ্রমিক এক যোগে কাজ করে চলেছেন। ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিশাল ষজ্ঞের পাশাপাশি পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরাও রামের পুজোয় মাতবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে বলেন, শিল্পী অনিল কুমার অযোধ্যায় ১৪ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করেছেন। তিনি এবার ভাটপাড়ায় ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করছেন। রাজ্যে এতব়ড় রামের প্রতিবিম্ব আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তৃণমূল নেতা হয়েও রামের পুজোয় ব্যস্ত কেন? তিনি বলেন, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। আর ধর্ম ধর্মের জায়গায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদ! ১০০১ কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদ! ১০০১ কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদের জন্য ১০০১কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রবিবার অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা হল গোবিন্দ ভোগ চালের গাড়ি। এদিন সকালে বালুরঘাট বিজেপি কার্যালয় থেকে গাড়ি রওনা হয়। নারকেল ফাটিয়ে চাল ভর্তি গাড়ির শুভ কার্যকম করেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি। পাশাপাশি এদিন তাঁর প্রচেষ্টায় বালুরঘাট-হিলির রেল প্রকল্পের কাজ শুরু হল।

     ১০০১ কেজি চাল পাঠানো হল (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন ২২জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরে রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দান সামগ্রী যাচ্ছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিখ্যাত গোবিন্দ ভোগ চাল এদিন আমরা পাঠালাম। এই গোবিন্দ ভোগ চাল পুজোর ভোগ রান্নায় ব্যবহার হয়, সেই কারণে আমরাও রাম মন্দিরের ভোগের জন্য ১০০১ কেজি চাল পাঠালাম। এছাড়াও সোমবার জেলায় সব জায়গায় নানা অনুষ্ঠান করা হবে। সন্ধ্যায় বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর পারে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতির আয়োজন করা হয়েছে।

    পুলিশ তৃণমূলের দালালি করতে গেলেই অশান্তি বাড়বে!

    রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সুকান্ত মজুমদার তৃণমূলকে তোপ দাগেন। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন জেলায় জেলায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকা নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন,পুলিশ প্রশাসন শান্তভাবে থাকলেই হবে। তৃণমূলের দালালি করতে গেলেই অশান্তি বাড়বে। সাধারণ মানুষ, সাধারণ হিন্দু সমাজ ৫০০ বছর পর রাম মন্দির পেয়েছে। তারা রামের পুজো করবে। হিন্দুরা কোনওদিন কাউকে আক্রমণ করে না। বিদেশেও কোম্পানি খুলেছিলেন শঙ্কর আঢ্য! এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, এখন তো বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলের নেতারা কেন মাঝে মাঝে দুবাইয়ে যায়। দুবাইয়ে তারা কি লুকাতে যায় তা আমরা বুঝিনা। এখন বোঝা যাচ্ছে শঙ্কর আঢ্যর মতো একজন প্ৰাক্তন পুরসভার চেয়ারম্যান তার যদি দুবাইয়ে কোম্পানি থাকতে পারে। তাহলেই বাদবাকি তৃণমূল নেতাদের কী আছে দেখুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: ভুয়ো কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিক পরিচয় দিয়ে তোলাবাজি!

    Burdwan: ভুয়ো কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিক পরিচয় দিয়ে তোলাবাজি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে রাজ্যজুড়ে দাপিয়ে বেড়়াচ্ছে ইডি-সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় সংস্থা। এবার ভুয়ো কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিক পরিচয় দিয়ে তোলাবাজি করার অভিযোগ উঠল এক প্রতারকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান (Burdwan) সহ আশপাশের এলাকায়। অনেক ব্যবসায়ী তার খপ্পরে পড়ে টাকাও দিয়েছেন। তবে, এক ব্যবসায়ী প্রতারকের আচরণ দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশে খবর দেন। ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত প্রতারককে গ্রেফতার করেছে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, প্রতারকের সঙ্গে আর কেউ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কত জন ব্যবসায়ীর থেকে ওই প্রতারক টাকা হাতিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত প্রতারকের নাম রঞ্জিত বসু। তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকার নোনাচন্দনপুকুর এলাকায়। অভিযোগ, রঞ্জিত নিজেকে সেন্ট্রাল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। যদিও কেন্দ্রের এই ধরনের কোনও সংস্থা নেই। গত কয়েক দিন ধরে এই ভুয়ো পরিচয়ে রঞ্জিত বর্ধমানের (Burdwan) বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ভয় দেখিয়ে টাকা তুলছিলেন বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত এক ব্যবসায়ীর উপস্থিত বুদ্ধির জোরে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে বর্ধমানের পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবারও ওই প্রতারক জামালপুরের আধাপুর এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে হানা দেন।

    ব্যবসায়ীর বুদ্ধিতেই গ্রেফতার প্রতারক

    শেখ আবদুল কাশেম নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৬০ হাজার টাকা দাবি করেন রঞ্জিত। আবদুল কাশেম বলেন, ওই ব্যবসায়ী কেন্দ্রীয় সংস্থার নাম করে আমাকে হুমকি দিতে থাকে। প্রথমে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। পরে, তাঁর আচরণ দেখে  সন্দেহ হওয়ায় প্রতারককে বসিয়ে রেখে থানায় ফোন করি। এরপরই জামালপুর থানার পুলিশ এসে রঞ্জিতকে পাকড়াও করে। যদিও পুলিশকেও নিজের ভুয়ো পরিচয়পত্র দেখিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু, লাভ হয়নি। রঞ্জিতকে গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরে যাচ্ছে বাংলার ফুল, খুশি ফুল চাষিরা

    Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরে যাচ্ছে বাংলার ফুল, খুশি ফুল চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন সাজবে অযোধ্যা। এজন্য দরকার বিপুল পরিমাণ ফুলের, সেই ফুল পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, রানাঘাট, ঠাকুরনগর থেকে মল্লিকবাজার হয়ে ট্রেন ও বিমানে যাচ্ছে অযোধ্যায়। গাঁদা, দোপাটি, স্টারফুল তো বটেই, প্রচুর পরমাণে রজনীগন্ধার স্টিকও পাঠানো হয়েছে অযোধ্যায়। এখনও পাঠানো চলছে। শীতকালে ফুলের বিক্রিবাটা এমনিতে কম থাকে। শুধু বিয়ে বাড়ি ভরসা। এই অবস্থায় হঠাৎ ফুলের বরাত এসে যাওয়া অকাল-উৎসবের স্বাদ পাচ্ছেন তাঁরা।

    ফুলের চাহিদা আচমকাই বেড়ে যাওয়ায় খুশি ফুল চাষিরা (Ram Mandir)

    মল্লিক ঘাট ফুল বাজার উন্নয়ন সমিতির কোষাধ্যক্ষ চণ্ডী সেনাপতি বলেন, এখানে বহু ফুলচাষি আসেন। তাঁদের অনেকেই ফুল পাঠাচ্ছেন অযোদ্ধা। হলুদ, বাসন্তী ও লাল রঙের গাঁদা তো যাচ্ছেই, সাদা রঙের স্টার ফুলও প্রচুর পাঠানো হচ্ছে। এছাড়াও গোলাপ ও রজনীগন্ধাও এখান থেকে পাঠানো হচ্ছে। হাওড়ার বাগনানের ফুলচাষি রমেশ মালী বলেন, ফুলের চাহিদা সারা বছরই কমবেশি থাকে, তবে জগদ্ধাত্রী পুজোর পরে সেভাবে চাহিদা একেবারেই থাকে না, পৌষমাসে তো বিয়েও থাকে না। এই অবস্থায় আচমকাই ফুলের চাহিদা তৈরি করে দিয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। আমাদের এখান থেকে ফুল পাঠানো হয়েছে। মল্লিকবাজার থেকে অর্ডার পাওয়া গেছে। অযোধ্যায় এখন রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার ব্যাপার না থাকলে সেই সরস্বতী পুজো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হত। এই সময় ফুল সরবরাহ করতে পারায় আমাদের সুবিধাই হয়েছে। এখান থেকে রক্তগাঁদা আর কিছু বাহারি ফুল পাঠানো হয়েছে। রজনীগন্ধার স্টিকও আমরা পাঠিয়েছি। তবে চাহিদা থাকলেও এখন তো পদ্মের সিজিন নয়। আরেক ফুল ব্যবসায়ী ভূতনাথ মাজি জানান, গাঁদা ফুলের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। উত্তরপ্রদেশের দিকে গাঁদার খুব কদর। ওখানে নেতারাও গাঁদার মালা পরেন ভোটের সময়, যেটা এরাজ্যে তেমন দেখা যায় না। গাঁদাফুলের রঙও খুব উজ্জ্বল হয়। তাই রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য গাঁদাফুল প্রচুর যাচ্ছে অযোধ্যায়। আমাদেরও অসময়ে ফুলের বিক্রি বেড়েছে। ফলে, কিছুটা লাভও হচ্ছে।

    ট্রেন-বিমানে অযোধ্যায় যাচ্ছে বাংলার ফুল

    ঠিক কী পরিমাণে ফুল হাওড়া তথা পশ্চিমবঙ্গ থেকে অযোধ্যায় গেছে তার হিসেব পাওয়া কঠিন, কারণ কোনও একটি সমিতি বা নির্দিষ্ট কারও মারফত এই অর্ডার আসেনি। ফুলচাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন বাজার থেকে সরাসরি ফুল সংগ্রহ করে ট্রেনে করে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফ্লাইটে নিকটবর্তী বিমানবন্দর হয়ে ফুল যাচ্ছে অযোধ্যায়। খুশি ফুল ব্যবসায়ীরা। মল্লিকবাজারে ফুল বিক্রি করতে আসা নিমাই মণ্ডল বলেন, আজ ফুল নিয়ে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। পরিচিত একজন এসে ফুলের সব ছড়ি আর দোপাটি কিনে নিল। বলল রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ফুল দরকার। ভালোই হল। রোজই অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করতে হয়। সব ফুল যে রোজ বিক্রি হয় তাও নয়। আজ কপাল ভালো ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো,’ তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো,’ তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়নগরের সভার পাল্টা সভা জয়নগরের দক্ষিণ বারাসতের রেল মাঠে করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর এই পাল্টা সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন তিনি। মূলত বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে এই সভার আয়োজন করা হয়।

    মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোডিয়াম-পটাশিয়ামের গন্ডগোল পুনরায় হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, কপিল মুনির আশ্রম তিনি বানিয়েছেন, এমনকী কালিঘাট-তারাপীঠও তিনি বানিয়েছেন। কি আর করা যাবে? কথাবার্তার কোনও ব্যালান্স নেই। এমনকী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ৪৭ সালে বেলেঘাটায় এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান্ধীজিকে ফলের জুস খাইয়েছেন। রাকেশ রোশন চাঁদে গিয়েছিলেন বলে তিনি প্রকাশ্যে বলেছিলেন। দেশে আমরা আছি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাথার ঠিক নেই।

    ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো

    সন্দেশখালি তৃণমূল নেতা শাহজাহানের প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, শাহজাহান ফেরার নয়, তাঁকে পুলিশ নিয়ে নিয়েছে। তাই, শাহজাহানকে কোনওদিন ধরতে পারবে না। এছাড়াও তিনি চাঞ্চল্যকর দাবি করেন শাজাহান কোথায় রয়েছে সেই খবর আমরা জানি, সরবেরিয়া থেকে ধামাখালির মধ্যে আত্মগোপন করে রয়েছে শাহজাহান। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিষ্ণুপুরের বিজেপি নেতা অগ্নিশ্বর নস্করকে পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে। অথচ শাহজাহানকে গ্রেফতার করছেন। আর পুলিশ ধরতে গেলে কিছু পুলিশ রয়েছে তারাই শাহজাহানকে জানিয়ে দিচ্ছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত এই চোর মমতাকে আপনারা পাল্টাবেন, ততক্ষণ আপনাদের এই যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। যেদিন মমতা প্রাক্তন হবেন, আর চোর ভাইপো জেলে যাবেন, সেদিন মানুষ শান্তি পাবেন। তার আগে কোনও শান্তি পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। আমাদের লড়াই চলছে। তিনি আরও বলেন, সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা চোর নর্দমার কিট (কুণাল ঘোষ) সে তো বলে পিসি হল রামকৃষ্ণ দেব আর কয়লা ভাইপো হল স্বামী বিবেকানন্দ। আমার মনে হয়, ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি হলেন পিসি আর ভাইপো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatpara:  নাম না করে অর্জুনকে ফের তুলোধনা করলেন সোমনাথ

    Bhatpara: নাম না করে অর্জুনকে ফের তুলোধনা করলেন সোমনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অর্জুন সিংকে নিশানা করে আক্রমণ করলেন জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। ভাটপাড়ায় (Bhatpara) খুন হওয়া তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের স্মৃতিতে জগদ্দল সার্কাস মোড়ে তাঁর বাড়ির কাছে এলাকাবাসীর উদ্যোগে একটি কম্বল বিতরণের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই হাজির হয়েছিলেন বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম।

    অর্জুনকে নিয়ে কী বললেন সোমনাথ? (Bhatpara)

    অর্জুনের নাম না করে সোমনাথ বলেন,’ একই ঘর থেকে সকালে বিজেপি বেরোচ্ছে। সন্ধ্যেয় বেরোচ্ছে অন্য পার্টির লোক। একই ঘর থেকে দু-দুটো পার্টি, এরকম বহুরূপী চাল কীভাবে চলতে পারে? যে বা যারা এসব করছে তারা যেন ভেবে নেয় মানুষ মূর্খ নয়। এসব রাজনীতি আগে চলত। ২০১৯ সালের পরে আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিত্বে ওই চালাকি এখন আর চলে না’। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি বিশেষ কারও সম্পর্কে কোনও কথা বলতে আসিনি। আমার প্রশ্ন, ভাটপাড়ার (Bhatpara) তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের খুনিরা কারা, কীভাবে খুন করালো, কোন পরিবার থেকে বেরিয়ে খুন হচ্ছে সেটা কেন দেখা হবে না? দলীয় কর্মী খুনের পিছনে যে বা যারা আছে তাদের বিরুদ্ধে বলছি। এখানে ব্যক্তি কোনও বিষয়ই নয়’। এদিন জগদ্দলের বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, ২০০৫ অথবা ২০০৬ সাল নাগাদ চোরাই গাড়িতে করে হেরোইন এবং আর্মস নিয়ে নেপাল বর্ডারে কে গ্রেফতার হয়েছিল তা খুঁজে বের করতে, না হলে তার কাছে থাকা হলুদ ফাইল আগামীদিনে এর উত্তর দেবে।  

    ভাটপাড়া পুরসভায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন

    বিধায়কের প্রশ্ন, ভাটপাড়া (Bhatpara) পুরসভা থেকে যে কোম্পানি সাড়ে চার কোটি টাকা নিয়ে রেখেছে, তার সঙ্গে কার যোগ আছে, কেন সেই টাকা পুরসভাকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে না, কোনও মঞ্চ থেকে তার কেন জবাব নেই। আরও প্রশ্ন, ভাটপাড়া নৈহাটি সমবায় ব্যাঙ্ক দুর্নীতি,ভাটপাড়া পুরসভায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি, পেনশন ও মিড ডে মিলে দুর্নীতি সহ জুট মিল থেকে মাটি বিক্রি, কারখানার ভেতর থেকে লোহার স্ক্রাব বিক্রির কেন কোনও জবাব নেই সেই প্রশ্নও তোলেন বিধায়ক। উল্লেখ্য, যেসব দুর্নীতির কথা সোমনাথ বলছেন, সেই সময় ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান পদে ছিলেন অর্জুন সিং। ফলে, অভিযোগের তির যে তার দিকেই তা একপ্রকার স্পষ্ট। যদিও সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘ কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি বা কারোর উদ্দেশ্যে আমি কিছু বলিনি। আমি শুধু ভিকি যাদব খুনে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বলেছি’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের একটা অংশের বিরোধ রয়েছে। প্রকাশ্যেই দলের সাংসদ আবু তাহের সহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে তিনি মুখ খুলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের রোষে পড়েন। শুক্রবার কালীঘাটে বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো বেশি কথা বলার জন্য ধমক দেন। কিন্তু, বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি ফের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই সুর চড়িয়েছেন। এবার তাঁর সরাসরি আঙুল অভিষেকের অফিসের দলীয় এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

     অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, ‘কোনও চ্যাং-ব্যাং, ২৭-২৮ বছরের ছেলেরা ৬০, ৬২, ৭০ বছরের নেতৃত্বকে অবহেলা করবে, তাঁদের কর্তৃত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ করবে, ভুল ট্রিটমেন্ট করা, মূল্যায়ন করা, মেনে নেওয়া যায় না। সেটা আমি সব মানব না!’ এসব বলার পাশাপাশিই অভিষেকের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘অভিষেক সত্যিই যোগ্য নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন। তিনি শুধু ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ নন। পাশাপাশি তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। মমতার পরেই তাঁকে মানি। নবীনদের মধ্যে যদি প্রতিভা থাকে, তাঁরা নেতৃত্ব দিতেই পারেন। যেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর নাম করে তাঁর অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন। নিজে নিজের ব্লক সভাপতি ঠিক করে দিচ্ছেন। তা হলে আমাদের রাজনীতি করার মানে কী? অভিষেককে আমি নেতা মানি। তাঁর হুইপ মানতেও রাজি। কিন্তু, তাঁর নাম করে কেউ অনৈতিক কাজ করবে, সেটা মানা সম্ভব নয়। তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করতে গিয়ে বলেন, দলনেত্রী মমতা আমাকে দায়িত্ব দিলে লোকসভা ভোটে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে দু’লক্ষ ভোটে হারিয়ে দেখিয়ে দেব।’

    মমতার ধমক নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    শুক্রবার দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো সকলের সামনেও হুমায়ুনকে ধমক দেন। সেই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন,’ ধমকের কোনও বিষয় নয়। প্রবাদবাক্য রয়েছে, শাসন করার অধিকার তাঁরই থাকে যিনি ভালবাসেন। সোহাগ করতে জানেন। দিদি আমাকে স্নেহ করেন। তাই কোনও সময়ে ভুল করলে বকুনিও দেন। আমি মনে করি, গুরুজনের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। রাজনীতির ময়দানে তিনি গুরুজন। তাঁর কথায় কিছু মনে করি না। তাঁর প্রতি বলার কিছু নয়। যোগ্য নেতৃত্ব বলে মনে করি।’ এরপরই তিনি চেনা ঢঙে বলেন, ‘আমাকে চমকিয়ে-ধমকিয়ে লাভ নেই। আমি বহিষ্কার বা ওই ধরনের শাস্তির ভয় পাই না। তাঁর কথায়, দল ছাঁটাইয়ে প্রস্তুত আছে। কিন্তু দল ছাঁটাই করবে কি না দলকে ভাবতে হবে। ছাঁটাই করলে কোথায় রাস্তা খুঁজতে হয়, সঠিক মূল্যায়ন করতে হয় আমি জানি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: শাড়িতেই রামায়ণ ফুটিয়ে তুলে রাম মন্দিরের পথে পাড়ি বাংলার তাঁতশিল্পীর

    Ram Mandir: শাড়িতেই রামায়ণ ফুটিয়ে তুলে রাম মন্দিরের পথে পাড়ি বাংলার তাঁতশিল্পীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম করে শাড়ির ওপর ফুটিয়ে তুলেছেন রামায়ণের কাহিনী। এবার সেই শাড়ি অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ram Mandir) সীতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করতে রওনা দিলেন নদিয়ার রানাঘাট থানার হবিবপুর গ্রামের এক যুবক। শাড়িটি বিক্রির জন্য প্রচুর টাকা অফার পেয়েছেন। কিন্তু, তিনি শাড়িটিকে বিক্রি করেন নি। হবিবপুরের রাঘবপুর পূর্ব পাড়া গ্রামের বাসিন্দা পিকুল রায়। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তাঁর নিজস্ব একটি শাড়ির দোকান রয়েছে। দীর্ঘ এক বছর আগে থেকেই শুরু করেছিলেন ওই শাড়িটি তৈরি করা। কোনওরকম প্রিন্ট বা ছাপা নয়, শাড়ির ওপর নিজের কর্মদক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন রামায়ণের কাহিনী। যেখানে রয়েছে রাম এবং সীতার ছবি। তাঁদের বনবাস গল্প রয়েছে ওই শাড়ির মধ্যে।

    শাড়ি তৈরি করতে এক বছর লেগেছে (Ram Mandir)

    দুই দিন বাদেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই গোটা দেশজুড়ে বিজেপি এবং বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের তরফে বিভিন্ন উৎসব পালন করছে। কোথাও নাম সংকীর্তন আবার কোথাও বিভিন্ন রাম-সীতা মন্দির পরিস্কার করার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই দিনটি যাতে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাম নাম করে উদযাপন করা যায় তা নিয়েও সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে। দেশের বহু নামিদামি মানুষ আছে যারা অযোধ্যার রাম মন্দিরকে উৎসর্গ করে টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামগ্রী প্রদান করেছেন। এবার নিজের হাতে তৈরি সেই রামায়ণ রচয়িতা শাড়ি রাম মন্দিরের উৎসর্গ করতে চান পিকুলবাবু। এ বিষয়ে তিনি বলেন, প্রায় এক বছর আগেই রামায়ণের গল্পটি শাড়ির ওপর বসানোর চিন্তাভাবনা আসে। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমি এক বছর আগে থেকে এই শাড়ি তৈরি করতে শুরু করি। শাড়িটি তৈরি হওয়ার পর অনেকে অতিরিক্ত দাম দিয়ে কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু. আমি তাতে রাজি হইনি। এই শাড়িটিকে অযোধ্যার রাম মন্দিরে দিতে চাই।

    ট্রেনে করে অযোধ্যা রওনা তাঁতশিল্পীর

    অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন পিকুলের দাদা অনন্ত রায়। ট্রেনে করে তাঁরা রওনা দিয়েছেন। অনন্তবাবু বলেন, আমার ভাই বিষয়টি আমাকে জানাই এবং আমি অত্যন্ত খুশি হই। সে নিজের হাতে রামায়ণের ইতিহাস বর্ণনা করেছে, সেই শাড়ি রাম মন্দিরে দান করবে। সেই কারণে আমিও ভাইয়ের সঙ্গে রওনা দিয়েছি। অন্যদিকে, পিকুল রায়ের এই উদ্যোগে খুশি প্রতিবেশীরাও। তাঁরা বলেন, পিকুলের এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। তিনি যাতে সফলভাবে অযোধ্যার রাম মন্দিরে পৌঁছে শাড়িটিকে দান করতে পারেন সেই প্রার্থনা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share