Tag: West Bengal

West Bengal

  • North 24 Parganas: বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার! রত্নার বক্তব্যে চরম বিড়ম্বনায় তৃণমূল, মঞ্চে ঠাঁই হল না নেত্রীর

    North 24 Parganas: বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার! রত্নার বক্তব্যে চরম বিড়ম্বনায় তৃণমূল, মঞ্চে ঠাঁই হল না নেত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতের জেলা তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য দলেই কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। এমনিতেই লোকসভা ভোটের আগে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে তিনি যে বক্তব্য রেখেছিলেন, তা নিয়ে বিজেপি সরব হয়েছে। এমনকী নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে গেরুয়া বাহিনী। কমিশনের তরফেও এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলা তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যে চরম বিড়ম্বনায় শাসক দল। রত্না বিশ্বাসও দলের অন্দরেই সমালোচিত হয়েছেন। এরই মধ্যে দলীয় সভায় জেলা নেত্রীকে মঞ্চে উঠতে দেওয়া হল না। রত্না যে অন্যায় করেছেন, তা তৃণমূল নেতৃত্বের আচরণে স্পষ্ট বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে ২৬ নভেম্বর সংসদীয় জেলা তৃণমূলের বর্ধিত সভা হয়। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, জয়প্রকাশ মজুমদারের মতো নেতারা। উপস্থিত ছিলেন বিতর্কিত বক্তব্য রাখা জেলা তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস নিজেও। কিন্তু ওই সভায় মঞ্চে দেখা যায়নি রত্নাকে। এমনকী সংবাদমাধ্যমের কোনও প্রশ্নেরও জবাব দেননি তিনি। তবে, রত্নার মন্তব্য যে ভুল, তা এদিন স্বীকার করেছেন কাকলি। এর পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে কথা বলার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। রত্নার বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘ও ভুল করেছে। বোঝারও ভুল হয়েছে। বলারও একটু ভুল হয়েছে। ১৯৭১ অবধি যাঁরা এসেছেন, তাঁদের একই পরিবারের কারও নাম থাকলেও অনেকের নেই। ও সেটাই বলতে চেয়েছে। ঠিক মতো বোঝাতে পারেনি।’ তবে, সাংসদ তাঁর মন্তব্য নিয়ে কথা বললেও রত্না বিশ্বাস একটি কথাও বলেননি। দলের মধ্যেই তিনি যে বেশ কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন তার জ্বলন্ত প্রমাণ এই ঘটনাই।

    দলের গোপন অ্যাজেন্ডা প্রকাশ করে দিয়েছেন জেলা তৃণমূল নেত্রী, সরব বিজেপি

    এই বিষয় নিয়ে শাসকদলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা তাপস মিত্র বলেন, রত্নার বক্তব্যের পরই পরিষ্কার হয়েছে কীভাবে রাজ্যের ক্ষমতা ধরে রেখেছে তৃণমূল। দলের গোপন অ্যাজেন্ডা প্রকাশ্যে বলার কারণেই মঞ্চে ঠাঁই হয়নি সংসদীয় জেলার চেয়ারপার্সনের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Brucellosis: রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ব্রুসেলোসিস! ফের মৃত্যু হল একজনের

    Brucellosis: রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ব্রুসেলোসিস! ফের মৃত্যু হল একজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার রেশ সবে কেটেছে। চিনা নিউমোনিয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। এরই মধ্যে এই রাজ্যে চোখ রাঙাচ্ছে ব্রুসেলোসিস (Brucellosis)। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুরও ঘটনা ঘটেছে। চলতি মাসেই এই রাজ্যে আরও একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নিরঞ্জন রাহা। তাঁর বয়স ৫০ বছর। তাঁর বাড়ি নদিয়ার নাকাশিপাড়ার গোটেপাড়া এলাকায়।

    কীভাবে ছড়ায় এই রোগ? (Brucellosis)

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রুসেলা জেনাসের অন্তর্ভুক্ত একদল ব্যাক্টেরিয়াই ব্রুসেলোসিসের (Brucellosis) কারণ। শুধু মানুষ নয়, সংক্রমিত করে পশুদেরও। আক্রান্ত পশুর ফ্লুইড থেকে সরাসরি মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভয়ঙ্কর ব্যাকটেরিয়া। কাঁচা অথবা আনপাস্তুরাইজড ডেয়ারি প্রোডাক্ট থেকেও ছড়িয়ে পড়ে ব্রুসেলোসিস। আরও নানাভাবে সংক্রামিত হতে পারে মানুষ। গত ৫ সেপ্টেম্বর, হুগলির পোলবার চৈতালী দেশি এই একই রোগে ভুগে বাঙুর হাসপাতালে মারা গিয়েছিলেন। এই মহিলা প্রাণীমিত্র ছিলেন। ফলে, কাজের সূত্রে পশুর নজরদারি করতে হত তাঁকে। সেখান থেকে তিনি সংক্রামিত হতে পারেন। তবে, তিনি প্রথম আক্রান্ত কি না সেই সংখ্যা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। এই প্রথম বা দ্বিতীয়, এটা সর্বকালীন না চলতি বছরের পরিসংখ্যান, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ, সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, গত বছর ডিসেম্বরে এই ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত হয়ে স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে মারা গিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের ৫১ বছরের বাসিন্দা শরবিন্দু ঘোষ। চলতি বছরে আরও দুজনের মৃত্যু হল।

    নদিয়ার ব্যক্তি কীভাবে আক্রান্ত হলেন?

    জানা গিয়েছে, নিরঞ্জন রাহার বাড়িতে গবাদি পশু ছিল। একইসঙ্গে তিনি চাষাবাদও করতেন। প্রাথমিক অনুমান, গবাদি পশুর শরীর থেকে তাঁর শরীরে এই ব্যাকটেরিয়ার প্রবেশ ঘটে। চলতি মাসের শুরুতে তিনি অসুস্থ বোধ করায় স্থানীয় হাসপাতালে দেখান। কিন্তু, শারীরিক উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে গত ১৩ নভেম্বর আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরই মাঝে ১৬ নভেম্বর ব্রুসেলা (Brucellosis) রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাঁর। গত ২৪ নভেম্বর ওই বেসরকারি হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। গত দুমাসে পর পর দুজন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন চিকিৎসকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার গোসাবা! ফের তৃণমূল নেতা খুন

    South 24 Parganas: জয়নগর, আমডাঙার পর এবার গোসাবা! ফের তৃণমূল নেতা খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে এভাবে দলের কর্মীদের হাতে বেঘোরে প্রাণ দিতে হবে তা ভাবতে পারেননি দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গোসাবার তৃণমূলের বুথ সভাপতি মুছাকালি মোল্লার পরিবারের লোকজন। এর আগে এই জেলার জয়নগরে সইফুদ্দিন লস্কর নামে এক তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। এর পরই উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা থানার কামদেবপুর বাজার এলাকায় স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান রূপচাঁদ মণ্ডলকে লক্ষ্য করে বোমা মেরে খুন করা হয়। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের এবার গোসাবায় খুন হলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটজনকে আটক করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রাধানগর-তারানগর এলাকায় পথশ্রীর রাস্তা তৈরি করাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সূত্রপাত। সেই রাস্তা নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরি করার প্রতিবাদ করেছিলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি মুছাকালি মোল্লা। এরপরেই স্থানীয় এক গোষ্ঠী তাঁর বিরুদ্ধে মারমুখী হয়ে ওঠে। মুছাকালি মোল্লাকে বেধড়ক পেটানো হয়। ঘটনায় গুরুতর জখম হলে তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই এদিন বিকেলে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, রাস্তার কাজের সঙ্গে তৃণমূলের একটি গোষ্ঠীর লোকজন জড়িত ছিল। তাই, প্রকাশ্যে নিম্নমানের রাস্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তারা শিক্ষা দিতে তাঁর উপর চড়াও হয়। তাই, এই ঘটনায় তৃণমূলের একটি গোষ্ঠী জড়িত বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তদন্ত শুরু করেছে সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশ। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কিছুদিন আগেই জয়নগর অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এবার সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল গোসাবায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এজেন্ট উত্তরবঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’ ইডি-কে চিঠি দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    ED: ‘জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এজেন্ট উত্তরবঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে!’ ইডি-কে চিঠি দিলেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিতে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলে রয়েছেন। কিন্তু, শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গে তাঁর এজেন্টরা কেন এখনও ইডির (ED) আতশকাচের তলায় এল না। কীভাবে তাঁরা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন? এই প্রশ্নে শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গে তদন্তে আসার জন্য ইডিকে চিঠি দিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। সেই চিঠিতে উত্তরবঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের প্রধান এজেন্ট হিসেবে বিমল রায়ের নাম উল্লেখ করেছেন। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক যে অভিযোগে জেলে রয়েছেন, তার দোসর হিসেবে শিলিগুড়ির বিমল রায়কে ইডি তদন্তে ছাড় দিতে পারে না বলে দাবি বিজেপি বিধায়কের।

    কে এই বিমল রায়?

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতারের পর রেশন দুর্নীতি নিয়ে শিলিগুড়ির বিমল রায়ের নাম বিভিন্ন মহল থেকে উঠে এসেছে। শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লকের পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা বিমল রায় রেশন ব্যবসার নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছিলেন। শিলিগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গে রাজ্যের খাদ্য দফতর তথা রেশন ব্যবস্থার তিনিই ছিলেন শেষ কথা। নিজের পরিবারের জন্য রেশনের একাধিক লাইসেন্স রয়েছে তাঁর। অভিযোগ, রেশন ডিলারশিপ ও ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর পছন্দ-অপছন্দ শেষ কথা হয়ে উঠেছিল। খাদ্য দফতরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগেও বিমলবাবু শেষকথা ছিলেন। তাঁর ইচ্ছেতে রাতারাতি রেশন কার্ড তৈরি হয়েছে। খাদ্য দফতরের আধিকারিকদের কাছে বিমল রায় ছিলেন ‘রায় সাহেব’। রায় সাহেবের ভয়ে সকলেই তটস্থ থাকতেন। 

    ইডিকে কেন উত্তরবঙ্গে আহ্বান বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের? (ED)

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, শিক্ষা, গরু পাচার, শিক্ষক সহ বিভিন্ন দফতরে নিয়োগ দুর্নীতি, খাদ্য দফতরে একের পর এক দুর্নীতিতে জেলে রয়েছেন তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা। শিলিগুড়ি সহ গোটা উত্তরবঙ্গেও তাদের এজেন্টরা রয়েছেন। এদের মাধ্যমে এখান থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা কলকাতায় চলে যেত। সেই টাকা রিয়েল এস্টেট থেকে শুরু করে ক্র্যাশার, পর্যটন ব্যবসায় খাটানো হয়েছে। বিমল রায় সেরকমই একজন প্রভাবশালী এজেন্ট। তাঁর নিজের ও তাঁর পরিবারের নামে দুটি রেশন ডিলার ও একটি ডিস্ট্রিবিউটরের লাইসেন্স রয়েছে। খাদ্য দফতরের নিয়ম অনুযায়ী যা অবৈধ। তাহলে বিমল রায় কীভাবে এই লাইসেন্সগুলি পেয়েছিলেন, এই প্রশ্নের উত্তরেই রয়েছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর রেশন দুর্নীতির সঙ্গে বিমল রায়ের ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকার দিকটি। কিন্তু, আমরা আশ্চর্যের সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হওয়ার পর এখনও বিমল রায় ও অন্যান্য এজেন্টরা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তদন্তের স্বার্থে অবিলম্বে ইডির (ED) শিলিগুড়ি সহ  উত্তরবঙ্গে আসা দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SBSTC: এসবিএসটিসি-র টিকিট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা প্রতারণা, কীভাবে জানেন?

    SBSTC: এসবিএসটিসি-র টিকিট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা প্রতারণা, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের (SBSTC) লগ ইন আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অতিরিক্ত টিকিট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল একটি বেসরকারি সংস্থা বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে টিকিট বিক্রির ৭ কোটি ১৯ লক্ষ ১০ হাজার ৬৪৬ টাকা জমা পড়েনি দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার দফতরে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরই এ নিয়েই দুর্গাপুরের কোকওভেন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। এ বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান সুভাষ মণ্ডল জানিয়েছেন, সংস্থার নিজস্ব তদন্তে বেনিয়ম পাওয়া গেছে। তাই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

    কীভাবে প্রতারণা? (SBSTC)

    নিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের একটি বেসরকারি সংস্থা ২০০৩ সাল থেকে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের (SBSTC) মাধ্যমে ই-টিকিট বিক্রির দায়িত্ব পায়। বাঁকুড়া, সিউড়ি, বহরমপুর সহ একাধিক জায়গায় ই টিকিটি এই সংস্থা বিক্রি করত। প্রতি বছর সেই সংস্থাকে বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ টিকিট বিক্রির দায়িত্ব দেওয়া হত। কিন্তু, ওই সংস্থা নিগমের লগ ইন আইডি এবং পাসওয়ার্ডের অপব্যবহার করে অতিরিক্ত টিকিট বিক্রি কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে। নিগমের কর্মীদের একাংশের মদতেই এসব হয়েছে বলে অভিযোগ। এর আগেও ওই সংস্থাকে সতর্ক করা হয়েছে। তাতেও কাজ না হওয়ায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বেসরকারি সংস্থার এক কর্তা তনয় মণ্ডল বলেন, সবটাই কম্পিউটারে যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তোলা হচ্ছে সেটা ভিত্তিহীন।

    নিগমের দুর্নীতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সহ সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইডি ও সিবিআইকে দিয়ে এই আর্থিক তছরূপের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। জেলা কংগ্রেস নেতা দেবেশ চক্রবর্তী বলেন, এই বিষয়টি আজকের না, অনেকদিনের। এত কোটি টাকার তছরূপ জানা সত্ত্বেও সরকার এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। যারা এই তছরূপ চালাচ্ছে, তারা মাফিয়া ছিল। এখনও ওই সংস্থা এসবিএসটিসি-র কাউন্টারে বসে পয়সা খাচ্ছে। সিপিআইএম জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পঙ্কজ রায় সরকার বলেছেন, এই যে দুর্নীতি হয়েছে তা অডিটে কেন ধরা পড়ল না। এসবিএসটিসি-র (SBSTC) গ্যারাজে, তেলে, রক্ষণাবেক্ষণেও দুর্নীতি আছে। কারা করছে এ সব? এজন্য কর্মী, ঠিকাকর্মীদের বেতন হয় না। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেছেন, এই ঘটনা তদন্ত হলে দোষীরা শাস্তি পাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: আদালতের নির্দেশে ধরা পড়ল তৃণমূলের আবাস-দুর্নীতি! কী হয়েছে জানলে চমকে উঠবেন

    South 24 Parganas: আদালতের নির্দেশে ধরা পড়ল তৃণমূলের আবাস-দুর্নীতি! কী হয়েছে জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে যখন রাজ্যের শাসকদল শিক্ষা থেকে শুরু করে রেশন দুর্নীতির কাঁটায় বিদ্ধ, তখন ফের আবাস যোজনার দুর্নীতির ছবি উঠে এল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘি বিধানসভা এলাকায়। আদালতের নির্দেশে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। তদন্তে নেমে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় শাসকের দুর্নীতি নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগে সিলমোহর দিলেন মথুরাপুর ২ নং ব্লকের বিডিও।

    কীভাবে হয়েছিল এই আবাস দুর্নীতি? (South 24 Parganas)

    প্রতারিত উপভোক্তাদের বক্তব্য, আবাস যোজনায় নাম থাকা ব্যক্তির একটি করে আইডি নম্বর করা হয়েছিল বিডিও অফিস থেকে। তোলা হয়েছিল তাঁদের ভাঙা ঘরের ছবি। সেই আইডি নম্বরের পাশে বসানো হয়েছিল সেই ভাঙা ঘরের ছবিটি। পরে, তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ঠ লোকজনের একটা করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ওই আইডির সঙ্গে যোগ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে, প্রকৃত প্রাপকের পরিবর্তে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঢুকে যায় তৃণমূল নেতাদের অ্যাকাউন্টে। আর এতে সহযোগিতা করেছিল বিডিও অফিস ও পঞ্চায়েতের কিছু অসৎ আধিকারিক।

    আবাস দুর্নীতির বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নিলেন বিডিও?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর দু নম্বর ব্লকের নগেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৭ জন গরিব মানুষের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকায় নাম উঠেছিল। আর সেই এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা শাসক দল আর প্রশাসনের আধিকারিকদের সহযোগিতায় অন্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে কে বা কারা তুলে নেয়। অবশেষে এই বিষয় নিয়েই নগেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের স্থানীয় বাসিন্দা দীপু বর নামে এক ব্যক্তি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এরপরই আদালতের নির্দেশে তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়। এই বিষয় নিয়ে মথুরাপুর দু’নম্বর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক সেই এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা করে ফেরত দেওয়ার নোটিশ দিয়েছেন। এমনকী টাকা ফেরত না দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও কথা জানিয়েছেন বিডিও। তবে ইতিমধ্যে সাত-আটজনকে টাকা ফেরত দিতে নোটিশ পাঠালে তাঁদের মধ্যে অনেকেই জানান, কীভাবে তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল তাঁরা তা জানেন না। তাঁরা সেই টাকা দিয়ে ঘর করেছেন, এখন কোথা থেকে সেই টাকা ফেরত দেবেন। তবে, এই ২৭ জনের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন শাসকদলের ঘনিষ্ঠ কিংবা তাঁদের আত্মীয়স্বজন।

    দুর্নীতি ছাড়া তৃণমূল থাকতে পারে না, তোপ বিজেপির জেলা সভা

    মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি নবেন্দুসুন্দর নস্কর বলেন, জল ছাড়া যেমন মাছ থাকতে পারে না, ঠিক তেমনি দুর্নীতি ছাড়া তৃণমূল কংগ্রেস থাকতে পারে না। শুধুমাত্র নগেন্দ্রপুরই নয়। গোটা রায়দিঘি বিধানসভা জুড়েই এরকম ভুরি ভুরি আবাস দুর্নীতি রয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের রায়দিঘির বিধায়ক অলক জলদাতা বলেন, পুরোটাই কোর্টের বিষয়। আমি এই বিষয়ে সেই ভাবে কোনও কিছু মন্তব্য করবো না। তবে, আমি এইটুকুই বলতে পারি, লিস্ট ওপর থেকে হয়ে আসে, এখানে কেন্দ্রীয় সরকারেরও দোষ রয়েছে। তবে, যারা যারা উপভোক্তা নয়, তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। তারা অবিলম্বে টাকাটা ফেরত দিয়ে দিক। তাহলে হয়তো বিষয়টা মিটে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: বিজেপি-র সভায় গেলে এলাকাছাড়া করে দেওয়া হবে, তৃণমূলের হুমকি-পোস্টার!

    Hooghly: বিজেপি-র সভায় গেলে এলাকাছাড়া করে দেওয়া হবে, তৃণমূলের হুমকি-পোস্টার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় ‘শাহি সমাবেশে’ বিপুল জমায়েতের ডাক দিয়েছে বিজেপি। আর সেই সভায় যাতে জমায়েত কম হয়, তা রজন্য উঠেপড়ে লেগেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। আড়ালে আবডালে নয়, একেবার প্রকাশ্যে পোস্টার দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সমাবেশে যাতে মানুষ যোগ না দেন, তার জন্য ভয় দেখাচ্ছে জোড়াফুল শিবির। সভায় গেলে এলাকাছাড়া করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।  চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়া পুরসভা এলাকায়। এখানকার এক নম্বর ওয়ার্ডের কেওটা বটতলা এলাকায় এই ধরনের পোস্টার দেখা যায়।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে? (Hooghly)  

    ২৯ নভেম্বর ‘কলকাতা চলো’র ডাক দিয়েছে বিজেপি। ওই দিন ধর্মতলায় হবে প্রতিবাদ সভা। সেই সভায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে পোস্টার লাগানো হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়া-ব্যান্ডেলেও পোস্টার মারা হয়। বিজেপির সেই পোস্টারের উপর সাদা কাগজে ছাপানো লেখা পোস্টার মারা হয়েছে। তাতে লেখা, ‘কেন্দ্র আমাদের আবাসের টাকা দিচ্ছে না। এলাকা থেকে যাঁরা এই সভায় যাবেন, তাঁদের এলাকাছাড়া করে দেওয়া হবে। তলায় লেখা জয় বাংলা। স্থানীয়দের নজরে পড়ে এই পোস্টার। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    তৃণমূল ভয় পেয়ে এসব করছে, সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিজেপির হুগলি (Hooghly) সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, ‘তৃণমূল ভয় পেয়েছে। তাই এসব করছে। ওরা মানুষের আবাসের টাকা, একশো দিনের কাজের টাকা খেয়েছে। মানুষ এর জবাব দেবে। আর আমাদের প্রতিবাদ সভা বন্ধ করতে হাইকোর্টে গেল, কোনও কাজ হল না। এখন ভয় দেখাচ্ছে সভায় যাতে লোক না হয়। এসব করে কোনও লাভ হবে না। ধৰ্মতলা সভায় বহু মানুষের ভিড় হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, ‘বিজেপি পোস্টারের উপর নিজেরাই পোস্টার মেরে প্রচার চাইছে। ওদের সঙ্গে তিনগাছা লোক নেই। তৃণমূলের খেয়েদেয়ে কাজ নেই পোস্টার মারতে যাবে। মানুষ সব দেখছে বুঝছে, ২৪ সালে সব জবাব দিয়ে দেবে।’

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: প্রকাশ্যে এলোপাথাড়ি কোপ, পাল্টা চলল গুলি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Hooghly: প্রকাশ্যে এলোপাথাড়ি কোপ, পাল্টা চলল গুলি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তত প্রকট হচ্ছে। দুদিন আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একটি কাঠের কারখানায় পুরনো দুজন তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল দলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার হুগলির (Hooghly) তারকেশ্বরের পিয়াসাড়ায় ফের শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল। তৃণমূল নেতাকে এলোপাথাড়ি কোপানোর অভিযোগ উঠল দলেরই বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। অপর গোষ্ঠীর চালানো গুলিতে জখম হলেন এক তৃণমূলকর্মী। টাঙ্গির কোপে গুরুতর আহত ওই নেতার নাম শেখ সাইদুল মোল্লা। গুলির আঘাতে আহত হয়েছেন মুন্সি মুকাদ্দার। আহত অবস্থায় ২ জনকে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতায় রেফার করা হয়েছে সাইদুল মোল্লাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)

    হুগলির (Hooghly) পিয়াসাড়া বাসস্ট্যান্ডে একটি চায়ের দোকানের সামনে বসেছিলেন শেখ সাইদুল মোল্লা। আচমকা কয়েকজন এসে তাঁর উপর টাঙ্গি দিয়ে আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রাণে বাঁচতে তিনি চায়ের দোকানের ভিতরে ঢুকে গেলে, সেখানেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকদিন ধরেই এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে তৃণমূলের নতুন সংগঠন তৈরি হয়েছে। তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জখম তৃণমূল নেতার পরিবারের লোকজনের দাবি।

    যদিও অপর গোষ্ঠীর দাবি, শেখ সাইদুল-সহ বেশ কয়েকজন পার্টি অফিস দখল করছিল। মুন্সি মুকাদ্দার নামে দলের অপর গোষ্ঠীর তৃণমূল কর্মী পার্টি অফিসের সামনে ছিলেন। হঠাৎ তাঁকে মারধর করে সাইদুল ও তাঁর দলবল। তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে। এরপর স্থানীয়রা সাইদুলকে মারধর করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বেশ কয়েকজন যুবক একটি বাইকে এসে সাইদুলকে এলোপাথাড়ি কোপ মারে এবং দোকানে ভাঙচুর চালায়।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে তারকেশ্বর তৃণমূল ব্লক সভাপতি প্রদীপ সিংহরায় বলেছেন, পার্টি অফিস দখল ঘিরে গন্ডগোলের সূত্রপাত। এই বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: ‘মার্চের মধ্যে সিএএ কার্যকরী হয়ে যাবে,’ ঠাকুরনগরে দাঁড়িয়ে আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি-র

    CAA: ‘মার্চের মধ্যে সিএএ কার্যকরী হয়ে যাবে,’ ঠাকুরনগরে দাঁড়িয়ে আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মার্চের মধ্যে সিএএ (CAA) কার্যকরী হয়ে যাবে। রবিবার বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্ৰীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি এই মন্তব্য করেন। মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ আগেই শুরু হয়েছে। শান্তনু ঠাকুরও চেষ্টা করছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই আশ্বাসে নতুন করে চাঙা মতুয়া সম্প্রদায়ের লোকজন। তাঁদের বক্তব্য, সিএএ কবে কার্যকরী হবে তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমাদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দেওয়ায় ভাল লাগছে।

    মতুয়াদের কী বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    এদিন ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে রাস উৎসবে এসেছিলেন কেন্দ্ৰীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি। প্রথমে ঠাকুরবাড়ির হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে পুজো দেন তিনি। এরপর চলে যান নাট মন্দিরে, যেখানে রাসের অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি বলেন, ‘মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কেন্দ্ৰীয় সরকার চেষ্টা করছে। নাগরিকত্ব নিয়ে অমিত শাহ লোকসভায় কথা বলেছিলেন। শান্তনু ঠাকুরও চেষ্টা করছেন। আসলে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার যে প্রক্রিয়া, সেটা অনেক আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। যেসব মতুয়াদের ভারতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাঁরা অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুরের সই করা কার্ড ব্যবহার করুন বিনা বাধায়। শান্তনু ঠাকুরের দেওয়া মতুয়া কার্ড যাঁদের কাছে থাকবে, ভারতবর্ষের কারও হিম্মত নেই যে সেই মতুয়াদের কিছু করবে।’

    সিএএ-র (CAA) জন্য কারা আবেদন করতে পারবেন, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আরও বক্তব্য, আগামী ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ সুপ্রিম কোর্টে নাগরিকত্ব নিয়ে সমস্যার সমাধান হবে। ২০১৪ সালের আগে যাঁরা ভারতে এসেছেন, তাঁরা সিএএ-(CAA) এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিয়ম মেনেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। আর ভারতীয় পরিচয়পত্র না থাকা মতুয়াধর্মীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে, মতুয়াধর্মী মানুষদের উদ্বেগ হওয়ার কিছু নেই।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: লোকসভার আগে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বিজেপির, সুকান্তর হাত ধরে যোগদান

    Sukanta Majumdar: লোকসভার আগে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বিজেপির, সুকান্তর হাত ধরে যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। প্রায় শতাধিক কর্মী, সমর্থক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। বামফ্রন্ট থেকে বহু কর্মী, সমর্থকও বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের ভেটাহার এবং বেরোইল এলাকায় এই যোগদান কর্মসূচি পালন করা হয়। এদিনের যোগদান কর্মসূচিতে সুকান্ত মজুমদার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী  সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।

    এলাকায় উন্নয়ন করেনি তৃণমূল, সরব দলত্যাগী কর্মীরা

    এই বিষয়ে এক যোগদানকারী বলেন, আমাদের ভেটাহার এবং বেরোইল এলাকার রাস্তা খুবই খারাপ। কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে আমরা হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারিনা। আমরা আজ তৃণমূল ও বামফ্রন্ট ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলাম। আমরা জানি বিজেপি আমাদের গ্রামে উন্নয়ন করবে। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন,সবাই এখন বিজেপিতে যোগদান করবে। কারণ সবাই এখন বুঝতে পেরেছে বিজেপি এখন দেশটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেই কারণে এখন বিজেপিতে সবাই যোগাদান করছে।

    বীরভূমে তৃণমূলের বৈঠককে কটাক্ষ সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    বীরভূমে তৃণমূলের গোষ্ঠীদন্দ্ব বিবাদ মেটাতে ময়দানে মমতা। নেত্রীর নির্দেশে তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকা নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, মমতা তৃণমূল এবং ভাইপো তৃণমূলের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই আছে। বীরভূম ব্যতিক্রম নয়, আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে এই দ্বন্দ্ব আরও বেশি প্রকট হবে। ওরা খেলা করবে আমরা খেলা দেখব।

    ভর্তুকি গ্যাসে এবার বায়োমেট্রিক নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষকে তোপ সুকান্তর

    ভর্তুকি গ্যাসে এবার বায়োমেট্রিক, লক্ষ্য আধার যাচাই, বিরোধীদের কটাক্ষ, আবার সাধারণ মানুষের হয়রানি বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিরোধীদের লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদির দেওয়া সাধারণ মানুষের জন্য গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে সেখান থেকে টাকা রোজগার করা। বিরোধীরা জানে যে নরেন্দ্র মোদি কাজ করছেন, দেশের স্বার্থে গ্যাস সিলিন্ডারের ভর্তুকি যত সাধারণ মানুষের কাছে যায় সেটা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এটা দেখা গেছে সাধারণ গ্যাস ব্যবহৃত হয় কমার্শিয়াল ক্ষেত্রে। এটা বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ।

     রাজ্যের হাসপাতালের বেহাল অবস্থা নিয়ে সরব সুকান্ত

    মুখ্যমন্ত্রীর শিলান্যাস করা হাসপাতালে ঝুলছে তালা এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এটাতো নতুন কিছু নয়, রাজ্যের প্রত্যেকটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের হাল বেহাল। মেডিকেল কলেজের নামে নীল সাদা বিল্ডিং করে দিয়েছে। কোনও ডাক্তার নেই। কোনও যন্ত্রপাতি নেই। গোটা রাজ্য জুড়েই একই চিত্র, শুধু নীল সাদা বিল্ডিং হয়েছে স্বাস্থ্য বলে কিছু নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share