Tag: West Bengal

West Bengal

  • India: বাংলাদেশকে বার্তা দিল ভারত! ছোট শিশুর জীবন বাঁচাতে দিল্লি থেকে উড়ে গেল প্রাণদায়ী ওষুধ

    India: বাংলাদেশকে বার্তা দিল ভারত! ছোট শিশুর জীবন বাঁচাতে দিল্লি থেকে উড়ে গেল প্রাণদায়ী ওষুধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতকে (India) হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া জয়ী হয়েছিল। আর সেই ফাইনাল খেলায় ভারতকে হারতে দেখে বাংলাদেশিরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছিলেন। কেউ কেউ আবার পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেছেন বলে নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বিশ্ববাসী তা দেখেছেন। ভারতের প্রতি প্রতিবেশী দেশের এত ঘৃণা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র। বাংলাদেশে ৬ বছরের এক শিশুর প্রাণ বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (India)

    হ্যাম রেডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, আচমকা রেডিও তরঙ্গে এসএমএস  বাংলাদেশের এক হ্যাম রেডিওর সদস্য জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ছয় বছর বয়সী একটি শিশু। চিকিৎসক  যে ওষুধ লিখেছেন সমগ্র বাংলাদেশ তন্ন তন্ন করেও তার হদিশ মেলেনি। ওষুধ খুঁজে বের করার আর্জি জানান তিনি। ভারতীয় (India) হ্যামরা সেই ওষুধের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেন। কলকাতায়  ওই ওষুধের সমগোত্রীয় একটি ওষুধ পাওয়া গেলেও একই ওষুধ না হওয়ায় তা দিতে চিকিৎসকরা রাজি হননি। ফের, ওষুধ খোঁজা শুরু হয়। দিল্লিতে পাওয়া যায় ওই ওষুধ। সেই ওষুধ অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে দিল্লি থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

    বাংলাদেশ হাই কমিশন  এগিয়ে আসেনি, আক্ষেপ হ্যাম কর্তার

    ওয়েস্ট বেঙ্গল হ্যাম রেডিও ক্লাবের সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, খগেন্দ্রনাথ জানা নামে এক হ্যামের সদস্য ওষুধ জোগাড় করেন। বাংলাদেশ হাই কমিশনে যোগাযোগ করি আমরা। সেই সাহায্য করেনি। পরে, অহিরুজ্জামান খান নামে বাংলাদেশে এক নাগরিকের সন্ধান পাই আমরা। তাঁর মাধ্যমে ছোট্ট শিশুর আমরা প্রাণদায়ী সেই ওষুধ পাঠানোর ব্যবস্থা করি। ভারত (India) হারের জন্য বাংলাদেশিরা আনন্দে মেতে উঠেছিল তার যোগ্য জবাব দেওয়া হল। কারণ, ভারত ভালবাসতে জানে। এই ভারতের জন্য ওই দেশের ফুটফুটে এক শিশু কন্যা প্রাণে বাঁচবে। সেখানকার নাগরিকরা আমাদের দেশের প্রতি ঘৃণা ছেড়ে ভালোবাসা শুরু করবে, তত তাঁদের মঙ্গল। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আমরা চাই, ছোট্ট শিশুটির হাসিতে ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রীর হাত আরও  শক্ত হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড তৈরির নিদান তৃণমূলের জেলা নেত্রীর, বিতর্ক

    North 24 Parganas: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড তৈরির নিদান তৃণমূলের জেলা নেত্রীর, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় নাম তুলে লোকসভা নির্বাচনে জেতার ছক কষছে তৃণমূল। এই ধরনের অভিযোগ সাধারণত বিরোধীরা করে থাকে। কিন্তু, লোকসভা ভোটের আগে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শাসক দল যে গুরুত্ব দিচ্ছে তা উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas) তৃণমূলের এক নেত্রীর মন্তব্যে তা প্রকাশ্যে এসেছে। তৃণমূল নেত্রীর ওই বক্তব্য যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল এভাবে জালিয়াতি করে ভোটে জিততে চাইছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেত্রী? (North 24 Parganas)

    শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের জন্মদিন পালন অনুষ্ঠানে যোগ দেন হাবড়া পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভানেত্রী তথা বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারপার্সন তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস, তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস বলেন, আর বাকি তিন মাস। তিন মাস বাদেই আমাদের লড়াই লড়তে হবে। এখন ভোটার তালিকায় নাম তোলার কাজ চলছে। জাকিরদার নির্বাচনী এলাকায় অনেক বাংলাদেশি লোক বসবাস করেন। জাকিরদা, অভিজিৎদা (স্থানীয় তৃণমূল নেতা) লিঙ্কটা ভালো জানেন। যদি লিঙ্কের কোনও সমস্যা হয়, বাংলাদেশ থেকে যাঁরা এসেছেন ভোটার লিস্টে নাম তোলার ক্ষেত্রে যদি সমস্যায় পড়েন, জাকিরদাকে কাছে গেলে তিনি সব ঠিক করে দেবেন। এই কাজটা অতি দ্রুত করবেন। আমরা চাই না, একটা ভোটও বাদ যাক। স্বাভাবিকভাবেই এই বক্তব্যে অস্বস্তিতে পড়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

    দলীয় নেত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব

    এ প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাকির হোসেন বলেন, তিনি সেভাবে কিছু বলতে চাননি, রত্নাদি যেটা বলতে চেয়েছেন, সেটা হল ভোটার তালিকা ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে দেওয়ার কথা। সেটা আমরা বরাবর করি। ওঁর বলার ক্ষেত্রে কিছুটা ভুল হয়েছে। আমরা শুধু ফর্মটা পূরণ করে দিই। বাংলাদেশি কথাটা উচ্চারণ না করলেই ভালো হত। গ্রাম্য কথ্যভাষায়, বাংলাদেশি বলতে যেটা উনি বোঝাতে চেয়েছেন, তা হল সাতচল্লিশ সালের আগে যাঁরা এখানে ছিলেন তাঁরা ভারতীয়, আর তাঁদের পরে যাঁরা এসেছেন তাঁরা বাংলাদেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনায়! বধূকে মাথা মুড়িয়ে দিয়ে শাস্তি

    South 24 Parganas: মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনায়! বধূকে মাথা মুড়িয়ে দিয়ে শাস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে। চুরির অপবাদ দিয়ে গৃহবধূর মাথা মুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ননদ ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় কাকদ্বীপ থানার নামখানা নারায়ণপুর এলাকার রাজ রাজেশ্বরপুরে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ।

    সন্তানের খাবারের জন্য আলমারি থেকে টাকা বের করার অপরাধ (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে বাড়ির বাইরে থাকেন ওই বধূর স্বামী। ছয় মাসের ছেলেকে নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে শাশুড়ি এবং ননদের সঙ্গে বাড়িতে থাকেন বধূ। সন্তানের খাবার ও বাড়ির কিছু জিনিস কেনার প্রয়োজন ছিল ওই বধূর। বার বার সকলের কাছে টাকা চেয়েছেন তিনি। কিন্তু, কেউ কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। তারপর আলমারি খুলে কিছু টাকা নেন ওই মহিলা। সেটা শাশুড়ি জানতে পারেন। তার পরই শুরু হয় চরম নির্যাতন। বধূকে প্রথমে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরের পর নাপিত ডেকে তাঁর মাথা কামিয়ে গাছে বেঁধে রাখা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার খবর চাউর হলে প্রতিবেশীরা নির্যাতিত মহিলার পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদে সরব হন। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বধূকে প্রায়শই শাশুড়ি এবং ননদ নির্যাতন করেন। তাঁদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। ঘটনায় খবর দেওয়া হয়  পুলিশকে। খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছে নির্যাতিত গৃহবধূর শাশুড়ি ও  ননদকে আটক করে করে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ। তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, পারিবারিক অশান্তি থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    প্রতিবাদে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য,বাচ্চার খাবার ও সংসারের টুকিটাকি জিনিস কেনার প্রয়োজনে ঘরের আলমারি খুলে কিছু টাকা নিয়েছিলেন বধূ। তারজন্য এভাবে কাউকে মাথার চুল কেটে প্রকাশ্যে অত্যাচার করা যায়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘মুসলিমদের ভোট ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘মুসলিমদের ভোট ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে নানা টানাপোড়েন চলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের এই দলুয়াখাঁকি গ্রামে। ১৩ নভেম্বর তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্কর খুন হন। এই ঘটনার পর বিভিন্ন  রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বকে আটকে দেওয়া হয়েছে গ্রামের অনেক আগেই। অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে গ্রামে ত্রাণ নিয়ে প্রবেশ করার অনুমতি মিলল। বৃহস্পতিবার দুপুর দুটো নাগাদ দলুয়াখাঁকি গ্রামে পৌঁছন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি গ্রামবাসীদের জন্য ত্রাণ নিয়ে যান। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি আর্থিক সাহায্য করা হয় গ্রামবাসীদের। গ্রামের মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন তিনি। যারা গ্রামে অসুস্থ রয়েছেন, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থার পাশাপাশি যাদেরকে ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদেরও জামিনের ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    মুসলিমদের ভোট ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,’ মুসলিমদের ভোট ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী হওয়া আপনার বাপের সাধ্যি ছিল না। সেই মুসলমানদের এই প্রতিদান দিলেন। তৃণমূলকে ভোট দেয় না বলে এদের ওপর হামলা হয়েছে। বগটুইয়ের মতো পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়েছে দলুয়াখাঁকিতে। দিল্লি যাওয়ার আগে জয়নগরে একবার ঘুরে যান না। আপনি বগটুইতে পুড়িয়েছেন মুসলমানদের। আর এখানে মুসলমানদের বাড়ি পুড়িয়েছেন। বগটুইয়ের মতো পরিকল্পিত হামলা হয়েছে, নাহলে পেট্রল আর হাতুড়ি এল কোথায় থেকে। এই গ্রামের মানুষজন বিরোধী দল করেন বলেই পরিকল্পিতভাবে গ্রামের উপরে হামলা চালানো হয়েছে।’

    সিপিএম প্রতিনিধি দল যায় গ্রামে

    বিরোধী দলনেতার আগে এদিন সকালে সিপিএমের প্রতিনিধি দল গ্রামে ত্রাণ নিয়ে যান। ঘর তৈরির জন্য বাঁশ টিন থেকে শুরু করে অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন গ্রামবাসীদের হাতে। সেই প্রতিনিধি ছিলেন সুজন চক্রবর্তী, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত সিপিএম নেতৃত্ব। যদিও সিপিএমের প্রতিনিধি দল গ্রামের প্রবেশ করার মুখে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান। পাঁচজনের বেশি মানুষ গ্রামে প্রবেশ করতে পারবেন না বলে পুলিশের তরফ থেকে জানিয়ে দিলে দু পক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। শেষ পর্যন্ত সিপিএমের তরফ থেকে ত্রাণ নিয়ে গ্রামে প্রবেশ করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: ফোনে ছেলের গলা শুনেও উদ্বেগ কাটছে না আরামবাগের দুই পরিবারে

    Uttarkashi Tunnel Collapse: ফোনে ছেলের গলা শুনেও উদ্বেগ কাটছে না আরামবাগের দুই পরিবারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশিতে সুড়ঙ্গ ধসে (Uttarkashi Tunnel Collapse) আটকে থাকা ছেলের সঙ্গে কথা বলে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত উদ্বেগ কাটছে না দুই পরিবারে। প্রায় ১২ দিন পার হয়ে গেলেও এখনও উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশিতে ধসের জেরে সুড়ঙ্গের মধ্যে আটকে রয়েছেন ৪১জন শ্রমিক। তারমধ্যে আছে হুগলির আরামবাগ মহকুমার দুই যুবক। একজন পুরশুড়ার থানার নিমডাঙ্গির বাসিন্দা জয়দেব প্রামাণিক, অন্যজন পুরশুড়ার হরিনাখালির বাসিন্দা সৌভিক পাখিরা। তবে, উদ্ধারের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরও তাঁদের এখনও উদ্ধার করা সম্ভব না হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন পরিবারের লোকজন।

    রাজ্যে কোনও কাজ না পেয়ে বাইরে কাজে যান জয়দেব

    সৌভিক ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার ও জয়দেব সার্ভে ইঞ্জিনিয়ার কাজ করেন। প্রায় দেড় বছর আগে জয়দেব ওই কোম্পানিতে কাজে যোগ দেন। বাড়িতে বাবা তাপস প্রামাণিক ও মা তপসী প্রামাণিক। বাবার ছোট্ট চায়ের দোকান রয়েছে। সেখান থেকেই কোনওরকমে সংসার চলত তাদের। পরিবারের পাশে দাঁড়াতেই এই রাজ্যে কোনও কাজ না পেয়ে বাইরে কাজে যান জয়দেব। কিন্তু, হঠাৎ কাজ চলাকালীন সুড়ঙ্গ ধসে (Uttarkashi Tunnel Collapse) ছেলে আটকে পড়ার খবরে যেন বাবা ও মায়ের বাজ পড়ার মতো পরিস্থিতি হয়।

    ‘আমি ঠিক আছি, তোমরাও ভালো থেকো’, সুড়ঙ্গ (Uttarkashi Tunnel Collapse) থেকে বার্তা জয়দেবের

    ছেলের চিন্তায় একেবারে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিশেহারা অবস্থা হয়েছিল জয়দেবের মায়ের। দুশ্চিন্তা ও উদ্বিগ্নের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন। বুধবার রাত্রে হঠাৎ প্রথমে ছেলের ভয়েস কল রেকর্ডিং শুনে কিছুটা স্বস্তি ফেরে মায়ের ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের। যদিও  রাতেই ফোনে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন ছেলে জয়দেব। জয়দেব ফোনে মা’কে বলেন, ‘আমি ঠিক আছি, তোমরাও ভালো থেকো, সময়ে খেয়ে নিও ‘ আর ছেলের সেই কথা শুনে মনে স্বস্তি ফেরে বাবা ও মায়ের।

    বৃহস্পতিবারও পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন সৌরভ

    সৌভিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরে স্বস্তি ফিরেছে পরিবারে। সৌভিকের বাবা অসিত পাখিরা  পেশায় চাষি। মা লক্ষ্মী পাখিরা গৃহবধূ। সৌভিক কলকাতার আশুতোষ কলেজ থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করে উত্তরাখণ্ডে ওই কোম্পানিতে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। পুজোর সময় বাড়ি ফিরে দশ দিন ছুটি কাটিয়ে আবারও কাজে ফিরে যান। কাজে যোগ দেওয়ার চার দিন পরেই এই দুর্ঘটনা ঘটে টানেলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) মধ্যে আটকে পড়েন। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও উত্তরাখন্ড থেকে ফোনে সৌভিক তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন।  পরিবারের সকলে কেমন আছেন তা তিনি জানতে চান। হাসতেও শোনা যায় সৌভিককে। তারপরেই সৌভিকের মা অনেকটাই মনোবল ফিরে পান। তবে, সৌভিকের  মা চাইছেন, সকলকে যেন সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

    সৌভিকের বাড়িতে পুজোর আয়োজন করা হয়

    শুধু সময়ের অপেক্ষা করছেন দুই বাড়ির ছেলে কখন বাড়ি ফিরবে। ছেলের মঙ্গলকামনায় বৃহস্পতিবার বাড়িতে পুরোহিত দিয়ে পূজা অর্চনা করলেন সৌভিকের মা লক্ষীদেবী। যদিও এখনও উৎকণ্ঠায় রয়েছে  দুই পরিবারই ও প্রতিবেশীরা। কবে তাদের ছেলে সহ আটকে থাকা সকলকেই  উদ্ধার করা সম্ভব হবে তার আশায় দিন কাটাচ্ছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাট থেকে নতুন আরও চারটি এক্সপ্রেস ট্রেন, উদ্যোগী সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাট থেকে নতুন আরও চারটি এক্সপ্রেস ট্রেন, উদ্যোগী সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগেই বালুরঘাট রেল স্টেশন থেকে চারটি নতুন ট্রেন পেতে পারেন জেলাবাসী। বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বৃহস্পতিবার ভিডিও বার্তায় একথা জানান। তিনি বলেন, বালুরঘাট রেল স্টেশনে দ্রুত পিকলাইন সিকলাইনের কাজ শেষ হয়ে যাবে। পিকলাইনের কাজ শেষ হলেই বালুরঘাট থেকে নতুন নতুন রুটে ট্রেন চলাচল শুরু করবে।

    বালুরঘাট স্টেশন পরিদর্শনে আসেন ডিআরএম, জিএম

    বৃহস্পতিবার বালুরঘাট স্টেশন পরিদর্শনে আসেন ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার এবং নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ে জেনারেল ম্যানেজার চেতন শ্রীবাস্তব। আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যেই শেষ হবে বালুরঘাট রেল স্টেশনের নির্মীয়মাণ রেল শেড, পিকলাইন সিকলাইনের কাজ। আর এই কাজ শেষ হলেই বালুরঘাট স্টেশন থেকে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন চালু করা সম্ভব হবে বলে জানালেন নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার চেতন শ্রীবাস্তব। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাট থেকে শিয়ালদা সরাসরি একটি নৈশ ট্রেন, বালুরঘাট থেকে গুয়াহাটি (কামাক্ষ্যা এক্সপ্রেস), বালুরঘাট থেকে বেঙ্গালুরু এবং বালুরঘাট থেকে দিল্ল্- এই চারটি নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন পেতে চলেছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাবাসী।

    রেলের কাজের অগ্রগতিতে কড়া নজরদারি ছিল সুকান্তর (Sukanta Majumdar)

    উল্লেখ্য, বালুরঘাট থেকে কোনও যাত্রীকে দিল্লি বা বেঙ্গালুরুতে যেতে হলে মালদা বা হাওড়াতে গিয়ে ট্রেন পরিবর্তন করে যেতে হত। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে উদ্যোগী হন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। বিগত প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে বালুরঘাট স্টেশনে পিকলাইন, সিকলাইন ও রেল শেডের কাজ চলছে। কিন্তু অত্যন্ত ধীর গতিতে কাজ চলার অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার।  এমনকী এই অভিযোগ পেয়ে ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার বিগত কয়েক মাসে একাধিকবার বালুরঘাট স্টেশন পরিদর্শনে এসেছেন। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) যতবার জেলা সফরে এসেছেন, ততবার বালুরঘাট স্টেশনে গিয়ে কাজের তদারকি করেছেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন। অবশেষে চেতন শ্রীবাস্তব বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেন আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যেই নির্মীয়মাণ শেড ও পিকলাইন সিকলাইনের কাজ শেষ হয়ে যাবে। জানুয়ারি মাঝামাঝি অথবা ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই বালুরঘাট থেকে শিয়ালদা একটি ট্রেন ছুটতে শুরু করবে। এছাড়াও একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন চালানো সম্ভব হবে বালুরঘাট শহর থেকে।

    চারটি ট্রেন চালু হওয়ার খবরে খুশি জেলাবাসী

    এই বিষয়ে এক জেলাবাসী শিল্পী বিশ্বাস বলেন, বালুরঘাট থেকে দিল্লি বা বেঙ্গালুরু যেতে হলে আমাদেররকে মালদা বা হাওড়াতে গিয়ে ট্রেন পরিবর্তন করে যেতে হয়। চলতি বছরের প্রথমে বালুরঘাট থেকে চারটি নতুন ট্রেন চালু হলে আমাদের খুব সুবিধা হবে। আমরা এই খবর শুনে খুবই আনন্দিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অপরাধে লাগাম কীভাবে, পুলিশকে শেখাচ্ছেন অর্জুন সিং!

    Barrackpore: বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অপরাধে লাগাম কীভাবে, পুলিশকে শেখাচ্ছেন অর্জুন সিং!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলে পুলিশ অনেক চেষ্টা করেও অপরাধে লাগাম টানতে পারেনি। এক বা দু’বার নয়, বার বার অপরাধীরা প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে খুন করছে। ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনা জ্বলন্ত প্রমাণ। শুধু সামান্য বিষয় নিয়ে গন্ডগোলের জেরে মুড়়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি হচ্ছে। কার্যত বারাকপুর শিল্পাঞ্চল অপরাধীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। পুলিশ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলেও বারাকপুরের সাংসদ কয়েক দফা দাওয়াই দিয়েছেন। সেগুলি মেনে চললে শিল্পাঞ্চলে অপরাধে লাগাম টানা সম্ভব বলে সাংসদের দাবি। তিনি বলেছেন, আমার বাবা, দাদু সকলেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। অপরাধে কী করে লাগাম টানতে হয়, তা আমি জানি। এই শিল্পাঞ্চলে হুকিং, জুয়া আর হেরোইন বন্ধ করতে হবে। এখান থেকে অপরাধীদের হাতে কাঁচা পয়সা আসে। আর তাতে জোর বেড়ে যায়। এই তিনটি জিনিস বন্ধ করতে হবে। আর অপরাধীদের এলাকার বাইরে, নাহলে জেলে রাখতে হবে। এই পদক্ষেপগুলি নেওয়া হলেই শিল্পাঞ্চলে অপরাধে লাগাম টানা যাবে। যদিও তাঁর এইসব বাণী শুনে আড়ালে অনেকেই হাসাহাসি করছেন। কারণ, জনশ্রুতি আছে, বারাকপুর এলাকাজুড়ে তাঁর আগোচরে নাকি কোনও অপরাধই সংঘটিত হতে পারে না। সে হেন অর্জুন দিচ্ছেন নীতিশিক্ষার পাঠ? 

    নাইন এমএম দিয়ে তৃণমূল কর্মী ভিকিকে খুন! (Barrackpore)  

    বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলে অপরাধীদের হাতে সহজেই সেভেন এমএম, নাইন এমএম পৌঁচ্ছে যাচ্ছে। ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে নাইন এমএম দিয়ে খুন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ নাইন এমএম খোল উদ্ধার করেছে। ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে সিসিটিভি ফুটেজ এসেছে। ফুটেজ খতিয়ে দেখে অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। তবে, ঘটনার পর দুদিন কেটে গেলেও মূল অপরাধী তো দূরের কথা, যারা খুনের ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তাদের নাগাল পেল না পুলিশ।

    জেলে বসেই হচ্ছে সমস্ত অপরাধের পরিকল্পনা

    জেলে বসেই বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলে একের পর এক অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। জগদ্দল থানার ভাটপাড়ার পুরসভায় এলাকায় তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে আরও একবার প্রমাণ করে দিল। বছরখানেক আগে বারাকপুরে নামী বিরিয়ানি দোকানের মালিকের উপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছিল। সেই হামলার ছকও হয়েছিল দমদম জেলে বসে। তদন্তে পুলিশের হাতে এই তথ্য আসে। কিছুদিন আগে পলতা এলাকায় এক তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি করে। সেই ঘটনার পরিকল্পনা জেলে বসেই হয়েছিল। পাশাপাশি জেল থেকে ব্যবসায়ীদের কাছে থেকে তোলার টাকা চাওয়া হয়। বার বার জেলের নাম সামনে আসতেই  বারাকপুর পুলিস কমিশনারেট পক্ষ থেকে বারবার দমদম জেল ও বারাকপুর জেল কর্তৃপক্ষকে দুর্গা পুজোর আগে চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না ভাটপাড়ার ঘটনা তা প্রমাণ করে দিয়েছে। জেলে বসেই দাগি অপরাধীরা অনায়াসেই মোবাইল ব্যবহার করছেন। আর সেই মোবাইল থেকেই আসছে তোলাবাজি ও খুনের হুমকি ফোন। রীতিমতো ত্রাসের সৃষ্টি হচ্ছে ওইসব ফোন। ফোনের পর ঘটে যাচ্ছে একটার পর একটা ঘটনা। তৃণমূল কর্মী ভিকিকেও জেল থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalna: কাজের গতি থমকে গিয়েছে, দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের সিংহভাগ কাউন্সিলার

    Kalna: কাজের গতি থমকে গিয়েছে, দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের সিংহভাগ কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আস্থা নেই দলের সিংহভাগ কাউন্সিলারের। আর তাই চেয়ারম্যানকে সরাতে জোটবদ্ধ হয়েছেন দলের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলাররা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালনা (Kalna) পুরসভায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কালনা শহর জুড়়ে এই বিষয় নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কতজন কাউন্সিলার আনল অনাস্থা? (Kalna)

    দলীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা (Kalna) পুরসভার আসন সংখ্যা ১৮টি। এরমধ্যে ১টি আসনে সিপিএম জয়ী হয়েছে। বাকি ১৭ জন কাউন্সিলার তৃণমূলের। পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে দলের ১৪ জন কাউন্সিলার ক্ষুব্ধ। সকলে মিলে আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসেন। সেই সম্মিলিত চিঠি বুধবার ই মেল করে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, পুরসভায় পাঠিয়েছেন তাঁরা। যদিও সেই অনাস্থা সম্মিলিত চিঠি পুরসভায় জমা করতে গেলে কালনা পুরসভা কর্তৃপক্ষ তা নিতে অস্বীকার করে বলে বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের অভিযোগ।

    কেন অনাস্থা?

    কালনা (Kalna) পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলার সুনিল চৌধুরী বলেন, চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের আমলে কাজের গতি থমকে গিয়েছে। নেই উন্নয়ন। মিটিংয়ে যা সিদ্ধান্ত হয় তা পরে তিনি তা মানেন না। নিজের খেয়ালখুশি মতো অফিসে আসেন। কাউন্সিলারদের কথা শোনেন না। নিজের মতো যা খুশি করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ পুরসভায় এসে পরিষেবা পাচ্ছেন না। চেয়ারম্যানের জন্য দলের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। কাউন্সিলার হিসেবে আমরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। উন্নয়নমূলক কাজ করা যাচ্ছে না, তাতে মানুষের সমস্যা হচ্ছে। যার ফলে মানুষের কাছে আমাদের কথা শুনতে হচ্ছে। তাই আমরা সকলের ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছি।

    চেয়ারম্যান কী সাফাই দিলেন?

    কালনা (Kalna) পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত বলেন, শুনেছি কয়েকজন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব দাবি করেছে। কিন্তু সেই সংক্রান্ত কোনও কাগজ আমি হাতে পাইনি। কাগজ হাতে আসলে আমি বিষয়টি নিয়ে যা বলার বলব। সকলকে নিয়ে চলি। এখন কেন তাঁরা এই ধরনের কথা বলছেন জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Police: মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশকে বার বার আক্রমণ তৃণমূলের নেতাদের, দলের লাগাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Police: মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশকে বার বার আক্রমণ তৃণমূলের নেতাদের, দলের লাগাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদাধিকার বলে পুলিশমন্ত্রী। আর সেই পুলিশকেই (Police) নিশানা করছেন শাসকদলের বিধায়করা। কেউ পুলিশকে দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, কেউ আবার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ভাঙড় থেকে মহিষাদল। শাসক দলের নেতাদের নিশানায় পুলিশ। দলের লাগাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    পুলিশকে (Police) কেন হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক শওকত মোল্লা?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলায় কয়েকদিন আগে একটি ফুটবল ম্যাচের শেষে বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় ভাঙড় কলেজ মাঠে। সেই সময় পুলিশ কর্তারা বিশৃঙ্খলা থামানোর চেষ্টা করলে বিধায়ক মাইক্রোফোন হাতে পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা।  তিনি বলেন, ‘আমরা তো বলেছি বাজি ফাটবে না। কোন পুলিশ (Police) অ্যারেস্ট করবে? ইয়ার্কি হচ্ছে? মগের মুল্লুক পেয়েছেন নাকি? একবার অ্যারেস্ট করে দেখান।’ মাইক্রোফোন হাতে উত্তেজিত ভাবে কথা বলতে বলতে বিধায়ক মঞ্চের নীচে নেমে গিয়ে পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে তর্কাতর্কিও জুড়ে দেন শওকত। সূত্রের খবর, ওই পুলিশ কর্তা দমে না গিয়ে পাল্টা বিধায়ককে বলেন, ‘আপনি ঘোষণা করলেও ছেলেরা শুনছে না, বাজি ফাটানো বন্ধ করছে না।’ সেই সময় শওকত ঘনিষ্ঠ সাদেক মল্লিককে আবার মাইক্রোফোন হাতে পুলিশের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা শান্ত থাকুন, অযথা হুজ্জোতি করবেন না।’

    মহিষাদলের তৃণমূল বিধায়কও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন

    কয়েকদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরে মহিষাদল ব্লকের কেশবপুর জালপাই রাধাকৃষ্ণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে তুমুল গণ্ডগোল বাধে বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রামকৃষ্ণ দাসের অনুগামীদের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীর অনুগামীদের। সেদিন বিজেপি প্রধানকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পালটা, তৃণমূল বিধায়ককে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ, মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনার পর তৃণমূল বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীরকে ফোনে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। এরপরই তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ‘পুলিশের (Police) ওইদিন যে ধরনের ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল, সেই ধরনের ভূমিকা পুলিশ নেয়নি।’ বিধায়কের এই মন্তব্যকে সমর্থন করে তমলুক সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূলের সভাপতি আজগর আলি বলেন,’পুলিশ সব জায়গায় নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করছে না। অনেক জায়গায় পক্ষপাতিত্ব করছে। ‘

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share