Tag: West Bengal

West Bengal

  • Fraud: ৮ হাজার কোটি টাকার প্রতারণা! জালের শিকড় খুঁজতে ভিনরাজ্যে পাড়ি পুলিশের

    Fraud: ৮ হাজার কোটি টাকার প্রতারণা! জালের শিকড় খুঁজতে ভিনরাজ্যে পাড়ি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়দায় কল সেন্টারের আড়ালেই চলত বিশাল প্রতারণা চক্র। আমেরিকা, কানাডার নাগরিকদের অ্যাকাউন্ট সাফ করার অভিযোগ উঠেছিল প্রতারকদের বিরুদ্ধে। প্রায় আট হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ প্রতারকদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ ১৭ জনকে গ্রেফতার করে। এবার সেই প্রতারণার আট হাজার কোটি টাকা কোন কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে, তারই হদিশ শুরু করেছে বারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ। ইতিমধ্যে বিদেশে বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্কের হদিশ পেয়েছে পুলিশ। অধিকাংশ অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। যে সব ব্যাঙ্কের হদিশ পেয়েছে পুলিশ, তাদের কাছে নথি চেয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। এই বিশাল চক্রের পিছনে বড় কোনও মাথা রয়েছে। তার মাধ্যমেই সমস্ত প্রতারণা (Fraud) চক্রটি অপারেট করা হত। ভিনরাজ্য সে গা ঢাকা দিয়ে বসে রয়েছে বলে পুলিশের আশঙ্কা। তার খোঁজেই ভিন রাজ্যে যাচ্ছে কমিশনারেটের একটি টিম।

    দুবাই, ব্যাঙ্কক বার বার যেত প্রতারকরা (Fraud)

    বলরাম হাসপাতালে কাছে একটি বাড়িতে ঘরভাড়া নিয়ে প্রতারণা (Fraud) চক্র চলত। সৈয়দ শাহাবাজ হাসান ঘর ভাড়া নিয়েছিল। সন্ধ্যে সাতটা থেকে সারারাত ধরে অফিস চলত। ভোরের দিকে কর্মীরা বাড়ি চলে যেত। সারারাত ধরে চলত প্রতারণা চক্র। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বুলেট সহ দামি দামি বাইক নিয়ে কর্মীরা কাজ করতে আসত। পুলিশ তদন্ত নেমে জানতে পেরেছে, প্রতারকরা বিলাসবহুল জীবনযাপন করত। একাধিকবার দুবাই ও ব্যাংকক যাওয়ারও তথ্য পুলিশের হাতে এসেছে। সেখানে তারা কেন বার বার যেত সেই এটাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। কয়েকদিন আগে দেরদুন থেকে কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল, তারা প্রত্যেকেই পাঁচতারা হোটেলে ছিলেন। বিদেশে যে অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা রাখা হত, সেখানে কোনও চক্র রয়েছে কিনা সেটাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। বিটকয়েন এবং হাওলার মাধ্যমে ওই টাকা আসত বলে পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে।

    ভয়েস চেঞ্জারের মাধ্যমে বিদেশিদের সঙ্গে কথা বলত প্রতারকরা

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা মূলত ভয়েস চেঞ্জারের মাধ্যমে বিদেশিদের সঙ্গে  কথা বলে প্রতারণা (Fraud) করত। তাঁদের কম্পিউটারের অ্যান্টি ভাইরাসের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে, নতুন করে অ্যান্টি ভাইরাস দেওয়ার জন্য তারা লিংক পাঠাত। সেই লিংকে ক্লিক করলেই অ্যাকাউন্টের ডিটেলস চলে আসত প্রতারকদের কাছে। এরপর খড়দায় বসেই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিত প্রতারকরা। আমেরিকা এবং কানাডার ৭০-৮০ জন প্রবীণ নাগরিকের প্রতারিত হওয়ার হদিশ মিলেছে। গত ১৮ অক্টোবর একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে খড়দহ থানা এলাকার বলরাম হাসপাতালের কাছে একটি কল সেন্টারে হানা দেয় খড়দা থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে ৮ হাজার কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। সব মিলিয়ে ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তা কী বললেন?

    বারাকপুরের গোয়েন্দা প্রধান শ্রীহরি পান্ডে বলেন, সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের কাছে থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: চারটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও রোগীর মিলল না চিকিৎসা! তারপর কী হল জানেন?

    Khardah: চারটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও রোগীর মিলল না চিকিৎসা! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগীকে নিয়ে পরিবারের লোকজন চার-চারটি সরকারি হাসপাতালে ঘুরে বেড়ালেন। কোনও হাসপাতালেই মিলল না ঠাঁই। বাধ্য হয়ে রোগী নিয়ে ফের বাড়ি ফিরলেন পরিবারের লোকজন। এই ঘটনা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কী বেহাল দশা, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তবে, বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হতে সোমবার বিকেলে খড়দা (Khardah) বলরাম হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দার (Khardah) রহড়া আজমতলার বাসিন্দা তনুশোভা বন্দ্যোপাধ্যায় রবিবার সকালে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। শরীরে তিনি খিচুনি অনুভব করেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে প্রথমে বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। রোগীর অবস্থা দেখে জানানো হয়, ব্রেন স্ট্রোক হয়েছে। অন্যত্র নিয়ে যেতে হবে। রোগীকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর স্ক্যান করা হয়। পরে জানানো হয়, ব্রেন স্ট্রোক নয়, নিউরোর সমস্যা। এরপর এনআরএস হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কোনও চিকিৎসা মেলেনি। সোমবার রোগীকে নিয়ে যেতে বলা হয়। সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে তাঁরা বাঙ্গুর হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে যান। সেখানেও রোগীর কোনও চিকিৎসা না করেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে, চারটি হাসপাতাল ঘুরে কোথাও তাঁর ঠাঁই মেলেনি। অবশেষে পরিবারের লোকজন দিনভর হাসপাতালে হাসপাতালে রোগী নিয়ে ঘুরে বাড়়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের লোকজন বলেন, রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু, চারটি বড় বড় সরকারি হাসপাতাল ঘুরেও কোনও চিকিৎসা পেলাম না। সরকারি হাসপাতালে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কেউ নেই। কোনও চিকিৎসা পেল না রোগী। পরে, বিষয়টি জানাজানি হতে সোমবার খড়দা (Khardah) হাসপাতালে রোগীকে ভর্তি করা হয়। আমাদের প্রশ্ন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বলে কি কিছু নেই? রোগী নিয়ে এত হয়রানি হওয়ার পর স্বাস্থ্য দফতরের টনক নড়েছে। এখন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী করছিল?

    বিএন বসু হাসপাতালের সুপারের কী বক্তব্য?

    বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালের সুপার এনামুল হক বলেন, কী রোগ নিয়ে রোগী ভর্তি হয়েছিলেন জানি না। তবে, স্ট্রোক হয়ে থাকলে আমাদের চিকিৎসা করা হয়। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার দুই মাওবাদী নেতা, তাঁদের কাছে থেকে কী পেল পুলিশ?

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার দুই মাওবাদী নেতা, তাঁদের কাছে থেকে কী পেল পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে কি মাওবাদীরা নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠল। মুর্শিদাবাদ থেকে দুই মাও নেতাকে গ্রেফতার করার ঘটনা সেই সন্দেহকে নতুন করে উস্কে দিল। পুলিশ ধৃতদের কাছ থেকে পিস্তল ও বুলেট উদ্ধার করেছে। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad)  সুতি থেকে মন্টু মল্লিক ও প্রতীক ভৌমিক নামে দুই মাওবাদী নেতাকে গ্রেফতার করেছে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি পিস্তল ও ৬’টি বুলেট।

    চলছিল তথ্য জোগাড় (Murshidabad)  

    সাত মাস আগে মাওবাদী নেতা প্রদীপ মণ্ডল ওরফে ‘ডাক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে জেরা করে কলকাতা পুলিশ জানতে পারে, বাংলাদেশ সীমান্তে ‘মাও করিডর’ তৈরির কাজ করছে ঝাড়খণ্ডের মাওবাদীরা। তথ্য পেয়ে পুলিশ দুই মাও নেতাকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, মন্টু মল্লিক ওরফে রবি বা ভজা নামে পরিচিত। বেহালার সরশুনা এলাকার বারুইপাড়া রোডের বাসিন্দা তিনি। অন্যদিকে প্রতীক ভৌমিক ওরফে কাঞ্চনের বাড়ি নদিয়ার ধানতলায়। কলকাতা পুলিশের এসটিএফ-এর হাতে আগেও গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। তখনই পুলিশ জানতে পারে, তিনি মাও কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। তবে সে-ব্যাপারে পুলিশের হাতে উপযুক্ত কোনও প্রমাণ ছিল না।

    বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার পথে গ্রেফতার

    কিন্তু তাঁর ওপরে ধারাবাহিক নজরদারি চালিয়ে যায় পুলিশ। তাঁর মোবাইলও ট্র্যাক করা হয়। একটা সময় পুলিশ নিশ্চিত হয়, ঝাড়খণ্ড ও রাজ্যে মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন মন্টু এবং প্রতীক। তখন থেকেই প্রতীক ও মন্টুর ওপর নজর রাখতে শুরু করে এসটিএফ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ১৮ নভেম্বর গভীর রাতে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সূতি এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে পুলিশ পৌঁছয়। পুলিশ জানতে পারে, ওই এলাকার একটি গোপন স্থানে দুই মাওবাদী নেতা বিশেষ বৈঠকে যোগ দিতে যাবেন। বাইকে করে যাওয়ার পথেই তাদের গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ ধসে আটকে বাংলার তিন যুবক, উদ্বেগে পরিবার

    Uttarkashi Tunnel Collapse: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গ ধসে আটকে বাংলার তিন যুবক, উদ্বেগে পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে উত্তরাখণ্ডের কাশীতে টানেলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) ভিতরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে আটকে পড়েছেন হুগলির আরামবাগের পুরশুড়ার দুই যুবক। তাঁদের নাম সৌভিক পাখিরা এবং জয়দেব প্রামাণিক। সৌভিকের বাড়ি পুরশুড়া থানার হরিণাখালি গ্রামে। আর জয়দেব নিমডাঙ্গির বাসিন্দা। আটদিন ধরে তাঁরা আটকে থাকায় পরিবারের লোকজন উদ্বিগ্ন।

    পুজোর ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন (Uttarkashi Tunnel Collapse)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সৌভিক কলকাতার আশুতোষ কলেজ থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করে একটি বেসরকারি কোম্পানির চাকরিতে যোগ দেন উত্তরাখণ্ডে। ৯ মাস আগে ওই কোম্পানির চাকরি করতে যান তিনি। পুজোর ছুটিতে তিনি বাড়িতেও এসেছিলেন। ছুটি কাটিয়ে আবার ফিরে যান কাজে। উত্তরাখণ্ডে পাহাড়ের ভিতর দিয়ে ট্যানেলের মাধ্যমে রাস্তা তৈরির কাজ চলছিল। সেখানেই কাজ করছিলেন সৌভিক ও জয়দেব। কাজ চলাকালীন পাহাড়ে ধস নেমে ট্যানেলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) মুখ বন্ধ হয়ে গিয়ে আটকে পড়েন সৌভিক ও জয়দেব। তারপর উদ্ধারকার্য শুরু হয়েছে বলে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন। কিন্তু কোনওভাবেই সৌভিক ও জয়দেবের সঙ্গে পরিবারের লোকজন যোগাযোগ করতে পারেননি।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    সৌভিকের মা লক্ষ্মী পাখিরা বলেন, গত ১১ নভেম্বর রাতে সৌভিকের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। তারপর থেকে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। ট্যানেলে (Uttarkashi Tunnel Collapse) আটকে রয়েছে। অক্সিজেন ও খাবার পাঠিয়েছে। ওখানে থাকা লোকেদের সঙ্গে ওয়াকিটকির মাধ্যমে তাদের কথাবার্তা হয়েছে বলেই জানতে পেরেছি। জয়দেবের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, জয়দেবের কোম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তবে, জয়দেবের খোঁজ মেলেনি। সুস্থ আছে বলে জানতে পেরেছি। দিল্লি থেকে নতুন মেশিন নিয়ে এসে বসানো হয়েছে, যাতে খুব তাড়াতাড়ি তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

    কোচবিহারের যুবকও আটকে 

    আরামবাগের মতো কোচবিহারের মানিক তালুকদার নামে এক যুবকও ট্যানেলের (Uttarkashi Tunnel Collapse) ভিতরে আটকে রয়েছেন। তাঁর বাড়ি তুফানগঞ্জের চেকাডরা গেরগেন্দার এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৬ মাস আগে তিনি কাজ করতে গিয়েছিলেন। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, ১১ নভেম্বর শেষ কথা হয়েছিল। এখন কেমন আছে তা বুঝতে পারছেন না। কেউ খোঁজ দিলে খুব ভাল হয় বলে তাঁরা জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Joynagar: জয়নগর কাণ্ডে এবার গ্রেফতার তিন তৃণমূল কর্মী

    Joynagar: জয়নগর কাণ্ডে এবার গ্রেফতার তিন তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়নগর কাণ্ডে নতুন করে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম নজরুল মণ্ডল, আকবর ঢালি এবং আমানুল্লাহ জমাদার। তাঁদের প্রত্যেকের বাড়িই দলুয়াখাকিতে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃত তিন জনই এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত। তৃণমূল নেতা খুনের পর গন্ডগোলের ঘটনায় দলীয় কর্মীরা গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় তৃণমূলের দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূল নেতা খুনের পরই একজনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছিল

    তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের মামলার পাশপাশি, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আলাদা মামলা রুজু করে পুলিশ। সেই মামলাতেই রবিবার রাতে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৩ নভেম্বর জয়নগরের বামনগাছির পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্কর বাড়ি থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে মসজিদ নমাজ পড়তে যাচ্ছিলেন।  মসজিদের সিঁড়িতে সবে পা রেখেছিলেন তিনি। এমন সময়ে তাঁর ঘাড়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি চালিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। গুলির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা বেরিয়ে এসেছিলেন। রক্তাক্ত দেহটি তুলে দৌড়েছিলেন হাসপাতালে। কিন্তু বাঁচানো যায়নি সইফুদ্দিনকে। খুনের পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দলুয়াখাকি গ্রাম। সইফুদ্দিনকে গুলি করে পালানোর সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় দু’জন ধরা পড়ে যান স্থানীয়দের হাতে। অভিযোগ, সাহাবুদ্দিন নামে তাঁদের একজনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। অন্য জন, শাহরুল শেখকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    শাসক দলের নেতা খুনের পরই সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষ হয়

    তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনার পর পরই তৃণমূল এবং সিপিএমের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ২০-২৫ টি বাড়িতে ভাঙচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। পরিবারের মহিলাদের মারধর করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, বেছে বেছে শুধুমাত্র সিপিএম কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে ভাঙচুর এবং আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত আনিসুর লস্করকে নদিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও কামালউদ্দিন ঢালি নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবার জয়নগরের দলুয়াখাকিতে ঘরবাড়ি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Cup 2023: বিশ্বকাপ ফাইনালে বিরাট আউট হতেই হৃদরোগে মৃত্যু হল বৃদ্ধের

    World Cup 2023: বিশ্বকাপ ফাইনালে বিরাট আউট হতেই হৃদরোগে মৃত্যু হল বৃদ্ধের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ (World Cup 2023) ফাইনাল নিয়ে রবিবার দেশের সর্বত্র উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই ফাইনাল খেলা দেখতে দেখতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে দেশের হার মেনে নিতে না পেরে আচমকাই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় প্রবীণ এক ক্রিকেটপ্রেমীর। এভাবে মৃত্যুর ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের লোকজন। প্রতিবেশীরাও সুস্থ মানুষের এভাবে চলে যাওয়ার ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না। রবিবার মর্মান্তিক এই ঘটনার সাক্ষী থাকল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। বয়স ৬২ বছর।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (World Cup 2023)  

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সুকুমারবাবুও মুর্শিদাবাদ জেলায় ক্রিকেট খেলার সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। ফলে, খেলার প্রতি তাঁর বরাবরই আগ্রহ ছিল। আর এবার বিশ্বকাপে (World Cup 2023)  ভারতের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ছিলেন তিনি। তাই, ফাইনাল নিয়ে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। রবিবার দুপুরে খেলা শুরুর আগে সব কাজ শেষ করে টিভির সামনে বসেছিলেন। পরিবারের সকলকে নিয়ে খেলা দেখছিলেন তিনি। লাগাতার ভারতের উইকেট পড়তে থাকায় উৎকণ্ঠা বাড়ছিল সকলের মধ্যে। সুকুমারবাবু ঘামতে শুরু করেন। একমাত্র ভরসা ছিলেন বিরাট কোহলি। অর্ধশতরান করার পর তিনিও আউট হতেই তিনি উঠে ছাদে চলে যান। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুকে ব্যথা শুরু হয়ে যায় তাঁর। তাঁকে প্রথমে বেলডাঙা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রতিবেশীদের বক্তব্য, ক্রিকেট খেলা অনেকেই ভালোবাসে। তবে, এরকম ক্রিকেটপ্রেমী খুব কম দেখা যায়।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    সুকুমারবাবুর স্ত্রী গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিশ্বকাপ (World Cup 2023) নিয়ে প্রথম থেকে ওর উৎসাহ ছিল। কোনও ম্যাচ বাদ দেয়নি। আর কয়েক দিন ধরেই শুধু ফাইনাল ম্যাচের কথা বলছিল। বিশ্বকাপ নিয়ে তাঁর বাড়তি উন্মাদনা ছিল। ভারতের উইকেট পড়তে থাকায় ভীষণ ভাবে ঘামতে শুরু করে আমার স্বামী। ছটফট করছিল। বিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর ওর বুকে ব্যথা শুরু হয়। হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagadhatri Puja 2023: চন্দননগরের ‘আদিমা’র পুজোয় সাড়ে তিনশো কেজি চালের পোলাওভোগ

    Jagadhatri Puja 2023: চন্দননগরের ‘আদিমা’র পুজোয় সাড়ে তিনশো কেজি চালের পোলাওভোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭০-৮০ ভরি স্বর্ণালঙ্কারে সাজানো হয় মাকে। ভক্তি, শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস-এই তিনের মেলবন্ধনে মাকে জড়িয়ে রাখেন ভক্তরা। মা যে সবার মনস্কামনা পূরণ করেন! চন্দননগর নিচুপটি চাউলপট্টির জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) মা। যা ‘আদিমা’ নামে সারা বিশ্বে সমাদৃত।

    আদিমা-র শুরুর ইতিহাস (Jagaddhatri Puja 2023)

    চন্দননগরের প্রথম জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) পুজো শুরু হয়েছিল এই চাউলপট্টিকে ঘিরে। কথিত আছে, ইন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী প্রথম এই জগদ্ধাত্রী পুজো চালু করেছিলেন। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগের কথা। তৎকালীন ফরাসি অধ্যুষিত চন্দননগরে ফরাসি সরকারের দেওয়ান ছিলেন তিনি। জনশ্রুতি হল, কৃষ্ণনগরের জগদ্ধাত্রী পুজো দেখে অনুপ্রাণিত হন তিনি। এরপর ফরাসি প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে এই চাউলপট্টি এলাকায় তিনি জগদ্ধাত্রী পুজোর প্রচলন করেন। এই আদিমা হচ্ছে প্রথম বারোয়ারি পুজো। এদিন সকাল থেকেই এই আদিমার মন্দিরে দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে।

    পুজো কমিটির কর্মকর্তারা কী বললেন?

    চাউলপট্টি আদি জগদ্ধাত্রী (Jagadhatri Puja 2023) মা বারোয়ারির সাধারণ সম্পাদক চন্দন ঘোষ বলেন, এই পুজো খুব নিষ্ঠাভাবে করা হয়। এখানে মাকে দেবী দুর্গা হিসেবে দেখা হয়। তাই দুর্গাপুজোর মতোই চারদিন ধরে পুজো হয়। তবে, অন্যান্য প্রতিমার সঙ্গে আদিমার প্রতিমার বেশ কিছু পার্থক্য আছে। যেমন অন্যান্য জগদ্ধাত্রী প্রতিমার ডানদিকে হাতি থাকলেও এখানে বাঁদিকে হাতি থাকে। এছাড়াও দেবীর বাহন সিংহের রং এখানে সাদা। অন্যান্য জায়গায় হলুদ থাকে। পুজোর দিনগুলোতে বলি হয়। ছাগবলি। এছাড়া আমাদের বিশ্বাস, প্রতি পুজোতে মা কিছু অলৌকিক ঘটনা ঘটান। ভক্তদের মনোবাসনা পূর্ণ করেন।

    অষ্টমীর দিন ৩০০ কেজি চালের খিচুড়ি

    এখানে ধুনোপোড়া, দণ্ডিকাটা, ভোগ বিতরণ সবই হয়। ষষ্ঠীর দিন ২০০ কেজি চালের পায়েস ভোগ হিসেবে ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয় (Jagadhatri Puja 2023)। এছাড়া অষ্টমীর দিন ৩০০ কেজি চালের খিচুড়ি এবং নবমীতে সাড়ে তিনশো কেজি চালের পোলাও ভোগ হয়, যা বিনামূল্যে সবাইকে বিতরণ করা হয়। এছাড়া মাকে ভক্তরা যেসব শাড়ি উপহার দেন, তা গরিবদের বিলিয়ে দেওয়া হয়। মায়ের বেনারসিগুলি দুঃস্থ কোনও মেয়ের বিয়েতে দেওয়া হয়। এছাড়া দশমীতে পাওয়া প্রায় ১ কুইন্টাল ফল চন্দননগর হাসপাতালে রোগীদের দান করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: পুরুলিয়ার পুলিশ সুপারের নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা! তারপর কী হল জানেন?

    Purulia: পুরুলিয়ার পুলিশ সুপারের নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা! তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কৃষ্ণনগরের এক স্কুল শিক্ষকের কাছে উত্তরবঙ্গের এক পুলিশ কর্তার পরিচয় দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছিল। প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে শিক্ষক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তবে, এখনও প্রতারকদের হদিশ মেলেনি। এবার সেই একই কায়দায় প্রতারকরা ফাঁদ পেতে প্রতারণা শুরু করেছেন। এবার উত্তরবঙ্গ নয়,পুরুলিয়া (Purulia) পুলিশ সুপারের নামে ফেক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আর্থিক প্রতারণার করার অভিযোগ উঠল প্রতারকদের বিরুদ্ধে।  

    কীভাবে প্রতারণার ছক? (Purulia)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার (Purulia) পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে ফেসবুকে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলেছিল অভিযুক্তরা। তাঁর ইউনিফর্মে থাকা একটি ছবিকেও ব্যবহার করা হয়েছিল অ্যাকাউন্টে। তারপর সেখান থেকেই পাতা হয় প্রতারণার ফাঁদ। ওই প্রোফাইল থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে একটিই মেসেজ পাঠানো হয়। সূত্রের খবর, তাতে লেখা রয়েছে, সিআরপিএফে তাঁর এক বন্ধু কাজের জায়গা থেকে অন্যত্র বদলি হয়ে যাচ্ছেন, সে কারণে তাঁর বাড়িতে থাকা আসবাবপত্র কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন। কেউ চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন। এই পোস্ট, মেসেজ দেখে অনেকেই যোগাযোগ করেন। অগ্রিম বুকিংয়ের নামে টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকেরা। প্রতারণা করার অভিযোগে হাবড়া থেকে দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাহুল ঘটক ওরফে প্রীতম এবং শান্ত মাঝি। রাহুলের বাড়ি হাবড়ায়। অন্যজন শান্তর বাড়ি ঝাড়খণ্ডের গুমলায়। সেও বর্তমানে হাবড়াতেই থাকে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। তাঁরা আরও বড় কোনও চক্রের সঙ্গে জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কতজন ব্যক্তিকে তাঁদের ফাঁদে ফেলেছেন তাও দেখা হচ্ছে।

    প্রতারিতদের কী বক্তব্য?

    প্রতারিতরা বলেন, পুরুলিয়ার (Purulia) পুলিশ কর্তার প্রোফাইল দেখেই আমাদের কোনও সন্দেহ হয়নি। যে টাকা চাওয়া হয়েছিল তা মিটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, আমরা যে প্রতারিত হচ্ছেন তা তখনও বুঝতে পারেননি। পরে, আসবাবপত্র না পেয়ে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ। এরপরই প্রতারণার বিষয়টি আমাদের সামনে আসে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: অভাবে দেড় লক্ষ টাকায় সন্তান বিক্রি! অভিযুক্ত মায়ের থেকে কাটমানি নিলেন তৃণমূল নেতা

    Malda: অভাবে দেড় লক্ষ টাকায় সন্তান বিক্রি! অভিযুক্ত মায়ের থেকে কাটমানি নিলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবের তাড়নায় ১৮ দিনের সদ্যোজাতকে স্থানীয় ব্যবসায়ী দম্পতির কাছে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠল পরিযায়ী শ্রমিকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা সেই সদ্যোজাতকে আবার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেন। তবে, তাঁর কাছে থেকেও কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের ওই নেতার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায়। সমগ্র ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় অভিযুক্ত গৃহবধূর সংসারে অর্থাভাব। ঠিকভাবে জোটে না খাবার। রয়েছে এক বছরের শিশু সন্তান। চলতি মাসের ১ নভেম্বর আবার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন মা। কিন্তু, দ্বিতীয় সন্তানের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। তাই, ১৮ দিনের শিশুকে বিনোদ আগরওয়াল নামে এক ব্যবসায়ী দম্পতির কাছে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ নিজের মুখে স্বীকার করে নিয়েছেন মা। যদিও এই বিক্রি করার খবর জানাজানি হতেই স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা শিশুটিকে ওই ব্যবসায়ী  দম্পতির কাছ থেকে এনে মায়ের কোলে তুলে দেন বলে জানা গেছে। কিন্তু, ওই দেড় লক্ষ টাকা স্থানীয় সেই তৃণমূল নেতা অভাবী মায়ের কাছ থেকে কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে গ্রামের সালিশিতে এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা ফেরত দিলেও ত্রিশ হাজার টাকা এখনও ফেরত দেননি।

    কী বললেন অভিযুক্ত মা?

    অভিযুক্ত মা বলেন, স্বামী আমাকে দেখেন না। সংসার চালানোর টাকা নেই। দ্বিতীয় সন্তান হওয়ায় খাওয়াব কী করে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। পরে, সন্তানকে দেড় লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছিলাম। আমার কাছে থেকে টাকা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে, টাকা ফেরত পেলেও ৩০ হাজার টাকা এখনও পাইনি।

    তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা তথা শিক্ষক দ্রোণাচার্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি শুধু শিশু বিক্রি আটকেছি। কোনওরকম টাকার বিষয় আমি জানি না। শিশু বিক্রি করা অপরাধ। সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা রুখে দাঁড়িয়েছি। সেটা যদি অপরাধ হয় তা আমি করেছি।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি নেতা কিষাণ কেডিয়া বলেন, রাজ্যের কর্মসংস্থানের বেহাল দশা এই ঘটনায় প্রমাণ হচ্ছে। এতটাই অভাব মানুষের যে মানুষ শিশুকে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। আর সেখান থেকেও কাটমানি নিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল। এর থেকে লজ্জার আর কিছু নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: পরকীয়া মেনে নিতে না পেরে স্ত্রী, দুই সন্তানকে খুন করে আত্মঘাতী ব্যবসায়ী

    Khardah: পরকীয়া মেনে নিতে না পেরে স্ত্রী, দুই সন্তানকে খুন করে আত্মঘাতী ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে এক ব্যবসায়ীর স্ত্রী, দুই সন্তান সহ চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। রবিবার সকালে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে খড়দার (Khardah) ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের করবি টাওয়ার্স ফ্লাটে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি স্বামী। এরপরই স্ত্রী, দুই সন্তানকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে নিজেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ব্যবসায়ী। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যবসায়ীর নাম বৃন্দাবন কর্মকার। তাঁর স্ত্রী দেবশ্রী কর্মকার, মেয়ে দেবলীনা কর্মকার এবং আট বছরের ছেলের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃন্দাবনবাবুর বাড়ি খড়দার (Khardah) আদর্শপল্লি এলাকায়। তিনি বলরাম হসপিটালের কাছে এম এস মুখার্জি রোডে একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। ব্যারাকপুর শান্তিবাজারে তাঁর একটি কাপড়ের দোকান ছিল। জানা গিয়েছে, আদর্শপল্লির জায়গাটিকে তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। আবার জানা গিয়েছে, আদর্শপল্লির জমিতে প্রোমোটিং হচ্ছে বলে তিনি ভাড়া বাড়়িতে পরিবার নিয়ে থাকছিলেন। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। জানা গিয়েছে, কালীপুজোয় তিনি এবার প্রতিমা ও বেনারসী দিয়েছিলেন। ফল দিয়ে তৈরি মালাও দিয়েছিলেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই আবাসনে দুই সন্তান, স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন এক ব্যবসায়ী। সকালে ঘরের দরজায় বার বার বেল বাজিয়ে ডাকলেও কোনো সাড়া মেলেনি। স্থানীয় বাসিন্দারা খড়দা পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারকে খবর দেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। দরজা ভেঙে পুলিশ ঘরে ঢুকে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় দুই সন্তান সহ স্ত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। আর ব্যবসায়ীর ঘরের ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

    সুইসাইড নোটে কী লেখা রয়েছে?

    ঘরের ভিতর থেকে সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়। তাতে লেখা রয়েছে, স্ত্রীর সঙ্গে এক যুবকের বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক ছিল। বার বার বলার পরও সে কর্ণপাত করেনি। তাই, এই চরম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বৃহস্পতিবার একটি দোকান থেকে রুটি কিনতে শেষবার ব্যবসায়ীকে দেখা গিয়েছিল। তারপর আর কোনও খোঁজ মিলছিল না। এদিন ঘর থেকে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

    পুরসভার চেয়ারম্যানের কী বক্তব্য?

    খড়দা (Khardah) পুরসভার চেয়ারম্যান নীলু সরকার বলেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক। সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। এই ঘটনার পিছনে যে কারণ রয়েছে পুলিশ তা তদন্ত করে দেখছে। আমরা ওই ব্যবসায়ীর আত্মীয়দের সঙ্গে যোগযোগ করার চেষ্টা করছি।

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (সেন্ট্রাল) আশিস মৌর্য ঘটনাস্থলে যান। তিনি সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেন। এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, তিনি বলেন, সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। একান্তই পারিবারিক, না অন্য কিছু রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share